‘আবদুল্লাহ (রাঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ মদীনাবাসীদের মীকাত হলো যুল-হুযায়ফাহ, সিরিয়াবাসীদের মীকাত (মাহইয়া’আহ) যার অপর নাম জুহফা এবং নাজদবাসীদের মীকাত হলো ক্বারন। ইব্নু ‘উমর (রাঃ) বলেন, আমি শুনিনি, তবে লোকেরা বলে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইয়ামেনবাসীদের মীকাত হলো ইয়ালামলাম। (১৩৩) (আঃপ্রঃ ১৪২৮ শেষাংশ, ইঃফাঃ ১৪৩৪ শেষাংশ)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: মাদীনাবাসীগণ যুল হুলায়ফাহ্ থেকে, সিরিয়াবাসীগণ আল জুহফাহ্ থেকে এবং নাজদবাসীগণ ক্বারনুল থেকে ইহরাম বাঁধবে। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমার কাছে খবর পৌছেছে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ইয়ামানবাসীগণ ইয়ালামলাম থেকে ইহরাম বাঁধবে। (ই.ফা. ২৬৭২, ই.সে. ২৬৭১)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি, মাদীনাবাসীদের মুহাল (মীক্বাত) যুল হুলায়ফাহ্, সিরিয়াবাসীদের মুহাল মাহ্ইয়া‘আহ্ (মুহাই‘আহ্) অর্থাৎ আল জুহফাহ্ এবং নাজদবাসীদের মুহাল ক্বারন। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, লোকেরা বলেন: রসুলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ইয়ামানবাসীদের মুহাল ইয়ালামলাম, কিন্তু আমি তা তাঁর নিকট থেকে শুনিনি। (ই.ফা. ২৬৭৩, ই.সে. ২৬৭৩)
ইবনু দীনার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে বলতে শুনেছন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনাবাসীদের যুল হুলায়ফাহ্ থেকে, সিরিয়ার অধিবাসীদেরকে আল জুহফাহ্ থেকে এবং নাজদবাসীদেরকে ক্বারন থেকে ইহরাম বাঁধার নির্দেশ দিয়েছেন। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, আমাকে অবহিত করা হয়েছে যে, তিনি আরও বলেছেন, ইয়ামানবাসীগণ ইয়ালামলাম্ থেকে ইহরাম বাঁধবে। (ই.ফা. ২৬৭৪, ই.সে. ২৬৭২)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনাহ্বাসীদের জন্য ‘উলহুলাইফা’, শামবাসীদের জন্য ‘আল-জুহফা’ এবং নজদবাসীদের জন্য ‘কারণ’ মীক্বাত হিসেবে নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, এবং আমার কাছে এটাও পৌঁছেছে যে, তিনি ইয়ামানবাসীদের জন্য ‘ইয়ালামলাম’ পর্বতকে মীক্বাত নির্দিষ্ট করেছেন। [১৭৩৭]
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মদীনাবাসীগন যুল-হুলায়ফা থেকে, সিরিয়ার অধিবাসীগন আল-জুহ্ফা থেকে, নাজ্দবাসীগণ ‘কারন’ নামক স্থান থেকে ইহরাম বাঁধবে। আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, এই তিনটি মীকাতের বর্ণনা আমি সরাসরি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট শুনেছি। আমি আরোও জানতে পেরেছি যে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইয়ামানবাসীগন ইয়ালামলাম থেকে ইহরাম বাঁধবে। [২৯১৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবদুল্লাহ্ ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মদীনাবাসীরা তালবিয়া পাঠ করবে (ইহ্রাম বাঁধবে) “যুলহুলায়ফা” থেকে, আর সিরিয়াবাসিগণ “জুহুফা” নামক স্থান থেকে, নজদবাসিগণ ‘কারণ’ (নামক স্থান) হতে এবং আমার নিকট বর্ণনা পৌঁছেছে যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আর ইয়ামানবাসিগ্ণ ইহ্রাম বাঁধবে ‘ইয়ালামলাম’ থেকে।
আবদুল্লাহ্ ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি মসজিদে দাঁড়িয়ে বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্। আপনি কোন স্থান থেকে আমাদেরকে ইহ্রাম বাঁধার আদেশ করেন? রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মদীনাবাসীগণ ইহ্রাম বাঁধবে ‘যুলহুলায়ফা’ থেকে। আর সিরিয়াবাসিগণ ‘জুহ্ফা’ থেকে আর নজদবাসিগণ ‘কারন’ থেকে। ইব্ন উমর (রাঃ) বলেনঃ তাঁরা (সাহাবী (রাঃ) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইয়ামানবাসীগণ ‘ইয়ালামলাম’ থেকে তালবিয়া পাঠ (ইহ্রাম) করবে। ইব্ন উমর (রাঃ) বলতেনঃ এ কথাটি আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে (স্পষ্ট শুনতে ও) বুঝতে পারিনি।