জামে' আত-তিরমিজি > (আল্লাহ তা’আলা সর্বাধিক আত্মমর্যাদাবোধের অধিকারী)

জামে' আত-তিরমিজি ৩৫৩০

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، قال سمعت أبا وائل، قال سمعت عبد الله بن مسعود، يقول قلت له أأنت سمعته من عبد الله، قال نعم ‏.‏ ورفعه أنه قال ‏ "‏ لا أحد أغير من الله ولذلك حرم الفواحش ما ظهر منها وما بطن ولا أحد أحب إليه المدح من الله ولذلك مدح نفسه ‏"‏ ‏.‏ قال هذا حديث حسن صحيح من هذا الوجه ‏.‏

আম্‌র ইবনু মুর্‌রাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ ওয়ায়িল (রহঃ)-কে আমি বলতে শুনেছি, আমি ‘আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি। আম্‌র বলেন, আবূ ওয়ায়িলকে আমি প্রশ্ন করলাম, আপনি কি সত্যিই এ হাদীস আব্দুল্লাহ (রাঃ) এর কাছে শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ এবং তিনি তা মারফূ’রূপে রিওয়ায়াত করেছেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলার চেয়ে বেশি আত্নমর্যাদাবোধ সম্পন্ন আর কেউ নেই। এ কারণেই তিনি প্রকাশ্য ও লুকায়িত সর্বপ্রকার অশ্লীলতাকে হারাম করেছেন। আল্লাহ তা’আলার চাইতে বেশি প্রশংসাপ্রিয় আর কেউ নেই। এজন্যই নিজের প্রশংসা তিনি নিজেই করেছেন। সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।

আম্‌র ইবনু মুর্‌রাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ ওয়ায়িল (রহঃ)-কে আমি বলতে শুনেছি, আমি ‘আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি। আম্‌র বলেন, আবূ ওয়ায়িলকে আমি প্রশ্ন করলাম, আপনি কি সত্যিই এ হাদীস আব্দুল্লাহ (রাঃ) এর কাছে শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ এবং তিনি তা মারফূ’রূপে রিওয়ায়াত করেছেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলার চেয়ে বেশি আত্নমর্যাদাবোধ সম্পন্ন আর কেউ নেই। এ কারণেই তিনি প্রকাশ্য ও লুকায়িত সর্বপ্রকার অশ্লীলতাকে হারাম করেছেন। আল্লাহ তা’আলার চাইতে বেশি প্রশংসাপ্রিয় আর কেউ নেই। এজন্যই নিজের প্রশংসা তিনি নিজেই করেছেন। সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، قال سمعت أبا وائل، قال سمعت عبد الله بن مسعود، يقول قلت له أأنت سمعته من عبد الله، قال نعم ‏.‏ ورفعه أنه قال ‏ "‏ لا أحد أغير من الله ولذلك حرم الفواحش ما ظهر منها وما بطن ولا أحد أحب إليه المدح من الله ولذلك مدح نفسه ‏"‏ ‏.‏ قال هذا حديث حسن صحيح من هذا الوجه ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি > (নিজের উপর অনেক অত্যাচার করেছি)

জামে' আত-তিরমিজি ৩৫৩১

حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن أبي الخير، عن عبد الله بن عمرو، عن أبي بكر الصديق، أنه قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم علمني دعاء أدعو به في صلاتي قال ‏ "‏ قل اللهم إني ظلمت نفسي ظلما كثيرا ولا يغفر الذنوب إلا أنت فاغفر لي مغفرة من عندك وارحمني إنك أنت الغفور الرحيم ‏"‏ ‏.‏ قال هذا حديث حسن صحيح غريب وهو حديث ليث بن سعد وأبو الخير اسمه مرثد بن عبد الله اليزني ‏.

আবূ বাক্‌র আস-সিদ্দীক্ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এমন একটি দু’আ আমাকে শিখিয়ে দিন যা আমি আমার নামাযের মাঝে পাঠ করতে পারি। তিনি বললেনঃতুমি বল, ‘‘হে প্রভু! আমার সত্তার উপর আমি অনেক যুল্‌ম করেছি। তুমি ব্যতীত গুনাহ ক্ষমা করার আর কেউ নেই। অতএব আমাকে তুমি নিজগুনে ক্ষমা করে দাও। আমার প্রতি করুণা কর। নিশ্চয় তুমি ক্ষমাকারী, অতীব দয়ালু। সহীহ : ইবনু মাজাহ (হা: ৩৮৩৫), বুখারী ও মুসলিম।

আবূ বাক্‌র আস-সিদ্দীক্ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এমন একটি দু’আ আমাকে শিখিয়ে দিন যা আমি আমার নামাযের মাঝে পাঠ করতে পারি। তিনি বললেনঃতুমি বল, ‘‘হে প্রভু! আমার সত্তার উপর আমি অনেক যুল্‌ম করেছি। তুমি ব্যতীত গুনাহ ক্ষমা করার আর কেউ নেই। অতএব আমাকে তুমি নিজগুনে ক্ষমা করে দাও। আমার প্রতি করুণা কর। নিশ্চয় তুমি ক্ষমাকারী, অতীব দয়ালু। সহীহ : ইবনু মাজাহ (হা: ৩৮৩৫), বুখারী ও মুসলিম।

حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن أبي الخير، عن عبد الله بن عمرو، عن أبي بكر الصديق، أنه قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم علمني دعاء أدعو به في صلاتي قال ‏ "‏ قل اللهم إني ظلمت نفسي ظلما كثيرا ولا يغفر الذنوب إلا أنت فاغفر لي مغفرة من عندك وارحمني إنك أنت الغفور الرحيم ‏"‏ ‏.‏ قال هذا حديث حسن صحيح غريب وهو حديث ليث بن سعد وأبو الخير اسمه مرثد بن عبد الله اليزني ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩৫৩২

حدثنا محمود بن غيلان حدثنا أبو أحمد حدثنا سفيان عن يزيد بن أبي زياد عن عبد الله بن الحارث عن المطلب بن أبي وداعة قال جاء العباس إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فكأنه سمع شيئا فقام النبي صلى الله عليه وسلم على المنبر فقال من أنا فقالوا أنت رسول الله عليك السلام قال أنا محمد بن عبد الله بن عبد المطلب إن الله خلق الخلق فجعلني في خيرهم فرقة ثم جعلهم فرقتين فجعلني في خيرهم فرقة ثم جعلهم قبائل فجعلني في خيرهم قبيلة ثم جعلهم بيوتا فجعلني في خيرهم بيتا وخيرهم نسبا قال أبو عيسى هذا حديث حسن

মুত্তালিব ইবনু আবী ওয়াদাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আব্বাস (রাঃ) রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে এলেন, মনে হয় তিনি যেন কিছু শুনতে পেয়ে মিম্বারে অরোহন করলেন। অতঃপর বললেনঃ কোন ব্যক্তি প্রত্যাবর্তন (তাওবা) করেছে? সাহাবাগণ বললেনঃ আপনি আল্লাহ্‌র রাসূল, আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হউক। তিনি বললেনঃ আমি মুহাম্মাদ ইবনু আব্দিল্লাহ ইবনি আব্দিল মুত্তালিব। আল্লাহ তা’আলা সৃষ্টি কুলকে সৃষ্টি করে আমাকে উত্তম দলের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তিনি উত্তম দলকে বিভিন্ন গোত্রে বিভক্ত করে আমাকে উত্তম গোত্রের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তিনি উত্তম গোত্রকে বিভিন্ন ঘরে বিভক্ত করে আমাকে উত্তম ঘর ও উত্তম বংশের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। যঈফ, যঈফা (৩০৭৩), আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান।

মুত্তালিব ইবনু আবী ওয়াদাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আব্বাস (রাঃ) রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে এলেন, মনে হয় তিনি যেন কিছু শুনতে পেয়ে মিম্বারে অরোহন করলেন। অতঃপর বললেনঃ কোন ব্যক্তি প্রত্যাবর্তন (তাওবা) করেছে? সাহাবাগণ বললেনঃ আপনি আল্লাহ্‌র রাসূল, আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হউক। তিনি বললেনঃ আমি মুহাম্মাদ ইবনু আব্দিল্লাহ ইবনি আব্দিল মুত্তালিব। আল্লাহ তা’আলা সৃষ্টি কুলকে সৃষ্টি করে আমাকে উত্তম দলের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তিনি উত্তম দলকে বিভিন্ন গোত্রে বিভক্ত করে আমাকে উত্তম গোত্রের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তিনি উত্তম গোত্রকে বিভিন্ন ঘরে বিভক্ত করে আমাকে উত্তম ঘর ও উত্তম বংশের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। যঈফ, যঈফা (৩০৭৩), আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান।

حدثنا محمود بن غيلان حدثنا أبو أحمد حدثنا سفيان عن يزيد بن أبي زياد عن عبد الله بن الحارث عن المطلب بن أبي وداعة قال جاء العباس إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فكأنه سمع شيئا فقام النبي صلى الله عليه وسلم على المنبر فقال من أنا فقالوا أنت رسول الله عليك السلام قال أنا محمد بن عبد الله بن عبد المطلب إن الله خلق الخلق فجعلني في خيرهم فرقة ثم جعلهم فرقتين فجعلني في خيرهم فرقة ثم جعلهم قبائل فجعلني في خيرهم قبيلة ثم جعلهم بيوتا فجعلني في خيرهم بيتا وخيرهم نسبا قال أبو عيسى هذا حديث حسن


জামে' আত-তিরমিজি > (গুনাহ ঝরে পরা)

জামে' আত-তিরমিজি ৩৫৩৪

حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن الجلاح أبي كثير، عن أبي عبد الرحمن الحبلي، عن عمارة بن شبيب السبئي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من قال لا إله إلا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد يحيي ويميت وهو على كل شيء قدير ‏.‏ عشر مرات على إثر المغرب بعث الله له مسلحة يحفظونه من الشيطان حتى يصبح وكتب الله له بها عشر حسنات موجبات ومحا عنه عشر سيئات موبقات وكانت له بعدل عشر رقاب مؤمنات ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث ليث بن سعد ‏.‏ ولا نعرف لعمارة بن شبيب سماعا عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.

উমারাহ্‌ ইবনু শাবীব আস্‌-সাবায়ী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: মাগরিবের নামাযের পর যে লোক দশবার বলে: আল্লাহ তা’আলা ছাড়া কোন মা’বূদ নেই, তিনি এক, তাঁর কোন অংশীদার নেই, সমস্ত কিছুই তাঁর এবং তিনিই সকল প্রশংসার অধিকারী, তিনিই জীবন দান করেন ও মুত্যু দেন এবং প্রতিটি জিনিসের উপর তিনিই মহা ক্ষমতাশালী”’ আল্লাহ তা’আলা তার নিরাপত্তার জন্য ফেরেশতা পাঠান যারা তাকে শয়তানের ক্ষতি হতে ভোর পর্যন্ত নিরাপত্তা দান করেন, তার জন্য (আল্লাহ তা’আলা অনুগ্রহ) অবশ্যম্ভাবী করার ন্যায় দশটি পূণ্য লিখে দেন, তার দশটি ধ্বংসাত্মক গুনাহ বিলুপ্ত করে দেন এবং তার জন্য দশটি ঈমানদার দাস মুক্ত করার সমপরিমাণ সাওয়াব রয়েছে। হাদীসটি হাসান : সহীহ আত্‌-তারগীব ওয়াত্‌ তারহীব ১/১৬০/৪৭২।

উমারাহ্‌ ইবনু শাবীব আস্‌-সাবায়ী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: মাগরিবের নামাযের পর যে লোক দশবার বলে: আল্লাহ তা’আলা ছাড়া কোন মা’বূদ নেই, তিনি এক, তাঁর কোন অংশীদার নেই, সমস্ত কিছুই তাঁর এবং তিনিই সকল প্রশংসার অধিকারী, তিনিই জীবন দান করেন ও মুত্যু দেন এবং প্রতিটি জিনিসের উপর তিনিই মহা ক্ষমতাশালী”’ আল্লাহ তা’আলা তার নিরাপত্তার জন্য ফেরেশতা পাঠান যারা তাকে শয়তানের ক্ষতি হতে ভোর পর্যন্ত নিরাপত্তা দান করেন, তার জন্য (আল্লাহ তা’আলা অনুগ্রহ) অবশ্যম্ভাবী করার ন্যায় দশটি পূণ্য লিখে দেন, তার দশটি ধ্বংসাত্মক গুনাহ বিলুপ্ত করে দেন এবং তার জন্য দশটি ঈমানদার দাস মুক্ত করার সমপরিমাণ সাওয়াব রয়েছে। হাদীসটি হাসান : সহীহ আত্‌-তারগীব ওয়াত্‌ তারহীব ১/১৬০/৪৭২।

حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن الجلاح أبي كثير، عن أبي عبد الرحمن الحبلي، عن عمارة بن شبيب السبئي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من قال لا إله إلا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد يحيي ويميت وهو على كل شيء قدير ‏.‏ عشر مرات على إثر المغرب بعث الله له مسلحة يحفظونه من الشيطان حتى يصبح وكتب الله له بها عشر حسنات موجبات ومحا عنه عشر سيئات موبقات وكانت له بعدل عشر رقاب مؤمنات ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث ليث بن سعد ‏.‏ ولا نعرف لعمارة بن شبيب سماعا عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩৫৩৩

حدثنا محمد بن حميد الرازي، حدثنا الفضل بن موسى، عن الأعمش، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم مر بشجرة يابسة الورق فضربها بعصاه فتناثر الورق فقال ‏ "‏ إن الحمد لله وسبحان الله ولا إله إلا الله والله أكبر لتساقط من ذنوب العبد كما تساقط ورق هذه الشجرة ‏"‏ ‏.‏ قال هذا حديث غريب ‏.‏ ولا نعرف للأعمش سماعا من أنس إلا أنه قد رآه ونظر إليه ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি শুকনা পাতাওয়ালা গাছের কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি তাঁর লাঠি দিয়ে তাতে আঘাত করলে হঠাৎ পাতাগুলো ঝরে পরে। অতঃপর তিনি বললেন কোন বান্দা “আলহামদুলিল্লাহ “ সুবহানাল্লাহ” এবং লাইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার” (সকল প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার আল্লাহ তা’আলা অতি পবিত্র এবং আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত সত্য কোন মা’বূদ নেই, তিনি অতি মহান) বললে তা তার গুনাহ সমূহ এরূপভাবে ঝরিয়ে দেয় যেভাবে এ গাছের পাতাসমূহ ঝরে পড়েছে। হাদীসটি হাসান : তা’লীকুর রাগীব (হা: ২/২৪৯)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি শুকনা পাতাওয়ালা গাছের কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি তাঁর লাঠি দিয়ে তাতে আঘাত করলে হঠাৎ পাতাগুলো ঝরে পরে। অতঃপর তিনি বললেন কোন বান্দা “আলহামদুলিল্লাহ “ সুবহানাল্লাহ” এবং লাইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার” (সকল প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার আল্লাহ তা’আলা অতি পবিত্র এবং আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত সত্য কোন মা’বূদ নেই, তিনি অতি মহান) বললে তা তার গুনাহ সমূহ এরূপভাবে ঝরিয়ে দেয় যেভাবে এ গাছের পাতাসমূহ ঝরে পড়েছে। হাদীসটি হাসান : তা’লীকুর রাগীব (হা: ২/২৪৯)

حدثنا محمد بن حميد الرازي، حدثنا الفضل بن موسى، عن الأعمش، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم مر بشجرة يابسة الورق فضربها بعصاه فتناثر الورق فقال ‏ "‏ إن الحمد لله وسبحان الله ولا إله إلا الله والله أكبر لتساقط من ذنوب العبد كما تساقط ورق هذه الشجرة ‏"‏ ‏.‏ قال هذا حديث غريب ‏.‏ ولا نعرف للأعمش سماعا من أنس إلا أنه قد رآه ونظر إليه ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি > তাওবাহ ও ক্ষমা প্রার্থনার ফাযীলাত এবং বান্দাদের প্রতি আল্লাহ তা’আলার দয়া ও অনুগ্রহ প্রসঙ্গে

জামে' আত-তিরমিজি ৩৫৩৭

حدثنا إبراهيم بن يعقوب، حدثنا علي بن عياش، حدثنا عبد الرحمن بن ثابت بن ثوبان، عن أبيه، عن مكحول، عن جبير بن نفير، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن الله يقبل توبة العبد ما لم يغرغر ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏ حدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو عامر العقدي، عن عبد الرحمن بن ثابت بن ثوبان، عن أبيه، عن مكحول، عن جبير بن نفير، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه بمعناه ‏.‏

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ রূহ কন্ঠাগত না হওয়া (মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত) পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলা বান্দার তাওবাহ্‌ ক্ববূল করেন। হাদীসটি হাসান : ইবনু মাজাহ হা: ৪২৫৩।

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ রূহ কন্ঠাগত না হওয়া (মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত) পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলা বান্দার তাওবাহ্‌ ক্ববূল করেন। হাদীসটি হাসান : ইবনু মাজাহ হা: ৪২৫৩।

حدثنا إبراهيم بن يعقوب، حدثنا علي بن عياش، حدثنا عبد الرحمن بن ثابت بن ثوبان، عن أبيه، عن مكحول، عن جبير بن نفير، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن الله يقبل توبة العبد ما لم يغرغر ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏ حدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو عامر العقدي، عن عبد الرحمن بن ثابت بن ثوبان، عن أبيه، عن مكحول، عن جبير بن نفير، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه بمعناه ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩৫৩৯

حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن محمد بن قيس، قاص عمر بن عبد العزيز عن أبي صرمة، عن أبي أيوب، أنه قال حين حضرته الوفاة قد كتمت عنكم شيئا سمعته من رسول الله سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لولا أنكم تذنبون لخلق الله خلقا يذنبون ويغفر لهم ‏"‏ ‏.‏ قال هذا حديث حسن غريب ‏.‏ وقد روي هذا، عن محمد بن كعب، عن أبي أيوب، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه ‏.‏ حدثنا بذلك، قتيبة حدثنا عبد الرحمن بن أبي الرجال، عن عمر، مولى غفرة عن محمد بن كعب، عن أبي أيوب، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه ‏.‏

আবূ আইউব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি মুমূর্ষু অবস্থায় বলেন, তোমাদের হতে আমি একটি বিষয় লুকিয়ে রেখেছি যা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে আমি শুনেছি। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: তোমরা যদি গুনাহ না করতে, তাহলে অবশ্যই আল্লাহ তা’আলা এমন এক দলের আবির্ভাব করতেন যারা গুনাহ করত, তারপর আল্লাহ তা’আল তাদেরকে মাফ করতেন। হাদীসটি সহীহ ; সহীহাহ্‌ হা: ৯৬৭-৯৭০, ১৯৬৩), মুসলিম।

আবূ আইউব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি মুমূর্ষু অবস্থায় বলেন, তোমাদের হতে আমি একটি বিষয় লুকিয়ে রেখেছি যা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে আমি শুনেছি। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: তোমরা যদি গুনাহ না করতে, তাহলে অবশ্যই আল্লাহ তা’আলা এমন এক দলের আবির্ভাব করতেন যারা গুনাহ করত, তারপর আল্লাহ তা’আল তাদেরকে মাফ করতেন। হাদীসটি সহীহ ; সহীহাহ্‌ হা: ৯৬৭-৯৭০, ১৯৬৩), মুসলিম।

حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن محمد بن قيس، قاص عمر بن عبد العزيز عن أبي صرمة، عن أبي أيوب، أنه قال حين حضرته الوفاة قد كتمت عنكم شيئا سمعته من رسول الله سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لولا أنكم تذنبون لخلق الله خلقا يذنبون ويغفر لهم ‏"‏ ‏.‏ قال هذا حديث حسن غريب ‏.‏ وقد روي هذا، عن محمد بن كعب، عن أبي أيوب، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه ‏.‏ حدثنا بذلك، قتيبة حدثنا عبد الرحمن بن أبي الرجال، عن عمر، مولى غفرة عن محمد بن كعب، عن أبي أيوب، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩৫৩৫

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن عاصم بن أبي النجود، عن زر بن حبيش، قال أتيت صفوان بن عسال المرادي أسأله عن المسح، على الخفين فقال ما جاء بك يا زر فقلت ابتغاء العلم فقال إن الملائكة تضع أجنحتها لطالب العلم رضا بما يطلب ‏.‏ قلت إنه حك في صدري المسح على الخفين بعد الغائط والبول وكنت امرأ من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فجئت أسألك هل سمعته يذكر في ذلك شيئا قال نعم كان يأمرنا إذا كنا سفرا أو مسافرين أن لا ننزع خفافنا ثلاثة أيام ولياليهن إلا من جنابة لكن من غائط وبول ونوم ‏.‏ فقلت هل سمعته يذكر في الهوى شيئا قال نعم كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر فبينا نحن عنده إذ ناداه أعرابي بصوت له جهوري يا محمد ‏.‏ فأجابه رسول الله صلى الله عليه وسلم على نحو من صوته هاؤم وقلنا له ويحك اغضض من صوتك فإنك عند النبي صلى الله عليه وسلم وقد نهيت عن هذا ‏.‏ فقال والله لا أغضض ‏.‏ قال الأعرابي المرء يحب القوم ولما يلحق بهم ‏.‏ قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ المرء مع من أحب يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏ فمازال يحدثنا حتى ذكر بابا من قبل المغرب مسيرة عرضه أو يسير الراكب في عرضه أربعين أو سبعين عاما قال سفيان قبل الشام خلقه الله يوم خلق السموات والأرض مفتوحا يعني للتوبة لا يغلق حتى تطلع الشمس منه ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.

যির ইবনু হুবাইশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মোজাদ্বয়ের উপর মাসিহ করা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করার উদ্দেশে আমি সাফওয়ান ইবনু আসসাল আল-মুরাদী (রাঃ) এর কাছে আগমন করলাম। তিনি বললেন, হে যির! তোমাকে কিসে নিয়ে এসেছে? আমি বললাম, জ্ঞানের অন্বেষা! তিনি বললেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলার ফেরেশতাগন জ্ঞানের অন্বেষায় খুশি হয়ে জ্ঞান অন্বেষণকারীর জন্য তাদের পাখা বিছিয়ে দেন। আমি বললাম, আমার মনে একটা দ্বিধাদ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে মলমূত্র ত্যাগের পর মোজার উপর মাসেহ করা প্রসঙ্গে। আর আপনি হলেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর একজন সাহাবী। তাই আপনাকে আমি প্রশ্ন করতে এসেছি যে, এ প্রসঙ্গে আপনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে কিছু আলোচনা করতে শুনেছেন কি? তিনি বললেন হ্যাঁ। আমাদেরকে তিনি নির্দেশ দিতেন যে, আমরা সফররত অবস্থায় থাকলে এবং নাপাকির গোসলের প্রয়োজন না হলে তিন দিন ও তিন রাত পর্যন্ত যেন আমাদের মোজাদ্বয় না খুলি। মলমূত্র ত্যাগ এবং ঘুমানোর কারণে তা খোলার দরকার নেই, বরং শুধু তার উপর মাসেহ্‌ করলেই চলবে। যির (রহঃ) বলেন, আমি বললাম মহব্বত (ভালবাসা) প্রসঙ্গে আপনি কি তাকেঁ কিছু আলোচনা করতে শুনেছেন? তিনি বললেন হ্যাঁ। এক সফরে আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে ছিলাম। একদিন আমরা তাঁর নিকটেই ছিলাম, এমন সময় এক বেদুঈন উচ্চৈঃস্বরে তাকেঁ ডাক দিয়ে বলে হে, মুহাম্মাদ! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তার ন্যায় একই রকম উচ্চ শব্দে তার ডাকে জবাব দিলেন : আস। সেই বেদুঈনকে আমরা বললাম, তোমার অমঙ্গল হোক, তোমার কন্ঠস্বর নীচু কর। কেননা তুমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সম্মুখে আছ। নাবীর সম্মুখে তোমাকে উচ্চৈঃস্বরে কথা বলতে বারণ করা হয়েছে (কুরআনে)। লোকটি বলল, আল্লাহর শপথ! আমি নীচু স্বরে কথা বলতে পারি না। এবার সে বলল, এক লোক এক গোত্রকে ভালবাসে, কিন্তু তাদের সঙ্গে সে মিলিত হতে পারেনি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কোন লোক যাকে ভালবাসে ক্বিয়ামাতের দিন সে তার সঙ্গেই থাকবে। তারপর তিনি আমাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলতে থাকলেন। অবশেষে তিনি পাশ্চাত্যে অবস্থিত একটি দরজার কথা উল্লেখ করলেন যা এত দীর্ঘ যে, একটি সাওয়ারীর সেই দরজার এক প্রান্ত হতে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত পার করতে চল্লিশ কিংবা সত্তর বছর সময় লাগবে। সুফ্‌ইয়ান (রহঃ)বলেন, পাশ্চাত্যের সেই দরজা সিরিয়ার দিকে অবস্থিত। যে দিন আল্লাহ তা’আলা আকাশসমূহ ও যামীন সৃষ্টি করেছেন সেদিন ঐ দরজাও সৃষ্টি করেছেন। তা তাওবার জন্য খোলা রয়েছে। পশ্চিম দিকে হতে সূর্য উদিত না হওয়া পর্যন্ত তা রুদ্ধ করা হবে না। হাদীসটি হাসান : তা’লীকুর রাগীব (৪/৭৩).৯৬ নং হাদীসে এর অংশ বিশেষ বর্ণিত হয়েছে।

যির ইবনু হুবাইশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মোজাদ্বয়ের উপর মাসিহ করা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করার উদ্দেশে আমি সাফওয়ান ইবনু আসসাল আল-মুরাদী (রাঃ) এর কাছে আগমন করলাম। তিনি বললেন, হে যির! তোমাকে কিসে নিয়ে এসেছে? আমি বললাম, জ্ঞানের অন্বেষা! তিনি বললেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলার ফেরেশতাগন জ্ঞানের অন্বেষায় খুশি হয়ে জ্ঞান অন্বেষণকারীর জন্য তাদের পাখা বিছিয়ে দেন। আমি বললাম, আমার মনে একটা দ্বিধাদ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে মলমূত্র ত্যাগের পর মোজার উপর মাসেহ করা প্রসঙ্গে। আর আপনি হলেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর একজন সাহাবী। তাই আপনাকে আমি প্রশ্ন করতে এসেছি যে, এ প্রসঙ্গে আপনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে কিছু আলোচনা করতে শুনেছেন কি? তিনি বললেন হ্যাঁ। আমাদেরকে তিনি নির্দেশ দিতেন যে, আমরা সফররত অবস্থায় থাকলে এবং নাপাকির গোসলের প্রয়োজন না হলে তিন দিন ও তিন রাত পর্যন্ত যেন আমাদের মোজাদ্বয় না খুলি। মলমূত্র ত্যাগ এবং ঘুমানোর কারণে তা খোলার দরকার নেই, বরং শুধু তার উপর মাসেহ্‌ করলেই চলবে। যির (রহঃ) বলেন, আমি বললাম মহব্বত (ভালবাসা) প্রসঙ্গে আপনি কি তাকেঁ কিছু আলোচনা করতে শুনেছেন? তিনি বললেন হ্যাঁ। এক সফরে আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে ছিলাম। একদিন আমরা তাঁর নিকটেই ছিলাম, এমন সময় এক বেদুঈন উচ্চৈঃস্বরে তাকেঁ ডাক দিয়ে বলে হে, মুহাম্মাদ! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তার ন্যায় একই রকম উচ্চ শব্দে তার ডাকে জবাব দিলেন : আস। সেই বেদুঈনকে আমরা বললাম, তোমার অমঙ্গল হোক, তোমার কন্ঠস্বর নীচু কর। কেননা তুমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সম্মুখে আছ। নাবীর সম্মুখে তোমাকে উচ্চৈঃস্বরে কথা বলতে বারণ করা হয়েছে (কুরআনে)। লোকটি বলল, আল্লাহর শপথ! আমি নীচু স্বরে কথা বলতে পারি না। এবার সে বলল, এক লোক এক গোত্রকে ভালবাসে, কিন্তু তাদের সঙ্গে সে মিলিত হতে পারেনি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কোন লোক যাকে ভালবাসে ক্বিয়ামাতের দিন সে তার সঙ্গেই থাকবে। তারপর তিনি আমাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলতে থাকলেন। অবশেষে তিনি পাশ্চাত্যে অবস্থিত একটি দরজার কথা উল্লেখ করলেন যা এত দীর্ঘ যে, একটি সাওয়ারীর সেই দরজার এক প্রান্ত হতে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত পার করতে চল্লিশ কিংবা সত্তর বছর সময় লাগবে। সুফ্‌ইয়ান (রহঃ)বলেন, পাশ্চাত্যের সেই দরজা সিরিয়ার দিকে অবস্থিত। যে দিন আল্লাহ তা’আলা আকাশসমূহ ও যামীন সৃষ্টি করেছেন সেদিন ঐ দরজাও সৃষ্টি করেছেন। তা তাওবার জন্য খোলা রয়েছে। পশ্চিম দিকে হতে সূর্য উদিত না হওয়া পর্যন্ত তা রুদ্ধ করা হবে না। হাদীসটি হাসান : তা’লীকুর রাগীব (৪/৭৩).৯৬ নং হাদীসে এর অংশ বিশেষ বর্ণিত হয়েছে।

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن عاصم بن أبي النجود، عن زر بن حبيش، قال أتيت صفوان بن عسال المرادي أسأله عن المسح، على الخفين فقال ما جاء بك يا زر فقلت ابتغاء العلم فقال إن الملائكة تضع أجنحتها لطالب العلم رضا بما يطلب ‏.‏ قلت إنه حك في صدري المسح على الخفين بعد الغائط والبول وكنت امرأ من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فجئت أسألك هل سمعته يذكر في ذلك شيئا قال نعم كان يأمرنا إذا كنا سفرا أو مسافرين أن لا ننزع خفافنا ثلاثة أيام ولياليهن إلا من جنابة لكن من غائط وبول ونوم ‏.‏ فقلت هل سمعته يذكر في الهوى شيئا قال نعم كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر فبينا نحن عنده إذ ناداه أعرابي بصوت له جهوري يا محمد ‏.‏ فأجابه رسول الله صلى الله عليه وسلم على نحو من صوته هاؤم وقلنا له ويحك اغضض من صوتك فإنك عند النبي صلى الله عليه وسلم وقد نهيت عن هذا ‏.‏ فقال والله لا أغضض ‏.‏ قال الأعرابي المرء يحب القوم ولما يلحق بهم ‏.‏ قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ المرء مع من أحب يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏ فمازال يحدثنا حتى ذكر بابا من قبل المغرب مسيرة عرضه أو يسير الراكب في عرضه أربعين أو سبعين عاما قال سفيان قبل الشام خلقه الله يوم خلق السموات والأرض مفتوحا يعني للتوبة لا يغلق حتى تطلع الشمس منه ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩৫৩৮

حدثنا قتيبة، حدثنا المغيرة بن عبد الرحمن، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لله أفرح بتوبة أحدكم من أحدكم بضالته إذا وجدها ‏"‏ ‏.‏ قال وفي الباب عن ابن مسعود والنعمان بن بشير وأنس ‏.‏ قال وهذا حديث حسن صحيح غريب من هذا الوجه من حديث أبي الزناد ‏.‏ وقد روي هذا الحديث عن مكحول بإسناد له عن أبي ذر عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو هذا ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ তার হারানো মাল ফিরে পেলে যতটা আনন্দিত হয়, তোমাদের কারো তাওবায় (ক্ষমা প্রার্থনায়) আল্লাহ তা’আলা তার চাইতে বেশি আনন্দিত হন। সহীহ : ইবনু মাজাহ (হা: ৪২৪৭), মুসলিম।

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ তার হারানো মাল ফিরে পেলে যতটা আনন্দিত হয়, তোমাদের কারো তাওবায় (ক্ষমা প্রার্থনায়) আল্লাহ তা’আলা তার চাইতে বেশি আনন্দিত হন। সহীহ : ইবনু মাজাহ (হা: ৪২৪৭), মুসলিম।

حدثنا قتيبة، حدثنا المغيرة بن عبد الرحمن، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لله أفرح بتوبة أحدكم من أحدكم بضالته إذا وجدها ‏"‏ ‏.‏ قال وفي الباب عن ابن مسعود والنعمان بن بشير وأنس ‏.‏ قال وهذا حديث حسن صحيح غريب من هذا الوجه من حديث أبي الزناد ‏.‏ وقد روي هذا الحديث عن مكحول بإسناد له عن أبي ذر عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو هذا ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩৫৩৬

حدثنا أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا حماد بن زيد، عن عاصم، عن زر بن حبيش، قال أتيت صفوان بن عسال المرادي فقال لي ما جاء بك قلت ابتغاء العلم ‏.‏ قال بلغني أن الملائكة تضع أجنحتها لطالب العلم رضا بما يفعل ‏.‏ قال قلت إنه حاك أو قال حك في نفسي شيء من المسح على الخفين فهل حفظت من رسول الله صلى الله عليه وسلم فيه شيئا قال نعم كنا إذا كنا سفرا أو مسافرين أمرنا أن لا نخلع خفافنا ثلاثا إلا من جنابة ولكن من غائط وبول ونوم ‏.‏ قال فقلت فهل حفظت من رسول الله صلى الله عليه وسلم في الهوى شيئا قال نعم كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في بعض أسفاره فناداه رجل كان في آخر القوم بصوت جهوري أعرابي جلف جاف فقال يا محمد يا محمد ‏.‏ فقال له القوم مه إنك قد نهيت عن هذا ‏.‏ فأجابه رسول الله صلى الله عليه وسلم نحوا من صوته هاؤم فقال الرجل يحب القوم ولما يلحق بهم ‏.‏ قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ المرء مع من أحب ‏"‏ ‏.‏ قال زر فما برح يحدثني حتى حدثني أن الله جعل بالمغرب بابا عرضه مسيرة سبعين عاما للتوبة لا يغلق حتى تطلع الشمس من قبله وذلك قول الله عز وجل ‏:‏ ‏(‏ يوم يأتي بعض آيات ربك لا ينفع نفسا إيمانها ‏)‏ الآية ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏

যির ইবনু হুবাইশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সাফওয়ান ইবনু আসসাল আল-মুরাদী (রাঃ) এর কাছে আসলাম। তিনি আমাকে বললেন তোমাকে কিসে নিয়ে এসেছে? আমি বললাম জ্ঞানের সন্ধানে। তিনি বললেন, আমি অবগত হয়েছি যে, জ্ঞান অন্বেষণকারীর কাজের প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে ফেরেশতাগণ তার জন্য তাদের পাখা বিছিয়ে দেন। যির (রহঃ) বললেন, মলমূত্র ত্যাগের পর মোজাদ্বয়ের উপর মাসাহ করা প্রসঙ্গে আমার মনে একটা দ্বিধার সঞ্চার হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে আপনি এ প্রসঙ্গে কিছু জানেন কি? তিনি বললেন হ্যাঁ। আমাদেরকে তিনি হুকুম দিয়েছেন যে, আমরা সফররত অবস্থায় নাপাকীর গোসলের প্রয়োজন না হলে যেন তিন দিন ও তিন রাত পর্যন্ত আমাদের মোজা না খুলি। মলমূত্র ত্যাগ ও ঘুমানোর কারণেও তা খোলার প্রয়োজন নেই। যির (রহঃ) বললেন, আমি পুনরায় বললাম, আপনি ভালবাসা প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে কিছু জানেন কি? তিনি বললেন হ্যাঁ। কোন এক সফরে আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সথে ছিলাম। লোকদের একেবারে পেছন হতে এক লোক খুব উচ্চৈঃস্বরে তাঁকে ডাক দিল। লোকটি নির্বোধ বেদুঈন ও রুক্ষ ছিল। সে বলল, হে মুহাম্মাদ, হে মুহাম্মাদ! লোকেরা তাকে বলল, থাম! এভাবে আল্লাহ তা’আলার নাবীকে সম্বোধন করতে তোমাকে (কুরআনে) বারণ করা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাকে তার ন্যায় উচ্চৈঃস্বরে উত্তর দিলেন: আস। লোকটি বলল, এক লোক কোন গোত্র কে ভালবাসে, কিন্তু তাদের সঙ্গে সে মিলিত হতে পারেনি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কোন লোক যাকে ভালবাসে সে তার সাথী হবে। যির (রহঃ) বলেন, আমার সঙ্গে সাফওয়ান (রাঃ) অবিরত কথা বলে যাচ্ছিলেন। পরিশেষে তিনি আমাকে বললেন, মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ তা’আলা তাওবার জন্য পাশ্চাত্যে একটি দরজা রেখেছেন, যার এক প্রান্ত হতে অন্য প্রান্তের ব্যবধান সত্তর বছরের। সূর্য সেদিক হতে উদিত না হওয়া পর্যন্ত সেই দরজা বন্ধ হবে না। আর সে কথার প্রমাণ প্রাচুর্যময় মহান আল্লাহ তা’আলার বাণী (অনুবাদ): ‘‘এমন একদিন সংঘটিত হবে যে দিন তোমার প্রভুর কিছু নিদর্শন আসবে, সেই দিন কোন লোকের ঈমান তার কাজে আসবে না যে আগে কখনো ঈমান আনেনি’’। হাদীসটি সানাদ সহীহ : দেখুন পূর্বের হাদীস।

যির ইবনু হুবাইশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সাফওয়ান ইবনু আসসাল আল-মুরাদী (রাঃ) এর কাছে আসলাম। তিনি আমাকে বললেন তোমাকে কিসে নিয়ে এসেছে? আমি বললাম জ্ঞানের সন্ধানে। তিনি বললেন, আমি অবগত হয়েছি যে, জ্ঞান অন্বেষণকারীর কাজের প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে ফেরেশতাগণ তার জন্য তাদের পাখা বিছিয়ে দেন। যির (রহঃ) বললেন, মলমূত্র ত্যাগের পর মোজাদ্বয়ের উপর মাসাহ করা প্রসঙ্গে আমার মনে একটা দ্বিধার সঞ্চার হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে আপনি এ প্রসঙ্গে কিছু জানেন কি? তিনি বললেন হ্যাঁ। আমাদেরকে তিনি হুকুম দিয়েছেন যে, আমরা সফররত অবস্থায় নাপাকীর গোসলের প্রয়োজন না হলে যেন তিন দিন ও তিন রাত পর্যন্ত আমাদের মোজা না খুলি। মলমূত্র ত্যাগ ও ঘুমানোর কারণেও তা খোলার প্রয়োজন নেই। যির (রহঃ) বললেন, আমি পুনরায় বললাম, আপনি ভালবাসা প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে কিছু জানেন কি? তিনি বললেন হ্যাঁ। কোন এক সফরে আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সথে ছিলাম। লোকদের একেবারে পেছন হতে এক লোক খুব উচ্চৈঃস্বরে তাঁকে ডাক দিল। লোকটি নির্বোধ বেদুঈন ও রুক্ষ ছিল। সে বলল, হে মুহাম্মাদ, হে মুহাম্মাদ! লোকেরা তাকে বলল, থাম! এভাবে আল্লাহ তা’আলার নাবীকে সম্বোধন করতে তোমাকে (কুরআনে) বারণ করা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাকে তার ন্যায় উচ্চৈঃস্বরে উত্তর দিলেন: আস। লোকটি বলল, এক লোক কোন গোত্র কে ভালবাসে, কিন্তু তাদের সঙ্গে সে মিলিত হতে পারেনি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কোন লোক যাকে ভালবাসে সে তার সাথী হবে। যির (রহঃ) বলেন, আমার সঙ্গে সাফওয়ান (রাঃ) অবিরত কথা বলে যাচ্ছিলেন। পরিশেষে তিনি আমাকে বললেন, মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ তা’আলা তাওবার জন্য পাশ্চাত্যে একটি দরজা রেখেছেন, যার এক প্রান্ত হতে অন্য প্রান্তের ব্যবধান সত্তর বছরের। সূর্য সেদিক হতে উদিত না হওয়া পর্যন্ত সেই দরজা বন্ধ হবে না। আর সে কথার প্রমাণ প্রাচুর্যময় মহান আল্লাহ তা’আলার বাণী (অনুবাদ): ‘‘এমন একদিন সংঘটিত হবে যে দিন তোমার প্রভুর কিছু নিদর্শন আসবে, সেই দিন কোন লোকের ঈমান তার কাজে আসবে না যে আগে কখনো ঈমান আনেনি’’। হাদীসটি সানাদ সহীহ : দেখুন পূর্বের হাদীস।

حدثنا أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا حماد بن زيد، عن عاصم، عن زر بن حبيش، قال أتيت صفوان بن عسال المرادي فقال لي ما جاء بك قلت ابتغاء العلم ‏.‏ قال بلغني أن الملائكة تضع أجنحتها لطالب العلم رضا بما يفعل ‏.‏ قال قلت إنه حاك أو قال حك في نفسي شيء من المسح على الخفين فهل حفظت من رسول الله صلى الله عليه وسلم فيه شيئا قال نعم كنا إذا كنا سفرا أو مسافرين أمرنا أن لا نخلع خفافنا ثلاثا إلا من جنابة ولكن من غائط وبول ونوم ‏.‏ قال فقلت فهل حفظت من رسول الله صلى الله عليه وسلم في الهوى شيئا قال نعم كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في بعض أسفاره فناداه رجل كان في آخر القوم بصوت جهوري أعرابي جلف جاف فقال يا محمد يا محمد ‏.‏ فقال له القوم مه إنك قد نهيت عن هذا ‏.‏ فأجابه رسول الله صلى الله عليه وسلم نحوا من صوته هاؤم فقال الرجل يحب القوم ولما يلحق بهم ‏.‏ قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ المرء مع من أحب ‏"‏ ‏.‏ قال زر فما برح يحدثني حتى حدثني أن الله جعل بالمغرب بابا عرضه مسيرة سبعين عاما للتوبة لا يغلق حتى تطلع الشمس من قبله وذلك قول الله عز وجل ‏:‏ ‏(‏ يوم يأتي بعض آيات ربك لا ينفع نفسا إيمانها ‏)‏ الآية ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩৫৪০

حدثنا عبد الله بن إسحاق الجوهري البصري، حدثنا أبو عاصم، حدثنا كثير بن فائد، حدثنا سعيد بن عبيد، قال سمعت بكر بن عبد الله المزني، يقول حدثنا أنس بن مالك، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ قال الله يا ابن آدم إنك ما دعوتني ورجوتني غفرت لك على ما كان فيك ولا أبالي يا ابن آدم لو بلغت ذنوبك عنان السماء ثم استغفرتني غفرت لك ولا أبالي يا ابن آدم إنك لو أتيتني بقراب الأرض خطايا ثم لقيتني لا تشرك بي شيئا لأتيتك بقرابها مغفرة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه إلا من هذا الوجه ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে আমি বলতে শুনেছি : বারাকাতময় আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ হে আদম সন্তান! যতক্ষণ আমাকে তুমি ডাকতে থাকবে এবং আমার হতে (ক্ষমা পাওয়ার) আশায় থাকবে, তোমার গুনাহ যত অধিক হোক, তোমাকে আমি ক্ষমা করব, এত কোন পরওয়া করব না। হে আদম সন্তান! তোমার গুনাহ্‌র পরিমাণ যদি আসমানের কিনারা বা মেঘমালা পর্যন্তও পৌছে যায়, তারপর তুমি আমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা কর, আমি তোমাকে ক্ষমা করে দেব, এতে আমি পরওয়া করব না। হে আদম সন্তান! তুমি যদি সম্পূর্ণ পৃথিবী পরিসাণ গুনাহ নিয়েও আমার নিকট আস এবং আমার সঙ্গে কাউকে অংশীদার না করে থাক, তাহলে তোমার কাছে আমিও পৃথিবী পূর্ণ ক্ষমা নিয়ে হাযির হব। সহীহ : সহীহাহ্‌ (হা: ১২৭, ১২৮), রাওযুন নাযীর (হা: ৪৩২), মিশকাত তাহক্বীক্ব সানী (হা: ২৩৩৬) তা’লীকুর রাগীব (হাঃ ২/২৬৮)।

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে আমি বলতে শুনেছি : বারাকাতময় আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ হে আদম সন্তান! যতক্ষণ আমাকে তুমি ডাকতে থাকবে এবং আমার হতে (ক্ষমা পাওয়ার) আশায় থাকবে, তোমার গুনাহ যত অধিক হোক, তোমাকে আমি ক্ষমা করব, এত কোন পরওয়া করব না। হে আদম সন্তান! তোমার গুনাহ্‌র পরিমাণ যদি আসমানের কিনারা বা মেঘমালা পর্যন্তও পৌছে যায়, তারপর তুমি আমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা কর, আমি তোমাকে ক্ষমা করে দেব, এতে আমি পরওয়া করব না। হে আদম সন্তান! তুমি যদি সম্পূর্ণ পৃথিবী পরিসাণ গুনাহ নিয়েও আমার নিকট আস এবং আমার সঙ্গে কাউকে অংশীদার না করে থাক, তাহলে তোমার কাছে আমিও পৃথিবী পূর্ণ ক্ষমা নিয়ে হাযির হব। সহীহ : সহীহাহ্‌ (হা: ১২৭, ১২৮), রাওযুন নাযীর (হা: ৪৩২), মিশকাত তাহক্বীক্ব সানী (হা: ২৩৩৬) তা’লীকুর রাগীব (হাঃ ২/২৬৮)।

حدثنا عبد الله بن إسحاق الجوهري البصري، حدثنا أبو عاصم، حدثنا كثير بن فائد، حدثنا سعيد بن عبيد، قال سمعت بكر بن عبد الله المزني، يقول حدثنا أنس بن مالك، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ قال الله يا ابن آدم إنك ما دعوتني ورجوتني غفرت لك على ما كان فيك ولا أبالي يا ابن آدم لو بلغت ذنوبك عنان السماء ثم استغفرتني غفرت لك ولا أبالي يا ابن آدم إنك لو أتيتني بقراب الأرض خطايا ثم لقيتني لا تشرك بي شيئا لأتيتك بقرابها مغفرة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه إلا من هذا الوجه ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00