সহিহ বুখারী অঃ->হজ্জ বাব->তাওয়াফে যিয়ারতের পর কোন স্ত্রী লোকের ঋতু আসলে। হাঃ-১৭৫৭

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী সাফিয়্যা বিনতে হুয়াই (রাঃ) ঋতুবর্তী হলেন এবং পরে এ কথাটি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে অবগত করানো হয়। তখন তিনি বললেনঃ সে কি আমাদের যাত্রায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে? তারা বললেন, তিনি তো তাওয়াফে যিয়ারত সমাধা করে নিয়েছেন। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাহলে তো আর বাধা নেই। (২৯৪) (আঃপ্রঃ ১৬৩৫, ইঃফাঃ ১৬৪৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->মাসজিদে যুল হুলায়ফাতে সালাত আদায় প্রসঙ্গে হাঃ-২৭১৩

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হাজ্জের অনুষ্ঠানাদি শুরু করার প্রারম্ভে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুল হুলায়ফায় রাত যাপন করেন এবং এখানকার মাসজিদে সালাত আদায় করেন। (ই.ফা. ২৬৯০, ই.সে. ২৬৮৯)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->ইহরাম অবস্থায় মুহরিম ব্যাক্তির সুগন্ধি ব্যবহার হাঃ-২৭১৪

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ইহরাম বাঁধার সময় এবং (হাজ্জ সমাপনান্তে) ইহরামমুক্ত হবার পর বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফের পূর্বেও আমি তাঁকে সুগন্ধি মেখে দিয়েছি। (ই.ফা. ২৬৯১, ই.সে. ২৬৯০)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->ইহরাম অবস্থায় মুহরিম ব্যাক্তির সুগন্ধি ব্যবহার হাঃ-২৭১৫

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নিজ হাতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ইহরাম বাঁধার প্রাক্কালে এবং ইহরামমুক্ত হবার পর কিন্তু বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফের পূর্বে তাঁকে সুগন্ধি মেখে দিয়েছি। (ই.ফা. ২৬৯২, ই.সে. ২৬৯১)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->ইহরাম অবস্থায় মুহরিম ব্যাক্তির সুগন্ধি ব্যবহার হাঃ-২৭১৬

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহরাম বাঁধার জন্য ইহরামের পোশাক পরিধান করার পূর্বে এবং ইহরামমুক্ত হবার পর বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফের পূর্বে আমি তাঁকে সুগন্ধি মেখে দিতাম। (ই.ফা. ২৬৯৩, ই.সে. ২৬৯২)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->হজ্জ বাব->ইহরাম বাঁধার সময় সুগন্ধি মাখা হাঃ-১৭৪৫

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সুগন্ধি লাগিয়ে দিতাম ইহরাম বাঁধার সময়, ইহরাম বাঁধার পূর্বে এবং ইহরাম খোলার সময় বায়তুল্লাহ্‌ তাওয়াফের পূর্বে। [১৭৪৫]


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->ইহ্’রামের সময় তাল্‌বীদ করা। [১] হাঃ-২৬৮৫

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে তাঁর ইহ্‌রাম বাঁধার পূর্বে এবং তাঁর বায়তুল্লাহ্ তওয়াফ করার পূর্বে ইহ্’রাম খোলার সময়ও তাঁকে সুগন্ধি লাগিয়েছি।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->ইহ্’রামের সময় তাল্‌বীদ করা। [১] হাঃ-২৬৮৬

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর গায়ে তাঁর ইহরামের সময়, তাঁর ইহ্‌রাম বাঁধার পূর্বে সুগন্ধি লাগিয়েছি। তাঁর ইহ্‌রাম খোলার সময়ও যখন তিনি ইহ্‌রাম খুললেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->ইহ্’রামের সময় তাল্‌বীদ করা। [১] হাঃ-২৬৯১

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে উৎকৃষ্ট সুগন্ধি লাগাতাম তাঁর, ইহ্‌রাম-এর সময়, হালাল হওয়ার সময় আর যখন তিনি বায়তুল্লাহর যিয়ারতের (তাওয়াফের) ইচ্ছা করতেন, যা (সুগন্ধি) আমি সংগ্রহ করতে পারতাম।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->ইহ্’রামের সময় তাল্‌বীদ করা। [১] হাঃ-২৬৯২

কাসিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আয়েশা (রাঃ) বলেছেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সুগন্ধি লাগিয়েছি তাঁর ইহ্‌রাম বাঁধার পূর্বে, আর 'নহ্‌র' এর দিন (১০ই যিলহাজ্জ) বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করার পূর্বে এমন সুগন্ধি, যাতে কস্তুরী মিশ্রিত ছিল।