জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আল-কাওসার
জামে' আত-তিরমিজি ৩৩৫৯
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن قتادة، عن أنس : ( إنا، أعطيناك الكوثر ) أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " هو نهر في الجنة " . قال فقال النبي صلى الله عليه وسلم " رأيت نهرا في الجنة حافتاه قباب اللؤلؤ قلت ما هذا يا جبريل قال هذا الكوثر الذي قد أعطاكه الله " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
“অবশ্যই আমি তোমাকে কাওসার দান করেছি”- (সূরা কাওসার ১) আয়াত প্রসঙ্গে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কাওসার হল জান্নাতের একটি ঝর্ণা। বর্ণনাকারী বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরো বলেছেনঃ জান্নাতে আমি এমন একটি প্রস্রবণ দেখলাম যার প্রত্যেক তীরে মুক্তার তাঁবু খাটানো রয়েছে। আমি বললামঃ হে জিবরীল! এটা কি? তিনি বললেনঃ এটা সেই “কাওসারঃ আল্লাহ তা‘আলা যা আপনাকে দান করেছেন। -সহিহ, বুখারী (হাঃ ৪৯৬৪)।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
“অবশ্যই আমি তোমাকে কাওসার দান করেছি”- (সূরা কাওসার ১) আয়াত প্রসঙ্গে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কাওসার হল জান্নাতের একটি ঝর্ণা। বর্ণনাকারী বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরো বলেছেনঃ জান্নাতে আমি এমন একটি প্রস্রবণ দেখলাম যার প্রত্যেক তীরে মুক্তার তাঁবু খাটানো রয়েছে। আমি বললামঃ হে জিবরীল! এটা কি? তিনি বললেনঃ এটা সেই “কাওসারঃ আল্লাহ তা‘আলা যা আপনাকে দান করেছেন। -সহিহ, বুখারী (হাঃ ৪৯৬৪)।
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن قتادة، عن أنس : ( إنا، أعطيناك الكوثر ) أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " هو نهر في الجنة " . قال فقال النبي صلى الله عليه وسلم " رأيت نهرا في الجنة حافتاه قباب اللؤلؤ قلت ما هذا يا جبريل قال هذا الكوثر الذي قد أعطاكه الله " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩৩৬১
حدثنا هناد، حدثنا محمد بن فضيل، عن عطاء بن السائب، عن محارب بن دثار، عن عبد الله بن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الكوثر نهر في الجنة حافتاه من ذهب ومجراه على الدر والياقوت تربته أطيب من المسك وماؤه أحلى من العسل وأبيض من الثلج " . قال هذا حديث حسن صحيح .
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জান্নাতের একটি প্রস্রবণের নাম কাওসার, যার প্রত্যেক তীর সোনার এবং যার পানি মুক্তা ও ইয়াকূতের উপর দিয়ে প্রবাহমান। এর যমীন কস্তুরীর তুলনায় অধিক সুগন্ধসম্পন্ন, এর পানি মধুর তুলনায় অধিক মিষ্ট এবং বরফের তুলনায় অধিক সাদা। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (হাঃ ৪৩৩৪)
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জান্নাতের একটি প্রস্রবণের নাম কাওসার, যার প্রত্যেক তীর সোনার এবং যার পানি মুক্তা ও ইয়াকূতের উপর দিয়ে প্রবাহমান। এর যমীন কস্তুরীর তুলনায় অধিক সুগন্ধসম্পন্ন, এর পানি মধুর তুলনায় অধিক মিষ্ট এবং বরফের তুলনায় অধিক সাদা। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (হাঃ ৪৩৩৪)
حدثنا هناد، حدثنا محمد بن فضيل، عن عطاء بن السائب، عن محارب بن دثار، عن عبد الله بن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الكوثر نهر في الجنة حافتاه من ذهب ومجراه على الدر والياقوت تربته أطيب من المسك وماؤه أحلى من العسل وأبيض من الثلج " . قال هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩৩৬০
حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا سريج بن النعمان، حدثنا الحكم بن عبد الملك، عن قتادة، عن أنس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " بينا أنا أسير في الجنة إذ عرض لي نهر حافتاه قباب اللؤلؤ . قلت للملك ما هذا قال هذا الكوثر الذي أعطاكه الله قال ثم ضرب بيده إلى طينة فاستخرج مسكا ثم رفعت لي سدرة المنتهى فرأيت عندها نورا عظيما " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وقد روي من غير وجه عن أنس .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (মিরাজের রাতে) যখন আমি জান্নাতের মাঝে ভ্রমণ করতে করতে এক নহরের সম্মুখে পৌঁছে গেলাম, যার প্রত্যেক তীরে মুক্তার তাঁবু খাটানো রয়েছে, ফেরেশতাকে আমি প্রশ্ন করলাম, এটা কি? তিনি বললেন, এটা সেই কাওসার যা আল্লাহ তা‘আলা আপনাকে দান করেছেন। অতঃপর জিবরীল তার হাত দিয়ে এর মাটি তোলেন। তা ছিল কস্তুরী। অতঃপর আমাকে সিদরাতুল মুনতাহায় তোলা হয়। তার নিকট আমি একটা বিরাটকায় নূর প্রত্যক্ষ করলাম। সহীহঃ বুখারী (হাঃ ৬৫৮১)।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (মিরাজের রাতে) যখন আমি জান্নাতের মাঝে ভ্রমণ করতে করতে এক নহরের সম্মুখে পৌঁছে গেলাম, যার প্রত্যেক তীরে মুক্তার তাঁবু খাটানো রয়েছে, ফেরেশতাকে আমি প্রশ্ন করলাম, এটা কি? তিনি বললেন, এটা সেই কাওসার যা আল্লাহ তা‘আলা আপনাকে দান করেছেন। অতঃপর জিবরীল তার হাত দিয়ে এর মাটি তোলেন। তা ছিল কস্তুরী। অতঃপর আমাকে সিদরাতুল মুনতাহায় তোলা হয়। তার নিকট আমি একটা বিরাটকায় নূর প্রত্যক্ষ করলাম। সহীহঃ বুখারী (হাঃ ৬৫৮১)।
حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا سريج بن النعمان، حدثنا الحكم بن عبد الملك، عن قتادة، عن أنس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " بينا أنا أسير في الجنة إذ عرض لي نهر حافتاه قباب اللؤلؤ . قلت للملك ما هذا قال هذا الكوثر الذي أعطاكه الله قال ثم ضرب بيده إلى طينة فاستخرج مسكا ثم رفعت لي سدرة المنتهى فرأيت عندها نورا عظيما " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وقد روي من غير وجه عن أنس .
জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আন্-নাস্র
জামে' আত-তিরমিজি ৩৩৬২
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا سليمان بن داود، عن شعبة، عن أبي بشر، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، رضى الله عنهما قال كان عمر يسألني مع أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فقال له عبد الرحمن بن عوف أتسأله ولنا بنون مثله فقال له عمر إنه من حيث تعلم فسأله عن هذه الآية : ( إذا جاء نصر الله والفتح ) فقلت إنما هو أجل رسول الله صلى الله عليه وسلم أعلمه إياه وقرأ السورة إلى آخرها فقال له عمر والله ما أعلم منها إلا ما تعلم . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীদের উপস্থিতিতে ‘উমার (রাঃ) আমার নিকট অনেক বিষয় প্রসঙ্গে প্রশ্ন করতেন। তাকে ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) বলেন, আপনি তার নিকট প্রশ্ন করেন, অথচ আমাদেরও তার ন্যায় সন্তান-সন্ততি আছে। রাবী বলেন, ‘উমার (রাঃ) তাকে বললেন, তার নিকট প্রশ্ন করার কারণ আপনি জানেন। তারপর তিনি তাকে “যখন আল্লাহ তা‘আলার সাহায্য ও বিজয় আসবে”- (সূরা নাস্র ১) এ আয়াত প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেন। আমি বললাম, এটা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর ইন্তিকালের খবর যে বিষয়ে আল্লাহ তা‘আলা তাঁকে অবগত করেছেন। তিনি শেষ পর্যন্ত সূরাটি তিলাওয়াত করলেন। তারপর ‘উমার (রাঃ) তাকে বলেন, আল্লাহর শপথ! এর যে ব্যাখ্যা আপনি জানেন আমিও তাই জানি। সহীহঃ বুখারী (হাঃ ৪৯৬৯, ৪৯৭০)।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীদের উপস্থিতিতে ‘উমার (রাঃ) আমার নিকট অনেক বিষয় প্রসঙ্গে প্রশ্ন করতেন। তাকে ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) বলেন, আপনি তার নিকট প্রশ্ন করেন, অথচ আমাদেরও তার ন্যায় সন্তান-সন্ততি আছে। রাবী বলেন, ‘উমার (রাঃ) তাকে বললেন, তার নিকট প্রশ্ন করার কারণ আপনি জানেন। তারপর তিনি তাকে “যখন আল্লাহ তা‘আলার সাহায্য ও বিজয় আসবে”- (সূরা নাস্র ১) এ আয়াত প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেন। আমি বললাম, এটা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর ইন্তিকালের খবর যে বিষয়ে আল্লাহ তা‘আলা তাঁকে অবগত করেছেন। তিনি শেষ পর্যন্ত সূরাটি তিলাওয়াত করলেন। তারপর ‘উমার (রাঃ) তাকে বলেন, আল্লাহর শপথ! এর যে ব্যাখ্যা আপনি জানেন আমিও তাই জানি। সহীহঃ বুখারী (হাঃ ৪৯৬৯, ৪৯৭০)।
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا سليمان بن داود، عن شعبة، عن أبي بشر، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، رضى الله عنهما قال كان عمر يسألني مع أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فقال له عبد الرحمن بن عوف أتسأله ولنا بنون مثله فقال له عمر إنه من حيث تعلم فسأله عن هذه الآية : ( إذا جاء نصر الله والفتح ) فقلت إنما هو أجل رسول الله صلى الله عليه وسلم أعلمه إياه وقرأ السورة إلى آخرها فقال له عمر والله ما أعلم منها إلا ما تعلم . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি > সূরা লাহাব
জামে' আত-তিরমিজি ৩৩৬৩
حدثنا هناد، وأحمد بن منيع، حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن عمرو بن مرة، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال صعد رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم على الصفا فنادى " يا صباحاه " . فاجتمعت إليه قريش فقال " إني نذير لكم بين يدى عذاب شديد أرأيتم لو أني أخبرتكم أن العدو ممسيكم أو مصبحكم أكنتم تصدقوني " . فقال أبو لهب ألهذا جمعتنا تبا لك . فأنزل الله : ( تبت يدا أبي لهب وتب ) . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন সাফা পাহাড়ের উপর উঠে “ইয়া সাবাহা” (হে ভোরের বিপদ) বলে উচ্চকণ্ঠে ডাকলেন। ফলে কুরাইশ গোত্রের লোকেরা তাঁর নিকট একত্রিত হয়। তিনি বললেনঃ তোমাদেরকে আমি এক কঠিন শাস্তির ভয় দেখাচ্ছি। তোমাদের কি মত, যদি আমি তোমাদেরকে বলি যে, সকাল বা সন্ধ্যায় শত্রু বাহিনী তোমাদেরকে আক্রমণ করার জন্য আসছে, তাহলে আমাকে কি তোমরা বিশ্বাস করবে? সে সময় আবূ লাহাব বলল, তোমার ধ্বংস হোক! এজন্য কি তুমি আমাদেরকে একত্রিত করেছ? সে সময় আল্লাহ তা‘আলা “তাব্বাত ইয়াদা আবী লাহাব” সূরা অবতীর্ণ করেন। সহীহঃ বুখারী (হাঃ ৪৯৭১, ৪৯৭২), মুসলিম (হাঃ ১/১৩৪)।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন সাফা পাহাড়ের উপর উঠে “ইয়া সাবাহা” (হে ভোরের বিপদ) বলে উচ্চকণ্ঠে ডাকলেন। ফলে কুরাইশ গোত্রের লোকেরা তাঁর নিকট একত্রিত হয়। তিনি বললেনঃ তোমাদেরকে আমি এক কঠিন শাস্তির ভয় দেখাচ্ছি। তোমাদের কি মত, যদি আমি তোমাদেরকে বলি যে, সকাল বা সন্ধ্যায় শত্রু বাহিনী তোমাদেরকে আক্রমণ করার জন্য আসছে, তাহলে আমাকে কি তোমরা বিশ্বাস করবে? সে সময় আবূ লাহাব বলল, তোমার ধ্বংস হোক! এজন্য কি তুমি আমাদেরকে একত্রিত করেছ? সে সময় আল্লাহ তা‘আলা “তাব্বাত ইয়াদা আবী লাহাব” সূরা অবতীর্ণ করেন। সহীহঃ বুখারী (হাঃ ৪৯৭১, ৪৯৭২), মুসলিম (হাঃ ১/১৩৪)।
حدثنا هناد، وأحمد بن منيع، حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن عمرو بن مرة، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال صعد رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم على الصفا فنادى " يا صباحاه " . فاجتمعت إليه قريش فقال " إني نذير لكم بين يدى عذاب شديد أرأيتم لو أني أخبرتكم أن العدو ممسيكم أو مصبحكم أكنتم تصدقوني " . فقال أبو لهب ألهذا جمعتنا تبا لك . فأنزل الله : ( تبت يدا أبي لهب وتب ) . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আল-ইখলাস
জামে' আত-তিরমিজি ৩৩৬৫
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبيد الله بن موسى، عن أبي جعفر الرازي، عن الربيع، عن أبي العالية، أن النبي صلى الله عليه وسلم ذكر آلهتهم فقالوا انسب لنا ربك . قال فأتاه جبريل بهذه السورة : ( قل هو الله أحد ) . فذكر نحوه ولم يذكر فيه عن أبى بن كعب وهذا أصح من حديث أبي سعد وأبو سعد اسمه محمد بن ميسر وأبو جعفر الرازي اسمه عيسى وأبو العالية اسمه رفيع وكان عبدا أعتقته امرأة صابئة .
আবুল আলিয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুশরিকদের দেবতাদের প্রসঙ্গে আলোচনা করলে তারা বললঃ আপনি আপনার প্রভুর বংশধারা আমাদেরকে জানিয়ে দিন। তখন জিবরাঈল (আঃ) কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ সূরাটি নিয়ে আসেন...... উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ। এ সনদে উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ)-এর উল্লেখ নেই। দুর্বল, প্রাগুক্ত
আবুল আলিয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুশরিকদের দেবতাদের প্রসঙ্গে আলোচনা করলে তারা বললঃ আপনি আপনার প্রভুর বংশধারা আমাদেরকে জানিয়ে দিন। তখন জিবরাঈল (আঃ) কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ সূরাটি নিয়ে আসেন...... উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ। এ সনদে উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ)-এর উল্লেখ নেই। দুর্বল, প্রাগুক্ত
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبيد الله بن موسى، عن أبي جعفر الرازي، عن الربيع، عن أبي العالية، أن النبي صلى الله عليه وسلم ذكر آلهتهم فقالوا انسب لنا ربك . قال فأتاه جبريل بهذه السورة : ( قل هو الله أحد ) . فذكر نحوه ولم يذكر فيه عن أبى بن كعب وهذا أصح من حديث أبي سعد وأبو سعد اسمه محمد بن ميسر وأبو جعفر الرازي اسمه عيسى وأبو العالية اسمه رفيع وكان عبدا أعتقته امرأة صابئة .
জামে' আত-তিরমিজি ৩৩৬৪
حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا أبو سعد، هو الصغاني عن أبي جعفر الرازي، عن الربيع بن أنس، عن أبي العالية، عن أبى بن كعب، أن المشركين، قالوا لرسول الله صلى الله عليه وسلم انسب لنا ربك . فأنزل الله : ( قل هو الله أحد * الله الصمد ) فالصمد الذي لم يلد ولم يولد لأنه ليس شيء يولد إلا سيموت وليس شيء يموت إلا سيورث وإن الله عز وجل لا يموت ولا يورث : ( لم يكن له كفوا أحد ) قال " لم يكن له شبيه ولا عدل وليس كمثله شيء " .
উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মুশরিকরা রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলল, আমাদেরকে আপনার প্রভুর বংশ বৃত্তান্ত দিন। এরই জবাবে মহান আল্লাহ তা‘আলা অবতীর্ণ করেনঃ কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ। আল্লাহুস্ সামাদ (“আপনি বলুন, তিনিই আল্লাহ” যিনি এক ও অদ্বিতীয়। আল্লাহ তা‘আলা কারো মুখাপেক্ষী নন)। আর সামাদ (অমুখাপেক্ষী) তিনিই, যিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি। কেননা যে কারো ঔরসজাত হবে সে মারা যাবে এবং তার উত্তরাধিকারীও হবে। অথচ আল্লাহ তা‘আলা মৃত্যুবরণ করবেন না এবং তাঁর উত্তরাধিকারীও কেউ নেই। “এবং তার সমান কেউ নেই।” রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তাঁর কোন সদৃশ ও সমকক্ষ নেই। “কোন কিছুই তার সদৃশ নয়।” (সূরা শুরা ১) “আর সামাদ তিনিই" অংশ বাদে হাদীসটি হাসান, যিলালুল জান্নাহ।” (তাহক্বীক্ব সানী (হাঃ ৬৬৩)
উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মুশরিকরা রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলল, আমাদেরকে আপনার প্রভুর বংশ বৃত্তান্ত দিন। এরই জবাবে মহান আল্লাহ তা‘আলা অবতীর্ণ করেনঃ কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ। আল্লাহুস্ সামাদ (“আপনি বলুন, তিনিই আল্লাহ” যিনি এক ও অদ্বিতীয়। আল্লাহ তা‘আলা কারো মুখাপেক্ষী নন)। আর সামাদ (অমুখাপেক্ষী) তিনিই, যিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি। কেননা যে কারো ঔরসজাত হবে সে মারা যাবে এবং তার উত্তরাধিকারীও হবে। অথচ আল্লাহ তা‘আলা মৃত্যুবরণ করবেন না এবং তাঁর উত্তরাধিকারীও কেউ নেই। “এবং তার সমান কেউ নেই।” রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তাঁর কোন সদৃশ ও সমকক্ষ নেই। “কোন কিছুই তার সদৃশ নয়।” (সূরা শুরা ১) “আর সামাদ তিনিই" অংশ বাদে হাদীসটি হাসান, যিলালুল জান্নাহ।” (তাহক্বীক্ব সানী (হাঃ ৬৬৩)
حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا أبو سعد، هو الصغاني عن أبي جعفر الرازي، عن الربيع بن أنس، عن أبي العالية، عن أبى بن كعب، أن المشركين، قالوا لرسول الله صلى الله عليه وسلم انسب لنا ربك . فأنزل الله : ( قل هو الله أحد * الله الصمد ) فالصمد الذي لم يلد ولم يولد لأنه ليس شيء يولد إلا سيموت وليس شيء يموت إلا سيورث وإن الله عز وجل لا يموت ولا يورث : ( لم يكن له كفوا أحد ) قال " لم يكن له شبيه ولا عدل وليس كمثله شيء " .