সহিহ বুখারী অঃ->সালাতের ওয়াক্তসমূহ বাব->ফজরের সময়। হাঃ-৫৭৫

যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তাঁরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে সাহারী খেয়েছেন, অতঃপর ফজরের সালাতে দাঁড়িয়েছেন। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, এ দু’য়ের মাঝে কতটুকু সময়ের ব্যবধান ছিলো? তিনি বললেন, পঞ্চাশ বা ষাট আয়াত তিলাওয়াত করা যায়, এরূপ সময়ের ব্যবধান ছিলো।


সহিহ বুখারী অঃ->তাহাজ্জুদ বাব->সাহ্‌রীর পর ফজ্‌রের সালাত পর্যন্ত জেগে থাকা। হাঃ-১১৩৪

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং যায়দ ইব্‌নু সাবিত (রাঃ) সাহ্‌রী খেলেন। যখন তারা দু’জন সাহ্‌রী শেষ করলেন, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতে দাঁড়িয়ে গেলেন এবং সালাত আদায় করলেন। [ক্বাতাদাহ (রহঃ) বলেন] আমরা আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, তাঁদের সাহ্‌রী সমাপ্ত করা ও (ফজরের) সালাত শুরু করার মধ্যে কি পরিমাণ ব্যবধান ছিল? তিনি বললেন, কেউ পঞ্চাশ আয়াত তিলাওয়াত করতে পারে এতটা সময়।


সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->সাহরীর ফাযীলাত, সাহরী খাওয়া মুস্তাহাব, এর প্রতি গুরুত্বারোপ এবং সাহরী বিলম্বে খাওয়া ও ইফত্বার তাড়াতাড়ি করা মুস্তাহাব হাঃ-২৪৪২

যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সাহ্‌রী খেয়ে সালাতে দাঁড়ালাম। [রাবী আনাস (রাঃ) বলেন] আমি যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, সাহ্‌রী ও আযানের মধ্যে কত সময়ের ব্যবধান ছিল? তিনি বলরেন, পঞ্চাশ আয়াত পড়ার মতো সময়ের। (ই.ফা. ২৪১৯, ই.সে. ২৪১৮)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সিয়াম বা রোজা বাব->বিলম্বে সাহরী খাওয়া হাঃ-১৬৯৪

যায়িদ বিন সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সাহরী খেলাম, এরপর সালাতে দাঁড়ালাম। রাবী কাতাদাহ (রাঃ) বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, সাহরী ও সলাতের মধ্যে কত সময়ের ব্যবধান ছিল? তিনি বলেন, পঞ্চাশ আয়াত তিলাওয়াত করার পরিমাণ সময়। [১৬৯৪]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->কিতাবুল সিয়াম (রোযা) বাব->বিলম্ব করে সাহ্‌রী খাওয়া হাঃ-৭০৩

যাইদ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সাহ্‌রী খাওয়া শেষ করেই আমরা নামায আদায় করতে দাঁড়ালাম। বর্ণনাকারী বলেন, আমি তাঁকে প্রশ্ন করলাম, কি পরিমাণ ব্যবধান ছিল এ দুটির মাঝে তিনি বললেন, পঞ্চাশ আয়াতের সমপরিমাণ (তিলাওয়াতের সময়)। -সহীহ, বুখারী, মুসলিম


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->সাহারী এবং ফজরের সালাতের মধ্যকার ব্যবধান হাঃ-২১৫৫

যায়দ ইব্‌ন ছাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, আমরা রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সাহারী খেলাম। অতঃপর সালাত আদায়ের জন্য দাড়িয়ে গেলাম। রাবী বলেনঃ আমি জিজ্ঞাসা করলাম যে, এতভয়ের মধ্যকার ব্যবধান কতক্ষণ ছিল? তিনি বললেনঃ কোন ব্যক্তির পঞ্চাশ আয়াত পড়ার সম পরিমাণ সময়।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->হিশাম ও সাঈদ (রহঃ) কর্তৃক কাতাদার বর্ণনায় পার্থক্য হাঃ-২১৫৬

যাহাদ ইবন ছাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমরা রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সাহারী খেলাম। অতঃপর (ফজরের) সালাত আদায়ের জন্য দাঁড়িয়ে গেলাম। রাবী বলেনঃ সম্ভবত আনাস (রাঃ) জিজ্ঞাসা করছিলেন, উভয়ের মাঝখানের ব্যবধান কতক্ষণ ছিল? তখন তিনি বলেছিলেন কোন ব্যাক্তির পঞ্চাশ আয়াত পড়ার সমপরিমান সময় (এর ব্যবধান ছিল)।