সহিহ বুখারী অঃ->লাইলাতুল ক্বাদ্‌র এর ফযিলত বাব->রমযানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে লাইলাতুল কদর তালাশ করা । হাঃ-২০১৭

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা রমযানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে লাইলাতুল ক্বদ্‌রের অনুসন্ধান কর।


সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->লায়লাতুল ক্বদর-এর ফাযীলাত, এর অনুসন্ধানের প্রতি উৎসাহ প্রদান, তা কখন হবে তার বর্ণনা এবং তার অনুসন্ধানের সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক সময় হাঃ-২৬৫২

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (রমাযানের) শেষ সাতদিনের রাতগুলোতে লায়লাতুল ক্বদ্র অন্বেষণ কর। (ই.ফা. ২৬২৯, ই.সে. ২৬২৮)


সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->লায়লাতুল ক্বদর-এর ফাযীলাত, এর অনুসন্ধানের প্রতি উৎসাহ প্রদান, তা কখন হবে তার বর্ণনা এবং তার অনুসন্ধানের সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক সময় হাঃ-২৬৬৬

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রমাযান মাসের শেষ দশ দিনে তোমরা ক্বদ্রের রাত (ইবনু নুমায়রের বর্ণনায়) অন্বেষণ কর এবং (ওয়াকী’-এর বর্ণনায়) সন্ধানে সচেষ্ট হও।( ই.ফা. ২৬৪৩, ই.সে. ২৬৪২)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->রমযান মাস বাব->যিনি বর্ণনা করেন, (ক্বদরের রাত রমাযানের) শেষ সপ্তাহে হাঃ-১৩৮৫

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা লাইলাতুল ক্বদর রমাযানের শেষ সাত দিনে অন্বেষণ করো।১৩৮৫ সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।