জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আল-হিজর
জামে' আত-তিরমিজি ৩১২৪
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا أبو علي الحنفي، عن ابن أبي ذئب، عن المقبري، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الحمد لله أم القرآن وأم الكتاب والسبع المثاني " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
আবু হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “আলহামদু লিল্লাহ’’ অর্থাৎ সূরা ফাতিহা হচ্ছে উম্মুল কুরআন (কুরআনের মূল), উম্মুল কিতাব (কিতাবের মূল) ও সাব’উল মাসানী (বারবার পাঠিত সপ্তক)। সহীহ : সহীহ আবু দাউদ (১৩১) ,বুখারী।
আবু হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “আলহামদু লিল্লাহ’’ অর্থাৎ সূরা ফাতিহা হচ্ছে উম্মুল কুরআন (কুরআনের মূল), উম্মুল কিতাব (কিতাবের মূল) ও সাব’উল মাসানী (বারবার পাঠিত সপ্তক)। সহীহ : সহীহ আবু দাউদ (১৩১) ,বুখারী।
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا أبو علي الحنفي، عن ابن أبي ذئب، عن المقبري، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الحمد لله أم القرآن وأم الكتاب والسبع المثاني " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১২৩
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عثمان بن عمر، عن مالك بن مغول، عن جنيد، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لجهنم سبعة أبواب باب منها لمن سل السيف على أمتي أو قال على أمة محمد صلى الله عليه وسلم - " . قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه إلا من حديث مالك بن مغول .
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জাহান্নামের সাতটি দরজা আছে (১৫:৪৪ আয়াতের প্রতি ইঙ্গিত)। তার মধ্যে একটি দরজা সেইসব লোকদের জন্য যারা আমার উম্মতের বিরুদ্ধে অথবা বলেছেনঃ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উম্মতের বিপক্ষে তলোয়ার চালিয়েছে। যঈফ, মিশকাত, তাহকীক ছানী (৩৫৩০)
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জাহান্নামের সাতটি দরজা আছে (১৫:৪৪ আয়াতের প্রতি ইঙ্গিত)। তার মধ্যে একটি দরজা সেইসব লোকদের জন্য যারা আমার উম্মতের বিরুদ্ধে অথবা বলেছেনঃ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উম্মতের বিপক্ষে তলোয়ার চালিয়েছে। যঈফ, মিশকাত, তাহকীক ছানী (৩৫৩০)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عثمان بن عمر، عن مالك بن مغول، عن جنيد، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لجهنم سبعة أبواب باب منها لمن سل السيف على أمتي أو قال على أمة محمد صلى الله عليه وسلم - " . قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه إلا من حديث مالك بن مغول .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১২২
حدثنا قتيبة، حدثنا نوح بن قيس الحداني، عن عمرو بن مالك، عن أبي الجوزاء، عن ابن عباس، قال كانت امرأة تصلي خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم - حسناء من أحسن الناس فكان بعض القوم يتقدم حتى يكون في الصف الأول لئلا يراها ويستأخر بعضهم حتى يكون في الصف المؤخر فإذا ركع نظر من تحت إبطيه فأنزل الله : ( ولقد علمنا المستقدمين منكم ولقد علمنا المستأخرين ) . قال أبو عيسى وروى جعفر بن سليمان هذا الحديث عن عمرو بن مالك عن أبي الجوزاء نحوه ولم يذكر فيه عن ابن عباس وهذا أشبه أن يكون أصح من حديث نوح .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক পরমা সুন্দরী মহিলা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পেছনে (মহিলাদের কাতারে) নামায আদায় করত। কিছু লোক প্রথম কাতারে এগিয়ে আসতো, যাতে উক্ত মহিলা দৃষ্টিগোচর না হয়। আবার কিছু লোক পেছনে সরে গিয়ে (মহিলাদের নিকটবর্তী) পেছনের কাতারে দাঁড়াত এবং রুকুতে গিয়ে বগলের নীচ দিয়ে (উক্ত মহিলার প্রতি) তাকাতো। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা অবতীর্ণ করেন : “ তোমাদের মধ্যকার সামনে অগ্রসর হয়ে যাওয়া লোকদেরও আমি জানি এবং পেছনে পিছিয়ে যাওয়া লোকদেরও আমি জানি “ (সূরা আল-হিজর ২৪)। সহীহ : সহীহাহ (২৪৭২), আস সামার আল-মুস্তাত্বা-ব।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক পরমা সুন্দরী মহিলা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পেছনে (মহিলাদের কাতারে) নামায আদায় করত। কিছু লোক প্রথম কাতারে এগিয়ে আসতো, যাতে উক্ত মহিলা দৃষ্টিগোচর না হয়। আবার কিছু লোক পেছনে সরে গিয়ে (মহিলাদের নিকটবর্তী) পেছনের কাতারে দাঁড়াত এবং রুকুতে গিয়ে বগলের নীচ দিয়ে (উক্ত মহিলার প্রতি) তাকাতো। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা অবতীর্ণ করেন : “ তোমাদের মধ্যকার সামনে অগ্রসর হয়ে যাওয়া লোকদেরও আমি জানি এবং পেছনে পিছিয়ে যাওয়া লোকদেরও আমি জানি “ (সূরা আল-হিজর ২৪)। সহীহ : সহীহাহ (২৪৭২), আস সামার আল-মুস্তাত্বা-ব।
حدثنا قتيبة، حدثنا نوح بن قيس الحداني، عن عمرو بن مالك، عن أبي الجوزاء، عن ابن عباس، قال كانت امرأة تصلي خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم - حسناء من أحسن الناس فكان بعض القوم يتقدم حتى يكون في الصف الأول لئلا يراها ويستأخر بعضهم حتى يكون في الصف المؤخر فإذا ركع نظر من تحت إبطيه فأنزل الله : ( ولقد علمنا المستقدمين منكم ولقد علمنا المستأخرين ) . قال أبو عيسى وروى جعفر بن سليمان هذا الحديث عن عمرو بن مالك عن أبي الجوزاء نحوه ولم يذكر فيه عن ابن عباس وهذا أشبه أن يكون أصح من حديث نوح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১২৫
حدثنا الحسين بن حريث، حدثنا الفضل بن موسى، عن عبد الحميد بن جعفر، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن أبى بن كعب، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " ما أنزل الله في التوراة ولا في الإنجيل مثل أم القرآن وهي السبع المثاني وهي مقسومة بيني وبين عبدي ولعبدي ما سأل " .
উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তাওরাত ও ইনজীলে আল্লাহ তা’আলা উম্মুল কুরআনের সমতুল্য কিছু অবতীর্ণ করেননি। আর তা হচ্ছে সাব’উল মাসানী (বারবার পঠিত সপ্তক : সূরা আ-ইজর ৮৭ আয়াতের প্রতি ইঙ্গিত)। (আল্লাহ তা’আলা বলেন) তা আমার ও আমার বান্দার মধ্যে বন্টিত। আমার বান্দার জন্য তা-ই রয়েছে যা সে চেয়েছে। সহীহ : তা’লীকুর রাগীব (২/২১৬) , সিফাতুস সালাত।
উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তাওরাত ও ইনজীলে আল্লাহ তা’আলা উম্মুল কুরআনের সমতুল্য কিছু অবতীর্ণ করেননি। আর তা হচ্ছে সাব’উল মাসানী (বারবার পঠিত সপ্তক : সূরা আ-ইজর ৮৭ আয়াতের প্রতি ইঙ্গিত)। (আল্লাহ তা’আলা বলেন) তা আমার ও আমার বান্দার মধ্যে বন্টিত। আমার বান্দার জন্য তা-ই রয়েছে যা সে চেয়েছে। সহীহ : তা’লীকুর রাগীব (২/২১৬) , সিফাতুস সালাত।
حدثنا الحسين بن حريث، حدثنا الفضل بن موسى، عن عبد الحميد بن جعفر، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن أبى بن كعب، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " ما أنزل الله في التوراة ولا في الإنجيل مثل أم القرآن وهي السبع المثاني وهي مقسومة بيني وبين عبدي ولعبدي ما سأل " .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১২৬
حدثنا أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا معتمر بن سليمان، عن ليث بن أبي سليم، عن بشر، عن أنس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم في قوله : (ولنسألنهم أجمعين * عما كانوا يعملون ) قال " عن قول لا إله إلا الله " . قال أبو عيسى هذا حديث غريب إنما نعرفه من حديث ليث بن أبي سليم . وقد روى عبد الله بن إدريس عن ليث بن أبي سليم عن بشر عن أنس بن مالك نحوه ولم يرفعه .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্ তা'আলার বাণী "আমি অবশ্যই তাদের সবাইকে প্রশ্ন করব তারা যা করে সে বিষয়ে" (সূরাঃ হিজ্র- ৯২-৯৩) প্রসঙ্গে বলেনঃ অর্থাৎ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলা প্রসঙ্গে। সনদ দুর্বল
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্ তা'আলার বাণী "আমি অবশ্যই তাদের সবাইকে প্রশ্ন করব তারা যা করে সে বিষয়ে" (সূরাঃ হিজ্র- ৯২-৯৩) প্রসঙ্গে বলেনঃ অর্থাৎ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলা প্রসঙ্গে। সনদ দুর্বল
حدثنا أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا معتمر بن سليمان، عن ليث بن أبي سليم، عن بشر، عن أنس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم في قوله : (ولنسألنهم أجمعين * عما كانوا يعملون ) قال " عن قول لا إله إلا الله " . قال أبو عيسى هذا حديث غريب إنما نعرفه من حديث ليث بن أبي سليم . وقد روى عبد الله بن إدريس عن ليث بن أبي سليم عن بشر عن أنس بن مالك نحوه ولم يرفعه .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১২৭
حدثنا محمد بن إسماعيل، حدثنا أحمد بن أبي الطيب، حدثنا مصعب بن سلام، عن عمرو بن قيس، عن عطية، عن أبي سعيد الخدري، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اتقوا فراسة المؤمن فإنه ينظر بنور الله " . ثم قرأ : ( إن في ذلك لآيات للمتوسمين ) . قال أبو عيسى هذا حديث غريب إنما نعرفه من هذا الوجه وقد روي عن بعض أهل العلم في تفسير هذه الآية : ( إن في ذلك لآيات للمتوسمين ) قال للمتفرسين .
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা মু'মিনের দূরদৃষ্টি সম্পর্কে সজাগ থাক। কারণ সে আল্লাহ্ তা'আলার নূরের সাহায্যে দেখে। তারপর তিনি পাঠ করেনঃ "নিশ্চয়ই এতে নিদর্শন রয়েছে অন্তর্দৃষ্টি সম্পন্ন লোকদের জন্য" (সূরাঃ আল-হিজর- ৭৫) যঈফ, যঈফা (১৮২১)
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা মু'মিনের দূরদৃষ্টি সম্পর্কে সজাগ থাক। কারণ সে আল্লাহ্ তা'আলার নূরের সাহায্যে দেখে। তারপর তিনি পাঠ করেনঃ "নিশ্চয়ই এতে নিদর্শন রয়েছে অন্তর্দৃষ্টি সম্পন্ন লোকদের জন্য" (সূরাঃ আল-হিজর- ৭৫) যঈফ, যঈফা (১৮২১)
حدثنا محمد بن إسماعيل، حدثنا أحمد بن أبي الطيب، حدثنا مصعب بن سلام، عن عمرو بن قيس، عن عطية، عن أبي سعيد الخدري، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اتقوا فراسة المؤمن فإنه ينظر بنور الله " . ثم قرأ : ( إن في ذلك لآيات للمتوسمين ) . قال أبو عيسى هذا حديث غريب إنما نعرفه من هذا الوجه وقد روي عن بعض أهل العلم في تفسير هذه الآية : ( إن في ذلك لآيات للمتوسمين ) قال للمتفرسين .
জামে' আত-তিরমিজি > সুরা আন-নাহল
জামে' আত-তিরমিজি ৩১২৮
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا علي بن عاصم، عن يحيى البكاء، حدثني عبد الله بن عمر، قال سمعت عمر بن الخطاب، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أربع قبل الظهر بعد الزوال تحسب بمثلهن في صلاة السحر " . قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " وليس من شيء إلا وهو يسبح الله تلك الساعة " . ثم قرأ : ( يتفيأ ظلاله عن اليمين والشمائل سجدا لله ) الآية كلها . قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه إلا من حديث علي بن عاصم .
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যুহরের (ফরযের) পূর্বে সূর্য ঢলে যাওয়ার পর যে চার রাক'আত নামায (আদায় করা হয়, সাওয়াবের দিক হতে) তা শেষ রাতের চার রাক'আত নামাযের মত। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এমন কোন জিনিষ নেই যা ঐ সময় আল্লাহ্ তা'আলার গুণগান করে না। তারপর তিনি এ আয়াত পাঠ করেনঃ "এর ছায়া ডানে ও বাঁয়ে ঢলে পড়ে আল্লাহ্ তা'আলার প্রতি বিনীতভাবে সিজদাবনত হয়...." (সূরাঃ আন-নাহল- ৪৮-৫০) .... আয়াতের শেষ পর্যন্ত। যঈফ, সহীহা (১৪৩১) নং হাদীসের অধীনে
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যুহরের (ফরযের) পূর্বে সূর্য ঢলে যাওয়ার পর যে চার রাক'আত নামায (আদায় করা হয়, সাওয়াবের দিক হতে) তা শেষ রাতের চার রাক'আত নামাযের মত। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এমন কোন জিনিষ নেই যা ঐ সময় আল্লাহ্ তা'আলার গুণগান করে না। তারপর তিনি এ আয়াত পাঠ করেনঃ "এর ছায়া ডানে ও বাঁয়ে ঢলে পড়ে আল্লাহ্ তা'আলার প্রতি বিনীতভাবে সিজদাবনত হয়...." (সূরাঃ আন-নাহল- ৪৮-৫০) .... আয়াতের শেষ পর্যন্ত। যঈফ, সহীহা (১৪৩১) নং হাদীসের অধীনে
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا علي بن عاصم، عن يحيى البكاء، حدثني عبد الله بن عمر، قال سمعت عمر بن الخطاب، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أربع قبل الظهر بعد الزوال تحسب بمثلهن في صلاة السحر " . قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " وليس من شيء إلا وهو يسبح الله تلك الساعة " . ثم قرأ : ( يتفيأ ظلاله عن اليمين والشمائل سجدا لله ) الآية كلها . قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه إلا من حديث علي بن عاصم .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১২৯
حدثنا أبو عمار الحسين بن حريث، حدثنا الفضل بن موسى، عن عيسى بن عبيد، عن الربيع بن أنس، عن أبي العالية، قال حدثني أبى بن كعب، قال لما كان يوم أحد أصيب من الأنصار أربعة وستون رجلا ومن المهاجرين ستة فيهم حمزة فمثلوا بهم فقالت الأنصار لئن أصبنا منهم يوما مثل هذا لنربين عليهم قال فلما كان يوم فتح مكة فأنزل الله ( وإن عاقبتم فعاقبوا بمثل ما عوقبتم به ولئن صبرتم لهو خير للصابرين ) فقال رجل لا قريش بعد اليوم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كفوا عن القوم إلا أربعة " . قال هذا حديث حسن غريب من حديث أبى بن كعب .
উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, উহুদের যুদ্ধে চৌষট্টিজন আনসার ও ছয়জন মুহাজির শাহাদাত বরণ করেন। তাদের মধ্যে হামযাহ্ (রাঃ)-ও ছিলেন। কাফিররা তাদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কর্তন করে লাশ বিকৃত করেছিল। আনসারগণ বলেন, আমরা যদি এসব কাফিরকে কোনদিন কাবু করতে পারি তাহলে তাদের উপর এর দ্বিগুণ বদলা নেব। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর যখন মক্কা বিজয়ের দিন আসলো তখন আল্লাহ তা‘আলা অবতীর্ণ করেন (অনুবাদ) : “যদি তোমরা শাস্তি দাওই তবে ঠিক ততখানি শাস্তি দিবে যতখানি অন্যায় তোমাদের প্রতি করা হয়েছে। আর যদি তোমরা ধৈর্য ধারণ কর তবে ধৈর্যশীলদের জন্য তাইতো উত্তম”- (সূরা আন্-নাহ্ল ১২৬)। তখন এক ব্যক্তি বলল, আজকের পর হতে কুরাইশদের নাম থাকবে না। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ চার ব্যক্তি ব্যতীত অন্য লোকদের হত্যা করা হতে তোমরা বিরত থাক। সনদ: হাসান সহীহ।
উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, উহুদের যুদ্ধে চৌষট্টিজন আনসার ও ছয়জন মুহাজির শাহাদাত বরণ করেন। তাদের মধ্যে হামযাহ্ (রাঃ)-ও ছিলেন। কাফিররা তাদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কর্তন করে লাশ বিকৃত করেছিল। আনসারগণ বলেন, আমরা যদি এসব কাফিরকে কোনদিন কাবু করতে পারি তাহলে তাদের উপর এর দ্বিগুণ বদলা নেব। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর যখন মক্কা বিজয়ের দিন আসলো তখন আল্লাহ তা‘আলা অবতীর্ণ করেন (অনুবাদ) : “যদি তোমরা শাস্তি দাওই তবে ঠিক ততখানি শাস্তি দিবে যতখানি অন্যায় তোমাদের প্রতি করা হয়েছে। আর যদি তোমরা ধৈর্য ধারণ কর তবে ধৈর্যশীলদের জন্য তাইতো উত্তম”- (সূরা আন্-নাহ্ল ১২৬)। তখন এক ব্যক্তি বলল, আজকের পর হতে কুরাইশদের নাম থাকবে না। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ চার ব্যক্তি ব্যতীত অন্য লোকদের হত্যা করা হতে তোমরা বিরত থাক। সনদ: হাসান সহীহ।
حدثنا أبو عمار الحسين بن حريث، حدثنا الفضل بن موسى، عن عيسى بن عبيد، عن الربيع بن أنس، عن أبي العالية، قال حدثني أبى بن كعب، قال لما كان يوم أحد أصيب من الأنصار أربعة وستون رجلا ومن المهاجرين ستة فيهم حمزة فمثلوا بهم فقالت الأنصار لئن أصبنا منهم يوما مثل هذا لنربين عليهم قال فلما كان يوم فتح مكة فأنزل الله ( وإن عاقبتم فعاقبوا بمثل ما عوقبتم به ولئن صبرتم لهو خير للصابرين ) فقال رجل لا قريش بعد اليوم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كفوا عن القوم إلا أربعة " . قال هذا حديث حسن غريب من حديث أبى بن كعب .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১২৯
حدثنا أبو عمار الحسين بن حريث، حدثنا الفضل بن موسى، عن عيسى بن عبيد، عن الربيع بن أنس، عن أبي العالية، قال حدثني أبى بن كعب، قال لما كان يوم أحد أصيب من الأنصار أربعة وستون رجلا ومن المهاجرين ستة فيهم حمزة فمثلوا بهم فقالت الأنصار لئن أصبنا منهم يوما مثل هذا لنربين عليهم قال فلما كان يوم فتح مكة فأنزل الله ( وإن عاقبتم فعاقبوا بمثل ما عوقبتم به ولئن صبرتم لهو خير للصابرين ) فقال رجل لا قريش بعد اليوم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كفوا عن القوم إلا أربعة " . قال هذا حديث حسن غريب من حديث أبى بن كعب .
উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, উহুদের যুদ্ধে চৌষট্টিজন আনসার ও ছয়জন মুহাজির শাহাদাত বরণ করেন। তাদের মধ্যে হামযাহ্ (রাঃ)-ও ছিলেন। কাফিররা তাদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কর্তন করে লাশ বিকৃত করেছিল। আনসারগণ বলেন, আমরা যদি এসব কাফিরকে কোনদিন কাবু করতে পারি তাহলে তাদের উপর এর দ্বিগুণ বদলা নেব। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর যখন মক্কা বিজয়ের দিন আসলো তখন আল্লাহ তা‘আলা অবতীর্ণ করেন (অনুবাদ) : “যদি তোমরা শাস্তি দাওই তবে ঠিক ততখানি শাস্তি দিবে যতখানি অন্যায় তোমাদের প্রতি করা হয়েছে। আর যদি তোমরা ধৈর্য ধারণ কর তবে ধৈর্যশীলদের জন্য তাইতো উত্তম”- (সূরা আন্-নাহ্ল ১২৬)। তখন এক ব্যক্তি বলল, আজকের পর হতে কুরাইশদের নাম থাকবে না। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ চার ব্যক্তি ব্যতীত অন্য লোকদের হত্যা করা হতে তোমরা বিরত থাক। সনদ: হাসান সহীহ।
উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, উহুদের যুদ্ধে চৌষট্টিজন আনসার ও ছয়জন মুহাজির শাহাদাত বরণ করেন। তাদের মধ্যে হামযাহ্ (রাঃ)-ও ছিলেন। কাফিররা তাদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কর্তন করে লাশ বিকৃত করেছিল। আনসারগণ বলেন, আমরা যদি এসব কাফিরকে কোনদিন কাবু করতে পারি তাহলে তাদের উপর এর দ্বিগুণ বদলা নেব। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর যখন মক্কা বিজয়ের দিন আসলো তখন আল্লাহ তা‘আলা অবতীর্ণ করেন (অনুবাদ) : “যদি তোমরা শাস্তি দাওই তবে ঠিক ততখানি শাস্তি দিবে যতখানি অন্যায় তোমাদের প্রতি করা হয়েছে। আর যদি তোমরা ধৈর্য ধারণ কর তবে ধৈর্যশীলদের জন্য তাইতো উত্তম”- (সূরা আন্-নাহ্ল ১২৬)। তখন এক ব্যক্তি বলল, আজকের পর হতে কুরাইশদের নাম থাকবে না। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ চার ব্যক্তি ব্যতীত অন্য লোকদের হত্যা করা হতে তোমরা বিরত থাক। সনদ: হাসান সহীহ।
حدثنا أبو عمار الحسين بن حريث، حدثنا الفضل بن موسى، عن عيسى بن عبيد، عن الربيع بن أنس، عن أبي العالية، قال حدثني أبى بن كعب، قال لما كان يوم أحد أصيب من الأنصار أربعة وستون رجلا ومن المهاجرين ستة فيهم حمزة فمثلوا بهم فقالت الأنصار لئن أصبنا منهم يوما مثل هذا لنربين عليهم قال فلما كان يوم فتح مكة فأنزل الله ( وإن عاقبتم فعاقبوا بمثل ما عوقبتم به ولئن صبرتم لهو خير للصابرين ) فقال رجل لا قريش بعد اليوم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كفوا عن القوم إلا أربعة " . قال هذا حديث حسن غريب من حديث أبى بن كعب .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১২৯
حدثنا أبو عمار الحسين بن حريث، حدثنا الفضل بن موسى، عن عيسى بن عبيد، عن الربيع بن أنس، عن أبي العالية، قال حدثني أبى بن كعب، قال لما كان يوم أحد أصيب من الأنصار أربعة وستون رجلا ومن المهاجرين ستة فيهم حمزة فمثلوا بهم فقالت الأنصار لئن أصبنا منهم يوما مثل هذا لنربين عليهم قال فلما كان يوم فتح مكة فأنزل الله ( وإن عاقبتم فعاقبوا بمثل ما عوقبتم به ولئن صبرتم لهو خير للصابرين ) فقال رجل لا قريش بعد اليوم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كفوا عن القوم إلا أربعة " . قال هذا حديث حسن غريب من حديث أبى بن كعب .
উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, উহুদের যুদ্ধে চৌষট্টিজন আনসার ও ছয়জন মুহাজির শাহাদাত বরণ করেন। তাদের মধ্যে হামযাহ্ (রাঃ)-ও ছিলেন। কাফিররা তাদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কর্তন করে লাশ বিকৃত করেছিল। আনসারগণ বলেন, আমরা যদি এসব কাফিরকে কোনদিন কাবু করতে পারি তাহলে তাদের উপর এর দ্বিগুণ বদলা নেব। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর যখন মক্কা বিজয়ের দিন আসলো তখন আল্লাহ তা‘আলা অবতীর্ণ করেন (অনুবাদ) : “যদি তোমরা শাস্তি দাওই তবে ঠিক ততখানি শাস্তি দিবে যতখানি অন্যায় তোমাদের প্রতি করা হয়েছে। আর যদি তোমরা ধৈর্য ধারণ কর তবে ধৈর্যশীলদের জন্য তাইতো উত্তম”- (সূরা আন্-নাহ্ল ১২৬)। তখন এক ব্যক্তি বলল, আজকের পর হতে কুরাইশদের নাম থাকবে না। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ চার ব্যক্তি ব্যতীত অন্য লোকদের হত্যা করা হতে তোমরা বিরত থাক। সনদ: হাসান সহীহ।
উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, উহুদের যুদ্ধে চৌষট্টিজন আনসার ও ছয়জন মুহাজির শাহাদাত বরণ করেন। তাদের মধ্যে হামযাহ্ (রাঃ)-ও ছিলেন। কাফিররা তাদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কর্তন করে লাশ বিকৃত করেছিল। আনসারগণ বলেন, আমরা যদি এসব কাফিরকে কোনদিন কাবু করতে পারি তাহলে তাদের উপর এর দ্বিগুণ বদলা নেব। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর যখন মক্কা বিজয়ের দিন আসলো তখন আল্লাহ তা‘আলা অবতীর্ণ করেন (অনুবাদ) : “যদি তোমরা শাস্তি দাওই তবে ঠিক ততখানি শাস্তি দিবে যতখানি অন্যায় তোমাদের প্রতি করা হয়েছে। আর যদি তোমরা ধৈর্য ধারণ কর তবে ধৈর্যশীলদের জন্য তাইতো উত্তম”- (সূরা আন্-নাহ্ল ১২৬)। তখন এক ব্যক্তি বলল, আজকের পর হতে কুরাইশদের নাম থাকবে না। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ চার ব্যক্তি ব্যতীত অন্য লোকদের হত্যা করা হতে তোমরা বিরত থাক। সনদ: হাসান সহীহ।
حدثنا أبو عمار الحسين بن حريث، حدثنا الفضل بن موسى، عن عيسى بن عبيد، عن الربيع بن أنس، عن أبي العالية، قال حدثني أبى بن كعب، قال لما كان يوم أحد أصيب من الأنصار أربعة وستون رجلا ومن المهاجرين ستة فيهم حمزة فمثلوا بهم فقالت الأنصار لئن أصبنا منهم يوما مثل هذا لنربين عليهم قال فلما كان يوم فتح مكة فأنزل الله ( وإن عاقبتم فعاقبوا بمثل ما عوقبتم به ولئن صبرتم لهو خير للصابرين ) فقال رجل لا قريش بعد اليوم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كفوا عن القوم إلا أربعة " . قال هذا حديث حسن غريب من حديث أبى بن كعب .
জামে' আত-তিরমিজি > সূরা বানী ইসরাঈল
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৩২
حدثنا يعقوب بن إبراهيم الدورقي، حدثنا أبو تميلة، عن الزبير بن جنادة، عن ابن بريدة، عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لما انتهينا إلى بيت المقدس قال جبريل بإصبعه فخرق به الحجر وشد به البراق " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب .
আবদুল্লাহ ইবনু বুরাইদাহ্ (রহঃ) হতে তার বাবা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমরা যখন বাইতুল মাক্বদিসে পৌঁছলাম, তখন জিবরীল (‘আঃ) তাঁর আঙ্গুল দিয়ে পাথর ফাটান এবং তার সাথে বোরাক বাঁধেন।
আবদুল্লাহ ইবনু বুরাইদাহ্ (রহঃ) হতে তার বাবা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমরা যখন বাইতুল মাক্বদিসে পৌঁছলাম, তখন জিবরীল (‘আঃ) তাঁর আঙ্গুল দিয়ে পাথর ফাটান এবং তার সাথে বোরাক বাঁধেন।
حدثنا يعقوب بن إبراهيم الدورقي، حدثنا أبو تميلة، عن الزبير بن جنادة، عن ابن بريدة، عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لما انتهينا إلى بيت المقدس قال جبريل بإصبعه فخرق به الحجر وشد به البراق " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৩১
حدثنا إسحاق بن منصور، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن قتادة، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم أتي بالبراق ليلة أسري به ملجما مسرجا فاستصعب عليه فقال له جبريل أبمحمد تفعل هذا فما ركبك أحد أكرم على الله منه قال " فارفض عرقا " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ولا نعرفه إلا من حديث عبد الرزاق .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে রাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে (মিরাজে) ভ্রমণ করানো হয় সে রাতে তাঁর সামনে জিনপোষ আঁটা ও লাগাম বাঁধা একটি বোরাক আনা হয়। বোরাক তার পিঠে সাওয়ার হওয়াটা তাঁর জন্য অসম্ভব করে তুললে জিবরীল (‘আঃ) তাকে বললেন, তুমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে কেন এ রকম আচরণ করছ? অথচ আল্লাহ তা‘আলার সমীপে তাঁর চেয়ে বেশি সম্মানিত কেউ তোমর পিঠে সওয়ার হয়নি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এতে বোরাক ঘর্মাক্ত হয়ে যায়।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে রাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে (মিরাজে) ভ্রমণ করানো হয় সে রাতে তাঁর সামনে জিনপোষ আঁটা ও লাগাম বাঁধা একটি বোরাক আনা হয়। বোরাক তার পিঠে সাওয়ার হওয়াটা তাঁর জন্য অসম্ভব করে তুললে জিবরীল (‘আঃ) তাকে বললেন, তুমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে কেন এ রকম আচরণ করছ? অথচ আল্লাহ তা‘আলার সমীপে তাঁর চেয়ে বেশি সম্মানিত কেউ তোমর পিঠে সওয়ার হয়নি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এতে বোরাক ঘর্মাক্ত হয়ে যায়।
حدثنا إسحاق بن منصور، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن قتادة، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم أتي بالبراق ليلة أسري به ملجما مسرجا فاستصعب عليه فقال له جبريل أبمحمد تفعل هذا فما ركبك أحد أكرم على الله منه قال " فارفض عرقا " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ولا نعرفه إلا من حديث عبد الرزاق .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৩৩
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن عقيل، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن جابر بن عبد الله، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لما كذبتني قريش قمت في الحجر فجلا الله لي بيت المقدس فطفقت أخبرهم عن آياته وأنا أنظر إليه " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وفي الباب عن مالك بن صعصعة وأبي سعيد وابن عباس وأبي ذر وابن مسعود .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কুরাইশরা যখন আমাকে মিথ্যা মনে করল (এবং বলল, আপনার মিরাজে যাওয়ার দাবি সত্য হলে বাইতুল মাক্বদিসের একটি বর্ণনা দিন)। আমি হাজারে (হাতীমে) দাঁড়ালাম এবং আল্লাহ তা‘আলা আমার সামনে বাইতুল মাক্বদিসের প্রতিচ্ছবি তুলে ধরলেন। আমি তাদের সামনে এর নিদর্শনসমূহের বর্ননা দিলাম। মনে হল আমি যেন বাইতুল মাক্বদিসকেই দেখছি। সহীহ : তাখরীজু ফিকহিস্ সীরাহ্ (১৪৫), বুখারী, মুসলিম।
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কুরাইশরা যখন আমাকে মিথ্যা মনে করল (এবং বলল, আপনার মিরাজে যাওয়ার দাবি সত্য হলে বাইতুল মাক্বদিসের একটি বর্ণনা দিন)। আমি হাজারে (হাতীমে) দাঁড়ালাম এবং আল্লাহ তা‘আলা আমার সামনে বাইতুল মাক্বদিসের প্রতিচ্ছবি তুলে ধরলেন। আমি তাদের সামনে এর নিদর্শনসমূহের বর্ননা দিলাম। মনে হল আমি যেন বাইতুল মাক্বদিসকেই দেখছি। সহীহ : তাখরীজু ফিকহিস্ সীরাহ্ (১৪৫), বুখারী, মুসলিম।
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن عقيل، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن جابر بن عبد الله، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لما كذبتني قريش قمت في الحجر فجلا الله لي بيت المقدس فطفقت أخبرهم عن آياته وأنا أنظر إليه " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح . وفي الباب عن مالك بن صعصعة وأبي سعيد وابن عباس وأبي ذر وابن مسعود .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৩০
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، أخبرني سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " حين أسري بي لقيت موسى . قال فنعته فإذا رجل حسبته قال مضطرب رجل الرأس كأنه من رجال شنوءة قال ولقيت عيسى . قال فنعته قال ربعة أحمر كأنما خرج من ديماس يعني الحمام ورأيت إبراهيم . قال وأنا أشبه ولده به قال وأتيت بإناءين أحدهما لبن والآخر خمر فقيل لي خذ أيهما شئت . فأخذت اللبن فشربته فقيل لي هديت الفطرة أو أصبت الفطرة أما إنك لو أخذت الخمر غوت أمتك " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে রাতে আমাকে (ঊর্ধ্বজগতে) ভ্রমণ করানো হয় সে রাতে আমি মূসা (‘‘আঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করি। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মূসা (‘আঃ)-এর দৈহিক গঠনাকৃতির বর্ণনা দেন। (তিনি বলেনঃ ) তিনি এমন এক ব্যক্তি যাঁর দেহ মধ্যমাকৃতির, তাঁর চুল মধ্যম গোছেন, খুব কোঁকড়ানোও নয়, আবার একেবারে সোজাও নয়। মনে হয় তিনি শানূআহ বংশের লোক। তিনি আরো বলেনঃ ‘ঈসা (‘আঃ)-এর সাথেও আমি সাক্ষাৎ করলাম। বর্ণনাকারী বলেন, তাঁর চেহারারও বর্ণনা দিলেন তিনি। তাঁর দেহের গড়ন মধ্যম, শরীরের রং লাল এবং মনে হয় তিনি এইমাত্র গোসলখানা হতে বের হয়েছেন। ইব্রাহীম (‘আঃ)-কেও আমি দেখেছি। তাঁর বংশধরের মধ্যে আমিই তাঁর দৈহিক আকৃতিতে সর্বাধিক সদৃশ। আমার সামনে দু’টি পানপাত্র পেশ করা হয় : একটি দুধের এবং অন্যটি মদের। আমাকে বলা হল, আপনি এ দু’টির মধ্যে যেটা পান করতে চান সেটা নিন। আমি দুধের পাত্রটি নিয়ে তা পান করলাম। তারপর আমাকে বলা হল, আপনাকে ফিতরাতের (ইসলামের) পথ দেখানো হয়েছে বা আপনি ফিতরাতকে পেয়ে গেছেন। আপনি যদি মদের পাত্র নিতেন তবে আপনার উম্মত পথভ্রষ্ট হয়ে যেত। সহীহ : বুখারী (৪৭০৯), মুসলিম।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে রাতে আমাকে (ঊর্ধ্বজগতে) ভ্রমণ করানো হয় সে রাতে আমি মূসা (‘‘আঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করি। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মূসা (‘আঃ)-এর দৈহিক গঠনাকৃতির বর্ণনা দেন। (তিনি বলেনঃ ) তিনি এমন এক ব্যক্তি যাঁর দেহ মধ্যমাকৃতির, তাঁর চুল মধ্যম গোছেন, খুব কোঁকড়ানোও নয়, আবার একেবারে সোজাও নয়। মনে হয় তিনি শানূআহ বংশের লোক। তিনি আরো বলেনঃ ‘ঈসা (‘আঃ)-এর সাথেও আমি সাক্ষাৎ করলাম। বর্ণনাকারী বলেন, তাঁর চেহারারও বর্ণনা দিলেন তিনি। তাঁর দেহের গড়ন মধ্যম, শরীরের রং লাল এবং মনে হয় তিনি এইমাত্র গোসলখানা হতে বের হয়েছেন। ইব্রাহীম (‘আঃ)-কেও আমি দেখেছি। তাঁর বংশধরের মধ্যে আমিই তাঁর দৈহিক আকৃতিতে সর্বাধিক সদৃশ। আমার সামনে দু’টি পানপাত্র পেশ করা হয় : একটি দুধের এবং অন্যটি মদের। আমাকে বলা হল, আপনি এ দু’টির মধ্যে যেটা পান করতে চান সেটা নিন। আমি দুধের পাত্রটি নিয়ে তা পান করলাম। তারপর আমাকে বলা হল, আপনাকে ফিতরাতের (ইসলামের) পথ দেখানো হয়েছে বা আপনি ফিতরাতকে পেয়ে গেছেন। আপনি যদি মদের পাত্র নিতেন তবে আপনার উম্মত পথভ্রষ্ট হয়ে যেত। সহীহ : বুখারী (৪৭০৯), মুসলিম।
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، أخبرني سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " حين أسري بي لقيت موسى . قال فنعته فإذا رجل حسبته قال مضطرب رجل الرأس كأنه من رجال شنوءة قال ولقيت عيسى . قال فنعته قال ربعة أحمر كأنما خرج من ديماس يعني الحمام ورأيت إبراهيم . قال وأنا أشبه ولده به قال وأتيت بإناءين أحدهما لبن والآخر خمر فقيل لي خذ أيهما شئت . فأخذت اللبن فشربته فقيل لي هديت الفطرة أو أصبت الفطرة أما إنك لو أخذت الخمر غوت أمتك " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৩৫
حدثنا عبيد بن أسباط بن محمد، - قرشي كوفي حدثنا أبي، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم في قوله : ( وقرآن الفجر إن قرآن الفجر كان مشهودا ) قال " تشهده ملائكة الليل وملائكة النهار " . قال هذا حديث حسن صحيح .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ তা‘আলার বানী : ‘আর ফজরে কুরআন পাঠের স্থায়ী নীতি অবলম্বন কর। কেননা ফজরের কুরআন পাঠে উপস্থিত থাকা হয়”- (সূরা বানী ইসরাঈল ৭৮)। এ আয়াত প্রসঙ্গে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এ সময় রাতের ফেরেশতারা এবং দিনের ফেরেশতারা উপস্থিত হয়।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ তা‘আলার বানী : ‘আর ফজরে কুরআন পাঠের স্থায়ী নীতি অবলম্বন কর। কেননা ফজরের কুরআন পাঠে উপস্থিত থাকা হয়”- (সূরা বানী ইসরাঈল ৭৮)। এ আয়াত প্রসঙ্গে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এ সময় রাতের ফেরেশতারা এবং দিনের ফেরেশতারা উপস্থিত হয়।
حدثنا عبيد بن أسباط بن محمد، - قرشي كوفي حدثنا أبي، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم في قوله : ( وقرآن الفجر إن قرآن الفجر كان مشهودا ) قال " تشهده ملائكة الليل وملائكة النهار " . قال هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৩৬
حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، أخبرنا عبيد الله بن موسى، عن إسرائيل، عن السدي، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم في قول الله : ( يوم ندعو كل أناس بإمامهم ) قال " يدعى أحدهم فيعطى كتابه بيمينه ويمد له في جسمه ستون ذراعا ويبيض وجهه ويجعل على رأسه تاج من لؤلؤ يتلألأ فينطلق إلى أصحابه فيرونه من بعيد فيقولون اللهم ائتنا بهذا وبارك لنا في هذا حتى يأتيهم فيقول أبشروا لكل رجل منكم مثل هذا . قال وأما الكافر فيسود وجهه ويمد له في جسمه ستون ذراعا على صورة آدم فيلبس تاجا فيراه أصحابه فيقولون نعوذ بالله من شر هذا اللهم لا تأتنا بهذا . قال فيأتيهم فيقولون اللهم اخزه . فيقول أبعدكم الله فإن لكل رجل منكم مثل هذا " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب . والسدي اسمه إسماعيل بن عبد الرحمن .
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ্ তা’আলার বাণীঃ “সেদিন আমরা সব মানুষকে তাদের নেতাসহ আহ্বান করব” (সূরাঃ বাণী ইসরাঈল- ৭১), এ আয়াত প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ (মুসলিম নেতাদের) একজনকে ডাকা হবে। তার কিতাব (আমলনামা বা কার্যবিবরণী) তার ডান হাতে দেয়া হবে। তার দেহ ষাট গজ লম্বা করা হবে। তার মুখমন্ডল সাদা (আকর্ষণীয়) করা হবে। তার মাথায় মণিমুক্তার টুপি পরানো হবে এবং তা ঝিলকাতে থাকবে। সে তার সঙ্গীদের কাছে আসবে। তারা দূর হতেই তাকে দেখতে পাবে। তারা বলবে, “হে আল্লাহ্! আমাদেরকেও এরূপ দান কর এবং এর মাধ্যমে বারকাত দান কর।” ইতিমধ্যে সে তাদের নিকটে পৌঁছে যাবে এবং তাদেরকে বলবে, তোমাদের জন্য সুসংবাদ। তোমাদের প্রত্যেকের জন্য এরূপ পুরস্কার আছে। অপর দিকে কাফিরদের নেতার শরীরের রং কালো হবে। তার দেহ আদম আলাইহিস সালাম-এর মতই ষাট গজ লম্বা করা হবে। তাকেও একটি টুপি পরানো হবে। তার সঙ্গীরা দূর হতে তাকে দেখে বলবে, “আমরা এর অনিষ্ট থেকে আল্লাহ্ তা’আলার নিকটে আশ্রয় চাই। হে আল্লাহ্! তাকে আমাদের নিকট ফিরিয়ে দিও না। এমতাবস্থায় সে তাদের নিকট এসে যাবে, আর তারা বলতে থাকবে, তুমি তাকে লাঞ্ছিত কর।” তারপর সে বলবে, আল্লাহ্ তা’আলা তোমাদেরকে অপমান করুন। কেননা তোমাদের প্রত্যেককে এভাবেই লাঞ্ছিত করা হবে। সনদ দুর্বল
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ্ তা’আলার বাণীঃ “সেদিন আমরা সব মানুষকে তাদের নেতাসহ আহ্বান করব” (সূরাঃ বাণী ইসরাঈল- ৭১), এ আয়াত প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ (মুসলিম নেতাদের) একজনকে ডাকা হবে। তার কিতাব (আমলনামা বা কার্যবিবরণী) তার ডান হাতে দেয়া হবে। তার দেহ ষাট গজ লম্বা করা হবে। তার মুখমন্ডল সাদা (আকর্ষণীয়) করা হবে। তার মাথায় মণিমুক্তার টুপি পরানো হবে এবং তা ঝিলকাতে থাকবে। সে তার সঙ্গীদের কাছে আসবে। তারা দূর হতেই তাকে দেখতে পাবে। তারা বলবে, “হে আল্লাহ্! আমাদেরকেও এরূপ দান কর এবং এর মাধ্যমে বারকাত দান কর।” ইতিমধ্যে সে তাদের নিকটে পৌঁছে যাবে এবং তাদেরকে বলবে, তোমাদের জন্য সুসংবাদ। তোমাদের প্রত্যেকের জন্য এরূপ পুরস্কার আছে। অপর দিকে কাফিরদের নেতার শরীরের রং কালো হবে। তার দেহ আদম আলাইহিস সালাম-এর মতই ষাট গজ লম্বা করা হবে। তাকেও একটি টুপি পরানো হবে। তার সঙ্গীরা দূর হতে তাকে দেখে বলবে, “আমরা এর অনিষ্ট থেকে আল্লাহ্ তা’আলার নিকটে আশ্রয় চাই। হে আল্লাহ্! তাকে আমাদের নিকট ফিরিয়ে দিও না। এমতাবস্থায় সে তাদের নিকট এসে যাবে, আর তারা বলতে থাকবে, তুমি তাকে লাঞ্ছিত কর।” তারপর সে বলবে, আল্লাহ্ তা’আলা তোমাদেরকে অপমান করুন। কেননা তোমাদের প্রত্যেককে এভাবেই লাঞ্ছিত করা হবে। সনদ দুর্বল
حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، أخبرنا عبيد الله بن موسى، عن إسرائيل، عن السدي، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم في قول الله : ( يوم ندعو كل أناس بإمامهم ) قال " يدعى أحدهم فيعطى كتابه بيمينه ويمد له في جسمه ستون ذراعا ويبيض وجهه ويجعل على رأسه تاج من لؤلؤ يتلألأ فينطلق إلى أصحابه فيرونه من بعيد فيقولون اللهم ائتنا بهذا وبارك لنا في هذا حتى يأتيهم فيقول أبشروا لكل رجل منكم مثل هذا . قال وأما الكافر فيسود وجهه ويمد له في جسمه ستون ذراعا على صورة آدم فيلبس تاجا فيراه أصحابه فيقولون نعوذ بالله من شر هذا اللهم لا تأتنا بهذا . قال فيأتيهم فيقولون اللهم اخزه . فيقول أبعدكم الله فإن لكل رجل منكم مثل هذا " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب . والسدي اسمه إسماعيل بن عبد الرحمن .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৩৭
حدثنا أبو كريب، حدثنا وكيع، عن داود بن يزيد الزعافري، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم في قوله : ( عسى أن يبعثك ربك مقاما محمودا ) سئل عنها قال " هي الشفاعة " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن . وداود الزعافري هو داود الأودي ابن يزيد بن عبد الرحمن وهو عم عبد الله بن إدريس .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে আল্লাহ তা‘আলার বানী (অনুবাদ) “আশা করা যায় যে, তোমার প্রতিপালন কোমাকে মাক্বামে মাহমূদে পৌঁছে দিবেন”- (সূরা বানী ইসরাঈল ৭৯) প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হল। তিনি বললেনঃ এটা শাফা‘আত। সহীহ : সহীহাহ্ (২৬৩৯, ২৩৭০), আয্ যিলা-ল (৭৮৪)।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে আল্লাহ তা‘আলার বানী (অনুবাদ) “আশা করা যায় যে, তোমার প্রতিপালন কোমাকে মাক্বামে মাহমূদে পৌঁছে দিবেন”- (সূরা বানী ইসরাঈল ৭৯) প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হল। তিনি বললেনঃ এটা শাফা‘আত। সহীহ : সহীহাহ্ (২৬৩৯, ২৩৭০), আয্ যিলা-ল (৭৮৪)।
حدثنا أبو كريب، حدثنا وكيع، عن داود بن يزيد الزعافري، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم في قوله : ( عسى أن يبعثك ربك مقاما محمودا ) سئل عنها قال " هي الشفاعة " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن . وداود الزعافري هو داود الأودي ابن يزيد بن عبد الرحمن وهو عم عبد الله بن إدريس .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৩৯
حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا جرير، عن قابوس بن أبي ظبيان، عن أبيه، عن ابن عباس، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم بمكة ثم أمر بالهجرة فنزلت عليه : ( قل رب أدخلني مدخل صدق وأخرجني مخرج صدق واجعل لي من لدنك سلطانا نصيرا ) . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় অবস্থান করছিলেন। তারপর তাঁকে (মাদীনায়) হিজরাতের হুকুম দেয়া হয়। তখন তাঁর উপর এ আয়াত অবতীর্ণ হয়ঃ “আর বলুনঃ হে আমার রব! আমাকে দাখিল করাও কল্যাণের সাথে এবং আমাকে বের করাও কল্যাণের সাথে এবং তোমার পক্ষ হতে আমাকে দান কর সাহায্যকারী শক্তি” (সূরাঃ বাণী ইসরাঈল- ৮০)। সনদ দুর্বল।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় অবস্থান করছিলেন। তারপর তাঁকে (মাদীনায়) হিজরাতের হুকুম দেয়া হয়। তখন তাঁর উপর এ আয়াত অবতীর্ণ হয়ঃ “আর বলুনঃ হে আমার রব! আমাকে দাখিল করাও কল্যাণের সাথে এবং আমাকে বের করাও কল্যাণের সাথে এবং তোমার পক্ষ হতে আমাকে দান কর সাহায্যকারী শক্তি” (সূরাঃ বাণী ইসরাঈল- ৮০)। সনদ দুর্বল।
حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا جرير، عن قابوس بن أبي ظبيان، عن أبيه، عن ابن عباس، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم بمكة ثم أمر بالهجرة فنزلت عليه : ( قل رب أدخلني مدخل صدق وأخرجني مخرج صدق واجعل لي من لدنك سلطانا نصيرا ) . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৩৮
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن ابن أبي نجيح، عن مجاهد، عن أبي معمر، عن ابن مسعود، قال دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم مكة عام الفتح وحول الكعبة ثلاثمائة وستون نصبا فجعل النبي صلى الله عليه وسلم يطعنها بمخصرة في يده وربما قال بعود ويقول : (جاء الحق وزهق الباطل إن الباطل كان زهوقا ) : (جاء الحق وما يبدئ الباطل وما يعيد ) . قال هذا حديث حسن صحيح وفيه عن ابن عمر .
ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা বিজয়ের বছর মক্কায় প্রবেশ করলেন। তখন কা‘বার চারপশে তিন শত ষাটটি মূর্তি স্থাপিত ছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হাতের লাঠি বা কাঠ দিয়ে মূতিগুলোর গায়ে আঘাত করে সেগুলোকে ভূপাতিত করছিলেন আর বলছিলেন : ‘সত্য সমাগত, মিথ্যা অপসৃত। আর বাতিলের বিলুপ্তি অবশ্যম্ভাবী”- (সূরা বানী ইসরাঈল ৮১)। “সত্য সমাগত এবং অসত্য কিছুই সৃজন করতে পারে না এবং তা পুনরাবৃত্তিও করতে পারে না”- (সূরা সাবা ৪৯)। সহীহ : বুখারী (৪৭২০), মুসলিম।
ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা বিজয়ের বছর মক্কায় প্রবেশ করলেন। তখন কা‘বার চারপশে তিন শত ষাটটি মূর্তি স্থাপিত ছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হাতের লাঠি বা কাঠ দিয়ে মূতিগুলোর গায়ে আঘাত করে সেগুলোকে ভূপাতিত করছিলেন আর বলছিলেন : ‘সত্য সমাগত, মিথ্যা অপসৃত। আর বাতিলের বিলুপ্তি অবশ্যম্ভাবী”- (সূরা বানী ইসরাঈল ৮১)। “সত্য সমাগত এবং অসত্য কিছুই সৃজন করতে পারে না এবং তা পুনরাবৃত্তিও করতে পারে না”- (সূরা সাবা ৪৯)। সহীহ : বুখারী (৪৭২০), মুসলিম।
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن ابن أبي نجيح، عن مجاهد، عن أبي معمر، عن ابن مسعود، قال دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم مكة عام الفتح وحول الكعبة ثلاثمائة وستون نصبا فجعل النبي صلى الله عليه وسلم يطعنها بمخصرة في يده وربما قال بعود ويقول : (جاء الحق وزهق الباطل إن الباطل كان زهوقا ) : (جاء الحق وما يبدئ الباطل وما يعيد ) . قال هذا حديث حسن صحيح وفيه عن ابن عمر .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৪০
حدثنا قتيبة، حدثنا يحيى بن زكريا بن أبي زائدة، عن داود بن أبي هند، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قالت قريش ليهود اعطونا شيئا نسأل عنه هذا الرجل فقال سلوه عن الروح قال فسألوه عن الروح فأنزل الله : ( يسألونك عن الروح قل الروح من أمر ربي وما أوتيتم من العلم إلا قليلا ) قالوا أوتينا علما كثيرا التوراة ومن أوتي التوراة فقد أوتي خيرا كثيرا فأنزلت: ( قل لو كان البحر مدادا لكلمات ربي لنفد البحر ) إلى آخر الآية قال هذا حديث حسن صحيح غريب من هذا الوجه .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কুরাইশরা ইয়াহূদীদের বলল, তোমরা আমাদেরকে এমন কিছু শিখিয়ে দাও যে প্রসঙ্গে আমরা এই ব্যক্তিকে (রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে) প্রশ্ন করতে পারি। ইয়াহূদীরা বলল, তোমরা ‘রূহ’ প্রসঙ্গে তাঁকে প্রশ্ন কর। বর্ণনাকারী বলেনঃ তারা রূহ (বা প্রাণ) বিষয়ে তাঁকে প্রশ্ন করল। তখন আল্লাহ তা‘আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন : “লোকেরা রূহ প্রসঙ্গে তোমরা নিকট প্রশ্ন করে। বল, রূহ আমার প্রতিপালকের আদেশ ঘটিত। জ্ঞানের খুব সামান্যই তোমাদেরকে প্রদান করা হয়েছে”- (সূরা বানী ইসরাঈল ৮৫)। ইয়াহূদীরা বলল, ‘আমাদের বিরাট বা প্রচুর জ্ঞান দান করা হয়েছে। আমাদেরকে তাওরাত কিতাব দেয়া হয়েছে। আর যাদেরকে তাওরাত গ্রন্থ দেয়া হয়েছে তাদেরকে প্রভূত কল্যাণ দেয়া হয়েছে। এ কথার পরিপ্রেক্ষিতে এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “বল, আমার প্রতিপালকের কথাগুলো লেখার জন্য সমুদ্রের সমস্তু পানি যদি কালি হয়ে যায় তবুও তা আমার প্রভুর কথাগুলো লিখে শেষ করার পূর্বেই নিঃশেষ হয়ে যাবে। আমরা যদি আবার একই রকম কালি নিয়ে আসি তবুও তা যথেষ্ট হবে না”- (সূরা বানী ইসরাঈল ১০৯)। সহীহ : আত্তা’লীকাত আস-হাস্সান (৯৯)।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কুরাইশরা ইয়াহূদীদের বলল, তোমরা আমাদেরকে এমন কিছু শিখিয়ে দাও যে প্রসঙ্গে আমরা এই ব্যক্তিকে (রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে) প্রশ্ন করতে পারি। ইয়াহূদীরা বলল, তোমরা ‘রূহ’ প্রসঙ্গে তাঁকে প্রশ্ন কর। বর্ণনাকারী বলেনঃ তারা রূহ (বা প্রাণ) বিষয়ে তাঁকে প্রশ্ন করল। তখন আল্লাহ তা‘আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন : “লোকেরা রূহ প্রসঙ্গে তোমরা নিকট প্রশ্ন করে। বল, রূহ আমার প্রতিপালকের আদেশ ঘটিত। জ্ঞানের খুব সামান্যই তোমাদেরকে প্রদান করা হয়েছে”- (সূরা বানী ইসরাঈল ৮৫)। ইয়াহূদীরা বলল, ‘আমাদের বিরাট বা প্রচুর জ্ঞান দান করা হয়েছে। আমাদেরকে তাওরাত কিতাব দেয়া হয়েছে। আর যাদেরকে তাওরাত গ্রন্থ দেয়া হয়েছে তাদেরকে প্রভূত কল্যাণ দেয়া হয়েছে। এ কথার পরিপ্রেক্ষিতে এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “বল, আমার প্রতিপালকের কথাগুলো লেখার জন্য সমুদ্রের সমস্তু পানি যদি কালি হয়ে যায় তবুও তা আমার প্রভুর কথাগুলো লিখে শেষ করার পূর্বেই নিঃশেষ হয়ে যাবে। আমরা যদি আবার একই রকম কালি নিয়ে আসি তবুও তা যথেষ্ট হবে না”- (সূরা বানী ইসরাঈল ১০৯)। সহীহ : আত্তা’লীকাত আস-হাস্সান (৯৯)।
حدثنا قتيبة، حدثنا يحيى بن زكريا بن أبي زائدة، عن داود بن أبي هند، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قالت قريش ليهود اعطونا شيئا نسأل عنه هذا الرجل فقال سلوه عن الروح قال فسألوه عن الروح فأنزل الله : ( يسألونك عن الروح قل الروح من أمر ربي وما أوتيتم من العلم إلا قليلا ) قالوا أوتينا علما كثيرا التوراة ومن أوتي التوراة فقد أوتي خيرا كثيرا فأنزلت: ( قل لو كان البحر مدادا لكلمات ربي لنفد البحر ) إلى آخر الآية قال هذا حديث حسن صحيح غريب من هذا الوجه .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৪১
حدثنا علي بن خشرم، أخبرنا عيسى بن يونس، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، قال كنت أمشي مع النبي صلى الله عليه وسلم في حرث بالمدينة وهو يتوكأ على عسيب فمر بنفر من اليهود فقال بعضهم لو سألتموه فقال بعضهم لا تسألوه فإنه يسمعكم ما تكرهون . فقالوا له يا أبا القاسم حدثنا عن الروح . فقام النبي صلى الله عليه وسلم ساعة ورفع رأسه إلى السماء فعرفت أنه يوحى إليه حتى صعد الوحى ثم قال : (الروح من أمر ربي وما أوتيتم من العلم إلا قليلا ) . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে মাদীনায় একটি কৃষি খামারে যাচ্ছিলাম। তিনি খেজুর গাছের ডালে ভর দিয়ে যাচ্ছিলেন। পথে তিনি একদল ইয়াহূদীদেরকে অতিক্রম করলেন। তাদের কিছু লোক বলল, তোমরা যদি তাঁকে প্রশ্ন করতে? তাদের অপর কতক বলল, তাঁকে প্রশ্ন করো না। অন্যথায় তিনি এমন কিছু শুনিয়ে দিবেন যা তোমাদের মনোপূত হবে না। তারা বলল, হে আবুল কাসিম! আমাদেরকে রূহ (প্রাণ) প্রসঙ্গে বলুন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছুক্ষণ দাঁড়ালেন। তিনি তাঁর মাথা আসমানের দিকে উঠালেন। আমি বুঝে ফেললাম যে, তাঁর উপর ওয়াহী অবতীর্ণ হচ্ছে। ওয়াহী অবতরণ শেষে তিনি বললেনঃ “রূহ আমার প্রতিপালকের হুকুম মাত্র। তোমাদেরকে জ্ঞানের খুব অল্পই প্রদান করা হয়েছে”। সহীহ : বুখারী (৪৭২১), মুসলিম।
আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে মাদীনায় একটি কৃষি খামারে যাচ্ছিলাম। তিনি খেজুর গাছের ডালে ভর দিয়ে যাচ্ছিলেন। পথে তিনি একদল ইয়াহূদীদেরকে অতিক্রম করলেন। তাদের কিছু লোক বলল, তোমরা যদি তাঁকে প্রশ্ন করতে? তাদের অপর কতক বলল, তাঁকে প্রশ্ন করো না। অন্যথায় তিনি এমন কিছু শুনিয়ে দিবেন যা তোমাদের মনোপূত হবে না। তারা বলল, হে আবুল কাসিম! আমাদেরকে রূহ (প্রাণ) প্রসঙ্গে বলুন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছুক্ষণ দাঁড়ালেন। তিনি তাঁর মাথা আসমানের দিকে উঠালেন। আমি বুঝে ফেললাম যে, তাঁর উপর ওয়াহী অবতীর্ণ হচ্ছে। ওয়াহী অবতরণ শেষে তিনি বললেনঃ “রূহ আমার প্রতিপালকের হুকুম মাত্র। তোমাদেরকে জ্ঞানের খুব অল্পই প্রদান করা হয়েছে”। সহীহ : বুখারী (৪৭২১), মুসলিম।
حدثنا علي بن خشرم، أخبرنا عيسى بن يونس، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، قال كنت أمشي مع النبي صلى الله عليه وسلم في حرث بالمدينة وهو يتوكأ على عسيب فمر بنفر من اليهود فقال بعضهم لو سألتموه فقال بعضهم لا تسألوه فإنه يسمعكم ما تكرهون . فقالوا له يا أبا القاسم حدثنا عن الروح . فقام النبي صلى الله عليه وسلم ساعة ورفع رأسه إلى السماء فعرفت أنه يوحى إليه حتى صعد الوحى ثم قال : (الروح من أمر ربي وما أوتيتم من العلم إلا قليلا ) . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৪২
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا الحسن بن موسى، وسليمان بن حرب، قالا حدثنا حماد بن سلمة، عن علي بن زيد، عن أوس بن خالد، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يحشر الناس يوم القيامة ثلاثة أصناف صنفا مشاة وصنفا ركبانا وصنفا على وجوههم " . قيل يا رسول الله وكيف يمشون على وجوههم قال " إن الذي أمشاهم على أقدامهم قادر على أن يمشيهم على وجوههم أما إنهم يتقون بوجوههم كل حدب وشوك " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن . وقد روى وهيب عن ابن طاوس عن أبيه عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم شيئا من هذا .
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামাতের দিন লোকদেরকে তিন শ্রেণীতে ভাগ করে উঠানো হবে। একদল লোক পায়ে হেঁটে, দ্বিতীয় দল সাওয়ারী অবস্থায় এবং তৃতীয় দল অধঃমুখে (এবং পা উপরে তুলে) হাযির হবে। প্রশ্ন করা হল, হে আল্লাহ্র রাসূল! এরা মুখমন্ডলে ভর করে চলবে কিভাবে? তিনি বললেনঃ যে মহান সত্তা তাদেরকে পায়ের সাহায্যে হাঁটিয়ে ছিলেন, তিনি তাদেরকে মুখমন্ডলে ভর করে হাঁটাতেও সক্ষম। এরা নিজেদের মুখের দ্বারা প্রতিটি উচু-নীচু ও কাটা উপেক্ষা করে রাস্তা পার হবে। যঈফ, মিশকাত, তাহকীক ছানী (৫৫৪৬), তা’লীকুর রাগীব (৪/১৯৪),
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামাতের দিন লোকদেরকে তিন শ্রেণীতে ভাগ করে উঠানো হবে। একদল লোক পায়ে হেঁটে, দ্বিতীয় দল সাওয়ারী অবস্থায় এবং তৃতীয় দল অধঃমুখে (এবং পা উপরে তুলে) হাযির হবে। প্রশ্ন করা হল, হে আল্লাহ্র রাসূল! এরা মুখমন্ডলে ভর করে চলবে কিভাবে? তিনি বললেনঃ যে মহান সত্তা তাদেরকে পায়ের সাহায্যে হাঁটিয়ে ছিলেন, তিনি তাদেরকে মুখমন্ডলে ভর করে হাঁটাতেও সক্ষম। এরা নিজেদের মুখের দ্বারা প্রতিটি উচু-নীচু ও কাটা উপেক্ষা করে রাস্তা পার হবে। যঈফ, মিশকাত, তাহকীক ছানী (৫৫৪৬), তা’লীকুর রাগীব (৪/১৯৪),
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا الحسن بن موسى، وسليمان بن حرب، قالا حدثنا حماد بن سلمة، عن علي بن زيد، عن أوس بن خالد، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يحشر الناس يوم القيامة ثلاثة أصناف صنفا مشاة وصنفا ركبانا وصنفا على وجوههم " . قيل يا رسول الله وكيف يمشون على وجوههم قال " إن الذي أمشاهم على أقدامهم قادر على أن يمشيهم على وجوههم أما إنهم يتقون بوجوههم كل حدب وشوك " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن . وقد روى وهيب عن ابن طاوس عن أبيه عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم شيئا من هذا .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৪৪
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا أبو داود، ويزيد بن هارون، وأبو الوليد، واللفظ، لفظ يزيد والمعنى واحد عن شعبة، عن عمرو بن مرة، عن عبد الله بن سلمة، عن صفوان بن عسال المرادي، أن يهوديين، قال أحدهما لصاحبه اذهب بنا إلى هذا النبي نسأله فقال لا تقل له نبي فإنه إن سمعنا نقول نبي كانت له أربعة أعين فأتيا النبي صلى الله عليه وسلم فسألاه عن قول الله عز وجل : ( ولقد آتينا موسى تسع آيات بينات ) فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تشركوا بالله شيئا ولا تزنوا ولا تقتلوا النفس التي حرم الله إلا بالحق ولا تسرقوا ولا تسحروا ولا تمشوا ببريء إلى سلطان فيقتله ولا تأكلوا الربا ولا تقذفوا محصنة ولا تفروا من الزحف شك شعبة وعليكم اليهود خاصة أن لا تعدوا في السبت " . فقبلا يديه ورجليه وقالا نشهد أنك نبي . قال " فما يمنعكما أن تسلما " . قالا إن داود دعا الله أن لا يزال في ذريته نبي وإنا نخاف إن أسلمنا أن تقتلنا اليهود . قال هذا حديث حسن صحيح .
সাফওয়ান ইবনু আসসাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ কোন এক সময় দুই ইয়াহূদীর একজন অপরজনকে বলল, চল আমরা এই নবীর কাছে গিয়ে তাঁকে কিছু প্রশ্ন করি। অপরজন বললঃ তাঁকে নবী বল না। কেননা সে যদি এটা শুনে ফেলে যে, তুমি (ইয়াহূদীরাও) তাঁকে নবী বলছ, তার চার চোখ হয়ে যাবে। তারা উভয়ে তাঁর নিকটে এসে তাঁকে আল্লাহ্ তা’আলার নিম্নোক্ত বাণী প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেঃ “আমরা মূসাকে নয়টি নিদর্শন দান করেছিলাম” (সূরাঃ বাণী ইসরাঈল- ১০১)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সেই নয়টি নিদর্শন (নির্দেশ) হচ্ছেঃ (১) তোমরা আল্লাহ্ তা’আলার সাথে কোন কিছু অংশীদার করো না, (২) যেনা-ব্যভিচার করো না, (৩) যাকে হত্যা করা আল্লাহ্ তা’আলা নিষিদ্ধ করেছেন ন্যায়সঙ্গত কারণ ছাড়া তার জীবন সংহার করো না, (৪) চুরি করো না, (৫) যাদুটোনা করো না, (৬) কোন নিরপরাধ লোককে সরকারের কাছে অপরাধী বানিয়ে খুন করতে নিয়ে যেও না, (৭) সুদ খেও না, (৮)কোন সতী-সাধ্বী মহিলার বিরুদ্ধে যেনার মিথ্যা অপবাদ দিও না এবং (৯) যুদ্ধক্ষেত্র হতে পালিয়ে যেও না। হে ইয়াহূদী সম্প্রদায়! বিশেষ করে তোমরা শনিবারের বাধ্যবাধকতা অতিক্রম করো না। তারপর ইয়াহূদী শ্রোতা দু’জন তাঁর পা দুটিতে ও হাত দুটিতে চুমা দিয়ে বললঃ আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিঃসন্দেহে আপনি নবী। তিনি বললেনঃ তাহলে তোমাদের দু’জনকে ইসলাম গ্রহনে কিসে বাধা দিচ্ছে? তারা উভয়ে বললঃ দাঊদ আলাইহিস সালাম আল্লাহ্ তা’আলার নিকটে দু’আ করেছিলেন তিনি যেন বারবার তাঁর বংশধরদের মধ্য হতেই নবী পাঠান। অনন্তর আমাদের আশঙ্কা হচ্ছে, আমরা যদি ইসলাম ক্ববূল করি তাহলে ইয়াহূদীরা আমাদেরকে মেরে ফেলবে। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৩৭০৫)
সাফওয়ান ইবনু আসসাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ কোন এক সময় দুই ইয়াহূদীর একজন অপরজনকে বলল, চল আমরা এই নবীর কাছে গিয়ে তাঁকে কিছু প্রশ্ন করি। অপরজন বললঃ তাঁকে নবী বল না। কেননা সে যদি এটা শুনে ফেলে যে, তুমি (ইয়াহূদীরাও) তাঁকে নবী বলছ, তার চার চোখ হয়ে যাবে। তারা উভয়ে তাঁর নিকটে এসে তাঁকে আল্লাহ্ তা’আলার নিম্নোক্ত বাণী প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেঃ “আমরা মূসাকে নয়টি নিদর্শন দান করেছিলাম” (সূরাঃ বাণী ইসরাঈল- ১০১)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সেই নয়টি নিদর্শন (নির্দেশ) হচ্ছেঃ (১) তোমরা আল্লাহ্ তা’আলার সাথে কোন কিছু অংশীদার করো না, (২) যেনা-ব্যভিচার করো না, (৩) যাকে হত্যা করা আল্লাহ্ তা’আলা নিষিদ্ধ করেছেন ন্যায়সঙ্গত কারণ ছাড়া তার জীবন সংহার করো না, (৪) চুরি করো না, (৫) যাদুটোনা করো না, (৬) কোন নিরপরাধ লোককে সরকারের কাছে অপরাধী বানিয়ে খুন করতে নিয়ে যেও না, (৭) সুদ খেও না, (৮)কোন সতী-সাধ্বী মহিলার বিরুদ্ধে যেনার মিথ্যা অপবাদ দিও না এবং (৯) যুদ্ধক্ষেত্র হতে পালিয়ে যেও না। হে ইয়াহূদী সম্প্রদায়! বিশেষ করে তোমরা শনিবারের বাধ্যবাধকতা অতিক্রম করো না। তারপর ইয়াহূদী শ্রোতা দু’জন তাঁর পা দুটিতে ও হাত দুটিতে চুমা দিয়ে বললঃ আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিঃসন্দেহে আপনি নবী। তিনি বললেনঃ তাহলে তোমাদের দু’জনকে ইসলাম গ্রহনে কিসে বাধা দিচ্ছে? তারা উভয়ে বললঃ দাঊদ আলাইহিস সালাম আল্লাহ্ তা’আলার নিকটে দু’আ করেছিলেন তিনি যেন বারবার তাঁর বংশধরদের মধ্য হতেই নবী পাঠান। অনন্তর আমাদের আশঙ্কা হচ্ছে, আমরা যদি ইসলাম ক্ববূল করি তাহলে ইয়াহূদীরা আমাদেরকে মেরে ফেলবে। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৩৭০৫)
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا أبو داود، ويزيد بن هارون، وأبو الوليد، واللفظ، لفظ يزيد والمعنى واحد عن شعبة، عن عمرو بن مرة، عن عبد الله بن سلمة، عن صفوان بن عسال المرادي، أن يهوديين، قال أحدهما لصاحبه اذهب بنا إلى هذا النبي نسأله فقال لا تقل له نبي فإنه إن سمعنا نقول نبي كانت له أربعة أعين فأتيا النبي صلى الله عليه وسلم فسألاه عن قول الله عز وجل : ( ولقد آتينا موسى تسع آيات بينات ) فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تشركوا بالله شيئا ولا تزنوا ولا تقتلوا النفس التي حرم الله إلا بالحق ولا تسرقوا ولا تسحروا ولا تمشوا ببريء إلى سلطان فيقتله ولا تأكلوا الربا ولا تقذفوا محصنة ولا تفروا من الزحف شك شعبة وعليكم اليهود خاصة أن لا تعدوا في السبت " . فقبلا يديه ورجليه وقالا نشهد أنك نبي . قال " فما يمنعكما أن تسلما " . قالا إن داود دعا الله أن لا يزال في ذريته نبي وإنا نخاف إن أسلمنا أن تقتلنا اليهود . قال هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৪৫
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا سليمان بن داود، عن شعبة، عن أبي بشر، عن سعيد بن جبير، ولم يذكر عن ابن عباس، وهشيم، عن أبي بشر، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس : (ولا تجهر بصلاتك ) قال نزلت بمكة كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا رفع صوته بالقرآن سبه المشركون ومن أنزله ومن جاء به فأنزل الله : (ولا تجهر بصلاتك ) فيسبوا القرآن ومن أنزله ومن جاء به : (ولا تخافت بها ) عن أصحابك بأن تسمعهم حتى يأخذوا عنك القرآن . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
ইবনু ‘‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ তা‘আলার বাণী : “তোমরা নামাযে স্বর (ক্বিরাআত) উচ্চ করো না এবং অতিশয় ক্ষীণও করো না”- (সূরা বানী ইসরাঈল ১১০) মক্কায় অবতীর্ণ হয়। রাসূলুল্রাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উচ্চ স্বরে কুরআন তিলাওয়াত করলে মুশরিকরা কুরআনকে গালি দিত এবং এর অবতীর্ণকারী (আল্লাহ তা‘আলা) ও এর বাহককেও (জিবরীলকে) গালি দিত। তারপর আল্লাহ তা‘আলা অবতীর্ণ করেন : “তোমরা নামাযের ক্বিরাআত উচ্চৈঃস্বরে পাঠ করো না” অর্থাৎ আপনি উচ্চস্বরে কুরআন পাঠ করবেন না, অন্যথায় কুরআন, এর অবতরণকারী ও এর বাহককে গালি দেয়া হবে। “এবং তা ক্ষীণস্বরেও পড়বে না”, তাহলে আপনার সাথীরা শুনতে পাবে না, (বরং মধ্যম আওয়াজে তা পাঠ করুন) যাতে তারা আপনার নিকট হতে কুরআন শিখতে পারে। সহীহ : বুখারী (৪৭২২), মুসলিম।
ইবনু ‘‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ তা‘আলার বাণী : “তোমরা নামাযে স্বর (ক্বিরাআত) উচ্চ করো না এবং অতিশয় ক্ষীণও করো না”- (সূরা বানী ইসরাঈল ১১০) মক্কায় অবতীর্ণ হয়। রাসূলুল্রাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উচ্চ স্বরে কুরআন তিলাওয়াত করলে মুশরিকরা কুরআনকে গালি দিত এবং এর অবতীর্ণকারী (আল্লাহ তা‘আলা) ও এর বাহককেও (জিবরীলকে) গালি দিত। তারপর আল্লাহ তা‘আলা অবতীর্ণ করেন : “তোমরা নামাযের ক্বিরাআত উচ্চৈঃস্বরে পাঠ করো না” অর্থাৎ আপনি উচ্চস্বরে কুরআন পাঠ করবেন না, অন্যথায় কুরআন, এর অবতরণকারী ও এর বাহককে গালি দেয়া হবে। “এবং তা ক্ষীণস্বরেও পড়বে না”, তাহলে আপনার সাথীরা শুনতে পাবে না, (বরং মধ্যম আওয়াজে তা পাঠ করুন) যাতে তারা আপনার নিকট হতে কুরআন শিখতে পারে। সহীহ : বুখারী (৪৭২২), মুসলিম।
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا سليمان بن داود، عن شعبة، عن أبي بشر، عن سعيد بن جبير، ولم يذكر عن ابن عباس، وهشيم، عن أبي بشر، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس : (ولا تجهر بصلاتك ) قال نزلت بمكة كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا رفع صوته بالقرآن سبه المشركون ومن أنزله ومن جاء به فأنزل الله : (ولا تجهر بصلاتك ) فيسبوا القرآن ومن أنزله ومن جاء به : (ولا تخافت بها ) عن أصحابك بأن تسمعهم حتى يأخذوا عنك القرآن . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৪৭
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن مسعر، عن عاصم بن أبي النجود، عن زر بن حبيش، قال قلت لحذيفة بن اليمان أصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم في بيت المقدس قال لا . قلت بلى . قال أنت تقول ذاك يا أصلع بما تقول ذلك قلت بالقرآن بيني وبينك القرآن . فقال حذيفة من احتج بالقرآن فقد أفلح قال سفيان يقول فقد احتج . وربما قال قد فلج فقال : (سبحان الذي أسرى بعبده ليلا من المسجد الحرام إلى المسجد الأقصى ) قال أفتراه صلى فيه قلت لا . قال لو صلى فيه لكتب عليكم فيه الصلاة كما كتبت الصلاة في المسجد الحرام قال حذيفة قد أتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بدابة طويلة الظهر ممدودة هكذا خطوه مد بصره فما زايلا ظهر البراق حتى رأيا الجنة والنار ووعد الآخرة أجمع ثم رجعا عودهما على بدئهما قال ويتحدثون أنه ربطه لم أيفر منه وإنما سخره له عالم الغيب والشهادة . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
যির ইবনু হুবাইশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান (রাঃ)- কে প্রশ্ন করলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি বাইতুল মাক্বদিসে নামায আদায় করেছেন? তিনি বলেলেন, না। আমি বললাম, হ্যাঁ তিনি নামায আদায় করেছেন। তিনি বললেন, হে টেকো! তুমি এ ধরনের কথা বলছ, তা কিসের ভিত্তিতে বলছ? আমি বললাম, কুরআনের ভিত্তিতে। কুরআন আমার ও আপনার মাঝে ফাইসালা করবে। হুজাইফা (রাঃ) বললেন, কুরআন হতে যে ব্যক্তি দলীল গ্রহণ করল যে কৃতকার্য হল। সুফইয়ান (রহঃ) বলেন, তিনি (মিসআর) কখনো “কাদ ইহতাজ্জা” আবার কখনো “কাদ ফালাজা” বলেছেন। তারপর তিনি (যির) এই আয়াত তিলাওয়াত করেন : “পবিত্র মহান সেই সত্তা, যিনি এক রাতে তাঁর বান্দাকে মাসজিদুল হারাম হতে দূরবর্তী মাসজিদে নিয়ে গেলেন”- (বানী ইসরাঈল ১)। হুযাইফাহ (রাঃ) বলেন, এ আয়াতের মাধ্যমে কি তুমি প্রমাণ করতে চাও, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেখানে নামায আদায় করেছেন? আমি বললাম, না। তিনি বললেন, সেখানে যদি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নামায আদায় করতেন, তাহলে তোমাদের উপরও সেখানে নামায আদায় করা বাধ্যতামূলক হত, যেমন মাসজিদুল হারামে নামায আদায় করা তোমাদের জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। হুজাইফাহ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) – এর নিকট একটি পশু আনা হল। এর পিঠ ছিল দীর্ঘ এবং (চলার সময়) এর পা দৃষ্টির সীমায় পতিত হয়। তাঁরা দু’জন (মহানাবী ও জিবরীল) জান্নাত, জাহান্নাম এবং আখিরাতের প্রতিশ্রুত বিষয়সমূহ দেখার পূর্ব পর্যন্ত বোরাকের পিঠ হতে নামেননি। তারপর তাঁরা দু’জন প্রত্যাবর্তন করেন। তারা যেভাবে গিয়েছিলেন অনুরূপভাবেই ফিরে আসেন (অর্থাৎ সওয়ারী অবস্থায়ই ফিরে আসেন)। হুজাইফাহ (রাঃ) বলেন, লোকেরা বলাবলি করে, তিনি বোরাককে বেঁধেছিলেন। কেন এটি তার নিকট হতে পালিয়ে যাবে। অথচ গোপন ও প্রকাশ্য সবকিছু জানার মালিক (আল্লাহ তা‘আলা) বোরাককে তাঁর নিয়ন্ত্রণাধীন করে দিয়েছিলেন।
যির ইবনু হুবাইশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান (রাঃ)- কে প্রশ্ন করলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি বাইতুল মাক্বদিসে নামায আদায় করেছেন? তিনি বলেলেন, না। আমি বললাম, হ্যাঁ তিনি নামায আদায় করেছেন। তিনি বললেন, হে টেকো! তুমি এ ধরনের কথা বলছ, তা কিসের ভিত্তিতে বলছ? আমি বললাম, কুরআনের ভিত্তিতে। কুরআন আমার ও আপনার মাঝে ফাইসালা করবে। হুজাইফা (রাঃ) বললেন, কুরআন হতে যে ব্যক্তি দলীল গ্রহণ করল যে কৃতকার্য হল। সুফইয়ান (রহঃ) বলেন, তিনি (মিসআর) কখনো “কাদ ইহতাজ্জা” আবার কখনো “কাদ ফালাজা” বলেছেন। তারপর তিনি (যির) এই আয়াত তিলাওয়াত করেন : “পবিত্র মহান সেই সত্তা, যিনি এক রাতে তাঁর বান্দাকে মাসজিদুল হারাম হতে দূরবর্তী মাসজিদে নিয়ে গেলেন”- (বানী ইসরাঈল ১)। হুযাইফাহ (রাঃ) বলেন, এ আয়াতের মাধ্যমে কি তুমি প্রমাণ করতে চাও, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেখানে নামায আদায় করেছেন? আমি বললাম, না। তিনি বললেন, সেখানে যদি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নামায আদায় করতেন, তাহলে তোমাদের উপরও সেখানে নামায আদায় করা বাধ্যতামূলক হত, যেমন মাসজিদুল হারামে নামায আদায় করা তোমাদের জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। হুজাইফাহ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) – এর নিকট একটি পশু আনা হল। এর পিঠ ছিল দীর্ঘ এবং (চলার সময়) এর পা দৃষ্টির সীমায় পতিত হয়। তাঁরা দু’জন (মহানাবী ও জিবরীল) জান্নাত, জাহান্নাম এবং আখিরাতের প্রতিশ্রুত বিষয়সমূহ দেখার পূর্ব পর্যন্ত বোরাকের পিঠ হতে নামেননি। তারপর তাঁরা দু’জন প্রত্যাবর্তন করেন। তারা যেভাবে গিয়েছিলেন অনুরূপভাবেই ফিরে আসেন (অর্থাৎ সওয়ারী অবস্থায়ই ফিরে আসেন)। হুজাইফাহ (রাঃ) বলেন, লোকেরা বলাবলি করে, তিনি বোরাককে বেঁধেছিলেন। কেন এটি তার নিকট হতে পালিয়ে যাবে। অথচ গোপন ও প্রকাশ্য সবকিছু জানার মালিক (আল্লাহ তা‘আলা) বোরাককে তাঁর নিয়ন্ত্রণাধীন করে দিয়েছিলেন।
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن مسعر، عن عاصم بن أبي النجود، عن زر بن حبيش، قال قلت لحذيفة بن اليمان أصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم في بيت المقدس قال لا . قلت بلى . قال أنت تقول ذاك يا أصلع بما تقول ذلك قلت بالقرآن بيني وبينك القرآن . فقال حذيفة من احتج بالقرآن فقد أفلح قال سفيان يقول فقد احتج . وربما قال قد فلج فقال : (سبحان الذي أسرى بعبده ليلا من المسجد الحرام إلى المسجد الأقصى ) قال أفتراه صلى فيه قلت لا . قال لو صلى فيه لكتب عليكم فيه الصلاة كما كتبت الصلاة في المسجد الحرام قال حذيفة قد أتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بدابة طويلة الظهر ممدودة هكذا خطوه مد بصره فما زايلا ظهر البراق حتى رأيا الجنة والنار ووعد الآخرة أجمع ثم رجعا عودهما على بدئهما قال ويتحدثون أنه ربطه لم أيفر منه وإنما سخره له عالم الغيب والشهادة . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৪৮
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن علي بن زيد بن جدعان، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أنا سيد ولد آدم يوم القيامة ولا فخر وبيدي لواء الحمد ولا فخر وما من نبي يومئذ آدم فمن سواه إلا تحت لوائي وأنا أول من تنشق عنه الأرض ولا فخر قال فيفزع الناس ثلاث فزعات فيأتون آدم فيقولون أنت أبونا آدم فاشفع لنا إلى ربك . فيقول إني أذنبت ذنبا أهبطت منه إلى الأرض ولكن ائتوا نوحا . فيأتون نوحا فيقول إني دعوت على أهل الأرض دعوة فأهلكوا ولكن اذهبوا إلى إبراهيم . فيأتون إبراهيم فيقول إني كذبت ثلاث كذبات " . ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما منها كذبة إلا ماحل بها عن دين الله ولكن ائتوا موسى . فيأتون موسى فيقول إني قد قتلت نفسا ولكن ائتوا عيسى . فيأتون عيسى فيقول إني عبدت من دون الله ولكن ائتوا محمدا قال فيأتونني فأنطلق معهم " . قال ابن جدعان قال أنس فكأني أنظر إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " فآخذ بحلقة باب الجنة فأقعقعها فيقال من هذا فيقال محمد . فيفتحون لي ويرحبون فيقولون مرحبا فأخر ساجدا فيلهمني الله من الثناء والحمد فيقال لي ارفع رأسك سل تعط واشفع تشفع وقل يسمع لقولك وهو المقام المحمود الذي قال الله : ( عسى أن يبعثك ربك مقاما محمودا ) " . قال سفيان ليس عن أنس إلا هذه الكلمة " فآخذ بحلقة باب الجنة فأقعقعها " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن . وقد روى بعضهم هذا الحديث عن أبي نضرة عن ابن عباس الحديث بطوله .
আবূ সা‘ঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আহাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি ক্বিয়ামাতের দিবসে সকল আদম সন্তানের নেতা হব। এতে গর্বের কিছু নেই। আমার হাতেই হামদের (প্রশংসার) পতাকা থাকবে। এতেও গর্বের কিছু নেই। সেদিন আমার পতাকার নিচেই আদম (‘আঃ) এবং অন্য সকল নবী একত্রিত হবেন। আমিই প্রথম ব্যক্তি যার জন্য যামীন বিদীর্ণ করা হবে (অর্থাৎ আমাকেই সর্বপ্রথম উত্থিত করা হবে)। এতেও গর্বের কিছু নেই। লোকেরা তিনবার ভীতসন্ত্রস্ত হবে। তারপর আদম (‘আঃ)- এর নিকট এসে তারা বলবে, আপনি আমাদের পিতা আদম। আমাদের জন্য আপনার প্রতিপালকের নিকট সুপারিশ করুন। তিনি বলবেন, আমি এমন এক অপরাধ করেছিলাম যার পরিণতিতে আমাকে পৃথিবীতে নিক্ষেপ করা হয়েছিল। তোমরা বরং নূহ (‘আঃ)- নিকট যাও। তারা নূহ (‘আঃ)- নিকট এলে তিনি বলবেন, পৃথিবীর অধিবাসীদেরকে আমি এমন বদ দু‘আ করেছিলাম, যার কারণে তারা ধ্বংস হয়েছে (আমি এর কারণে লজ্জিত)। অতএব তোমরা ইবরাহীম (‘আঃ)-এর নিকট যাও। তারা ইবরাহীম (‘আঃ)-এর নিকট এলে তিনি বলবেন, আমি তিনটি মিথ্যা বলেছিলাম। (বর্ণনাকারী বলেন) তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তিনি প্রতিটি মিথ্যাকে কৌশল হিসেবে গ্রহণ করে আল্লাহ তা‘আলার দীনকে হিফাজাত করেছেন। [ইবরাহীম (‘‘আঃ) বলবেন] তোমরা বরং মূসা (‘আঃ)-এর নিকট যাও। তারা মূসা (‘আঃ)- এর নিকট এলে তিনি বলবেন, আমি এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছি। অতএব তোমরা ‘ঈসা (‘আঃ)- এর নিকট যাও। তারা ‘ঈসা (‘আঃ)- এর নিকট এলে তিনি বলবেন, আল্লাহ তা‘আলাকে বাদ দিয়ে আমার ‘ইবাদাত করা হয়েছে। আমাকে মা’বূদ বানানো হয়েছে। তোমরা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট যাও। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তারা আমার নিকট আসবে এবং আমি তাদের সাথে যাব। ইবনু জুদ‘আন বলেন, আনাস (রাঃ) বলেছেন, আমি যেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি তাকিয়ে আছি, আর তিনি বলেছেনঃ আমি জান্নাতের দরজার শিকল ধরে তাতে খটখট আওয়াজ করব। ভেতর হতে বলা হবে, কে? বলা হবে, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। ভেতরের অধিবাসীরা সাথে সাথে আমার সৌজন্যে দরজা খুলে দিবে এবং আমাকে মারহাবা মারহাবা বলে অভিনন্দন জানাবে। তখন আমি সিজদায় পতিত হব। এ অবস্থায় আল্লাহ তা‘আলা আমার প্রতি বিশেষ হামদ ও সানা (প্রশংসা ও স্তুতিবাক্য) ইলহাম করবেন (গোপনে শিখিয়ে দিবেন এবং আমি তা পাঠ করতে থাকব)। আমাকে বলা হবে, মাথা তোল, প্রার্থনা কর দেয়া হবে, সুপারিশ কর ক্ববূল করা হবে এবং বল, তোমার কথা শুনা হবে। (রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন) এটাই হল সেই ‘মাক্বামে মাহমূদ’ (উচ্চ প্রশংসিত মর্যাদা), যার কথা আল্লাহ তা‘আলা বলেছেনঃ “আশা করা যায় তোমার প্রভূ তোমাকে মাক্বামে মাহমূদে সুপ্রতিষ্ঠিত করবেন’- (সূরা বানী ইসরাঈল ৭৯)। সুফইয়ান (রহঃ) বলেন, শুধু মাত্র এই কথাটুকুই আনাস (রাঃ) হতে বর্ণনা করা হয়েছে : “আমি জান্নাতের দরজার শিকল ধরে খটখট আওয়াজ করব”। সহীহ : ইবনু মা-জাহ (৪৩০৮)।
আবূ সা‘ঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আহাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি ক্বিয়ামাতের দিবসে সকল আদম সন্তানের নেতা হব। এতে গর্বের কিছু নেই। আমার হাতেই হামদের (প্রশংসার) পতাকা থাকবে। এতেও গর্বের কিছু নেই। সেদিন আমার পতাকার নিচেই আদম (‘আঃ) এবং অন্য সকল নবী একত্রিত হবেন। আমিই প্রথম ব্যক্তি যার জন্য যামীন বিদীর্ণ করা হবে (অর্থাৎ আমাকেই সর্বপ্রথম উত্থিত করা হবে)। এতেও গর্বের কিছু নেই। লোকেরা তিনবার ভীতসন্ত্রস্ত হবে। তারপর আদম (‘আঃ)- এর নিকট এসে তারা বলবে, আপনি আমাদের পিতা আদম। আমাদের জন্য আপনার প্রতিপালকের নিকট সুপারিশ করুন। তিনি বলবেন, আমি এমন এক অপরাধ করেছিলাম যার পরিণতিতে আমাকে পৃথিবীতে নিক্ষেপ করা হয়েছিল। তোমরা বরং নূহ (‘আঃ)- নিকট যাও। তারা নূহ (‘আঃ)- নিকট এলে তিনি বলবেন, পৃথিবীর অধিবাসীদেরকে আমি এমন বদ দু‘আ করেছিলাম, যার কারণে তারা ধ্বংস হয়েছে (আমি এর কারণে লজ্জিত)। অতএব তোমরা ইবরাহীম (‘আঃ)-এর নিকট যাও। তারা ইবরাহীম (‘আঃ)-এর নিকট এলে তিনি বলবেন, আমি তিনটি মিথ্যা বলেছিলাম। (বর্ণনাকারী বলেন) তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তিনি প্রতিটি মিথ্যাকে কৌশল হিসেবে গ্রহণ করে আল্লাহ তা‘আলার দীনকে হিফাজাত করেছেন। [ইবরাহীম (‘‘আঃ) বলবেন] তোমরা বরং মূসা (‘আঃ)-এর নিকট যাও। তারা মূসা (‘আঃ)- এর নিকট এলে তিনি বলবেন, আমি এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছি। অতএব তোমরা ‘ঈসা (‘আঃ)- এর নিকট যাও। তারা ‘ঈসা (‘আঃ)- এর নিকট এলে তিনি বলবেন, আল্লাহ তা‘আলাকে বাদ দিয়ে আমার ‘ইবাদাত করা হয়েছে। আমাকে মা’বূদ বানানো হয়েছে। তোমরা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট যাও। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তারা আমার নিকট আসবে এবং আমি তাদের সাথে যাব। ইবনু জুদ‘আন বলেন, আনাস (রাঃ) বলেছেন, আমি যেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি তাকিয়ে আছি, আর তিনি বলেছেনঃ আমি জান্নাতের দরজার শিকল ধরে তাতে খটখট আওয়াজ করব। ভেতর হতে বলা হবে, কে? বলা হবে, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। ভেতরের অধিবাসীরা সাথে সাথে আমার সৌজন্যে দরজা খুলে দিবে এবং আমাকে মারহাবা মারহাবা বলে অভিনন্দন জানাবে। তখন আমি সিজদায় পতিত হব। এ অবস্থায় আল্লাহ তা‘আলা আমার প্রতি বিশেষ হামদ ও সানা (প্রশংসা ও স্তুতিবাক্য) ইলহাম করবেন (গোপনে শিখিয়ে দিবেন এবং আমি তা পাঠ করতে থাকব)। আমাকে বলা হবে, মাথা তোল, প্রার্থনা কর দেয়া হবে, সুপারিশ কর ক্ববূল করা হবে এবং বল, তোমার কথা শুনা হবে। (রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন) এটাই হল সেই ‘মাক্বামে মাহমূদ’ (উচ্চ প্রশংসিত মর্যাদা), যার কথা আল্লাহ তা‘আলা বলেছেনঃ “আশা করা যায় তোমার প্রভূ তোমাকে মাক্বামে মাহমূদে সুপ্রতিষ্ঠিত করবেন’- (সূরা বানী ইসরাঈল ৭৯)। সুফইয়ান (রহঃ) বলেন, শুধু মাত্র এই কথাটুকুই আনাস (রাঃ) হতে বর্ণনা করা হয়েছে : “আমি জান্নাতের দরজার শিকল ধরে খটখট আওয়াজ করব”। সহীহ : ইবনু মা-জাহ (৪৩০৮)।
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن علي بن زيد بن جدعان، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أنا سيد ولد آدم يوم القيامة ولا فخر وبيدي لواء الحمد ولا فخر وما من نبي يومئذ آدم فمن سواه إلا تحت لوائي وأنا أول من تنشق عنه الأرض ولا فخر قال فيفزع الناس ثلاث فزعات فيأتون آدم فيقولون أنت أبونا آدم فاشفع لنا إلى ربك . فيقول إني أذنبت ذنبا أهبطت منه إلى الأرض ولكن ائتوا نوحا . فيأتون نوحا فيقول إني دعوت على أهل الأرض دعوة فأهلكوا ولكن اذهبوا إلى إبراهيم . فيأتون إبراهيم فيقول إني كذبت ثلاث كذبات " . ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما منها كذبة إلا ماحل بها عن دين الله ولكن ائتوا موسى . فيأتون موسى فيقول إني قد قتلت نفسا ولكن ائتوا عيسى . فيأتون عيسى فيقول إني عبدت من دون الله ولكن ائتوا محمدا قال فيأتونني فأنطلق معهم " . قال ابن جدعان قال أنس فكأني أنظر إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " فآخذ بحلقة باب الجنة فأقعقعها فيقال من هذا فيقال محمد . فيفتحون لي ويرحبون فيقولون مرحبا فأخر ساجدا فيلهمني الله من الثناء والحمد فيقال لي ارفع رأسك سل تعط واشفع تشفع وقل يسمع لقولك وهو المقام المحمود الذي قال الله : ( عسى أن يبعثك ربك مقاما محمودا ) " . قال سفيان ليس عن أنس إلا هذه الكلمة " فآخذ بحلقة باب الجنة فأقعقعها " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن . وقد روى بعضهم هذا الحديث عن أبي نضرة عن ابن عباس الحديث بطوله .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৩৪
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، عن عكرمة، عن ابن عباس، في قوله: ( وما جعلنا الرؤيا التي أريناك إلا فتنة للناس ) قال هي رؤيا عين أريها النبي صلى الله عليه وسلم ليلة أسري به إلى بيت المقدس . قال : (والشجرة الملعونة في القرآن ) هي شجرة الزقوم . قال هذا حديث حسن صحيح .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ তা‘আলার বানী : “তোমাকে আমরা চাক্ষুষভাবে যা দেখালাম তা এই লোকদের জন্য একটি পরীক্ষার বস্তু বানিয়ে রেখেছি”- (সূরা বানী ইসরাঈল ৬০)। আয়াতে উল্লেখিত “রুইয়া” প্রসঙ্গে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, এটা ছিল চাক্ষুস দর্শন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে রাতের বেলা (মিরাজের সময়) বাইতুল মাক্বদিসে নিয়ে গিয়ে তা (যাবতীয় নিদর্শন) দেখানো হয়েছিল। বর্ণনাকারী বলেন, “কুরআনে উল্লেখিত অভিশপ্ত গাঠটি”- (সূরা বানী ইসরাঈল ৬০) হল যাক্কুম গাছ। সহীহ : বুখারী (৪৭১০)।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ তা‘আলার বানী : “তোমাকে আমরা চাক্ষুষভাবে যা দেখালাম তা এই লোকদের জন্য একটি পরীক্ষার বস্তু বানিয়ে রেখেছি”- (সূরা বানী ইসরাঈল ৬০)। আয়াতে উল্লেখিত “রুইয়া” প্রসঙ্গে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, এটা ছিল চাক্ষুস দর্শন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে রাতের বেলা (মিরাজের সময়) বাইতুল মাক্বদিসে নিয়ে গিয়ে তা (যাবতীয় নিদর্শন) দেখানো হয়েছিল। বর্ণনাকারী বলেন, “কুরআনে উল্লেখিত অভিশপ্ত গাঠটি”- (সূরা বানী ইসরাঈল ৬০) হল যাক্কুম গাছ। সহীহ : বুখারী (৪৭১০)।
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، عن عكرمة، عن ابن عباس، في قوله: ( وما جعلنا الرؤيا التي أريناك إلا فتنة للناس ) قال هي رؤيا عين أريها النبي صلى الله عليه وسلم ليلة أسري به إلى بيت المقدس . قال : (والشجرة الملعونة في القرآن ) هي شجرة الزقوم . قال هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৪৬
حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا هشيم، حدثنا أبو بشر، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، في قوله : (ولا تجهر بصلاتك ولا تخافت بها وابتغ بين ذلك سبيلا ) قال نزلت ورسول الله صلى الله عليه وسلم مختف بمكة وكان إذا صلى بأصحابه رفع صوته بالقرآن فكان المشركون إذا سمعوه شتموا القرآن ومن أنزله ومن جاء به فقال الله لنبيه : (ولا تجهر بصلاتك ) أى بقراءتك فيسمع المشركون فيسبوا القرآن : (ولا تخافت بها ) عن أصحابك : ( وابتغ بين ذلك سبيلا ) . هذا حديث حسن صحيح .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ তা‘আলার বাণী : “তোমার নামাযের ক্বিরাআত না উচ্চৈঃস্বরে পড়বে, আন না নিম্ন স্বরে, এ দুইয়ের মধ্যবর্তী মাত্রার আওয়াজ অবলম্বন কর”- (সূরা বানী ইসরাঈল ১১০) অবতীর্ণ হওয়ার সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্বায় আত্মগোপন করে ছিলেন। তিনি তার সাহাবীদের নিয়ে নামায আদায়ের সময় উচ্চস্বরে কিরা‘আত পাঠ করতেন। মুশরিকরা তা শুনতে পেয়ে কুরআনকে এর অবতরণকারীকে এবং এর বাহককে গালি দিত। অতএব আল্লাহ তা‘আলা তাঁর নাবীকে বললেনঃ “তোমারা নামাযে উচ্চৈঃস্বরে ক্বিরাআত পাঠ করো না”, কারণ মুশরিকরা তা শুন কুরআনকে গালি দেয়। “আবার এত নীচু স্বরেও পড়বে না”, যাতে তোমরা সাহাবীদেরকে শুনতে অসুবিধা হয় বরং “এই দুইয়ের মদ্যবর্তী মাত্রার আওয়ারজ অবলম্বন কর”। সহীহ : বুখারী (৪৭২২), মুসলিম।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ তা‘আলার বাণী : “তোমার নামাযের ক্বিরাআত না উচ্চৈঃস্বরে পড়বে, আন না নিম্ন স্বরে, এ দুইয়ের মধ্যবর্তী মাত্রার আওয়াজ অবলম্বন কর”- (সূরা বানী ইসরাঈল ১১০) অবতীর্ণ হওয়ার সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্বায় আত্মগোপন করে ছিলেন। তিনি তার সাহাবীদের নিয়ে নামায আদায়ের সময় উচ্চস্বরে কিরা‘আত পাঠ করতেন। মুশরিকরা তা শুনতে পেয়ে কুরআনকে এর অবতরণকারীকে এবং এর বাহককে গালি দিত। অতএব আল্লাহ তা‘আলা তাঁর নাবীকে বললেনঃ “তোমারা নামাযে উচ্চৈঃস্বরে ক্বিরাআত পাঠ করো না”, কারণ মুশরিকরা তা শুন কুরআনকে গালি দেয়। “আবার এত নীচু স্বরেও পড়বে না”, যাতে তোমরা সাহাবীদেরকে শুনতে অসুবিধা হয় বরং “এই দুইয়ের মদ্যবর্তী মাত্রার আওয়ারজ অবলম্বন কর”। সহীহ : বুখারী (৪৭২২), মুসলিম।
حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا هشيم، حدثنا أبو بشر، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، في قوله : (ولا تجهر بصلاتك ولا تخافت بها وابتغ بين ذلك سبيلا ) قال نزلت ورسول الله صلى الله عليه وسلم مختف بمكة وكان إذا صلى بأصحابه رفع صوته بالقرآن فكان المشركون إذا سمعوه شتموا القرآن ومن أنزله ومن جاء به فقال الله لنبيه : (ولا تجهر بصلاتك ) أى بقراءتك فيسمع المشركون فيسبوا القرآن : (ولا تخافت بها ) عن أصحابك : ( وابتغ بين ذلك سبيلا ) . هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৪৩
حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا بهز بن حكيم، عن أبيه، عن جده، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إنكم محشورون رجالا وركبانا ويجرون على وجوههم " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن .
বাহ্য ইবনু হাকীম (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার বাবা ও দাদা থেকে বর্নিতঃ
তিনি (দাদা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ক্বিয়ামাত দিবসে তোমাদেরকে পদব্রজে ও সওয়ারী অবস্থায় সমবেত করা হবে এবং কতককে মুখের উপর (উপুড় করে) হেঁচড়িয়ে হাযির করা হবে। হাসান : আ‘লীকুর রাগীব।
বাহ্য ইবনু হাকীম (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার বাবা ও দাদা থেকে বর্নিতঃ
তিনি (দাদা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ক্বিয়ামাত দিবসে তোমাদেরকে পদব্রজে ও সওয়ারী অবস্থায় সমবেত করা হবে এবং কতককে মুখের উপর (উপুড় করে) হেঁচড়িয়ে হাযির করা হবে। হাসান : আ‘লীকুর রাগীব।
حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا بهز بن حكيم، عن أبيه، عن جده، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إنكم محشورون رجالا وركبانا ويجرون على وجوههم " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن .
জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আল-কাহফ
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৫০
حدثنا أبو حفص، عمرو بن علي حدثنا أبو قتيبة، سلم بن قتيبة حدثنا عبد الجبار بن العباس الهمداني، عن أبي إسحاق، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، عن أبى بن كعب، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الغلام الذي قتله الخضر طبع يوم طبع كافرا " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب .
উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ছেলেটিকে খাযির (‘আঃ) হত্যা করেন, সে আল্লাহ তা‘আলার নির্ধারিত তাক্বদীর মতো (সৃষ্টির সূচনাতেই) কাফির ছিল। সহীহ : যিলা-লুল জান্নাত (১৯৪,১৯৫), মুসলিম।
উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ছেলেটিকে খাযির (‘আঃ) হত্যা করেন, সে আল্লাহ তা‘আলার নির্ধারিত তাক্বদীর মতো (সৃষ্টির সূচনাতেই) কাফির ছিল। সহীহ : যিলা-লুল জান্নাত (১৯৪,১৯৫), মুসলিম।
حدثنا أبو حفص، عمرو بن علي حدثنا أبو قتيبة، سلم بن قتيبة حدثنا عبد الجبار بن العباس الهمداني، عن أبي إسحاق، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، عن أبى بن كعب، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الغلام الذي قتله الخضر طبع يوم طبع كافرا " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৫২
حدثنا جعفر بن محمد بن فضيل الجزري، وغير، واحد، قالوا حدثنا صفوان بن صالح، حدثنا الوليد بن مسلم، عن يزيد بن يوسف الصنعاني، عن مكحول، عن أم الدرداء، عن أبي الدرداء، عن النبي صلى الله عليه وسلم في قوله : ( وكان تحته كنز لهما ) قال " ذهب وفضة " .
আবুদ দারদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আল্লাহ্ তা’আলার বাণী, “এই প্রাচীরের নীচে এই ছেলে দু’টির জন্য একটি সম্পদ রক্ষিত আছে” (সূরাঃ আল-কাহফ- ৮২)। এই আয়াতের ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এখানে ‘কান্য’ অর্থ সোনা-রূপা। অত্যন্ত দুর্বল, আর রাওযুন নাযীর (৯৪০), হাসান ইবনু আলী আল-খাল্লাল-সাফওয়ান ইবনু সালিহ-ওয়ালীদ ইবনু মুসলিম-ইয়াযীদ ইবনু ইউসুফ আস-সানআনী-ইয়াযীদ ইবনু জাবীর-মাকহূল (রহঃ) হতে এই সনদে উপরের হাদীসের মতই বর্ণিত হয়েছে।
আবুদ দারদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আল্লাহ্ তা’আলার বাণী, “এই প্রাচীরের নীচে এই ছেলে দু’টির জন্য একটি সম্পদ রক্ষিত আছে” (সূরাঃ আল-কাহফ- ৮২)। এই আয়াতের ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এখানে ‘কান্য’ অর্থ সোনা-রূপা। অত্যন্ত দুর্বল, আর রাওযুন নাযীর (৯৪০), হাসান ইবনু আলী আল-খাল্লাল-সাফওয়ান ইবনু সালিহ-ওয়ালীদ ইবনু মুসলিম-ইয়াযীদ ইবনু ইউসুফ আস-সানআনী-ইয়াযীদ ইবনু জাবীর-মাকহূল (রহঃ) হতে এই সনদে উপরের হাদীসের মতই বর্ণিত হয়েছে।
حدثنا جعفر بن محمد بن فضيل الجزري، وغير، واحد، قالوا حدثنا صفوان بن صالح، حدثنا الوليد بن مسلم، عن يزيد بن يوسف الصنعاني، عن مكحول، عن أم الدرداء، عن أبي الدرداء، عن النبي صلى الله عليه وسلم في قوله : ( وكان تحته كنز لهما ) قال " ذهب وفضة " .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৫১
حدثنا يحيى بن موسى، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن همام بن منبه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إنما سمي الخضر لأنه جلس على فروة بيضاء فاهتزت تحته خضراء " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ খাযিরের নাম এজন্যই খাযির (সবুজ) রাখা হয়েছে যে, একদা তিনি শুকনা সাদা মাটির উপর বসলে তাঁর নীচের মাটিতে সবুজ, শ্যামলিমার উদগম হয়। সহীহ : বুখারী, মুসলিম।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ খাযিরের নাম এজন্যই খাযির (সবুজ) রাখা হয়েছে যে, একদা তিনি শুকনা সাদা মাটির উপর বসলে তাঁর নীচের মাটিতে সবুজ, শ্যামলিমার উদগম হয়। সহীহ : বুখারী, মুসলিম।
حدثنا يحيى بن موسى، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن همام بن منبه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إنما سمي الخضر لأنه جلس على فروة بيضاء فاهتزت تحته خضراء " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৫৩
حدثنا محمد بن بشار، وغير، واحد، - المعنى واحد واللفظ لابن بشار قالوا حدثنا هشام بن عبد الملك حدثنا أبو عوانة عن قتادة عن أبي رافع عن حديث أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم في السد قال " يحفرونه كل يوم حتى إذا كادوا يخرقونه قال الذي عليهم ارجعوا فستخرقونه غدا فيعيده الله كأمثل ما كان حتى إذا بلغ مدتهم وأراد الله أن يبعثهم على الناس قال الذي عليهم ارجعوا فستخرقونه غدا إن شاء الله واستثنى . قال فيرجعون فيجدونه كهيئته حين تركوه فيخرقونه فيخرجون على الناس فيستقون المياه ويفر الناس منهم فيرمون بسهامهم في السماء فترجع مخضبة بالدماء فيقولون قهرنا من في الأرض وعلونا من في السماء قسوة وعلوا . فيبعث الله عليهم نغفا في أقفائهم فيهلكون قال فوالذي نفس محمد بيده إن دواب الأرض تسمن وتبطر وتشكر شكرا من لحومهم " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب إنما نعرفه من هذا الوجه مثل هذا .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (ইয়াজূয-মাজূযের) প্রাচীর প্রসঙ্গে বলেনঃ এরা প্রত্যেকদিন বাঁধার প্রাচীর খনন করতে থাকে। যখন তারা এটাকে চৌচির করে ভেদ করার কাছাকাছি এসে যায়, তখন তাদের সরদার বলে, ফিরে চলো, কাল সকালে এটাকে সম্পূর্ণরূপে ভেঙ্গে ফেলব। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ তা‘আলা প্রাচীরটিকে পূর্বের ন্যায় পূর্ণাঙ্গ করে দেন। তারা প্রতিদিন এভাবে এই প্রাচীর খুঁড়তে থাকে। অবশেষে যখন তাদের বন্দীত্বের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে এবং আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে জনবসতিতে পাঠানোর ইচ্ছা করবেন তখন ইয়াজূয-মাজূযদের সরদার বলবে, আজ চলো। আল্লাহ তা‘আলা চাইলে আগামী কাল সকালে আমরা এই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলব। সে তার কথার সাথে ‘ইনশাআল্লাহ’ বলবে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তারা ফিরে যাবে। গতকাল দেয়ালটিকে তারা যে অবস্থায় ছেড়ে গিয়েছিল, এবার ফিরে এসে ঠিক সেই অবস্থায়ই পাবে। এরা দেয়াল ভেদ করে জনপদে ছড়িয়ে পড়বে এবং সমস্ত পানি পান করে শেষ করে ফেলবে। মানুষজন এদের ভয়ে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পালিয়ে যাবে। এরা আকাশের দিকে নিজেদের তীর ছুঁড়বে। তাদের তীরগুলোকে রক্ত-রঞ্জিত করে ফিরিয়ে দেয়া হবে। এরা বলবে, পৃথিবীর বাসিন্দাদের উপর আমরা প্রতিশোধ নিয়েছি এবং আকাশবাসীদের উপরও আধিপত্য বিস্তার করে তাদের অধীনস্ত করে নিয়েছি। আল্লাহ তা‘আলা এদের গলদেশে কীট সৃষ্টি করবেন। ফলে এরা ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! যমীনের কীট-পতঙ্গ ও জীব-জন্তু এদের গোশত খেয়ে খুব মোটাতাজা হবে, খুব পরিতৃপ্ত হবে এবং এগুলোর দেহে বেশ চর্বি জমবে। সহীহ : ইবনু মা-জাহ (৪০৮০)।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (ইয়াজূয-মাজূযের) প্রাচীর প্রসঙ্গে বলেনঃ এরা প্রত্যেকদিন বাঁধার প্রাচীর খনন করতে থাকে। যখন তারা এটাকে চৌচির করে ভেদ করার কাছাকাছি এসে যায়, তখন তাদের সরদার বলে, ফিরে চলো, কাল সকালে এটাকে সম্পূর্ণরূপে ভেঙ্গে ফেলব। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ তা‘আলা প্রাচীরটিকে পূর্বের ন্যায় পূর্ণাঙ্গ করে দেন। তারা প্রতিদিন এভাবে এই প্রাচীর খুঁড়তে থাকে। অবশেষে যখন তাদের বন্দীত্বের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে এবং আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে জনবসতিতে পাঠানোর ইচ্ছা করবেন তখন ইয়াজূয-মাজূযদের সরদার বলবে, আজ চলো। আল্লাহ তা‘আলা চাইলে আগামী কাল সকালে আমরা এই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলব। সে তার কথার সাথে ‘ইনশাআল্লাহ’ বলবে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তারা ফিরে যাবে। গতকাল দেয়ালটিকে তারা যে অবস্থায় ছেড়ে গিয়েছিল, এবার ফিরে এসে ঠিক সেই অবস্থায়ই পাবে। এরা দেয়াল ভেদ করে জনপদে ছড়িয়ে পড়বে এবং সমস্ত পানি পান করে শেষ করে ফেলবে। মানুষজন এদের ভয়ে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পালিয়ে যাবে। এরা আকাশের দিকে নিজেদের তীর ছুঁড়বে। তাদের তীরগুলোকে রক্ত-রঞ্জিত করে ফিরিয়ে দেয়া হবে। এরা বলবে, পৃথিবীর বাসিন্দাদের উপর আমরা প্রতিশোধ নিয়েছি এবং আকাশবাসীদের উপরও আধিপত্য বিস্তার করে তাদের অধীনস্ত করে নিয়েছি। আল্লাহ তা‘আলা এদের গলদেশে কীট সৃষ্টি করবেন। ফলে এরা ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! যমীনের কীট-পতঙ্গ ও জীব-জন্তু এদের গোশত খেয়ে খুব মোটাতাজা হবে, খুব পরিতৃপ্ত হবে এবং এগুলোর দেহে বেশ চর্বি জমবে। সহীহ : ইবনু মা-জাহ (৪০৮০)।
حدثنا محمد بن بشار، وغير، واحد، - المعنى واحد واللفظ لابن بشار قالوا حدثنا هشام بن عبد الملك حدثنا أبو عوانة عن قتادة عن أبي رافع عن حديث أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم في السد قال " يحفرونه كل يوم حتى إذا كادوا يخرقونه قال الذي عليهم ارجعوا فستخرقونه غدا فيعيده الله كأمثل ما كان حتى إذا بلغ مدتهم وأراد الله أن يبعثهم على الناس قال الذي عليهم ارجعوا فستخرقونه غدا إن شاء الله واستثنى . قال فيرجعون فيجدونه كهيئته حين تركوه فيخرقونه فيخرجون على الناس فيستقون المياه ويفر الناس منهم فيرمون بسهامهم في السماء فترجع مخضبة بالدماء فيقولون قهرنا من في الأرض وعلونا من في السماء قسوة وعلوا . فيبعث الله عليهم نغفا في أقفائهم فيهلكون قال فوالذي نفس محمد بيده إن دواب الأرض تسمن وتبطر وتشكر شكرا من لحومهم " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب إنما نعرفه من هذا الوجه مثل هذا .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৫৪
حدثنا محمد بن بشار، وغير، واحد، قالوا حدثنا محمد بن بكر البرساني، عن عبد الحميد بن جعفر، أخبرني أبي، عن ابن ميناء، عن أبي سعد بن أبي فضالة الأنصاري، وكان، من الصحابة قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إذا جمع الله الناس ليوم القيامة ليوم لا ريب فيه نادى مناد من كان أشرك في عمل عمله لله أحدا فليطلب ثوابه من عند غير الله فإن الله أغنى الشركاء عن الشرك " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث محمد بن بكر .
আবূ সা‘ঈদ ইবনু আবী ফাযালাহ আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি : আল্লাহ তা‘আলা যখন ক্বিয়ামত দিবসে, যে দিনের আগমন প্রসঙ্গে কোন সন্দেহ নেই, মানুষদেরকে একত্র করবেন, তখন একজন ঘোষক ঘোষণা করবে : আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে যে ব্যক্তি কাজ করতে এর মধ্যে কাউকে শারীক করেছে, সে যেন গাইরুল্লাহর নিকট নিজের সাওয়াব চেয়ে নেয়। কেননা আল্লাহ তা‘আলা শারীকদের শিরক হতে সম্পূর্ণ মুক্ত। সহীহ : ইবনু মা-জাহ (৪২০৩)।
আবূ সা‘ঈদ ইবনু আবী ফাযালাহ আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি : আল্লাহ তা‘আলা যখন ক্বিয়ামত দিবসে, যে দিনের আগমন প্রসঙ্গে কোন সন্দেহ নেই, মানুষদেরকে একত্র করবেন, তখন একজন ঘোষক ঘোষণা করবে : আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে যে ব্যক্তি কাজ করতে এর মধ্যে কাউকে শারীক করেছে, সে যেন গাইরুল্লাহর নিকট নিজের সাওয়াব চেয়ে নেয়। কেননা আল্লাহ তা‘আলা শারীকদের শিরক হতে সম্পূর্ণ মুক্ত। সহীহ : ইবনু মা-জাহ (৪২০৩)।
حدثنا محمد بن بشار، وغير، واحد، قالوا حدثنا محمد بن بكر البرساني، عن عبد الحميد بن جعفر، أخبرني أبي، عن ابن ميناء، عن أبي سعد بن أبي فضالة الأنصاري، وكان، من الصحابة قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إذا جمع الله الناس ليوم القيامة ليوم لا ريب فيه نادى مناد من كان أشرك في عمل عمله لله أحدا فليطلب ثوابه من عند غير الله فإن الله أغنى الشركاء عن الشرك " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث محمد بن بكر .
জামে' আত-তিরমিজি ৩১৪৯
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، عن سعيد بن جبير، قال قلت لابن عباس إن نوفا البكالي يزعم أن موسى صاحب بني إسرائيل ليس بموسى صاحب الخضر قال كذب عدو الله سمعت أبى بن كعب يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " قام موسى خطيبا في بني إسرائيل فسئل أى الناس أعلم فقال أنا أعلم . فعتب الله عليه إذ لم يرد العلم إليه فأوحى الله إليه أن عبدا من عبادي بمجمع البحرين هو أعلم منك قال موسى أى رب فكيف لي به فقال له احمل حوتا في مكتل فحيث تفقد الحوت فهو ثم فانطلق وانطلق معه فتاه وهو يوشع بن نون ويقال يوسع فحمل موسى حوتا في مكتل فانطلق هو وفتاه يمشيان حتى إذا أتيا الصخرة فرقد موسى وفتاه فاضطرب الحوت في المكتل حتى خرج من المكتل فسقط في البحر قال وأمسك الله عنه جرية الماء حتى كان مثل الطاق وكان للحوت سربا وكان لموسى ولفتاه عجبا فانطلقا بقية يومهما وليلتهما ونسي صاحب موسى أن يخبره فلما أصبح موسى قال لفتاه: (آتنا غداءنا لقد لقينا من سفرنا هذا نصبا ) قال ولم ينصب حتى جاوز المكان الذي أمر به : (قال أرأيت إذ أوينا إلى الصخرة فإني نسيت الحوت وما أنسانيه إلا الشيطان أن أذكره واتخذ سبيله في البحر عجبا ) قال موسى : ( ذلك ما كنا نبغ فارتدا على آثارهما قصصا ) قال فكانا يقصان آثارهما . قال سفيان يزعم ناس أن تلك الصخرة عندها عين الحياة ولا يصيب ماؤها ميتا إلا عاش . قال وكان الحوت قد أكل منه فلما قطر عليه الماء عاش . قال فقصا آثارهما حتى أتيا الصخرة فرأى رجلا مسجى عليه بثوب فسلم عليه موسى فقال أنى بأرضك السلام قال أنا موسى . قال موسى بني إسرائيل قال نعم . قال يا موسى إنك على علم من علم الله علمكه الله لا أعلمه وأنا على علم من علم الله علمنيه لا تعلمه فقال موسى : ( هل أتبعك على أن تعلمني مما علمت رشدا * قال إنك لن تستطيع معي صبرا * وكيف تصبر على ما لم تحط به خبرا * قال ستجدني إن شاء الله صابرا ولا أعصي لك أمرا ) قال له الخضر : (فإن اتبعتني فلا تسألني عن شيء حتى أحدث لك منه ذكرا ) قال نعم فانطلق الخضر وموسى يمشيان على ساحل البحر فمرت بهما سفينة فكلماه أن يحملوهما فعرفوا الخضر فحملوهما بغير نول فعمد الخضر إلى لوح من ألواح السفينة فنزعه فقال له موسى قوم حملونا بغير نول عمدت إلى سفينتهم فخرقتها : ( لتغرق أهلها لقد جئت شيئا إمرا * قال ألم أقل إنك لن تستطيع معي صبرا * قال لا تؤاخذني بما نسيت ولا ترهقني من أمري عسرا ) ثم خرجا من السفينة فبينما هما يمشيان على الساحل وإذا غلام يلعب مع الغلمان فأخذ الخضر برأسه فاقتلعه بيده فقتله فقال له موسى : ( أقتلت نفسا زكية بغير نفس لقد جئت شيئا نكرا * قال ألم أقل لك إنك لن تستطيع معي صبرا ) قال وهذه أشد من الأولى : ( قال إن سألتك عن شيء بعدها فلا تصاحبني قد بلغت من لدني عذرا * فانطلقا حتى إذا أتيا أهل قرية استطعما أهلها فأبوا أن يضيفوهما فوجدا فيها جدارا يريد أن ينقض ) يقول مائل فقال الخضر بيده هكذا : ( فأقامه ) فقال له موسى قوم أتيناهم فلم يضيفونا ولم يطعمونا : ( إن شئت لاتخذت عليه أجرا * قال هذا فراق بيني وبينك سأنبئك بتأويل ما لم تستطع عليه صبرا ) قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يرحم الله موسى لوددنا أنه كان صبر حتى يقص علينا من أخبارهما " . قال وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الأولى كانت من موسى نسيان - قال وجاء عصفور حتى وقع على حرف السفينة ثم نقر في البحر فقال له الخضر ما نقص علمي وعلمك من علم الله إلا مثل ما نقص هذا العصفور من البحر " . قال سعيد بن جبير وكان يعني ابن عباس يقرأ وكان أمامهم ملك يأخذ كل سفينة صالحة غصبا وكان يقرأ وأما الغلام فكان كافرا . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح . ورواه الزهري عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة عن ابن عباس عن أبى بن كعب عن النبي صلى الله عليه وسلم وقد رواه أبو إسحاق الهمداني عن سعيد بن جبير عن ابن عباس عن أبى بن كعب عن النبي صلى الله عليه وسلم . قال أبو عيسى سمعت أبا مزاحم السمرقندي يقول سمعت علي بن المديني يقول حججت حجة وليس لي همة إلا أن أسمع من سفيان يذكر في هذا الحديث الخبر حتى سمعته يقول حدثنا عمرو بن دينار وقد كنت سمعت هذا من سفيان من قبل ذلك ولم يذكر فيه الخبر .
সা‘ঈদ ইবনু জুবাইর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)- কে বললাম, নাওফ আল-বিকালী মনে করেন যে, খাযিরের সাথে যে মূসার সাক্ষাৎ হয়েছিল, তিনি বানী ইসরাঈলের নবী মূসা (‘আঃ) নন (এরা দু’জন ভিন্ন ব্যক্তি)। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহর দুশমন মিথ্যা বলছে। উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ)-কে আমি বলতে শুনেছি, তিনি বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে বলতে শুনেছি : বানী ইসরাঈলের জনগণের সামনে মূসা (‘আঃ) বক্তৃতা দিতে দাঁড়ান। তাঁকে প্রশ্ন করা হয় যে, কে সবচেয়ে বড় জ্ঞানী? তিনি বলেন, আমি সবচেয়ে বড় জ্ঞানী। এতে আল্লাহ তা‘আলা তাঁর উপর অসন্তুষ্ট হন। কেননা তিনি আল্লাহ তা‘আলার সাথে জ্ঞানকে সম্পৃক্ত করেননি (অর্থাৎ আল্লাহ তা‘আলা সবচাইতে বড় জ্ঞানী এ কথা বলেননি)। আল্লাহ তা‘আলা তাঁর নিকট ওয়াহী পাঠান, আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত এক বান্দা দুই সমুদ্রের সংগমস্থলে আছে। সে তোমার চাইতে বেশি জ্ঞানী। মূসা (‘আঃ) বললেনঃ হে আমার প্রতিপালক! আমি কি উপায়ে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করব? আল্লাহ তা‘আলা বলেনঃ তুমি থলেতে একটি মাছ লও। মাছটি যেখানে হারিয়ে ফেলবে, সেখানেই সে আছে। অতএব তিনি রওয়ানা হলেন এবং ইউশা ইবনু নূন নামক তাঁর যুবক শাগরিদও তাঁর সফরসঙ্গী হলেন। মূসা (‘আঃ) থলের মধ্যে একটি মাছ ভরে নিলেন। তাঁরা দু’জনে পায়ে হেঁটে চলতে চলতে একটি প্রকান্ড পাথরের নিকট (সমুদ্রের তীরে) এসে পৌঁছেন। এখানে দু’জনই শুয়ে বিশ্রাম নিলেন। থলের মধ্যকার মাছটি নড়াচড়া করতে করতে তা হয়ে সমুদ্রে পতিত হল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ তা‘আলা মাছটি দিয়ে পানির স্রোতধারা বন্ধ করে দিলেন। ফলে তা প্রাচীরবৎ হয়ে গেল এবং মাছটির জন্য এভাবে একটি পথের ব্যবস্থা হল। মূসা (‘আঃ) ও তাঁর যুবক সঙ্গীর নিকট এটা খুবই আশ্চর্যজনক মনে হচ্ছিল। তাঁরা দিনের অবশিষ্ট সময় ও রাতে অগ্রসর হতে থাকলেন। তাঁর সঙ্গী মাছের অবস্থা সম্পর্কে তাঁকে জানাতে ভুলে গেল। ভোর হলে মূসা (‘আঃ) তাঁর সঙ্গীকে বললেন, “আমাদের সকালের নাশতা নাও। আজকের সফরে আমরা অত্যধিক ক্লান্ত হয়ে পড়েছি”-(সূরা কাহফ ৬২)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তাদেরকে যে স্থানে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল, সেখান পর্যন্ত পৌঁছতে তাঁরা ক্লান্ত হননি। কিন্তু নির্দেশিত স্থান পার হওয়ার পরই তাঁদেরকে ক্লান্তিতে পেয়ে বসে। “যুবক বলল, আমরা যখন সেই প্রস্তরময় প্রান্তরে আশ্রয় নিয়েছিলাম, তখন কি ঘটনা ঘটেছে তা কি আপনি লক্ষ্য করেননি? মাছের প্রতি আমার কোন আমার কোন লক্ষ্য ছিল না। আর শাইতান আমাকে এমনভাবে ভুলিয়ে দিয়েছে যে, আমি আপনার নিকট তা উল্লেখ করতেও ভুলে গেছি। মাছ তো আশ্চর্য রকমভাবে বের হয়ে সমুদ্রে চলে গেছে। মূসা বললেন, আমরা তো এটাই চেয়েছিলাম”- (সূরা কাহাফ ৬৪)। তাঁরা দু’জনেই তাঁদের পদচিহ্ন ধরে ফিরে এলেন। সুফইয়ান সাওরী (রহঃ) বলেন, কিছু লোকের ধারণা যে, এই প্রস্তরময় ময়দানে (বা সমুদ্র তীরেই) আবে হায়াতের ঝর্ণা রয়েছে। এই পানি মৃত ব্যাক্তির উপর ছিটিয়ে দিলে সে জীবিত হয়ে উঠে। এই মাছের কিছু অংশ খাওয়াও হয়েছিল। ঐ ঝর্ণার পানির ফোঁটা মাছের গায়ে পড়লে সাথে সাথে মাছটি জীবিত হয়ে গেল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তাঁরা উভয়ে তাদের পায়ের চিহ্ন ধরে অগ্রসর হতে হতে পূর্বের সেই প্রান্তরে এসে পৌছালেন। তাঁরা দেখতে পেলেন, এক ব্যক্তি চাদর লম্বা করে গায়ে দিয়ে মুখ ঢেকে শুয়ে আছেন। মূসা (‘আঃ) তাঁকে সালাম দিলেন। তিনি সালামের জবাব দিয়ে বললেন, তোমাদের এ জায়গায় তো সালামের প্রচলন নেই (তুমি মনে হয় একজন আগন্তুক)? তিনি বললেন, আমি মূসা (‘আঃ)। তিনি প্রশ্ন করলেন, বানী ইসরাঈলের মূসা? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেন, আপনার নিকট আল্লাহ তা‘আলার দানকৃত এক বিশেষ জ্ঞান আছে। আমি তা জানি না। আর আল্লাহ তা‘আলা আমাকেও এক বিশেষ জ্ঞান দিয়েছেন যা আপনি জানেন না। মূসা (‘আঃ) বললেনঃ “আপনাকে যে জ্ঞান শিক্ষা দেয়া হয়েছে, তা শিখার উদ্দেশে কি আমি আপনার সাথে থাকতে পারি? তিনি বললেনঃ আপনি আমার সাথে ধৈর্য ধরে থাকতে পারবেন না। আর যে বিষয়ে আপনার কিছুই জানা নেই, সে বিষয়ে আপনি কেমন করেই বা ধৈর্য ধারণ করতে পারেন? তিনি বললেন, ইনশা আল্লাহ আপনি আমাকে ধৈর্যশীলই পাবেন। কোন ব্যপারেই আমি আপনার নির্দেশের বিরোধিতা করব না”।– (সূরা কাহফ ৬৬-৬৯)। খাযির (‘আঃ) তাকে বললেন, “ঠিক আছে, আপনি যদি আমার সাথে চলতে থাকেন, তাহলে আপনি আমার নিকট কোন বিষয়ে প্রশ্ন করতে পারবেন না, যতক্ষণ আমি আপনাকে তা না বলি”- (সূরা কাহফ ৭০)। তিনি (মূসা) বললেন, হ্যাঁ ঠিক আছে। খাযির ও মূসা (‘আঃ) সমুদ্রের তীর ধরে পায়ে হেঁটে চলতে থাকলেন। তাদের সামনে দিয়ে একটি নৌকা অতিক্রম করছিল। তাঁরা উভয়ে তাদের সাথে কথা বললেন এবং তাঁদেরকে নৌকায় তুলে নেয়ার জন্য অনুরোধ করলেন। তারা খাযিরকে চিনে ফেলল এবং কোন ভাড়া ছাড়াই তাদের দু’জনকে নৌকায় তুলে নিল। খাযির নৌকার একটি তক্তা খুলে নিলেন। মূসা (‘আঃ) তাঁকে বললেন, লোকেরা আমাদেরকে ভাড়া ছাড়াই নৌকায় তুলে নিল, আর আপনি নৌকাটির ক্ষতি সাধন করলেন! আপনি কি তাদের ডুবিয়ে দিতে চান? “আপনার এ কাজটি খুবই আপত্তিকর। খাযির বললেন, আমি কি তোমাকে বলিনি যে, তুমি আমার সাথে ধৈর্য ধরে থাকতে পারবে না? মূসা বললেন, আমার ভুলের জন্য আপনি আমাকে পাকড়াও করবেন না। আমার ব্যাপারে আপনি অতটা কড়াকড়ি করবেন না”- (সূরা কাহফ ৭১-৭৩)। তারা নৌকা হতে নেমে সমুদ্রের তীর ধরে এগিয়ে যেতে থাকেন। পথিমধ্যে দেখা গেল, একটি বালক অপর কয়েকটি বালকের সাথে খেলাধূলা করছে। খাযির (‘আঃ) নিজের হাতে ছেলেটির মাথা ধরে তা ঘাড় হতে বিচ্ছিন্ন করে দিলেন এবং এভাবে তাকে হত্যা করেন। মূসা (‘আঃ) তাঁকে বললেন, “একটা নিষ্পাপ বালককে আপনি মেরে ফেললেন! অথচ সে তো কাউকে হত্যা করেনি? আপনি তো একটা বড় অন্যায় করে ফেলেছেন। খাযির বললেন, আমি কি তোমাকে বলিনি, তুমি আমার সাথে ধৈর্য ধরে চলতে পারবে না” – (সূরা কাহফ ৭৪-৭৫)? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ পূর্বের কথার চেয়ে এ কথাটা বেশি শক্ত ছিল। মূসা (‘আঃ) বললেন, “অতঃপর আমি যদি আপনার নিকট কোন প্রশ্ন করি, তাহলে আপনি আমাকে আর সঙ্গে রাখবেন না। আমাকে প্রত্যাখ্যান করার মত ত্রুটি আপনি আমার মধ্যে পেয়েছেন। পুনরায় তাঁরা দু’জনে সামনে এগিয়ে গেলেন এবং যেতে যেতে একটি জনপদে এসে পৌঁছলেন এবং সেখানকার মানুষদের নিকট খাবার চাইলেন। কিন্তু তারা মেহমান হিসেবে তাদের মেনে নিতে রাজী হয়নি। তাঁরা সেখানে একটি দেয়াল দেখতে পেলেন, যা পড়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল”- (সূরা কাহফ ৭৬-৭৭)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ দেয়ালটি ঝুঁকে পড়েছিল। খাযির তাঁর হাত দিয়ে দেয়ালটি ঠিক করে দিলেন। মূসা (‘আঃ) তাঁকে বললেনঃ আমরা এমন এক সম্প্রদায়ের নিকট আসলাম, যারা আমাদেরকে মেহমান হিসেবেও গ্রহণ করেনি বা আহারও করায়নি। “আপনি ইচ্ছা করলে এই কাজের জন্য মজুরী নিতে পারতেন। খাযির বললেন, বাস! এখানেই তোমার ও আমার একত্রে ভ্রমন শেষ। তুমি যেসব বিষয়ে ধৈর্য ধারণ করতে পারনি, এখন আমি তোমাকে সেসব বিষয়ের তাৎপর্য বলে দিব”- (সূরা কাহফ ৭৭-৭৮)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ তা‘আলা মূসা (‘আঃ)- এর উপর রাহমাত অবতীর্ণ করুন। আমাদের আশা ছিল যে, তিনি যদি ধৈর্য ধারণ করতেন তাহলে আমাদেরকে তাদের এসব বিষয়ের তথ্য জানানো হত! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মূসা (‘আঃ) শর্তের কথা ভুলে যাওয়ার কারণেই প্রথম প্রশ্নটি করেছেন। তিনি আরো বলেনঃ একটি চড়ুই পাখি এসে তাদের নৌকার কিনারে বসে, তারপর তা সমুদ্রে নিজের ঠোঁট ডুবিয়ে দেয়। খাযির তাঁকে বললেন, এই চড়ুই পাখি সমুদ্রের পানি যতটুকু কমিয়েছে, আমার ও আপনার জ্ঞান আল্লাহ তা‘আলার জ্ঞানভান্ডার হতে ঠিক ততটুকুই কমিয়েছে। সাঈদ ইবনু জুবাইর (রহঃ) বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) পাঠ করতেন : “তাদের সামনে ছিল এক বাদশাহ যে প্রতিটি নিখুঁত নৌকা জোরপূর্বক কেড়ে নিত”। তিনি আরো পাঠ করতেন : “আর বালকটি ছিল কাফির”। সহীহ : বুখারী, মুসলিম।
সা‘ঈদ ইবনু জুবাইর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)- কে বললাম, নাওফ আল-বিকালী মনে করেন যে, খাযিরের সাথে যে মূসার সাক্ষাৎ হয়েছিল, তিনি বানী ইসরাঈলের নবী মূসা (‘আঃ) নন (এরা দু’জন ভিন্ন ব্যক্তি)। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহর দুশমন মিথ্যা বলছে। উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ)-কে আমি বলতে শুনেছি, তিনি বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে বলতে শুনেছি : বানী ইসরাঈলের জনগণের সামনে মূসা (‘আঃ) বক্তৃতা দিতে দাঁড়ান। তাঁকে প্রশ্ন করা হয় যে, কে সবচেয়ে বড় জ্ঞানী? তিনি বলেন, আমি সবচেয়ে বড় জ্ঞানী। এতে আল্লাহ তা‘আলা তাঁর উপর অসন্তুষ্ট হন। কেননা তিনি আল্লাহ তা‘আলার সাথে জ্ঞানকে সম্পৃক্ত করেননি (অর্থাৎ আল্লাহ তা‘আলা সবচাইতে বড় জ্ঞানী এ কথা বলেননি)। আল্লাহ তা‘আলা তাঁর নিকট ওয়াহী পাঠান, আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত এক বান্দা দুই সমুদ্রের সংগমস্থলে আছে। সে তোমার চাইতে বেশি জ্ঞানী। মূসা (‘আঃ) বললেনঃ হে আমার প্রতিপালক! আমি কি উপায়ে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করব? আল্লাহ তা‘আলা বলেনঃ তুমি থলেতে একটি মাছ লও। মাছটি যেখানে হারিয়ে ফেলবে, সেখানেই সে আছে। অতএব তিনি রওয়ানা হলেন এবং ইউশা ইবনু নূন নামক তাঁর যুবক শাগরিদও তাঁর সফরসঙ্গী হলেন। মূসা (‘আঃ) থলের মধ্যে একটি মাছ ভরে নিলেন। তাঁরা দু’জনে পায়ে হেঁটে চলতে চলতে একটি প্রকান্ড পাথরের নিকট (সমুদ্রের তীরে) এসে পৌঁছেন। এখানে দু’জনই শুয়ে বিশ্রাম নিলেন। থলের মধ্যকার মাছটি নড়াচড়া করতে করতে তা হয়ে সমুদ্রে পতিত হল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ তা‘আলা মাছটি দিয়ে পানির স্রোতধারা বন্ধ করে দিলেন। ফলে তা প্রাচীরবৎ হয়ে গেল এবং মাছটির জন্য এভাবে একটি পথের ব্যবস্থা হল। মূসা (‘আঃ) ও তাঁর যুবক সঙ্গীর নিকট এটা খুবই আশ্চর্যজনক মনে হচ্ছিল। তাঁরা দিনের অবশিষ্ট সময় ও রাতে অগ্রসর হতে থাকলেন। তাঁর সঙ্গী মাছের অবস্থা সম্পর্কে তাঁকে জানাতে ভুলে গেল। ভোর হলে মূসা (‘আঃ) তাঁর সঙ্গীকে বললেন, “আমাদের সকালের নাশতা নাও। আজকের সফরে আমরা অত্যধিক ক্লান্ত হয়ে পড়েছি”-(সূরা কাহফ ৬২)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তাদেরকে যে স্থানে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল, সেখান পর্যন্ত পৌঁছতে তাঁরা ক্লান্ত হননি। কিন্তু নির্দেশিত স্থান পার হওয়ার পরই তাঁদেরকে ক্লান্তিতে পেয়ে বসে। “যুবক বলল, আমরা যখন সেই প্রস্তরময় প্রান্তরে আশ্রয় নিয়েছিলাম, তখন কি ঘটনা ঘটেছে তা কি আপনি লক্ষ্য করেননি? মাছের প্রতি আমার কোন আমার কোন লক্ষ্য ছিল না। আর শাইতান আমাকে এমনভাবে ভুলিয়ে দিয়েছে যে, আমি আপনার নিকট তা উল্লেখ করতেও ভুলে গেছি। মাছ তো আশ্চর্য রকমভাবে বের হয়ে সমুদ্রে চলে গেছে। মূসা বললেন, আমরা তো এটাই চেয়েছিলাম”- (সূরা কাহাফ ৬৪)। তাঁরা দু’জনেই তাঁদের পদচিহ্ন ধরে ফিরে এলেন। সুফইয়ান সাওরী (রহঃ) বলেন, কিছু লোকের ধারণা যে, এই প্রস্তরময় ময়দানে (বা সমুদ্র তীরেই) আবে হায়াতের ঝর্ণা রয়েছে। এই পানি মৃত ব্যাক্তির উপর ছিটিয়ে দিলে সে জীবিত হয়ে উঠে। এই মাছের কিছু অংশ খাওয়াও হয়েছিল। ঐ ঝর্ণার পানির ফোঁটা মাছের গায়ে পড়লে সাথে সাথে মাছটি জীবিত হয়ে গেল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তাঁরা উভয়ে তাদের পায়ের চিহ্ন ধরে অগ্রসর হতে হতে পূর্বের সেই প্রান্তরে এসে পৌছালেন। তাঁরা দেখতে পেলেন, এক ব্যক্তি চাদর লম্বা করে গায়ে দিয়ে মুখ ঢেকে শুয়ে আছেন। মূসা (‘আঃ) তাঁকে সালাম দিলেন। তিনি সালামের জবাব দিয়ে বললেন, তোমাদের এ জায়গায় তো সালামের প্রচলন নেই (তুমি মনে হয় একজন আগন্তুক)? তিনি বললেন, আমি মূসা (‘আঃ)। তিনি প্রশ্ন করলেন, বানী ইসরাঈলের মূসা? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেন, আপনার নিকট আল্লাহ তা‘আলার দানকৃত এক বিশেষ জ্ঞান আছে। আমি তা জানি না। আর আল্লাহ তা‘আলা আমাকেও এক বিশেষ জ্ঞান দিয়েছেন যা আপনি জানেন না। মূসা (‘আঃ) বললেনঃ “আপনাকে যে জ্ঞান শিক্ষা দেয়া হয়েছে, তা শিখার উদ্দেশে কি আমি আপনার সাথে থাকতে পারি? তিনি বললেনঃ আপনি আমার সাথে ধৈর্য ধরে থাকতে পারবেন না। আর যে বিষয়ে আপনার কিছুই জানা নেই, সে বিষয়ে আপনি কেমন করেই বা ধৈর্য ধারণ করতে পারেন? তিনি বললেন, ইনশা আল্লাহ আপনি আমাকে ধৈর্যশীলই পাবেন। কোন ব্যপারেই আমি আপনার নির্দেশের বিরোধিতা করব না”।– (সূরা কাহফ ৬৬-৬৯)। খাযির (‘আঃ) তাকে বললেন, “ঠিক আছে, আপনি যদি আমার সাথে চলতে থাকেন, তাহলে আপনি আমার নিকট কোন বিষয়ে প্রশ্ন করতে পারবেন না, যতক্ষণ আমি আপনাকে তা না বলি”- (সূরা কাহফ ৭০)। তিনি (মূসা) বললেন, হ্যাঁ ঠিক আছে। খাযির ও মূসা (‘আঃ) সমুদ্রের তীর ধরে পায়ে হেঁটে চলতে থাকলেন। তাদের সামনে দিয়ে একটি নৌকা অতিক্রম করছিল। তাঁরা উভয়ে তাদের সাথে কথা বললেন এবং তাঁদেরকে নৌকায় তুলে নেয়ার জন্য অনুরোধ করলেন। তারা খাযিরকে চিনে ফেলল এবং কোন ভাড়া ছাড়াই তাদের দু’জনকে নৌকায় তুলে নিল। খাযির নৌকার একটি তক্তা খুলে নিলেন। মূসা (‘আঃ) তাঁকে বললেন, লোকেরা আমাদেরকে ভাড়া ছাড়াই নৌকায় তুলে নিল, আর আপনি নৌকাটির ক্ষতি সাধন করলেন! আপনি কি তাদের ডুবিয়ে দিতে চান? “আপনার এ কাজটি খুবই আপত্তিকর। খাযির বললেন, আমি কি তোমাকে বলিনি যে, তুমি আমার সাথে ধৈর্য ধরে থাকতে পারবে না? মূসা বললেন, আমার ভুলের জন্য আপনি আমাকে পাকড়াও করবেন না। আমার ব্যাপারে আপনি অতটা কড়াকড়ি করবেন না”- (সূরা কাহফ ৭১-৭৩)। তারা নৌকা হতে নেমে সমুদ্রের তীর ধরে এগিয়ে যেতে থাকেন। পথিমধ্যে দেখা গেল, একটি বালক অপর কয়েকটি বালকের সাথে খেলাধূলা করছে। খাযির (‘আঃ) নিজের হাতে ছেলেটির মাথা ধরে তা ঘাড় হতে বিচ্ছিন্ন করে দিলেন এবং এভাবে তাকে হত্যা করেন। মূসা (‘আঃ) তাঁকে বললেন, “একটা নিষ্পাপ বালককে আপনি মেরে ফেললেন! অথচ সে তো কাউকে হত্যা করেনি? আপনি তো একটা বড় অন্যায় করে ফেলেছেন। খাযির বললেন, আমি কি তোমাকে বলিনি, তুমি আমার সাথে ধৈর্য ধরে চলতে পারবে না” – (সূরা কাহফ ৭৪-৭৫)? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ পূর্বের কথার চেয়ে এ কথাটা বেশি শক্ত ছিল। মূসা (‘আঃ) বললেন, “অতঃপর আমি যদি আপনার নিকট কোন প্রশ্ন করি, তাহলে আপনি আমাকে আর সঙ্গে রাখবেন না। আমাকে প্রত্যাখ্যান করার মত ত্রুটি আপনি আমার মধ্যে পেয়েছেন। পুনরায় তাঁরা দু’জনে সামনে এগিয়ে গেলেন এবং যেতে যেতে একটি জনপদে এসে পৌঁছলেন এবং সেখানকার মানুষদের নিকট খাবার চাইলেন। কিন্তু তারা মেহমান হিসেবে তাদের মেনে নিতে রাজী হয়নি। তাঁরা সেখানে একটি দেয়াল দেখতে পেলেন, যা পড়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল”- (সূরা কাহফ ৭৬-৭৭)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ দেয়ালটি ঝুঁকে পড়েছিল। খাযির তাঁর হাত দিয়ে দেয়ালটি ঠিক করে দিলেন। মূসা (‘আঃ) তাঁকে বললেনঃ আমরা এমন এক সম্প্রদায়ের নিকট আসলাম, যারা আমাদেরকে মেহমান হিসেবেও গ্রহণ করেনি বা আহারও করায়নি। “আপনি ইচ্ছা করলে এই কাজের জন্য মজুরী নিতে পারতেন। খাযির বললেন, বাস! এখানেই তোমার ও আমার একত্রে ভ্রমন শেষ। তুমি যেসব বিষয়ে ধৈর্য ধারণ করতে পারনি, এখন আমি তোমাকে সেসব বিষয়ের তাৎপর্য বলে দিব”- (সূরা কাহফ ৭৭-৭৮)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ তা‘আলা মূসা (‘আঃ)- এর উপর রাহমাত অবতীর্ণ করুন। আমাদের আশা ছিল যে, তিনি যদি ধৈর্য ধারণ করতেন তাহলে আমাদেরকে তাদের এসব বিষয়ের তথ্য জানানো হত! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মূসা (‘আঃ) শর্তের কথা ভুলে যাওয়ার কারণেই প্রথম প্রশ্নটি করেছেন। তিনি আরো বলেনঃ একটি চড়ুই পাখি এসে তাদের নৌকার কিনারে বসে, তারপর তা সমুদ্রে নিজের ঠোঁট ডুবিয়ে দেয়। খাযির তাঁকে বললেন, এই চড়ুই পাখি সমুদ্রের পানি যতটুকু কমিয়েছে, আমার ও আপনার জ্ঞান আল্লাহ তা‘আলার জ্ঞানভান্ডার হতে ঠিক ততটুকুই কমিয়েছে। সাঈদ ইবনু জুবাইর (রহঃ) বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) পাঠ করতেন : “তাদের সামনে ছিল এক বাদশাহ যে প্রতিটি নিখুঁত নৌকা জোরপূর্বক কেড়ে নিত”। তিনি আরো পাঠ করতেন : “আর বালকটি ছিল কাফির”। সহীহ : বুখারী, মুসলিম।
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، عن سعيد بن جبير، قال قلت لابن عباس إن نوفا البكالي يزعم أن موسى صاحب بني إسرائيل ليس بموسى صاحب الخضر قال كذب عدو الله سمعت أبى بن كعب يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " قام موسى خطيبا في بني إسرائيل فسئل أى الناس أعلم فقال أنا أعلم . فعتب الله عليه إذ لم يرد العلم إليه فأوحى الله إليه أن عبدا من عبادي بمجمع البحرين هو أعلم منك قال موسى أى رب فكيف لي به فقال له احمل حوتا في مكتل فحيث تفقد الحوت فهو ثم فانطلق وانطلق معه فتاه وهو يوشع بن نون ويقال يوسع فحمل موسى حوتا في مكتل فانطلق هو وفتاه يمشيان حتى إذا أتيا الصخرة فرقد موسى وفتاه فاضطرب الحوت في المكتل حتى خرج من المكتل فسقط في البحر قال وأمسك الله عنه جرية الماء حتى كان مثل الطاق وكان للحوت سربا وكان لموسى ولفتاه عجبا فانطلقا بقية يومهما وليلتهما ونسي صاحب موسى أن يخبره فلما أصبح موسى قال لفتاه: (آتنا غداءنا لقد لقينا من سفرنا هذا نصبا ) قال ولم ينصب حتى جاوز المكان الذي أمر به : (قال أرأيت إذ أوينا إلى الصخرة فإني نسيت الحوت وما أنسانيه إلا الشيطان أن أذكره واتخذ سبيله في البحر عجبا ) قال موسى : ( ذلك ما كنا نبغ فارتدا على آثارهما قصصا ) قال فكانا يقصان آثارهما . قال سفيان يزعم ناس أن تلك الصخرة عندها عين الحياة ولا يصيب ماؤها ميتا إلا عاش . قال وكان الحوت قد أكل منه فلما قطر عليه الماء عاش . قال فقصا آثارهما حتى أتيا الصخرة فرأى رجلا مسجى عليه بثوب فسلم عليه موسى فقال أنى بأرضك السلام قال أنا موسى . قال موسى بني إسرائيل قال نعم . قال يا موسى إنك على علم من علم الله علمكه الله لا أعلمه وأنا على علم من علم الله علمنيه لا تعلمه فقال موسى : ( هل أتبعك على أن تعلمني مما علمت رشدا * قال إنك لن تستطيع معي صبرا * وكيف تصبر على ما لم تحط به خبرا * قال ستجدني إن شاء الله صابرا ولا أعصي لك أمرا ) قال له الخضر : (فإن اتبعتني فلا تسألني عن شيء حتى أحدث لك منه ذكرا ) قال نعم فانطلق الخضر وموسى يمشيان على ساحل البحر فمرت بهما سفينة فكلماه أن يحملوهما فعرفوا الخضر فحملوهما بغير نول فعمد الخضر إلى لوح من ألواح السفينة فنزعه فقال له موسى قوم حملونا بغير نول عمدت إلى سفينتهم فخرقتها : ( لتغرق أهلها لقد جئت شيئا إمرا * قال ألم أقل إنك لن تستطيع معي صبرا * قال لا تؤاخذني بما نسيت ولا ترهقني من أمري عسرا ) ثم خرجا من السفينة فبينما هما يمشيان على الساحل وإذا غلام يلعب مع الغلمان فأخذ الخضر برأسه فاقتلعه بيده فقتله فقال له موسى : ( أقتلت نفسا زكية بغير نفس لقد جئت شيئا نكرا * قال ألم أقل لك إنك لن تستطيع معي صبرا ) قال وهذه أشد من الأولى : ( قال إن سألتك عن شيء بعدها فلا تصاحبني قد بلغت من لدني عذرا * فانطلقا حتى إذا أتيا أهل قرية استطعما أهلها فأبوا أن يضيفوهما فوجدا فيها جدارا يريد أن ينقض ) يقول مائل فقال الخضر بيده هكذا : ( فأقامه ) فقال له موسى قوم أتيناهم فلم يضيفونا ولم يطعمونا : ( إن شئت لاتخذت عليه أجرا * قال هذا فراق بيني وبينك سأنبئك بتأويل ما لم تستطع عليه صبرا ) قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يرحم الله موسى لوددنا أنه كان صبر حتى يقص علينا من أخبارهما " . قال وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الأولى كانت من موسى نسيان - قال وجاء عصفور حتى وقع على حرف السفينة ثم نقر في البحر فقال له الخضر ما نقص علمي وعلمك من علم الله إلا مثل ما نقص هذا العصفور من البحر " . قال سعيد بن جبير وكان يعني ابن عباس يقرأ وكان أمامهم ملك يأخذ كل سفينة صالحة غصبا وكان يقرأ وأما الغلام فكان كافرا . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح . ورواه الزهري عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة عن ابن عباس عن أبى بن كعب عن النبي صلى الله عليه وسلم وقد رواه أبو إسحاق الهمداني عن سعيد بن جبير عن ابن عباس عن أبى بن كعب عن النبي صلى الله عليه وسلم . قال أبو عيسى سمعت أبا مزاحم السمرقندي يقول سمعت علي بن المديني يقول حججت حجة وليس لي همة إلا أن أسمع من سفيان يذكر في هذا الحديث الخبر حتى سمعته يقول حدثنا عمرو بن دينار وقد كنت سمعت هذا من سفيان من قبل ذلك ولم يذكر فيه الخبر .