জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আল-মালায়িকাহ্ (আল-ফাত্বির)
জামে' আত-তিরমিজি ৩২২৫
حدثنا أبو موسى، محمد بن المثنى ومحمد بن بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن الوليد بن عيزار، أنه سمع رجلا، من ثقيف يحدث عن رجل، من كنانة عن أبي سعيد الخدري، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال في هذه الآية : (ثم أورثنا الكتاب الذين اصطفينا من عبادنا فمنهم ظالم لنفسه ومنهم مقتصد ومنهم سابق بالخيرات ) قال " هؤلاء كلهم بمنزلة واحدة وكلهم في الجنة " . قال هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من هذا الوجه .
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ (অনুবাদ) “তারপর আমাদের বান্দাদের ভিতর হতে বাছাই করা ব্যক্তিদেরকে আমরা এ কিতাবের উত্তরাধিকারী বানিয়েছি। তাদের কেউ নিজেদের উপরই যুল্মকারী হয়েছে, কেউ মধ্যম পন্থা অবলম্বন করেছে এবং কেউ আল্লাহ তা‘আলার অনুমতিক্রমে নেক কাজসমুহে অগ্রগামী হয়েছে” – (সূরা ফাত্বির ৩২)। এ প্রসঙ্গে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এ আয়াতে বর্ণিত তিন শ্রেণীর ব্যক্তিরা একই মর্যাদা সম্পন্ন (মু’মিন) এবং এরা সকলেই জান্নাতবাসী।
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ (অনুবাদ) “তারপর আমাদের বান্দাদের ভিতর হতে বাছাই করা ব্যক্তিদেরকে আমরা এ কিতাবের উত্তরাধিকারী বানিয়েছি। তাদের কেউ নিজেদের উপরই যুল্মকারী হয়েছে, কেউ মধ্যম পন্থা অবলম্বন করেছে এবং কেউ আল্লাহ তা‘আলার অনুমতিক্রমে নেক কাজসমুহে অগ্রগামী হয়েছে” – (সূরা ফাত্বির ৩২)। এ প্রসঙ্গে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এ আয়াতে বর্ণিত তিন শ্রেণীর ব্যক্তিরা একই মর্যাদা সম্পন্ন (মু’মিন) এবং এরা সকলেই জান্নাতবাসী।
حدثنا أبو موسى، محمد بن المثنى ومحمد بن بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن الوليد بن عيزار، أنه سمع رجلا، من ثقيف يحدث عن رجل، من كنانة عن أبي سعيد الخدري، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال في هذه الآية : (ثم أورثنا الكتاب الذين اصطفينا من عبادنا فمنهم ظالم لنفسه ومنهم مقتصد ومنهم سابق بالخيرات ) قال " هؤلاء كلهم بمنزلة واحدة وكلهم في الجنة " . قال هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من هذا الوجه .
জামে' আত-তিরমিজি > সূরা ইয়াসীন
জামে' আত-তিরমিজি ৩২২৬
حدثنا محمد بن وزير الواسطي، حدثنا إسحاق بن يوسف الأزرق، عن سفيان الثوري، عن أبي سفيان، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد الخدري، قال كانت بنو سلمة في ناحية المدينة فأرادوا النقلة إلى قرب المسجد فنزلت هذه الآية : (إنا نحن نحيي الموتى ونكتب ما قدموا وآثارهم ) فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن آثاركم تكتب " . فلم ينتقلوا . قال هذا حديث حسن غريب من حديث الثوري وأبو سفيان هو طريف السعدي .
আবূ সা‘ঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বানূ সালিমাহ্ বংশের বসতি মাদীনার এক পাশে ছিল। তারা সেখান হতে তাদের বসতি তুলে মাসজিদে নাবাবীর নিকট চলে আসার সিদ্ধান্ত নেয়। এই কারণে এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ)ঃ “আমরা নিশ্চয়ই মৃতকে জীবিত করি এবং তারা যা আগে পাঠায় আর যা পিছনে রেখে যায় আমরা তা লিখে রাখি” – (সূরা ইয়াসীন ১২)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের পদচিহ্ন লেখা হবে। অতএব তোমরা বসতি স্থানান্তর করো না। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (৭৮৫)
আবূ সা‘ঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বানূ সালিমাহ্ বংশের বসতি মাদীনার এক পাশে ছিল। তারা সেখান হতে তাদের বসতি তুলে মাসজিদে নাবাবীর নিকট চলে আসার সিদ্ধান্ত নেয়। এই কারণে এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ)ঃ “আমরা নিশ্চয়ই মৃতকে জীবিত করি এবং তারা যা আগে পাঠায় আর যা পিছনে রেখে যায় আমরা তা লিখে রাখি” – (সূরা ইয়াসীন ১২)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের পদচিহ্ন লেখা হবে। অতএব তোমরা বসতি স্থানান্তর করো না। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (৭৮৫)
حدثنا محمد بن وزير الواسطي، حدثنا إسحاق بن يوسف الأزرق، عن سفيان الثوري، عن أبي سفيان، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد الخدري، قال كانت بنو سلمة في ناحية المدينة فأرادوا النقلة إلى قرب المسجد فنزلت هذه الآية : (إنا نحن نحيي الموتى ونكتب ما قدموا وآثارهم ) فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن آثاركم تكتب " . فلم ينتقلوا . قال هذا حديث حسن غريب من حديث الثوري وأبو سفيان هو طريف السعدي .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২২৭
حدثنا هناد، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، عن أبي ذر، قال دخلت المسجد حين غابت الشمس والنبي صلى الله عليه وسلم جالس فقال النبي صلى الله عليه وسلم " أتدري يا أبا ذر أين تذهب هذه " . قال قلت الله ورسوله أعلم . قال " فإنها تذهب فتستأذن في السجود فيؤذن لها وكأنها قد قيل لها اطلعي من حيث جئت فتطلع من مغربها " . قال ثم قرأ : (وذلك مستقر لها ) قال وذلك قراءة عبد الله . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সূর্য ডুবার সময় আমি মাসজিদে ঢুকলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন (মাসজিদে) বসা ছিলেন। তিনি বললেনঃ হে আবূ যার! তুমি কি জান, এটা (সূর্য) কোথায় যায়? বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেনঃ এটা গিয়ে সাজদাহ্র অনুমতি প্রার্থনা করে। তাকে সাজদাহ্র অনুমতি দেয়া হয়। এমন এক দিন আসবে যখন তাকে বলা হবে, তুমি যেখানে এসেছ সেখান হতে উদিত হও। অতএব তা অস্ত যাওয়ার স্থান হতে উদিত হবে। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর তিনি পড়েনঃ “এটাই তার একমাত্র আশ্রয়স্থল” – (সূরা ইয়াসীন ৩৮)। বর্ণনাকারী বলেন, এটা ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদের ক্বিরাআত। সহীহঃ বুখারী, এটি (২১৮৬) নং হাদীসের পুনরাবৃত্তি।
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সূর্য ডুবার সময় আমি মাসজিদে ঢুকলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন (মাসজিদে) বসা ছিলেন। তিনি বললেনঃ হে আবূ যার! তুমি কি জান, এটা (সূর্য) কোথায় যায়? বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেনঃ এটা গিয়ে সাজদাহ্র অনুমতি প্রার্থনা করে। তাকে সাজদাহ্র অনুমতি দেয়া হয়। এমন এক দিন আসবে যখন তাকে বলা হবে, তুমি যেখানে এসেছ সেখান হতে উদিত হও। অতএব তা অস্ত যাওয়ার স্থান হতে উদিত হবে। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর তিনি পড়েনঃ “এটাই তার একমাত্র আশ্রয়স্থল” – (সূরা ইয়াসীন ৩৮)। বর্ণনাকারী বলেন, এটা ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদের ক্বিরাআত। সহীহঃ বুখারী, এটি (২১৮৬) নং হাদীসের পুনরাবৃত্তি।
حدثنا هناد، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، عن أبي ذر، قال دخلت المسجد حين غابت الشمس والنبي صلى الله عليه وسلم جالس فقال النبي صلى الله عليه وسلم " أتدري يا أبا ذر أين تذهب هذه " . قال قلت الله ورسوله أعلم . قال " فإنها تذهب فتستأذن في السجود فيؤذن لها وكأنها قد قيل لها اطلعي من حيث جئت فتطلع من مغربها " . قال ثم قرأ : (وذلك مستقر لها ) قال وذلك قراءة عبد الله . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আস-সাফ্ফাত
জামে' আত-তিরমিজি ৩২২৮
حدثنا أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا معتمر بن سليمان، حدثنا ليث بن أبي سليم، عن بشر، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما من داع دعا إلى شيء إلا كان موقوفا يوم القيامة لازما له لا يفارقه وإن دعا رجل رجلا " . ثم قرأ قول الله : ( وقفوهم إنهم مسئولون * ما لكم لا تناصرون ) . قال أبو عيسى هذا حديث غريب .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন লোককে কোন মতবাদের দিকে ডেকেছে, তাকে কিয়ামাতের দিন থামানো হবে, সে মাত্র এক ব্যক্তিকে সেদিকে ডেকে থাকলেও। তাকে তার আহ্বানের পরিণতি ভোগ না করিয়ে রেহাই দেয়া হবে না। তারপর তিনি আল্লাহ্ তা’আলার কিতাবের এই আয়াত পাঠ করেনঃ “এই লোকদের একটু থামাও, এদের নিকট কিছু প্রশ্ন করার আছে। তোমাদের কি হল, তোমারা এখন পরস্পরের সাহায্যে এগিয়ে আস না কেন?” (সূরাঃ আস-সাফ্ফাত- ২৪-২৫) যঈফ, তা’লীকুর রাগীব (১/৫০), যিলালুল জুন্নাহ্(১১২)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন লোককে কোন মতবাদের দিকে ডেকেছে, তাকে কিয়ামাতের দিন থামানো হবে, সে মাত্র এক ব্যক্তিকে সেদিকে ডেকে থাকলেও। তাকে তার আহ্বানের পরিণতি ভোগ না করিয়ে রেহাই দেয়া হবে না। তারপর তিনি আল্লাহ্ তা’আলার কিতাবের এই আয়াত পাঠ করেনঃ “এই লোকদের একটু থামাও, এদের নিকট কিছু প্রশ্ন করার আছে। তোমাদের কি হল, তোমারা এখন পরস্পরের সাহায্যে এগিয়ে আস না কেন?” (সূরাঃ আস-সাফ্ফাত- ২৪-২৫) যঈফ, তা’লীকুর রাগীব (১/৫০), যিলালুল জুন্নাহ্(১১২)
حدثنا أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا معتمر بن سليمان، حدثنا ليث بن أبي سليم، عن بشر، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما من داع دعا إلى شيء إلا كان موقوفا يوم القيامة لازما له لا يفارقه وإن دعا رجل رجلا " . ثم قرأ قول الله : ( وقفوهم إنهم مسئولون * ما لكم لا تناصرون ) . قال أبو عيسى هذا حديث غريب .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৩০
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن خالد بن عثمة، حدثنا سعيد بن بشير، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة بن جندب، عن النبي صلى الله عليه وسلم في قول الله : ( وجعلنا ذريته هم الباقين ) قال " حام وسام ويافث " . كذا . قال أبو عيسى يقال يافت ويافث بالتاء والثاء ويقال يفث . قال وهذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث سعيد بن بشير .
সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ্ তা’আলার বাণীঃ “আমরা তার (নূহের) বংশধরদের বাঁচিয়ে রাখলাম বংশপরম্পরায়” (সূরাঃ আস-সাফ্ফাত- ৭৭) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেনঃ এরা হল হাম, সাম ও ইয়াফিস। সনদ দুর্বল
সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ্ তা’আলার বাণীঃ “আমরা তার (নূহের) বংশধরদের বাঁচিয়ে রাখলাম বংশপরম্পরায়” (সূরাঃ আস-সাফ্ফাত- ৭৭) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেনঃ এরা হল হাম, সাম ও ইয়াফিস। সনদ দুর্বল
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن خالد بن عثمة، حدثنا سعيد بن بشير، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة بن جندب، عن النبي صلى الله عليه وسلم في قول الله : ( وجعلنا ذريته هم الباقين ) قال " حام وسام ويافث " . كذا . قال أبو عيسى يقال يافت ويافث بالتاء والثاء ويقال يفث . قال وهذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث سعيد بن بشير .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২২৯
حدثنا علي بن حجر، أخبرنا الوليد بن مسلم، عن زهير بن محمد، عن رجل، عن أبي العالية، عن أبى بن كعب، قال سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن قول الله تعالى : ( وأرسلناه إلى مائة ألف أو يزيدون ) قال " عشرون ألفا " . قال أبو عيسى هذا حديث غريب .
উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে আল্লাহ্ তা’আলার বাণীঃ “আমরা তাকে (ইউনুস) এক লাখ বা ততোধিক লোকের নিকটে পাঠালাম”( সূরাঃ আস-সাফ্ফাত- ১৪৭) প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলাম। তিনি বলেনঃ (এক লাখ) বিশ হাজার। সনদ দুর্বল
উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে আল্লাহ্ তা’আলার বাণীঃ “আমরা তাকে (ইউনুস) এক লাখ বা ততোধিক লোকের নিকটে পাঠালাম”( সূরাঃ আস-সাফ্ফাত- ১৪৭) প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলাম। তিনি বলেনঃ (এক লাখ) বিশ হাজার। সনদ দুর্বল
حدثنا علي بن حجر، أخبرنا الوليد بن مسلم، عن زهير بن محمد، عن رجل، عن أبي العالية، عن أبى بن كعب، قال سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن قول الله تعالى : ( وأرسلناه إلى مائة ألف أو يزيدون ) قال " عشرون ألفا " . قال أبو عيسى هذا حديث غريب .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৩১
حدثنا بشر بن معاذ العقدي، حدثنا يزيد بن زريع، عن سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " سام أبو العرب وحام أبو الحبش ويافث أبو الروم " .
সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আরবদের আদি পিতা সাম, হাবশীদের (আবিসিনীয়াদের) আদি পিতা হাম এবং রূমীয়দের (বাইজানটাইনদের) আদি পিতা ইয়াফিস। যঈফ, যঈফা (৩৬৮৩)
সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আরবদের আদি পিতা সাম, হাবশীদের (আবিসিনীয়াদের) আদি পিতা হাম এবং রূমীয়দের (বাইজানটাইনদের) আদি পিতা ইয়াফিস। যঈফ, যঈফা (৩৬৮৩)
حدثنا بشر بن معاذ العقدي، حدثنا يزيد بن زريع، عن سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " سام أبو العرب وحام أبو الحبش ويافث أبو الروم " .
জামে' আত-তিরমিজি > সূরা সা-দ
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৩২
حدثنا محمود بن غيلان، وعبد بن حميد، - المعنى واحد قالا حدثنا أبو أحمد، حدثنا سفيان، عن الأعمش، عن يحيى، قال عبد هو ابن عباد عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال مرض أبو طالب فجاءته قريش وجاءه النبي صلى الله عليه وسلم وعند أبي طالب مجلس رجل فقام أبو جهل كى يمنعه وشكوه إلى أبي طالب فقال يا ابن أخي ما تريد من قومك قال " إني أريد منهم كلمة واحدة تدين لهم بها العرب وتؤدي إليهم العجم الجزية " . قال كلمة واحدة قال " كلمة واحدة " . قال " يا عم قولوا لا إله إلا الله " . فقالوا: إلها واحدا؟ ( ما سمعنا بهذا في الملة الآخرة إن هذا إلا اختلاق ) قال فنزل فيهم القرآن : (ص* والقرآن ذي الذكر * بل الذين كفروا في عزة وشقاق ) إلى قوله : (ما سمعنا بهذا في الملة الآخرة إن هذا إلا اختلاق ) . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আবূ তালিব রোগাক্রান্ত হলে কুরাইশরা তার নিকটে আসে এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)ও আসেন। আবূ তালিবের নিকট এক ব্যক্তির বসার মত স্থান ছিল। আবূ জাহল তাকে মানা করতে উঠে। রাবী বলেনঃ এসব লোক আবূ তালিবের নিকট রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে। আবূ তালিব বলেন, হে ভাতিজা! তুমি তোমার জাতির নিকটে কি চাও? তিনি বললেনঃ আমি তাদের কাছে একটি বাক্য মেনে নেয়ার ইচ্ছা করছি। তারা এটা মেনে নিলে আরবরা তাদের মতানুবর্তী হবে এবং অনারবরা তাদেরকে জিযিয়া দিবে। আবূ তালিব বললেন, একটি বাক্য? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, একটি বাক্য। তিনি আবার বললেনঃ হে চাচা! আপনারা বলুন, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”। তারা বলল, শুধু মাত্র একজন মা’বূদ? “এধরণের কথা তো আমরা নিকট অতীতের জাতিসমূহের নিকটে শুনিনি? এটা একটা অলীক উক্তিমাত্র” (সূরা: সা’দ—৭)। রাবী বলেনঃ তাদের প্রসঙ্গে কুরআনের আয়াত অবতীর্ণ হয় : “সা’দ। উপদেশে পূর্ণ কুরআনের শপথ! বরং এই সত্য প্রত্যাখানকারী লোকেরাই চরম অহংকার ও হঠকারিতায় ডুবে আছে। এদের পূর্বে আমরা এমন কত জাতিকেই না ধ্বংস করেছি। তখন তারা চিৎকার করে উঠেছে। কিন্তু তখন আর মুক্তি পাওয়ার উপায় ছিল না। ..........এমন কথা তো আমরা নিকট অতীতের জাতিসমূহের নিকটে শুনিনি! এটা একটা অলীক কথামাত্র” (সূরা: সা’দ – ১-৭)। সনদ দুর্বল
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আবূ তালিব রোগাক্রান্ত হলে কুরাইশরা তার নিকটে আসে এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)ও আসেন। আবূ তালিবের নিকট এক ব্যক্তির বসার মত স্থান ছিল। আবূ জাহল তাকে মানা করতে উঠে। রাবী বলেনঃ এসব লোক আবূ তালিবের নিকট রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে। আবূ তালিব বলেন, হে ভাতিজা! তুমি তোমার জাতির নিকটে কি চাও? তিনি বললেনঃ আমি তাদের কাছে একটি বাক্য মেনে নেয়ার ইচ্ছা করছি। তারা এটা মেনে নিলে আরবরা তাদের মতানুবর্তী হবে এবং অনারবরা তাদেরকে জিযিয়া দিবে। আবূ তালিব বললেন, একটি বাক্য? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, একটি বাক্য। তিনি আবার বললেনঃ হে চাচা! আপনারা বলুন, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”। তারা বলল, শুধু মাত্র একজন মা’বূদ? “এধরণের কথা তো আমরা নিকট অতীতের জাতিসমূহের নিকটে শুনিনি? এটা একটা অলীক উক্তিমাত্র” (সূরা: সা’দ—৭)। রাবী বলেনঃ তাদের প্রসঙ্গে কুরআনের আয়াত অবতীর্ণ হয় : “সা’দ। উপদেশে পূর্ণ কুরআনের শপথ! বরং এই সত্য প্রত্যাখানকারী লোকেরাই চরম অহংকার ও হঠকারিতায় ডুবে আছে। এদের পূর্বে আমরা এমন কত জাতিকেই না ধ্বংস করেছি। তখন তারা চিৎকার করে উঠেছে। কিন্তু তখন আর মুক্তি পাওয়ার উপায় ছিল না। ..........এমন কথা তো আমরা নিকট অতীতের জাতিসমূহের নিকটে শুনিনি! এটা একটা অলীক কথামাত্র” (সূরা: সা’দ – ১-৭)। সনদ দুর্বল
حدثنا محمود بن غيلان، وعبد بن حميد، - المعنى واحد قالا حدثنا أبو أحمد، حدثنا سفيان، عن الأعمش، عن يحيى، قال عبد هو ابن عباد عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال مرض أبو طالب فجاءته قريش وجاءه النبي صلى الله عليه وسلم وعند أبي طالب مجلس رجل فقام أبو جهل كى يمنعه وشكوه إلى أبي طالب فقال يا ابن أخي ما تريد من قومك قال " إني أريد منهم كلمة واحدة تدين لهم بها العرب وتؤدي إليهم العجم الجزية " . قال كلمة واحدة قال " كلمة واحدة " . قال " يا عم قولوا لا إله إلا الله " . فقالوا: إلها واحدا؟ ( ما سمعنا بهذا في الملة الآخرة إن هذا إلا اختلاق ) قال فنزل فيهم القرآن : (ص* والقرآن ذي الذكر * بل الذين كفروا في عزة وشقاق ) إلى قوله : (ما سمعنا بهذا في الملة الآخرة إن هذا إلا اختلاق ) . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৩৪
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن أبي قلابة، عن خالد بن اللجلاج، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " أتاني ربي في أحسن صورة فقال يا محمد قلت لبيك ربي وسعديك قال فيم يختصم الملأ الأعلى قلت ربي لا أدري فوضع يده بين كتفى فوجدت بردها بين ثديى فعلمت ما بين المشرق والمغرب قال يا محمد . فقلت لبيك رب وسعديك قال فيم يختصم الملأ الأعلى قلت في الدرجات والكفارات وفي نقل الأقدام إلى الجماعات وإسباغ الوضوء في المكروهات وانتظار الصلاة بعد الصلاة ومن يحافظ عليهن عاش بخير ومات بخير وكان من ذنوبه كيوم ولدته أمه " . قال هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه . قال وفي الباب عن معاذ بن جبل وعبد الرحمن بن عائش عن النبي صلى الله عليه وسلم .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার প্রতিপালক প্রভু সর্বোত্তম চেহারায় আমার নিকট আসলেন। তিনি বললেনঃ হে মুহাম্মাদ! আমি বললাম, হে আমার রব! আমি উপস্থিত, আমি হাযির। তিনি প্রশ্ন করেনঃ ঊর্ধ জগতের অধিবাসীরা কি নিয়ে বিবাদ করছে? আমি উত্তর দিলাম, প্রভু! আমি জানি না। তিনি তাঁর হাত আমার দুই কাঁধের মধ্যখানে রাখলেন। এমনকি আমি এর শীতলতা আমার উভয় স্তনের মধ্যখানে (বুকে) অনুভব করলাম। পূর্ব-পশ্চিমের মাঝে যা কিছু আছে তা আমি জেনে নিলাম। অতঃপর তিনি বললেন, হে মুহাম্মাদ! আমি বললাম, হে আমার রব! আমি আপনার সামনে উপস্থিত আছি। তিনি আবার প্রশ্ন করলেন, ঊর্ধলোকের অধিবাসীরা কি নিয়ে বিতর্ক করছে? আমি জবাব দিলাম, মর্যাদা বৃদ্ধি, কাফ্ফারাত লাভ, পদব্রজে জামা‘আতে যোগদান, কষ্টকর অবস্থায়ও উত্তমরূপে উযূ করা এবং এক ওয়াক্তের নামায আদায় করার পর পরের ওয়াক্তের নামাযের অপেক্ষায় থাকা ইত্যাদি বিষয়ে তারা বিতর্ক করছে (একে অপরকে অতিক্রম করার চেষ্টা করছে)। যে লোক এগুলোর হিফাযাত করবে সে কল্যাণের মধ্যে বেঁচে থাকবে, কল্যাণময় মৃত্যুবরণ করবে এবং তার জননী তাকে প্রসব করার সময়ের মত গুনাহ মুক্ত হয়ে যাবে। সহীহঃ দেখুন পূর্বের হাদীস।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার প্রতিপালক প্রভু সর্বোত্তম চেহারায় আমার নিকট আসলেন। তিনি বললেনঃ হে মুহাম্মাদ! আমি বললাম, হে আমার রব! আমি উপস্থিত, আমি হাযির। তিনি প্রশ্ন করেনঃ ঊর্ধ জগতের অধিবাসীরা কি নিয়ে বিবাদ করছে? আমি উত্তর দিলাম, প্রভু! আমি জানি না। তিনি তাঁর হাত আমার দুই কাঁধের মধ্যখানে রাখলেন। এমনকি আমি এর শীতলতা আমার উভয় স্তনের মধ্যখানে (বুকে) অনুভব করলাম। পূর্ব-পশ্চিমের মাঝে যা কিছু আছে তা আমি জেনে নিলাম। অতঃপর তিনি বললেন, হে মুহাম্মাদ! আমি বললাম, হে আমার রব! আমি আপনার সামনে উপস্থিত আছি। তিনি আবার প্রশ্ন করলেন, ঊর্ধলোকের অধিবাসীরা কি নিয়ে বিতর্ক করছে? আমি জবাব দিলাম, মর্যাদা বৃদ্ধি, কাফ্ফারাত লাভ, পদব্রজে জামা‘আতে যোগদান, কষ্টকর অবস্থায়ও উত্তমরূপে উযূ করা এবং এক ওয়াক্তের নামায আদায় করার পর পরের ওয়াক্তের নামাযের অপেক্ষায় থাকা ইত্যাদি বিষয়ে তারা বিতর্ক করছে (একে অপরকে অতিক্রম করার চেষ্টা করছে)। যে লোক এগুলোর হিফাযাত করবে সে কল্যাণের মধ্যে বেঁচে থাকবে, কল্যাণময় মৃত্যুবরণ করবে এবং তার জননী তাকে প্রসব করার সময়ের মত গুনাহ মুক্ত হয়ে যাবে। সহীহঃ দেখুন পূর্বের হাদীস।
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن أبي قلابة، عن خالد بن اللجلاج، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " أتاني ربي في أحسن صورة فقال يا محمد قلت لبيك ربي وسعديك قال فيم يختصم الملأ الأعلى قلت ربي لا أدري فوضع يده بين كتفى فوجدت بردها بين ثديى فعلمت ما بين المشرق والمغرب قال يا محمد . فقلت لبيك رب وسعديك قال فيم يختصم الملأ الأعلى قلت في الدرجات والكفارات وفي نقل الأقدام إلى الجماعات وإسباغ الوضوء في المكروهات وانتظار الصلاة بعد الصلاة ومن يحافظ عليهن عاش بخير ومات بخير وكان من ذنوبه كيوم ولدته أمه " . قال هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه . قال وفي الباب عن معاذ بن جبل وعبد الرحمن بن عائش عن النبي صلى الله عليه وسلم .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৩৩
حدثنا سلمة بن شبيب، وعبد بن حميد، قالا حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أتاني الليلة ربي تبارك وتعالى في أحسن صورة قال أحسبه قال في المنام فقال يا محمد هل تدري فيم يختصم الملأ الأعلى قال قلت لا . قال فوضع يده بين كتفى حتى وجدت بردها بين ثديى أو قال في نحري فعلمت ما في السموات وما في الأرض قال يا محمد هل تدري فيم يختصم الملأ الأعلى قلت نعم . قال في الكفارات . والكفارات المكث في المساجد بعد الصلوات والمشى على الأقدام إلى الجماعات وإسباغ الوضوء في المكاره ومن فعل ذلك عاش بخير ومات بخير وكان من خطيئته كيوم ولدته أمه وقال يا محمد إذا صليت فقل اللهم إني أسألك فعل الخيرات وترك المنكرات وحب المساكين وإذا أردت بعبادك فتنة فاقبضني إليك غير مفتون قال والدرجات إفشاء السلام وإطعام الطعام والصلاة بالليل والناس نيام " .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আজ রাতে আমার মহান ও বারাকাতময় প্রভু সবচেয়ে সুন্দর চেহারায় আমার নিকট এসেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমার মতে তিনি বলেছেনঃ ঘুমের মধ্যে স্বপ্নযোগে। তারপর তিনি বললেনঃ হে মুহাম্মাদ! তুমি কি জান, এ সময় উচ্চতর জগতের অধিবাসীরা কি নিয়ে বিবাদ করছে? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি বললাম, না। তিনি তাঁর হাত আমার দুই কাঁধের মধ্যখানে রাখলেন। এমনকি আমি আমার দুই স্তনের বা বুকের মাঝে এর শীতলতা অনুভব করলাম। আসমান-যামীনে যা কিছু আছে আমি তা অবগত হলাম। তিনি বললেনঃ হে মুহাম্মাদ! তুমি কি জান, এ সময় উচ্চতর জগতের অধিবাসীরা কি নিয়ে বিবাদ করছে? আমি বললামঃ হ্যাঁ, কাফফারাত নিয়ে বিবাদ করছে। কাফফারাত অর্থ “নামাযের পর মাসজিদে বসে থাকা, নামাযের জামা‘আতে উপস্থিতির জন্য হেঁটে যাওয়া এবং কষ্ঠকর সময়েও সুষ্ঠুভাবে উযু করা”। যে লোক এসব কাজ করবে সে কল্যাণের মধ্যে বেঁচে থাকবে, কল্যাণের সাথে মরবে এবং তার জন্ম দিনের মত গুনাহ হতে পবিত্র হয়ে যাবে। আল্লাহ তা‘আলা আরো বললেনঃ হে মুহাম্মাদ! তুমি যখন সালাত আদায় করবে তখন এই দু’আ পড়বেঃ “আল্লাহুম্মা ইন্নী আসাআলুকা ফি’লাল খাইরাতি ওয়া তারকাল মুনকারাতি ওয়া হুব্বাল মাসাকীনি ওয়া ইযা আরাদতা বি-‘ইবাদিকা ফিতনাতান ফাক্বিযনী ইলাইকা গাইরা মাফতূনিন!” (হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট ভাল কাজ করার, খারাপ কাজ ত্যাগ করার এবং গ’রীব-নিঃস্বদের ভালবাসার মনোষ্কামনা চাই। তুমি যখন তোমার বান্দাদের কঠিন পরীক্ষায় নিক্ষেপ করার ইচ্ছা কর, তখন আমাকে এ ফিতনায় জড়িয়ে পড়ার আগেই তোমার নিকট উঠিয়ে নাও)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরো বলেনঃ দারাজাত ও মর্যাদার স্তর বলতে বুঝায়ঃ সালামের প্রচার প্রসার ঘটানো, মানুষকে খাওয়ানো এবং রাতের অন্ধকারে মানুষ যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন থাকে তখন (তাহাজ্জুদ) নামায আদায় করা। সহীহঃ আয্ যিলা-ল (৩৮৮), তা’লীকুর রাগীব (১/৯৮, ১২৬/১)।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আজ রাতে আমার মহান ও বারাকাতময় প্রভু সবচেয়ে সুন্দর চেহারায় আমার নিকট এসেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমার মতে তিনি বলেছেনঃ ঘুমের মধ্যে স্বপ্নযোগে। তারপর তিনি বললেনঃ হে মুহাম্মাদ! তুমি কি জান, এ সময় উচ্চতর জগতের অধিবাসীরা কি নিয়ে বিবাদ করছে? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি বললাম, না। তিনি তাঁর হাত আমার দুই কাঁধের মধ্যখানে রাখলেন। এমনকি আমি আমার দুই স্তনের বা বুকের মাঝে এর শীতলতা অনুভব করলাম। আসমান-যামীনে যা কিছু আছে আমি তা অবগত হলাম। তিনি বললেনঃ হে মুহাম্মাদ! তুমি কি জান, এ সময় উচ্চতর জগতের অধিবাসীরা কি নিয়ে বিবাদ করছে? আমি বললামঃ হ্যাঁ, কাফফারাত নিয়ে বিবাদ করছে। কাফফারাত অর্থ “নামাযের পর মাসজিদে বসে থাকা, নামাযের জামা‘আতে উপস্থিতির জন্য হেঁটে যাওয়া এবং কষ্ঠকর সময়েও সুষ্ঠুভাবে উযু করা”। যে লোক এসব কাজ করবে সে কল্যাণের মধ্যে বেঁচে থাকবে, কল্যাণের সাথে মরবে এবং তার জন্ম দিনের মত গুনাহ হতে পবিত্র হয়ে যাবে। আল্লাহ তা‘আলা আরো বললেনঃ হে মুহাম্মাদ! তুমি যখন সালাত আদায় করবে তখন এই দু’আ পড়বেঃ “আল্লাহুম্মা ইন্নী আসাআলুকা ফি’লাল খাইরাতি ওয়া তারকাল মুনকারাতি ওয়া হুব্বাল মাসাকীনি ওয়া ইযা আরাদতা বি-‘ইবাদিকা ফিতনাতান ফাক্বিযনী ইলাইকা গাইরা মাফতূনিন!” (হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট ভাল কাজ করার, খারাপ কাজ ত্যাগ করার এবং গ’রীব-নিঃস্বদের ভালবাসার মনোষ্কামনা চাই। তুমি যখন তোমার বান্দাদের কঠিন পরীক্ষায় নিক্ষেপ করার ইচ্ছা কর, তখন আমাকে এ ফিতনায় জড়িয়ে পড়ার আগেই তোমার নিকট উঠিয়ে নাও)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরো বলেনঃ দারাজাত ও মর্যাদার স্তর বলতে বুঝায়ঃ সালামের প্রচার প্রসার ঘটানো, মানুষকে খাওয়ানো এবং রাতের অন্ধকারে মানুষ যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন থাকে তখন (তাহাজ্জুদ) নামায আদায় করা। সহীহঃ আয্ যিলা-ল (৩৮৮), তা’লীকুর রাগীব (১/৯৮, ১২৬/১)।
حدثنا سلمة بن شبيب، وعبد بن حميد، قالا حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أتاني الليلة ربي تبارك وتعالى في أحسن صورة قال أحسبه قال في المنام فقال يا محمد هل تدري فيم يختصم الملأ الأعلى قال قلت لا . قال فوضع يده بين كتفى حتى وجدت بردها بين ثديى أو قال في نحري فعلمت ما في السموات وما في الأرض قال يا محمد هل تدري فيم يختصم الملأ الأعلى قلت نعم . قال في الكفارات . والكفارات المكث في المساجد بعد الصلوات والمشى على الأقدام إلى الجماعات وإسباغ الوضوء في المكاره ومن فعل ذلك عاش بخير ومات بخير وكان من خطيئته كيوم ولدته أمه وقال يا محمد إذا صليت فقل اللهم إني أسألك فعل الخيرات وترك المنكرات وحب المساكين وإذا أردت بعبادك فتنة فاقبضني إليك غير مفتون قال والدرجات إفشاء السلام وإطعام الطعام والصلاة بالليل والناس نيام " .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২৩৫
وقد روي هذا الحديث، عن معاذ بن جبل، عن النبي صلى الله عليه وسلم بطوله وقال " إني نعست فاستثقلت نوما فرأيت ربي في أحسن صورة فقال فيم يختصم الملأ الأعلى " . حدثنا محمد بن بشار حدثنا معاذ بن هانئ أبو هانئ اليشكري حدثنا جهضم بن عبد الله عن يحيى بن أبي كثير عن زيد بن سلام عن أبي سلام عن عبد الرحمن بن عائش الحضرمي أنه حدثه عن مالك بن يخامر السكسكي عن معاذ بن جبل رضى الله عنه قال احتبس عنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات غداة عن صلاة الصبح حتى كدنا نتراءى عين الشمس فخرج سريعا فثوب بالصلاة فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وتجوز في صلاته فلما سلم دعا بصوته قال لنا " على مصافكم كما أنتم " . ثم انفتل إلينا ثم قال " أما إني سأحدثكم ما حبسني عنكم الغداة إني قمت من الليل فتوضأت وصليت ما قدر لي فنعست في صلاتي حتى استثقلت فإذا أنا بربي تبارك وتعالى في أحسن صورة فقال يا محمد . قلت لبيك رب . قال فيم يختصم الملأ الأعلى قلت لا أدري . قالها ثلاثا قال فرأيته وضع كفه بين كتفى حتى وجدت برد أنامله بين ثديى فتجلى لي كل شيء وعرفت فقال يا محمد . قلت لبيك رب قال فيم يختصم الملأ الأعلى قلت في الكفارات قال ما هن قلت مشى الأقدام إلى الجماعات والجلوس في المساجد بعد الصلوات وإسباغ الوضوء في المكروهات . قال فيم قلت إطعام الطعام ولين الكلام والصلاة بالليل والناس نيام . قال سل . قلت اللهم إني أسألك فعل الخيرات وترك المنكرات وحب المساكين وأن تغفر لي وترحمني وإذا أردت فتنة قوم فتوفني غير مفتون أسألك حبك وحب من يحبك وحب عمل يقرب إلى حبك " . قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إنها حق فادرسوها ثم تعلموها " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح . سألت محمد بن إسماعيل عن هذا الحديث فقال هذا حديث حسن صحيح . وقال هذا أصح من حديث الوليد بن مسلم عن عبد الرحمن بن يزيد بن جابر . قال حدثنا خالد بن اللجلاج حدثني عبد الرحمن بن عائش الحضرمي قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر الحديث وهذا غير محفوظ . هكذا ذكر الوليد في حديثه عن عبد الرحمن بن عائش قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم . وروى بشر بن بكر عن عبد الرحمن بن يزيد بن جابر هذا الحديث بهذا الإسناد عن عبد الرحمن بن عائش عن النبي صلى الله عليه وسلم . وهذا أصح . وعبد الرحمن بن عائش لم يسمع من النبي صلى الله عليه وسلم .
মু‘আয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন প্রত্যুষে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাথে ফজরের নামায আদায় করতে আসতে বাধাপ্রাপ্ত হন। এমনকি আমরা সূর্য উদিত হয়ে যাওয়ার আশংকা করলাম। তিনি তাড়াতাড়ি বের হয়ে এলে সালাতের জন্য ইক্বামাত দেয়া হল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সংক্ষেপে সালাত আদায় করলেন। তিনি সালাম ফিরানোর পর উচ্চৈঃস্বরে আমাদেরকে ডেকে বললেনঃ তোমরা যেভাবে সারিবদ্ধ অবস্থায় আছ সেভাবেই থাক। তারপর তিনি আমাদের দিকে ফিরে বসলেন অতঃপর বললেনঃ সকালে তোমাদের নিকট আসতে আমাকে কিসে বাধাগ্রস্ত করেছে তা এখনই তোমাদেরকে বলছি। আমি রাত্রে উঠে উযূ করলাম এবং সামর্থ্যমত নামায পড়লাম। নামাযের মধ্যে আমি তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পরলাম। অতঃপর আমি ঘুমিয়ে পরলাম, এমন সময় আমি আমার বারাকাতময় প্রভুকে খুব সুন্দর অবস্থায় (স্বপ্নে) দেখতে পেলাম। তিনি বললেন, হে মুহাম্মাদ! আমি বললামঃ প্রভু! আমি উপস্থিত। তিনি বললেন, ঊর্ধজগতের অধিবাসীগণ (শীর্ষস্থানীয় ফেরেশতাগণ) কি ব্যাপারে বিতর্ক করছে? আমি বললামঃ প্রভু! আমি জানি না। আল্লাহ তা‘আলা এ কথা তিনবার বললেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি তাঁকে দেখলাম যে, তিনি তাঁর হাতের তালু আমার দুই কাঁধের মাঝখানে রাখলেন। আমি আমার বক্ষস্থলে তাঁর হাতের আঙ্গুলের শীতলতা অনুভব করলাম। ফলে প্রতিটি জিনিস আমার নিকট আলোকোদ্ভাসিত হয়ে উঠল এবং আমি তা জানতে পারলাম। আল্লাহ তা‘আলা বললেন, হে মুহাম্মদ! আমি বললামঃ প্রভু! আমি আপনার নিকট হাযির। তিনি বললেন, ঊর্ধজগতের বাসিন্দাগণ কি ব্যাপারে বিতর্ক করছে? আমি বললামঃ কাফফারাত প্রসঙ্গে (তারা বিতর্ক করছে)। তিনি বলেন, সেগুলো কি? আমি বললামঃ হেঁটে সালাতের জামা‘আতসমূহে হাযির হওয়া, নামাযের পর মাসজিদে বসে থাকা এবং কষ্টকর অবস্থায়ও উত্তমরূপে উযূ করা। তিনি বললেন, তারপর কি ব্যাপারে (তারা বিতর্ক করছে)? আমি বললামঃ খাদ্যপ্রার্থীকে আহার্য দান, নম্রতার সাথে কথা বলা এবং রাতে মানুষ যখন ঘুমিয়ে পড়ে সেই সময় সালাত আদায় করা প্রসঙ্গে। আল্লাহ তা‘আলা বললেন, তুমি কিছু চাও, বলঃ “হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে ভাল ও কল্যাণকর কাজ সম্পাদনের, মন্দ কাজসমূহ বর্জনের, দরিদ্রজনদের ভালবাসার তাওফীক চাই, তুমি আমায় ক্ষমা কর ও দয়া কর। তুমি যখন কোন গোত্রকে বিপদে ফেলার ইচ্ছা কর তখন তুমি আমাকে বিপদমুক্ত রেখে তোমার কাছে তুলে নিও। আমি প্রার্থনা করি তোমার ভালবাসা, যে তোমায় ভালবাসে তার ভালবাসা এবং এমন কাজের ভালবাসা যা তোমার ভালবাসার নিকটবর্তী করে দেয়।” রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ স্বপ্নটি অবশ্যই সত্য। অতএব তা পড়, তারপর তা শিখে নাও। সহীহঃ মুখতাসার আল উলুব্বি (১১৯/৮০), আয্-যিলা-ল (৩৮৮)।
মু‘আয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন প্রত্যুষে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাথে ফজরের নামায আদায় করতে আসতে বাধাপ্রাপ্ত হন। এমনকি আমরা সূর্য উদিত হয়ে যাওয়ার আশংকা করলাম। তিনি তাড়াতাড়ি বের হয়ে এলে সালাতের জন্য ইক্বামাত দেয়া হল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সংক্ষেপে সালাত আদায় করলেন। তিনি সালাম ফিরানোর পর উচ্চৈঃস্বরে আমাদেরকে ডেকে বললেনঃ তোমরা যেভাবে সারিবদ্ধ অবস্থায় আছ সেভাবেই থাক। তারপর তিনি আমাদের দিকে ফিরে বসলেন অতঃপর বললেনঃ সকালে তোমাদের নিকট আসতে আমাকে কিসে বাধাগ্রস্ত করেছে তা এখনই তোমাদেরকে বলছি। আমি রাত্রে উঠে উযূ করলাম এবং সামর্থ্যমত নামায পড়লাম। নামাযের মধ্যে আমি তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পরলাম। অতঃপর আমি ঘুমিয়ে পরলাম, এমন সময় আমি আমার বারাকাতময় প্রভুকে খুব সুন্দর অবস্থায় (স্বপ্নে) দেখতে পেলাম। তিনি বললেন, হে মুহাম্মাদ! আমি বললামঃ প্রভু! আমি উপস্থিত। তিনি বললেন, ঊর্ধজগতের অধিবাসীগণ (শীর্ষস্থানীয় ফেরেশতাগণ) কি ব্যাপারে বিতর্ক করছে? আমি বললামঃ প্রভু! আমি জানি না। আল্লাহ তা‘আলা এ কথা তিনবার বললেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি তাঁকে দেখলাম যে, তিনি তাঁর হাতের তালু আমার দুই কাঁধের মাঝখানে রাখলেন। আমি আমার বক্ষস্থলে তাঁর হাতের আঙ্গুলের শীতলতা অনুভব করলাম। ফলে প্রতিটি জিনিস আমার নিকট আলোকোদ্ভাসিত হয়ে উঠল এবং আমি তা জানতে পারলাম। আল্লাহ তা‘আলা বললেন, হে মুহাম্মদ! আমি বললামঃ প্রভু! আমি আপনার নিকট হাযির। তিনি বললেন, ঊর্ধজগতের বাসিন্দাগণ কি ব্যাপারে বিতর্ক করছে? আমি বললামঃ কাফফারাত প্রসঙ্গে (তারা বিতর্ক করছে)। তিনি বলেন, সেগুলো কি? আমি বললামঃ হেঁটে সালাতের জামা‘আতসমূহে হাযির হওয়া, নামাযের পর মাসজিদে বসে থাকা এবং কষ্টকর অবস্থায়ও উত্তমরূপে উযূ করা। তিনি বললেন, তারপর কি ব্যাপারে (তারা বিতর্ক করছে)? আমি বললামঃ খাদ্যপ্রার্থীকে আহার্য দান, নম্রতার সাথে কথা বলা এবং রাতে মানুষ যখন ঘুমিয়ে পড়ে সেই সময় সালাত আদায় করা প্রসঙ্গে। আল্লাহ তা‘আলা বললেন, তুমি কিছু চাও, বলঃ “হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে ভাল ও কল্যাণকর কাজ সম্পাদনের, মন্দ কাজসমূহ বর্জনের, দরিদ্রজনদের ভালবাসার তাওফীক চাই, তুমি আমায় ক্ষমা কর ও দয়া কর। তুমি যখন কোন গোত্রকে বিপদে ফেলার ইচ্ছা কর তখন তুমি আমাকে বিপদমুক্ত রেখে তোমার কাছে তুলে নিও। আমি প্রার্থনা করি তোমার ভালবাসা, যে তোমায় ভালবাসে তার ভালবাসা এবং এমন কাজের ভালবাসা যা তোমার ভালবাসার নিকটবর্তী করে দেয়।” রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ স্বপ্নটি অবশ্যই সত্য। অতএব তা পড়, তারপর তা শিখে নাও। সহীহঃ মুখতাসার আল উলুব্বি (১১৯/৮০), আয্-যিলা-ল (৩৮৮)।
وقد روي هذا الحديث، عن معاذ بن جبل، عن النبي صلى الله عليه وسلم بطوله وقال " إني نعست فاستثقلت نوما فرأيت ربي في أحسن صورة فقال فيم يختصم الملأ الأعلى " . حدثنا محمد بن بشار حدثنا معاذ بن هانئ أبو هانئ اليشكري حدثنا جهضم بن عبد الله عن يحيى بن أبي كثير عن زيد بن سلام عن أبي سلام عن عبد الرحمن بن عائش الحضرمي أنه حدثه عن مالك بن يخامر السكسكي عن معاذ بن جبل رضى الله عنه قال احتبس عنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات غداة عن صلاة الصبح حتى كدنا نتراءى عين الشمس فخرج سريعا فثوب بالصلاة فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وتجوز في صلاته فلما سلم دعا بصوته قال لنا " على مصافكم كما أنتم " . ثم انفتل إلينا ثم قال " أما إني سأحدثكم ما حبسني عنكم الغداة إني قمت من الليل فتوضأت وصليت ما قدر لي فنعست في صلاتي حتى استثقلت فإذا أنا بربي تبارك وتعالى في أحسن صورة فقال يا محمد . قلت لبيك رب . قال فيم يختصم الملأ الأعلى قلت لا أدري . قالها ثلاثا قال فرأيته وضع كفه بين كتفى حتى وجدت برد أنامله بين ثديى فتجلى لي كل شيء وعرفت فقال يا محمد . قلت لبيك رب قال فيم يختصم الملأ الأعلى قلت في الكفارات قال ما هن قلت مشى الأقدام إلى الجماعات والجلوس في المساجد بعد الصلوات وإسباغ الوضوء في المكروهات . قال فيم قلت إطعام الطعام ولين الكلام والصلاة بالليل والناس نيام . قال سل . قلت اللهم إني أسألك فعل الخيرات وترك المنكرات وحب المساكين وأن تغفر لي وترحمني وإذا أردت فتنة قوم فتوفني غير مفتون أسألك حبك وحب من يحبك وحب عمل يقرب إلى حبك " . قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إنها حق فادرسوها ثم تعلموها " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح . سألت محمد بن إسماعيل عن هذا الحديث فقال هذا حديث حسن صحيح . وقال هذا أصح من حديث الوليد بن مسلم عن عبد الرحمن بن يزيد بن جابر . قال حدثنا خالد بن اللجلاج حدثني عبد الرحمن بن عائش الحضرمي قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر الحديث وهذا غير محفوظ . هكذا ذكر الوليد في حديثه عن عبد الرحمن بن عائش قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم . وروى بشر بن بكر عن عبد الرحمن بن يزيد بن جابر هذا الحديث بهذا الإسناد عن عبد الرحمن بن عائش عن النبي صلى الله عليه وسلم . وهذا أصح . وعبد الرحمن بن عائش لم يسمع من النبي صلى الله عليه وسلم .