জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আল-ওয়াক্বি’আহ
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৯৬
حدثنا أبو عمار الحسين بن حريث الخزاعي المروزي، حدثنا وكيع، عن موسى بن عبيدة، عن يزيد بن أبان، عن أنس، رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : (إنا أنشأناهن إنشاء ) قال " إن من المنشآت اللائي كن في الدنيا عجائز عمشا رمصا " . قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه مرفوعا إلا من حديث موسى بن عبيدة وموسى بن عبيدة ويزيد بن أبان الرقاشي يضعفان في الحديث .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর বাণী, “আমি তাদের বিশেষভাবে সৃষ্টি করেছি “ (সূরাঃ আল- ওয়াক্বিয়াহ-৩৫) প্রসঙ্গে বলেনঃ যে সব নারী পৃথিবীতে বৃদ্ধা, ছানি পড়া চোখ বা দুর্বল দৃষ্টিসম্পন্ন তারা (জান্নাতে) বাড়ন্ত বয়সের তরুণীদের অন্তর্ভুক্ত হবে। সনদ দুর্বল
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর বাণী, “আমি তাদের বিশেষভাবে সৃষ্টি করেছি “ (সূরাঃ আল- ওয়াক্বিয়াহ-৩৫) প্রসঙ্গে বলেনঃ যে সব নারী পৃথিবীতে বৃদ্ধা, ছানি পড়া চোখ বা দুর্বল দৃষ্টিসম্পন্ন তারা (জান্নাতে) বাড়ন্ত বয়সের তরুণীদের অন্তর্ভুক্ত হবে। সনদ দুর্বল
حدثنا أبو عمار الحسين بن حريث الخزاعي المروزي، حدثنا وكيع، عن موسى بن عبيدة، عن يزيد بن أبان، عن أنس، رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : (إنا أنشأناهن إنشاء ) قال " إن من المنشآت اللائي كن في الدنيا عجائز عمشا رمصا " . قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه مرفوعا إلا من حديث موسى بن عبيدة وموسى بن عبيدة ويزيد بن أبان الرقاشي يضعفان في الحديث .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৯৪
حدثنا أبو كريب، حدثنا رشدين بن سعد، عن عمرو بن الحارث، عن دراج، عن أبي الهيثم، عن أبي سعيد الخدري، رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم في قوله : ( وفرش مرفوعة ) قال " ارتفاعها كما بين السماء والأرض ومسيرة ما بينهما خمسمائة عام " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث رشدين . وقال بعض أهل العلم وارتفاعها كما بين السماء والأرض . قال ارتفاع الفرش المرفوعة في الدرجات والدرجات ما بين كل درجتين كما بين السماء والأرض .
আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর বাণী “ উঁচু উঁচু বিছানা” (সূরাঃ আল- ওয়াক্বিয়াহ- ৩৪) প্রসঙ্গে বলেনঃ এই বিছানার উচ্চতা আসমান-যমীনের মাঝের উচ্চতার সমান এবং এতদুভয়ের মাঝের দূরত্ব পাঁচ শত বছর চলার রাস্তার সমান। যঈফ, তা’লীকুর রাগীব(৪/২৬২)
আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর বাণী “ উঁচু উঁচু বিছানা” (সূরাঃ আল- ওয়াক্বিয়াহ- ৩৪) প্রসঙ্গে বলেনঃ এই বিছানার উচ্চতা আসমান-যমীনের মাঝের উচ্চতার সমান এবং এতদুভয়ের মাঝের দূরত্ব পাঁচ শত বছর চলার রাস্তার সমান। যঈফ, তা’লীকুর রাগীব(৪/২৬২)
حدثنا أبو كريب، حدثنا رشدين بن سعد، عن عمرو بن الحارث، عن دراج، عن أبي الهيثم، عن أبي سعيد الخدري، رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم في قوله : ( وفرش مرفوعة ) قال " ارتفاعها كما بين السماء والأرض ومسيرة ما بينهما خمسمائة عام " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث رشدين . وقال بعض أهل العلم وارتفاعها كما بين السماء والأرض . قال ارتفاع الفرش المرفوعة في الدرجات والدرجات ما بين كل درجتين كما بين السماء والأرض .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৯৫
حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا الحسين بن محمد، حدثنا إسرائيل، عن عبد الأعلى، عن أبي عبد الرحمن، عن علي، رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " : (أتجعلون رزقكم أنكم تكذبون ) قال شكركم تقولون مطرنا بنوء كذا وكذا وبنجم كذا وكذا " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح لا نعرفه مرفوعا إلا من حديث إسرائيل .
আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর এ বাণী : “ আর তোমরা মিথ্যা বলাকে তোমাদের উপজীব্য করে নিয়েছ” (সূরাঃ আল- ওয়াক্বিয়াহ-৮২) প্রসঙ্গে বলেনঃ তোমাদের কৃতজ্ঞতা হল এই যে , তোমরা বলে থাক : অমুক অমুক তারকার উসীলায় আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষিত হয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি। সনদ দুর্বল
আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর এ বাণী : “ আর তোমরা মিথ্যা বলাকে তোমাদের উপজীব্য করে নিয়েছ” (সূরাঃ আল- ওয়াক্বিয়াহ-৮২) প্রসঙ্গে বলেনঃ তোমাদের কৃতজ্ঞতা হল এই যে , তোমরা বলে থাক : অমুক অমুক তারকার উসীলায় আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষিত হয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি। সনদ দুর্বল
حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا الحسين بن محمد، حدثنا إسرائيل، عن عبد الأعلى، عن أبي عبد الرحمن، عن علي، رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " : (أتجعلون رزقكم أنكم تكذبون ) قال شكركم تقولون مطرنا بنوء كذا وكذا وبنجم كذا وكذا " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح لا نعرفه مرفوعا إلا من حديث إسرائيل .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৯৩
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن قتادة، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إن في الجنة لشجرة يسير الراكب في ظلها مائة عام لا يقطعها وإن شئتم فاقرءوا : ( وظل ممدود * وماء مسكوب ) " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وفي الباب عن أبي سعيد .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জান্নাতে এমন একটি গাছ রয়েছে কোন আরোহী যার ছায়াতলে শত বছর ধরে চলতে থাকলেও তা অতিক্রম করতে পারবে না। তোমরা চাইলে পাঠ করতে পারঃ “সম্প্রসারিত ছায়া ও প্রবাহিত পানি” – (সূরা ওয়াক্বি’আহ ৩০-৩১)। সহীহঃ বুখারী (হাঃ ৪৮৮১)।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জান্নাতে এমন একটি গাছ রয়েছে কোন আরোহী যার ছায়াতলে শত বছর ধরে চলতে থাকলেও তা অতিক্রম করতে পারবে না। তোমরা চাইলে পাঠ করতে পারঃ “সম্প্রসারিত ছায়া ও প্রবাহিত পানি” – (সূরা ওয়াক্বি’আহ ৩০-৩১)। সহীহঃ বুখারী (হাঃ ৪৮৮১)।
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن قتادة، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إن في الجنة لشجرة يسير الراكب في ظلها مائة عام لا يقطعها وإن شئتم فاقرءوا : ( وظل ممدود * وماء مسكوب ) " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وفي الباب عن أبي سعيد .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৯২
حدثنا أبو كريب، حدثنا عبدة بن سليمان، وعبد الرحيم بن سليمان، عن محمد بن عمرو، حدثنا أبو سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يقول الله أعددت لعبادي الصالحين ما لا عين رأت ولا أذن سمعت ولا خطر على قلب بشر واقرءوا إن شئتم : ( وما تعلم نفس ما أخفي لهم من قرة أعين جزاء بما كانوا يعملون ) وفي الجنة شجرة يسير الراكب في ظلها مائة عام لا يقطعها واقرءوا إن شئتم : ( وظل ممدود ) وموضع سوط في الجنة خير من الدنيا وما فيها واقرءوا إن شئتم : ( فمن زحزح عن النار وأدخل الجنة فقد فاز وما الحياة الدنيا إلا متاع الغرور ) " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা বলেন, আমার নেক বান্দাদের জন্য আমি এমন কিছু তৈরি করে রেখেছি যা কোন চোখ কখনও প্রত্যক্ষ করেনি, কোন কান কখনও (তার বর্ণনা) শ্রবণ করেনি এবং মানুষের মন তার ধারণাও করতে পারে না। এ আয়াতটি তোমরা ইচ্ছা করলে পাঠ করতে পার (অনুবাদ)ঃ “তাদের জন্য নয়নমুগ্ধকর কি জিনিস লুকিয়ে রাখা হয়েছে তাদের কৃতকর্মের পুরস্কার স্বরূপ তা সবারই অজানা ”-(সূরা সাজদাহ ১৭)। আর জান্নাতে এরূপ একটি গাছ আছে যার ছায়াতলে কোন আরোহী এক শত বছর চলতে থাকবে কিন্তু তা পার হতে পারবে না। তোমরা চাইলে পাঠ করতে পারঃ “আর সম্প্রসারিত ছায়া”- (সূরা ওয়াকি’আহ ৩০)। জান্নাতের এক চাবুক পরিমান জায়গা পৃথিবী ও তার মাঝখানে সব কিছুর চাইতে উত্তম। তোমরা চাইলে পাঠ করতে পারঃ “জাহান্নাম হতে যাকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, সেই সফলকাম। আর পার্থিব জীবন ছলনাময় ভোগ ছাড়া আর কিছুই নয়”- (সূরা ‘ইমরান ১৮৫) হাসান সহীহঃ সহীহ হাদীস সিরিজ (হাঃ ১৯৭৮), বুখারী “ইকরাঊ” (তোমরা পাঠ কর) শব্দ ব্যতীত বর্ণনা করেছেন।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা বলেন, আমার নেক বান্দাদের জন্য আমি এমন কিছু তৈরি করে রেখেছি যা কোন চোখ কখনও প্রত্যক্ষ করেনি, কোন কান কখনও (তার বর্ণনা) শ্রবণ করেনি এবং মানুষের মন তার ধারণাও করতে পারে না। এ আয়াতটি তোমরা ইচ্ছা করলে পাঠ করতে পার (অনুবাদ)ঃ “তাদের জন্য নয়নমুগ্ধকর কি জিনিস লুকিয়ে রাখা হয়েছে তাদের কৃতকর্মের পুরস্কার স্বরূপ তা সবারই অজানা ”-(সূরা সাজদাহ ১৭)। আর জান্নাতে এরূপ একটি গাছ আছে যার ছায়াতলে কোন আরোহী এক শত বছর চলতে থাকবে কিন্তু তা পার হতে পারবে না। তোমরা চাইলে পাঠ করতে পারঃ “আর সম্প্রসারিত ছায়া”- (সূরা ওয়াকি’আহ ৩০)। জান্নাতের এক চাবুক পরিমান জায়গা পৃথিবী ও তার মাঝখানে সব কিছুর চাইতে উত্তম। তোমরা চাইলে পাঠ করতে পারঃ “জাহান্নাম হতে যাকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, সেই সফলকাম। আর পার্থিব জীবন ছলনাময় ভোগ ছাড়া আর কিছুই নয়”- (সূরা ‘ইমরান ১৮৫) হাসান সহীহঃ সহীহ হাদীস সিরিজ (হাঃ ১৯৭৮), বুখারী “ইকরাঊ” (তোমরা পাঠ কর) শব্দ ব্যতীত বর্ণনা করেছেন।
حدثنا أبو كريب، حدثنا عبدة بن سليمان، وعبد الرحيم بن سليمان، عن محمد بن عمرو، حدثنا أبو سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يقول الله أعددت لعبادي الصالحين ما لا عين رأت ولا أذن سمعت ولا خطر على قلب بشر واقرءوا إن شئتم : ( وما تعلم نفس ما أخفي لهم من قرة أعين جزاء بما كانوا يعملون ) وفي الجنة شجرة يسير الراكب في ظلها مائة عام لا يقطعها واقرءوا إن شئتم : ( وظل ممدود ) وموضع سوط في الجنة خير من الدنيا وما فيها واقرءوا إن شئتم : ( فمن زحزح عن النار وأدخل الجنة فقد فاز وما الحياة الدنيا إلا متاع الغرور ) " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৯২
حدثنا أبو كريب، حدثنا عبدة بن سليمان، وعبد الرحيم بن سليمان، عن محمد بن عمرو، حدثنا أبو سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يقول الله أعددت لعبادي الصالحين ما لا عين رأت ولا أذن سمعت ولا خطر على قلب بشر واقرءوا إن شئتم : ( وما تعلم نفس ما أخفي لهم من قرة أعين جزاء بما كانوا يعملون ) وفي الجنة شجرة يسير الراكب في ظلها مائة عام لا يقطعها واقرءوا إن شئتم : ( وظل ممدود ) وموضع سوط في الجنة خير من الدنيا وما فيها واقرءوا إن شئتم : ( فمن زحزح عن النار وأدخل الجنة فقد فاز وما الحياة الدنيا إلا متاع الغرور ) " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা বলেন, আমার নেক বান্দাদের জন্য আমি এমন কিছু তৈরি করে রেখেছি যা কোন চোখ কখনও প্রত্যক্ষ করেনি, কোন কান কখনও (তার বর্ণনা) শ্রবণ করেনি এবং মানুষের মন তার ধারণাও করতে পারে না। এ আয়াতটি তোমরা ইচ্ছা করলে পাঠ করতে পার (অনুবাদ)ঃ “তাদের জন্য নয়নমুগ্ধকর কি জিনিস লুকিয়ে রাখা হয়েছে তাদের কৃতকর্মের পুরস্কার স্বরূপ তা সবারই অজানা ”-(সূরা সাজদাহ ১৭)। আর জান্নাতে এরূপ একটি গাছ আছে যার ছায়াতলে কোন আরোহী এক শত বছর চলতে থাকবে কিন্তু তা পার হতে পারবে না। তোমরা চাইলে পাঠ করতে পারঃ “আর সম্প্রসারিত ছায়া”- (সূরা ওয়াকি’আহ ৩০)। জান্নাতের এক চাবুক পরিমান জায়গা পৃথিবী ও তার মাঝখানে সব কিছুর চাইতে উত্তম। তোমরা চাইলে পাঠ করতে পারঃ “জাহান্নাম হতে যাকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, সেই সফলকাম। আর পার্থিব জীবন ছলনাময় ভোগ ছাড়া আর কিছুই নয়”- (সূরা ‘ইমরান ১৮৫) হাসান সহীহঃ সহীহ হাদীস সিরিজ (হাঃ ১৯৭৮), বুখারী “ইকরাঊ” (তোমরা পাঠ কর) শব্দ ব্যতীত বর্ণনা করেছেন।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা বলেন, আমার নেক বান্দাদের জন্য আমি এমন কিছু তৈরি করে রেখেছি যা কোন চোখ কখনও প্রত্যক্ষ করেনি, কোন কান কখনও (তার বর্ণনা) শ্রবণ করেনি এবং মানুষের মন তার ধারণাও করতে পারে না। এ আয়াতটি তোমরা ইচ্ছা করলে পাঠ করতে পার (অনুবাদ)ঃ “তাদের জন্য নয়নমুগ্ধকর কি জিনিস লুকিয়ে রাখা হয়েছে তাদের কৃতকর্মের পুরস্কার স্বরূপ তা সবারই অজানা ”-(সূরা সাজদাহ ১৭)। আর জান্নাতে এরূপ একটি গাছ আছে যার ছায়াতলে কোন আরোহী এক শত বছর চলতে থাকবে কিন্তু তা পার হতে পারবে না। তোমরা চাইলে পাঠ করতে পারঃ “আর সম্প্রসারিত ছায়া”- (সূরা ওয়াকি’আহ ৩০)। জান্নাতের এক চাবুক পরিমান জায়গা পৃথিবী ও তার মাঝখানে সব কিছুর চাইতে উত্তম। তোমরা চাইলে পাঠ করতে পারঃ “জাহান্নাম হতে যাকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, সেই সফলকাম। আর পার্থিব জীবন ছলনাময় ভোগ ছাড়া আর কিছুই নয়”- (সূরা ‘ইমরান ১৮৫) হাসান সহীহঃ সহীহ হাদীস সিরিজ (হাঃ ১৯৭৮), বুখারী “ইকরাঊ” (তোমরা পাঠ কর) শব্দ ব্যতীত বর্ণনা করেছেন।
حدثنا أبو كريب، حدثنا عبدة بن سليمان، وعبد الرحيم بن سليمان، عن محمد بن عمرو، حدثنا أبو سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يقول الله أعددت لعبادي الصالحين ما لا عين رأت ولا أذن سمعت ولا خطر على قلب بشر واقرءوا إن شئتم : ( وما تعلم نفس ما أخفي لهم من قرة أعين جزاء بما كانوا يعملون ) وفي الجنة شجرة يسير الراكب في ظلها مائة عام لا يقطعها واقرءوا إن شئتم : ( وظل ممدود ) وموضع سوط في الجنة خير من الدنيا وما فيها واقرءوا إن شئتم : ( فمن زحزح عن النار وأدخل الجنة فقد فاز وما الحياة الدنيا إلا متاع الغرور ) " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৯২
حدثنا أبو كريب، حدثنا عبدة بن سليمان، وعبد الرحيم بن سليمان، عن محمد بن عمرو، حدثنا أبو سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يقول الله أعددت لعبادي الصالحين ما لا عين رأت ولا أذن سمعت ولا خطر على قلب بشر واقرءوا إن شئتم : ( وما تعلم نفس ما أخفي لهم من قرة أعين جزاء بما كانوا يعملون ) وفي الجنة شجرة يسير الراكب في ظلها مائة عام لا يقطعها واقرءوا إن شئتم : ( وظل ممدود ) وموضع سوط في الجنة خير من الدنيا وما فيها واقرءوا إن شئتم : ( فمن زحزح عن النار وأدخل الجنة فقد فاز وما الحياة الدنيا إلا متاع الغرور ) " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা বলেন, আমার নেক বান্দাদের জন্য আমি এমন কিছু তৈরি করে রেখেছি যা কোন চোখ কখনও প্রত্যক্ষ করেনি, কোন কান কখনও (তার বর্ণনা) শ্রবণ করেনি এবং মানুষের মন তার ধারণাও করতে পারে না। এ আয়াতটি তোমরা ইচ্ছা করলে পাঠ করতে পার (অনুবাদ)ঃ “তাদের জন্য নয়নমুগ্ধকর কি জিনিস লুকিয়ে রাখা হয়েছে তাদের কৃতকর্মের পুরস্কার স্বরূপ তা সবারই অজানা ”-(সূরা সাজদাহ ১৭)। আর জান্নাতে এরূপ একটি গাছ আছে যার ছায়াতলে কোন আরোহী এক শত বছর চলতে থাকবে কিন্তু তা পার হতে পারবে না। তোমরা চাইলে পাঠ করতে পারঃ “আর সম্প্রসারিত ছায়া”- (সূরা ওয়াকি’আহ ৩০)। জান্নাতের এক চাবুক পরিমান জায়গা পৃথিবী ও তার মাঝখানে সব কিছুর চাইতে উত্তম। তোমরা চাইলে পাঠ করতে পারঃ “জাহান্নাম হতে যাকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, সেই সফলকাম। আর পার্থিব জীবন ছলনাময় ভোগ ছাড়া আর কিছুই নয়”- (সূরা ‘ইমরান ১৮৫) হাসান সহীহঃ সহীহ হাদীস সিরিজ (হাঃ ১৯৭৮), বুখারী “ইকরাঊ” (তোমরা পাঠ কর) শব্দ ব্যতীত বর্ণনা করেছেন।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা বলেন, আমার নেক বান্দাদের জন্য আমি এমন কিছু তৈরি করে রেখেছি যা কোন চোখ কখনও প্রত্যক্ষ করেনি, কোন কান কখনও (তার বর্ণনা) শ্রবণ করেনি এবং মানুষের মন তার ধারণাও করতে পারে না। এ আয়াতটি তোমরা ইচ্ছা করলে পাঠ করতে পার (অনুবাদ)ঃ “তাদের জন্য নয়নমুগ্ধকর কি জিনিস লুকিয়ে রাখা হয়েছে তাদের কৃতকর্মের পুরস্কার স্বরূপ তা সবারই অজানা ”-(সূরা সাজদাহ ১৭)। আর জান্নাতে এরূপ একটি গাছ আছে যার ছায়াতলে কোন আরোহী এক শত বছর চলতে থাকবে কিন্তু তা পার হতে পারবে না। তোমরা চাইলে পাঠ করতে পারঃ “আর সম্প্রসারিত ছায়া”- (সূরা ওয়াকি’আহ ৩০)। জান্নাতের এক চাবুক পরিমান জায়গা পৃথিবী ও তার মাঝখানে সব কিছুর চাইতে উত্তম। তোমরা চাইলে পাঠ করতে পারঃ “জাহান্নাম হতে যাকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, সেই সফলকাম। আর পার্থিব জীবন ছলনাময় ভোগ ছাড়া আর কিছুই নয়”- (সূরা ‘ইমরান ১৮৫) হাসান সহীহঃ সহীহ হাদীস সিরিজ (হাঃ ১৯৭৮), বুখারী “ইকরাঊ” (তোমরা পাঠ কর) শব্দ ব্যতীত বর্ণনা করেছেন।
حدثنا أبو كريب، حدثنا عبدة بن سليمان، وعبد الرحيم بن سليمان، عن محمد بن عمرو، حدثنا أبو سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يقول الله أعددت لعبادي الصالحين ما لا عين رأت ولا أذن سمعت ولا خطر على قلب بشر واقرءوا إن شئتم : ( وما تعلم نفس ما أخفي لهم من قرة أعين جزاء بما كانوا يعملون ) وفي الجنة شجرة يسير الراكب في ظلها مائة عام لا يقطعها واقرءوا إن شئتم : ( وظل ممدود ) وموضع سوط في الجنة خير من الدنيا وما فيها واقرءوا إن شئتم : ( فمن زحزح عن النار وأدخل الجنة فقد فاز وما الحياة الدنيا إلا متاع الغرور ) " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৯৭
حدثنا أبو كريب، حدثنا معاوية بن هشام، عن شيبان، عن أبي إسحاق، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قال أبو بكر رضى الله عنه يا رسول الله قد شبت . قال " شيبتني هود والواقعة والمرسلات و عم يتساءلون وإذا الشمس كورت " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه من حديث ابن عباس إلا من هذا الوجه . وروى علي بن صالح هذا الحديث عن أبي إسحاق عن أبي جحيفة نحو هذا . وروي عن أبي إسحاق عن أبي ميسرة شيء من هذا مرسلا .
ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ বকর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি তো বৃদ্ধ হয়ে গেলেন। তিনি জবাবে বলেনঃ সূরা হূদ, ওয়াক্বি'আহ্, ওয়াল মুরসালাত, আম্মা ইয়াতাসাআলুন ও ওয়াইযাশ-শামসু কুব্বিরাত আমাকে বৃদ্ধ করে দিয়েছে। সহীহঃ সহীহ হাদীস সিরিজ (হাঃ ৯৫৫)।
ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ বকর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি তো বৃদ্ধ হয়ে গেলেন। তিনি জবাবে বলেনঃ সূরা হূদ, ওয়াক্বি'আহ্, ওয়াল মুরসালাত, আম্মা ইয়াতাসাআলুন ও ওয়াইযাশ-শামসু কুব্বিরাত আমাকে বৃদ্ধ করে দিয়েছে। সহীহঃ সহীহ হাদীস সিরিজ (হাঃ ৯৫৫)।
حدثنا أبو كريب، حدثنا معاوية بن هشام، عن شيبان، عن أبي إسحاق، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قال أبو بكر رضى الله عنه يا رسول الله قد شبت . قال " شيبتني هود والواقعة والمرسلات و عم يتساءلون وإذا الشمس كورت " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه من حديث ابن عباس إلا من هذا الوجه . وروى علي بن صالح هذا الحديث عن أبي إسحاق عن أبي جحيفة نحو هذا . وروي عن أبي إسحاق عن أبي ميسرة شيء من هذا مرسلا .
জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আল-হাদীদ
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৯৮
حدثنا عبد بن حميد، وغير، واحد، - المعنى واحد قالوا حدثنا يونس بن محمد، حدثنا شيبان بن عبد الرحمن، عن قتادة، حدثنا الحسن، عن أبي هريرة، قال بينما نبي الله صلى الله عليه وسلم جالس وأصحابه إذ أتى عليهم سحاب فقال نبي الله صلى الله عليه وسلم " هل تدرون ما هذا " . فقالوا الله ورسوله أعلم . قال " هذا العنان هذه روايا الأرض يسوقه الله تبارك وتعالى إلى قوم لا يشكرونه ولا يدعونه " . ثم قال " هل تدرون ما فوقكم " . قالوا الله ورسوله أعلم . قال " فإنها الرقيع سقف محفوظ وموج مكفوف " . ثم قال " هل تدرون كم بينكم وبينها " . قالوا الله ورسوله أعلم . قال " بينكم وبينها مسيرة خمسمائة سنة " . ثم قال " هل تدرون ما فوق ذلك " . قالوا الله ورسوله أعلم . قال " فإن فوق ذلك سماءين وما بينهما مسيرة خمسمائة عام " . حتى عد سبع سموات ما بين كل سماءين كما بين السماء والأرض . ثم قال " هل تدرون ما فوق ذلك " . قالوا الله ورسوله أعلم . قال " فإن فوق ذلك العرش وبينه وبين السماء بعد ما بين السماءين " . ثم قال " هل تدرون ما الذي تحتكم " . قالوا الله ورسوله أعلم . قال " فإنها الأرض " . ثم قال " هل تدرون ما الذي تحت ذلك " . قالوا الله ورسوله أعلم . قال " فإن تحتها الأرض الأخرى بينهما مسيرة خمسمائة سنة " . حتى عد سبع أرضين بين كل أرضين مسيرة خمسمائة سنة ثم قال " والذي نفس محمد بيده لو أنكم دليتم رجلا بحبل إلى الأرض السفلى لهبط على الله " . ثم قرأ ( هو الأول والآخر والظاهر والباطن وهو بكل شيء عليم ) . قال أبو عيسى هذا حديث غريب من هذا الوجه . قال ويروى عن أيوب ويونس بن عبيد وعلي بن زيد قالوا لم يسمع الحسن من أبي هريرة . وفسر بعض أهل العلم هذا الحديث فقالوا إنما هبط على علم الله وقدرته وسلطانه . علم الله وقدرته وسلطانه في كل مكان وهو على العرش كما وصف في كتابه .
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ কোন এক সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণ এক সাথে বসা ছিলেন। হঠাৎ তাদের উপর মেঘরাশি প্রকাশিত হল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁদের প্রশ্ন করেন : তোমরা জান এটা কি? তারা বললেনঃ আল্লাহ তা’আলা ও তাঁর রাসূলই বেশি ভালো জানেন। তিনি বললেনঃ এটা হল যমিনের পানিবাহী উট। আল্লাহ তা’আলা একে এমন জাতির দিকে চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন যারা তাঁর কৃতজ্ঞতাও আদায় করে না এবং তাঁর কাছে মুনাজাতও করে না। তিনি আবার প্রশ্ন করলেন : তোমাদের উপরে কি আছে তা জান? তাঁরা বললেনঃ আল্লাহ তা’আলা ও তাঁর রাসূলই বেশি ভালো জানেন। তিনি বলেনঃ এটা হল সুউচ্চ আকাশ , সুরক্ষিত ছাদ এবং আটকানো তরঙ্গ। তিনি আবার প্রশ্ন করলেন : তোমাদের এবং এর মাঝে কতটুকু ব্যবধান তা তোমাদের জানা আছে কি? তারা বললেন, আল্লাহ তা’আলা ও তাঁর রাসূলই বেশি ভালো জানেন। তিনি বললেনঃ তোমাদের ও এর মাঝে পাঁচ শত বছরের পথের ব্যবধান। তিনি আবার প্রশ্ন করলেন : এর উপরে কি আছে তা তোমরা জান কি? তাঁরা বললেন , আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই বেশি ভালো জানেন। তিনি বললেনঃ এর উপরে দুইটি আকাশ আছে যার মাঝে পাঁচ শত বছরের দূরত্ব, এমনকি তিনি সাতটি আকাশ গণনা করেন এবং বলেনঃ প্রতি দু’টি আকাশের মাঝে পার্থক্য আকাশ ও যমিনের ব্যবধানের সমপরিমাণ। তিনি আবার প্রশ্ন করলেন : এর উপরে কি আছে তা কি তোমরা জান? তাঁরা বললেন আল্লাহ তা’আলা ও তাঁর রাসূলই বেশি ভালো জানেন। তিনি বললেনঃ এগুলোর উপরে আছে ( আল্লাহর ) আরশ। আরশ ও আকাশের মাঝের পার্থক্য দুই আকাশের মধ্যকার দূরত্বের সমান। তিনি আবার বললেনঃ তোমরা কি জান তোমাদের নিচে কি আছে? তাঁরা বললেনঃ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই বেশি ভালো জানেন। তিনি বললেনঃ উহা হল যমিন , তারপর আবার বললেন, তোমরা কি জান এর নিচে কি আছে? তাঁরা বললেন আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। তিনি বললেনঃ এর নিচে আরো এক ধাপ যমিন আছে এবং এতদুভয়ের মধ্যে পাঁচ শত বছরের দূরত্ব। তারপর সাত স্তর যমিন গুণে বলেনঃ প্রতি দুই স্তরের মাঝে পাঁচ শত বছরের দূরত্ব বর্তমান। তিনি আবার বললেনঃ সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে মুহাম্মাদের জীবন! তোমরা যদি একটি রশি নিম্নতম যমিনের দিকে ছেড়ে দাও তাহলে তা আল্লাহ তা’আলা পর্যন্ত গিয়ে পৌছবে। তারপর তিনি এ আয়াত তিলাওয়াত করেন : “ তিনিই প্রথম, তিনিই সর্বশেষ তিনিই প্রকাশ্য এবং তিনিই গুপ্ত। তিনিই সর্ববিষয়ে সর্বশেষ পরিজ্ঞাত “ ( সূরাঃ আল-হাদীদ-৩)। যইফ , যিলালুল জুন্নাহ্, (৫৭৮)
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ কোন এক সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণ এক সাথে বসা ছিলেন। হঠাৎ তাদের উপর মেঘরাশি প্রকাশিত হল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁদের প্রশ্ন করেন : তোমরা জান এটা কি? তারা বললেনঃ আল্লাহ তা’আলা ও তাঁর রাসূলই বেশি ভালো জানেন। তিনি বললেনঃ এটা হল যমিনের পানিবাহী উট। আল্লাহ তা’আলা একে এমন জাতির দিকে চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন যারা তাঁর কৃতজ্ঞতাও আদায় করে না এবং তাঁর কাছে মুনাজাতও করে না। তিনি আবার প্রশ্ন করলেন : তোমাদের উপরে কি আছে তা জান? তাঁরা বললেনঃ আল্লাহ তা’আলা ও তাঁর রাসূলই বেশি ভালো জানেন। তিনি বলেনঃ এটা হল সুউচ্চ আকাশ , সুরক্ষিত ছাদ এবং আটকানো তরঙ্গ। তিনি আবার প্রশ্ন করলেন : তোমাদের এবং এর মাঝে কতটুকু ব্যবধান তা তোমাদের জানা আছে কি? তারা বললেন, আল্লাহ তা’আলা ও তাঁর রাসূলই বেশি ভালো জানেন। তিনি বললেনঃ তোমাদের ও এর মাঝে পাঁচ শত বছরের পথের ব্যবধান। তিনি আবার প্রশ্ন করলেন : এর উপরে কি আছে তা তোমরা জান কি? তাঁরা বললেন , আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই বেশি ভালো জানেন। তিনি বললেনঃ এর উপরে দুইটি আকাশ আছে যার মাঝে পাঁচ শত বছরের দূরত্ব, এমনকি তিনি সাতটি আকাশ গণনা করেন এবং বলেনঃ প্রতি দু’টি আকাশের মাঝে পার্থক্য আকাশ ও যমিনের ব্যবধানের সমপরিমাণ। তিনি আবার প্রশ্ন করলেন : এর উপরে কি আছে তা কি তোমরা জান? তাঁরা বললেন আল্লাহ তা’আলা ও তাঁর রাসূলই বেশি ভালো জানেন। তিনি বললেনঃ এগুলোর উপরে আছে ( আল্লাহর ) আরশ। আরশ ও আকাশের মাঝের পার্থক্য দুই আকাশের মধ্যকার দূরত্বের সমান। তিনি আবার বললেনঃ তোমরা কি জান তোমাদের নিচে কি আছে? তাঁরা বললেনঃ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই বেশি ভালো জানেন। তিনি বললেনঃ উহা হল যমিন , তারপর আবার বললেন, তোমরা কি জান এর নিচে কি আছে? তাঁরা বললেন আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। তিনি বললেনঃ এর নিচে আরো এক ধাপ যমিন আছে এবং এতদুভয়ের মধ্যে পাঁচ শত বছরের দূরত্ব। তারপর সাত স্তর যমিন গুণে বলেনঃ প্রতি দুই স্তরের মাঝে পাঁচ শত বছরের দূরত্ব বর্তমান। তিনি আবার বললেনঃ সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে মুহাম্মাদের জীবন! তোমরা যদি একটি রশি নিম্নতম যমিনের দিকে ছেড়ে দাও তাহলে তা আল্লাহ তা’আলা পর্যন্ত গিয়ে পৌছবে। তারপর তিনি এ আয়াত তিলাওয়াত করেন : “ তিনিই প্রথম, তিনিই সর্বশেষ তিনিই প্রকাশ্য এবং তিনিই গুপ্ত। তিনিই সর্ববিষয়ে সর্বশেষ পরিজ্ঞাত “ ( সূরাঃ আল-হাদীদ-৩)। যইফ , যিলালুল জুন্নাহ্, (৫৭৮)
حدثنا عبد بن حميد، وغير، واحد، - المعنى واحد قالوا حدثنا يونس بن محمد، حدثنا شيبان بن عبد الرحمن، عن قتادة، حدثنا الحسن، عن أبي هريرة، قال بينما نبي الله صلى الله عليه وسلم جالس وأصحابه إذ أتى عليهم سحاب فقال نبي الله صلى الله عليه وسلم " هل تدرون ما هذا " . فقالوا الله ورسوله أعلم . قال " هذا العنان هذه روايا الأرض يسوقه الله تبارك وتعالى إلى قوم لا يشكرونه ولا يدعونه " . ثم قال " هل تدرون ما فوقكم " . قالوا الله ورسوله أعلم . قال " فإنها الرقيع سقف محفوظ وموج مكفوف " . ثم قال " هل تدرون كم بينكم وبينها " . قالوا الله ورسوله أعلم . قال " بينكم وبينها مسيرة خمسمائة سنة " . ثم قال " هل تدرون ما فوق ذلك " . قالوا الله ورسوله أعلم . قال " فإن فوق ذلك سماءين وما بينهما مسيرة خمسمائة عام " . حتى عد سبع سموات ما بين كل سماءين كما بين السماء والأرض . ثم قال " هل تدرون ما فوق ذلك " . قالوا الله ورسوله أعلم . قال " فإن فوق ذلك العرش وبينه وبين السماء بعد ما بين السماءين " . ثم قال " هل تدرون ما الذي تحتكم " . قالوا الله ورسوله أعلم . قال " فإنها الأرض " . ثم قال " هل تدرون ما الذي تحت ذلك " . قالوا الله ورسوله أعلم . قال " فإن تحتها الأرض الأخرى بينهما مسيرة خمسمائة سنة " . حتى عد سبع أرضين بين كل أرضين مسيرة خمسمائة سنة ثم قال " والذي نفس محمد بيده لو أنكم دليتم رجلا بحبل إلى الأرض السفلى لهبط على الله " . ثم قرأ ( هو الأول والآخر والظاهر والباطن وهو بكل شيء عليم ) . قال أبو عيسى هذا حديث غريب من هذا الوجه . قال ويروى عن أيوب ويونس بن عبيد وعلي بن زيد قالوا لم يسمع الحسن من أبي هريرة . وفسر بعض أهل العلم هذا الحديث فقالوا إنما هبط على علم الله وقدرته وسلطانه . علم الله وقدرته وسلطانه في كل مكان وهو على العرش كما وصف في كتابه .
জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আল-মুজাদালাহ্
জামে' আত-তিরমিজি ৩৩০০
حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا عبيد الله الأشجعي، عن الثوري، عن عثمان بن المغيرة الثقفي، عن سالم بن أبي الجعد، عن علي بن علقمة الأنماري، عن علي بن أبي طالب، قال لما نزلت : (يا أيها الذين آمنوا إذا ناجيتم الرسول فقدموا بين يدى نجواكم صدقة ) . قال لي النبي صلى الله عليه وسلم " ما ترى دينارا " . قلت لا يطيقونه . قال " فنصف دينار " . قلت لا يطيقونه . قال " فكم " . قلت شعيرة . قال " إنك لزهيد " . قال فنزلت : (أأشفقتم أن تقدموا بين يدى نجواكم صدقات ) الآية . قال فبي خفف الله عن هذه الأمة . قال هذا حديث حسن غريب إنما نعرفه من هذا الوجه . ومعنى قوله شعيرة يعني وزن شعيرة من ذهب وأبو الجعد اسمه رافع .
আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল : “ হে ঈমানদারগণ! তোমরা রাসূলের সাথে চুপি চুপি কথা বলার ইচ্ছা করলে তার পূর্বে সদাকা দেবে” (সূরা : আল-মুজাদালাহ-১২) , তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ এক দীনার নির্ধারণের ব্যাপারে তোমার কি মত? আমি বললাম , লোকদের সামর্থ্যে কুলাবে না। তিনি বললেনঃ তাহলে অর্ধ দীনার? আমি বললাম , তাও তাদের সামর্থ্যে কুলাবে না। তিনি বললেনঃ তাহলে কত নির্ধারণ করা যায়? আমি বললাম , এক বার্লির দানা পরিমাণ (সোনা)। তিনি বললেনঃ তুমি খুব কম নির্ধারণকারী। রাবী বলেন , তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয় : “ তোমরা কি চুপে চুপে কথা বলার পূর্বে সদাকা প্রদানকে কষ্টকর মনে কর?” (সূরা : আল-মুজাদালাহ-১৩) আলী (রাঃ) বলেন , আমার কারণে আল্লাহ তা’আলা এই উম্মতের জন্য বিধানটি হালকা (বাতিল) করেন। সনদ দুর্বল
আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল : “ হে ঈমানদারগণ! তোমরা রাসূলের সাথে চুপি চুপি কথা বলার ইচ্ছা করলে তার পূর্বে সদাকা দেবে” (সূরা : আল-মুজাদালাহ-১২) , তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ এক দীনার নির্ধারণের ব্যাপারে তোমার কি মত? আমি বললাম , লোকদের সামর্থ্যে কুলাবে না। তিনি বললেনঃ তাহলে অর্ধ দীনার? আমি বললাম , তাও তাদের সামর্থ্যে কুলাবে না। তিনি বললেনঃ তাহলে কত নির্ধারণ করা যায়? আমি বললাম , এক বার্লির দানা পরিমাণ (সোনা)। তিনি বললেনঃ তুমি খুব কম নির্ধারণকারী। রাবী বলেন , তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয় : “ তোমরা কি চুপে চুপে কথা বলার পূর্বে সদাকা প্রদানকে কষ্টকর মনে কর?” (সূরা : আল-মুজাদালাহ-১৩) আলী (রাঃ) বলেন , আমার কারণে আল্লাহ তা’আলা এই উম্মতের জন্য বিধানটি হালকা (বাতিল) করেন। সনদ দুর্বল
حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا عبيد الله الأشجعي، عن الثوري، عن عثمان بن المغيرة الثقفي، عن سالم بن أبي الجعد، عن علي بن علقمة الأنماري، عن علي بن أبي طالب، قال لما نزلت : (يا أيها الذين آمنوا إذا ناجيتم الرسول فقدموا بين يدى نجواكم صدقة ) . قال لي النبي صلى الله عليه وسلم " ما ترى دينارا " . قلت لا يطيقونه . قال " فنصف دينار " . قلت لا يطيقونه . قال " فكم " . قلت شعيرة . قال " إنك لزهيد " . قال فنزلت : (أأشفقتم أن تقدموا بين يدى نجواكم صدقات ) الآية . قال فبي خفف الله عن هذه الأمة . قال هذا حديث حسن غريب إنما نعرفه من هذا الوجه . ومعنى قوله شعيرة يعني وزن شعيرة من ذهب وأبو الجعد اسمه رافع .
জামে' আত-তিরমিজি ৩৩০১
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا يونس، عن شيبان، عن قتادة، حدثنا أنس بن مالك، أن يهوديا، أتى على النبي صلى الله عليه وسلم وأصحابه فقال السام عليكم فرد عليه القوم فقال نبي الله صلى الله عليه وسلم " هل تدرون ما قال هذا " . قالوا الله ورسوله أعلم سلم يا نبي الله . قال " لا ولكنه قال كذا وكذا ردوه على " . فردوه قال " قلت السام عليكم " . قال نعم . قال نبي الله صلى الله عليه وسلم عند ذلك " إذا سلم عليكم أحد من أهل الكتاب فقولوا عليك " . قال " عليك ما قلت " . قال : (وإذا جاءوك حيوك بما لم يحيك به الله ) . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ইয়াহূদী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণের কাছে এসে বলল, “আস-সামু আলাইকুম" (তোমাদের মরণ হোক)। লোকেরা তার উত্তর দিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সে কী বলেছে তোমরা কি তা বুঝতে পেরেছ? তারা বলেন, আল্লাহ তা'আলা ও তাঁর রাসূল ভালো জানেন। হে আল্লাহ্র নাবী! সে সালাম দিয়েছে। তিনি বললেনঃ না, অথচ সে এই এই কথা বলেছে। আমার কাছে তাকে তোমরা ফিরিয়ে নিয়ে আস। অতঃপর তারা তাকে ফিরিয়ে নিয়ে আসলে তিনি বললেনঃ তুমি কি বলেছ আস-সামু আলাইকুম? সে বলল, হ্যাঁ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সে সময় বললেনঃ তোমাদেরকে আহলে কিতাবের কেউ সালাম করলে তোমরা বলবে, “আলাইকা মা কুলতা" (যা তুমি বলেছ তোমার উপর তা-ই বর্ষিত হোক)। তারপর এ আয়াত তিনি পাঠ করেন(অনুবাদ)-ঃ “যখন এরা তোমার কাছে আসে তখন তোমাকে এরূপ কথা দ্বারা অভিবাদন করে যার মাধ্যমে আল্লাহ তা'আলা তোমাকে অভিবাদন করেননি"-(সুরা মুজাদালাহ্ ৮)। সহীহঃ ইরওয়া (হাঃ ৫/১১৭), মুসলিম আয়াতের উল্লেখ ব্যতীত।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ইয়াহূদী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণের কাছে এসে বলল, “আস-সামু আলাইকুম" (তোমাদের মরণ হোক)। লোকেরা তার উত্তর দিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সে কী বলেছে তোমরা কি তা বুঝতে পেরেছ? তারা বলেন, আল্লাহ তা'আলা ও তাঁর রাসূল ভালো জানেন। হে আল্লাহ্র নাবী! সে সালাম দিয়েছে। তিনি বললেনঃ না, অথচ সে এই এই কথা বলেছে। আমার কাছে তাকে তোমরা ফিরিয়ে নিয়ে আস। অতঃপর তারা তাকে ফিরিয়ে নিয়ে আসলে তিনি বললেনঃ তুমি কি বলেছ আস-সামু আলাইকুম? সে বলল, হ্যাঁ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সে সময় বললেনঃ তোমাদেরকে আহলে কিতাবের কেউ সালাম করলে তোমরা বলবে, “আলাইকা মা কুলতা" (যা তুমি বলেছ তোমার উপর তা-ই বর্ষিত হোক)। তারপর এ আয়াত তিনি পাঠ করেন(অনুবাদ)-ঃ “যখন এরা তোমার কাছে আসে তখন তোমাকে এরূপ কথা দ্বারা অভিবাদন করে যার মাধ্যমে আল্লাহ তা'আলা তোমাকে অভিবাদন করেননি"-(সুরা মুজাদালাহ্ ৮)। সহীহঃ ইরওয়া (হাঃ ৫/১১৭), মুসলিম আয়াতের উল্লেখ ব্যতীত।
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا يونس، عن شيبان، عن قتادة، حدثنا أنس بن مالك، أن يهوديا، أتى على النبي صلى الله عليه وسلم وأصحابه فقال السام عليكم فرد عليه القوم فقال نبي الله صلى الله عليه وسلم " هل تدرون ما قال هذا " . قالوا الله ورسوله أعلم سلم يا نبي الله . قال " لا ولكنه قال كذا وكذا ردوه على " . فردوه قال " قلت السام عليكم " . قال نعم . قال نبي الله صلى الله عليه وسلم عند ذلك " إذا سلم عليكم أحد من أهل الكتاب فقولوا عليك " . قال " عليك ما قلت " . قال : (وإذا جاءوك حيوك بما لم يحيك به الله ) . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৯৯
حدثنا عبد بن حميد، والحسن بن علي الحلواني، حدثنا يزيد بن هارون، حدثنا محمد بن إسحاق، عن محمد بن عمرو بن عطاء، عن سليمان بن يسار، عن سلمة بن صخر الأنصاري، قال كنت رجلا قد أوتيت من جماع النساء ما لم يؤت غيري فلما دخل رمضان تظاهرت من امرأتي حتى ينسلخ رمضان فرقا من أن أصيب منها في ليلتي فأتتابع في ذلك إلى أن يدركني النهار وأنا لا أقدر أن أنزع فبينما هي تخدمني ذات ليلة إذ تكشف لي منها شيء فوثبت عليها فلما أصبحت غدوت على قومي فأخبرتهم خبري فقلت انطلقوا معي إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبره بأمري . فقالوا لا والله لا نفعل نتخوف أن ينزل فينا قرآن أو يقول فينا رسول الله صلى الله عليه وسلم مقالة يبقى علينا عارها ولكن اذهب أنت فاصنع ما بدا لك . قال فخرجت فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبرته خبري . فقال " أنت بذاك " . قلت أنا بذاك . قال " أنت بذاك " . قلت أنا بذاك . قال " أنت بذاك " . قلت أنا بذاك وها أنا ذا فأمض في حكم الله فإني صابر لذلك . قال " أعتق رقبة " . قال فضربت صفحة عنقي بيدي فقلت لا والذي بعثك بالحق ما أصبحت أملك غيرها . قال " صم شهرين " . قلت يا رسول الله وهل أصابني ما أصابني إلا في الصيام . قال " فأطعم ستين مسكينا " . قلت والذي بعثك بالحق لقد بتنا ليلتنا هذه وحشى ما لنا عشاء . قال " اذهب إلى صاحب صدقة بني زريق فقل له فليدفعها إليك فأطعم عنك منها وسقا ستين مسكينا ثم استعن بسائره عليك وعلى عيالك " . قال فرجعت إلى قومي فقلت وجدت عندكم الضيق وسوء الرأى ووجدت عند رسول الله صلى الله عليه وسلم السعة والبركة أمر لي بصدقتكم فادفعوها إلى فدفعوها إلى . قال أبو عيسى هذا حديث حسن . قال محمد سليمان بن يسار لم يسمع عندي من سلمة بن صخر . قال ويقال سلمة بن صخر وسلمان بن صخر . وفي الباب عن خولة بنت ثعلبة وهي امرأة أوس بن الصامت .
সালামাহ্ ইবনু সাখ্র আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি এমন এক পুরুষ, যাকে এত যৌনশক্তি দেয়া হয়েছে যা অন্য কাউকে দেয়া হয়নি। রমাযান মাস এলে আমি আমার স্ত্রীর সঙ্গে যিহার করি, যাতে রমাযান মাসটা অতিক্রম হয়ে যায় এবং রাতে সহবাসের আশংকা হতে বেঁচে থাকতে পারি। একই ধারাবাহিকতায় আমার দিনগুলো (সঙ্গমহীন) অতিক্রম হবে এবং তাকে আমি ত্যাগও করতে পারি না। এ পরিপ্রেক্ষিতে একদিন সে রাতের বেলা আমার সেবা করছিল, হঠাৎ তার কোন জিনিস আমার সম্মুখে উন্মুক্ত হয়ে গেলে আমি তার উপর ঝাপিয়ে পড়ি (সঙ্গম করি)। সকালে উপনিত হয়ে আমি আমার গোত্রের লোকের কাছে উপস্থিত হয়ে তাদেরকে আমার বিষয়টি জানাই। আমি বললাম, আমাকে নিয়ে তোমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে চলো এবং আমার বিষয়টি তাঁকে জানাই। তারা বলল, না আল্লাহ্র ক্বসম! আমরা তা করতে অপারগ। আমাদের মনে হচ্ছে যে, আমাদের প্রসঙ্গে কুরআনে আয়াত অবতীর্ণ হবে কিংবা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের প্রসঙ্গে এরূপ মন্তব্য করবেন আমাদের আমাদের জন্য যা লজ্জার বিষয় হয়ে থাকবে। বরং তুমি একাই যাও এবং যা তোমার উপযুক্ত মনে হয় তাই কর। বর্ণনাকারী বলেন, আমি রওয়ানা হয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গিয়ে উপস্থিত হলাম এবং তাঁকে আমার বিষয়টি জানালাম। তিনি বললেনঃ এ কাজ তুমি করেছ! আমি বললাম, এমন কাজ আমি করেছি। তিনি আবার বললেনঃ এ কাজ তুমি করেছ! আমি বললাম, এমন কাজ আমি করেছি। তিনি বললেনঃ এ কাজ তুমি করেছ! আমি বললাম, এমন কাজ আমি করেছি। আমি উপস্থিত। অতএব আল্লাহ্র বিধান আমার উপর কার্যকর করুন, আমি ধৈর্য ধারণ করব। তিনি বললেনঃ একটি দাসী মুক্ত কর। বর্ণনাকারী বলেন, আমি আমার ঘাড়ের উপরাংশে আমার হাত দিয়ে আঘাত করে বললাম, না সেই সত্তার ক্বসম, আপনাকে যিনি সত্যসহ প্রেরণ করেছেন! তাকে ছাড়া আমি আর কিছুর মালিক নই। তিনি বললেনঃ তাহলে ধারাবাহিকভাবে দুই মাস রোযা রাখ। আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! যে বিপদ আমার উপর এসেছে তা তো এ রোযার কারণেই। তিনি বললেনঃ তাহলে ষাটজন দরিদ্রকে আহার করাও। আমি বললাম, সেই সত্তার ক্বসম, আপনাকে সত্যসহ যিনি পাঠিয়েছেন! আজ রাতে আমরাই অভুক্ত ছিলাম, আমাদের কাছে রাতের খাবার ছিল না। তিনি বললেনঃ যে লোক যুরাইক্ব গোত্রের যাকাত আদায় করে, তার কাছে তুমি যাও এবং তাকে বল, তাহলে তোমাকে সে কিছু দিবে। তার এক ওয়াসাক এর মাধ্যমে তুমি ষাটজন মিসকীনকে আহার করাবে এবং বাকি যা থাকে তা তুমি ও তোমার পরিজনের জন্য খরচ করবে। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর আমি আমার গোত্রের কাছে প্রত্যাবর্তন করলাম এবং তাদেরকে বললাম, তোমাদের কাছে আমি পেয়েছি সংকীর্ণতা ও কুপরামর্শ, আর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পেয়েছি প্রশস্ততা ও প্রাচুর্য। তিনি তোমাদের যাকাত আমাকে দান করার আদেশ দিয়েছেন। অতএব তা আমার কাছে তোমরা অর্পন কর। অতএব তারা আমার কাছে তা অর্পণ করে। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (হাঃ ২০৬২)।
সালামাহ্ ইবনু সাখ্র আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি এমন এক পুরুষ, যাকে এত যৌনশক্তি দেয়া হয়েছে যা অন্য কাউকে দেয়া হয়নি। রমাযান মাস এলে আমি আমার স্ত্রীর সঙ্গে যিহার করি, যাতে রমাযান মাসটা অতিক্রম হয়ে যায় এবং রাতে সহবাসের আশংকা হতে বেঁচে থাকতে পারি। একই ধারাবাহিকতায় আমার দিনগুলো (সঙ্গমহীন) অতিক্রম হবে এবং তাকে আমি ত্যাগও করতে পারি না। এ পরিপ্রেক্ষিতে একদিন সে রাতের বেলা আমার সেবা করছিল, হঠাৎ তার কোন জিনিস আমার সম্মুখে উন্মুক্ত হয়ে গেলে আমি তার উপর ঝাপিয়ে পড়ি (সঙ্গম করি)। সকালে উপনিত হয়ে আমি আমার গোত্রের লোকের কাছে উপস্থিত হয়ে তাদেরকে আমার বিষয়টি জানাই। আমি বললাম, আমাকে নিয়ে তোমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে চলো এবং আমার বিষয়টি তাঁকে জানাই। তারা বলল, না আল্লাহ্র ক্বসম! আমরা তা করতে অপারগ। আমাদের মনে হচ্ছে যে, আমাদের প্রসঙ্গে কুরআনে আয়াত অবতীর্ণ হবে কিংবা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের প্রসঙ্গে এরূপ মন্তব্য করবেন আমাদের আমাদের জন্য যা লজ্জার বিষয় হয়ে থাকবে। বরং তুমি একাই যাও এবং যা তোমার উপযুক্ত মনে হয় তাই কর। বর্ণনাকারী বলেন, আমি রওয়ানা হয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গিয়ে উপস্থিত হলাম এবং তাঁকে আমার বিষয়টি জানালাম। তিনি বললেনঃ এ কাজ তুমি করেছ! আমি বললাম, এমন কাজ আমি করেছি। তিনি আবার বললেনঃ এ কাজ তুমি করেছ! আমি বললাম, এমন কাজ আমি করেছি। তিনি বললেনঃ এ কাজ তুমি করেছ! আমি বললাম, এমন কাজ আমি করেছি। আমি উপস্থিত। অতএব আল্লাহ্র বিধান আমার উপর কার্যকর করুন, আমি ধৈর্য ধারণ করব। তিনি বললেনঃ একটি দাসী মুক্ত কর। বর্ণনাকারী বলেন, আমি আমার ঘাড়ের উপরাংশে আমার হাত দিয়ে আঘাত করে বললাম, না সেই সত্তার ক্বসম, আপনাকে যিনি সত্যসহ প্রেরণ করেছেন! তাকে ছাড়া আমি আর কিছুর মালিক নই। তিনি বললেনঃ তাহলে ধারাবাহিকভাবে দুই মাস রোযা রাখ। আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! যে বিপদ আমার উপর এসেছে তা তো এ রোযার কারণেই। তিনি বললেনঃ তাহলে ষাটজন দরিদ্রকে আহার করাও। আমি বললাম, সেই সত্তার ক্বসম, আপনাকে সত্যসহ যিনি পাঠিয়েছেন! আজ রাতে আমরাই অভুক্ত ছিলাম, আমাদের কাছে রাতের খাবার ছিল না। তিনি বললেনঃ যে লোক যুরাইক্ব গোত্রের যাকাত আদায় করে, তার কাছে তুমি যাও এবং তাকে বল, তাহলে তোমাকে সে কিছু দিবে। তার এক ওয়াসাক এর মাধ্যমে তুমি ষাটজন মিসকীনকে আহার করাবে এবং বাকি যা থাকে তা তুমি ও তোমার পরিজনের জন্য খরচ করবে। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর আমি আমার গোত্রের কাছে প্রত্যাবর্তন করলাম এবং তাদেরকে বললাম, তোমাদের কাছে আমি পেয়েছি সংকীর্ণতা ও কুপরামর্শ, আর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পেয়েছি প্রশস্ততা ও প্রাচুর্য। তিনি তোমাদের যাকাত আমাকে দান করার আদেশ দিয়েছেন। অতএব তা আমার কাছে তোমরা অর্পন কর। অতএব তারা আমার কাছে তা অর্পণ করে। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (হাঃ ২০৬২)।
حدثنا عبد بن حميد، والحسن بن علي الحلواني، حدثنا يزيد بن هارون، حدثنا محمد بن إسحاق، عن محمد بن عمرو بن عطاء، عن سليمان بن يسار، عن سلمة بن صخر الأنصاري، قال كنت رجلا قد أوتيت من جماع النساء ما لم يؤت غيري فلما دخل رمضان تظاهرت من امرأتي حتى ينسلخ رمضان فرقا من أن أصيب منها في ليلتي فأتتابع في ذلك إلى أن يدركني النهار وأنا لا أقدر أن أنزع فبينما هي تخدمني ذات ليلة إذ تكشف لي منها شيء فوثبت عليها فلما أصبحت غدوت على قومي فأخبرتهم خبري فقلت انطلقوا معي إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبره بأمري . فقالوا لا والله لا نفعل نتخوف أن ينزل فينا قرآن أو يقول فينا رسول الله صلى الله عليه وسلم مقالة يبقى علينا عارها ولكن اذهب أنت فاصنع ما بدا لك . قال فخرجت فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبرته خبري . فقال " أنت بذاك " . قلت أنا بذاك . قال " أنت بذاك " . قلت أنا بذاك . قال " أنت بذاك " . قلت أنا بذاك وها أنا ذا فأمض في حكم الله فإني صابر لذلك . قال " أعتق رقبة " . قال فضربت صفحة عنقي بيدي فقلت لا والذي بعثك بالحق ما أصبحت أملك غيرها . قال " صم شهرين " . قلت يا رسول الله وهل أصابني ما أصابني إلا في الصيام . قال " فأطعم ستين مسكينا " . قلت والذي بعثك بالحق لقد بتنا ليلتنا هذه وحشى ما لنا عشاء . قال " اذهب إلى صاحب صدقة بني زريق فقل له فليدفعها إليك فأطعم عنك منها وسقا ستين مسكينا ثم استعن بسائره عليك وعلى عيالك " . قال فرجعت إلى قومي فقلت وجدت عندكم الضيق وسوء الرأى ووجدت عند رسول الله صلى الله عليه وسلم السعة والبركة أمر لي بصدقتكم فادفعوها إلى فدفعوها إلى . قال أبو عيسى هذا حديث حسن . قال محمد سليمان بن يسار لم يسمع عندي من سلمة بن صخر . قال ويقال سلمة بن صخر وسلمان بن صخر . وفي الباب عن خولة بنت ثعلبة وهي امرأة أوس بن الصامت .
জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আল-হাশ্র
জামে' আত-তিরমিজি ৩৩০২
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن نافع، عن ابن عمر، رضى الله عنهما قال حرق رسول الله صلى الله عليه وسلم نخل بني النضير وقطع وهي البويرة فأنزل الله : (ما قطعتم من لينة أو تركتموها قائمة على أصولها فبإذن الله وليخزي الفاسقين ) . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বানূ নাযীরের আল-বুওয়াইরা নামক খেজুর বাগানটি অগ্নিসংযোগ করে পুড়ে ফেলেন এবং কেটে ফেলেন। অতঃপর আল্লাহ তা'আলা অবতীর্ণ করেনঃ "যে খেজুর গাছগুলো তোমরা কেটেছ এবং যেগুলো তাদের কাণ্ডের উপর স্থির রেখে দিয়েছ তা তো আল্লাহ তা'আলার আদেশানুসারেই এবং এ কারণে যে, তিনি পাপাচারী ও অন্যায়কারীদেরকে লাঞ্ছিত করবেন"-(সূরা হাশ্র ৫)। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (হাঃ ২৮৪৪), বুখারী ও মুসলিম।
ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বানূ নাযীরের আল-বুওয়াইরা নামক খেজুর বাগানটি অগ্নিসংযোগ করে পুড়ে ফেলেন এবং কেটে ফেলেন। অতঃপর আল্লাহ তা'আলা অবতীর্ণ করেনঃ "যে খেজুর গাছগুলো তোমরা কেটেছ এবং যেগুলো তাদের কাণ্ডের উপর স্থির রেখে দিয়েছ তা তো আল্লাহ তা'আলার আদেশানুসারেই এবং এ কারণে যে, তিনি পাপাচারী ও অন্যায়কারীদেরকে লাঞ্ছিত করবেন"-(সূরা হাশ্র ৫)। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (হাঃ ২৮৪৪), বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن نافع، عن ابن عمر، رضى الله عنهما قال حرق رسول الله صلى الله عليه وسلم نخل بني النضير وقطع وهي البويرة فأنزل الله : (ما قطعتم من لينة أو تركتموها قائمة على أصولها فبإذن الله وليخزي الفاسقين ) . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩৩০৪
حدثنا أبو كريب، حدثنا وكيع، عن فضيل بن غزوان، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، أن رجلا، من الأنصار بات به ضيف فلم يكن عنده إلا قوته وقوت صبيانه فقال لامرأته نومي الصبية وأطفئي السراج وقربي للضيف ما عندك فنزلت هذه الآية : ( ويؤثرون على أنفسهم ولو كان بهم خصاصة ) هذا حديث حسن صحيح .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক রাতে আনসার লোকের এখানে একজন মেহমান আসে। তার কাছে তার ও তার সন্তানদের খাবার ছাড়া অতিরিক্ত খাবার ছিল না। তার সহধর্মিণীকে তিনি বলেন, বাচ্চাদের ঘুম পারিয়ে দাও, আলো নিভিয়ে ফেল এবং তোমার কাছে যে খাবার রয়েছে তা মেহমানের সম্মুখে পরিবেশন কর। এই পরিপ্রেক্ষিতে অবতীর্ণ হয়ঃ "আর নিজেদের উপর অন্যকে তারা অগ্রাধিকার দেয়, নিজেরা অভাবপীড়িত হয়েও"- (সূরা হাশ্র ৯)। সহীহঃ সহীহ হাদীস সিরিজ (হাঃ ৩২৭২), বুখারী ও মুসলিম আরও পূর্ণাঙ্গরূপে বর্ণনা করেছেন।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক রাতে আনসার লোকের এখানে একজন মেহমান আসে। তার কাছে তার ও তার সন্তানদের খাবার ছাড়া অতিরিক্ত খাবার ছিল না। তার সহধর্মিণীকে তিনি বলেন, বাচ্চাদের ঘুম পারিয়ে দাও, আলো নিভিয়ে ফেল এবং তোমার কাছে যে খাবার রয়েছে তা মেহমানের সম্মুখে পরিবেশন কর। এই পরিপ্রেক্ষিতে অবতীর্ণ হয়ঃ "আর নিজেদের উপর অন্যকে তারা অগ্রাধিকার দেয়, নিজেরা অভাবপীড়িত হয়েও"- (সূরা হাশ্র ৯)। সহীহঃ সহীহ হাদীস সিরিজ (হাঃ ৩২৭২), বুখারী ও মুসলিম আরও পূর্ণাঙ্গরূপে বর্ণনা করেছেন।
حدثنا أبو كريب، حدثنا وكيع، عن فضيل بن غزوان، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، أن رجلا، من الأنصار بات به ضيف فلم يكن عنده إلا قوته وقوت صبيانه فقال لامرأته نومي الصبية وأطفئي السراج وقربي للضيف ما عندك فنزلت هذه الآية : ( ويؤثرون على أنفسهم ولو كان بهم خصاصة ) هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩৩০৩
حدثنا الحسن بن محمد الزعفراني، حدثنا عفان بن مسلم، حدثنا حفص بن غياث، حدثنا حبيب بن أبي عمرة، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، في قول الله عز وجل : (ما قطعتم من لينة أو تركتموها قائمة على أصولها ) . قال اللينة النخلةيخزي الفاسقين ) قال استنزلوهم من حصونهم قال وأمروا بقطع النخل فحك في صدورهم . فقال المسلمون قد قطعنا بعضا وتركنا بعضا فلنسألن رسول الله صلى الله عليه وسلم هل لنا فيما قطعنا من أجر وهل علينا فيما تركنا من وزر فأنزل الله تعالى : (ما قطعتم من لينة أو تركتموها قائمة على أصولها ) . الآية . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب .
ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ তা'আলার বাণীঃ "যে খেজুর গাছগুলো তোমরা কেটেছ এবং তার কাণ্ডের উপর যেগুলো স্থির রেখে দিয়েছ" এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আল-লীনাহ অর্থঃ খেজুর গাছ। "এবং এ কারণে যে, তিনি পাপাচারী ও অন্যায়কারীদেরকে লাঞ্ছিত করবেন" আয়াতটি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অর্থাৎ মুসলমানরা তাদেরকে তাদের দুর্গগুলো হতে বহিষ্কার করে দেয়। ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) আরো বলেন, যখন তাদেরকে খেজুর গাছগুলো কেটে ফেলার আদেশ দেয়া হয় সে সময় তাদের মনে ধারণা (সন্দেহ) হয়। মুসলমানরা বলেন, আমরা কিছু বৃক্ষ কেটে ফেলেছি এবং কিছু বৃক্ষ বহাল রেখেছি। এ বিষয়ে অবশ্যই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমরা প্রশ্ন করবো যে, যে গাছগুলো আমরা কেটেছি তার কারণে আমাদেরকে সাওয়াব প্রদান করা হবে কি এবং যে বৃক্ষগুলো বহাল রেখেছি তার জন্য আমাদের কোন গুনাহ হবে কি? তখন আল্লাহ তা'আলা অবতীর্ণ করেনঃ "যে খেজুর গাছগুলো তোমরা কেটেছ এবং তাদের কাণ্ডের উপর যেগুলো স্থির রেখে দিয়েছ তা তো আল্লাহ তা'আলার অনুমতিক্রমেই"- (সূরা হাশ্র ৫)। হাদীসটির সানাদ সহীহ।
ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ তা'আলার বাণীঃ "যে খেজুর গাছগুলো তোমরা কেটেছ এবং তার কাণ্ডের উপর যেগুলো স্থির রেখে দিয়েছ" এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আল-লীনাহ অর্থঃ খেজুর গাছ। "এবং এ কারণে যে, তিনি পাপাচারী ও অন্যায়কারীদেরকে লাঞ্ছিত করবেন" আয়াতটি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অর্থাৎ মুসলমানরা তাদেরকে তাদের দুর্গগুলো হতে বহিষ্কার করে দেয়। ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) আরো বলেন, যখন তাদেরকে খেজুর গাছগুলো কেটে ফেলার আদেশ দেয়া হয় সে সময় তাদের মনে ধারণা (সন্দেহ) হয়। মুসলমানরা বলেন, আমরা কিছু বৃক্ষ কেটে ফেলেছি এবং কিছু বৃক্ষ বহাল রেখেছি। এ বিষয়ে অবশ্যই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমরা প্রশ্ন করবো যে, যে গাছগুলো আমরা কেটেছি তার কারণে আমাদেরকে সাওয়াব প্রদান করা হবে কি এবং যে বৃক্ষগুলো বহাল রেখেছি তার জন্য আমাদের কোন গুনাহ হবে কি? তখন আল্লাহ তা'আলা অবতীর্ণ করেনঃ "যে খেজুর গাছগুলো তোমরা কেটেছ এবং তাদের কাণ্ডের উপর যেগুলো স্থির রেখে দিয়েছ তা তো আল্লাহ তা'আলার অনুমতিক্রমেই"- (সূরা হাশ্র ৫)। হাদীসটির সানাদ সহীহ।
حدثنا الحسن بن محمد الزعفراني، حدثنا عفان بن مسلم، حدثنا حفص بن غياث، حدثنا حبيب بن أبي عمرة، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، في قول الله عز وجل : (ما قطعتم من لينة أو تركتموها قائمة على أصولها ) . قال اللينة النخلةيخزي الفاسقين ) قال استنزلوهم من حصونهم قال وأمروا بقطع النخل فحك في صدورهم . فقال المسلمون قد قطعنا بعضا وتركنا بعضا فلنسألن رسول الله صلى الله عليه وسلم هل لنا فيما قطعنا من أجر وهل علينا فيما تركنا من وزر فأنزل الله تعالى : (ما قطعتم من لينة أو تركتموها قائمة على أصولها ) . الآية . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب .