সহিহ মুসলিম অঃ->জানাযা সম্পর্কিত বাব->মাইয়্যিতের পরিজনের কান্নাকাটির দরুন মাইয়্যিতকে ক্ববরে শাস্তি দেয়া হয় হাঃ-২০৪৫

‘আমরাহ্ বিনতু ‘আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আয়িশা (রাঃ) এর কাছে শুনেছেন যখন তার কাছে উল্লেখ করা হ’ল যে, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেছেন, মৃত ব্যক্তিকে তার বংশধরদের কান্নাকাটির দরুন শাস্তি দেয়া হয়। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, আল্লাহ আবূ ‘আবদুর রহমানকে (ইবনু ‘উমার) ক্ষমা করুন, কথাটা ঠিক নয়। তবে তিনি মিথ্যা বলেননি। বরং তিনি (প্রকৃত কথাটা) ভুলে গেছেন অথবা ভুল বুঝেছেন। প্রকৃত ব্যাপার হচ্ছেঃ একবার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ইয়াহূদী নারীর ক্ববরের কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় দেখলেন তার জন্য কান্নাকাটি করা হচ্ছে। তিনি বললেন, তারা এর জন্য কান্নাকাটি করছে আর এ নারীকে তার ক্ববরে শাস্তি দেয়া হচ্ছে। (ই.ফা. ২০২৪, ই.সে. ২০৩১)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->জানাযাহ বাব->মৃতের জন্য বিলাপ করলে মৃত ব্যক্তিকে শাস্তি দেয়া হয় হাঃ-১৫৯৫

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ইয়াহূদী নারী মারা গেল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার জন্য তাদের কান্নাকাটি শুনতে পেয়ে বলেন, তার পরিবার-পরিজন তার জন্য ক্রন্দন করছে, অথচ তাকে তার কবরে শাস্তি দেয়া হচ্ছে। [১৫৯৩]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->জানাযা বাব->মৃত ব্যক্তির জন্য কান্নাকাটি করার অনুমতি হাঃ-১০০৬

আমর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আইশা (রাঃ)-এর নিকট শুনেছেন যে, তার নিকট উল্লেখ করা হল যে, ইবনু উমার (রাঃ) বলেন, মৃত ব্যক্তিকে জীবিতদের কান্নাকাটির কারণে শাস্তি দেওয়া হয় (এ কথা শুনে) আইশা (রাঃ) বললেন, আবদুর রাহমানের বাবাকে আল্লাহ তা'আলা ক্ষমা করুন। তিনি মিথ্যা বলেননি। তবে তিনি হয়ত ভুলে গেছেন বা সঠিকভাবে বুঝতে পারেননি। (প্রকৃত বিষয় এই যে,) কোন এক ইয়াহুদী নারীর লাশের বা কবরের পাশ দিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যাচ্ছিলেন। তখন তার জন্য কান্নাকাটি করা হচ্ছিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন বললেনঃ তার জন্য তো এরা কান্নাকাটি করছে, অথচ তাকে কবরের মাঝে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। -সহীহ, আল-আহকাম (২৮), বুখারী, মুসলিম।


সুনান নাসাঈ অঃ->জানাযা পর্ব বাব->মৃতের জন্য বিলাপ করা হাঃ-১৮৫৬

আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবূ বকর (রাঃ)-কে খবর দিয়েছেনঃ যখন আয়েশা (রাঃ)-এর কাছে উল্লেখ করা হল যে, আব্দুল্লাহ ইব্‌ন উমর (রাঃ) বলছেনঃ মৃত ব্যক্তিকে তার জন্য জীবিতদের ক্রন্দনের কারণে শাস্তি দেওয়া হয়। তখন তিনি বললেন, আল্লাহ তাআলা আবূ আব্দুর রহমান (আব্দুল্লাহ ইব্‌ন উমর) (রাঃ)-কে ক্ষমা করুন! তিনি মিথ্যা বলেন নি কিন্তু তিনি ভুলে গেছেন বা ভুল করে ফেলেছেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার এক ইহূদী মহিলার কবরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যার জন্য ক্রন্দন করা হচ্ছিল। তখন তিনি বলেছিলেন, তারা ঐ মৃতার জন্য ক্রন্দন করছে আর ঐ মৃতাকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে।