জামে' আত-তিরমিজি > হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান (রাঃ)-এর মর্যাদা
জামে' আত-তিরমিজি ৩৮১২
حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، أخبرنا إسحاق بن عيسى، عن شريك، عن أبي اليقظان، عن زاذان، عن حذيفة، قال قالوا يا رسول الله لو استخلفت . قال " إن استخلفت عليكم فعصيتموه عذبتم ولكن ما حدثكم حذيفة فصدقوه وما أقرأكم عبد الله فاقرءوه " . قال عبد الله فقلت لإسحاق بن عيسى يقولون هذا عن أبي وائل . قال لا عن زاذان إن شاء الله . قال هذا حديث حسن وهو حديث شريك .
হুযাইফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, লোকেরা বলল, হে আল্লাহ্র রাসূল! যদি আপনি কাউকে খালীফা (স্থলাভিসিক্ত) নিযুক্ত করে যেতেন। তিনি বললেনঃ আমি কাউকে তোমাদের খালীফা নিযুক্ত করে গেলে এবং তোমরা তার অবাধ্যাচারী হলে তোমাদেরকে সাজা দেয়া হবে। সুতরাং হুযাইফা (রাঃ) তোমাদের নিকট যা বর্ণনা করে তাকে সত্য বলে গ্রহণ কর এবং ইবনু মাসঊদ (রাঃ) তোমাদেরকে যা কিছু পাঠ করায় তা পাঠ করে নাও। যঈফ, মিশকাত (৬২৩২), আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান বলেন, আমি ইসহাক ইবনু ঈসাকে বললাম, লোকেরা বলেন, এ হাদীস আবূ ওয়াইল হতে বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন, না, বরং তা ইনশা আল্লাহ যাযান থেকে।
হুযাইফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, লোকেরা বলল, হে আল্লাহ্র রাসূল! যদি আপনি কাউকে খালীফা (স্থলাভিসিক্ত) নিযুক্ত করে যেতেন। তিনি বললেনঃ আমি কাউকে তোমাদের খালীফা নিযুক্ত করে গেলে এবং তোমরা তার অবাধ্যাচারী হলে তোমাদেরকে সাজা দেয়া হবে। সুতরাং হুযাইফা (রাঃ) তোমাদের নিকট যা বর্ণনা করে তাকে সত্য বলে গ্রহণ কর এবং ইবনু মাসঊদ (রাঃ) তোমাদেরকে যা কিছু পাঠ করায় তা পাঠ করে নাও। যঈফ, মিশকাত (৬২৩২), আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান বলেন, আমি ইসহাক ইবনু ঈসাকে বললাম, লোকেরা বলেন, এ হাদীস আবূ ওয়াইল হতে বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন, না, বরং তা ইনশা আল্লাহ যাযান থেকে।
حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، أخبرنا إسحاق بن عيسى، عن شريك، عن أبي اليقظان، عن زاذان، عن حذيفة، قال قالوا يا رسول الله لو استخلفت . قال " إن استخلفت عليكم فعصيتموه عذبتم ولكن ما حدثكم حذيفة فصدقوه وما أقرأكم عبد الله فاقرءوه " . قال عبد الله فقلت لإسحاق بن عيسى يقولون هذا عن أبي وائل . قال لا عن زاذان إن شاء الله . قال هذا حديث حسن وهو حديث شريك .
জামে' আত-তিরমিজি > যাইদ ইবনু হারিসাহ্ (রাঃ)-এর মর্যাদা
জামে' আত-তিরমিজি ৩৮১৪
حدثنا قتيبة، حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن، عن موسى بن عقبة، عن سالم بن عبد الله بن عمر، عن أبيه، قال ما كنا ندعو زيد بن حارثة إلا زيد بن محمد حتى نزلت : ( ادعوهم لآبائهم هو أقسط عند الله ) . قال هذا حديث صحيح .
সালিম ইবনু 'আবদুল্লাহ ইবনু 'উমার (রাঃ) হতে তাঁর বাবা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা যাইদ (রাঃ)-কে যাইদ ইবনু হারিসাহ্ না বলে বরং যাইদ ইবনু মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলে সম্বোধন করতাম। অবশেষে এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদে): "তোমরা তাদের কে তাদের পিতৃ-পরিচয়ে ডাকো, এটাই আল্লাহ তা'আলার দৃষ্টিতে বেশি ন্যায়সঙ্গত"-(সূরা আহ্যাব ৫)। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম। এটি ৩২০৯ নং হাদীসের পুনরুক্তি।
সালিম ইবনু 'আবদুল্লাহ ইবনু 'উমার (রাঃ) হতে তাঁর বাবা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা যাইদ (রাঃ)-কে যাইদ ইবনু হারিসাহ্ না বলে বরং যাইদ ইবনু মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলে সম্বোধন করতাম। অবশেষে এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদে): "তোমরা তাদের কে তাদের পিতৃ-পরিচয়ে ডাকো, এটাই আল্লাহ তা'আলার দৃষ্টিতে বেশি ন্যায়সঙ্গত"-(সূরা আহ্যাব ৫)। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম। এটি ৩২০৯ নং হাদীসের পুনরুক্তি।
حدثنا قتيبة، حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن، عن موسى بن عقبة، عن سالم بن عبد الله بن عمر، عن أبيه، قال ما كنا ندعو زيد بن حارثة إلا زيد بن محمد حتى نزلت : ( ادعوهم لآبائهم هو أقسط عند الله ) . قال هذا حديث صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩৮১৩
حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا محمد بن بكر، عن ابن جريج، عن زيد بن أسلم، عن أبيه، عن عمر، أنه فرض لأسامة بن زيد في ثلاثة آلاف وخمسمائة وفرض لعبد الله بن عمر في ثلاثة آلاف قال عبد الله بن عمر لأبيه لم فضلت أسامة على فوالله ما سبقني إلى مشهد . قال لأن زيدا كان أحب إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم من أبيك وكان أسامة أحب إلى رسول الله منك فآثرت حب رسول الله صلى الله عليه وسلم على حبي . قال هذا حديث حسن غريب .
উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি উসামা (রাঃ)-এর মাহিনা নির্ধারণ করলেন তিন হাজার পাঁচ শত দিরহাম এবং আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-এর মাহিনা নির্ধারণ করলেন তিন হাজার। সুতরাং আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) তার পিতাকে বললেন, আপনি উসামাকে কেন আমার উপর স্থান দিলেন? আল্লাহ্র কসম! সে কোন যুদ্ধে আমাকে ছাড়িয়ে যেতে পারেনি। উমার (রাঃ) বললেন, তোমার পিতার চাইতে (তার পিতা) যাইদ (রাঃ) ছিল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের) বেশি প্রিয়পাত্র। আর তোমার চাইতে উসামা ছিল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের) বেশি পছন্দনীয় ব্যক্তি। তাই আমি আমার পছন্দনীয় ব্যক্তির উপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের) পছন্দনীয় ব্যক্তিকে অগ্রাধিকার দিয়েছি। যঈফ, মিশকাত (৬১৬৪)
উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি উসামা (রাঃ)-এর মাহিনা নির্ধারণ করলেন তিন হাজার পাঁচ শত দিরহাম এবং আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-এর মাহিনা নির্ধারণ করলেন তিন হাজার। সুতরাং আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) তার পিতাকে বললেন, আপনি উসামাকে কেন আমার উপর স্থান দিলেন? আল্লাহ্র কসম! সে কোন যুদ্ধে আমাকে ছাড়িয়ে যেতে পারেনি। উমার (রাঃ) বললেন, তোমার পিতার চাইতে (তার পিতা) যাইদ (রাঃ) ছিল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের) বেশি প্রিয়পাত্র। আর তোমার চাইতে উসামা ছিল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের) বেশি পছন্দনীয় ব্যক্তি। তাই আমি আমার পছন্দনীয় ব্যক্তির উপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের) পছন্দনীয় ব্যক্তিকে অগ্রাধিকার দিয়েছি। যঈফ, মিশকাত (৬১৬৪)
حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا محمد بن بكر، عن ابن جريج، عن زيد بن أسلم، عن أبيه، عن عمر، أنه فرض لأسامة بن زيد في ثلاثة آلاف وخمسمائة وفرض لعبد الله بن عمر في ثلاثة آلاف قال عبد الله بن عمر لأبيه لم فضلت أسامة على فوالله ما سبقني إلى مشهد . قال لأن زيدا كان أحب إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم من أبيك وكان أسامة أحب إلى رسول الله منك فآثرت حب رسول الله صلى الله عليه وسلم على حبي . قال هذا حديث حسن غريب .
জামে' আত-তিরমিজি ৩৮১৫
حدثنا الجراح بن مخلد البصري، وغير، واحد، قالوا حدثنا محمد بن عمر بن الرومي، حدثنا علي بن مسهر، عن إسماعيل بن أبي خالد، عن أبي عمرو الشيباني، قال أخبرني جبلة بن حارثة، أخو زيد قال قدمت على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله ابعث معي أخي زيدا . قال " هو ذا " . قال " فإن انطلق معك لم أمنعه " . قال زيد يا رسول الله والله لا أختار عليك أحدا . قال فرأيت رأى أخي أفضل من رأيي . قال هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث ابن الرومي عن علي بن مسهر .
যাইদ ইবনু হারিসাহ্ (রাঃ)-এর সহোদর জাবালাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হাজির হয়ে বললাম, হে আল্লাহ্র রাসুল! আমার সহোদর যাইদকে আমার সাথে পাঠিয়ে দিন। তিনি বললেন, এইতো সে হাজির। সে যদি তোমার সঙ্গে চলে যেতে চায়, তাকে আমি বাধা দিবো না। যাইদ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্র রাসুল! আল্লাহ্র ক্বসম! আমি আপনাকে ছেড়ে অন্য কাউকে গ্রহণ করবো না। বর্ণনাকারী (জাবালাহ্) বলেন, আমি দেখলাম আমার সিদ্ধান্তের তুলনায় আমার ভাইয়ের সিদ্ধান্তই বেশি উত্তম। হাসানঃ মিশকাত, তাহক্বীক্ব সানী (৬১৬৫)।
যাইদ ইবনু হারিসাহ্ (রাঃ)-এর সহোদর জাবালাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হাজির হয়ে বললাম, হে আল্লাহ্র রাসুল! আমার সহোদর যাইদকে আমার সাথে পাঠিয়ে দিন। তিনি বললেন, এইতো সে হাজির। সে যদি তোমার সঙ্গে চলে যেতে চায়, তাকে আমি বাধা দিবো না। যাইদ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্র রাসুল! আল্লাহ্র ক্বসম! আমি আপনাকে ছেড়ে অন্য কাউকে গ্রহণ করবো না। বর্ণনাকারী (জাবালাহ্) বলেন, আমি দেখলাম আমার সিদ্ধান্তের তুলনায় আমার ভাইয়ের সিদ্ধান্তই বেশি উত্তম। হাসানঃ মিশকাত, তাহক্বীক্ব সানী (৬১৬৫)।
حدثنا الجراح بن مخلد البصري، وغير، واحد، قالوا حدثنا محمد بن عمر بن الرومي، حدثنا علي بن مسهر، عن إسماعيل بن أبي خالد، عن أبي عمرو الشيباني، قال أخبرني جبلة بن حارثة، أخو زيد قال قدمت على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله ابعث معي أخي زيدا . قال " هو ذا " . قال " فإن انطلق معك لم أمنعه " . قال زيد يا رسول الله والله لا أختار عليك أحدا . قال فرأيت رأى أخي أفضل من رأيي . قال هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث ابن الرومي عن علي بن مسهر .
জামে' আত-তিরমিজি ৩৮১৬
حدثنا أحمد بن الحسن، حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك بن أنس، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث بعثا وأمر عليهم أسامة بن زيد فطعن الناس في إمارته فقال النبي صلى الله عليه وسلم " إن تطعنوا في إمارته فقد كنتم تطعنون في إمرة أبيه من قبل وايم الله إن كان لخليقا للإمارة وإن كان من أحب الناس إلى وإن هذا من أحب الناس إلى بعده " . قال هذا حديث حسن صحيح .
ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
কোন এক যুদ্ধাভিযানে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি সামরিক বাহিনী পাঠান এবং উসামাহ্ ইবনু যাইদ (রাঃ)-কে তাদের সেনাপতি নিযুক্ত করেন। কিছু লোক উসামাহ্র নেতৃত্বের ব্যাপারে বিরূপ মন্তব্য করে। সে সময় নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেলেনঃ যদি আজ তোমরা উসামাহ্র নেতৃত্বের ব্যাপারে বিরূপ সমালোচনা করে থাকো, তবে ইতোপূর্বে তোমরা তার বাবার নেতৃত্বের প্রসঙ্গেও বিরুপ সমালোচনা করেছিলে। আল্লাহ্র ক্বসম! নিশ্চয়ই সে নেতৃত্বের ব্যাপারে বেশি যোগ্য ছিল এবং সমস্ত লোকের মাঝে আমার সবচাইতে বেশি পছন্দনীয় ছিল। আর তার পরে তার ছেলেও আমার কাছে সবার তুলনায় বেশি প্রিয়। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
কোন এক যুদ্ধাভিযানে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি সামরিক বাহিনী পাঠান এবং উসামাহ্ ইবনু যাইদ (রাঃ)-কে তাদের সেনাপতি নিযুক্ত করেন। কিছু লোক উসামাহ্র নেতৃত্বের ব্যাপারে বিরূপ মন্তব্য করে। সে সময় নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেলেনঃ যদি আজ তোমরা উসামাহ্র নেতৃত্বের ব্যাপারে বিরূপ সমালোচনা করে থাকো, তবে ইতোপূর্বে তোমরা তার বাবার নেতৃত্বের প্রসঙ্গেও বিরুপ সমালোচনা করেছিলে। আল্লাহ্র ক্বসম! নিশ্চয়ই সে নেতৃত্বের ব্যাপারে বেশি যোগ্য ছিল এবং সমস্ত লোকের মাঝে আমার সবচাইতে বেশি পছন্দনীয় ছিল। আর তার পরে তার ছেলেও আমার কাছে সবার তুলনায় বেশি প্রিয়। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا أحمد بن الحسن، حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك بن أنس، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث بعثا وأمر عليهم أسامة بن زيد فطعن الناس في إمارته فقال النبي صلى الله عليه وسلم " إن تطعنوا في إمارته فقد كنتم تطعنون في إمرة أبيه من قبل وايم الله إن كان لخليقا للإمارة وإن كان من أحب الناس إلى وإن هذا من أحب الناس إلى بعده " . قال هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি > উসামাহ্ ইবনু যাইদ (রাঃ)-এর মর্যাদা
জামে' আত-তিরমিজি ৩৮১৮
حدثنا الحسين بن حريث، حدثنا الفضل بن موسى، عن طلحة بن يحيى، عن عائشة بنت طلحة، عن عائشة أم المؤمنين، قالت أراد النبي صلى الله عليه وسلم أن ينحي مخاط أسامة قالت عائشة دعني دعني حتى أكون أنا الذي أفعل . قال " يا عائشة أحبيه فإني أحبه " . قال هذا حديث حسن غريب .
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উসামাহ্র নাকের শ্লেষ্মা মুছে দেওয়ার ইচ্ছা করলেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমাকে অনুমতি দিন আমিই তা মুছে দেই। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে ‘আয়িশাহ্! তুমি তাকে মুহাব্বাত করবে, কেননা আমি তাকে মুহাব্বাত করি। সহীহঃ মিশকাত (৬১৬৭)।
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উসামাহ্র নাকের শ্লেষ্মা মুছে দেওয়ার ইচ্ছা করলেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমাকে অনুমতি দিন আমিই তা মুছে দেই। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে ‘আয়িশাহ্! তুমি তাকে মুহাব্বাত করবে, কেননা আমি তাকে মুহাব্বাত করি। সহীহঃ মিশকাত (৬১৬৭)।
حدثنا الحسين بن حريث، حدثنا الفضل بن موسى، عن طلحة بن يحيى، عن عائشة بنت طلحة، عن عائشة أم المؤمنين، قالت أراد النبي صلى الله عليه وسلم أن ينحي مخاط أسامة قالت عائشة دعني دعني حتى أكون أنا الذي أفعل . قال " يا عائشة أحبيه فإني أحبه " . قال هذا حديث حسن غريب .
জামে' আত-তিরমিজি ৩৮১৭
حدثنا أبو كريب، حدثنا يونس بن بكير، عن محمد بن إسحاق، عن سعيد بن عبيد بن السباق، عن محمد بن أسامة بن زيد، عن أبيه، قال لما ثقل رسول الله صلى الله عليه وسلم هبطت وهبط الناس المدينة فدخلت على رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد أصمت فلم يتكلم فجعل رسول الله صلى الله عليه وسلم يضع يديه على ويرفعهما فأعرف أنه يدعو لي . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب .
মুহাম্মাদ ইবনু উসামাহ্ ইবনু যাইদ (রাঃ) হতে তাঁর বাবা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অধিক অসুস্থ হয়ে পড়লে আমি ও আরো কিছু লোক মাদীনায় গেলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আমি প্রবেশ করলাম। তিনি নীরব ছিলেন এবং কোন কথা বলেননি। তাই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হাত দু’খানা আমার শরীরের উপর রাখতেন এবং তা উত্তোলন করতেন। তাতে আমি বুঝতে পারলাম যে, তিনি আমার জন্য দু’আ করছেন। হাসানঃ মিশকাত (৬১৬৬)।
মুহাম্মাদ ইবনু উসামাহ্ ইবনু যাইদ (রাঃ) হতে তাঁর বাবা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অধিক অসুস্থ হয়ে পড়লে আমি ও আরো কিছু লোক মাদীনায় গেলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আমি প্রবেশ করলাম। তিনি নীরব ছিলেন এবং কোন কথা বলেননি। তাই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হাত দু’খানা আমার শরীরের উপর রাখতেন এবং তা উত্তোলন করতেন। তাতে আমি বুঝতে পারলাম যে, তিনি আমার জন্য দু’আ করছেন। হাসানঃ মিশকাত (৬১৬৬)।
حدثنا أبو كريب، حدثنا يونس بن بكير، عن محمد بن إسحاق، عن سعيد بن عبيد بن السباق، عن محمد بن أسامة بن زيد، عن أبيه، قال لما ثقل رسول الله صلى الله عليه وسلم هبطت وهبط الناس المدينة فدخلت على رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد أصمت فلم يتكلم فجعل رسول الله صلى الله عليه وسلم يضع يديه على ويرفعهما فأعرف أنه يدعو لي . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب .
জামে' আত-তিরমিজি ৩৮১৯
حدثنا أحمد بن الحسن، حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا أبو عوانة، حدثنا عمر بن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن أبيه، أخبرني أسامة بن زيد، قال كنت جالسا عند النبي صلى الله عليه وسلم إذ جاء علي والعباس يستأذنان فقالا يا أسامة استأذن لنا على رسول الله صلى الله عليه وسلم . فقلت يا رسول الله علي والعباس يستأذنان . فقال " أتدري ما جاء بهما " . قلت لا أدري . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لكني أدري " . فأذن لهما فدخلا فقالا يا رسول الله جئناك نسألك أى أهلك أحب إليك قال " فاطمة بنت محمد " . فقالا ما جئناك نسألك عن أهلك . قال " أحب أهلي إلى من قد أنعم الله عليه وأنعمت عليه أسامة بن زيد " . قالا ثم من قال " ثم علي بن أبي طالب " . قال العباس يا رسول الله جعلت عمك آخرهم قال " لأن عليا قد سبقك بالهجرة " . قال هذا حديث حسن صحيح . وكان شعبة يضعف عمر بن أبي سلمة .
উসামা ইবনু যাইদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বসে থাকাকালীন সময়ে আলী ও আব্বাস (রাঃ) হাযির হয়ে সম্মতি চেয়ে বলেন, হে উসামা! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে আমাদের ঢোকার অনুমতি চাও। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আলী ও আব্বাস (রাঃ) প্রবেশের অনুমতিপ্রার্থী। তিনি বললেন: তুমি কি জান তারা কেন এসেছে? আমি বললাম, না, আমি জানি না। তিনি বললেন, কিন্তু আমি জানি। তাদেরকে সম্মতি দিলেন। তারা দুজনে ভেতরে আসলেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আপনার নিকট এ কথা জানতে এসেছি যে, আপনার পরিজনদের মধ্যে কে আপনার বেশি আদরের? তিনি বললেনঃ ফাতিমা বিনতু মুহাম্মাদ। তারা বললেন, আমরা আপনার পরিজন প্রসঙ্গে প্রশ্ন করতে আসিনি। তিনি বললেন, আমার পরিজনদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই আমার বেশি আদরের যার প্রতি আল্লাহ তা’আলাও দয়া করেছেন এবং আমিও দয়া করেছি অর্থাৎ উসামা ইবনু যাইদ। তারা আবার প্রশ্ন করেন, তারপর কে? তিনি বললেনঃ তারপর আলী ইবনু আবূ তালিব। আব্বাস (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি আপনার চাচাকে সবার শেষ ভাগে রাখলেন? তিনি বললেন: হিজরাতের কারণে আলী আপনাকে ছেড়ে গেছে। যঈফ, মিশকাত (৬১৬৮)
উসামা ইবনু যাইদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বসে থাকাকালীন সময়ে আলী ও আব্বাস (রাঃ) হাযির হয়ে সম্মতি চেয়ে বলেন, হে উসামা! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে আমাদের ঢোকার অনুমতি চাও। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আলী ও আব্বাস (রাঃ) প্রবেশের অনুমতিপ্রার্থী। তিনি বললেন: তুমি কি জান তারা কেন এসেছে? আমি বললাম, না, আমি জানি না। তিনি বললেন, কিন্তু আমি জানি। তাদেরকে সম্মতি দিলেন। তারা দুজনে ভেতরে আসলেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আপনার নিকট এ কথা জানতে এসেছি যে, আপনার পরিজনদের মধ্যে কে আপনার বেশি আদরের? তিনি বললেনঃ ফাতিমা বিনতু মুহাম্মাদ। তারা বললেন, আমরা আপনার পরিজন প্রসঙ্গে প্রশ্ন করতে আসিনি। তিনি বললেন, আমার পরিজনদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই আমার বেশি আদরের যার প্রতি আল্লাহ তা’আলাও দয়া করেছেন এবং আমিও দয়া করেছি অর্থাৎ উসামা ইবনু যাইদ। তারা আবার প্রশ্ন করেন, তারপর কে? তিনি বললেনঃ তারপর আলী ইবনু আবূ তালিব। আব্বাস (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি আপনার চাচাকে সবার শেষ ভাগে রাখলেন? তিনি বললেন: হিজরাতের কারণে আলী আপনাকে ছেড়ে গেছে। যঈফ, মিশকাত (৬১৬৮)
حدثنا أحمد بن الحسن، حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا أبو عوانة، حدثنا عمر بن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن أبيه، أخبرني أسامة بن زيد، قال كنت جالسا عند النبي صلى الله عليه وسلم إذ جاء علي والعباس يستأذنان فقالا يا أسامة استأذن لنا على رسول الله صلى الله عليه وسلم . فقلت يا رسول الله علي والعباس يستأذنان . فقال " أتدري ما جاء بهما " . قلت لا أدري . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لكني أدري " . فأذن لهما فدخلا فقالا يا رسول الله جئناك نسألك أى أهلك أحب إليك قال " فاطمة بنت محمد " . فقالا ما جئناك نسألك عن أهلك . قال " أحب أهلي إلى من قد أنعم الله عليه وأنعمت عليه أسامة بن زيد " . قالا ثم من قال " ثم علي بن أبي طالب " . قال العباس يا رسول الله جعلت عمك آخرهم قال " لأن عليا قد سبقك بالهجرة " . قال هذا حديث حسن صحيح . وكان شعبة يضعف عمر بن أبي سلمة .
জামে' আত-তিরমিজি > জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ আল-বাজালী (রাঃ)-এর মর্যাদা
জামে' আত-তিরমিজি ৩৮২০
حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا معاوية بن عمرو الأزدي، حدثنا زائدة، عن بيان، عن قيس بن أبي حازم، عن جرير بن عبد الله، قال ما حجبني رسول الله صلى الله عليه وسلم منذ أسلمت ولا رآني إلا ضحك . قال هذا حديث حسن صحيح .
জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইসলাম গ্রহণ করার পর হতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে কখনো তাঁর নিকট প্রবেশে বাধা প্রদান করেননি এবং আমাকে যখনই দেখেছেন তখনই হেসে দিয়েছেন। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (১৫৯), বুখারী ও মুসলিম।
জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইসলাম গ্রহণ করার পর হতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে কখনো তাঁর নিকট প্রবেশে বাধা প্রদান করেননি এবং আমাকে যখনই দেখেছেন তখনই হেসে দিয়েছেন। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (১৫৯), বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا معاوية بن عمرو الأزدي، حدثنا زائدة، عن بيان، عن قيس بن أبي حازم، عن جرير بن عبد الله، قال ما حجبني رسول الله صلى الله عليه وسلم منذ أسلمت ولا رآني إلا ضحك . قال هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩৮২১
حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا معاوية بن عمرو، حدثنا زائدة، عن إسماعيل بن أبي خالد، عن قيس، عن جرير، قال ما حجبني رسول الله صلى الله عليه وسلم منذ أسلمت ولا رآني إلا تبسم . قال هذا حديث حسن .
জারীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইসলাম গ্রহণ করার পর হতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তাঁর ঘরে প্রবেশ করতে কখনো বাধা দেননি এবং তিনি যখনই আমাকে দেখেছেন তখনই মুচকি হেসেছেন। সহীহঃ দেখুন পূর্বের হাদীস। অত্র হাদীসে বর্ণিত শব্দাবলী অধিক প্রণিধানযোগ্য।
জারীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইসলাম গ্রহণ করার পর হতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তাঁর ঘরে প্রবেশ করতে কখনো বাধা দেননি এবং তিনি যখনই আমাকে দেখেছেন তখনই মুচকি হেসেছেন। সহীহঃ দেখুন পূর্বের হাদীস। অত্র হাদীসে বর্ণিত শব্দাবলী অধিক প্রণিধানযোগ্য।
حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا معاوية بن عمرو، حدثنا زائدة، عن إسماعيل بن أبي خالد، عن قيس، عن جرير، قال ما حجبني رسول الله صلى الله عليه وسلم منذ أسلمت ولا رآني إلا تبسم . قال هذا حديث حسن .