সহিহ বুখারী অঃ->তালাক বাব->মহান আল্লাহর বাণীঃ “যারা নিজেদের স্ত্রীদের নিকট না যাওয়ার জন্য শপথ গ্রহণ করে, তাদের জন্য চার মাসের অবকাশ আছে। যদি তারা উক্ত সময়ের মধ্যে ফিরে আসে, তবে নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। এবং তারা যদি তালাক দেয়ার সংকল্প করে, তবে আল্লাহ সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ।” (সূরাহ আল -বাক্বারা ২/২২৬-২২৭) হাঃ-৫২৮৯

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার তাঁর স্ত্রীদের ব্যাপারে ঈলা (কাছে না যাওয়ার শপথ ) করলেন। সে সময় তাঁর পা মচকে গিয়েছিল। তিনি তাঁর কক্ষের মাচায় উনত্রিশ দিন অবস্থান করেন। অতঃপর সেখান থেকে নেমে আসেন। লোকেরা বললঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি তো এক মাসের শপথ করেছিলেন। তিনি বললেনঃ উনত্রিশ দিনেও মাস হয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৯৬)


সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->চাঁদ দেখে সিয়াম পালন করা, চাঁদ দেখে ইফতার করা এবং মাসের প্রথম বা শেষ দিন মেঘাছন্ন থাকলে ত্রিশ দিনে মাস পুরা করা। হাঃ-২৩৯২

‘উবায়দুল্লাহ (রাঃ) থেকে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমাযান মাস সম্পর্কে আলোচনা প্রসঙ্গে বলেনঃ মাস (কোন কোন সময়) ঊনত্রিশ দিনেও হয়ে থাকে। মাস এরূপ, এরূপ এবং এরূপ। তিনি পুনরায় বলেন, মাস গণনা কর। কিন্তু তিনি ত্রিশ দিনের কথা বলেননি। (ই.ফা. ২৩৬৯, ই.সে. ২৩৭০)


সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->চাঁদ দেখে সিয়াম পালন করা, চাঁদ দেখে ইফতার করা এবং মাসের প্রথম বা শেষ দিন মেঘাছন্ন থাকলে ত্রিশ দিনে মাস পুরা করা। হাঃ-২৩৯৫

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, তোমরা চাঁদ দেখে সিয়াম পালন কর (রাখা শুরু কর) এবং চাঁদ দেখে ইফতার কর। আর যদি আকাশ মেঘাছন্ন থাকে তাহলে ত্রিশ দিনে মাস পূর্ণ কর। (ই.ফা. ২৩৭২, ই.সে. ২৩৭৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->চাঁদ দেখে সিয়াম পালন করা, চাঁদ দেখে ইফতার করা এবং মাসের প্রথম বা শেষ দিন মেঘাছন্ন থাকলে ত্রিশ দিনে মাস পুরা করা। হাঃ-২৩৯৭

ইবনু’ উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, ঊনত্রিশ দিনেও মাস (পূর্ণ) হয়। (ই.ফা. ২৩৭৪, ই.সে. ২৩৭৫)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সওম (রোজা) বাব->মাস ঊনত্রিশ দিনেও হয় হাঃ-২৩২০

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মাস কখনো ঊনত্রিশ দিনে হয়। সুতরাং চাঁদ না দেখে তোমরা সওম পালন করবেনা এবং চাঁদ না দেখা পর্যন্ত সওম পালন বন্ধও করবে না। আর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকার কারণে চাঁদ দেখা না গেলে তোমরা মাস ত্রিশদিন পুরা করবে। নাফি‘ (রহঃ) বলেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) শা‘বানের ঊনত্রিশ দিনে পৌঁছুলে আকাশের দিকে তাকাতেন, যদি চাঁদ দেখতে পেতেন তাহলে সওম রাখতেন। কিন্তু যদি না দেখতে পেতেন অথচ আকাশ মেঘ বা কুয়াশামুক্ত রয়েছে, তাহলে সওম রাখতেন না। আর যদি আকাশ মেঘাচ্ছন্ন অথবা কুয়াশাচ্ছন্ন থাকতো তাহলে তিনি পরদিন সওম রাখতেন। বর্ণনাকারী বলেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) সেদিন সওম সমাপ্ত করতেন যেদিন লোকেরা ইফতার করতো (মাস শেষ করতো)।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->তালাক বাব->ঈলা (স্ত্রীসহবাস না করার শপথ) । হাঃ-২০৬১

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কতক স্ত্রীর সংস্পর্শে না আসার জন্য এক মাসের ঈলা করেছিলেন। উনতিরিশ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর বিকালে অথবা সকালে তিনি (স্ত্রীদের নিকট) আসেন। বলা হলো, হে আল্লাহ্‌র রসূল! ঊনতিরিশ দিন তো অতিবাহিত হয়েছে? তিনি বললেন, মাস ঊনতিরিশ দিনেও হয়। [২০৬১]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->কিতাবুল সিয়াম (রোযা) বাব->উনত্রিশ দিনেও একমাস পূর্ণ হয় হাঃ-৬৯০

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার এক মাসের জন্য তাঁর স্ত্রীদের সাথে ঈলা (শপথ) করেন। ঘরের মাচানের একটি কক্ষে তিনি ২৯ দিন থাকেন। লোকেরা বলল, হে রাসূলুল্লাহ! আপনি তো এক মাসের জন্য ঈলা (শপথ) করেছিলেন? তিনি বললেনঃ এই মাসটি ঊনত্রিশ দিনের। -সহীহ, বুখারী।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->যুহ্‌রী (রহঃ) কর্তৃক আয়েশা (রাঃ) থেকে উক্ত রেওয়াত বর্ণনায় সনদের পার্থক্য বর্ণনা হাঃ-২১৩১

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শপথ করেছিলেন যে, তিনি এক মাস বিবিদের কাছে যাবেন না। অতঃপর তিনি উত্রিশ দিন হওয়ার পর (আমার ঘরে প্রবেশ করলে) আমি বললাম, আপনি কি এক মাসের শপথ করেছিলেন না? আমি তো মাসকে ঊনত্রিশ দিন গণনা করেছি। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ মাসটি ছিল ঊনত্রিশ দিনের।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->ইয়াহয়া ইব্‌ন আবী কাসীর (রহঃ) সুত্রে আবূ সালামা থেকে উক্ত হাদীদ বর্ণনায় সনদের পার্থক্য বর্ণনা হাঃ-২১৩৮

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, মাস কখনো ঊনত্রিশ দিনের হয় আবার কখনো ত্রিশ দিনের হয়। যখন তোমরা (রমযানের) চাঁদ দেখবে তখন সাওম (রোযা) পালন করবে, আর যখন (শাওয়াল মাসের) চাঁদ দেখবে তখন সাওম (রোযা) ভঙ্গ করবে। তবে হ্যাঁ, যদি আকাশ মেঘাছন্ন থাকে তবে মাসের ত্রিশ দিন পূর্ন করবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->ইয়াহয়া ইব্‌ন আবী কাসীর (রহঃ) সুত্রে আবূ সালামা থেকে উক্ত হাদীদ বর্ণনায় সনদের পার্থক্য বর্ণনা হাঃ-২১৩৯

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, মাস কখনো ঊনত্রিশ দিনের হয়।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->ইয়াহয়া ইব্‌ন আবী কাসীর (রহঃ) সুত্রে আবূ সালামা থেকে উক্ত হাদীদ বর্ণনায় সনদের পার্থক্য বর্ণনা হাঃ-২১৪৩

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মাস (কখনো) ঊনত্রিশ দিনেরও হয়।


সুনান নাসাঈ অঃ->তালাক বাব->ঈলা১ হাঃ-৩৪৫৬

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাঃ) একমাস স্ত্রীদের নিকট না যাওয়ার কসম ‘ঈলা’ করলেন। এ সময় তিনি উনত্রিশ দিন ‘দ্বিতল’ প্রকোষ্ঠে অবস্থান করলেন। তারপর তিনি অবতরণ করলে বলা হলঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ ! আপনি কি একমাসের ঈলা করেন নি? তিনি বললেনঃ (এ) মাস উনত্রিশ দিনের।