সহিহ বুখারী অঃ->সাহাবীগণের মর্যাদা বাব->‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমার ইব্‌নু খাত্তাব (রাঃ)-এর মর্যাদা। হাঃ-৩৭৩৯

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

তিনি তা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বর্ণনা করেন। তিনি বললেন, ‘আবদুল্লাহ খুব চমৎকার মানুষ। যদি সে রাতে সলাত আদায় করত। (তাঁর পুত্র) সালিম (রহঃ) বলেন, অতঃপর ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) রাতে খুব অল্প সময়ই ঘুমাতেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৫৭ শেষাংশ, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৬৫ শেষাংশ)


সহিহ মুসলিম অঃ->সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) বাব->আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর ফযিলত হাঃ-৬২৬৪

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জীবিতাবস্থায় জনৈক লোক স্বপ্নে দেখলে তা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বর্ণনা করতেন। আমি প্রত্যাশা করে ছিলাম যে, আমি কোন স্বপ্নে দেখলে তা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে উল্লেখ করি। বর্ণনাকারী বলেন, সে সময় আমি বলিষ্ঠ অবিবাহিত যুবক ছিলাম এবং রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জীবদ্দশায় আমি মাসজিদে ঘুমাতাম। তখন আমি স্বপ্নে দেখলাম যেন দু’জন ফেরেশ্তা আমাকে ধরে তাঁরা আমাকে জাহান্নামের নিকট নিয়ে গেলন। তখন দেখলাম যে, সেটি একটি গভীর গর্ত, একটি কূপের গর্তের ন্যায়। তাতে দু’টি কাষ্ঠখণ্ড দেখলাম যা কূপের উপরে স্বাভাবিকভাবে থাকে। সেকানে কিছু ব্যক্তি ছিল যাদের আমি চিনলাম। আমি তখন বলতে শুরু করলাম- ………………. . . “আমি জাহান্নাম হতে আল্লাহর আশ্রয় চাই, আমি জাহান্নাম হতে আল্লাহর আশ্রয় চাই, আমি জাহান্নাম হতে আল্লাহর আশ্রয় চাই”। বর্ণনাকারী বেলেন, সে দু’ফেরেশ্তার সাথে আরও কতিপয় ফেরেশ্তা মিলিত হলেন। তিনি আমাকে বললেন, তোমার কোন শঙ্কা নেই। অতঃপর আমি এ স্বপ্নের কথা হাফসাহ্ (রাঃ)-এর নিকট উল্লেখ করলাম। হাফসাহ্ (রাঃ) তা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বর্ণনা দিলেন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলরেন, ‘আবদুল্লাহ কতই না উত্তম লোক! সে রাতে যদি (তাহাজ্জুদ) সলাত আদায় করত। সালিম (রাঃ) বলেন, এরপর ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) রাত্রে খুব কম সময়ই ঘুমিয়ে যেতেন। (ই. ফা. ৬১৪৬, ই. সে. ৬১৮৯)