সহিহ বুখারী অঃ->মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য বাব->নবুওয়াতের মোহর। হাঃ-৩৫৪১

জু’আইদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি ‘সাইব ইব্‌ন ইয়াযীদকে বলতে শুনেছি যে, আমার খালা আমাকে আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট নিয়ে গেলেন এবং বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমার ভাগিনা রোগাক্রান্ত। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার মাথায় হাত বুলালেন এবং আমার জন্য বরকতের দু’আ করলেন। তিনি ওযু করলেন, তাঁর ওযুর বাকি পানি আমি পান করলাম। অতঃপর আমি তাঁর পিছন দিকে গিয়ে দাঁড়ালাম তাঁর স্কন্ধের মাঝে “মোহরে নাবুওয়্যাত” দেখলাম যা কবুতরের ডিমের মত অথবা বাসর ঘরের পর্দার বুতামের মত। ইব্‌ন ‘উবায়দুল্লাহ বলেন, (আরবী) অর্থ সাদা চিহ্ন, যা ঘোড়ার কপালের সাদা অংশ এর অর্থ হতে গৃহীত। আর ইব্রাহীম ইব্‌ন হামযাহ বলেন, কবুতরের ডিমের মত। আবূ ‘আবদুল্লাহ বুখারী (রহঃ) বলেন বিশুদ্ধ (আরবী) এর পূর্বে (আরবী) হবে অর্থাৎ (আরবী)।


সহিহ বুখারী অঃ->রোগীদের বর্ণনা বাব->দু’আ নেয়ার উদ্দেশে অসুস্থ শিশুকে নিয়ে যাওয়া। হাঃ-৫৬৭০

সায়িব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার খালা আমাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে নিয়ে গেলেন। এরপর তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার বোনের ছেলে পীড়িত। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার মাথায় হাত বুলালেন এবং আমার জন্য বারাকাতের দু’আ করলেন। এরপর তিনি অযূ করলেন। আমি তাঁর অযূর বেঁচে যাওয়া পানি পান করলাম এবং তাঁর পৃষ্ঠের পশ্চাতে গিয়ে দাঁড়ালাম। তখন আমি মোহরে নবুওয়াতের পানে চেয়ে দেখলাম। সেটি তাঁর দু’স্কন্ধের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত এবং খাটিয়ার গোলাকৃতি ঘুন্টির মত।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৫৫)


সহিহ বুখারী অঃ->দু’আ বাব->শিশুদের জন্য বারাকাতের দু'আ করা এবং তাদের মাথায় হাত বুলানো। হাঃ-৬৩৫২

সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমার খালা আমাকে নিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর নিকটে গেলেন এবং বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল! আমার এ ভাগ্নেটি অসুস্থ। তিনি আমার মাথায় হাত বুলালেন এবং আমার জন্য বারাকাতের দু'আ করলেন। এরপর তিনি অযূ করলে, আমি তার অযূর পানি থেকে কিছুটা পান করলাম। তারপর আমি তাঁর পিঠের দিকে দাঁড়ালাম। তখন আমি তাঁর দু' কাঁধের মাঝে মোহ্‌রে নবূওয়াত দেখতে পেলাম। তা ছিল খাটের চাঁদোয়ার ঝালরের ন্যায়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৭৯৯)


সহিহ মুসলিম অঃ->যাকাত বাব->খারিজী সম্প্রদায় ও তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোচনা হাঃ-২৩৪৫

আবূ সালামাহ্ ও ‘আত্বা ইবনু ইয়াসার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারা উভয়ে আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাযীঃ)-এর কাছে জিজ্ঞেস করলেন, “আপনি কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে হারূরিয়াহ্ (খারিজী জাতি) সম্পর্কে কোন মন্তব্য করতে শুনেছেন? তিনি বলেন, ‘হারূরিয়াহ্’ কে তা আমি জানি না, তবে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ “এ উম্মাতের মধ্যে এমন এক সম্প্রদায়ের আবির্ভাব হবে (কিন্তু তিনি তখনকার উম্মাতকে নির্দিষ্ট করে বলেননি) যাদের সলাতের তুলনায় তোমরা নিজেদের সলাতকে নিম্নমানের মনে করবে। তারা কুরআন পাঠ করবে, অথচ এ পাঠ তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তারা দ্বীন থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যাবে- তীর ছুঁড়লে যেভাবে বেরিয়ে যায়। অতঃপর শিকারী তার ধনুক, তীরের ফলা এবং এর পালকের দিকে লক্ষ্য করে। সে এর লক্ষ্য বস্তুর দিকে দৃষ্টি প্রসারিত করে চিন্তা করে তীরের কোন অংশ রক্তে রঞ্জিত হয়েছে কিনা (অর্থাৎ তাদের মধ্যে ইসলামের নামগন্ধ এবং সামান্যতম চিহ্নও থাকবে না)। (ই.ফা. ২৩২৩, ই.সে. ২৩২৪)


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণের মর্যাদা বাব->মোহরে নবূওয়াত হাঃ-৩৬৪৩

আস্‌-সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমার খালা আমাকে নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গেলেন এবং বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমার এ বোনপুত্র রোগাক্রান্ত। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার মাথায় হাত বুলালেন, আমার জন্য বারাকাত ও কল্যাণের দু‘আ করলেন এবং তিনি উযূ করলে আমি তাঁর উযূর বাকি পানিটুকু পান করলাম। তারপর আমি তাঁর পেছনে গিয়ে দাঁড়ালে, তাঁর দুই কাঁধের মধ্যবর্তী জায়গায় মোহরে নবুওয়াত প্রত্যক্ষ করি। তা ছিল তিতির পাখির ডিমের মতো। সহীহঃ মুখতাসার শামায়িল (১৪), বুখারী ও মুসলিম।