জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আস-সাফ্ফাত

জামে' আত-তিরমিজি ৩২২৮

حدثنا أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا معتمر بن سليمان، حدثنا ليث بن أبي سليم، عن بشر، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما من داع دعا إلى شيء إلا كان موقوفا يوم القيامة لازما له لا يفارقه وإن دعا رجل رجلا ‏"‏ ‏.‏ ثم قرأ قول الله ‏:‏ ‏(‏ وقفوهم إنهم مسئولون * ما لكم لا تناصرون ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন লোককে কোন মতবাদের দিকে ডেকেছে, তাকে কিয়ামাতের দিন থামানো হবে, সে মাত্র এক ব্যক্তিকে সেদিকে ডেকে থাকলেও। তাকে তার আহ্বানের পরিণতি ভোগ না করিয়ে রেহাই দেয়া হবে না। তারপর তিনি আল্লাহ্ তা’আলার কিতাবের এই আয়াত পাঠ করেনঃ “এই লোকদের একটু থামাও, এদের নিকট কিছু প্রশ্ন করার আছে। তোমাদের কি হল, তোমারা এখন পরস্পরের সাহায্যে এগিয়ে আস না কেন?” (সূরাঃ আস-সাফ্ফাত- ২৪-২৫) যঈফ, তা’লীকুর রাগীব (১/৫০), যিলালুল জুন্নাহ্(১১২)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন লোককে কোন মতবাদের দিকে ডেকেছে, তাকে কিয়ামাতের দিন থামানো হবে, সে মাত্র এক ব্যক্তিকে সেদিকে ডেকে থাকলেও। তাকে তার আহ্বানের পরিণতি ভোগ না করিয়ে রেহাই দেয়া হবে না। তারপর তিনি আল্লাহ্ তা’আলার কিতাবের এই আয়াত পাঠ করেনঃ “এই লোকদের একটু থামাও, এদের নিকট কিছু প্রশ্ন করার আছে। তোমাদের কি হল, তোমারা এখন পরস্পরের সাহায্যে এগিয়ে আস না কেন?” (সূরাঃ আস-সাফ্ফাত- ২৪-২৫) যঈফ, তা’লীকুর রাগীব (১/৫০), যিলালুল জুন্নাহ্(১১২)

حدثنا أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا معتمر بن سليمان، حدثنا ليث بن أبي سليم، عن بشر، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما من داع دعا إلى شيء إلا كان موقوفا يوم القيامة لازما له لا يفارقه وإن دعا رجل رجلا ‏"‏ ‏.‏ ثم قرأ قول الله ‏:‏ ‏(‏ وقفوهم إنهم مسئولون * ما لكم لا تناصرون ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩২৩০

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن خالد بن عثمة، حدثنا سعيد بن بشير، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة بن جندب، عن النبي صلى الله عليه وسلم في قول الله ‏:‏ ‏(‏ وجعلنا ذريته هم الباقين ‏)‏ قال ‏"‏ حام وسام ويافث ‏"‏ ‏.‏ كذا ‏.‏ قال أبو عيسى يقال يافت ويافث بالتاء والثاء ويقال يفث ‏.‏ قال وهذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث سعيد بن بشير ‏.‏

সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্ তা’আলার বাণীঃ “আমরা তার (নূহের) বংশধরদের বাঁচিয়ে রাখলাম বংশপরম্পরায়” (সূরাঃ আস-সাফ্ফাত- ৭৭) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেনঃ এরা হল হাম, সাম ও ইয়াফিস। সনদ দুর্বল

সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্ তা’আলার বাণীঃ “আমরা তার (নূহের) বংশধরদের বাঁচিয়ে রাখলাম বংশপরম্পরায়” (সূরাঃ আস-সাফ্ফাত- ৭৭) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেনঃ এরা হল হাম, সাম ও ইয়াফিস। সনদ দুর্বল

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن خالد بن عثمة، حدثنا سعيد بن بشير، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة بن جندب، عن النبي صلى الله عليه وسلم في قول الله ‏:‏ ‏(‏ وجعلنا ذريته هم الباقين ‏)‏ قال ‏"‏ حام وسام ويافث ‏"‏ ‏.‏ كذا ‏.‏ قال أبو عيسى يقال يافت ويافث بالتاء والثاء ويقال يفث ‏.‏ قال وهذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث سعيد بن بشير ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩২২৯

حدثنا علي بن حجر، أخبرنا الوليد بن مسلم، عن زهير بن محمد، عن رجل، عن أبي العالية، عن أبى بن كعب، قال سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن قول الله تعالى ‏:‏ ‏(‏ وأرسلناه إلى مائة ألف أو يزيدون ‏)‏ قال ‏"‏ عشرون ألفا ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب ‏.‏

উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে আল্লাহ্ তা’আলার বাণীঃ “আমরা তাকে (ইউনুস) এক লাখ বা ততোধিক লোকের নিকটে পাঠালাম”( সূরাঃ আস-সাফ্ফাত- ১৪৭) প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলাম। তিনি বলেনঃ (এক লাখ) বিশ হাজার। সনদ দুর্বল

উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে আল্লাহ্ তা’আলার বাণীঃ “আমরা তাকে (ইউনুস) এক লাখ বা ততোধিক লোকের নিকটে পাঠালাম”( সূরাঃ আস-সাফ্ফাত- ১৪৭) প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলাম। তিনি বলেনঃ (এক লাখ) বিশ হাজার। সনদ দুর্বল

حدثنا علي بن حجر، أخبرنا الوليد بن مسلم، عن زهير بن محمد، عن رجل، عن أبي العالية، عن أبى بن كعب، قال سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن قول الله تعالى ‏:‏ ‏(‏ وأرسلناه إلى مائة ألف أو يزيدون ‏)‏ قال ‏"‏ عشرون ألفا ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩২৩১

حدثنا بشر بن معاذ العقدي، حدثنا يزيد بن زريع، عن سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ سام أبو العرب وحام أبو الحبش ويافث أبو الروم ‏"‏ ‏.‏

সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আরবদের আদি পিতা সাম, হাবশীদের (আবিসিনীয়াদের) আদি পিতা হাম এবং রূমীয়দের (বাইজানটাইনদের) আদি পিতা ইয়াফিস। যঈফ, যঈফা (৩৬৮৩)

সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আরবদের আদি পিতা সাম, হাবশীদের (আবিসিনীয়াদের) আদি পিতা হাম এবং রূমীয়দের (বাইজানটাইনদের) আদি পিতা ইয়াফিস। যঈফ, যঈফা (৩৬৮৩)

حدثنا بشر بن معاذ العقدي، حدثنا يزيد بن زريع، عن سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ سام أبو العرب وحام أبو الحبش ويافث أبو الروم ‏"‏ ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি > সূরা সা-দ

জামে' আত-তিরমিজি ৩২৩২

حدثنا محمود بن غيلان، وعبد بن حميد، - المعنى واحد قالا حدثنا أبو أحمد، حدثنا سفيان، عن الأعمش، عن يحيى، قال عبد هو ابن عباد عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال مرض أبو طالب فجاءته قريش وجاءه النبي صلى الله عليه وسلم وعند أبي طالب مجلس رجل فقام أبو جهل كى يمنعه وشكوه إلى أبي طالب فقال يا ابن أخي ما تريد من قومك قال ‏"‏ إني أريد منهم كلمة واحدة تدين لهم بها العرب وتؤدي إليهم العجم الجزية ‏"‏ ‏.‏ قال كلمة واحدة قال ‏"‏ كلمة واحدة ‏"‏ ‏.‏ قال ‏"‏ يا عم قولوا لا إله إلا الله ‏"‏ ‏.‏ فقالوا‏:‏ إلها واحدا‏؟‏ ‏(‏ ما سمعنا بهذا في الملة الآخرة إن هذا إلا اختلاق ‏)‏ قال فنزل فيهم القرآن ‏:‏ ‏(‏ص* والقرآن ذي الذكر * بل الذين كفروا في عزة وشقاق ‏)‏ إلى قوله ‏:‏ ‏(‏ما سمعنا بهذا في الملة الآخرة إن هذا إلا اختلاق ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আবূ তালিব রোগাক্রান্ত হলে কুরাইশরা তার নিকটে আসে এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)ও আসেন। আবূ তালিবের নিকট এক ব্যক্তির বসার মত স্থান ছিল। আবূ জাহল তাকে মানা করতে উঠে। রাবী বলেনঃ এসব লোক আবূ তালিবের নিকট রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে। আবূ তালিব বলেন, হে ভাতিজা! তুমি তোমার জাতির নিকটে কি চাও? তিনি বললেনঃ আমি তাদের কাছে একটি বাক্য মেনে নেয়ার ইচ্ছা করছি। তারা এটা মেনে নিলে আরবরা তাদের মতানুবর্তী হবে এবং অনারবরা তাদেরকে জিযিয়া দিবে। আবূ তালিব বললেন, একটি বাক্য? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, একটি বাক্য। তিনি আবার বললেনঃ হে চাচা! আপনারা বলুন, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”। তারা বলল, শুধু মাত্র একজন মা’বূদ? “এধরণের কথা তো আমরা নিকট অতীতের জাতিসমূহের নিকটে শুনিনি? এটা একটা অলীক উক্তিমাত্র” (সূরা: সা’দ—৭)। রাবী বলেনঃ তাদের প্রসঙ্গে কুরআনের আয়াত অবতীর্ণ হয় : “সা’দ। উপদেশে পূর্ণ কুরআনের শপথ! বরং এই সত্য প্রত্যাখানকারী লোকেরাই চরম অহংকার ও হঠকারিতায় ডুবে আছে। এদের পূর্বে আমরা এমন কত জাতিকেই না ধ্বংস করেছি। তখন তারা চিৎকার করে উঠেছে। কিন্তু তখন আর মুক্তি পাওয়ার উপায় ছিল না। ..........এমন কথা তো আমরা নিকট অতীতের জাতিসমূহের নিকটে শুনিনি! এটা একটা অলীক কথামাত্র” (সূরা: সা’দ – ১-৭)। সনদ দুর্বল

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আবূ তালিব রোগাক্রান্ত হলে কুরাইশরা তার নিকটে আসে এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)ও আসেন। আবূ তালিবের নিকট এক ব্যক্তির বসার মত স্থান ছিল। আবূ জাহল তাকে মানা করতে উঠে। রাবী বলেনঃ এসব লোক আবূ তালিবের নিকট রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে। আবূ তালিব বলেন, হে ভাতিজা! তুমি তোমার জাতির নিকটে কি চাও? তিনি বললেনঃ আমি তাদের কাছে একটি বাক্য মেনে নেয়ার ইচ্ছা করছি। তারা এটা মেনে নিলে আরবরা তাদের মতানুবর্তী হবে এবং অনারবরা তাদেরকে জিযিয়া দিবে। আবূ তালিব বললেন, একটি বাক্য? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, একটি বাক্য। তিনি আবার বললেনঃ হে চাচা! আপনারা বলুন, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”। তারা বলল, শুধু মাত্র একজন মা’বূদ? “এধরণের কথা তো আমরা নিকট অতীতের জাতিসমূহের নিকটে শুনিনি? এটা একটা অলীক উক্তিমাত্র” (সূরা: সা’দ—৭)। রাবী বলেনঃ তাদের প্রসঙ্গে কুরআনের আয়াত অবতীর্ণ হয় : “সা’দ। উপদেশে পূর্ণ কুরআনের শপথ! বরং এই সত্য প্রত্যাখানকারী লোকেরাই চরম অহংকার ও হঠকারিতায় ডুবে আছে। এদের পূর্বে আমরা এমন কত জাতিকেই না ধ্বংস করেছি। তখন তারা চিৎকার করে উঠেছে। কিন্তু তখন আর মুক্তি পাওয়ার উপায় ছিল না। ..........এমন কথা তো আমরা নিকট অতীতের জাতিসমূহের নিকটে শুনিনি! এটা একটা অলীক কথামাত্র” (সূরা: সা’দ – ১-৭)। সনদ দুর্বল

حدثنا محمود بن غيلان، وعبد بن حميد، - المعنى واحد قالا حدثنا أبو أحمد، حدثنا سفيان، عن الأعمش، عن يحيى، قال عبد هو ابن عباد عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال مرض أبو طالب فجاءته قريش وجاءه النبي صلى الله عليه وسلم وعند أبي طالب مجلس رجل فقام أبو جهل كى يمنعه وشكوه إلى أبي طالب فقال يا ابن أخي ما تريد من قومك قال ‏"‏ إني أريد منهم كلمة واحدة تدين لهم بها العرب وتؤدي إليهم العجم الجزية ‏"‏ ‏.‏ قال كلمة واحدة قال ‏"‏ كلمة واحدة ‏"‏ ‏.‏ قال ‏"‏ يا عم قولوا لا إله إلا الله ‏"‏ ‏.‏ فقالوا‏:‏ إلها واحدا‏؟‏ ‏(‏ ما سمعنا بهذا في الملة الآخرة إن هذا إلا اختلاق ‏)‏ قال فنزل فيهم القرآن ‏:‏ ‏(‏ص* والقرآن ذي الذكر * بل الذين كفروا في عزة وشقاق ‏)‏ إلى قوله ‏:‏ ‏(‏ما سمعنا بهذا في الملة الآخرة إن هذا إلا اختلاق ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩২৩৪

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن أبي قلابة، عن خالد بن اللجلاج، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ أتاني ربي في أحسن صورة فقال يا محمد قلت لبيك ربي وسعديك قال فيم يختصم الملأ الأعلى قلت ربي لا أدري فوضع يده بين كتفى فوجدت بردها بين ثديى فعلمت ما بين المشرق والمغرب قال يا محمد ‏.‏ فقلت لبيك رب وسعديك قال فيم يختصم الملأ الأعلى قلت في الدرجات والكفارات وفي نقل الأقدام إلى الجماعات وإسباغ الوضوء في المكروهات وانتظار الصلاة بعد الصلاة ومن يحافظ عليهن عاش بخير ومات بخير وكان من ذنوبه كيوم ولدته أمه ‏"‏ ‏.‏ قال هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه ‏.‏ قال وفي الباب عن معاذ بن جبل وعبد الرحمن بن عائش عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার প্রতিপালক প্রভু সর্বোত্তম চেহারায় আমার নিকট আসলেন। তিনি বললেনঃ হে মুহাম্মাদ! আমি বললাম, হে আমার রব! আমি উপস্থিত, আমি হাযির। তিনি প্রশ্ন করেনঃ ঊর্ধ জগতের অধিবাসীরা কি নিয়ে বিবাদ করছে? আমি উত্তর দিলাম, প্রভু! আমি জানি না। তিনি তাঁর হাত আমার দুই কাঁধের মধ্যখানে রাখলেন। এমনকি আমি এর শীতলতা আমার উভয় স্তনের মধ্যখানে (বুকে) অনুভব করলাম। পূর্ব-পশ্চিমের মাঝে যা কিছু আছে তা আমি জেনে নিলাম। অতঃপর তিনি বললেন, হে মুহাম্মাদ! আমি বললাম, হে আমার রব! আমি আপনার সামনে উপস্থিত আছি। তিনি আবার প্রশ্ন করলেন, ঊর্ধলোকের অধিবাসীরা কি নিয়ে বিতর্ক করছে? আমি জবাব দিলাম, মর্যাদা বৃদ্ধি, কাফ্‌ফারাত লাভ, পদব্রজে জামা‘আতে যোগদান, কষ্টকর অবস্থায়ও উত্তমরূপে উযূ করা এবং এক ওয়াক্তের নামায আদায় করার পর পরের ওয়াক্তের নামাযের অপেক্ষায় থাকা ইত্যাদি বিষয়ে তারা বিতর্ক করছে (একে অপরকে অতিক্রম করার চেষ্টা করছে)। যে লোক এগুলোর হিফাযাত করবে সে কল্যাণের মধ্যে বেঁচে থাকবে, কল্যাণময় মৃত্যুবরণ করবে এবং তার জননী তাকে প্রসব করার সময়ের মত গুনাহ মুক্ত হয়ে যাবে। সহীহঃ দেখুন পূর্বের হাদীস।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার প্রতিপালক প্রভু সর্বোত্তম চেহারায় আমার নিকট আসলেন। তিনি বললেনঃ হে মুহাম্মাদ! আমি বললাম, হে আমার রব! আমি উপস্থিত, আমি হাযির। তিনি প্রশ্ন করেনঃ ঊর্ধ জগতের অধিবাসীরা কি নিয়ে বিবাদ করছে? আমি উত্তর দিলাম, প্রভু! আমি জানি না। তিনি তাঁর হাত আমার দুই কাঁধের মধ্যখানে রাখলেন। এমনকি আমি এর শীতলতা আমার উভয় স্তনের মধ্যখানে (বুকে) অনুভব করলাম। পূর্ব-পশ্চিমের মাঝে যা কিছু আছে তা আমি জেনে নিলাম। অতঃপর তিনি বললেন, হে মুহাম্মাদ! আমি বললাম, হে আমার রব! আমি আপনার সামনে উপস্থিত আছি। তিনি আবার প্রশ্ন করলেন, ঊর্ধলোকের অধিবাসীরা কি নিয়ে বিতর্ক করছে? আমি জবাব দিলাম, মর্যাদা বৃদ্ধি, কাফ্‌ফারাত লাভ, পদব্রজে জামা‘আতে যোগদান, কষ্টকর অবস্থায়ও উত্তমরূপে উযূ করা এবং এক ওয়াক্তের নামায আদায় করার পর পরের ওয়াক্তের নামাযের অপেক্ষায় থাকা ইত্যাদি বিষয়ে তারা বিতর্ক করছে (একে অপরকে অতিক্রম করার চেষ্টা করছে)। যে লোক এগুলোর হিফাযাত করবে সে কল্যাণের মধ্যে বেঁচে থাকবে, কল্যাণময় মৃত্যুবরণ করবে এবং তার জননী তাকে প্রসব করার সময়ের মত গুনাহ মুক্ত হয়ে যাবে। সহীহঃ দেখুন পূর্বের হাদীস।

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن أبي قلابة، عن خالد بن اللجلاج، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ أتاني ربي في أحسن صورة فقال يا محمد قلت لبيك ربي وسعديك قال فيم يختصم الملأ الأعلى قلت ربي لا أدري فوضع يده بين كتفى فوجدت بردها بين ثديى فعلمت ما بين المشرق والمغرب قال يا محمد ‏.‏ فقلت لبيك رب وسعديك قال فيم يختصم الملأ الأعلى قلت في الدرجات والكفارات وفي نقل الأقدام إلى الجماعات وإسباغ الوضوء في المكروهات وانتظار الصلاة بعد الصلاة ومن يحافظ عليهن عاش بخير ومات بخير وكان من ذنوبه كيوم ولدته أمه ‏"‏ ‏.‏ قال هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه ‏.‏ قال وفي الباب عن معاذ بن جبل وعبد الرحمن بن عائش عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩২৩৩

حدثنا سلمة بن شبيب، وعبد بن حميد، قالا حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أتاني الليلة ربي تبارك وتعالى في أحسن صورة قال أحسبه قال في المنام فقال يا محمد هل تدري فيم يختصم الملأ الأعلى قال قلت لا ‏.‏ قال فوضع يده بين كتفى حتى وجدت بردها بين ثديى أو قال في نحري فعلمت ما في السموات وما في الأرض قال يا محمد هل تدري فيم يختصم الملأ الأعلى قلت نعم ‏.‏ قال في الكفارات ‏.‏ والكفارات المكث في المساجد بعد الصلوات والمشى على الأقدام إلى الجماعات وإسباغ الوضوء في المكاره ومن فعل ذلك عاش بخير ومات بخير وكان من خطيئته كيوم ولدته أمه وقال يا محمد إذا صليت فقل اللهم إني أسألك فعل الخيرات وترك المنكرات وحب المساكين وإذا أردت بعبادك فتنة فاقبضني إليك غير مفتون قال والدرجات إفشاء السلام وإطعام الطعام والصلاة بالليل والناس نيام ‏"‏ ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আজ রাতে আমার মহান ও বারাকাতময় প্রভু সবচেয়ে সুন্দর চেহারায় আমার নিকট এসেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমার মতে তিনি বলেছেনঃ ঘুমের মধ্যে স্বপ্নযোগে। তারপর তিনি বললেনঃ হে মুহাম্মাদ! তুমি কি জান, এ সময় উচ্চতর জগতের অধিবাসীরা কি নিয়ে বিবাদ করছে? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি বললাম, না। তিনি তাঁর হাত আমার দুই কাঁধের মধ্যখানে রাখলেন। এমনকি আমি আমার দুই স্তনের বা বুকের মাঝে এর শীতলতা অনুভব করলাম। আসমান-যামীনে যা কিছু আছে আমি তা অবগত হলাম। তিনি বললেনঃ হে মুহাম্মাদ! তুমি কি জান, এ সময় উচ্চতর জগতের অধিবাসীরা কি নিয়ে বিবাদ করছে? আমি বললামঃ হ্যাঁ, কাফফারাত নিয়ে বিবাদ করছে। কাফফারাত অর্থ “নামাযের পর মাসজিদে বসে থাকা, নামাযের জামা‘আতে উপস্থিতির জন্য হেঁটে যাওয়া এবং কষ্ঠকর সময়েও সুষ্ঠুভাবে উযু করা”। যে লোক এসব কাজ করবে সে কল্যাণের মধ্যে বেঁচে থাকবে, কল্যাণের সাথে মরবে এবং তার জন্ম দিনের মত গুনাহ হতে পবিত্র হয়ে যাবে। আল্লাহ তা‘আলা আরো বললেনঃ হে মুহাম্মাদ! তুমি যখন সালাত আদায় করবে তখন এই দু’আ পড়বেঃ “আল্লাহুম্মা ইন্নী আসাআলুকা ফি’লাল খাইরাতি ওয়া তারকাল মুনকারাতি ওয়া হুব্বাল মাসাকীনি ওয়া ইযা আরাদতা বি-‘ইবাদিকা ফিতনাতান ফাক্‌বিযনী ইলাইকা গাইরা মাফতূনিন!” (হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট ভাল কাজ করার, খারাপ কাজ ত্যাগ করার এবং গ’রীব-নিঃস্বদের ভালবাসার মনোষ্কামনা চাই। তুমি যখন তোমার বান্দাদের কঠিন পরীক্ষায় নিক্ষেপ করার ইচ্ছা কর, তখন আমাকে এ ফিতনায় জড়িয়ে পড়ার আগেই তোমার নিকট উঠিয়ে নাও)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরো বলেনঃ দারাজাত ও মর্যাদার স্তর বলতে বুঝায়ঃ সালামের প্রচার প্রসার ঘটানো, মানুষকে খাওয়ানো এবং রাতের অন্ধকারে মানুষ যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন থাকে তখন (তাহাজ্জুদ) নামায আদায় করা। সহীহঃ আয্‌ যিলা-ল (৩৮৮), তা’লীকুর রাগীব (১/৯৮, ১২৬/১)।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আজ রাতে আমার মহান ও বারাকাতময় প্রভু সবচেয়ে সুন্দর চেহারায় আমার নিকট এসেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমার মতে তিনি বলেছেনঃ ঘুমের মধ্যে স্বপ্নযোগে। তারপর তিনি বললেনঃ হে মুহাম্মাদ! তুমি কি জান, এ সময় উচ্চতর জগতের অধিবাসীরা কি নিয়ে বিবাদ করছে? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি বললাম, না। তিনি তাঁর হাত আমার দুই কাঁধের মধ্যখানে রাখলেন। এমনকি আমি আমার দুই স্তনের বা বুকের মাঝে এর শীতলতা অনুভব করলাম। আসমান-যামীনে যা কিছু আছে আমি তা অবগত হলাম। তিনি বললেনঃ হে মুহাম্মাদ! তুমি কি জান, এ সময় উচ্চতর জগতের অধিবাসীরা কি নিয়ে বিবাদ করছে? আমি বললামঃ হ্যাঁ, কাফফারাত নিয়ে বিবাদ করছে। কাফফারাত অর্থ “নামাযের পর মাসজিদে বসে থাকা, নামাযের জামা‘আতে উপস্থিতির জন্য হেঁটে যাওয়া এবং কষ্ঠকর সময়েও সুষ্ঠুভাবে উযু করা”। যে লোক এসব কাজ করবে সে কল্যাণের মধ্যে বেঁচে থাকবে, কল্যাণের সাথে মরবে এবং তার জন্ম দিনের মত গুনাহ হতে পবিত্র হয়ে যাবে। আল্লাহ তা‘আলা আরো বললেনঃ হে মুহাম্মাদ! তুমি যখন সালাত আদায় করবে তখন এই দু’আ পড়বেঃ “আল্লাহুম্মা ইন্নী আসাআলুকা ফি’লাল খাইরাতি ওয়া তারকাল মুনকারাতি ওয়া হুব্বাল মাসাকীনি ওয়া ইযা আরাদতা বি-‘ইবাদিকা ফিতনাতান ফাক্‌বিযনী ইলাইকা গাইরা মাফতূনিন!” (হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট ভাল কাজ করার, খারাপ কাজ ত্যাগ করার এবং গ’রীব-নিঃস্বদের ভালবাসার মনোষ্কামনা চাই। তুমি যখন তোমার বান্দাদের কঠিন পরীক্ষায় নিক্ষেপ করার ইচ্ছা কর, তখন আমাকে এ ফিতনায় জড়িয়ে পড়ার আগেই তোমার নিকট উঠিয়ে নাও)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরো বলেনঃ দারাজাত ও মর্যাদার স্তর বলতে বুঝায়ঃ সালামের প্রচার প্রসার ঘটানো, মানুষকে খাওয়ানো এবং রাতের অন্ধকারে মানুষ যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন থাকে তখন (তাহাজ্জুদ) নামায আদায় করা। সহীহঃ আয্‌ যিলা-ল (৩৮৮), তা’লীকুর রাগীব (১/৯৮, ১২৬/১)।

حدثنا سلمة بن شبيب، وعبد بن حميد، قالا حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أتاني الليلة ربي تبارك وتعالى في أحسن صورة قال أحسبه قال في المنام فقال يا محمد هل تدري فيم يختصم الملأ الأعلى قال قلت لا ‏.‏ قال فوضع يده بين كتفى حتى وجدت بردها بين ثديى أو قال في نحري فعلمت ما في السموات وما في الأرض قال يا محمد هل تدري فيم يختصم الملأ الأعلى قلت نعم ‏.‏ قال في الكفارات ‏.‏ والكفارات المكث في المساجد بعد الصلوات والمشى على الأقدام إلى الجماعات وإسباغ الوضوء في المكاره ومن فعل ذلك عاش بخير ومات بخير وكان من خطيئته كيوم ولدته أمه وقال يا محمد إذا صليت فقل اللهم إني أسألك فعل الخيرات وترك المنكرات وحب المساكين وإذا أردت بعبادك فتنة فاقبضني إليك غير مفتون قال والدرجات إفشاء السلام وإطعام الطعام والصلاة بالليل والناس نيام ‏"‏ ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩২৩৫

وقد روي هذا الحديث، عن معاذ بن جبل، عن النبي صلى الله عليه وسلم بطوله وقال ‏"‏ إني نعست فاستثقلت نوما فرأيت ربي في أحسن صورة فقال فيم يختصم الملأ الأعلى ‏"‏ ‏.‏ حدثنا محمد بن بشار حدثنا معاذ بن هانئ أبو هانئ اليشكري حدثنا جهضم بن عبد الله عن يحيى بن أبي كثير عن زيد بن سلام عن أبي سلام عن عبد الرحمن بن عائش الحضرمي أنه حدثه عن مالك بن يخامر السكسكي عن معاذ بن جبل رضى الله عنه قال احتبس عنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات غداة عن صلاة الصبح حتى كدنا نتراءى عين الشمس فخرج سريعا فثوب بالصلاة فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وتجوز في صلاته فلما سلم دعا بصوته قال لنا ‏"‏ على مصافكم كما أنتم ‏"‏ ‏.‏ ثم انفتل إلينا ثم قال ‏"‏ أما إني سأحدثكم ما حبسني عنكم الغداة إني قمت من الليل فتوضأت وصليت ما قدر لي فنعست في صلاتي حتى استثقلت فإذا أنا بربي تبارك وتعالى في أحسن صورة فقال يا محمد ‏.‏ قلت لبيك رب ‏.‏ قال فيم يختصم الملأ الأعلى قلت لا أدري ‏.‏ قالها ثلاثا قال فرأيته وضع كفه بين كتفى حتى وجدت برد أنامله بين ثديى فتجلى لي كل شيء وعرفت فقال يا محمد ‏.‏ قلت لبيك رب قال فيم يختصم الملأ الأعلى قلت في الكفارات قال ما هن قلت مشى الأقدام إلى الجماعات والجلوس في المساجد بعد الصلوات وإسباغ الوضوء في المكروهات ‏.‏ قال فيم قلت إطعام الطعام ولين الكلام والصلاة بالليل والناس نيام ‏.‏ قال سل ‏.‏ قلت اللهم إني أسألك فعل الخيرات وترك المنكرات وحب المساكين وأن تغفر لي وترحمني وإذا أردت فتنة قوم فتوفني غير مفتون أسألك حبك وحب من يحبك وحب عمل يقرب إلى حبك ‏"‏ ‏.‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إنها حق فادرسوها ثم تعلموها ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ سألت محمد بن إسماعيل عن هذا الحديث فقال هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وقال هذا أصح من حديث الوليد بن مسلم عن عبد الرحمن بن يزيد بن جابر ‏.‏ قال حدثنا خالد بن اللجلاج حدثني عبد الرحمن بن عائش الحضرمي قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر الحديث وهذا غير محفوظ ‏.‏ هكذا ذكر الوليد في حديثه عن عبد الرحمن بن عائش قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وروى بشر بن بكر عن عبد الرحمن بن يزيد بن جابر هذا الحديث بهذا الإسناد عن عبد الرحمن بن عائش عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وهذا أصح ‏.‏ وعبد الرحمن بن عائش لم يسمع من النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏

মু‘আয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন প্রত্যুষে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাথে ফজরের নামায আদায় করতে আসতে বাধাপ্রাপ্ত হন। এমনকি আমরা সূর্য উদিত হয়ে যাওয়ার আশংকা করলাম। তিনি তাড়াতাড়ি বের হয়ে এলে সালাতের জন্য ইক্বামাত দেয়া হল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সংক্ষেপে সালাত আদায় করলেন। তিনি সালাম ফিরানোর পর উচ্চৈঃস্বরে আমাদেরকে ডেকে বললেনঃ তোমরা যেভাবে সারিবদ্ধ অবস্থায় আছ সেভাবেই থাক। তারপর তিনি আমাদের দিকে ফিরে বসলেন অতঃপর বললেনঃ সকালে তোমাদের নিকট আসতে আমাকে কিসে বাধাগ্রস্ত করেছে তা এখনই তোমাদেরকে বলছি। আমি রাত্রে উঠে উযূ করলাম এবং সামর্থ্যমত নামায পড়লাম। নামাযের মধ্যে আমি তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পরলাম। অতঃপর আমি ঘুমিয়ে পরলাম, এমন সময় আমি আমার বারাকাতময় প্রভুকে খুব সুন্দর অবস্থায় (স্বপ্নে) দেখতে পেলাম। তিনি বললেন, হে মুহাম্মাদ! আমি বললামঃ প্রভু! আমি উপস্থিত। তিনি বললেন, ঊর্ধজগতের অধিবাসীগণ (শীর্ষস্থানীয় ফেরেশতাগণ) কি ব্যাপারে বিতর্ক করছে? আমি বললামঃ প্রভু! আমি জানি না। আল্লাহ তা‘আলা এ কথা তিনবার বললেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি তাঁকে দেখলাম যে, তিনি তাঁর হাতের তালু আমার দুই কাঁধের মাঝখানে রাখলেন। আমি আমার বক্ষস্থলে তাঁর হাতের আঙ্গুলের শীতলতা অনুভব করলাম। ফলে প্রতিটি জিনিস আমার নিকট আলোকোদ্ভাসিত হয়ে উঠল এবং আমি তা জানতে পারলাম। আল্লাহ তা‘আলা বললেন, হে মুহাম্মদ! আমি বললামঃ প্রভু! আমি আপনার নিকট হাযির। তিনি বললেন, ঊর্ধজগতের বাসিন্দাগণ কি ব্যাপারে বিতর্ক করছে? আমি বললামঃ কাফফারাত প্রসঙ্গে (তারা বিতর্ক করছে)। তিনি বলেন, সেগুলো কি? আমি বললামঃ হেঁটে সালাতের জামা‘আতসমূহে হাযির হওয়া, নামাযের পর মাসজিদে বসে থাকা এবং কষ্টকর অবস্থায়ও উত্তমরূপে উযূ করা। তিনি বললেন, তারপর কি ব্যাপারে (তারা বিতর্ক করছে)? আমি বললামঃ খাদ্যপ্রার্থীকে আহার্য দান, নম্রতার সাথে কথা বলা এবং রাতে মানুষ যখন ঘুমিয়ে পড়ে সেই সময় সালাত আদায় করা প্রসঙ্গে। আল্লাহ তা‘আলা বললেন, তুমি কিছু চাও, বলঃ “হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে ভাল ও কল্যাণকর কাজ সম্পাদনের, মন্দ কাজসমূহ বর্জনের, দরিদ্রজনদের ভালবাসার তাওফীক চাই, তুমি আমায় ক্ষমা কর ও দয়া কর। তুমি যখন কোন গোত্রকে বিপদে ফেলার ইচ্ছা কর তখন তুমি আমাকে বিপদমুক্ত রেখে তোমার কাছে তুলে নিও। আমি প্রার্থনা করি তোমার ভালবাসা, যে তোমায় ভালবাসে তার ভালবাসা এবং এমন কাজের ভালবাসা যা তোমার ভালবাসার নিকটবর্তী করে দেয়।” রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ স্বপ্নটি অবশ্যই সত্য। অতএব তা পড়, তারপর তা শিখে নাও। সহীহঃ মুখতাসার আল উলুব্বি (১১৯/৮০), আয্‌-যিলা-ল (৩৮৮)।

মু‘আয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন প্রত্যুষে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাথে ফজরের নামায আদায় করতে আসতে বাধাপ্রাপ্ত হন। এমনকি আমরা সূর্য উদিত হয়ে যাওয়ার আশংকা করলাম। তিনি তাড়াতাড়ি বের হয়ে এলে সালাতের জন্য ইক্বামাত দেয়া হল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সংক্ষেপে সালাত আদায় করলেন। তিনি সালাম ফিরানোর পর উচ্চৈঃস্বরে আমাদেরকে ডেকে বললেনঃ তোমরা যেভাবে সারিবদ্ধ অবস্থায় আছ সেভাবেই থাক। তারপর তিনি আমাদের দিকে ফিরে বসলেন অতঃপর বললেনঃ সকালে তোমাদের নিকট আসতে আমাকে কিসে বাধাগ্রস্ত করেছে তা এখনই তোমাদেরকে বলছি। আমি রাত্রে উঠে উযূ করলাম এবং সামর্থ্যমত নামায পড়লাম। নামাযের মধ্যে আমি তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পরলাম। অতঃপর আমি ঘুমিয়ে পরলাম, এমন সময় আমি আমার বারাকাতময় প্রভুকে খুব সুন্দর অবস্থায় (স্বপ্নে) দেখতে পেলাম। তিনি বললেন, হে মুহাম্মাদ! আমি বললামঃ প্রভু! আমি উপস্থিত। তিনি বললেন, ঊর্ধজগতের অধিবাসীগণ (শীর্ষস্থানীয় ফেরেশতাগণ) কি ব্যাপারে বিতর্ক করছে? আমি বললামঃ প্রভু! আমি জানি না। আল্লাহ তা‘আলা এ কথা তিনবার বললেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি তাঁকে দেখলাম যে, তিনি তাঁর হাতের তালু আমার দুই কাঁধের মাঝখানে রাখলেন। আমি আমার বক্ষস্থলে তাঁর হাতের আঙ্গুলের শীতলতা অনুভব করলাম। ফলে প্রতিটি জিনিস আমার নিকট আলোকোদ্ভাসিত হয়ে উঠল এবং আমি তা জানতে পারলাম। আল্লাহ তা‘আলা বললেন, হে মুহাম্মদ! আমি বললামঃ প্রভু! আমি আপনার নিকট হাযির। তিনি বললেন, ঊর্ধজগতের বাসিন্দাগণ কি ব্যাপারে বিতর্ক করছে? আমি বললামঃ কাফফারাত প্রসঙ্গে (তারা বিতর্ক করছে)। তিনি বলেন, সেগুলো কি? আমি বললামঃ হেঁটে সালাতের জামা‘আতসমূহে হাযির হওয়া, নামাযের পর মাসজিদে বসে থাকা এবং কষ্টকর অবস্থায়ও উত্তমরূপে উযূ করা। তিনি বললেন, তারপর কি ব্যাপারে (তারা বিতর্ক করছে)? আমি বললামঃ খাদ্যপ্রার্থীকে আহার্য দান, নম্রতার সাথে কথা বলা এবং রাতে মানুষ যখন ঘুমিয়ে পড়ে সেই সময় সালাত আদায় করা প্রসঙ্গে। আল্লাহ তা‘আলা বললেন, তুমি কিছু চাও, বলঃ “হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে ভাল ও কল্যাণকর কাজ সম্পাদনের, মন্দ কাজসমূহ বর্জনের, দরিদ্রজনদের ভালবাসার তাওফীক চাই, তুমি আমায় ক্ষমা কর ও দয়া কর। তুমি যখন কোন গোত্রকে বিপদে ফেলার ইচ্ছা কর তখন তুমি আমাকে বিপদমুক্ত রেখে তোমার কাছে তুলে নিও। আমি প্রার্থনা করি তোমার ভালবাসা, যে তোমায় ভালবাসে তার ভালবাসা এবং এমন কাজের ভালবাসা যা তোমার ভালবাসার নিকটবর্তী করে দেয়।” রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ স্বপ্নটি অবশ্যই সত্য। অতএব তা পড়, তারপর তা শিখে নাও। সহীহঃ মুখতাসার আল উলুব্বি (১১৯/৮০), আয্‌-যিলা-ল (৩৮৮)।

وقد روي هذا الحديث، عن معاذ بن جبل، عن النبي صلى الله عليه وسلم بطوله وقال ‏"‏ إني نعست فاستثقلت نوما فرأيت ربي في أحسن صورة فقال فيم يختصم الملأ الأعلى ‏"‏ ‏.‏ حدثنا محمد بن بشار حدثنا معاذ بن هانئ أبو هانئ اليشكري حدثنا جهضم بن عبد الله عن يحيى بن أبي كثير عن زيد بن سلام عن أبي سلام عن عبد الرحمن بن عائش الحضرمي أنه حدثه عن مالك بن يخامر السكسكي عن معاذ بن جبل رضى الله عنه قال احتبس عنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات غداة عن صلاة الصبح حتى كدنا نتراءى عين الشمس فخرج سريعا فثوب بالصلاة فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وتجوز في صلاته فلما سلم دعا بصوته قال لنا ‏"‏ على مصافكم كما أنتم ‏"‏ ‏.‏ ثم انفتل إلينا ثم قال ‏"‏ أما إني سأحدثكم ما حبسني عنكم الغداة إني قمت من الليل فتوضأت وصليت ما قدر لي فنعست في صلاتي حتى استثقلت فإذا أنا بربي تبارك وتعالى في أحسن صورة فقال يا محمد ‏.‏ قلت لبيك رب ‏.‏ قال فيم يختصم الملأ الأعلى قلت لا أدري ‏.‏ قالها ثلاثا قال فرأيته وضع كفه بين كتفى حتى وجدت برد أنامله بين ثديى فتجلى لي كل شيء وعرفت فقال يا محمد ‏.‏ قلت لبيك رب قال فيم يختصم الملأ الأعلى قلت في الكفارات قال ما هن قلت مشى الأقدام إلى الجماعات والجلوس في المساجد بعد الصلوات وإسباغ الوضوء في المكروهات ‏.‏ قال فيم قلت إطعام الطعام ولين الكلام والصلاة بالليل والناس نيام ‏.‏ قال سل ‏.‏ قلت اللهم إني أسألك فعل الخيرات وترك المنكرات وحب المساكين وأن تغفر لي وترحمني وإذا أردت فتنة قوم فتوفني غير مفتون أسألك حبك وحب من يحبك وحب عمل يقرب إلى حبك ‏"‏ ‏.‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إنها حق فادرسوها ثم تعلموها ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ سألت محمد بن إسماعيل عن هذا الحديث فقال هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وقال هذا أصح من حديث الوليد بن مسلم عن عبد الرحمن بن يزيد بن جابر ‏.‏ قال حدثنا خالد بن اللجلاج حدثني عبد الرحمن بن عائش الحضرمي قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر الحديث وهذا غير محفوظ ‏.‏ هكذا ذكر الوليد في حديثه عن عبد الرحمن بن عائش قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وروى بشر بن بكر عن عبد الرحمن بن يزيد بن جابر هذا الحديث بهذا الإسناد عن عبد الرحمن بن عائش عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وهذا أصح ‏.‏ وعبد الرحمن بن عائش لم يسمع من النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি > পরিচ্ছেদ নাই।

এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।

জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আয্‌-যুমার

জামে' আত-তিরমিজি ৩২৩৬

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن محمد بن عمرو بن علقمة، عن يحيى بن عبد الرحمن بن حاطب، عن عبد الله بن الزبير، عن أبيه، قال لما نزلت ‏:‏ ‏(‏ثم إنكم يوم القيامة عند ربكم تختصمون ‏)‏ قال الزبير يا رسول الله أتكرر علينا الخصومة بعد الذي كان بيننا في الدنيا قال ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ فقال إن الأمر إذا لشديد ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর (রাঃ) হতে তার বাবা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল (অনুবাদ)ঃ “তারপর ক্বিয়ামাতের দিন নিশ্চয় তোমরা নিজেদের প্রভুর সামনে পরস্পর বাক-বিতণ্ডায় জড়িত হবে” - (সূরা যুমারঃ ৩১), তখন যুবাইর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! পার্থিব জীবনে আমাদের মধ্যে যে ঝগড়া-বিবাদ হয়েছে তার মীমাংসা হওয়ার পর কি তার পুনরাবৃত্তি ঘটবে? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। যুবাইর (রাঃ) বললেন, তাহলে বিষয়টি তো খুবই কঠিন। হাসানঃ সহীহাহ (৩৪০)

আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর (রাঃ) হতে তার বাবা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল (অনুবাদ)ঃ “তারপর ক্বিয়ামাতের দিন নিশ্চয় তোমরা নিজেদের প্রভুর সামনে পরস্পর বাক-বিতণ্ডায় জড়িত হবে” - (সূরা যুমারঃ ৩১), তখন যুবাইর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! পার্থিব জীবনে আমাদের মধ্যে যে ঝগড়া-বিবাদ হয়েছে তার মীমাংসা হওয়ার পর কি তার পুনরাবৃত্তি ঘটবে? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। যুবাইর (রাঃ) বললেন, তাহলে বিষয়টি তো খুবই কঠিন। হাসানঃ সহীহাহ (৩৪০)

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن محمد بن عمرو بن علقمة، عن يحيى بن عبد الرحمن بن حاطب، عن عبد الله بن الزبير، عن أبيه، قال لما نزلت ‏:‏ ‏(‏ثم إنكم يوم القيامة عند ربكم تختصمون ‏)‏ قال الزبير يا رسول الله أتكرر علينا الخصومة بعد الذي كان بيننا في الدنيا قال ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ فقال إن الأمر إذا لشديد ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩২৩৯

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا فضيل بن عياض، عن منصور، عن إبراهيم، عن عبيدة، عن عبد الله، قال فضحك النبي صلى الله عليه وسلم تعجبا وتصديقا ‏.‏ قال هذا حديث حسن صحيح ‏

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (ইয়াহুদীর কথায়) আশ্চর্য হয়ে এবং এর সমর্থন করে হেসে দিলেন। সহীহঃ প্রাগুক্ত।

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (ইয়াহুদীর কথায়) আশ্চর্য হয়ে এবং এর সমর্থন করে হেসে দিলেন। সহীহঃ প্রাগুক্ত।

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا فضيل بن عياض، عن منصور، عن إبراهيم، عن عبيدة، عن عبد الله، قال فضحك النبي صلى الله عليه وسلم تعجبا وتصديقا ‏.‏ قال هذا حديث حسن صحيح ‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩২৩৭

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا حبان بن هلال، وسليمان بن حرب، وحجاج بن منهال، قالوا حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن شهر بن حوشب، عن أسماء بنت يزيد، قالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرأ ‏:‏ ‏(‏يا عبادي الذين أسرفوا على أنفسهم لا تقنطوا من رحمة الله إن الله يغفر الذنوب جميعا ‏)‏ ولا يبالي ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث ثابت عن شهر بن حوشب ‏.‏ قال وشهر بن حوشب يروي عن أم سلمة الأنصارية وأم سلمة الأنصارية هي أسماء بنت يزيد ‏.‏

আসমা বিনতু ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ আয়াত পাঠ করতে শুনেছি : “হে আমার বান্দাগণ! তোমরা যারা নিজেদের উপর যুলুম করেছ, আল্লাহ তা’আলার রাহমাত হতে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা সকল গুনাহ মাফ করে দিবেন”। (সূরা: আয-যুমার -৫৩)। তিনি ( এ ব্যাপারে ) কারো ভয় করেন না।

আসমা বিনতু ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ আয়াত পাঠ করতে শুনেছি : “হে আমার বান্দাগণ! তোমরা যারা নিজেদের উপর যুলুম করেছ, আল্লাহ তা’আলার রাহমাত হতে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা সকল গুনাহ মাফ করে দিবেন”। (সূরা: আয-যুমার -৫৩)। তিনি ( এ ব্যাপারে ) কারো ভয় করেন না।

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا حبان بن هلال، وسليمان بن حرب، وحجاج بن منهال، قالوا حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن شهر بن حوشب، عن أسماء بنت يزيد، قالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرأ ‏:‏ ‏(‏يا عبادي الذين أسرفوا على أنفسهم لا تقنطوا من رحمة الله إن الله يغفر الذنوب جميعا ‏)‏ ولا يبالي ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث ثابت عن شهر بن حوشب ‏.‏ قال وشهر بن حوشب يروي عن أم سلمة الأنصارية وأم سلمة الأنصارية هي أسماء بنت يزيد ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩২৩৮

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا سفيان، حدثني منصور، وسليمان الأعمش، عن إبراهيم، عن عبيدة، عن عبد الله، قال جاء يهودي إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا محمد إن الله يمسك السموات على إصبع والأرضين على إصبع والجبال على إصبع والخلائق على إصبع ثم يقول أنا الملك ‏.‏ قال فضحك النبي صلى الله عليه وسلم حتى بدت نواجذه قال ‏:‏ ‏(‏وما قدروا الله حق قدره ‏)‏ ‏.‏ قال هذا حديث حسن صحيح ‏.‏

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন , জনৈক ইয়াহুদী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বলল, হে মুহাম্মাদ ! আল্লাহ তা’আলা আসমানসমূহ এক আঙ্গুলে, পাহাড়গুলা এক আঙ্গুলে , যামীনসমূহ এক আঙ্গুলে এবং অপরাপর সৃষ্টিকে এক আঙ্গুলে ধারন করে বলবেনঃ আমিই রাজাধিরাজ। বর্ণনাকারী বলেন, তার এ কথায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হেসে দিলেন, এমনকি তাঁর সামনের মাড়ির দাঁতগুলা প্রকাশ হয়ে পড়ল। তিনি বলেনঃ “ এই লোকেরা আল্লাহ তা’আলার যথোপযুক্ত কদর করল না। ক্বিয়ামাতের দিন গোটা পৃথিবী তাঁর মুঠোর মধ্যে আবদ্ধ থাকবে এবং আকাশমণ্ডলী তাঁর ডান হাতে ভাঁজ করা অবস্থায় থাকবে “—(সূরা যুমার ৬৭)। সহীহঃ আয যিলা-ল (৫৪১, ৫৪৪), বুখারী ও মুসলিম।

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন , জনৈক ইয়াহুদী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বলল, হে মুহাম্মাদ ! আল্লাহ তা’আলা আসমানসমূহ এক আঙ্গুলে, পাহাড়গুলা এক আঙ্গুলে , যামীনসমূহ এক আঙ্গুলে এবং অপরাপর সৃষ্টিকে এক আঙ্গুলে ধারন করে বলবেনঃ আমিই রাজাধিরাজ। বর্ণনাকারী বলেন, তার এ কথায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হেসে দিলেন, এমনকি তাঁর সামনের মাড়ির দাঁতগুলা প্রকাশ হয়ে পড়ল। তিনি বলেনঃ “ এই লোকেরা আল্লাহ তা’আলার যথোপযুক্ত কদর করল না। ক্বিয়ামাতের দিন গোটা পৃথিবী তাঁর মুঠোর মধ্যে আবদ্ধ থাকবে এবং আকাশমণ্ডলী তাঁর ডান হাতে ভাঁজ করা অবস্থায় থাকবে “—(সূরা যুমার ৬৭)। সহীহঃ আয যিলা-ল (৫৪১, ৫৪৪), বুখারী ও মুসলিম।

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا سفيان، حدثني منصور، وسليمان الأعمش، عن إبراهيم، عن عبيدة، عن عبد الله، قال جاء يهودي إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا محمد إن الله يمسك السموات على إصبع والأرضين على إصبع والجبال على إصبع والخلائق على إصبع ثم يقول أنا الملك ‏.‏ قال فضحك النبي صلى الله عليه وسلم حتى بدت نواجذه قال ‏:‏ ‏(‏وما قدروا الله حق قدره ‏)‏ ‏.‏ قال هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩২৪১

حدثنا سويد بن نصر، حدثنا عبد الله بن المبارك، عن عنبسة بن سعيد، عن حبيب بن أبي عمرة، عن مجاهد، قال قال ابن عباس أتدري ما سعة جهنم قلت لا ‏.‏ قال أجل والله ما تدري ‏.‏ حدثتني عائشة أنها سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن قوله ‏:‏ ‏(‏والأرض جميعا قبضته يوم القيامة والسموات مطويات بيمينه ‏)‏ قالت قلت فأين الناس يومئذ يا رسول الله قال ‏"‏ على جسر جهنم ‏"‏ ‏.‏ وفي الحديث قصة ‏.‏ قال هذا حديث حسن صحيح غريب من هذا الوجه ‏.‏

মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) (আমাকে) প্রশ্ন করেন, তুমি কি জান জাহান্নাম কত প্রশস্ত? আমি বললাম, না। তিনি বলেন, হাঁ! আল্লাহর শপথ! তুমি জান না। “‘আয়িশাহ (রাঃ) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে , তিনি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে নিম্নের আয়াত প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেছিলেন (অনুবাদ)ঃ “ক্বিয়ামাতের দিন সমস্ত পৃথিবী তাঁর কব্জার ভিতর থাকবে এবং আকাশমণ্ডলী তাঁর ডান হাতে গুটানো থাকবে” (সূরা যুমার ৬৭)। ‘‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমি প্রশ্ন করলাম, হে আল্লাহর রাসুল! সেদিন লোকেরা কোথায় থাকবে? তিনি বললেনঃ জাহান্নামের উপরকার পুলসিরাতের উপর।

মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) (আমাকে) প্রশ্ন করেন, তুমি কি জান জাহান্নাম কত প্রশস্ত? আমি বললাম, না। তিনি বলেন, হাঁ! আল্লাহর শপথ! তুমি জান না। “‘আয়িশাহ (রাঃ) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে , তিনি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে নিম্নের আয়াত প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেছিলেন (অনুবাদ)ঃ “ক্বিয়ামাতের দিন সমস্ত পৃথিবী তাঁর কব্জার ভিতর থাকবে এবং আকাশমণ্ডলী তাঁর ডান হাতে গুটানো থাকবে” (সূরা যুমার ৬৭)। ‘‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমি প্রশ্ন করলাম, হে আল্লাহর রাসুল! সেদিন লোকেরা কোথায় থাকবে? তিনি বললেনঃ জাহান্নামের উপরকার পুলসিরাতের উপর।

حدثنا سويد بن نصر، حدثنا عبد الله بن المبارك، عن عنبسة بن سعيد، عن حبيب بن أبي عمرة، عن مجاهد، قال قال ابن عباس أتدري ما سعة جهنم قلت لا ‏.‏ قال أجل والله ما تدري ‏.‏ حدثتني عائشة أنها سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن قوله ‏:‏ ‏(‏والأرض جميعا قبضته يوم القيامة والسموات مطويات بيمينه ‏)‏ قالت قلت فأين الناس يومئذ يا رسول الله قال ‏"‏ على جسر جهنم ‏"‏ ‏.‏ وفي الحديث قصة ‏.‏ قال هذا حديث حسن صحيح غريب من هذا الوجه ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩২৪০

حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، أخبرنا محمد بن الصلت، حدثنا أبو كدينة، عن عطاء بن السائب، عن أبي الضحى، عن ابن عباس، قال مر يهودي بالنبي صلى الله عليه وسلم فقال له النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا يهودي حدثنا ‏"‏ ‏.‏ فقال كيف تقول يا أبا القاسم إذا وضع الله السموات على ذه والأرضين على ذه والماء على ذه والجبال على ذه وسائر الخلق على ذه ‏.‏ وأشار أبو جعفر محمد بن الصلت بخنصره أولا ثم تابع حتى بلغ الإبهام فأنزل الله ‏:‏ ‏(‏وما قدروا الله حق قدره ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح لا نعرفه من حديث ابن عباس إلا من هذا الوجه ‏.‏ وأبو كدينة اسمه يحيى بن المهلب قال رأيت محمد بن إسماعيل روى هذا الحديث عن الحسن بن شجاع عن محمد بن الصلت ‏.

ইবনু আব্বাস (রা:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ এক ইয়াহূদী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)র নিকট দিয়ে যাচ্ছিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ হে ইয়াহুদী! কিছু শুনাও। সে বলল, হে আবুল কাসিম! যখন আল্লাহ তা’আলা আকাশসমূহ এক আঙ্গুলে, যমিনসমূহ এক আঙ্গুলে, পানি এক আঙ্গুলে, পাহাড়গুলো এক আঙ্গুলে এবং আর সকল সৃষ্টি এক আঙ্গুলে ধারণ করবেন এ প্রসঙ্গে আপনি কি বলেন? রাবী আবূ জাফর মুহাম্মাদ ইবনুস সালত তার হাত মুষ্টিবদ্ধ করে কনিষ্ঠা হতে বৃদ্ধা আঙ্গুলী পর্যন্ত ইঙ্গিত করে দেখালেন। এ প্রসঙ্গেই আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন : “এই লোকেরা আল্লাহর প্রতি যতটুকু মর্যাদা দেয়া উচিত, তারা তাঁকে তা দেয়নি”। (সূরা আয-যুমার --৬৭)। যইফ, প্রাগুক্ত

ইবনু আব্বাস (রা:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ এক ইয়াহূদী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)র নিকট দিয়ে যাচ্ছিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ হে ইয়াহুদী! কিছু শুনাও। সে বলল, হে আবুল কাসিম! যখন আল্লাহ তা’আলা আকাশসমূহ এক আঙ্গুলে, যমিনসমূহ এক আঙ্গুলে, পানি এক আঙ্গুলে, পাহাড়গুলো এক আঙ্গুলে এবং আর সকল সৃষ্টি এক আঙ্গুলে ধারণ করবেন এ প্রসঙ্গে আপনি কি বলেন? রাবী আবূ জাফর মুহাম্মাদ ইবনুস সালত তার হাত মুষ্টিবদ্ধ করে কনিষ্ঠা হতে বৃদ্ধা আঙ্গুলী পর্যন্ত ইঙ্গিত করে দেখালেন। এ প্রসঙ্গেই আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন : “এই লোকেরা আল্লাহর প্রতি যতটুকু মর্যাদা দেয়া উচিত, তারা তাঁকে তা দেয়নি”। (সূরা আয-যুমার --৬৭)। যইফ, প্রাগুক্ত

حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، أخبرنا محمد بن الصلت، حدثنا أبو كدينة، عن عطاء بن السائب، عن أبي الضحى، عن ابن عباس، قال مر يهودي بالنبي صلى الله عليه وسلم فقال له النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا يهودي حدثنا ‏"‏ ‏.‏ فقال كيف تقول يا أبا القاسم إذا وضع الله السموات على ذه والأرضين على ذه والماء على ذه والجبال على ذه وسائر الخلق على ذه ‏.‏ وأشار أبو جعفر محمد بن الصلت بخنصره أولا ثم تابع حتى بلغ الإبهام فأنزل الله ‏:‏ ‏(‏وما قدروا الله حق قدره ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح لا نعرفه من حديث ابن عباس إلا من هذا الوجه ‏.‏ وأبو كدينة اسمه يحيى بن المهلب قال رأيت محمد بن إسماعيل روى هذا الحديث عن الحسن بن شجاع عن محمد بن الصلت ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩২৪২

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن داود بن أبي هند، عن الشعبي، عن مسروق، عن عائشة، أنها قالت يا رسول الله ‏:‏ ‏(‏والأرض جميعا قبضته يوم القيامة والسموات مطويات بيمينه ‏)‏ فأين المؤمنون يومئذ قال ‏"‏ على الصراط يا عائشة ‏"‏ ‏.‏ هذا حديث حسن صحيح ‏.

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! “ক্বিয়ামাতের দিন সমস্ত পৃথিবী তাঁর হাতের মুষ্টিতে এবং আকাশমণ্ডলী থাকবে তাঁর ডান হাতে ভাঁজ করা অবস্থায়”– (সূরা যুমার ৬৭), সেদিন মুমিনগণ কোথায় থাকবে? তিনি বললেনঃ হে ‘আয়িশাহ! পুলসিরাতের উপর। সহীহঃ দেখুন পূর্বের হাদীস।

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! “ক্বিয়ামাতের দিন সমস্ত পৃথিবী তাঁর হাতের মুষ্টিতে এবং আকাশমণ্ডলী থাকবে তাঁর ডান হাতে ভাঁজ করা অবস্থায়”– (সূরা যুমার ৬৭), সেদিন মুমিনগণ কোথায় থাকবে? তিনি বললেনঃ হে ‘আয়িশাহ! পুলসিরাতের উপর। সহীহঃ দেখুন পূর্বের হাদীস।

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن داود بن أبي هند، عن الشعبي، عن مسروق، عن عائشة، أنها قالت يا رسول الله ‏:‏ ‏(‏والأرض جميعا قبضته يوم القيامة والسموات مطويات بيمينه ‏)‏ فأين المؤمنون يومئذ قال ‏"‏ على الصراط يا عائشة ‏"‏ ‏.‏ هذا حديث حسن صحيح ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩২৪৩

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن مطرف، عن عطية العوفي، عن أبي سعيد الخدري، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ كيف أنعم وقد التقم صاحب القرن القرن وحنى جبهته وأصغى سمعه ينتظر أن يؤمر أن ينفخ فينفخ ‏"‏ ‏.‏ قال المسلمون فكيف نقول يا رسول الله قال ‏"‏ قولوا حسبنا الله ونعم الوكيل توكلنا على الله ربنا ‏"‏ ‏.‏ وربما قال سفيان على الله توكلنا ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن ‏.‏ وقد رواه الأعمش أيضا عن عطية عن أبي سعيد ‏.‏

আবু সা’ঈদ আল–খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শিঙ্গা ফুঁৎকারকারী মুখে শিঙ্গা নিয়ে মাথা ঝুঁকিয়ে কান খাঁড়া করে অপেক্ষায় আছেন, শিঙ্গায় ফুঁ দেয়ার আদেশ পাওয়া মাত্র তিনি ফুঁ দিবেন, এ অবস্হায় আমি কিভাবে নিশ্চিন্তে আরামে বসে থাকতে পারি? মুসলিমরা বলল, হে আল্লাহর রাসুল! আমরা কিভাবে দু’আ করব? তিনি বললেনঃ “হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি’মাল ওয়াকীল, তাওয়াককালনা আলাল্লাহি রাব্বিনা” আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, তিনিই আমাদের অতি উত্তম অভিভাবক, আমরা আমাদের রব আল্লাহ তা’আলার উপর নির্ভর করি। সুফইয়ান তার বর্ণনায় কখনো, “তাওয়াককালনা আলাল্লাহ” এর পরিবর্তে “আলাল্লাহি তাওয়াককালনা” বর্ণনা করেছেন। সহীহঃ সহীহাহ (১০৭৮, ১০৭৯)

আবু সা’ঈদ আল–খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শিঙ্গা ফুঁৎকারকারী মুখে শিঙ্গা নিয়ে মাথা ঝুঁকিয়ে কান খাঁড়া করে অপেক্ষায় আছেন, শিঙ্গায় ফুঁ দেয়ার আদেশ পাওয়া মাত্র তিনি ফুঁ দিবেন, এ অবস্হায় আমি কিভাবে নিশ্চিন্তে আরামে বসে থাকতে পারি? মুসলিমরা বলল, হে আল্লাহর রাসুল! আমরা কিভাবে দু’আ করব? তিনি বললেনঃ “হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি’মাল ওয়াকীল, তাওয়াককালনা আলাল্লাহি রাব্বিনা” আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, তিনিই আমাদের অতি উত্তম অভিভাবক, আমরা আমাদের রব আল্লাহ তা’আলার উপর নির্ভর করি। সুফইয়ান তার বর্ণনায় কখনো, “তাওয়াককালনা আলাল্লাহ” এর পরিবর্তে “আলাল্লাহি তাওয়াককালনা” বর্ণনা করেছেন। সহীহঃ সহীহাহ (১০৭৮, ১০৭৯)

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن مطرف، عن عطية العوفي، عن أبي سعيد الخدري، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ كيف أنعم وقد التقم صاحب القرن القرن وحنى جبهته وأصغى سمعه ينتظر أن يؤمر أن ينفخ فينفخ ‏"‏ ‏.‏ قال المسلمون فكيف نقول يا رسول الله قال ‏"‏ قولوا حسبنا الله ونعم الوكيل توكلنا على الله ربنا ‏"‏ ‏.‏ وربما قال سفيان على الله توكلنا ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن ‏.‏ وقد رواه الأعمش أيضا عن عطية عن أبي سعيد ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩২৪৪

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، أخبرنا سليمان التيمي، عن أسلم العجلي، عن بشر بن شغاف، عن عبد الله بن عمرو، رضي الله عنهما قال قال أعرابي يا رسول الله ما الصور قال ‏ "‏ قرن ينفخ فيه ‏"‏ ‏.‏ قال هذا حديث حسن إنما نعرفه من حديث سليمان التيمي ‏.

আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক বেদুঈন বলল, হে আল্লাহর রাসুল! ‘সূর’ কি? তিনি বললেনঃ একটি শিং, তাতে ফুঁ দেয়া হবে। সহীহঃ সহীহাহ (১০৮০)।

আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক বেদুঈন বলল, হে আল্লাহর রাসুল! ‘সূর’ কি? তিনি বললেনঃ একটি শিং, তাতে ফুঁ দেয়া হবে। সহীহঃ সহীহাহ (১০৮০)।

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، أخبرنا سليمان التيمي، عن أسلم العجلي، عن بشر بن شغاف، عن عبد الله بن عمرو، رضي الله عنهما قال قال أعرابي يا رسول الله ما الصور قال ‏ "‏ قرن ينفخ فيه ‏"‏ ‏.‏ قال هذا حديث حسن إنما نعرفه من حديث سليمان التيمي ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩২৪৫

حدثنا أبو كريب، حدثنا عبدة بن سليمان، حدثنا محمد بن عمرو، حدثنا أبو سلمة، عن أبي هريرة، قال قال يهودي بسوق المدينة لا والذي اصطفى موسى على البشر ‏.‏ قال فرفع رجل من الأنصار يده فصك بها وجهه قال تقول هذا وفينا نبي الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏(‏ ونفخ في الصور فصعق من في السموات ومن في الأرض إلا من شاء الله ثم نفخ فيه أخرى فإذا هم قيام ينظرون ‏)‏ فأكون أول من رفع رأسه فإذا موسى آخذ بقائمة من قوائم العرش فلا أدري أرفع رأسه قبلي أو كان ممن استثنى الله ومن قال أنا خير من يونس بن متى فقد كذب ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏

আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ইয়াহুদী মাদীনার বাজারে উচ্চৈঃস্বরে বললঃ না! সেই সৃষ্টিকর্তার শপথ, যিনি মুসাকে মানবজাতির উপর মর্যাদা দিয়েছেন। বর্ণনাকারী বলেন, এক আনসার লোক এ কথা শুনার সাথে সাথে হাত তুলে ইয়াহুদীর মুখে থাপ্পর মেরে দেয়। সে বলল, তুমি এ কথা বলছ, অথচ আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মধ্যে বর্তমান আছেন? (উভয়ে মহানবীর নিকট উপস্থিত হলে) রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “আর শিঙ্গায় ফুঁ দেয়া হবে। তখন আসমান-জমীনের সকলে মূর্ছিত হয়ে পরবে, আল্লাহ তা’আলা যাকে জ্যান্ত রাখতে চান সে ছাড়া। তারপর আবার শিঙ্গায় ফুঁ দেয়া হবে। সহসা তারা দন্ডায়মান হয়ে তাকাতে থাকবে” (সূরা যুমার ৬৮)। আমিই সবার আগে মাথা তুলে দেখতে পাবো যে, মুসা (আঃ) আরশের পায়াসমুহের একটি ধরে আছেন। আমি জানি না, তিনি কি আমার আগে মাথা তুলেছেন, না তিনি ঐ সব লোকের দলে যাদেরকে আল্লাহ তা’আলা (জ্ঞানশূন্য হওয়া হতে) মুক্ত রেখেছেন। যে লোক বলে যে, আমি ইউনুস ইবনু মাত্তা (আঃ) এর চেয়ে শ্রেষ্ঠ সে মিথ্যা বলে। হাসান সহীহঃ তাখরীজুত তাহবিয়াহ (১৬২), বুখারী অনুরুপ বর্ণনা করেছেন।

আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ইয়াহুদী মাদীনার বাজারে উচ্চৈঃস্বরে বললঃ না! সেই সৃষ্টিকর্তার শপথ, যিনি মুসাকে মানবজাতির উপর মর্যাদা দিয়েছেন। বর্ণনাকারী বলেন, এক আনসার লোক এ কথা শুনার সাথে সাথে হাত তুলে ইয়াহুদীর মুখে থাপ্পর মেরে দেয়। সে বলল, তুমি এ কথা বলছ, অথচ আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মধ্যে বর্তমান আছেন? (উভয়ে মহানবীর নিকট উপস্থিত হলে) রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “আর শিঙ্গায় ফুঁ দেয়া হবে। তখন আসমান-জমীনের সকলে মূর্ছিত হয়ে পরবে, আল্লাহ তা’আলা যাকে জ্যান্ত রাখতে চান সে ছাড়া। তারপর আবার শিঙ্গায় ফুঁ দেয়া হবে। সহসা তারা দন্ডায়মান হয়ে তাকাতে থাকবে” (সূরা যুমার ৬৮)। আমিই সবার আগে মাথা তুলে দেখতে পাবো যে, মুসা (আঃ) আরশের পায়াসমুহের একটি ধরে আছেন। আমি জানি না, তিনি কি আমার আগে মাথা তুলেছেন, না তিনি ঐ সব লোকের দলে যাদেরকে আল্লাহ তা’আলা (জ্ঞানশূন্য হওয়া হতে) মুক্ত রেখেছেন। যে লোক বলে যে, আমি ইউনুস ইবনু মাত্তা (আঃ) এর চেয়ে শ্রেষ্ঠ সে মিথ্যা বলে। হাসান সহীহঃ তাখরীজুত তাহবিয়াহ (১৬২), বুখারী অনুরুপ বর্ণনা করেছেন।

حدثنا أبو كريب، حدثنا عبدة بن سليمان، حدثنا محمد بن عمرو، حدثنا أبو سلمة، عن أبي هريرة، قال قال يهودي بسوق المدينة لا والذي اصطفى موسى على البشر ‏.‏ قال فرفع رجل من الأنصار يده فصك بها وجهه قال تقول هذا وفينا نبي الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏(‏ ونفخ في الصور فصعق من في السموات ومن في الأرض إلا من شاء الله ثم نفخ فيه أخرى فإذا هم قيام ينظرون ‏)‏ فأكون أول من رفع رأسه فإذا موسى آخذ بقائمة من قوائم العرش فلا أدري أرفع رأسه قبلي أو كان ممن استثنى الله ومن قال أنا خير من يونس بن متى فقد كذب ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩২৪৫

حدثنا أبو كريب، حدثنا عبدة بن سليمان، حدثنا محمد بن عمرو، حدثنا أبو سلمة، عن أبي هريرة، قال قال يهودي بسوق المدينة لا والذي اصطفى موسى على البشر ‏.‏ قال فرفع رجل من الأنصار يده فصك بها وجهه قال تقول هذا وفينا نبي الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏(‏ ونفخ في الصور فصعق من في السموات ومن في الأرض إلا من شاء الله ثم نفخ فيه أخرى فإذا هم قيام ينظرون ‏)‏ فأكون أول من رفع رأسه فإذا موسى آخذ بقائمة من قوائم العرش فلا أدري أرفع رأسه قبلي أو كان ممن استثنى الله ومن قال أنا خير من يونس بن متى فقد كذب ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏

আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ইয়াহুদী মাদীনার বাজারে উচ্চৈঃস্বরে বললঃ না! সেই সৃষ্টিকর্তার শপথ, যিনি মুসাকে মানবজাতির উপর মর্যাদা দিয়েছেন। বর্ণনাকারী বলেন, এক আনসার লোক এ কথা শুনার সাথে সাথে হাত তুলে ইয়াহুদীর মুখে থাপ্পর মেরে দেয়। সে বলল, তুমি এ কথা বলছ, অথচ আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মধ্যে বর্তমান আছেন? (উভয়ে মহানবীর নিকট উপস্থিত হলে) রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “আর শিঙ্গায় ফুঁ দেয়া হবে। তখন আসমান-জমীনের সকলে মূর্ছিত হয়ে পরবে, আল্লাহ তা’আলা যাকে জ্যান্ত রাখতে চান সে ছাড়া। তারপর আবার শিঙ্গায় ফুঁ দেয়া হবে। সহসা তারা দন্ডায়মান হয়ে তাকাতে থাকবে” (সূরা যুমার ৬৮)। আমিই সবার আগে মাথা তুলে দেখতে পাবো যে, মুসা (আঃ) আরশের পায়াসমুহের একটি ধরে আছেন। আমি জানি না, তিনি কি আমার আগে মাথা তুলেছেন, না তিনি ঐ সব লোকের দলে যাদেরকে আল্লাহ তা’আলা (জ্ঞানশূন্য হওয়া হতে) মুক্ত রেখেছেন। যে লোক বলে যে, আমি ইউনুস ইবনু মাত্তা (আঃ) এর চেয়ে শ্রেষ্ঠ সে মিথ্যা বলে। হাসান সহীহঃ তাখরীজুত তাহবিয়াহ (১৬২), বুখারী অনুরুপ বর্ণনা করেছেন।

আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ইয়াহুদী মাদীনার বাজারে উচ্চৈঃস্বরে বললঃ না! সেই সৃষ্টিকর্তার শপথ, যিনি মুসাকে মানবজাতির উপর মর্যাদা দিয়েছেন। বর্ণনাকারী বলেন, এক আনসার লোক এ কথা শুনার সাথে সাথে হাত তুলে ইয়াহুদীর মুখে থাপ্পর মেরে দেয়। সে বলল, তুমি এ কথা বলছ, অথচ আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মধ্যে বর্তমান আছেন? (উভয়ে মহানবীর নিকট উপস্থিত হলে) রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “আর শিঙ্গায় ফুঁ দেয়া হবে। তখন আসমান-জমীনের সকলে মূর্ছিত হয়ে পরবে, আল্লাহ তা’আলা যাকে জ্যান্ত রাখতে চান সে ছাড়া। তারপর আবার শিঙ্গায় ফুঁ দেয়া হবে। সহসা তারা দন্ডায়মান হয়ে তাকাতে থাকবে” (সূরা যুমার ৬৮)। আমিই সবার আগে মাথা তুলে দেখতে পাবো যে, মুসা (আঃ) আরশের পায়াসমুহের একটি ধরে আছেন। আমি জানি না, তিনি কি আমার আগে মাথা তুলেছেন, না তিনি ঐ সব লোকের দলে যাদেরকে আল্লাহ তা’আলা (জ্ঞানশূন্য হওয়া হতে) মুক্ত রেখেছেন। যে লোক বলে যে, আমি ইউনুস ইবনু মাত্তা (আঃ) এর চেয়ে শ্রেষ্ঠ সে মিথ্যা বলে। হাসান সহীহঃ তাখরীজুত তাহবিয়াহ (১৬২), বুখারী অনুরুপ বর্ণনা করেছেন।

حدثنا أبو كريب، حدثنا عبدة بن سليمان، حدثنا محمد بن عمرو، حدثنا أبو سلمة، عن أبي هريرة، قال قال يهودي بسوق المدينة لا والذي اصطفى موسى على البشر ‏.‏ قال فرفع رجل من الأنصار يده فصك بها وجهه قال تقول هذا وفينا نبي الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏(‏ ونفخ في الصور فصعق من في السموات ومن في الأرض إلا من شاء الله ثم نفخ فيه أخرى فإذا هم قيام ينظرون ‏)‏ فأكون أول من رفع رأسه فإذا موسى آخذ بقائمة من قوائم العرش فلا أدري أرفع رأسه قبلي أو كان ممن استثنى الله ومن قال أنا خير من يونس بن متى فقد كذب ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩২৪৫

حدثنا أبو كريب، حدثنا عبدة بن سليمان، حدثنا محمد بن عمرو، حدثنا أبو سلمة، عن أبي هريرة، قال قال يهودي بسوق المدينة لا والذي اصطفى موسى على البشر ‏.‏ قال فرفع رجل من الأنصار يده فصك بها وجهه قال تقول هذا وفينا نبي الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏(‏ ونفخ في الصور فصعق من في السموات ومن في الأرض إلا من شاء الله ثم نفخ فيه أخرى فإذا هم قيام ينظرون ‏)‏ فأكون أول من رفع رأسه فإذا موسى آخذ بقائمة من قوائم العرش فلا أدري أرفع رأسه قبلي أو كان ممن استثنى الله ومن قال أنا خير من يونس بن متى فقد كذب ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏

আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ইয়াহুদী মাদীনার বাজারে উচ্চৈঃস্বরে বললঃ না! সেই সৃষ্টিকর্তার শপথ, যিনি মুসাকে মানবজাতির উপর মর্যাদা দিয়েছেন। বর্ণনাকারী বলেন, এক আনসার লোক এ কথা শুনার সাথে সাথে হাত তুলে ইয়াহুদীর মুখে থাপ্পর মেরে দেয়। সে বলল, তুমি এ কথা বলছ, অথচ আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মধ্যে বর্তমান আছেন? (উভয়ে মহানবীর নিকট উপস্থিত হলে) রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “আর শিঙ্গায় ফুঁ দেয়া হবে। তখন আসমান-জমীনের সকলে মূর্ছিত হয়ে পরবে, আল্লাহ তা’আলা যাকে জ্যান্ত রাখতে চান সে ছাড়া। তারপর আবার শিঙ্গায় ফুঁ দেয়া হবে। সহসা তারা দন্ডায়মান হয়ে তাকাতে থাকবে” (সূরা যুমার ৬৮)। আমিই সবার আগে মাথা তুলে দেখতে পাবো যে, মুসা (আঃ) আরশের পায়াসমুহের একটি ধরে আছেন। আমি জানি না, তিনি কি আমার আগে মাথা তুলেছেন, না তিনি ঐ সব লোকের দলে যাদেরকে আল্লাহ তা’আলা (জ্ঞানশূন্য হওয়া হতে) মুক্ত রেখেছেন। যে লোক বলে যে, আমি ইউনুস ইবনু মাত্তা (আঃ) এর চেয়ে শ্রেষ্ঠ সে মিথ্যা বলে। হাসান সহীহঃ তাখরীজুত তাহবিয়াহ (১৬২), বুখারী অনুরুপ বর্ণনা করেছেন।

আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ইয়াহুদী মাদীনার বাজারে উচ্চৈঃস্বরে বললঃ না! সেই সৃষ্টিকর্তার শপথ, যিনি মুসাকে মানবজাতির উপর মর্যাদা দিয়েছেন। বর্ণনাকারী বলেন, এক আনসার লোক এ কথা শুনার সাথে সাথে হাত তুলে ইয়াহুদীর মুখে থাপ্পর মেরে দেয়। সে বলল, তুমি এ কথা বলছ, অথচ আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মধ্যে বর্তমান আছেন? (উভয়ে মহানবীর নিকট উপস্থিত হলে) রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “আর শিঙ্গায় ফুঁ দেয়া হবে। তখন আসমান-জমীনের সকলে মূর্ছিত হয়ে পরবে, আল্লাহ তা’আলা যাকে জ্যান্ত রাখতে চান সে ছাড়া। তারপর আবার শিঙ্গায় ফুঁ দেয়া হবে। সহসা তারা দন্ডায়মান হয়ে তাকাতে থাকবে” (সূরা যুমার ৬৮)। আমিই সবার আগে মাথা তুলে দেখতে পাবো যে, মুসা (আঃ) আরশের পায়াসমুহের একটি ধরে আছেন। আমি জানি না, তিনি কি আমার আগে মাথা তুলেছেন, না তিনি ঐ সব লোকের দলে যাদেরকে আল্লাহ তা’আলা (জ্ঞানশূন্য হওয়া হতে) মুক্ত রেখেছেন। যে লোক বলে যে, আমি ইউনুস ইবনু মাত্তা (আঃ) এর চেয়ে শ্রেষ্ঠ সে মিথ্যা বলে। হাসান সহীহঃ তাখরীজুত তাহবিয়াহ (১৬২), বুখারী অনুরুপ বর্ণনা করেছেন।

حدثنا أبو كريب، حدثنا عبدة بن سليمان، حدثنا محمد بن عمرو، حدثنا أبو سلمة، عن أبي هريرة، قال قال يهودي بسوق المدينة لا والذي اصطفى موسى على البشر ‏.‏ قال فرفع رجل من الأنصار يده فصك بها وجهه قال تقول هذا وفينا نبي الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏(‏ ونفخ في الصور فصعق من في السموات ومن في الأرض إلا من شاء الله ثم نفخ فيه أخرى فإذا هم قيام ينظرون ‏)‏ فأكون أول من رفع رأسه فإذا موسى آخذ بقائمة من قوائم العرش فلا أدري أرفع رأسه قبلي أو كان ممن استثنى الله ومن قال أنا خير من يونس بن متى فقد كذب ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩২৪৬

حدثنا محمود بن غيلان، وغير، واحد، قالوا حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا الثوري، أخبرني أبو إسحاق، أن الأغر أبا مسلم، حدثه عن أبي سعيد، وأبي، هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ ينادي مناد إن لكم أن تحيوا فلا تموتوا أبدا وإن لكم أن تصحوا فلا تسقموا أبدا وإن لكم أن تشبوا فلا تهرموا أبدا وإن لكم أن تنعموا فلا تبأسوا أبدا ‏"‏ ‏.‏ فذلك قوله تعالى ‏:‏ ‏(‏تلك الجنة التي أورثتموها بما كنتم تعملون ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى وروى ابن المبارك وغيره هذا الحديث عن الثوري ولم يرفعوه ‏.

আবু সা’ঈদ ও আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ একজন ঘোষক (জান্নাতের মধ্যে) ঘোষণা দিবে, এখন হতে তোমরা জীবিত থাকবে, আর কখনো মরবে না। তোমরা সুস্থ থাকবে, কখনো অসুস্থ হবে না। তোমরা যুবক থাকবে, কখনো বৃদ্ধ হবে না। তোমরা অফুরন্ত ভোগবিলাসের ভিতর থাকবে, অভাব-অনটন কখনো তোমাদের স্পর্শ করবে না। এটাই আল্লাহ তা’আলার নিম্নোক্ত বাণীর তাৎপর্যঃ “তোমরা পার্থিব জীবনে যেসব কাজ করেছ তার বিনিময়ে এ জান্নাতের উত্তরাধিকারী হলে” –(সূরা যুখরুফ ৭২)। সহীহঃ মুসলিম (৮/১৪৮)

আবু সা’ঈদ ও আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ একজন ঘোষক (জান্নাতের মধ্যে) ঘোষণা দিবে, এখন হতে তোমরা জীবিত থাকবে, আর কখনো মরবে না। তোমরা সুস্থ থাকবে, কখনো অসুস্থ হবে না। তোমরা যুবক থাকবে, কখনো বৃদ্ধ হবে না। তোমরা অফুরন্ত ভোগবিলাসের ভিতর থাকবে, অভাব-অনটন কখনো তোমাদের স্পর্শ করবে না। এটাই আল্লাহ তা’আলার নিম্নোক্ত বাণীর তাৎপর্যঃ “তোমরা পার্থিব জীবনে যেসব কাজ করেছ তার বিনিময়ে এ জান্নাতের উত্তরাধিকারী হলে” –(সূরা যুখরুফ ৭২)। সহীহঃ মুসলিম (৮/১৪৮)

حدثنا محمود بن غيلان، وغير، واحد، قالوا حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا الثوري، أخبرني أبو إسحاق، أن الأغر أبا مسلم، حدثه عن أبي سعيد، وأبي، هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ ينادي مناد إن لكم أن تحيوا فلا تموتوا أبدا وإن لكم أن تصحوا فلا تسقموا أبدا وإن لكم أن تشبوا فلا تهرموا أبدا وإن لكم أن تنعموا فلا تبأسوا أبدا ‏"‏ ‏.‏ فذلك قوله تعالى ‏:‏ ‏(‏تلك الجنة التي أورثتموها بما كنتم تعملون ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى وروى ابن المبارك وغيره هذا الحديث عن الثوري ولم يرفعوه ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00