জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আর-রূম
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৯১
حدثنا أبو موسى، محمد بن المثنى حدثنا محمد بن خالد بن عثمة، حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الجمحي، حدثنا ابن شهاب الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لأبي بكر في مناحبة : ( الم* غلبت الروم ) " ألا احتطت يا أبا بكر فإن البضع ما بين الثلاث إلى التسع " . قال أبو عيسى هذا حديث غريب من حديث الزهري عن عبيد الله عن ابن عباس .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) "আলিফ, লাম, মীম, গুলিবাতির রূম" শীর্ষক আয়াতের সাথে সংশ্লিষ্ট আবূ বকর (রাঃ)-এর বাজি প্রসঙ্গে বলেছেনঃ আবূ বাক্র! তুমি সাবধানতা গ্রহণ করলে না কেন? কেননা .... শব্দটি তো তিন হতে নয় পর্যন্ত সংখ্যা বুঝাতে ব্যবহৃত হয়। যঈফ, যঈফা (৩৩৫৪)
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) "আলিফ, লাম, মীম, গুলিবাতির রূম" শীর্ষক আয়াতের সাথে সংশ্লিষ্ট আবূ বকর (রাঃ)-এর বাজি প্রসঙ্গে বলেছেনঃ আবূ বাক্র! তুমি সাবধানতা গ্রহণ করলে না কেন? কেননা .... শব্দটি তো তিন হতে নয় পর্যন্ত সংখ্যা বুঝাতে ব্যবহৃত হয়। যঈফ, যঈফা (৩৩৫৪)
حدثنا أبو موسى، محمد بن المثنى حدثنا محمد بن خالد بن عثمة، حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الجمحي، حدثنا ابن شهاب الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لأبي بكر في مناحبة : ( الم* غلبت الروم ) " ألا احتطت يا أبا بكر فإن البضع ما بين الثلاث إلى التسع " . قال أبو عيسى هذا حديث غريب من حديث الزهري عن عبيد الله عن ابن عباس .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৯২
حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا المعتمر بن سليمان، عن أبيه، عن سليمان الأعمش، عن عطية، عن أبي سعيد، قال لما كان يوم بدر ظهرت الروم على فارس فأعجب ذلك المؤمنين فنزلت : ( الم *غلبت الروم ) إلى قوله : (يفرح المؤمنون بنصر الله ) قال ففرح المؤمنون بظهور الروم على فارس . قال هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه كذا قرأ نصر بن علي : (غلبت الروم ) .
আবু সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয়, ঠিক এই সময়ে রূমের এশিয়া মাইনরে খৃষ্টান বাহিনী পারস্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়লাভ করে। এ বিষয়টি মুসলিমদেরকে খুবই আনন্দিত করে। এ প্রেক্ষিতে আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ)ঃ “আলিফ, লাম, মীম। রোমকগণ নিকটবর্তী ভূখণ্ডে পরাজিত হয়েছে। তাদের এই পরাজয়ের কয়েক বছরের মধ্যেই তারা আবার বিজয়ী হবে। আগের ও পরের ফাইসালা আল্লাহ তা'আলারই। সেদিন আল্লাহ তা'আলার সাহায্যে মু’মিনগণ আনন্দিত হবে। তিনি যাকে ইচ্ছা সাহায্য করেন। তিনি মহা পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু"- (সূরা আর-রূম ১-৫)। বর্ণনাকারী বলেন, পারস্য শক্তির বিরুদ্ধে রোমান শক্তির জয়ে মুসলিমরা আনন্দিত হয়েছিলেন। পরবর্তী হাদীসের সহায়তায় এ হাদীসটি সহীহ।
আবু সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয়, ঠিক এই সময়ে রূমের এশিয়া মাইনরে খৃষ্টান বাহিনী পারস্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়লাভ করে। এ বিষয়টি মুসলিমদেরকে খুবই আনন্দিত করে। এ প্রেক্ষিতে আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ)ঃ “আলিফ, লাম, মীম। রোমকগণ নিকটবর্তী ভূখণ্ডে পরাজিত হয়েছে। তাদের এই পরাজয়ের কয়েক বছরের মধ্যেই তারা আবার বিজয়ী হবে। আগের ও পরের ফাইসালা আল্লাহ তা'আলারই। সেদিন আল্লাহ তা'আলার সাহায্যে মু’মিনগণ আনন্দিত হবে। তিনি যাকে ইচ্ছা সাহায্য করেন। তিনি মহা পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু"- (সূরা আর-রূম ১-৫)। বর্ণনাকারী বলেন, পারস্য শক্তির বিরুদ্ধে রোমান শক্তির জয়ে মুসলিমরা আনন্দিত হয়েছিলেন। পরবর্তী হাদীসের সহায়তায় এ হাদীসটি সহীহ।
حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا المعتمر بن سليمان، عن أبيه، عن سليمان الأعمش، عن عطية، عن أبي سعيد، قال لما كان يوم بدر ظهرت الروم على فارس فأعجب ذلك المؤمنين فنزلت : ( الم *غلبت الروم ) إلى قوله : (يفرح المؤمنون بنصر الله ) قال ففرح المؤمنون بظهور الروم على فارس . قال هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه كذا قرأ نصر بن علي : (غلبت الروم ) .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৯৪
حدثنا محمد بن إسماعيل، حدثنا إسماعيل بن أبي أويس، حدثني ابن أبي الزناد، عن أبي الزناد، عن عروة بن الزبير، عن نيار بن مكرم الأسلمي، قال لما نزلت : ( الم * غلبت الروم * في أدنى الأرض وهم من بعد غلبهم سيغلبون * في بضع سنين ) فكانت فارس يوم نزلت هذه الآية قاهرين للروم وكان المسلمون يحبون ظهور الروم عليهم لأنهم وإياهم أهل كتاب وفي ذلك قول الله تعالى : (يومئذ يفرح المؤمنون * بنصر الله ينصر من يشاء وهو العزيز الرحيم ) فكانت قريش تحب ظهور فارس لأنهم وإياهم ليسوا بأهل كتاب ولا إيمان ببعث فلما أنزل الله تعالى هذه الآية خرج أبو بكر الصديق رضى الله عنه يصيح في نواحي مكة : ( الم * غلبت الروم * في أدنى الأرض وهم من بعد غلبهم سيغلبون * في بضع سنين ) قال ناس من قريش لأبي بكر فذلك بيننا وبينكم زعم صاحبكم أن الروم ستغلب فارسا في بضع سنين أفلا نراهنك على ذلك قال بلى . وذلك قبل تحريم الرهان فارتهن أبو بكر والمشركون وتواضعوا الرهان وقالوا لأبي بكر كم تجعل البضع ثلاث سنين إلى تسع سنين فسم بيننا وبينك وسطا تنتهي إليه . قال فسموا بينهم ست سنين قال فمضت الست سنين قبل أن يظهروا فأخذ المشركون رهن أبي بكر فلما دخلت السنة السابعة ظهرت الروم على فارس فعاب المسلمون على أبي بكر تسمية ست سنين لأن الله تعالى قال : (في بضع سنين ) قال وأسلم عند ذلك ناس كثير . قال هذا حديث صحيح حسن غريب من حديث نيار بن مكرم لا نعرفه إلا من حديث عبد الرحمن بن أبي الزناد .
নিয়ার ইবনু মুকরাম আল-আসলামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন অবতীর্ণ হলঃ (অনুবাদ) “আলিফ, লাম, মীম; রোমকরা নিকটবর্তী ভূখণ্ডে পরাজিত হয়েছে; তাদের এই পরাজয়ের পর অচিরেই কয়েক বছরের মধ্যে তারা বিজয়ী হবে", তখন পারস্য শক্তি রোমকদের উপর প্রভুত্ব করছিল। মুসলিমরা আকাঙ্ক্ষা করত যে, রোমক শক্তি পারস্য শক্তির বিরুদ্ধে বিজয়ী হোক। কেননা মুসলিমরা ছিল আহ্লে কিতাব এবং রোমান খৃষ্টানরাও ছিল আহলে কিতাব। এ বিষয়ে আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ “সেদিন আল্লাহ্র দেয়া বিজয়ে মুমিনগণ আনন্দিত হবে। তিনি যাকে ইচ্ছা সাহায্য করেন। তিনি মহা পরাক্রমশালী পরম দয়াময়।” কুরাইশরা চাইতো যে, পারস্যশক্তি বিজয়ী হোক। কেননা এ দুই গোত্রের কেউই আহলে কিতাব ছিল না, তারা আখিরাতের প্রতিও বিশ্বাসী ছিল না। আল্লাহ তা'আলা এ আয়াতগুলো অবতীর্ণ করলে আবু বাকর সিদ্দীক্ব (রাঃ) মক্কার অলিতে গলিতে ঘুরে ঘুরে উচ্চ কণ্ঠে ঘোষণা করেনঃ আলিফ, লা-ম, মী-ম। রোমান শক্তি নিকটবর্তী অঞ্চলে পরাজিত হয়েছে। তাদের এ পরাজয়ের পর অচিরেই কয়েক বছরের মধ্যে তারা বিজয়ী হবে।” কুরাইশদের একদল লোক আবু বকর (রাঃ)-কে বলল, আমাদের ও তোমাদের মাঝে একটি চুক্তি হোক। তোমার সাথী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, রোমানরা কয়েক বছরের মধ্যেই পারস্য শক্তির উপরে বিজয়ী হবে। আমরা এ বিষয়ে তোমাদের সাথে বাজি রেখে মাল বন্ধক রাখি না কেন? আবূ বাকর (রাঃ) বলেন, ঠিক আছে। বর্ণনাকারী বলেন, বাজি হারাম ঘোষিত হওয়ার পূর্বে এই চুক্তি হয়েছিল। আবূ বাকর (রাঃ) এবং মুশরিকরা বাজি ধরে বাজির মাল আলাদা করে রেখে আবু বাকর (রাঃ)-কে বলল, আপনি বিযউ-কে কত নির্ধারণ করতে চান? এ তো তিন হতে নয় বছর পর্যন্ত বুঝা যায়। আপনি আমাদের এবং আপনার মধ্যে একটি মধ্যবর্তী সময় নির্দিষ্ট করুন। আমরা উভয়ে ততক্ষণ পর্যন্ত অপেক্ষা করব। বর্ণনাকারী বলেন, তারা নিজেদের মধ্যে ছয় বছরের সময়সীমা নির্ধারণ করে। বর্ণনাকারী বলেন, ছয় বছর পার হয়ে গেলেও কিন্তু রোমানরা পারসিকদের উপর বিজয়ী হয়নি। অতএব মুশরিকরা আবু বাকর (রাঃ)-এর অর্থ নিয়ে নিল। কিন্তু সপ্তম বছরে রোমানরা পারসিকদের বিরুদ্ধে জয়লাভ করে। মুসলিমরা আবু বকর (রাঃ)-এর ছয় বছর বরাদ্ধ করাটাকে দোষারোপ করল। কেননা আল্লাহ তা'আলা "কয়েক বছরের মধ্যেই” বলেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, এ সময় (ভবিষ্যদ্বাণী সত্য হলে) অনেক মানুষ ইসলাম গ্রহণ করে। হাসানঃ যঈফাহ (৩৩৫৪) নং হাদীসের অধীনে।
নিয়ার ইবনু মুকরাম আল-আসলামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন অবতীর্ণ হলঃ (অনুবাদ) “আলিফ, লাম, মীম; রোমকরা নিকটবর্তী ভূখণ্ডে পরাজিত হয়েছে; তাদের এই পরাজয়ের পর অচিরেই কয়েক বছরের মধ্যে তারা বিজয়ী হবে", তখন পারস্য শক্তি রোমকদের উপর প্রভুত্ব করছিল। মুসলিমরা আকাঙ্ক্ষা করত যে, রোমক শক্তি পারস্য শক্তির বিরুদ্ধে বিজয়ী হোক। কেননা মুসলিমরা ছিল আহ্লে কিতাব এবং রোমান খৃষ্টানরাও ছিল আহলে কিতাব। এ বিষয়ে আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ “সেদিন আল্লাহ্র দেয়া বিজয়ে মুমিনগণ আনন্দিত হবে। তিনি যাকে ইচ্ছা সাহায্য করেন। তিনি মহা পরাক্রমশালী পরম দয়াময়।” কুরাইশরা চাইতো যে, পারস্যশক্তি বিজয়ী হোক। কেননা এ দুই গোত্রের কেউই আহলে কিতাব ছিল না, তারা আখিরাতের প্রতিও বিশ্বাসী ছিল না। আল্লাহ তা'আলা এ আয়াতগুলো অবতীর্ণ করলে আবু বাকর সিদ্দীক্ব (রাঃ) মক্কার অলিতে গলিতে ঘুরে ঘুরে উচ্চ কণ্ঠে ঘোষণা করেনঃ আলিফ, লা-ম, মী-ম। রোমান শক্তি নিকটবর্তী অঞ্চলে পরাজিত হয়েছে। তাদের এ পরাজয়ের পর অচিরেই কয়েক বছরের মধ্যে তারা বিজয়ী হবে।” কুরাইশদের একদল লোক আবু বকর (রাঃ)-কে বলল, আমাদের ও তোমাদের মাঝে একটি চুক্তি হোক। তোমার সাথী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, রোমানরা কয়েক বছরের মধ্যেই পারস্য শক্তির উপরে বিজয়ী হবে। আমরা এ বিষয়ে তোমাদের সাথে বাজি রেখে মাল বন্ধক রাখি না কেন? আবূ বাকর (রাঃ) বলেন, ঠিক আছে। বর্ণনাকারী বলেন, বাজি হারাম ঘোষিত হওয়ার পূর্বে এই চুক্তি হয়েছিল। আবূ বাকর (রাঃ) এবং মুশরিকরা বাজি ধরে বাজির মাল আলাদা করে রেখে আবু বাকর (রাঃ)-কে বলল, আপনি বিযউ-কে কত নির্ধারণ করতে চান? এ তো তিন হতে নয় বছর পর্যন্ত বুঝা যায়। আপনি আমাদের এবং আপনার মধ্যে একটি মধ্যবর্তী সময় নির্দিষ্ট করুন। আমরা উভয়ে ততক্ষণ পর্যন্ত অপেক্ষা করব। বর্ণনাকারী বলেন, তারা নিজেদের মধ্যে ছয় বছরের সময়সীমা নির্ধারণ করে। বর্ণনাকারী বলেন, ছয় বছর পার হয়ে গেলেও কিন্তু রোমানরা পারসিকদের উপর বিজয়ী হয়নি। অতএব মুশরিকরা আবু বাকর (রাঃ)-এর অর্থ নিয়ে নিল। কিন্তু সপ্তম বছরে রোমানরা পারসিকদের বিরুদ্ধে জয়লাভ করে। মুসলিমরা আবু বকর (রাঃ)-এর ছয় বছর বরাদ্ধ করাটাকে দোষারোপ করল। কেননা আল্লাহ তা'আলা "কয়েক বছরের মধ্যেই” বলেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, এ সময় (ভবিষ্যদ্বাণী সত্য হলে) অনেক মানুষ ইসলাম গ্রহণ করে। হাসানঃ যঈফাহ (৩৩৫৪) নং হাদীসের অধীনে।
حدثنا محمد بن إسماعيل، حدثنا إسماعيل بن أبي أويس، حدثني ابن أبي الزناد، عن أبي الزناد، عن عروة بن الزبير، عن نيار بن مكرم الأسلمي، قال لما نزلت : ( الم * غلبت الروم * في أدنى الأرض وهم من بعد غلبهم سيغلبون * في بضع سنين ) فكانت فارس يوم نزلت هذه الآية قاهرين للروم وكان المسلمون يحبون ظهور الروم عليهم لأنهم وإياهم أهل كتاب وفي ذلك قول الله تعالى : (يومئذ يفرح المؤمنون * بنصر الله ينصر من يشاء وهو العزيز الرحيم ) فكانت قريش تحب ظهور فارس لأنهم وإياهم ليسوا بأهل كتاب ولا إيمان ببعث فلما أنزل الله تعالى هذه الآية خرج أبو بكر الصديق رضى الله عنه يصيح في نواحي مكة : ( الم * غلبت الروم * في أدنى الأرض وهم من بعد غلبهم سيغلبون * في بضع سنين ) قال ناس من قريش لأبي بكر فذلك بيننا وبينكم زعم صاحبكم أن الروم ستغلب فارسا في بضع سنين أفلا نراهنك على ذلك قال بلى . وذلك قبل تحريم الرهان فارتهن أبو بكر والمشركون وتواضعوا الرهان وقالوا لأبي بكر كم تجعل البضع ثلاث سنين إلى تسع سنين فسم بيننا وبينك وسطا تنتهي إليه . قال فسموا بينهم ست سنين قال فمضت الست سنين قبل أن يظهروا فأخذ المشركون رهن أبي بكر فلما دخلت السنة السابعة ظهرت الروم على فارس فعاب المسلمون على أبي بكر تسمية ست سنين لأن الله تعالى قال : (في بضع سنين ) قال وأسلم عند ذلك ناس كثير . قال هذا حديث صحيح حسن غريب من حديث نيار بن مكرم لا نعرفه إلا من حديث عبد الرحمن بن أبي الزناد .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৯৩
حدثنا الحسين بن حريث، حدثنا معاوية بن عمرو، عن أبي إسحاق الفزاري، عن سفيان الثوري، عن حبيب بن أبي عمرة، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، في قول الله تعالى : ( الم * غلبت الروم * في أدنى الأرض ) قال غلبت وغلبت كان المشركون يحبون أن يظهر أهل فارس على الروم لأنهم وإياهم أهل أوثان وكان المسلمون يحبون أن يظهر الروم على فارس لأنهم أهل كتاب فذكروه لأبي بكر فذكره أبو بكر لرسول الله صلى الله عليه وسلم قال " أما إنهم سيغلبون " . فذكره أبو بكر لهم فقالوا اجعل بيننا وبينك أجلا فإن ظهرنا كان لنا كذا وكذا وإن ظهرتم كان لكم كذا وكذا فجعل أجل خمس سنين فلم يظهروا فذكروا ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال " ألا جعلته إلى دون - قال أراه العشر " . قال سعيد والبضع ما دون العشر قال ثم ظهرت الروم بعد . قال فذلك قوله تعالى : ( الم * غلبت الروم ) إلى قوله : (يفرح المؤمنون * بنصر الله ينصر من يشاء ) قال سفيان سمعت أنهم ظهروا عليهم يوم بدر . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب إنما نعرفه من حديث سفيان الثوري عن حبيب بن أبي عمرة .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ তা'আলার বাণীঃ (অনুবাদ) আলিফ, লাম, মীম। রোমকগণ নিকটবর্তী ভূখণ্ডে পরাজিত হয়েছে” এ আয়াত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এতে দুই রকমের ক্বিরাআত আছে, “গুলিবাত” (পরাজিত হল) এবং “গালাবাত” (বিজয়ী হল)। তিনি আরো বলেন, মুশরিকরা চাইত যে, পারস্য শক্তি রোমান শক্তির উপরে জয়ী হোক। কেননা (মক্কার) মুশরিকরা এবং পারস্যের অধিবাসীরা উভয়ে ছিল পৌত্তলিক। আর মুসলিমরা আকাঙ্ক্ষা করত যে, রোমান শক্তি পারস্য শক্তির বিরুদ্ধে বিজয়ী হোক। কেননা তারা ছিল আহলে কিতাব। তারা ব্যাপারটি আবু বাকর (রাঃ)-এর সামনে উল্লেখ করলে তিনি তা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জানান। তিনি বললেনঃ অচিরেই রোমান শক্তি পারস্য শক্তির উপরে বিজয়ী হবে। আবু বাকর (রাঃ) এ কথা তাদের নিকট উল্লেখ করলে তারা বলল, আপনি আমাদের ও আপনার মাঝে এর একটি সময়সীমা নির্দিষ্ট করুন। এ সময়সীমার মধ্যে আমরা যদি বিজয়ী হই তবে (এত এত মাল আমাদেরকে) দিতে হবে। আর যদি আপনারা বিজয়ী হন তবে আমরা আপনাদেরকে এই এই (পরিমাণ মাল) দিব। তিনি পাঁচ বছরের সময়সীমা নির্দিষ্ট করেন। কিন্তু এ সময়ের মধ্যে কোন বিজয় সূচিত হল না। লোকেরা তা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উল্লেখ করলে তিনি বললেনঃ (হে আবূ বাকর!), তুমি কেন আর কিছু বেশি সময়সীমা ধার্য করলে না? বর্ণনাকারী বলেন, আমার মনে হয় তিনি দশ বছরের কাছাকাছি সময়ের কথা বলেছেন। সাঈদ (রহঃ) বলেন, ‘বিযউ’ শব্দের অর্থ দশের চেয়ে কম। বর্ণনাকারী বলেন, পরবর্তীকালে রোমান শক্তি বিজয়ী হল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এটাই আল্লাহ তা'আলার বাণীঃ “আলিফ, লাম, মীম...ইয়াফরাহুল মুমিনুন বিনাসরিল্লাহ" এর তাৎপর্য। সুফইয়ান বলেন, আমি শুনেছি, রোমান শক্তি ঠিক বদরের যুদ্ধের দিন পারস্য শক্তির উপরে বিজয়ী হয়। সহীহঃ যঈফাহ (২২৫৪) নং হাদীসের অধীনে।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ তা'আলার বাণীঃ (অনুবাদ) আলিফ, লাম, মীম। রোমকগণ নিকটবর্তী ভূখণ্ডে পরাজিত হয়েছে” এ আয়াত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এতে দুই রকমের ক্বিরাআত আছে, “গুলিবাত” (পরাজিত হল) এবং “গালাবাত” (বিজয়ী হল)। তিনি আরো বলেন, মুশরিকরা চাইত যে, পারস্য শক্তি রোমান শক্তির উপরে জয়ী হোক। কেননা (মক্কার) মুশরিকরা এবং পারস্যের অধিবাসীরা উভয়ে ছিল পৌত্তলিক। আর মুসলিমরা আকাঙ্ক্ষা করত যে, রোমান শক্তি পারস্য শক্তির বিরুদ্ধে বিজয়ী হোক। কেননা তারা ছিল আহলে কিতাব। তারা ব্যাপারটি আবু বাকর (রাঃ)-এর সামনে উল্লেখ করলে তিনি তা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জানান। তিনি বললেনঃ অচিরেই রোমান শক্তি পারস্য শক্তির উপরে বিজয়ী হবে। আবু বাকর (রাঃ) এ কথা তাদের নিকট উল্লেখ করলে তারা বলল, আপনি আমাদের ও আপনার মাঝে এর একটি সময়সীমা নির্দিষ্ট করুন। এ সময়সীমার মধ্যে আমরা যদি বিজয়ী হই তবে (এত এত মাল আমাদেরকে) দিতে হবে। আর যদি আপনারা বিজয়ী হন তবে আমরা আপনাদেরকে এই এই (পরিমাণ মাল) দিব। তিনি পাঁচ বছরের সময়সীমা নির্দিষ্ট করেন। কিন্তু এ সময়ের মধ্যে কোন বিজয় সূচিত হল না। লোকেরা তা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উল্লেখ করলে তিনি বললেনঃ (হে আবূ বাকর!), তুমি কেন আর কিছু বেশি সময়সীমা ধার্য করলে না? বর্ণনাকারী বলেন, আমার মনে হয় তিনি দশ বছরের কাছাকাছি সময়ের কথা বলেছেন। সাঈদ (রহঃ) বলেন, ‘বিযউ’ শব্দের অর্থ দশের চেয়ে কম। বর্ণনাকারী বলেন, পরবর্তীকালে রোমান শক্তি বিজয়ী হল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এটাই আল্লাহ তা'আলার বাণীঃ “আলিফ, লাম, মীম...ইয়াফরাহুল মুমিনুন বিনাসরিল্লাহ" এর তাৎপর্য। সুফইয়ান বলেন, আমি শুনেছি, রোমান শক্তি ঠিক বদরের যুদ্ধের দিন পারস্য শক্তির উপরে বিজয়ী হয়। সহীহঃ যঈফাহ (২২৫৪) নং হাদীসের অধীনে।
حدثنا الحسين بن حريث، حدثنا معاوية بن عمرو، عن أبي إسحاق الفزاري، عن سفيان الثوري، عن حبيب بن أبي عمرة، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، في قول الله تعالى : ( الم * غلبت الروم * في أدنى الأرض ) قال غلبت وغلبت كان المشركون يحبون أن يظهر أهل فارس على الروم لأنهم وإياهم أهل أوثان وكان المسلمون يحبون أن يظهر الروم على فارس لأنهم أهل كتاب فذكروه لأبي بكر فذكره أبو بكر لرسول الله صلى الله عليه وسلم قال " أما إنهم سيغلبون " . فذكره أبو بكر لهم فقالوا اجعل بيننا وبينك أجلا فإن ظهرنا كان لنا كذا وكذا وإن ظهرتم كان لكم كذا وكذا فجعل أجل خمس سنين فلم يظهروا فذكروا ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال " ألا جعلته إلى دون - قال أراه العشر " . قال سعيد والبضع ما دون العشر قال ثم ظهرت الروم بعد . قال فذلك قوله تعالى : ( الم * غلبت الروم ) إلى قوله : (يفرح المؤمنون * بنصر الله ينصر من يشاء ) قال سفيان سمعت أنهم ظهروا عليهم يوم بدر . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب إنما نعرفه من حديث سفيان الثوري عن حبيب بن أبي عمرة .
জামে' আত-তিরমিজি > সূরা লুক্বমান
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৯৫
حدثنا قتيبة، حدثنا بكر بن مضر، عن عبيد الله بن زحر، عن علي بن يزيد، عن القاسم بن عبد الرحمن، وهو عبد الرحمن مولى عبد الرحمن عن أبي أمامة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا تبيعوا القينات ولا تشتروهن ولا تعلموهن ولا خير في تجارة فيهن وثمنهن حرام " . في مثل ذلك أنزلت عليه هذه الآية : (ومن الناس من يشتري لهو الحديث ليضل عن سبيل الله ) إلى آخر الآية . قال أبو عيسى هذا حديث غريب إنما يروى من حديث القاسم عن أبي أمامة . والقاسم ثقة وعلي بن يزيد يضعف في الحديث قال سمعت محمد بن إسماعيل يقول القاسم ثقة وعلي بن يزيد يضعف .
আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা গায়িকা নারীদের ক্রয়-বিক্রয় করো না, তাদেরকে গান-বাজনা শিক্ষা দিও না, তাদের (ব্যবসায়িক পণ্য হিসেবে ব্যবহার করা) ব্যবসায়ের মধ্যে কোন মঙ্গল নেই এবং এদের মূল্যও হারাম। এ প্রসঙ্গেই এই আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ)ঃ “এমনও কিছু লোক আছে, যারা বাতিল অশ্লীল কাহিনীসমূহ ক্রয় করে আনে, যেন লোকদেরকে অজ্ঞতাবশত আল্লাহ তা'আলার পথ হতে আলাদা করতে পারে এবং এ পথকে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করতে পারে। এ ব্যক্তিদের জন্য রয়েছে অপমানকর আযাব"- (সূরা লুকমান ৬)। হাসানঃ (১২৮২) নং হাদীস পূর্বে উল্লেখ হয়েছে।
আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা গায়িকা নারীদের ক্রয়-বিক্রয় করো না, তাদেরকে গান-বাজনা শিক্ষা দিও না, তাদের (ব্যবসায়িক পণ্য হিসেবে ব্যবহার করা) ব্যবসায়ের মধ্যে কোন মঙ্গল নেই এবং এদের মূল্যও হারাম। এ প্রসঙ্গেই এই আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ)ঃ “এমনও কিছু লোক আছে, যারা বাতিল অশ্লীল কাহিনীসমূহ ক্রয় করে আনে, যেন লোকদেরকে অজ্ঞতাবশত আল্লাহ তা'আলার পথ হতে আলাদা করতে পারে এবং এ পথকে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করতে পারে। এ ব্যক্তিদের জন্য রয়েছে অপমানকর আযাব"- (সূরা লুকমান ৬)। হাসানঃ (১২৮২) নং হাদীস পূর্বে উল্লেখ হয়েছে।
حدثنا قتيبة، حدثنا بكر بن مضر، عن عبيد الله بن زحر، عن علي بن يزيد، عن القاسم بن عبد الرحمن، وهو عبد الرحمن مولى عبد الرحمن عن أبي أمامة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا تبيعوا القينات ولا تشتروهن ولا تعلموهن ولا خير في تجارة فيهن وثمنهن حرام " . في مثل ذلك أنزلت عليه هذه الآية : (ومن الناس من يشتري لهو الحديث ليضل عن سبيل الله ) إلى آخر الآية . قال أبو عيسى هذا حديث غريب إنما يروى من حديث القاسم عن أبي أمامة . والقاسم ثقة وعلي بن يزيد يضعف في الحديث قال سمعت محمد بن إسماعيل يقول القاسم ثقة وعلي بن يزيد يضعف .
জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আস-সাজদাহ
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৯৬
حدثنا عبد الله بن أبي زياد، حدثنا عبد العزيز بن عبد الله الأويسي، عن سليمان بن بلال، عن يحيى بن سعيد، عن أنس بن مالك، أن هذه الآية : ( تتجافى، جنوبهم عن المضاجع، ) نزلت في انتظار هذه الصلاة التي تدعى العتمة . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب لا نعرفه إلا من هذا الوجه .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
“তাদের দেহপাশ বিছানা হতে আলগা হয়ে যায়..."— (সূরা সাজদাহ ১৬) আয়াতটি ‘আতামার (ইশার) নামাযের জন্য অপেক্ষা করার ফাযীলাত প্রসঙ্গে অবতীর্ণ হয়েছে। সহীহ তা’লীকুর রাগীব (১/১৬০)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
“তাদের দেহপাশ বিছানা হতে আলগা হয়ে যায়..."— (সূরা সাজদাহ ১৬) আয়াতটি ‘আতামার (ইশার) নামাযের জন্য অপেক্ষা করার ফাযীলাত প্রসঙ্গে অবতীর্ণ হয়েছে। সহীহ তা’লীকুর রাগীব (১/১৬০)
حدثنا عبد الله بن أبي زياد، حدثنا عبد العزيز بن عبد الله الأويسي، عن سليمان بن بلال، عن يحيى بن سعيد، عن أنس بن مالك، أن هذه الآية : ( تتجافى، جنوبهم عن المضاجع، ) نزلت في انتظار هذه الصلاة التي تدعى العتمة . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب لا نعرفه إلا من هذا الوجه .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৯৭
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم قال " قال الله تعالى أعددت لعبادي الصالحين ما لا عين رأت ولا أذن سمعت ولا خطر على قلب بشر وتصديق ذلك في كتاب الله عز وجل : ( فلا تعلم نفس ما أخفي لهم من قرة أعين جزاء بما كانوا يعملون ) " . قال هذا حديث حسن صحيح .
আবু হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ আমি আমার নেক বান্দাদের জন্য এমন কিছু তৈরি করে রেখেছি, যা কোন চোখ কখনো দেখেনি, কোন কান (এর বর্ণনা) কখনো শুনেনি এবং মানুষের অন্তর তা কল্পনাও করতে পারবে না। এর সত্যতা আল্লাহ তা'আলার কিতাবেই বিদ্যমানঃ “তাদের ভাল কাজের ফল স্বরূপ তাদের চক্ষু শীতলকারী কী লুকায়িত রাখা হয়েছে তা কেউই জানে না"- (সূরা সাজদাহ্ ১৭)। সহীহঃ রাওযুন নাযীর (১১০৬), বুখারী (৪৭৭৯), মুসলিম।
আবু হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ আমি আমার নেক বান্দাদের জন্য এমন কিছু তৈরি করে রেখেছি, যা কোন চোখ কখনো দেখেনি, কোন কান (এর বর্ণনা) কখনো শুনেনি এবং মানুষের অন্তর তা কল্পনাও করতে পারবে না। এর সত্যতা আল্লাহ তা'আলার কিতাবেই বিদ্যমানঃ “তাদের ভাল কাজের ফল স্বরূপ তাদের চক্ষু শীতলকারী কী লুকায়িত রাখা হয়েছে তা কেউই জানে না"- (সূরা সাজদাহ্ ১৭)। সহীহঃ রাওযুন নাযীর (১১০৬), বুখারী (৪৭৭৯), মুসলিম।
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم قال " قال الله تعالى أعددت لعبادي الصالحين ما لا عين رأت ولا أذن سمعت ولا خطر على قلب بشر وتصديق ذلك في كتاب الله عز وجل : ( فلا تعلم نفس ما أخفي لهم من قرة أعين جزاء بما كانوا يعملون ) " . قال هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৯৮
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن مطرف بن طريف، وعبد الملك، وهو ابن أبجر سمعا الشعبي، يقول سمعت المغيرة بن شعبة، على المنبر يرفعه إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إن موسى عليه السلام سأل ربه فقال أى رب أى أهل الجنة أدنى منزلة قال رجل يأتي بعد ما يدخل أهل الجنة الجنة فيقال له ادخل الجنة . فيقول كيف أدخل وقد نزلوا منازلهم وأخذوا أخذاتهم . قال فيقال له أترضى أن يكون لك ما كان لملك من ملوك الدنيا فيقول نعم أى رب قد رضيت . فيقال له فإن لك هذا ومثله ومثله ومثله فيقول رضيت أى رب . فيقال له فإن لك هذا وعشرة أمثاله فيقول رضيت أى رب . فيقال له فإن لك مع هذا ما اشتهت نفسك ولذت عينك " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وروى بعضهم هذا الحديث عن الشعبي عن المغيرة ولم يرفعه والمرفوع أصح .
মুগীরাহ ইবনু শুবাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মিম্বারে দাড়িয়ে বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মূসা (আঃ) নিজ সৃষ্টিকর্তার নিকট আরজ করলেনঃ হে প্রভু! সর্বাপেক্ষা নিম্ন শ্রেণীর জান্নাতী কে? তিনি (আল্লাহ) বললেনঃ জান্নাতবাসীরা জান্নাতে চলে যাওয়ার পর এক লোক উপস্থিত হবে। তাকে বলা হবে, প্রবেশ কর। সে বলবে, আমি কি করে জান্নাতে প্রবেশ করব, লোকেরা তো নিজ নিজ স্থানে পৌছে তা দখল করে নিয়েছে! তখন তাকে বলা হবে, দুনিয়ার বাদশাদের মধ্যে একজন বাদশার যত বড় রাজত্ব হতে পারে, তোমাকে যদি ততটুকু দেয়া হয় তবে তুমি কি খুশি হবে? সে বলবে, হে প্ৰভু! হ্যাঁ আমি তাতে খুশি হব। তাকে বলা হবে, তোমাকে এ পরিমাণ এবং এর অতিরিক্ত তিন গুণ স্থান দেয়া হল। সে বলবে, হে প্ৰভু! আমি এতে খুশি আছি। তাকে বলা হবে, তোমাকে এই পরিমাণ দেয়া হল এবং তার দশ গুণ দেয়া হল। সে বলবে, হে প্ৰভু! আমি সন্তুষ্ট হলাম। তাকে বলা হবে, এ ব্যতীতও তোমার আত্মা যা কামনা করবে এবং তোমার চোখ যা পেয়ে শীতল হবে তাও তোমাকে দেয়া হবে। সহীহঃ মুসলিম (৬/৪৫-৪৬)
মুগীরাহ ইবনু শুবাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মিম্বারে দাড়িয়ে বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মূসা (আঃ) নিজ সৃষ্টিকর্তার নিকট আরজ করলেনঃ হে প্রভু! সর্বাপেক্ষা নিম্ন শ্রেণীর জান্নাতী কে? তিনি (আল্লাহ) বললেনঃ জান্নাতবাসীরা জান্নাতে চলে যাওয়ার পর এক লোক উপস্থিত হবে। তাকে বলা হবে, প্রবেশ কর। সে বলবে, আমি কি করে জান্নাতে প্রবেশ করব, লোকেরা তো নিজ নিজ স্থানে পৌছে তা দখল করে নিয়েছে! তখন তাকে বলা হবে, দুনিয়ার বাদশাদের মধ্যে একজন বাদশার যত বড় রাজত্ব হতে পারে, তোমাকে যদি ততটুকু দেয়া হয় তবে তুমি কি খুশি হবে? সে বলবে, হে প্ৰভু! হ্যাঁ আমি তাতে খুশি হব। তাকে বলা হবে, তোমাকে এ পরিমাণ এবং এর অতিরিক্ত তিন গুণ স্থান দেয়া হল। সে বলবে, হে প্ৰভু! আমি এতে খুশি আছি। তাকে বলা হবে, তোমাকে এই পরিমাণ দেয়া হল এবং তার দশ গুণ দেয়া হল। সে বলবে, হে প্ৰভু! আমি সন্তুষ্ট হলাম। তাকে বলা হবে, এ ব্যতীতও তোমার আত্মা যা কামনা করবে এবং তোমার চোখ যা পেয়ে শীতল হবে তাও তোমাকে দেয়া হবে। সহীহঃ মুসলিম (৬/৪৫-৪৬)
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن مطرف بن طريف، وعبد الملك، وهو ابن أبجر سمعا الشعبي، يقول سمعت المغيرة بن شعبة، على المنبر يرفعه إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إن موسى عليه السلام سأل ربه فقال أى رب أى أهل الجنة أدنى منزلة قال رجل يأتي بعد ما يدخل أهل الجنة الجنة فيقال له ادخل الجنة . فيقول كيف أدخل وقد نزلوا منازلهم وأخذوا أخذاتهم . قال فيقال له أترضى أن يكون لك ما كان لملك من ملوك الدنيا فيقول نعم أى رب قد رضيت . فيقال له فإن لك هذا ومثله ومثله ومثله فيقول رضيت أى رب . فيقال له فإن لك هذا وعشرة أمثاله فيقول رضيت أى رب . فيقال له فإن لك مع هذا ما اشتهت نفسك ولذت عينك " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وروى بعضهم هذا الحديث عن الشعبي عن المغيرة ولم يرفعه والمرفوع أصح .
জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আল-আহযাব
জামে' আত-তিরমিজি ৩২০২
حدثنا عبد القدوس بن محمد العطار البصري، حدثنا عمرو بن عاصم، عن إسحاق بن يحيى بن طلحة، عن موسى بن طلحة، قال دخلت على معاوية فقال ألا أبشرك قلت بلى . قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " طلحة ممن قضى نحبه " . قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه من حديث معاوية إلا من هذا الوجه وإنما روي عن موسى بن طلحة عن أبيه .
মূসা ইবনু ত্বালহা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি মু'আবিয়াহ (রাঃ)-এর নিকট প্রবেশ করলে তিনি বললেন, আমি কি তোমাকে একটি সুসংবাদ শুনাব না? আমি বললাম, হ্যা অবশ্যই। তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যারা নিজেদের ইচ্ছা পূর্ণ করেছে, ত্বালহা (রাঃ) তাদের দলে। হাসানঃ ইবনু মা-জাহ (১২৬)
মূসা ইবনু ত্বালহা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি মু'আবিয়াহ (রাঃ)-এর নিকট প্রবেশ করলে তিনি বললেন, আমি কি তোমাকে একটি সুসংবাদ শুনাব না? আমি বললাম, হ্যা অবশ্যই। তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যারা নিজেদের ইচ্ছা পূর্ণ করেছে, ত্বালহা (রাঃ) তাদের দলে। হাসানঃ ইবনু মা-জাহ (১২৬)
حدثنا عبد القدوس بن محمد العطار البصري، حدثنا عمرو بن عاصم، عن إسحاق بن يحيى بن طلحة، عن موسى بن طلحة، قال دخلت على معاوية فقال ألا أبشرك قلت بلى . قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " طلحة ممن قضى نحبه " . قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه من حديث معاوية إلا من هذا الوجه وإنما روي عن موسى بن طلحة عن أبيه .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২০৪
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عثمان بن عمر، عن يونس بن يزيد، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن عائشة، رضى الله عنها قالت لما أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بتخيير أزواجه بدأ بي فقال " يا عائشة إني ذاكر لك أمرا فلا عليك أن لا تستعجلي حتى تستأمري أبويك " . قالت وقد علم أن أبواى لم يكونا ليأمراني بفراقه قالت ثم قال " إن الله تعالى يقول: ( يا أيها النبي قل لأزواجك إن كنتن تردن الحياة الدنيا وزينتها فتعالين ) حتى بلغ : ( للمحسنات منكن أجرا عظيما ) فقلت في أى هذا أستأمر أبوى فإني أريد الله ورسوله والدار الآخرة وفعل أزواج النبي صلى الله عليه وسلم مثل ما فعلت . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وقد روي هذا أيضا عن الزهري عن عروة عن عائشة رضى الله عنها .
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে তার সহধর্মিণীগনকে (তার স্ত্রীত্বে থাকার বা পার্থিব ভোগবিলাস প্রহন করার) এখতিয়ার দেয়ার নির্দেশ দেয়া হলে তিনি প্রথমে আমাকেই প্রশ্ন করেন। তিনি বলেন, হে আয়িশাহ! তোমাকে একটি কথা বলতে চাচ্ছি। তুমি ধীরস্থীরভাবে উত্তর দিবে, তাড়াহুড়া করবে না এবং প্রয়োজনে তোমার বাবা মার সাথেও শলা পরামর্শ করবে। আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, তিনি ভালো করেই জানতেন যে, আমার পিতামাতা কখনো আমাকে তাঁর হতে পৃথক হওয়ার অনুমতি দিবেন না। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, তারপর তিনি বললেন যে, আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ “হে নবী! তোমার স্ত্রীদের বল, তোমরা যদি পার্থিব জীবন ও তার চাকচিক্য কামনা কর তবে এসো, আমি তোমাদের কিছু ভোগসামগ্রী দিয়ে ভদ্রভাবে বিদায় করে দেই। আর যদি তোমরা আল্লাহ, তাঁর রাসুল ও আখিরাতের সুখ স্বাচ্ছন্দ লাভ করতে চাও, তবে তোমাদের ভিতর যারা সৎকর্মশীল তাদের জন্য আল্লাহ তায়ালা মহান পুরস্কার প্রস্তুত করে রেখেছেন” – (সূরা আহযাব ২৮-২৯)। আমি বললাম, আমি কী বিষয়ে আমার পিতা মাতার সাথে পরামর্শ করব! আমি তো আল্লাহ, তাঁর রাসুল ও আখিরাতের জীবনই কামনা করি। আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমি যে উত্তর দিয়েছি, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর অপর স্ত্রীগণও একই রকম উত্তর দেন। সহিহঃ বুখারি (৪৭৮৬), মুসলিম।
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে তার সহধর্মিণীগনকে (তার স্ত্রীত্বে থাকার বা পার্থিব ভোগবিলাস প্রহন করার) এখতিয়ার দেয়ার নির্দেশ দেয়া হলে তিনি প্রথমে আমাকেই প্রশ্ন করেন। তিনি বলেন, হে আয়িশাহ! তোমাকে একটি কথা বলতে চাচ্ছি। তুমি ধীরস্থীরভাবে উত্তর দিবে, তাড়াহুড়া করবে না এবং প্রয়োজনে তোমার বাবা মার সাথেও শলা পরামর্শ করবে। আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, তিনি ভালো করেই জানতেন যে, আমার পিতামাতা কখনো আমাকে তাঁর হতে পৃথক হওয়ার অনুমতি দিবেন না। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, তারপর তিনি বললেন যে, আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ “হে নবী! তোমার স্ত্রীদের বল, তোমরা যদি পার্থিব জীবন ও তার চাকচিক্য কামনা কর তবে এসো, আমি তোমাদের কিছু ভোগসামগ্রী দিয়ে ভদ্রভাবে বিদায় করে দেই। আর যদি তোমরা আল্লাহ, তাঁর রাসুল ও আখিরাতের সুখ স্বাচ্ছন্দ লাভ করতে চাও, তবে তোমাদের ভিতর যারা সৎকর্মশীল তাদের জন্য আল্লাহ তায়ালা মহান পুরস্কার প্রস্তুত করে রেখেছেন” – (সূরা আহযাব ২৮-২৯)। আমি বললাম, আমি কী বিষয়ে আমার পিতা মাতার সাথে পরামর্শ করব! আমি তো আল্লাহ, তাঁর রাসুল ও আখিরাতের জীবনই কামনা করি। আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমি যে উত্তর দিয়েছি, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর অপর স্ত্রীগণও একই রকম উত্তর দেন। সহিহঃ বুখারি (৪৭৮৬), মুসলিম।
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عثمان بن عمر، عن يونس بن يزيد، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن عائشة، رضى الله عنها قالت لما أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بتخيير أزواجه بدأ بي فقال " يا عائشة إني ذاكر لك أمرا فلا عليك أن لا تستعجلي حتى تستأمري أبويك " . قالت وقد علم أن أبواى لم يكونا ليأمراني بفراقه قالت ثم قال " إن الله تعالى يقول: ( يا أيها النبي قل لأزواجك إن كنتن تردن الحياة الدنيا وزينتها فتعالين ) حتى بلغ : ( للمحسنات منكن أجرا عظيما ) فقلت في أى هذا أستأمر أبوى فإني أريد الله ورسوله والدار الآخرة وفعل أزواج النبي صلى الله عليه وسلم مثل ما فعلت . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وقد روي هذا أيضا عن الزهري عن عروة عن عائشة رضى الله عنها .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২০০
حدثنا أحمد بن محمد، حدثنا عبد الله بن المبارك، أخبرنا سليمان بن المغيرة، عن ثابت، عن أنس، قال قال عمي أنس بن النضر سميت به لم يشهد بدرا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فكبر عليه فقال أول مشهد شهده رسول الله صلى الله عليه وسلم غبت عنه أما والله لئن أراني الله مشهدا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ليرين الله ما أصنع . قال فهاب أن يقول غيرها فشهد مع رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم أحد من العام القابل فاستقبله سعد بن معاذ فقال يا أبا عمرو أين قال واها لريح الجنة أجدها دون أحد فقاتل حتى قتل فوجد في جسده بضع وثمانون من بين ضربة وطعنة ورمية فقالت عمتي الربيع بنت النضر فما عرفت أخي إلا ببنانه . ونزلت هذه الآية : (رجال صدقوا ما عاهدوا الله عليه فمنهم من قضى نحبه ومنهم من ينتظر وما بدلوا تبديلا ) . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার চাচা আনাস ইবনু নাযর- যার নামানুসারে আমার নাম রাখা হয়েছে- বলেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে পারেননি। ব্যাপারটি তার নিকট অসহনীয় লাগছিল। তিনি বলেন, মুশরিকদের সাথে প্রথম যে যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপস্থিত ছিলেন আমি তাতে অনুপস্থিত রইলাম। আল্লাহর কসম! যদি তিনি আমাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে কোন যুদ্ধে অংশগ্রহণ করার সুযোগ দেন তবে আল্লাহ তা'আলা অবশ্যই দেখবেন আমি কি করি। এ কথা বলার সাথে সাথে তার ভয় হল যে, তিনি বিপরীতের কিছু বলেন কি না। পরবর্তী বছর তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে উহুদের যুদ্ধে শরীক হন। উহুদে যেতে পথিমধ্যে সা’দ ইবনু মুআয (রাঃ)-এর সাথে তার দেখা হয়। তিনি প্রশ্ন করেন, হে আবু আমর! কোথায় যাচ্ছ? তিনি বললেন, আহা! জান্নাতের ঘ্রাণের দিকে। আমি উহুদের দিকে তা অনুভব করছি। (বর্ণনাকারী বলেন), তিনি যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হন। তার শরীরে আশিরও বেশি জখম ছিল। এর মধ্যে কিছু ছিল তরবারির আঘাত, কিছু বর্শার আঘাত এবং কিছু তীরের আঘাত। আমার ফুফু রুবাই বিনতু নাযর (রাঃ) বলেন, জখমের কারণে আমি আমার ভাইকে চিনতে পারছিলাম না। শুধু তার আঙ্গুলের গোছা দেখেই তাকে চিনতে পেরেছি। তার সম্পর্কেই এ আয়াত অবতীর্ণ হল (অনুবাদ)ঃ “ঈমানদার ব্যক্তিদের মধ্যে কিছু লোক আল্লাহ তা'আলার সাথে তাদের কৃত ওয়াদা পূর্ণ করেছে, তাদের কেউ কেউ নিজের ইচ্ছা পূর্ণ করেছে (শহীদ হয়েছে) এবং কেউ অপেক্ষায় রয়েছে। তারা নিজেদের অঙ্গীকারে কোন পরিবর্তন করেনি"- (সূরা আহ্যাব ২৩)। সহীহঃ মুসলিম (৬/৪৫-৪৬)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার চাচা আনাস ইবনু নাযর- যার নামানুসারে আমার নাম রাখা হয়েছে- বলেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে পারেননি। ব্যাপারটি তার নিকট অসহনীয় লাগছিল। তিনি বলেন, মুশরিকদের সাথে প্রথম যে যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপস্থিত ছিলেন আমি তাতে অনুপস্থিত রইলাম। আল্লাহর কসম! যদি তিনি আমাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে কোন যুদ্ধে অংশগ্রহণ করার সুযোগ দেন তবে আল্লাহ তা'আলা অবশ্যই দেখবেন আমি কি করি। এ কথা বলার সাথে সাথে তার ভয় হল যে, তিনি বিপরীতের কিছু বলেন কি না। পরবর্তী বছর তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে উহুদের যুদ্ধে শরীক হন। উহুদে যেতে পথিমধ্যে সা’দ ইবনু মুআয (রাঃ)-এর সাথে তার দেখা হয়। তিনি প্রশ্ন করেন, হে আবু আমর! কোথায় যাচ্ছ? তিনি বললেন, আহা! জান্নাতের ঘ্রাণের দিকে। আমি উহুদের দিকে তা অনুভব করছি। (বর্ণনাকারী বলেন), তিনি যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হন। তার শরীরে আশিরও বেশি জখম ছিল। এর মধ্যে কিছু ছিল তরবারির আঘাত, কিছু বর্শার আঘাত এবং কিছু তীরের আঘাত। আমার ফুফু রুবাই বিনতু নাযর (রাঃ) বলেন, জখমের কারণে আমি আমার ভাইকে চিনতে পারছিলাম না। শুধু তার আঙ্গুলের গোছা দেখেই তাকে চিনতে পেরেছি। তার সম্পর্কেই এ আয়াত অবতীর্ণ হল (অনুবাদ)ঃ “ঈমানদার ব্যক্তিদের মধ্যে কিছু লোক আল্লাহ তা'আলার সাথে তাদের কৃত ওয়াদা পূর্ণ করেছে, তাদের কেউ কেউ নিজের ইচ্ছা পূর্ণ করেছে (শহীদ হয়েছে) এবং কেউ অপেক্ষায় রয়েছে। তারা নিজেদের অঙ্গীকারে কোন পরিবর্তন করেনি"- (সূরা আহ্যাব ২৩)। সহীহঃ মুসলিম (৬/৪৫-৪৬)
حدثنا أحمد بن محمد، حدثنا عبد الله بن المبارك، أخبرنا سليمان بن المغيرة، عن ثابت، عن أنس، قال قال عمي أنس بن النضر سميت به لم يشهد بدرا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فكبر عليه فقال أول مشهد شهده رسول الله صلى الله عليه وسلم غبت عنه أما والله لئن أراني الله مشهدا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ليرين الله ما أصنع . قال فهاب أن يقول غيرها فشهد مع رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم أحد من العام القابل فاستقبله سعد بن معاذ فقال يا أبا عمرو أين قال واها لريح الجنة أجدها دون أحد فقاتل حتى قتل فوجد في جسده بضع وثمانون من بين ضربة وطعنة ورمية فقالت عمتي الربيع بنت النضر فما عرفت أخي إلا ببنانه . ونزلت هذه الآية : (رجال صدقوا ما عاهدوا الله عليه فمنهم من قضى نحبه ومنهم من ينتظر وما بدلوا تبديلا ) . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২০৫
حدثنا قتيبة، حدثنا محمد بن سليمان بن الأصبهاني، عن يحيى بن عبيد، عن عطاء بن أبي رباح، عن عمر بن أبي سلمة، ربيب النبي صلى الله عليه وسلم قال لما نزلت هذه الآية على النبي صلى الله عليه وسلم : ( إنما يريد الله ليذهب عنكم الرجس أهل البيت ويطهركم تطهيرا ) في بيت أم سلمة فدعا فاطمة وحسنا وحسينا فجللهم بكساء وعلي خلف ظهره فجللهم بكساء ثم قال " اللهم هؤلاء أهل بيتي فأذهب عنهم الرجس وطهرهم تطهيرا " . قالت أم سلمة وأنا معهم يا نبي الله قال " أنت على مكانك وأنت على خير " . قال هذا حديث غريب من هذا الوجه من حديث عطاء عن عمر بن أبي سلمة .
উমার ইবনু আবি সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যিনি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আশ্রয়ে লালিত-পালিত হন। তিনি বলেন, উম্মু সালামাহ (রাঃ) এর ঘরে রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল (অনুবাদ) “আল্লাহ তা’আলা তো চান আহ্লে বাইত হতে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদের কে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে”– (সূরা আহযাবঃ ৩৩), তখন তিনি ফাতিমাহ, হাসান ও হুসাইন (রাঃ) কে ডাকলেন এবং তাদেরকে একটি কম্বলের ভিতর ঢেকে নিলেন। আলি (রাঃ) তাঁর পেছনে ছিলেন। তিনি তাকেও কম্বলের ভিতরে নিয়ে নিলেন। তারপর তিনি বলেনঃ “হে আল্লাহ! এরা আমার ‘আহলে বাইত’ (পরিবার সদস্য)। তুমি তাদের ভিতর হতে অপরিছন্নতা দূর করে দাও এবং সম্পূর্ণরূপে পরিচ্ছন্ন করে দাও”। উম্মু সালামাহ (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর নবী! আমিও কি তাদের অন্তর্ভুক্ত? তিনি বললেনঃ তুমি স্ব-স্থানে থাক এবং তুমি কল্যাণের মধ্যেই আছ। সহিহঃ রাওযুন নাযির (৯৭৬, ১১৯০), মুসলিম।
উমার ইবনু আবি সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যিনি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আশ্রয়ে লালিত-পালিত হন। তিনি বলেন, উম্মু সালামাহ (রাঃ) এর ঘরে রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল (অনুবাদ) “আল্লাহ তা’আলা তো চান আহ্লে বাইত হতে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদের কে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে”– (সূরা আহযাবঃ ৩৩), তখন তিনি ফাতিমাহ, হাসান ও হুসাইন (রাঃ) কে ডাকলেন এবং তাদেরকে একটি কম্বলের ভিতর ঢেকে নিলেন। আলি (রাঃ) তাঁর পেছনে ছিলেন। তিনি তাকেও কম্বলের ভিতরে নিয়ে নিলেন। তারপর তিনি বলেনঃ “হে আল্লাহ! এরা আমার ‘আহলে বাইত’ (পরিবার সদস্য)। তুমি তাদের ভিতর হতে অপরিছন্নতা দূর করে দাও এবং সম্পূর্ণরূপে পরিচ্ছন্ন করে দাও”। উম্মু সালামাহ (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর নবী! আমিও কি তাদের অন্তর্ভুক্ত? তিনি বললেনঃ তুমি স্ব-স্থানে থাক এবং তুমি কল্যাণের মধ্যেই আছ। সহিহঃ রাওযুন নাযির (৯৭৬, ১১৯০), মুসলিম।
حدثنا قتيبة، حدثنا محمد بن سليمان بن الأصبهاني، عن يحيى بن عبيد، عن عطاء بن أبي رباح، عن عمر بن أبي سلمة، ربيب النبي صلى الله عليه وسلم قال لما نزلت هذه الآية على النبي صلى الله عليه وسلم : ( إنما يريد الله ليذهب عنكم الرجس أهل البيت ويطهركم تطهيرا ) في بيت أم سلمة فدعا فاطمة وحسنا وحسينا فجللهم بكساء وعلي خلف ظهره فجللهم بكساء ثم قال " اللهم هؤلاء أهل بيتي فأذهب عنهم الرجس وطهرهم تطهيرا " . قالت أم سلمة وأنا معهم يا نبي الله قال " أنت على مكانك وأنت على خير " . قال هذا حديث غريب من هذا الوجه من حديث عطاء عن عمر بن أبي سلمة .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২০১
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا حميد الطويل، عن أنس بن مالك، أن عمه، غاب عن قتال، بدر فقال غبت عن أول، قتال قاتله رسول الله صلى الله عليه وسلم المشركين لئن الله أشهدني قتالا للمشركين ليرين الله كيف أصنع فلما كان يوم أحد انكشف المسلمون فقال اللهم إني أبرأ إليك مما جاء به هؤلاء . يعني المشركين وأعتذر إليك مما يصنع هؤلاء . يعني أصحابه ثم تقدم فلقيه سعد فقال يا أخي ما فعلت أنا معك فلم أستطع أن أصنع ما صنع . فوجد فيه بضع وثمانون من ضربة بسيف وطعنة برمح ورمية بسهم فكنا نقول فيه وفي أصحابه نزلت : (فمنهم من قضى نحبه ومنهم من ينتظر ) . قال يزيد يعني هذه الآية . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح . واسم عمه أنس بن النضر .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তার চাচা বদরের যুদ্ধে অনুপস্থিত ছিলেন। তিনি (চাচা) বলেন, এটাই ছিল প্রথম যুদ্ধ যা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুশরিকদের বিরুদ্ধে পরিচালনা করেন। অথচ এই প্রথম যুদ্ধেই আমি অংশগ্রহণ করতে পারলাম না। আল্লাহ তা'আলা যদি ভবিষ্যতে মুশরিকদের বিরুদ্ধে আমাকে কোন যুদ্ধে অংশগ্রহণের সুযোগ দেন, তবে তিনি দেখবেন আমি কি করি। তারপর উহুদের যুদ্ধে মুসলিমরা পরাজয়ের সম্মুখীন হলে তিনি বলেন, “হে আল্লাহ! মুশরিকরা যে বিপদ নিয়ে এসেছে আমি তা হতে তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আর মুসলিমরা যা করেছে সে প্রসঙ্গে তোমার নিকট ওজরখাহি করছি।" তারপর তিনি সামনে আগালেন। তার সঙ্গে সা'দ (রাঃ)-এর সাক্ষাৎ হলে তিনি বলেন, হে ভাই! তুমি কি করছ, আমি তোমার সাথে আছি। (সা’দ বলেন) কিন্তু সে যা করল আমি তা করতে ব্যর্থ হলাম। তার দেহে আশির বেশি জখম পাওয়া গেল। এর কতগুলো ছিল তরবারির আঘাত, কতগুলো বর্শার আঘাত এবং কতগুলো তীরের আঘাত। আমরা বলাবলি করতাম যে, তার ও তার বন্ধুদের বিষয়ে এ আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে (অনুবাদ)ঃ “তাদের ভিতর কেউ কেউ ইচ্ছা পূর্ণ করেছে এবং কেউ সময় আসার অপেক্ষায় রয়েছে"- (সূরা আহযাব ২৩)। সহীহঃ বুখারী (২৮০৫)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তার চাচা বদরের যুদ্ধে অনুপস্থিত ছিলেন। তিনি (চাচা) বলেন, এটাই ছিল প্রথম যুদ্ধ যা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুশরিকদের বিরুদ্ধে পরিচালনা করেন। অথচ এই প্রথম যুদ্ধেই আমি অংশগ্রহণ করতে পারলাম না। আল্লাহ তা'আলা যদি ভবিষ্যতে মুশরিকদের বিরুদ্ধে আমাকে কোন যুদ্ধে অংশগ্রহণের সুযোগ দেন, তবে তিনি দেখবেন আমি কি করি। তারপর উহুদের যুদ্ধে মুসলিমরা পরাজয়ের সম্মুখীন হলে তিনি বলেন, “হে আল্লাহ! মুশরিকরা যে বিপদ নিয়ে এসেছে আমি তা হতে তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আর মুসলিমরা যা করেছে সে প্রসঙ্গে তোমার নিকট ওজরখাহি করছি।" তারপর তিনি সামনে আগালেন। তার সঙ্গে সা'দ (রাঃ)-এর সাক্ষাৎ হলে তিনি বলেন, হে ভাই! তুমি কি করছ, আমি তোমার সাথে আছি। (সা’দ বলেন) কিন্তু সে যা করল আমি তা করতে ব্যর্থ হলাম। তার দেহে আশির বেশি জখম পাওয়া গেল। এর কতগুলো ছিল তরবারির আঘাত, কতগুলো বর্শার আঘাত এবং কতগুলো তীরের আঘাত। আমরা বলাবলি করতাম যে, তার ও তার বন্ধুদের বিষয়ে এ আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে (অনুবাদ)ঃ “তাদের ভিতর কেউ কেউ ইচ্ছা পূর্ণ করেছে এবং কেউ সময় আসার অপেক্ষায় রয়েছে"- (সূরা আহযাব ২৩)। সহীহঃ বুখারী (২৮০৫)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا حميد الطويل، عن أنس بن مالك، أن عمه، غاب عن قتال، بدر فقال غبت عن أول، قتال قاتله رسول الله صلى الله عليه وسلم المشركين لئن الله أشهدني قتالا للمشركين ليرين الله كيف أصنع فلما كان يوم أحد انكشف المسلمون فقال اللهم إني أبرأ إليك مما جاء به هؤلاء . يعني المشركين وأعتذر إليك مما يصنع هؤلاء . يعني أصحابه ثم تقدم فلقيه سعد فقال يا أخي ما فعلت أنا معك فلم أستطع أن أصنع ما صنع . فوجد فيه بضع وثمانون من ضربة بسيف وطعنة برمح ورمية بسهم فكنا نقول فيه وفي أصحابه نزلت : (فمنهم من قضى نحبه ومنهم من ينتظر ) . قال يزيد يعني هذه الآية . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح . واسم عمه أنس بن النضر .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২০৩
حدثنا أبو كريب، حدثنا يونس بن بكير، عن طلحة بن يحيى، عن موسى، وعيسى، ابنى طلحة عن أبيهما، طلحة أن أصحاب، رسول الله صلى الله عليه وسلم قالوا لأعرابي جاهل سله عمن قضى نحبه من هو وكانوا لا يجترئون على مسألته يوقرونه ويهابونه فسأله الأعرابي فأعرض عنه ثم سأله فأعرض عنه ثم سأله فأعرض عنه ثم إني اطلعت من باب المسجد وعلى ثياب خضر فلما رآني رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " أين السائل عمن قضى نحبه " . قال الأعرابي أنا يا رسول الله . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " هذا ممن قضى نحبه " . قال هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث يونس بن بكير .
তালহা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণ এক মূৰ্খ বেদুঈনকে বলল, তুমি গিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রশ্ন কর, “যারা নিজেদের মানৎ পূর্ণ করেছে" দ্বারা কাদের বুঝানো হয়েছে? সাহাবীগণ সরাসরি তার নিকট এ কথা প্রশ্ন করতে সাহস পাননি। তারা তাঁকে সম্মান ও সমীহ করতেন। বিদুঈন তাঁর নিকট ব্যাপারটা জিজ্ঞেস করলে তিনি মুখ ফিরিয়ে নেন। সে আবারো তাকে প্রশ্ন করলে তিনি এবারও মুখ ফিরিয়ে নেন। সে আবারো তাকে প্রশ্ন করলে তিনি এবারও মুখ ফিরিয়ে নেন। তারপর আমি মাসজিদের দরজা দিয়ে ভিতরে ঢুকলাম। আমার পরনে ছিল সবুজ কাপড়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দেখে বললেনঃ প্রশ্নকারী কোথায়, যে ‘মানৎ পূর্ণকারীদের’ বিষয়ে প্রশ্ন করেছে? বেদুঈন বলল, হে আল্লাহর রাসূল! এই আমি। রাসূলুল্লাহঃ বললেনঃ যারা নিজেদের মানৎ পূর্ণ করেছে এ লোক (ত্বালহা) তাদের একজন। হাসান সহীহঃ সহীহাহ (১/৩৬)
তালহা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণ এক মূৰ্খ বেদুঈনকে বলল, তুমি গিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রশ্ন কর, “যারা নিজেদের মানৎ পূর্ণ করেছে" দ্বারা কাদের বুঝানো হয়েছে? সাহাবীগণ সরাসরি তার নিকট এ কথা প্রশ্ন করতে সাহস পাননি। তারা তাঁকে সম্মান ও সমীহ করতেন। বিদুঈন তাঁর নিকট ব্যাপারটা জিজ্ঞেস করলে তিনি মুখ ফিরিয়ে নেন। সে আবারো তাকে প্রশ্ন করলে তিনি এবারও মুখ ফিরিয়ে নেন। সে আবারো তাকে প্রশ্ন করলে তিনি এবারও মুখ ফিরিয়ে নেন। তারপর আমি মাসজিদের দরজা দিয়ে ভিতরে ঢুকলাম। আমার পরনে ছিল সবুজ কাপড়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দেখে বললেনঃ প্রশ্নকারী কোথায়, যে ‘মানৎ পূর্ণকারীদের’ বিষয়ে প্রশ্ন করেছে? বেদুঈন বলল, হে আল্লাহর রাসূল! এই আমি। রাসূলুল্লাহঃ বললেনঃ যারা নিজেদের মানৎ পূর্ণ করেছে এ লোক (ত্বালহা) তাদের একজন। হাসান সহীহঃ সহীহাহ (১/৩৬)
حدثنا أبو كريب، حدثنا يونس بن بكير، عن طلحة بن يحيى، عن موسى، وعيسى، ابنى طلحة عن أبيهما، طلحة أن أصحاب، رسول الله صلى الله عليه وسلم قالوا لأعرابي جاهل سله عمن قضى نحبه من هو وكانوا لا يجترئون على مسألته يوقرونه ويهابونه فسأله الأعرابي فأعرض عنه ثم سأله فأعرض عنه ثم سأله فأعرض عنه ثم إني اطلعت من باب المسجد وعلى ثياب خضر فلما رآني رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " أين السائل عمن قضى نحبه " . قال الأعرابي أنا يا رسول الله . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " هذا ممن قضى نحبه " . قال هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث يونس بن بكير .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২০৩
حدثنا أبو كريب، حدثنا يونس بن بكير، عن طلحة بن يحيى، عن موسى، وعيسى، ابنى طلحة عن أبيهما، طلحة أن أصحاب، رسول الله صلى الله عليه وسلم قالوا لأعرابي جاهل سله عمن قضى نحبه من هو وكانوا لا يجترئون على مسألته يوقرونه ويهابونه فسأله الأعرابي فأعرض عنه ثم سأله فأعرض عنه ثم سأله فأعرض عنه ثم إني اطلعت من باب المسجد وعلى ثياب خضر فلما رآني رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " أين السائل عمن قضى نحبه " . قال الأعرابي أنا يا رسول الله . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " هذا ممن قضى نحبه " . قال هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث يونس بن بكير .
তালহা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণ এক মূৰ্খ বেদুঈনকে বলল, তুমি গিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রশ্ন কর, “যারা নিজেদের মানৎ পূর্ণ করেছে" দ্বারা কাদের বুঝানো হয়েছে? সাহাবীগণ সরাসরি তার নিকট এ কথা প্রশ্ন করতে সাহস পাননি। তারা তাঁকে সম্মান ও সমীহ করতেন। বিদুঈন তাঁর নিকট ব্যাপারটা জিজ্ঞেস করলে তিনি মুখ ফিরিয়ে নেন। সে আবারো তাকে প্রশ্ন করলে তিনি এবারও মুখ ফিরিয়ে নেন। সে আবারো তাকে প্রশ্ন করলে তিনি এবারও মুখ ফিরিয়ে নেন। তারপর আমি মাসজিদের দরজা দিয়ে ভিতরে ঢুকলাম। আমার পরনে ছিল সবুজ কাপড়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দেখে বললেনঃ প্রশ্নকারী কোথায়, যে ‘মানৎ পূর্ণকারীদের’ বিষয়ে প্রশ্ন করেছে? বেদুঈন বলল, হে আল্লাহর রাসূল! এই আমি। রাসূলুল্লাহঃ বললেনঃ যারা নিজেদের মানৎ পূর্ণ করেছে এ লোক (ত্বালহা) তাদের একজন। হাসান সহীহঃ সহীহাহ (১/৩৬)
তালহা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণ এক মূৰ্খ বেদুঈনকে বলল, তুমি গিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রশ্ন কর, “যারা নিজেদের মানৎ পূর্ণ করেছে" দ্বারা কাদের বুঝানো হয়েছে? সাহাবীগণ সরাসরি তার নিকট এ কথা প্রশ্ন করতে সাহস পাননি। তারা তাঁকে সম্মান ও সমীহ করতেন। বিদুঈন তাঁর নিকট ব্যাপারটা জিজ্ঞেস করলে তিনি মুখ ফিরিয়ে নেন। সে আবারো তাকে প্রশ্ন করলে তিনি এবারও মুখ ফিরিয়ে নেন। সে আবারো তাকে প্রশ্ন করলে তিনি এবারও মুখ ফিরিয়ে নেন। তারপর আমি মাসজিদের দরজা দিয়ে ভিতরে ঢুকলাম। আমার পরনে ছিল সবুজ কাপড়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দেখে বললেনঃ প্রশ্নকারী কোথায়, যে ‘মানৎ পূর্ণকারীদের’ বিষয়ে প্রশ্ন করেছে? বেদুঈন বলল, হে আল্লাহর রাসূল! এই আমি। রাসূলুল্লাহঃ বললেনঃ যারা নিজেদের মানৎ পূর্ণ করেছে এ লোক (ত্বালহা) তাদের একজন। হাসান সহীহঃ সহীহাহ (১/৩৬)
حدثنا أبو كريب، حدثنا يونس بن بكير، عن طلحة بن يحيى، عن موسى، وعيسى، ابنى طلحة عن أبيهما، طلحة أن أصحاب، رسول الله صلى الله عليه وسلم قالوا لأعرابي جاهل سله عمن قضى نحبه من هو وكانوا لا يجترئون على مسألته يوقرونه ويهابونه فسأله الأعرابي فأعرض عنه ثم سأله فأعرض عنه ثم سأله فأعرض عنه ثم إني اطلعت من باب المسجد وعلى ثياب خضر فلما رآني رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " أين السائل عمن قضى نحبه " . قال الأعرابي أنا يا رسول الله . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " هذا ممن قضى نحبه " . قال هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث يونس بن بكير .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২০৩
حدثنا أبو كريب، حدثنا يونس بن بكير، عن طلحة بن يحيى، عن موسى، وعيسى، ابنى طلحة عن أبيهما، طلحة أن أصحاب، رسول الله صلى الله عليه وسلم قالوا لأعرابي جاهل سله عمن قضى نحبه من هو وكانوا لا يجترئون على مسألته يوقرونه ويهابونه فسأله الأعرابي فأعرض عنه ثم سأله فأعرض عنه ثم سأله فأعرض عنه ثم إني اطلعت من باب المسجد وعلى ثياب خضر فلما رآني رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " أين السائل عمن قضى نحبه " . قال الأعرابي أنا يا رسول الله . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " هذا ممن قضى نحبه " . قال هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث يونس بن بكير .
তালহা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণ এক মূৰ্খ বেদুঈনকে বলল, তুমি গিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রশ্ন কর, “যারা নিজেদের মানৎ পূর্ণ করেছে" দ্বারা কাদের বুঝানো হয়েছে? সাহাবীগণ সরাসরি তার নিকট এ কথা প্রশ্ন করতে সাহস পাননি। তারা তাঁকে সম্মান ও সমীহ করতেন। বিদুঈন তাঁর নিকট ব্যাপারটা জিজ্ঞেস করলে তিনি মুখ ফিরিয়ে নেন। সে আবারো তাকে প্রশ্ন করলে তিনি এবারও মুখ ফিরিয়ে নেন। সে আবারো তাকে প্রশ্ন করলে তিনি এবারও মুখ ফিরিয়ে নেন। তারপর আমি মাসজিদের দরজা দিয়ে ভিতরে ঢুকলাম। আমার পরনে ছিল সবুজ কাপড়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দেখে বললেনঃ প্রশ্নকারী কোথায়, যে ‘মানৎ পূর্ণকারীদের’ বিষয়ে প্রশ্ন করেছে? বেদুঈন বলল, হে আল্লাহর রাসূল! এই আমি। রাসূলুল্লাহঃ বললেনঃ যারা নিজেদের মানৎ পূর্ণ করেছে এ লোক (ত্বালহা) তাদের একজন। হাসান সহীহঃ সহীহাহ (১/৩৬)
তালহা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণ এক মূৰ্খ বেদুঈনকে বলল, তুমি গিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রশ্ন কর, “যারা নিজেদের মানৎ পূর্ণ করেছে" দ্বারা কাদের বুঝানো হয়েছে? সাহাবীগণ সরাসরি তার নিকট এ কথা প্রশ্ন করতে সাহস পাননি। তারা তাঁকে সম্মান ও সমীহ করতেন। বিদুঈন তাঁর নিকট ব্যাপারটা জিজ্ঞেস করলে তিনি মুখ ফিরিয়ে নেন। সে আবারো তাকে প্রশ্ন করলে তিনি এবারও মুখ ফিরিয়ে নেন। সে আবারো তাকে প্রশ্ন করলে তিনি এবারও মুখ ফিরিয়ে নেন। তারপর আমি মাসজিদের দরজা দিয়ে ভিতরে ঢুকলাম। আমার পরনে ছিল সবুজ কাপড়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দেখে বললেনঃ প্রশ্নকারী কোথায়, যে ‘মানৎ পূর্ণকারীদের’ বিষয়ে প্রশ্ন করেছে? বেদুঈন বলল, হে আল্লাহর রাসূল! এই আমি। রাসূলুল্লাহঃ বললেনঃ যারা নিজেদের মানৎ পূর্ণ করেছে এ লোক (ত্বালহা) তাদের একজন। হাসান সহীহঃ সহীহাহ (১/৩৬)
حدثنا أبو كريب، حدثنا يونس بن بكير، عن طلحة بن يحيى، عن موسى، وعيسى، ابنى طلحة عن أبيهما، طلحة أن أصحاب، رسول الله صلى الله عليه وسلم قالوا لأعرابي جاهل سله عمن قضى نحبه من هو وكانوا لا يجترئون على مسألته يوقرونه ويهابونه فسأله الأعرابي فأعرض عنه ثم سأله فأعرض عنه ثم سأله فأعرض عنه ثم إني اطلعت من باب المسجد وعلى ثياب خضر فلما رآني رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " أين السائل عمن قضى نحبه " . قال الأعرابي أنا يا رسول الله . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " هذا ممن قضى نحبه " . قال هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث يونس بن بكير .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২০৬
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عفان بن مسلم، حدثنا حماد بن سلمة، أخبرنا علي بن زيد، عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يمر بباب فاطمة ستة أشهر إذا خرج إلى صلاة الفجر يقول " الصلاة يا أهل البيت : ( إنما يريد الله ليذهب عنكم الرجس أهل البيت ويطهركم تطهيرا ) " . قال هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه إنما نعرفه من حديث حماد بن سلمة . قال وفي الباب عن أبي الحمراء ومعقل بن يسار وأم سلمة .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ছয় মাস পর্যন্ত এই চর্চা ছিল যে, তিনি ফজরের নামাযের জন্য ফাতিমা (রাঃ)-এর ঘরের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় বলতেনঃ "হে আহ্লে বাইত! তোমরা নামায কায়িম কর। আল্লাহ্ তা'আলা ইচ্ছা করেন, তোমাদের নবীর ঘরের লোকদের মধ্য হতে ময়লা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে"। যঈফ, প্রাগুক্ত
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ছয় মাস পর্যন্ত এই চর্চা ছিল যে, তিনি ফজরের নামাযের জন্য ফাতিমা (রাঃ)-এর ঘরের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় বলতেনঃ "হে আহ্লে বাইত! তোমরা নামায কায়িম কর। আল্লাহ্ তা'আলা ইচ্ছা করেন, তোমাদের নবীর ঘরের লোকদের মধ্য হতে ময়লা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে"। যঈফ, প্রাগুক্ত
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عفان بن مسلم، حدثنا حماد بن سلمة، أخبرنا علي بن زيد، عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يمر بباب فاطمة ستة أشهر إذا خرج إلى صلاة الفجر يقول " الصلاة يا أهل البيت : ( إنما يريد الله ليذهب عنكم الرجس أهل البيت ويطهركم تطهيرا ) " . قال هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه إنما نعرفه من حديث حماد بن سلمة . قال وفي الباب عن أبي الحمراء ومعقل بن يسار وأم سلمة .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২০৮
حدثنا محمد بن أبان، حدثنا ابن أبي عدي، عن داود بن أبي هند، عن الشعبي، عن مسروق، عن عائشة، رضى الله عنها قالت لو كان النبي صلى الله عليه وسلم كاتما شيئا من الوحى لكتم هذه الآية : ( إذ تقول للذي أنعم الله عليه وأنعمت عليه ) الآية . قال هذا حديث حسن صحيح .
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যদি ওয়াহীর কোন অংশ গোপনকারী হতেন, তাহলে অবশ্যই তিনি এ আয়াত গোপন করতেন (অনুবাদ)ঃ “যখন তুমি সে লোককে বলেছিলে যার প্রতি আল্লাহ তা‘আলা এবং তুমি দয়া করেছিলে......”- (সূরা আহ্যাব ৩৭) শেষ পর্যন্ত। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম। আবূ ‘ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যদি ওয়াহীর কোন অংশ গোপনকারী হতেন, তাহলে অবশ্যই তিনি এ আয়াত গোপন করতেন (অনুবাদ)ঃ “যখন তুমি সে লোককে বলেছিলে যার প্রতি আল্লাহ তা‘আলা এবং তুমি দয়া করেছিলে......”- (সূরা আহ্যাব ৩৭) শেষ পর্যন্ত। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম। আবূ ‘ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
حدثنا محمد بن أبان، حدثنا ابن أبي عدي، عن داود بن أبي هند، عن الشعبي، عن مسروق، عن عائشة، رضى الله عنها قالت لو كان النبي صلى الله عليه وسلم كاتما شيئا من الوحى لكتم هذه الآية : ( إذ تقول للذي أنعم الله عليه وأنعمت عليه ) الآية . قال هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২০৯
حدثنا قتيبة، حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن، عن موسى بن عقبة، عن سالم، عن ابن عمر، قال ما كنا ندعو زيد بن حارثة إلا زيد بن محمد حتى نزل القرآن : ( ادعوهم لآبائهم هو أقسط عند الله ) . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা যাইদ ইবনু হারিসাহ্ না ডেকে বরং যাইদ ইবনু মুহাম্মাদ ডাকতাম। অবশেষে নাযিল হলঃ “তোমরা তাদেরকে তাদের পিতার পরিচয়ে ডাকো। এটাই আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট বেশি ন্যায়সঙ্গত”- (সূরা আহ্যাব ৫)। সহীহঃ বুখারী (৪৭৮২), মুসলিম।
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা যাইদ ইবনু হারিসাহ্ না ডেকে বরং যাইদ ইবনু মুহাম্মাদ ডাকতাম। অবশেষে নাযিল হলঃ “তোমরা তাদেরকে তাদের পিতার পরিচয়ে ডাকো। এটাই আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট বেশি ন্যায়সঙ্গত”- (সূরা আহ্যাব ৫)। সহীহঃ বুখারী (৪৭৮২), মুসলিম।
حدثنا قتيبة، حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن، عن موسى بن عقبة، عن سالم، عن ابن عمر، قال ما كنا ندعو زيد بن حارثة إلا زيد بن محمد حتى نزل القرآن : ( ادعوهم لآبائهم هو أقسط عند الله ) . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২০৭
حدثنا علي بن حجر، أخبرنا داود بن الزبرقان، عن داود بن أبي هند، عن الشعبي، عن عائشة، رضى الله عنها قالت لو كان رسول الله صلى الله عليه وسلم كاتما شيئا من الوحى لكتم هذه الآية : ( إذ تقول للذي أنعم الله عليه ) يعني بالإسلام : ( وأنعمت عليه ) بالعتق فأعتقته : ( أمسك عليك زوجك واتق الله وتخفي في نفسك ما الله مبديه وتخشى الناس والله أحق أن تخشاه ) إلى قوله : (وكان أمر الله مفعولا ) وإن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما تزوجها قالوا تزوج حليلة ابنه فأنزل الله تعالى : ( ما كان محمد أبا أحد من رجالكم ولكن رسول الله وخاتم النبيين ) وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم تبناه وهو صغير فلبث حتى صار رجلا يقال له زيد بن محمد فأنزل الله : ( ادعوهم لآبائهم هو أقسط عند الله فإن لم تعلموا آباءهم فإخوانكم في الدين ومواليكم ) فلان مولى فلان وفلان أخو فلان (هو أقسط عند الله ) يعني أعدل عند الله . قال أبو عيسى هذا حديث غريب .
আইশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যদি ওয়াহীর কোন অংশ গোপন করতেন তাহলে এই অংশ গোপন করতেনঃ “স্মরণ কর, যার প্রতি আল্লাহ্ তা’আলা (ইসলাম গ্রহণ করার) অনুগ্রহ করেছেন এবং আপনিও যার উপর (দাসত্বমুক্ত করে) অনুগ্রহ করেছেন আপনি তাকে বলেছেন, তুমি তোমার স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক ঠিক রাখ এবং আল্লাহ্ তা’আলাকে ভয় কর। আপনি আপনার মনের মধ্যে যে কথা লুকিয়েছেন, তা আল্লাহ্ তা’আলা প্রকাশ করে দিচ্ছেন। আপনি লোকভয় করছিলেন, অথচ আল্লাহ্ তা’আলাকে ভয় করা আপনার পক্ষে অধিকতর সংগত। পরে যাইদ যখন তার (যাইনাবের) সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন করল, তখন আমি তাকে (যাইনাবকে) আপনার নিকট বিয়ে দিলাম, যেন মু’মিনদের পালিত ছেলেরা নিজ স্ত্রীর সাথে বিবাহ সূত্র ছিন্ন করলে সেই সব নারীদের বিবাহ করায় মু’মিন লোকদের কোন অসুবিধা না থাকে। আল্লাহ্ তা’আলার নির্দেশ কার্যকারী হয়েই থাকে” (সূরাঃ আল-আহযাব- ৩৭)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তাকে (যাইনাবকে) বিয়ে করলেন তখন লোকেরা বলতে লাগল, তিনি নিজের ছেলের বিবিকে বিয়ে করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ্ তা’আলা আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “মুহাম্মাদ তোমাদের পুরুষ লোকদের মধ্যে কারো পিতা নন, বরং আল্লাহ্র রাসূল ও সর্বশেষ নবী” (সূরাঃ আল-আহযাব- ৪০)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে পালিত পুত্র বানিয়েছিলেন। তিনি (যাইদ) তখন বালক ছিলেন। তিনি তাঁর কাছে থাকলেন এবং ধীরে ধীরে বেড়ে উঠলেন। তাকে যাইদ ইবনু মুহাম্মাদ বলে ডাকা হত। এর পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ্ তা’আলা আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “পালিত ছেলেদেরকে তোমরা তাদের পিতার সাথে সম্পর্ক সূত্রে ডাকো, এটা আল্লাহ্ তা’আলার নিকটে বেশি ন্যায়সংগত। আর তোমরা যদি তাদের পিতার পরিচয় না জান, তবে তারা তোমাদের দীনী ভাই এবং সাথী” (সূরাঃ আল-আহযাব- ৫) অর্থাৎ অমুক অমুকের বন্ধু এবং অমুক অমুকের ভাই। এটাই আল্লাহ্ তা’আলার নিকট বেশি ন্যায়সংগত কথা অর্থাৎ আল্লাহ্ তা’আলার নিকটে বেশি ন্যায়ানুগ কথা। সনদ অত্যন্ত দুর্বল
আইশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যদি ওয়াহীর কোন অংশ গোপন করতেন তাহলে এই অংশ গোপন করতেনঃ “স্মরণ কর, যার প্রতি আল্লাহ্ তা’আলা (ইসলাম গ্রহণ করার) অনুগ্রহ করেছেন এবং আপনিও যার উপর (দাসত্বমুক্ত করে) অনুগ্রহ করেছেন আপনি তাকে বলেছেন, তুমি তোমার স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক ঠিক রাখ এবং আল্লাহ্ তা’আলাকে ভয় কর। আপনি আপনার মনের মধ্যে যে কথা লুকিয়েছেন, তা আল্লাহ্ তা’আলা প্রকাশ করে দিচ্ছেন। আপনি লোকভয় করছিলেন, অথচ আল্লাহ্ তা’আলাকে ভয় করা আপনার পক্ষে অধিকতর সংগত। পরে যাইদ যখন তার (যাইনাবের) সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন করল, তখন আমি তাকে (যাইনাবকে) আপনার নিকট বিয়ে দিলাম, যেন মু’মিনদের পালিত ছেলেরা নিজ স্ত্রীর সাথে বিবাহ সূত্র ছিন্ন করলে সেই সব নারীদের বিবাহ করায় মু’মিন লোকদের কোন অসুবিধা না থাকে। আল্লাহ্ তা’আলার নির্দেশ কার্যকারী হয়েই থাকে” (সূরাঃ আল-আহযাব- ৩৭)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তাকে (যাইনাবকে) বিয়ে করলেন তখন লোকেরা বলতে লাগল, তিনি নিজের ছেলের বিবিকে বিয়ে করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ্ তা’আলা আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “মুহাম্মাদ তোমাদের পুরুষ লোকদের মধ্যে কারো পিতা নন, বরং আল্লাহ্র রাসূল ও সর্বশেষ নবী” (সূরাঃ আল-আহযাব- ৪০)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে পালিত পুত্র বানিয়েছিলেন। তিনি (যাইদ) তখন বালক ছিলেন। তিনি তাঁর কাছে থাকলেন এবং ধীরে ধীরে বেড়ে উঠলেন। তাকে যাইদ ইবনু মুহাম্মাদ বলে ডাকা হত। এর পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ্ তা’আলা আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “পালিত ছেলেদেরকে তোমরা তাদের পিতার সাথে সম্পর্ক সূত্রে ডাকো, এটা আল্লাহ্ তা’আলার নিকটে বেশি ন্যায়সংগত। আর তোমরা যদি তাদের পিতার পরিচয় না জান, তবে তারা তোমাদের দীনী ভাই এবং সাথী” (সূরাঃ আল-আহযাব- ৫) অর্থাৎ অমুক অমুকের বন্ধু এবং অমুক অমুকের ভাই। এটাই আল্লাহ্ তা’আলার নিকট বেশি ন্যায়সংগত কথা অর্থাৎ আল্লাহ্ তা’আলার নিকটে বেশি ন্যায়ানুগ কথা। সনদ অত্যন্ত দুর্বল
حدثنا علي بن حجر، أخبرنا داود بن الزبرقان، عن داود بن أبي هند، عن الشعبي، عن عائشة، رضى الله عنها قالت لو كان رسول الله صلى الله عليه وسلم كاتما شيئا من الوحى لكتم هذه الآية : ( إذ تقول للذي أنعم الله عليه ) يعني بالإسلام : ( وأنعمت عليه ) بالعتق فأعتقته : ( أمسك عليك زوجك واتق الله وتخفي في نفسك ما الله مبديه وتخشى الناس والله أحق أن تخشاه ) إلى قوله : (وكان أمر الله مفعولا ) وإن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما تزوجها قالوا تزوج حليلة ابنه فأنزل الله تعالى : ( ما كان محمد أبا أحد من رجالكم ولكن رسول الله وخاتم النبيين ) وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم تبناه وهو صغير فلبث حتى صار رجلا يقال له زيد بن محمد فأنزل الله : ( ادعوهم لآبائهم هو أقسط عند الله فإن لم تعلموا آباءهم فإخوانكم في الدين ومواليكم ) فلان مولى فلان وفلان أخو فلان (هو أقسط عند الله ) يعني أعدل عند الله . قال أبو عيسى هذا حديث غريب .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২১০
حدثنا الحسن بن قزعة، - بصري - حدثنا مسلمة بن علقمة، عن داود بن أبي هند، عن عامر الشعبي، في قول الله عز وجل : ( ما كان محمد أبا أحد من رجالكم ) قال ما كان ليعيش له فيكم ولد ذكر .
আমির আশ-শাবী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আল্লাহ্র বাণীঃ “মুহাম্মাদ তোমাদের মধ্যে কোন পুরুষের পিতা নন” (সূরাঃ আল-আহ্যাব- ৪০) প্রসঙ্গে বলেনঃ এ আয়াতের ভাবার্থ হচ্ছেঃ তোমাদের মাঝে তাঁর কোন ছেলে সন্তান জীবিত থাকবে না। যঈফ, সনদ বিচ্ছিন্ন
আমির আশ-শাবী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আল্লাহ্র বাণীঃ “মুহাম্মাদ তোমাদের মধ্যে কোন পুরুষের পিতা নন” (সূরাঃ আল-আহ্যাব- ৪০) প্রসঙ্গে বলেনঃ এ আয়াতের ভাবার্থ হচ্ছেঃ তোমাদের মাঝে তাঁর কোন ছেলে সন্তান জীবিত থাকবে না। যঈফ, সনদ বিচ্ছিন্ন
حدثنا الحسن بن قزعة، - بصري - حدثنا مسلمة بن علقمة، عن داود بن أبي هند، عن عامر الشعبي، في قول الله عز وجل : ( ما كان محمد أبا أحد من رجالكم ) قال ما كان ليعيش له فيكم ولد ذكر .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২১১
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا محمد بن كثير، حدثنا سليمان بن كثير، عن حسين، عن عكرمة، عن أم عمارة الأنصارية، أنها أتت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت ما أرى كل شيء إلا للرجال وما أرى النساء يذكرن بشيء فنزلت هذه الآية : (إن المسلمين والمسلمات والمؤمنين والمؤمنات ) الآية . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب وإنما يعرف هذا الحديث من هذا الوجه .
উম্মু ‘উমারাহ্ আল-আনসারিয়্যাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেনঃ আমি (কুরআনে) প্রতিটি প্রসঙ্গ পুরুষদের জন্যই উল্লেখিত দেখতে পাচ্ছি। অথচ মহিলাদের প্রসঙ্গে কোন বিষয়ে আলোচনা দেখছি না। তখন এই আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ)ঃ “নিশ্চয় যেসব পুরুষ ও স্ত্রীলোক মুসলিম, মু’মিন, আল্লাহ্ তা‘আলার অনুগত, সত্য পথের পথিক, ধৈর্যশীল, আল্লাহ্ তা‘আলাকে ভয়কারী, দান-খাইরাতকারী রোযা পালনকারী, নিজেদের লজ্জাস্থানের হিফাযাতকারী এবং বেশি পরিমাণে আল্লাহ্ তা‘আলাকে মনে করে, আল্লাহ্ তা‘আলা তাদের জন্য ক্ষমা ও মহাপুরস্কার রেখেছেন”- (সূরা আহ্যাব ৩৫)। সনদ সহীহ।
উম্মু ‘উমারাহ্ আল-আনসারিয়্যাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেনঃ আমি (কুরআনে) প্রতিটি প্রসঙ্গ পুরুষদের জন্যই উল্লেখিত দেখতে পাচ্ছি। অথচ মহিলাদের প্রসঙ্গে কোন বিষয়ে আলোচনা দেখছি না। তখন এই আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ)ঃ “নিশ্চয় যেসব পুরুষ ও স্ত্রীলোক মুসলিম, মু’মিন, আল্লাহ্ তা‘আলার অনুগত, সত্য পথের পথিক, ধৈর্যশীল, আল্লাহ্ তা‘আলাকে ভয়কারী, দান-খাইরাতকারী রোযা পালনকারী, নিজেদের লজ্জাস্থানের হিফাযাতকারী এবং বেশি পরিমাণে আল্লাহ্ তা‘আলাকে মনে করে, আল্লাহ্ তা‘আলা তাদের জন্য ক্ষমা ও মহাপুরস্কার রেখেছেন”- (সূরা আহ্যাব ৩৫)। সনদ সহীহ।
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا محمد بن كثير، حدثنا سليمان بن كثير، عن حسين، عن عكرمة، عن أم عمارة الأنصارية، أنها أتت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت ما أرى كل شيء إلا للرجال وما أرى النساء يذكرن بشيء فنزلت هذه الآية : (إن المسلمين والمسلمات والمؤمنين والمؤمنات ) الآية . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب وإنما يعرف هذا الحديث من هذا الوجه .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২১২
حدثنا أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا حماد بن زيد، عن ثابت، عن أنس، قال نزلت هذه الآية : (وتخفي في نفسك ما الله مبديه وتخشى الناس ) في شأن زينب بنت جحش جاء زيد يشكو فهم بطلاقها فاستأمر النبي صلى الله عليه وسلم فقال النبي صلى الله عليه وسلم " أمسك عليك زوجك واتق الله " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (অনুবাদ)ঃ “তুমি (নাবী) নিজের মনে সে কথা লুকিয়ে রেখেছিলে, যা আল্লাহ্ তা‘আলা প্রকাশ করবেন”- (সূরা আহ্যাব ৩৭), এ আয়াত তখন অবতীর্ণ হয় যাইদ (রাঃ) যখন যাইনাব বিনতু জাহ্শ (রাঃ) প্রসঙ্গে অভিযোগ করতে এলেন। তিনি যাইনাবকে ত্বালাক্ব দেয়ার ইচ্ছা ব্যক্ত করেন এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট অনুমতি চান। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “তোমার স্ত্রীকে স্বীয় বিবাহধীনে রাখ এবং আল্লাহ তা‘আলাকে ভয় কর”- (সূরা আহ্যাব ৩৭)। সহীহঃ বুখারী (৭৪২০)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (অনুবাদ)ঃ “তুমি (নাবী) নিজের মনে সে কথা লুকিয়ে রেখেছিলে, যা আল্লাহ্ তা‘আলা প্রকাশ করবেন”- (সূরা আহ্যাব ৩৭), এ আয়াত তখন অবতীর্ণ হয় যাইদ (রাঃ) যখন যাইনাব বিনতু জাহ্শ (রাঃ) প্রসঙ্গে অভিযোগ করতে এলেন। তিনি যাইনাবকে ত্বালাক্ব দেয়ার ইচ্ছা ব্যক্ত করেন এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট অনুমতি চান। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “তোমার স্ত্রীকে স্বীয় বিবাহধীনে রাখ এবং আল্লাহ তা‘আলাকে ভয় কর”- (সূরা আহ্যাব ৩৭)। সহীহঃ বুখারী (৭৪২০)
حدثنا أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا حماد بن زيد، عن ثابت، عن أنس، قال نزلت هذه الآية : (وتخفي في نفسك ما الله مبديه وتخشى الناس ) في شأن زينب بنت جحش جاء زيد يشكو فهم بطلاقها فاستأمر النبي صلى الله عليه وسلم فقال النبي صلى الله عليه وسلم " أمسك عليك زوجك واتق الله " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২১৩
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا محمد بن الفضل، حدثنا حماد بن زيد، عن ثابت، عن أنس، قال نزلت هذه الآية في زينب بنت جحش : (فلما قضى زيد منها وطرا زوجناكها ) قال فكانت تفتخر على أزواج النبي صلى الله عليه وسلم تقول زوجكن أهلكن وزوجني الله من فوق سبع سموات . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যাইনাব বিনতু জাহশ সম্পর্কে যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল (অনুবাদ)ঃ “তারপর যাইদ যখন তার (যাইনাবের) সাথে বিয়ের সম্পর্ক শেষ করল তখন আমরা তাকে (যাইনাবকে) তোমার কাছে বিয়ে দিলাম,” তখন যাইনাব বিনতু জাহ্শ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রীদের সামনে গর্ব ভরে বলতেন, তোমাদেরকে তোমাদের পরিবারের লোকেরা বিয়ে দিয়েছেন, আর আমাকে বিয়ে দিয়েছেন সাত আসমানের উপর হতে আল্লাহ তা‘আলা। সহীহঃ মুখাতাসার আল-ঊলুয়ি (৮৪/৬), বুখারী।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যাইনাব বিনতু জাহশ সম্পর্কে যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল (অনুবাদ)ঃ “তারপর যাইদ যখন তার (যাইনাবের) সাথে বিয়ের সম্পর্ক শেষ করল তখন আমরা তাকে (যাইনাবকে) তোমার কাছে বিয়ে দিলাম,” তখন যাইনাব বিনতু জাহ্শ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রীদের সামনে গর্ব ভরে বলতেন, তোমাদেরকে তোমাদের পরিবারের লোকেরা বিয়ে দিয়েছেন, আর আমাকে বিয়ে দিয়েছেন সাত আসমানের উপর হতে আল্লাহ তা‘আলা। সহীহঃ মুখাতাসার আল-ঊলুয়ি (৮৪/৬), বুখারী।
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا محمد بن الفضل، حدثنا حماد بن زيد، عن ثابت، عن أنس، قال نزلت هذه الآية في زينب بنت جحش : (فلما قضى زيد منها وطرا زوجناكها ) قال فكانت تفتخر على أزواج النبي صلى الله عليه وسلم تقول زوجكن أهلكن وزوجني الله من فوق سبع سموات . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২১৪
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبيد الله بن موسى، عن إسرائيل، عن السدي، عن أبي صالح، عن أم هانئ بنت أبي طالب، قالت خطبني رسول الله صلى الله عليه وسلم فاعتذرت إليه فعذرني ثم أنزل الله تعالى : (إنا أحللنا لك أزواجك اللاتي آتيت أجورهن وما ملكت يمينك مما أفاء الله عليك وبنات عمك وبنات عماتك وبنات خالك وبنات خالاتك اللاتي هاجرن معك وامرأة مؤمنة إن وهبت نفسها للنبي ) الآية قالت فلم أكن أحل له لأني لم أهاجر كنت من الطلقاء . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح لا نعرفه إلا من هذا الوجه من حديث السدي .
আবূ তালিব-কন্যা উম্মু হানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বিয়ে করার পয়গাম পাঠান। আমি তাঁকে নিজের অক্ষমতা জানালাম। তিনি আমার আপত্তি গ্রহণ করলেন। তারপর আল্লাহ্ তা’আলা আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “হে নবী! আমরা তোমার জন্য বৈধ করেছি তোমার সেই স্ত্রীদের, যাদের মোহরানা তুমি আদায় করেছ এবং সেই মহিলাদেরকেও (বৈধ করেছি), যারা আল্লাহ্ তা’আলার দেয়া দাসীদের মধ্য হতে তোমার মালিকানাভুক্ত হয়েছে, তোমার সেই চাচাতো, ফুফাতো ও মামাতো বোনদেরকেও (বৈধ করেছি), যারা তোমার সাথে হিযরাত করে এসেছে, সেই মু’মিন মহিলাকেও, যে নিজেকে নবীর জন্য হেবা করে, যদি নবী তাকে বিয়ে করতে চায়। এই সুবিধাদান বিশেষভাবে তোমার জন্য, অন্যান্য ইমানদার লোকদের জন্য নয়” (সূরাঃ আল-আহ্যাব- ৫০)। রাবী (উম্মু হানী) বলেনঃ এ কারণেই আমি তাঁর জন্য বৈধ ছিলাম না। কেননা আমি তাঁর সাথে হিযরাত করিনি, আমি ছিলাম তুলাকাভুক্ত। সনদ অত্যন্ত দুর্বল
আবূ তালিব-কন্যা উম্মু হানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বিয়ে করার পয়গাম পাঠান। আমি তাঁকে নিজের অক্ষমতা জানালাম। তিনি আমার আপত্তি গ্রহণ করলেন। তারপর আল্লাহ্ তা’আলা আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “হে নবী! আমরা তোমার জন্য বৈধ করেছি তোমার সেই স্ত্রীদের, যাদের মোহরানা তুমি আদায় করেছ এবং সেই মহিলাদেরকেও (বৈধ করেছি), যারা আল্লাহ্ তা’আলার দেয়া দাসীদের মধ্য হতে তোমার মালিকানাভুক্ত হয়েছে, তোমার সেই চাচাতো, ফুফাতো ও মামাতো বোনদেরকেও (বৈধ করেছি), যারা তোমার সাথে হিযরাত করে এসেছে, সেই মু’মিন মহিলাকেও, যে নিজেকে নবীর জন্য হেবা করে, যদি নবী তাকে বিয়ে করতে চায়। এই সুবিধাদান বিশেষভাবে তোমার জন্য, অন্যান্য ইমানদার লোকদের জন্য নয়” (সূরাঃ আল-আহ্যাব- ৫০)। রাবী (উম্মু হানী) বলেনঃ এ কারণেই আমি তাঁর জন্য বৈধ ছিলাম না। কেননা আমি তাঁর সাথে হিযরাত করিনি, আমি ছিলাম তুলাকাভুক্ত। সনদ অত্যন্ত দুর্বল
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبيد الله بن موسى، عن إسرائيل، عن السدي، عن أبي صالح، عن أم هانئ بنت أبي طالب، قالت خطبني رسول الله صلى الله عليه وسلم فاعتذرت إليه فعذرني ثم أنزل الله تعالى : (إنا أحللنا لك أزواجك اللاتي آتيت أجورهن وما ملكت يمينك مما أفاء الله عليك وبنات عمك وبنات عماتك وبنات خالك وبنات خالاتك اللاتي هاجرن معك وامرأة مؤمنة إن وهبت نفسها للنبي ) الآية قالت فلم أكن أحل له لأني لم أهاجر كنت من الطلقاء . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح لا نعرفه إلا من هذا الوجه من حديث السدي .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২১৫
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا روح، عن عبد الحميد بن بهرام، عن شهر بن حوشب، قال قال ابن عباس رضى الله عنهما نهي رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أصناف النساء إلا ما كان من المؤمنات المهاجرات قال : ( لا يحل لك النساء من بعد ولا أن تبدل بهن من أزواج ولو أعجبك حسنهن إلا ما ملكت يمينك ) فأحل الله فتياتكم المؤمنات وامرأة مؤمنة إن وهبت نفسها للنبي وحرم كل ذات دين غير الإسلام ثم قال : (ومن يكفر بالإيمان فقد حبط عمله وهو في الآخرة من الخاسرين ) وقال : ( يا أيها النبي إنا أحللنا لك أزواجك اللاتي آتيت أجورهن وما ملكت يمينك مما أفاء الله عليك ) إلى قوله : ( خالصة لك من دون المؤمنين ) وحرم ما سوى ذلك من أصناف النساء . قال أبو عيسى هذا حديث حسن إنما نعرفه من حديث عبد الحميد بن بهرام . قال سمعت أحمد بن الحسن يقول قال أحمد بن حنبل لا بأس بحديث عبد الحميد بن بهرام عن شهر بن حوشب .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে হিযরাতকারিনী মু’মিন স্ত্রীলোকদের ছাড়া অন্য স্ত্রীলোকদেরকে বিয়ে করতে মানা করা হয়েছে। অতএব আল্লাহ্ তা’আলা বলেছেনঃ “এরপর তোমার জন্য কোন নারী হালাল নয় এবং তোমার স্ত্রীদের পরিবর্তে অন্য স্ত্রী গ্রহণ করারও অনুমতি নেই, যদিও তাদের রূপ সৌন্দর্য তোমাকে মুগ্ধ করে। তবে তোমার অধিকারভুক্ত দাসীদের ব্যাপার স্বতন্ত্র” (সূরাঃ আল-আহ্যাব- ৫২)। আল্লাহ্ তা’আলা তোমাদের মু’মিন দাসীদের বৈধ করেছেন। “এবং সেই মু’মিন নারীকেও (বৈধ করা হয়েছে) যে নিজেকে নবীর জন্য হেবা করে” (সূরাঃ আল-আহ্যাব- ৫০)। মুসলমান স্ত্রীলোক ব্যতীত অন্যান্য ধর্মের স্ত্রীলোকদের বিয়ে করা তাঁর জন্য অবৈধ করা হয়েছে। আল্লাহ্ তা’আলা বলেনঃ “কেউ ঈমান অস্বীকার করলে তার সকল কর্মফল নিষ্ফল হবে এবং আখিরাতে সে ক্ষতিগ্রস্ত হবে” (সূরাঃ আল-মায়িদাহ- ৫)। আল্লাহ্ তা’আলা আরো বলেছেনঃ “হে নবী! আমরা তোমার জন্য বৈধ করেছি তোমার সেই স্ত্রীদের যাদের মোহরানা তুমি পরিশোধ করেছ, সেই মহিলাদেরকেও যারা আল্লাহ্ তা’আলার দেয়া দাসীদের মধ্য হতে তোমার মালিকানাভুক্ত হয়…. এই বিশেষ সুবিধা শুধু তোমাকেই দেয়া হয়েছে, মু’মিনদেরকে নয়” (সূরাঃ আল-আহ্যাব- ৫০)। এ ছাড়া অন্য সব ধরনের মহিলাদের অবৈধ করা হয়েছে। সনদ দুর্বল,
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে হিযরাতকারিনী মু’মিন স্ত্রীলোকদের ছাড়া অন্য স্ত্রীলোকদেরকে বিয়ে করতে মানা করা হয়েছে। অতএব আল্লাহ্ তা’আলা বলেছেনঃ “এরপর তোমার জন্য কোন নারী হালাল নয় এবং তোমার স্ত্রীদের পরিবর্তে অন্য স্ত্রী গ্রহণ করারও অনুমতি নেই, যদিও তাদের রূপ সৌন্দর্য তোমাকে মুগ্ধ করে। তবে তোমার অধিকারভুক্ত দাসীদের ব্যাপার স্বতন্ত্র” (সূরাঃ আল-আহ্যাব- ৫২)। আল্লাহ্ তা’আলা তোমাদের মু’মিন দাসীদের বৈধ করেছেন। “এবং সেই মু’মিন নারীকেও (বৈধ করা হয়েছে) যে নিজেকে নবীর জন্য হেবা করে” (সূরাঃ আল-আহ্যাব- ৫০)। মুসলমান স্ত্রীলোক ব্যতীত অন্যান্য ধর্মের স্ত্রীলোকদের বিয়ে করা তাঁর জন্য অবৈধ করা হয়েছে। আল্লাহ্ তা’আলা বলেনঃ “কেউ ঈমান অস্বীকার করলে তার সকল কর্মফল নিষ্ফল হবে এবং আখিরাতে সে ক্ষতিগ্রস্ত হবে” (সূরাঃ আল-মায়িদাহ- ৫)। আল্লাহ্ তা’আলা আরো বলেছেনঃ “হে নবী! আমরা তোমার জন্য বৈধ করেছি তোমার সেই স্ত্রীদের যাদের মোহরানা তুমি পরিশোধ করেছ, সেই মহিলাদেরকেও যারা আল্লাহ্ তা’আলার দেয়া দাসীদের মধ্য হতে তোমার মালিকানাভুক্ত হয়…. এই বিশেষ সুবিধা শুধু তোমাকেই দেয়া হয়েছে, মু’মিনদেরকে নয়” (সূরাঃ আল-আহ্যাব- ৫০)। এ ছাড়া অন্য সব ধরনের মহিলাদের অবৈধ করা হয়েছে। সনদ দুর্বল,
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا روح، عن عبد الحميد بن بهرام، عن شهر بن حوشب، قال قال ابن عباس رضى الله عنهما نهي رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أصناف النساء إلا ما كان من المؤمنات المهاجرات قال : ( لا يحل لك النساء من بعد ولا أن تبدل بهن من أزواج ولو أعجبك حسنهن إلا ما ملكت يمينك ) فأحل الله فتياتكم المؤمنات وامرأة مؤمنة إن وهبت نفسها للنبي وحرم كل ذات دين غير الإسلام ثم قال : (ومن يكفر بالإيمان فقد حبط عمله وهو في الآخرة من الخاسرين ) وقال : ( يا أيها النبي إنا أحللنا لك أزواجك اللاتي آتيت أجورهن وما ملكت يمينك مما أفاء الله عليك ) إلى قوله : ( خالصة لك من دون المؤمنين ) وحرم ما سوى ذلك من أصناف النساء . قال أبو عيسى هذا حديث حسن إنما نعرفه من حديث عبد الحميد بن بهرام . قال سمعت أحمد بن الحسن يقول قال أحمد بن حنبل لا بأس بحديث عبد الحميد بن بهرام عن شهر بن حوشب .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২১৬
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو، عن عطاء، قال قالت عائشة ما مات رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى أحل له النساء . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইন্তিকালের পূর্বেই এ সব স্ত্রীলোক তাঁর জন্য হালাল করা হয়। সনদ সহীহ।
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইন্তিকালের পূর্বেই এ সব স্ত্রীলোক তাঁর জন্য হালাল করা হয়। সনদ সহীহ।
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو، عن عطاء، قال قالت عائشة ما مات رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى أحل له النساء . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২১৭
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا أشهل بن حاتم، قال ابن عون حدثناه عن عمرو بن سعيد، عن أنس بن مالك، قال كنت عند النبي صلى الله عليه وسلم فأتى باب امرأة عرس بها فإذا عندها قوم فانطلق فقضى حاجته فاحتبس ثم رجع وعندها قوم فانطلق فقضى حاجته فرجع وقد خرجوا قال فدخل وأرخى بيني وبينه سترا قال فذكرته لأبي طلحة قال فقال لئن كان كما تقول لينزلن في هذا شيء . فنزلت آية الحجاب . هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি তাঁর সদ্য বিয়ে করা স্ত্রীর ঘরের দরজায় এসে দেখেন যে, তার ঘরে কিছু সংখ্যক লোক কথাবার্তায় ব্যস্ত। তিনি ফিরে গেলেন এবং নিজের কিছু কাজ করলেন। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর তিনি আবার ফিরে এলেন। তখনো তার ঘরে লোকেরা আলাপে লিপ্ত ছিল। তিনি এবারও ফিরে গেলেন এবং নিজের কিছু কাজ করলেন। তিনি আবার তার ঘরের দিকে রাওয়ানা হলেন। এ সময়ের মধ্যে তারা সেখান হতে চলে গেছে। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি ঘরের মধ্যে ঢুকে আমার ও তাঁর মধ্যে একটি একটি পর্দা ঝুলিয়ে দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি এ ঘটনা আবূ ত্বালহা (রাঃ)-এর নিকট বর্ণনা করলাম। তিনি বললেন, তুমি যা বলেছ তা যদি ঠিক হয়, তবে এ বিষয়ে নিশ্চয়ই কোন আয়াত অবতীর্ণ হবে। বর্ণনাকারী বলেন, এই প্রেক্ষিতেই পর্দা সম্পর্কিত আয়াত (সূরা আহ্যাব ৫৩-৫৫) অবতীর্ণ হয়। সহীহঃ বুখারী (৫১৬৬, ৫৪৬৬, ৬২৩৮) অনুরূপ।
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি তাঁর সদ্য বিয়ে করা স্ত্রীর ঘরের দরজায় এসে দেখেন যে, তার ঘরে কিছু সংখ্যক লোক কথাবার্তায় ব্যস্ত। তিনি ফিরে গেলেন এবং নিজের কিছু কাজ করলেন। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর তিনি আবার ফিরে এলেন। তখনো তার ঘরে লোকেরা আলাপে লিপ্ত ছিল। তিনি এবারও ফিরে গেলেন এবং নিজের কিছু কাজ করলেন। তিনি আবার তার ঘরের দিকে রাওয়ানা হলেন। এ সময়ের মধ্যে তারা সেখান হতে চলে গেছে। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি ঘরের মধ্যে ঢুকে আমার ও তাঁর মধ্যে একটি একটি পর্দা ঝুলিয়ে দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি এ ঘটনা আবূ ত্বালহা (রাঃ)-এর নিকট বর্ণনা করলাম। তিনি বললেন, তুমি যা বলেছ তা যদি ঠিক হয়, তবে এ বিষয়ে নিশ্চয়ই কোন আয়াত অবতীর্ণ হবে। বর্ণনাকারী বলেন, এই প্রেক্ষিতেই পর্দা সম্পর্কিত আয়াত (সূরা আহ্যাব ৫৩-৫৫) অবতীর্ণ হয়। সহীহঃ বুখারী (৫১৬৬, ৫৪৬৬, ৬২৩৮) অনুরূপ।
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا أشهل بن حاتم، قال ابن عون حدثناه عن عمرو بن سعيد، عن أنس بن مالك، قال كنت عند النبي صلى الله عليه وسلم فأتى باب امرأة عرس بها فإذا عندها قوم فانطلق فقضى حاجته فاحتبس ثم رجع وعندها قوم فانطلق فقضى حاجته فرجع وقد خرجوا قال فدخل وأرخى بيني وبينه سترا قال فذكرته لأبي طلحة قال فقال لئن كان كما تقول لينزلن في هذا شيء . فنزلت آية الحجاب . هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২১৯
حدثنا عمر بن إسماعيل بن مجالد، حدثني أبي، عن بيان، عن أنس بن مالك، رضى الله عنه قال بنى رسول الله صلى الله عليه وسلم بامرأة من نسائه فأرسلني فدعوت قوما إلى الطعام فلما أكلوا وخرجوا قام رسول الله صلى الله عليه وسلم منطلقا قبل بيت عائشة فرأى رجلين جالسين فانصرف راجعا فقام الرجلان فخرجا فأنزل الله عز وجل : ( يا أيها الذين آمنوا لا تدخلوا بيوت النبي إلا أن يؤذن لكم إلى طعام غير ناظرين إناه ) وفي الحديث قصة . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب من حديث بيان . وروى ثابت عن أنس هذا الحديث بطوله .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর এক স্ত্রীর সাথে বাসর যাপন করলেন। তিনি লোকদেরকে বিয়ের অনুষ্ঠানের দা’ওয়াত দেয়ার জন্য আমাকে পাঠান। আমি লোকদের খাবারের দা’ওয়াত দিলাম। লোকেরা আহার করে বেরিয়ে চলে গেলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আয়িশা (রাঃ)-এর ঘরের দিকে গেলেন। তিনি দুই ব্যক্তিকে বসা দেখে আবার ফিরে এলেন। তারপর লোক দু’টি উঠে চলে গেল। অতঃপর আল্লাহ তা’আলা আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “হে ঈমানদারগণ! তোমরা বিনা অনুমতিতে নাবীর ঘরে ঢুকো না এবং আহারের অপেক্ষায়ও বসে থেকো না। তবে তোমাদের খাওয়ার দা’ওয়াত করা হলে তোমরা অবশ্যই আসবে, কিন্তু আহার শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সরে পড়বে এবং কথাবার্তায় মাশগুল হবে না” – (সূরা আহ্যাব ৫৩)। সহীহঃ বুখারী (৪৭৯১, ৬২৩৯, ৬২৭১) অনুরূপ।
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর এক স্ত্রীর সাথে বাসর যাপন করলেন। তিনি লোকদেরকে বিয়ের অনুষ্ঠানের দা’ওয়াত দেয়ার জন্য আমাকে পাঠান। আমি লোকদের খাবারের দা’ওয়াত দিলাম। লোকেরা আহার করে বেরিয়ে চলে গেলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আয়িশা (রাঃ)-এর ঘরের দিকে গেলেন। তিনি দুই ব্যক্তিকে বসা দেখে আবার ফিরে এলেন। তারপর লোক দু’টি উঠে চলে গেল। অতঃপর আল্লাহ তা’আলা আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “হে ঈমানদারগণ! তোমরা বিনা অনুমতিতে নাবীর ঘরে ঢুকো না এবং আহারের অপেক্ষায়ও বসে থেকো না। তবে তোমাদের খাওয়ার দা’ওয়াত করা হলে তোমরা অবশ্যই আসবে, কিন্তু আহার শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সরে পড়বে এবং কথাবার্তায় মাশগুল হবে না” – (সূরা আহ্যাব ৫৩)। সহীহঃ বুখারী (৪৭৯১, ৬২৩৯, ৬২৭১) অনুরূপ।
حدثنا عمر بن إسماعيل بن مجالد، حدثني أبي، عن بيان، عن أنس بن مالك، رضى الله عنه قال بنى رسول الله صلى الله عليه وسلم بامرأة من نسائه فأرسلني فدعوت قوما إلى الطعام فلما أكلوا وخرجوا قام رسول الله صلى الله عليه وسلم منطلقا قبل بيت عائشة فرأى رجلين جالسين فانصرف راجعا فقام الرجلان فخرجا فأنزل الله عز وجل : ( يا أيها الذين آمنوا لا تدخلوا بيوت النبي إلا أن يؤذن لكم إلى طعام غير ناظرين إناه ) وفي الحديث قصة . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب من حديث بيان . وروى ثابت عن أنس هذا الحديث بطوله .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২২০
حدثنا إسحاق بن موسى الأنصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك بن أنس، عن نعيم بن عبد الله المجمر، أن محمد بن عبد الله بن زيد الأنصاري، وعبد الله بن زيد الذي، كان أري النداء بالصلاة أخبره عن أبي مسعود الأنصاري، أنه قال أتانا رسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن في مجلس سعد بن عبادة فقال له بشير بن سعد أمرنا الله أن نصلي عليك فكيف نصلي عليك قال فسكت رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى تمنينا أنه لم يسأله ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " قولوا اللهم صل على محمد وعلى آل محمد كما صليت على آل إبراهيم وبارك على محمد وعلى آل محمد كما باركت على آل إبراهيم في العالمين إنك حميد مجيد والسلام كما قد علمتم " . قال وفي الباب عن علي وأبي حميد وكعب بن عجرة وطلحة بن عبيد الله وأبي سعيد وزيد بن خارجة ويقال ابن جارية وبريدة . قال هذا حديث حسن صحيح .
আবূ মাস‘ঊদ আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট আসলেন। আমরা এ সময় সা‘দ ইবনু ‘উবাইদাহ্র মাজলিসে হাযির ছিলাম। বাশীর ইবনু সা‘দ (রাঃ) তাঁকে বললেন, আল্লাহ তা‘আলা আপনার উপর দরূদ পড়ার জন্য আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা কিভাবে আপনার উপর দরূদ পড়ব? বর্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিশ্চুপ রইলেন। এমনকি আমাদের মনে হল, আমরা যদি তাঁকে জিজ্ঞেস না করতাম। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা বল- “আল্লাহুম্মা সল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিও ওয়া ‘আলা আ-লি মুহাম্মাদিন কামা সল্লাইতা ‘আলা ইবরাহীম, ওয়া বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিও ওয়া ‘আলা আ-লি মুহাম্মাদিন কামা বারাকতা ‘আলা ইব্রাহীমা ফিল ‘আলামীন। ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ।” আর সালাম তো সেভাবেই যেভাবে তোমাদেরকে শেখানো হয়েছে। সহীহঃ সিফাতুস্ সালাত, সহীহ্ আবূ দাঊদ (৯০১), মুসলিম।
আবূ মাস‘ঊদ আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট আসলেন। আমরা এ সময় সা‘দ ইবনু ‘উবাইদাহ্র মাজলিসে হাযির ছিলাম। বাশীর ইবনু সা‘দ (রাঃ) তাঁকে বললেন, আল্লাহ তা‘আলা আপনার উপর দরূদ পড়ার জন্য আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা কিভাবে আপনার উপর দরূদ পড়ব? বর্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিশ্চুপ রইলেন। এমনকি আমাদের মনে হল, আমরা যদি তাঁকে জিজ্ঞেস না করতাম। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা বল- “আল্লাহুম্মা সল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিও ওয়া ‘আলা আ-লি মুহাম্মাদিন কামা সল্লাইতা ‘আলা ইবরাহীম, ওয়া বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিও ওয়া ‘আলা আ-লি মুহাম্মাদিন কামা বারাকতা ‘আলা ইব্রাহীমা ফিল ‘আলামীন। ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ।” আর সালাম তো সেভাবেই যেভাবে তোমাদেরকে শেখানো হয়েছে। সহীহঃ সিফাতুস্ সালাত, সহীহ্ আবূ দাঊদ (৯০১), মুসলিম।
حدثنا إسحاق بن موسى الأنصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك بن أنس، عن نعيم بن عبد الله المجمر، أن محمد بن عبد الله بن زيد الأنصاري، وعبد الله بن زيد الذي، كان أري النداء بالصلاة أخبره عن أبي مسعود الأنصاري، أنه قال أتانا رسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن في مجلس سعد بن عبادة فقال له بشير بن سعد أمرنا الله أن نصلي عليك فكيف نصلي عليك قال فسكت رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى تمنينا أنه لم يسأله ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " قولوا اللهم صل على محمد وعلى آل محمد كما صليت على آل إبراهيم وبارك على محمد وعلى آل محمد كما باركت على آل إبراهيم في العالمين إنك حميد مجيد والسلام كما قد علمتم " . قال وفي الباب عن علي وأبي حميد وكعب بن عجرة وطلحة بن عبيد الله وأبي سعيد وزيد بن خارجة ويقال ابن جارية وبريدة . قال هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২২১
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا روح بن عبادة، عن عوف، عن الحسن، ومحمد، وخلاس، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم " أن موسى عليه السلام كان رجلا حييا ستيرا ما يرى من جلده شيء استحياء منه فآذاه من آذاه من بني إسرائيل فقالوا ما يستتر هذا الستر إلا من عيب بجلده إما برص وإما أدرة وإما آفة وإن الله عز وجل أراد أن يبرئه مما قالوا وإن موسى عليه السلام خلا يوما وحده فوضع ثيابه على حجر ثم اغتسل فلما فرغ أقبل إلى ثيابه ليأخذها وإن الحجر عدا بثوبه فأخذ موسى عصاه فطلب الحجر فجعل يقول ثوبي حجر ثوبي حجر حتى انتهى إلى ملإ من بني إسرائيل فرأوه عريانا أحسن الناس خلقا وأبرأه مما كانوا يقولون قال وقام الحجر فأخذ ثوبه ولبسه وطفق بالحجر ضربا بعصاه فوالله إن بالحجر لندبا من أثر عصاه ثلاثا أو أربعا أو خمسا فذلك قوله تعالى : ( يا أيها الذين آمنوا لا تكونوا كالذين آذوا موسى فبرأه الله مما قالوا وكان عند الله وجيها ) . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح وقد روي من غير وجه عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم وفيه عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেনঃ মূসা (‘আঃ) খুবই লজ্জাশীল লোক ছিলেন। তিনি নিজের শরীর ভালভাবেই ঢেকে রাখতেন। লজ্জার কারণে তাঁর গায়ের কোন অংশই প্রকাশ পেত না। বানী ইসরাঈলের মন্দ প্রকৃতির কয়েক লোক তাকে বিভিন্নভাবে দুঃখ দিত। এরা বলত, তাঁর এভাবে দেহ ঢেকে রাখার কারণ তাঁর গায়ের কোন সমস্যা আছে অথবা তাঁর গায়ে ধবল রোগ আছে অথবা তাঁর অণ্ডকোষ খুব বড় অথবা অন্য কোন সমস্যা আছে। আল্লাহ তা‘আলা তাদের এসব অপবাদ হতে তাঁকে মুক্ত করার ইচ্ছা করলেন। মূসা (‘আঃ) এক দিন একাকী নিজের পোশাক খুলে তা একটি পাথরের উপর রেখে গোসল করতে নামলেন। গোসল শেষে তিনি কাপড় নেয়ার জন্য উঠে এলে পাথরটি তাঁর কাপড়সহ দৌড়াতে থাকে। মূসা (‘আঃ) নিজের লাঠি তুলে নিয়ে পাথরের পিছে পিছে ছোটেন এবং বলতে থাকেনঃ হে পাথর! আমার কাপড় (ফিরিয়ে দাও), হে পাথর! আমার কাপড় (ফিরিয়ে দাও)। এই বলে পাথরের পিছু ধাওয়া করতে করতে তিনি বানী ইসরাঈলের একটি দলের নিকট পৌছে গেলেন। তারা তাঁকে বস্ত্রহীন অবস্থায় দেখতে পেল। তারা তাঁর সমস্ত অঙ্গ-প্রতঙ্গ সুষ্ঠ সুন্দর দেখল। আল্লাহ তাকে তাদের অপবাদ হতে সম্পূর্ণ মুক্ত করলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ পাথর থেমে গেল এবং তিনি তাঁর বস্ত্র নিয়ে পরিধান করলেন। তিনি নিজের লাঠি দিয়ে পাথরটিকে আঘাত করতে লাগলেন। আল্লাহর ক্বসম! পাথরের উপর তাঁর লাঠির আঘাতের তিন, চার অথবা পাঁচটি দাগ পড়ে গেল। এ প্রসঙ্গেই আল্লাহ তা‘আলা ফরমানঃ “হে ঈমানদারগণ! যেসব ব্যক্তি মূসাকে দুঃখ দিয়েছিল তোমরা তাদের মত হয়ো না। আল্লাহ তা‘আলা তাদের বানানো কথাবার্তা হতে তার নির্দোষিতা প্রমাণ করেছেন। তিনি আল্লাহ তা‘আলার নিকট সম্মানের পাত্র ছিলেন” – (সূরা আহ্যাব ৬৯)। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেনঃ মূসা (‘আঃ) খুবই লজ্জাশীল লোক ছিলেন। তিনি নিজের শরীর ভালভাবেই ঢেকে রাখতেন। লজ্জার কারণে তাঁর গায়ের কোন অংশই প্রকাশ পেত না। বানী ইসরাঈলের মন্দ প্রকৃতির কয়েক লোক তাকে বিভিন্নভাবে দুঃখ দিত। এরা বলত, তাঁর এভাবে দেহ ঢেকে রাখার কারণ তাঁর গায়ের কোন সমস্যা আছে অথবা তাঁর গায়ে ধবল রোগ আছে অথবা তাঁর অণ্ডকোষ খুব বড় অথবা অন্য কোন সমস্যা আছে। আল্লাহ তা‘আলা তাদের এসব অপবাদ হতে তাঁকে মুক্ত করার ইচ্ছা করলেন। মূসা (‘আঃ) এক দিন একাকী নিজের পোশাক খুলে তা একটি পাথরের উপর রেখে গোসল করতে নামলেন। গোসল শেষে তিনি কাপড় নেয়ার জন্য উঠে এলে পাথরটি তাঁর কাপড়সহ দৌড়াতে থাকে। মূসা (‘আঃ) নিজের লাঠি তুলে নিয়ে পাথরের পিছে পিছে ছোটেন এবং বলতে থাকেনঃ হে পাথর! আমার কাপড় (ফিরিয়ে দাও), হে পাথর! আমার কাপড় (ফিরিয়ে দাও)। এই বলে পাথরের পিছু ধাওয়া করতে করতে তিনি বানী ইসরাঈলের একটি দলের নিকট পৌছে গেলেন। তারা তাঁকে বস্ত্রহীন অবস্থায় দেখতে পেল। তারা তাঁর সমস্ত অঙ্গ-প্রতঙ্গ সুষ্ঠ সুন্দর দেখল। আল্লাহ তাকে তাদের অপবাদ হতে সম্পূর্ণ মুক্ত করলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ পাথর থেমে গেল এবং তিনি তাঁর বস্ত্র নিয়ে পরিধান করলেন। তিনি নিজের লাঠি দিয়ে পাথরটিকে আঘাত করতে লাগলেন। আল্লাহর ক্বসম! পাথরের উপর তাঁর লাঠির আঘাতের তিন, চার অথবা পাঁচটি দাগ পড়ে গেল। এ প্রসঙ্গেই আল্লাহ তা‘আলা ফরমানঃ “হে ঈমানদারগণ! যেসব ব্যক্তি মূসাকে দুঃখ দিয়েছিল তোমরা তাদের মত হয়ো না। আল্লাহ তা‘আলা তাদের বানানো কথাবার্তা হতে তার নির্দোষিতা প্রমাণ করেছেন। তিনি আল্লাহ তা‘আলার নিকট সম্মানের পাত্র ছিলেন” – (সূরা আহ্যাব ৬৯)। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا روح بن عبادة، عن عوف، عن الحسن، ومحمد، وخلاس، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم " أن موسى عليه السلام كان رجلا حييا ستيرا ما يرى من جلده شيء استحياء منه فآذاه من آذاه من بني إسرائيل فقالوا ما يستتر هذا الستر إلا من عيب بجلده إما برص وإما أدرة وإما آفة وإن الله عز وجل أراد أن يبرئه مما قالوا وإن موسى عليه السلام خلا يوما وحده فوضع ثيابه على حجر ثم اغتسل فلما فرغ أقبل إلى ثيابه ليأخذها وإن الحجر عدا بثوبه فأخذ موسى عصاه فطلب الحجر فجعل يقول ثوبي حجر ثوبي حجر حتى انتهى إلى ملإ من بني إسرائيل فرأوه عريانا أحسن الناس خلقا وأبرأه مما كانوا يقولون قال وقام الحجر فأخذ ثوبه ولبسه وطفق بالحجر ضربا بعصاه فوالله إن بالحجر لندبا من أثر عصاه ثلاثا أو أربعا أو خمسا فذلك قوله تعالى : ( يا أيها الذين آمنوا لا تكونوا كالذين آذوا موسى فبرأه الله مما قالوا وكان عند الله وجيها ) . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح وقد روي من غير وجه عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم وفيه عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم .
জামে' আত-তিরমিজি ৩২১৮
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جعفر بن سليمان الضبعي، عن الجعد بن عثمان، عن أنس بن مالك، رضى الله عنه قال تزوج رسول الله صلى الله عليه وسلم فدخل بأهله - قال - فصنعت أمي أم سليم حيسا فجعلته في تور فقالت يا أنس اذهب بهذا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقل له بعثت إليك بها أمي وهي تقرئك السلام وتقول إن هذا لك منا قليل يا رسول الله . قال فذهبت به إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت إن أمي تقرئك السلام وتقول إن هذا منا لك قليل . فقال " ضعه " . ثم قال " اذهب فادع لي فلانا وفلانا وفلانا ومن لقيت " . فسمى رجالا قال فدعوت من سمى ومن لقيت قال قلت لأنس عددكم كم كانوا قال زهاء ثلاثمائة . قال وقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا أنس هات التور " . قال فدخلوا حتى امتلأت الصفة والحجرة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ليتحلق عشرة عشرة وليأكل كل إنسان مما يليه " . قال فأكلوا حتى شبعوا قال فخرجت طائفة ودخلت طائفة حتى أكلوا كلهم . قال فقال لي " يا أنس ارفع " . قال فرفعت فما أدري حين وضعت كان أكثر أم حين رفعت قال وجلس منهم طوائف يتحدثون في بيت رسول الله صلى الله عليه وسلم ورسول الله صلى الله عليه وسلم جالس وزوجته مولية وجهها إلى الحائط فثقلوا على رسول الله صلى الله عليه وسلم فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فسلم على نسائه ثم رجع فلما رأوا رسول الله صلى الله عليه وسلم قد رجع ظنوا أنهم قد ثقلوا عليه قال فابتدروا الباب فخرجوا كلهم وجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى أرخى الستر ودخل وأنا جالس في الحجرة فلم يلبث إلا يسيرا حتى خرج على وأنزلت هذه الآيات فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فقرأهن على الناس : ( يا أيها الذين آمنوا لا تدخلوا بيوت النبي إلا أن يؤذن لكم إلى طعام غير ناظرين إناه ) إلى آخر الآية . قال الجعد قال أنس أنا أحدث الناس عهدا بهذه الآيات وحجبن نساء رسول الله صلى الله عليه وسلم . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح . والجعد هو ابن عثمان ويقال هو ابن دينار ويكنى أبا عثمان بصري وهو ثقة عند أهل الحديث روى عنه يونس بن عبيد وشعبة وحماد بن زيد .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিয়ে করলেন এবং নিজের ঘরে গেলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমার মা উম্মু সুলাইম (রাঃ) হাইস (খেজুর, ঘি ও ছাতু সহযোগে এক প্রকার মিষ্টান্ন) বানালেন। তিনি একটি ছোট পাত্রে তা রেখে বললেন, হে আনাস! এটা নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট যাও। তাঁকে বল, ‘এটা আমার মা আপনার জন্য পাঠিয়েছেন, আর তিনি আপনাকে সালাম জানিয়েছেন এবং বলেছেন, হে আল্লাহর রাসূল! এটা আমাদের দিক হতে আপনার জন্য একটি নগণ্য উপহার। বর্ণনাকারী বলেন, আমি এই ‘হাইস’ নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গেলাম এবং বললাম, আমার মা আপনাকে সালাম জানিয়েছেন এবং তিনি বলেছেন, এটা আমাদের দিক হতে আপনার জন্য খুব সামান্য উপহার। তিনি বললেনঃ এটা রাখ। তারপর তিনি বললেনঃ তুমি গিয়ে অমুক, অমুক ও অমুক লোককে এবং পথিমধ্যে যাদের সঙ্গে তোমার কথা হবে তাদেরকেও দা’ওয়াত দিয়ে নিয়ে আস। তিনি কয়েক লোকের নামও বলে দিলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, তিনি যাদের নাম উল্লেখ করে বলে দিয়েছেন এবং পথিমধ্যে আমার সঙ্গে যাদের দেখা হয়েছে আমি তাদের সবাইকে দা’ওয়াত করে নিয়ে এলাম। অধঃস্তন বর্ণনাকারী (জা’দ আবূ ‘উসমান) বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, তাদের মোট সংখ্যা কত ছিল? তিনি বললেন, প্রায় তিন শত। আনাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ হে আনাস! ছোট পাত্রটি নিয়ে এসো। আনাস (রাঃ) বলেন, দা’ওয়াতকৃত ব্যক্তিরা এলে তাদের ভীড়ে চত্বর ও হুজরাহ্ ভরে গেল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ দশ দশজন করে গোলাকারে বসে যাও এবং প্রতিটি লোক যেন নিজের নিকটের দিকে থেকে খায়। বর্ণনাকারী বলেন, লোকেরা পরিতৃপ্তি সহকারে খেল। একদল খেয়ে চলে গেলে অপর দল খেতে বসত। এভাবে সবাই আহার করল। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমাকে বললেনঃ হে আনাস! পাত্রটি তুলে নিয়ে যাও। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি তা উঠিয়ে নিলাম, কিন্তু বলতে পারব না, যখন আমি হাইসের পাত্র রেখেছিলাম তখন কি তাতে অনেক হাইস ছিল না যখন তুলে নিলাম তখন বেশী ছিল! আনাস (রাঃ) বলেন, দা’ওয়াতকৃতদের গল্পে রত কিছু লোক রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ঘরে বসে আলাপে রত রইল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বিদায় হওয়ার অপেক্ষায় বসে রইলেন। তাঁর স্ত্রী দেয়ালের দিকে মুখ করে বসে রইলেন। তারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্য একটি বিরক্তিকর বোঝা হল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উঠে গিয়ে তাঁর স্ত্রীদের সালাম করলেন, তারপর আবার ফিরে এলেন। তারা যখন দেখল যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফিরে আসছেন, তখন তারা অনুভব করল যে, তারা তাঁর জন্য বিরক্তির বিষয় হয়ে পড়েছে। অতএব তারা সকলে উঠে দরজা দিয়ে বের হয়ে গেল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে পর্দা ছেড়ে দিয়ে হুজরায় প্রবেশ করলেন। আমি হুজরার মধ্যে (পর্দার এ পাশে) বসে থাকলাম। কিছু সময় পর তিনি বের হয়ে আমার নিকট এলেন। তখন নিম্নের আয়াতগুলো অবতীর্ণ হয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাইরে বের হয়ে গিয়ে লোকদের সামনে তা পড়লেন (অনুবাদ)ঃ “হে ঈমানদারগণ! তোমরা বিনা অনুমতিতে নাবীর ঘরের মধ্যে প্রবেশ করো না এবং আহারের জন্য এসে অপেক্ষায় বসে থেকো না। যদি তোমাদের আহারের জন্য দা’ওয়াত দেয়া হয় তবে অবশ্যই আসবে, কিন্তু খাওয়া-দাওয়া শেষ করার সাথে সাথে সরে পড়বে এবং কথাবার্তায় মাশগুল হবে না। তোমাদের এ ধরনের আচরণ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দুঃখ দেয় কিন্তু সে লজ্জায় কিছুই বলে না। আর আল্লাহ তা’আলা সত্য কথা বলতে লজ্জা বোধ করেন না। নাবীর স্ত্রীদের নিকট তোমাদের কিছু চাওয়ার প্রয়োজন হলে পর্দার আড়াল হতেই তাদের নিকট তা চাও। তোমাদের এবং তাদের অন্তরের পবিত্রতা রক্ষার জন্য এটাই ভাল কাজ। আল্লাহ তা’আলার রাসূলকে কষ্ট দেয়া এবং তার ইন্তিকালের পর তার স্ত্রীদের বিয়ে করা তোমাদের জন্য কখনো জায়িয নয়। এটা আল্লাহ তা’আলার নিকট অতি বড় গুনাহ।”(সূরা আহ্যাব ৫৩) জা’দ (রহঃ) বলেন, আনাস (রাঃ) বলেছেন, আমিই সকলের আগে এ আয়াত প্রসঙ্গে অবগত হই এবং সেদিন হতেই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রীগণ পর্দা করেন। সহীহঃ বুখারী, মুসলিম।
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিয়ে করলেন এবং নিজের ঘরে গেলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমার মা উম্মু সুলাইম (রাঃ) হাইস (খেজুর, ঘি ও ছাতু সহযোগে এক প্রকার মিষ্টান্ন) বানালেন। তিনি একটি ছোট পাত্রে তা রেখে বললেন, হে আনাস! এটা নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট যাও। তাঁকে বল, ‘এটা আমার মা আপনার জন্য পাঠিয়েছেন, আর তিনি আপনাকে সালাম জানিয়েছেন এবং বলেছেন, হে আল্লাহর রাসূল! এটা আমাদের দিক হতে আপনার জন্য একটি নগণ্য উপহার। বর্ণনাকারী বলেন, আমি এই ‘হাইস’ নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গেলাম এবং বললাম, আমার মা আপনাকে সালাম জানিয়েছেন এবং তিনি বলেছেন, এটা আমাদের দিক হতে আপনার জন্য খুব সামান্য উপহার। তিনি বললেনঃ এটা রাখ। তারপর তিনি বললেনঃ তুমি গিয়ে অমুক, অমুক ও অমুক লোককে এবং পথিমধ্যে যাদের সঙ্গে তোমার কথা হবে তাদেরকেও দা’ওয়াত দিয়ে নিয়ে আস। তিনি কয়েক লোকের নামও বলে দিলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, তিনি যাদের নাম উল্লেখ করে বলে দিয়েছেন এবং পথিমধ্যে আমার সঙ্গে যাদের দেখা হয়েছে আমি তাদের সবাইকে দা’ওয়াত করে নিয়ে এলাম। অধঃস্তন বর্ণনাকারী (জা’দ আবূ ‘উসমান) বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, তাদের মোট সংখ্যা কত ছিল? তিনি বললেন, প্রায় তিন শত। আনাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ হে আনাস! ছোট পাত্রটি নিয়ে এসো। আনাস (রাঃ) বলেন, দা’ওয়াতকৃত ব্যক্তিরা এলে তাদের ভীড়ে চত্বর ও হুজরাহ্ ভরে গেল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ দশ দশজন করে গোলাকারে বসে যাও এবং প্রতিটি লোক যেন নিজের নিকটের দিকে থেকে খায়। বর্ণনাকারী বলেন, লোকেরা পরিতৃপ্তি সহকারে খেল। একদল খেয়ে চলে গেলে অপর দল খেতে বসত। এভাবে সবাই আহার করল। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমাকে বললেনঃ হে আনাস! পাত্রটি তুলে নিয়ে যাও। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি তা উঠিয়ে নিলাম, কিন্তু বলতে পারব না, যখন আমি হাইসের পাত্র রেখেছিলাম তখন কি তাতে অনেক হাইস ছিল না যখন তুলে নিলাম তখন বেশী ছিল! আনাস (রাঃ) বলেন, দা’ওয়াতকৃতদের গল্পে রত কিছু লোক রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ঘরে বসে আলাপে রত রইল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বিদায় হওয়ার অপেক্ষায় বসে রইলেন। তাঁর স্ত্রী দেয়ালের দিকে মুখ করে বসে রইলেন। তারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্য একটি বিরক্তিকর বোঝা হল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উঠে গিয়ে তাঁর স্ত্রীদের সালাম করলেন, তারপর আবার ফিরে এলেন। তারা যখন দেখল যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফিরে আসছেন, তখন তারা অনুভব করল যে, তারা তাঁর জন্য বিরক্তির বিষয় হয়ে পড়েছে। অতএব তারা সকলে উঠে দরজা দিয়ে বের হয়ে গেল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে পর্দা ছেড়ে দিয়ে হুজরায় প্রবেশ করলেন। আমি হুজরার মধ্যে (পর্দার এ পাশে) বসে থাকলাম। কিছু সময় পর তিনি বের হয়ে আমার নিকট এলেন। তখন নিম্নের আয়াতগুলো অবতীর্ণ হয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাইরে বের হয়ে গিয়ে লোকদের সামনে তা পড়লেন (অনুবাদ)ঃ “হে ঈমানদারগণ! তোমরা বিনা অনুমতিতে নাবীর ঘরের মধ্যে প্রবেশ করো না এবং আহারের জন্য এসে অপেক্ষায় বসে থেকো না। যদি তোমাদের আহারের জন্য দা’ওয়াত দেয়া হয় তবে অবশ্যই আসবে, কিন্তু খাওয়া-দাওয়া শেষ করার সাথে সাথে সরে পড়বে এবং কথাবার্তায় মাশগুল হবে না। তোমাদের এ ধরনের আচরণ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দুঃখ দেয় কিন্তু সে লজ্জায় কিছুই বলে না। আর আল্লাহ তা’আলা সত্য কথা বলতে লজ্জা বোধ করেন না। নাবীর স্ত্রীদের নিকট তোমাদের কিছু চাওয়ার প্রয়োজন হলে পর্দার আড়াল হতেই তাদের নিকট তা চাও। তোমাদের এবং তাদের অন্তরের পবিত্রতা রক্ষার জন্য এটাই ভাল কাজ। আল্লাহ তা’আলার রাসূলকে কষ্ট দেয়া এবং তার ইন্তিকালের পর তার স্ত্রীদের বিয়ে করা তোমাদের জন্য কখনো জায়িয নয়। এটা আল্লাহ তা’আলার নিকট অতি বড় গুনাহ।”(সূরা আহ্যাব ৫৩) জা’দ (রহঃ) বলেন, আনাস (রাঃ) বলেছেন, আমিই সকলের আগে এ আয়াত প্রসঙ্গে অবগত হই এবং সেদিন হতেই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রীগণ পর্দা করেন। সহীহঃ বুখারী, মুসলিম।
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جعفر بن سليمان الضبعي، عن الجعد بن عثمان، عن أنس بن مالك، رضى الله عنه قال تزوج رسول الله صلى الله عليه وسلم فدخل بأهله - قال - فصنعت أمي أم سليم حيسا فجعلته في تور فقالت يا أنس اذهب بهذا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقل له بعثت إليك بها أمي وهي تقرئك السلام وتقول إن هذا لك منا قليل يا رسول الله . قال فذهبت به إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت إن أمي تقرئك السلام وتقول إن هذا منا لك قليل . فقال " ضعه " . ثم قال " اذهب فادع لي فلانا وفلانا وفلانا ومن لقيت " . فسمى رجالا قال فدعوت من سمى ومن لقيت قال قلت لأنس عددكم كم كانوا قال زهاء ثلاثمائة . قال وقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا أنس هات التور " . قال فدخلوا حتى امتلأت الصفة والحجرة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ليتحلق عشرة عشرة وليأكل كل إنسان مما يليه " . قال فأكلوا حتى شبعوا قال فخرجت طائفة ودخلت طائفة حتى أكلوا كلهم . قال فقال لي " يا أنس ارفع " . قال فرفعت فما أدري حين وضعت كان أكثر أم حين رفعت قال وجلس منهم طوائف يتحدثون في بيت رسول الله صلى الله عليه وسلم ورسول الله صلى الله عليه وسلم جالس وزوجته مولية وجهها إلى الحائط فثقلوا على رسول الله صلى الله عليه وسلم فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فسلم على نسائه ثم رجع فلما رأوا رسول الله صلى الله عليه وسلم قد رجع ظنوا أنهم قد ثقلوا عليه قال فابتدروا الباب فخرجوا كلهم وجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى أرخى الستر ودخل وأنا جالس في الحجرة فلم يلبث إلا يسيرا حتى خرج على وأنزلت هذه الآيات فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فقرأهن على الناس : ( يا أيها الذين آمنوا لا تدخلوا بيوت النبي إلا أن يؤذن لكم إلى طعام غير ناظرين إناه ) إلى آخر الآية . قال الجعد قال أنس أنا أحدث الناس عهدا بهذه الآيات وحجبن نساء رسول الله صلى الله عليه وسلم . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح . والجعد هو ابن عثمان ويقال هو ابن دينار ويكنى أبا عثمان بصري وهو ثقة عند أهل الحديث روى عنه يونس بن عبيد وشعبة وحماد بن زيد .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৯৯
حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، أخبرنا صاعد الحراني، حدثنا زهير، أخبرنا قابوس بن أبي ظبيان، أن أباه، حدثه قال قلنا لابن عباس أرأيت قول الله عز وجل : (ما جعل الله لرجل من قلبين في جوفه ) ما عنى بذلك قال قام نبي الله صلى الله عليه وسلم يوما يصلي فخطر خطرة فقال المنافقون الذين يصلون معه ألا ترى أن له قلبين قلبا معكم وقلبا معهم . فأنزل الله : (ما جعل الله لرجل من قلبين في جوفه ) .
কাবূস ইবনু আবূ যাব্ইয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তার পিতা তাকে বলেছেন, আমরা ইবনু আব্বাস (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলামঃ আপনি কি বলেন, আল্লাহ্ তা'আলার বাণী "আল্লাহ্ তা'আলা কোন ব্যক্তির বক্ষে দুটি হৃদয় তৈরী করেননি" (সুরাঃ আল-আহযাব- ৪), এর অর্থ কি? তিনি বললেন, একদিন আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উঠে দাঁড়িয়ে নামায আদায় করলেন। নামাযে তাঁর কিছু (ওয়াসওয়াসা জাতীয়) ত্রুটি হয়। যেসব মুনাফিক তাঁর সাথে নামায আদায় করে তারা একে অপরকে বলল, তোমরা কি দেখতে পাচ্ছ না যে, তাঁর দুটি হৃদয় আছে? একটি হৃদয় তোমাদের সাথে, অন্যটি হৃদয় তাদের সাথে থাকে। এই পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ্ তা'আলা অবতীর্ণ করেনঃ "কোন ব্যক্তির বক্ষে আল্লাহ্ তা'আলা দুটি হৃদয় তৈরী করেননি"। সনদ দুর্বল, আব্দ ইবনু হুমাইদ-আহ্মাদ ইবনু ইউনুস হতে তিনি যুহাইর (রহঃ) সূত্রে উপরের হাদীসের মতই হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান। এ সনদটিও দুর্বল।
কাবূস ইবনু আবূ যাব্ইয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তার পিতা তাকে বলেছেন, আমরা ইবনু আব্বাস (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলামঃ আপনি কি বলেন, আল্লাহ্ তা'আলার বাণী "আল্লাহ্ তা'আলা কোন ব্যক্তির বক্ষে দুটি হৃদয় তৈরী করেননি" (সুরাঃ আল-আহযাব- ৪), এর অর্থ কি? তিনি বললেন, একদিন আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উঠে দাঁড়িয়ে নামায আদায় করলেন। নামাযে তাঁর কিছু (ওয়াসওয়াসা জাতীয়) ত্রুটি হয়। যেসব মুনাফিক তাঁর সাথে নামায আদায় করে তারা একে অপরকে বলল, তোমরা কি দেখতে পাচ্ছ না যে, তাঁর দুটি হৃদয় আছে? একটি হৃদয় তোমাদের সাথে, অন্যটি হৃদয় তাদের সাথে থাকে। এই পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ্ তা'আলা অবতীর্ণ করেনঃ "কোন ব্যক্তির বক্ষে আল্লাহ্ তা'আলা দুটি হৃদয় তৈরী করেননি"। সনদ দুর্বল, আব্দ ইবনু হুমাইদ-আহ্মাদ ইবনু ইউনুস হতে তিনি যুহাইর (রহঃ) সূত্রে উপরের হাদীসের মতই হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান। এ সনদটিও দুর্বল।
حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، أخبرنا صاعد الحراني، حدثنا زهير، أخبرنا قابوس بن أبي ظبيان، أن أباه، حدثه قال قلنا لابن عباس أرأيت قول الله عز وجل : (ما جعل الله لرجل من قلبين في جوفه ) ما عنى بذلك قال قام نبي الله صلى الله عليه وسلم يوما يصلي فخطر خطرة فقال المنافقون الذين يصلون معه ألا ترى أن له قلبين قلبا معكم وقلبا معهم . فأنزل الله : (ما جعل الله لرجل من قلبين في جوفه ) .