সহিহ বুখারী অঃ->তাফসীর বাব->আল্লাহর বাণীঃ {يَّوْمَ يُحْمٰى عَلَيْهَا فِيْ نَارِ جَهَنَّمَ فَتُكْوٰى بِهَا جِبَاهُهُمْ وَجُنُوْبُهُمْ وَظُهُوْرُهُمْ طهٰذَا مَا كَنَزْتُمْ لِاَنْفُسِكُمْ فَذُوْقُوْا مَا كُنْتُمْ تَكْنِزُوْنَ}. হাঃ-৪৬৬১

খালিদ ইবনু আসলাম (রহ.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা ‘আবদুল্লাহ ইবন ‘উমার (রাঃ)-এর সঙ্গে বের হলাম। তখন তিনি বললেন, এ আয়াতটি যাকাতের বিধান অবতীর্ণ হওয়ার পূর্বের। এরপর যাকাতের বিধান অবতীর্ণ হলে আল্লাহ তা সম্পদের পরিশুদ্ধকারী করেন। [১৪০৪] (আ.প্র. ৪৩০০, ই.ফা. ৪৩০২)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->যাকাত বাব->যে মালের যাকাত আদায় করা হয় তা পুঞ্জীভূত সম্পদ নয়। হাঃ-১৭৮৭

উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) এর মুক্ত দাস খালিদ বিন আসলাম থেকে বর্নিতঃ

আমি আবদুল্লাহ্‌ বিন উমার (রাঃ) এর সাথে বের হলাম। এক বেদুঈন এসে তাঁকে আল্লাহ্‌র বাণী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলোঃ “যারা সোনা-রূপা পুঞ্জীভূত করে এবং তা আল্লাহ্‌র পথে ব্যয় করে না...”(সূরা তওবাঃ ৩৪)। ইবনু উমার (রাঃ) তাকে বলেন, যে ব্যক্তি সোনা-রূপা পুঞ্জীভূত করে রাখে, অথচ এর যাকাত আদায় করে না, তার জন্য ধ্বংস অনিবার্য। এ অবস্থা ছিল যাকাতের বিধান নাযিল হওয়ার আগের। পরবর্তীতে যাকাতের বিধান নাযিল হলে যাকাতকেই আল্লাহ্‌ মালের পবিত্রতাকারী সাব্যস্ত করেন। অতঃপর ইবনু উমার (রাঃ) লোকটির দিকে তাকিয়ে বলেন, এ ব্যাপারে আমার পরোয়া নেই যে, উহুদ পাহাড় পরিমাণ সোনাও যদি আমার হাতে আসে, তবে আমি তার পরিমাণ নিরূপণ করে এর যাকাত পরিশোধ করবো এবং মহান আল্লাহ্‌র হুকুম পালনে তা ব্যয় করবো। [১৭৮৭]