আবদুর রহমান ও ইব্নুল মুসাইয়াব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুর রহমান ও ইব্নুল মুসাইয়াব (রহঃ) বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) তাদেরকে বলেছেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সহাবাদেরকে হাবাশা-এর বাদশাহ নাজাশীর মৃত্যু খবর সেদিন শুনালেন, যেদিন তিনি মারা গিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন, তোমরা তোমাদের (দ্বীনী) ভাই এর জন্য মাগফিরাত চাও। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৯৩ প্রথমাংশ, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৯৮ প্রথমাংশ)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবিসিনিয়ার অধিপতি নাজাশীর যে দিন মৃত্যু হয় সে দিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে তার মৃত্যুর খবর দিলেন এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমাদের ভাইয়ের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, সা‘ঈদ ইবনু মুসাইয়্যিব (রহঃ) আমাকে বলেছেন যে, আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) তাঁর কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, রসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের নিয়ে সলাতের স্থান কাতার করলেন। এরপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায় করলেন এবং এতে (অতিরিক্ত) চার তাকবীর বললেন। (ই.ফা. ২০৭৩, ই.সে. নেই)
উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মৃতের দাফন শেষ করে সেখানে দাঁড়িয়ে বলতেনঃ তোমাদের ভাইয়ের জন্য তোমরা ক্ষমা প্রার্থনা করো এবং সে যেন প্রতিষ্ঠিত থাকে সেজন্য দু’আ করো। কেননা তাকে এখনই জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
ইব্ন মুসায়্যাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) তাঁদের কাছে বর্ণনা করেছেন যে, হাবশার বাদশাহ্ নাজাশী যেদিন মৃত্যুবরণ করেন সেদিন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবীদেরকে তাঁর মৃত্যু সংবাদ দিয়ে বলেছিলেন, তোমরা তোমাদের ভাইয়ের গুনাহ মার্জনার প্রার্থনা কর।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাবশার অধিপতি নাজাশী (রহঃ) যেদিন মৃত্যুবরণ করেছিলেন সেদিনই তাঁর মৃত্যু সংবাদ আমাদের দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন, তোমরা তোমাদের ভাই এর জন্য ইস্তিগফার কর।