জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আল –মায়িদাহ্

জামে' আত-তিরমিজি ৩০৪৩

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن مسعر، وغيره، عن قيس بن مسلم، عن طارق بن شهاب، قال قال رجل من اليهود لعمر بن الخطاب يا أمير المؤمنين لو علينا أنزلت هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ اليوم أكملت لكم دينكم وأتممت عليكم نعمتي ورضيت لكم الإسلام دينا ‏)‏ لاتخذنا ذلك اليوم عيدا ‏.‏ فقال له عمر بن الخطاب إني أعلم أى يوم أنزلت هذه الآية أنزلت يوم عرفة في يوم جمعة ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏

তারিক্ব ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ইয়াহূদী ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) কে বলল, হে আমীরুল মু’মিনীন! “আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন পূর্ণাঙ্গ করলাম, তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দ্বীন মনোনীত করলাম” – (সূরা আল –মায়িদাহ্‌ : ৩) আয়াতটি যদি আমাদের উপর অবতীর্ণ হত তাহলে আমরা উক্ত দিনকে ঈদের (উৎসবের) দিন হিসেবে নির্দ্ধারণ করতাম। ‘উমার (রাঃ) বললেন, নিশ্চয়ই আমি জানি কোন দিন এ আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে। এটি (বিদায় হাজ্জে) ‘আরাফার দিন শুক্রবারে অবতীর্ণ হয়েছিল। সহীহ : বুখারী (৪৬০৬), মুসলিম।

তারিক্ব ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ইয়াহূদী ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) কে বলল, হে আমীরুল মু’মিনীন! “আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন পূর্ণাঙ্গ করলাম, তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দ্বীন মনোনীত করলাম” – (সূরা আল –মায়িদাহ্‌ : ৩) আয়াতটি যদি আমাদের উপর অবতীর্ণ হত তাহলে আমরা উক্ত দিনকে ঈদের (উৎসবের) দিন হিসেবে নির্দ্ধারণ করতাম। ‘উমার (রাঃ) বললেন, নিশ্চয়ই আমি জানি কোন দিন এ আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে। এটি (বিদায় হাজ্জে) ‘আরাফার দিন শুক্রবারে অবতীর্ণ হয়েছিল। সহীহ : বুখারী (৪৬০৬), মুসলিম।

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن مسعر، وغيره، عن قيس بن مسلم، عن طارق بن شهاب، قال قال رجل من اليهود لعمر بن الخطاب يا أمير المؤمنين لو علينا أنزلت هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ اليوم أكملت لكم دينكم وأتممت عليكم نعمتي ورضيت لكم الإسلام دينا ‏)‏ لاتخذنا ذلك اليوم عيدا ‏.‏ فقال له عمر بن الخطاب إني أعلم أى يوم أنزلت هذه الآية أنزلت يوم عرفة في يوم جمعة ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৪৪

حدثنا عبد بن حميد، أخبرنا يزيد بن هارون، أخبرنا حماد بن سلمة، عن عمار بن أبي عمار، قال قرأ ابن عباس ‏:‏ ‏(‏ اليوم أكملت لكم دينكم وأتممت عليكم نعمتي ورضيت لكم الإسلام دينا ‏)‏ وعنده يهودي فقال لو أنزلت هذه علينا لاتخذنا يومها عيدا ‏.‏ قال ابن عباس فإنها نزلت في يوم عيد في يوم جمعة ويوم عرفة ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب من حديث ابن عباس وهو صحيح ‏.‏

আম্মার ইবনু আবী ‘আম্মার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) নিম্নোক্ত আয়াতটি পাঠ করলেন (অনুবাদ) : “আজ আমি তোমাদের দ্বীনকে তোমাদের জন্য পূর্ণাঙ্গ করলাম, তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দ্বীন মনোনীত করলাম” – (সূরা আল –মায়িদাহ ৩)। তাঁর নিকট এক ইয়াহূদী উপস্থিত ছিল। সে বলল, আমাদের উপর এরূপ একটি আয়াত অবতীর্ণ হলে সেই দিনকে আমরা অবশ্যই ‘ঈদের দিন হিসেবে পালন করতাম। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, এটি তো (আমাদের) ‘ঈদের দিনেই অবতীর্ণ হয়েছে : জুমুআর দিন ও ‘আরাফার দিন। সনদ সহীহ।

আম্মার ইবনু আবী ‘আম্মার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) নিম্নোক্ত আয়াতটি পাঠ করলেন (অনুবাদ) : “আজ আমি তোমাদের দ্বীনকে তোমাদের জন্য পূর্ণাঙ্গ করলাম, তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দ্বীন মনোনীত করলাম” – (সূরা আল –মায়িদাহ ৩)। তাঁর নিকট এক ইয়াহূদী উপস্থিত ছিল। সে বলল, আমাদের উপর এরূপ একটি আয়াত অবতীর্ণ হলে সেই দিনকে আমরা অবশ্যই ‘ঈদের দিন হিসেবে পালন করতাম। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, এটি তো (আমাদের) ‘ঈদের দিনেই অবতীর্ণ হয়েছে : জুমুআর দিন ও ‘আরাফার দিন। সনদ সহীহ।

حدثنا عبد بن حميد، أخبرنا يزيد بن هارون، أخبرنا حماد بن سلمة، عن عمار بن أبي عمار، قال قرأ ابن عباس ‏:‏ ‏(‏ اليوم أكملت لكم دينكم وأتممت عليكم نعمتي ورضيت لكم الإسلام دينا ‏)‏ وعنده يهودي فقال لو أنزلت هذه علينا لاتخذنا يومها عيدا ‏.‏ قال ابن عباس فإنها نزلت في يوم عيد في يوم جمعة ويوم عرفة ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب من حديث ابن عباس وهو صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৪৭

حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، أخبرنا يزيد بن هارون، أخبرنا شريك، عن علي بن بذيمة، عن أبي عبيدة، عن عبد الله بن مسعود، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لما وقعت بنو إسرائيل في المعاصي نهتهم علماؤهم فلم ينتهوا فجالسوهم في مجالسهم وواكلوهم وشاربوهم فضرب الله قلوب بعضهم ببعض ولعنهم على لسان داود وعيسى ابن مريم ذلك بما عصوا وكانوا يعتدون ‏"‏ ‏.‏ قال فجلس رسول الله صلى الله عليه وسلم وكان متكئا فقال ‏"‏ لا والذي نفسي بيده حتى تأطروهم على الحق أطرا ‏"‏ ‏.‏ قال عبد الله بن عبد الرحمن قال يزيد وكان سفيان الثوري لا يقول فيه عن عبد الله ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب وقد روي هذا الحديث عن محمد بن مسلم بن أبي الوضاح عن علي بن بذيمة عن أبي عبيدة عن عبد الله عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه وبعضهم يقول عن أبي عبيدة عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسل ‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বানূ ইসরাঈল গর্হিত কাজে জড়িত হলে তাদের বিজ্ঞ আলিমগণ তাদেরকে বাধা দেন। কিন্তু তারা (পাপাচার থেকে) ক্ষান্ত হয়নি। এতদসত্ত্বেও তাদের আলিমগণ তাদের সাথে তাদের সভা সমিতিতে উঠাবসা ঠিক রাখে এবং তাদের সাথে এক সঙ্গে ভোজসভায় যোগদান করে। ফলে আল্লাহ্ তা’আলা তাদের কারো হৃদয়সমূহ অন্য কারো (পাপীদের) হৃদয়ের সাথে একাকার করে দিলেন এবং দাঊদ (আঃ) ও ঈসা ইবনু মারইয়াম (আঃ)-এর যবানীতে তাদেরকে অভিসম্পাত করলেন। কেননা, তারা বিরুদ্ধাচারী হয়ে গিয়েছিল এবং সীমালংঘন করেছিল। রাবী বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হেলান দিয়ে বসা ছিলেন। তিনি এবার সোজা হয়ে বসলেন এবং বললেনঃ কসম সেই সত্তার যাঁর হাতে আমার জান! ততক্ষণ পর্যন্ত তোমরা মুক্তি পাবে না যতক্ষণ না তোমরা পথভ্রষ্ট লোকদের (শক্তভাবে) বাধা দিচ্ছ। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৪০০৬)

আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বানূ ইসরাঈল গর্হিত কাজে জড়িত হলে তাদের বিজ্ঞ আলিমগণ তাদেরকে বাধা দেন। কিন্তু তারা (পাপাচার থেকে) ক্ষান্ত হয়নি। এতদসত্ত্বেও তাদের আলিমগণ তাদের সাথে তাদের সভা সমিতিতে উঠাবসা ঠিক রাখে এবং তাদের সাথে এক সঙ্গে ভোজসভায় যোগদান করে। ফলে আল্লাহ্ তা’আলা তাদের কারো হৃদয়সমূহ অন্য কারো (পাপীদের) হৃদয়ের সাথে একাকার করে দিলেন এবং দাঊদ (আঃ) ও ঈসা ইবনু মারইয়াম (আঃ)-এর যবানীতে তাদেরকে অভিসম্পাত করলেন। কেননা, তারা বিরুদ্ধাচারী হয়ে গিয়েছিল এবং সীমালংঘন করেছিল। রাবী বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হেলান দিয়ে বসা ছিলেন। তিনি এবার সোজা হয়ে বসলেন এবং বললেনঃ কসম সেই সত্তার যাঁর হাতে আমার জান! ততক্ষণ পর্যন্ত তোমরা মুক্তি পাবে না যতক্ষণ না তোমরা পথভ্রষ্ট লোকদের (শক্তভাবে) বাধা দিচ্ছ। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৪০০৬)

حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، أخبرنا يزيد بن هارون، أخبرنا شريك، عن علي بن بذيمة، عن أبي عبيدة، عن عبد الله بن مسعود، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لما وقعت بنو إسرائيل في المعاصي نهتهم علماؤهم فلم ينتهوا فجالسوهم في مجالسهم وواكلوهم وشاربوهم فضرب الله قلوب بعضهم ببعض ولعنهم على لسان داود وعيسى ابن مريم ذلك بما عصوا وكانوا يعتدون ‏"‏ ‏.‏ قال فجلس رسول الله صلى الله عليه وسلم وكان متكئا فقال ‏"‏ لا والذي نفسي بيده حتى تأطروهم على الحق أطرا ‏"‏ ‏.‏ قال عبد الله بن عبد الرحمن قال يزيد وكان سفيان الثوري لا يقول فيه عن عبد الله ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب وقد روي هذا الحديث عن محمد بن مسلم بن أبي الوضاح عن علي بن بذيمة عن أبي عبيدة عن عبد الله عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه وبعضهم يقول عن أبي عبيدة عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسل ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৪৮

حدثنا بندار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، عن علي بن بذيمة، عن أبي عبيدة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن بني إسرائيل لما وقع فيهم النقص كان الرجل فيهم يرى أخاه على الذنب فينهاه عنه فإذا كان الغد لم يمنعه ما رأى منه أن يكون أكيله وشريبه وخليطه فضرب الله قلوب بعضهم ببعض ونزل فيهم القرآن فقال ‏:‏ ‏(‏ لعن الذين كفروا من بني إسرائيل على لسان داود وعيسى ابن مريم ذلك بما عصوا وكانوا يعتدون ‏)‏ ‏"‏ ‏.‏ فقرأ حتى بلغ ‏:‏ ‏(‏ولو كانوا يؤمنون بالله والنبي وما أنزل إليه ما اتخذوهم أولياء ولكن كثيرا منهم فاسقون ‏)‏ قال وكان نبي الله صلى الله عليه وسلم متكئا فجلس فقال ‏"‏ لا حتى تأخذوا على يدى الظالم فتأطروه على الحق أطرا ‏"‏ ‏.‏

আবূ উবাইদা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বানী ইসরাঈলের মধ্যে যখন দোষ পদ-স্খলন ছড়িয়ে পড়তে লাগলো তখন তাদের একজন অন্যজনকে পাপে নিমজ্জিত দেখলে তাকে তা থেকে নিষেধ করত। কিন্তু সে তাকে যা করতে দেখেছে তা পরদিন তাকে তার সাথে পানাহার ও এক সাথে মাজলিসে উঠাবাসা হতে নিবৃত্ত রাখল না। অবশেষে আল্লাহ্ তা’আলা তাদের হৃদয়সমূহকে পরস্পর একাকার করে দিলেন। তাদের প্রসঙ্গেই কুরআন অবতীর্ণ হয়। তিনি পাঠ করেনঃ “বানী ইসরাঈলের মধ্যে যেসব লোক কুফরী করেছিল তাদের প্রতি দাঊদ ও মারইয়ামের পুত্র ঈসার যবানে অভিশাপ করা হয়েছে। কেননা, তারা ছিল অবাধ্য ও সীমালংঘনকারী”। তিনি তিলাওয়াত করতে করতে “তারা আল্লাহ্ তা’আলাতে, নবীতে ও তার উপর যা অবতীর্ণ হয়েছে তাতে ঈমান আনলে ওদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করত না, কিন্তু তাদের অনেকেই ফাসিক” (সূরাঃ আল-মায়িদাহ- ৭৯-৮১) পর্যন্ত পৌঁছলেন। রাবী বলেন, আল্লাহ্ তা’আলার নবী হেলান দেয়া অবস্থায় ছিলেন। তিনি সোজা হয়ে বসে বলেনঃ না, তোমরা যালিমের হাত ধরে তাকে সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত না করা পর্যন্ত রক্ষা পাবে না। যঈফ, দেখুন পূর্বের হাদীস।

আবূ উবাইদা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বানী ইসরাঈলের মধ্যে যখন দোষ পদ-স্খলন ছড়িয়ে পড়তে লাগলো তখন তাদের একজন অন্যজনকে পাপে নিমজ্জিত দেখলে তাকে তা থেকে নিষেধ করত। কিন্তু সে তাকে যা করতে দেখেছে তা পরদিন তাকে তার সাথে পানাহার ও এক সাথে মাজলিসে উঠাবাসা হতে নিবৃত্ত রাখল না। অবশেষে আল্লাহ্ তা’আলা তাদের হৃদয়সমূহকে পরস্পর একাকার করে দিলেন। তাদের প্রসঙ্গেই কুরআন অবতীর্ণ হয়। তিনি পাঠ করেনঃ “বানী ইসরাঈলের মধ্যে যেসব লোক কুফরী করেছিল তাদের প্রতি দাঊদ ও মারইয়ামের পুত্র ঈসার যবানে অভিশাপ করা হয়েছে। কেননা, তারা ছিল অবাধ্য ও সীমালংঘনকারী”। তিনি তিলাওয়াত করতে করতে “তারা আল্লাহ্ তা’আলাতে, নবীতে ও তার উপর যা অবতীর্ণ হয়েছে তাতে ঈমান আনলে ওদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করত না, কিন্তু তাদের অনেকেই ফাসিক” (সূরাঃ আল-মায়িদাহ- ৭৯-৮১) পর্যন্ত পৌঁছলেন। রাবী বলেন, আল্লাহ্ তা’আলার নবী হেলান দেয়া অবস্থায় ছিলেন। তিনি সোজা হয়ে বসে বলেনঃ না, তোমরা যালিমের হাত ধরে তাকে সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত না করা পর্যন্ত রক্ষা পাবে না। যঈফ, দেখুন পূর্বের হাদীস।

حدثنا بندار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، عن علي بن بذيمة، عن أبي عبيدة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن بني إسرائيل لما وقع فيهم النقص كان الرجل فيهم يرى أخاه على الذنب فينهاه عنه فإذا كان الغد لم يمنعه ما رأى منه أن يكون أكيله وشريبه وخليطه فضرب الله قلوب بعضهم ببعض ونزل فيهم القرآن فقال ‏:‏ ‏(‏ لعن الذين كفروا من بني إسرائيل على لسان داود وعيسى ابن مريم ذلك بما عصوا وكانوا يعتدون ‏)‏ ‏"‏ ‏.‏ فقرأ حتى بلغ ‏:‏ ‏(‏ولو كانوا يؤمنون بالله والنبي وما أنزل إليه ما اتخذوهم أولياء ولكن كثيرا منهم فاسقون ‏)‏ قال وكان نبي الله صلى الله عليه وسلم متكئا فجلس فقال ‏"‏ لا حتى تأخذوا على يدى الظالم فتأطروه على الحق أطرا ‏"‏ ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৪৬

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا الحارث بن عبيد، عن سعيد الجريري، عن عبد الله بن شقيق، عن عائشة، قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يحرس حتى نزلت هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ والله يعصمك من الناس ‏)‏ فأخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم رأسه من القبة فقال لهم ‏"‏ يا أيها الناس انصرفوا فقد عصمني الله ‏"‏ ‏.‏

আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে (নিরাপত্তামূলক) পাহারা দেয়া হত। তারপর আয়াত অবতীর্ণ হল (অনুবাদ) : “আল্লাহ তা’আলা তোমাকে মানুষ হতে তাঁর রক্ষা করবেন” – (সূরা আল –মায়িদাহ ৬৭)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের ঘর হতে মাথা বের করে পাহারাদারগণকে বললেন, হে লোকজন! তোমরা (আমার পাহারা হতে) চলে যাও। কারণ আল্লাহ তা’আলাই আমার হিফাজাতের দায়িত্ব নিয়েছেন।

আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে (নিরাপত্তামূলক) পাহারা দেয়া হত। তারপর আয়াত অবতীর্ণ হল (অনুবাদ) : “আল্লাহ তা’আলা তোমাকে মানুষ হতে তাঁর রক্ষা করবেন” – (সূরা আল –মায়িদাহ ৬৭)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের ঘর হতে মাথা বের করে পাহারাদারগণকে বললেন, হে লোকজন! তোমরা (আমার পাহারা হতে) চলে যাও। কারণ আল্লাহ তা’আলাই আমার হিফাজাতের দায়িত্ব নিয়েছেন।

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا الحارث بن عبيد، عن سعيد الجريري، عن عبد الله بن شقيق، عن عائشة، قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يحرس حتى نزلت هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ والله يعصمك من الناس ‏)‏ فأخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم رأسه من القبة فقال لهم ‏"‏ يا أيها الناس انصرفوا فقد عصمني الله ‏"‏ ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৪৫

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا محمد بن إسحاق، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يمين الرحمن ملأى سحاء لا يغيضها الليل والنهار قال أرأيتم ما أنفق منذ خلق السموات والأرض فإنه لم يغض ما في يمينه وعرشه على الماء وبيده الأخرى الميزان يرفع ويخفض ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وهذا الحديث في تفسير هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ وقالت اليهود يد الله مغلولة غلت أيديهم ولعنوا بما قالوا بل يداه مبسوطتان ينفق كيف يشاء ‏)‏ وهذا حديث قد روته الأئمة نؤمن به كما جاء من غير أن يفسر أو يتوهم هكذا قال غير واحد من الأئمة منهم الثوري ومالك بن أنس وابن عيينة وابن المبارك إنه تروى هذه الأشياء ويؤمن بها ولا يقال كيف ‏.

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দয়াময় আল্লাহ তা’আলা ডান হাত পূর্ণ। সর্বদা তা অনুগ্রহ ঢালছে। রাত দিনের অবিরাম দান তাতে কখনো কমতি ঘটাতে পারে না। তিনি আরো বলেন, তোমরা লক্ষ্য করেছ কি যেদিন থেকে তিনি আসমান-যামীন সৃষ্টি করেছেন সেদিন হতে কত না দান করে আসছেন, অথচ তাঁর ডান হাতে যা আছে তাতে কিছুই কমতি হয়নি। (সৃষ্টির পূর্বে) তাঁর আরশ ছিল পানির উপর। তাঁর অপর হাতে রয়েছে মীযান (দাড়ি-পাল্লা)। তিনি তা নীচু করেন ও উত্তোলন করেন (সৃষ্টির রিযিক নির্ধারণ করেন)। সহীহ : ইবনু মাজাহ (১৯৭)।

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দয়াময় আল্লাহ তা’আলা ডান হাত পূর্ণ। সর্বদা তা অনুগ্রহ ঢালছে। রাত দিনের অবিরাম দান তাতে কখনো কমতি ঘটাতে পারে না। তিনি আরো বলেন, তোমরা লক্ষ্য করেছ কি যেদিন থেকে তিনি আসমান-যামীন সৃষ্টি করেছেন সেদিন হতে কত না দান করে আসছেন, অথচ তাঁর ডান হাতে যা আছে তাতে কিছুই কমতি হয়নি। (সৃষ্টির পূর্বে) তাঁর আরশ ছিল পানির উপর। তাঁর অপর হাতে রয়েছে মীযান (দাড়ি-পাল্লা)। তিনি তা নীচু করেন ও উত্তোলন করেন (সৃষ্টির রিযিক নির্ধারণ করেন)। সহীহ : ইবনু মাজাহ (১৯৭)।

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا محمد بن إسحاق، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يمين الرحمن ملأى سحاء لا يغيضها الليل والنهار قال أرأيتم ما أنفق منذ خلق السموات والأرض فإنه لم يغض ما في يمينه وعرشه على الماء وبيده الأخرى الميزان يرفع ويخفض ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وهذا الحديث في تفسير هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ وقالت اليهود يد الله مغلولة غلت أيديهم ولعنوا بما قالوا بل يداه مبسوطتان ينفق كيف يشاء ‏)‏ وهذا حديث قد روته الأئمة نؤمن به كما جاء من غير أن يفسر أو يتوهم هكذا قال غير واحد من الأئمة منهم الثوري ومالك بن أنس وابن عيينة وابن المبارك إنه تروى هذه الأشياء ويؤمن بها ولا يقال كيف ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৫০

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبيد الله بن موسى، عن إسرائيل، عن أبي إسحاق، عن البراء، قال مات رجال من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم قبل أن تحرم الخمر فلما حرمت الخمر قال رجال كيف بأصحابنا وقد ماتوا يشربون الخمر فنزلت ‏:‏ ‏(‏ ليس على الذين آمنوا وعملوا الصالحات جناح فيما طعموا إذا ما اتقوا وآمنوا وعملوا الصالحات ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏

আল–বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, শরাব হারাম হওয়ার পূর্বেই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবীদের বেশ কয়েকজন মারা যান। শরাব হারাম হওয়ার পর লোকেরা বলাবলি করতে লাগল, আমাদের ঐ সকল সাথীদের কি হবে, যারা শরাব পানে অভ্যস্ত থাকা অবস্থায় মারা গেছেন! তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “যারা ঈমান এনেছে ও নেক কাজ করেছে, তারা পূর্বে যা ভক্ষণ করেছে সেজন্য তাদের কোনরূপ গুনাহ নেই, যদি তারা সাবধান হয় এবং ঈমান আনে ও উত্তম কাজ করে, সাবধান হয় ও ঈমান আনে, আবার সাবধান হয় ও সৎকর্ম করে এবং আল্লাহ তা’আলা সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন” – (সূরা আল –মায়িদাহ ৯৩)। পরবর্তী হাদীসের সহায়তায় সহীহ।

আল–বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, শরাব হারাম হওয়ার পূর্বেই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবীদের বেশ কয়েকজন মারা যান। শরাব হারাম হওয়ার পর লোকেরা বলাবলি করতে লাগল, আমাদের ঐ সকল সাথীদের কি হবে, যারা শরাব পানে অভ্যস্ত থাকা অবস্থায় মারা গেছেন! তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “যারা ঈমান এনেছে ও নেক কাজ করেছে, তারা পূর্বে যা ভক্ষণ করেছে সেজন্য তাদের কোনরূপ গুনাহ নেই, যদি তারা সাবধান হয় এবং ঈমান আনে ও উত্তম কাজ করে, সাবধান হয় ও ঈমান আনে, আবার সাবধান হয় ও সৎকর্ম করে এবং আল্লাহ তা’আলা সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন” – (সূরা আল –মায়িদাহ ৯৩)। পরবর্তী হাদীসের সহায়তায় সহীহ।

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبيد الله بن موسى، عن إسرائيل، عن أبي إسحاق، عن البراء، قال مات رجال من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم قبل أن تحرم الخمر فلما حرمت الخمر قال رجال كيف بأصحابنا وقد ماتوا يشربون الخمر فنزلت ‏:‏ ‏(‏ ليس على الذين آمنوا وعملوا الصالحات جناح فيما طعموا إذا ما اتقوا وآمنوا وعملوا الصالحات ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৫১

وقد رواه شعبة عن أبي إسحاق، عن البراء، أيضا حدثنا بذلك، محمد بن بشار بندار حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، بهذا قال قال البراء بن عازب مات ناس من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وهم يشربون الخمر فلما نزل تحريمها قال ناس من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فكيف بأصحابنا الذين ماتوا وهم يشربونها فنزلت ‏:‏ ‏(‏ ليس على الذين آمنوا وعملوا الصالحات ‏)‏ الآية ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏

আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল –বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বেশ কিছু সাহাবী শরাব নিষিদ্ধ হওয়ার পূর্বে মদ্যপানে অভ্যস্ত অবস্থায় মারা যান। শরাব হারাম হওয়া সম্পর্কিত আয়াত অবতীর্ণ হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথীদের কেউ কেউ বলেন, আমাদের ঐসব সাথীদের কি হবে, যারা শরাব পানে অভ্যস্ত থাকাকালে মারা গেছেন! তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “যারা ঈমান এনেছে ও নেক কাজ করেছে তারা পূর্বে যা ভক্ষণ করেছে, সেজন্য তাদের কোন গুনাহ নেই…..” – (সূরা আল –মায়িদাহ ৯৩)।

আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল –বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বেশ কিছু সাহাবী শরাব নিষিদ্ধ হওয়ার পূর্বে মদ্যপানে অভ্যস্ত অবস্থায় মারা যান। শরাব হারাম হওয়া সম্পর্কিত আয়াত অবতীর্ণ হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথীদের কেউ কেউ বলেন, আমাদের ঐসব সাথীদের কি হবে, যারা শরাব পানে অভ্যস্ত থাকাকালে মারা গেছেন! তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “যারা ঈমান এনেছে ও নেক কাজ করেছে তারা পূর্বে যা ভক্ষণ করেছে, সেজন্য তাদের কোন গুনাহ নেই…..” – (সূরা আল –মায়িদাহ ৯৩)।

وقد رواه شعبة عن أبي إسحاق، عن البراء، أيضا حدثنا بذلك، محمد بن بشار بندار حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، بهذا قال قال البراء بن عازب مات ناس من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وهم يشربون الخمر فلما نزل تحريمها قال ناس من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فكيف بأصحابنا الذين ماتوا وهم يشربونها فنزلت ‏:‏ ‏(‏ ليس على الذين آمنوا وعملوا الصالحات ‏)‏ الآية ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৪৯

حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، أخبرنا محمد بن يوسف، أخبرنا إسرائيل، حدثنا أبو إسحاق، عن عمر بن شرحبيل أبي ميسرة، عن عمر بن الخطاب، أنه قال اللهم بين لنا في الخمر بيان شفاء فنزلت التي في البقرة ‏:‏ ‏(‏ يسألونك عن الخمر والميسر ‏)‏ الآية فدعي عمر فقرئت عليه فقال اللهم بين لنا في الخمر بيان شفاء فنزلت التي في النساءأيها الذين آمنوا لا تقربوا الصلاة وأنتم سكارى ‏)‏ فدعي عمر فقرئت عليه فقال اللهم بين لنا في الخمر بيان شفاء فنزلت التي في المائدة ‏:‏ ‏(‏ إنما يريد الشيطان أن يوقع بينكم العداوة والبغضاء في الخمر والميسر ‏)‏ إلى قولهل أنتم منتهون ‏)‏ فدعي عمر فقرئت عليه فقال انتهينا انتهينا ‏.‏ قال أبو عيسى وقد روي عن إسرائيل هذا الحديث مرسل ‏.‏

উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হে আল্লাহ! শরাবের ব্যাপারে আমাদের জন্য পরিপূর্ণ ও সুষ্পষ্ট বর্ণনা দিন। এ প্রসঙ্গেই সূরা আল –বাক্বারার নিম্নোক্ত আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “লোকে তোমাকে মদ ও জুয়া প্রসঙ্গে প্রশ্ন করে। বল, উভয়ের মধ্যে আছে মহাপাপ এবং মানুষের জন্য উপকারও। কিন্তু এগুলোর পাপ এগুলোর উপকার অপেক্ষা বেশী” (সূরা আল –বাক্বারাহ ২১৯)। ‘উমার (রাঃ) কে ডেকে এনে তাকে উক্ত আয়াত তিলাওয়াত করে শুনানো হল। তিনি বললেন, হে আল্লাহ! শরাবের ব্যাপারে আমাদের আরও সুস্পষ্ট ও পূর্ণাঙ্গ বিবরণ দিন। তখন সূরা আন –নিসার নিম্নোক্ত আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “হে ঈমানদারগণ! তোমরা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় নামাযের নিকটেও যেও না, যতক্ষণ না তোমরা যা বল তা বুঝতে পার” – (সূরা আন –নিসা ৪৩)। ‘উমার (রাঃ) কে ডেকে এনে তাকে উক্ত আয়াত পাঠ করে শুনানো হল। ‘উমার (রাঃ) আবারো বললেন, হে আল্লাহ! শরাবের ব্যাপারে আমাদের সুস্পষ্ট ও পূর্ণ বিবরণ দিন। তারপর সূরা আল –মাইদার এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “শাইতান তো শরাব ও জুয়ার মাধ্যমে তোমাদের মধ্যে শত্রুতা ও বিদ্বেষ ঘটাতে চায় এবং তোমাদেরকে আল্লাহ তা’আলার স্মরণে ও নামাযে বাধা দিতে চায়। তবে কি তোমরা নিবৃত্ত হবে না?” (সূরা আল –মায়িদাহ ৯১) উমার (রাঃ) কে ডেকে এনে তাকে এ আয়াত পাঠ করে শুনানো হল। তিনি বললেন, আমরা নিবৃত হলাম, আমরা নিবৃত হলাম। সহীহ : সহীহাহ (২৩৪৮) ।

উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হে আল্লাহ! শরাবের ব্যাপারে আমাদের জন্য পরিপূর্ণ ও সুষ্পষ্ট বর্ণনা দিন। এ প্রসঙ্গেই সূরা আল –বাক্বারার নিম্নোক্ত আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “লোকে তোমাকে মদ ও জুয়া প্রসঙ্গে প্রশ্ন করে। বল, উভয়ের মধ্যে আছে মহাপাপ এবং মানুষের জন্য উপকারও। কিন্তু এগুলোর পাপ এগুলোর উপকার অপেক্ষা বেশী” (সূরা আল –বাক্বারাহ ২১৯)। ‘উমার (রাঃ) কে ডেকে এনে তাকে উক্ত আয়াত তিলাওয়াত করে শুনানো হল। তিনি বললেন, হে আল্লাহ! শরাবের ব্যাপারে আমাদের আরও সুস্পষ্ট ও পূর্ণাঙ্গ বিবরণ দিন। তখন সূরা আন –নিসার নিম্নোক্ত আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “হে ঈমানদারগণ! তোমরা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় নামাযের নিকটেও যেও না, যতক্ষণ না তোমরা যা বল তা বুঝতে পার” – (সূরা আন –নিসা ৪৩)। ‘উমার (রাঃ) কে ডেকে এনে তাকে উক্ত আয়াত পাঠ করে শুনানো হল। ‘উমার (রাঃ) আবারো বললেন, হে আল্লাহ! শরাবের ব্যাপারে আমাদের সুস্পষ্ট ও পূর্ণ বিবরণ দিন। তারপর সূরা আল –মাইদার এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “শাইতান তো শরাব ও জুয়ার মাধ্যমে তোমাদের মধ্যে শত্রুতা ও বিদ্বেষ ঘটাতে চায় এবং তোমাদেরকে আল্লাহ তা’আলার স্মরণে ও নামাযে বাধা দিতে চায়। তবে কি তোমরা নিবৃত্ত হবে না?” (সূরা আল –মায়িদাহ ৯১) উমার (রাঃ) কে ডেকে এনে তাকে এ আয়াত পাঠ করে শুনানো হল। তিনি বললেন, আমরা নিবৃত হলাম, আমরা নিবৃত হলাম। সহীহ : সহীহাহ (২৩৪৮) ।

حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، أخبرنا محمد بن يوسف، أخبرنا إسرائيل، حدثنا أبو إسحاق، عن عمر بن شرحبيل أبي ميسرة، عن عمر بن الخطاب، أنه قال اللهم بين لنا في الخمر بيان شفاء فنزلت التي في البقرة ‏:‏ ‏(‏ يسألونك عن الخمر والميسر ‏)‏ الآية فدعي عمر فقرئت عليه فقال اللهم بين لنا في الخمر بيان شفاء فنزلت التي في النساءأيها الذين آمنوا لا تقربوا الصلاة وأنتم سكارى ‏)‏ فدعي عمر فقرئت عليه فقال اللهم بين لنا في الخمر بيان شفاء فنزلت التي في المائدة ‏:‏ ‏(‏ إنما يريد الشيطان أن يوقع بينكم العداوة والبغضاء في الخمر والميسر ‏)‏ إلى قولهل أنتم منتهون ‏)‏ فدعي عمر فقرئت عليه فقال انتهينا انتهينا ‏.‏ قال أبو عيسى وقد روي عن إسرائيل هذا الحديث مرسل ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৫২

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد العزيز بن أبي رزمة، عن إسرائيل، عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قالوا يا رسول الله أرأيت الذين ماتوا وهم يشربون الخمر لما نزل تحريم الخمر فنزلت ‏:‏ ‏(‏ ليس على الذين آمنوا وعملوا الصالحات جناح فيما طعموا إذا ما اتقوا وآمنوا وعملوا الصالحات ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মদ্যপান হারাম হওয়ার পর লোকেরা বলল, হে আল্লাহর রাসূল “মদ্যপান হারাম হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত যারা শরাবপানে অভ্যস্ত থাকাকালে মারা গেছে তাদের সম্পর্কে আপনার অভিমত কি? তখন নিম্নোক্ত আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “যারা ঈমান এনেছে ও নেক কাজ করেছে তারা পূর্বে যা ভক্ষণ করেছে সেজন্য তাদের কোনরূপ গুনাহ নেই, যদি তারা সাবধান হয় এবং ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে” – (সূরা আল –মায়িদাহ ৯৩)। পূর্বের হাদীসের সহায়তায় সহীহ।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মদ্যপান হারাম হওয়ার পর লোকেরা বলল, হে আল্লাহর রাসূল “মদ্যপান হারাম হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত যারা শরাবপানে অভ্যস্ত থাকাকালে মারা গেছে তাদের সম্পর্কে আপনার অভিমত কি? তখন নিম্নোক্ত আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “যারা ঈমান এনেছে ও নেক কাজ করেছে তারা পূর্বে যা ভক্ষণ করেছে সেজন্য তাদের কোনরূপ গুনাহ নেই, যদি তারা সাবধান হয় এবং ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে” – (সূরা আল –মায়িদাহ ৯৩)। পূর্বের হাদীসের সহায়তায় সহীহ।

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد العزيز بن أبي رزمة، عن إسرائيل، عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قالوا يا رسول الله أرأيت الذين ماتوا وهم يشربون الخمر لما نزل تحريم الخمر فنزلت ‏:‏ ‏(‏ ليس على الذين آمنوا وعملوا الصالحات جناح فيما طعموا إذا ما اتقوا وآمنوا وعملوا الصالحات ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৫৪

حدثنا عمرو بن علي أبو حفص الفلاس، حدثنا أبو عاصم، حدثنا عثمان بن سعد، حدثنا عكرمة، عن ابن عباس، أن رجلا، أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إني إذا أصبت اللحم انتشرت للنساء وأخذتني شهوتي فحرمت على اللحم ‏.‏ فأنزل الله ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا لا تحرموا طيبات ما أحل الله لكم ولا تعتدوا إن الله لا يحب المعتدين وكلوا مما رزقكم الله حلالا طيبا ‏)‏ قال هذا حديث حسن غريب ‏.‏ ورواه بعضهم عن عثمان بن سعد مرسلا ليس فيه عن ابن عباس ورواه خالد الحذاء عن عكرمة مرسلا ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহ রাসূল! আমি গোশ্‌ত খেলে স্ত্রীসহবাসের জন্য অস্থির হয়ে পড়ি এবং যৌনাবেগ আমাকে ব্যাকুল করে তোলে। তাই আমি নিজের জন্য গোশত খাওয়া হারাম করে নিয়েছি। এ প্রসঙ্গেই আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন (অনুবাদ) : “হে ঈমানদারগণ! আল্লাহ তা’আলা তোমাদের জন্য উৎকৃষ্ট ও পবিত্র যেসব বস্তু হালাল করেছেন, তোমরা সেগুলোকে হারাম করে নিও না এবং সীমালঙ্ঘন করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা সীমালঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না। আল্লাহ তা’আলা তোমাদেরকে যা কিছু হালাল ও উৎকৃষ্ট রিযিক দান করেছেন তোমরা তা হতে খাও এবং আল্লাহ তা’আলাকে ভয় কর, যার প্রতি তোমরা ঈমান এনেছ” – (সূরা আল –মায়িদাহ্‌ ৮৭, ৮৮)।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহ রাসূল! আমি গোশ্‌ত খেলে স্ত্রীসহবাসের জন্য অস্থির হয়ে পড়ি এবং যৌনাবেগ আমাকে ব্যাকুল করে তোলে। তাই আমি নিজের জন্য গোশত খাওয়া হারাম করে নিয়েছি। এ প্রসঙ্গেই আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন (অনুবাদ) : “হে ঈমানদারগণ! আল্লাহ তা’আলা তোমাদের জন্য উৎকৃষ্ট ও পবিত্র যেসব বস্তু হালাল করেছেন, তোমরা সেগুলোকে হারাম করে নিও না এবং সীমালঙ্ঘন করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা সীমালঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না। আল্লাহ তা’আলা তোমাদেরকে যা কিছু হালাল ও উৎকৃষ্ট রিযিক দান করেছেন তোমরা তা হতে খাও এবং আল্লাহ তা’আলাকে ভয় কর, যার প্রতি তোমরা ঈমান এনেছ” – (সূরা আল –মায়িদাহ্‌ ৮৭, ৮৮)।

حدثنا عمرو بن علي أبو حفص الفلاس، حدثنا أبو عاصم، حدثنا عثمان بن سعد، حدثنا عكرمة، عن ابن عباس، أن رجلا، أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إني إذا أصبت اللحم انتشرت للنساء وأخذتني شهوتي فحرمت على اللحم ‏.‏ فأنزل الله ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا لا تحرموا طيبات ما أحل الله لكم ولا تعتدوا إن الله لا يحب المعتدين وكلوا مما رزقكم الله حلالا طيبا ‏)‏ قال هذا حديث حسن غريب ‏.‏ ورواه بعضهم عن عثمان بن سعد مرسلا ليس فيه عن ابن عباس ورواه خالد الحذاء عن عكرمة مرسلا ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৫৫

حدثنا أبو سعيد الأشج، حدثنا منصور بن وردان، عن علي بن عبد الأعلى، عن أبيه، عن أبي البختري، عن علي، قال لما نزلت ‏:‏ ‏(‏ ولله على الناس حج البيت من استطاع إليه سبيلا ‏)‏ قالوا يا رسول الله في كل عام فسكت قالوا يا رسول الله في كل عام قال ‏"‏ لا ولو قلت نعم لوجبت ‏"‏ ‏.‏ فأنزل الله ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا لا تسألوا عن أشياء إن تبد لكم تسؤكم ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب من حديث علي ‏.‏ وفي الباب عن أبي هريرة وابن عباس ‏.‏

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, “লোকদের মধ্যে যার সেখানে যাওয়ার ক্ষমতা আছে, আল্লাহ্ তা’আলার উদ্দেশ্যে ঐ ঘরের হাজ্জ করা তার অবশ্য কর্তব্য” (সূরাঃ আলে-ইমরান- ৯৭), এই আয়াত অবতীর্ণ হলে সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! প্রতি বছর (কি হাজ্জ করতে হবে)? তিনি নিরব থাকলেন। তারা আবার বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! প্রতি বছর কি? তিনি বললেন, না। তবে আমি যদি হ্যাঁ বলতাম, তাহলে তাই ওয়াজিব হত। তখন পরাক্রমশালী আল্লাহ্ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “হে ঈমানদারগণ! তোমরা এমন কোন বিষয়ে প্রশ্ন করো না, যা তোমাদের জন্য প্রকাশ করা হলে তোমাদের মন্দ লাগবে” (সূরাঃ আল-মায়িদাহ- ১০১)। যঈফ, পূর্বেও (৮১১) নং হাদীসে বর্ণিত হয়েছে।

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, “লোকদের মধ্যে যার সেখানে যাওয়ার ক্ষমতা আছে, আল্লাহ্ তা’আলার উদ্দেশ্যে ঐ ঘরের হাজ্জ করা তার অবশ্য কর্তব্য” (সূরাঃ আলে-ইমরান- ৯৭), এই আয়াত অবতীর্ণ হলে সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! প্রতি বছর (কি হাজ্জ করতে হবে)? তিনি নিরব থাকলেন। তারা আবার বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! প্রতি বছর কি? তিনি বললেন, না। তবে আমি যদি হ্যাঁ বলতাম, তাহলে তাই ওয়াজিব হত। তখন পরাক্রমশালী আল্লাহ্ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “হে ঈমানদারগণ! তোমরা এমন কোন বিষয়ে প্রশ্ন করো না, যা তোমাদের জন্য প্রকাশ করা হলে তোমাদের মন্দ লাগবে” (সূরাঃ আল-মায়িদাহ- ১০১)। যঈফ, পূর্বেও (৮১১) নং হাদীসে বর্ণিত হয়েছে।

حدثنا أبو سعيد الأشج، حدثنا منصور بن وردان، عن علي بن عبد الأعلى، عن أبيه، عن أبي البختري، عن علي، قال لما نزلت ‏:‏ ‏(‏ ولله على الناس حج البيت من استطاع إليه سبيلا ‏)‏ قالوا يا رسول الله في كل عام فسكت قالوا يا رسول الله في كل عام قال ‏"‏ لا ولو قلت نعم لوجبت ‏"‏ ‏.‏ فأنزل الله ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا لا تسألوا عن أشياء إن تبد لكم تسؤكم ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب من حديث علي ‏.‏ وفي الباب عن أبي هريرة وابن عباس ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৫৬

حدثنا محمد بن معمر أبو عبد الله البصري، حدثنا روح بن عبادة، حدثنا شعبة، أخبرني موسى بن أنس، قال سمعت أنس بن مالك، يقول قال رجل يا رسول الله من أبي قال ‏"‏ أبوك فلان ‏"‏ ‏.‏ فنزلت ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا لا تسألوا عن أشياء إن تبد لكم تسؤكم ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার বাবা কে? তিনি বললেনঃ তোমার বাবা অমুক। তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “হে ঈমানদারগণ! তোমরা এমন কোন বিষয়ে প্রশ্ন করো না, যা তোমাদের নিকট প্রকাশিত হলে তা তোমাদের কষ্ট দিবে” – (সূরা আল –মায়িদাহ ১০১)। সহীহ : বুখারী (২৬২১), মুসলিম।

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার বাবা কে? তিনি বললেনঃ তোমার বাবা অমুক। তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “হে ঈমানদারগণ! তোমরা এমন কোন বিষয়ে প্রশ্ন করো না, যা তোমাদের নিকট প্রকাশিত হলে তা তোমাদের কষ্ট দিবে” – (সূরা আল –মায়িদাহ ১০১)। সহীহ : বুখারী (২৬২১), মুসলিম।

حدثنا محمد بن معمر أبو عبد الله البصري، حدثنا روح بن عبادة، حدثنا شعبة، أخبرني موسى بن أنس، قال سمعت أنس بن مالك، يقول قال رجل يا رسول الله من أبي قال ‏"‏ أبوك فلان ‏"‏ ‏.‏ فنزلت ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا لا تسألوا عن أشياء إن تبد لكم تسؤكم ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৫৭

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا يزيد بن هارون، حدثنا إسماعيل بن أبي خالد، عن قيس بن أبي حازم، عن أبي بكر الصديق، أنه قال يا أيها الناس إنكم تقرءون هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا عليكم أنفسكم لا يضركم من ضل إذا اهتديتم ‏)‏ وإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ إن الناس إذا رأوا ظالما فلم يأخذوا على يديه أوشك أن يعمهم الله بعقاب منه ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وقد رواه غير واحد عن إسماعيل بن أبي خالد نحو هذا الحديث مرفوعا وروى بعضهم عن إسماعيل عن قيس عن أبي بكر قوله ولم يرفعوه ‏.

আবু বাক্‌র সিদ্দীক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হে লোকসকল! তোমরা এ আয়াত পাঠ করে থাক (অনুবাদ) : “হে ইমানদারগণ! তোমাদের দায়িত্ব তোমাদেরই উপর। তোমরা যদি সৎপথে পরিচালিত হও তবে যে পথভ্রষ্ট হয়েছে সে তোমাদের কোন ক্ষতি করতে পারবে না’’ (সূরা আল-মায়িদাহ্‌ ১০৫)। অথচ আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি : মানুষ কোন যালিমকে যুলুম ও অত্যাচার করতে দেখেও তার হাত ধরে তাকে নিবৃত্ত না করলে অচিরেই আলাহ তা’আলা তাদেরকে ব্যপকভাবে শাস্তি দিবেন।

আবু বাক্‌র সিদ্দীক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হে লোকসকল! তোমরা এ আয়াত পাঠ করে থাক (অনুবাদ) : “হে ইমানদারগণ! তোমাদের দায়িত্ব তোমাদেরই উপর। তোমরা যদি সৎপথে পরিচালিত হও তবে যে পথভ্রষ্ট হয়েছে সে তোমাদের কোন ক্ষতি করতে পারবে না’’ (সূরা আল-মায়িদাহ্‌ ১০৫)। অথচ আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি : মানুষ কোন যালিমকে যুলুম ও অত্যাচার করতে দেখেও তার হাত ধরে তাকে নিবৃত্ত না করলে অচিরেই আলাহ তা’আলা তাদেরকে ব্যপকভাবে শাস্তি দিবেন।

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا يزيد بن هارون، حدثنا إسماعيل بن أبي خالد، عن قيس بن أبي حازم، عن أبي بكر الصديق، أنه قال يا أيها الناس إنكم تقرءون هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا عليكم أنفسكم لا يضركم من ضل إذا اهتديتم ‏)‏ وإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ إن الناس إذا رأوا ظالما فلم يأخذوا على يديه أوشك أن يعمهم الله بعقاب منه ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وقد رواه غير واحد عن إسماعيل بن أبي خالد نحو هذا الحديث مرفوعا وروى بعضهم عن إسماعيل عن قيس عن أبي بكر قوله ولم يرفعوه ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৫৩

حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا خالد بن مخلد، عن علي بن مسهر، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، قال لما نزلت ‏:‏ ‏(‏ ليس على الذين آمنوا وعملوا الصالحات جناح فيما طعموا إذا ما اتقوا وآمنوا وعملوا الصالحات ‏)‏ قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أنت منهم ‏"‏ ‏.‏ قال هذا حديث حسن صحيح ‏.‏

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, “যারা ঈমান এনেছে ও নেক কাজ করেছে তারা পূর্বে যা ভক্ষণ করেছে সেজন্য তাদের কোন গুনাহ নেই…” (সূরা আল –মায়িদাহ ৯৩) , এই আয়াত অবতীর্ণ হলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেন, তুমিও তাদের অন্তর্ভূক্ত। সহীহ : মুসলিম (১/১৪৭)।

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, “যারা ঈমান এনেছে ও নেক কাজ করেছে তারা পূর্বে যা ভক্ষণ করেছে সেজন্য তাদের কোন গুনাহ নেই…” (সূরা আল –মায়িদাহ ৯৩) , এই আয়াত অবতীর্ণ হলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেন, তুমিও তাদের অন্তর্ভূক্ত। সহীহ : মুসলিম (১/১৪৭)।

حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا خالد بن مخلد، عن علي بن مسهر، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، قال لما نزلت ‏:‏ ‏(‏ ليس على الذين آمنوا وعملوا الصالحات جناح فيما طعموا إذا ما اتقوا وآمنوا وعملوا الصالحات ‏)‏ قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أنت منهم ‏"‏ ‏.‏ قال هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৫৮

حدثنا سعيد بن يعقوب الطالقاني، حدثنا عبد الله بن المبارك، أخبرنا عتبة بن أبي حكيم، حدثنا عمرو بن جارية اللخمي، عن أبي أمية الشعباني، قال أتيت أبا ثعلبة الخشني فقلت له كيف تصنع في هذه الآية قال أية آية قلت قوله ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا عليكم أنفسكم لا يضركم من ضل إذا اهتديتم ‏)‏ قال أما والله لقد سألت عنها خبيرا سألت عنها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ بل ائتمروا بالمعروف وتناهوا عن المنكر حتى إذا رأيت شحا مطاعا وهوى متبعا ودنيا مؤثرة وإعجاب كل ذي رأى برأيه فعليك بخاصة نفسك ودع العوام فإن من ورائكم أياما الصبر فيهن مثل القبض على الجمر للعامل فيهن مثل أجر خمسين رجلا يعملون مثل عملكم ‏"‏ ‏.‏ قال عبد الله بن المبارك وزادني غير عتبة قيل يا رسول الله أجر خمسين رجلا منا أو منهم قال ‏"‏ لا بل أجر خمسين منكم ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏

আবূ উমাইয়্যা আশ-শাবানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আবূ সালাবা আল-খুশানী (রাঃ)-এর নিকট এসে তাকে বললাম, এ আয়াত প্রসঙ্গে আপনি কি করণীয় বলে ঠিক করেছেন? তিনি বললেনঃ কোন্ আয়াত? আমি বললাম, আল্লাহ্ তা’আলার বাণীঃ “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের দায়িত্ব তোমাদেরই উপর। তোমরা যদি সৎপথে পরিচালিত হও তবে যে বিপথগামী হয়েছে সে তোমাদের কোন লোকসান করতে পারবে না” (সূরাঃ আল-মায়িদাহ- ১০৫)। আবূ সালাবা (রাঃ) বললেনঃ আল্লাহ্‌র কসম! তুমি এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ জেনেছে এমন একজনকে প্রশ্ন করেছ। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ বিষয়ে প্রশ্ন করেছি। তিনি বলেছেনঃ বরং তোমরা সৎ কাজের আদেশ দিতে থাক এবং খারাপ কাজ হতে বিরত করতে থাক। অবশেষে যখন দেখবে কৃপণতার বশ্যতী করা হচ্ছে, নাফসের অনুসরণ করা হচ্ছে, দুনিয়াকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে এবং প্রত্যেকে নিজের মতকে সর্বোত্তম মনে করছে, তখন তুমি শুধুমাত্র নিজেকে রক্ষায় নিয়োজিত থেকো এবং সাধারণের ভাবনা ছেড়ে দিও। কারণ তোমাদের পর এমন যুগ আসবে, যখন (দ্বীনের উপর) সবর করে থাকা জ্বলন্ত অঙ্গার হাতের মুঠোয় ধারণ করে রাখার মত (যন্ত্রণাদায়ক) হবে। ঐ সময় দ্বীনের উপর আমলকারীর প্রতিদান হবে তোমাদের মত পঞ্চাশজন আমলকারীর প্রতিদানের সমান। আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারাক (রহঃ) বলেনঃ উতবা ছাড়া অপরাপর রাবীর রিওয়ায়াত আরো আছে, প্রশ্ন করা হল, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমাদের মধ্যকার পঞ্চাশজন না তাদের মধ্যকার পঞ্চাশজন আমলকারীর সমান? তিনি বললেনঃ না, বরং তোমাদের মধ্যকার পঞ্চাশজনের সমান তার সাওয়াব হবে। যঈফ, নাকদুল কাত্তানী (২৭/২৭), মিশকাত (৫১৪৪) কিন্তু হাদীসের কিছু অংশ সহীহ, দেখুন হাদীস নং (২৩৬১)। সহীহা (৫৯৪),

আবূ উমাইয়্যা আশ-শাবানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আবূ সালাবা আল-খুশানী (রাঃ)-এর নিকট এসে তাকে বললাম, এ আয়াত প্রসঙ্গে আপনি কি করণীয় বলে ঠিক করেছেন? তিনি বললেনঃ কোন্ আয়াত? আমি বললাম, আল্লাহ্ তা’আলার বাণীঃ “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের দায়িত্ব তোমাদেরই উপর। তোমরা যদি সৎপথে পরিচালিত হও তবে যে বিপথগামী হয়েছে সে তোমাদের কোন লোকসান করতে পারবে না” (সূরাঃ আল-মায়িদাহ- ১০৫)। আবূ সালাবা (রাঃ) বললেনঃ আল্লাহ্‌র কসম! তুমি এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ জেনেছে এমন একজনকে প্রশ্ন করেছ। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ বিষয়ে প্রশ্ন করেছি। তিনি বলেছেনঃ বরং তোমরা সৎ কাজের আদেশ দিতে থাক এবং খারাপ কাজ হতে বিরত করতে থাক। অবশেষে যখন দেখবে কৃপণতার বশ্যতী করা হচ্ছে, নাফসের অনুসরণ করা হচ্ছে, দুনিয়াকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে এবং প্রত্যেকে নিজের মতকে সর্বোত্তম মনে করছে, তখন তুমি শুধুমাত্র নিজেকে রক্ষায় নিয়োজিত থেকো এবং সাধারণের ভাবনা ছেড়ে দিও। কারণ তোমাদের পর এমন যুগ আসবে, যখন (দ্বীনের উপর) সবর করে থাকা জ্বলন্ত অঙ্গার হাতের মুঠোয় ধারণ করে রাখার মত (যন্ত্রণাদায়ক) হবে। ঐ সময় দ্বীনের উপর আমলকারীর প্রতিদান হবে তোমাদের মত পঞ্চাশজন আমলকারীর প্রতিদানের সমান। আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারাক (রহঃ) বলেনঃ উতবা ছাড়া অপরাপর রাবীর রিওয়ায়াত আরো আছে, প্রশ্ন করা হল, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমাদের মধ্যকার পঞ্চাশজন না তাদের মধ্যকার পঞ্চাশজন আমলকারীর সমান? তিনি বললেনঃ না, বরং তোমাদের মধ্যকার পঞ্চাশজনের সমান তার সাওয়াব হবে। যঈফ, নাকদুল কাত্তানী (২৭/২৭), মিশকাত (৫১৪৪) কিন্তু হাদীসের কিছু অংশ সহীহ, দেখুন হাদীস নং (২৩৬১)। সহীহা (৫৯৪),

حدثنا سعيد بن يعقوب الطالقاني، حدثنا عبد الله بن المبارك، أخبرنا عتبة بن أبي حكيم، حدثنا عمرو بن جارية اللخمي، عن أبي أمية الشعباني، قال أتيت أبا ثعلبة الخشني فقلت له كيف تصنع في هذه الآية قال أية آية قلت قوله ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا عليكم أنفسكم لا يضركم من ضل إذا اهتديتم ‏)‏ قال أما والله لقد سألت عنها خبيرا سألت عنها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ بل ائتمروا بالمعروف وتناهوا عن المنكر حتى إذا رأيت شحا مطاعا وهوى متبعا ودنيا مؤثرة وإعجاب كل ذي رأى برأيه فعليك بخاصة نفسك ودع العوام فإن من ورائكم أياما الصبر فيهن مثل القبض على الجمر للعامل فيهن مثل أجر خمسين رجلا يعملون مثل عملكم ‏"‏ ‏.‏ قال عبد الله بن المبارك وزادني غير عتبة قيل يا رسول الله أجر خمسين رجلا منا أو منهم قال ‏"‏ لا بل أجر خمسين منكم ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৬০

حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا يحيى بن آدم، عن ابن أبي زائدة، عن محمد بن أبي القاسم، عن عبد الملك بن سعيد، عن أبيه، عن ابن عباس، قال خرج رجل من بني سهم مع تميم الداري وعدي بن بداء فمات السهمي بأرض ليس فيها مسلم فلما قدما بتركته فقدوا جاما من فضة مخوصا بالذهب فأحلفهما رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم وجد الجام بمكة فقيل اشتريناه من عدي وتميم فقام رجلان من أولياء السهمي فحلفا بالله لشهادتنا أحق من شهادتهما وأن الجام لصاحبهم ‏.‏ قال وفيهم نزلت ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا شهادة بينكم ‏)‏ هذا حديث حسن غريب وهو حديث ابن أبي زائدة ‏.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বানু সাহ্‌মের এক লোক তামীমুদ দারী (রাঃ) ও ‘আদী ইবনু বাদ্দার সাথে (সফরে) বের হয়। বানু সাহমের লোকটি এমন এক এলাকায় মারা গেল, যেখানে কোন মুসলিম ছিল না। ঐ দুই ব্যক্তি তার পরিত্যক্ত সম্পদ নিয়ে তার পরিজনের নিকট ফিরে এলে তারা তার মধ্যে স্বর্নখচিত রুপার পানপাত্রটি খুঁজে পেল না। রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের উভয়কে শপথ করালেন। তার ওয়ারিশরা পরে মক্কায় ঐ পানপাত্রটি দেখতে পায়। তাদের বলা হয়, আমরা এটি তামীম ও আদীর নিকট হতে কিনেছি। সাহমীর ওয়ারিশদের মধ্য হতে দুইজন লোক দাবি নিয়ে উঠে এবং আল্লাহর শপথ করে বলে, আমাদের সাক্ষ্য উক্ত দুইজনের সাক্ষ্যর চাইতে অনেক বেশি সত্য ও গ্রহণযোগ্য। নিঃসন্দেহে এ পানপাত্রটি তাদের সাথীরই। এদের সম্পর্কেই এ আয়াত অবতীর্ণ (অনুবাদ) : “ হে মমিনগণ! তোমাদের কারও যখন মৃত্যু উপস্থিত হয় তখন ওয়াসিয়াত করার সময় তোমাদের মধ্য হতে দু’জন ন্যায়পরায়ন লোককে সাক্ষী রাখবে...’’ (সূরা আল-মায়েদাহ্‌ ১০৬)। সহীহ : বুখারী (২৭৮০)।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বানু সাহ্‌মের এক লোক তামীমুদ দারী (রাঃ) ও ‘আদী ইবনু বাদ্দার সাথে (সফরে) বের হয়। বানু সাহমের লোকটি এমন এক এলাকায় মারা গেল, যেখানে কোন মুসলিম ছিল না। ঐ দুই ব্যক্তি তার পরিত্যক্ত সম্পদ নিয়ে তার পরিজনের নিকট ফিরে এলে তারা তার মধ্যে স্বর্নখচিত রুপার পানপাত্রটি খুঁজে পেল না। রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের উভয়কে শপথ করালেন। তার ওয়ারিশরা পরে মক্কায় ঐ পানপাত্রটি দেখতে পায়। তাদের বলা হয়, আমরা এটি তামীম ও আদীর নিকট হতে কিনেছি। সাহমীর ওয়ারিশদের মধ্য হতে দুইজন লোক দাবি নিয়ে উঠে এবং আল্লাহর শপথ করে বলে, আমাদের সাক্ষ্য উক্ত দুইজনের সাক্ষ্যর চাইতে অনেক বেশি সত্য ও গ্রহণযোগ্য। নিঃসন্দেহে এ পানপাত্রটি তাদের সাথীরই। এদের সম্পর্কেই এ আয়াত অবতীর্ণ (অনুবাদ) : “ হে মমিনগণ! তোমাদের কারও যখন মৃত্যু উপস্থিত হয় তখন ওয়াসিয়াত করার সময় তোমাদের মধ্য হতে দু’জন ন্যায়পরায়ন লোককে সাক্ষী রাখবে...’’ (সূরা আল-মায়েদাহ্‌ ১০৬)। সহীহ : বুখারী (২৭৮০)।

حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا يحيى بن آدم، عن ابن أبي زائدة، عن محمد بن أبي القاسم، عن عبد الملك بن سعيد، عن أبيه، عن ابن عباس، قال خرج رجل من بني سهم مع تميم الداري وعدي بن بداء فمات السهمي بأرض ليس فيها مسلم فلما قدما بتركته فقدوا جاما من فضة مخوصا بالذهب فأحلفهما رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم وجد الجام بمكة فقيل اشتريناه من عدي وتميم فقام رجلان من أولياء السهمي فحلفا بالله لشهادتنا أحق من شهادتهما وأن الجام لصاحبهم ‏.‏ قال وفيهم نزلت ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا شهادة بينكم ‏)‏ هذا حديث حسن غريب وهو حديث ابن أبي زائدة ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৬১

حدثنا الحسن بن قزعة، حدثنا سفيان بن حبيب، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن خلاس بن عمرو، عن عمار بن ياسر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أنزلت المائدة من السماء خبزا ولحما وأمروا أن لا يخونوا ولا يدخروا لغد فخانوا وادخروا ورفعوا لغد فمسخوا قردة وخنازير ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب ‏.‏ قد رواه أبو عاصم وغير واحد عن سعيد بن أبي عروبة عن قتادة عن خلاس عن عمار بن ياسر موقوفا ولا نعرفه مرفوعا إلا من حديث الحسن بن قزعة ‏.

আম্মার ইবনু ইয়াসির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আকাশ হতে (ঈসা (আঃ)-এর উম্মাতের জন্য) খাঞ্চাভর্তি রুটি ও মাংস পাঠানো হয়। তাদের প্রতি হুকুম ছিল তারা যেন খিয়ানাত না করে এবং আগামী কালের জন্য তা সঞ্চয় করে না রাখে। কিন্তু তারা এতে খিয়ানাত করল ও তা থেকে জমা করল এবং আগামীকালের জন্য তুলে রাখল। ফলে তাদেরকে বানর ও শুকরে পরিনত করা হল। সনদ দুর্বল।

আম্মার ইবনু ইয়াসির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আকাশ হতে (ঈসা (আঃ)-এর উম্মাতের জন্য) খাঞ্চাভর্তি রুটি ও মাংস পাঠানো হয়। তাদের প্রতি হুকুম ছিল তারা যেন খিয়ানাত না করে এবং আগামী কালের জন্য তা সঞ্চয় করে না রাখে। কিন্তু তারা এতে খিয়ানাত করল ও তা থেকে জমা করল এবং আগামীকালের জন্য তুলে রাখল। ফলে তাদেরকে বানর ও শুকরে পরিনত করা হল। সনদ দুর্বল।

حدثنا الحسن بن قزعة، حدثنا سفيان بن حبيب، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن خلاس بن عمرو، عن عمار بن ياسر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أنزلت المائدة من السماء خبزا ولحما وأمروا أن لا يخونوا ولا يدخروا لغد فخانوا وادخروا ورفعوا لغد فمسخوا قردة وخنازير ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب ‏.‏ قد رواه أبو عاصم وغير واحد عن سعيد بن أبي عروبة عن قتادة عن خلاس عن عمار بن ياسر موقوفا ولا نعرفه مرفوعا إلا من حديث الحسن بن قزعة ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৬২

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو بن دينار، عن طاوس، عن أبي هريرة، قال تلقى عيسى حجته ولقاه الله في قوله ‏:‏ ‏(‏ وإذ قال الله يا عيسى ابن مريم أأنت قلت للناس اتخذوني وأمي إلهين من دون الله ‏)‏ قال أبو هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم فلقاه الله ‏:‏ ‏(‏ سبحانك ما يكون لي أن أقول ما ليس لي بحق ‏)‏ الآية كلها ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.

আবু হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘ঈসা (আঃ) কে তাঁর যুক্তি –প্রমান শিখিয়ে দেয়া হয়। আল্লাহ তা’আলাই তাঁকে তা শিখিয়ে দেন। যেমন নিম্নোক্ত আয়াতে আল্লাহ তা’আলা বলেন (অনুবাদ) : “আল্লাহ তা’আলা যখন বললেনঃ হে ‘‘ঈসা ইবনু মারিয়াম! তুমি কি লোকদের বলেছিলে, তোমরা আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত আমাকে এবং আমার মাকে ইলাহরুপে গ্রহন কর’’ –(সূরা আল-মায়িদাহ ১১৬)? আবূ হুরায়রা্‌ (রাঃ) নবী (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন : তখন আল্লাহ তা’আলাই ‘‘ঈসা (আঃ) কে উত্তর শিক্ষা দিলেন : “ তিনি বললেন , তুমি মহিহান্বিত! যা বলার অধিকার আমার নেই তা বলা আমার পক্ষে শোভনীয় নয় ----তবে তুমি তো পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়”—(সূরা আল-মায়েদাহ্‌ ১১৬-১১৮)।

আবু হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘ঈসা (আঃ) কে তাঁর যুক্তি –প্রমান শিখিয়ে দেয়া হয়। আল্লাহ তা’আলাই তাঁকে তা শিখিয়ে দেন। যেমন নিম্নোক্ত আয়াতে আল্লাহ তা’আলা বলেন (অনুবাদ) : “আল্লাহ তা’আলা যখন বললেনঃ হে ‘‘ঈসা ইবনু মারিয়াম! তুমি কি লোকদের বলেছিলে, তোমরা আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত আমাকে এবং আমার মাকে ইলাহরুপে গ্রহন কর’’ –(সূরা আল-মায়িদাহ ১১৬)? আবূ হুরায়রা্‌ (রাঃ) নবী (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন : তখন আল্লাহ তা’আলাই ‘‘ঈসা (আঃ) কে উত্তর শিক্ষা দিলেন : “ তিনি বললেন , তুমি মহিহান্বিত! যা বলার অধিকার আমার নেই তা বলা আমার পক্ষে শোভনীয় নয় ----তবে তুমি তো পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়”—(সূরা আল-মায়েদাহ্‌ ১১৬-১১৮)।

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو بن دينار، عن طاوس، عن أبي هريرة، قال تلقى عيسى حجته ولقاه الله في قوله ‏:‏ ‏(‏ وإذ قال الله يا عيسى ابن مريم أأنت قلت للناس اتخذوني وأمي إلهين من دون الله ‏)‏ قال أبو هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم فلقاه الله ‏:‏ ‏(‏ سبحانك ما يكون لي أن أقول ما ليس لي بحق ‏)‏ الآية كلها ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৫৯

حدثنا الحسن بن أحمد بن أبي شعيب الحراني، حدثنا محمد بن سلمة الحراني، حدثنا محمد بن إسحاق، عن أبي النضر، عن باذان، مولى أم هانئ عن ابن عباس، عن تميم الداري، في هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا شهادة بينكم إذا حضر أحدكم الموت ‏)‏ قال برئ منها الناس غيري وغير عدي بن بداء وكانا نصرانيين يختلفان إلى الشام قبل الإسلام فأتيا الشام لتجارتهما وقدم عليهما مولى لبني سهم يقال له بديل بن أبي مريم بتجارة ومعه جام من فضة يريد به الملك وهو عظم تجارته فمرض فأوصى إليهما وأمرهما أن يبلغا ما ترك أهله قال تميم فلما مات أخذنا ذلك الجام فبعناه بألف درهم ثم اقتسمناه أنا وعدي بن بداء فلما قدمنا إلى أهله دفعنا إليهم ما كان معنا وفقدوا الجام فسألونا عنه فقلنا ما ترك غير هذا وما دفع إلينا غيره قال تميم فلما أسلمت بعد قدوم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة تأثمت من ذلك فأتيت أهله فأخبرتهم الخبر وأديت إليهم خمسمائة درهم وأخبرتهم أن عند صاحبي مثلها فأتوا به رسول الله صلى الله عليه وسلم فسألهم البينة فلم يجدوا فأمرهم أن يستحلفوه بما يعظم به على أهل دينه فحلف فأنزل الله ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا شهادة بينكم إذا حضر أحدكم الموت ‏)‏ إلى قوله ‏:‏ ‏(‏ أو يخافوا أن ترد أيمان بعد أيمانهم ‏)‏ ‏.‏ فقام عمرو بن العاص ورجل آخر فحلفا فنزعت الخمسمائة درهم من عدي بن بداء ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب وليس إسناده بصحيح ‏.‏ وأبو النضر الذي روى عنه محمد بن إسحاق هذا الحديث هو عندي محمد بن السائب الكلبي يكنى أبا النضر وقد تركه أهل الحديث وهو صاحب التفسير سمعت محمد بن إسماعيل يقول محمد بن السائب الكلبي يكنى أبا النضر ‏.‏ قال أبو عيسى ولا نعرف لسالم أبي النضر المدني رواية عن أبي صالح مولى أم هانئ وقد روي عن ابن عباس شيء من هذا على الاختصار من غير هذا الوجه ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তামীম আদ-দারী (রাঃ) নিম্নোক্ত আয়াত প্রসঙ্গে বলেছেন, আমি ও আদী ইবনু বাদ্দা ব্যতীত অপর কারো সাথে তা সম্পর্কিত নয়ঃ “হে ঈমানদারগণ! যখন তোমাদের মধ্যে কারো মৃত্যু হাযির হয় তখন ওসিয়াত করার সময় তোমাদের মধ্য হতে ন্যায়নিষ্ঠ দু’জনকে সাক্ষী রাখবে” (সূরাঃ আল-মাইদা- ১০৬)। তারা দু’জনই ছিলেন নাসারা। ইসলাম ক্ববূলের পূর্বে বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে তাদের সিরিয়ায় আসা যাওয়া ছিল। কোন এক সময় তারা ব্যবসার উদ্দেশ্যে সিরিয়া যান। বানূ সাহ্‌মের গোলাম বুদাইল ইবনু আবূ মারইয়ামও ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যে তাদের নিকট আসলো। তার নিকট একটি রূপার পানপাত্র ছিল। তিনি এটি বাদশার নিকট বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে এনেছিলেন। তার ব্যবসায় পণ্যের মধ্যে এটিই ছিল সর্বোৎকৃষ্ট। হঠাৎ তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তিনি তাদের (তামীমুদ দারী ও আদী ইবনু বাদ্দা) উভয়কে ওসিয়াত করেন যে, (তার মারা যাবার পর) তার রেখে যাওয়া মালামালা যেন তারা তার পরিজনকে পৌঁছে দেয়। তামীম (রাঃ) বলেনঃ তিনি মারা গেলে আমরা পানপাত্রটি নিয়ে গিয়ে এক হাজার দিরহামে বিক্রয় করি এবং বিক্রয়লব্ধ টাকা আমি ও আদী ইবনু বাদ্দা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেই। আমরা তার পরিবার-পরিজনের নিকট পৌছে, আমাদের নিকট যা কিছু সঞ্চিত ছিল তা তাদের ফিরিয়ে দিলাম। কিন্তু তারা পানপাত্রটি না পেয়ে আমাদেরকে সেটি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করে। আমরা বললাম, সে তো আমাদের নিকট ইহা ব্যতীত আর কিছু রেখে যায়নি। তামীম (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মাদীনায় পদাপর্ণের পর যখন আমি ইসলাম ক্ববূল করি, তখন আমি আমার এ অপকর্মের জন্য নিজেকে দোষী মনে করলাম (এবং এ হতে মুক্ত হতে চাইলাম)। তাই আমি তার পরিজনের নিকট এসে তাদের আসল ঘটনা খুলে বললাম এবং তাদের পাঁচ শত দিরহাম দিয়ে দিলাম। আমি তাদের এও বললাম, আমার সংগীর (আদী ইবনু বাদ্দা) নিকটও সমপরিমাণ (দিরহাম) রয়েছে। তারা তখন বিষয়টি নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এলো। তিনি তাদের নিকট প্রমাণ চাইলে তারা তা পেশ করতে অক্ষম হয়। তিনি তাদের নির্দেশ দিলেন যে, তারা আদী ইবনু বাদ্দাকে এমনভাবে কসম করতে বলবে যেভাবে কসম করলে তার ধর্মের দৃষ্টিতে তা গুরুত্বপূর্ণ হয়। তারপর আদী শপথ করল (নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের জন্য)। তখন আল্লাহ্ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ ‘হে মু’মিনগণ! তোমাদের কারও যখন মৃত্যু হাযির হয় তখন ওসিয়াত করার সময় তোমাদের মধ্য হতে দু’জন ন্যায়পরায়ণ লোককে সাক্ষী রাখবে… আল্লাহ্ তা’আলা সত্যত্যাগী সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না” (সূরাঃ আল-মায়িদাহ- ১০৬-১০৮)। তারপর আমর ইবনুল আস (রাঃ) ও অপর এক ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে উঠলেন এবং শপথ করলেন। অবশেষে আদী ইবনু বাদ্দার নিকট হতে পাঁচশত দিরহাম আদায় করা হয়। সনদ অত্যন্ত দুর্বল,

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তামীম আদ-দারী (রাঃ) নিম্নোক্ত আয়াত প্রসঙ্গে বলেছেন, আমি ও আদী ইবনু বাদ্দা ব্যতীত অপর কারো সাথে তা সম্পর্কিত নয়ঃ “হে ঈমানদারগণ! যখন তোমাদের মধ্যে কারো মৃত্যু হাযির হয় তখন ওসিয়াত করার সময় তোমাদের মধ্য হতে ন্যায়নিষ্ঠ দু’জনকে সাক্ষী রাখবে” (সূরাঃ আল-মাইদা- ১০৬)। তারা দু’জনই ছিলেন নাসারা। ইসলাম ক্ববূলের পূর্বে বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে তাদের সিরিয়ায় আসা যাওয়া ছিল। কোন এক সময় তারা ব্যবসার উদ্দেশ্যে সিরিয়া যান। বানূ সাহ্‌মের গোলাম বুদাইল ইবনু আবূ মারইয়ামও ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যে তাদের নিকট আসলো। তার নিকট একটি রূপার পানপাত্র ছিল। তিনি এটি বাদশার নিকট বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে এনেছিলেন। তার ব্যবসায় পণ্যের মধ্যে এটিই ছিল সর্বোৎকৃষ্ট। হঠাৎ তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তিনি তাদের (তামীমুদ দারী ও আদী ইবনু বাদ্দা) উভয়কে ওসিয়াত করেন যে, (তার মারা যাবার পর) তার রেখে যাওয়া মালামালা যেন তারা তার পরিজনকে পৌঁছে দেয়। তামীম (রাঃ) বলেনঃ তিনি মারা গেলে আমরা পানপাত্রটি নিয়ে গিয়ে এক হাজার দিরহামে বিক্রয় করি এবং বিক্রয়লব্ধ টাকা আমি ও আদী ইবনু বাদ্দা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেই। আমরা তার পরিবার-পরিজনের নিকট পৌছে, আমাদের নিকট যা কিছু সঞ্চিত ছিল তা তাদের ফিরিয়ে দিলাম। কিন্তু তারা পানপাত্রটি না পেয়ে আমাদেরকে সেটি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করে। আমরা বললাম, সে তো আমাদের নিকট ইহা ব্যতীত আর কিছু রেখে যায়নি। তামীম (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মাদীনায় পদাপর্ণের পর যখন আমি ইসলাম ক্ববূল করি, তখন আমি আমার এ অপকর্মের জন্য নিজেকে দোষী মনে করলাম (এবং এ হতে মুক্ত হতে চাইলাম)। তাই আমি তার পরিজনের নিকট এসে তাদের আসল ঘটনা খুলে বললাম এবং তাদের পাঁচ শত দিরহাম দিয়ে দিলাম। আমি তাদের এও বললাম, আমার সংগীর (আদী ইবনু বাদ্দা) নিকটও সমপরিমাণ (দিরহাম) রয়েছে। তারা তখন বিষয়টি নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এলো। তিনি তাদের নিকট প্রমাণ চাইলে তারা তা পেশ করতে অক্ষম হয়। তিনি তাদের নির্দেশ দিলেন যে, তারা আদী ইবনু বাদ্দাকে এমনভাবে কসম করতে বলবে যেভাবে কসম করলে তার ধর্মের দৃষ্টিতে তা গুরুত্বপূর্ণ হয়। তারপর আদী শপথ করল (নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের জন্য)। তখন আল্লাহ্ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ ‘হে মু’মিনগণ! তোমাদের কারও যখন মৃত্যু হাযির হয় তখন ওসিয়াত করার সময় তোমাদের মধ্য হতে দু’জন ন্যায়পরায়ণ লোককে সাক্ষী রাখবে… আল্লাহ্ তা’আলা সত্যত্যাগী সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না” (সূরাঃ আল-মায়িদাহ- ১০৬-১০৮)। তারপর আমর ইবনুল আস (রাঃ) ও অপর এক ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে উঠলেন এবং শপথ করলেন। অবশেষে আদী ইবনু বাদ্দার নিকট হতে পাঁচশত দিরহাম আদায় করা হয়। সনদ অত্যন্ত দুর্বল,

حدثنا الحسن بن أحمد بن أبي شعيب الحراني، حدثنا محمد بن سلمة الحراني، حدثنا محمد بن إسحاق، عن أبي النضر، عن باذان، مولى أم هانئ عن ابن عباس، عن تميم الداري، في هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا شهادة بينكم إذا حضر أحدكم الموت ‏)‏ قال برئ منها الناس غيري وغير عدي بن بداء وكانا نصرانيين يختلفان إلى الشام قبل الإسلام فأتيا الشام لتجارتهما وقدم عليهما مولى لبني سهم يقال له بديل بن أبي مريم بتجارة ومعه جام من فضة يريد به الملك وهو عظم تجارته فمرض فأوصى إليهما وأمرهما أن يبلغا ما ترك أهله قال تميم فلما مات أخذنا ذلك الجام فبعناه بألف درهم ثم اقتسمناه أنا وعدي بن بداء فلما قدمنا إلى أهله دفعنا إليهم ما كان معنا وفقدوا الجام فسألونا عنه فقلنا ما ترك غير هذا وما دفع إلينا غيره قال تميم فلما أسلمت بعد قدوم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة تأثمت من ذلك فأتيت أهله فأخبرتهم الخبر وأديت إليهم خمسمائة درهم وأخبرتهم أن عند صاحبي مثلها فأتوا به رسول الله صلى الله عليه وسلم فسألهم البينة فلم يجدوا فأمرهم أن يستحلفوه بما يعظم به على أهل دينه فحلف فأنزل الله ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا شهادة بينكم إذا حضر أحدكم الموت ‏)‏ إلى قوله ‏:‏ ‏(‏ أو يخافوا أن ترد أيمان بعد أيمانهم ‏)‏ ‏.‏ فقام عمرو بن العاص ورجل آخر فحلفا فنزعت الخمسمائة درهم من عدي بن بداء ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب وليس إسناده بصحيح ‏.‏ وأبو النضر الذي روى عنه محمد بن إسحاق هذا الحديث هو عندي محمد بن السائب الكلبي يكنى أبا النضر وقد تركه أهل الحديث وهو صاحب التفسير سمعت محمد بن إسماعيل يقول محمد بن السائب الكلبي يكنى أبا النضر ‏.‏ قال أبو عيسى ولا نعرف لسالم أبي النضر المدني رواية عن أبي صالح مولى أم هانئ وقد روي عن ابن عباس شيء من هذا على الاختصار من غير هذا الوجه ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৬৩

حدثنا قتيبة، حدثنا عبد الله بن وهب، عن حيى، عن أبي عبد الرحمن الحبلي، عن عبد الله بن عمرو، قال آخر سورة أنزلت سورة المائدة ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏ وروي عن ابن عباس أنه قال آخر سورة أنزلت ‏:‏ ‏(‏إذا جاء نصر الله والفتح ‏)‏ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সর্বশেষ অবতীর্ণ সূরা হল সূরা আল –মায়িদাহ্‌। সনদ হাসান (সহিহ আত-তিরমিযি অনুযায়ী) / সনদ দুর্বল (জয়ীফ আত-তিরমিযি অনুযায়ী)। , হাকিম এটিকে সহীহ বলেছেন এবং এর একটি শাহিদ বর্ণনা করেছেন। ইমাম যাহাবী তাকে সমর্থন করেছেন।

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সর্বশেষ অবতীর্ণ সূরা হল সূরা আল –মায়িদাহ্‌। সনদ হাসান (সহিহ আত-তিরমিযি অনুযায়ী) / সনদ দুর্বল (জয়ীফ আত-তিরমিযি অনুযায়ী)। , হাকিম এটিকে সহীহ বলেছেন এবং এর একটি শাহিদ বর্ণনা করেছেন। ইমাম যাহাবী তাকে সমর্থন করেছেন।

حدثنا قتيبة، حدثنا عبد الله بن وهب، عن حيى، عن أبي عبد الرحمن الحبلي، عن عبد الله بن عمرو، قال آخر سورة أنزلت سورة المائدة ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏ وروي عن ابن عباس أنه قال آخر سورة أنزلت ‏:‏ ‏(‏إذا جاء نصر الله والفتح ‏)‏ ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আল-আন’আম

জামে' আত-তিরমিজি ৩০৬৬

حدثنا الحسن بن عرفة، حدثنا إسماعيل بن عياش، عن أبي بكر بن أبي مريم الغساني، عن راشد بن سعد، عن سعد بن أبي وقاص، عن النبي صلى الله عليه وسلم في هذه الآية‏:‏ ‏(‏قل هو القادر على أن يبعث عليكم عذابا من فوقكم أو من تحت أرجلكم ‏)‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أما إنها كائنة ولم يأت تأويلها بعد ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏

সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস সূত্রে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

“বল, তিনি তোমাদের উপর তোমাদের উপর হতে অথবা তোমাদের পদতল হতে শাস্তি প্রেরণে সক্ষম” (সূরাঃ আল-আনআম- ৬৫), এ আয়াত অবতীর্ণ হলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ প্রসঙ্গে বলেনঃ এরূপ সংঘটিত হবেই কিন্তু তার ব্যাখ্যা এখনো বাস্তাব লাভ করেনি। সনদ দুর্বল।

সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস সূত্রে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

“বল, তিনি তোমাদের উপর তোমাদের উপর হতে অথবা তোমাদের পদতল হতে শাস্তি প্রেরণে সক্ষম” (সূরাঃ আল-আনআম- ৬৫), এ আয়াত অবতীর্ণ হলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ প্রসঙ্গে বলেনঃ এরূপ সংঘটিত হবেই কিন্তু তার ব্যাখ্যা এখনো বাস্তাব লাভ করেনি। সনদ দুর্বল।

حدثنا الحسن بن عرفة، حدثنا إسماعيل بن عياش، عن أبي بكر بن أبي مريم الغساني، عن راشد بن سعد، عن سعد بن أبي وقاص، عن النبي صلى الله عليه وسلم في هذه الآية‏:‏ ‏(‏قل هو القادر على أن يبعث عليكم عذابا من فوقكم أو من تحت أرجلكم ‏)‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أما إنها كائنة ولم يأت تأويلها بعد ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৬৫

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، سمع جابر بن عبد الله، يقول لما نزلت هذه الآية ‏:‏ ‏(‏قل هو القادر على أن يبعث عليكم عذابا من فوقكم أو من تحت أرجلكم ‏)‏ قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أعوذ بوجهك ‏"‏ ‏.‏ فلما نزلت ‏(‏ أو يلبسكم شيعا ويذيق بعضكم بأس بعض ‏)‏ قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هاتان أهون - أو - هاتان أيسر ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏

আম্‌র ইবনু দীনার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) কে বলতে শুনেছেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল (অনুবাদ) : ‘‘বল তিনি তোমাদের ঊর্ধ্বদেশ অথবা পাদদেশ হতে তোমাদের উপর শাস্তি প্রেরন করতে সক্ষম”, তখন নবী (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “(হে আলাহ!) আমি আপনার (মর্যাদাবান) মুখমণ্ডলের (সত্ত্বার) নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি”। পরে আবার অবতীর্ণ হল (অনুবাদ) : ‘‘অথবা তোমাদেরকে বিভিন্ন দলে বিভক্ত করতে এবং এক দলকে অপর দলের সংঘর্ষের স্বাদ আস্বাদন করাতে সক্ষম’’ —(সূরা আল-আন’আম ৬৫)। তখন নবী (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ দু’টিই অপেক্ষাকৃত সহজতর। সহীহ : সহীহ আবূ দাউদ (২০৫৮ ,২০৫৯)।

আম্‌র ইবনু দীনার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) কে বলতে শুনেছেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল (অনুবাদ) : ‘‘বল তিনি তোমাদের ঊর্ধ্বদেশ অথবা পাদদেশ হতে তোমাদের উপর শাস্তি প্রেরন করতে সক্ষম”, তখন নবী (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “(হে আলাহ!) আমি আপনার (মর্যাদাবান) মুখমণ্ডলের (সত্ত্বার) নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি”। পরে আবার অবতীর্ণ হল (অনুবাদ) : ‘‘অথবা তোমাদেরকে বিভিন্ন দলে বিভক্ত করতে এবং এক দলকে অপর দলের সংঘর্ষের স্বাদ আস্বাদন করাতে সক্ষম’’ —(সূরা আল-আন’আম ৬৫)। তখন নবী (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ দু’টিই অপেক্ষাকৃত সহজতর। সহীহ : সহীহ আবূ দাউদ (২০৫৮ ,২০৫৯)।

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، سمع جابر بن عبد الله، يقول لما نزلت هذه الآية ‏:‏ ‏(‏قل هو القادر على أن يبعث عليكم عذابا من فوقكم أو من تحت أرجلكم ‏)‏ قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أعوذ بوجهك ‏"‏ ‏.‏ فلما نزلت ‏(‏ أو يلبسكم شيعا ويذيق بعضكم بأس بعض ‏)‏ قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هاتان أهون - أو - هاتان أيسر ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৬৭

حدثنا علي بن خشرم، أخبرنا عيسى بن يونس، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، قال ‏:‏ لما نزلت‏:‏ ‏(‏ الذين آمنوا ولم يلبسوا إيمانهم بظلم ‏)‏ شق ذلك على المسلمين فقالوا يا رسول الله وأينا لا يظلم نفسه ‏.‏ قال ‏"‏ ليس ذلك إنما هو الشرك ألم تسمعوا ما قال لقمان لابنه ‏:‏ ‏(‏ يا بني لا تشرك بالله إن الشرك لظلم عظيم ‏)‏ ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন অবতীর্ণ হল : “যারা ঈমান এনেছে এবং নিজেদের ঈমানকে যুলুম দ্বারা কলুষিত করেনি---’’ (সূরা আল-আন’আম ৮২) , তখন মুসলিমদের নিকট তা খুবই কঠিন মনে হল। তাই তারা রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলেন, হে আল্লাহর রাসুল! আমাদের মধ্যে কে আছে যে নিজের উপর যুলুম করেনি? রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ বিষয়টি আসলে তা নয়। এখানে যুলুম অর্থ হল শিরক। তোমরা কি শুনোনি যা লোক্বমান তাঁর ছেলেকে বলেছিলেন : “হে পুত্র ! আল্লাহ তা’আলার সাথে কাউকে শরীক করবে না। নিশ্চয় শিরক অতি বড় যুলু “ –(সূরা লোকমান ১৩)। সহীহ : বুখারী (৪৬২৯) , মুসলিম।

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন অবতীর্ণ হল : “যারা ঈমান এনেছে এবং নিজেদের ঈমানকে যুলুম দ্বারা কলুষিত করেনি---’’ (সূরা আল-আন’আম ৮২) , তখন মুসলিমদের নিকট তা খুবই কঠিন মনে হল। তাই তারা রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলেন, হে আল্লাহর রাসুল! আমাদের মধ্যে কে আছে যে নিজের উপর যুলুম করেনি? রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ বিষয়টি আসলে তা নয়। এখানে যুলুম অর্থ হল শিরক। তোমরা কি শুনোনি যা লোক্বমান তাঁর ছেলেকে বলেছিলেন : “হে পুত্র ! আল্লাহ তা’আলার সাথে কাউকে শরীক করবে না। নিশ্চয় শিরক অতি বড় যুলু “ –(সূরা লোকমান ১৩)। সহীহ : বুখারী (৪৬২৯) , মুসলিম।

حدثنا علي بن خشرم، أخبرنا عيسى بن يونس، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، قال ‏:‏ لما نزلت‏:‏ ‏(‏ الذين آمنوا ولم يلبسوا إيمانهم بظلم ‏)‏ شق ذلك على المسلمين فقالوا يا رسول الله وأينا لا يظلم نفسه ‏.‏ قال ‏"‏ ليس ذلك إنما هو الشرك ألم تسمعوا ما قال لقمان لابنه ‏:‏ ‏(‏ يا بني لا تشرك بالله إن الشرك لظلم عظيم ‏)‏ ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৬৯

حدثنا محمد بن موسى البصري الحرشي، حدثنا زياد بن عبد الله البكائي، حدثنا عطاء بن السائب، عن سعيد بن جبير، عن عبد الله بن عباس، قال أتى أناس النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا يا رسول الله أنأكل ما نقتل ولا نأكل ما يقتل الله فأنزل الله ‏(‏ فكلوا مما ذكر اسم الله عليه إن كنتم بآياته مؤمنين ‏)‏ إلى قوله ‏:‏ ‏(‏وإن أطعتموهم إنكم لمشركون ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏ وقد روي هذا الحديث من غير هذا الوجه عن ابن عباس أيضا ورواه بعضهم عن عطاء بن السائب عن سعيد بن جبير عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسلا ‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু ‘‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট কয়েকজন লোক এসে বলল : হে আল্লাহর রাসুল! আমরা যা হত্যা করি তা খাবো আর আল্লাহ তা’আলা যা হত্যা করেন তা খাবো না? তখন আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করনে (অনুবাদ) : ‘তোমরা তাঁর নিদর্শনসমূহে বিশ্বাসী হলে যার উপর আল্লাহ তা’আলার নাম নেয়া হয়েছে তা হতে খাও.... তোমরা যদি তাদের কথামত চল তবে অবশ্যই তোমরা মুশরিক হয়ে যাবে” (সূরা আল-আন’আম ১১৮-১২১)। সহীহ : সহীহ আবূ দাউদ (২০৫৮, ২০৫৯)।

আবদুল্লাহ ইবনু ‘‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট কয়েকজন লোক এসে বলল : হে আল্লাহর রাসুল! আমরা যা হত্যা করি তা খাবো আর আল্লাহ তা’আলা যা হত্যা করেন তা খাবো না? তখন আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করনে (অনুবাদ) : ‘তোমরা তাঁর নিদর্শনসমূহে বিশ্বাসী হলে যার উপর আল্লাহ তা’আলার নাম নেয়া হয়েছে তা হতে খাও.... তোমরা যদি তাদের কথামত চল তবে অবশ্যই তোমরা মুশরিক হয়ে যাবে” (সূরা আল-আন’আম ১১৮-১২১)। সহীহ : সহীহ আবূ দাউদ (২০৫৮, ২০৫৯)।

حدثنا محمد بن موسى البصري الحرشي، حدثنا زياد بن عبد الله البكائي، حدثنا عطاء بن السائب، عن سعيد بن جبير، عن عبد الله بن عباس، قال أتى أناس النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا يا رسول الله أنأكل ما نقتل ولا نأكل ما يقتل الله فأنزل الله ‏(‏ فكلوا مما ذكر اسم الله عليه إن كنتم بآياته مؤمنين ‏)‏ إلى قوله ‏:‏ ‏(‏وإن أطعتموهم إنكم لمشركون ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏ وقد روي هذا الحديث من غير هذا الوجه عن ابن عباس أيضا ورواه بعضهم عن عطاء بن السائب عن سعيد بن جبير عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسلا ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৭০

حدثنا الفضل بن الصباح البغدادي، حدثنا محمد بن فضيل، عن داود الأودي، عن الشعبي، عن علقمة، عن عبد الله، قال من سره أن ينظر إلى الصحيفة التي عليها خاتم محمد صلى الله عليه وسلم فليقرأ هذه الآيات ‏:‏ ‏(‏ قل تعالوا أتل ما حرم ربكم عليكم ‏)‏ الآية إلى قوله ‏:‏ ‏(‏ لعلكم تتقون ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ যে সহীফার (ক্ষুদ্র পুস্তিকা) উপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মোহরাংকিত রয়েছে তার দেখা যাকে আনন্দ দেয় সে যেন এ আয়াতগুলো পাঠ করেঃ “বল! এসো, পড়ে শুনাই তোমাদের জন্য রব যা হারাম করেছেন তা। এভাবে আল্লাহ্ তা’আলা তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সতর্ক হও” (সূরাঃ আল-আনআম- ১৫১-১৫৩)। সনদ দুর্বল।

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ যে সহীফার (ক্ষুদ্র পুস্তিকা) উপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মোহরাংকিত রয়েছে তার দেখা যাকে আনন্দ দেয় সে যেন এ আয়াতগুলো পাঠ করেঃ “বল! এসো, পড়ে শুনাই তোমাদের জন্য রব যা হারাম করেছেন তা। এভাবে আল্লাহ্ তা’আলা তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সতর্ক হও” (সূরাঃ আল-আনআম- ১৫১-১৫৩)। সনদ দুর্বল।

حدثنا الفضل بن الصباح البغدادي، حدثنا محمد بن فضيل، عن داود الأودي، عن الشعبي، عن علقمة، عن عبد الله، قال من سره أن ينظر إلى الصحيفة التي عليها خاتم محمد صلى الله عليه وسلم فليقرأ هذه الآيات ‏:‏ ‏(‏ قل تعالوا أتل ما حرم ربكم عليكم ‏)‏ الآية إلى قوله ‏:‏ ‏(‏ لعلكم تتقون ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৬৮

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا إسحاق بن يوسف الأزرق، حدثنا داود بن أبي هند، عن الشعبي، عن مسروق، قال كنت متكئا عند عائشة فقالت يا أبا عائشة ثلاث من تكلم بواحدة منهن فقد أعظم على الله الفرية من زعم أن محمدا رأى ربه فقد أعظم الفرية على الله والله يقول ‏:‏ ‏(‏ لا تدركه الأبصار وهو يدرك الأبصار وهو اللطيف الخبير ‏)‏ ، ‏(‏ ما كان لبشر أن يكلمه الله إلا وحيا أو من وراء حجاب ‏)‏ وكنت متكئا فجلست فقلت يا أم المؤمنين أنظريني ولا تعجليني أليس يقول الله ‏:‏ ‏(‏ ولقد رآه نزلة أخرى ‏)‏، ‏(‏ ولقد رآه بالأفق المبين ‏)‏ قالت أنا والله أول من سأل عن هذا رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ إنما ذاك جبريل ما رأيته في الصورة التي خلق فيها غير هاتين المرتين رأيته منهبطا من السماء سادا عظم خلقه ما بين السماء والأرض ‏"‏ ‏.‏ ومن زعم أن محمدا كتم شيئا مما أنزل الله عليه فقد أعظم الفرية على الله يقول الله ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الرسول بلغ ما أنزل إليك من ربك ‏)‏ ومن زعم أنه يعلم ما في غد فقد أعظم الفرية على الله والله يقول ‏:‏ ‏(‏قل لا يعلم من في السموات والأرض الغيب إلا الله ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ومسروق بن الأجدع يكنى أبا عائشة وهو مسروق بن عبد الرحمن وهكذا كان اسمه في الديوان ‏.‏

মাসরুক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ) এর নিকটে হেলান দিয়ে বসা ছিলাম। তিনি বললেন, হে আবূ ‘আয়িশাহ্‌! তিনটি বিষয় এমন যে, কোন ব্যক্তি এগুলার কোনটি বললে সে আল্লাহ তা’আলার উপর ভীষণ (মিথ্যা) অপবাদ চাপালো। যে ব্যক্তি এ ধারনা পোষণ করে যে, মুহাম্মাদ (সাল্লালাহু আআলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর প্রভুকে দেখেছেন, সে আল্লাহ তা’আলার উপর ভীষণ অপবাদ আরোপ করল। কেননা আল্লাহ তা’লা বলেনঃ “ দৃষ্টিসমূহ তাঁকে প্রত্যক্ষ করতে পারে না, কিন্তু তিনি দৃষ্টিসমূহকে অনুধাবন করেন। তিনি অতিশয় সূক্ষদর্শী, সম্যক ওয়াকিফহাল “— (সূরা আল-আন’আম ১০৩); “কোন মানুষের এমন মর্যাদা নেই যে, আল্লাহ তা’আলা তার সাথে কথা বলবেন ওয়াহীর মাধ্যম ব্যতীত অথবা পর্দার অন্তরাল ব্যতীত “— (সূরা আশ-শুরা ৫১)। আমি হেলান দেয়া অবস্থায় ছিলাম। আমি উঠে সোজা হয়ে বসে বললাম, হে উম্মুল মু’মিনীন! থামুন, আমাকে বলার সুযোগ দিন। তাড়াহুড়া করবেন না। আল্লাহ তা’আলা কি বলেননি? “ নিশ্চয়ই সে তাকে আরেকবার দেখেছিল“ – (সূরা আন্‌-নাজ্‌ম ১৩)। ‘সে তো তাকে উজ্জ্বল দিগন্তে দেখেছে”- (সূরা আত্‌-তাকবীর ২৩)। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেনঃ আলাহ্‌র শপথ! রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে আমিই সর্বপ্রথম এ বিষয়ে প্রশ্ন করেছি। তিনি বলেছেনঃ সে তো জিবরীল। আমি তাকে তার আসল আকৃতিতে এ দু’বারি দেখেছি। আমি তাকে আসমান হতে অবতরন করতে দেখেছি। তার দেহাবয়ব এতো প্রকাণ্ড যে, তা আসমান ও যামীনের মাঝখানের সবটুকু স্হান ঢেকে ফেলেছিল। (দুই) যে ব্যক্তি এ ধারনা করে যে, আল্লাহ তা’আলা রাসুলুল্লাহ (সাল্লালহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর যা অবতীর্ণ করেছেন, তিনি তার কিছুটা গোপন করেছেন, সেও আল্লাহ তা’আলার উপর ভীষণ অপবাদ আরোপ করল। কেননা আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ “ হে রাসুল! তোমার প্রতিপালকের পক্ষ হতে তোমার উপর যা অবতীর্ণ করা হয়েছে, তা (লোকদের নিকট) পৌঁছে দাও...“ (সূরা আল-মায়িদাহ্‌ ৬৭)। (তিন) যে ব্যক্তি ধারনা করে যে, আগামী কাল কি ঘটবে তিনি (মুহাম্মাদ) তা জানেন, সেও আল্লাহ তা’আলার উপর ভীষণ মিথ্যারোপ করল। কেননা আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ “ ব , আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত আসমান-যামীনে কেউই অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞান রাখে না’’ —(আন-নাম্‌ল ৬৫)। সহীহ : বুখারী , মুসলিম।

মাসরুক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ) এর নিকটে হেলান দিয়ে বসা ছিলাম। তিনি বললেন, হে আবূ ‘আয়িশাহ্‌! তিনটি বিষয় এমন যে, কোন ব্যক্তি এগুলার কোনটি বললে সে আল্লাহ তা’আলার উপর ভীষণ (মিথ্যা) অপবাদ চাপালো। যে ব্যক্তি এ ধারনা পোষণ করে যে, মুহাম্মাদ (সাল্লালাহু আআলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর প্রভুকে দেখেছেন, সে আল্লাহ তা’আলার উপর ভীষণ অপবাদ আরোপ করল। কেননা আল্লাহ তা’লা বলেনঃ “ দৃষ্টিসমূহ তাঁকে প্রত্যক্ষ করতে পারে না, কিন্তু তিনি দৃষ্টিসমূহকে অনুধাবন করেন। তিনি অতিশয় সূক্ষদর্শী, সম্যক ওয়াকিফহাল “— (সূরা আল-আন’আম ১০৩); “কোন মানুষের এমন মর্যাদা নেই যে, আল্লাহ তা’আলা তার সাথে কথা বলবেন ওয়াহীর মাধ্যম ব্যতীত অথবা পর্দার অন্তরাল ব্যতীত “— (সূরা আশ-শুরা ৫১)। আমি হেলান দেয়া অবস্থায় ছিলাম। আমি উঠে সোজা হয়ে বসে বললাম, হে উম্মুল মু’মিনীন! থামুন, আমাকে বলার সুযোগ দিন। তাড়াহুড়া করবেন না। আল্লাহ তা’আলা কি বলেননি? “ নিশ্চয়ই সে তাকে আরেকবার দেখেছিল“ – (সূরা আন্‌-নাজ্‌ম ১৩)। ‘সে তো তাকে উজ্জ্বল দিগন্তে দেখেছে”- (সূরা আত্‌-তাকবীর ২৩)। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেনঃ আলাহ্‌র শপথ! রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে আমিই সর্বপ্রথম এ বিষয়ে প্রশ্ন করেছি। তিনি বলেছেনঃ সে তো জিবরীল। আমি তাকে তার আসল আকৃতিতে এ দু’বারি দেখেছি। আমি তাকে আসমান হতে অবতরন করতে দেখেছি। তার দেহাবয়ব এতো প্রকাণ্ড যে, তা আসমান ও যামীনের মাঝখানের সবটুকু স্হান ঢেকে ফেলেছিল। (দুই) যে ব্যক্তি এ ধারনা করে যে, আল্লাহ তা’আলা রাসুলুল্লাহ (সাল্লালহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর যা অবতীর্ণ করেছেন, তিনি তার কিছুটা গোপন করেছেন, সেও আল্লাহ তা’আলার উপর ভীষণ অপবাদ আরোপ করল। কেননা আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ “ হে রাসুল! তোমার প্রতিপালকের পক্ষ হতে তোমার উপর যা অবতীর্ণ করা হয়েছে, তা (লোকদের নিকট) পৌঁছে দাও...“ (সূরা আল-মায়িদাহ্‌ ৬৭)। (তিন) যে ব্যক্তি ধারনা করে যে, আগামী কাল কি ঘটবে তিনি (মুহাম্মাদ) তা জানেন, সেও আল্লাহ তা’আলার উপর ভীষণ মিথ্যারোপ করল। কেননা আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ “ ব , আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত আসমান-যামীনে কেউই অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞান রাখে না’’ —(আন-নাম্‌ল ৬৫)। সহীহ : বুখারী , মুসলিম।

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا إسحاق بن يوسف الأزرق، حدثنا داود بن أبي هند، عن الشعبي، عن مسروق، قال كنت متكئا عند عائشة فقالت يا أبا عائشة ثلاث من تكلم بواحدة منهن فقد أعظم على الله الفرية من زعم أن محمدا رأى ربه فقد أعظم الفرية على الله والله يقول ‏:‏ ‏(‏ لا تدركه الأبصار وهو يدرك الأبصار وهو اللطيف الخبير ‏)‏ ، ‏(‏ ما كان لبشر أن يكلمه الله إلا وحيا أو من وراء حجاب ‏)‏ وكنت متكئا فجلست فقلت يا أم المؤمنين أنظريني ولا تعجليني أليس يقول الله ‏:‏ ‏(‏ ولقد رآه نزلة أخرى ‏)‏، ‏(‏ ولقد رآه بالأفق المبين ‏)‏ قالت أنا والله أول من سأل عن هذا رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ إنما ذاك جبريل ما رأيته في الصورة التي خلق فيها غير هاتين المرتين رأيته منهبطا من السماء سادا عظم خلقه ما بين السماء والأرض ‏"‏ ‏.‏ ومن زعم أن محمدا كتم شيئا مما أنزل الله عليه فقد أعظم الفرية على الله يقول الله ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الرسول بلغ ما أنزل إليك من ربك ‏)‏ ومن زعم أنه يعلم ما في غد فقد أعظم الفرية على الله والله يقول ‏:‏ ‏(‏قل لا يعلم من في السموات والأرض الغيب إلا الله ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ومسروق بن الأجدع يكنى أبا عائشة وهو مسروق بن عبد الرحمن وهكذا كان اسمه في الديوان ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৭২

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا يعلى بن عبيد، عن فضيل بن غزوان، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ثلاث إذا خرجن ‏:‏ ‏(‏لم ينفع نفسا إيمانها لم تكن آمنت من قبل ‏)‏ الآية الدجال والدابة وطلوع الشمس من المغرب أو من مغربها ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وأبو حازم هو الأشجعي الكوفي واسمه سلمان مولى عزة الأشجعية ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তিনটি নিদর্শন যখন প্রকাশিত হবে “তখন কারো ঈমান আনয়নে কোন উপকারে আসবে না - যারা ইতিপূর্বে ঈমান আনেনি বা যারা নিজেদের ঈমান মতো নেক ‘আমাল করেনি” (সূরা আন’আম ১৫৮)। সেই তিনটি নিদর্শন হল দাজ্জাল, দাব্বাতুল আরয ও পশ্চিম দিগন্ত হতে সূর্যোদয়। সহীহ : মুসলিম (১/৯৫-৯৬)।

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তিনটি নিদর্শন যখন প্রকাশিত হবে “তখন কারো ঈমান আনয়নে কোন উপকারে আসবে না - যারা ইতিপূর্বে ঈমান আনেনি বা যারা নিজেদের ঈমান মতো নেক ‘আমাল করেনি” (সূরা আন’আম ১৫৮)। সেই তিনটি নিদর্শন হল দাজ্জাল, দাব্বাতুল আরয ও পশ্চিম দিগন্ত হতে সূর্যোদয়। সহীহ : মুসলিম (১/৯৫-৯৬)।

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا يعلى بن عبيد، عن فضيل بن غزوان، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ثلاث إذا خرجن ‏:‏ ‏(‏لم ينفع نفسا إيمانها لم تكن آمنت من قبل ‏)‏ الآية الدجال والدابة وطلوع الشمس من المغرب أو من مغربها ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وأبو حازم هو الأشجعي الكوفي واسمه سلمان مولى عزة الأشجعية ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৭১

حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا أبي، عن ابن أبي ليلى، عن عطية، عن أبي سعيد، عن النبي صلى الله عليه وسلم في قول الله عز وجل ‏:‏ ‏(‏أو يأتي بعض آيات ربك ‏)‏ قال طلوع الشمس من مغربها ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ورواه بعضهم ولم يرفعه ‏.

আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ তা’আলার বানী “ অথবা তোমার প্রতিপালকের কোন নিদর্শন আসবে’’ (সূরা আন’আম ১৫৮) প্রসঙ্গে বলেন, তা হচ্ছে পশ্চিম দিগন্ত হতে সূর্যোদয়। সহীহ : মুসলিম (১/৯৫), আবূ হুরায়রা্‌ হতে আরো পূর্ণাঙ্গ রুপে।

আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ তা’আলার বানী “ অথবা তোমার প্রতিপালকের কোন নিদর্শন আসবে’’ (সূরা আন’আম ১৫৮) প্রসঙ্গে বলেন, তা হচ্ছে পশ্চিম দিগন্ত হতে সূর্যোদয়। সহীহ : মুসলিম (১/৯৫), আবূ হুরায়রা্‌ হতে আরো পূর্ণাঙ্গ রুপে।

حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا أبي، عن ابن أبي ليلى، عن عطية، عن أبي سعيد، عن النبي صلى الله عليه وسلم في قول الله عز وجل ‏:‏ ‏(‏أو يأتي بعض آيات ربك ‏)‏ قال طلوع الشمس من مغربها ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ورواه بعضهم ولم يرفعه ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৭৩

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ قال الله عز وجل وقوله الحق إذا هم عبدي بحسنة فاكتبوها له حسنة فإن عملها فاكتبوها له بعشر أمثالها وإذا هم بسيئة فلا تكتبوها فإن عملها فاكتبوها بمثلها فإن تركها وربما قال لم يعمل بها فاكتبوها له حسنة ثم قرأ ‏:‏ ‏(‏ من جاء بالحسنة فله عشر أمثالها ‏)‏ ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বারাকাতময় আল্লাহ তা’আলা বলেন, আর তাঁর বাণী সম্পূর্ণ সত্য : আমার কোনো বান্দা যখন কোন ভালো কাজের ইচ্ছা পোষণ করে তখনি (বলেন) হে ফেরেশতাগণ! তোমরা তার জন্য একটি নেকি লিখো এবং সে যখন কাজটি করে তখন তার দশ গুন নেকি তার জন্য লিখো। পক্ষান্তরে সে কোন মন্দ কাজের ইচ্ছা পোষণ করলে তবে তোমরা তার কোন গুনাহ লিখো না, যদি সে তা করে তবে একটি মাত্র গুনাহই লিখো এবং যদি সে তা বর্জন করে বা কার্যকর না করে তার জন্য একটি নেকি লিখো। তারপর তিনি এ আয়াত পাঠ করেন (অনুবাদ) : “কেউ কোন সৎকাজ করলে সে তার দশ গুন পাবে এবং কেউ কোন অসৎ কাজ করলে তাকে শুধু এর প্রতিফল দেয়া হবে’’ —(সূরা আন’আম ১৬০)। সহীহ : রাওযুন নাযীর (২/ ৭৪২)। বুখারী , মুসলিম।

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বারাকাতময় আল্লাহ তা’আলা বলেন, আর তাঁর বাণী সম্পূর্ণ সত্য : আমার কোনো বান্দা যখন কোন ভালো কাজের ইচ্ছা পোষণ করে তখনি (বলেন) হে ফেরেশতাগণ! তোমরা তার জন্য একটি নেকি লিখো এবং সে যখন কাজটি করে তখন তার দশ গুন নেকি তার জন্য লিখো। পক্ষান্তরে সে কোন মন্দ কাজের ইচ্ছা পোষণ করলে তবে তোমরা তার কোন গুনাহ লিখো না, যদি সে তা করে তবে একটি মাত্র গুনাহই লিখো এবং যদি সে তা বর্জন করে বা কার্যকর না করে তার জন্য একটি নেকি লিখো। তারপর তিনি এ আয়াত পাঠ করেন (অনুবাদ) : “কেউ কোন সৎকাজ করলে সে তার দশ গুন পাবে এবং কেউ কোন অসৎ কাজ করলে তাকে শুধু এর প্রতিফল দেয়া হবে’’ —(সূরা আন’আম ১৬০)। সহীহ : রাওযুন নাযীর (২/ ৭৪২)। বুখারী , মুসলিম।

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ قال الله عز وجل وقوله الحق إذا هم عبدي بحسنة فاكتبوها له حسنة فإن عملها فاكتبوها له بعشر أمثالها وإذا هم بسيئة فلا تكتبوها فإن عملها فاكتبوها بمثلها فإن تركها وربما قال لم يعمل بها فاكتبوها له حسنة ثم قرأ ‏:‏ ‏(‏ من جاء بالحسنة فله عشر أمثالها ‏)‏ ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৬৪

حدثنا أبو كريب، حدثنا معاوية بن هشام، عن سفيان، عن أبي إسحاق، عن ناجية بن كعب، عن علي، أن أبا جهل، قال للنبي صلى الله عليه وسلم إنا لا نكذبك ولكن نكذب بما جئت به فأنزل الله ‏:‏ ‏(‏ إنهم لا يكذبونك ولكن الظالمين بآيات الله يجحدون ‏)‏ ‏.‏

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আবূ জাহল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলল, আমরা তো তোমাকে মিথ্যাবাদী বলি না, বরং তুমি যে জিনিস নিয়ে এসেছ তাকেই আমরা মিথ্যা মনে করি। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ্ তা’আলা অবতীর্ণ করেনঃ “কিন্তু তারা তো তোমাকে মিথ্যাবাদী বলে না, বরং যালিমরা আল্লাহ্ তা’আলার আয়াতসমূহকে অস্বীকার করে....” (সূরাঃ আল-আনআম- ৩৩)। সনদ দুর্বল।

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আবূ জাহল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলল, আমরা তো তোমাকে মিথ্যাবাদী বলি না, বরং তুমি যে জিনিস নিয়ে এসেছ তাকেই আমরা মিথ্যা মনে করি। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ্ তা’আলা অবতীর্ণ করেনঃ “কিন্তু তারা তো তোমাকে মিথ্যাবাদী বলে না, বরং যালিমরা আল্লাহ্ তা’আলার আয়াতসমূহকে অস্বীকার করে....” (সূরাঃ আল-আনআম- ৩৩)। সনদ দুর্বল।

حدثنا أبو كريب، حدثنا معاوية بن هشام، عن سفيان، عن أبي إسحاق، عن ناجية بن كعب، عن علي، أن أبا جهل، قال للنبي صلى الله عليه وسلم إنا لا نكذبك ولكن نكذب بما جئت به فأنزل الله ‏:‏ ‏(‏ إنهم لا يكذبونك ولكن الظالمين بآيات الله يجحدون ‏)‏ ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আল-আ’রাফ

জামে' আত-তিরমিজি ৩০৭৫

حدثنا الأنصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك بن أنس، عن زيد بن أبي أنيسة، عن عبد الحميد بن عبد الرحمن بن زيد بن الخطاب، عن مسلم بن يسار الجهني، أن عمر بن الخطاب، سئل عن هذه الآية ‏(‏ وإذ أخذ ربك من بني آدم من ظهورهم ذريتهم وأشهدهم على أنفسهم ألست بربكم قالوا بلى شهدنا أن تقولوا يوم القيامة إنا كنا عن هذا غافلين ‏)‏ قال عمر بن الخطاب سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عنها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن الله خلق آدم ثم مسح ظهره بيمينه فاستخرج منه ذرية فقال خلقت هؤلاء للجنة وبعمل أهل الجنة يعملون ثم مسح ظهره فاستخرج منه ذرية فقال خلقت هؤلاء للنار وبعمل أهل النار يعملون ‏"‏ ‏.‏ فقال رجل يا رسول الله ففيم العمل قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن الله إذا خلق العبد للجنة استعمله بعمل أهل الجنة حتى يموت على عمل من أعمال أهل الجنة فيدخله الله الجنة وإذا خلق العبد للنار استعمله بعمل أهل النار حتى يموت على عمل من أعمال أهل النار فيدخله الله النار ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن ‏.‏ ومسلم بن يسار لم يسمع من عمر وقد ذكر بعضهم في هذا الإسناد بين مسلم بن يسار وبين عمر رجلا مجهولا ‏.‏

মুসলিম ইবনু ইয়াসার আল-জুহানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে এ আয়াত প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হয়েছিলঃ “যখন তোমার রব আদম সন্তানের পৃষ্ঠদেশ হতে তাদের বংশধরদের বের করলেন এবং তাদের নিজেদের সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করে প্রশ্ন করেনঃ ‘আমি কি তোমাদের রব নই!’ তারা বললঃ হ্যাঁ নিশ্চয়ই, আমরা সাক্ষী রইলাম। তা এজন্য যে, তোমরা কিয়ামাতের দিন যেন না বল, আমরা তো এ ব্যাপারে বেখবর ছিলাম” (সূরাঃ আল- আ’রাফ- ১৭২)। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটও আমি এ আয়াত প্রসঙ্গে প্রশ্ন করতে শুনেছি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা আদম আলাইহিস সালামকে সৃষ্টি করলেন, তারপর আপন ডান হাত তাঁর পিঠে বুলালেন এবং তা থেকে তাঁর একদল (ভাবী) সন্তান বের করলেন। তিনি বললেন, এদের আমি জান্নাতের জন্য এবং জান্নাতীদের কাজ করতে সৃষ্টি করেছি। সুতরাং এরা জান্নাতীদের আমলই করবে। তিনি পুনরায় আদমের পিঠে হাত বুলালেন এবং সেখান থেকে তাঁর (অপর) একদল সন্তান বের করলেন। তিনি বললেন, এদের আমি জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেছি। জাহান্নামীদের মত কাজই তারা করবে। একজন বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! তাহলে তদবির আর কিসের জন্য? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা যখন কোন বান্দাকে জান্নাতের জন্য সৃষ্টি করেন, তখন তার দ্বারা জান্নাতীদের কাজই করিয়ে নেন। সে জান্নাতীদের যোগ্য কাজ করে ইন্তেকাল করে এবং আল্লাহ্ তা’আলা তাকে জান্নাতে পেশ করেন। অপরদিকে যখন আল্লাহ্ তা’আলা কোন বান্দাকে জাহান্নামের উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করেন, তার দ্বারা জাহান্নামীদের কাজ করিয়ে নেন। সে জাহান্নামীদের কাজ করেই মৃত্যুবরণ করে। শেষে আল্লাহ্ তা’আলা তাকে জাহান্নামে পেশ করেন। দুর্বল, আয্ যিলাল (১৯৬), যঈফা (৩০৭১)

মুসলিম ইবনু ইয়াসার আল-জুহানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে এ আয়াত প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হয়েছিলঃ “যখন তোমার রব আদম সন্তানের পৃষ্ঠদেশ হতে তাদের বংশধরদের বের করলেন এবং তাদের নিজেদের সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করে প্রশ্ন করেনঃ ‘আমি কি তোমাদের রব নই!’ তারা বললঃ হ্যাঁ নিশ্চয়ই, আমরা সাক্ষী রইলাম। তা এজন্য যে, তোমরা কিয়ামাতের দিন যেন না বল, আমরা তো এ ব্যাপারে বেখবর ছিলাম” (সূরাঃ আল- আ’রাফ- ১৭২)। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটও আমি এ আয়াত প্রসঙ্গে প্রশ্ন করতে শুনেছি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা আদম আলাইহিস সালামকে সৃষ্টি করলেন, তারপর আপন ডান হাত তাঁর পিঠে বুলালেন এবং তা থেকে তাঁর একদল (ভাবী) সন্তান বের করলেন। তিনি বললেন, এদের আমি জান্নাতের জন্য এবং জান্নাতীদের কাজ করতে সৃষ্টি করেছি। সুতরাং এরা জান্নাতীদের আমলই করবে। তিনি পুনরায় আদমের পিঠে হাত বুলালেন এবং সেখান থেকে তাঁর (অপর) একদল সন্তান বের করলেন। তিনি বললেন, এদের আমি জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেছি। জাহান্নামীদের মত কাজই তারা করবে। একজন বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! তাহলে তদবির আর কিসের জন্য? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা যখন কোন বান্দাকে জান্নাতের জন্য সৃষ্টি করেন, তখন তার দ্বারা জান্নাতীদের কাজই করিয়ে নেন। সে জান্নাতীদের যোগ্য কাজ করে ইন্তেকাল করে এবং আল্লাহ্ তা’আলা তাকে জান্নাতে পেশ করেন। অপরদিকে যখন আল্লাহ্ তা’আলা কোন বান্দাকে জাহান্নামের উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করেন, তার দ্বারা জাহান্নামীদের কাজ করিয়ে নেন। সে জাহান্নামীদের কাজ করেই মৃত্যুবরণ করে। শেষে আল্লাহ্ তা’আলা তাকে জাহান্নামে পেশ করেন। দুর্বল, আয্ যিলাল (১৯৬), যঈফা (৩০৭১)

حدثنا الأنصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك بن أنس، عن زيد بن أبي أنيسة، عن عبد الحميد بن عبد الرحمن بن زيد بن الخطاب، عن مسلم بن يسار الجهني، أن عمر بن الخطاب، سئل عن هذه الآية ‏(‏ وإذ أخذ ربك من بني آدم من ظهورهم ذريتهم وأشهدهم على أنفسهم ألست بربكم قالوا بلى شهدنا أن تقولوا يوم القيامة إنا كنا عن هذا غافلين ‏)‏ قال عمر بن الخطاب سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عنها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن الله خلق آدم ثم مسح ظهره بيمينه فاستخرج منه ذرية فقال خلقت هؤلاء للجنة وبعمل أهل الجنة يعملون ثم مسح ظهره فاستخرج منه ذرية فقال خلقت هؤلاء للنار وبعمل أهل النار يعملون ‏"‏ ‏.‏ فقال رجل يا رسول الله ففيم العمل قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن الله إذا خلق العبد للجنة استعمله بعمل أهل الجنة حتى يموت على عمل من أعمال أهل الجنة فيدخله الله الجنة وإذا خلق العبد للنار استعمله بعمل أهل النار حتى يموت على عمل من أعمال أهل النار فيدخله الله النار ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن ‏.‏ ومسلم بن يسار لم يسمع من عمر وقد ذكر بعضهم في هذا الإسناد بين مسلم بن يسار وبين عمر رجلا مجهولا ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৭৬

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا أبو نعيم، حدثنا هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لما خلق الله آدم مسح ظهره فسقط من ظهره كل نسمة هو خالقها من ذريته إلى يوم القيامة وجعل بين عينى كل إنسان منهم وبيصا من نور ثم عرضهم على آدم فقال أى رب من هؤلاء قال هؤلاء ذريتك فرأى رجلا منهم فأعجبه وبيص ما بين عينيه فقال أى رب من هذا فقال هذا رجل من آخر الأمم من ذريتك يقال له داود ‏.‏ فقال رب كم جعلت عمره قال ستين سنة قال أى رب زده من عمري أربعين سنة ‏.‏ فلما انقضى عمر آدم جاءه ملك الموت فقال أولم يبق من عمري أربعون سنة قال أولم تعطها ابنك داود قال فجحد آدم فجحدت ذريته ونسي آدم فنسيت ذريته وخطئ آدم فخطئت ذريته ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وقد روي من غير وجه عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন আল্লাহ তা’আলা আদম (আঃ) কে সৃষ্টি করলেন তখন তিনি তার পিঠ মাসেহ করলেন। এতে তাঁর পিঠ থেকে তাঁর সমস্ত সন্তান বের হলো, যাদের তিনি ক্বিয়ামাত পর্যন্ত সৃষ্টি করবেন। তিনি তাদের প্রত্যেকের দুই চোখের মাঝখানে নূরের ঔজ্জল্য সৃষ্টি করলেন, অতঃপর তাদেরকে আদম (আঃ) এর সামনে পেশ করলেন। আদম (আঃ) বললেনঃ হে প্রভু! এরা কারা? আল্লাহ বললেন, এরা তোমার সন্তান। আদমের দৃষ্টি তার সন্তানদের একজনের উপর পড়লো যাঁর দুই চোখের মাঝখানের ঔজ্জল্যে তিনি বিস্মিত হলেন। তিনি বললেন, হে আমার প্রভু! ইনি কে? আল্লাহ তা’আলা বললেনঃ শেষ যামানার উম্মাতের অন্তর্গত তোমার সন্তানদের একজন। তার নাম দাউদ (‘আঃ)। আদম (‘আঃ) বললেনঃ হে আমার রব! আপনি তাঁর বয়স কত নির্ধারণ করেছেন? আল্লাহ বললেনঃ ৬০ বছর। আদম (‘আঃ) বললেনঃ পরোয়ারদিগার! আমার বয়স থেকে ৪০ বছর (কেটে) তাকে দিন। আদম (‘আঃ) এর বয়স শেষ হয়ে গেলে তাঁর নিকট মালাকুত মউত _ আযরাইল) এসে হাযির হন। আদম (‘আঃ) বললেনঃ আমার বয়সের কি আরো ৪০ বছর অবশিষ্ট নেই? তিনি বললেনঃ আপনি কি আপনার সন্তান দাউদকে দান করেননি? রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আদম (‘আঃ) অস্বীকার করলেন, তাই তার সন্তানরাও অস্বীকার করে থাকে। আদম (‘আঃ) ভুলে গিয়েছিলেন, তাই তাঁর সন্তানদেরও ত্রুটি বিচ্যুতি হয়ে থাকে। সহীহ : আয যিলাল (২০৬), তাখরীজুত্‌ তাহাবীয়াহ (২২০ ,২২১)।

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন আল্লাহ তা’আলা আদম (আঃ) কে সৃষ্টি করলেন তখন তিনি তার পিঠ মাসেহ করলেন। এতে তাঁর পিঠ থেকে তাঁর সমস্ত সন্তান বের হলো, যাদের তিনি ক্বিয়ামাত পর্যন্ত সৃষ্টি করবেন। তিনি তাদের প্রত্যেকের দুই চোখের মাঝখানে নূরের ঔজ্জল্য সৃষ্টি করলেন, অতঃপর তাদেরকে আদম (আঃ) এর সামনে পেশ করলেন। আদম (আঃ) বললেনঃ হে প্রভু! এরা কারা? আল্লাহ বললেন, এরা তোমার সন্তান। আদমের দৃষ্টি তার সন্তানদের একজনের উপর পড়লো যাঁর দুই চোখের মাঝখানের ঔজ্জল্যে তিনি বিস্মিত হলেন। তিনি বললেন, হে আমার প্রভু! ইনি কে? আল্লাহ তা’আলা বললেনঃ শেষ যামানার উম্মাতের অন্তর্গত তোমার সন্তানদের একজন। তার নাম দাউদ (‘আঃ)। আদম (‘আঃ) বললেনঃ হে আমার রব! আপনি তাঁর বয়স কত নির্ধারণ করেছেন? আল্লাহ বললেনঃ ৬০ বছর। আদম (‘আঃ) বললেনঃ পরোয়ারদিগার! আমার বয়স থেকে ৪০ বছর (কেটে) তাকে দিন। আদম (‘আঃ) এর বয়স শেষ হয়ে গেলে তাঁর নিকট মালাকুত মউত _ আযরাইল) এসে হাযির হন। আদম (‘আঃ) বললেনঃ আমার বয়সের কি আরো ৪০ বছর অবশিষ্ট নেই? তিনি বললেনঃ আপনি কি আপনার সন্তান দাউদকে দান করেননি? রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আদম (‘আঃ) অস্বীকার করলেন, তাই তার সন্তানরাও অস্বীকার করে থাকে। আদম (‘আঃ) ভুলে গিয়েছিলেন, তাই তাঁর সন্তানদেরও ত্রুটি বিচ্যুতি হয়ে থাকে। সহীহ : আয যিলাল (২০৬), তাখরীজুত্‌ তাহাবীয়াহ (২২০ ,২২১)।

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا أبو نعيم، حدثنا هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لما خلق الله آدم مسح ظهره فسقط من ظهره كل نسمة هو خالقها من ذريته إلى يوم القيامة وجعل بين عينى كل إنسان منهم وبيصا من نور ثم عرضهم على آدم فقال أى رب من هؤلاء قال هؤلاء ذريتك فرأى رجلا منهم فأعجبه وبيص ما بين عينيه فقال أى رب من هذا فقال هذا رجل من آخر الأمم من ذريتك يقال له داود ‏.‏ فقال رب كم جعلت عمره قال ستين سنة قال أى رب زده من عمري أربعين سنة ‏.‏ فلما انقضى عمر آدم جاءه ملك الموت فقال أولم يبق من عمري أربعون سنة قال أولم تعطها ابنك داود قال فجحد آدم فجحدت ذريته ونسي آدم فنسيت ذريته وخطئ آدم فخطئت ذريته ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وقد روي من غير وجه عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৭৪

حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، أخبرنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم قرأ هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ فلما تجلى ربه للجبل جعله دكا ‏)‏ قال حماد هكذا وأمسك سليمان بطرف إبهامه على أنملة إصبعه اليمنى قال فساخ الجبل ‏(‏ وخر موسى صعقا ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح لا نعرفه إلا من حديث حماد بن سلمة ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ আয়াত পাঠ করলেন (অনুবাদ) : “যখন তার প্রতিপালক পাহাড়ের উপর জ্যোতি প্রকাশ করলেন তখন তা একে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিল’’ —(সূরা আল-আ’রাফ ১৪৩)। হাম্মাদ (রহঃ) তাজাল্লীর ব্যাখ্যা করে বুঝিয়ে দেন এবং সুলাইমান বৃদ্ধাঙ্গুলির কিনারা দিয়ে ডান হাতের আঙ্গুলগুলোর মাথা স্পর্শ করেন। রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, এই জ্যোতিতে পাহাড় ধ্বসে গেল এবং মূসা (আঃ) চেতনা হারিয়ে ফেললেন। সহীহ : যিলা-লুল জান্নাত (৪৮০)।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ আয়াত পাঠ করলেন (অনুবাদ) : “যখন তার প্রতিপালক পাহাড়ের উপর জ্যোতি প্রকাশ করলেন তখন তা একে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিল’’ —(সূরা আল-আ’রাফ ১৪৩)। হাম্মাদ (রহঃ) তাজাল্লীর ব্যাখ্যা করে বুঝিয়ে দেন এবং সুলাইমান বৃদ্ধাঙ্গুলির কিনারা দিয়ে ডান হাতের আঙ্গুলগুলোর মাথা স্পর্শ করেন। রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, এই জ্যোতিতে পাহাড় ধ্বসে গেল এবং মূসা (আঃ) চেতনা হারিয়ে ফেললেন। সহীহ : যিলা-লুল জান্নাত (৪৮০)।

حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، أخبرنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم قرأ هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ فلما تجلى ربه للجبل جعله دكا ‏)‏ قال حماد هكذا وأمسك سليمان بطرف إبهامه على أنملة إصبعه اليمنى قال فساخ الجبل ‏(‏ وخر موسى صعقا ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح لا نعرفه إلا من حديث حماد بن سلمة ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৭৭

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الصمد بن عبد الوارث، حدثنا عمر بن إبراهيم، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة بن جندب، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لما حملت حواء طاف بها إبليس وكان لا يعيش لها ولد فقال سميه عبد الحارث ‏.‏ فسمته عبد الحارث فعاش وكان ذلك من وحى الشيطان وأمره ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه مرفوعا إلا من حديث عمر بن إبراهيم عن قتادة ‏.‏ ورواه بعضهم عن عبد الصمد ولم يرفعه عمر بن إبراهيم شيخ بصري ‏.‏

সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হাওয়া আলাইহিস সালাম গর্ভবতী হলে তাঁর নিকট শাইতান এলো। তাঁর সন্তান জীবিত থাকত না। শাইতান বলল, এর নাম আবদুল হারিস রাখুন। তিনি তার নাম আবদুল হারিস রাখলেন। এ সন্তান জীবিত রইল। আর এটা ছিল শাইতানের কুমন্ত্রণা। যঈফ, যঈফা (৩৪২)

সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হাওয়া আলাইহিস সালাম গর্ভবতী হলে তাঁর নিকট শাইতান এলো। তাঁর সন্তান জীবিত থাকত না। শাইতান বলল, এর নাম আবদুল হারিস রাখুন। তিনি তার নাম আবদুল হারিস রাখলেন। এ সন্তান জীবিত রইল। আর এটা ছিল শাইতানের কুমন্ত্রণা। যঈফ, যঈফা (৩৪২)

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الصمد بن عبد الوارث، حدثنا عمر بن إبراهيم، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة بن جندب، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لما حملت حواء طاف بها إبليس وكان لا يعيش لها ولد فقال سميه عبد الحارث ‏.‏ فسمته عبد الحارث فعاش وكان ذلك من وحى الشيطان وأمره ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه مرفوعا إلا من حديث عمر بن إبراهيم عن قتادة ‏.‏ ورواه بعضهم عن عبد الصمد ولم يرفعه عمر بن إبراهيم شيخ بصري ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৭৮

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا أبو نعيم، حدثنا هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لما خلق آدم ‏"‏ ‏.‏ الحديث ‏.

‘আবদ ইবনু হুমাইদ থেকে বর্নিতঃ

‘আবদ ইবনু হুমাইদ আবূ নু’আইম হতে, তিনি হিশাম ইবনু সা’দ হতে, তিনি যাইদ ইবনু আসলাম হতে, তিনি আবূ সালিহ হতে, তিনি আবূ হুরায়রা্‌ হতে বর্ণণা করেন যে, আবূ হুরায়রা্‌ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন আদম (‘আঃ) কে সৃষ্টি করা হল...পূর্বে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ।

‘আবদ ইবনু হুমাইদ থেকে বর্নিতঃ

‘আবদ ইবনু হুমাইদ আবূ নু’আইম হতে, তিনি হিশাম ইবনু সা’দ হতে, তিনি যাইদ ইবনু আসলাম হতে, তিনি আবূ সালিহ হতে, তিনি আবূ হুরায়রা্‌ হতে বর্ণণা করেন যে, আবূ হুরায়রা্‌ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন আদম (‘আঃ) কে সৃষ্টি করা হল...পূর্বে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ।

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا أبو نعيم، حدثنا هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لما خلق آدم ‏"‏ ‏.‏ الحديث ‏.


জামে' আত-তিরমিজি > সুরা আনফাল

জামে' আত-তিরমিজি ৩০৮০

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الرزاق، عن إسرائيل، عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال لما فرغ رسول الله صلى الله عليه وسلم من بدر قيل له عليك العير ليس دونها شيء قال فناداه العباس وهو في وثاقه لا يصلح وقال لأن الله وعدك إحدى الطائفتين وقد أعطاك ما وعدك قال ‏ "‏ صدقت ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বদর যুদ্ধ হতে ফুরসত হলে তাঁকে বলা হল, আপনি কাফিলার উপর হামলা করুন। কারণ তাদেরকে রক্ষাকারী কেউ নেই। রাবী বলেন, আব্বাস (রাঃ) তখন কাফির কয়েদীদের সাথে আটক থাকা অবস্থায় বলেন, এটা উচিত নয়। কারণ, আল্লাহ্ তা’আলা আপনার সাথে দুই দলের মধ্যে যে কোন একটির উপর বিজয়দানের প্রতিশ্রুতি করেছেন। আল্লাহ্ তা’আলা আপনার সাথে যে প্রতিশ্রুতি করেছিলেন তা তো তিনি আপনাকে দান করেছেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আপনি সঠিক বলেছেন। সনদ দুর্বল,

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বদর যুদ্ধ হতে ফুরসত হলে তাঁকে বলা হল, আপনি কাফিলার উপর হামলা করুন। কারণ তাদেরকে রক্ষাকারী কেউ নেই। রাবী বলেন, আব্বাস (রাঃ) তখন কাফির কয়েদীদের সাথে আটক থাকা অবস্থায় বলেন, এটা উচিত নয়। কারণ, আল্লাহ্ তা’আলা আপনার সাথে দুই দলের মধ্যে যে কোন একটির উপর বিজয়দানের প্রতিশ্রুতি করেছেন। আল্লাহ্ তা’আলা আপনার সাথে যে প্রতিশ্রুতি করেছিলেন তা তো তিনি আপনাকে দান করেছেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আপনি সঠিক বলেছেন। সনদ দুর্বল,

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الرزاق، عن إسرائيل، عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال لما فرغ رسول الله صلى الله عليه وسلم من بدر قيل له عليك العير ليس دونها شيء قال فناداه العباس وهو في وثاقه لا يصلح وقال لأن الله وعدك إحدى الطائفتين وقد أعطاك ما وعدك قال ‏ "‏ صدقت ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৮২

حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا ابن نمير، عن إسماعيل بن إبراهيم بن مهاجر، عن عباد بن يوسف، عن أبي بردة بن أبي موسى، عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أنزل الله على أمانين لأمتي ‏:‏ ‏(‏ وما كان الله ليعذبهم وأنت فيهم ‏)‏ ‏(‏ وما كان الله معذبهم وهم يستغفرون ‏)‏ إذا مضيت تركت فيهم الاستغفار إلى يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏ هذا حديث غريب ‏.‏ وإسماعيل بن إبراهيم بن مهاجر يضعف في الحديث ‏.‏

আবূ বুরদা ইবনু আবূ মূসা (রাঃ), তার পিতা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা আমার উম্মাতের জন্য আমার উপর দু’টি আমান বা সুরক্ষার উপায় অবতীর্ণ করেছেনঃ “আল্লাহ্ তা’আলা এমন নন যে, তুমি তাদের মধ্যে হাযির থাকা অবস্থায় তিনি তাদেরকে শাস্তি দিবেন এবং আল্লাহ্ তা’আলা এমনও নন যে, তারা ক্ষমা প্রার্থণারত অবস্থায় তিনি তাদের শাস্তি দিবেন” (সূরাঃ আল-আনফাল- ৩৩)। আমি যখন চলে যাব তখন কিয়ামাত পর্যন্ত তাদের মধ্যে ক্ষমা প্রার্থণার উপায়টি রেখে যাব। সনদ দুর্বল।

আবূ বুরদা ইবনু আবূ মূসা (রাঃ), তার পিতা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা আমার উম্মাতের জন্য আমার উপর দু’টি আমান বা সুরক্ষার উপায় অবতীর্ণ করেছেনঃ “আল্লাহ্ তা’আলা এমন নন যে, তুমি তাদের মধ্যে হাযির থাকা অবস্থায় তিনি তাদেরকে শাস্তি দিবেন এবং আল্লাহ্ তা’আলা এমনও নন যে, তারা ক্ষমা প্রার্থণারত অবস্থায় তিনি তাদের শাস্তি দিবেন” (সূরাঃ আল-আনফাল- ৩৩)। আমি যখন চলে যাব তখন কিয়ামাত পর্যন্ত তাদের মধ্যে ক্ষমা প্রার্থণার উপায়টি রেখে যাব। সনদ দুর্বল।

حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا ابن نمير، عن إسماعيل بن إبراهيم بن مهاجر، عن عباد بن يوسف، عن أبي بردة بن أبي موسى، عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أنزل الله على أمانين لأمتي ‏:‏ ‏(‏ وما كان الله ليعذبهم وأنت فيهم ‏)‏ ‏(‏ وما كان الله معذبهم وهم يستغفرون ‏)‏ إذا مضيت تركت فيهم الاستغفار إلى يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏ هذا حديث غريب ‏.‏ وإسماعيل بن إبراهيم بن مهاجر يضعف في الحديث ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৭৯

حدثنا أبو كريب، حدثنا أبو بكر بن عياش، عن عاصم بن بهدلة، عن مصعب بن سعد، عن أبيه، قال لما كان يوم بدر جئت بسيف فقلت يا رسول الله إن الله قد شفى صدري من المشركين أو نحو هذا هب لي هذا السيف ‏.‏ فقال ‏"‏ هذا ليس لي ولا لك ‏"‏ ‏.‏ فقلت عسى أن يعطى هذا من لا يبلي بلائي فجاءني الرسول فقال ‏"‏ إنك سألتني وليس لي وقد صار لي وهو لك ‏"‏ ‏.‏ قال فنزلت ‏:‏ ‏(‏ يسألونك عن الأنفال ‏)‏ الآية ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وقد رواه سماك بن حرب عن مصعب بن سعد أيضا ‏.‏ وفي الباب عن عبادة بن الصامت ‏.‏

মুস’আব ইবনু সা’দ (রহঃ), তার বাবা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বদরের যুদ্ধের দিন আমি একটি তলোয়ার নিয়ে আসলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ তা’আলা আমার হৃদয়কে মুশরিকদের পরাজিত করে প্রশান্তি দান করবেন, অথবা অনুরূপ বলেছেন। আপনি আমাকে এ তলোয়ারটি দিন। তিনি বললেনঃ এটা তো আমারও নয়, তোমারও নয়। আমি (মনে মনে) বললাম, তলোয়ারটি হয়তো এমন কাউকে দেয়া হবে যে আমার মত পরীক্ষার মুখোমুখী হতে পারবে না। এমন সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট এসে বললেনঃ তুমি আমার নিকট এ তলোয়ারটি চেয়েছিলে। তখন এটি আমার ছিল না, কিন্তু এখন তা আমার হয়েছে। অতএব এটি তোমাকে দিলাম। বর্ণণাকারী বলেম, এ প্রসঙ্গেই অবতীর্ণ হল (অনুবাদ) : “লোকেরা তোমার নিকট যুদ্ধলব্ধ মাল প্রসঙ্গে প্রশ্ন করে। বল, যুদ্ধলব্ধ মাল আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের...” – (সুরা আল-আনফাল ১)। হাসান সহীহ : সহীহ আবূ দাঊদ (২৭৪৭), মুসলিম।

মুস’আব ইবনু সা’দ (রহঃ), তার বাবা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বদরের যুদ্ধের দিন আমি একটি তলোয়ার নিয়ে আসলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ তা’আলা আমার হৃদয়কে মুশরিকদের পরাজিত করে প্রশান্তি দান করবেন, অথবা অনুরূপ বলেছেন। আপনি আমাকে এ তলোয়ারটি দিন। তিনি বললেনঃ এটা তো আমারও নয়, তোমারও নয়। আমি (মনে মনে) বললাম, তলোয়ারটি হয়তো এমন কাউকে দেয়া হবে যে আমার মত পরীক্ষার মুখোমুখী হতে পারবে না। এমন সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট এসে বললেনঃ তুমি আমার নিকট এ তলোয়ারটি চেয়েছিলে। তখন এটি আমার ছিল না, কিন্তু এখন তা আমার হয়েছে। অতএব এটি তোমাকে দিলাম। বর্ণণাকারী বলেম, এ প্রসঙ্গেই অবতীর্ণ হল (অনুবাদ) : “লোকেরা তোমার নিকট যুদ্ধলব্ধ মাল প্রসঙ্গে প্রশ্ন করে। বল, যুদ্ধলব্ধ মাল আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের...” – (সুরা আল-আনফাল ১)। হাসান সহীহ : সহীহ আবূ দাঊদ (২৭৪৭), মুসলিম।

حدثنا أبو كريب، حدثنا أبو بكر بن عياش، عن عاصم بن بهدلة، عن مصعب بن سعد، عن أبيه، قال لما كان يوم بدر جئت بسيف فقلت يا رسول الله إن الله قد شفى صدري من المشركين أو نحو هذا هب لي هذا السيف ‏.‏ فقال ‏"‏ هذا ليس لي ولا لك ‏"‏ ‏.‏ فقلت عسى أن يعطى هذا من لا يبلي بلائي فجاءني الرسول فقال ‏"‏ إنك سألتني وليس لي وقد صار لي وهو لك ‏"‏ ‏.‏ قال فنزلت ‏:‏ ‏(‏ يسألونك عن الأنفال ‏)‏ الآية ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وقد رواه سماك بن حرب عن مصعب بن سعد أيضا ‏.‏ وفي الباب عن عبادة بن الصامت ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৭৯

حدثنا أبو كريب، حدثنا أبو بكر بن عياش، عن عاصم بن بهدلة، عن مصعب بن سعد، عن أبيه، قال لما كان يوم بدر جئت بسيف فقلت يا رسول الله إن الله قد شفى صدري من المشركين أو نحو هذا هب لي هذا السيف ‏.‏ فقال ‏"‏ هذا ليس لي ولا لك ‏"‏ ‏.‏ فقلت عسى أن يعطى هذا من لا يبلي بلائي فجاءني الرسول فقال ‏"‏ إنك سألتني وليس لي وقد صار لي وهو لك ‏"‏ ‏.‏ قال فنزلت ‏:‏ ‏(‏ يسألونك عن الأنفال ‏)‏ الآية ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وقد رواه سماك بن حرب عن مصعب بن سعد أيضا ‏.‏ وفي الباب عن عبادة بن الصامت ‏.‏

মুস’আব ইবনু সা’দ (রহঃ), তার বাবা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বদরের যুদ্ধের দিন আমি একটি তলোয়ার নিয়ে আসলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ তা’আলা আমার হৃদয়কে মুশরিকদের পরাজিত করে প্রশান্তি দান করবেন, অথবা অনুরূপ বলেছেন। আপনি আমাকে এ তলোয়ারটি দিন। তিনি বললেনঃ এটা তো আমারও নয়, তোমারও নয়। আমি (মনে মনে) বললাম, তলোয়ারটি হয়তো এমন কাউকে দেয়া হবে যে আমার মত পরীক্ষার মুখোমুখী হতে পারবে না। এমন সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট এসে বললেনঃ তুমি আমার নিকট এ তলোয়ারটি চেয়েছিলে। তখন এটি আমার ছিল না, কিন্তু এখন তা আমার হয়েছে। অতএব এটি তোমাকে দিলাম। বর্ণণাকারী বলেম, এ প্রসঙ্গেই অবতীর্ণ হল (অনুবাদ) : “লোকেরা তোমার নিকট যুদ্ধলব্ধ মাল প্রসঙ্গে প্রশ্ন করে। বল, যুদ্ধলব্ধ মাল আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের...” – (সুরা আল-আনফাল ১)। হাসান সহীহ : সহীহ আবূ দাঊদ (২৭৪৭), মুসলিম।

মুস’আব ইবনু সা’দ (রহঃ), তার বাবা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বদরের যুদ্ধের দিন আমি একটি তলোয়ার নিয়ে আসলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ তা’আলা আমার হৃদয়কে মুশরিকদের পরাজিত করে প্রশান্তি দান করবেন, অথবা অনুরূপ বলেছেন। আপনি আমাকে এ তলোয়ারটি দিন। তিনি বললেনঃ এটা তো আমারও নয়, তোমারও নয়। আমি (মনে মনে) বললাম, তলোয়ারটি হয়তো এমন কাউকে দেয়া হবে যে আমার মত পরীক্ষার মুখোমুখী হতে পারবে না। এমন সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট এসে বললেনঃ তুমি আমার নিকট এ তলোয়ারটি চেয়েছিলে। তখন এটি আমার ছিল না, কিন্তু এখন তা আমার হয়েছে। অতএব এটি তোমাকে দিলাম। বর্ণণাকারী বলেম, এ প্রসঙ্গেই অবতীর্ণ হল (অনুবাদ) : “লোকেরা তোমার নিকট যুদ্ধলব্ধ মাল প্রসঙ্গে প্রশ্ন করে। বল, যুদ্ধলব্ধ মাল আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের...” – (সুরা আল-আনফাল ১)। হাসান সহীহ : সহীহ আবূ দাঊদ (২৭৪৭), মুসলিম।

حدثنا أبو كريب، حدثنا أبو بكر بن عياش، عن عاصم بن بهدلة، عن مصعب بن سعد، عن أبيه، قال لما كان يوم بدر جئت بسيف فقلت يا رسول الله إن الله قد شفى صدري من المشركين أو نحو هذا هب لي هذا السيف ‏.‏ فقال ‏"‏ هذا ليس لي ولا لك ‏"‏ ‏.‏ فقلت عسى أن يعطى هذا من لا يبلي بلائي فجاءني الرسول فقال ‏"‏ إنك سألتني وليس لي وقد صار لي وهو لك ‏"‏ ‏.‏ قال فنزلت ‏:‏ ‏(‏ يسألونك عن الأنفال ‏)‏ الآية ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وقد رواه سماك بن حرب عن مصعب بن سعد أيضا ‏.‏ وفي الباب عن عبادة بن الصامت ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৭৯

حدثنا أبو كريب، حدثنا أبو بكر بن عياش، عن عاصم بن بهدلة، عن مصعب بن سعد، عن أبيه، قال لما كان يوم بدر جئت بسيف فقلت يا رسول الله إن الله قد شفى صدري من المشركين أو نحو هذا هب لي هذا السيف ‏.‏ فقال ‏"‏ هذا ليس لي ولا لك ‏"‏ ‏.‏ فقلت عسى أن يعطى هذا من لا يبلي بلائي فجاءني الرسول فقال ‏"‏ إنك سألتني وليس لي وقد صار لي وهو لك ‏"‏ ‏.‏ قال فنزلت ‏:‏ ‏(‏ يسألونك عن الأنفال ‏)‏ الآية ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وقد رواه سماك بن حرب عن مصعب بن سعد أيضا ‏.‏ وفي الباب عن عبادة بن الصامت ‏.‏

মুস’আব ইবনু সা’দ (রহঃ), তার বাবা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বদরের যুদ্ধের দিন আমি একটি তলোয়ার নিয়ে আসলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ তা’আলা আমার হৃদয়কে মুশরিকদের পরাজিত করে প্রশান্তি দান করবেন, অথবা অনুরূপ বলেছেন। আপনি আমাকে এ তলোয়ারটি দিন। তিনি বললেনঃ এটা তো আমারও নয়, তোমারও নয়। আমি (মনে মনে) বললাম, তলোয়ারটি হয়তো এমন কাউকে দেয়া হবে যে আমার মত পরীক্ষার মুখোমুখী হতে পারবে না। এমন সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট এসে বললেনঃ তুমি আমার নিকট এ তলোয়ারটি চেয়েছিলে। তখন এটি আমার ছিল না, কিন্তু এখন তা আমার হয়েছে। অতএব এটি তোমাকে দিলাম। বর্ণণাকারী বলেম, এ প্রসঙ্গেই অবতীর্ণ হল (অনুবাদ) : “লোকেরা তোমার নিকট যুদ্ধলব্ধ মাল প্রসঙ্গে প্রশ্ন করে। বল, যুদ্ধলব্ধ মাল আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের...” – (সুরা আল-আনফাল ১)। হাসান সহীহ : সহীহ আবূ দাঊদ (২৭৪৭), মুসলিম।

মুস’আব ইবনু সা’দ (রহঃ), তার বাবা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বদরের যুদ্ধের দিন আমি একটি তলোয়ার নিয়ে আসলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ তা’আলা আমার হৃদয়কে মুশরিকদের পরাজিত করে প্রশান্তি দান করবেন, অথবা অনুরূপ বলেছেন। আপনি আমাকে এ তলোয়ারটি দিন। তিনি বললেনঃ এটা তো আমারও নয়, তোমারও নয়। আমি (মনে মনে) বললাম, তলোয়ারটি হয়তো এমন কাউকে দেয়া হবে যে আমার মত পরীক্ষার মুখোমুখী হতে পারবে না। এমন সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট এসে বললেনঃ তুমি আমার নিকট এ তলোয়ারটি চেয়েছিলে। তখন এটি আমার ছিল না, কিন্তু এখন তা আমার হয়েছে। অতএব এটি তোমাকে দিলাম। বর্ণণাকারী বলেম, এ প্রসঙ্গেই অবতীর্ণ হল (অনুবাদ) : “লোকেরা তোমার নিকট যুদ্ধলব্ধ মাল প্রসঙ্গে প্রশ্ন করে। বল, যুদ্ধলব্ধ মাল আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের...” – (সুরা আল-আনফাল ১)। হাসান সহীহ : সহীহ আবূ দাঊদ (২৭৪৭), মুসলিম।

حدثنا أبو كريب، حدثنا أبو بكر بن عياش، عن عاصم بن بهدلة، عن مصعب بن سعد، عن أبيه، قال لما كان يوم بدر جئت بسيف فقلت يا رسول الله إن الله قد شفى صدري من المشركين أو نحو هذا هب لي هذا السيف ‏.‏ فقال ‏"‏ هذا ليس لي ولا لك ‏"‏ ‏.‏ فقلت عسى أن يعطى هذا من لا يبلي بلائي فجاءني الرسول فقال ‏"‏ إنك سألتني وليس لي وقد صار لي وهو لك ‏"‏ ‏.‏ قال فنزلت ‏:‏ ‏(‏ يسألونك عن الأنفال ‏)‏ الآية ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وقد رواه سماك بن حرب عن مصعب بن سعد أيضا ‏.‏ وفي الباب عن عبادة بن الصامت ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৮৩

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا وكيع، عن أسامة بن زيد، عن صالح بن كيسان، عن رجل، لم يسمه عن عقبة بن عامر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قرأ هذه الآية على المنبر ‏:‏ ‏(‏ وأعدوا لهم ما استطعتم من قوة ‏)‏ قال ‏"‏ ألا إن القوة الرمى ثلاث مرات ألا إن الله سيفتح لكم الأرض وستكفون المؤنة فلا يعجزن أحدكم أن يلهو بأسهمه ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى وقد روى بعضهم هذا الحديث عن أسامة بن زيد عن صالح بن كيسان عن عقبة بن عامر رواه أبو أسامة وغير واحد وحديث وكيع أصح ‏.‏ وصالح بن كيسان لم يدرك عقبة بن عامر وقد أدرك ابن عمر ‏.‏

উক্ববাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারে দাঁড়িয়ে এ আয়াত পাঠ করেন (অনুবাদ) : “তোমরা যথাসাধ্য তাদের মুকাবিলার জন্য শক্তি ও অশ্ববাহিনী প্রস্তুত রাখবে...” –(সূরা আল-আনফাল ৬০) তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ জেনে রেখ, শক্তি হল তীর নিক্ষেপ। তিনি তিন তিনবার এ কথা বললেন। তিনি আরো বললেনঃ জেনে রেখ, আল্লাহ তা’আলা খুব শীঘ্রই দুনিয়াতে তোমাদেরকে বিজয় দান করবেন এবং তোমাদেরকে নিজেদের ব্যয়ভার সংকুলানের চিন্তা হতে মুক্ত করে দেয়া হবে। সুতরাং তীরন্দাজির অনুশীলন হতে তোমাদের কেউ যেন কাতর হয়ে না পড়ে। হাসান সহীহ : ইবনু মা-জাহ (২৮১৩), মুসলিম।

উক্ববাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারে দাঁড়িয়ে এ আয়াত পাঠ করেন (অনুবাদ) : “তোমরা যথাসাধ্য তাদের মুকাবিলার জন্য শক্তি ও অশ্ববাহিনী প্রস্তুত রাখবে...” –(সূরা আল-আনফাল ৬০) তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ জেনে রেখ, শক্তি হল তীর নিক্ষেপ। তিনি তিন তিনবার এ কথা বললেন। তিনি আরো বললেনঃ জেনে রেখ, আল্লাহ তা’আলা খুব শীঘ্রই দুনিয়াতে তোমাদেরকে বিজয় দান করবেন এবং তোমাদেরকে নিজেদের ব্যয়ভার সংকুলানের চিন্তা হতে মুক্ত করে দেয়া হবে। সুতরাং তীরন্দাজির অনুশীলন হতে তোমাদের কেউ যেন কাতর হয়ে না পড়ে। হাসান সহীহ : ইবনু মা-জাহ (২৮১৩), মুসলিম।

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا وكيع، عن أسامة بن زيد، عن صالح بن كيسان، عن رجل، لم يسمه عن عقبة بن عامر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قرأ هذه الآية على المنبر ‏:‏ ‏(‏ وأعدوا لهم ما استطعتم من قوة ‏)‏ قال ‏"‏ ألا إن القوة الرمى ثلاث مرات ألا إن الله سيفتح لكم الأرض وستكفون المؤنة فلا يعجزن أحدكم أن يلهو بأسهمه ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى وقد روى بعضهم هذا الحديث عن أسامة بن زيد عن صالح بن كيسان عن عقبة بن عامر رواه أبو أسامة وغير واحد وحديث وكيع أصح ‏.‏ وصالح بن كيسان لم يدرك عقبة بن عامر وقد أدرك ابن عمر ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৮৩

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا وكيع، عن أسامة بن زيد، عن صالح بن كيسان، عن رجل، لم يسمه عن عقبة بن عامر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قرأ هذه الآية على المنبر ‏:‏ ‏(‏ وأعدوا لهم ما استطعتم من قوة ‏)‏ قال ‏"‏ ألا إن القوة الرمى ثلاث مرات ألا إن الله سيفتح لكم الأرض وستكفون المؤنة فلا يعجزن أحدكم أن يلهو بأسهمه ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى وقد روى بعضهم هذا الحديث عن أسامة بن زيد عن صالح بن كيسان عن عقبة بن عامر رواه أبو أسامة وغير واحد وحديث وكيع أصح ‏.‏ وصالح بن كيسان لم يدرك عقبة بن عامر وقد أدرك ابن عمر ‏.‏

উক্ববাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারে দাঁড়িয়ে এ আয়াত পাঠ করেন (অনুবাদ) : “তোমরা যথাসাধ্য তাদের মুকাবিলার জন্য শক্তি ও অশ্ববাহিনী প্রস্তুত রাখবে...” –(সূরা আল-আনফাল ৬০) তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ জেনে রেখ, শক্তি হল তীর নিক্ষেপ। তিনি তিন তিনবার এ কথা বললেন। তিনি আরো বললেনঃ জেনে রেখ, আল্লাহ তা’আলা খুব শীঘ্রই দুনিয়াতে তোমাদেরকে বিজয় দান করবেন এবং তোমাদেরকে নিজেদের ব্যয়ভার সংকুলানের চিন্তা হতে মুক্ত করে দেয়া হবে। সুতরাং তীরন্দাজির অনুশীলন হতে তোমাদের কেউ যেন কাতর হয়ে না পড়ে। হাসান সহীহ : ইবনু মা-জাহ (২৮১৩), মুসলিম।

উক্ববাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারে দাঁড়িয়ে এ আয়াত পাঠ করেন (অনুবাদ) : “তোমরা যথাসাধ্য তাদের মুকাবিলার জন্য শক্তি ও অশ্ববাহিনী প্রস্তুত রাখবে...” –(সূরা আল-আনফাল ৬০) তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ জেনে রেখ, শক্তি হল তীর নিক্ষেপ। তিনি তিন তিনবার এ কথা বললেন। তিনি আরো বললেনঃ জেনে রেখ, আল্লাহ তা’আলা খুব শীঘ্রই দুনিয়াতে তোমাদেরকে বিজয় দান করবেন এবং তোমাদেরকে নিজেদের ব্যয়ভার সংকুলানের চিন্তা হতে মুক্ত করে দেয়া হবে। সুতরাং তীরন্দাজির অনুশীলন হতে তোমাদের কেউ যেন কাতর হয়ে না পড়ে। হাসান সহীহ : ইবনু মা-জাহ (২৮১৩), মুসলিম।

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا وكيع، عن أسامة بن زيد، عن صالح بن كيسان، عن رجل، لم يسمه عن عقبة بن عامر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قرأ هذه الآية على المنبر ‏:‏ ‏(‏ وأعدوا لهم ما استطعتم من قوة ‏)‏ قال ‏"‏ ألا إن القوة الرمى ثلاث مرات ألا إن الله سيفتح لكم الأرض وستكفون المؤنة فلا يعجزن أحدكم أن يلهو بأسهمه ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى وقد روى بعضهم هذا الحديث عن أسامة بن زيد عن صالح بن كيسان عن عقبة بن عامر رواه أبو أسامة وغير واحد وحديث وكيع أصح ‏.‏ وصالح بن كيسان لم يدرك عقبة بن عامر وقد أدرك ابن عمر ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৮৩

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا وكيع، عن أسامة بن زيد، عن صالح بن كيسان، عن رجل، لم يسمه عن عقبة بن عامر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قرأ هذه الآية على المنبر ‏:‏ ‏(‏ وأعدوا لهم ما استطعتم من قوة ‏)‏ قال ‏"‏ ألا إن القوة الرمى ثلاث مرات ألا إن الله سيفتح لكم الأرض وستكفون المؤنة فلا يعجزن أحدكم أن يلهو بأسهمه ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى وقد روى بعضهم هذا الحديث عن أسامة بن زيد عن صالح بن كيسان عن عقبة بن عامر رواه أبو أسامة وغير واحد وحديث وكيع أصح ‏.‏ وصالح بن كيسان لم يدرك عقبة بن عامر وقد أدرك ابن عمر ‏.‏

উক্ববাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারে দাঁড়িয়ে এ আয়াত পাঠ করেন (অনুবাদ) : “তোমরা যথাসাধ্য তাদের মুকাবিলার জন্য শক্তি ও অশ্ববাহিনী প্রস্তুত রাখবে...” –(সূরা আল-আনফাল ৬০) তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ জেনে রেখ, শক্তি হল তীর নিক্ষেপ। তিনি তিন তিনবার এ কথা বললেন। তিনি আরো বললেনঃ জেনে রেখ, আল্লাহ তা’আলা খুব শীঘ্রই দুনিয়াতে তোমাদেরকে বিজয় দান করবেন এবং তোমাদেরকে নিজেদের ব্যয়ভার সংকুলানের চিন্তা হতে মুক্ত করে দেয়া হবে। সুতরাং তীরন্দাজির অনুশীলন হতে তোমাদের কেউ যেন কাতর হয়ে না পড়ে। হাসান সহীহ : ইবনু মা-জাহ (২৮১৩), মুসলিম।

উক্ববাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারে দাঁড়িয়ে এ আয়াত পাঠ করেন (অনুবাদ) : “তোমরা যথাসাধ্য তাদের মুকাবিলার জন্য শক্তি ও অশ্ববাহিনী প্রস্তুত রাখবে...” –(সূরা আল-আনফাল ৬০) তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ জেনে রেখ, শক্তি হল তীর নিক্ষেপ। তিনি তিন তিনবার এ কথা বললেন। তিনি আরো বললেনঃ জেনে রেখ, আল্লাহ তা’আলা খুব শীঘ্রই দুনিয়াতে তোমাদেরকে বিজয় দান করবেন এবং তোমাদেরকে নিজেদের ব্যয়ভার সংকুলানের চিন্তা হতে মুক্ত করে দেয়া হবে। সুতরাং তীরন্দাজির অনুশীলন হতে তোমাদের কেউ যেন কাতর হয়ে না পড়ে। হাসান সহীহ : ইবনু মা-জাহ (২৮১৩), মুসলিম।

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا وكيع، عن أسامة بن زيد، عن صالح بن كيسان، عن رجل، لم يسمه عن عقبة بن عامر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قرأ هذه الآية على المنبر ‏:‏ ‏(‏ وأعدوا لهم ما استطعتم من قوة ‏)‏ قال ‏"‏ ألا إن القوة الرمى ثلاث مرات ألا إن الله سيفتح لكم الأرض وستكفون المؤنة فلا يعجزن أحدكم أن يلهو بأسهمه ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى وقد روى بعضهم هذا الحديث عن أسامة بن زيد عن صالح بن كيسان عن عقبة بن عامر رواه أبو أسامة وغير واحد وحديث وكيع أصح ‏.‏ وصالح بن كيسان لم يدرك عقبة بن عامر وقد أدرك ابن عمر ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৮৫

حدثنا عبد بن حميد، أخبرني معاوية بن عمرو، عن زائدة، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ لم تحل الغنائم لأحد سود الرءوس من قبلكم كانت تنزل نار من السماء فتأكلها ‏"‏ ‏.‏ قال سليمان الأعمش فمن يقول هذا إلا أبو هريرة الآن فلما كان يوم بدر وقعوا في الغنائم قبل أن تحل لهم فأنزل الله تعالى ‏:‏ ‏(‏لولا كتاب من الله سبق لمسكم فيما أخذتم عذاب عظيم ‏)‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب من حديث الأعمش ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের পূর্ববর্তী কোন উম্মাতের লোকদের জন্য গানীমাতের সম্পদ বৈধ ছিল না। আকাশ হতে আগুন অবতীর্ণ হত এবং তা পুড়িয়ে ফেলত। বর্ণণাকারী সুলাইমান আল-আ’মাশ বলেন, আজকের দিনে এ হাদীস আবূ হুরায়রা্‌ (রাঃ) ব্যতীত আর কে বলতে পারে? বদর যুদ্ধ সংঘটিত হলে লোকেরা গানীমাতের মাল ব্যবহারে লিপ্ত হন, অথচ গানীমাতের মাল তখন পর্যন্ত তাদের জন্য বৈধ ঘোষিত হয়নি। তখন আল্লাহ তা’আলা এ প্রসঙ্গে এ আয়াত অবতীর্ণ করেন (অনুবাদ) : “আল্লাহ তা’আলার পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ তজ্জন্য তোমাদের উপর মহাশাস্তি আপতিত হত” – (সূরা আনফাল ৬৮)। সহীহ : সহীহাহ্‌ (২১৫৫)।

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের পূর্ববর্তী কোন উম্মাতের লোকদের জন্য গানীমাতের সম্পদ বৈধ ছিল না। আকাশ হতে আগুন অবতীর্ণ হত এবং তা পুড়িয়ে ফেলত। বর্ণণাকারী সুলাইমান আল-আ’মাশ বলেন, আজকের দিনে এ হাদীস আবূ হুরায়রা্‌ (রাঃ) ব্যতীত আর কে বলতে পারে? বদর যুদ্ধ সংঘটিত হলে লোকেরা গানীমাতের মাল ব্যবহারে লিপ্ত হন, অথচ গানীমাতের মাল তখন পর্যন্ত তাদের জন্য বৈধ ঘোষিত হয়নি। তখন আল্লাহ তা’আলা এ প্রসঙ্গে এ আয়াত অবতীর্ণ করেন (অনুবাদ) : “আল্লাহ তা’আলার পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ তজ্জন্য তোমাদের উপর মহাশাস্তি আপতিত হত” – (সূরা আনফাল ৬৮)। সহীহ : সহীহাহ্‌ (২১৫৫)।

حدثنا عبد بن حميد، أخبرني معاوية بن عمرو، عن زائدة، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ لم تحل الغنائم لأحد سود الرءوس من قبلكم كانت تنزل نار من السماء فتأكلها ‏"‏ ‏.‏ قال سليمان الأعمش فمن يقول هذا إلا أبو هريرة الآن فلما كان يوم بدر وقعوا في الغنائم قبل أن تحل لهم فأنزل الله تعالى ‏:‏ ‏(‏لولا كتاب من الله سبق لمسكم فيما أخذتم عذاب عظيم ‏)‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب من حديث الأعمش ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৮১

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عمر بن يونس اليمامي، حدثنا عكرمة بن عمار، حدثنا أبو زميل، حدثنا عبد الله بن عباس، حدثنا عمر بن الخطاب، قال نظر نبي الله صلى الله عليه وسلم إلى المشركين وهم ألف وأصحابه ثلاثمائة وبضعة عشر رجلا فاستقبل نبي الله صلى الله عليه وسلم القبلة ثم مد يديه وجعل يهتف بربه ‏"‏ اللهم أنجز لي ما وعدتني اللهم آتني ما وعدتني اللهم إن تهلك هذه العصابة من أهل الإسلام لا تعبد في الأرض ‏"‏ ‏.‏ فما زال يهتف بربه مادا يديه مستقبل القبلة حتى سقط رداؤه من منكبيه فأتاه أبو بكر فأخذ رداءه فألقاه على منكبيه ثم التزمه من ورائه فقال يا نبي الله كفاك مناشدتك ربك فإنه سينجز لك ما وعدك فأنزل الله ‏:‏ ‏(‏إذ تستغيثون ربكم فاستجاب لكم أني ممدكم بألف من الملائكة مردفين ‏)‏ فأمدهم الله بالملائكة ‏.‏ قال هذا حديث حسن صحيح غريب لا نعرفه من حديث عمر إلا من حديث عكرمة بن عمار عن أبي زميل وأبو زميل اسمه سماك الحنفي وإنما كان هذا يوم بدر

উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (বদর যুদ্ধের দিন) মুশরিকদের উপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দৃষ্টিপাত করলেন। তারা (সংখ্যায়) ছিল এক হাজার। আর তাঁর সাথীরা ছিলেন তিন শত দশজনের কিছু বেশি। আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ক্বিবলার দিকে মুখ করে দুই হাত তুলে তাঁর প্রভুর নিকট দু’আ করতে লাগলেন : “হে আল্লাহ! তুমি আমার সাথে যে ওয়া’দাহ করেছিলে তা পূর্ণ কর। হে আল্লাহ! তুমি আমাকে তা দান কর যার ওয়া’দাহ তুমি করেছ। হে আল্লাহ! যদি কতিপয় মুসলিমের এ ক্ষুদ্র দলটি ধ্বংস করে দাও তাহলে যমিনে তোমার ‘ইবাদাত অনুষ্ঠিত হবে না”। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ক্বিবলামুখী হয়ে দুই হাত তুলে এমনভাবে তাঁর প্রভুর নিকট ফারিয়াদ করেন, তাঁর উভয় কাঁধ হতে তাঁর চাদর গড়িয়ে পড়ে গেল। তখন আবূ বকর (রাঃ) তাঁর কাছে এসে চাদরটি উঠিয়ে তাঁর কাঁধে তুলে দিলেন এবং তাঁর পেছন দিক হতে তাঁকে চেপে ধরে বললেন, হে আল্লাহর নাবী! আপনার প্রভুর সমীপে আপনার যথেষ্ট পরিমাণ ফরিয়াদ করা হয়েছে। আপনার সাথে আল্লাহ তা’আলা যে ওয়া’দাহ্‌ করেছেন তা অবশ্যই তিনি পূর্ণ করবেন। এ প্রসঙ্গে বারাকাত্ময় আল্লাহ তা’আলা নিম্মোক্ত আয়াত অবতীর্ণ করেন (অনুবাদ) : “স্মরণ কর যখন তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করছিলে তখন তিনি তোমাদের ডাকে সাড়া দিলেন, আমি তোমাদেরকে পর্যায়ক্রমে এক হাজার ফেরেশতা দ্বারা সাহায্য করব” (সূরা আল-আনফাল ৯)। অতএব আল্লাহ তা’আলা ফেরেশতাদের পাঠিয়ে তাদেরকে সাহায্য করেন। হাসান : মুসলিম (৫/১৫৬)।

উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (বদর যুদ্ধের দিন) মুশরিকদের উপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দৃষ্টিপাত করলেন। তারা (সংখ্যায়) ছিল এক হাজার। আর তাঁর সাথীরা ছিলেন তিন শত দশজনের কিছু বেশি। আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ক্বিবলার দিকে মুখ করে দুই হাত তুলে তাঁর প্রভুর নিকট দু’আ করতে লাগলেন : “হে আল্লাহ! তুমি আমার সাথে যে ওয়া’দাহ করেছিলে তা পূর্ণ কর। হে আল্লাহ! তুমি আমাকে তা দান কর যার ওয়া’দাহ তুমি করেছ। হে আল্লাহ! যদি কতিপয় মুসলিমের এ ক্ষুদ্র দলটি ধ্বংস করে দাও তাহলে যমিনে তোমার ‘ইবাদাত অনুষ্ঠিত হবে না”। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ক্বিবলামুখী হয়ে দুই হাত তুলে এমনভাবে তাঁর প্রভুর নিকট ফারিয়াদ করেন, তাঁর উভয় কাঁধ হতে তাঁর চাদর গড়িয়ে পড়ে গেল। তখন আবূ বকর (রাঃ) তাঁর কাছে এসে চাদরটি উঠিয়ে তাঁর কাঁধে তুলে দিলেন এবং তাঁর পেছন দিক হতে তাঁকে চেপে ধরে বললেন, হে আল্লাহর নাবী! আপনার প্রভুর সমীপে আপনার যথেষ্ট পরিমাণ ফরিয়াদ করা হয়েছে। আপনার সাথে আল্লাহ তা’আলা যে ওয়া’দাহ্‌ করেছেন তা অবশ্যই তিনি পূর্ণ করবেন। এ প্রসঙ্গে বারাকাত্ময় আল্লাহ তা’আলা নিম্মোক্ত আয়াত অবতীর্ণ করেন (অনুবাদ) : “স্মরণ কর যখন তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করছিলে তখন তিনি তোমাদের ডাকে সাড়া দিলেন, আমি তোমাদেরকে পর্যায়ক্রমে এক হাজার ফেরেশতা দ্বারা সাহায্য করব” (সূরা আল-আনফাল ৯)। অতএব আল্লাহ তা’আলা ফেরেশতাদের পাঠিয়ে তাদেরকে সাহায্য করেন। হাসান : মুসলিম (৫/১৫৬)।

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عمر بن يونس اليمامي، حدثنا عكرمة بن عمار، حدثنا أبو زميل، حدثنا عبد الله بن عباس، حدثنا عمر بن الخطاب، قال نظر نبي الله صلى الله عليه وسلم إلى المشركين وهم ألف وأصحابه ثلاثمائة وبضعة عشر رجلا فاستقبل نبي الله صلى الله عليه وسلم القبلة ثم مد يديه وجعل يهتف بربه ‏"‏ اللهم أنجز لي ما وعدتني اللهم آتني ما وعدتني اللهم إن تهلك هذه العصابة من أهل الإسلام لا تعبد في الأرض ‏"‏ ‏.‏ فما زال يهتف بربه مادا يديه مستقبل القبلة حتى سقط رداؤه من منكبيه فأتاه أبو بكر فأخذ رداءه فألقاه على منكبيه ثم التزمه من ورائه فقال يا نبي الله كفاك مناشدتك ربك فإنه سينجز لك ما وعدك فأنزل الله ‏:‏ ‏(‏إذ تستغيثون ربكم فاستجاب لكم أني ممدكم بألف من الملائكة مردفين ‏)‏ فأمدهم الله بالملائكة ‏.‏ قال هذا حديث حسن صحيح غريب لا نعرفه من حديث عمر إلا من حديث عكرمة بن عمار عن أبي زميل وأبو زميل اسمه سماك الحنفي وإنما كان هذا يوم بدر


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৮৪

حدثنا هناد، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن عمرو بن مرة، عن أبي عبيدة بن عبد الله، عن عبد الله بن مسعود، قال لما كان يوم بدر وجيء بالأسارى قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما تقولون في هؤلاء الأسارى ‏"‏ ‏.‏ فذكر في الحديث قصة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا ينفلتن منهم أحد إلا بفداء أو ضرب عنق ‏"‏ ‏.‏ قال عبد الله بن مسعود فقلت يا رسول الله إلا سهيل بن بيضاء فإني قد سمعته يذكر الإسلام ‏.‏ قال فسكت رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فما رأيتني في يوم أخوف أن تقع على حجارة من السماء مني في ذلك اليوم قال حتى قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إلا سهيل ابن بيضاء ‏"‏ ‏.‏ قال ونزل القرآن بقول عمر ‏:‏ ‏(‏ وما كان لنبي أن يكون له أسرى حتى يثخن في الأرض ‏)‏ إلى آخر الآيات ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن ‏.‏ وأبو عبيدة بن عبد الله لم يسمع من أبيه ‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বদরের যুদ্ধের দিন যুদ্ধবন্দীদের আনা হলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এই যুদ্ধবন্দীদের বিষয়ে তোমাদের কি মত? তারপর রাবী এ হাদীসে একটি বিরাট ঘটনা বর্ণনা করেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মুক্তিপণ আদায় বা শিরচ্ছেদ করা ছাড়া এদের মুক্তির বিকল্প কোন পথ নেই। আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) বলেনঃ আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! তবে সুহাইল ইবনু বাইযা ব্যতীত। যেহেতু আমি তাকে ইসলাম প্রসঙ্গে আলোচনা করতে শুনেছি। আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ কথায় নীরব থাকলেন। আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) বলেন, ঐ দিনের মত এরকম মারত্মক অবস্থা আমার আর কোন দিন ছিল না। ঐ দিন প্রতি মুহূর্তে আমার মনে হচ্ছিল, আমার মাথার উপর বুঝি আকাশ হতে পাথর বর্ষিত হবে। অবশেষে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সুহাইল ইবনু বাইযা ব্যতীত। ইবনু মাসঊদ (রাঃ) বলেন, এদিকে উমার (রাঃ)-এর উক্তি মোতাবেক কুরআনের এ আয়াত অবতীর্ণ হয়ঃ “কোন নবীর জন্য উচিত নয় দেশে ব্যাপক হারে প্রতিপক্ষকে পরাজিত না করা পর্যন্ত আটক রাখা…….” (সূরাঃ আল-আনফাল- ৬৭)। যঈফ, ১৭৬৭ নং হাদীস পূর্বে বর্ণিত হয়েছে।

আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বদরের যুদ্ধের দিন যুদ্ধবন্দীদের আনা হলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এই যুদ্ধবন্দীদের বিষয়ে তোমাদের কি মত? তারপর রাবী এ হাদীসে একটি বিরাট ঘটনা বর্ণনা করেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মুক্তিপণ আদায় বা শিরচ্ছেদ করা ছাড়া এদের মুক্তির বিকল্প কোন পথ নেই। আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) বলেনঃ আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! তবে সুহাইল ইবনু বাইযা ব্যতীত। যেহেতু আমি তাকে ইসলাম প্রসঙ্গে আলোচনা করতে শুনেছি। আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ কথায় নীরব থাকলেন। আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) বলেন, ঐ দিনের মত এরকম মারত্মক অবস্থা আমার আর কোন দিন ছিল না। ঐ দিন প্রতি মুহূর্তে আমার মনে হচ্ছিল, আমার মাথার উপর বুঝি আকাশ হতে পাথর বর্ষিত হবে। অবশেষে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সুহাইল ইবনু বাইযা ব্যতীত। ইবনু মাসঊদ (রাঃ) বলেন, এদিকে উমার (রাঃ)-এর উক্তি মোতাবেক কুরআনের এ আয়াত অবতীর্ণ হয়ঃ “কোন নবীর জন্য উচিত নয় দেশে ব্যাপক হারে প্রতিপক্ষকে পরাজিত না করা পর্যন্ত আটক রাখা…….” (সূরাঃ আল-আনফাল- ৬৭)। যঈফ, ১৭৬৭ নং হাদীস পূর্বে বর্ণিত হয়েছে।

حدثنا هناد، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن عمرو بن مرة، عن أبي عبيدة بن عبد الله، عن عبد الله بن مسعود، قال لما كان يوم بدر وجيء بالأسارى قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما تقولون في هؤلاء الأسارى ‏"‏ ‏.‏ فذكر في الحديث قصة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا ينفلتن منهم أحد إلا بفداء أو ضرب عنق ‏"‏ ‏.‏ قال عبد الله بن مسعود فقلت يا رسول الله إلا سهيل بن بيضاء فإني قد سمعته يذكر الإسلام ‏.‏ قال فسكت رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فما رأيتني في يوم أخوف أن تقع على حجارة من السماء مني في ذلك اليوم قال حتى قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إلا سهيل ابن بيضاء ‏"‏ ‏.‏ قال ونزل القرآن بقول عمر ‏:‏ ‏(‏ وما كان لنبي أن يكون له أسرى حتى يثخن في الأرض ‏)‏ إلى آخر الآيات ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن ‏.‏ وأبو عبيدة بن عبد الله لم يسمع من أبيه ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00