জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আয-যারিয়াত
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৭৩
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن سلام، عن عاصم بن أبي النجود، عن أبي وائل، عن رجل، من ربيعة قال قدمت المدينة فدخلت على رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت عنده وافد عاد فقلت أعوذ بالله أن أكون مثل وافد عاد . قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " وما وافد عاد " . قال فقلت على الخبير سقطت إن عادا لما أقحطت بعثت قيلا فنزل على بكر بن معاوية فسقاه الخمر وغنته الجرادتان ثم خرج يريد جبال مهرة فقال اللهم إني لم آتك لمريض فأداويه ولا لأسير فأفاديه فاسق عبدك ما كنت مسقيه واسق معه بكر بن معاوية . يشكر له الخمر الذي سقاه فرفع له سحابات فقيل له اختر إحداهن فاختار السوداء منهن فقيل له خذها رمادا رمددا لا تذر من عاد أحدا وذكر أنه لم يرسل عليهم من الريح إلا قدر هذه الحلقة يعني حلقة الخاتم . ثم قرأ : (إذ أرسلنا عليهم الريح العقيم * ما تذر من شيء أتت عليه إلا جعلته كالرميم ) الآية . قال أبو عيسى وقد روى غير واحد هذا الحديث عن سلام أبي المنذر عن عاصم بن أبي النجود عن أبي وائل عن الحارث بن حسان ويقال له الحارث بن يزيد .
আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাবী’আহ গোত্রের এক লোক বলেন, আমি মাদীনায় পৌঁছে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উপস্থিত হলাম। তার নিকট আমি আদ জাতির দূত প্রসঙ্গে বললাম, আমি আদ জাতির দূতের মত হওয়া হতে আল্লাহ তা’আলার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রশ্ন করেনঃ আদ জাতির দূতের কি হয়েছিল? আমি বললাম, আপনি ওয়াকিফহাল ব্যক্তিরই সাক্ষাৎ পেয়েছেন। আদ জাতি দুর্ভিক্ষে পতিত হলে তারা ক্বায়ল নামক এক লোককে প্রেরণ করে এবং সে (মক্কার কাছাকাছি) বাকর ইবনু মু’আবিয়াহর বাড়িতে উপস্থিত হয়। বাকর তাকে মদ পান করায় এবং তার সম্মূখে দু’টি গায়িকা বাদী গান পরিবেশন করে। তারপর সে মাহারা (গোত্রের) অঞ্চলের পর্বতমালায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। সে এ বলে প্রার্থনা করেঃ হে আল্লাহ! তোমার কাছে আমি কোন অসুখ হতে নিরাময় পাওয়ার জন্য আসিনি এবং কোন বন্দিকে মুক্তিপণ দিয়ে মুক্ত করার জন্যও আসিনি। অতএব আপনার এ বান্দাকে আপনি যত পারেন বৃষ্টিতে সিক্ত করুন এবং এর সংগে বাকর ইবনু মু’আবিয়াহকেও সিক্ত করুন। বাকর তাকে যে মদ পান করায়, সে তার কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছিল। অতএব তার জন্য মেঘমালা উত্থিত হল এবং তাকে বলা হল, তুমি এগুলোর মাঝে যে কোন একটি মেঘখন্ড বেছে নাও। সে মেঘমালার মাঝ হতে একখন্ড কালো মেঘ বেছে নিল। তাকে বলা হল, ক্ববুল কর, এটা জ্বলে পুড়ে ছাইয়ের ন্যায় করে ফেলবে, যা আদ জাতির কাউকে পরিত্রাণ দিবে না। উল্লেখ্য যে, একটি আংটির বৃত্তের পরিমাণ বাতাসের ঝাপটা তাদের উপর পাঠানো হয়েছিল মাত্র। তারপর এ আয়াতটি তিনি পাঠ করেন (অনুবাদ)ঃ “তাদের উপর যখন আমি বিধ্বংসী বায়ু পাঠিয়ে ছিলাম তা যখন যা কিছুর উপর বয়ে গিয়েছিল সমস্ত কিছু চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিয়েছিল”-(সূরা যারিয়াত ৪১-৪২) হাসানঃ জঈফ হাদীস সিরিজ (হাঃ ১২২৮)-এর অংশ।
আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাবী’আহ গোত্রের এক লোক বলেন, আমি মাদীনায় পৌঁছে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উপস্থিত হলাম। তার নিকট আমি আদ জাতির দূত প্রসঙ্গে বললাম, আমি আদ জাতির দূতের মত হওয়া হতে আল্লাহ তা’আলার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রশ্ন করেনঃ আদ জাতির দূতের কি হয়েছিল? আমি বললাম, আপনি ওয়াকিফহাল ব্যক্তিরই সাক্ষাৎ পেয়েছেন। আদ জাতি দুর্ভিক্ষে পতিত হলে তারা ক্বায়ল নামক এক লোককে প্রেরণ করে এবং সে (মক্কার কাছাকাছি) বাকর ইবনু মু’আবিয়াহর বাড়িতে উপস্থিত হয়। বাকর তাকে মদ পান করায় এবং তার সম্মূখে দু’টি গায়িকা বাদী গান পরিবেশন করে। তারপর সে মাহারা (গোত্রের) অঞ্চলের পর্বতমালায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। সে এ বলে প্রার্থনা করেঃ হে আল্লাহ! তোমার কাছে আমি কোন অসুখ হতে নিরাময় পাওয়ার জন্য আসিনি এবং কোন বন্দিকে মুক্তিপণ দিয়ে মুক্ত করার জন্যও আসিনি। অতএব আপনার এ বান্দাকে আপনি যত পারেন বৃষ্টিতে সিক্ত করুন এবং এর সংগে বাকর ইবনু মু’আবিয়াহকেও সিক্ত করুন। বাকর তাকে যে মদ পান করায়, সে তার কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছিল। অতএব তার জন্য মেঘমালা উত্থিত হল এবং তাকে বলা হল, তুমি এগুলোর মাঝে যে কোন একটি মেঘখন্ড বেছে নাও। সে মেঘমালার মাঝ হতে একখন্ড কালো মেঘ বেছে নিল। তাকে বলা হল, ক্ববুল কর, এটা জ্বলে পুড়ে ছাইয়ের ন্যায় করে ফেলবে, যা আদ জাতির কাউকে পরিত্রাণ দিবে না। উল্লেখ্য যে, একটি আংটির বৃত্তের পরিমাণ বাতাসের ঝাপটা তাদের উপর পাঠানো হয়েছিল মাত্র। তারপর এ আয়াতটি তিনি পাঠ করেন (অনুবাদ)ঃ “তাদের উপর যখন আমি বিধ্বংসী বায়ু পাঠিয়ে ছিলাম তা যখন যা কিছুর উপর বয়ে গিয়েছিল সমস্ত কিছু চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিয়েছিল”-(সূরা যারিয়াত ৪১-৪২) হাসানঃ জঈফ হাদীস সিরিজ (হাঃ ১২২৮)-এর অংশ।
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن سلام، عن عاصم بن أبي النجود، عن أبي وائل، عن رجل، من ربيعة قال قدمت المدينة فدخلت على رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت عنده وافد عاد فقلت أعوذ بالله أن أكون مثل وافد عاد . قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " وما وافد عاد " . قال فقلت على الخبير سقطت إن عادا لما أقحطت بعثت قيلا فنزل على بكر بن معاوية فسقاه الخمر وغنته الجرادتان ثم خرج يريد جبال مهرة فقال اللهم إني لم آتك لمريض فأداويه ولا لأسير فأفاديه فاسق عبدك ما كنت مسقيه واسق معه بكر بن معاوية . يشكر له الخمر الذي سقاه فرفع له سحابات فقيل له اختر إحداهن فاختار السوداء منهن فقيل له خذها رمادا رمددا لا تذر من عاد أحدا وذكر أنه لم يرسل عليهم من الريح إلا قدر هذه الحلقة يعني حلقة الخاتم . ثم قرأ : (إذ أرسلنا عليهم الريح العقيم * ما تذر من شيء أتت عليه إلا جعلته كالرميم ) الآية . قال أبو عيسى وقد روى غير واحد هذا الحديث عن سلام أبي المنذر عن عاصم بن أبي النجود عن أبي وائل عن الحارث بن حسان ويقال له الحارث بن يزيد .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৭৪
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا زيد بن حباب، حدثنا سلام بن سليمان النحوي أبو المنذر، حدثنا عاصم بن أبي النجود، عن أبي وائل، عن الحارث بن يزيد البكري، قال قدمت المدينة فدخلت المسجد فإذا هو غاص بالناس وإذا رايات سود تخفق وإذا بلال متقلد السيف بين يدى رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت ما شأن الناس قالوا يريد أن يبعث عمرو بن العاص وجها فذكر الحديث بطوله نحوا من حديث سفيان بن عيينة بمعناه . قال ويقال له الحارث بن حسان أيضا .
আল-হারিস ইবনু ইয়াযিদ আল-বাকরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মদীনায় পৌছে আমি মাসজিদে প্রবেশ করে দেখতে পেলাম যে, তা লোকে পরিপূর্ণ। আর কালো পতাকাগুলো আওয়াজ সৃষ্টি করে উড়ছে এবং বিলাল (রাঃ) তার গলায় তরবারি ঝুলিয়ে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সম্মুখে উপস্থিত। আমি প্রশ্ন করলাম, এতো লোকজন জড়ো হওয়ার কারণ কি? তারা বললেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমর ইবনুল আস (রাঃ) কে জিহাদের লক্ষে কোথাও পাঠানোর ব্যবস্থা করছেন। তারপর বর্ণনাকারী সুফইয়ান ইবনু উয়াইনাহর হাদীসের ন্যায় দীর্ঘ হাদীস রিওয়ায়াত করেন। হাসানঃ দেখুন পূর্বের হাদিস।
আল-হারিস ইবনু ইয়াযিদ আল-বাকরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মদীনায় পৌছে আমি মাসজিদে প্রবেশ করে দেখতে পেলাম যে, তা লোকে পরিপূর্ণ। আর কালো পতাকাগুলো আওয়াজ সৃষ্টি করে উড়ছে এবং বিলাল (রাঃ) তার গলায় তরবারি ঝুলিয়ে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সম্মুখে উপস্থিত। আমি প্রশ্ন করলাম, এতো লোকজন জড়ো হওয়ার কারণ কি? তারা বললেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমর ইবনুল আস (রাঃ) কে জিহাদের লক্ষে কোথাও পাঠানোর ব্যবস্থা করছেন। তারপর বর্ণনাকারী সুফইয়ান ইবনু উয়াইনাহর হাদীসের ন্যায় দীর্ঘ হাদীস রিওয়ায়াত করেন। হাসানঃ দেখুন পূর্বের হাদিস।
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا زيد بن حباب، حدثنا سلام بن سليمان النحوي أبو المنذر، حدثنا عاصم بن أبي النجود، عن أبي وائل، عن الحارث بن يزيد البكري، قال قدمت المدينة فدخلت المسجد فإذا هو غاص بالناس وإذا رايات سود تخفق وإذا بلال متقلد السيف بين يدى رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت ما شأن الناس قالوا يريد أن يبعث عمرو بن العاص وجها فذكر الحديث بطوله نحوا من حديث سفيان بن عيينة بمعناه . قال ويقال له الحارث بن حسان أيضا .
জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আত-তূর
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৭৫
حدثنا أبو هشام الرفاعي، حدثنا محمد بن فضيل، عن رشدين بن كريب، عن أبيه، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إدبار النجوم الركعتان قبل الفجر وإدبار السجود الركعتان بعد المغرب " . قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه مرفوعا إلا من هذا الوجه من حديث محمد بن فضيل عن رشدين بن كريب . قال أبو عيسى وسألت محمد بن إسماعيل عن محمد ورشدين ابنى كريب أيهما أوثق قال ما أقربهما ومحمد عندي أرجح . قال وسألت عبد الله بن عبد الرحمن عن هذا فقال ما أقربهما عندي ورشدين بن كريب أرجحهما عندي . قال والقول عندي ما قال أبو محمد ورشدين أرجح من محمد وأقدم وقد أدرك رشدين ابن عباس ورآه .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “নক্ষত্রের অস্তগমন” (সূরাঃ আত-তূর-৪০) অর্থ ফজরের ফরয নামাযের আগেকার দুই রাক‘আত এবং “নামাযের পর” (সূরাঃ ক্বাফ-৪০) অর্থ মাগরিবের ফরযের পর দুই রাক‘আত সুন্নাত নামায। যঈফ, যঈফা (২১৭৭)
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “নক্ষত্রের অস্তগমন” (সূরাঃ আত-তূর-৪০) অর্থ ফজরের ফরয নামাযের আগেকার দুই রাক‘আত এবং “নামাযের পর” (সূরাঃ ক্বাফ-৪০) অর্থ মাগরিবের ফরযের পর দুই রাক‘আত সুন্নাত নামায। যঈফ, যঈফা (২১৭৭)
حدثنا أبو هشام الرفاعي، حدثنا محمد بن فضيل، عن رشدين بن كريب، عن أبيه، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إدبار النجوم الركعتان قبل الفجر وإدبار السجود الركعتان بعد المغرب " . قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه مرفوعا إلا من هذا الوجه من حديث محمد بن فضيل عن رشدين بن كريب . قال أبو عيسى وسألت محمد بن إسماعيل عن محمد ورشدين ابنى كريب أيهما أوثق قال ما أقربهما ومحمد عندي أرجح . قال وسألت عبد الله بن عبد الرحمن عن هذا فقال ما أقربهما عندي ورشدين بن كريب أرجحهما عندي . قال والقول عندي ما قال أبو محمد ورشدين أرجح من محمد وأقدم وقد أدرك رشدين ابن عباس ورآه .
জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আন-নাজম
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৮০
حدثنا سعيد بن يحيى بن سعيد الأموي، حدثنا أبي، حدثنا محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن ابن عباس، في قول الله ( ولقد رآه نزلة * أخرى عند سدرة المنتهى ) ( فأوحى إلى عبده ما أوحى ) (فكان قاب قوسين أو أدنى ) . قال ابن عباس قد رآه النبي صلى الله عليه وسلم . قال أبو عيسى هذا حديث حسن .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তা’আলার বাণীঃ “তিনি নিশ্চয়ই তাকে নিকটবর্তী কুল গাছের কাছে প্রত্যক্ষ করেছেন”-(সূরা নাজম ১৩-১৪)। “আল্লাহ তা’আলা তখন তাঁর বান্দার জন্য যা ওয়াহী করার তা ওয়াহী করলেন” -(সূরা নাজম ১০) এবং “ফলে তাদের মধ্যে দুই ধনুক পরিমাণ বা তারও কম পার্থক্য রইল” -(সূরা নাজম ৯)। আয়াতসমূহ প্রসঙ্গে ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, নিশ্চয়ই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে প্রত্যক্ষ করেছেন। হাসান সহীহঃ আযযিলাল (হাঃ ১৯১, ৪৩৯), মুসলিম।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তা’আলার বাণীঃ “তিনি নিশ্চয়ই তাকে নিকটবর্তী কুল গাছের কাছে প্রত্যক্ষ করেছেন”-(সূরা নাজম ১৩-১৪)। “আল্লাহ তা’আলা তখন তাঁর বান্দার জন্য যা ওয়াহী করার তা ওয়াহী করলেন” -(সূরা নাজম ১০) এবং “ফলে তাদের মধ্যে দুই ধনুক পরিমাণ বা তারও কম পার্থক্য রইল” -(সূরা নাজম ৯)। আয়াতসমূহ প্রসঙ্গে ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, নিশ্চয়ই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে প্রত্যক্ষ করেছেন। হাসান সহীহঃ আযযিলাল (হাঃ ১৯১, ৪৩৯), মুসলিম।
حدثنا سعيد بن يحيى بن سعيد الأموي، حدثنا أبي، حدثنا محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن ابن عباس، في قول الله ( ولقد رآه نزلة * أخرى عند سدرة المنتهى ) ( فأوحى إلى عبده ما أوحى ) (فكان قاب قوسين أو أدنى ) . قال ابن عباس قد رآه النبي صلى الله عليه وسلم . قال أبو عيسى هذا حديث حسن .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৮০
حدثنا سعيد بن يحيى بن سعيد الأموي، حدثنا أبي، حدثنا محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن ابن عباس، في قول الله ( ولقد رآه نزلة * أخرى عند سدرة المنتهى ) ( فأوحى إلى عبده ما أوحى ) (فكان قاب قوسين أو أدنى ) . قال ابن عباس قد رآه النبي صلى الله عليه وسلم . قال أبو عيسى هذا حديث حسن .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তা’আলার বাণীঃ “তিনি নিশ্চয়ই তাকে নিকটবর্তী কুল গাছের কাছে প্রত্যক্ষ করেছেন”-(সূরা নাজম ১৩-১৪)। “আল্লাহ তা’আলা তখন তাঁর বান্দার জন্য যা ওয়াহী করার তা ওয়াহী করলেন” -(সূরা নাজম ১০) এবং “ফলে তাদের মধ্যে দুই ধনুক পরিমাণ বা তারও কম পার্থক্য রইল” -(সূরা নাজম ৯)। আয়াতসমূহ প্রসঙ্গে ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, নিশ্চয়ই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে প্রত্যক্ষ করেছেন। হাসান সহীহঃ আযযিলাল (হাঃ ১৯১, ৪৩৯), মুসলিম।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তা’আলার বাণীঃ “তিনি নিশ্চয়ই তাকে নিকটবর্তী কুল গাছের কাছে প্রত্যক্ষ করেছেন”-(সূরা নাজম ১৩-১৪)। “আল্লাহ তা’আলা তখন তাঁর বান্দার জন্য যা ওয়াহী করার তা ওয়াহী করলেন” -(সূরা নাজম ১০) এবং “ফলে তাদের মধ্যে দুই ধনুক পরিমাণ বা তারও কম পার্থক্য রইল” -(সূরা নাজম ৯)। আয়াতসমূহ প্রসঙ্গে ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, নিশ্চয়ই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে প্রত্যক্ষ করেছেন। হাসান সহীহঃ আযযিলাল (হাঃ ১৯১, ৪৩৯), মুসলিম।
حدثنا سعيد بن يحيى بن سعيد الأموي، حدثنا أبي، حدثنا محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن ابن عباس، في قول الله ( ولقد رآه نزلة * أخرى عند سدرة المنتهى ) ( فأوحى إلى عبده ما أوحى ) (فكان قاب قوسين أو أدنى ) . قال ابن عباس قد رآه النبي صلى الله عليه وسلم . قال أبو عيسى هذا حديث حسن .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৮০
حدثنا سعيد بن يحيى بن سعيد الأموي، حدثنا أبي، حدثنا محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن ابن عباس، في قول الله ( ولقد رآه نزلة * أخرى عند سدرة المنتهى ) ( فأوحى إلى عبده ما أوحى ) (فكان قاب قوسين أو أدنى ) . قال ابن عباس قد رآه النبي صلى الله عليه وسلم . قال أبو عيسى هذا حديث حسن .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তা’আলার বাণীঃ “তিনি নিশ্চয়ই তাকে নিকটবর্তী কুল গাছের কাছে প্রত্যক্ষ করেছেন”-(সূরা নাজম ১৩-১৪)। “আল্লাহ তা’আলা তখন তাঁর বান্দার জন্য যা ওয়াহী করার তা ওয়াহী করলেন” -(সূরা নাজম ১০) এবং “ফলে তাদের মধ্যে দুই ধনুক পরিমাণ বা তারও কম পার্থক্য রইল” -(সূরা নাজম ৯)। আয়াতসমূহ প্রসঙ্গে ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, নিশ্চয়ই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে প্রত্যক্ষ করেছেন। হাসান সহীহঃ আযযিলাল (হাঃ ১৯১, ৪৩৯), মুসলিম।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তা’আলার বাণীঃ “তিনি নিশ্চয়ই তাকে নিকটবর্তী কুল গাছের কাছে প্রত্যক্ষ করেছেন”-(সূরা নাজম ১৩-১৪)। “আল্লাহ তা’আলা তখন তাঁর বান্দার জন্য যা ওয়াহী করার তা ওয়াহী করলেন” -(সূরা নাজম ১০) এবং “ফলে তাদের মধ্যে দুই ধনুক পরিমাণ বা তারও কম পার্থক্য রইল” -(সূরা নাজম ৯)। আয়াতসমূহ প্রসঙ্গে ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, নিশ্চয়ই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে প্রত্যক্ষ করেছেন। হাসান সহীহঃ আযযিলাল (হাঃ ১৯১, ৪৩৯), মুসলিম।
حدثنا سعيد بن يحيى بن سعيد الأموي، حدثنا أبي، حدثنا محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن ابن عباس، في قول الله ( ولقد رآه نزلة * أخرى عند سدرة المنتهى ) ( فأوحى إلى عبده ما أوحى ) (فكان قاب قوسين أو أدنى ) . قال ابن عباس قد رآه النبي صلى الله عليه وسلم . قال أبو عيسى هذا حديث حسن .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৭৯
حدثنا محمد بن عمرو بن نبهان بن صفوان البصري الثقفي، حدثنا يحيى بن كثير العنبري أبو غسان، حدثنا سلم بن جعفر، عن الحكم بن أبان، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال رأى محمد ربه . قلت أليس الله يقول : ( لا تدركه الأبصار وهو يدرك الأبصار ) قال ويحك ذاك إذا تجلى بنوره الذي هو نوره وقد رأى محمد ربه مرتين . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه .
ইকরিমা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর রবকে দেখেছেন। আমি বললাম, আল্লাহ কি বলেননি যে, “চোখের দৃষ্টি তাঁকে পরিবেষ্টন করতে পারে না, কিন্তু তিনি পরিবেষ্টন করেন সকল দৃষ্টি” (সূরাঃ আল-আনআম-১০৩)? তিনি বললেনঃ তোমার জন্য আফসোস! তা তো সেই অবস্থায় যখন তিনি তাঁর সত্তাগত নূরে আলোকিত হবেন। আর মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর প্রভুকে দু’বার দেখেছেন। যঈফ, যিলালুল জুন্নাহ্ (১৯০/৪৩৭)
ইকরিমা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর রবকে দেখেছেন। আমি বললাম, আল্লাহ কি বলেননি যে, “চোখের দৃষ্টি তাঁকে পরিবেষ্টন করতে পারে না, কিন্তু তিনি পরিবেষ্টন করেন সকল দৃষ্টি” (সূরাঃ আল-আনআম-১০৩)? তিনি বললেনঃ তোমার জন্য আফসোস! তা তো সেই অবস্থায় যখন তিনি তাঁর সত্তাগত নূরে আলোকিত হবেন। আর মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর প্রভুকে দু’বার দেখেছেন। যঈফ, যিলালুল জুন্নাহ্ (১৯০/৪৩৭)
حدثنا محمد بن عمرو بن نبهان بن صفوان البصري الثقفي، حدثنا يحيى بن كثير العنبري أبو غسان، حدثنا سلم بن جعفر، عن الحكم بن أبان، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال رأى محمد ربه . قلت أليس الله يقول : ( لا تدركه الأبصار وهو يدرك الأبصار ) قال ويحك ذاك إذا تجلى بنوره الذي هو نوره وقد رأى محمد ربه مرتين . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৮১
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الرزاق، وابن أبي رزمة، وأبو نعيم عن إسرائيل، عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس ( ما كذب الفؤاد ما رأى ) قال رآه بقلبه . قال أبو عيسى هذا حديث حسن .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
“তিনি যা দেখেছেন, তার মন তা অস্বীকার করতে পারেনি ”- (সূরা নাজম ১১) তিনি এ আয়াত প্রসঙ্গে বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ তা’আলাকে তার অন্তরের চোখ দ্বারা প্রত্যক্ষ করেছেন। সহীহঃ প্রাগুক্ত, মুসলিম।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
“তিনি যা দেখেছেন, তার মন তা অস্বীকার করতে পারেনি ”- (সূরা নাজম ১১) তিনি এ আয়াত প্রসঙ্গে বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ তা’আলাকে তার অন্তরের চোখ দ্বারা প্রত্যক্ষ করেছেন। সহীহঃ প্রাগুক্ত, মুসলিম।
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الرزاق، وابن أبي رزمة، وأبو نعيم عن إسرائيل، عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس ( ما كذب الفؤاد ما رأى ) قال رآه بقلبه . قال أبو عيسى هذا حديث حسن .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৭৭
أخبرنا أحمد بن منيع، حدثنا عباد بن العوام، حدثنا الشيباني، قال سألت زر بن حبيش عن قوله : (فكان قاب قوسين أو أدنى ) فقال أخبرني ابن مسعود، أن النبي صلى الله عليه وسلم رأى جبريل وله ستمائة جناح . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح .
আশ-শায়বানি (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি যির ইবনু হুবাইশ (রাঃ)-এর নিকট আল্লাহ তা’আলার বাণী “তারপর তাদের মাঝে দুই ধনুক অথবা তারও কম পার্থক্য থাকল”- (সুরা নাজম ৯) প্রসঙ্গে জানতে চাইলাম। তিনি বলেন, ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) আমাকে জানিয়েছেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিবরীল (আঃ) কে দেখেছেন এবং ছয়শ ডানা ছিল। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
আশ-শায়বানি (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি যির ইবনু হুবাইশ (রাঃ)-এর নিকট আল্লাহ তা’আলার বাণী “তারপর তাদের মাঝে দুই ধনুক অথবা তারও কম পার্থক্য থাকল”- (সুরা নাজম ৯) প্রসঙ্গে জানতে চাইলাম। তিনি বলেন, ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) আমাকে জানিয়েছেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিবরীল (আঃ) কে দেখেছেন এবং ছয়শ ডানা ছিল। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
أخبرنا أحمد بن منيع، حدثنا عباد بن العوام، حدثنا الشيباني، قال سألت زر بن حبيش عن قوله : (فكان قاب قوسين أو أدنى ) فقال أخبرني ابن مسعود، أن النبي صلى الله عليه وسلم رأى جبريل وله ستمائة جناح . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৭৬
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن مالك بن مغول، عن طلحة بن مصرف، عن مرة، عن عبد الله، قال لما بلغ رسول الله صلى الله عليه وسلم سدرة المنتهى قال " انتهى إليها ما يعرج من الأرض وما ينزل من فوق . قال فأعطاه الله عندها ثلاثا لم يعطهن نبيا كان قبله فرضت عليه الصلاة خمسا وأعطي خواتم سورة البقرة وغفر لأمته المقحمات ما لم يشركوا بالله شيئا " . قال ابن مسعود : ( إذ يغشى السدرة ما يغشى ) قال السدرة في السماء السادسة . قال سفيان فراش من ذهب وأشار سفيان بيده فأرعدها وقال غير مالك بن مغول إليها ينتهي علم الخلق لا علم لهم بما فوق ذلك . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
আব্দুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (মি’রাজের রাতে) যখন সিদরাতুল মুন্তাহায় পৌছালেন। আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, সিদরাতুল মুন্তাহা হল একটি কেন্দ্র যেই পর্যন্ত পৃথিবীর যা কিছু উপরে চলে যায় এবং যেখান হতে নিচের দিকে কোন কিছু অবতরণ হয়ে আসে। এখানে আল্লাহ তা’আলা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এমন তিনটি জিনিস উপহার দেন যা তিনি ইতোপূর্বে কোন নাবীকেই দেননি। পাঁচ ওয়াক্ত নামায তাঁর উপর ফরজ করা হয়, সুরা আল-বাকারার শেষের কয়টি আয়াত তাঁকে দেয়া হয় এবং তাঁর উম্মতের কাবীরাহ গুনাহসমূহ (তওবার মাধ্যমে) ক্ষমা করা হয়, যদি তারা আল্লাহ তা’আলার সংগে কোন কিছু অংশীদার না করে থাকে। তারপর এ আয়াতটি ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) পাঠ করেন (অনুবাদ)ঃ “যখন কুলগাছটি যা দ্বারা আচ্ছাদিত হওয়ার তা দ্বারা আচ্ছাদিত ছিল”-(সুরা নাজম ১৬)। তিনি বলেন, ৬ষ্ঠ আকাশে সিদরাতুল মুন্তাহা অবস্থিত। সুফইয়ান (রহঃ) বলেন, এটি সোনার পাখিসমূহ দ্বারা আচ্ছাদিত, এই বলে তিনি তার হাতের ইশারায় তাদের উড়ন্ত অবস্থা বুঝালেন। মালিক ইবনু মিগওয়াল ছাড়া অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ বলেন, সিদরাতুল মুন্তাহা পর্যন্ত পৌছালে সৃষ্টির জ্ঞান শেষ হয়ে যায়, এর ঊর্ধ্বজগৎ সম্পর্কে সৃষ্টির কোন জ্ঞান নেই। সহিহ মুসলিম (হাঃ ১/১০৯)
আব্দুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (মি’রাজের রাতে) যখন সিদরাতুল মুন্তাহায় পৌছালেন। আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, সিদরাতুল মুন্তাহা হল একটি কেন্দ্র যেই পর্যন্ত পৃথিবীর যা কিছু উপরে চলে যায় এবং যেখান হতে নিচের দিকে কোন কিছু অবতরণ হয়ে আসে। এখানে আল্লাহ তা’আলা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এমন তিনটি জিনিস উপহার দেন যা তিনি ইতোপূর্বে কোন নাবীকেই দেননি। পাঁচ ওয়াক্ত নামায তাঁর উপর ফরজ করা হয়, সুরা আল-বাকারার শেষের কয়টি আয়াত তাঁকে দেয়া হয় এবং তাঁর উম্মতের কাবীরাহ গুনাহসমূহ (তওবার মাধ্যমে) ক্ষমা করা হয়, যদি তারা আল্লাহ তা’আলার সংগে কোন কিছু অংশীদার না করে থাকে। তারপর এ আয়াতটি ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) পাঠ করেন (অনুবাদ)ঃ “যখন কুলগাছটি যা দ্বারা আচ্ছাদিত হওয়ার তা দ্বারা আচ্ছাদিত ছিল”-(সুরা নাজম ১৬)। তিনি বলেন, ৬ষ্ঠ আকাশে সিদরাতুল মুন্তাহা অবস্থিত। সুফইয়ান (রহঃ) বলেন, এটি সোনার পাখিসমূহ দ্বারা আচ্ছাদিত, এই বলে তিনি তার হাতের ইশারায় তাদের উড়ন্ত অবস্থা বুঝালেন। মালিক ইবনু মিগওয়াল ছাড়া অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ বলেন, সিদরাতুল মুন্তাহা পর্যন্ত পৌছালে সৃষ্টির জ্ঞান শেষ হয়ে যায়, এর ঊর্ধ্বজগৎ সম্পর্কে সৃষ্টির কোন জ্ঞান নেই। সহিহ মুসলিম (হাঃ ১/১০৯)
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن مالك بن مغول، عن طلحة بن مصرف، عن مرة، عن عبد الله، قال لما بلغ رسول الله صلى الله عليه وسلم سدرة المنتهى قال " انتهى إليها ما يعرج من الأرض وما ينزل من فوق . قال فأعطاه الله عندها ثلاثا لم يعطهن نبيا كان قبله فرضت عليه الصلاة خمسا وأعطي خواتم سورة البقرة وغفر لأمته المقحمات ما لم يشركوا بالله شيئا " . قال ابن مسعود : ( إذ يغشى السدرة ما يغشى ) قال السدرة في السماء السادسة . قال سفيان فراش من ذهب وأشار سفيان بيده فأرعدها وقال غير مالك بن مغول إليها ينتهي علم الخلق لا علم لهم بما فوق ذلك . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৭৮
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن مجالد، عن الشعبي، قال لقي ابن عباس كعبا بعرفة فسأله عن شيء، فكبر حتى جاوبته الجبال فقال ابن عباس إنا بنو هاشم . فقال كعب إن الله قسم رؤيته وكلامه بين محمد وموسى فكلم موسى مرتين ورآه محمد مرتين . قال مسروق فدخلت على عائشة فقلت هل رأى محمد ربه فقالت لقد تكلمت بشيء قف له شعري قلت رويدا ثم قرأت : (لقد رأى من آيات ربه الكبرى ) قالت أين يذهب بك إنما هو جبريل من أخبرك أن محمدا رأى ربه أو كتم شيئا مما أمر به أو يعلم الخمس التي قال الله تعالى : ( إن الله عنده علم الساعة وينزل الغيث ) فقد أعظم الفرية ولكنه رأى جبريل لم يره في صورته إلا مرتين مرة عند سدرة المنتهى ومرة في جياد له ستمائة جناح قد سد الأفق . قال أبو عيسى وقد روى داود بن أبي هند عن الشعبي عن مسروق عن عائشة عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو هذا الحديث وحديث داود أقصر من حديث مجالد .
আশ-শাবী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ ইবনু আব্বাস (রাঃ) আরাফাতের ময়দানে কা’ব (রাঃ)-এর সাথে দেখা করে একটি কথা (আল্লাহ তা‘আলার দেখা প্রসঙ্গে) জিজ্ঞেস করেন। এতে তিনি এত উচ্চ স্বরে তাকবীর ধ্বনি দিলেন যে, পাহাড় পর্যন্ত উচ্চ গম্ভীর আওয়াজ করে উঠল (প্রতিশব্দ ভেসে এলো)। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ আমরা হাশিম গোত্রীয়। কা’ব (রাঃ) বলেনঃ আল্লাহ তা‘আলা তাঁর দীদার (দর্শন) ও কালাম (সরাসরি সংলাপ) মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও মূসা (আঃ)-এর মাঝে বাটোয়ারা করেছেন। সুতরাং মূসা (আঃ) আল্লাহ তা‘আলার সাথে দু’বার কথা বলেছেন এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’বার তাঁর দেখা পেয়েছেন। মাসরূক (রহঃ) বলেনঃ এ কথা শুনে আমি আইশা (রাঃ)-এর নিকটে গিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করলাম, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি আল্লাহ তা‘আলাকে দেখেছেন? তিনি বললেনঃ তুমি এমন একটি বিষয়ে কথা বললে যার ফলে আমার শরীরের লোম পর্যন্ত খাড়া হয়ে গেছে। আমি বললাম, একটু অপেক্ষা করুন। তারপর আমি এ আয়াত তিলাওয়াত করলামঃ “তিনি তো স্বীয় রবের মহান নিদর্শনসমূহ দর্শন করেছেন। (সূরাঃ আন-নাজ্ম-১৮)। তিনি বললেনঃ তোমার বুদ্ধি তোমাকে কোথায় নিয়ে গেছে! তিনি হলেন জিবরাঈল (যাকে তিনি দেখেছেন)। যে ব্যক্তি তোমাকে বলেছে যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর রবকে দেখেছেন বা এমন কোন বিষয় তিনি লুকায়িত করেছেন যার (প্রচারের) হুকুম তাঁকে দেয়া হয়েছে অথবা সেই পাঁচটি বিষয়ে তাঁর জ্ঞান আছে, যে প্রসঙ্গে আলাহ তা‘আলা বলেনঃ “কিয়ামাতের জ্ঞান শুধু আল্লাহ তা‘আলার নিকট আছে, তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করেন…. “ (সূরাঃ লুকমান-৩৪), তাহলে সে একটি সাংঘাতিক অসত্য রটনা করেছে। বরং তিনি জিবরাঈল (আঃ)-কে তার আসল চেহারায় দু’বার দেখেছেনঃ একবার সিদরাতুল মুন্তাহার সামনে, আর একবার জিয়াদ নামক জায়গায় (মক্কার একটি জায়গা)। তাঁর ছয় শত ডানা আকাশের দিগন্ত ঢেকে ফেলেছিল। সনদ দুর্বল, হাদীসটি কা’ব ইবনু আব্বাসের ঘটনা ব্যতীত নাসাঈ সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করেছেন।
আশ-শাবী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ ইবনু আব্বাস (রাঃ) আরাফাতের ময়দানে কা’ব (রাঃ)-এর সাথে দেখা করে একটি কথা (আল্লাহ তা‘আলার দেখা প্রসঙ্গে) জিজ্ঞেস করেন। এতে তিনি এত উচ্চ স্বরে তাকবীর ধ্বনি দিলেন যে, পাহাড় পর্যন্ত উচ্চ গম্ভীর আওয়াজ করে উঠল (প্রতিশব্দ ভেসে এলো)। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ আমরা হাশিম গোত্রীয়। কা’ব (রাঃ) বলেনঃ আল্লাহ তা‘আলা তাঁর দীদার (দর্শন) ও কালাম (সরাসরি সংলাপ) মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও মূসা (আঃ)-এর মাঝে বাটোয়ারা করেছেন। সুতরাং মূসা (আঃ) আল্লাহ তা‘আলার সাথে দু’বার কথা বলেছেন এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’বার তাঁর দেখা পেয়েছেন। মাসরূক (রহঃ) বলেনঃ এ কথা শুনে আমি আইশা (রাঃ)-এর নিকটে গিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করলাম, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি আল্লাহ তা‘আলাকে দেখেছেন? তিনি বললেনঃ তুমি এমন একটি বিষয়ে কথা বললে যার ফলে আমার শরীরের লোম পর্যন্ত খাড়া হয়ে গেছে। আমি বললাম, একটু অপেক্ষা করুন। তারপর আমি এ আয়াত তিলাওয়াত করলামঃ “তিনি তো স্বীয় রবের মহান নিদর্শনসমূহ দর্শন করেছেন। (সূরাঃ আন-নাজ্ম-১৮)। তিনি বললেনঃ তোমার বুদ্ধি তোমাকে কোথায় নিয়ে গেছে! তিনি হলেন জিবরাঈল (যাকে তিনি দেখেছেন)। যে ব্যক্তি তোমাকে বলেছে যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর রবকে দেখেছেন বা এমন কোন বিষয় তিনি লুকায়িত করেছেন যার (প্রচারের) হুকুম তাঁকে দেয়া হয়েছে অথবা সেই পাঁচটি বিষয়ে তাঁর জ্ঞান আছে, যে প্রসঙ্গে আলাহ তা‘আলা বলেনঃ “কিয়ামাতের জ্ঞান শুধু আল্লাহ তা‘আলার নিকট আছে, তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করেন…. “ (সূরাঃ লুকমান-৩৪), তাহলে সে একটি সাংঘাতিক অসত্য রটনা করেছে। বরং তিনি জিবরাঈল (আঃ)-কে তার আসল চেহারায় দু’বার দেখেছেনঃ একবার সিদরাতুল মুন্তাহার সামনে, আর একবার জিয়াদ নামক জায়গায় (মক্কার একটি জায়গা)। তাঁর ছয় শত ডানা আকাশের দিগন্ত ঢেকে ফেলেছিল। সনদ দুর্বল, হাদীসটি কা’ব ইবনু আব্বাসের ঘটনা ব্যতীত নাসাঈ সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করেছেন।
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن مجالد، عن الشعبي، قال لقي ابن عباس كعبا بعرفة فسأله عن شيء، فكبر حتى جاوبته الجبال فقال ابن عباس إنا بنو هاشم . فقال كعب إن الله قسم رؤيته وكلامه بين محمد وموسى فكلم موسى مرتين ورآه محمد مرتين . قال مسروق فدخلت على عائشة فقلت هل رأى محمد ربه فقالت لقد تكلمت بشيء قف له شعري قلت رويدا ثم قرأت : (لقد رأى من آيات ربه الكبرى ) قالت أين يذهب بك إنما هو جبريل من أخبرك أن محمدا رأى ربه أو كتم شيئا مما أمر به أو يعلم الخمس التي قال الله تعالى : ( إن الله عنده علم الساعة وينزل الغيث ) فقد أعظم الفرية ولكنه رأى جبريل لم يره في صورته إلا مرتين مرة عند سدرة المنتهى ومرة في جياد له ستمائة جناح قد سد الأفق . قال أبو عيسى وقد روى داود بن أبي هند عن الشعبي عن مسروق عن عائشة عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو هذا الحديث وحديث داود أقصر من حديث مجالد .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৮২
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا وكيع، ويزيد بن هارون، عن يزيد بن إبراهيم التستري، عن قتادة، عن عبد الله بن شقيق، قال قلت لأبي ذر لو أدركت النبي صلى الله عليه وسلم فسألته . فقال عما كنت تسأله قلت كنت أسأله هل رأى محمد ربه فقال قد سألته فقال " نور أنى أراه " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن .
আবদুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবূ যার (রাঃ)-কে বললাম, যদি আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দেখা পেতাম তাহলে একটি বিষয়ে তাঁকে প্রশ্ন করতাম। তিনি বললেন, তুমি তাঁকে কি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করতে? আমি বললাম, আমি প্রশ্ন করতাম যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর রবকে দেখেছেন কি? আবূ যার (রাঃ) বললেন, আমি তাঁকে এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেছি। তিনি বলেছেন যে, তিনি (আল্লাহ তা’আলা) হলেন নূর, তাকে আমি কিভাবে দেখতে পারি! সহীহঃ প্রাগুক্ত (১৯২-৪৪১), মুসলিম।
আবদুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবূ যার (রাঃ)-কে বললাম, যদি আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দেখা পেতাম তাহলে একটি বিষয়ে তাঁকে প্রশ্ন করতাম। তিনি বললেন, তুমি তাঁকে কি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করতে? আমি বললাম, আমি প্রশ্ন করতাম যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর রবকে দেখেছেন কি? আবূ যার (রাঃ) বললেন, আমি তাঁকে এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেছি। তিনি বলেছেন যে, তিনি (আল্লাহ তা’আলা) হলেন নূর, তাকে আমি কিভাবে দেখতে পারি! সহীহঃ প্রাগুক্ত (১৯২-৪৪১), মুসলিম।
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا وكيع، ويزيد بن هارون، عن يزيد بن إبراهيم التستري، عن قتادة، عن عبد الله بن شقيق، قال قلت لأبي ذر لو أدركت النبي صلى الله عليه وسلم فسألته . فقال عما كنت تسأله قلت كنت أسأله هل رأى محمد ربه فقال قد سألته فقال " نور أنى أراه " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৮৩
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبيد الله بن موسى، وابن أبي رزمة، عن إسرائيل، عن أبي إسحاق، عن عبد الرحمن بن يزيد، عن عبد الله (ما كذب الفؤاد ما رأى ) قال رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم جبريل في حلة من رفرف قد ملأ ما بين السماء والأرض . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
“তিনি যা প্রত্যক্ষ করেছেন, তার মন তা অস্বীকার করেনি”- (সুরা নাজমঃ১১); এ আয়াতটি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিবরীল (আঃ) কে রেশমী কাপড় পরিহিত অবস্থায় দেখেছেন। তিনি আকাশ ও মাটির মধ্যে অবস্থিত জায়গা পূর্ণ করে রেখেছিলেন। সহীহঃ বুখারী (হাঃ ৪৮৫৮) সংক্ষেপিত
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
“তিনি যা প্রত্যক্ষ করেছেন, তার মন তা অস্বীকার করেনি”- (সুরা নাজমঃ১১); এ আয়াতটি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিবরীল (আঃ) কে রেশমী কাপড় পরিহিত অবস্থায় দেখেছেন। তিনি আকাশ ও মাটির মধ্যে অবস্থিত জায়গা পূর্ণ করে রেখেছিলেন। সহীহঃ বুখারী (হাঃ ৪৮৫৮) সংক্ষেপিত
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبيد الله بن موسى، وابن أبي رزمة، عن إسرائيل، عن أبي إسحاق، عن عبد الرحمن بن يزيد، عن عبد الله (ما كذب الفؤاد ما رأى ) قال رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم جبريل في حلة من رفرف قد ملأ ما بين السماء والأرض . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৮৪
حدثنا أحمد بن عثمان أبو عثمان البصري، حدثنا أبو عاصم، عن زكريا بن إسحاق، عن عمرو بن دينار، عن عطاء، عن ابن عباس : (الذين يجتنبون كبائر الإثم والفواحش إلا اللمم ) قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " إن تغفر اللهم تغفر جما وأى عبد لك لا ألما " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب لا نعرفه إلا من حديث زكريا بن إسحاق .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ “তারা ছোটখাট অন্যায় করলেও গুরুতর পাপ ও খারাপ কাজ হতে বিরত থাকে” – (সুরা নাজম ৩২) এ আয়াতটি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হে আল্লাহ! যদি আপনি মাফই করেন তাহলে সমস্ত গুনাহ মাফ করে দিন, আর আপনার এমন কোন বান্দা কি আছে যে অন্যায় করেনি। সহীহঃ মিশকাত তাহক্বীক্ব সানী (হাঃ ২৩৪৯)।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ “তারা ছোটখাট অন্যায় করলেও গুরুতর পাপ ও খারাপ কাজ হতে বিরত থাকে” – (সুরা নাজম ৩২) এ আয়াতটি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হে আল্লাহ! যদি আপনি মাফই করেন তাহলে সমস্ত গুনাহ মাফ করে দিন, আর আপনার এমন কোন বান্দা কি আছে যে অন্যায় করেনি। সহীহঃ মিশকাত তাহক্বীক্ব সানী (হাঃ ২৩৪৯)।
حدثنا أحمد بن عثمان أبو عثمان البصري، حدثنا أبو عاصم، عن زكريا بن إسحاق، عن عمرو بن دينار، عن عطاء، عن ابن عباس : (الذين يجتنبون كبائر الإثم والفواحش إلا اللمم ) قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " إن تغفر اللهم تغفر جما وأى عبد لك لا ألما " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب لا نعرفه إلا من حديث زكريا بن إسحاق .
জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আল-ক্বামার
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৮৫
حدثنا علي بن حجر، أخبرنا علي بن مسهر، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن أبي معمر، عن ابن مسعود، رضي الله عنه قال بينما نحن مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بمنى فانشق القمر فلقتين فلقة من وراء الجبل وفلقة دونه فقال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم " اشهدوا " . يعني : (اقتربت الساعة وانشق القمر ) قال هذا حديث حسن صحيح .
ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে মিনায় অবস্থানরত ছিলাম। সে সময় হঠাৎ চাঁদ বিদীর্ণ হয়ে দ্বিখণ্ডিত হয়ে গেল। এর একটি অংশ পাহাড়ের পিছন দিকে এবং অন্য অংশ পাহাড়ের সম্মুখে পড়ে গেল। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের বললেনঃ তোমরা প্রত্যক্ষ কর এবং সাক্ষী থাকঃ “ক্বিয়ামাত নিকটবর্তী হয়েছে এবং চাঁদ বিদীর্ণ হয়েছে ”-(সূরা ক্বামার ১) সহিহঃ বুখারী ও মুসলিম।
ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে মিনায় অবস্থানরত ছিলাম। সে সময় হঠাৎ চাঁদ বিদীর্ণ হয়ে দ্বিখণ্ডিত হয়ে গেল। এর একটি অংশ পাহাড়ের পিছন দিকে এবং অন্য অংশ পাহাড়ের সম্মুখে পড়ে গেল। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের বললেনঃ তোমরা প্রত্যক্ষ কর এবং সাক্ষী থাকঃ “ক্বিয়ামাত নিকটবর্তী হয়েছে এবং চাঁদ বিদীর্ণ হয়েছে ”-(সূরা ক্বামার ১) সহিহঃ বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا علي بن حجر، أخبرنا علي بن مسهر، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن أبي معمر، عن ابن مسعود، رضي الله عنه قال بينما نحن مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بمنى فانشق القمر فلقتين فلقة من وراء الجبل وفلقة دونه فقال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم " اشهدوا " . يعني : (اقتربت الساعة وانشق القمر ) قال هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৯০
حدثنا أبو كريب، وأبو بكر بندار قالا حدثنا وكيع، عن سفيان، عن زياد بن إسماعيل، عن محمد بن عباد بن جعفر المخزومي، عن أبي هريرة، قال جاء مشركو قريش يخاصمون النبي صلى الله عليه وسلم في القدر فنزلت : ( يوم يسحبون في النار على وجوههم ذوقوا مس سقر * إنا كل شيء خلقناه بقدر ) . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন কুরাইশ মুশরিকরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ নিকট আসে। তারা ভাগ্য প্রসঙ্গে বাদানুবাদ করছিল। সে সময় এ আয়াতটি অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ)ঃ “যেদিন তাদেরকে উপুড় করে জাহান্নামের দিকে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে (আর বলা হবে), জাহান্নামের যন্ত্রণার স্বাদ গ্রহন কর। প্রতিটি জিনিস আমরা নির্ধারিত পরিমানে সৃষ্টি করেছি”- (সূরা ক্বামার ৪৮-৪৯)। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (হাঃ ৮৩), মুসলিম।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন কুরাইশ মুশরিকরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ নিকট আসে। তারা ভাগ্য প্রসঙ্গে বাদানুবাদ করছিল। সে সময় এ আয়াতটি অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ)ঃ “যেদিন তাদেরকে উপুড় করে জাহান্নামের দিকে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে (আর বলা হবে), জাহান্নামের যন্ত্রণার স্বাদ গ্রহন কর। প্রতিটি জিনিস আমরা নির্ধারিত পরিমানে সৃষ্টি করেছি”- (সূরা ক্বামার ৪৮-৪৯)। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (হাঃ ৮৩), মুসলিম।
حدثنا أبو كريب، وأبو بكر بندار قالا حدثنا وكيع، عن سفيان، عن زياد بن إسماعيل، عن محمد بن عباد بن جعفر المخزومي، عن أبي هريرة، قال جاء مشركو قريش يخاصمون النبي صلى الله عليه وسلم في القدر فنزلت : ( يوم يسحبون في النار على وجوههم ذوقوا مس سقر * إنا كل شيء خلقناه بقدر ) . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৮৭
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن ابن أبي نجيح، عن مجاهد، عن أبي معمر، عن ابن مسعود، قال انشق القمر على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال لنا النبي صلى الله عليه وسلم " اشهدوا " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে চাঁদ বিদীর্ণ হয়। সে সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের বলেনঃ তোমরা সাক্ষী থাক। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে চাঁদ বিদীর্ণ হয়। সে সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের বলেনঃ তোমরা সাক্ষী থাক। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن ابن أبي نجيح، عن مجاهد، عن أبي معمر، عن ابن مسعود، قال انشق القمر على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال لنا النبي صلى الله عليه وسلم " اشهدوا " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৮৮
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا أبو داود، عن شعبة، عن الأعمش، عن مجاهد، عن ابن عمر، قال انفلق القمر على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اشهدوا " . قال هذا حديث حسن صحيح .
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে চাঁদ বিদীর্ণ হল। সে সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা সাক্ষী থাক। সহীহঃ মুসলিম।
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে চাঁদ বিদীর্ণ হল। সে সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা সাক্ষী থাক। সহীহঃ মুসলিম।
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا أبو داود، عن شعبة، عن الأعمش، عن مجاهد، عن ابن عمر، قال انفلق القمر على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اشهدوا " . قال هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৮৯
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا محمد بن كثير، حدثنا سليمان بن كثير، عن حصين، عن محمد بن جبير بن مطعم، عن أبيه، قال انشق القمر على عهد النبي صلى الله عليه وسلم حتى صار فرقتين على هذا الجبل وعلى هذا الجبل فقالوا سحرنا محمد فقال بعضهم لئن كان سحرنا ما يستطيع أن يسحر الناس كلهم . قال أبو عيسى وقد روى بعضهم هذا الحديث عن حصين عن جبير بن محمد بن جبير بن مطعم عن أبيه عن جده جبير بن مطعم نحوه .
জুবাইর ইবনু মুত’ইম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে চাঁদ বিদীর্ণ হল এবং দ্বিখণ্ডিত হয়ে গেলে, এক অংশ এই পাহাড়ের উপর এবং অপর অংশ ঐ পাহাড়ের উপর পড়ে গেল। তারা (মাক্কাবাসী কাফিররা) বলল, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে যাদু করেছেন। কেউ কেউ বলল, তিনি আমাদের যাদু করে থাকলে সব মানুষকে যাদু করতে পারবেন না। হাদীসটি সনদ সহীহ।
জুবাইর ইবনু মুত’ইম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে চাঁদ বিদীর্ণ হল এবং দ্বিখণ্ডিত হয়ে গেলে, এক অংশ এই পাহাড়ের উপর এবং অপর অংশ ঐ পাহাড়ের উপর পড়ে গেল। তারা (মাক্কাবাসী কাফিররা) বলল, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে যাদু করেছেন। কেউ কেউ বলল, তিনি আমাদের যাদু করে থাকলে সব মানুষকে যাদু করতে পারবেন না। হাদীসটি সনদ সহীহ।
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا محمد بن كثير، حدثنا سليمان بن كثير، عن حصين، عن محمد بن جبير بن مطعم، عن أبيه، قال انشق القمر على عهد النبي صلى الله عليه وسلم حتى صار فرقتين على هذا الجبل وعلى هذا الجبل فقالوا سحرنا محمد فقال بعضهم لئن كان سحرنا ما يستطيع أن يسحر الناس كلهم . قال أبو عيسى وقد روى بعضهم هذا الحديث عن حصين عن جبير بن محمد بن جبير بن مطعم عن أبيه عن جده جبير بن مطعم نحوه .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৮৬
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن قتادة، عن أنس، قال سأل أهل مكة النبي صلى الله عليه وسلم آية فانشق القمر بمكة مرتين فنزلت : (اقتربت الساعة وانشق القمر ) إلى قوله : (سحر مستمر ) يقول ذاهب . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন মাক্কাবাসীরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট একটি নিদর্শন পেশ করার দাবি করল, সে সময় মক্কাতে চাঁদটি দুইবার বিদীর্ণ হয়। এ সম্পর্কে আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ)ঃ “ক্বিয়ামাত নিকটবর্তী হয়েছে এবং চাঁদ বিদীর্ণ হয়েছে। তারা কোন মু’জিযা (নিদর্শন) প্রত্যক্ষ করলে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে, এটা তো চিরাচরিত যাদু”-(সূরা ক্বামার ১-২) যা এ মুহূর্তে শেষ হয়ে যাবে। সহীহঃ বুখারী (হাঃ ৩৬৩৭, ৪৮৬৭, ৪৮৬৮), মুসলিম(হাঃ ৮/১৩৩); তবে এতে “নাযালাত” (অতঃপর নাযিল হল) শব্দের উল্লেখ নেই। বুখারীর বর্ণনায় “মাররাতাইন” (দুইবার) –এর স্থলে “ফিরক্বাতাইন” (দুই টুকরা) শব্দের উল্লেখ আছে। “মাররাতাইন” (দুইবার) শব্দ মুসলিমের বর্ণনায় আছে।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন মাক্কাবাসীরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট একটি নিদর্শন পেশ করার দাবি করল, সে সময় মক্কাতে চাঁদটি দুইবার বিদীর্ণ হয়। এ সম্পর্কে আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ)ঃ “ক্বিয়ামাত নিকটবর্তী হয়েছে এবং চাঁদ বিদীর্ণ হয়েছে। তারা কোন মু’জিযা (নিদর্শন) প্রত্যক্ষ করলে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে, এটা তো চিরাচরিত যাদু”-(সূরা ক্বামার ১-২) যা এ মুহূর্তে শেষ হয়ে যাবে। সহীহঃ বুখারী (হাঃ ৩৬৩৭, ৪৮৬৭, ৪৮৬৮), মুসলিম(হাঃ ৮/১৩৩); তবে এতে “নাযালাত” (অতঃপর নাযিল হল) শব্দের উল্লেখ নেই। বুখারীর বর্ণনায় “মাররাতাইন” (দুইবার) –এর স্থলে “ফিরক্বাতাইন” (দুই টুকরা) শব্দের উল্লেখ আছে। “মাররাতাইন” (দুইবার) শব্দ মুসলিমের বর্ণনায় আছে।
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن قتادة، عن أنس، قال سأل أهل مكة النبي صلى الله عليه وسلم آية فانشق القمر بمكة مرتين فنزلت : (اقتربت الساعة وانشق القمر ) إلى قوله : (سحر مستمر ) يقول ذاهب . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .