জামে' আত-তিরমিজি > (রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বেশী বেশী যে দু’আ পাঠ করতেন)
জামে' আত-তিরমিজি ৩৫২২
حدثنا أبو موسى الأنصاري، حدثنا معاذ بن معاذ، عن أبي كعب، صاحب الحرير حدثني شهر بن حوشب، قال قلت لأم سلمة يا أم المؤمنين ما كان أكثر دعاء رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا كان عندك قالت كان أكثر دعائه " يا مقلب القلوب ثبت قلبي على دينك " . قالت قلت يا رسول الله ما لأكثر دعائك يا مقلب القلوب ثبت قلبي على دينك قال " يا أم سلمة إنه ليس آدمي إلا وقلبه بين أصبعين من أصابع الله فمن شاء أقام ومن شاء أزاغ " . فتلا معاذ : ( ربنا لا تزغ قلوبنا بعد إذ هديتنا ) قال وفي الباب عن عائشة والنواس بن سمعان وأنس وجابر وعبد الله بن عمرو ونعيم بن همار . قال وهذا حديث حسن .
শাহর ইবনু হাওশাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)-কে আমি বললাম, হে উম্মুল মু’মিনীন! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনার কাছে অবস্থানকালে অধিকাংশ সময় কোন দু’আটি পাঠ করতেন? তিনি বললেন, তিনি অধিকাংশ সময় এ দু’আ পাঠ করতেন: ‘‘হে মনের পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের উপর স্থির রাখ’’। উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! আপনি অধিকাংশ সময় ‘’হে মনের পরিবর্তনকারী! আমার মনকে তোমার দ্বীনের উপর স্থির রাখ’’ দু’আটি কেন পাঠ করেন? তিনি বললেনঃহে উম্মু সালামাহ্! এরূপ কোন মানুষ নেই যার মন আল্লাহ তা’আলার দুই আঙ্গুলের মধ্যবর্তীতে অবস্থিত নয়। যাকে ইচ্ছা তিনি (দ্বীনের উপর) স্থির রাখেন এবং যাকে ইচ্ছা (দ্বীন হতে) বিপথগামী করে দেন। তারপর অধ:স্তন বর্ণনাকারী মু’আয (রহঃ) কুরআনের এ আয়াত তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ): হে আমাদের রব! আমাদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করার পর তুমি আমাদের অন্তরসমূহকে বাঁকা করে দিও না। সহীহ : যিলালুল জান্নাহ (হা: ২২৩)।
শাহর ইবনু হাওশাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)-কে আমি বললাম, হে উম্মুল মু’মিনীন! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনার কাছে অবস্থানকালে অধিকাংশ সময় কোন দু’আটি পাঠ করতেন? তিনি বললেন, তিনি অধিকাংশ সময় এ দু’আ পাঠ করতেন: ‘‘হে মনের পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের উপর স্থির রাখ’’। উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! আপনি অধিকাংশ সময় ‘’হে মনের পরিবর্তনকারী! আমার মনকে তোমার দ্বীনের উপর স্থির রাখ’’ দু’আটি কেন পাঠ করেন? তিনি বললেনঃহে উম্মু সালামাহ্! এরূপ কোন মানুষ নেই যার মন আল্লাহ তা’আলার দুই আঙ্গুলের মধ্যবর্তীতে অবস্থিত নয়। যাকে ইচ্ছা তিনি (দ্বীনের উপর) স্থির রাখেন এবং যাকে ইচ্ছা (দ্বীন হতে) বিপথগামী করে দেন। তারপর অধ:স্তন বর্ণনাকারী মু’আয (রহঃ) কুরআনের এ আয়াত তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ): হে আমাদের রব! আমাদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করার পর তুমি আমাদের অন্তরসমূহকে বাঁকা করে দিও না। সহীহ : যিলালুল জান্নাহ (হা: ২২৩)।
حدثنا أبو موسى الأنصاري، حدثنا معاذ بن معاذ، عن أبي كعب، صاحب الحرير حدثني شهر بن حوشب، قال قلت لأم سلمة يا أم المؤمنين ما كان أكثر دعاء رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا كان عندك قالت كان أكثر دعائه " يا مقلب القلوب ثبت قلبي على دينك " . قالت قلت يا رسول الله ما لأكثر دعائك يا مقلب القلوب ثبت قلبي على دينك قال " يا أم سلمة إنه ليس آدمي إلا وقلبه بين أصبعين من أصابع الله فمن شاء أقام ومن شاء أزاغ " . فتلا معاذ : ( ربنا لا تزغ قلوبنا بعد إذ هديتنا ) قال وفي الباب عن عائشة والنواس بن سمعان وأنس وجابر وعبد الله بن عمرو ونعيم بن همار . قال وهذا حديث حسن .
জামে' আত-তিরমিজি ৩৫২৩
حدثنا محمد بن حاتم المؤدب، حدثنا الحكم بن ظهير، حدثنا علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة، عن أبيه، قال شكا خالد بن الوليد المخزومي إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله ما أنام الليل من الأرق . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " إذا أويت إلى فراشك فقل اللهم رب السموات السبع وما أظلت ورب الأرضين وما أقلت ورب الشياطين وما أضلت كن لي جارا من شر خلقك كلهم جميعا أن يفرط على أحد منهم أو أن يبغي على عز جارك وجل ثناؤك ولا إله غيرك ولا إله إلا أنت " . قال هذا حديث ليس إسناده بالقوي . والحكم بن ظهير قد ترك حديثه بعض أهل الحديث ويروى هذا الحديث عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسلا من غير هذا الوجه .
সুলাইমান ইবনু বুরাইদা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ আল-মাখযূমী (রাঃ) রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট অভিযোগ করে বললেন, হে আল্লাহ্র রাসুল! দুশ্চিন্তা বা স্নায়ুবিক চাপের কারণে রাতে আমি ঘুমাতে পারি না। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যখন তুমি বিছানায় আশ্রয় গ্রহণ কর তখন বল, “হে আল্লাহ্! সাত আকাশের প্রতিপালক এবং যা কিছুর উপর তা ছায়া বিস্তার করেছে, সাত যমিনের প্রতিপালক এবং যা কিছু তা উত্থাপন করেছেন, আর শাইতানদের প্রতিপালক এবং এরা যাদেরকে বিপথগামী করেছে! তুমি আমাকে তোমার সকল সৃষ্টিকুলের খারাবী হতে রক্ষার জন্য আমার প্রতিবেশী হয়ে যাও, যাতে সেগুলোর কোনটি আমার উপর বাড়াবাড়ি করতে না পারে অথবা আমার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করতে না পারে। সম্মানিত তোমার প্রতিবেশী, সুমহান তোমার প্রশংসা। তুমি ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তুমি ব্যতীত আর কোন মাবূদ নেই”। যঈফ, আল-কালিমুত তায়্যিব (৪৭/৩৩), মিশকাত (২৪১১), আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসের সনদ তেমন শক্তিশালী নয়। হাকাম ইবনু জুহাইর পরিত্যক্ত রাবী। কিছু হাদীস বিশারদ তার হতে হাদীস গ্রহণ বাদ দিয়েছেন। এ হাদীসটি ভিন্নসূত্রে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে মুরসালরূপেও বর্ণিত হয়েছে।
সুলাইমান ইবনু বুরাইদা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ আল-মাখযূমী (রাঃ) রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট অভিযোগ করে বললেন, হে আল্লাহ্র রাসুল! দুশ্চিন্তা বা স্নায়ুবিক চাপের কারণে রাতে আমি ঘুমাতে পারি না। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যখন তুমি বিছানায় আশ্রয় গ্রহণ কর তখন বল, “হে আল্লাহ্! সাত আকাশের প্রতিপালক এবং যা কিছুর উপর তা ছায়া বিস্তার করেছে, সাত যমিনের প্রতিপালক এবং যা কিছু তা উত্থাপন করেছেন, আর শাইতানদের প্রতিপালক এবং এরা যাদেরকে বিপথগামী করেছে! তুমি আমাকে তোমার সকল সৃষ্টিকুলের খারাবী হতে রক্ষার জন্য আমার প্রতিবেশী হয়ে যাও, যাতে সেগুলোর কোনটি আমার উপর বাড়াবাড়ি করতে না পারে অথবা আমার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করতে না পারে। সম্মানিত তোমার প্রতিবেশী, সুমহান তোমার প্রশংসা। তুমি ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তুমি ব্যতীত আর কোন মাবূদ নেই”। যঈফ, আল-কালিমুত তায়্যিব (৪৭/৩৩), মিশকাত (২৪১১), আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসের সনদ তেমন শক্তিশালী নয়। হাকাম ইবনু জুহাইর পরিত্যক্ত রাবী। কিছু হাদীস বিশারদ তার হতে হাদীস গ্রহণ বাদ দিয়েছেন। এ হাদীসটি ভিন্নসূত্রে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে মুরসালরূপেও বর্ণিত হয়েছে।
حدثنا محمد بن حاتم المؤدب، حدثنا الحكم بن ظهير، حدثنا علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة، عن أبيه، قال شكا خالد بن الوليد المخزومي إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله ما أنام الليل من الأرق . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " إذا أويت إلى فراشك فقل اللهم رب السموات السبع وما أظلت ورب الأرضين وما أقلت ورب الشياطين وما أضلت كن لي جارا من شر خلقك كلهم جميعا أن يفرط على أحد منهم أو أن يبغي على عز جارك وجل ثناؤك ولا إله غيرك ولا إله إلا أنت " . قال هذا حديث ليس إسناده بالقوي . والحكم بن ظهير قد ترك حديثه بعض أهل الحديث ويروى هذا الحديث عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسلا من غير هذا الوجه .
জামে' আত-তিরমিজি > (কঠিন কাজ হাযির হলে যে দু’আ পাঠ করবে)
জামে' আত-তিরমিজি ৩৫২৫
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا المؤمل، عن حماد بن سلمة، عن حميد، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ألظوا بيا ذا الجلال والإكرام " . قال هذا حديث غريب وليس بمحفوظ . وإنما يروى هذا عن حماد بن سلمة عن حميد عن الحسن عن النبي صلى الله عليه وسلم وهذا أصح ومؤمل غلط فيه فقال عن حماد عن حميد عن أنس ولا يتابع فيه .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: তোমরা সবসময় “ইয়া যাল-জালালিওয়াল-ইকরাম” (হে গৌরব ও মহত্ত্বের অধিকারী) পাঠ করাকে অপরিহার্য করে নাও। সহীহ : দেখুন পূর্বের হাদীস।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: তোমরা সবসময় “ইয়া যাল-জালালিওয়াল-ইকরাম” (হে গৌরব ও মহত্ত্বের অধিকারী) পাঠ করাকে অপরিহার্য করে নাও। সহীহ : দেখুন পূর্বের হাদীস।
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا المؤمل، عن حماد بن سلمة، عن حميد، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ألظوا بيا ذا الجلال والإكرام " . قال هذا حديث غريب وليس بمحفوظ . وإنما يروى هذا عن حماد بن سلمة عن حميد عن الحسن عن النبي صلى الله عليه وسلم وهذا أصح ومؤمل غلط فيه فقال عن حماد عن حميد عن أنس ولا يتابع فيه .
জামে' আত-তিরমিজি ৩৫২৪
حدثنا محمد بن حاتم المكتب، حدثنا أبو بدر، شجاع بن الوليد عن الرحيل بن معاوية، أخي زهير بن معاوية عن الرقاشي، عن أنس بن مالك، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا كربه أمر قال " يا حى يا قيوم برحمتك أستغيث " . وبإسناده قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ألظوا بيا ذا الجلال والإكرام " . قال أبو عيسى هذا حديث غريب . وقد روي هذا الحديث عن أنس من غير هذا الوجه .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সম্মুখে কঠিন কাজ হাযির হলে তিনি বলতেন: হে চিরজীবি, হে চিরস্থায়ী! আমি তোমার রহমাতের ওয়াসীলায় সাহায্য প্রার্থনা করি’’। হাসান : আল-কালিমুত্ তাইয়্যিব (হাঃ ১১৮/৭৬)। একই সনদসূত্রে আনাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা সবসময় “ইয়া যাল-জালালি ওয়াল-ইকরাম’’ পাঠ করাকে অপরিহার্য করে নাও। সহীহ : সহীহাহ্ (হাঃ ১৫৩৬)।
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সম্মুখে কঠিন কাজ হাযির হলে তিনি বলতেন: হে চিরজীবি, হে চিরস্থায়ী! আমি তোমার রহমাতের ওয়াসীলায় সাহায্য প্রার্থনা করি’’। হাসান : আল-কালিমুত্ তাইয়্যিব (হাঃ ১১৮/৭৬)। একই সনদসূত্রে আনাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা সবসময় “ইয়া যাল-জালালি ওয়াল-ইকরাম’’ পাঠ করাকে অপরিহার্য করে নাও। সহীহ : সহীহাহ্ (হাঃ ১৫৩৬)।
حدثنا محمد بن حاتم المكتب، حدثنا أبو بدر، شجاع بن الوليد عن الرحيل بن معاوية، أخي زهير بن معاوية عن الرقاشي، عن أنس بن مالك، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا كربه أمر قال " يا حى يا قيوم برحمتك أستغيث " . وبإسناده قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ألظوا بيا ذا الجلال والإكرام " . قال أبو عيسى هذا حديث غريب . وقد روي هذا الحديث عن أنس من غير هذا الوجه .
জামে' আত-তিরমিজি > ঘুম না আসা পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলার যিকির করার ফাযীলত
জামে' আত-তিরমিজি ৩৫২৬
حدثنا الحسن بن عرفة، حدثنا إسماعيل بن عياش، عن عبد الله بن عبد الرحمن بن أبي حسين، عن شهر بن حوشب، عن أبي أمامة الباهلي، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من أوى إلى فراشه طاهرا يذكر الله حتى يدركه النعاس لم ينقلب ساعة من الليل يسأل الله شيئا من خير الدنيا والآخرة إلا أعطاه الله إياه " . قال هذا حديث حسن غريب . وقد روي هذا أيضا عن شهر بن حوشب عن أبي ظبية عن عمرو بن عبسة عن النبي صلى الله عليه وسلم .
আবূ উমামা আল-বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি ঘুমানোর উদ্দেশ্যে পবিত্র অবস্থায় বিছানায় যায় এবং ঘুম না আসা পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলার যিকির করতে থাকে, সে পার্শ্ব পরিবর্তন করার আগেই আল্লাহ তা’আলার নিকটে দুনিয়া ও পরকালের কল্যাণ হতে যা কিছু প্রার্থনা করবে, আল্লাহ তা’আলা তাকে নিঃসন্দেহে তা দান করবেন। যঈফ, ত’লীকুর রাগীব (১/২৭০), মিশকাত (১২৫০), আল-কালিমুত তায়্যিব তাহকীক ছানী (৪৩/২৯), আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব। এ হাদীস শাহ্র ইবনু হাওশাব হতে, তিনি আবূ যাবিয়্যা হতে, তিনি আমর ইবনু আবাসার সূত্রেও রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত হয়েছে।
আবূ উমামা আল-বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি ঘুমানোর উদ্দেশ্যে পবিত্র অবস্থায় বিছানায় যায় এবং ঘুম না আসা পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলার যিকির করতে থাকে, সে পার্শ্ব পরিবর্তন করার আগেই আল্লাহ তা’আলার নিকটে দুনিয়া ও পরকালের কল্যাণ হতে যা কিছু প্রার্থনা করবে, আল্লাহ তা’আলা তাকে নিঃসন্দেহে তা দান করবেন। যঈফ, ত’লীকুর রাগীব (১/২৭০), মিশকাত (১২৫০), আল-কালিমুত তায়্যিব তাহকীক ছানী (৪৩/২৯), আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব। এ হাদীস শাহ্র ইবনু হাওশাব হতে, তিনি আবূ যাবিয়্যা হতে, তিনি আমর ইবনু আবাসার সূত্রেও রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত হয়েছে।
حدثنا الحسن بن عرفة، حدثنا إسماعيل بن عياش، عن عبد الله بن عبد الرحمن بن أبي حسين، عن شهر بن حوشب، عن أبي أمامة الباهلي، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من أوى إلى فراشه طاهرا يذكر الله حتى يدركه النعاس لم ينقلب ساعة من الليل يسأل الله شيئا من خير الدنيا والآخرة إلا أعطاه الله إياه " . قال هذا حديث حسن غريب . وقد روي هذا أيضا عن شهر بن حوشب عن أبي ظبية عن عمرو بن عبسة عن النبي صلى الله عليه وسلم .
জামে' আত-তিরমিজি > (ঘুমের মধ্যে আতংকিত হলে যা পড়বে)
জামে' আত-তিরমিজি ৩৫২৭
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا وكيع، حدثنا سفيان، عن الجريري، عن أبي الورد، عن اللجلاج، عن معاذ بن جبل، قال سمع النبي صلى الله عليه وسلم رجلا يدعو يقول اللهم إني أسألك تمام النعمة . فقال " أى شيء تمام النعمة " . قال دعوة دعوت بها أرجو بها الخير . قال " فإن من تمام النعمة دخول الجنة والفوز من النار " . وسمع رجلا وهو يقول يا ذا الجلال والإكرام فقال " قد استجيب لك فسل " . وسمع النبي صلى الله عليه وسلم رجلا وهو يقول اللهم إني أسألك الصبر . فقال " سألت الله البلاء فسله العافية " . حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن الجريري، بهذا الإسناد نحوه . قال أبو عيسى هذا حديث حسن .
মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শুনতে পেলেন যে, এক ব্যক্তি তার দু’আয় বলছে “হে আল্লাহ! আমি তোমার সকল নিআমাত কামনা করি”। তিনি বলেনঃ সকল নিয়ামত কি? সে বলল, আমি একটি দু’আ করেছি যার উসীলায় কল্যাণ লাভের কামনা করি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেলেনঃ পূর্ণ নিয়ামাত হচ্ছে জান্নাতে প্রবেশলাভ এবং জাহান্নাম হতে রেহাই। তিনি আরেক ব্যক্তিকে বলতে শুনেনঃ “হে মর্যাদা ও মহত্বের অধিকারী”। তিনি বলেলেনঃ তোমার দু’আ ক্ববুল করা হবে, অতএব প্রার্থনা কর। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরেক ব্যক্তিকে বলতে শুনেনঃ “হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট সবরের প্রার্থনা করি”। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেলেনঃ তুমি তো আল্লাহ তা’আলার নিকটে দুরবস্থা প্রার্থনা করেছ, অতএব তাঁর নিকটে শান্তি ও নিরাপত্তা কামনা কর। যঈফ, যঈফা (৪৫২০), আহামাদ ইবনু মানী ইসমাঈল ইবনু ইবরাহীম হতে তিনি আল-জুরাইরী (রহঃ)-এর সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের মতই বর্ণনা করেছেন। আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান।
মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শুনতে পেলেন যে, এক ব্যক্তি তার দু’আয় বলছে “হে আল্লাহ! আমি তোমার সকল নিআমাত কামনা করি”। তিনি বলেনঃ সকল নিয়ামত কি? সে বলল, আমি একটি দু’আ করেছি যার উসীলায় কল্যাণ লাভের কামনা করি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেলেনঃ পূর্ণ নিয়ামাত হচ্ছে জান্নাতে প্রবেশলাভ এবং জাহান্নাম হতে রেহাই। তিনি আরেক ব্যক্তিকে বলতে শুনেনঃ “হে মর্যাদা ও মহত্বের অধিকারী”। তিনি বলেলেনঃ তোমার দু’আ ক্ববুল করা হবে, অতএব প্রার্থনা কর। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরেক ব্যক্তিকে বলতে শুনেনঃ “হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট সবরের প্রার্থনা করি”। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেলেনঃ তুমি তো আল্লাহ তা’আলার নিকটে দুরবস্থা প্রার্থনা করেছ, অতএব তাঁর নিকটে শান্তি ও নিরাপত্তা কামনা কর। যঈফ, যঈফা (৪৫২০), আহামাদ ইবনু মানী ইসমাঈল ইবনু ইবরাহীম হতে তিনি আল-জুরাইরী (রহঃ)-এর সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের মতই বর্ণনা করেছেন। আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান।
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا وكيع، حدثنا سفيان، عن الجريري، عن أبي الورد، عن اللجلاج، عن معاذ بن جبل، قال سمع النبي صلى الله عليه وسلم رجلا يدعو يقول اللهم إني أسألك تمام النعمة . فقال " أى شيء تمام النعمة " . قال دعوة دعوت بها أرجو بها الخير . قال " فإن من تمام النعمة دخول الجنة والفوز من النار " . وسمع رجلا وهو يقول يا ذا الجلال والإكرام فقال " قد استجيب لك فسل " . وسمع النبي صلى الله عليه وسلم رجلا وهو يقول اللهم إني أسألك الصبر . فقال " سألت الله البلاء فسله العافية " . حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن الجريري، بهذا الإسناد نحوه . قال أبو عيسى هذا حديث حسن .
জামে' আত-তিরমিজি ৩৫২৮
حدثنا علي بن حجر، حدثنا إسماعيل بن عياش، عن محمد بن إسحاق، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إذا فزع أحدكم في النوم فليقل أعوذ بكلمات الله التامة من غضبه وعقابه وشر عباده ومن همزات الشياطين وأن يحضرون . فإنها لن تضره " . قال وكان عبد الله بن عمرو يلقنها من بلغ من ولده ومن لم يبلغ منهم كتبها في صك ثم علقها في عنقه . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب .
আম্র ইবনু শু’আইব (রাঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তাঁর পিতা ও তাঁর দাদা থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের কেউ ঘুমের মধ্যে ভয় পেলে সে যেন বলে : আমি আল্লাহ্ তা’আলার পরিপূর্ণ কালিমার দ্বারা আশ্রয় চাই তাঁর ক্রোধ ও শাস্তি হতে, তাঁর বান্দাদের খারাবী হতে, শাইতানদের কুমন্ত্রণা হতে এবং আমার নিকট যারা হাযির হয় সেগুলো হতে’’। তাহলে সেগুলো তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) তার সন্তানদের মধ্যে প্রাপ্ত বয়স্কদের উক্ত দু’আ শিখিয়ে দিতেন এবং উক্ত দু’আ কাগজের টুকরায় লিখে তার নাবালেগ সন্তানদের গলায় ঝুলিয়ে দিতেন। আব্দুল্লাহ ইবনু উমার …… ঝুলিয়ে দিতেন” অংশটুকু বাদে হাদীসটি হাসান। আল-কালিমুত্ তাইয়্যিব (৪৮/৩৫)
আম্র ইবনু শু’আইব (রাঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তাঁর পিতা ও তাঁর দাদা থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের কেউ ঘুমের মধ্যে ভয় পেলে সে যেন বলে : আমি আল্লাহ্ তা’আলার পরিপূর্ণ কালিমার দ্বারা আশ্রয় চাই তাঁর ক্রোধ ও শাস্তি হতে, তাঁর বান্দাদের খারাবী হতে, শাইতানদের কুমন্ত্রণা হতে এবং আমার নিকট যারা হাযির হয় সেগুলো হতে’’। তাহলে সেগুলো তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) তার সন্তানদের মধ্যে প্রাপ্ত বয়স্কদের উক্ত দু’আ শিখিয়ে দিতেন এবং উক্ত দু’আ কাগজের টুকরায় লিখে তার নাবালেগ সন্তানদের গলায় ঝুলিয়ে দিতেন। আব্দুল্লাহ ইবনু উমার …… ঝুলিয়ে দিতেন” অংশটুকু বাদে হাদীসটি হাসান। আল-কালিমুত্ তাইয়্যিব (৪৮/৩৫)
حدثنا علي بن حجر، حدثنا إسماعيل بن عياش، عن محمد بن إسحاق، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إذا فزع أحدكم في النوم فليقل أعوذ بكلمات الله التامة من غضبه وعقابه وشر عباده ومن همزات الشياطين وأن يحضرون . فإنها لن تضره " . قال وكان عبد الله بن عمرو يلقنها من بلغ من ولده ومن لم يبلغ منهم كتبها في صك ثم علقها في عنقه . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب .