জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আল-আহযাব
জামে' আত-তিরমিজি ৩২০২
حدثنا عبد القدوس بن محمد العطار البصري، حدثنا عمرو بن عاصم، عن إسحاق بن يحيى بن طلحة، عن موسى بن طلحة، قال دخلت على معاوية فقال ألا أبشرك قلت بلى . قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " طلحة ممن قضى نحبه " . قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه من حديث معاوية إلا من هذا الوجه وإنما روي عن موسى بن طلحة عن أبيه .
মূসা ইবনু ত্বালহা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি মু'আবিয়াহ (রাঃ)-এর নিকট প্রবেশ করলে তিনি বললেন, আমি কি তোমাকে একটি সুসংবাদ শুনাব না? আমি বললাম, হ্যা অবশ্যই। তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যারা নিজেদের ইচ্ছা পূর্ণ করেছে, ত্বালহা (রাঃ) তাদের দলে। হাসানঃ ইবনু মা-জাহ (১২৬)
মূসা ইবনু ত্বালহা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি মু'আবিয়াহ (রাঃ)-এর নিকট প্রবেশ করলে তিনি বললেন, আমি কি তোমাকে একটি সুসংবাদ শুনাব না? আমি বললাম, হ্যা অবশ্যই। তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যারা নিজেদের ইচ্ছা পূর্ণ করেছে, ত্বালহা (রাঃ) তাদের দলে। হাসানঃ ইবনু মা-জাহ (১২৬)
حدثنا عبد القدوس بن محمد العطار البصري، حدثنا عمرو بن عاصم، عن إسحاق بن يحيى بن طلحة، عن موسى بن طلحة، قال دخلت على معاوية فقال ألا أبشرك قلت بلى . قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " طلحة ممن قضى نحبه " . قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه من حديث معاوية إلا من هذا الوجه وإنما روي عن موسى بن طلحة عن أبيه .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২০৪
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عثمان بن عمر، عن يونس بن يزيد، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن عائشة، رضى الله عنها قالت لما أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بتخيير أزواجه بدأ بي فقال " يا عائشة إني ذاكر لك أمرا فلا عليك أن لا تستعجلي حتى تستأمري أبويك " . قالت وقد علم أن أبواى لم يكونا ليأمراني بفراقه قالت ثم قال " إن الله تعالى يقول: ( يا أيها النبي قل لأزواجك إن كنتن تردن الحياة الدنيا وزينتها فتعالين ) حتى بلغ : ( للمحسنات منكن أجرا عظيما ) فقلت في أى هذا أستأمر أبوى فإني أريد الله ورسوله والدار الآخرة وفعل أزواج النبي صلى الله عليه وسلم مثل ما فعلت . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وقد روي هذا أيضا عن الزهري عن عروة عن عائشة رضى الله عنها .
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে তার সহধর্মিণীগনকে (তার স্ত্রীত্বে থাকার বা পার্থিব ভোগবিলাস প্রহন করার) এখতিয়ার দেয়ার নির্দেশ দেয়া হলে তিনি প্রথমে আমাকেই প্রশ্ন করেন। তিনি বলেন, হে আয়িশাহ! তোমাকে একটি কথা বলতে চাচ্ছি। তুমি ধীরস্থীরভাবে উত্তর দিবে, তাড়াহুড়া করবে না এবং প্রয়োজনে তোমার বাবা মার সাথেও শলা পরামর্শ করবে। আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, তিনি ভালো করেই জানতেন যে, আমার পিতামাতা কখনো আমাকে তাঁর হতে পৃথক হওয়ার অনুমতি দিবেন না। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, তারপর তিনি বললেন যে, আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ “হে নবী! তোমার স্ত্রীদের বল, তোমরা যদি পার্থিব জীবন ও তার চাকচিক্য কামনা কর তবে এসো, আমি তোমাদের কিছু ভোগসামগ্রী দিয়ে ভদ্রভাবে বিদায় করে দেই। আর যদি তোমরা আল্লাহ, তাঁর রাসুল ও আখিরাতের সুখ স্বাচ্ছন্দ লাভ করতে চাও, তবে তোমাদের ভিতর যারা সৎকর্মশীল তাদের জন্য আল্লাহ তায়ালা মহান পুরস্কার প্রস্তুত করে রেখেছেন” – (সূরা আহযাব ২৮-২৯)। আমি বললাম, আমি কী বিষয়ে আমার পিতা মাতার সাথে পরামর্শ করব! আমি তো আল্লাহ, তাঁর রাসুল ও আখিরাতের জীবনই কামনা করি। আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমি যে উত্তর দিয়েছি, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর অপর স্ত্রীগণও একই রকম উত্তর দেন। সহিহঃ বুখারি (৪৭৮৬), মুসলিম।
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে তার সহধর্মিণীগনকে (তার স্ত্রীত্বে থাকার বা পার্থিব ভোগবিলাস প্রহন করার) এখতিয়ার দেয়ার নির্দেশ দেয়া হলে তিনি প্রথমে আমাকেই প্রশ্ন করেন। তিনি বলেন, হে আয়িশাহ! তোমাকে একটি কথা বলতে চাচ্ছি। তুমি ধীরস্থীরভাবে উত্তর দিবে, তাড়াহুড়া করবে না এবং প্রয়োজনে তোমার বাবা মার সাথেও শলা পরামর্শ করবে। আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, তিনি ভালো করেই জানতেন যে, আমার পিতামাতা কখনো আমাকে তাঁর হতে পৃথক হওয়ার অনুমতি দিবেন না। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, তারপর তিনি বললেন যে, আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ “হে নবী! তোমার স্ত্রীদের বল, তোমরা যদি পার্থিব জীবন ও তার চাকচিক্য কামনা কর তবে এসো, আমি তোমাদের কিছু ভোগসামগ্রী দিয়ে ভদ্রভাবে বিদায় করে দেই। আর যদি তোমরা আল্লাহ, তাঁর রাসুল ও আখিরাতের সুখ স্বাচ্ছন্দ লাভ করতে চাও, তবে তোমাদের ভিতর যারা সৎকর্মশীল তাদের জন্য আল্লাহ তায়ালা মহান পুরস্কার প্রস্তুত করে রেখেছেন” – (সূরা আহযাব ২৮-২৯)। আমি বললাম, আমি কী বিষয়ে আমার পিতা মাতার সাথে পরামর্শ করব! আমি তো আল্লাহ, তাঁর রাসুল ও আখিরাতের জীবনই কামনা করি। আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমি যে উত্তর দিয়েছি, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর অপর স্ত্রীগণও একই রকম উত্তর দেন। সহিহঃ বুখারি (৪৭৮৬), মুসলিম।
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عثمان بن عمر، عن يونس بن يزيد، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن عائشة، رضى الله عنها قالت لما أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بتخيير أزواجه بدأ بي فقال " يا عائشة إني ذاكر لك أمرا فلا عليك أن لا تستعجلي حتى تستأمري أبويك " . قالت وقد علم أن أبواى لم يكونا ليأمراني بفراقه قالت ثم قال " إن الله تعالى يقول: ( يا أيها النبي قل لأزواجك إن كنتن تردن الحياة الدنيا وزينتها فتعالين ) حتى بلغ : ( للمحسنات منكن أجرا عظيما ) فقلت في أى هذا أستأمر أبوى فإني أريد الله ورسوله والدار الآخرة وفعل أزواج النبي صلى الله عليه وسلم مثل ما فعلت . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وقد روي هذا أيضا عن الزهري عن عروة عن عائشة رضى الله عنها .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২০০
حدثنا أحمد بن محمد، حدثنا عبد الله بن المبارك، أخبرنا سليمان بن المغيرة، عن ثابت، عن أنس، قال قال عمي أنس بن النضر سميت به لم يشهد بدرا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فكبر عليه فقال أول مشهد شهده رسول الله صلى الله عليه وسلم غبت عنه أما والله لئن أراني الله مشهدا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ليرين الله ما أصنع . قال فهاب أن يقول غيرها فشهد مع رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم أحد من العام القابل فاستقبله سعد بن معاذ فقال يا أبا عمرو أين قال واها لريح الجنة أجدها دون أحد فقاتل حتى قتل فوجد في جسده بضع وثمانون من بين ضربة وطعنة ورمية فقالت عمتي الربيع بنت النضر فما عرفت أخي إلا ببنانه . ونزلت هذه الآية : (رجال صدقوا ما عاهدوا الله عليه فمنهم من قضى نحبه ومنهم من ينتظر وما بدلوا تبديلا ) . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার চাচা আনাস ইবনু নাযর- যার নামানুসারে আমার নাম রাখা হয়েছে- বলেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে পারেননি। ব্যাপারটি তার নিকট অসহনীয় লাগছিল। তিনি বলেন, মুশরিকদের সাথে প্রথম যে যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপস্থিত ছিলেন আমি তাতে অনুপস্থিত রইলাম। আল্লাহর কসম! যদি তিনি আমাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে কোন যুদ্ধে অংশগ্রহণ করার সুযোগ দেন তবে আল্লাহ তা'আলা অবশ্যই দেখবেন আমি কি করি। এ কথা বলার সাথে সাথে তার ভয় হল যে, তিনি বিপরীতের কিছু বলেন কি না। পরবর্তী বছর তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে উহুদের যুদ্ধে শরীক হন। উহুদে যেতে পথিমধ্যে সা’দ ইবনু মুআয (রাঃ)-এর সাথে তার দেখা হয়। তিনি প্রশ্ন করেন, হে আবু আমর! কোথায় যাচ্ছ? তিনি বললেন, আহা! জান্নাতের ঘ্রাণের দিকে। আমি উহুদের দিকে তা অনুভব করছি। (বর্ণনাকারী বলেন), তিনি যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হন। তার শরীরে আশিরও বেশি জখম ছিল। এর মধ্যে কিছু ছিল তরবারির আঘাত, কিছু বর্শার আঘাত এবং কিছু তীরের আঘাত। আমার ফুফু রুবাই বিনতু নাযর (রাঃ) বলেন, জখমের কারণে আমি আমার ভাইকে চিনতে পারছিলাম না। শুধু তার আঙ্গুলের গোছা দেখেই তাকে চিনতে পেরেছি। তার সম্পর্কেই এ আয়াত অবতীর্ণ হল (অনুবাদ)ঃ “ঈমানদার ব্যক্তিদের মধ্যে কিছু লোক আল্লাহ তা'আলার সাথে তাদের কৃত ওয়াদা পূর্ণ করেছে, তাদের কেউ কেউ নিজের ইচ্ছা পূর্ণ করেছে (শহীদ হয়েছে) এবং কেউ অপেক্ষায় রয়েছে। তারা নিজেদের অঙ্গীকারে কোন পরিবর্তন করেনি"- (সূরা আহ্যাব ২৩)। সহীহঃ মুসলিম (৬/৪৫-৪৬)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার চাচা আনাস ইবনু নাযর- যার নামানুসারে আমার নাম রাখা হয়েছে- বলেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে পারেননি। ব্যাপারটি তার নিকট অসহনীয় লাগছিল। তিনি বলেন, মুশরিকদের সাথে প্রথম যে যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপস্থিত ছিলেন আমি তাতে অনুপস্থিত রইলাম। আল্লাহর কসম! যদি তিনি আমাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে কোন যুদ্ধে অংশগ্রহণ করার সুযোগ দেন তবে আল্লাহ তা'আলা অবশ্যই দেখবেন আমি কি করি। এ কথা বলার সাথে সাথে তার ভয় হল যে, তিনি বিপরীতের কিছু বলেন কি না। পরবর্তী বছর তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে উহুদের যুদ্ধে শরীক হন। উহুদে যেতে পথিমধ্যে সা’দ ইবনু মুআয (রাঃ)-এর সাথে তার দেখা হয়। তিনি প্রশ্ন করেন, হে আবু আমর! কোথায় যাচ্ছ? তিনি বললেন, আহা! জান্নাতের ঘ্রাণের দিকে। আমি উহুদের দিকে তা অনুভব করছি। (বর্ণনাকারী বলেন), তিনি যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হন। তার শরীরে আশিরও বেশি জখম ছিল। এর মধ্যে কিছু ছিল তরবারির আঘাত, কিছু বর্শার আঘাত এবং কিছু তীরের আঘাত। আমার ফুফু রুবাই বিনতু নাযর (রাঃ) বলেন, জখমের কারণে আমি আমার ভাইকে চিনতে পারছিলাম না। শুধু তার আঙ্গুলের গোছা দেখেই তাকে চিনতে পেরেছি। তার সম্পর্কেই এ আয়াত অবতীর্ণ হল (অনুবাদ)ঃ “ঈমানদার ব্যক্তিদের মধ্যে কিছু লোক আল্লাহ তা'আলার সাথে তাদের কৃত ওয়াদা পূর্ণ করেছে, তাদের কেউ কেউ নিজের ইচ্ছা পূর্ণ করেছে (শহীদ হয়েছে) এবং কেউ অপেক্ষায় রয়েছে। তারা নিজেদের অঙ্গীকারে কোন পরিবর্তন করেনি"- (সূরা আহ্যাব ২৩)। সহীহঃ মুসলিম (৬/৪৫-৪৬)
حدثنا أحمد بن محمد، حدثنا عبد الله بن المبارك، أخبرنا سليمان بن المغيرة، عن ثابت، عن أنس، قال قال عمي أنس بن النضر سميت به لم يشهد بدرا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فكبر عليه فقال أول مشهد شهده رسول الله صلى الله عليه وسلم غبت عنه أما والله لئن أراني الله مشهدا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ليرين الله ما أصنع . قال فهاب أن يقول غيرها فشهد مع رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم أحد من العام القابل فاستقبله سعد بن معاذ فقال يا أبا عمرو أين قال واها لريح الجنة أجدها دون أحد فقاتل حتى قتل فوجد في جسده بضع وثمانون من بين ضربة وطعنة ورمية فقالت عمتي الربيع بنت النضر فما عرفت أخي إلا ببنانه . ونزلت هذه الآية : (رجال صدقوا ما عاهدوا الله عليه فمنهم من قضى نحبه ومنهم من ينتظر وما بدلوا تبديلا ) . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২০৫
حدثنا قتيبة، حدثنا محمد بن سليمان بن الأصبهاني، عن يحيى بن عبيد، عن عطاء بن أبي رباح، عن عمر بن أبي سلمة، ربيب النبي صلى الله عليه وسلم قال لما نزلت هذه الآية على النبي صلى الله عليه وسلم : ( إنما يريد الله ليذهب عنكم الرجس أهل البيت ويطهركم تطهيرا ) في بيت أم سلمة فدعا فاطمة وحسنا وحسينا فجللهم بكساء وعلي خلف ظهره فجللهم بكساء ثم قال " اللهم هؤلاء أهل بيتي فأذهب عنهم الرجس وطهرهم تطهيرا " . قالت أم سلمة وأنا معهم يا نبي الله قال " أنت على مكانك وأنت على خير " . قال هذا حديث غريب من هذا الوجه من حديث عطاء عن عمر بن أبي سلمة .
উমার ইবনু আবি সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যিনি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আশ্রয়ে লালিত-পালিত হন। তিনি বলেন, উম্মু সালামাহ (রাঃ) এর ঘরে রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল (অনুবাদ) “আল্লাহ তা’আলা তো চান আহ্লে বাইত হতে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদের কে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে”– (সূরা আহযাবঃ ৩৩), তখন তিনি ফাতিমাহ, হাসান ও হুসাইন (রাঃ) কে ডাকলেন এবং তাদেরকে একটি কম্বলের ভিতর ঢেকে নিলেন। আলি (রাঃ) তাঁর পেছনে ছিলেন। তিনি তাকেও কম্বলের ভিতরে নিয়ে নিলেন। তারপর তিনি বলেনঃ “হে আল্লাহ! এরা আমার ‘আহলে বাইত’ (পরিবার সদস্য)। তুমি তাদের ভিতর হতে অপরিছন্নতা দূর করে দাও এবং সম্পূর্ণরূপে পরিচ্ছন্ন করে দাও”। উম্মু সালামাহ (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর নবী! আমিও কি তাদের অন্তর্ভুক্ত? তিনি বললেনঃ তুমি স্ব-স্থানে থাক এবং তুমি কল্যাণের মধ্যেই আছ। সহিহঃ রাওযুন নাযির (৯৭৬, ১১৯০), মুসলিম।
উমার ইবনু আবি সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যিনি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আশ্রয়ে লালিত-পালিত হন। তিনি বলেন, উম্মু সালামাহ (রাঃ) এর ঘরে রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল (অনুবাদ) “আল্লাহ তা’আলা তো চান আহ্লে বাইত হতে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদের কে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে”– (সূরা আহযাবঃ ৩৩), তখন তিনি ফাতিমাহ, হাসান ও হুসাইন (রাঃ) কে ডাকলেন এবং তাদেরকে একটি কম্বলের ভিতর ঢেকে নিলেন। আলি (রাঃ) তাঁর পেছনে ছিলেন। তিনি তাকেও কম্বলের ভিতরে নিয়ে নিলেন। তারপর তিনি বলেনঃ “হে আল্লাহ! এরা আমার ‘আহলে বাইত’ (পরিবার সদস্য)। তুমি তাদের ভিতর হতে অপরিছন্নতা দূর করে দাও এবং সম্পূর্ণরূপে পরিচ্ছন্ন করে দাও”। উম্মু সালামাহ (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর নবী! আমিও কি তাদের অন্তর্ভুক্ত? তিনি বললেনঃ তুমি স্ব-স্থানে থাক এবং তুমি কল্যাণের মধ্যেই আছ। সহিহঃ রাওযুন নাযির (৯৭৬, ১১৯০), মুসলিম।
حدثنا قتيبة، حدثنا محمد بن سليمان بن الأصبهاني، عن يحيى بن عبيد، عن عطاء بن أبي رباح، عن عمر بن أبي سلمة، ربيب النبي صلى الله عليه وسلم قال لما نزلت هذه الآية على النبي صلى الله عليه وسلم : ( إنما يريد الله ليذهب عنكم الرجس أهل البيت ويطهركم تطهيرا ) في بيت أم سلمة فدعا فاطمة وحسنا وحسينا فجللهم بكساء وعلي خلف ظهره فجللهم بكساء ثم قال " اللهم هؤلاء أهل بيتي فأذهب عنهم الرجس وطهرهم تطهيرا " . قالت أم سلمة وأنا معهم يا نبي الله قال " أنت على مكانك وأنت على خير " . قال هذا حديث غريب من هذا الوجه من حديث عطاء عن عمر بن أبي سلمة .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২০১
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا حميد الطويل، عن أنس بن مالك، أن عمه، غاب عن قتال، بدر فقال غبت عن أول، قتال قاتله رسول الله صلى الله عليه وسلم المشركين لئن الله أشهدني قتالا للمشركين ليرين الله كيف أصنع فلما كان يوم أحد انكشف المسلمون فقال اللهم إني أبرأ إليك مما جاء به هؤلاء . يعني المشركين وأعتذر إليك مما يصنع هؤلاء . يعني أصحابه ثم تقدم فلقيه سعد فقال يا أخي ما فعلت أنا معك فلم أستطع أن أصنع ما صنع . فوجد فيه بضع وثمانون من ضربة بسيف وطعنة برمح ورمية بسهم فكنا نقول فيه وفي أصحابه نزلت : (فمنهم من قضى نحبه ومنهم من ينتظر ) . قال يزيد يعني هذه الآية . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح . واسم عمه أنس بن النضر .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তার চাচা বদরের যুদ্ধে অনুপস্থিত ছিলেন। তিনি (চাচা) বলেন, এটাই ছিল প্রথম যুদ্ধ যা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুশরিকদের বিরুদ্ধে পরিচালনা করেন। অথচ এই প্রথম যুদ্ধেই আমি অংশগ্রহণ করতে পারলাম না। আল্লাহ তা'আলা যদি ভবিষ্যতে মুশরিকদের বিরুদ্ধে আমাকে কোন যুদ্ধে অংশগ্রহণের সুযোগ দেন, তবে তিনি দেখবেন আমি কি করি। তারপর উহুদের যুদ্ধে মুসলিমরা পরাজয়ের সম্মুখীন হলে তিনি বলেন, “হে আল্লাহ! মুশরিকরা যে বিপদ নিয়ে এসেছে আমি তা হতে তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আর মুসলিমরা যা করেছে সে প্রসঙ্গে তোমার নিকট ওজরখাহি করছি।" তারপর তিনি সামনে আগালেন। তার সঙ্গে সা'দ (রাঃ)-এর সাক্ষাৎ হলে তিনি বলেন, হে ভাই! তুমি কি করছ, আমি তোমার সাথে আছি। (সা’দ বলেন) কিন্তু সে যা করল আমি তা করতে ব্যর্থ হলাম। তার দেহে আশির বেশি জখম পাওয়া গেল। এর কতগুলো ছিল তরবারির আঘাত, কতগুলো বর্শার আঘাত এবং কতগুলো তীরের আঘাত। আমরা বলাবলি করতাম যে, তার ও তার বন্ধুদের বিষয়ে এ আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে (অনুবাদ)ঃ “তাদের ভিতর কেউ কেউ ইচ্ছা পূর্ণ করেছে এবং কেউ সময় আসার অপেক্ষায় রয়েছে"- (সূরা আহযাব ২৩)। সহীহঃ বুখারী (২৮০৫)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তার চাচা বদরের যুদ্ধে অনুপস্থিত ছিলেন। তিনি (চাচা) বলেন, এটাই ছিল প্রথম যুদ্ধ যা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুশরিকদের বিরুদ্ধে পরিচালনা করেন। অথচ এই প্রথম যুদ্ধেই আমি অংশগ্রহণ করতে পারলাম না। আল্লাহ তা'আলা যদি ভবিষ্যতে মুশরিকদের বিরুদ্ধে আমাকে কোন যুদ্ধে অংশগ্রহণের সুযোগ দেন, তবে তিনি দেখবেন আমি কি করি। তারপর উহুদের যুদ্ধে মুসলিমরা পরাজয়ের সম্মুখীন হলে তিনি বলেন, “হে আল্লাহ! মুশরিকরা যে বিপদ নিয়ে এসেছে আমি তা হতে তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আর মুসলিমরা যা করেছে সে প্রসঙ্গে তোমার নিকট ওজরখাহি করছি।" তারপর তিনি সামনে আগালেন। তার সঙ্গে সা'দ (রাঃ)-এর সাক্ষাৎ হলে তিনি বলেন, হে ভাই! তুমি কি করছ, আমি তোমার সাথে আছি। (সা’দ বলেন) কিন্তু সে যা করল আমি তা করতে ব্যর্থ হলাম। তার দেহে আশির বেশি জখম পাওয়া গেল। এর কতগুলো ছিল তরবারির আঘাত, কতগুলো বর্শার আঘাত এবং কতগুলো তীরের আঘাত। আমরা বলাবলি করতাম যে, তার ও তার বন্ধুদের বিষয়ে এ আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে (অনুবাদ)ঃ “তাদের ভিতর কেউ কেউ ইচ্ছা পূর্ণ করেছে এবং কেউ সময় আসার অপেক্ষায় রয়েছে"- (সূরা আহযাব ২৩)। সহীহঃ বুখারী (২৮০৫)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا حميد الطويل، عن أنس بن مالك، أن عمه، غاب عن قتال، بدر فقال غبت عن أول، قتال قاتله رسول الله صلى الله عليه وسلم المشركين لئن الله أشهدني قتالا للمشركين ليرين الله كيف أصنع فلما كان يوم أحد انكشف المسلمون فقال اللهم إني أبرأ إليك مما جاء به هؤلاء . يعني المشركين وأعتذر إليك مما يصنع هؤلاء . يعني أصحابه ثم تقدم فلقيه سعد فقال يا أخي ما فعلت أنا معك فلم أستطع أن أصنع ما صنع . فوجد فيه بضع وثمانون من ضربة بسيف وطعنة برمح ورمية بسهم فكنا نقول فيه وفي أصحابه نزلت : (فمنهم من قضى نحبه ومنهم من ينتظر ) . قال يزيد يعني هذه الآية . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح . واسم عمه أنس بن النضر .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২০৩
حدثنا أبو كريب، حدثنا يونس بن بكير، عن طلحة بن يحيى، عن موسى، وعيسى، ابنى طلحة عن أبيهما، طلحة أن أصحاب، رسول الله صلى الله عليه وسلم قالوا لأعرابي جاهل سله عمن قضى نحبه من هو وكانوا لا يجترئون على مسألته يوقرونه ويهابونه فسأله الأعرابي فأعرض عنه ثم سأله فأعرض عنه ثم سأله فأعرض عنه ثم إني اطلعت من باب المسجد وعلى ثياب خضر فلما رآني رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " أين السائل عمن قضى نحبه " . قال الأعرابي أنا يا رسول الله . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " هذا ممن قضى نحبه " . قال هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث يونس بن بكير .
তালহা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণ এক মূৰ্খ বেদুঈনকে বলল, তুমি গিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রশ্ন কর, “যারা নিজেদের মানৎ পূর্ণ করেছে" দ্বারা কাদের বুঝানো হয়েছে? সাহাবীগণ সরাসরি তার নিকট এ কথা প্রশ্ন করতে সাহস পাননি। তারা তাঁকে সম্মান ও সমীহ করতেন। বিদুঈন তাঁর নিকট ব্যাপারটা জিজ্ঞেস করলে তিনি মুখ ফিরিয়ে নেন। সে আবারো তাকে প্রশ্ন করলে তিনি এবারও মুখ ফিরিয়ে নেন। সে আবারো তাকে প্রশ্ন করলে তিনি এবারও মুখ ফিরিয়ে নেন। তারপর আমি মাসজিদের দরজা দিয়ে ভিতরে ঢুকলাম। আমার পরনে ছিল সবুজ কাপড়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দেখে বললেনঃ প্রশ্নকারী কোথায়, যে ‘মানৎ পূর্ণকারীদের’ বিষয়ে প্রশ্ন করেছে? বেদুঈন বলল, হে আল্লাহর রাসূল! এই আমি। রাসূলুল্লাহঃ বললেনঃ যারা নিজেদের মানৎ পূর্ণ করেছে এ লোক (ত্বালহা) তাদের একজন। হাসান সহীহঃ সহীহাহ (১/৩৬)
তালহা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণ এক মূৰ্খ বেদুঈনকে বলল, তুমি গিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রশ্ন কর, “যারা নিজেদের মানৎ পূর্ণ করেছে" দ্বারা কাদের বুঝানো হয়েছে? সাহাবীগণ সরাসরি তার নিকট এ কথা প্রশ্ন করতে সাহস পাননি। তারা তাঁকে সম্মান ও সমীহ করতেন। বিদুঈন তাঁর নিকট ব্যাপারটা জিজ্ঞেস করলে তিনি মুখ ফিরিয়ে নেন। সে আবারো তাকে প্রশ্ন করলে তিনি এবারও মুখ ফিরিয়ে নেন। সে আবারো তাকে প্রশ্ন করলে তিনি এবারও মুখ ফিরিয়ে নেন। তারপর আমি মাসজিদের দরজা দিয়ে ভিতরে ঢুকলাম। আমার পরনে ছিল সবুজ কাপড়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দেখে বললেনঃ প্রশ্নকারী কোথায়, যে ‘মানৎ পূর্ণকারীদের’ বিষয়ে প্রশ্ন করেছে? বেদুঈন বলল, হে আল্লাহর রাসূল! এই আমি। রাসূলুল্লাহঃ বললেনঃ যারা নিজেদের মানৎ পূর্ণ করেছে এ লোক (ত্বালহা) তাদের একজন। হাসান সহীহঃ সহীহাহ (১/৩৬)
حدثنا أبو كريب، حدثنا يونس بن بكير، عن طلحة بن يحيى، عن موسى، وعيسى، ابنى طلحة عن أبيهما، طلحة أن أصحاب، رسول الله صلى الله عليه وسلم قالوا لأعرابي جاهل سله عمن قضى نحبه من هو وكانوا لا يجترئون على مسألته يوقرونه ويهابونه فسأله الأعرابي فأعرض عنه ثم سأله فأعرض عنه ثم سأله فأعرض عنه ثم إني اطلعت من باب المسجد وعلى ثياب خضر فلما رآني رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " أين السائل عمن قضى نحبه " . قال الأعرابي أنا يا رسول الله . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " هذا ممن قضى نحبه " . قال هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث يونس بن بكير .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২০৩
حدثنا أبو كريب، حدثنا يونس بن بكير، عن طلحة بن يحيى، عن موسى، وعيسى، ابنى طلحة عن أبيهما، طلحة أن أصحاب، رسول الله صلى الله عليه وسلم قالوا لأعرابي جاهل سله عمن قضى نحبه من هو وكانوا لا يجترئون على مسألته يوقرونه ويهابونه فسأله الأعرابي فأعرض عنه ثم سأله فأعرض عنه ثم سأله فأعرض عنه ثم إني اطلعت من باب المسجد وعلى ثياب خضر فلما رآني رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " أين السائل عمن قضى نحبه " . قال الأعرابي أنا يا رسول الله . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " هذا ممن قضى نحبه " . قال هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث يونس بن بكير .
তালহা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণ এক মূৰ্খ বেদুঈনকে বলল, তুমি গিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রশ্ন কর, “যারা নিজেদের মানৎ পূর্ণ করেছে" দ্বারা কাদের বুঝানো হয়েছে? সাহাবীগণ সরাসরি তার নিকট এ কথা প্রশ্ন করতে সাহস পাননি। তারা তাঁকে সম্মান ও সমীহ করতেন। বিদুঈন তাঁর নিকট ব্যাপারটা জিজ্ঞেস করলে তিনি মুখ ফিরিয়ে নেন। সে আবারো তাকে প্রশ্ন করলে তিনি এবারও মুখ ফিরিয়ে নেন। সে আবারো তাকে প্রশ্ন করলে তিনি এবারও মুখ ফিরিয়ে নেন। তারপর আমি মাসজিদের দরজা দিয়ে ভিতরে ঢুকলাম। আমার পরনে ছিল সবুজ কাপড়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দেখে বললেনঃ প্রশ্নকারী কোথায়, যে ‘মানৎ পূর্ণকারীদের’ বিষয়ে প্রশ্ন করেছে? বেদুঈন বলল, হে আল্লাহর রাসূল! এই আমি। রাসূলুল্লাহঃ বললেনঃ যারা নিজেদের মানৎ পূর্ণ করেছে এ লোক (ত্বালহা) তাদের একজন। হাসান সহীহঃ সহীহাহ (১/৩৬)
তালহা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণ এক মূৰ্খ বেদুঈনকে বলল, তুমি গিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রশ্ন কর, “যারা নিজেদের মানৎ পূর্ণ করেছে" দ্বারা কাদের বুঝানো হয়েছে? সাহাবীগণ সরাসরি তার নিকট এ কথা প্রশ্ন করতে সাহস পাননি। তারা তাঁকে সম্মান ও সমীহ করতেন। বিদুঈন তাঁর নিকট ব্যাপারটা জিজ্ঞেস করলে তিনি মুখ ফিরিয়ে নেন। সে আবারো তাকে প্রশ্ন করলে তিনি এবারও মুখ ফিরিয়ে নেন। সে আবারো তাকে প্রশ্ন করলে তিনি এবারও মুখ ফিরিয়ে নেন। তারপর আমি মাসজিদের দরজা দিয়ে ভিতরে ঢুকলাম। আমার পরনে ছিল সবুজ কাপড়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দেখে বললেনঃ প্রশ্নকারী কোথায়, যে ‘মানৎ পূর্ণকারীদের’ বিষয়ে প্রশ্ন করেছে? বেদুঈন বলল, হে আল্লাহর রাসূল! এই আমি। রাসূলুল্লাহঃ বললেনঃ যারা নিজেদের মানৎ পূর্ণ করেছে এ লোক (ত্বালহা) তাদের একজন। হাসান সহীহঃ সহীহাহ (১/৩৬)
حدثنا أبو كريب، حدثنا يونس بن بكير، عن طلحة بن يحيى، عن موسى، وعيسى، ابنى طلحة عن أبيهما، طلحة أن أصحاب، رسول الله صلى الله عليه وسلم قالوا لأعرابي جاهل سله عمن قضى نحبه من هو وكانوا لا يجترئون على مسألته يوقرونه ويهابونه فسأله الأعرابي فأعرض عنه ثم سأله فأعرض عنه ثم سأله فأعرض عنه ثم إني اطلعت من باب المسجد وعلى ثياب خضر فلما رآني رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " أين السائل عمن قضى نحبه " . قال الأعرابي أنا يا رسول الله . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " هذا ممن قضى نحبه " . قال هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث يونس بن بكير .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২০৩
حدثنا أبو كريب، حدثنا يونس بن بكير، عن طلحة بن يحيى، عن موسى، وعيسى، ابنى طلحة عن أبيهما، طلحة أن أصحاب، رسول الله صلى الله عليه وسلم قالوا لأعرابي جاهل سله عمن قضى نحبه من هو وكانوا لا يجترئون على مسألته يوقرونه ويهابونه فسأله الأعرابي فأعرض عنه ثم سأله فأعرض عنه ثم سأله فأعرض عنه ثم إني اطلعت من باب المسجد وعلى ثياب خضر فلما رآني رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " أين السائل عمن قضى نحبه " . قال الأعرابي أنا يا رسول الله . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " هذا ممن قضى نحبه " . قال هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث يونس بن بكير .
তালহা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণ এক মূৰ্খ বেদুঈনকে বলল, তুমি গিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রশ্ন কর, “যারা নিজেদের মানৎ পূর্ণ করেছে" দ্বারা কাদের বুঝানো হয়েছে? সাহাবীগণ সরাসরি তার নিকট এ কথা প্রশ্ন করতে সাহস পাননি। তারা তাঁকে সম্মান ও সমীহ করতেন। বিদুঈন তাঁর নিকট ব্যাপারটা জিজ্ঞেস করলে তিনি মুখ ফিরিয়ে নেন। সে আবারো তাকে প্রশ্ন করলে তিনি এবারও মুখ ফিরিয়ে নেন। সে আবারো তাকে প্রশ্ন করলে তিনি এবারও মুখ ফিরিয়ে নেন। তারপর আমি মাসজিদের দরজা দিয়ে ভিতরে ঢুকলাম। আমার পরনে ছিল সবুজ কাপড়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দেখে বললেনঃ প্রশ্নকারী কোথায়, যে ‘মানৎ পূর্ণকারীদের’ বিষয়ে প্রশ্ন করেছে? বেদুঈন বলল, হে আল্লাহর রাসূল! এই আমি। রাসূলুল্লাহঃ বললেনঃ যারা নিজেদের মানৎ পূর্ণ করেছে এ লোক (ত্বালহা) তাদের একজন। হাসান সহীহঃ সহীহাহ (১/৩৬)
তালহা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণ এক মূৰ্খ বেদুঈনকে বলল, তুমি গিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রশ্ন কর, “যারা নিজেদের মানৎ পূর্ণ করেছে" দ্বারা কাদের বুঝানো হয়েছে? সাহাবীগণ সরাসরি তার নিকট এ কথা প্রশ্ন করতে সাহস পাননি। তারা তাঁকে সম্মান ও সমীহ করতেন। বিদুঈন তাঁর নিকট ব্যাপারটা জিজ্ঞেস করলে তিনি মুখ ফিরিয়ে নেন। সে আবারো তাকে প্রশ্ন করলে তিনি এবারও মুখ ফিরিয়ে নেন। সে আবারো তাকে প্রশ্ন করলে তিনি এবারও মুখ ফিরিয়ে নেন। তারপর আমি মাসজিদের দরজা দিয়ে ভিতরে ঢুকলাম। আমার পরনে ছিল সবুজ কাপড়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দেখে বললেনঃ প্রশ্নকারী কোথায়, যে ‘মানৎ পূর্ণকারীদের’ বিষয়ে প্রশ্ন করেছে? বেদুঈন বলল, হে আল্লাহর রাসূল! এই আমি। রাসূলুল্লাহঃ বললেনঃ যারা নিজেদের মানৎ পূর্ণ করেছে এ লোক (ত্বালহা) তাদের একজন। হাসান সহীহঃ সহীহাহ (১/৩৬)
حدثنا أبو كريب، حدثنا يونس بن بكير، عن طلحة بن يحيى، عن موسى، وعيسى، ابنى طلحة عن أبيهما، طلحة أن أصحاب، رسول الله صلى الله عليه وسلم قالوا لأعرابي جاهل سله عمن قضى نحبه من هو وكانوا لا يجترئون على مسألته يوقرونه ويهابونه فسأله الأعرابي فأعرض عنه ثم سأله فأعرض عنه ثم سأله فأعرض عنه ثم إني اطلعت من باب المسجد وعلى ثياب خضر فلما رآني رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " أين السائل عمن قضى نحبه " . قال الأعرابي أنا يا رسول الله . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " هذا ممن قضى نحبه " . قال هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث يونس بن بكير .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২০৬
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عفان بن مسلم، حدثنا حماد بن سلمة، أخبرنا علي بن زيد، عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يمر بباب فاطمة ستة أشهر إذا خرج إلى صلاة الفجر يقول " الصلاة يا أهل البيت : ( إنما يريد الله ليذهب عنكم الرجس أهل البيت ويطهركم تطهيرا ) " . قال هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه إنما نعرفه من حديث حماد بن سلمة . قال وفي الباب عن أبي الحمراء ومعقل بن يسار وأم سلمة .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ছয় মাস পর্যন্ত এই চর্চা ছিল যে, তিনি ফজরের নামাযের জন্য ফাতিমা (রাঃ)-এর ঘরের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় বলতেনঃ "হে আহ্লে বাইত! তোমরা নামায কায়িম কর। আল্লাহ্ তা'আলা ইচ্ছা করেন, তোমাদের নবীর ঘরের লোকদের মধ্য হতে ময়লা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে"। যঈফ, প্রাগুক্ত
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ছয় মাস পর্যন্ত এই চর্চা ছিল যে, তিনি ফজরের নামাযের জন্য ফাতিমা (রাঃ)-এর ঘরের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় বলতেনঃ "হে আহ্লে বাইত! তোমরা নামায কায়িম কর। আল্লাহ্ তা'আলা ইচ্ছা করেন, তোমাদের নবীর ঘরের লোকদের মধ্য হতে ময়লা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে"। যঈফ, প্রাগুক্ত
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عفان بن مسلم، حدثنا حماد بن سلمة، أخبرنا علي بن زيد، عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يمر بباب فاطمة ستة أشهر إذا خرج إلى صلاة الفجر يقول " الصلاة يا أهل البيت : ( إنما يريد الله ليذهب عنكم الرجس أهل البيت ويطهركم تطهيرا ) " . قال هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه إنما نعرفه من حديث حماد بن سلمة . قال وفي الباب عن أبي الحمراء ومعقل بن يسار وأم سلمة .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২০৮
حدثنا محمد بن أبان، حدثنا ابن أبي عدي، عن داود بن أبي هند، عن الشعبي، عن مسروق، عن عائشة، رضى الله عنها قالت لو كان النبي صلى الله عليه وسلم كاتما شيئا من الوحى لكتم هذه الآية : ( إذ تقول للذي أنعم الله عليه وأنعمت عليه ) الآية . قال هذا حديث حسن صحيح .
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যদি ওয়াহীর কোন অংশ গোপনকারী হতেন, তাহলে অবশ্যই তিনি এ আয়াত গোপন করতেন (অনুবাদ)ঃ “যখন তুমি সে লোককে বলেছিলে যার প্রতি আল্লাহ তা‘আলা এবং তুমি দয়া করেছিলে......”- (সূরা আহ্যাব ৩৭) শেষ পর্যন্ত। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম। আবূ ‘ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যদি ওয়াহীর কোন অংশ গোপনকারী হতেন, তাহলে অবশ্যই তিনি এ আয়াত গোপন করতেন (অনুবাদ)ঃ “যখন তুমি সে লোককে বলেছিলে যার প্রতি আল্লাহ তা‘আলা এবং তুমি দয়া করেছিলে......”- (সূরা আহ্যাব ৩৭) শেষ পর্যন্ত। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম। আবূ ‘ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
حدثنا محمد بن أبان، حدثنا ابن أبي عدي، عن داود بن أبي هند، عن الشعبي، عن مسروق، عن عائشة، رضى الله عنها قالت لو كان النبي صلى الله عليه وسلم كاتما شيئا من الوحى لكتم هذه الآية : ( إذ تقول للذي أنعم الله عليه وأنعمت عليه ) الآية . قال هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২০৯
حدثنا قتيبة، حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن، عن موسى بن عقبة، عن سالم، عن ابن عمر، قال ما كنا ندعو زيد بن حارثة إلا زيد بن محمد حتى نزل القرآن : ( ادعوهم لآبائهم هو أقسط عند الله ) . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা যাইদ ইবনু হারিসাহ্ না ডেকে বরং যাইদ ইবনু মুহাম্মাদ ডাকতাম। অবশেষে নাযিল হলঃ “তোমরা তাদেরকে তাদের পিতার পরিচয়ে ডাকো। এটাই আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট বেশি ন্যায়সঙ্গত”- (সূরা আহ্যাব ৫)। সহীহঃ বুখারী (৪৭৮২), মুসলিম।
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা যাইদ ইবনু হারিসাহ্ না ডেকে বরং যাইদ ইবনু মুহাম্মাদ ডাকতাম। অবশেষে নাযিল হলঃ “তোমরা তাদেরকে তাদের পিতার পরিচয়ে ডাকো। এটাই আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট বেশি ন্যায়সঙ্গত”- (সূরা আহ্যাব ৫)। সহীহঃ বুখারী (৪৭৮২), মুসলিম।
حدثنا قتيبة، حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن، عن موسى بن عقبة، عن سالم، عن ابن عمر، قال ما كنا ندعو زيد بن حارثة إلا زيد بن محمد حتى نزل القرآن : ( ادعوهم لآبائهم هو أقسط عند الله ) . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২০৭
حدثنا علي بن حجر، أخبرنا داود بن الزبرقان، عن داود بن أبي هند، عن الشعبي، عن عائشة، رضى الله عنها قالت لو كان رسول الله صلى الله عليه وسلم كاتما شيئا من الوحى لكتم هذه الآية : ( إذ تقول للذي أنعم الله عليه ) يعني بالإسلام : ( وأنعمت عليه ) بالعتق فأعتقته : ( أمسك عليك زوجك واتق الله وتخفي في نفسك ما الله مبديه وتخشى الناس والله أحق أن تخشاه ) إلى قوله : (وكان أمر الله مفعولا ) وإن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما تزوجها قالوا تزوج حليلة ابنه فأنزل الله تعالى : ( ما كان محمد أبا أحد من رجالكم ولكن رسول الله وخاتم النبيين ) وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم تبناه وهو صغير فلبث حتى صار رجلا يقال له زيد بن محمد فأنزل الله : ( ادعوهم لآبائهم هو أقسط عند الله فإن لم تعلموا آباءهم فإخوانكم في الدين ومواليكم ) فلان مولى فلان وفلان أخو فلان (هو أقسط عند الله ) يعني أعدل عند الله . قال أبو عيسى هذا حديث غريب .
আইশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যদি ওয়াহীর কোন অংশ গোপন করতেন তাহলে এই অংশ গোপন করতেনঃ “স্মরণ কর, যার প্রতি আল্লাহ্ তা’আলা (ইসলাম গ্রহণ করার) অনুগ্রহ করেছেন এবং আপনিও যার উপর (দাসত্বমুক্ত করে) অনুগ্রহ করেছেন আপনি তাকে বলেছেন, তুমি তোমার স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক ঠিক রাখ এবং আল্লাহ্ তা’আলাকে ভয় কর। আপনি আপনার মনের মধ্যে যে কথা লুকিয়েছেন, তা আল্লাহ্ তা’আলা প্রকাশ করে দিচ্ছেন। আপনি লোকভয় করছিলেন, অথচ আল্লাহ্ তা’আলাকে ভয় করা আপনার পক্ষে অধিকতর সংগত। পরে যাইদ যখন তার (যাইনাবের) সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন করল, তখন আমি তাকে (যাইনাবকে) আপনার নিকট বিয়ে দিলাম, যেন মু’মিনদের পালিত ছেলেরা নিজ স্ত্রীর সাথে বিবাহ সূত্র ছিন্ন করলে সেই সব নারীদের বিবাহ করায় মু’মিন লোকদের কোন অসুবিধা না থাকে। আল্লাহ্ তা’আলার নির্দেশ কার্যকারী হয়েই থাকে” (সূরাঃ আল-আহযাব- ৩৭)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তাকে (যাইনাবকে) বিয়ে করলেন তখন লোকেরা বলতে লাগল, তিনি নিজের ছেলের বিবিকে বিয়ে করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ্ তা’আলা আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “মুহাম্মাদ তোমাদের পুরুষ লোকদের মধ্যে কারো পিতা নন, বরং আল্লাহ্র রাসূল ও সর্বশেষ নবী” (সূরাঃ আল-আহযাব- ৪০)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে পালিত পুত্র বানিয়েছিলেন। তিনি (যাইদ) তখন বালক ছিলেন। তিনি তাঁর কাছে থাকলেন এবং ধীরে ধীরে বেড়ে উঠলেন। তাকে যাইদ ইবনু মুহাম্মাদ বলে ডাকা হত। এর পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ্ তা’আলা আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “পালিত ছেলেদেরকে তোমরা তাদের পিতার সাথে সম্পর্ক সূত্রে ডাকো, এটা আল্লাহ্ তা’আলার নিকটে বেশি ন্যায়সংগত। আর তোমরা যদি তাদের পিতার পরিচয় না জান, তবে তারা তোমাদের দীনী ভাই এবং সাথী” (সূরাঃ আল-আহযাব- ৫) অর্থাৎ অমুক অমুকের বন্ধু এবং অমুক অমুকের ভাই। এটাই আল্লাহ্ তা’আলার নিকট বেশি ন্যায়সংগত কথা অর্থাৎ আল্লাহ্ তা’আলার নিকটে বেশি ন্যায়ানুগ কথা। সনদ অত্যন্ত দুর্বল
আইশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যদি ওয়াহীর কোন অংশ গোপন করতেন তাহলে এই অংশ গোপন করতেনঃ “স্মরণ কর, যার প্রতি আল্লাহ্ তা’আলা (ইসলাম গ্রহণ করার) অনুগ্রহ করেছেন এবং আপনিও যার উপর (দাসত্বমুক্ত করে) অনুগ্রহ করেছেন আপনি তাকে বলেছেন, তুমি তোমার স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক ঠিক রাখ এবং আল্লাহ্ তা’আলাকে ভয় কর। আপনি আপনার মনের মধ্যে যে কথা লুকিয়েছেন, তা আল্লাহ্ তা’আলা প্রকাশ করে দিচ্ছেন। আপনি লোকভয় করছিলেন, অথচ আল্লাহ্ তা’আলাকে ভয় করা আপনার পক্ষে অধিকতর সংগত। পরে যাইদ যখন তার (যাইনাবের) সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন করল, তখন আমি তাকে (যাইনাবকে) আপনার নিকট বিয়ে দিলাম, যেন মু’মিনদের পালিত ছেলেরা নিজ স্ত্রীর সাথে বিবাহ সূত্র ছিন্ন করলে সেই সব নারীদের বিবাহ করায় মু’মিন লোকদের কোন অসুবিধা না থাকে। আল্লাহ্ তা’আলার নির্দেশ কার্যকারী হয়েই থাকে” (সূরাঃ আল-আহযাব- ৩৭)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তাকে (যাইনাবকে) বিয়ে করলেন তখন লোকেরা বলতে লাগল, তিনি নিজের ছেলের বিবিকে বিয়ে করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ্ তা’আলা আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “মুহাম্মাদ তোমাদের পুরুষ লোকদের মধ্যে কারো পিতা নন, বরং আল্লাহ্র রাসূল ও সর্বশেষ নবী” (সূরাঃ আল-আহযাব- ৪০)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে পালিত পুত্র বানিয়েছিলেন। তিনি (যাইদ) তখন বালক ছিলেন। তিনি তাঁর কাছে থাকলেন এবং ধীরে ধীরে বেড়ে উঠলেন। তাকে যাইদ ইবনু মুহাম্মাদ বলে ডাকা হত। এর পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ্ তা’আলা আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “পালিত ছেলেদেরকে তোমরা তাদের পিতার সাথে সম্পর্ক সূত্রে ডাকো, এটা আল্লাহ্ তা’আলার নিকটে বেশি ন্যায়সংগত। আর তোমরা যদি তাদের পিতার পরিচয় না জান, তবে তারা তোমাদের দীনী ভাই এবং সাথী” (সূরাঃ আল-আহযাব- ৫) অর্থাৎ অমুক অমুকের বন্ধু এবং অমুক অমুকের ভাই। এটাই আল্লাহ্ তা’আলার নিকট বেশি ন্যায়সংগত কথা অর্থাৎ আল্লাহ্ তা’আলার নিকটে বেশি ন্যায়ানুগ কথা। সনদ অত্যন্ত দুর্বল
حدثنا علي بن حجر، أخبرنا داود بن الزبرقان، عن داود بن أبي هند، عن الشعبي، عن عائشة، رضى الله عنها قالت لو كان رسول الله صلى الله عليه وسلم كاتما شيئا من الوحى لكتم هذه الآية : ( إذ تقول للذي أنعم الله عليه ) يعني بالإسلام : ( وأنعمت عليه ) بالعتق فأعتقته : ( أمسك عليك زوجك واتق الله وتخفي في نفسك ما الله مبديه وتخشى الناس والله أحق أن تخشاه ) إلى قوله : (وكان أمر الله مفعولا ) وإن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما تزوجها قالوا تزوج حليلة ابنه فأنزل الله تعالى : ( ما كان محمد أبا أحد من رجالكم ولكن رسول الله وخاتم النبيين ) وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم تبناه وهو صغير فلبث حتى صار رجلا يقال له زيد بن محمد فأنزل الله : ( ادعوهم لآبائهم هو أقسط عند الله فإن لم تعلموا آباءهم فإخوانكم في الدين ومواليكم ) فلان مولى فلان وفلان أخو فلان (هو أقسط عند الله ) يعني أعدل عند الله . قال أبو عيسى هذا حديث غريب .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২১০
حدثنا الحسن بن قزعة، - بصري - حدثنا مسلمة بن علقمة، عن داود بن أبي هند، عن عامر الشعبي، في قول الله عز وجل : ( ما كان محمد أبا أحد من رجالكم ) قال ما كان ليعيش له فيكم ولد ذكر .
আমির আশ-শাবী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আল্লাহ্র বাণীঃ “মুহাম্মাদ তোমাদের মধ্যে কোন পুরুষের পিতা নন” (সূরাঃ আল-আহ্যাব- ৪০) প্রসঙ্গে বলেনঃ এ আয়াতের ভাবার্থ হচ্ছেঃ তোমাদের মাঝে তাঁর কোন ছেলে সন্তান জীবিত থাকবে না। যঈফ, সনদ বিচ্ছিন্ন
আমির আশ-শাবী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আল্লাহ্র বাণীঃ “মুহাম্মাদ তোমাদের মধ্যে কোন পুরুষের পিতা নন” (সূরাঃ আল-আহ্যাব- ৪০) প্রসঙ্গে বলেনঃ এ আয়াতের ভাবার্থ হচ্ছেঃ তোমাদের মাঝে তাঁর কোন ছেলে সন্তান জীবিত থাকবে না। যঈফ, সনদ বিচ্ছিন্ন
حدثنا الحسن بن قزعة، - بصري - حدثنا مسلمة بن علقمة، عن داود بن أبي هند، عن عامر الشعبي، في قول الله عز وجل : ( ما كان محمد أبا أحد من رجالكم ) قال ما كان ليعيش له فيكم ولد ذكر .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২১১
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا محمد بن كثير، حدثنا سليمان بن كثير، عن حسين، عن عكرمة، عن أم عمارة الأنصارية، أنها أتت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت ما أرى كل شيء إلا للرجال وما أرى النساء يذكرن بشيء فنزلت هذه الآية : (إن المسلمين والمسلمات والمؤمنين والمؤمنات ) الآية . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب وإنما يعرف هذا الحديث من هذا الوجه .
উম্মু ‘উমারাহ্ আল-আনসারিয়্যাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেনঃ আমি (কুরআনে) প্রতিটি প্রসঙ্গ পুরুষদের জন্যই উল্লেখিত দেখতে পাচ্ছি। অথচ মহিলাদের প্রসঙ্গে কোন বিষয়ে আলোচনা দেখছি না। তখন এই আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ)ঃ “নিশ্চয় যেসব পুরুষ ও স্ত্রীলোক মুসলিম, মু’মিন, আল্লাহ্ তা‘আলার অনুগত, সত্য পথের পথিক, ধৈর্যশীল, আল্লাহ্ তা‘আলাকে ভয়কারী, দান-খাইরাতকারী রোযা পালনকারী, নিজেদের লজ্জাস্থানের হিফাযাতকারী এবং বেশি পরিমাণে আল্লাহ্ তা‘আলাকে মনে করে, আল্লাহ্ তা‘আলা তাদের জন্য ক্ষমা ও মহাপুরস্কার রেখেছেন”- (সূরা আহ্যাব ৩৫)। সনদ সহীহ।
উম্মু ‘উমারাহ্ আল-আনসারিয়্যাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেনঃ আমি (কুরআনে) প্রতিটি প্রসঙ্গ পুরুষদের জন্যই উল্লেখিত দেখতে পাচ্ছি। অথচ মহিলাদের প্রসঙ্গে কোন বিষয়ে আলোচনা দেখছি না। তখন এই আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ)ঃ “নিশ্চয় যেসব পুরুষ ও স্ত্রীলোক মুসলিম, মু’মিন, আল্লাহ্ তা‘আলার অনুগত, সত্য পথের পথিক, ধৈর্যশীল, আল্লাহ্ তা‘আলাকে ভয়কারী, দান-খাইরাতকারী রোযা পালনকারী, নিজেদের লজ্জাস্থানের হিফাযাতকারী এবং বেশি পরিমাণে আল্লাহ্ তা‘আলাকে মনে করে, আল্লাহ্ তা‘আলা তাদের জন্য ক্ষমা ও মহাপুরস্কার রেখেছেন”- (সূরা আহ্যাব ৩৫)। সনদ সহীহ।
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا محمد بن كثير، حدثنا سليمان بن كثير، عن حسين، عن عكرمة، عن أم عمارة الأنصارية، أنها أتت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت ما أرى كل شيء إلا للرجال وما أرى النساء يذكرن بشيء فنزلت هذه الآية : (إن المسلمين والمسلمات والمؤمنين والمؤمنات ) الآية . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب وإنما يعرف هذا الحديث من هذا الوجه .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২১২
حدثنا أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا حماد بن زيد، عن ثابت، عن أنس، قال نزلت هذه الآية : (وتخفي في نفسك ما الله مبديه وتخشى الناس ) في شأن زينب بنت جحش جاء زيد يشكو فهم بطلاقها فاستأمر النبي صلى الله عليه وسلم فقال النبي صلى الله عليه وسلم " أمسك عليك زوجك واتق الله " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (অনুবাদ)ঃ “তুমি (নাবী) নিজের মনে সে কথা লুকিয়ে রেখেছিলে, যা আল্লাহ্ তা‘আলা প্রকাশ করবেন”- (সূরা আহ্যাব ৩৭), এ আয়াত তখন অবতীর্ণ হয় যাইদ (রাঃ) যখন যাইনাব বিনতু জাহ্শ (রাঃ) প্রসঙ্গে অভিযোগ করতে এলেন। তিনি যাইনাবকে ত্বালাক্ব দেয়ার ইচ্ছা ব্যক্ত করেন এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট অনুমতি চান। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “তোমার স্ত্রীকে স্বীয় বিবাহধীনে রাখ এবং আল্লাহ তা‘আলাকে ভয় কর”- (সূরা আহ্যাব ৩৭)। সহীহঃ বুখারী (৭৪২০)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (অনুবাদ)ঃ “তুমি (নাবী) নিজের মনে সে কথা লুকিয়ে রেখেছিলে, যা আল্লাহ্ তা‘আলা প্রকাশ করবেন”- (সূরা আহ্যাব ৩৭), এ আয়াত তখন অবতীর্ণ হয় যাইদ (রাঃ) যখন যাইনাব বিনতু জাহ্শ (রাঃ) প্রসঙ্গে অভিযোগ করতে এলেন। তিনি যাইনাবকে ত্বালাক্ব দেয়ার ইচ্ছা ব্যক্ত করেন এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট অনুমতি চান। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “তোমার স্ত্রীকে স্বীয় বিবাহধীনে রাখ এবং আল্লাহ তা‘আলাকে ভয় কর”- (সূরা আহ্যাব ৩৭)। সহীহঃ বুখারী (৭৪২০)
حدثنا أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا حماد بن زيد، عن ثابت، عن أنس، قال نزلت هذه الآية : (وتخفي في نفسك ما الله مبديه وتخشى الناس ) في شأن زينب بنت جحش جاء زيد يشكو فهم بطلاقها فاستأمر النبي صلى الله عليه وسلم فقال النبي صلى الله عليه وسلم " أمسك عليك زوجك واتق الله " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২১৩
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا محمد بن الفضل، حدثنا حماد بن زيد، عن ثابت، عن أنس، قال نزلت هذه الآية في زينب بنت جحش : (فلما قضى زيد منها وطرا زوجناكها ) قال فكانت تفتخر على أزواج النبي صلى الله عليه وسلم تقول زوجكن أهلكن وزوجني الله من فوق سبع سموات . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যাইনাব বিনতু জাহশ সম্পর্কে যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল (অনুবাদ)ঃ “তারপর যাইদ যখন তার (যাইনাবের) সাথে বিয়ের সম্পর্ক শেষ করল তখন আমরা তাকে (যাইনাবকে) তোমার কাছে বিয়ে দিলাম,” তখন যাইনাব বিনতু জাহ্শ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রীদের সামনে গর্ব ভরে বলতেন, তোমাদেরকে তোমাদের পরিবারের লোকেরা বিয়ে দিয়েছেন, আর আমাকে বিয়ে দিয়েছেন সাত আসমানের উপর হতে আল্লাহ তা‘আলা। সহীহঃ মুখাতাসার আল-ঊলুয়ি (৮৪/৬), বুখারী।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যাইনাব বিনতু জাহশ সম্পর্কে যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল (অনুবাদ)ঃ “তারপর যাইদ যখন তার (যাইনাবের) সাথে বিয়ের সম্পর্ক শেষ করল তখন আমরা তাকে (যাইনাবকে) তোমার কাছে বিয়ে দিলাম,” তখন যাইনাব বিনতু জাহ্শ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রীদের সামনে গর্ব ভরে বলতেন, তোমাদেরকে তোমাদের পরিবারের লোকেরা বিয়ে দিয়েছেন, আর আমাকে বিয়ে দিয়েছেন সাত আসমানের উপর হতে আল্লাহ তা‘আলা। সহীহঃ মুখাতাসার আল-ঊলুয়ি (৮৪/৬), বুখারী।
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا محمد بن الفضل، حدثنا حماد بن زيد، عن ثابت، عن أنس، قال نزلت هذه الآية في زينب بنت جحش : (فلما قضى زيد منها وطرا زوجناكها ) قال فكانت تفتخر على أزواج النبي صلى الله عليه وسلم تقول زوجكن أهلكن وزوجني الله من فوق سبع سموات . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২১৪
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبيد الله بن موسى، عن إسرائيل، عن السدي، عن أبي صالح، عن أم هانئ بنت أبي طالب، قالت خطبني رسول الله صلى الله عليه وسلم فاعتذرت إليه فعذرني ثم أنزل الله تعالى : (إنا أحللنا لك أزواجك اللاتي آتيت أجورهن وما ملكت يمينك مما أفاء الله عليك وبنات عمك وبنات عماتك وبنات خالك وبنات خالاتك اللاتي هاجرن معك وامرأة مؤمنة إن وهبت نفسها للنبي ) الآية قالت فلم أكن أحل له لأني لم أهاجر كنت من الطلقاء . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح لا نعرفه إلا من هذا الوجه من حديث السدي .
আবূ তালিব-কন্যা উম্মু হানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বিয়ে করার পয়গাম পাঠান। আমি তাঁকে নিজের অক্ষমতা জানালাম। তিনি আমার আপত্তি গ্রহণ করলেন। তারপর আল্লাহ্ তা’আলা আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “হে নবী! আমরা তোমার জন্য বৈধ করেছি তোমার সেই স্ত্রীদের, যাদের মোহরানা তুমি আদায় করেছ এবং সেই মহিলাদেরকেও (বৈধ করেছি), যারা আল্লাহ্ তা’আলার দেয়া দাসীদের মধ্য হতে তোমার মালিকানাভুক্ত হয়েছে, তোমার সেই চাচাতো, ফুফাতো ও মামাতো বোনদেরকেও (বৈধ করেছি), যারা তোমার সাথে হিযরাত করে এসেছে, সেই মু’মিন মহিলাকেও, যে নিজেকে নবীর জন্য হেবা করে, যদি নবী তাকে বিয়ে করতে চায়। এই সুবিধাদান বিশেষভাবে তোমার জন্য, অন্যান্য ইমানদার লোকদের জন্য নয়” (সূরাঃ আল-আহ্যাব- ৫০)। রাবী (উম্মু হানী) বলেনঃ এ কারণেই আমি তাঁর জন্য বৈধ ছিলাম না। কেননা আমি তাঁর সাথে হিযরাত করিনি, আমি ছিলাম তুলাকাভুক্ত। সনদ অত্যন্ত দুর্বল
আবূ তালিব-কন্যা উম্মু হানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বিয়ে করার পয়গাম পাঠান। আমি তাঁকে নিজের অক্ষমতা জানালাম। তিনি আমার আপত্তি গ্রহণ করলেন। তারপর আল্লাহ্ তা’আলা আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “হে নবী! আমরা তোমার জন্য বৈধ করেছি তোমার সেই স্ত্রীদের, যাদের মোহরানা তুমি আদায় করেছ এবং সেই মহিলাদেরকেও (বৈধ করেছি), যারা আল্লাহ্ তা’আলার দেয়া দাসীদের মধ্য হতে তোমার মালিকানাভুক্ত হয়েছে, তোমার সেই চাচাতো, ফুফাতো ও মামাতো বোনদেরকেও (বৈধ করেছি), যারা তোমার সাথে হিযরাত করে এসেছে, সেই মু’মিন মহিলাকেও, যে নিজেকে নবীর জন্য হেবা করে, যদি নবী তাকে বিয়ে করতে চায়। এই সুবিধাদান বিশেষভাবে তোমার জন্য, অন্যান্য ইমানদার লোকদের জন্য নয়” (সূরাঃ আল-আহ্যাব- ৫০)। রাবী (উম্মু হানী) বলেনঃ এ কারণেই আমি তাঁর জন্য বৈধ ছিলাম না। কেননা আমি তাঁর সাথে হিযরাত করিনি, আমি ছিলাম তুলাকাভুক্ত। সনদ অত্যন্ত দুর্বল
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبيد الله بن موسى، عن إسرائيل، عن السدي، عن أبي صالح، عن أم هانئ بنت أبي طالب، قالت خطبني رسول الله صلى الله عليه وسلم فاعتذرت إليه فعذرني ثم أنزل الله تعالى : (إنا أحللنا لك أزواجك اللاتي آتيت أجورهن وما ملكت يمينك مما أفاء الله عليك وبنات عمك وبنات عماتك وبنات خالك وبنات خالاتك اللاتي هاجرن معك وامرأة مؤمنة إن وهبت نفسها للنبي ) الآية قالت فلم أكن أحل له لأني لم أهاجر كنت من الطلقاء . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح لا نعرفه إلا من هذا الوجه من حديث السدي .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২১৫
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا روح، عن عبد الحميد بن بهرام، عن شهر بن حوشب، قال قال ابن عباس رضى الله عنهما نهي رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أصناف النساء إلا ما كان من المؤمنات المهاجرات قال : ( لا يحل لك النساء من بعد ولا أن تبدل بهن من أزواج ولو أعجبك حسنهن إلا ما ملكت يمينك ) فأحل الله فتياتكم المؤمنات وامرأة مؤمنة إن وهبت نفسها للنبي وحرم كل ذات دين غير الإسلام ثم قال : (ومن يكفر بالإيمان فقد حبط عمله وهو في الآخرة من الخاسرين ) وقال : ( يا أيها النبي إنا أحللنا لك أزواجك اللاتي آتيت أجورهن وما ملكت يمينك مما أفاء الله عليك ) إلى قوله : ( خالصة لك من دون المؤمنين ) وحرم ما سوى ذلك من أصناف النساء . قال أبو عيسى هذا حديث حسن إنما نعرفه من حديث عبد الحميد بن بهرام . قال سمعت أحمد بن الحسن يقول قال أحمد بن حنبل لا بأس بحديث عبد الحميد بن بهرام عن شهر بن حوشب .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে হিযরাতকারিনী মু’মিন স্ত্রীলোকদের ছাড়া অন্য স্ত্রীলোকদেরকে বিয়ে করতে মানা করা হয়েছে। অতএব আল্লাহ্ তা’আলা বলেছেনঃ “এরপর তোমার জন্য কোন নারী হালাল নয় এবং তোমার স্ত্রীদের পরিবর্তে অন্য স্ত্রী গ্রহণ করারও অনুমতি নেই, যদিও তাদের রূপ সৌন্দর্য তোমাকে মুগ্ধ করে। তবে তোমার অধিকারভুক্ত দাসীদের ব্যাপার স্বতন্ত্র” (সূরাঃ আল-আহ্যাব- ৫২)। আল্লাহ্ তা’আলা তোমাদের মু’মিন দাসীদের বৈধ করেছেন। “এবং সেই মু’মিন নারীকেও (বৈধ করা হয়েছে) যে নিজেকে নবীর জন্য হেবা করে” (সূরাঃ আল-আহ্যাব- ৫০)। মুসলমান স্ত্রীলোক ব্যতীত অন্যান্য ধর্মের স্ত্রীলোকদের বিয়ে করা তাঁর জন্য অবৈধ করা হয়েছে। আল্লাহ্ তা’আলা বলেনঃ “কেউ ঈমান অস্বীকার করলে তার সকল কর্মফল নিষ্ফল হবে এবং আখিরাতে সে ক্ষতিগ্রস্ত হবে” (সূরাঃ আল-মায়িদাহ- ৫)। আল্লাহ্ তা’আলা আরো বলেছেনঃ “হে নবী! আমরা তোমার জন্য বৈধ করেছি তোমার সেই স্ত্রীদের যাদের মোহরানা তুমি পরিশোধ করেছ, সেই মহিলাদেরকেও যারা আল্লাহ্ তা’আলার দেয়া দাসীদের মধ্য হতে তোমার মালিকানাভুক্ত হয়…. এই বিশেষ সুবিধা শুধু তোমাকেই দেয়া হয়েছে, মু’মিনদেরকে নয়” (সূরাঃ আল-আহ্যাব- ৫০)। এ ছাড়া অন্য সব ধরনের মহিলাদের অবৈধ করা হয়েছে। সনদ দুর্বল,
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে হিযরাতকারিনী মু’মিন স্ত্রীলোকদের ছাড়া অন্য স্ত্রীলোকদেরকে বিয়ে করতে মানা করা হয়েছে। অতএব আল্লাহ্ তা’আলা বলেছেনঃ “এরপর তোমার জন্য কোন নারী হালাল নয় এবং তোমার স্ত্রীদের পরিবর্তে অন্য স্ত্রী গ্রহণ করারও অনুমতি নেই, যদিও তাদের রূপ সৌন্দর্য তোমাকে মুগ্ধ করে। তবে তোমার অধিকারভুক্ত দাসীদের ব্যাপার স্বতন্ত্র” (সূরাঃ আল-আহ্যাব- ৫২)। আল্লাহ্ তা’আলা তোমাদের মু’মিন দাসীদের বৈধ করেছেন। “এবং সেই মু’মিন নারীকেও (বৈধ করা হয়েছে) যে নিজেকে নবীর জন্য হেবা করে” (সূরাঃ আল-আহ্যাব- ৫০)। মুসলমান স্ত্রীলোক ব্যতীত অন্যান্য ধর্মের স্ত্রীলোকদের বিয়ে করা তাঁর জন্য অবৈধ করা হয়েছে। আল্লাহ্ তা’আলা বলেনঃ “কেউ ঈমান অস্বীকার করলে তার সকল কর্মফল নিষ্ফল হবে এবং আখিরাতে সে ক্ষতিগ্রস্ত হবে” (সূরাঃ আল-মায়িদাহ- ৫)। আল্লাহ্ তা’আলা আরো বলেছেনঃ “হে নবী! আমরা তোমার জন্য বৈধ করেছি তোমার সেই স্ত্রীদের যাদের মোহরানা তুমি পরিশোধ করেছ, সেই মহিলাদেরকেও যারা আল্লাহ্ তা’আলার দেয়া দাসীদের মধ্য হতে তোমার মালিকানাভুক্ত হয়…. এই বিশেষ সুবিধা শুধু তোমাকেই দেয়া হয়েছে, মু’মিনদেরকে নয়” (সূরাঃ আল-আহ্যাব- ৫০)। এ ছাড়া অন্য সব ধরনের মহিলাদের অবৈধ করা হয়েছে। সনদ দুর্বল,
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا روح، عن عبد الحميد بن بهرام، عن شهر بن حوشب، قال قال ابن عباس رضى الله عنهما نهي رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أصناف النساء إلا ما كان من المؤمنات المهاجرات قال : ( لا يحل لك النساء من بعد ولا أن تبدل بهن من أزواج ولو أعجبك حسنهن إلا ما ملكت يمينك ) فأحل الله فتياتكم المؤمنات وامرأة مؤمنة إن وهبت نفسها للنبي وحرم كل ذات دين غير الإسلام ثم قال : (ومن يكفر بالإيمان فقد حبط عمله وهو في الآخرة من الخاسرين ) وقال : ( يا أيها النبي إنا أحللنا لك أزواجك اللاتي آتيت أجورهن وما ملكت يمينك مما أفاء الله عليك ) إلى قوله : ( خالصة لك من دون المؤمنين ) وحرم ما سوى ذلك من أصناف النساء . قال أبو عيسى هذا حديث حسن إنما نعرفه من حديث عبد الحميد بن بهرام . قال سمعت أحمد بن الحسن يقول قال أحمد بن حنبل لا بأس بحديث عبد الحميد بن بهرام عن شهر بن حوشب .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২১৬
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو، عن عطاء، قال قالت عائشة ما مات رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى أحل له النساء . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইন্তিকালের পূর্বেই এ সব স্ত্রীলোক তাঁর জন্য হালাল করা হয়। সনদ সহীহ।
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইন্তিকালের পূর্বেই এ সব স্ত্রীলোক তাঁর জন্য হালাল করা হয়। সনদ সহীহ।
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو، عن عطاء، قال قالت عائشة ما مات رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى أحل له النساء . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২১৭
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا أشهل بن حاتم، قال ابن عون حدثناه عن عمرو بن سعيد، عن أنس بن مالك، قال كنت عند النبي صلى الله عليه وسلم فأتى باب امرأة عرس بها فإذا عندها قوم فانطلق فقضى حاجته فاحتبس ثم رجع وعندها قوم فانطلق فقضى حاجته فرجع وقد خرجوا قال فدخل وأرخى بيني وبينه سترا قال فذكرته لأبي طلحة قال فقال لئن كان كما تقول لينزلن في هذا شيء . فنزلت آية الحجاب . هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি তাঁর সদ্য বিয়ে করা স্ত্রীর ঘরের দরজায় এসে দেখেন যে, তার ঘরে কিছু সংখ্যক লোক কথাবার্তায় ব্যস্ত। তিনি ফিরে গেলেন এবং নিজের কিছু কাজ করলেন। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর তিনি আবার ফিরে এলেন। তখনো তার ঘরে লোকেরা আলাপে লিপ্ত ছিল। তিনি এবারও ফিরে গেলেন এবং নিজের কিছু কাজ করলেন। তিনি আবার তার ঘরের দিকে রাওয়ানা হলেন। এ সময়ের মধ্যে তারা সেখান হতে চলে গেছে। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি ঘরের মধ্যে ঢুকে আমার ও তাঁর মধ্যে একটি একটি পর্দা ঝুলিয়ে দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি এ ঘটনা আবূ ত্বালহা (রাঃ)-এর নিকট বর্ণনা করলাম। তিনি বললেন, তুমি যা বলেছ তা যদি ঠিক হয়, তবে এ বিষয়ে নিশ্চয়ই কোন আয়াত অবতীর্ণ হবে। বর্ণনাকারী বলেন, এই প্রেক্ষিতেই পর্দা সম্পর্কিত আয়াত (সূরা আহ্যাব ৫৩-৫৫) অবতীর্ণ হয়। সহীহঃ বুখারী (৫১৬৬, ৫৪৬৬, ৬২৩৮) অনুরূপ।
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি তাঁর সদ্য বিয়ে করা স্ত্রীর ঘরের দরজায় এসে দেখেন যে, তার ঘরে কিছু সংখ্যক লোক কথাবার্তায় ব্যস্ত। তিনি ফিরে গেলেন এবং নিজের কিছু কাজ করলেন। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর তিনি আবার ফিরে এলেন। তখনো তার ঘরে লোকেরা আলাপে লিপ্ত ছিল। তিনি এবারও ফিরে গেলেন এবং নিজের কিছু কাজ করলেন। তিনি আবার তার ঘরের দিকে রাওয়ানা হলেন। এ সময়ের মধ্যে তারা সেখান হতে চলে গেছে। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি ঘরের মধ্যে ঢুকে আমার ও তাঁর মধ্যে একটি একটি পর্দা ঝুলিয়ে দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি এ ঘটনা আবূ ত্বালহা (রাঃ)-এর নিকট বর্ণনা করলাম। তিনি বললেন, তুমি যা বলেছ তা যদি ঠিক হয়, তবে এ বিষয়ে নিশ্চয়ই কোন আয়াত অবতীর্ণ হবে। বর্ণনাকারী বলেন, এই প্রেক্ষিতেই পর্দা সম্পর্কিত আয়াত (সূরা আহ্যাব ৫৩-৫৫) অবতীর্ণ হয়। সহীহঃ বুখারী (৫১৬৬, ৫৪৬৬, ৬২৩৮) অনুরূপ।
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا أشهل بن حاتم، قال ابن عون حدثناه عن عمرو بن سعيد، عن أنس بن مالك، قال كنت عند النبي صلى الله عليه وسلم فأتى باب امرأة عرس بها فإذا عندها قوم فانطلق فقضى حاجته فاحتبس ثم رجع وعندها قوم فانطلق فقضى حاجته فرجع وقد خرجوا قال فدخل وأرخى بيني وبينه سترا قال فذكرته لأبي طلحة قال فقال لئن كان كما تقول لينزلن في هذا شيء . فنزلت آية الحجاب . هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২১৯
حدثنا عمر بن إسماعيل بن مجالد، حدثني أبي، عن بيان، عن أنس بن مالك، رضى الله عنه قال بنى رسول الله صلى الله عليه وسلم بامرأة من نسائه فأرسلني فدعوت قوما إلى الطعام فلما أكلوا وخرجوا قام رسول الله صلى الله عليه وسلم منطلقا قبل بيت عائشة فرأى رجلين جالسين فانصرف راجعا فقام الرجلان فخرجا فأنزل الله عز وجل : ( يا أيها الذين آمنوا لا تدخلوا بيوت النبي إلا أن يؤذن لكم إلى طعام غير ناظرين إناه ) وفي الحديث قصة . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب من حديث بيان . وروى ثابت عن أنس هذا الحديث بطوله .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর এক স্ত্রীর সাথে বাসর যাপন করলেন। তিনি লোকদেরকে বিয়ের অনুষ্ঠানের দা’ওয়াত দেয়ার জন্য আমাকে পাঠান। আমি লোকদের খাবারের দা’ওয়াত দিলাম। লোকেরা আহার করে বেরিয়ে চলে গেলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আয়িশা (রাঃ)-এর ঘরের দিকে গেলেন। তিনি দুই ব্যক্তিকে বসা দেখে আবার ফিরে এলেন। তারপর লোক দু’টি উঠে চলে গেল। অতঃপর আল্লাহ তা’আলা আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “হে ঈমানদারগণ! তোমরা বিনা অনুমতিতে নাবীর ঘরে ঢুকো না এবং আহারের অপেক্ষায়ও বসে থেকো না। তবে তোমাদের খাওয়ার দা’ওয়াত করা হলে তোমরা অবশ্যই আসবে, কিন্তু আহার শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সরে পড়বে এবং কথাবার্তায় মাশগুল হবে না” – (সূরা আহ্যাব ৫৩)। সহীহঃ বুখারী (৪৭৯১, ৬২৩৯, ৬২৭১) অনুরূপ।
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর এক স্ত্রীর সাথে বাসর যাপন করলেন। তিনি লোকদেরকে বিয়ের অনুষ্ঠানের দা’ওয়াত দেয়ার জন্য আমাকে পাঠান। আমি লোকদের খাবারের দা’ওয়াত দিলাম। লোকেরা আহার করে বেরিয়ে চলে গেলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আয়িশা (রাঃ)-এর ঘরের দিকে গেলেন। তিনি দুই ব্যক্তিকে বসা দেখে আবার ফিরে এলেন। তারপর লোক দু’টি উঠে চলে গেল। অতঃপর আল্লাহ তা’আলা আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “হে ঈমানদারগণ! তোমরা বিনা অনুমতিতে নাবীর ঘরে ঢুকো না এবং আহারের অপেক্ষায়ও বসে থেকো না। তবে তোমাদের খাওয়ার দা’ওয়াত করা হলে তোমরা অবশ্যই আসবে, কিন্তু আহার শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সরে পড়বে এবং কথাবার্তায় মাশগুল হবে না” – (সূরা আহ্যাব ৫৩)। সহীহঃ বুখারী (৪৭৯১, ৬২৩৯, ৬২৭১) অনুরূপ।
حدثنا عمر بن إسماعيل بن مجالد، حدثني أبي، عن بيان، عن أنس بن مالك، رضى الله عنه قال بنى رسول الله صلى الله عليه وسلم بامرأة من نسائه فأرسلني فدعوت قوما إلى الطعام فلما أكلوا وخرجوا قام رسول الله صلى الله عليه وسلم منطلقا قبل بيت عائشة فرأى رجلين جالسين فانصرف راجعا فقام الرجلان فخرجا فأنزل الله عز وجل : ( يا أيها الذين آمنوا لا تدخلوا بيوت النبي إلا أن يؤذن لكم إلى طعام غير ناظرين إناه ) وفي الحديث قصة . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب من حديث بيان . وروى ثابت عن أنس هذا الحديث بطوله .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২২০
حدثنا إسحاق بن موسى الأنصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك بن أنس، عن نعيم بن عبد الله المجمر، أن محمد بن عبد الله بن زيد الأنصاري، وعبد الله بن زيد الذي، كان أري النداء بالصلاة أخبره عن أبي مسعود الأنصاري، أنه قال أتانا رسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن في مجلس سعد بن عبادة فقال له بشير بن سعد أمرنا الله أن نصلي عليك فكيف نصلي عليك قال فسكت رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى تمنينا أنه لم يسأله ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " قولوا اللهم صل على محمد وعلى آل محمد كما صليت على آل إبراهيم وبارك على محمد وعلى آل محمد كما باركت على آل إبراهيم في العالمين إنك حميد مجيد والسلام كما قد علمتم " . قال وفي الباب عن علي وأبي حميد وكعب بن عجرة وطلحة بن عبيد الله وأبي سعيد وزيد بن خارجة ويقال ابن جارية وبريدة . قال هذا حديث حسن صحيح .
আবূ মাস‘ঊদ আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট আসলেন। আমরা এ সময় সা‘দ ইবনু ‘উবাইদাহ্র মাজলিসে হাযির ছিলাম। বাশীর ইবনু সা‘দ (রাঃ) তাঁকে বললেন, আল্লাহ তা‘আলা আপনার উপর দরূদ পড়ার জন্য আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা কিভাবে আপনার উপর দরূদ পড়ব? বর্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিশ্চুপ রইলেন। এমনকি আমাদের মনে হল, আমরা যদি তাঁকে জিজ্ঞেস না করতাম। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা বল- “আল্লাহুম্মা সল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিও ওয়া ‘আলা আ-লি মুহাম্মাদিন কামা সল্লাইতা ‘আলা ইবরাহীম, ওয়া বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিও ওয়া ‘আলা আ-লি মুহাম্মাদিন কামা বারাকতা ‘আলা ইব্রাহীমা ফিল ‘আলামীন। ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ।” আর সালাম তো সেভাবেই যেভাবে তোমাদেরকে শেখানো হয়েছে। সহীহঃ সিফাতুস্ সালাত, সহীহ্ আবূ দাঊদ (৯০১), মুসলিম।
আবূ মাস‘ঊদ আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট আসলেন। আমরা এ সময় সা‘দ ইবনু ‘উবাইদাহ্র মাজলিসে হাযির ছিলাম। বাশীর ইবনু সা‘দ (রাঃ) তাঁকে বললেন, আল্লাহ তা‘আলা আপনার উপর দরূদ পড়ার জন্য আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা কিভাবে আপনার উপর দরূদ পড়ব? বর্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিশ্চুপ রইলেন। এমনকি আমাদের মনে হল, আমরা যদি তাঁকে জিজ্ঞেস না করতাম। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা বল- “আল্লাহুম্মা সল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিও ওয়া ‘আলা আ-লি মুহাম্মাদিন কামা সল্লাইতা ‘আলা ইবরাহীম, ওয়া বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিও ওয়া ‘আলা আ-লি মুহাম্মাদিন কামা বারাকতা ‘আলা ইব্রাহীমা ফিল ‘আলামীন। ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ।” আর সালাম তো সেভাবেই যেভাবে তোমাদেরকে শেখানো হয়েছে। সহীহঃ সিফাতুস্ সালাত, সহীহ্ আবূ দাঊদ (৯০১), মুসলিম।
حدثنا إسحاق بن موسى الأنصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك بن أنس، عن نعيم بن عبد الله المجمر، أن محمد بن عبد الله بن زيد الأنصاري، وعبد الله بن زيد الذي، كان أري النداء بالصلاة أخبره عن أبي مسعود الأنصاري، أنه قال أتانا رسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن في مجلس سعد بن عبادة فقال له بشير بن سعد أمرنا الله أن نصلي عليك فكيف نصلي عليك قال فسكت رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى تمنينا أنه لم يسأله ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " قولوا اللهم صل على محمد وعلى آل محمد كما صليت على آل إبراهيم وبارك على محمد وعلى آل محمد كما باركت على آل إبراهيم في العالمين إنك حميد مجيد والسلام كما قد علمتم " . قال وفي الباب عن علي وأبي حميد وكعب بن عجرة وطلحة بن عبيد الله وأبي سعيد وزيد بن خارجة ويقال ابن جارية وبريدة . قال هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২২১
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا روح بن عبادة، عن عوف، عن الحسن، ومحمد، وخلاس، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم " أن موسى عليه السلام كان رجلا حييا ستيرا ما يرى من جلده شيء استحياء منه فآذاه من آذاه من بني إسرائيل فقالوا ما يستتر هذا الستر إلا من عيب بجلده إما برص وإما أدرة وإما آفة وإن الله عز وجل أراد أن يبرئه مما قالوا وإن موسى عليه السلام خلا يوما وحده فوضع ثيابه على حجر ثم اغتسل فلما فرغ أقبل إلى ثيابه ليأخذها وإن الحجر عدا بثوبه فأخذ موسى عصاه فطلب الحجر فجعل يقول ثوبي حجر ثوبي حجر حتى انتهى إلى ملإ من بني إسرائيل فرأوه عريانا أحسن الناس خلقا وأبرأه مما كانوا يقولون قال وقام الحجر فأخذ ثوبه ولبسه وطفق بالحجر ضربا بعصاه فوالله إن بالحجر لندبا من أثر عصاه ثلاثا أو أربعا أو خمسا فذلك قوله تعالى : ( يا أيها الذين آمنوا لا تكونوا كالذين آذوا موسى فبرأه الله مما قالوا وكان عند الله وجيها ) . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح وقد روي من غير وجه عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم وفيه عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেনঃ মূসা (‘আঃ) খুবই লজ্জাশীল লোক ছিলেন। তিনি নিজের শরীর ভালভাবেই ঢেকে রাখতেন। লজ্জার কারণে তাঁর গায়ের কোন অংশই প্রকাশ পেত না। বানী ইসরাঈলের মন্দ প্রকৃতির কয়েক লোক তাকে বিভিন্নভাবে দুঃখ দিত। এরা বলত, তাঁর এভাবে দেহ ঢেকে রাখার কারণ তাঁর গায়ের কোন সমস্যা আছে অথবা তাঁর গায়ে ধবল রোগ আছে অথবা তাঁর অণ্ডকোষ খুব বড় অথবা অন্য কোন সমস্যা আছে। আল্লাহ তা‘আলা তাদের এসব অপবাদ হতে তাঁকে মুক্ত করার ইচ্ছা করলেন। মূসা (‘আঃ) এক দিন একাকী নিজের পোশাক খুলে তা একটি পাথরের উপর রেখে গোসল করতে নামলেন। গোসল শেষে তিনি কাপড় নেয়ার জন্য উঠে এলে পাথরটি তাঁর কাপড়সহ দৌড়াতে থাকে। মূসা (‘আঃ) নিজের লাঠি তুলে নিয়ে পাথরের পিছে পিছে ছোটেন এবং বলতে থাকেনঃ হে পাথর! আমার কাপড় (ফিরিয়ে দাও), হে পাথর! আমার কাপড় (ফিরিয়ে দাও)। এই বলে পাথরের পিছু ধাওয়া করতে করতে তিনি বানী ইসরাঈলের একটি দলের নিকট পৌছে গেলেন। তারা তাঁকে বস্ত্রহীন অবস্থায় দেখতে পেল। তারা তাঁর সমস্ত অঙ্গ-প্রতঙ্গ সুষ্ঠ সুন্দর দেখল। আল্লাহ তাকে তাদের অপবাদ হতে সম্পূর্ণ মুক্ত করলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ পাথর থেমে গেল এবং তিনি তাঁর বস্ত্র নিয়ে পরিধান করলেন। তিনি নিজের লাঠি দিয়ে পাথরটিকে আঘাত করতে লাগলেন। আল্লাহর ক্বসম! পাথরের উপর তাঁর লাঠির আঘাতের তিন, চার অথবা পাঁচটি দাগ পড়ে গেল। এ প্রসঙ্গেই আল্লাহ তা‘আলা ফরমানঃ “হে ঈমানদারগণ! যেসব ব্যক্তি মূসাকে দুঃখ দিয়েছিল তোমরা তাদের মত হয়ো না। আল্লাহ তা‘আলা তাদের বানানো কথাবার্তা হতে তার নির্দোষিতা প্রমাণ করেছেন। তিনি আল্লাহ তা‘আলার নিকট সম্মানের পাত্র ছিলেন” – (সূরা আহ্যাব ৬৯)। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেনঃ মূসা (‘আঃ) খুবই লজ্জাশীল লোক ছিলেন। তিনি নিজের শরীর ভালভাবেই ঢেকে রাখতেন। লজ্জার কারণে তাঁর গায়ের কোন অংশই প্রকাশ পেত না। বানী ইসরাঈলের মন্দ প্রকৃতির কয়েক লোক তাকে বিভিন্নভাবে দুঃখ দিত। এরা বলত, তাঁর এভাবে দেহ ঢেকে রাখার কারণ তাঁর গায়ের কোন সমস্যা আছে অথবা তাঁর গায়ে ধবল রোগ আছে অথবা তাঁর অণ্ডকোষ খুব বড় অথবা অন্য কোন সমস্যা আছে। আল্লাহ তা‘আলা তাদের এসব অপবাদ হতে তাঁকে মুক্ত করার ইচ্ছা করলেন। মূসা (‘আঃ) এক দিন একাকী নিজের পোশাক খুলে তা একটি পাথরের উপর রেখে গোসল করতে নামলেন। গোসল শেষে তিনি কাপড় নেয়ার জন্য উঠে এলে পাথরটি তাঁর কাপড়সহ দৌড়াতে থাকে। মূসা (‘আঃ) নিজের লাঠি তুলে নিয়ে পাথরের পিছে পিছে ছোটেন এবং বলতে থাকেনঃ হে পাথর! আমার কাপড় (ফিরিয়ে দাও), হে পাথর! আমার কাপড় (ফিরিয়ে দাও)। এই বলে পাথরের পিছু ধাওয়া করতে করতে তিনি বানী ইসরাঈলের একটি দলের নিকট পৌছে গেলেন। তারা তাঁকে বস্ত্রহীন অবস্থায় দেখতে পেল। তারা তাঁর সমস্ত অঙ্গ-প্রতঙ্গ সুষ্ঠ সুন্দর দেখল। আল্লাহ তাকে তাদের অপবাদ হতে সম্পূর্ণ মুক্ত করলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ পাথর থেমে গেল এবং তিনি তাঁর বস্ত্র নিয়ে পরিধান করলেন। তিনি নিজের লাঠি দিয়ে পাথরটিকে আঘাত করতে লাগলেন। আল্লাহর ক্বসম! পাথরের উপর তাঁর লাঠির আঘাতের তিন, চার অথবা পাঁচটি দাগ পড়ে গেল। এ প্রসঙ্গেই আল্লাহ তা‘আলা ফরমানঃ “হে ঈমানদারগণ! যেসব ব্যক্তি মূসাকে দুঃখ দিয়েছিল তোমরা তাদের মত হয়ো না। আল্লাহ তা‘আলা তাদের বানানো কথাবার্তা হতে তার নির্দোষিতা প্রমাণ করেছেন। তিনি আল্লাহ তা‘আলার নিকট সম্মানের পাত্র ছিলেন” – (সূরা আহ্যাব ৬৯)। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا روح بن عبادة، عن عوف، عن الحسن، ومحمد، وخلاس، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم " أن موسى عليه السلام كان رجلا حييا ستيرا ما يرى من جلده شيء استحياء منه فآذاه من آذاه من بني إسرائيل فقالوا ما يستتر هذا الستر إلا من عيب بجلده إما برص وإما أدرة وإما آفة وإن الله عز وجل أراد أن يبرئه مما قالوا وإن موسى عليه السلام خلا يوما وحده فوضع ثيابه على حجر ثم اغتسل فلما فرغ أقبل إلى ثيابه ليأخذها وإن الحجر عدا بثوبه فأخذ موسى عصاه فطلب الحجر فجعل يقول ثوبي حجر ثوبي حجر حتى انتهى إلى ملإ من بني إسرائيل فرأوه عريانا أحسن الناس خلقا وأبرأه مما كانوا يقولون قال وقام الحجر فأخذ ثوبه ولبسه وطفق بالحجر ضربا بعصاه فوالله إن بالحجر لندبا من أثر عصاه ثلاثا أو أربعا أو خمسا فذلك قوله تعالى : ( يا أيها الذين آمنوا لا تكونوا كالذين آذوا موسى فبرأه الله مما قالوا وكان عند الله وجيها ) . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح وقد روي من غير وجه عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم وفيه عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২১৮
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جعفر بن سليمان الضبعي، عن الجعد بن عثمان، عن أنس بن مالك، رضى الله عنه قال تزوج رسول الله صلى الله عليه وسلم فدخل بأهله - قال - فصنعت أمي أم سليم حيسا فجعلته في تور فقالت يا أنس اذهب بهذا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقل له بعثت إليك بها أمي وهي تقرئك السلام وتقول إن هذا لك منا قليل يا رسول الله . قال فذهبت به إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت إن أمي تقرئك السلام وتقول إن هذا منا لك قليل . فقال " ضعه " . ثم قال " اذهب فادع لي فلانا وفلانا وفلانا ومن لقيت " . فسمى رجالا قال فدعوت من سمى ومن لقيت قال قلت لأنس عددكم كم كانوا قال زهاء ثلاثمائة . قال وقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا أنس هات التور " . قال فدخلوا حتى امتلأت الصفة والحجرة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ليتحلق عشرة عشرة وليأكل كل إنسان مما يليه " . قال فأكلوا حتى شبعوا قال فخرجت طائفة ودخلت طائفة حتى أكلوا كلهم . قال فقال لي " يا أنس ارفع " . قال فرفعت فما أدري حين وضعت كان أكثر أم حين رفعت قال وجلس منهم طوائف يتحدثون في بيت رسول الله صلى الله عليه وسلم ورسول الله صلى الله عليه وسلم جالس وزوجته مولية وجهها إلى الحائط فثقلوا على رسول الله صلى الله عليه وسلم فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فسلم على نسائه ثم رجع فلما رأوا رسول الله صلى الله عليه وسلم قد رجع ظنوا أنهم قد ثقلوا عليه قال فابتدروا الباب فخرجوا كلهم وجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى أرخى الستر ودخل وأنا جالس في الحجرة فلم يلبث إلا يسيرا حتى خرج على وأنزلت هذه الآيات فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فقرأهن على الناس : ( يا أيها الذين آمنوا لا تدخلوا بيوت النبي إلا أن يؤذن لكم إلى طعام غير ناظرين إناه ) إلى آخر الآية . قال الجعد قال أنس أنا أحدث الناس عهدا بهذه الآيات وحجبن نساء رسول الله صلى الله عليه وسلم . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح . والجعد هو ابن عثمان ويقال هو ابن دينار ويكنى أبا عثمان بصري وهو ثقة عند أهل الحديث روى عنه يونس بن عبيد وشعبة وحماد بن زيد .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিয়ে করলেন এবং নিজের ঘরে গেলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমার মা উম্মু সুলাইম (রাঃ) হাইস (খেজুর, ঘি ও ছাতু সহযোগে এক প্রকার মিষ্টান্ন) বানালেন। তিনি একটি ছোট পাত্রে তা রেখে বললেন, হে আনাস! এটা নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট যাও। তাঁকে বল, ‘এটা আমার মা আপনার জন্য পাঠিয়েছেন, আর তিনি আপনাকে সালাম জানিয়েছেন এবং বলেছেন, হে আল্লাহর রাসূল! এটা আমাদের দিক হতে আপনার জন্য একটি নগণ্য উপহার। বর্ণনাকারী বলেন, আমি এই ‘হাইস’ নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গেলাম এবং বললাম, আমার মা আপনাকে সালাম জানিয়েছেন এবং তিনি বলেছেন, এটা আমাদের দিক হতে আপনার জন্য খুব সামান্য উপহার। তিনি বললেনঃ এটা রাখ। তারপর তিনি বললেনঃ তুমি গিয়ে অমুক, অমুক ও অমুক লোককে এবং পথিমধ্যে যাদের সঙ্গে তোমার কথা হবে তাদেরকেও দা’ওয়াত দিয়ে নিয়ে আস। তিনি কয়েক লোকের নামও বলে দিলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, তিনি যাদের নাম উল্লেখ করে বলে দিয়েছেন এবং পথিমধ্যে আমার সঙ্গে যাদের দেখা হয়েছে আমি তাদের সবাইকে দা’ওয়াত করে নিয়ে এলাম। অধঃস্তন বর্ণনাকারী (জা’দ আবূ ‘উসমান) বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, তাদের মোট সংখ্যা কত ছিল? তিনি বললেন, প্রায় তিন শত। আনাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ হে আনাস! ছোট পাত্রটি নিয়ে এসো। আনাস (রাঃ) বলেন, দা’ওয়াতকৃত ব্যক্তিরা এলে তাদের ভীড়ে চত্বর ও হুজরাহ্ ভরে গেল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ দশ দশজন করে গোলাকারে বসে যাও এবং প্রতিটি লোক যেন নিজের নিকটের দিকে থেকে খায়। বর্ণনাকারী বলেন, লোকেরা পরিতৃপ্তি সহকারে খেল। একদল খেয়ে চলে গেলে অপর দল খেতে বসত। এভাবে সবাই আহার করল। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমাকে বললেনঃ হে আনাস! পাত্রটি তুলে নিয়ে যাও। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি তা উঠিয়ে নিলাম, কিন্তু বলতে পারব না, যখন আমি হাইসের পাত্র রেখেছিলাম তখন কি তাতে অনেক হাইস ছিল না যখন তুলে নিলাম তখন বেশী ছিল! আনাস (রাঃ) বলেন, দা’ওয়াতকৃতদের গল্পে রত কিছু লোক রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ঘরে বসে আলাপে রত রইল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বিদায় হওয়ার অপেক্ষায় বসে রইলেন। তাঁর স্ত্রী দেয়ালের দিকে মুখ করে বসে রইলেন। তারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্য একটি বিরক্তিকর বোঝা হল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উঠে গিয়ে তাঁর স্ত্রীদের সালাম করলেন, তারপর আবার ফিরে এলেন। তারা যখন দেখল যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফিরে আসছেন, তখন তারা অনুভব করল যে, তারা তাঁর জন্য বিরক্তির বিষয় হয়ে পড়েছে। অতএব তারা সকলে উঠে দরজা দিয়ে বের হয়ে গেল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে পর্দা ছেড়ে দিয়ে হুজরায় প্রবেশ করলেন। আমি হুজরার মধ্যে (পর্দার এ পাশে) বসে থাকলাম। কিছু সময় পর তিনি বের হয়ে আমার নিকট এলেন। তখন নিম্নের আয়াতগুলো অবতীর্ণ হয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাইরে বের হয়ে গিয়ে লোকদের সামনে তা পড়লেন (অনুবাদ)ঃ “হে ঈমানদারগণ! তোমরা বিনা অনুমতিতে নাবীর ঘরের মধ্যে প্রবেশ করো না এবং আহারের জন্য এসে অপেক্ষায় বসে থেকো না। যদি তোমাদের আহারের জন্য দা’ওয়াত দেয়া হয় তবে অবশ্যই আসবে, কিন্তু খাওয়া-দাওয়া শেষ করার সাথে সাথে সরে পড়বে এবং কথাবার্তায় মাশগুল হবে না। তোমাদের এ ধরনের আচরণ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দুঃখ দেয় কিন্তু সে লজ্জায় কিছুই বলে না। আর আল্লাহ তা’আলা সত্য কথা বলতে লজ্জা বোধ করেন না। নাবীর স্ত্রীদের নিকট তোমাদের কিছু চাওয়ার প্রয়োজন হলে পর্দার আড়াল হতেই তাদের নিকট তা চাও। তোমাদের এবং তাদের অন্তরের পবিত্রতা রক্ষার জন্য এটাই ভাল কাজ। আল্লাহ তা’আলার রাসূলকে কষ্ট দেয়া এবং তার ইন্তিকালের পর তার স্ত্রীদের বিয়ে করা তোমাদের জন্য কখনো জায়িয নয়। এটা আল্লাহ তা’আলার নিকট অতি বড় গুনাহ।”(সূরা আহ্যাব ৫৩) জা’দ (রহঃ) বলেন, আনাস (রাঃ) বলেছেন, আমিই সকলের আগে এ আয়াত প্রসঙ্গে অবগত হই এবং সেদিন হতেই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রীগণ পর্দা করেন। সহীহঃ বুখারী, মুসলিম।
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিয়ে করলেন এবং নিজের ঘরে গেলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমার মা উম্মু সুলাইম (রাঃ) হাইস (খেজুর, ঘি ও ছাতু সহযোগে এক প্রকার মিষ্টান্ন) বানালেন। তিনি একটি ছোট পাত্রে তা রেখে বললেন, হে আনাস! এটা নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট যাও। তাঁকে বল, ‘এটা আমার মা আপনার জন্য পাঠিয়েছেন, আর তিনি আপনাকে সালাম জানিয়েছেন এবং বলেছেন, হে আল্লাহর রাসূল! এটা আমাদের দিক হতে আপনার জন্য একটি নগণ্য উপহার। বর্ণনাকারী বলেন, আমি এই ‘হাইস’ নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গেলাম এবং বললাম, আমার মা আপনাকে সালাম জানিয়েছেন এবং তিনি বলেছেন, এটা আমাদের দিক হতে আপনার জন্য খুব সামান্য উপহার। তিনি বললেনঃ এটা রাখ। তারপর তিনি বললেনঃ তুমি গিয়ে অমুক, অমুক ও অমুক লোককে এবং পথিমধ্যে যাদের সঙ্গে তোমার কথা হবে তাদেরকেও দা’ওয়াত দিয়ে নিয়ে আস। তিনি কয়েক লোকের নামও বলে দিলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, তিনি যাদের নাম উল্লেখ করে বলে দিয়েছেন এবং পথিমধ্যে আমার সঙ্গে যাদের দেখা হয়েছে আমি তাদের সবাইকে দা’ওয়াত করে নিয়ে এলাম। অধঃস্তন বর্ণনাকারী (জা’দ আবূ ‘উসমান) বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, তাদের মোট সংখ্যা কত ছিল? তিনি বললেন, প্রায় তিন শত। আনাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ হে আনাস! ছোট পাত্রটি নিয়ে এসো। আনাস (রাঃ) বলেন, দা’ওয়াতকৃত ব্যক্তিরা এলে তাদের ভীড়ে চত্বর ও হুজরাহ্ ভরে গেল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ দশ দশজন করে গোলাকারে বসে যাও এবং প্রতিটি লোক যেন নিজের নিকটের দিকে থেকে খায়। বর্ণনাকারী বলেন, লোকেরা পরিতৃপ্তি সহকারে খেল। একদল খেয়ে চলে গেলে অপর দল খেতে বসত। এভাবে সবাই আহার করল। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমাকে বললেনঃ হে আনাস! পাত্রটি তুলে নিয়ে যাও। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি তা উঠিয়ে নিলাম, কিন্তু বলতে পারব না, যখন আমি হাইসের পাত্র রেখেছিলাম তখন কি তাতে অনেক হাইস ছিল না যখন তুলে নিলাম তখন বেশী ছিল! আনাস (রাঃ) বলেন, দা’ওয়াতকৃতদের গল্পে রত কিছু লোক রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ঘরে বসে আলাপে রত রইল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বিদায় হওয়ার অপেক্ষায় বসে রইলেন। তাঁর স্ত্রী দেয়ালের দিকে মুখ করে বসে রইলেন। তারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্য একটি বিরক্তিকর বোঝা হল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উঠে গিয়ে তাঁর স্ত্রীদের সালাম করলেন, তারপর আবার ফিরে এলেন। তারা যখন দেখল যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফিরে আসছেন, তখন তারা অনুভব করল যে, তারা তাঁর জন্য বিরক্তির বিষয় হয়ে পড়েছে। অতএব তারা সকলে উঠে দরজা দিয়ে বের হয়ে গেল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে পর্দা ছেড়ে দিয়ে হুজরায় প্রবেশ করলেন। আমি হুজরার মধ্যে (পর্দার এ পাশে) বসে থাকলাম। কিছু সময় পর তিনি বের হয়ে আমার নিকট এলেন। তখন নিম্নের আয়াতগুলো অবতীর্ণ হয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাইরে বের হয়ে গিয়ে লোকদের সামনে তা পড়লেন (অনুবাদ)ঃ “হে ঈমানদারগণ! তোমরা বিনা অনুমতিতে নাবীর ঘরের মধ্যে প্রবেশ করো না এবং আহারের জন্য এসে অপেক্ষায় বসে থেকো না। যদি তোমাদের আহারের জন্য দা’ওয়াত দেয়া হয় তবে অবশ্যই আসবে, কিন্তু খাওয়া-দাওয়া শেষ করার সাথে সাথে সরে পড়বে এবং কথাবার্তায় মাশগুল হবে না। তোমাদের এ ধরনের আচরণ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দুঃখ দেয় কিন্তু সে লজ্জায় কিছুই বলে না। আর আল্লাহ তা’আলা সত্য কথা বলতে লজ্জা বোধ করেন না। নাবীর স্ত্রীদের নিকট তোমাদের কিছু চাওয়ার প্রয়োজন হলে পর্দার আড়াল হতেই তাদের নিকট তা চাও। তোমাদের এবং তাদের অন্তরের পবিত্রতা রক্ষার জন্য এটাই ভাল কাজ। আল্লাহ তা’আলার রাসূলকে কষ্ট দেয়া এবং তার ইন্তিকালের পর তার স্ত্রীদের বিয়ে করা তোমাদের জন্য কখনো জায়িয নয়। এটা আল্লাহ তা’আলার নিকট অতি বড় গুনাহ।”(সূরা আহ্যাব ৫৩) জা’দ (রহঃ) বলেন, আনাস (রাঃ) বলেছেন, আমিই সকলের আগে এ আয়াত প্রসঙ্গে অবগত হই এবং সেদিন হতেই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রীগণ পর্দা করেন। সহীহঃ বুখারী, মুসলিম।
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جعفر بن سليمان الضبعي، عن الجعد بن عثمان، عن أنس بن مالك، رضى الله عنه قال تزوج رسول الله صلى الله عليه وسلم فدخل بأهله - قال - فصنعت أمي أم سليم حيسا فجعلته في تور فقالت يا أنس اذهب بهذا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقل له بعثت إليك بها أمي وهي تقرئك السلام وتقول إن هذا لك منا قليل يا رسول الله . قال فذهبت به إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت إن أمي تقرئك السلام وتقول إن هذا منا لك قليل . فقال " ضعه " . ثم قال " اذهب فادع لي فلانا وفلانا وفلانا ومن لقيت " . فسمى رجالا قال فدعوت من سمى ومن لقيت قال قلت لأنس عددكم كم كانوا قال زهاء ثلاثمائة . قال وقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا أنس هات التور " . قال فدخلوا حتى امتلأت الصفة والحجرة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ليتحلق عشرة عشرة وليأكل كل إنسان مما يليه " . قال فأكلوا حتى شبعوا قال فخرجت طائفة ودخلت طائفة حتى أكلوا كلهم . قال فقال لي " يا أنس ارفع " . قال فرفعت فما أدري حين وضعت كان أكثر أم حين رفعت قال وجلس منهم طوائف يتحدثون في بيت رسول الله صلى الله عليه وسلم ورسول الله صلى الله عليه وسلم جالس وزوجته مولية وجهها إلى الحائط فثقلوا على رسول الله صلى الله عليه وسلم فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فسلم على نسائه ثم رجع فلما رأوا رسول الله صلى الله عليه وسلم قد رجع ظنوا أنهم قد ثقلوا عليه قال فابتدروا الباب فخرجوا كلهم وجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى أرخى الستر ودخل وأنا جالس في الحجرة فلم يلبث إلا يسيرا حتى خرج على وأنزلت هذه الآيات فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فقرأهن على الناس : ( يا أيها الذين آمنوا لا تدخلوا بيوت النبي إلا أن يؤذن لكم إلى طعام غير ناظرين إناه ) إلى آخر الآية . قال الجعد قال أنس أنا أحدث الناس عهدا بهذه الآيات وحجبن نساء رسول الله صلى الله عليه وسلم . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح . والجعد هو ابن عثمان ويقال هو ابن دينار ويكنى أبا عثمان بصري وهو ثقة عند أهل الحديث روى عنه يونس بن عبيد وشعبة وحماد بن زيد .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৯৯
حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، أخبرنا صاعد الحراني، حدثنا زهير، أخبرنا قابوس بن أبي ظبيان، أن أباه، حدثه قال قلنا لابن عباس أرأيت قول الله عز وجل : (ما جعل الله لرجل من قلبين في جوفه ) ما عنى بذلك قال قام نبي الله صلى الله عليه وسلم يوما يصلي فخطر خطرة فقال المنافقون الذين يصلون معه ألا ترى أن له قلبين قلبا معكم وقلبا معهم . فأنزل الله : (ما جعل الله لرجل من قلبين في جوفه ) .
কাবূস ইবনু আবূ যাব্ইয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তার পিতা তাকে বলেছেন, আমরা ইবনু আব্বাস (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলামঃ আপনি কি বলেন, আল্লাহ্ তা'আলার বাণী "আল্লাহ্ তা'আলা কোন ব্যক্তির বক্ষে দুটি হৃদয় তৈরী করেননি" (সুরাঃ আল-আহযাব- ৪), এর অর্থ কি? তিনি বললেন, একদিন আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উঠে দাঁড়িয়ে নামায আদায় করলেন। নামাযে তাঁর কিছু (ওয়াসওয়াসা জাতীয়) ত্রুটি হয়। যেসব মুনাফিক তাঁর সাথে নামায আদায় করে তারা একে অপরকে বলল, তোমরা কি দেখতে পাচ্ছ না যে, তাঁর দুটি হৃদয় আছে? একটি হৃদয় তোমাদের সাথে, অন্যটি হৃদয় তাদের সাথে থাকে। এই পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ্ তা'আলা অবতীর্ণ করেনঃ "কোন ব্যক্তির বক্ষে আল্লাহ্ তা'আলা দুটি হৃদয় তৈরী করেননি"। সনদ দুর্বল, আব্দ ইবনু হুমাইদ-আহ্মাদ ইবনু ইউনুস হতে তিনি যুহাইর (রহঃ) সূত্রে উপরের হাদীসের মতই হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান। এ সনদটিও দুর্বল।
কাবূস ইবনু আবূ যাব্ইয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তার পিতা তাকে বলেছেন, আমরা ইবনু আব্বাস (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলামঃ আপনি কি বলেন, আল্লাহ্ তা'আলার বাণী "আল্লাহ্ তা'আলা কোন ব্যক্তির বক্ষে দুটি হৃদয় তৈরী করেননি" (সুরাঃ আল-আহযাব- ৪), এর অর্থ কি? তিনি বললেন, একদিন আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উঠে দাঁড়িয়ে নামায আদায় করলেন। নামাযে তাঁর কিছু (ওয়াসওয়াসা জাতীয়) ত্রুটি হয়। যেসব মুনাফিক তাঁর সাথে নামায আদায় করে তারা একে অপরকে বলল, তোমরা কি দেখতে পাচ্ছ না যে, তাঁর দুটি হৃদয় আছে? একটি হৃদয় তোমাদের সাথে, অন্যটি হৃদয় তাদের সাথে থাকে। এই পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ্ তা'আলা অবতীর্ণ করেনঃ "কোন ব্যক্তির বক্ষে আল্লাহ্ তা'আলা দুটি হৃদয় তৈরী করেননি"। সনদ দুর্বল, আব্দ ইবনু হুমাইদ-আহ্মাদ ইবনু ইউনুস হতে তিনি যুহাইর (রহঃ) সূত্রে উপরের হাদীসের মতই হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান। এ সনদটিও দুর্বল।
حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، أخبرنا صاعد الحراني، حدثنا زهير، أخبرنا قابوس بن أبي ظبيان، أن أباه، حدثه قال قلنا لابن عباس أرأيت قول الله عز وجل : (ما جعل الله لرجل من قلبين في جوفه ) ما عنى بذلك قال قام نبي الله صلى الله عليه وسلم يوما يصلي فخطر خطرة فقال المنافقون الذين يصلون معه ألا ترى أن له قلبين قلبا معكم وقلبا معهم . فأنزل الله : (ما جعل الله لرجل من قلبين في جوفه ) .
জামে' আত-তিরমিজি > সূরা সাবা
জামে' আত-তিরমিজি ৩২২৩
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، عن عكرمة، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إذا قضى الله في السماء أمرا ضربت الملائكة بأجنحتها خضعانا لقوله كأنها سلسلة على صفوان فإذا فزع عن قلوبهم قالوا ماذا قال ربكم قالوا الحق وهو العلي الكبير قال والشياطين بعضهم فوق بعض " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা যখন আসমানে কোন নির্দেশ ঘোষণা করেন, তখন ফেরেশতারা এই আদেশের উপর আনুগত্য প্রদর্শনার্থে ভয় ও বিনম্রতার সাথে নিজেদের পাখায় শব্দ করেন। মনে হয় যেন পাখাগুলো শিকলের মতো মসৃণ পাথরের উপর আঘাত করছে। তাদের মন হতে ভয়ের ভাব কেটে গেলে তারা একে অপরকে প্রশ্ন করেনঃ “তোমাদের প্রতিপালক কি বললেন? তারা বলেন, তিনি সঠিক বলেছেন। তিনি তো অতীব মহান ও শ্রেষ্ঠ” – (সূরা সাবা ২৩)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শাইতানেরা তখন একে অপরের কাছে সমবেত হয় (ঊর্ধ্ব জগতের কথা শুনার জন্য)। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (১৯৪), বুখারী।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা যখন আসমানে কোন নির্দেশ ঘোষণা করেন, তখন ফেরেশতারা এই আদেশের উপর আনুগত্য প্রদর্শনার্থে ভয় ও বিনম্রতার সাথে নিজেদের পাখায় শব্দ করেন। মনে হয় যেন পাখাগুলো শিকলের মতো মসৃণ পাথরের উপর আঘাত করছে। তাদের মন হতে ভয়ের ভাব কেটে গেলে তারা একে অপরকে প্রশ্ন করেনঃ “তোমাদের প্রতিপালক কি বললেন? তারা বলেন, তিনি সঠিক বলেছেন। তিনি তো অতীব মহান ও শ্রেষ্ঠ” – (সূরা সাবা ২৩)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শাইতানেরা তখন একে অপরের কাছে সমবেত হয় (ঊর্ধ্ব জগতের কথা শুনার জন্য)। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (১৯৪), বুখারী।
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، عن عكرمة، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إذا قضى الله في السماء أمرا ضربت الملائكة بأجنحتها خضعانا لقوله كأنها سلسلة على صفوان فإذا فزع عن قلوبهم قالوا ماذا قال ربكم قالوا الحق وهو العلي الكبير قال والشياطين بعضهم فوق بعض " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২২২
حدثنا أبو كريب، وعبد بن حميد، وغير، واحد، قالوا أخبرنا أبو أسامة، عن الحسن بن الحكم النخعي، حدثنا أبو سبرة النخعي، عن فروة بن مسيك المرادي، قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله ألا أقاتل من أدبر من قومي بمن أقبل منهم فأذن لي في قتالهم وأمرني فلما خرجت من عنده سأل عني ما فعل الغطيفي فأخبر أني قد سرت قال فأرسل في أثري فردني فأتيته وهو في نفر من أصحابه فقال " ادع القوم فمن أسلم منهم فاقبل منه ومن لم يسلم فلا تعجل حتى أحدث إليك " . قال وأنزل في سبإ ما أنزل فقال رجل يا رسول الله وما سبأ أرض أو امرأة قال " ليس بأرض ولا امرأة ولكنه رجل ولد عشرة من العرب فتيامن منهم ستة وتشاءم منهم أربعة فأما الذين تشاءموا فلخم وجذام وغسان وعاملة وأما الذين تيامنوا فالأزد والأشعريون وحمير ومذحج وأنمار وكندة " . فقال رجل يا رسول الله وما أنمار قال " الذين منهم خثعم وبجيلة " . وروي هذا عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب .
ফারওয়াহ্ ইবনু মুসাইক আল-মুরাদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার গোত্রের যেসব ব্যক্তি অগ্রসর হয়েছে (ইসলাম গ্রহণ করেছে) তাদেরকে নিয়ে আমি কি আমার গোত্রের পিছে পড়া ব্যক্তিদের (ইসলাম প্রত্যাখ্যানকারীদের) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না? বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমাকে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার অনুমতি দিলেন এবং আমাকেই আমীর নিযুক্ত করলেন। আমি তাঁর নিকট হতে বিদায় নিয়ে আসার পর তিনি আমার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেনঃ গুতাইফী কোথায়? তাঁকে জানানো হল যে, আমি চলে গেছি। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমার পিছে পিছে এক লোক পাঠিয়ে আমাকে আবার ফিরিয়ে আনলেন। আমি যখন ফিরে আসি তখন তিনি তাঁর সাহাবা পরিবেষ্টিত অবস্থায় ছিলেন। তিনি বললেনঃ তুমি তোমার গোত্রের লোকদের প্রথমে ইসলামের দা’ওয়াত দিবে। তাদের মধ্যে কেউ ইসলাম গ্রহণ করলে তা তুমি অনুমোদন করবে। আর যে লোক ইসলাম গ্রহণ করবে না, আমার পরবর্তী আদেশ না পাওয়া পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করার বিষয়ে ধৈর্যহারা হবে না। রাবী বলেন, তারপর সাবা প্রসঙ্গে যা অবতীর্ণ হওয়ার ছিল তা নাযিল হল। এক লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল! সাবা কি? কোন এলাকার নাম না কোন স্ত্রীলোকের নাম? তিনি বললেনঃ কোন এলাকারও নাম নয় বা কোন স্ত্রীলোকেরও নাম নয়, বরং একজন পুরুষ ব্যক্তির নাম। তার ঔরসে আরবের দশজন লোক জন্মগ্রহণ করে। তাদের ছয়জন ইয়ামানে (দক্ষিণ দিকে) এবং চারজন সিরিয়ায় (বাঁ দিকে) বসতি স্থাপন করে। বাঁ দিকের ব্যক্তিদের নাম হলঃ লাখম, জুযাম, গাসসান ও আমিলা (গোত্র)। আর ডান দিকে গড়ে উঠা বংশের নাম হলঃ আয্দ, আশ‘আরী, হিমইয়ার, কিনদাহ্, মাযহিজ ও আনমার। এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আনমার কওমের ব্যক্তি কারা? তিনি বললেনঃ খাস‘আম ও বাজীলাহ্ বংশের লোকেরা এদের দলে।
ফারওয়াহ্ ইবনু মুসাইক আল-মুরাদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার গোত্রের যেসব ব্যক্তি অগ্রসর হয়েছে (ইসলাম গ্রহণ করেছে) তাদেরকে নিয়ে আমি কি আমার গোত্রের পিছে পড়া ব্যক্তিদের (ইসলাম প্রত্যাখ্যানকারীদের) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না? বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমাকে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার অনুমতি দিলেন এবং আমাকেই আমীর নিযুক্ত করলেন। আমি তাঁর নিকট হতে বিদায় নিয়ে আসার পর তিনি আমার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেনঃ গুতাইফী কোথায়? তাঁকে জানানো হল যে, আমি চলে গেছি। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমার পিছে পিছে এক লোক পাঠিয়ে আমাকে আবার ফিরিয়ে আনলেন। আমি যখন ফিরে আসি তখন তিনি তাঁর সাহাবা পরিবেষ্টিত অবস্থায় ছিলেন। তিনি বললেনঃ তুমি তোমার গোত্রের লোকদের প্রথমে ইসলামের দা’ওয়াত দিবে। তাদের মধ্যে কেউ ইসলাম গ্রহণ করলে তা তুমি অনুমোদন করবে। আর যে লোক ইসলাম গ্রহণ করবে না, আমার পরবর্তী আদেশ না পাওয়া পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করার বিষয়ে ধৈর্যহারা হবে না। রাবী বলেন, তারপর সাবা প্রসঙ্গে যা অবতীর্ণ হওয়ার ছিল তা নাযিল হল। এক লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল! সাবা কি? কোন এলাকার নাম না কোন স্ত্রীলোকের নাম? তিনি বললেনঃ কোন এলাকারও নাম নয় বা কোন স্ত্রীলোকেরও নাম নয়, বরং একজন পুরুষ ব্যক্তির নাম। তার ঔরসে আরবের দশজন লোক জন্মগ্রহণ করে। তাদের ছয়জন ইয়ামানে (দক্ষিণ দিকে) এবং চারজন সিরিয়ায় (বাঁ দিকে) বসতি স্থাপন করে। বাঁ দিকের ব্যক্তিদের নাম হলঃ লাখম, জুযাম, গাসসান ও আমিলা (গোত্র)। আর ডান দিকে গড়ে উঠা বংশের নাম হলঃ আয্দ, আশ‘আরী, হিমইয়ার, কিনদাহ্, মাযহিজ ও আনমার। এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আনমার কওমের ব্যক্তি কারা? তিনি বললেনঃ খাস‘আম ও বাজীলাহ্ বংশের লোকেরা এদের দলে।
حدثنا أبو كريب، وعبد بن حميد، وغير، واحد، قالوا أخبرنا أبو أسامة، عن الحسن بن الحكم النخعي، حدثنا أبو سبرة النخعي، عن فروة بن مسيك المرادي، قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله ألا أقاتل من أدبر من قومي بمن أقبل منهم فأذن لي في قتالهم وأمرني فلما خرجت من عنده سأل عني ما فعل الغطيفي فأخبر أني قد سرت قال فأرسل في أثري فردني فأتيته وهو في نفر من أصحابه فقال " ادع القوم فمن أسلم منهم فاقبل منه ومن لم يسلم فلا تعجل حتى أحدث إليك " . قال وأنزل في سبإ ما أنزل فقال رجل يا رسول الله وما سبأ أرض أو امرأة قال " ليس بأرض ولا امرأة ولكنه رجل ولد عشرة من العرب فتيامن منهم ستة وتشاءم منهم أربعة فأما الذين تشاءموا فلخم وجذام وغسان وعاملة وأما الذين تيامنوا فالأزد والأشعريون وحمير ومذحج وأنمار وكندة " . فقال رجل يا رسول الله وما أنمار قال " الذين منهم خثعم وبجيلة " . وروي هذا عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২২২
حدثنا أبو كريب، وعبد بن حميد، وغير، واحد، قالوا أخبرنا أبو أسامة، عن الحسن بن الحكم النخعي، حدثنا أبو سبرة النخعي، عن فروة بن مسيك المرادي، قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله ألا أقاتل من أدبر من قومي بمن أقبل منهم فأذن لي في قتالهم وأمرني فلما خرجت من عنده سأل عني ما فعل الغطيفي فأخبر أني قد سرت قال فأرسل في أثري فردني فأتيته وهو في نفر من أصحابه فقال " ادع القوم فمن أسلم منهم فاقبل منه ومن لم يسلم فلا تعجل حتى أحدث إليك " . قال وأنزل في سبإ ما أنزل فقال رجل يا رسول الله وما سبأ أرض أو امرأة قال " ليس بأرض ولا امرأة ولكنه رجل ولد عشرة من العرب فتيامن منهم ستة وتشاءم منهم أربعة فأما الذين تشاءموا فلخم وجذام وغسان وعاملة وأما الذين تيامنوا فالأزد والأشعريون وحمير ومذحج وأنمار وكندة " . فقال رجل يا رسول الله وما أنمار قال " الذين منهم خثعم وبجيلة " . وروي هذا عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب .
ফারওয়াহ্ ইবনু মুসাইক আল-মুরাদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার গোত্রের যেসব ব্যক্তি অগ্রসর হয়েছে (ইসলাম গ্রহণ করেছে) তাদেরকে নিয়ে আমি কি আমার গোত্রের পিছে পড়া ব্যক্তিদের (ইসলাম প্রত্যাখ্যানকারীদের) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না? বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমাকে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার অনুমতি দিলেন এবং আমাকেই আমীর নিযুক্ত করলেন। আমি তাঁর নিকট হতে বিদায় নিয়ে আসার পর তিনি আমার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেনঃ গুতাইফী কোথায়? তাঁকে জানানো হল যে, আমি চলে গেছি। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমার পিছে পিছে এক লোক পাঠিয়ে আমাকে আবার ফিরিয়ে আনলেন। আমি যখন ফিরে আসি তখন তিনি তাঁর সাহাবা পরিবেষ্টিত অবস্থায় ছিলেন। তিনি বললেনঃ তুমি তোমার গোত্রের লোকদের প্রথমে ইসলামের দা’ওয়াত দিবে। তাদের মধ্যে কেউ ইসলাম গ্রহণ করলে তা তুমি অনুমোদন করবে। আর যে লোক ইসলাম গ্রহণ করবে না, আমার পরবর্তী আদেশ না পাওয়া পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করার বিষয়ে ধৈর্যহারা হবে না। রাবী বলেন, তারপর সাবা প্রসঙ্গে যা অবতীর্ণ হওয়ার ছিল তা নাযিল হল। এক লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল! সাবা কি? কোন এলাকার নাম না কোন স্ত্রীলোকের নাম? তিনি বললেনঃ কোন এলাকারও নাম নয় বা কোন স্ত্রীলোকেরও নাম নয়, বরং একজন পুরুষ ব্যক্তির নাম। তার ঔরসে আরবের দশজন লোক জন্মগ্রহণ করে। তাদের ছয়জন ইয়ামানে (দক্ষিণ দিকে) এবং চারজন সিরিয়ায় (বাঁ দিকে) বসতি স্থাপন করে। বাঁ দিকের ব্যক্তিদের নাম হলঃ লাখম, জুযাম, গাসসান ও আমিলা (গোত্র)। আর ডান দিকে গড়ে উঠা বংশের নাম হলঃ আয্দ, আশ‘আরী, হিমইয়ার, কিনদাহ্, মাযহিজ ও আনমার। এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আনমার কওমের ব্যক্তি কারা? তিনি বললেনঃ খাস‘আম ও বাজীলাহ্ বংশের লোকেরা এদের দলে।
ফারওয়াহ্ ইবনু মুসাইক আল-মুরাদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার গোত্রের যেসব ব্যক্তি অগ্রসর হয়েছে (ইসলাম গ্রহণ করেছে) তাদেরকে নিয়ে আমি কি আমার গোত্রের পিছে পড়া ব্যক্তিদের (ইসলাম প্রত্যাখ্যানকারীদের) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না? বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমাকে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার অনুমতি দিলেন এবং আমাকেই আমীর নিযুক্ত করলেন। আমি তাঁর নিকট হতে বিদায় নিয়ে আসার পর তিনি আমার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেনঃ গুতাইফী কোথায়? তাঁকে জানানো হল যে, আমি চলে গেছি। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমার পিছে পিছে এক লোক পাঠিয়ে আমাকে আবার ফিরিয়ে আনলেন। আমি যখন ফিরে আসি তখন তিনি তাঁর সাহাবা পরিবেষ্টিত অবস্থায় ছিলেন। তিনি বললেনঃ তুমি তোমার গোত্রের লোকদের প্রথমে ইসলামের দা’ওয়াত দিবে। তাদের মধ্যে কেউ ইসলাম গ্রহণ করলে তা তুমি অনুমোদন করবে। আর যে লোক ইসলাম গ্রহণ করবে না, আমার পরবর্তী আদেশ না পাওয়া পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করার বিষয়ে ধৈর্যহারা হবে না। রাবী বলেন, তারপর সাবা প্রসঙ্গে যা অবতীর্ণ হওয়ার ছিল তা নাযিল হল। এক লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল! সাবা কি? কোন এলাকার নাম না কোন স্ত্রীলোকের নাম? তিনি বললেনঃ কোন এলাকারও নাম নয় বা কোন স্ত্রীলোকেরও নাম নয়, বরং একজন পুরুষ ব্যক্তির নাম। তার ঔরসে আরবের দশজন লোক জন্মগ্রহণ করে। তাদের ছয়জন ইয়ামানে (দক্ষিণ দিকে) এবং চারজন সিরিয়ায় (বাঁ দিকে) বসতি স্থাপন করে। বাঁ দিকের ব্যক্তিদের নাম হলঃ লাখম, জুযাম, গাসসান ও আমিলা (গোত্র)। আর ডান দিকে গড়ে উঠা বংশের নাম হলঃ আয্দ, আশ‘আরী, হিমইয়ার, কিনদাহ্, মাযহিজ ও আনমার। এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আনমার কওমের ব্যক্তি কারা? তিনি বললেনঃ খাস‘আম ও বাজীলাহ্ বংশের লোকেরা এদের দলে।
حدثنا أبو كريب، وعبد بن حميد، وغير، واحد، قالوا أخبرنا أبو أسامة، عن الحسن بن الحكم النخعي، حدثنا أبو سبرة النخعي، عن فروة بن مسيك المرادي، قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله ألا أقاتل من أدبر من قومي بمن أقبل منهم فأذن لي في قتالهم وأمرني فلما خرجت من عنده سأل عني ما فعل الغطيفي فأخبر أني قد سرت قال فأرسل في أثري فردني فأتيته وهو في نفر من أصحابه فقال " ادع القوم فمن أسلم منهم فاقبل منه ومن لم يسلم فلا تعجل حتى أحدث إليك " . قال وأنزل في سبإ ما أنزل فقال رجل يا رسول الله وما سبأ أرض أو امرأة قال " ليس بأرض ولا امرأة ولكنه رجل ولد عشرة من العرب فتيامن منهم ستة وتشاءم منهم أربعة فأما الذين تشاءموا فلخم وجذام وغسان وعاملة وأما الذين تيامنوا فالأزد والأشعريون وحمير ومذحج وأنمار وكندة " . فقال رجل يا رسول الله وما أنمار قال " الذين منهم خثعم وبجيلة " . وروي هذا عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২২২
حدثنا أبو كريب، وعبد بن حميد، وغير، واحد، قالوا أخبرنا أبو أسامة، عن الحسن بن الحكم النخعي، حدثنا أبو سبرة النخعي، عن فروة بن مسيك المرادي، قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله ألا أقاتل من أدبر من قومي بمن أقبل منهم فأذن لي في قتالهم وأمرني فلما خرجت من عنده سأل عني ما فعل الغطيفي فأخبر أني قد سرت قال فأرسل في أثري فردني فأتيته وهو في نفر من أصحابه فقال " ادع القوم فمن أسلم منهم فاقبل منه ومن لم يسلم فلا تعجل حتى أحدث إليك " . قال وأنزل في سبإ ما أنزل فقال رجل يا رسول الله وما سبأ أرض أو امرأة قال " ليس بأرض ولا امرأة ولكنه رجل ولد عشرة من العرب فتيامن منهم ستة وتشاءم منهم أربعة فأما الذين تشاءموا فلخم وجذام وغسان وعاملة وأما الذين تيامنوا فالأزد والأشعريون وحمير ومذحج وأنمار وكندة " . فقال رجل يا رسول الله وما أنمار قال " الذين منهم خثعم وبجيلة " . وروي هذا عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب .
ফারওয়াহ্ ইবনু মুসাইক আল-মুরাদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার গোত্রের যেসব ব্যক্তি অগ্রসর হয়েছে (ইসলাম গ্রহণ করেছে) তাদেরকে নিয়ে আমি কি আমার গোত্রের পিছে পড়া ব্যক্তিদের (ইসলাম প্রত্যাখ্যানকারীদের) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না? বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমাকে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার অনুমতি দিলেন এবং আমাকেই আমীর নিযুক্ত করলেন। আমি তাঁর নিকট হতে বিদায় নিয়ে আসার পর তিনি আমার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেনঃ গুতাইফী কোথায়? তাঁকে জানানো হল যে, আমি চলে গেছি। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমার পিছে পিছে এক লোক পাঠিয়ে আমাকে আবার ফিরিয়ে আনলেন। আমি যখন ফিরে আসি তখন তিনি তাঁর সাহাবা পরিবেষ্টিত অবস্থায় ছিলেন। তিনি বললেনঃ তুমি তোমার গোত্রের লোকদের প্রথমে ইসলামের দা’ওয়াত দিবে। তাদের মধ্যে কেউ ইসলাম গ্রহণ করলে তা তুমি অনুমোদন করবে। আর যে লোক ইসলাম গ্রহণ করবে না, আমার পরবর্তী আদেশ না পাওয়া পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করার বিষয়ে ধৈর্যহারা হবে না। রাবী বলেন, তারপর সাবা প্রসঙ্গে যা অবতীর্ণ হওয়ার ছিল তা নাযিল হল। এক লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল! সাবা কি? কোন এলাকার নাম না কোন স্ত্রীলোকের নাম? তিনি বললেনঃ কোন এলাকারও নাম নয় বা কোন স্ত্রীলোকেরও নাম নয়, বরং একজন পুরুষ ব্যক্তির নাম। তার ঔরসে আরবের দশজন লোক জন্মগ্রহণ করে। তাদের ছয়জন ইয়ামানে (দক্ষিণ দিকে) এবং চারজন সিরিয়ায় (বাঁ দিকে) বসতি স্থাপন করে। বাঁ দিকের ব্যক্তিদের নাম হলঃ লাখম, জুযাম, গাসসান ও আমিলা (গোত্র)। আর ডান দিকে গড়ে উঠা বংশের নাম হলঃ আয্দ, আশ‘আরী, হিমইয়ার, কিনদাহ্, মাযহিজ ও আনমার। এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আনমার কওমের ব্যক্তি কারা? তিনি বললেনঃ খাস‘আম ও বাজীলাহ্ বংশের লোকেরা এদের দলে।
ফারওয়াহ্ ইবনু মুসাইক আল-মুরাদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার গোত্রের যেসব ব্যক্তি অগ্রসর হয়েছে (ইসলাম গ্রহণ করেছে) তাদেরকে নিয়ে আমি কি আমার গোত্রের পিছে পড়া ব্যক্তিদের (ইসলাম প্রত্যাখ্যানকারীদের) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না? বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমাকে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার অনুমতি দিলেন এবং আমাকেই আমীর নিযুক্ত করলেন। আমি তাঁর নিকট হতে বিদায় নিয়ে আসার পর তিনি আমার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেনঃ গুতাইফী কোথায়? তাঁকে জানানো হল যে, আমি চলে গেছি। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমার পিছে পিছে এক লোক পাঠিয়ে আমাকে আবার ফিরিয়ে আনলেন। আমি যখন ফিরে আসি তখন তিনি তাঁর সাহাবা পরিবেষ্টিত অবস্থায় ছিলেন। তিনি বললেনঃ তুমি তোমার গোত্রের লোকদের প্রথমে ইসলামের দা’ওয়াত দিবে। তাদের মধ্যে কেউ ইসলাম গ্রহণ করলে তা তুমি অনুমোদন করবে। আর যে লোক ইসলাম গ্রহণ করবে না, আমার পরবর্তী আদেশ না পাওয়া পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করার বিষয়ে ধৈর্যহারা হবে না। রাবী বলেন, তারপর সাবা প্রসঙ্গে যা অবতীর্ণ হওয়ার ছিল তা নাযিল হল। এক লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল! সাবা কি? কোন এলাকার নাম না কোন স্ত্রীলোকের নাম? তিনি বললেনঃ কোন এলাকারও নাম নয় বা কোন স্ত্রীলোকেরও নাম নয়, বরং একজন পুরুষ ব্যক্তির নাম। তার ঔরসে আরবের দশজন লোক জন্মগ্রহণ করে। তাদের ছয়জন ইয়ামানে (দক্ষিণ দিকে) এবং চারজন সিরিয়ায় (বাঁ দিকে) বসতি স্থাপন করে। বাঁ দিকের ব্যক্তিদের নাম হলঃ লাখম, জুযাম, গাসসান ও আমিলা (গোত্র)। আর ডান দিকে গড়ে উঠা বংশের নাম হলঃ আয্দ, আশ‘আরী, হিমইয়ার, কিনদাহ্, মাযহিজ ও আনমার। এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আনমার কওমের ব্যক্তি কারা? তিনি বললেনঃ খাস‘আম ও বাজীলাহ্ বংশের লোকেরা এদের দলে।
حدثنا أبو كريب، وعبد بن حميد، وغير، واحد، قالوا أخبرنا أبو أسامة، عن الحسن بن الحكم النخعي، حدثنا أبو سبرة النخعي، عن فروة بن مسيك المرادي، قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله ألا أقاتل من أدبر من قومي بمن أقبل منهم فأذن لي في قتالهم وأمرني فلما خرجت من عنده سأل عني ما فعل الغطيفي فأخبر أني قد سرت قال فأرسل في أثري فردني فأتيته وهو في نفر من أصحابه فقال " ادع القوم فمن أسلم منهم فاقبل منه ومن لم يسلم فلا تعجل حتى أحدث إليك " . قال وأنزل في سبإ ما أنزل فقال رجل يا رسول الله وما سبأ أرض أو امرأة قال " ليس بأرض ولا امرأة ولكنه رجل ولد عشرة من العرب فتيامن منهم ستة وتشاءم منهم أربعة فأما الذين تشاءموا فلخم وجذام وغسان وعاملة وأما الذين تيامنوا فالأزد والأشعريون وحمير ومذحج وأنمار وكندة " . فقال رجل يا رسول الله وما أنمار قال " الذين منهم خثعم وبجيلة " . وروي هذا عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২২৪
حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا عبد الأعلى، حدثنا معمر، عن الزهري، عن علي بن حسين، عن ابن عباس، قال بينما رسول الله صلى الله عليه وسلم جالس في نفر من أصحابه إذ رمي بنجم فاستنار فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما كنتم تقولون لمثل هذا في الجاهلية إذا رأيتموه " . قالوا كنا نقول يموت عظيم أو يولد عظيم . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فإنه لا يرمى به لموت أحد ولا لحياته ولكن ربنا عز وجل إذا قضى أمرا سبح له حملة العرش ثم سبح أهل السماء الذين يلونهم ثم الذين يلونهم حتى يبلغ التسبيح إلى هذه السماء ثم سأل أهل السماء السادسة أهل السماء السابعة ماذا قال ربكم قال فيخبرونهم ثم يستخبر أهل كل سماء حتى يبلغ الخبر أهل السماء الدنيا وتختطف الشياطين السمع فيرمون فيقذفونها إلى أوليائهم فما جاءوا به على وجهه فهو حق ولكنهم يحرفون ويزيدون " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর এক দল সাহাবীর সঙ্গে বসা ছিলেন। এমন সময় একটি উল্কা পতিত হল এবং আলোকিত হয়ে গেল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এরূপ উলকাপাত হতে দেখলে তোমরা জাহিলী যুগে কি বলতে? তারা বলল, আমরা বলতাম, কোন মহান লোকের মৃত্যু হবে অথবা কোন মহান লোকের জন্ম হবে (এটা তারই আলামাত)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কোন লোকের মৃত্যু অথবা জন্মগ্রহণের আলামাত হিসেবে এটা পতিত হয় না, বরং মহা বারাকাতময় ও মহিমান্বিত নামের অধিকারী আমাদের প্রতিপালক যখন কোন আদেশ জারী করেন তখন আরশ বহনকারী ফেরেশতারা তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করেন। তারপর তাদের নিকটতম আসমানের অধিবাসীরা তাসবীহ পড়তে থাকে, তারপর তাদের নিকটতম আসমানের অধিবাসীরা তাসবীহ পড়তে থাকে। এভাবে তাসবীহ ও মহিমা ঘোষণার ধারা এই নিম্নবর্তী আসমানে এসে পৌঁছে যায়। তারপর ষষ্ঠ আসমানের অধিবাসীরা সপ্তম আসমানের অধিবাসীদের প্রশ্ন করেন, তোমাদের প্রতিপালক কি বলেছেন? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তারা তাদেরকে ব্যাপারটি জানান। এভাবে প্রত্যেক আসমানের অধিবাসীরা তাদের উপরের আসমানের অধিবাসীদের একইভাবে প্রশ্ন করেন। এভাবে পৃথিবীর নিকটবর্তী আসমানে এ খবর পৌঁছে যায়। শাইতানেরা এ তথ্য শুনবার জন্য ওঁৎ পেতে থাকে। তখন এদের উপর উলকা ছুঁড়ে মারা হয়। এরা কিছু তথ্য এদের সহগামীদের নিকট পাচার করে। এরা যা সংগ্রহ করে তা তো সত্য, কিন্তু তারা এতে কিছু পরিবর্তন ও কিছু বৃদ্ধি ঘটায়। সহীহঃ মুসলিম (৭/৩৬-৩৭)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর এক দল সাহাবীর সঙ্গে বসা ছিলেন। এমন সময় একটি উল্কা পতিত হল এবং আলোকিত হয়ে গেল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এরূপ উলকাপাত হতে দেখলে তোমরা জাহিলী যুগে কি বলতে? তারা বলল, আমরা বলতাম, কোন মহান লোকের মৃত্যু হবে অথবা কোন মহান লোকের জন্ম হবে (এটা তারই আলামাত)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কোন লোকের মৃত্যু অথবা জন্মগ্রহণের আলামাত হিসেবে এটা পতিত হয় না, বরং মহা বারাকাতময় ও মহিমান্বিত নামের অধিকারী আমাদের প্রতিপালক যখন কোন আদেশ জারী করেন তখন আরশ বহনকারী ফেরেশতারা তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করেন। তারপর তাদের নিকটতম আসমানের অধিবাসীরা তাসবীহ পড়তে থাকে, তারপর তাদের নিকটতম আসমানের অধিবাসীরা তাসবীহ পড়তে থাকে। এভাবে তাসবীহ ও মহিমা ঘোষণার ধারা এই নিম্নবর্তী আসমানে এসে পৌঁছে যায়। তারপর ষষ্ঠ আসমানের অধিবাসীরা সপ্তম আসমানের অধিবাসীদের প্রশ্ন করেন, তোমাদের প্রতিপালক কি বলেছেন? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তারা তাদেরকে ব্যাপারটি জানান। এভাবে প্রত্যেক আসমানের অধিবাসীরা তাদের উপরের আসমানের অধিবাসীদের একইভাবে প্রশ্ন করেন। এভাবে পৃথিবীর নিকটবর্তী আসমানে এ খবর পৌঁছে যায়। শাইতানেরা এ তথ্য শুনবার জন্য ওঁৎ পেতে থাকে। তখন এদের উপর উলকা ছুঁড়ে মারা হয়। এরা কিছু তথ্য এদের সহগামীদের নিকট পাচার করে। এরা যা সংগ্রহ করে তা তো সত্য, কিন্তু তারা এতে কিছু পরিবর্তন ও কিছু বৃদ্ধি ঘটায়। সহীহঃ মুসলিম (৭/৩৬-৩৭)
حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا عبد الأعلى، حدثنا معمر، عن الزهري، عن علي بن حسين، عن ابن عباس، قال بينما رسول الله صلى الله عليه وسلم جالس في نفر من أصحابه إذ رمي بنجم فاستنار فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما كنتم تقولون لمثل هذا في الجاهلية إذا رأيتموه " . قالوا كنا نقول يموت عظيم أو يولد عظيم . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فإنه لا يرمى به لموت أحد ولا لحياته ولكن ربنا عز وجل إذا قضى أمرا سبح له حملة العرش ثم سبح أهل السماء الذين يلونهم ثم الذين يلونهم حتى يبلغ التسبيح إلى هذه السماء ثم سأل أهل السماء السادسة أهل السماء السابعة ماذا قال ربكم قال فيخبرونهم ثم يستخبر أهل كل سماء حتى يبلغ الخبر أهل السماء الدنيا وتختطف الشياطين السمع فيرمون فيقذفونها إلى أوليائهم فما جاءوا به على وجهه فهو حق ولكنهم يحرفون ويزيدون " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আল-মালায়িকাহ্ (আল-ফাত্বির)
জামে' আত-তিরমিজি ৩২২৫
حدثنا أبو موسى، محمد بن المثنى ومحمد بن بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن الوليد بن عيزار، أنه سمع رجلا، من ثقيف يحدث عن رجل، من كنانة عن أبي سعيد الخدري، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال في هذه الآية : (ثم أورثنا الكتاب الذين اصطفينا من عبادنا فمنهم ظالم لنفسه ومنهم مقتصد ومنهم سابق بالخيرات ) قال " هؤلاء كلهم بمنزلة واحدة وكلهم في الجنة " . قال هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من هذا الوجه .
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ (অনুবাদ) “তারপর আমাদের বান্দাদের ভিতর হতে বাছাই করা ব্যক্তিদেরকে আমরা এ কিতাবের উত্তরাধিকারী বানিয়েছি। তাদের কেউ নিজেদের উপরই যুল্মকারী হয়েছে, কেউ মধ্যম পন্থা অবলম্বন করেছে এবং কেউ আল্লাহ তা‘আলার অনুমতিক্রমে নেক কাজসমুহে অগ্রগামী হয়েছে” – (সূরা ফাত্বির ৩২)। এ প্রসঙ্গে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এ আয়াতে বর্ণিত তিন শ্রেণীর ব্যক্তিরা একই মর্যাদা সম্পন্ন (মু’মিন) এবং এরা সকলেই জান্নাতবাসী।
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ (অনুবাদ) “তারপর আমাদের বান্দাদের ভিতর হতে বাছাই করা ব্যক্তিদেরকে আমরা এ কিতাবের উত্তরাধিকারী বানিয়েছি। তাদের কেউ নিজেদের উপরই যুল্মকারী হয়েছে, কেউ মধ্যম পন্থা অবলম্বন করেছে এবং কেউ আল্লাহ তা‘আলার অনুমতিক্রমে নেক কাজসমুহে অগ্রগামী হয়েছে” – (সূরা ফাত্বির ৩২)। এ প্রসঙ্গে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এ আয়াতে বর্ণিত তিন শ্রেণীর ব্যক্তিরা একই মর্যাদা সম্পন্ন (মু’মিন) এবং এরা সকলেই জান্নাতবাসী।
حدثنا أبو موسى، محمد بن المثنى ومحمد بن بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن الوليد بن عيزار، أنه سمع رجلا، من ثقيف يحدث عن رجل، من كنانة عن أبي سعيد الخدري، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال في هذه الآية : (ثم أورثنا الكتاب الذين اصطفينا من عبادنا فمنهم ظالم لنفسه ومنهم مقتصد ومنهم سابق بالخيرات ) قال " هؤلاء كلهم بمنزلة واحدة وكلهم في الجنة " . قال هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من هذا الوجه .
জামে' আত-তিরমিজি > সূরা ইয়াসীন
জামে' আত-তিরমিজি ৩২২৬
حدثنا محمد بن وزير الواسطي، حدثنا إسحاق بن يوسف الأزرق، عن سفيان الثوري، عن أبي سفيان، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد الخدري، قال كانت بنو سلمة في ناحية المدينة فأرادوا النقلة إلى قرب المسجد فنزلت هذه الآية : (إنا نحن نحيي الموتى ونكتب ما قدموا وآثارهم ) فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن آثاركم تكتب " . فلم ينتقلوا . قال هذا حديث حسن غريب من حديث الثوري وأبو سفيان هو طريف السعدي .
আবূ সা‘ঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বানূ সালিমাহ্ বংশের বসতি মাদীনার এক পাশে ছিল। তারা সেখান হতে তাদের বসতি তুলে মাসজিদে নাবাবীর নিকট চলে আসার সিদ্ধান্ত নেয়। এই কারণে এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ)ঃ “আমরা নিশ্চয়ই মৃতকে জীবিত করি এবং তারা যা আগে পাঠায় আর যা পিছনে রেখে যায় আমরা তা লিখে রাখি” – (সূরা ইয়াসীন ১২)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের পদচিহ্ন লেখা হবে। অতএব তোমরা বসতি স্থানান্তর করো না। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (৭৮৫)
আবূ সা‘ঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বানূ সালিমাহ্ বংশের বসতি মাদীনার এক পাশে ছিল। তারা সেখান হতে তাদের বসতি তুলে মাসজিদে নাবাবীর নিকট চলে আসার সিদ্ধান্ত নেয়। এই কারণে এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ)ঃ “আমরা নিশ্চয়ই মৃতকে জীবিত করি এবং তারা যা আগে পাঠায় আর যা পিছনে রেখে যায় আমরা তা লিখে রাখি” – (সূরা ইয়াসীন ১২)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের পদচিহ্ন লেখা হবে। অতএব তোমরা বসতি স্থানান্তর করো না। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (৭৮৫)
حدثنا محمد بن وزير الواسطي، حدثنا إسحاق بن يوسف الأزرق، عن سفيان الثوري، عن أبي سفيان، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد الخدري، قال كانت بنو سلمة في ناحية المدينة فأرادوا النقلة إلى قرب المسجد فنزلت هذه الآية : (إنا نحن نحيي الموتى ونكتب ما قدموا وآثارهم ) فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن آثاركم تكتب " . فلم ينتقلوا . قال هذا حديث حسن غريب من حديث الثوري وأبو سفيان هو طريف السعدي .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২২৭
حدثنا هناد، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، عن أبي ذر، قال دخلت المسجد حين غابت الشمس والنبي صلى الله عليه وسلم جالس فقال النبي صلى الله عليه وسلم " أتدري يا أبا ذر أين تذهب هذه " . قال قلت الله ورسوله أعلم . قال " فإنها تذهب فتستأذن في السجود فيؤذن لها وكأنها قد قيل لها اطلعي من حيث جئت فتطلع من مغربها " . قال ثم قرأ : (وذلك مستقر لها ) قال وذلك قراءة عبد الله . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সূর্য ডুবার সময় আমি মাসজিদে ঢুকলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন (মাসজিদে) বসা ছিলেন। তিনি বললেনঃ হে আবূ যার! তুমি কি জান, এটা (সূর্য) কোথায় যায়? বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেনঃ এটা গিয়ে সাজদাহ্র অনুমতি প্রার্থনা করে। তাকে সাজদাহ্র অনুমতি দেয়া হয়। এমন এক দিন আসবে যখন তাকে বলা হবে, তুমি যেখানে এসেছ সেখান হতে উদিত হও। অতএব তা অস্ত যাওয়ার স্থান হতে উদিত হবে। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর তিনি পড়েনঃ “এটাই তার একমাত্র আশ্রয়স্থল” – (সূরা ইয়াসীন ৩৮)। বর্ণনাকারী বলেন, এটা ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদের ক্বিরাআত। সহীহঃ বুখারী, এটি (২১৮৬) নং হাদীসের পুনরাবৃত্তি।
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সূর্য ডুবার সময় আমি মাসজিদে ঢুকলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন (মাসজিদে) বসা ছিলেন। তিনি বললেনঃ হে আবূ যার! তুমি কি জান, এটা (সূর্য) কোথায় যায়? বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেনঃ এটা গিয়ে সাজদাহ্র অনুমতি প্রার্থনা করে। তাকে সাজদাহ্র অনুমতি দেয়া হয়। এমন এক দিন আসবে যখন তাকে বলা হবে, তুমি যেখানে এসেছ সেখান হতে উদিত হও। অতএব তা অস্ত যাওয়ার স্থান হতে উদিত হবে। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর তিনি পড়েনঃ “এটাই তার একমাত্র আশ্রয়স্থল” – (সূরা ইয়াসীন ৩৮)। বর্ণনাকারী বলেন, এটা ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদের ক্বিরাআত। সহীহঃ বুখারী, এটি (২১৮৬) নং হাদীসের পুনরাবৃত্তি।
حدثنا هناد، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، عن أبي ذر، قال دخلت المسجد حين غابت الشمس والنبي صلى الله عليه وسلم جالس فقال النبي صلى الله عليه وسلم " أتدري يا أبا ذر أين تذهب هذه " . قال قلت الله ورسوله أعلم . قال " فإنها تذهب فتستأذن في السجود فيؤذن لها وكأنها قد قيل لها اطلعي من حيث جئت فتطلع من مغربها " . قال ثم قرأ : (وذلك مستقر لها ) قال وذلك قراءة عبد الله . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .