সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) হতে তার পিতার থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ভূমি বৃষ্টি, নদ-নদী ও ঝর্ণার পানি দ্বারা সিঞ্চিত হয় অথবা যে ভূমিতে তলদেশে থেকে আপনা আপনিই পানি সিঞ্চত হয়, তাতে ‘উশর’ দেয়া ওয়াজিব (অর্থাৎ উৎপাদিত ফসলের এক-দশমাংশ যাকাত দিবে)। আর যে ভূমি উষ্ট্রী, বালতি কিংবা সেচ যন্ত্র দিয়ে সিঞ্চন করা হয়, তার যাকাত হলো, উশরের অর্ধেক (অর্থাৎ বিশ ভাগে এক ভাগ)। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ বৃষ্টি, নদী ও ঝর্ণার পানিতে সিক্ত জমিনের ফসলের উশর (এক-দশমাংশ) এবং পানিসেচ দ্বারা সিক্ত জমিনের উৎপন্ন ফসলে অর্ধ-উশর (বিশ ভাগের এক ভাগ) যাকাত দিতে হবে। [১৮১৭]
উতবাহ বিন উওয়ায়ম আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ "তোমাদের কুমারী মেয়ে বিবাহ করা উচিত। কেননা তারা মিষ্টমুখী, নির্মল জরায়ুধারী এবং অল্পতেই তুষ্ট হয়। " [১৮৬১]
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে জমি ঝর্ণা ও বৃষ্টির পানির সাহায্যে সিক্ত হয় সে জমিতে উশর ধার্য হবে। সেচের সাহায্যে যে জমি সিক্ত হয় তাতে অর্ধেক উশর ধার্য হবে। -পরবর্তী হাদীসের সহায়তায় হাদীসটি সহীহ।
আবদুল্লাহ্ ইব্ন ওমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যা (যে শস্যক্ষেত্র) বৃষ্টির পানি, খাল-বিল, ও পুকুর-ঝর্ণা দ্বারা (প্রাকৃতিক উপায়ে) সেচপ্রাপ্ত হয়ে অথবা মাটিতে সিঞ্চিত পানি দ্বারা (স্বয়ংক্রিয়) সেচপ্রাপ্ত হয় তাতে ‘উশর’ (এক-দশমাংশ) যাকাত ওয়াজিব হবে। আর যা সেচের উট (পশু) বা বালতি ইত্যাদি দ্বারা অথবা যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সেচপ্রাপ্ত হয় তাতে ‘উশরের অর্ধেক (বিশ ভাগের এক ভাগ) যাকাত (ওয়াজিব হবে)।
জাবির ইব্ন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বৃষ্টির পানি, নদীর পানি এবং ঝরনার পানি দ্বারা সেচকৃত (জমিতে) (শস্যে) উশর এবং সেচের পশু দ্বারা সেচকৃত (জমিতে চাষ) উশরের অর্ধেক (যাকাত ওয়াজিব হবে)।