আবূ রাফি’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-এর সঙ্গে ‘ইশার সালাত আদায় করলাম। সেদিন তিনি 'إِذاَ السَّماءُ انشَقَّت' সূরাটি তেলাওয়াত করে সিজদা করলেন। আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমি আবুল কাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পিছনে এ সিজদা করেছি, তাই তাঁর সঙ্গে মিলিত না হওয়া পর্যন্ত এ সূরায় সিজদা করব।
আবূ রাফি‘ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-এর সঙ্গে ‘ইশার সালাত আদায় করলাম। তিনি 'إِذاَ السَّماءُ انشَقَّت' সূরাটি তেলাওয়াত করে সিজদা করলেন। আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, এ সিজদা কেন? তিনি বলেন, আমি আবুল কাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পিছনে এ সূরায় সিজদা করেছি, তাই তাঁর সঙ্গে মিলিত না হওয়া অবধি আমি এতে সিজদা করব।
আবূ রাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) -এর পিছনে ‘ইশার সলাত আদায় করলাম। (এ সলাতে) তিনি সূরাহ্ ‘ইযাস্ সামা-উন্ শাক্ক্বাত” পাঠ করে সাজদাহ্ (তিলাওয়াতের সিজদাহ) করলেন। (সলাত শেষে) আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, কিসের জন্য এ সাজদাহ্? তিনি বললেনঃ আবুল ক্বাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পিছনে সলাত আদায় করাকালে এ সূরায় আমি সাজদাহ্ করেছি। সুতরাং তাঁর সাথে মিলিত না হওয়া পর্যন্ত (আমৃত্যু) আমি এ সূরাহ্ তিলাওয়াত করে সাজদাহ্ করতে থাকব। অবশ্য হাদীস বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল আ’লা তারতম্য সহকারে কিছুটা বর্ণনা করে বলেছেনঃ আমি এ সাজদাহ্ পরিত্যাগ করব না। (ই.ফা.১১৮০, ই.সে. ১১৯২)
আবূ রাফি’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-এর সাথে ‘ইশার সলাত আদায় করি। তিনি সূরাহ ‘ইযাস্-সামাউন শাক্কাত’ তিলাওয়াত করে সিজদা করলেন। আমি তাকে বলি, এ সিজদা কিসের? তিনি বললেন, আমি আবুল ক্বাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পিছনে এ সিজদা করেছি এবং মৃত্যু পর্যন্ত আমি এ সিজদা আদায় করতে থাকবো। সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
আবু রাফি (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবু হুরায়রা (রা)-এর পেছনে ইশার সালাত আদায় করেছি। তিনি (আরবী) পাঠ করে তাতে সিজদা করলেন। যখন সালাত শেষ করলেন, আমি বললাম, হে আবু হুরায়রা! আমরা তো এ সিজদা করতাম না। তিনি বললেন, এ সিজদা করেছেন আবুল কাসেম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। তখন আমি তাঁর পেছনে ছিলাম। অতএব, আমি সর্বদা এ সিজদা করতে থাকব, যতদিন না আমি আবুল কাসেম-এর সঙ্গে মিলিত হব।