জামে' আত-তিরমিজি > সূরা সাবা

জামে' আত-তিরমিজি ৩২২৩

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، عن عكرمة، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا قضى الله في السماء أمرا ضربت الملائكة بأجنحتها خضعانا لقوله كأنها سلسلة على صفوان فإذا فزع عن قلوبهم قالوا ماذا قال ربكم قالوا الحق وهو العلي الكبير قال والشياطين بعضهم فوق بعض ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা যখন আসমানে কোন নির্দেশ ঘোষণা করেন, তখন ফেরেশতারা এই আদেশের উপর আনুগত্য প্রদর্শনার্থে ভয় ও বিনম্রতার সাথে নিজেদের পাখায় শব্দ করেন। মনে হয় যেন পাখাগুলো শিকলের মতো মসৃণ পাথরের উপর আঘাত করছে। তাদের মন হতে ভয়ের ভাব কেটে গেলে তারা একে অপরকে প্রশ্ন করেনঃ “তোমাদের প্রতিপালক কি বললেন? তারা বলেন, তিনি সঠিক বলেছেন। তিনি তো অতীব মহান ও শ্রেষ্ঠ” – (সূরা সাবা ২৩)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শাইতানেরা তখন একে অপরের কাছে সমবেত হয় (ঊর্ধ্ব জগতের কথা শুনার জন্য)। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (১৯৪), বুখারী।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা যখন আসমানে কোন নির্দেশ ঘোষণা করেন, তখন ফেরেশতারা এই আদেশের উপর আনুগত্য প্রদর্শনার্থে ভয় ও বিনম্রতার সাথে নিজেদের পাখায় শব্দ করেন। মনে হয় যেন পাখাগুলো শিকলের মতো মসৃণ পাথরের উপর আঘাত করছে। তাদের মন হতে ভয়ের ভাব কেটে গেলে তারা একে অপরকে প্রশ্ন করেনঃ “তোমাদের প্রতিপালক কি বললেন? তারা বলেন, তিনি সঠিক বলেছেন। তিনি তো অতীব মহান ও শ্রেষ্ঠ” – (সূরা সাবা ২৩)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শাইতানেরা তখন একে অপরের কাছে সমবেত হয় (ঊর্ধ্ব জগতের কথা শুনার জন্য)। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (১৯৪), বুখারী।

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، عن عكرمة، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا قضى الله في السماء أمرا ضربت الملائكة بأجنحتها خضعانا لقوله كأنها سلسلة على صفوان فإذا فزع عن قلوبهم قالوا ماذا قال ربكم قالوا الحق وهو العلي الكبير قال والشياطين بعضهم فوق بعض ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩২২২

حدثنا أبو كريب، وعبد بن حميد، وغير، واحد، قالوا أخبرنا أبو أسامة، عن الحسن بن الحكم النخعي، حدثنا أبو سبرة النخعي، عن فروة بن مسيك المرادي، قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله ألا أقاتل من أدبر من قومي بمن أقبل منهم فأذن لي في قتالهم وأمرني فلما خرجت من عنده سأل عني ما فعل الغطيفي فأخبر أني قد سرت قال فأرسل في أثري فردني فأتيته وهو في نفر من أصحابه فقال ‏"‏ ادع القوم فمن أسلم منهم فاقبل منه ومن لم يسلم فلا تعجل حتى أحدث إليك ‏"‏ ‏.‏ قال وأنزل في سبإ ما أنزل فقال رجل يا رسول الله وما سبأ أرض أو امرأة قال ‏"‏ ليس بأرض ولا امرأة ولكنه رجل ولد عشرة من العرب فتيامن منهم ستة وتشاءم منهم أربعة فأما الذين تشاءموا فلخم وجذام وغسان وعاملة وأما الذين تيامنوا فالأزد والأشعريون وحمير ومذحج وأنمار وكندة ‏"‏ ‏.‏ فقال رجل يا رسول الله وما أنمار قال ‏"‏ الذين منهم خثعم وبجيلة ‏"‏ ‏.‏ وروي هذا عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏

ফারওয়াহ্‌ ইবনু মুসাইক আল-মুরাদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার গোত্রের যেসব ব্যক্তি অগ্রসর হয়েছে (ইসলাম গ্রহণ করেছে) তাদেরকে নিয়ে আমি কি আমার গোত্রের পিছে পড়া ব্যক্তিদের (ইসলাম প্রত্যাখ্যানকারীদের) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না? বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমাকে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার অনুমতি দিলেন এবং আমাকেই আমীর নিযুক্ত করলেন। আমি তাঁর নিকট হতে বিদায় নিয়ে আসার পর তিনি আমার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেনঃ গুতাইফী কোথায়? তাঁকে জানানো হল যে, আমি চলে গেছি। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমার পিছে পিছে এক লোক পাঠিয়ে আমাকে আবার ফিরিয়ে আনলেন। আমি যখন ফিরে আসি তখন তিনি তাঁর সাহাবা পরিবেষ্টিত অবস্থায় ছিলেন। তিনি বললেনঃ তুমি তোমার গোত্রের লোকদের প্রথমে ইসলামের দা’ওয়াত দিবে। তাদের মধ্যে কেউ ইসলাম গ্রহণ করলে তা তুমি অনুমোদন করবে। আর যে লোক ইসলাম গ্রহণ করবে না, আমার পরবর্তী আদেশ না পাওয়া পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করার বিষয়ে ধৈর্যহারা হবে না। রাবী বলেন, তারপর সাবা প্রসঙ্গে যা অবতীর্ণ হওয়ার ছিল তা নাযিল হল। এক লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল! সাবা কি? কোন এলাকার নাম না কোন স্ত্রীলোকের নাম? তিনি বললেনঃ কোন এলাকারও নাম নয় বা কোন স্ত্রীলোকেরও নাম নয়, বরং একজন পুরুষ ব্যক্তির নাম। তার ঔরসে আরবের দশজন লোক জন্মগ্রহণ করে। তাদের ছয়জন ইয়ামানে (দক্ষিণ দিকে) এবং চারজন সিরিয়ায় (বাঁ দিকে) বসতি স্থাপন করে। বাঁ দিকের ব্যক্তিদের নাম হলঃ লাখম, জুযাম, গাসসান ও আমিলা (গোত্র)। আর ডান দিকে গড়ে উঠা বংশের নাম হলঃ আয্‌দ, আশ‘আরী, হিমইয়ার, কিনদাহ্‌, মাযহিজ ও আনমার। এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আনমার কওমের ব্যক্তি কারা? তিনি বললেনঃ খাস‘আম ও বাজীলাহ্‌ বংশের লোকেরা এদের দলে।

ফারওয়াহ্‌ ইবনু মুসাইক আল-মুরাদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার গোত্রের যেসব ব্যক্তি অগ্রসর হয়েছে (ইসলাম গ্রহণ করেছে) তাদেরকে নিয়ে আমি কি আমার গোত্রের পিছে পড়া ব্যক্তিদের (ইসলাম প্রত্যাখ্যানকারীদের) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না? বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমাকে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার অনুমতি দিলেন এবং আমাকেই আমীর নিযুক্ত করলেন। আমি তাঁর নিকট হতে বিদায় নিয়ে আসার পর তিনি আমার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেনঃ গুতাইফী কোথায়? তাঁকে জানানো হল যে, আমি চলে গেছি। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমার পিছে পিছে এক লোক পাঠিয়ে আমাকে আবার ফিরিয়ে আনলেন। আমি যখন ফিরে আসি তখন তিনি তাঁর সাহাবা পরিবেষ্টিত অবস্থায় ছিলেন। তিনি বললেনঃ তুমি তোমার গোত্রের লোকদের প্রথমে ইসলামের দা’ওয়াত দিবে। তাদের মধ্যে কেউ ইসলাম গ্রহণ করলে তা তুমি অনুমোদন করবে। আর যে লোক ইসলাম গ্রহণ করবে না, আমার পরবর্তী আদেশ না পাওয়া পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করার বিষয়ে ধৈর্যহারা হবে না। রাবী বলেন, তারপর সাবা প্রসঙ্গে যা অবতীর্ণ হওয়ার ছিল তা নাযিল হল। এক লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল! সাবা কি? কোন এলাকার নাম না কোন স্ত্রীলোকের নাম? তিনি বললেনঃ কোন এলাকারও নাম নয় বা কোন স্ত্রীলোকেরও নাম নয়, বরং একজন পুরুষ ব্যক্তির নাম। তার ঔরসে আরবের দশজন লোক জন্মগ্রহণ করে। তাদের ছয়জন ইয়ামানে (দক্ষিণ দিকে) এবং চারজন সিরিয়ায় (বাঁ দিকে) বসতি স্থাপন করে। বাঁ দিকের ব্যক্তিদের নাম হলঃ লাখম, জুযাম, গাসসান ও আমিলা (গোত্র)। আর ডান দিকে গড়ে উঠা বংশের নাম হলঃ আয্‌দ, আশ‘আরী, হিমইয়ার, কিনদাহ্‌, মাযহিজ ও আনমার। এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আনমার কওমের ব্যক্তি কারা? তিনি বললেনঃ খাস‘আম ও বাজীলাহ্‌ বংশের লোকেরা এদের দলে।

حدثنا أبو كريب، وعبد بن حميد، وغير، واحد، قالوا أخبرنا أبو أسامة، عن الحسن بن الحكم النخعي، حدثنا أبو سبرة النخعي، عن فروة بن مسيك المرادي، قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله ألا أقاتل من أدبر من قومي بمن أقبل منهم فأذن لي في قتالهم وأمرني فلما خرجت من عنده سأل عني ما فعل الغطيفي فأخبر أني قد سرت قال فأرسل في أثري فردني فأتيته وهو في نفر من أصحابه فقال ‏"‏ ادع القوم فمن أسلم منهم فاقبل منه ومن لم يسلم فلا تعجل حتى أحدث إليك ‏"‏ ‏.‏ قال وأنزل في سبإ ما أنزل فقال رجل يا رسول الله وما سبأ أرض أو امرأة قال ‏"‏ ليس بأرض ولا امرأة ولكنه رجل ولد عشرة من العرب فتيامن منهم ستة وتشاءم منهم أربعة فأما الذين تشاءموا فلخم وجذام وغسان وعاملة وأما الذين تيامنوا فالأزد والأشعريون وحمير ومذحج وأنمار وكندة ‏"‏ ‏.‏ فقال رجل يا رسول الله وما أنمار قال ‏"‏ الذين منهم خثعم وبجيلة ‏"‏ ‏.‏ وروي هذا عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩২২২

حدثنا أبو كريب، وعبد بن حميد، وغير، واحد، قالوا أخبرنا أبو أسامة، عن الحسن بن الحكم النخعي، حدثنا أبو سبرة النخعي، عن فروة بن مسيك المرادي، قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله ألا أقاتل من أدبر من قومي بمن أقبل منهم فأذن لي في قتالهم وأمرني فلما خرجت من عنده سأل عني ما فعل الغطيفي فأخبر أني قد سرت قال فأرسل في أثري فردني فأتيته وهو في نفر من أصحابه فقال ‏"‏ ادع القوم فمن أسلم منهم فاقبل منه ومن لم يسلم فلا تعجل حتى أحدث إليك ‏"‏ ‏.‏ قال وأنزل في سبإ ما أنزل فقال رجل يا رسول الله وما سبأ أرض أو امرأة قال ‏"‏ ليس بأرض ولا امرأة ولكنه رجل ولد عشرة من العرب فتيامن منهم ستة وتشاءم منهم أربعة فأما الذين تشاءموا فلخم وجذام وغسان وعاملة وأما الذين تيامنوا فالأزد والأشعريون وحمير ومذحج وأنمار وكندة ‏"‏ ‏.‏ فقال رجل يا رسول الله وما أنمار قال ‏"‏ الذين منهم خثعم وبجيلة ‏"‏ ‏.‏ وروي هذا عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏

ফারওয়াহ্‌ ইবনু মুসাইক আল-মুরাদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার গোত্রের যেসব ব্যক্তি অগ্রসর হয়েছে (ইসলাম গ্রহণ করেছে) তাদেরকে নিয়ে আমি কি আমার গোত্রের পিছে পড়া ব্যক্তিদের (ইসলাম প্রত্যাখ্যানকারীদের) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না? বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমাকে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার অনুমতি দিলেন এবং আমাকেই আমীর নিযুক্ত করলেন। আমি তাঁর নিকট হতে বিদায় নিয়ে আসার পর তিনি আমার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেনঃ গুতাইফী কোথায়? তাঁকে জানানো হল যে, আমি চলে গেছি। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমার পিছে পিছে এক লোক পাঠিয়ে আমাকে আবার ফিরিয়ে আনলেন। আমি যখন ফিরে আসি তখন তিনি তাঁর সাহাবা পরিবেষ্টিত অবস্থায় ছিলেন। তিনি বললেনঃ তুমি তোমার গোত্রের লোকদের প্রথমে ইসলামের দা’ওয়াত দিবে। তাদের মধ্যে কেউ ইসলাম গ্রহণ করলে তা তুমি অনুমোদন করবে। আর যে লোক ইসলাম গ্রহণ করবে না, আমার পরবর্তী আদেশ না পাওয়া পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করার বিষয়ে ধৈর্যহারা হবে না। রাবী বলেন, তারপর সাবা প্রসঙ্গে যা অবতীর্ণ হওয়ার ছিল তা নাযিল হল। এক লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল! সাবা কি? কোন এলাকার নাম না কোন স্ত্রীলোকের নাম? তিনি বললেনঃ কোন এলাকারও নাম নয় বা কোন স্ত্রীলোকেরও নাম নয়, বরং একজন পুরুষ ব্যক্তির নাম। তার ঔরসে আরবের দশজন লোক জন্মগ্রহণ করে। তাদের ছয়জন ইয়ামানে (দক্ষিণ দিকে) এবং চারজন সিরিয়ায় (বাঁ দিকে) বসতি স্থাপন করে। বাঁ দিকের ব্যক্তিদের নাম হলঃ লাখম, জুযাম, গাসসান ও আমিলা (গোত্র)। আর ডান দিকে গড়ে উঠা বংশের নাম হলঃ আয্‌দ, আশ‘আরী, হিমইয়ার, কিনদাহ্‌, মাযহিজ ও আনমার। এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আনমার কওমের ব্যক্তি কারা? তিনি বললেনঃ খাস‘আম ও বাজীলাহ্‌ বংশের লোকেরা এদের দলে।

ফারওয়াহ্‌ ইবনু মুসাইক আল-মুরাদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার গোত্রের যেসব ব্যক্তি অগ্রসর হয়েছে (ইসলাম গ্রহণ করেছে) তাদেরকে নিয়ে আমি কি আমার গোত্রের পিছে পড়া ব্যক্তিদের (ইসলাম প্রত্যাখ্যানকারীদের) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না? বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমাকে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার অনুমতি দিলেন এবং আমাকেই আমীর নিযুক্ত করলেন। আমি তাঁর নিকট হতে বিদায় নিয়ে আসার পর তিনি আমার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেনঃ গুতাইফী কোথায়? তাঁকে জানানো হল যে, আমি চলে গেছি। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমার পিছে পিছে এক লোক পাঠিয়ে আমাকে আবার ফিরিয়ে আনলেন। আমি যখন ফিরে আসি তখন তিনি তাঁর সাহাবা পরিবেষ্টিত অবস্থায় ছিলেন। তিনি বললেনঃ তুমি তোমার গোত্রের লোকদের প্রথমে ইসলামের দা’ওয়াত দিবে। তাদের মধ্যে কেউ ইসলাম গ্রহণ করলে তা তুমি অনুমোদন করবে। আর যে লোক ইসলাম গ্রহণ করবে না, আমার পরবর্তী আদেশ না পাওয়া পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করার বিষয়ে ধৈর্যহারা হবে না। রাবী বলেন, তারপর সাবা প্রসঙ্গে যা অবতীর্ণ হওয়ার ছিল তা নাযিল হল। এক লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল! সাবা কি? কোন এলাকার নাম না কোন স্ত্রীলোকের নাম? তিনি বললেনঃ কোন এলাকারও নাম নয় বা কোন স্ত্রীলোকেরও নাম নয়, বরং একজন পুরুষ ব্যক্তির নাম। তার ঔরসে আরবের দশজন লোক জন্মগ্রহণ করে। তাদের ছয়জন ইয়ামানে (দক্ষিণ দিকে) এবং চারজন সিরিয়ায় (বাঁ দিকে) বসতি স্থাপন করে। বাঁ দিকের ব্যক্তিদের নাম হলঃ লাখম, জুযাম, গাসসান ও আমিলা (গোত্র)। আর ডান দিকে গড়ে উঠা বংশের নাম হলঃ আয্‌দ, আশ‘আরী, হিমইয়ার, কিনদাহ্‌, মাযহিজ ও আনমার। এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আনমার কওমের ব্যক্তি কারা? তিনি বললেনঃ খাস‘আম ও বাজীলাহ্‌ বংশের লোকেরা এদের দলে।

حدثنا أبو كريب، وعبد بن حميد، وغير، واحد، قالوا أخبرنا أبو أسامة، عن الحسن بن الحكم النخعي، حدثنا أبو سبرة النخعي، عن فروة بن مسيك المرادي، قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله ألا أقاتل من أدبر من قومي بمن أقبل منهم فأذن لي في قتالهم وأمرني فلما خرجت من عنده سأل عني ما فعل الغطيفي فأخبر أني قد سرت قال فأرسل في أثري فردني فأتيته وهو في نفر من أصحابه فقال ‏"‏ ادع القوم فمن أسلم منهم فاقبل منه ومن لم يسلم فلا تعجل حتى أحدث إليك ‏"‏ ‏.‏ قال وأنزل في سبإ ما أنزل فقال رجل يا رسول الله وما سبأ أرض أو امرأة قال ‏"‏ ليس بأرض ولا امرأة ولكنه رجل ولد عشرة من العرب فتيامن منهم ستة وتشاءم منهم أربعة فأما الذين تشاءموا فلخم وجذام وغسان وعاملة وأما الذين تيامنوا فالأزد والأشعريون وحمير ومذحج وأنمار وكندة ‏"‏ ‏.‏ فقال رجل يا رسول الله وما أنمار قال ‏"‏ الذين منهم خثعم وبجيلة ‏"‏ ‏.‏ وروي هذا عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩২২২

حدثنا أبو كريب، وعبد بن حميد، وغير، واحد، قالوا أخبرنا أبو أسامة، عن الحسن بن الحكم النخعي، حدثنا أبو سبرة النخعي، عن فروة بن مسيك المرادي، قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله ألا أقاتل من أدبر من قومي بمن أقبل منهم فأذن لي في قتالهم وأمرني فلما خرجت من عنده سأل عني ما فعل الغطيفي فأخبر أني قد سرت قال فأرسل في أثري فردني فأتيته وهو في نفر من أصحابه فقال ‏"‏ ادع القوم فمن أسلم منهم فاقبل منه ومن لم يسلم فلا تعجل حتى أحدث إليك ‏"‏ ‏.‏ قال وأنزل في سبإ ما أنزل فقال رجل يا رسول الله وما سبأ أرض أو امرأة قال ‏"‏ ليس بأرض ولا امرأة ولكنه رجل ولد عشرة من العرب فتيامن منهم ستة وتشاءم منهم أربعة فأما الذين تشاءموا فلخم وجذام وغسان وعاملة وأما الذين تيامنوا فالأزد والأشعريون وحمير ومذحج وأنمار وكندة ‏"‏ ‏.‏ فقال رجل يا رسول الله وما أنمار قال ‏"‏ الذين منهم خثعم وبجيلة ‏"‏ ‏.‏ وروي هذا عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏

ফারওয়াহ্‌ ইবনু মুসাইক আল-মুরাদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার গোত্রের যেসব ব্যক্তি অগ্রসর হয়েছে (ইসলাম গ্রহণ করেছে) তাদেরকে নিয়ে আমি কি আমার গোত্রের পিছে পড়া ব্যক্তিদের (ইসলাম প্রত্যাখ্যানকারীদের) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না? বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমাকে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার অনুমতি দিলেন এবং আমাকেই আমীর নিযুক্ত করলেন। আমি তাঁর নিকট হতে বিদায় নিয়ে আসার পর তিনি আমার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেনঃ গুতাইফী কোথায়? তাঁকে জানানো হল যে, আমি চলে গেছি। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমার পিছে পিছে এক লোক পাঠিয়ে আমাকে আবার ফিরিয়ে আনলেন। আমি যখন ফিরে আসি তখন তিনি তাঁর সাহাবা পরিবেষ্টিত অবস্থায় ছিলেন। তিনি বললেনঃ তুমি তোমার গোত্রের লোকদের প্রথমে ইসলামের দা’ওয়াত দিবে। তাদের মধ্যে কেউ ইসলাম গ্রহণ করলে তা তুমি অনুমোদন করবে। আর যে লোক ইসলাম গ্রহণ করবে না, আমার পরবর্তী আদেশ না পাওয়া পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করার বিষয়ে ধৈর্যহারা হবে না। রাবী বলেন, তারপর সাবা প্রসঙ্গে যা অবতীর্ণ হওয়ার ছিল তা নাযিল হল। এক লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল! সাবা কি? কোন এলাকার নাম না কোন স্ত্রীলোকের নাম? তিনি বললেনঃ কোন এলাকারও নাম নয় বা কোন স্ত্রীলোকেরও নাম নয়, বরং একজন পুরুষ ব্যক্তির নাম। তার ঔরসে আরবের দশজন লোক জন্মগ্রহণ করে। তাদের ছয়জন ইয়ামানে (দক্ষিণ দিকে) এবং চারজন সিরিয়ায় (বাঁ দিকে) বসতি স্থাপন করে। বাঁ দিকের ব্যক্তিদের নাম হলঃ লাখম, জুযাম, গাসসান ও আমিলা (গোত্র)। আর ডান দিকে গড়ে উঠা বংশের নাম হলঃ আয্‌দ, আশ‘আরী, হিমইয়ার, কিনদাহ্‌, মাযহিজ ও আনমার। এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আনমার কওমের ব্যক্তি কারা? তিনি বললেনঃ খাস‘আম ও বাজীলাহ্‌ বংশের লোকেরা এদের দলে।

ফারওয়াহ্‌ ইবনু মুসাইক আল-মুরাদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার গোত্রের যেসব ব্যক্তি অগ্রসর হয়েছে (ইসলাম গ্রহণ করেছে) তাদেরকে নিয়ে আমি কি আমার গোত্রের পিছে পড়া ব্যক্তিদের (ইসলাম প্রত্যাখ্যানকারীদের) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না? বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমাকে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার অনুমতি দিলেন এবং আমাকেই আমীর নিযুক্ত করলেন। আমি তাঁর নিকট হতে বিদায় নিয়ে আসার পর তিনি আমার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেনঃ গুতাইফী কোথায়? তাঁকে জানানো হল যে, আমি চলে গেছি। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমার পিছে পিছে এক লোক পাঠিয়ে আমাকে আবার ফিরিয়ে আনলেন। আমি যখন ফিরে আসি তখন তিনি তাঁর সাহাবা পরিবেষ্টিত অবস্থায় ছিলেন। তিনি বললেনঃ তুমি তোমার গোত্রের লোকদের প্রথমে ইসলামের দা’ওয়াত দিবে। তাদের মধ্যে কেউ ইসলাম গ্রহণ করলে তা তুমি অনুমোদন করবে। আর যে লোক ইসলাম গ্রহণ করবে না, আমার পরবর্তী আদেশ না পাওয়া পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করার বিষয়ে ধৈর্যহারা হবে না। রাবী বলেন, তারপর সাবা প্রসঙ্গে যা অবতীর্ণ হওয়ার ছিল তা নাযিল হল। এক লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল! সাবা কি? কোন এলাকার নাম না কোন স্ত্রীলোকের নাম? তিনি বললেনঃ কোন এলাকারও নাম নয় বা কোন স্ত্রীলোকেরও নাম নয়, বরং একজন পুরুষ ব্যক্তির নাম। তার ঔরসে আরবের দশজন লোক জন্মগ্রহণ করে। তাদের ছয়জন ইয়ামানে (দক্ষিণ দিকে) এবং চারজন সিরিয়ায় (বাঁ দিকে) বসতি স্থাপন করে। বাঁ দিকের ব্যক্তিদের নাম হলঃ লাখম, জুযাম, গাসসান ও আমিলা (গোত্র)। আর ডান দিকে গড়ে উঠা বংশের নাম হলঃ আয্‌দ, আশ‘আরী, হিমইয়ার, কিনদাহ্‌, মাযহিজ ও আনমার। এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আনমার কওমের ব্যক্তি কারা? তিনি বললেনঃ খাস‘আম ও বাজীলাহ্‌ বংশের লোকেরা এদের দলে।

حدثنا أبو كريب، وعبد بن حميد، وغير، واحد، قالوا أخبرنا أبو أسامة، عن الحسن بن الحكم النخعي، حدثنا أبو سبرة النخعي، عن فروة بن مسيك المرادي، قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله ألا أقاتل من أدبر من قومي بمن أقبل منهم فأذن لي في قتالهم وأمرني فلما خرجت من عنده سأل عني ما فعل الغطيفي فأخبر أني قد سرت قال فأرسل في أثري فردني فأتيته وهو في نفر من أصحابه فقال ‏"‏ ادع القوم فمن أسلم منهم فاقبل منه ومن لم يسلم فلا تعجل حتى أحدث إليك ‏"‏ ‏.‏ قال وأنزل في سبإ ما أنزل فقال رجل يا رسول الله وما سبأ أرض أو امرأة قال ‏"‏ ليس بأرض ولا امرأة ولكنه رجل ولد عشرة من العرب فتيامن منهم ستة وتشاءم منهم أربعة فأما الذين تشاءموا فلخم وجذام وغسان وعاملة وأما الذين تيامنوا فالأزد والأشعريون وحمير ومذحج وأنمار وكندة ‏"‏ ‏.‏ فقال رجل يا رسول الله وما أنمار قال ‏"‏ الذين منهم خثعم وبجيلة ‏"‏ ‏.‏ وروي هذا عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩২২৪

حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا عبد الأعلى، حدثنا معمر، عن الزهري، عن علي بن حسين، عن ابن عباس، قال بينما رسول الله صلى الله عليه وسلم جالس في نفر من أصحابه إذ رمي بنجم فاستنار فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما كنتم تقولون لمثل هذا في الجاهلية إذا رأيتموه ‏"‏ ‏.‏ قالوا كنا نقول يموت عظيم أو يولد عظيم ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فإنه لا يرمى به لموت أحد ولا لحياته ولكن ربنا عز وجل إذا قضى أمرا سبح له حملة العرش ثم سبح أهل السماء الذين يلونهم ثم الذين يلونهم حتى يبلغ التسبيح إلى هذه السماء ثم سأل أهل السماء السادسة أهل السماء السابعة ماذا قال ربكم قال فيخبرونهم ثم يستخبر أهل كل سماء حتى يبلغ الخبر أهل السماء الدنيا وتختطف الشياطين السمع فيرمون فيقذفونها إلى أوليائهم فما جاءوا به على وجهه فهو حق ولكنهم يحرفون ويزيدون ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর এক দল সাহাবীর সঙ্গে বসা ছিলেন। এমন সময় একটি উল্কা পতিত হল এবং আলোকিত হয়ে গেল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এরূপ উলকাপাত হতে দেখলে তোমরা জাহিলী যুগে কি বলতে? তারা বলল, আমরা বলতাম, কোন মহান লোকের মৃত্যু হবে অথবা কোন মহান লোকের জন্ম হবে (এটা তারই আলামাত)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কোন লোকের মৃত্যু অথবা জন্মগ্রহণের আলামাত হিসেবে এটা পতিত হয় না, বরং মহা বারাকাতময় ও মহিমান্বিত নামের অধিকারী আমাদের প্রতিপালক যখন কোন আদেশ জারী করেন তখন আরশ বহনকারী ফেরেশতারা তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করেন। তারপর তাদের নিকটতম আসমানের অধিবাসীরা তাসবীহ পড়তে থাকে, তারপর তাদের নিকটতম আসমানের অধিবাসীরা তাসবীহ পড়তে থাকে। এভাবে তাসবীহ ও মহিমা ঘোষণার ধারা এই নিম্নবর্তী আসমানে এসে পৌঁছে যায়। তারপর ষষ্ঠ আসমানের অধিবাসীরা সপ্তম আসমানের অধিবাসীদের প্রশ্ন করেন, তোমাদের প্রতিপালক কি বলেছেন? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তারা তাদেরকে ব্যাপারটি জানান। এভাবে প্রত্যেক আসমানের অধিবাসীরা তাদের উপরের আসমানের অধিবাসীদের একইভাবে প্রশ্ন করেন। এভাবে পৃথিবীর নিকটবর্তী আসমানে এ খবর পৌঁছে যায়। শাইতানেরা এ তথ্য শুনবার জন্য ওঁৎ পেতে থাকে। তখন এদের উপর উলকা ছুঁড়ে মারা হয়। এরা কিছু তথ্য এদের সহগামীদের নিকট পাচার করে। এরা যা সংগ্রহ করে তা তো সত্য, কিন্তু তারা এতে কিছু পরিবর্তন ও কিছু বৃদ্ধি ঘটায়। সহীহঃ মুসলিম (৭/৩৬-৩৭)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর এক দল সাহাবীর সঙ্গে বসা ছিলেন। এমন সময় একটি উল্কা পতিত হল এবং আলোকিত হয়ে গেল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এরূপ উলকাপাত হতে দেখলে তোমরা জাহিলী যুগে কি বলতে? তারা বলল, আমরা বলতাম, কোন মহান লোকের মৃত্যু হবে অথবা কোন মহান লোকের জন্ম হবে (এটা তারই আলামাত)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কোন লোকের মৃত্যু অথবা জন্মগ্রহণের আলামাত হিসেবে এটা পতিত হয় না, বরং মহা বারাকাতময় ও মহিমান্বিত নামের অধিকারী আমাদের প্রতিপালক যখন কোন আদেশ জারী করেন তখন আরশ বহনকারী ফেরেশতারা তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করেন। তারপর তাদের নিকটতম আসমানের অধিবাসীরা তাসবীহ পড়তে থাকে, তারপর তাদের নিকটতম আসমানের অধিবাসীরা তাসবীহ পড়তে থাকে। এভাবে তাসবীহ ও মহিমা ঘোষণার ধারা এই নিম্নবর্তী আসমানে এসে পৌঁছে যায়। তারপর ষষ্ঠ আসমানের অধিবাসীরা সপ্তম আসমানের অধিবাসীদের প্রশ্ন করেন, তোমাদের প্রতিপালক কি বলেছেন? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তারা তাদেরকে ব্যাপারটি জানান। এভাবে প্রত্যেক আসমানের অধিবাসীরা তাদের উপরের আসমানের অধিবাসীদের একইভাবে প্রশ্ন করেন। এভাবে পৃথিবীর নিকটবর্তী আসমানে এ খবর পৌঁছে যায়। শাইতানেরা এ তথ্য শুনবার জন্য ওঁৎ পেতে থাকে। তখন এদের উপর উলকা ছুঁড়ে মারা হয়। এরা কিছু তথ্য এদের সহগামীদের নিকট পাচার করে। এরা যা সংগ্রহ করে তা তো সত্য, কিন্তু তারা এতে কিছু পরিবর্তন ও কিছু বৃদ্ধি ঘটায়। সহীহঃ মুসলিম (৭/৩৬-৩৭)

حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا عبد الأعلى، حدثنا معمر، عن الزهري، عن علي بن حسين، عن ابن عباس، قال بينما رسول الله صلى الله عليه وسلم جالس في نفر من أصحابه إذ رمي بنجم فاستنار فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما كنتم تقولون لمثل هذا في الجاهلية إذا رأيتموه ‏"‏ ‏.‏ قالوا كنا نقول يموت عظيم أو يولد عظيم ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فإنه لا يرمى به لموت أحد ولا لحياته ولكن ربنا عز وجل إذا قضى أمرا سبح له حملة العرش ثم سبح أهل السماء الذين يلونهم ثم الذين يلونهم حتى يبلغ التسبيح إلى هذه السماء ثم سأل أهل السماء السادسة أهل السماء السابعة ماذا قال ربكم قال فيخبرونهم ثم يستخبر أهل كل سماء حتى يبلغ الخبر أهل السماء الدنيا وتختطف الشياطين السمع فيرمون فيقذفونها إلى أوليائهم فما جاءوا به على وجهه فهو حق ولكنهم يحرفون ويزيدون ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আল-মালায়িকাহ্‌ (আল-ফাত্বির)

জামে' আত-তিরমিজি ৩২২৫

حدثنا أبو موسى، محمد بن المثنى ومحمد بن بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن الوليد بن عيزار، أنه سمع رجلا، من ثقيف يحدث عن رجل، من كنانة عن أبي سعيد الخدري، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال في هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ثم أورثنا الكتاب الذين اصطفينا من عبادنا فمنهم ظالم لنفسه ومنهم مقتصد ومنهم سابق بالخيرات ‏)‏ قال ‏"‏ هؤلاء كلهم بمنزلة واحدة وكلهم في الجنة ‏"‏ ‏.‏ قال هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من هذا الوجه ‏.

আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ (অনুবাদ) “তারপর আমাদের বান্দাদের ভিতর হতে বাছাই করা ব্যক্তিদেরকে আমরা এ কিতাবের উত্তরাধিকারী বানিয়েছি। তাদের কেউ নিজেদের উপরই যুল্‌মকারী হয়েছে, কেউ মধ্যম পন্থা অবলম্বন করেছে এবং কেউ আল্লাহ তা‘আলার অনুমতিক্রমে নেক কাজসমুহে অগ্রগামী হয়েছে” – (সূরা ফাত্বির ৩২)। এ প্রসঙ্গে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এ আয়াতে বর্ণিত তিন শ্রেণীর ব্যক্তিরা একই মর্যাদা সম্পন্ন (মু’মিন) এবং এরা সকলেই জান্নাতবাসী।

আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ (অনুবাদ) “তারপর আমাদের বান্দাদের ভিতর হতে বাছাই করা ব্যক্তিদেরকে আমরা এ কিতাবের উত্তরাধিকারী বানিয়েছি। তাদের কেউ নিজেদের উপরই যুল্‌মকারী হয়েছে, কেউ মধ্যম পন্থা অবলম্বন করেছে এবং কেউ আল্লাহ তা‘আলার অনুমতিক্রমে নেক কাজসমুহে অগ্রগামী হয়েছে” – (সূরা ফাত্বির ৩২)। এ প্রসঙ্গে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এ আয়াতে বর্ণিত তিন শ্রেণীর ব্যক্তিরা একই মর্যাদা সম্পন্ন (মু’মিন) এবং এরা সকলেই জান্নাতবাসী।

حدثنا أبو موسى، محمد بن المثنى ومحمد بن بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن الوليد بن عيزار، أنه سمع رجلا، من ثقيف يحدث عن رجل، من كنانة عن أبي سعيد الخدري، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال في هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ثم أورثنا الكتاب الذين اصطفينا من عبادنا فمنهم ظالم لنفسه ومنهم مقتصد ومنهم سابق بالخيرات ‏)‏ قال ‏"‏ هؤلاء كلهم بمنزلة واحدة وكلهم في الجنة ‏"‏ ‏.‏ قال هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من هذا الوجه ‏.


জামে' আত-তিরমিজি > সূরা ইয়াসীন

জামে' আত-তিরমিজি ৩২২৬

حدثنا محمد بن وزير الواسطي، حدثنا إسحاق بن يوسف الأزرق، عن سفيان الثوري، عن أبي سفيان، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد الخدري، قال كانت بنو سلمة في ناحية المدينة فأرادوا النقلة إلى قرب المسجد فنزلت هذه الآية ‏:‏ ‏(‏إنا نحن نحيي الموتى ونكتب ما قدموا وآثارهم ‏)‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن آثاركم تكتب ‏"‏ ‏.‏ فلم ينتقلوا ‏.‏ قال هذا حديث حسن غريب من حديث الثوري وأبو سفيان هو طريف السعدي ‏.‏

আবূ সা‘ঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বানূ সালিমাহ্‌ বংশের বসতি মাদীনার এক পাশে ছিল। তারা সেখান হতে তাদের বসতি তুলে মাসজিদে নাবাবীর নিকট চলে আসার সিদ্ধান্ত নেয়। এই কারণে এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ)ঃ “আমরা নিশ্চয়ই মৃতকে জীবিত করি এবং তারা যা আগে পাঠায় আর যা পিছনে রেখে যায় আমরা তা লিখে রাখি” – (সূরা ইয়াসীন ১২)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের পদচিহ্ন লেখা হবে। অতএব তোমরা বসতি স্থানান্তর করো না। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (৭৮৫)

আবূ সা‘ঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বানূ সালিমাহ্‌ বংশের বসতি মাদীনার এক পাশে ছিল। তারা সেখান হতে তাদের বসতি তুলে মাসজিদে নাবাবীর নিকট চলে আসার সিদ্ধান্ত নেয়। এই কারণে এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ)ঃ “আমরা নিশ্চয়ই মৃতকে জীবিত করি এবং তারা যা আগে পাঠায় আর যা পিছনে রেখে যায় আমরা তা লিখে রাখি” – (সূরা ইয়াসীন ১২)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের পদচিহ্ন লেখা হবে। অতএব তোমরা বসতি স্থানান্তর করো না। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (৭৮৫)

حدثنا محمد بن وزير الواسطي، حدثنا إسحاق بن يوسف الأزرق، عن سفيان الثوري، عن أبي سفيان، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد الخدري، قال كانت بنو سلمة في ناحية المدينة فأرادوا النقلة إلى قرب المسجد فنزلت هذه الآية ‏:‏ ‏(‏إنا نحن نحيي الموتى ونكتب ما قدموا وآثارهم ‏)‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن آثاركم تكتب ‏"‏ ‏.‏ فلم ينتقلوا ‏.‏ قال هذا حديث حسن غريب من حديث الثوري وأبو سفيان هو طريف السعدي ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩২২৭

حدثنا هناد، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، عن أبي ذر، قال دخلت المسجد حين غابت الشمس والنبي صلى الله عليه وسلم جالس فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أتدري يا أبا ذر أين تذهب هذه ‏"‏ ‏.‏ قال قلت الله ورسوله أعلم ‏.‏ قال ‏"‏ فإنها تذهب فتستأذن في السجود فيؤذن لها وكأنها قد قيل لها اطلعي من حيث جئت فتطلع من مغربها ‏"‏ ‏.‏ قال ثم قرأ ‏:‏ ‏(‏وذلك مستقر لها ‏)‏ قال وذلك قراءة عبد الله ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সূর্য ডুবার সময় আমি মাসজিদে ঢুকলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন (মাসজিদে) বসা ছিলেন। তিনি বললেনঃ হে আবূ যার! তুমি কি জান, এটা (সূর্য) কোথায় যায়? বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেনঃ এটা গিয়ে সাজদাহ্‌র অনুমতি প্রার্থনা করে। তাকে সাজদাহ্‌র অনুমতি দেয়া হয়। এমন এক দিন আসবে যখন তাকে বলা হবে, তুমি যেখানে এসেছ সেখান হতে উদিত হও। অতএব তা অস্ত যাওয়ার স্থান হতে উদিত হবে। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর তিনি পড়েনঃ “এটাই তার একমাত্র আশ্রয়স্থল” – (সূরা ইয়াসীন ৩৮)। বর্ণনাকারী বলেন, এটা ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদের ক্বিরাআত। সহীহঃ বুখারী, এটি (২১৮৬) নং হাদীসের পুনরাবৃত্তি।

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সূর্য ডুবার সময় আমি মাসজিদে ঢুকলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন (মাসজিদে) বসা ছিলেন। তিনি বললেনঃ হে আবূ যার! তুমি কি জান, এটা (সূর্য) কোথায় যায়? বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেনঃ এটা গিয়ে সাজদাহ্‌র অনুমতি প্রার্থনা করে। তাকে সাজদাহ্‌র অনুমতি দেয়া হয়। এমন এক দিন আসবে যখন তাকে বলা হবে, তুমি যেখানে এসেছ সেখান হতে উদিত হও। অতএব তা অস্ত যাওয়ার স্থান হতে উদিত হবে। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর তিনি পড়েনঃ “এটাই তার একমাত্র আশ্রয়স্থল” – (সূরা ইয়াসীন ৩৮)। বর্ণনাকারী বলেন, এটা ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদের ক্বিরাআত। সহীহঃ বুখারী, এটি (২১৮৬) নং হাদীসের পুনরাবৃত্তি।

حدثنا هناد، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، عن أبي ذر، قال دخلت المسجد حين غابت الشمس والنبي صلى الله عليه وسلم جالس فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أتدري يا أبا ذر أين تذهب هذه ‏"‏ ‏.‏ قال قلت الله ورسوله أعلم ‏.‏ قال ‏"‏ فإنها تذهب فتستأذن في السجود فيؤذن لها وكأنها قد قيل لها اطلعي من حيث جئت فتطلع من مغربها ‏"‏ ‏.‏ قال ثم قرأ ‏:‏ ‏(‏وذلك مستقر لها ‏)‏ قال وذلك قراءة عبد الله ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.


জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আস-সাফ্ফাত

জামে' আত-তিরমিজি ৩২২৮

حدثنا أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا معتمر بن سليمان، حدثنا ليث بن أبي سليم، عن بشر، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما من داع دعا إلى شيء إلا كان موقوفا يوم القيامة لازما له لا يفارقه وإن دعا رجل رجلا ‏"‏ ‏.‏ ثم قرأ قول الله ‏:‏ ‏(‏ وقفوهم إنهم مسئولون * ما لكم لا تناصرون ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন লোককে কোন মতবাদের দিকে ডেকেছে, তাকে কিয়ামাতের দিন থামানো হবে, সে মাত্র এক ব্যক্তিকে সেদিকে ডেকে থাকলেও। তাকে তার আহ্বানের পরিণতি ভোগ না করিয়ে রেহাই দেয়া হবে না। তারপর তিনি আল্লাহ্ তা’আলার কিতাবের এই আয়াত পাঠ করেনঃ “এই লোকদের একটু থামাও, এদের নিকট কিছু প্রশ্ন করার আছে। তোমাদের কি হল, তোমারা এখন পরস্পরের সাহায্যে এগিয়ে আস না কেন?” (সূরাঃ আস-সাফ্ফাত- ২৪-২৫) যঈফ, তা’লীকুর রাগীব (১/৫০), যিলালুল জুন্নাহ্(১১২)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন লোককে কোন মতবাদের দিকে ডেকেছে, তাকে কিয়ামাতের দিন থামানো হবে, সে মাত্র এক ব্যক্তিকে সেদিকে ডেকে থাকলেও। তাকে তার আহ্বানের পরিণতি ভোগ না করিয়ে রেহাই দেয়া হবে না। তারপর তিনি আল্লাহ্ তা’আলার কিতাবের এই আয়াত পাঠ করেনঃ “এই লোকদের একটু থামাও, এদের নিকট কিছু প্রশ্ন করার আছে। তোমাদের কি হল, তোমারা এখন পরস্পরের সাহায্যে এগিয়ে আস না কেন?” (সূরাঃ আস-সাফ্ফাত- ২৪-২৫) যঈফ, তা’লীকুর রাগীব (১/৫০), যিলালুল জুন্নাহ্(১১২)

حدثنا أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا معتمر بن سليمان، حدثنا ليث بن أبي سليم، عن بشر، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما من داع دعا إلى شيء إلا كان موقوفا يوم القيامة لازما له لا يفارقه وإن دعا رجل رجلا ‏"‏ ‏.‏ ثم قرأ قول الله ‏:‏ ‏(‏ وقفوهم إنهم مسئولون * ما لكم لا تناصرون ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩২৩০

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن خالد بن عثمة، حدثنا سعيد بن بشير، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة بن جندب، عن النبي صلى الله عليه وسلم في قول الله ‏:‏ ‏(‏ وجعلنا ذريته هم الباقين ‏)‏ قال ‏"‏ حام وسام ويافث ‏"‏ ‏.‏ كذا ‏.‏ قال أبو عيسى يقال يافت ويافث بالتاء والثاء ويقال يفث ‏.‏ قال وهذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث سعيد بن بشير ‏.‏

সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্ তা’আলার বাণীঃ “আমরা তার (নূহের) বংশধরদের বাঁচিয়ে রাখলাম বংশপরম্পরায়” (সূরাঃ আস-সাফ্ফাত- ৭৭) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেনঃ এরা হল হাম, সাম ও ইয়াফিস। সনদ দুর্বল

সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্ তা’আলার বাণীঃ “আমরা তার (নূহের) বংশধরদের বাঁচিয়ে রাখলাম বংশপরম্পরায়” (সূরাঃ আস-সাফ্ফাত- ৭৭) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেনঃ এরা হল হাম, সাম ও ইয়াফিস। সনদ দুর্বল

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن خالد بن عثمة، حدثنا سعيد بن بشير، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة بن جندب، عن النبي صلى الله عليه وسلم في قول الله ‏:‏ ‏(‏ وجعلنا ذريته هم الباقين ‏)‏ قال ‏"‏ حام وسام ويافث ‏"‏ ‏.‏ كذا ‏.‏ قال أبو عيسى يقال يافت ويافث بالتاء والثاء ويقال يفث ‏.‏ قال وهذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث سعيد بن بشير ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩২২৯

حدثنا علي بن حجر، أخبرنا الوليد بن مسلم، عن زهير بن محمد، عن رجل، عن أبي العالية، عن أبى بن كعب، قال سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن قول الله تعالى ‏:‏ ‏(‏ وأرسلناه إلى مائة ألف أو يزيدون ‏)‏ قال ‏"‏ عشرون ألفا ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب ‏.‏

উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে আল্লাহ্ তা’আলার বাণীঃ “আমরা তাকে (ইউনুস) এক লাখ বা ততোধিক লোকের নিকটে পাঠালাম”( সূরাঃ আস-সাফ্ফাত- ১৪৭) প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলাম। তিনি বলেনঃ (এক লাখ) বিশ হাজার। সনদ দুর্বল

উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে আল্লাহ্ তা’আলার বাণীঃ “আমরা তাকে (ইউনুস) এক লাখ বা ততোধিক লোকের নিকটে পাঠালাম”( সূরাঃ আস-সাফ্ফাত- ১৪৭) প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলাম। তিনি বলেনঃ (এক লাখ) বিশ হাজার। সনদ দুর্বল

حدثنا علي بن حجر، أخبرنا الوليد بن مسلم، عن زهير بن محمد، عن رجل، عن أبي العالية، عن أبى بن كعب، قال سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن قول الله تعالى ‏:‏ ‏(‏ وأرسلناه إلى مائة ألف أو يزيدون ‏)‏ قال ‏"‏ عشرون ألفا ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩২৩১

حدثنا بشر بن معاذ العقدي، حدثنا يزيد بن زريع، عن سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ سام أبو العرب وحام أبو الحبش ويافث أبو الروم ‏"‏ ‏.‏

সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আরবদের আদি পিতা সাম, হাবশীদের (আবিসিনীয়াদের) আদি পিতা হাম এবং রূমীয়দের (বাইজানটাইনদের) আদি পিতা ইয়াফিস। যঈফ, যঈফা (৩৬৮৩)

সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আরবদের আদি পিতা সাম, হাবশীদের (আবিসিনীয়াদের) আদি পিতা হাম এবং রূমীয়দের (বাইজানটাইনদের) আদি পিতা ইয়াফিস। যঈফ, যঈফা (৩৬৮৩)

حدثنا بشر بن معاذ العقدي، حدثنا يزيد بن زريع، عن سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ سام أبو العرب وحام أبو الحبش ويافث أبو الروم ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00