জামে' আত-তিরমিজি > সূরা মারইয়াম

জামে' আত-তিরমিজি ৩১৫৭

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا الحسين بن محمد، حدثنا شيبان، عن قتادة، في قوله ‏:‏ ‏(‏ورفعناه مكانا عليا ‏)‏ قال حدثنا أنس بن مالك، أن نبي الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ لما عرج بي رأيت إدريس في السماء الرابعة ‏"‏ ‏.‏ قال وفي الباب عن أبي سعيد عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال وهذا حديث حسن صحيح وقد رواه سعيد بن أبي عروبة وهمام وغير واحد عن قتادة عن أنس عن مالك بن صعصعة عن النبي صلى الله عليه وسلم حديث المعراج بطوله وهذا عندنا مختصر من ذاك ‏.‏

ক্বাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ তা‘আলার বাণী : “আর আমরা তাকে উচ্চতর স্থানে উন্নীত করেছি”- (সূরা মারইয়াম ৫৭) প্রসঙ্গে তিনি (কাত্বাদাহ) বলেন, আমাদের নিকট আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমাকে যখন মি‘রাজে নিয়ে যাওয়া হয় আমি তখন ইদরীস (‘আঃ)- চতুর্থ আসমানে দেখেছি। সহীহ : মুসলিম (১/১০০), দীর্ঘ বর্ণনা।

ক্বাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ তা‘আলার বাণী : “আর আমরা তাকে উচ্চতর স্থানে উন্নীত করেছি”- (সূরা মারইয়াম ৫৭) প্রসঙ্গে তিনি (কাত্বাদাহ) বলেন, আমাদের নিকট আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমাকে যখন মি‘রাজে নিয়ে যাওয়া হয় আমি তখন ইদরীস (‘আঃ)- চতুর্থ আসমানে দেখেছি। সহীহ : মুসলিম (১/১০০), দীর্ঘ বর্ণনা।

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا الحسين بن محمد، حدثنا شيبان، عن قتادة، في قوله ‏:‏ ‏(‏ورفعناه مكانا عليا ‏)‏ قال حدثنا أنس بن مالك، أن نبي الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ لما عرج بي رأيت إدريس في السماء الرابعة ‏"‏ ‏.‏ قال وفي الباب عن أبي سعيد عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال وهذا حديث حسن صحيح وقد رواه سعيد بن أبي عروبة وهمام وغير واحد عن قتادة عن أنس عن مالك بن صعصعة عن النبي صلى الله عليه وسلم حديث المعراج بطوله وهذا عندنا مختصر من ذاك ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩১৫৮

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا يعلى بن عبيد، حدثنا عمر بن ذر، عن أبيه، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لجبريل ‏"‏ ما يمنعك أن تزورنا أكثر مما تزورنا ‏"‏ ‏.‏ قال فنزلت هذه الآية ‏:‏ ‏(‏وما نتنزل إلا بأمر ربك ‏)‏ إلى آخر الآية ‏.‏ قال هذا حديث حسن غريب ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জিবরীল (‘আঃ)-কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আপনি যে কতবার আমাদের সাথে সাক্ষাৎ করেন তার বেশি সাক্ষাৎ করতে কিসে আপনাকে বাধা দেয়? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ কথার পরিপ্রেক্ষিতে এ আয়াতটি অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “আপনার রবের নির্দেশ ব্যতীত আমরা অবতীর্ণ হই না। আমাদের যা কিছু সম্মুখে আছে, আমাদের পিছনে যা কিছু আছে এবং এ দুয়ের মাঝখানে যা কিছু আছে, সে সবের প্রভু তিনিই। আপনার প্রতিপালক কখনো ভুলে যান না” (সূরা মারইয়াম ৬৪)। সহীহ : বুখারী (৪৭৩১)।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জিবরীল (‘আঃ)-কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আপনি যে কতবার আমাদের সাথে সাক্ষাৎ করেন তার বেশি সাক্ষাৎ করতে কিসে আপনাকে বাধা দেয়? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ কথার পরিপ্রেক্ষিতে এ আয়াতটি অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “আপনার রবের নির্দেশ ব্যতীত আমরা অবতীর্ণ হই না। আমাদের যা কিছু সম্মুখে আছে, আমাদের পিছনে যা কিছু আছে এবং এ দুয়ের মাঝখানে যা কিছু আছে, সে সবের প্রভু তিনিই। আপনার প্রতিপালক কখনো ভুলে যান না” (সূরা মারইয়াম ৬৪)। সহীহ : বুখারী (৪৭৩১)।

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا يعلى بن عبيد، حدثنا عمر بن ذر، عن أبيه، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لجبريل ‏"‏ ما يمنعك أن تزورنا أكثر مما تزورنا ‏"‏ ‏.‏ قال فنزلت هذه الآية ‏:‏ ‏(‏وما نتنزل إلا بأمر ربك ‏)‏ إلى آخر الآية ‏.‏ قال هذا حديث حسن غريب ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩১৬২

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن الأعمش، عن أبي الضحى، عن مسروق، قال سمعت خباب بن الأرت، يقول جئت العاصي بن وائل السهمي أتقاضاه حقا لي عنده فقال لا أعطيك حتى تكفر بمحمد ‏.‏ فقلت لا حتى تموت ثم تبعث ‏.‏ قال وإني لميت ثم مبعوث فقلت نعم ‏.‏ فقال إن لي هناك مالا وولدا فأقضيك ‏.‏ فنزلت ‏:‏ ‏(‏ أرأيت الذي كفر بآياتنا وقال لأوتين مالا وولدا ‏)‏ الآية ‏.‏

মাসরূক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খাব্বার ইবনুল আরাত্তি (রাঃ)-কে আমি বলতে শুনেছিঃ আমার একটি স্বত্ত্ব ‘আস ইবনু ওয়ায়িল আস-সাহমীর যিম্মায় ছিল। এ ব্যাপারে তাগাদা দেয়ার উদ্দেশ্যে আমি তার নিকট আসলাম। সে বলল, যে পর্যন্ত তুমি মুহাম্মাদের নবুওয়াত অস্বীকার না করবে, সে পর্যন্ত আমি তোমার স্বত্ত্ব ফিরিয়ে দিব না। আমি বললাম, তুমি মৃত্যুর পর ক্বিয়ামত দিবসে আবার জীবিত হয়ে না উঠা পর্যন্ত তা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। সে বলল, আমি মৃত্যুবরণ করব এবং আবার জীবিত হব? আমি বললাম, হ্যাঁ। সে বলল, তাহলে আমার ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিও সেখানে থাকবে আর সেখানে তোমার পাওনাটা ফিরিয়ে দিব। এই কথার পরিপ্রেক্ষিতে অবতীর্ণ হয়ঃ “তুমি কি সেই লোককে দেখেছ, যে আমার আয়াতসমূহ অস্বীকার করেছে এবং সে বলেছে, আমাকে তো ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিতে ধন্য করা হবে”-(সূরা মারইয়াম ৭৭)। সহীহঃ বুখারী (৪৭৩২), মুসলিম।

মাসরূক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খাব্বার ইবনুল আরাত্তি (রাঃ)-কে আমি বলতে শুনেছিঃ আমার একটি স্বত্ত্ব ‘আস ইবনু ওয়ায়িল আস-সাহমীর যিম্মায় ছিল। এ ব্যাপারে তাগাদা দেয়ার উদ্দেশ্যে আমি তার নিকট আসলাম। সে বলল, যে পর্যন্ত তুমি মুহাম্মাদের নবুওয়াত অস্বীকার না করবে, সে পর্যন্ত আমি তোমার স্বত্ত্ব ফিরিয়ে দিব না। আমি বললাম, তুমি মৃত্যুর পর ক্বিয়ামত দিবসে আবার জীবিত হয়ে না উঠা পর্যন্ত তা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। সে বলল, আমি মৃত্যুবরণ করব এবং আবার জীবিত হব? আমি বললাম, হ্যাঁ। সে বলল, তাহলে আমার ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিও সেখানে থাকবে আর সেখানে তোমার পাওনাটা ফিরিয়ে দিব। এই কথার পরিপ্রেক্ষিতে অবতীর্ণ হয়ঃ “তুমি কি সেই লোককে দেখেছ, যে আমার আয়াতসমূহ অস্বীকার করেছে এবং সে বলেছে, আমাকে তো ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিতে ধন্য করা হবে”-(সূরা মারইয়াম ৭৭)। সহীহঃ বুখারী (৪৭৩২), মুসলিম।

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن الأعمش، عن أبي الضحى، عن مسروق، قال سمعت خباب بن الأرت، يقول جئت العاصي بن وائل السهمي أتقاضاه حقا لي عنده فقال لا أعطيك حتى تكفر بمحمد ‏.‏ فقلت لا حتى تموت ثم تبعث ‏.‏ قال وإني لميت ثم مبعوث فقلت نعم ‏.‏ فقال إن لي هناك مالا وولدا فأقضيك ‏.‏ فنزلت ‏:‏ ‏(‏ أرأيت الذي كفر بآياتنا وقال لأوتين مالا وولدا ‏)‏ الآية ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩১৫৬

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا النضر بن إسماعيل أبو المغيرة، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي سعيد الخدري، رضى الله عنه قال قرأ رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏(‏ وأنذرهم يوم الحسرة ‏)‏ قال ‏"‏ يؤتى بالموت كأنه كبش أملح حتى يوقف على السور بين الجنة والنار فيقال يا أهل الجنة ‏.‏ فيشرئبون ‏.‏ ويقال يا أهل النار ‏.‏ فيشرئبون ‏.‏ فيقال هل تعرفون هذا فيقولون نعم هذا الموت ‏.‏ فيضجع فيذبح فلولا أن الله قضى لأهل الجنة الحياة فيها والبقاء لماتوا فرحا ولولا أن الله قضى لأهل النار الحياة فيها والبقاء لماتوا ترحا ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏

আবূ সা‘ঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পাঠ করলেন : “তাদেরকে সেদিনের ভয় দেখাও, যেদিন চূড়ান্ত ফায়সালা করা হবে এবং পরিতাপ করা ব্যতীত আর কোন বিকল্প থাকবে না”- (সূরা মারইয়াম ৩৯)। তিনি বললেনঃ (কিয়ামাত্বের দিন লোকদের সামনে) মৃত্যুকে হাযির করা হবে, যেন তা সাদা ও কালো মিশ্রিত বর্ণের একটি মেষ। এটাকে জান্নাত ও জাহান্নামের মাঝের প্রাচীরের সাথে দাঁড় করিয়ে বলা হবে, হে জান্নাতের অধিবাসীগণ, শোন। তারা মাথা তুলবে। তারপর বলা হবে, হে জাহান্নামের বাসিন্দারা শোন। তারাও মাথা তুলবে। তারপর বলা হবে, তোমরা কি এটাকে চিনতে পেরেছ? তারা বলবে, হ্যাঁ, এটা মৃত্যু। তারপর এটাকে শুইয়ে যবেহ করা হবে। আল্লাহ তা‘আলা যদি জান্নাতবাসীদের সেখানে চিরস্থায়ী জীবনের মীমাংসা না করতেন, তাহলে তারা (এ দৃশ্য দেখে) আনন্দের আতিশয্যে মারা যেত। আল্লাহ তা‘আলা যদি জাহান্নামীদের সেখানে চিরস্থায়ী জীবনের মীমাংসা না করতেন, তাহলে তারাও (এ দৃশ্য দেখে) অনুশোচনা ও অনুতাপ করতে করতে মারা যেত। “আল্লাহ তা‘আলা যদি জান্নাতীদের সেখানে চিরস্থায়ী জীবনের ফায়সালা না করতেন...” অংশ ব্যতীত হাদীসটি সহীহ। বুখারী, মুসলিম, দেখুন ২৫৫৮ নং হাদীস।

আবূ সা‘ঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পাঠ করলেন : “তাদেরকে সেদিনের ভয় দেখাও, যেদিন চূড়ান্ত ফায়সালা করা হবে এবং পরিতাপ করা ব্যতীত আর কোন বিকল্প থাকবে না”- (সূরা মারইয়াম ৩৯)। তিনি বললেনঃ (কিয়ামাত্বের দিন লোকদের সামনে) মৃত্যুকে হাযির করা হবে, যেন তা সাদা ও কালো মিশ্রিত বর্ণের একটি মেষ। এটাকে জান্নাত ও জাহান্নামের মাঝের প্রাচীরের সাথে দাঁড় করিয়ে বলা হবে, হে জান্নাতের অধিবাসীগণ, শোন। তারা মাথা তুলবে। তারপর বলা হবে, হে জাহান্নামের বাসিন্দারা শোন। তারাও মাথা তুলবে। তারপর বলা হবে, তোমরা কি এটাকে চিনতে পেরেছ? তারা বলবে, হ্যাঁ, এটা মৃত্যু। তারপর এটাকে শুইয়ে যবেহ করা হবে। আল্লাহ তা‘আলা যদি জান্নাতবাসীদের সেখানে চিরস্থায়ী জীবনের মীমাংসা না করতেন, তাহলে তারা (এ দৃশ্য দেখে) আনন্দের আতিশয্যে মারা যেত। আল্লাহ তা‘আলা যদি জাহান্নামীদের সেখানে চিরস্থায়ী জীবনের মীমাংসা না করতেন, তাহলে তারাও (এ দৃশ্য দেখে) অনুশোচনা ও অনুতাপ করতে করতে মারা যেত। “আল্লাহ তা‘আলা যদি জান্নাতীদের সেখানে চিরস্থায়ী জীবনের ফায়সালা না করতেন...” অংশ ব্যতীত হাদীসটি সহীহ। বুখারী, মুসলিম, দেখুন ২৫৫৮ নং হাদীস।

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا النضر بن إسماعيل أبو المغيرة، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي سعيد الخدري، رضى الله عنه قال قرأ رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏(‏ وأنذرهم يوم الحسرة ‏)‏ قال ‏"‏ يؤتى بالموت كأنه كبش أملح حتى يوقف على السور بين الجنة والنار فيقال يا أهل الجنة ‏.‏ فيشرئبون ‏.‏ ويقال يا أهل النار ‏.‏ فيشرئبون ‏.‏ فيقال هل تعرفون هذا فيقولون نعم هذا الموت ‏.‏ فيضجع فيذبح فلولا أن الله قضى لأهل الجنة الحياة فيها والبقاء لماتوا فرحا ولولا أن الله قضى لأهل النار الحياة فيها والبقاء لماتوا ترحا ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩১৫৫

حدثنا أبو سعيد الأشج، وأبو موسى محمد بن المثنى قالا حدثنا ابن إدريس، عن أبيه، عن سماك بن حرب، عن علقمة بن وائل، عن المغيرة بن شعبة، قال بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى نجران فقالوا لي ألستم تقرءون ‏:‏ ‏(‏ يا أخت هارون ‏)‏ وقد كان بين عيسى وموسى ما كان فلم أدر ما أجيبهم ‏.‏ فرجعت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبرته فقال ‏"‏ ألا أخبرتهم أنهم كانوا يسمون بأنبيائهم والصالحين قبلهم ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب لا نعرفه إلا من حديث ابن إدريس ‏.

মুগীরাহ ইবনু শু‘বাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে নাজরান নামক জায়গায় পাঠালেন। সে অঞ্চলের (খৃষ্টান) অধিবাসীরা আমাকে বললো, তোমরা কি পাঠ কর না : “হে হারূনের বোন”- (সূরা মারইয়াম ২৮)? অথচ মূসা ও ‘‘ঈসা (‘আঃ)- এর মাঝখানে সময়ের যে ব্যবধান ছিল তাতো জানা কথা। তাদের এ প্রশ্নের কি জবাব যে আমি দিতে পারি তা আমি বুঝতে পারিনি। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট ফিরে এসে তাঁকে এ বিষয়ে জানালাম। তিনি বললেনঃ তুমি তাদেরকে এতটুকুও কি জানাতে পারলে না যে, তারা (বানী ইসরাঈল) নিজেদের নাম রাখতো তাদের পূর্ববর্তী নাবী-রাসূল ও মহান ব্যক্তিদের নামানুসারে। হাসান : মুখতাসার তুহফাতুল ওয়াদুদ।

মুগীরাহ ইবনু শু‘বাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে নাজরান নামক জায়গায় পাঠালেন। সে অঞ্চলের (খৃষ্টান) অধিবাসীরা আমাকে বললো, তোমরা কি পাঠ কর না : “হে হারূনের বোন”- (সূরা মারইয়াম ২৮)? অথচ মূসা ও ‘‘ঈসা (‘আঃ)- এর মাঝখানে সময়ের যে ব্যবধান ছিল তাতো জানা কথা। তাদের এ প্রশ্নের কি জবাব যে আমি দিতে পারি তা আমি বুঝতে পারিনি। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট ফিরে এসে তাঁকে এ বিষয়ে জানালাম। তিনি বললেনঃ তুমি তাদেরকে এতটুকুও কি জানাতে পারলে না যে, তারা (বানী ইসরাঈল) নিজেদের নাম রাখতো তাদের পূর্ববর্তী নাবী-রাসূল ও মহান ব্যক্তিদের নামানুসারে। হাসান : মুখতাসার তুহফাতুল ওয়াদুদ।

حدثنا أبو سعيد الأشج، وأبو موسى محمد بن المثنى قالا حدثنا ابن إدريس، عن أبيه، عن سماك بن حرب، عن علقمة بن وائل، عن المغيرة بن شعبة، قال بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى نجران فقالوا لي ألستم تقرءون ‏:‏ ‏(‏ يا أخت هارون ‏)‏ وقد كان بين عيسى وموسى ما كان فلم أدر ما أجيبهم ‏.‏ فرجعت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبرته فقال ‏"‏ ألا أخبرتهم أنهم كانوا يسمون بأنبيائهم والصالحين قبلهم ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب لا نعرفه إلا من حديث ابن إدريس ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩১৫৯

حدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبيد الله بن موسى، عن إسرائيل، عن السدي، قال سألت مرة الهمداني عن قول الله، عز وجل ‏:‏ ‏(‏ وإن منكم إلا واردها ‏)‏ فحدثني أن عبد الله بن مسعود حدثهم قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يرد الناس النار ثم يصدرون منها بأعمالهم فأولهم كلمح البرق ثم كالريح ثم كحضر الفرس ثم كالراكب في رحله ثم كشد الرجل ثم كمشيه ‏"‏ ‏.‏ قال هذا حديث حسن ‏.‏ ورواه شعبة عن السدي فلم يرفعه ‏.

সুদ্দী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মুররা আল-হামদানীকে আমি প্রশ্ন করলাম, আল্লাহ তা‘আলার এ বাণী প্রসঙ্গে : “তোমাদের মাঝে এমন কোন ব্যক্তি নেই যে জাহান্নামের উপর দিয়ে অতিক্রম করবে না”- (সূরা মারইয়াম ৭১)। তিনি আমাকে হাদীস বর্ণনা করে শুনান যে, ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) তাদেরকে হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আগুনের উপর দিয়ে লোকজন অতিক্রম করবে এবং যার যার কৃতকর্ম মোতাবেক তা অতিক্রম করতে থাকবে। বিজলি চমকানোর মতো তাদের প্রথম দল দ্রুত অতিক্রম করে যাবে। পরবর্তী দলটি বাতাসের বেগে, তারপর দ্রুতগামী ঘোড়ার বেগে, তারপর উষ্ট্রারোহীর বেগে, তারপর মানুষের দৌড়ের গতিতে, তারপর হেটে চলার গতিতে অতিক্রম করবে। সহীহ : সহীহাহ (৩১১)।

সুদ্দী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মুররা আল-হামদানীকে আমি প্রশ্ন করলাম, আল্লাহ তা‘আলার এ বাণী প্রসঙ্গে : “তোমাদের মাঝে এমন কোন ব্যক্তি নেই যে জাহান্নামের উপর দিয়ে অতিক্রম করবে না”- (সূরা মারইয়াম ৭১)। তিনি আমাকে হাদীস বর্ণনা করে শুনান যে, ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) তাদেরকে হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আগুনের উপর দিয়ে লোকজন অতিক্রম করবে এবং যার যার কৃতকর্ম মোতাবেক তা অতিক্রম করতে থাকবে। বিজলি চমকানোর মতো তাদের প্রথম দল দ্রুত অতিক্রম করে যাবে। পরবর্তী দলটি বাতাসের বেগে, তারপর দ্রুতগামী ঘোড়ার বেগে, তারপর উষ্ট্রারোহীর বেগে, তারপর মানুষের দৌড়ের গতিতে, তারপর হেটে চলার গতিতে অতিক্রম করবে। সহীহ : সহীহাহ (৩১১)।

حدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبيد الله بن موسى، عن إسرائيل، عن السدي، قال سألت مرة الهمداني عن قول الله، عز وجل ‏:‏ ‏(‏ وإن منكم إلا واردها ‏)‏ فحدثني أن عبد الله بن مسعود حدثهم قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يرد الناس النار ثم يصدرون منها بأعمالهم فأولهم كلمح البرق ثم كالريح ثم كحضر الفرس ثم كالراكب في رحله ثم كشد الرجل ثم كمشيه ‏"‏ ‏.‏ قال هذا حديث حسن ‏.‏ ورواه شعبة عن السدي فلم يرفعه ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩১৬০

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا شعبة، عن السدي، عن مرة، عن عبد الله بن مسعود ‏:‏ ‏(‏وإن منكم إلا واردها ‏)‏ قال يردونها ثم يصدرون بأعمالهم ‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ তা‘আলার বাণী : “তোমাদের সকলকেই তার উপর দিয়ে পার হতে হবে”- (সূরা মারইয়াম ৭১) প্রসঙ্গে তিনি বলেন, লোকেরা ক্বিয়ামাত দিবসে তার (পুলসিরাত) উপর দিয়ে পার হবে। তারা এটা পার হবে নিজ নিজ কৃতকর্ম মোতাবেগ (বিভিন্ন গতিবেগে)। সহীহ : মাওকূফ তবে মারফূ এর মতই তার হুকুম।

আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ তা‘আলার বাণী : “তোমাদের সকলকেই তার উপর দিয়ে পার হতে হবে”- (সূরা মারইয়াম ৭১) প্রসঙ্গে তিনি বলেন, লোকেরা ক্বিয়ামাত দিবসে তার (পুলসিরাত) উপর দিয়ে পার হবে। তারা এটা পার হবে নিজ নিজ কৃতকর্ম মোতাবেগ (বিভিন্ন গতিবেগে)। সহীহ : মাওকূফ তবে মারফূ এর মতই তার হুকুম।

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا شعبة، عن السدي، عن مرة، عن عبد الله بن مسعود ‏:‏ ‏(‏وإن منكم إلا واردها ‏)‏ قال يردونها ثم يصدرون بأعمالهم ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩১৬১

حدثنا قتيبة، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ إذا أحب الله عبدا نادى جبريل إني قد أحببت فلانا فأحبه قال فينادي في السماء ثم تنزل له المحبة في أهل الأرض فذلك قول الله ‏:‏ ‏(‏ إن الذين آمنوا وعملوا الصالحات سيجعل لهم الرحمن ودا ‏)‏ وإذا أبغض الله عبدا نادى جبريل إني قد أبغضت فلانا فينادي في السماء ثم تنزل له البغضاء في الأرض ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وقد روى عبد الرحمن بن عبد الله بن دينار عن أبيه عن أبي صالح عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو هذا ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন বান্দাকে যখন আল্লাহ তা‘আলা ভালোবাসেন তখন জিবরীলকে ডেকে বলেনঃ আমি অমুক ব্যক্তিকে ভালবাসি। অতএব তুমিও তাকে ভালবাস। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আসমানবাসীদের মধ্যে জিবরীল তখন (এ কথা) ঘোষণা করেন। তারপর যমীনবাসীদের অন্তরে তার জন্য ভালবাসা অবতীর্ণ হয়। এটাই আল্লাহ তা‘আলার বাণীর মধ্যে ফুটে উঠেছেঃ “যারা ঈমান আনায়ন করেছে এবং উত্তম কার্য সম্পাদন করেছে খুব শীঘ্রই দয়াময় রহমান (লোকদের অন্তরে তাদের প্রতি) ভালবাসার উদ্রেক করবেন”।–(সূরা মারইয়াম ৯৬)। অপর দিকে যখন আল্লাহ তা‘আলা কাউকে ঘৃণা করেন তখন জিবরীলকে ডেকে বলেনঃ আমি অমুককে ঘৃণা করি। জিবরীল তখন আসমানবাসীদের মধ্যে এটা ঘোষণা করেন। তারপর যমীনের অধিবাসীদের মনে তার জন্যে ঘৃণা অবতীর্ণ হতে থাকে। সহীহঃ যঈফাহ (২২০৭) নং হাদীসের অধীনে।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন বান্দাকে যখন আল্লাহ তা‘আলা ভালোবাসেন তখন জিবরীলকে ডেকে বলেনঃ আমি অমুক ব্যক্তিকে ভালবাসি। অতএব তুমিও তাকে ভালবাস। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আসমানবাসীদের মধ্যে জিবরীল তখন (এ কথা) ঘোষণা করেন। তারপর যমীনবাসীদের অন্তরে তার জন্য ভালবাসা অবতীর্ণ হয়। এটাই আল্লাহ তা‘আলার বাণীর মধ্যে ফুটে উঠেছেঃ “যারা ঈমান আনায়ন করেছে এবং উত্তম কার্য সম্পাদন করেছে খুব শীঘ্রই দয়াময় রহমান (লোকদের অন্তরে তাদের প্রতি) ভালবাসার উদ্রেক করবেন”।–(সূরা মারইয়াম ৯৬)। অপর দিকে যখন আল্লাহ তা‘আলা কাউকে ঘৃণা করেন তখন জিবরীলকে ডেকে বলেনঃ আমি অমুককে ঘৃণা করি। জিবরীল তখন আসমানবাসীদের মধ্যে এটা ঘোষণা করেন। তারপর যমীনের অধিবাসীদের মনে তার জন্যে ঘৃণা অবতীর্ণ হতে থাকে। সহীহঃ যঈফাহ (২২০৭) নং হাদীসের অধীনে।

حدثنا قتيبة، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ إذا أحب الله عبدا نادى جبريل إني قد أحببت فلانا فأحبه قال فينادي في السماء ثم تنزل له المحبة في أهل الأرض فذلك قول الله ‏:‏ ‏(‏ إن الذين آمنوا وعملوا الصالحات سيجعل لهم الرحمن ودا ‏)‏ وإذا أبغض الله عبدا نادى جبريل إني قد أبغضت فلانا فينادي في السماء ثم تنزل له البغضاء في الأرض ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وقد روى عبد الرحمن بن عبد الله بن دينار عن أبيه عن أبي صالح عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو هذا ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি > সূরা ত্ব-হা

জামে' আত-তিরমিজি ৩১৬৪

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا الحسن بن موسى الأشيب، بغدادي حدثنا ابن لهيعة، عن دراج، عن أبي الهيثم، عن أبي سعيد، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ الويل واد في جهنم يهوي فيه الكافر أربعين خريفا قبل أن يبلغ قعره ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه مرفوعا إلا من حديث ابن لهيعة ‏.

আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ ওয়াইল হচ্ছে জাহান্নামের একটি ময়দানের নাম। এটা এতই গভীর যে, এর তলদেশে পৌঁছা পর্যন্ত কাফির ব্যক্তি চল্লিশ বছর ধরে নীচের দিকে পড়তে থাকবে। যঈফ, তা’লীকুর রাগীব (৪/২২৯)

আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ ওয়াইল হচ্ছে জাহান্নামের একটি ময়দানের নাম। এটা এতই গভীর যে, এর তলদেশে পৌঁছা পর্যন্ত কাফির ব্যক্তি চল্লিশ বছর ধরে নীচের দিকে পড়তে থাকবে। যঈফ, তা’লীকুর রাগীব (৪/২২৯)

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا الحسن بن موسى الأشيب، بغدادي حدثنا ابن لهيعة، عن دراج، عن أبي الهيثم، عن أبي سعيد، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ الويل واد في جهنم يهوي فيه الكافر أربعين خريفا قبل أن يبلغ قعره ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه مرفوعا إلا من حديث ابن لهيعة ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩১৬৩

حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا النضر بن شميل، أخبرنا صالح بن أبي الأخضر، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، قال لما قفل رسول الله صلى الله عليه وسلم من خيبر أسرى ليلة حتى أدركه الكرى أناخ فعرس ثم قال ‏"‏ يا بلال اكلأ لنا الليلة ‏"‏ ‏.‏ قال فصلى بلال ثم تساند إلى راحلته مستقبل الفجر فغلبته عيناه فنام فلم يستيقظ أحد منهم وكان أولهم استيقاظا النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقال ‏"‏ أى بلال ‏"‏ ‏.‏ فقال بلال بأبي أنت يا رسول الله أخذ بنفسي الذي أخذ بنفسك ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اقتادوا ‏"‏ ‏.‏ ثم أناخ فتوضأ فأقام الصلاة ثم صلى مثل صلاته للوقت في تمكث ثم قال ‏:‏ ‏(‏وأقم الصلاة لذكري ‏)‏ ‏.‏ قال هذا حديث غير محفوظ رواه غير واحد من الحفاظ عن الزهري عن سعيد بن المسيب أن النبي صلى الله عليه وسلم ولم يذكروا فيه عن أبي هريرة ‏.‏ وصالح بن أبي الأخضر يضعف في الحديث ضعفه يحيى بن سعيد القطان وغيره من قبل حفظه ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন খাইবার যুদ্ধ হতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফিরে আসছিলেন এবং রাতে চলতে চলতে তাঁর খুব ঘুম পেল, তখন তিনি তার উট বসিয়ে তা হতে নেমে পড়লেন, তারপর বললেনঃ হে বিলাল! আজ রাতে তুমি আমাদের পাহারা দাও। বর্ণনাকারী বলেন, বিলাল (রাঃ) নামায আদায় করলেন, তারপর সূর্যোদয়ের দিকে মুখ ফিরিয়ে হাওদার সাথে হেলান দিয়ে বসে রইলেন। তার চোখ ঘুমের তীব্রতায় বন্ধ হয়ে গেল। কেউই সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠতে পারলেন না। সর্বপ্রথম নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জাগ্রত হলেন। তিনি ডাকলেনঃ হে বিলাল! বিলাল (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার বাবা আপনার জন্য কুরবান হোক। আপনার জীবন যিনি নিয়েছিলেন, আমার জীবনও তিনিই নিয়েছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ উটের পিঠে হাওদা বাঁধো এবং দ্রুত সফর কর। তারপর তিনি আরেক স্থানে পৌছে উট বসালেন এবং উযূ করলেন। নামাযের উদ্দেশ্যে ইক্বামাত বলা হল। তিনি যেভাবে ওয়াক্তিয়া নামাযগুলো পড়েন, ঠিক সেভাবে ধীরে সুস্থে এই (কাযা) নামায পড়লেন। তারপর তিনি আয়াত পাঠ করলেনঃ “আমার স্মরণে নামায ক্বায়িম কর”- (সূরা ত্ব-হা- ১৪) সহীহঃ সহীহ আবূ দাঊদ (৪৬১, ৪৬৩), ইরওয়া (২৬৩), মুসলিম অনুরূপ।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন খাইবার যুদ্ধ হতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফিরে আসছিলেন এবং রাতে চলতে চলতে তাঁর খুব ঘুম পেল, তখন তিনি তার উট বসিয়ে তা হতে নেমে পড়লেন, তারপর বললেনঃ হে বিলাল! আজ রাতে তুমি আমাদের পাহারা দাও। বর্ণনাকারী বলেন, বিলাল (রাঃ) নামায আদায় করলেন, তারপর সূর্যোদয়ের দিকে মুখ ফিরিয়ে হাওদার সাথে হেলান দিয়ে বসে রইলেন। তার চোখ ঘুমের তীব্রতায় বন্ধ হয়ে গেল। কেউই সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠতে পারলেন না। সর্বপ্রথম নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জাগ্রত হলেন। তিনি ডাকলেনঃ হে বিলাল! বিলাল (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার বাবা আপনার জন্য কুরবান হোক। আপনার জীবন যিনি নিয়েছিলেন, আমার জীবনও তিনিই নিয়েছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ উটের পিঠে হাওদা বাঁধো এবং দ্রুত সফর কর। তারপর তিনি আরেক স্থানে পৌছে উট বসালেন এবং উযূ করলেন। নামাযের উদ্দেশ্যে ইক্বামাত বলা হল। তিনি যেভাবে ওয়াক্তিয়া নামাযগুলো পড়েন, ঠিক সেভাবে ধীরে সুস্থে এই (কাযা) নামায পড়লেন। তারপর তিনি আয়াত পাঠ করলেনঃ “আমার স্মরণে নামায ক্বায়িম কর”- (সূরা ত্ব-হা- ১৪) সহীহঃ সহীহ আবূ দাঊদ (৪৬১, ৪৬৩), ইরওয়া (২৬৩), মুসলিম অনুরূপ।

حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا النضر بن شميل، أخبرنا صالح بن أبي الأخضر، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، قال لما قفل رسول الله صلى الله عليه وسلم من خيبر أسرى ليلة حتى أدركه الكرى أناخ فعرس ثم قال ‏"‏ يا بلال اكلأ لنا الليلة ‏"‏ ‏.‏ قال فصلى بلال ثم تساند إلى راحلته مستقبل الفجر فغلبته عيناه فنام فلم يستيقظ أحد منهم وكان أولهم استيقاظا النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقال ‏"‏ أى بلال ‏"‏ ‏.‏ فقال بلال بأبي أنت يا رسول الله أخذ بنفسي الذي أخذ بنفسك ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اقتادوا ‏"‏ ‏.‏ ثم أناخ فتوضأ فأقام الصلاة ثم صلى مثل صلاته للوقت في تمكث ثم قال ‏:‏ ‏(‏وأقم الصلاة لذكري ‏)‏ ‏.‏ قال هذا حديث غير محفوظ رواه غير واحد من الحفاظ عن الزهري عن سعيد بن المسيب أن النبي صلى الله عليه وسلم ولم يذكروا فيه عن أبي هريرة ‏.‏ وصالح بن أبي الأخضر يضعف في الحديث ضعفه يحيى بن سعيد القطان وغيره من قبل حفظه ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আল-আম্বিয়া

জামে' আত-তিরমিজি ৩১৬৬

حدثنا سعيد بن يحيى بن سعيد الأموي، حدثني أبي، حدثنا محمد بن إسحاق، عن أبي الزناد، عن عبد الرحمن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لم يكذب إبراهيم عليه السلام في شيء قط إلا في ثلاث قوله ‏:‏ ‏(‏إني سقيم ‏)‏ ولم يكن سقيما وقوله لسارة أختي وقوله ‏:‏ ‏(‏ بل فعله كبيرهم هذا ‏)‏ ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইবরাহীম (‘আঃ) তিনটি ক্ষেত্র ছাড়া কোন ব্যাপারে কখনো মিথ্যা বলেননি। যেমন তাঁর কথা “আমি অসুস্থ”- (সূরাঃ আস-সাফফাত ৮৯), অথচ তিনি অসুস্থ ছিলেন না, নিজের বিবি ‘সারা’-কে তার বোন বলা এবং তাঁর কথা “বরং এগুলোর ভিতর সর্বাধিক বড়টি এ কাজ করেছে”- (সূরা আম্বিয়া ৬৩)। সহীহঃ সহীহ আবূ দাঊদ (১৯১৬), বুখারী, মুসলিম।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইবরাহীম (‘আঃ) তিনটি ক্ষেত্র ছাড়া কোন ব্যাপারে কখনো মিথ্যা বলেননি। যেমন তাঁর কথা “আমি অসুস্থ”- (সূরাঃ আস-সাফফাত ৮৯), অথচ তিনি অসুস্থ ছিলেন না, নিজের বিবি ‘সারা’-কে তার বোন বলা এবং তাঁর কথা “বরং এগুলোর ভিতর সর্বাধিক বড়টি এ কাজ করেছে”- (সূরা আম্বিয়া ৬৩)। সহীহঃ সহীহ আবূ দাঊদ (১৯১৬), বুখারী, মুসলিম।

حدثنا سعيد بن يحيى بن سعيد الأموي، حدثني أبي، حدثنا محمد بن إسحاق، عن أبي الزناد، عن عبد الرحمن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لم يكذب إبراهيم عليه السلام في شيء قط إلا في ثلاث قوله ‏:‏ ‏(‏إني سقيم ‏)‏ ولم يكن سقيما وقوله لسارة أختي وقوله ‏:‏ ‏(‏ بل فعله كبيرهم هذا ‏)‏ ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩১৬৭

حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا وكيع، ووهب بن جرير، وأبو داود قالوا حدثنا شعبة، عن المغيرة بن النعمان، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال قام رسول الله صلى الله عليه وسلم بالموعظة فقال ‏"‏ يا أيها الناس إنكم محشورون إلى الله عراة غرلا ‏"‏ ‏.‏ ثم قرأ ‏:‏ ‏(‏ كما بدأنا أول خلق نعيده وعدا علينا ‏)‏ إلى آخر الآية قال ‏"‏ أول من يكسى يوم القيامة إبراهيم وإنه سيؤتى برجال من أمتي فيؤخذ بهم ذات الشمال فأقول رب أصحابي ‏.‏ فيقال إنك لا تدري ما أحدثوا بعدك ‏.‏ فأقول كما قال العبد الصالح ‏(‏ وكنت عليهم شهيدا ما دمت فيهم فلما توفيتني كنت أنت الرقيب عليهم وأنت على كل شيء شهيد * إن تعذبهم فإنهم عبادك وإن تغفر لهم فإنك أنت العزيز الحكيم ‏)‏ فيقال هؤلاء لم يزالوا مرتدين على أعقابهم منذ فارقتهم ‏"‏ ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওয়াজ-নসীহত করতে দাঁড়িয়ে বললেনঃ "হে লোকেরা! কিয়ামাতের দিন তোমারা নগ্ন ও খতনাহীন অবস্থায় আল্লাহ্‌র নিকট সমবেত হবে। (বর্ণনাকারী বলেন,) তারপর তিনি পড়লেনঃ "যেভাবে প্রথম আমরা সৃষ্টির সূচনা করেছিলাম, সেভাবেই তার পুনরাবৃত্তি করবো। এটা একটা ওয়াদাহ। যা পূরণ করার দায়িত্ব আমার। আর এ কাজ আমি অবশ্যই করবো"- (সূরা আম্বিয়া ১০৪)। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরো বলেছেন "কিয়ামাতের দিন সর্বপ্রথম যাকে কাপড় পরানো হবে তিনি হচ্ছেন ইব্রাহীম (আঃ)। আমার উম্মতের কিছু সংখ্যক ব্যাক্তিকে নিয়ে আসা হবে এবং তাদের কে ধরে বাঁ দিকে নিয়ে যাওয়া হবে। আমি তখন বলবোঃ হে আমার সৃষ্টিকর্তা! এরা আমার অনুসারি। তখন বলা হবে, আপনি জানেন না, এরা আপনার বিদায়ের পর কি ধরনের বিদ'আত এর উদ্ভব ঘটিয়েছিল। আমি সে সময় একজন সৎকর্মশীল বান্দার [(ঈসা (আঃ)] মত বলবো (কুরআনের ভাষায়) "আমি যতক্ষন পর্যন্ত তাদের মধ্যে ছিলাম, ততক্ষণ পর্যন্ত তাদের পরিচালক ছিলাম। কিন্তু আপনি যখন আমাকে তুলে নিলেন, তখন আপনিই ছিলেন তাদের তত্ত্বাবধায়ক। আর আপনি তো সকল বিষয়ের সাক্ষী। আপনি যদি তাদের আযাব দেন তবে তারা তো আপনারই বান্দা, আর যদি ক্ষমা করে দেন তাহলে আপনি তো পরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময় "-(সূরা আল-মায়িদাহ ১১৭-১১৮)। তখন বলা হবে, আপনি যখন তাদের কে রেখে এসেছেন তখন হতে এরা অনবরত মন্দ পথেই চলেছে। সহীহঃ বুখারী, মুসলিম। এটি (২৪২৩) নং হাদীসের পুনরুক্তি।

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওয়াজ-নসীহত করতে দাঁড়িয়ে বললেনঃ "হে লোকেরা! কিয়ামাতের দিন তোমারা নগ্ন ও খতনাহীন অবস্থায় আল্লাহ্‌র নিকট সমবেত হবে। (বর্ণনাকারী বলেন,) তারপর তিনি পড়লেনঃ "যেভাবে প্রথম আমরা সৃষ্টির সূচনা করেছিলাম, সেভাবেই তার পুনরাবৃত্তি করবো। এটা একটা ওয়াদাহ। যা পূরণ করার দায়িত্ব আমার। আর এ কাজ আমি অবশ্যই করবো"- (সূরা আম্বিয়া ১০৪)। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরো বলেছেন "কিয়ামাতের দিন সর্বপ্রথম যাকে কাপড় পরানো হবে তিনি হচ্ছেন ইব্রাহীম (আঃ)। আমার উম্মতের কিছু সংখ্যক ব্যাক্তিকে নিয়ে আসা হবে এবং তাদের কে ধরে বাঁ দিকে নিয়ে যাওয়া হবে। আমি তখন বলবোঃ হে আমার সৃষ্টিকর্তা! এরা আমার অনুসারি। তখন বলা হবে, আপনি জানেন না, এরা আপনার বিদায়ের পর কি ধরনের বিদ'আত এর উদ্ভব ঘটিয়েছিল। আমি সে সময় একজন সৎকর্মশীল বান্দার [(ঈসা (আঃ)] মত বলবো (কুরআনের ভাষায়) "আমি যতক্ষন পর্যন্ত তাদের মধ্যে ছিলাম, ততক্ষণ পর্যন্ত তাদের পরিচালক ছিলাম। কিন্তু আপনি যখন আমাকে তুলে নিলেন, তখন আপনিই ছিলেন তাদের তত্ত্বাবধায়ক। আর আপনি তো সকল বিষয়ের সাক্ষী। আপনি যদি তাদের আযাব দেন তবে তারা তো আপনারই বান্দা, আর যদি ক্ষমা করে দেন তাহলে আপনি তো পরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময় "-(সূরা আল-মায়িদাহ ১১৭-১১৮)। তখন বলা হবে, আপনি যখন তাদের কে রেখে এসেছেন তখন হতে এরা অনবরত মন্দ পথেই চলেছে। সহীহঃ বুখারী, মুসলিম। এটি (২৪২৩) নং হাদীসের পুনরুক্তি।

حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا وكيع، ووهب بن جرير، وأبو داود قالوا حدثنا شعبة، عن المغيرة بن النعمان، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال قام رسول الله صلى الله عليه وسلم بالموعظة فقال ‏"‏ يا أيها الناس إنكم محشورون إلى الله عراة غرلا ‏"‏ ‏.‏ ثم قرأ ‏:‏ ‏(‏ كما بدأنا أول خلق نعيده وعدا علينا ‏)‏ إلى آخر الآية قال ‏"‏ أول من يكسى يوم القيامة إبراهيم وإنه سيؤتى برجال من أمتي فيؤخذ بهم ذات الشمال فأقول رب أصحابي ‏.‏ فيقال إنك لا تدري ما أحدثوا بعدك ‏.‏ فأقول كما قال العبد الصالح ‏(‏ وكنت عليهم شهيدا ما دمت فيهم فلما توفيتني كنت أنت الرقيب عليهم وأنت على كل شيء شهيد * إن تعذبهم فإنهم عبادك وإن تغفر لهم فإنك أنت العزيز الحكيم ‏)‏ فيقال هؤلاء لم يزالوا مرتدين على أعقابهم منذ فارقتهم ‏"‏ ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩১৬৫

حدثنا مجاهد بن موسى، - بغدادي - والفضل بن سهل الأعرج بغدادي وغير واحد قالوا حدثنا عبد الرحمن بن غزوان أبو نوح، حدثنا ليث بن سعد، عن مالك بن أنس، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، أن رجلا، قعد بين يدى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إن لي مملوكين يكذبونني ويخونونني ويعصونني وأشتمهم وأضربهم فكيف أنا منهم قال ‏"‏ يحسب ما خانوك وعصوك وكذبوك وعقابك إياهم فإن كان عقابك إياهم بقدر ذنوبهم كان كفافا لا لك ولا عليك وإن كان عقابك إياهم دون ذنوبهم كان فضلا لك وإن كان عقابك إياهم فوق ذنوبهم اقتص لهم منك الفضل ‏"‏ ‏.‏ قال فتنحى الرجل فجعل يبكي ويهتف فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أما تقرأ كتاب الله ‏:‏ ‏(‏ ونضع الموازين القسط ليوم القيامة فلا تظلم نفس شيئا وإن كان مثقال ‏)‏ الآية ‏.‏ فقال الرجل والله يا رسول الله ما أجد لي ولهؤلاء شيئا خيرا من مفارقتهم أشهدكم أنهم أحرار كلهم ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه إلا من حديث عبد الرحمن بن غزوان وقد روى أحمد بن حنبل عن عبد الرحمن بن غزوان هذا الحديث ‏.‏

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সম্মুখে বসে এক লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার কয়েকটি গোলাম আছে। আমার নিকট এরা মিথ্যা কথা বলে, আমার সম্পদে ক্ষতিসাধন (খিয়ানাত) করে এবং আমার অবাধ্যতা করে। এ কারণে তাদেরকে আমি বকাবকি ও মারধর করি। তাদের সাথে এমন ব্যবহারে আমার অবস্থা কি হবে? তিনি বললেনঃ তারা যে তোমার সাথে খিয়ানাত করে, তোমার অবাধ্যতা করে এবং তোমার নিকট মিথ্যা বলে, আর এ কারণে তাদের সাথে তুমি যেমন আচরণ কর- এ সবেরই হিসাব-নিকাশ হবে। যদি তোমার দেয়া শাস্তি তাদের অপরাধের সমান হয় তবে ঠিক আছে। তোমারও কোন অসুবিধা হবে না তাদেরও কোন অসুবিধা হবে না। যদি তোমার দেয়া শাস্তি তাদের অপরাধের তুলনায় কম হয় তাহলে তোমার জন্য অতিরিক্ত (সাওয়াব) রয়ে গেল। তোমার প্রদত্ত শাস্তি যদি তাদের অপরাধের তুলনায় বেশি হয়, তাহলে অতিরিক্ত অংশের জন্য তোমাকে শাস্তি পেতে হবে। বর্ণনাকারী বলেন, এ কথা শুনে লোকটি চিৎকার করে কাঁদতে কাঁদতে আলাদা হয়ে গেল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ তা‘আলার কিতাবে তুমি কি এ কথা পড় না (অনুবাদ)- “আমরা ক্বিয়ামাতের দিন ন্যায়বিচারের দাঁড়িপাল্লা স্থাপন করব। সুতরাং কোন লোকের উপর কোন যুলুম করা হবে না। কারো বিন্দু পরিমাণও কিছু কৃতকর্ম থাকলে আমরা তাও হাযির করব। আর হিসাব সম্পন্ন করার জন্য আমরাই যথেষ্ট”- (সূরা আম্বিয়া ৪৭)। লোকটি বলল, হে আল্লাহর রাসূল, আল্লাহর ক্বসম! তাদের মাঝে এবং আমার মাঝে বিচ্ছিন্নতা ছাড়া আমার ও তাদের কল্যাণের আর কোন পথ দেখছি না। আপনাকে আমি সাক্ষী রেখে বলছি, তাদের সবাই এখন হতে মুক্ত।

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সম্মুখে বসে এক লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার কয়েকটি গোলাম আছে। আমার নিকট এরা মিথ্যা কথা বলে, আমার সম্পদে ক্ষতিসাধন (খিয়ানাত) করে এবং আমার অবাধ্যতা করে। এ কারণে তাদেরকে আমি বকাবকি ও মারধর করি। তাদের সাথে এমন ব্যবহারে আমার অবস্থা কি হবে? তিনি বললেনঃ তারা যে তোমার সাথে খিয়ানাত করে, তোমার অবাধ্যতা করে এবং তোমার নিকট মিথ্যা বলে, আর এ কারণে তাদের সাথে তুমি যেমন আচরণ কর- এ সবেরই হিসাব-নিকাশ হবে। যদি তোমার দেয়া শাস্তি তাদের অপরাধের সমান হয় তবে ঠিক আছে। তোমারও কোন অসুবিধা হবে না তাদেরও কোন অসুবিধা হবে না। যদি তোমার দেয়া শাস্তি তাদের অপরাধের তুলনায় কম হয় তাহলে তোমার জন্য অতিরিক্ত (সাওয়াব) রয়ে গেল। তোমার প্রদত্ত শাস্তি যদি তাদের অপরাধের তুলনায় বেশি হয়, তাহলে অতিরিক্ত অংশের জন্য তোমাকে শাস্তি পেতে হবে। বর্ণনাকারী বলেন, এ কথা শুনে লোকটি চিৎকার করে কাঁদতে কাঁদতে আলাদা হয়ে গেল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ তা‘আলার কিতাবে তুমি কি এ কথা পড় না (অনুবাদ)- “আমরা ক্বিয়ামাতের দিন ন্যায়বিচারের দাঁড়িপাল্লা স্থাপন করব। সুতরাং কোন লোকের উপর কোন যুলুম করা হবে না। কারো বিন্দু পরিমাণও কিছু কৃতকর্ম থাকলে আমরা তাও হাযির করব। আর হিসাব সম্পন্ন করার জন্য আমরাই যথেষ্ট”- (সূরা আম্বিয়া ৪৭)। লোকটি বলল, হে আল্লাহর রাসূল, আল্লাহর ক্বসম! তাদের মাঝে এবং আমার মাঝে বিচ্ছিন্নতা ছাড়া আমার ও তাদের কল্যাণের আর কোন পথ দেখছি না। আপনাকে আমি সাক্ষী রেখে বলছি, তাদের সবাই এখন হতে মুক্ত।

حدثنا مجاهد بن موسى، - بغدادي - والفضل بن سهل الأعرج بغدادي وغير واحد قالوا حدثنا عبد الرحمن بن غزوان أبو نوح، حدثنا ليث بن سعد، عن مالك بن أنس، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، أن رجلا، قعد بين يدى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إن لي مملوكين يكذبونني ويخونونني ويعصونني وأشتمهم وأضربهم فكيف أنا منهم قال ‏"‏ يحسب ما خانوك وعصوك وكذبوك وعقابك إياهم فإن كان عقابك إياهم بقدر ذنوبهم كان كفافا لا لك ولا عليك وإن كان عقابك إياهم دون ذنوبهم كان فضلا لك وإن كان عقابك إياهم فوق ذنوبهم اقتص لهم منك الفضل ‏"‏ ‏.‏ قال فتنحى الرجل فجعل يبكي ويهتف فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أما تقرأ كتاب الله ‏:‏ ‏(‏ ونضع الموازين القسط ليوم القيامة فلا تظلم نفس شيئا وإن كان مثقال ‏)‏ الآية ‏.‏ فقال الرجل والله يا رسول الله ما أجد لي ولهؤلاء شيئا خيرا من مفارقتهم أشهدكم أنهم أحرار كلهم ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه إلا من حديث عبد الرحمن بن غزوان وقد روى أحمد بن حنبل عن عبد الرحمن بن غزوان هذا الحديث ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আল-হাজ্জ

জামে' আত-তিরমিজি ৩১৭০

حدثنا محمد بن إسماعيل، وغير، واحد، قالوا حدثنا عبد الله بن صالح، قال حدثني الليث، عن عبد الرحمن بن خالد، عن ابن شهاب، عن محمد بن عروة بن الزبير، عن عبد الله بن الزبير، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إنما سمي البيت العتيق لأنه لم يظهر عليه جبار ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح وقد روي هذا الحديث عن الزهري عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسلا ‏.

আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (বাইতুল্লাহ্‌র) বাইতুল আতীক নাম এজন্য হয়েছে যে, কোন স্বেচ্ছাচারীই এর উপর কর্তৃত্ব প্রসার করতে সমর্থ হয়নি। যঈফ, যঈফা (৩২২২)

আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (বাইতুল্লাহ্‌র) বাইতুল আতীক নাম এজন্য হয়েছে যে, কোন স্বেচ্ছাচারীই এর উপর কর্তৃত্ব প্রসার করতে সমর্থ হয়নি। যঈফ, যঈফা (৩২২২)

حدثنا محمد بن إسماعيل، وغير، واحد، قالوا حدثنا عبد الله بن صالح، قال حدثني الليث، عن عبد الرحمن بن خالد، عن ابن شهاب، عن محمد بن عروة بن الزبير، عن عبد الله بن الزبير، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إنما سمي البيت العتيق لأنه لم يظهر عليه جبار ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح وقد روي هذا الحديث عن الزهري عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسلا ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩১৬৮

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن ابن جدعان، عن الحسن، عن عمران بن حصين، أن النبي صلى الله عليه وسلم لما نزلت ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الناس اتقوا ربكم إن زلزلة الساعة شيء عظيم ‏)‏ إلى قوله ‏:‏ ‏(‏ولكن عذاب الله شديد ‏)‏ قال أنزلت عليه هذه وهو في سفر فقال ‏"‏ أتدرون أى يوم ذلك ‏"‏ ‏.‏ فقالوا الله ورسوله أعلم ‏.‏ قال ‏"‏ ذلك يوم يقول الله لآدم ابعث بعث النار فقال يا رب وما بعث النار قال تسعمائة وتسعة وتسعون إلى النار وواحد إلى الجنة ‏"‏ ‏.‏ قال فأنشأ المسلمون يبكون فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ قاربوا وسددوا فإنها لم تكن نبوة قط إلا كان بين يديها جاهلية قال فيؤخذ العدد من الجاهلية فإن تمت وإلا كملت من المنافقين وما مثلكم والأمم إلا كمثل الرقمة في ذراع الدابة أو كالشامة في جنب البعير ثم قال إني لأرجو أن تكونوا ربع أهل الجنة ‏"‏ ‏.‏ فكبروا ثم قال ‏"‏ إني لأرجو أن تكونوا ثلث أهل الجنة ‏"‏ ‏.‏ فكبروا ثم قال ‏"‏ إني لأرجو أن تكونوا نصف أهل الجنة ‏"‏ ‏.‏ فكبروا قال ولا أدري قال الثلثين أم لا ‏.‏ قال هذا حديث حسن صحيح وقد روي من غير وجه عن عمران بن حصين عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏

ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

“হে লোকেরা! তোমাদের প্রভুর গযব হতে নিজকে রক্ষা কর। কিয়ামাতের কম্পন বড়ই ভয়াবহ ব্যপার। যেদিন তোমরা তা দেখতে পাবে সেদিনের অবস্থা এমন হবে যে, প্রত্যেক স্তন্যদাত্রী নিজের দুধের শিশুকে দুধ পান করাতে ভুলে যাবে। প্রত্যেক গর্ভবতী গর্ভপাত করবে এবং লোকদেরকে তোমরা মাতালের মতো দেখতে পাবে, অথচ তারা নেশাগ্রস্থ নয়। বরং আল্লাহ্‌ তা’আলার শাস্তিই এতদূর কঠোর হবে” (সূরাঃ আল-হাজ্জ- ১-২)। রাবী বলেন, এ আয়াত যখন অবতীর্ণ হয়, তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফরে ছিলেন। তিনি বললেনঃ তোমরা কি জান এটা কোন দিন? সাহাবীগন বললেনঃ আল্লাহ্‌ তা’আলা ও তাঁর রাসূলই সবচাইতে ভাল জানেন। তিনি বললেনঃ এটা সেই দিন, যখন আল্লাহ্‌ তা’আলা আদম (আঃ)-কে বলবেনঃ জাহান্নামের বাহিনী প্রস্তুত কর। আদম (আঃ) বলবেনঃ হে প্রভু! জাহান্নামের বাহিনীর সংখ্যা কত? তিনি বলবেনঃ (হাজারকে) নয় শত নিরানব্বই জন জাহান্নামের এবং একজন জান্নাতের বাহিনী। একথা শুনে মুসলমানরা কান্নায় ভেংগে পড়েন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সমতল পথে চলো, আল্লাহ্‌ তা’আলার নৈকট্য খোঁজ কর, সোজা পথ ধর। প্রত্যেক নাবূয়্যাতের পূর্বেই রয়েছে জাহিলিয়াত। তিনি আরো বলেনঃ জাহিলিয়াত হতেই বেশি সংখ্যক নেয়া হবে। যদি এতে সংখ্যা পূর্ণ হয় তো ভালো, অন্যথায় মুনাফিকদের দিয়ে সংখ্যা পূর্ণ করা হবে। অপরাপর উম্মাতের ও তোমাদের উদাহরণ হচ্ছে, যেমন পশুর বাহুর দাগ অথবা উটের পার্শ্বদেশের তিলক (অর্থাৎ তোমাদের সংখ্যা বেশি হবে)। তিনি আবার বললেনঃ আমি আশা করি তোমরাই হবে জান্নাতের এক-চতুর্থাংশ অধিবাসী। একথা শুনে তারা তাকবীর ধ্বনি উচ্চারণ করেন। তারপর তিনি বললেনঃ আমি আশা করি তোমরাই হবে জান্নাতের এক-তৃতীয়াংশ অধিবাসী। একথা শুনে তারা তাকবীর ধ্বনি দেন। তিনি আবার বললেনঃ আমি আশা করি তোমরাই হবে জান্নাতের অর্ধেক অধিবাসী। তারা এবারও তাকবীর ধ্বনি দেন। রাবী বলেন, তিনি দুই-তৃতীয়াংশের কথা বলেছেন কি-না তা আমার মনে নেই। সনদ দুর্বল, তা’লীকুম রাগীব (৪/২২৯)

ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

“হে লোকেরা! তোমাদের প্রভুর গযব হতে নিজকে রক্ষা কর। কিয়ামাতের কম্পন বড়ই ভয়াবহ ব্যপার। যেদিন তোমরা তা দেখতে পাবে সেদিনের অবস্থা এমন হবে যে, প্রত্যেক স্তন্যদাত্রী নিজের দুধের শিশুকে দুধ পান করাতে ভুলে যাবে। প্রত্যেক গর্ভবতী গর্ভপাত করবে এবং লোকদেরকে তোমরা মাতালের মতো দেখতে পাবে, অথচ তারা নেশাগ্রস্থ নয়। বরং আল্লাহ্‌ তা’আলার শাস্তিই এতদূর কঠোর হবে” (সূরাঃ আল-হাজ্জ- ১-২)। রাবী বলেন, এ আয়াত যখন অবতীর্ণ হয়, তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফরে ছিলেন। তিনি বললেনঃ তোমরা কি জান এটা কোন দিন? সাহাবীগন বললেনঃ আল্লাহ্‌ তা’আলা ও তাঁর রাসূলই সবচাইতে ভাল জানেন। তিনি বললেনঃ এটা সেই দিন, যখন আল্লাহ্‌ তা’আলা আদম (আঃ)-কে বলবেনঃ জাহান্নামের বাহিনী প্রস্তুত কর। আদম (আঃ) বলবেনঃ হে প্রভু! জাহান্নামের বাহিনীর সংখ্যা কত? তিনি বলবেনঃ (হাজারকে) নয় শত নিরানব্বই জন জাহান্নামের এবং একজন জান্নাতের বাহিনী। একথা শুনে মুসলমানরা কান্নায় ভেংগে পড়েন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সমতল পথে চলো, আল্লাহ্‌ তা’আলার নৈকট্য খোঁজ কর, সোজা পথ ধর। প্রত্যেক নাবূয়্যাতের পূর্বেই রয়েছে জাহিলিয়াত। তিনি আরো বলেনঃ জাহিলিয়াত হতেই বেশি সংখ্যক নেয়া হবে। যদি এতে সংখ্যা পূর্ণ হয় তো ভালো, অন্যথায় মুনাফিকদের দিয়ে সংখ্যা পূর্ণ করা হবে। অপরাপর উম্মাতের ও তোমাদের উদাহরণ হচ্ছে, যেমন পশুর বাহুর দাগ অথবা উটের পার্শ্বদেশের তিলক (অর্থাৎ তোমাদের সংখ্যা বেশি হবে)। তিনি আবার বললেনঃ আমি আশা করি তোমরাই হবে জান্নাতের এক-চতুর্থাংশ অধিবাসী। একথা শুনে তারা তাকবীর ধ্বনি উচ্চারণ করেন। তারপর তিনি বললেনঃ আমি আশা করি তোমরাই হবে জান্নাতের এক-তৃতীয়াংশ অধিবাসী। একথা শুনে তারা তাকবীর ধ্বনি দেন। তিনি আবার বললেনঃ আমি আশা করি তোমরাই হবে জান্নাতের অর্ধেক অধিবাসী। তারা এবারও তাকবীর ধ্বনি দেন। রাবী বলেন, তিনি দুই-তৃতীয়াংশের কথা বলেছেন কি-না তা আমার মনে নেই। সনদ দুর্বল, তা’লীকুম রাগীব (৪/২২৯)

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن ابن جدعان، عن الحسن، عن عمران بن حصين، أن النبي صلى الله عليه وسلم لما نزلت ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الناس اتقوا ربكم إن زلزلة الساعة شيء عظيم ‏)‏ إلى قوله ‏:‏ ‏(‏ولكن عذاب الله شديد ‏)‏ قال أنزلت عليه هذه وهو في سفر فقال ‏"‏ أتدرون أى يوم ذلك ‏"‏ ‏.‏ فقالوا الله ورسوله أعلم ‏.‏ قال ‏"‏ ذلك يوم يقول الله لآدم ابعث بعث النار فقال يا رب وما بعث النار قال تسعمائة وتسعة وتسعون إلى النار وواحد إلى الجنة ‏"‏ ‏.‏ قال فأنشأ المسلمون يبكون فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ قاربوا وسددوا فإنها لم تكن نبوة قط إلا كان بين يديها جاهلية قال فيؤخذ العدد من الجاهلية فإن تمت وإلا كملت من المنافقين وما مثلكم والأمم إلا كمثل الرقمة في ذراع الدابة أو كالشامة في جنب البعير ثم قال إني لأرجو أن تكونوا ربع أهل الجنة ‏"‏ ‏.‏ فكبروا ثم قال ‏"‏ إني لأرجو أن تكونوا ثلث أهل الجنة ‏"‏ ‏.‏ فكبروا ثم قال ‏"‏ إني لأرجو أن تكونوا نصف أهل الجنة ‏"‏ ‏.‏ فكبروا قال ولا أدري قال الثلثين أم لا ‏.‏ قال هذا حديث حسن صحيح وقد روي من غير وجه عن عمران بن حصين عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩১৬৯

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا هشام بن أبي عبد الله، عن قتادة، عن الحسن، عن عمران بن حصين، قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر فتفاوت بين أصحابه في السير فرفع رسول الله صلى الله عليه وسلم صوته بهاتين الآيتين أيها الناس اتقوا ربكم إن زلزلة الساعة شيء عظيم ‏)‏ إلى قوله ‏:‏ ‏(‏ إن عذاب الله شديد ‏)‏ فلما سمع ذلك أصحابه حثوا المطي وعرفوا أنه عند قول يقوله فقال ‏"‏ هل تدرون أى يوم ذلك ‏"‏ ‏.‏ قالوا الله ورسوله أعلم ‏.‏ قال ‏"‏ ذاك يوم ينادي الله فيه آدم فيناديه ربه فيقول يا آدم ابعث بعث النار ‏.‏ فيقول يا رب وما بعث النار فيقول من كل ألف تسعمائة وتسعة وتسعون إلى النار وواحد في الجنة ‏"‏ ‏.‏ فيئس القوم حتى ما أبدوا بضاحكة فلما رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم الذي بأصحابه قال ‏"‏ اعملوا وأبشروا فوالذي نفس محمد بيده إنكم لمع خليقتين ما كانتا مع شيء إلا كثرتاه يأجوج ومأجوج ومن مات من بني آدم وبني إبليس ‏"‏ ‏.‏ قال فسري عن القوم بعض الذي يجدون ‏.‏ فقال ‏"‏ اعملوا وأبشروا فوالذي نفس محمد بيده ما أنتم في الناس إلا كالشامة في جنب البعير أو كالرقمة في ذراع الدابة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.

ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা এক সফরে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে ছিলাম। চলার পথে তিনি ও তাঁর সাহাবিগণ আগে পিছে হয়ে গেলেন। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূরা হাজ্জ এর প্রথম এ দুটি আয়াতের মাধ্যমে নিজের আওয়াজ বড় করলেনঃ "হে মানুষ! তোমাদের প্রতিপালককে ভয় কর। কিয়ামাতের প্রকম্পন এক ভয়াবহ ব্যাপার ... বস্তুত আল্লাহ্‌ তা'আলার শাস্তি বড় কঠিন"-(সূরা হাজ্জ ১-২)। তাঁর সাহাবীগন এই ডাক শুনতে পেয়ে নিজেদের জন্তু্যানের গতি দ্রুত করলেন এবং জেনে নিলেন যে, তিনি কিছু বলবেন। (সাহাবীগন তাঁর নিকট পৌঁছালে) তিনি বললেনঃ তোমরা কি জানো সেই দিন কোনটি? তারা বললেন, আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসুলই বেশী ভালো জানেন। তিনি বললেনঃ এটা সেই দিন যেদিন আল্লাহ্‌ তা'আলা আদম (আঃ) কে ডেকে বলবেন- "হে আদম দোজখের ফৌজ তৈরি কর। তিনি বলবেনঃ হে আমার প্রতিপালক, দোজখের ফৌজ কারা এবং তাদের সংখ্যা কত? তিনি বলবেন, প্রতি হাজারে নয়শ নিরানব্বই জন দোজখে যাবে এবং একজন জান্নাতে যাবে"। সাহাবীগণ এই কথা শুনে বাকরুদ্ধ হয়ে গেলেন। তখন কারো মুখে হাসি ছিলনা। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এই অবস্থা দেখে বললেনঃ কাজ করতে থাকো এবং সুসংবাদ গ্রহণ কর। সেই সত্তার শপথ যার হাতে মুহাম্মাদের জীবন! তোমরা দুটি জীবের সাক্ষাৎ পাবে। তাদের সাথে যাদের সাক্ষাৎ হবে তাদের সংখ্যা বৃদ্ধি হবে। এ দুটি জীব হল ইয়া'যুজ ও মা'যুজ এবং আদম সন্তান ও ইবলিশের সন্তানদের মধ্যে যারা মারা গেছে তারা। বর্ণনাকারী বলেন, এতে লোকদের চিন্তা ও বিষণ্ণতা কিছুটা দূর হয়ে গেলো। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা কাজ কর এবং সুসংবাদ গ্রহণ কর। সেই সত্তার শপথ যার হাতে মুহাম্মাদের প্রান! (অন্যান্য জাতীর তুলনায়) তোমাদের দৃষ্টান্ত হল, উটের পার্শ্বদেশের তিলক অথবা চতুষ্পদ জন্তুর বাহুর দাগের মত। সহীহ বুখারী (৪৭৪১), মুসলিম (১/১৩৯)

ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা এক সফরে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে ছিলাম। চলার পথে তিনি ও তাঁর সাহাবিগণ আগে পিছে হয়ে গেলেন। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূরা হাজ্জ এর প্রথম এ দুটি আয়াতের মাধ্যমে নিজের আওয়াজ বড় করলেনঃ "হে মানুষ! তোমাদের প্রতিপালককে ভয় কর। কিয়ামাতের প্রকম্পন এক ভয়াবহ ব্যাপার ... বস্তুত আল্লাহ্‌ তা'আলার শাস্তি বড় কঠিন"-(সূরা হাজ্জ ১-২)। তাঁর সাহাবীগন এই ডাক শুনতে পেয়ে নিজেদের জন্তু্যানের গতি দ্রুত করলেন এবং জেনে নিলেন যে, তিনি কিছু বলবেন। (সাহাবীগন তাঁর নিকট পৌঁছালে) তিনি বললেনঃ তোমরা কি জানো সেই দিন কোনটি? তারা বললেন, আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসুলই বেশী ভালো জানেন। তিনি বললেনঃ এটা সেই দিন যেদিন আল্লাহ্‌ তা'আলা আদম (আঃ) কে ডেকে বলবেন- "হে আদম দোজখের ফৌজ তৈরি কর। তিনি বলবেনঃ হে আমার প্রতিপালক, দোজখের ফৌজ কারা এবং তাদের সংখ্যা কত? তিনি বলবেন, প্রতি হাজারে নয়শ নিরানব্বই জন দোজখে যাবে এবং একজন জান্নাতে যাবে"। সাহাবীগণ এই কথা শুনে বাকরুদ্ধ হয়ে গেলেন। তখন কারো মুখে হাসি ছিলনা। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এই অবস্থা দেখে বললেনঃ কাজ করতে থাকো এবং সুসংবাদ গ্রহণ কর। সেই সত্তার শপথ যার হাতে মুহাম্মাদের জীবন! তোমরা দুটি জীবের সাক্ষাৎ পাবে। তাদের সাথে যাদের সাক্ষাৎ হবে তাদের সংখ্যা বৃদ্ধি হবে। এ দুটি জীব হল ইয়া'যুজ ও মা'যুজ এবং আদম সন্তান ও ইবলিশের সন্তানদের মধ্যে যারা মারা গেছে তারা। বর্ণনাকারী বলেন, এতে লোকদের চিন্তা ও বিষণ্ণতা কিছুটা দূর হয়ে গেলো। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা কাজ কর এবং সুসংবাদ গ্রহণ কর। সেই সত্তার শপথ যার হাতে মুহাম্মাদের প্রান! (অন্যান্য জাতীর তুলনায়) তোমাদের দৃষ্টান্ত হল, উটের পার্শ্বদেশের তিলক অথবা চতুষ্পদ জন্তুর বাহুর দাগের মত। সহীহ বুখারী (৪৭৪১), মুসলিম (১/১৩৯)

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا هشام بن أبي عبد الله، عن قتادة، عن الحسن، عن عمران بن حصين، قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر فتفاوت بين أصحابه في السير فرفع رسول الله صلى الله عليه وسلم صوته بهاتين الآيتين أيها الناس اتقوا ربكم إن زلزلة الساعة شيء عظيم ‏)‏ إلى قوله ‏:‏ ‏(‏ إن عذاب الله شديد ‏)‏ فلما سمع ذلك أصحابه حثوا المطي وعرفوا أنه عند قول يقوله فقال ‏"‏ هل تدرون أى يوم ذلك ‏"‏ ‏.‏ قالوا الله ورسوله أعلم ‏.‏ قال ‏"‏ ذاك يوم ينادي الله فيه آدم فيناديه ربه فيقول يا آدم ابعث بعث النار ‏.‏ فيقول يا رب وما بعث النار فيقول من كل ألف تسعمائة وتسعة وتسعون إلى النار وواحد في الجنة ‏"‏ ‏.‏ فيئس القوم حتى ما أبدوا بضاحكة فلما رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم الذي بأصحابه قال ‏"‏ اعملوا وأبشروا فوالذي نفس محمد بيده إنكم لمع خليقتين ما كانتا مع شيء إلا كثرتاه يأجوج ومأجوج ومن مات من بني آدم وبني إبليس ‏"‏ ‏.‏ قال فسري عن القوم بعض الذي يجدون ‏.‏ فقال ‏"‏ اعملوا وأبشروا فوالذي نفس محمد بيده ما أنتم في الناس إلا كالشامة في جنب البعير أو كالرقمة في ذراع الدابة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩১৭১

حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا أبي وإسحاق بن يوسف الأزرق، عن سفيان الثوري، عن الأعمش، عن مسلم البطين، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال لما أخرج النبي صلى الله عليه وسلم من مكة قال أبو بكر أخرجوا نبيهم ليهلكن فأنزل الله ‏:‏ ‏(‏أذن للذين يقاتلون بأنهم ظلموا وإن الله على نصرهم لقدير ‏)‏ الآية ‏.‏ فقال أبو بكر لقد علمت أنه سيكون قتال ‏.‏ قال هذا حديث حسن ‏.‏ وقد رواه عبد الرحمن بن مهدي وغيره عن سفيان عن الأعمش عن مسلم البطين عن سعيد بن جبير مرسلا ليس فيه عن ابن عباس ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে যখন মক্কাবাসীরা মক্কা হতে নির্বাসিত করে, তখন আবূ বকর (রাঃ) বললেন, এই লোকেরা তাদের নবীকে বের করে দিয়েছে। এদের নিঃসন্দেহে অনিষ্ট হবে। এ কথার পটভূমিকায় আল্লাহ্‌ তা’আলা এই আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা হচ্ছে তাদেরকে অনুমতি দেয়া হল। কেননা তাদের প্রতি যুলুম করা হয়েছে। আল্লাহ্‌ তা’আলা অবশ্যই তাদের সাহায্য করতে সক্ষম। এরা সেই লোক, যাদেরকে অন্যায়ভাবে নিজেদের ঘর-বাড়ী হতে বহিষ্কৃত করা হয়েছে। তাদের দোষ ছিল এই যে, তারা বলতঃ আল্লাহ্‌ তা’আলা আমাদের রব” (সূরাঃ আল-হাজ্জ- ৩৯-৪০)। আবূ বাকর (রাঃ) বললেনঃ আমি বুঝে গেলাম, শীঘ্রই লড়াই বেধে যাবে। সনদ দুর্বল

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে যখন মক্কাবাসীরা মক্কা হতে নির্বাসিত করে, তখন আবূ বকর (রাঃ) বললেন, এই লোকেরা তাদের নবীকে বের করে দিয়েছে। এদের নিঃসন্দেহে অনিষ্ট হবে। এ কথার পটভূমিকায় আল্লাহ্‌ তা’আলা এই আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা হচ্ছে তাদেরকে অনুমতি দেয়া হল। কেননা তাদের প্রতি যুলুম করা হয়েছে। আল্লাহ্‌ তা’আলা অবশ্যই তাদের সাহায্য করতে সক্ষম। এরা সেই লোক, যাদেরকে অন্যায়ভাবে নিজেদের ঘর-বাড়ী হতে বহিষ্কৃত করা হয়েছে। তাদের দোষ ছিল এই যে, তারা বলতঃ আল্লাহ্‌ তা’আলা আমাদের রব” (সূরাঃ আল-হাজ্জ- ৩৯-৪০)। আবূ বাকর (রাঃ) বললেনঃ আমি বুঝে গেলাম, শীঘ্রই লড়াই বেধে যাবে। সনদ দুর্বল

حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا أبي وإسحاق بن يوسف الأزرق، عن سفيان الثوري، عن الأعمش، عن مسلم البطين، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال لما أخرج النبي صلى الله عليه وسلم من مكة قال أبو بكر أخرجوا نبيهم ليهلكن فأنزل الله ‏:‏ ‏(‏أذن للذين يقاتلون بأنهم ظلموا وإن الله على نصرهم لقدير ‏)‏ الآية ‏.‏ فقال أبو بكر لقد علمت أنه سيكون قتال ‏.‏ قال هذا حديث حسن ‏.‏ وقد رواه عبد الرحمن بن مهدي وغيره عن سفيان عن الأعمش عن مسلم البطين عن سعيد بن جبير مرسلا ليس فيه عن ابن عباس ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩১৭২

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو أحمد الزبيري، حدثنا سفيان، عن الأعمش، عن مسلم البطين، عن سعيد بن جبير، قال لما أخرج النبي صلى الله عليه وسلم من مكة قال رجل أخرجوا نبيهم فنزلت ‏:‏ ‏(‏ أذن للذين يقاتلون بأنهم ظلموا وإن الله على نصرهم لقدير * الذين أخرجوا من ديارهم بغير حق ‏)‏ النبي صلى الله عليه وسلم وأصحابه ‏.

সাঈদ ইবনু জুবাইর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মক্কা হতে বের করা হলে এক ব্যক্তি বলেন, তারা তাদের নবীকে বের করে দিয়েছে। তখন অবতীর্ণ হয়ঃ “যুদ্ধের অনুমতি দেয়া হল তাদেরকে যাদের সাথে যুদ্ধ করা হয়, কেননা তাদের প্রতি যুলুম করা হয়েছে; আর আল্লাহ্‌ তাদেরকে সাহায্য করতে অবশ্যই সক্ষম; যারা বহিষ্কৃত হয়েছে অন্যায়ভাবে তাদের ঘর-বাড়ী থেকে” (সূরাঃ আল-হাজ্জ- ৩৯-৪০) অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণকে।

সাঈদ ইবনু জুবাইর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মক্কা হতে বের করা হলে এক ব্যক্তি বলেন, তারা তাদের নবীকে বের করে দিয়েছে। তখন অবতীর্ণ হয়ঃ “যুদ্ধের অনুমতি দেয়া হল তাদেরকে যাদের সাথে যুদ্ধ করা হয়, কেননা তাদের প্রতি যুলুম করা হয়েছে; আর আল্লাহ্‌ তাদেরকে সাহায্য করতে অবশ্যই সক্ষম; যারা বহিষ্কৃত হয়েছে অন্যায়ভাবে তাদের ঘর-বাড়ী থেকে” (সূরাঃ আল-হাজ্জ- ৩৯-৪০) অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণকে।

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو أحمد الزبيري، حدثنا سفيان، عن الأعمش، عن مسلم البطين، عن سعيد بن جبير، قال لما أخرج النبي صلى الله عليه وسلم من مكة قال رجل أخرجوا نبيهم فنزلت ‏:‏ ‏(‏ أذن للذين يقاتلون بأنهم ظلموا وإن الله على نصرهم لقدير * الذين أخرجوا من ديارهم بغير حق ‏)‏ النبي صلى الله عليه وسلم وأصحابه ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00