জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আশ-শূরা (হা-মীম-‘আইন সীন ক্বাফ)
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৫১
حدثنا بندار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عبد الملك بن ميسرة، قال سمعت طاوسا، قال سئل ابن عباس عن هذه الآية : (قل لا أسألكم عليه أجرا إلا المودة في القربى ) فقال سعيد بن جبير قربى آل محمد صلى الله عليه وسلم . فقال ابن عباس أعلمت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يكن بطن من قريش إلا كان له فيهم قرابة فقال إلا أن تصلوا ما بيني وبينكم من القرابة . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وقد روي من غير وجه عن ابن عباس .
তাউস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু আব্বাস (রাঃ)-কে এ আয়াত প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হল (অনুবাদ)ঃ “বলুন, আমি এর (দা’ওয়াতের) বিনিময়ে তোমাদের নিকট হতে স্বজনদের সৌহার্দ্য ছাড়া অন্য কোন প্রতিদান চাই না” –(সূরা শূরা ২৩) এ প্রসঙ্গে সা’ঈদ ইবনু যুবাইর (রহঃ) বলেন, ‘কুরবা’ (আত্মীয়) অর্থ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবারের লোক ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, তুমি কি জান না কুরাইশ বংশের যত শাখা-প্রশাখা আছে, তাদের সকলের সঙ্গে তাঁর আত্মীয়তার সম্পর্ক বিদ্যমান ছিল? তাই তিনি বলেছেন, তবে আমার ও তোমাদের মাঝে যে সম্পর্ক আছে তার কারণে আমার সাথে ভাল ব্যবহার কর। সহীহঃ বুখারী (৪৮১৮)
তাউস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু আব্বাস (রাঃ)-কে এ আয়াত প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হল (অনুবাদ)ঃ “বলুন, আমি এর (দা’ওয়াতের) বিনিময়ে তোমাদের নিকট হতে স্বজনদের সৌহার্দ্য ছাড়া অন্য কোন প্রতিদান চাই না” –(সূরা শূরা ২৩) এ প্রসঙ্গে সা’ঈদ ইবনু যুবাইর (রহঃ) বলেন, ‘কুরবা’ (আত্মীয়) অর্থ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবারের লোক ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, তুমি কি জান না কুরাইশ বংশের যত শাখা-প্রশাখা আছে, তাদের সকলের সঙ্গে তাঁর আত্মীয়তার সম্পর্ক বিদ্যমান ছিল? তাই তিনি বলেছেন, তবে আমার ও তোমাদের মাঝে যে সম্পর্ক আছে তার কারণে আমার সাথে ভাল ব্যবহার কর। সহীহঃ বুখারী (৪৮১৮)
حدثنا بندار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عبد الملك بن ميسرة، قال سمعت طاوسا، قال سئل ابن عباس عن هذه الآية : (قل لا أسألكم عليه أجرا إلا المودة في القربى ) فقال سعيد بن جبير قربى آل محمد صلى الله عليه وسلم . فقال ابن عباس أعلمت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يكن بطن من قريش إلا كان له فيهم قرابة فقال إلا أن تصلوا ما بيني وبينكم من القرابة . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وقد روي من غير وجه عن ابن عباس .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৫২
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عمرو بن عاصم، حدثنا عبيد الله بن الوازع، حدثني شيخ، من بني مرة قال قدمت الكوفة فأخبرت عن بلال بن أبي بردة، فقلت إن فيه لمعتبرا فأتيته وهو محبوس في داره التي قد كان بنى قال وإذا كل شيء منه قد تغير من العذاب والضرب وإذا هو في قشاش فقلت الحمد لله يا بلال لقد رأيتك وأنت تمر بنا تمسك بأنفك من غير غبار وأنت في حالك هذا اليوم فقال ممن أنت فقلت من بني مرة بن عباد . فقال ألا أحدثك حديثا عسى الله أن ينفعك به قلت هات . قال حدثني أبي أبو بردة عن أبيه أبي موسى أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يصيب عبدا نكبة فما فوقها أو دونها إلا بذنب وما يعفو الله عنه أكثر " . قال وقرأ : (وما أصابكم من مصيبة فبما كسبت أيديكم ويعفو عن كثير ) . قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه إلا من هذا الوجه .
মুররা গোত্রের কোন এক লোক থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ একদা আমি কূফায় পৌঁছে বিলাল ইবনু আবু বুরদা প্রসঙ্গে অবহিত হলাম। আমি বললাম, তাঁর এ শোকাভূত অবস্থাতে অবশ্যই কোন শিক্ষণীয় বিষয় আছে। তারপর আমি তাঁর নিকটে আসলাম এবং তিনি ছিলেন তাঁর নিজ তৈরী ঘরে বন্দি। তাঁর সমস্ত মালসামান মারপিট ও নির্যাতনের ফলে পরিবর্তিত (উলোট-পালোট) হয়ে আছে। তাঁর পরনের পোশাক ছিল ছিন্নভিন্ন। আমি বললাম, ‘আলহামদু লিল্লাহ’, হে বিলাল! আমি তোমাকে দেখেছি যে, তুমি আমাদের সামনে দিয়ে ধুলোবালি না থাকা সত্ত্বেও নাক চেপে চলে যেতে। আর আজ তোমার এ অসহায় অবস্থা! সে বলল, আপনি কোন গোত্রের লোক? আমি বললাম মুররা ইবনু আব্বাদ গোত্রের। এবার তিনি বললেন, আমি কি আপনার নিকট একটি হাদীস বর্ণনা করব না, যার দ্বারা আশা করা যায় আল্লাহ তা’আলা আপনাকে উপকৃত করবেন? আমি বললাম, হ্যাঁ শুনাও সে হাদীস। তিনি বললেন, আবূ বুরদা তাঁর পিতা আবূ মূসা (রাঃ)-এর সূত্রে এ হাদীস আমার নিকটে বর্ণনা করেছেন। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন বান্দার উপর ছোট-বড় যে কোন মুসিবতই আসে তা তার পাপের জন্যই আসে। আর আল্লাহ তা’আলা অনেক পাপই মাফ করে দেন। তিনি বললেন, তারপর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ আয়াত পাঠ করেনঃ “আর যেসব বিপদ-আপদ তোমাদের উপর আপতিত হয়, তা তো তোমাদের স্বহস্তার্জিত কর্মেরই কারণে এবং অনেক পাপ তো তিনি ক্ষমা করে দেন।”(সূরাঃ আশ-শূরা–৩০) সনদ দুর্বল, আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধু উপরোক্ত সনদসূত্রেই এ হাদীস জেনেছি।
মুররা গোত্রের কোন এক লোক থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ একদা আমি কূফায় পৌঁছে বিলাল ইবনু আবু বুরদা প্রসঙ্গে অবহিত হলাম। আমি বললাম, তাঁর এ শোকাভূত অবস্থাতে অবশ্যই কোন শিক্ষণীয় বিষয় আছে। তারপর আমি তাঁর নিকটে আসলাম এবং তিনি ছিলেন তাঁর নিজ তৈরী ঘরে বন্দি। তাঁর সমস্ত মালসামান মারপিট ও নির্যাতনের ফলে পরিবর্তিত (উলোট-পালোট) হয়ে আছে। তাঁর পরনের পোশাক ছিল ছিন্নভিন্ন। আমি বললাম, ‘আলহামদু লিল্লাহ’, হে বিলাল! আমি তোমাকে দেখেছি যে, তুমি আমাদের সামনে দিয়ে ধুলোবালি না থাকা সত্ত্বেও নাক চেপে চলে যেতে। আর আজ তোমার এ অসহায় অবস্থা! সে বলল, আপনি কোন গোত্রের লোক? আমি বললাম মুররা ইবনু আব্বাদ গোত্রের। এবার তিনি বললেন, আমি কি আপনার নিকট একটি হাদীস বর্ণনা করব না, যার দ্বারা আশা করা যায় আল্লাহ তা’আলা আপনাকে উপকৃত করবেন? আমি বললাম, হ্যাঁ শুনাও সে হাদীস। তিনি বললেন, আবূ বুরদা তাঁর পিতা আবূ মূসা (রাঃ)-এর সূত্রে এ হাদীস আমার নিকটে বর্ণনা করেছেন। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন বান্দার উপর ছোট-বড় যে কোন মুসিবতই আসে তা তার পাপের জন্যই আসে। আর আল্লাহ তা’আলা অনেক পাপই মাফ করে দেন। তিনি বললেন, তারপর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ আয়াত পাঠ করেনঃ “আর যেসব বিপদ-আপদ তোমাদের উপর আপতিত হয়, তা তো তোমাদের স্বহস্তার্জিত কর্মেরই কারণে এবং অনেক পাপ তো তিনি ক্ষমা করে দেন।”(সূরাঃ আশ-শূরা–৩০) সনদ দুর্বল, আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধু উপরোক্ত সনদসূত্রেই এ হাদীস জেনেছি।
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عمرو بن عاصم، حدثنا عبيد الله بن الوازع، حدثني شيخ، من بني مرة قال قدمت الكوفة فأخبرت عن بلال بن أبي بردة، فقلت إن فيه لمعتبرا فأتيته وهو محبوس في داره التي قد كان بنى قال وإذا كل شيء منه قد تغير من العذاب والضرب وإذا هو في قشاش فقلت الحمد لله يا بلال لقد رأيتك وأنت تمر بنا تمسك بأنفك من غير غبار وأنت في حالك هذا اليوم فقال ممن أنت فقلت من بني مرة بن عباد . فقال ألا أحدثك حديثا عسى الله أن ينفعك به قلت هات . قال حدثني أبي أبو بردة عن أبيه أبي موسى أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يصيب عبدا نكبة فما فوقها أو دونها إلا بذنب وما يعفو الله عنه أكثر " . قال وقرأ : (وما أصابكم من مصيبة فبما كسبت أيديكم ويعفو عن كثير ) . قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه إلا من هذا الوجه .
জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আয-যুখরুফ
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৫৩
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا محمد بن بشر، ويعلى بن عبيد، عن حجاج بن دينار، عن أبي غالب، عن أبي أمامة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما ضل قوم بعد هدى كانوا عليه إلا أوتوا الجدل " . ثم تلا رسول الله صلى الله عليه وسلم هذه الآية : (ما ضربوه لك إلا جدلا بل هم قوم خصمون ) . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح إنما نعرفه من حديث حجاج بن دينار . وحجاج ثقة مقارب الحديث وأبو غالب اسمه حزور .
আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন সম্প্রদায় হিদায়াতের রাস্তা পেয়ে আবার পথ ভোলা হয়ে থাকলে তা শুধু তাদের বিবাদ ও বাক-বিতণ্ডায় জড়িত হওয়ার কারণেই হয়েছে। তারপর তিনি এ আয়াত পাথ করেন (অনুবাদ)ঃ “এরা শুধু বাকবিতণ্ডার উদ্দেশেই আপনাকে এ কথা বলে। বস্তুত এরা তো এক ঝগড়াটে সম্প্রদায়” – (সূরা যুখরুফ ৫৮)। হাসানঃ ইবনু মা-জাহ (৪৮)
আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন সম্প্রদায় হিদায়াতের রাস্তা পেয়ে আবার পথ ভোলা হয়ে থাকলে তা শুধু তাদের বিবাদ ও বাক-বিতণ্ডায় জড়িত হওয়ার কারণেই হয়েছে। তারপর তিনি এ আয়াত পাথ করেন (অনুবাদ)ঃ “এরা শুধু বাকবিতণ্ডার উদ্দেশেই আপনাকে এ কথা বলে। বস্তুত এরা তো এক ঝগড়াটে সম্প্রদায়” – (সূরা যুখরুফ ৫৮)। হাসানঃ ইবনু মা-জাহ (৪৮)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا محمد بن بشر، ويعلى بن عبيد، عن حجاج بن دينار، عن أبي غالب، عن أبي أمامة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما ضل قوم بعد هدى كانوا عليه إلا أوتوا الجدل " . ثم تلا رسول الله صلى الله عليه وسلم هذه الآية : (ما ضربوه لك إلا جدلا بل هم قوم خصمون ) . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح إنما نعرفه من حديث حجاج بن دينار . وحجاج ثقة مقارب الحديث وأبو غالب اسمه حزور .
জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আদ’দুখান
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৫৫
حدثنا الحسين بن حريث، حدثنا وكيع، عن موسى بن عبيدة، عن يزيد بن أبان، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما من مؤمن إلا وله بابان باب يصعد منه عمله وباب ينزل منه رزقه فإذا مات بكيا عليه فذلك قوله عز وجل ( فما بكت عليهم السماء والأرض وما كانوا منظرين ) . قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه مرفوعا إلا من هذا الوجه . وموسى بن عبيدة ويزيد بن أبان الرقاشي يضعفان في الحديث .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক মু’মিনের জন্যই ঊর্ধ্ব জগতে দু’টি দরজা আছে। একটি দরজা দিয়ে তার আমল উপরে উঠে যায় এবং অপরটি দিয়ে তার রিযিক নেমে আসে। তারপর সে যখন মারা যায় তখন দরজা দু’টি তাঁর জন্য কাঁদে। এই পর্যায়ে আল্লাহ বলেনঃ “আসমান-যমিনে কেউ তাদের জন্য কাঁদেনি এবং তাদেরকে অবকাশও দেয়া হয়নি” ( সূরাঃ আদ-দুখান-২৯)। যঈফ, যঈফা (৪৪৯১)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক মু’মিনের জন্যই ঊর্ধ্ব জগতে দু’টি দরজা আছে। একটি দরজা দিয়ে তার আমল উপরে উঠে যায় এবং অপরটি দিয়ে তার রিযিক নেমে আসে। তারপর সে যখন মারা যায় তখন দরজা দু’টি তাঁর জন্য কাঁদে। এই পর্যায়ে আল্লাহ বলেনঃ “আসমান-যমিনে কেউ তাদের জন্য কাঁদেনি এবং তাদেরকে অবকাশও দেয়া হয়নি” ( সূরাঃ আদ-দুখান-২৯)। যঈফ, যঈফা (৪৪৯১)
حدثنا الحسين بن حريث، حدثنا وكيع، عن موسى بن عبيدة، عن يزيد بن أبان، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما من مؤمن إلا وله بابان باب يصعد منه عمله وباب ينزل منه رزقه فإذا مات بكيا عليه فذلك قوله عز وجل ( فما بكت عليهم السماء والأرض وما كانوا منظرين ) . قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه مرفوعا إلا من هذا الوجه . وموسى بن عبيدة ويزيد بن أبان الرقاشي يضعفان في الحديث .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৫৪
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا عبد الملك بن إبراهيم الجدي، حدثنا شعبة، عن الأعمش، ومنصور، سمعا أبا الضحى، يحدث عن مسروق، قال جاء رجل إلى عبد الله فقال إن قاصا يقص يقول إنه يخرج من الأرض الدخان فيأخذ بمسامع الكفار ويأخذ المؤمن كهيئة الزكام قال فغضب وكان متكئا فجلس ثم قال إذا سئل أحدكم عما يعلم فليقل به قال منصور فليخبر به وإذا سئل عما لا يعلم فليقل الله أعلم فإن من علم الرجل إذا سئل عما لا يعلم أن يقول الله أعلم فإن الله تعالى قال لنبيه : (قل ما أسألكم عليه من أجر وما أنا من المتكلفين ) " . إن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما رأى قريشا استعصوا عليه قال " اللهم أعني عليهم بسبع كسبع يوسف " . فأخذتهم سنة فأحصت كل شيء حتى أكلوا الجلود والميتة وقال أحدهما العظام قال وجعل يخرج من الأرض كهيئة الدخان قال فأتاه أبو سفيان قال إن قومك قد هلكوا فادع الله لهم . قال فهذا لقوله : ( يوم تأتي السماء بدخان مبين * يغشى الناس هذا عذاب أليم ) . قال منصور هذا لقوله ( ربنا اكشف عنا العذاب إنا مؤمنون ) فهل يكشف عذاب الآخرة قال مضى البطشة واللزام الدخان وقال أحدهما القمر وقال الآخر الروم . قال أبو عيسى واللزام يعني يوم بدر . قال وهذا حديث حسن صحيح .
মাসরূক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক লোক ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর নিকট এসে বলল, কোন এক বক্তা বলেছে যে, যামীন হতে একটি ধোঁয়া বের হবে। তা কাফিরদের কান বধির করে দিবে এবং মু’মিনদের সর্দিতে আক্রান্ত করবে। মাসরূক্ব (রহঃ) বলেন, এতে ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) রাগান্বিত হন। তিনি হেলান দিয়ে বসা ছিলেন, এবার সোজা হয়ে বসলেন, তারপর বললেন, তোমাদের কাউকে তার জ্ঞাত (বিষয়) সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে সে যেন তার উত্তর দেয় বা সেই প্রসঙ্গে অবহিত করে। আর তাকে তা না জানা বিষয় প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে সে যেন বলে, আল্লাহ্ তা’আলাই ভাল জানেন। কেননা এটাও লোকের জ্ঞানের কথা যে, তাকে এমন কোন ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলো যা সে জানে না, সে বলবে আল্লাহ্ তা’আলাই ভাল জানেন। কেননা আল্লাহ্ তা’আলা তার নাবীকে বলেছেনঃ “আপনি বলুন, আমি তোমাদের নিকট এর জন্য (হিদায়াতের বিনিময়ে) কোন পরিশ্রমিক চাই না এবং আমি কৃত্রিমতা প্রদর্শনকারীদের অন্তর্ভুক্ত নই” – (সূরা দুখান ৮৬)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন দেখতে পেলেন যে, কুরাইশরা তাঁর অবাধ্যতা ও বিরোধিতায় চরম পরাকাষ্ঠা দেখাচ্ছে তখন তিনি বললেনঃ “হে আল্লাহ্! ইউসুফ (আঃ)-এর সময়কার সাত বছরের দুর্ভিক্ষের মত এদেরকেও সাত বছর দুর্ভিক্ষে নিক্ষেপ করে আমাকে সাহায্য করুন। তারপর তাদের উপরে দুর্ভিক্ষ ও অনাবৃষ্টি নেমে এলো এবং সবকিছু নিঃশেষ হয়ে গেল। এমনকি তারা চামড়া, হাড় ও মৃত জীব ভক্ষণ করতে লাগল। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, এ সময় মাটি হতে ধোঁয়ার মত এক পদার্থ বের হতে লাগল। বর্ণনাকারী বলেন, তখন আবূ সুফইয়ান রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বলেন, আপনার জাতি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। সুতরাং তাদের জন্য আল্লাহ্ তা’আলার দরবারে দু’আ করুন। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, এটাই আল্লাহ্ তা’আলার এই বাণীর “যেদিন স্পষ্টই ধোয়াচ্ছন্ন হবে এবং তা মানবজাতিকে গ্রাস করে ফেলবে, এটা হবে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি” তাতপর্য – (সুরা দুখান ১০-১১)। মানসুর (রহঃ) বলেন, এটাই নিম্নোক্ত আয়াতের তাৎপর্যঃ “হে আমাদের রব! আমাদের উপর হতে শাস্তি দূরীভূত কর নিশ্চয় আমরা মু’মিন”- (সূরা দুখান ১২)। আখিরাতের শাস্তি দূরীভূত করা হবে কি? ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, ধরপাকড়, কঠিন বিপদ ও ধোঁয়া সবই অতিবাহিত হয়েছে। আ’মাশ ও মানসুরের মধ্যে একজন বলেন, চন্দ্র বিদীর্ণ হওয়ার ঘটনা অতিক্রান্ত হয়েছে এবং অপরজন বলেন, রোম বিজয়ের ঘটনা (অতিবাহিত হয়েছে)। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম
মাসরূক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক লোক ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর নিকট এসে বলল, কোন এক বক্তা বলেছে যে, যামীন হতে একটি ধোঁয়া বের হবে। তা কাফিরদের কান বধির করে দিবে এবং মু’মিনদের সর্দিতে আক্রান্ত করবে। মাসরূক্ব (রহঃ) বলেন, এতে ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) রাগান্বিত হন। তিনি হেলান দিয়ে বসা ছিলেন, এবার সোজা হয়ে বসলেন, তারপর বললেন, তোমাদের কাউকে তার জ্ঞাত (বিষয়) সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে সে যেন তার উত্তর দেয় বা সেই প্রসঙ্গে অবহিত করে। আর তাকে তা না জানা বিষয় প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে সে যেন বলে, আল্লাহ্ তা’আলাই ভাল জানেন। কেননা এটাও লোকের জ্ঞানের কথা যে, তাকে এমন কোন ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলো যা সে জানে না, সে বলবে আল্লাহ্ তা’আলাই ভাল জানেন। কেননা আল্লাহ্ তা’আলা তার নাবীকে বলেছেনঃ “আপনি বলুন, আমি তোমাদের নিকট এর জন্য (হিদায়াতের বিনিময়ে) কোন পরিশ্রমিক চাই না এবং আমি কৃত্রিমতা প্রদর্শনকারীদের অন্তর্ভুক্ত নই” – (সূরা দুখান ৮৬)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন দেখতে পেলেন যে, কুরাইশরা তাঁর অবাধ্যতা ও বিরোধিতায় চরম পরাকাষ্ঠা দেখাচ্ছে তখন তিনি বললেনঃ “হে আল্লাহ্! ইউসুফ (আঃ)-এর সময়কার সাত বছরের দুর্ভিক্ষের মত এদেরকেও সাত বছর দুর্ভিক্ষে নিক্ষেপ করে আমাকে সাহায্য করুন। তারপর তাদের উপরে দুর্ভিক্ষ ও অনাবৃষ্টি নেমে এলো এবং সবকিছু নিঃশেষ হয়ে গেল। এমনকি তারা চামড়া, হাড় ও মৃত জীব ভক্ষণ করতে লাগল। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, এ সময় মাটি হতে ধোঁয়ার মত এক পদার্থ বের হতে লাগল। বর্ণনাকারী বলেন, তখন আবূ সুফইয়ান রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বলেন, আপনার জাতি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। সুতরাং তাদের জন্য আল্লাহ্ তা’আলার দরবারে দু’আ করুন। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, এটাই আল্লাহ্ তা’আলার এই বাণীর “যেদিন স্পষ্টই ধোয়াচ্ছন্ন হবে এবং তা মানবজাতিকে গ্রাস করে ফেলবে, এটা হবে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি” তাতপর্য – (সুরা দুখান ১০-১১)। মানসুর (রহঃ) বলেন, এটাই নিম্নোক্ত আয়াতের তাৎপর্যঃ “হে আমাদের রব! আমাদের উপর হতে শাস্তি দূরীভূত কর নিশ্চয় আমরা মু’মিন”- (সূরা দুখান ১২)। আখিরাতের শাস্তি দূরীভূত করা হবে কি? ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, ধরপাকড়, কঠিন বিপদ ও ধোঁয়া সবই অতিবাহিত হয়েছে। আ’মাশ ও মানসুরের মধ্যে একজন বলেন, চন্দ্র বিদীর্ণ হওয়ার ঘটনা অতিক্রান্ত হয়েছে এবং অপরজন বলেন, রোম বিজয়ের ঘটনা (অতিবাহিত হয়েছে)। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا عبد الملك بن إبراهيم الجدي، حدثنا شعبة، عن الأعمش، ومنصور، سمعا أبا الضحى، يحدث عن مسروق، قال جاء رجل إلى عبد الله فقال إن قاصا يقص يقول إنه يخرج من الأرض الدخان فيأخذ بمسامع الكفار ويأخذ المؤمن كهيئة الزكام قال فغضب وكان متكئا فجلس ثم قال إذا سئل أحدكم عما يعلم فليقل به قال منصور فليخبر به وإذا سئل عما لا يعلم فليقل الله أعلم فإن من علم الرجل إذا سئل عما لا يعلم أن يقول الله أعلم فإن الله تعالى قال لنبيه : (قل ما أسألكم عليه من أجر وما أنا من المتكلفين ) " . إن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما رأى قريشا استعصوا عليه قال " اللهم أعني عليهم بسبع كسبع يوسف " . فأخذتهم سنة فأحصت كل شيء حتى أكلوا الجلود والميتة وقال أحدهما العظام قال وجعل يخرج من الأرض كهيئة الدخان قال فأتاه أبو سفيان قال إن قومك قد هلكوا فادع الله لهم . قال فهذا لقوله : ( يوم تأتي السماء بدخان مبين * يغشى الناس هذا عذاب أليم ) . قال منصور هذا لقوله ( ربنا اكشف عنا العذاب إنا مؤمنون ) فهل يكشف عذاب الآخرة قال مضى البطشة واللزام الدخان وقال أحدهما القمر وقال الآخر الروم . قال أبو عيسى واللزام يعني يوم بدر . قال وهذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আল-আহক্বাফ
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৫৭
حدثنا عبد الرحمن بن الأسود أبو عمرو البصري، حدثنا محمد بن ربيعة، عن ابن جريج، عن عطاء، عن عائشة، رضى الله عنها قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا رأى مخيلة أقبل وأدبر فإذا مطرت سري عنه . قالت فقلت له . فقال " وما أدري لعله كما قال الله تعالى : (فلما رأوه عارضا مستقبل أوديتهم قالوا هذا عارض ممطرنا ) " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن .
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন আকাশ মেঘাচ্ছন্ন দেখতেন তখন (অস্থির হয়ে) একবার সামনে যেতেন আবার পেছনে যেতেন। তারপর বৃষ্টি বর্ষিত হলে তাঁর অস্থিরতা দূর হত। তিনি (‘আয়িশাহ) বলেন, আমি তাকে এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে তিনি বলেনঃ আমি জানি না, এটা সেই আযাব কিনা যে প্রসঙ্গে আল্লাহ্ তা’আলা বলেছেনঃ “তারপর তারা যখন তাদের উপত্যকার দিকে মেঘ আসতে দেখল তখন বলতে লাগল, এ তো মেঘ, আমাদেরকে বৃষ্টি দান করবে”- (সূরা আহক্বাফ ২৪) সহীহঃ সহীহাহ (২৭৫৭) বুখারী, মুসলিম।
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন আকাশ মেঘাচ্ছন্ন দেখতেন তখন (অস্থির হয়ে) একবার সামনে যেতেন আবার পেছনে যেতেন। তারপর বৃষ্টি বর্ষিত হলে তাঁর অস্থিরতা দূর হত। তিনি (‘আয়িশাহ) বলেন, আমি তাকে এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে তিনি বলেনঃ আমি জানি না, এটা সেই আযাব কিনা যে প্রসঙ্গে আল্লাহ্ তা’আলা বলেছেনঃ “তারপর তারা যখন তাদের উপত্যকার দিকে মেঘ আসতে দেখল তখন বলতে লাগল, এ তো মেঘ, আমাদেরকে বৃষ্টি দান করবে”- (সূরা আহক্বাফ ২৪) সহীহঃ সহীহাহ (২৭৫৭) বুখারী, মুসলিম।
حدثنا عبد الرحمن بن الأسود أبو عمرو البصري، حدثنا محمد بن ربيعة، عن ابن جريج، عن عطاء، عن عائشة، رضى الله عنها قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا رأى مخيلة أقبل وأدبر فإذا مطرت سري عنه . قالت فقلت له . فقال " وما أدري لعله كما قال الله تعالى : (فلما رأوه عارضا مستقبل أوديتهم قالوا هذا عارض ممطرنا ) " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৫৮
حدثنا علي بن حجر، أخبرنا إسماعيل بن إبراهيم، عن داود، عن الشعبي، عن علقمة، قال قلت لابن مسعود رضى الله عنه هل صحب النبي صلى الله عليه وسلم ليلة الجن منكم أحد قال ما صحبه منا أحد ولكن قد افتقدناه ذات ليلة وهو بمكة فقلنا اغتيل أو استطير ما فعل به فبتنا بشر ليلة بات بها قوم حتى إذا أصبحنا أو كان في وجه الصبح إذا نحن به يجيء من قبل حراء قال فذكروا له الذي كانوا فيه فقال " أتاني داعي الجن فأتيتهم فقرأت عليهم " . فانطلق فأرانا آثارهم وآثار نيرانهم . قال الشعبي وسألوه الزاد وكانوا من جن الجزيرة فقال " كل عظم لم يذكر اسم الله عليه يقع في أيديكم أوفر ما كان لحما وكل بعرة أو روثة علف لدوابكم " . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فلا تستنجوا بهما فإنهما زاد إخوانكم من الجن " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
আলক্বামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি ইবনু মাস’উদ (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, জিনের রাতে আপনাদের কেউ কি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথী ছিলেন? তিনি বললেন, আমাদের কেউ তাঁর সঙ্গে ছিল না। তবে তিনি মক্কাতে থাকার সময় এক রাতে আমাদের হতে হারিয়ে গেলেন। আমরা বলাবলি করলাম, তাঁকে হত্যা করা হয়েছে অথবা অপহরণ করা হয়েছে, এরকম কিছু করা হয়েছে। আমরা খুবই অশান্তিতে রাত কাটালাম। তারপর খুব ভোরে হঠাৎ দেখলাম তিনি হেরা পর্বতের দিক হতে আসছেন। রাবী বলেনঃ তাঁর নিকটে সকলে বিগত রাতের অস্থিরতার কথা বর্ণনা করলে তিনি বললেনঃ আমার নিকট জিনদের এক প্রতিনিধি এসেছিল। আমি তাদের কাছে গিয়ে কুরআন পাঠ করেছি। তারপর তিনি এগিয়ে গিয়ে তাদের বিভিন্ন প্রমাণ ও আগুনের চিহ্ন দেখান। শা’বী (রহঃ) বলেনঃ জিনেরা তার নিকটে তাদের খাবার চাইল। তারা ছিল কোন এক উপদ্বীপের অধিবাসী। তিনি তাদের বলেন, যে সব হাড়ে আল্লাহ্ তা’আলার নাম নেয়া হয়েছে সেগুলো তোমাদের হাতে আসার সাথে সাথে গোশত পূর্ণ হয়ে যাবে, যেমন পূর্বে তা গোশতে পূর্ণ ছিল। আর সব রকমের বিষ্ঠা ও গোবর তোমাদের পশুর খাদ্য। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (আমাদেরকে) বললেনঃ তোমরা এগুলো ঢিলা হিসেবে ব্যবহার করবে না। কেননা এগুলো তোমাদের ভাই জিনদের খাদ্য। যে হাড়ে “আল্লাহর নাম নেয়া হয়েছে” এবং “তোমাদের পশুর খাদ্য” এই শব্দ ব্যতীত হাদীসটি সহীহ। যঈফাহ (১০৩৮)
আলক্বামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি ইবনু মাস’উদ (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, জিনের রাতে আপনাদের কেউ কি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথী ছিলেন? তিনি বললেন, আমাদের কেউ তাঁর সঙ্গে ছিল না। তবে তিনি মক্কাতে থাকার সময় এক রাতে আমাদের হতে হারিয়ে গেলেন। আমরা বলাবলি করলাম, তাঁকে হত্যা করা হয়েছে অথবা অপহরণ করা হয়েছে, এরকম কিছু করা হয়েছে। আমরা খুবই অশান্তিতে রাত কাটালাম। তারপর খুব ভোরে হঠাৎ দেখলাম তিনি হেরা পর্বতের দিক হতে আসছেন। রাবী বলেনঃ তাঁর নিকটে সকলে বিগত রাতের অস্থিরতার কথা বর্ণনা করলে তিনি বললেনঃ আমার নিকট জিনদের এক প্রতিনিধি এসেছিল। আমি তাদের কাছে গিয়ে কুরআন পাঠ করেছি। তারপর তিনি এগিয়ে গিয়ে তাদের বিভিন্ন প্রমাণ ও আগুনের চিহ্ন দেখান। শা’বী (রহঃ) বলেনঃ জিনেরা তার নিকটে তাদের খাবার চাইল। তারা ছিল কোন এক উপদ্বীপের অধিবাসী। তিনি তাদের বলেন, যে সব হাড়ে আল্লাহ্ তা’আলার নাম নেয়া হয়েছে সেগুলো তোমাদের হাতে আসার সাথে সাথে গোশত পূর্ণ হয়ে যাবে, যেমন পূর্বে তা গোশতে পূর্ণ ছিল। আর সব রকমের বিষ্ঠা ও গোবর তোমাদের পশুর খাদ্য। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (আমাদেরকে) বললেনঃ তোমরা এগুলো ঢিলা হিসেবে ব্যবহার করবে না। কেননা এগুলো তোমাদের ভাই জিনদের খাদ্য। যে হাড়ে “আল্লাহর নাম নেয়া হয়েছে” এবং “তোমাদের পশুর খাদ্য” এই শব্দ ব্যতীত হাদীসটি সহীহ। যঈফাহ (১০৩৮)
حدثنا علي بن حجر، أخبرنا إسماعيل بن إبراهيم، عن داود، عن الشعبي، عن علقمة، قال قلت لابن مسعود رضى الله عنه هل صحب النبي صلى الله عليه وسلم ليلة الجن منكم أحد قال ما صحبه منا أحد ولكن قد افتقدناه ذات ليلة وهو بمكة فقلنا اغتيل أو استطير ما فعل به فبتنا بشر ليلة بات بها قوم حتى إذا أصبحنا أو كان في وجه الصبح إذا نحن به يجيء من قبل حراء قال فذكروا له الذي كانوا فيه فقال " أتاني داعي الجن فأتيتهم فقرأت عليهم " . فانطلق فأرانا آثارهم وآثار نيرانهم . قال الشعبي وسألوه الزاد وكانوا من جن الجزيرة فقال " كل عظم لم يذكر اسم الله عليه يقع في أيديكم أوفر ما كان لحما وكل بعرة أو روثة علف لدوابكم " . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فلا تستنجوا بهما فإنهما زاد إخوانكم من الجن " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .