কা’ব ইবনু উজরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে এমন অবস্থায় দেখলেন যে, উকুন তার মুখমণ্ডলে ঝরে পড়ছে। তখন তিনি বললেন, কীটগুলো কি তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার মাথা মুণ্ডিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন যখন তিনি হুদাইবিয়াহ্তে অবস্থান করছিলেন। তখন সাহাবীগণ মাক্কাহ প্রবেশ করার জন্য খুবই আগ্রহী হয়ে উঠেছিলেন। হুদাইবিয়াহ্তেই তাদের হালাল হতে হবে এ কথা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের কাছে বর্ণনা করেননি। তাই আল্লাহ ফিদইয়ার বিধান অবতীর্ণ করলেন। এ কারণেই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে ছয়জন মিসকীনকে এক ফারাক (প্রায় বারো সের) খাদ্য খাওয়ানোর অথবা একটি বাক্রী কুরবানী করার অথবা তিন দিন সওম পালনের নির্দেশ দিলেন। [১৮১৪] (আ.প্র. ৩৮৪৫, ই.ফা. ৩৮৪৮)
কা’ব ইবনু ‘উজরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পথ অতিক্রম করছিলেন, এ সময় আমি হাঁড়ির নীচে লাকড়ি জ্বালাচ্ছিলাম। তিনি বললেনঃ তোমার মাথার উকুন কি তোমাকে খুব কষ্ট দিচ্ছে। আমি বললামঃ জ্বি, হ্যাঁ। তখন তিনি নাপিত ডাকলেন। সে মাথা মুড়িয়ে দিল। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে ‘ফিদ্ইয়া’ আদায় করার নির্দেশ দিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৫০)