সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->সুবহে সাদিকের পূর্বে পানাহার করা বৈধ, তবে সুবহে সাদিকের সাথে সাথেই সওম আরম্ভ হয়ে যায়, কুরআনে বর্ণিত ‘ফাজ্‌র’ শব্দের অর্থ হচ্ছে সুব্‌হি সাদিক, এ সময় হতেই সওম আরম্ভ হয় এবং ফাজ্বরের সলাতের সময় শুরু হয়, সওমের বিধি-বিধানের সাথে সুব্‌হি কাযিবের কোন সম্পর্ক নেই হাঃ-২৪২৩

‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, যখন এ আয়াত (আরবী) “তোমরা পানাহার কর যতক্ষণ তোমাদের সামনে কালো রেখা থেকে সাদা রেখা সুস্পষ্ট হয়ে না উঠে”- (সূরাহ্‌ আল বাক্বারাহ্‌ ২ : ১৮৭) নাযিল হলো, তখন ‘আদী (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি আমার বালিশের নীচে একটি কালো ও একটি সাদা রংয়ের রশি রেখে দিয়েছি। এগুলোর দ্বারা আমি রাত ও দিনের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করে থাকি। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (হাসি-ঠাট্টাচ্ছলে) বললেন, তোমার বালিশ তো খুবই চওড়া। জেনে রাখো, এ-তো রাতের অন্ধকার ও দিনের শুভ্রতা। (ই.ফা. ২৪০০, ই.সে. ২৪০০)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সওম (রোজা) বাব->সা্হরীর সময় হাঃ-২৩৪৯

‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হলোঃ ‘তোমরা পানাহার করো যতক্ষণ না রাতের কালো সুতা থেকে ভোরের সাদা সুতা (রেখা) স্পষ্টরুপে তোমাদের নিকট প্রতিভাত হয়’ (সুরাহ আল- বাক্বারাহঃ ১৮৭)। তখন আমি একটি কালো ও একটি সাদা রংয়ের সুতা নিয়ে আমার বালিশের নীচে রাখি। এরপর আমি তা দেখতে থাকি কিন্তু স্পষ্টভাবে দেখতে পেলাম না। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে গিয়ে বিষয়টি উল্লেখ করলে তিনি হেসে উঠলেন এবং বললেন, বালিশ তো দৈর্ঘ্য প্রস্থকারী। বরং এটা হচ্ছে রাত ও দিন। ‘উসমানের বর্ণনায় রয়েছেঃ তা তো রাতের অন্ধকার ও দিনের শুভ্রতা।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->তাফসীরুল কুরআন বাব->সূরা আল-বাক্বারাহ হাঃ-২৯৭০

আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘হাত্তা ইয়াতাবাইয়্যানা লাকুমুল খাইতুল-আবইয়াযু মিনাল-খাইতিল আসওয়াদি মিনাল-ফাজরি” – (সূরা বাক্বারাহঃ ১৮৭) আয়াত অবতীর্ণ হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ এখানে খাইতুল আবইয়াযি মিনাল খাইতিল আসওয়াদি বলতে “রাতের অন্ধকার ও দিনের আলো” বুঝানো হয়েছে। সহীহ : সহীহ আবূ দাঊদ (২০৩৪), বুখারী (৪৫১০), মুসলিম।