সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->সিয়ামের ফাযীলাত হাঃ-২৬০০

সাহ্‌ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জান্নাতে ‘রাইয়্যান’ নামক একটি দরজা আছে। ক্বিয়ামতের দিন এ দরজা দিয়ে সিয়াম পালনকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর সিয়াম পালনকারীগণ ছাড়া অন্য কেউ তাদের সাথে এ দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। ক্বিয়ামতের দিন সিয়াম পালনকারীদের ডেকে বলা হবে, সিয়াম পালনকারীরা কোথায়? তখন তারা সে দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে। অতঃপর সিয়াম পালনকারীদের শেষ লোকটি প্রবেশ করার সাথে সাথে তা বন্ধ করে দেয়া হবে। অতঃপর সে দরজা দিয়ে আর কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। (ই.ফা. ২৫৭৭, ই.সে. ২৫৭৬)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সিয়াম বা রোজা বাব->সিয়াম বা রোযার ফযিলত। হাঃ-১৬৪০

সাহ্‌ল বিন সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, জান্নাতের একটি দরজার নাম ‘রায়্যান’। কিয়ামাতের দিন সেখান থেকে আহ্বান করা হবেঃ রোযাদারগণ কোথায়? যে ব্যক্তি রোযাদার হবে, সে উক্ত দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে এবং যে উক্ত দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে, সে কখনও পিপাসার্ত হবে না। [১৬৪০]


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->সাওম (রোযা) পালনকারীর ফযীলত সম্পর্কে আবূ উসামা (রাঃ)-এর হাদীসে মুহাম্মদ ইব্‌ন আবূ ইয়াকূব (রহঃ) থেকে বর্ণনাকারীদের বর্ণনা পার্থক্য উল্লেখ হাঃ-২২৩৬

সাহ্‌ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন যে, সাওম (রোযা) পালনকারীদের জন্য জান্নাতে একটি দরজা রয়েছে যাকে রায়্যান বলা হয়, সে দরজা দিয়ে সাওম (রোযা) পালনকারীগণ ব্যতীত অন্য কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। যখন তাদের শেষ ব্যক্তি প্রবেশ করে ফেলবে, সে দরজা বন্ধ করে দেওয়া হবে। যে ব্যক্তি সে দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে সে পানি পান করবে আর যে পানি পান করবে সে কখনো তৃষ্ণার্ত হবে না।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->সাওম (রোযা) পালনকারীর ফযীলত সম্পর্কে আবূ উসামা (রাঃ)-এর হাদীসে মুহাম্মদ ইব্‌ন আবূ ইয়াকূব (রহঃ) থেকে বর্ণনাকারীদের বর্ণনা পার্থক্য উল্লেখ হাঃ-২২৩৭

আবূ হাকিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সাহ্‌ল আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, নিশ্চয়ই জান্নাতে একটি দরজা আছে যাকে রায়্যান বলা হয়। কিয়ামতের দিন বলা হবে কোথায় সাওম (রোযা) পালনকারীরা? তোমরা কেন রায়্যান এর দিকে আসছ না? যে ব্যক্তি সে দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে সে কখনো তৃষ্ণার্ত হবে না। যখন সাওম (রোযা) পালনকারীরা প্রবেশ করে ফেলবে সে দরজা বন্ধ করে দেওয়া হবে। অতএব সে দরজা দিয়ে সাওম (রোযা) পালনকারীগণ ব্যতীত অন্য কেউ প্রবেশ করতে পারবে না।