সহিহ বুখারী অঃ->রোগীদের বর্ণনা বাব->রোগীর শুশ্রুষাকারীর অযূ করা। হাঃ-৫৬৭৬

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার কাছে প্রবেশ করলেন, তখন আমি পীড়িত ছিলাম। তিনি অযূ করলেন। অতঃপর আমার গায়ের উপর অযূর পানি ছিটিয়ে দিলেন। কিংবা বর্ণনাকারী বলেছেনঃ এরপর তিনি উপস্থিত লোকদের বলেছেনঃ তার গায়ে পানি ছিটিয়ে দাও। এতে আমি সংজ্ঞা ফিরে পেলাম। আমি বললামঃ কালালাহ্ (পিতাও নেই, সন্তানও নেই) ছাড়া আমার কোন ওয়ারিশ নেই। কাজেই আমার রেখে যাওয়া সম্পদ কীভাবে বন্টন করা হবে? তখন ফারায়েয সম্বন্ধীয় আয়াত অবতীর্ণ হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৬১)


সহিহ বুখারী অঃ->উত্তরাধিকার বাব->ভাই-বোনদের মীরাস। হাঃ-৬৭৪৩

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার কাছে আসলেন আর সে সময় আমি অসুস্থ ছিলাম। তিনি অযূর পানি চাইলেন এবং অযূ করলেন। তারপর অযূর অবশিষ্ট পানি আমার উপর ছিটিয়ে দিলেন। তাতে আমি প্রাণ ফিরে পেলাম এবং বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার বোনেরা আছে। সে সময় ফারায়েজ সংক্রান্ত আয়াত অবতীর্ণ হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৮৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->ফারায়িয বাব->কালালার [২০] উত্তরাধিকার সংক্রান্ত হাঃ-৪০৪০

জাবির ইবনু ‘আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার কাছে আগমন করেন। আমি তখন রোগে জ্ঞানহারা হয়ে পড়ি। তারপর তিনি ওযূ করেন। তাঁর ওযূর কিছু অংশ লোকেরা আমার উপর ছিটিয়ে দেন। আমি জ্ঞান ফিরে পেয়ে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! কালালাহ্‌ অবস্থায় আমার মীরাস বণ্টন হবে। অতঃপর মীরাসের আয়াত অবতীর্ণ হয়। আমি মুহাম্মাদ ইবনু মুনকাদিরকে বললাম (আরবী) তিনি বললেন, এমনটিই অবতীর্ণ হয়েছে। (ই.ফা. ৪০০৩, ই.সে. ৪০০২)