সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->আযানের মর্যাদা । হাঃ-৬০৮

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন সালাতের জন্য আযান দেয়া হয়, তখন শয়তান হাওয়া ছেড়ে পলায়ন করে, যাতে সে আযানের শব্দ না শুনে। যখন আযান শেষ হয়ে যায়, তখন সে আবার ফিরে আসে। আবার যখন সালাতের জন্য ইক্বামাত বলা হয়, তখন আবার দূরে সরে যায়। ইক্বামাত শেষ হলে সে পুনরায় ফিরে এসে লোকের মনে কুমন্ত্রণা দেয় এবং বলে এটা স্মরণ কর, ওটা স্মরণ কর, বিস্মৃত বিষয়গুলো সে মনে করিয়ে দেয়। এভাবে লোকটি এমন পর্যায়ে পোঁছে যে, সে কয় রাক’আত সালাত আদায় করেছে তা মনে করতে পারে না।


সহিহ মুসলিম অঃ->তাহারাত (পবিত্রতা) বাব->কষ্ট সত্ত্বেও পরিপূর্ণভাবে ওযূ করার ফযীলত হাঃ-৪৭৫

আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি কি তোমাদের এমন কাজ জানাবো না, যা করলে আল্লাহ (বান্দার) পাপরাশি দূর করে দেন এবং মর্যাদা বৃদ্ধি করেন? লোকেরা বলল, হে আল্লাহর রসূল! আপনি বলুন। তিনি বললেনঃ অসুবিধা ও কষ্ট সত্ত্বেও পরিপূর্ণরূপে ওযূ করা, মাসজিদে আসার জন্যে বেশি পদচারণা করা এবং এক সালাতের পর আর এক সালাতের জন্যে প্রতীক্ষা করা; আর এ কাজগুলোই হল সীমান্ত প্রহরা। [৮০] (ই.ফা. ৪৭৮, ই.সে. ৪৯৪)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাত (নামায) বাব->উচ্চৈঃস্বরে আযান দেয়া হাঃ-৫১৬

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন সলাতের আযান দেয়া হয়, তখন শাইত্বান সশব্দে হাওয়া ছাড়তে ছাড়তে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে পালিয়ে যায়, যেন আযানের শব্দ তার কানে না পৌঁছে। আযান শেষ হলে সে আবার ফিরে আসে। সলাতের ইক্বামাত দেয়া হলে সে আবার পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে পালিয়ে যায়। ইক্বামাত শেষে সে আবার ফিরে আসে এবং মুসল্লীর মনে অহেতুক চিন্তার উদ্রেক করায় এবং বলে, উমুক কথা স্মরন করো। সে এমন কথা স্মরন করিয়ে দেয় যা তার চিন্তায়ই আসেনি। এমনকি মুসল্লী কখনো ভুলেই যায় যে, কত রাক’আত সলাত আদায় করেছে। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।


সুনান নাসাঈ অঃ->আযান বাব->আযান দেওয়ার ফযীলত হাঃ-৬৭০

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন : যখন সালাতের জন্য আযান দেওয়া হয়, তখন শয়তান সশব্দে বায়ু ছাড়তে ছাড়তে পালায় যাতে আযানের আওয়াজ না শোনে। আযান শেষ হলে সে আবার আসে। তারপর সালাতের জন্য ইকামত আরম্ভ হলে সে আবার পালায়। ইকামত বলা শেষ হলে পুনরায় উপস্থিত হয়ে মুসল্লীদের মনে খটকা সৃষ্টি করে এবং যে সকল বিষয় তার স্মরণ ছিল না সে সকল বিষয়ে সে বলতে থাকে, ‘অমুক বিষয় স্মরণ কর, অমুক বিষয় স্মরণ কর’। অবশেষে সে ব্যক্তি এরূপ হয়ে যায় যে, সে বলতে পারে না কত রাকা‘আত সালাত আদায় করেছে।