জামে' আত-তিরমিজি > তাসবীহ, তাহলীল, তাহমীদ ও তাকবীরের ফাযীলাত

জামে' আত-তিরমিজি ৩৫১৮

حدثنا الحسن بن عرفة، حدثنا إسماعيل بن عياش، عن عبد الرحمن بن زياد بن أنعم، عن عبد الله بن يزيد، عن عبد الله بن عمرو، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ التسبيح نصف الميزان والحمد لله يملؤه ولا إله إلا الله ليس لها دون الله حجاب حتى تخلص إليه ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب من هذا الوجه وليس إسناده بالقوي ‏.‏ وعبد الرحمن بن زياد بن أنعم هو الإفريقي وقد ضعفه أحمد بن حنبل ويحيى بن معين وعبد الله بن يزيد هو أبو عبد الرحمن الحبلي ‏.‏

আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি অয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “তাসবীহ” (সুবহানাল্লাহ) মীযানের (দাঁড়িপাল্লার) অর্ধেক, “আলহামদু লিল্লাহ” মীযানকে পুরো করে দেয় এবং “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” ও আল্লাহ্‌ তা’আলার মাঝখানে কোন প্রকারের অন্তরায় বা বাধা নেই, এমনকি তা আল্লাহ্‌ তা’আলার নিকট পৌঁছে যায়। যঈফ, মিশকাত, তাহকীক ছানী (২৩১৩), আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান এবং উপরোক্ত সূত্রে গারীব। এর সনদসূত্র তেমন শক্তিশালী নয়।

আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি অয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “তাসবীহ” (সুবহানাল্লাহ) মীযানের (দাঁড়িপাল্লার) অর্ধেক, “আলহামদু লিল্লাহ” মীযানকে পুরো করে দেয় এবং “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” ও আল্লাহ্‌ তা’আলার মাঝখানে কোন প্রকারের অন্তরায় বা বাধা নেই, এমনকি তা আল্লাহ্‌ তা’আলার নিকট পৌঁছে যায়। যঈফ, মিশকাত, তাহকীক ছানী (২৩১৩), আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান এবং উপরোক্ত সূত্রে গারীব। এর সনদসূত্র তেমন শক্তিশালী নয়।

حدثنا الحسن بن عرفة، حدثنا إسماعيل بن عياش، عن عبد الرحمن بن زياد بن أنعم، عن عبد الله بن يزيد، عن عبد الله بن عمرو، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ التسبيح نصف الميزان والحمد لله يملؤه ولا إله إلا الله ليس لها دون الله حجاب حتى تخلص إليه ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب من هذا الوجه وليس إسناده بالقوي ‏.‏ وعبد الرحمن بن زياد بن أنعم هو الإفريقي وقد ضعفه أحمد بن حنبل ويحيى بن معين وعبد الله بن يزيد هو أبو عبد الرحمن الحبلي ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩৫১৯

حدثنا هناد، حدثنا أبو الأحوص، عن أبي إسحاق، عن جرى النهدي، عن رجل، من بني سليم قال عدهن رسول الله صلى الله عليه وسلم في يدي أو في يده ‏ "‏ التسبيح نصف الميزان والحمد يملؤه والتكبير يملأ ما بين السماء والأرض والصوم نصف الصبر والطهور نصف الإيمان ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن وقد رواه شعبة وسفيان الثوري عن أبي إسحاق ‏.‏

সুলাইম গোত্রের এক ব্যক্তি থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার হতে অথবা তাঁর হতে এসব বাক্য গুনে গুনে বলেনঃ “তাসবীহ” (সুবহানাল্লাহ) হল মীযানের অর্ধেক, “আলহামদু লিল্লাহ” তাকে পূর্ণ করে দেয় এবং তাকবীর (আল্লাহু আকবার) আকাশ ও যমিনের মধ্যবর্তী জায়গা পরিপূর্ণ করে দেয়। রোযা সবর ও সহিষ্ণুতার অর্ধেক এবং পবিত্রতা ঈমানের অর্ধেক। যঈফ, মিশকাত (২৯৬), তা’লীকুর রাগীব (২/২৪৬), আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান। শুবা ও সুফিয়ান সাওরী এ হাদীস আবূ ইসহাক হতে বর্ণনা করেছেন।

সুলাইম গোত্রের এক ব্যক্তি থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার হতে অথবা তাঁর হতে এসব বাক্য গুনে গুনে বলেনঃ “তাসবীহ” (সুবহানাল্লাহ) হল মীযানের অর্ধেক, “আলহামদু লিল্লাহ” তাকে পূর্ণ করে দেয় এবং তাকবীর (আল্লাহু আকবার) আকাশ ও যমিনের মধ্যবর্তী জায়গা পরিপূর্ণ করে দেয়। রোযা সবর ও সহিষ্ণুতার অর্ধেক এবং পবিত্রতা ঈমানের অর্ধেক। যঈফ, মিশকাত (২৯৬), তা’লীকুর রাগীব (২/২৪৬), আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান। শুবা ও সুফিয়ান সাওরী এ হাদীস আবূ ইসহাক হতে বর্ণনা করেছেন।

حدثنا هناد، حدثنا أبو الأحوص، عن أبي إسحاق، عن جرى النهدي، عن رجل، من بني سليم قال عدهن رسول الله صلى الله عليه وسلم في يدي أو في يده ‏ "‏ التسبيح نصف الميزان والحمد يملؤه والتكبير يملأ ما بين السماء والأرض والصوم نصف الصبر والطهور نصف الإيمان ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن وقد رواه شعبة وسفيان الثوري عن أبي إسحاق ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি > আরাফাতে দুপুরের পর পাঠের দু’আ

জামে' আত-তিরমিজি ৩৫২০

حدثنا محمد بن حاتم المؤدب، حدثنا علي بن ثابت، حدثني قيس بن الربيع، وكان، من بني أسد عن الأغر بن الصباح، عن خليفة بن حصين، عن علي بن أبي طالب، قال أكثر ما دعا به رسول الله صلى الله عليه وسلم عشية عرفة في الموقف ‏ "‏ اللهم لك الحمد كالذي تقول وخيرا مما نقول اللهم لك صلاتي ونسكي ومحياى ومماتي وإليك مآبي ولك رب تراثي اللهم إني أعوذ بك من عذاب القبر ووسوسة الصدر وشتات الأمر اللهم إني أعوذ بك من شر ما تجيء به الريح ‏"‏ ‏.‏ قال هذا حديث غريب من هذا الوجه وليس إسناده بالقوي ‏.

আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরাফাত দিবসে আরাফাতে অবস্থানকালে দুপুরের পর বেশিরভাগ সময় যে দু’আ পাঠ করতেন তা এই যে, “হে আল্লাহ্‌! সকল প্রশংসা তোমার যেভাবে তুমি বলেছ এবং আমরা যা বর্ণনা করি তার চেয়েও বেশি উত্তম। হে আল্লাহ্‌! আমার নামায, আমার ইবাদাত (হাজ্জ ও কুরবানী), আমার জীবন ও আমার মরণ তোমার জন্য। পরিশেষে তোমার দিকেই আমার ফিরে আসা এবং আমার মালিকানা তোমার মালিকানাভুক্ত। হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার নিকট সহায়তা চাই কবরের শাস্তি, অন্তরের কুচিন্তা ও কাজ-কর্মের অনিশ্চয়তা হতে। হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাই বায়ু বাহিত ক্ষতি হতেও”। যঈফ, যঈফা (২৯১৮), আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি উক্ত সনদসূত্রে গারীব। এর সনদসূত্র তেমন মজবুত নয়।

আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরাফাত দিবসে আরাফাতে অবস্থানকালে দুপুরের পর বেশিরভাগ সময় যে দু’আ পাঠ করতেন তা এই যে, “হে আল্লাহ্‌! সকল প্রশংসা তোমার যেভাবে তুমি বলেছ এবং আমরা যা বর্ণনা করি তার চেয়েও বেশি উত্তম। হে আল্লাহ্‌! আমার নামায, আমার ইবাদাত (হাজ্জ ও কুরবানী), আমার জীবন ও আমার মরণ তোমার জন্য। পরিশেষে তোমার দিকেই আমার ফিরে আসা এবং আমার মালিকানা তোমার মালিকানাভুক্ত। হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার নিকট সহায়তা চাই কবরের শাস্তি, অন্তরের কুচিন্তা ও কাজ-কর্মের অনিশ্চয়তা হতে। হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাই বায়ু বাহিত ক্ষতি হতেও”। যঈফ, যঈফা (২৯১৮), আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি উক্ত সনদসূত্রে গারীব। এর সনদসূত্র তেমন মজবুত নয়।

حدثنا محمد بن حاتم المؤدب، حدثنا علي بن ثابت، حدثني قيس بن الربيع، وكان، من بني أسد عن الأغر بن الصباح، عن خليفة بن حصين، عن علي بن أبي طالب، قال أكثر ما دعا به رسول الله صلى الله عليه وسلم عشية عرفة في الموقف ‏ "‏ اللهم لك الحمد كالذي تقول وخيرا مما نقول اللهم لك صلاتي ونسكي ومحياى ومماتي وإليك مآبي ولك رب تراثي اللهم إني أعوذ بك من عذاب القبر ووسوسة الصدر وشتات الأمر اللهم إني أعوذ بك من شر ما تجيء به الريح ‏"‏ ‏.‏ قال هذا حديث غريب من هذا الوجه وليس إسناده بالقوي ‏.


জামে' আত-তিরমিজি > সকল দু’আর সমাহার

জামে' আত-তিরমিজি ৩৫২১

حدثنا محمد بن حاتم المؤدب، حدثنا عمار بن محمد ابن أخت، سفيان الثوري حدثنا الليث بن أبي سليم، عن عبد الرحمن بن سابط، عن أبي أمامة، قال دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم بدعاء كثير لم نحفظ منه شيئا قلنا يا رسول الله دعوت بدعاء كثير لم نحفظ منه شيئا ‏.‏ فقال ‏ "‏ ألا أدلكم على ما يجمع ذلك كله تقول اللهم إنا نسألك من خير ما سألك منه نبيك محمد ونعوذ بك من شر ما استعاذ بك منه نبيك محمد وأنت المستعان وعليك البلاغ ولا حول ولا قوة إلا بالله ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏

আবূ উমামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনেক দু’আই করেছেন কিন্তু আমরা তার কিছুই মনে রাখতে পারিনি। আমরা বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনি অনেক দু’আই করেছেন কিন্তু আমরা তার কিছুই মনে রাখতে পারিনি। তিনি বললেনঃ আমি কি তোমাদেরকে এমন কিছু বলে দিব না, যা সেই সকল দু’আর সমষ্টি হবে? তোমরা বলঃ “হে আল্লাহ্‌! আমরা তোমার নিকট সেই কল্যাণ আশা করি যা তোমার নবী রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমার নিকট আশা করেছেন এবং আমরা তোমার নিকট সেই অনিষ্ট হতে রক্ষা চাই যে অনিষ্ট হতে তোমার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আশ্রয় চেয়েছেন। তুমিই একমাত্র সাহায্যকারী এবং তুমিই (কল্যাণ) পৌঁছিয়ে দাও। আল্লাহ্‌ তা’আলা ছাড়া অনিষ্ট রোধ করার এবং কল্যাণ পৌঁছানোর আর কোন ক্ষমতাবান নেই”। যঈফ, যঈফা (৩৩৫৬), আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব।

আবূ উমামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনেক দু’আই করেছেন কিন্তু আমরা তার কিছুই মনে রাখতে পারিনি। আমরা বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনি অনেক দু’আই করেছেন কিন্তু আমরা তার কিছুই মনে রাখতে পারিনি। তিনি বললেনঃ আমি কি তোমাদেরকে এমন কিছু বলে দিব না, যা সেই সকল দু’আর সমষ্টি হবে? তোমরা বলঃ “হে আল্লাহ্‌! আমরা তোমার নিকট সেই কল্যাণ আশা করি যা তোমার নবী রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমার নিকট আশা করেছেন এবং আমরা তোমার নিকট সেই অনিষ্ট হতে রক্ষা চাই যে অনিষ্ট হতে তোমার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আশ্রয় চেয়েছেন। তুমিই একমাত্র সাহায্যকারী এবং তুমিই (কল্যাণ) পৌঁছিয়ে দাও। আল্লাহ্‌ তা’আলা ছাড়া অনিষ্ট রোধ করার এবং কল্যাণ পৌঁছানোর আর কোন ক্ষমতাবান নেই”। যঈফ, যঈফা (৩৩৫৬), আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব।

حدثنا محمد بن حاتم المؤدب، حدثنا عمار بن محمد ابن أخت، سفيان الثوري حدثنا الليث بن أبي سليم، عن عبد الرحمن بن سابط، عن أبي أمامة، قال دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم بدعاء كثير لم نحفظ منه شيئا قلنا يا رسول الله دعوت بدعاء كثير لم نحفظ منه شيئا ‏.‏ فقال ‏ "‏ ألا أدلكم على ما يجمع ذلك كله تقول اللهم إنا نسألك من خير ما سألك منه نبيك محمد ونعوذ بك من شر ما استعاذ بك منه نبيك محمد وأنت المستعان وعليك البلاغ ولا حول ولا قوة إلا بالله ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি > (রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বেশী বেশী যে দু’আ পাঠ করতেন)

জামে' আত-তিরমিজি ৩৫২২

حدثنا أبو موسى الأنصاري، حدثنا معاذ بن معاذ، عن أبي كعب، صاحب الحرير حدثني شهر بن حوشب، قال قلت لأم سلمة يا أم المؤمنين ما كان أكثر دعاء رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا كان عندك قالت كان أكثر دعائه ‏"‏ يا مقلب القلوب ثبت قلبي على دينك ‏"‏ ‏.‏ قالت قلت يا رسول الله ما لأكثر دعائك يا مقلب القلوب ثبت قلبي على دينك قال ‏"‏ يا أم سلمة إنه ليس آدمي إلا وقلبه بين أصبعين من أصابع الله فمن شاء أقام ومن شاء أزاغ ‏"‏ ‏.‏ فتلا معاذ ‏:‏ ‏(‏ ربنا لا تزغ قلوبنا بعد إذ هديتنا ‏)‏ قال وفي الباب عن عائشة والنواس بن سمعان وأنس وجابر وعبد الله بن عمرو ونعيم بن همار ‏.‏ قال وهذا حديث حسن ‏.

শাহর ইবনু হাওশাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)-কে আমি বললাম, হে উম্মুল মু’মিনীন! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনার কাছে অবস্থানকালে অধিকাংশ সময় কোন দু’আটি পাঠ করতেন? তিনি বললেন, তিনি অধিকাংশ সময় এ দু’আ পাঠ করতেন: ‘‘হে মনের পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের উপর স্থির রাখ’’। উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনি অধিকাংশ সময় ‘’হে মনের পরিবর্তনকারী! আমার মনকে তোমার দ্বীনের উপর স্থির রাখ’’ দু’আটি কেন পাঠ করেন? তিনি বললেনঃহে উম্মু সালামাহ্! এরূপ কোন মানুষ নেই যার মন আল্লাহ তা’আলার দুই আঙ্গুলের মধ্যবর্তীতে অবস্থিত নয়। যাকে ইচ্ছা তিনি (দ্বীনের উপর) স্থির রাখেন এবং যাকে ইচ্ছা (দ্বীন হতে) বিপথগামী করে দেন। তারপর অধ:স্তন বর্ণনাকারী মু’আয (রহঃ) কুরআনের এ আয়াত তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ): হে আমাদের রব! আমাদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করার পর তুমি আমাদের অন্তরসমূহকে বাঁকা করে দিও না। সহীহ : যিলালুল জান্নাহ (হা: ২২৩)।

শাহর ইবনু হাওশাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)-কে আমি বললাম, হে উম্মুল মু’মিনীন! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনার কাছে অবস্থানকালে অধিকাংশ সময় কোন দু’আটি পাঠ করতেন? তিনি বললেন, তিনি অধিকাংশ সময় এ দু’আ পাঠ করতেন: ‘‘হে মনের পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের উপর স্থির রাখ’’। উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনি অধিকাংশ সময় ‘’হে মনের পরিবর্তনকারী! আমার মনকে তোমার দ্বীনের উপর স্থির রাখ’’ দু’আটি কেন পাঠ করেন? তিনি বললেনঃহে উম্মু সালামাহ্! এরূপ কোন মানুষ নেই যার মন আল্লাহ তা’আলার দুই আঙ্গুলের মধ্যবর্তীতে অবস্থিত নয়। যাকে ইচ্ছা তিনি (দ্বীনের উপর) স্থির রাখেন এবং যাকে ইচ্ছা (দ্বীন হতে) বিপথগামী করে দেন। তারপর অধ:স্তন বর্ণনাকারী মু’আয (রহঃ) কুরআনের এ আয়াত তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ): হে আমাদের রব! আমাদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করার পর তুমি আমাদের অন্তরসমূহকে বাঁকা করে দিও না। সহীহ : যিলালুল জান্নাহ (হা: ২২৩)।

حدثنا أبو موسى الأنصاري، حدثنا معاذ بن معاذ، عن أبي كعب، صاحب الحرير حدثني شهر بن حوشب، قال قلت لأم سلمة يا أم المؤمنين ما كان أكثر دعاء رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا كان عندك قالت كان أكثر دعائه ‏"‏ يا مقلب القلوب ثبت قلبي على دينك ‏"‏ ‏.‏ قالت قلت يا رسول الله ما لأكثر دعائك يا مقلب القلوب ثبت قلبي على دينك قال ‏"‏ يا أم سلمة إنه ليس آدمي إلا وقلبه بين أصبعين من أصابع الله فمن شاء أقام ومن شاء أزاغ ‏"‏ ‏.‏ فتلا معاذ ‏:‏ ‏(‏ ربنا لا تزغ قلوبنا بعد إذ هديتنا ‏)‏ قال وفي الباب عن عائشة والنواس بن سمعان وأنس وجابر وعبد الله بن عمرو ونعيم بن همار ‏.‏ قال وهذا حديث حسن ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩৫২৩

حدثنا محمد بن حاتم المؤدب، حدثنا الحكم بن ظهير، حدثنا علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة، عن أبيه، قال شكا خالد بن الوليد المخزومي إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله ما أنام الليل من الأرق ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا أويت إلى فراشك فقل اللهم رب السموات السبع وما أظلت ورب الأرضين وما أقلت ورب الشياطين وما أضلت كن لي جارا من شر خلقك كلهم جميعا أن يفرط على أحد منهم أو أن يبغي على عز جارك وجل ثناؤك ولا إله غيرك ولا إله إلا أنت ‏"‏ ‏.‏ قال هذا حديث ليس إسناده بالقوي ‏.‏ والحكم بن ظهير قد ترك حديثه بعض أهل الحديث ويروى هذا الحديث عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسلا من غير هذا الوجه ‏.‏

সুলাইমান ইবনু বুরাইদা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ আল-মাখযূমী (রাঃ) রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট অভিযোগ করে বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসুল! দুশ্চিন্তা বা স্নায়ুবিক চাপের কারণে রাতে আমি ঘুমাতে পারি না। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যখন তুমি বিছানায় আশ্রয় গ্রহণ কর তখন বল, “হে আল্লাহ্‌! সাত আকাশের প্রতিপালক এবং যা কিছুর উপর তা ছায়া বিস্তার করেছে, সাত যমিনের প্রতিপালক এবং যা কিছু তা উত্থাপন করেছেন, আর শাইতানদের প্রতিপালক এবং এরা যাদেরকে বিপথগামী করেছে! তুমি আমাকে তোমার সকল সৃষ্টিকুলের খারাবী হতে রক্ষার জন্য আমার প্রতিবেশী হয়ে যাও, যাতে সেগুলোর কোনটি আমার উপর বাড়াবাড়ি করতে না পারে অথবা আমার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করতে না পারে। সম্মানিত তোমার প্রতিবেশী, সুমহান তোমার প্রশংসা। তুমি ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তুমি ব্যতীত আর কোন মাবূদ নেই”। যঈফ, আল-কালিমুত তায়্যিব (৪৭/৩৩), মিশকাত (২৪১১), আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসের সনদ তেমন শক্তিশালী নয়। হাকাম ইবনু জুহাইর পরিত্যক্ত রাবী। কিছু হাদীস বিশারদ তার হতে হাদীস গ্রহণ বাদ দিয়েছেন। এ হাদীসটি ভিন্নসূত্রে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে মুরসালরূপেও বর্ণিত হয়েছে।

সুলাইমান ইবনু বুরাইদা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ আল-মাখযূমী (রাঃ) রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট অভিযোগ করে বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসুল! দুশ্চিন্তা বা স্নায়ুবিক চাপের কারণে রাতে আমি ঘুমাতে পারি না। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যখন তুমি বিছানায় আশ্রয় গ্রহণ কর তখন বল, “হে আল্লাহ্‌! সাত আকাশের প্রতিপালক এবং যা কিছুর উপর তা ছায়া বিস্তার করেছে, সাত যমিনের প্রতিপালক এবং যা কিছু তা উত্থাপন করেছেন, আর শাইতানদের প্রতিপালক এবং এরা যাদেরকে বিপথগামী করেছে! তুমি আমাকে তোমার সকল সৃষ্টিকুলের খারাবী হতে রক্ষার জন্য আমার প্রতিবেশী হয়ে যাও, যাতে সেগুলোর কোনটি আমার উপর বাড়াবাড়ি করতে না পারে অথবা আমার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করতে না পারে। সম্মানিত তোমার প্রতিবেশী, সুমহান তোমার প্রশংসা। তুমি ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তুমি ব্যতীত আর কোন মাবূদ নেই”। যঈফ, আল-কালিমুত তায়্যিব (৪৭/৩৩), মিশকাত (২৪১১), আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসের সনদ তেমন শক্তিশালী নয়। হাকাম ইবনু জুহাইর পরিত্যক্ত রাবী। কিছু হাদীস বিশারদ তার হতে হাদীস গ্রহণ বাদ দিয়েছেন। এ হাদীসটি ভিন্নসূত্রে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে মুরসালরূপেও বর্ণিত হয়েছে।

حدثنا محمد بن حاتم المؤدب، حدثنا الحكم بن ظهير، حدثنا علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة، عن أبيه، قال شكا خالد بن الوليد المخزومي إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله ما أنام الليل من الأرق ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا أويت إلى فراشك فقل اللهم رب السموات السبع وما أظلت ورب الأرضين وما أقلت ورب الشياطين وما أضلت كن لي جارا من شر خلقك كلهم جميعا أن يفرط على أحد منهم أو أن يبغي على عز جارك وجل ثناؤك ولا إله غيرك ولا إله إلا أنت ‏"‏ ‏.‏ قال هذا حديث ليس إسناده بالقوي ‏.‏ والحكم بن ظهير قد ترك حديثه بعض أهل الحديث ويروى هذا الحديث عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسلا من غير هذا الوجه ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00