সহিহ বুখারী অঃ->জানাযা বাব->মুশরিকদের (অপ্রাপ্ত বয়স্ক) সন্তানদের সম্পর্কে যা বলা হয়েছে। হাঃ-১৩৮৪

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মুশরিকদের নাবালক সন্তান সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে বলেন: আল্লাহ তাদের ভবিষ্যৎ ‘আমল সম্পর্কে সম্যক জ্ঞাত।


সহিহ বুখারী অঃ->তাক্‌দীর বাব->আল্লাহ্‌র বাণীঃ মানুষ যা করবে এ সম্পর্কে আল্লাহ্‌ই সবচেয়ে বেশি জানেন। হাঃ-৬৫৯৭

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একবার) রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মুশরিকদের নাবালিগ সন্তানাদি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে উত্তরে তিনি বললেন, তারা (বাঁচলে) কী ‘আমল করত এ ব্যাপারে আল্লাহ্‌ই সবচেয়ে বেশি জানেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১৪৫)


সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->লায়লাতুল ক্বদর-এর ফাযীলাত, এর অনুসন্ধানের প্রতি উৎসাহ প্রদান, তা কখন হবে তার বর্ণনা এবং তার অনুসন্ধানের সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক সময় হাঃ-২৬৬১

আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমাযান মাসের প্রথম দশকে ই’তিকাফ করলেন। এরপর তিনি মাঝের দশকেও একটি তুকী তাঁবুর মধ্যে ই’তিকাফ করলেনে এবং তাঁবুর দরজায় একটি চাটাই ঝুলানো ছিল। রাবী বলেন, তিনি নিজ হাতে চাটাই ধরে তা তাঁবুর কোণে রাখলেন, এরপর নিজের মাথা বাইরে এনে লোকদের সাথে কথা বললেন এবং তারাও তাঁর নিকট এগিয়ে এলো। তিনি বললেন, এ রাতের অনুসন্ধানকল্পে আমি (রমাযানের) প্রথম দশকে ই’তিকাফ করলাম। অতঃপর মাঝের দশকে ই’তিকাফ করলাম। এরপর আমার নিকট একজন আগন্তুক (লোক) এসে আমাকে বলল, ‘লায়লাতুল ক্বদর্ শেষ দশকে নিহিত আছে। অতএব তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি ই’তিকাফ করতে চায় সে যেন ই’তিকাফ করে। লোকেরা তাঁর সঙ্গে (শেষ দশকে) ই’তিকাফ করল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরও বললেন, স্বপ্নে আমাকে তা কোন এক বেজোড় রাতে দেখানো হয়েছে এবং আমি যেন সে রাতে কাদা ও পানির মধ্যে ফজরের সাজ্দাহ্ করছি। (রাবী বলেন), তিনি ২১ তম রাতের ভোরে উপনীত হয়ে ফাজ্‍রের সলাতে দাঁড়ালেন এবং আসমান থেকে বৃষ্টি বর্ষিত হল। ফলে ছাঁদ থেকে মাসজিদে পানি বর্ষিত হল এবং আমি স্বচক্ষে কাদা ও পানি দেখতে পেলাম। তিনি ফজরের সলাত শেষে যখন বের হয়ে এলেন, তখন তাঁর কপাল ও নাকের ডগা সিক্ত ও কর্দমাক্ত ছিল। আর তা ছিল রমাযানের শেষ দশকের ২১তম রাত। (ই.ফা. ২৬৩৮, ই.সে. ২৬৩৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->তাকদীর বাব->প্রত্যেক শিশু ইসলামী স্বভাবের উপর জন্মানোর মর্মার্থ এবং কাফির ও মুসলিমদের মৃত শিশুর বিধান হাঃ-৬৬৫৫

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মুশরিকদের নিষ্পাপ বাচ্চার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, তাদের কর্মের ব্যাপারে আল্লাহই ভালো জানেন। (ই.ফা. ৬৫২১, ই.সে. ৬৫৭২)


সহিহ মুসলিম অঃ->তাকদীর বাব->প্রত্যেক শিশু ইসলামী স্বভাবের উপর জন্মানোর মর্মার্থ এবং কাফির ও মুসলিমদের মৃত শিশুর বিধান হাঃ-৬৬৫৭

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মুশরিকদের ছোট সন্তান যারা শিশু অবস্থায় ইন্তিকাল করে, তাদের ব্যাপারে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করা হলো। জবাবে তিনি বললেন তারা কি ‘আমাল করত সে সম্পর্কে আল্লাহই অধিক অবগত। (ই.ফা. ৬৫২৩, ই.সে. ৬৫৭৪)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সুন্নাহ বাব->মুশরিকদের শিশু সন্তান সম্পর্কে হাঃ-৪৭১১

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মুশরিকদের (নাবালেগ) শিশু সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেনঃ আল্লাহই অধিক জ্ঞাত, তারা (বেঁচে থাকলে) কিরূপ আমল করতো।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সুন্নাহ বাব->মুশরিকদের শিশু সন্তান সম্পর্কে হাঃ-৪৭১৫

ইবনু ওয়াহ্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি ইমাম মালিক (রহঃ) -এর নিকট বলতে শুনেছি প্রবৃত্তির পূজারীরা আমাদের বিরুদ্ধে উপরোক্ত হাদীস দলীল হিসেবে পেশ করে থাকে। তারা বলে যে, নাবালেগ অবস্থায় মারা গেছে এমন সন্তান সম্পর্কে আপনার মতামত কি? তিনি বলেনঃ তারা কিরূপ আমল করতো তা আল্লাহ্ই ভালো জানেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->জানাযা পর্ব বাব->মুশরিকদের সন্তান হাঃ-১৯৪৯

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুশরিকদের সন্তানদের ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হলে বলেছিলেন, আল্লাহ্‌ তা’আলাই তাদের ভবিষ্যৎ কর্ম সম্পর্কে অধিক জ্ঞাত।


সুনান নাসাঈ অঃ->জানাযা পর্ব বাব->মুশরিকদের সন্তান হাঃ-১৯৫০

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুশরিকদের সন্তানদের ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হলে বলেছিলেন, আল্লাহ্‌ তা’আলাই তাদের ভবিষ্যৎ কর্ম সম্পর্কে অধিক জ্ঞাত।


সুনান নাসাঈ অঃ->জানাযা পর্ব বাব->মুশরিকদের সন্তান হাঃ-১৯৫১

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুশরিকদের সন্তানদের ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হলে বলেছিলেন, যখন আল্লাহ্‌ তা’আলা তাদের সৃষ্টি করেন তখন তিনি তাদের ভবিষ্যৎ কর্ম সম্পর্কে অধিক জ্ঞাত।


সুনান নাসাঈ অঃ->জানাযা পর্ব বাব->মুশরিকদের সন্তান হাঃ-১৯৫২

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুশরিকদের সন্তানদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হলে বলেছিলেন, আল্লাহ্‌ তা’আলাই তাদের ভবিষ্যৎ কর্ম সম্পর্কে অধিক পরিজ্ঞাত।