জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আন –নিসা

জামে' আত-তিরমিজি ৩০১৬

حدثنا عبد بن حميد، أخبرنا حبان بن هلال، حدثنا همام بن يحيى، حدثنا قتادة، عن أبي الخليل، عن أبي علقمة الهاشمي، عن أبي سعيد الخدري، قال لما كان يوم أوطاس أصبنا نساء لهن أزواج في المشركين فكرههن رجال منهم فأنزل الله ‏:‏ ‏(‏والمحصنات من النساء إلا ما ملكت أيمانكم ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن ‏.‏

আবূ সা’ঈদ আল –খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কয়েকজন মহিলা আওতাস যুদ্ধের দিন আমাদের হস্তগত হয়, যাদের স্বামীরা মুশরিকদের মধ্যে বর্তমান ছিল। তাই ঐ সব মহিলাকে আমাদের কিছু সংখ্যক লোক অপছন্দ করল। এ প্রসঙ্গেই আল্লাহ তা’আলা অবতীর্ণ করেন : “এবং নারীদের মধ্যে তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসীগণ ব্যতীত সকল সধবা তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ” – (সূরা আন –নিসা ২৪)। সহীহ : সহীহ আবূ দাঊদ (১৮৭১), মুসলিম।

আবূ সা’ঈদ আল –খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কয়েকজন মহিলা আওতাস যুদ্ধের দিন আমাদের হস্তগত হয়, যাদের স্বামীরা মুশরিকদের মধ্যে বর্তমান ছিল। তাই ঐ সব মহিলাকে আমাদের কিছু সংখ্যক লোক অপছন্দ করল। এ প্রসঙ্গেই আল্লাহ তা’আলা অবতীর্ণ করেন : “এবং নারীদের মধ্যে তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসীগণ ব্যতীত সকল সধবা তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ” – (সূরা আন –নিসা ২৪)। সহীহ : সহীহ আবূ দাঊদ (১৮৭১), মুসলিম।

حدثنا عبد بن حميد، أخبرنا حبان بن هلال، حدثنا همام بن يحيى، حدثنا قتادة، عن أبي الخليل، عن أبي علقمة الهاشمي، عن أبي سعيد الخدري، قال لما كان يوم أوطاس أصبنا نساء لهن أزواج في المشركين فكرههن رجال منهم فأنزل الله ‏:‏ ‏(‏والمحصنات من النساء إلا ما ملكت أيمانكم ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০১৮

حدثنا محمد بن عبد الأعلى الصنعاني، حدثنا خالد بن الحارث، عن شعبة، حدثنا عبيد الله بن أبي بكر بن أنس، عن أنس، عن النبي صلى الله عليه وسلم في الكبائر قال ‏ "‏ الشرك بالله وعقوق الوالدين وقتل النفس وقول الزور ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح ‏.‏ ورواه روح بن عبادة عن شعبة وقال عن عبد الله بن أبي بكر ولا يصح ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাবীরা গুনাহ প্রসঙ্গে বলেনঃ তা হচ্ছে আল্লাহ তা’আলার সাথে শারীক করা, বাবা-মার অবাধ্য হওয়া, নরহত্যা করা ও মিথ্যা বলা। সহীহ : গাইয়াতুল মারাম (২৭৭), বুখারী ও মুসলিম।

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাবীরা গুনাহ প্রসঙ্গে বলেনঃ তা হচ্ছে আল্লাহ তা’আলার সাথে শারীক করা, বাবা-মার অবাধ্য হওয়া, নরহত্যা করা ও মিথ্যা বলা। সহীহ : গাইয়াতুল মারাম (২৭৭), বুখারী ও মুসলিম।

حدثنا محمد بن عبد الأعلى الصنعاني، حدثنا خالد بن الحارث، عن شعبة، حدثنا عبيد الله بن أبي بكر بن أنس، عن أنس، عن النبي صلى الله عليه وسلم في الكبائر قال ‏ "‏ الشرك بالله وعقوق الوالدين وقتل النفس وقول الزور ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح ‏.‏ ورواه روح بن عبادة عن شعبة وقال عن عبد الله بن أبي بكر ولا يصح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০১৫

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا ابن عيينة، عن محمد بن المنكدر، قال سمعت جابر بن عبد الله، يقول مرضت فأتاني رسول الله صلى الله عليه وسلم يعودني وقد أغمي على فلما أفقت قلت كيف أقضي في مالي فسكت عني حتى نزلت ‏:‏ ‏(‏ يوصيكم الله في أولادكم للذكر مثل حظ الأنثيين ‏)‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وقد روى غير واحد عن محمد بن المنكدر ‏.

মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদির (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) কে বলতে শুনেছি, আমি অসুস্থ হলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দেখতে আসেন। আমি অজ্ঞান অবস্থায় ছিলাম। আমার চেতনা ফিরে পাওয়ার পর আমি বললাম, আমি আমার ধন-সম্পদ প্রসঙ্গে কিভাবে সিদ্ধান্ত করব? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার বিষয়ে নীরব থাকলেন। তারপর আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “আল্লাহ তা’আলা তোমাদের সন্তানদের সম্পর্কে তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছেনঃ এক পুরুষের (পুত্রের) অংশ দু’জন মহিলার (কন্যার) সমান” – (সূরা আন –নিসা ১১)। সহীহ : সহীহ আবূ দাঊদ (২৭২৮), বুখারী (৪৫৭৭), মুসলিম।

মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদির (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) কে বলতে শুনেছি, আমি অসুস্থ হলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দেখতে আসেন। আমি অজ্ঞান অবস্থায় ছিলাম। আমার চেতনা ফিরে পাওয়ার পর আমি বললাম, আমি আমার ধন-সম্পদ প্রসঙ্গে কিভাবে সিদ্ধান্ত করব? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার বিষয়ে নীরব থাকলেন। তারপর আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “আল্লাহ তা’আলা তোমাদের সন্তানদের সম্পর্কে তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছেনঃ এক পুরুষের (পুত্রের) অংশ দু’জন মহিলার (কন্যার) সমান” – (সূরা আন –নিসা ১১)। সহীহ : সহীহ আবূ দাঊদ (২৭২৮), বুখারী (৪৫৭৭), মুসলিম।

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا ابن عيينة، عن محمد بن المنكدر، قال سمعت جابر بن عبد الله، يقول مرضت فأتاني رسول الله صلى الله عليه وسلم يعودني وقد أغمي على فلما أفقت قلت كيف أقضي في مالي فسكت عني حتى نزلت ‏:‏ ‏(‏ يوصيكم الله في أولادكم للذكر مثل حظ الأنثيين ‏)‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وقد روى غير واحد عن محمد بن المنكدر ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩০১৭

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا هشيم، أخبرنا عثمان البتي، عن أبي الخليل، عن أبي سعيد الخدري، قال أصبنا سبايا يوم أوطاس لهن أزواج في قومهن فذكروا ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فنزلت ‏:‏ ‏(‏والمحصنات من النساء إلا ما ملكت أيمانكم ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن ‏.‏ وهكذا روى الثوري عن عثمان البتي عن أبي الخليل عن أبي سعيد الخدري عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه وليس في هذا الحديث عن أبي علقمة ولا أعلم أن أحدا ذكر أبا علقمة في هذا الحديث إلا ما ذكر همام عن قتادة وأبو الخليل اسمه صالح بن أبي مريم ‏.

আবূ সা’ঈদ আল –খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আওতাস যুদ্ধের দিন কয়েকজন বন্দী মহিলা আমাদের হাতে আসে যাদের স্বামীরা তাদের সম্প্রদায়ে বর্তমান ছিল। সাহাবীগণ বিষয়টি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে অবহিত করেন। তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয় : “এবং নারীদের মধ্যে তোমাদের অধিকারভূক্ত দাসীগণ ব্যতীত সকল সধবা নারী তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ” - (সূরা আন –নিসা ২৪)। সহীহ : দেখুন পূর্বের হাদীস।

আবূ সা’ঈদ আল –খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আওতাস যুদ্ধের দিন কয়েকজন বন্দী মহিলা আমাদের হাতে আসে যাদের স্বামীরা তাদের সম্প্রদায়ে বর্তমান ছিল। সাহাবীগণ বিষয়টি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে অবহিত করেন। তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয় : “এবং নারীদের মধ্যে তোমাদের অধিকারভূক্ত দাসীগণ ব্যতীত সকল সধবা নারী তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ” - (সূরা আন –নিসা ২৪)। সহীহ : দেখুন পূর্বের হাদীস।

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا هشيم، أخبرنا عثمان البتي، عن أبي الخليل، عن أبي سعيد الخدري، قال أصبنا سبايا يوم أوطاس لهن أزواج في قومهن فذكروا ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فنزلت ‏:‏ ‏(‏والمحصنات من النساء إلا ما ملكت أيمانكم ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن ‏.‏ وهكذا روى الثوري عن عثمان البتي عن أبي الخليل عن أبي سعيد الخدري عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه وليس في هذا الحديث عن أبي علقمة ولا أعلم أن أحدا ذكر أبا علقمة في هذا الحديث إلا ما ذكر همام عن قتادة وأبو الخليل اسمه صالح بن أبي مريم ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩০১৯

حدثنا حميد بن مسعدة، - بصري - حدثنا بشر بن المفضل، حدثنا الجريري، عن عبد الرحمن بن أبي بكرة، عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ألا أحدثكم بأكبر الكبائر ‏"‏ ‏.‏ قالوا بلى يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ الإشراك بالله وعقوق الوالدين ‏"‏ ‏.‏ قال وجلس وكان متكئا قال ‏"‏ وشهادة الزور أو قول الزور ‏"‏ ‏.‏ قال فما زال رسول الله صلى الله عليه وسلم يقولها حتى قلنا ليته سكت ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح ‏.‏

আবদুর রাহমান ইবনু আবূ বাকরাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর বাবার সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেলেন : আমি কি সবচাইতে মারাত্মক কবীরা গুনাহগুলো প্রসঙ্গে তোমাদেরকে অবহিত করবো না? সাহাবীগণ বললেন, হ্যাঁ, অবশ্যই হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেনঃ আল্লাহ তা’আলার সাথে অংশীদার স্থাপন, বাবা-মার অবাধ্য হওয়া। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি হেলান দেয়া অবস্থায় ছিলেন, এবার উঠে সোজা হয়ে বসে বললেনঃ মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া, অথবা বলেছেনঃ মিথ্যা কথা বলা। আবূ বাকর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ কথাটি বারবার বলে যাচ্ছিলেন। এমনকি আমরা বললাম, আহা! তিনি যদি চুপ হতেন। সহীহ : প্রাগুক্ত, বুখারী, মুসলিম।

আবদুর রাহমান ইবনু আবূ বাকরাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর বাবার সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেলেন : আমি কি সবচাইতে মারাত্মক কবীরা গুনাহগুলো প্রসঙ্গে তোমাদেরকে অবহিত করবো না? সাহাবীগণ বললেন, হ্যাঁ, অবশ্যই হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেনঃ আল্লাহ তা’আলার সাথে অংশীদার স্থাপন, বাবা-মার অবাধ্য হওয়া। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি হেলান দেয়া অবস্থায় ছিলেন, এবার উঠে সোজা হয়ে বসে বললেনঃ মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া, অথবা বলেছেনঃ মিথ্যা কথা বলা। আবূ বাকর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ কথাটি বারবার বলে যাচ্ছিলেন। এমনকি আমরা বললাম, আহা! তিনি যদি চুপ হতেন। সহীহ : প্রাগুক্ত, বুখারী, মুসলিম।

حدثنا حميد بن مسعدة، - بصري - حدثنا بشر بن المفضل، حدثنا الجريري، عن عبد الرحمن بن أبي بكرة، عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ألا أحدثكم بأكبر الكبائر ‏"‏ ‏.‏ قالوا بلى يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ الإشراك بالله وعقوق الوالدين ‏"‏ ‏.‏ قال وجلس وكان متكئا قال ‏"‏ وشهادة الزور أو قول الزور ‏"‏ ‏.‏ قال فما زال رسول الله صلى الله عليه وسلم يقولها حتى قلنا ليته سكت ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০২০

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا يونس بن محمد، حدثنا الليث بن سعد، عن هشام بن سعد، عن محمد بن زيد بن مهاجر بن قنفذ التيمي، عن أبي أمامة الأنصاري، عن عبد الله بن أنيس الجهني، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن من أكبر الكبائر الشرك بالله وعقوق الوالدين واليمين الغموس وما حلف حالف بالله يمين صبر فأدخل فيها مثل جناح بعوضة إلا جعلت نكتة في قلبه إلى يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى وأبو أمامة الأنصاري هو ابن ثعلبة ولا نعرف اسمه وقد روى عن النبي صلى الله عليه وسلم أحاديث ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.

আবদুল্লাহ ইবনু উনাইস আল –জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মারাত্মক মারাত্মক কাবীরা গুনাহ হল –আল্লাহ তা’আলার সাথে অংশীদার স্থাপন করা, বাবা-মার নাফারমানী করা এবং মিথ্যা শপথ করা। কেউ আল্লাহ তা’আলার নামে অপরিবর্তনীয় ও অবশ্যম্ভাবীরূপে প্রযুক্ত হওয়ার মত শপথ করলে এবং তাতে মশার পাখা বরাবর নগণ্য মিথ্যাও যোগ করলে তা তার অন্তরে ক্বিয়ামাত পর্যন্ত একটি কলংকময় দাগ হয়ে বিরাজিত থাকবে। হাসান : মিশকাত তাহক্বীক্ব সানী (৩৭৭৭)।

আবদুল্লাহ ইবনু উনাইস আল –জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মারাত্মক মারাত্মক কাবীরা গুনাহ হল –আল্লাহ তা’আলার সাথে অংশীদার স্থাপন করা, বাবা-মার নাফারমানী করা এবং মিথ্যা শপথ করা। কেউ আল্লাহ তা’আলার নামে অপরিবর্তনীয় ও অবশ্যম্ভাবীরূপে প্রযুক্ত হওয়ার মত শপথ করলে এবং তাতে মশার পাখা বরাবর নগণ্য মিথ্যাও যোগ করলে তা তার অন্তরে ক্বিয়ামাত পর্যন্ত একটি কলংকময় দাগ হয়ে বিরাজিত থাকবে। হাসান : মিশকাত তাহক্বীক্ব সানী (৩৭৭৭)।

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا يونس بن محمد، حدثنا الليث بن سعد، عن هشام بن سعد، عن محمد بن زيد بن مهاجر بن قنفذ التيمي، عن أبي أمامة الأنصاري، عن عبد الله بن أنيس الجهني، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن من أكبر الكبائر الشرك بالله وعقوق الوالدين واليمين الغموس وما حلف حالف بالله يمين صبر فأدخل فيها مثل جناح بعوضة إلا جعلت نكتة في قلبه إلى يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى وأبو أمامة الأنصاري هو ابن ثعلبة ولا نعرف اسمه وقد روى عن النبي صلى الله عليه وسلم أحاديث ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩০২১

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن فراس، عن الشعبي، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ الكبائر الإشراك بالله وعقوق الوالدين أو قال اليمين الغموس ‏"‏ ‏.‏ شك شعبة ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কাবীরা গুনাহসমূহের মধ্যে রয়েছে আল্লাহ তা’আলার সাথে অংশীদার স্থাপন করা, বাবা-মায়ের অবাধ্য হওয়া, অথবা বলেছেনঃ মিথ্যা শপথ করা। বর্ণনাকারী শু’বাহর সন্দেহ যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শেষোক্ত দু’টি কথার কোনটি বলেছেন। সহীহ : বুখারী।

আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কাবীরা গুনাহসমূহের মধ্যে রয়েছে আল্লাহ তা’আলার সাথে অংশীদার স্থাপন করা, বাবা-মায়ের অবাধ্য হওয়া, অথবা বলেছেনঃ মিথ্যা শপথ করা। বর্ণনাকারী শু’বাহর সন্দেহ যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শেষোক্ত দু’টি কথার কোনটি বলেছেন। সহীহ : বুখারী।

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن فراس، عن الشعبي، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ الكبائر الإشراك بالله وعقوق الوالدين أو قال اليمين الغموس ‏"‏ ‏.‏ شك شعبة ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০২২

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن ابن أبي نجيح، عن مجاهد، عن أم سلمة، أنها قالت يغزو الرجال ولا يغزو النساء وإنما لنا نصف الميراث ‏.‏ فأنزل الله ‏:‏ ‏(‏ولا تتمنوا ما فضل الله به بعضكم على بعض ‏)‏ ‏.‏ قال مجاهد فأنزل فيها ‏:‏ ‏(‏ إن المسلمين والمسلمات ‏)‏ وكانت أم سلمة أول ظعينة قدمت المدينة مهاجرة ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث مرسل ‏.‏ ورواه بعضهم عن ابن أبي نجيح عن مجاهد مرسل أن أم سلمة قالت كذا وكذا ‏.‏

মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উম্মু সালামাহ (রাঃ) বলেন, পুরুষরা জিহাদ করে কিন্তু মহিলারা জিহাদ করে না। মীরাসের (উত্তরাধিকার) ক্ষেত্রেও মহিলারা (পুরুষের তুলনায়) অর্ধেক পায়। এ প্রসঙ্গেই কল্যাণময় আল্লাহ তা’আলা অবতীর্ণ করেন (অনুবাদ) : “আল্লাহ তা’আলা যদ্দারা তোমাদের কাউকে অপর কারো উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন, তোমরা তার লোভ করো না। যা পুরুষ অর্জন করেছে তা তার প্রাপ্য অংশ আর নারী যা অর্জন করেছেন তা তার প্রাপ্য অংশ। তোমরা আল্লাহ তা’আলার নিকট তার অনুগ্রহ প্রার্থনা কর। আল্লাহ তা’আলা নিশ্চয়ই সর্ববিষয়ে সর্বজ্ঞ” – (সূরা আন –নিসা ৩২)। মুজাহিদ (রহঃ) বলেন, একই প্রসঙ্গে নিম্নোক্ত আয়াতও অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “আত্মসমর্পণকারী পুরুষ ও আত্মসমর্পণকারী নারী, মু’মিন পুরুষ ও মু’মিন নারী, অনুগত পুরুষ ও অনুগত নারী, সত্যবাদী পুরুষ ও সত্যবাদী নারী, ধৈর্য্যশীল পুরুষ ও ধৈর্য্যশীল নারী, বিনীত পুরুষ ও বিনীত নারী, লজ্জাস্থান হিফাযাতকারী পুরুষ ও লজ্জাস্থান হিফাযাতকারী নারী, আল্লাহ তা’আলাকে বেশী স্মরণকারী পুরুষ ও আল্লাহ তা’আলাকে বেশী স্মরণকারী নারী এদের জন্য আল্লাহ তা’আলা রেখেছেন ক্ষমা ও মহাপ্রতিদান” – (সূরা আল –আহযাব ৩৫)। উম্মু সালামাহ (রাঃ)-ই ছিলেন মাদীনায় হিজরতকারিনী প্রথম মহিলা। সনদ সহীহ।

মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উম্মু সালামাহ (রাঃ) বলেন, পুরুষরা জিহাদ করে কিন্তু মহিলারা জিহাদ করে না। মীরাসের (উত্তরাধিকার) ক্ষেত্রেও মহিলারা (পুরুষের তুলনায়) অর্ধেক পায়। এ প্রসঙ্গেই কল্যাণময় আল্লাহ তা’আলা অবতীর্ণ করেন (অনুবাদ) : “আল্লাহ তা’আলা যদ্দারা তোমাদের কাউকে অপর কারো উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন, তোমরা তার লোভ করো না। যা পুরুষ অর্জন করেছে তা তার প্রাপ্য অংশ আর নারী যা অর্জন করেছেন তা তার প্রাপ্য অংশ। তোমরা আল্লাহ তা’আলার নিকট তার অনুগ্রহ প্রার্থনা কর। আল্লাহ তা’আলা নিশ্চয়ই সর্ববিষয়ে সর্বজ্ঞ” – (সূরা আন –নিসা ৩২)। মুজাহিদ (রহঃ) বলেন, একই প্রসঙ্গে নিম্নোক্ত আয়াতও অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “আত্মসমর্পণকারী পুরুষ ও আত্মসমর্পণকারী নারী, মু’মিন পুরুষ ও মু’মিন নারী, অনুগত পুরুষ ও অনুগত নারী, সত্যবাদী পুরুষ ও সত্যবাদী নারী, ধৈর্য্যশীল পুরুষ ও ধৈর্য্যশীল নারী, বিনীত পুরুষ ও বিনীত নারী, লজ্জাস্থান হিফাযাতকারী পুরুষ ও লজ্জাস্থান হিফাযাতকারী নারী, আল্লাহ তা’আলাকে বেশী স্মরণকারী পুরুষ ও আল্লাহ তা’আলাকে বেশী স্মরণকারী নারী এদের জন্য আল্লাহ তা’আলা রেখেছেন ক্ষমা ও মহাপ্রতিদান” – (সূরা আল –আহযাব ৩৫)। উম্মু সালামাহ (রাঃ)-ই ছিলেন মাদীনায় হিজরতকারিনী প্রথম মহিলা। সনদ সহীহ।

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن ابن أبي نجيح، عن مجاهد، عن أم سلمة، أنها قالت يغزو الرجال ولا يغزو النساء وإنما لنا نصف الميراث ‏.‏ فأنزل الله ‏:‏ ‏(‏ولا تتمنوا ما فضل الله به بعضكم على بعض ‏)‏ ‏.‏ قال مجاهد فأنزل فيها ‏:‏ ‏(‏ إن المسلمين والمسلمات ‏)‏ وكانت أم سلمة أول ظعينة قدمت المدينة مهاجرة ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث مرسل ‏.‏ ورواه بعضهم عن ابن أبي نجيح عن مجاهد مرسل أن أم سلمة قالت كذا وكذا ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০২৪

حدثنا هناد، حدثنا أبو الأحوص، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، قال قال عبد الله أمرني رسول الله صلى الله عليه وسلم أن أقرأ عليه وهو على المنبر ‏.‏ فقرأت عليه من سورة النساء حتى إذا بلغت‏:‏ ‏(‏ فكيف إذا جئنا من كل أمة بشهيد وجئنا بك على هؤلاء شهيدا ‏)‏ غمزني رسول الله صلى الله عليه وسلم بيده فنظرت إليه وعيناه تدمعان ‏.‏ قال أبو عيسى هكذا روى أبو الأحوص عن الأعمش عن إبراهيم عن علقمة عن عبد الله وإنما هو إبراهيم عن عبيدة عن عبد الله ‏.‏

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে হুকুম দিলেন তাঁকে কুরআন তিলাওয়াত করে শুনানোর জন্য। তখন তিনি মিম্বরে বসা ছিলেন। আমি তাঁকে সূরা আন –নিসা হতে তিলাওয়াত করে শুনালাম। আমি যখন এ আয়াত পর্যন্ত পৌছলাম (অনুবাদ) : “আমি যখন প্রত্যেক উম্মাত হতে একজন করে সাক্ষী হাযির করব এবং তোমাকে তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত করব, তখন কি অবস্থা হবে?” (সূরা আন –নিসা ৪১), তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তাঁর হাত দিয়ে চাপ দেন। আমি তাঁর প্রতি তাকিয়ে দেখলাম, তাঁর দু’চোখ বেয়ে অশ্রু ঝরছে। সনদ সহীহ।

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে হুকুম দিলেন তাঁকে কুরআন তিলাওয়াত করে শুনানোর জন্য। তখন তিনি মিম্বরে বসা ছিলেন। আমি তাঁকে সূরা আন –নিসা হতে তিলাওয়াত করে শুনালাম। আমি যখন এ আয়াত পর্যন্ত পৌছলাম (অনুবাদ) : “আমি যখন প্রত্যেক উম্মাত হতে একজন করে সাক্ষী হাযির করব এবং তোমাকে তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত করব, তখন কি অবস্থা হবে?” (সূরা আন –নিসা ৪১), তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তাঁর হাত দিয়ে চাপ দেন। আমি তাঁর প্রতি তাকিয়ে দেখলাম, তাঁর দু’চোখ বেয়ে অশ্রু ঝরছে। সনদ সহীহ।

حدثنا هناد، حدثنا أبو الأحوص، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، قال قال عبد الله أمرني رسول الله صلى الله عليه وسلم أن أقرأ عليه وهو على المنبر ‏.‏ فقرأت عليه من سورة النساء حتى إذا بلغت‏:‏ ‏(‏ فكيف إذا جئنا من كل أمة بشهيد وجئنا بك على هؤلاء شهيدا ‏)‏ غمزني رسول الله صلى الله عليه وسلم بيده فنظرت إليه وعيناه تدمعان ‏.‏ قال أبو عيسى هكذا روى أبو الأحوص عن الأعمش عن إبراهيم عن علقمة عن عبد الله وإنما هو إبراهيم عن عبيدة عن عبد الله ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০২৫

حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا معاوية بن هشام، حدثنا سفيان الثوري، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن عبيدة، عن عبد الله، قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اقرأ على ‏"‏ ‏.‏ فقلت يا رسول الله أقرأ عليك وعليك أنزل قال ‏"‏ إني أحب أن أسمعه من غيري ‏"‏ ‏.‏ فقرأت سورة النساء حتى إذا بلغت ‏:‏ ‏(‏جئنا بك على هؤلاء شهيدا ‏)‏ قال فرأيت عينى النبي صلى الله عليه وسلم تهملان ‏.‏ قال أبو عيسى هذا أصح من حديث أبي الأحوص ‏.‏

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমাকে কুরআন হতে তিলাওয়াত করে শুনাও। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনার উপরই তো কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে, আর আমি আপনাকে তা তিলাওয়াত করে শুনাব! তিনি বললেনঃ অন্যের তিলাওয়াত শুনতে আমি পছন্দ করি। অতএব আমি সূরা আন –নিসা তিলাওয়াত করতে শুরু করলাম। আমি পাঠ করতে করতে যখন (অনুবাদ) : “এবং আমি তোমাকে তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষীরুপে উপস্থিত করব”, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দিকে তাকিয়ে দেখলাম তাঁর দুই চোখ দিয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছে। সহীহ : বুখারী (৪৫৮২), মুসলিম।

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমাকে কুরআন হতে তিলাওয়াত করে শুনাও। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনার উপরই তো কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে, আর আমি আপনাকে তা তিলাওয়াত করে শুনাব! তিনি বললেনঃ অন্যের তিলাওয়াত শুনতে আমি পছন্দ করি। অতএব আমি সূরা আন –নিসা তিলাওয়াত করতে শুরু করলাম। আমি পাঠ করতে করতে যখন (অনুবাদ) : “এবং আমি তোমাকে তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষীরুপে উপস্থিত করব”, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দিকে তাকিয়ে দেখলাম তাঁর দুই চোখ দিয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছে। সহীহ : বুখারী (৪৫৮২), মুসলিম।

حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا معاوية بن هشام، حدثنا سفيان الثوري، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن عبيدة، عن عبد الله، قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اقرأ على ‏"‏ ‏.‏ فقلت يا رسول الله أقرأ عليك وعليك أنزل قال ‏"‏ إني أحب أن أسمعه من غيري ‏"‏ ‏.‏ فقرأت سورة النساء حتى إذا بلغت ‏:‏ ‏(‏جئنا بك على هؤلاء شهيدا ‏)‏ قال فرأيت عينى النبي صلى الله عليه وسلم تهملان ‏.‏ قال أبو عيسى هذا أصح من حديث أبي الأحوص ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০২৬

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الرحمن بن سعد، عن أبي جعفر الرازي، عن عطاء بن السائب، عن أبي عبد الرحمن السلمي، عن علي بن أبي طالب، قال صنع لنا عبد الرحمن بن عوف طعاما فدعانا وسقانا من الخمر فأخذت الخمر منا وحضرت الصلاة فقدموني فقرأت ‏:‏ ‏(‏ قل يا أيها الكافرون ‏)‏ لا أعبد ما تعبدون ونحن نعبد ما تعبدون ‏.‏ قال فأنزل الله تعالى ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا لا تقربوا الصلاة وأنتم سكارى حتى تعلموا ما تقولون ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب ‏.‏

আলী ইবনু আবী তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) আমাদের জন্য খাবারের আয়োজন করলেন এবং আমাদেরকে দাওয়াত করে শরাব পান করান। আমাদেরকে এই শরাবের নেশায় ধরে। ইতোমধ্যে নামাযের ওয়াক্ত হয়ে যায়। লোকজন আমাকেই ইমামতি করতে এগিয়ে দেয়। আমি পাঠ করলাম : “কুল ইয়া আয়্যুহাল কাফিরূন। লা আ’বুদু মা তা’বুদূন। ওয়া নাহনু না’বুদু মা তা’বুদূন”। অর্থাৎ “ওয়ালা নাবুদু” (তোমরা যাদের ‘ইবাদাত কর আমরা তাদের ইবাদাত করি না)-এর স্থলে আমি “ওয়া নাহনু না’বুদু মা তা’বুদূন” (তোমরা যাদের ইবাদাত কর, আমরাও তাদের ইবাদাত করি) পড়ে ফেললাম। তখন আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন (অনুবাদ) : “হে ঈমানদারগণ! তোমরা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় নামাযের নিকটেও যেয়ো না, যতক্ষণ না তোমরা যা বল তা বুঝতে পার” (সূরা আন –নিসা ৪৩)।

আলী ইবনু আবী তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) আমাদের জন্য খাবারের আয়োজন করলেন এবং আমাদেরকে দাওয়াত করে শরাব পান করান। আমাদেরকে এই শরাবের নেশায় ধরে। ইতোমধ্যে নামাযের ওয়াক্ত হয়ে যায়। লোকজন আমাকেই ইমামতি করতে এগিয়ে দেয়। আমি পাঠ করলাম : “কুল ইয়া আয়্যুহাল কাফিরূন। লা আ’বুদু মা তা’বুদূন। ওয়া নাহনু না’বুদু মা তা’বুদূন”। অর্থাৎ “ওয়ালা নাবুদু” (তোমরা যাদের ‘ইবাদাত কর আমরা তাদের ইবাদাত করি না)-এর স্থলে আমি “ওয়া নাহনু না’বুদু মা তা’বুদূন” (তোমরা যাদের ইবাদাত কর, আমরাও তাদের ইবাদাত করি) পড়ে ফেললাম। তখন আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন (অনুবাদ) : “হে ঈমানদারগণ! তোমরা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় নামাযের নিকটেও যেয়ো না, যতক্ষণ না তোমরা যা বল তা বুঝতে পার” (সূরা আন –নিসা ৪৩)।

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الرحمن بن سعد، عن أبي جعفر الرازي، عن عطاء بن السائب، عن أبي عبد الرحمن السلمي، عن علي بن أبي طالب، قال صنع لنا عبد الرحمن بن عوف طعاما فدعانا وسقانا من الخمر فأخذت الخمر منا وحضرت الصلاة فقدموني فقرأت ‏:‏ ‏(‏ قل يا أيها الكافرون ‏)‏ لا أعبد ما تعبدون ونحن نعبد ما تعبدون ‏.‏ قال فأنزل الله تعالى ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا لا تقربوا الصلاة وأنتم سكارى حتى تعلموا ما تقولون ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০২৭

حدثنا قتيبة، حدثنا الليث بن سعد، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، أنه حدثه أن عبد الله بن الزبير حدثه أن رجلا من الأنصار خاصم الزبير في شراج الحرة التي يسقون بها النخل ‏.‏ فقال الأنصاري سرح الماء يمر فأبى عليه فاختصموا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم للزبير ‏"‏ اسق يا زبير وأرسل الماء إلى جارك ‏"‏ ‏.‏ فغضب الأنصاري وقال يا رسول الله أن كان ابن عمتك ‏.‏ فتغير وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قال ‏"‏ يا زبير اسق واحبس الماء حتى يرجع إلى الجدر ‏"‏ ‏.‏ فقال الزبير والله إني لأحسب هذه الآية نزلت في ذلك ‏:‏ ‏(‏فلا وربك لا يؤمنون حتى يحكموك ‏)‏ الآية ‏.‏ قال أبو عيسى سمعت محمدا يقول قد روى ابن وهب هذا الحديث عن الليث بن سعد ويونس عن الزهري عن عروة عن عبد الله بن الزبير نحو هذا الحديث ‏.‏ وروى شعيب بن أبي حمزة عن الزهري عن عروة عن الزبير ولم يذكر عن عبد الله بن الزبير ‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, কংকরময় হাররা এলাকার একটি (পানিসেচের) নালা নিয়ে এক আনসারীর সাথে তার ঝগড়া বাধে। উক্ত নালার মাধ্যমে তারা খেজুর বাগানে পানি দিতেন। আনসারী বললেন, পানি আসতে নালাটি আপনি ছেড়ে দিন। যুবাইর (রাঃ) তা মানলেন না। দুজনেই বিষয়টি নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উপস্থিত হলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুবাইর (রাঃ) কে বললেনঃ হে যুবাইর! তোমার বাগানে পানি দিয়ে তোমার প্রতিবেশীর জন্য পানি ছেড়ে দিও। এতে আনসারী ব্যক্তি রাগান্বিত হয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! ইনি আপনার ফুফাতো ভাই বলেই (এরূপ ফাইসালা করছেন)। এ কথায় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর চেহারা বিবর্ণ হয়ে গেল। তিনি বললেনঃ হে যুবাইর! তুমি তোমার বাগানের পানি প্রবাহিত করে আলগুলো পর্যন্ত পানি জমা না হওয়া পর্যন্ত নালা অন্যত্র প্রবাহিত হতে দিবে না। যুবাইর (রাঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ! আমার মনে হয় এ ঘটনা প্রসঙ্গেই এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “কিন্তু না, তোমার প্রভুর শপথ! তারা ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা তাদের পারস্পরিক মতভেদের ব্যাপারসমূহের বিচারভার তোমার উপর অর্পন না করে….” (সূরা আন –নিসা ৬৫)। সহীহ : বুখারী (৪৫৮৫), মুসলিম।

আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, কংকরময় হাররা এলাকার একটি (পানিসেচের) নালা নিয়ে এক আনসারীর সাথে তার ঝগড়া বাধে। উক্ত নালার মাধ্যমে তারা খেজুর বাগানে পানি দিতেন। আনসারী বললেন, পানি আসতে নালাটি আপনি ছেড়ে দিন। যুবাইর (রাঃ) তা মানলেন না। দুজনেই বিষয়টি নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উপস্থিত হলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুবাইর (রাঃ) কে বললেনঃ হে যুবাইর! তোমার বাগানে পানি দিয়ে তোমার প্রতিবেশীর জন্য পানি ছেড়ে দিও। এতে আনসারী ব্যক্তি রাগান্বিত হয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! ইনি আপনার ফুফাতো ভাই বলেই (এরূপ ফাইসালা করছেন)। এ কথায় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর চেহারা বিবর্ণ হয়ে গেল। তিনি বললেনঃ হে যুবাইর! তুমি তোমার বাগানের পানি প্রবাহিত করে আলগুলো পর্যন্ত পানি জমা না হওয়া পর্যন্ত নালা অন্যত্র প্রবাহিত হতে দিবে না। যুবাইর (রাঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ! আমার মনে হয় এ ঘটনা প্রসঙ্গেই এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “কিন্তু না, তোমার প্রভুর শপথ! তারা ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা তাদের পারস্পরিক মতভেদের ব্যাপারসমূহের বিচারভার তোমার উপর অর্পন না করে….” (সূরা আন –নিসা ৬৫)। সহীহ : বুখারী (৪৫৮৫), মুসলিম।

حدثنا قتيبة، حدثنا الليث بن سعد، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، أنه حدثه أن عبد الله بن الزبير حدثه أن رجلا من الأنصار خاصم الزبير في شراج الحرة التي يسقون بها النخل ‏.‏ فقال الأنصاري سرح الماء يمر فأبى عليه فاختصموا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم للزبير ‏"‏ اسق يا زبير وأرسل الماء إلى جارك ‏"‏ ‏.‏ فغضب الأنصاري وقال يا رسول الله أن كان ابن عمتك ‏.‏ فتغير وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قال ‏"‏ يا زبير اسق واحبس الماء حتى يرجع إلى الجدر ‏"‏ ‏.‏ فقال الزبير والله إني لأحسب هذه الآية نزلت في ذلك ‏:‏ ‏(‏فلا وربك لا يؤمنون حتى يحكموك ‏)‏ الآية ‏.‏ قال أبو عيسى سمعت محمدا يقول قد روى ابن وهب هذا الحديث عن الليث بن سعد ويونس عن الزهري عن عروة عن عبد الله بن الزبير نحو هذا الحديث ‏.‏ وروى شعيب بن أبي حمزة عن الزهري عن عروة عن الزبير ولم يذكر عن عبد الله بن الزبير ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০২৩

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، عن رجل، من ولد أم سلمة عن أم سلمة، قالت يا رسول الله لا أسمع الله ذكر النساء في الهجرة ‏.‏ فأنزل الله تعالى ‏:‏ ‏(‏ إني لا أضيع عمل عامل منكم من ذكر أو أنثى بعضكم من بعض ‏)‏ ‏.

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ তা’আলা স্ত্রীলোকদের হিজরাত প্রসঙ্গে উল্লেখ করেছেন বলে আমি শুনিনি। তখন আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন (অনুবাদ) : “আমি তোমাদের মধ্যে কর্মে নিষ্ঠ কোন নর বা নারীর কাজকে বিফল করি না। তোমরা একে অপরের অংশ। অতএব যারা হিজরাত করেছে, নিজেদের আবাস হতে উৎখাৎ হয়েছে, আমার পথে নির্যাতিত হয়েছে …..” – (সূরা আ-লি ‘ইমরান ১৯৫)। পূর্বের হাদীসের সহায়তায় সহীহ।

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ তা’আলা স্ত্রীলোকদের হিজরাত প্রসঙ্গে উল্লেখ করেছেন বলে আমি শুনিনি। তখন আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন (অনুবাদ) : “আমি তোমাদের মধ্যে কর্মে নিষ্ঠ কোন নর বা নারীর কাজকে বিফল করি না। তোমরা একে অপরের অংশ। অতএব যারা হিজরাত করেছে, নিজেদের আবাস হতে উৎখাৎ হয়েছে, আমার পথে নির্যাতিত হয়েছে …..” – (সূরা আ-লি ‘ইমরান ১৯৫)। পূর্বের হাদীসের সহায়তায় সহীহ।

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، عن رجل، من ولد أم سلمة عن أم سلمة، قالت يا رسول الله لا أسمع الله ذكر النساء في الهجرة ‏.‏ فأنزل الله تعالى ‏:‏ ‏(‏ إني لا أضيع عمل عامل منكم من ذكر أو أنثى بعضكم من بعض ‏)‏ ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩০২৮

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عدي بن ثابت، قال سمعت عبد الله بن يزيد، يحدث عن زيد بن ثابت، أنه قال في هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ فما لكم في المنافقين فئتين ‏)‏ قال رجع ناس من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم أحد ‏.‏ فكان الناس فيهم فريقين فريق يقول اقتلهم ‏.‏ وفريق يقول لا ‏.‏ فنزلت هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ فما لكم في المنافقين فئتين ‏)‏ وقال ‏"‏ إنها طيبة وقال إنها تنفي الخبيث كما تنفي النار خبث الحديد ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح وعبد الله بن يزيد هو الأنصاري الخطمي وله صحبة ‏.‏

যাইদ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

“তোমাদের কি হল যে, মুনাফিক্বদের প্রসঙ্গে তোমরা দুই দল হয়ে গেলে…..” – (সূরা আন –নিসা ৮৮) আয়াত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, উহূদ যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবীদের (মুসলিম বাহিনীর) মধ্য হতে কিছু সংখ্যক লোক (যুদ্ধক্ষেত্র হতে) ফিরে আসে। তাদের প্রসঙ্গে সাহাবীগণ দুই দলে বিভক্ত হয়ে যান। এক দলের বক্তব্য ছিল, তাদেরকে হত্যা কর। অন্য দলের মত ছিল, তাদেরকে হত্যার প্রয়োজন নেই। এ প্রসঙ্গে এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “তোমাদের কি হল যে, মুনাফিক্বদের ব্যাপারে তোমরা দুই দল হয়ে গেলে….” -(সূরা আন –নিসা ৮৮)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মাদীনা হল তাইবাহ-পবিত্র নগরী। তা ময়লা আবর্জনা (অপবিত্রতা মুনাফিক্বী) এমনভাবে দূর করে দেয় যেভাবে আগুন লোহার ময়লা দূর করে দেয়। সহীহ : বুখারী (৪৫৮৯), মুসলিম।

যাইদ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

“তোমাদের কি হল যে, মুনাফিক্বদের প্রসঙ্গে তোমরা দুই দল হয়ে গেলে…..” – (সূরা আন –নিসা ৮৮) আয়াত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, উহূদ যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবীদের (মুসলিম বাহিনীর) মধ্য হতে কিছু সংখ্যক লোক (যুদ্ধক্ষেত্র হতে) ফিরে আসে। তাদের প্রসঙ্গে সাহাবীগণ দুই দলে বিভক্ত হয়ে যান। এক দলের বক্তব্য ছিল, তাদেরকে হত্যা কর। অন্য দলের মত ছিল, তাদেরকে হত্যার প্রয়োজন নেই। এ প্রসঙ্গে এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “তোমাদের কি হল যে, মুনাফিক্বদের ব্যাপারে তোমরা দুই দল হয়ে গেলে….” -(সূরা আন –নিসা ৮৮)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মাদীনা হল তাইবাহ-পবিত্র নগরী। তা ময়লা আবর্জনা (অপবিত্রতা মুনাফিক্বী) এমনভাবে দূর করে দেয় যেভাবে আগুন লোহার ময়লা দূর করে দেয়। সহীহ : বুখারী (৪৫৮৯), মুসলিম।

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عدي بن ثابت، قال سمعت عبد الله بن يزيد، يحدث عن زيد بن ثابت، أنه قال في هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ فما لكم في المنافقين فئتين ‏)‏ قال رجع ناس من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم أحد ‏.‏ فكان الناس فيهم فريقين فريق يقول اقتلهم ‏.‏ وفريق يقول لا ‏.‏ فنزلت هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ فما لكم في المنافقين فئتين ‏)‏ وقال ‏"‏ إنها طيبة وقال إنها تنفي الخبيث كما تنفي النار خبث الحديد ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح وعبد الله بن يزيد هو الأنصاري الخطمي وله صحبة ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০২৯

حدثنا الحسن بن محمد الزعفراني، حدثنا شبابة، حدثنا ورقاء بن عمر، عن عمرو بن دينار، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ يجيء المقتول بالقاتل يوم القيامة ناصيته ورأسه بيده وأوداجه تشخب دما يقول يا رب هذا قتلني حتى يدنيه من العرش ‏"‏ ‏.‏ قال فذكروا لابن عباس التوبة فتلا هذه الآية‏:‏ ‏(‏ومن يقتل مؤمنا متعمدا ‏)‏ قال وما نسخت هذه الآية ولا بدلت وأنى له التوبة ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب وقد روى بعضهم هذا الحديث عن عمرو بن دينار عن ابن عباس نحوه ولم يرفعه ‏.‏

ইবনু ‘‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ক্বিয়ামাতের দিন নিহত ব্যক্তি নিজ হাতে তার হত্যাকারীকে তার কপালের চুল ও মাথা ধরে নিয়ে আসবে। তার ঘাড়ের কর্তিত রগসমূহ হতে রক্ত বের হতে থাকবে। সে বলবে, হে আমার প্রতিপালক! এ লোক আমাকে হত্যা করেছে। এমনকি সে তার হত্যাকারীকে নিয়ে আরশের নিকট পৌছে যাবে। ‘আমর ইবনু দীনার বলেন, লোকেরা ইবনু ‘‘আব্বাস (রাঃ) এর নিকট (হত্যাকারীর) তাওবার বিষয়ে আলোচনা করলে তিনি এ আয়াত তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ) : “কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোন মু’মিনকে হত্যা করলে তার শাস্তি জাহান্নাম। সেখানে সে স্থায়ী হবে এবং আল্লাহ তা’আলা তার প্রতি রুষ্ট হবেন, তাকে অভিসম্পাত করবেন এবং তার জন্য মহাশাস্তি প্রস্তুত রাখবেন” – (সূরা আন –নিসা ৯৩)। তিনি বলেন, এ আয়াত মানসূখও হয়নি বা তার বিধান পরিবর্তিতও হয়নি। অতএব তার আর তাওবা কিসের। সহীহ : মিশকাত তাহক্বীক্ব সানী (৩৪৬৫), তালীকুর রাগীব (৩/২০৩)।

ইবনু ‘‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ক্বিয়ামাতের দিন নিহত ব্যক্তি নিজ হাতে তার হত্যাকারীকে তার কপালের চুল ও মাথা ধরে নিয়ে আসবে। তার ঘাড়ের কর্তিত রগসমূহ হতে রক্ত বের হতে থাকবে। সে বলবে, হে আমার প্রতিপালক! এ লোক আমাকে হত্যা করেছে। এমনকি সে তার হত্যাকারীকে নিয়ে আরশের নিকট পৌছে যাবে। ‘আমর ইবনু দীনার বলেন, লোকেরা ইবনু ‘‘আব্বাস (রাঃ) এর নিকট (হত্যাকারীর) তাওবার বিষয়ে আলোচনা করলে তিনি এ আয়াত তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ) : “কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোন মু’মিনকে হত্যা করলে তার শাস্তি জাহান্নাম। সেখানে সে স্থায়ী হবে এবং আল্লাহ তা’আলা তার প্রতি রুষ্ট হবেন, তাকে অভিসম্পাত করবেন এবং তার জন্য মহাশাস্তি প্রস্তুত রাখবেন” – (সূরা আন –নিসা ৯৩)। তিনি বলেন, এ আয়াত মানসূখও হয়নি বা তার বিধান পরিবর্তিতও হয়নি। অতএব তার আর তাওবা কিসের। সহীহ : মিশকাত তাহক্বীক্ব সানী (৩৪৬৫), তালীকুর রাগীব (৩/২০৩)।

حدثنا الحسن بن محمد الزعفراني، حدثنا شبابة، حدثنا ورقاء بن عمر، عن عمرو بن دينار، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ يجيء المقتول بالقاتل يوم القيامة ناصيته ورأسه بيده وأوداجه تشخب دما يقول يا رب هذا قتلني حتى يدنيه من العرش ‏"‏ ‏.‏ قال فذكروا لابن عباس التوبة فتلا هذه الآية‏:‏ ‏(‏ومن يقتل مؤمنا متعمدا ‏)‏ قال وما نسخت هذه الآية ولا بدلت وأنى له التوبة ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب وقد روى بعضهم هذا الحديث عن عمرو بن دينار عن ابن عباس نحوه ولم يرفعه ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৩০

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد العزيز بن أبي رزمة، عن إسرائيل، عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال مر رجل من بني سليم على نفر من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم ومعه غنم له فسلم عليهم قالوا ما سلم عليكم إلا ليتعوذ منكم فقاموا فقتلوه وأخذوا غنمه فأتوا بها رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فأنزل الله تعالى ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا إذا ضربتم في سبيل الله فتبينوا ولا تقولوا لمن ألقى إليكم السلام لست مؤمنا ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن ‏.‏ وفي الباب عن أسامة بن زيد ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সুলাইম বংশের এক লোক তার এক পাল ছাগল নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর এক দল সাহাবীর সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। সে তাদেরকে সালাম দিল। তারা (পরস্পর) বলল, এ লোক তোমাদের হাত হতে বাঁচার জন্যই তোমাদেরকে সালাম দিয়েছে। এই বলে তারা উঠে গিয়ে লোকটিতে হত্যা করল এবং তার ছাগলগুলো নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে হাযির হল। তখন আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন (অনুবাদ) : “হে ঈমানদারগণ! তোমরা যখন আল্লাহ তা’আলার পথে (জিহাদের জন্যে) বের হবে, তখন অবশ্যই পরীক্ষা করে নিবে এবং কেউ তোমাদের সালাম দিলে (পার্থিব জীবনের সম্পদের আকাঙ্খায়) তাকে বলবে না যে, তুমি মুমিন নও” – (সূরা আন –নিসা ৯৪)। হাসান সহীহ : তা’লীক আলাল ইহসান (৭/১২২), বুখারী (২৫৯১) সংক্ষেপে, মুসলিম।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সুলাইম বংশের এক লোক তার এক পাল ছাগল নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর এক দল সাহাবীর সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। সে তাদেরকে সালাম দিল। তারা (পরস্পর) বলল, এ লোক তোমাদের হাত হতে বাঁচার জন্যই তোমাদেরকে সালাম দিয়েছে। এই বলে তারা উঠে গিয়ে লোকটিতে হত্যা করল এবং তার ছাগলগুলো নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে হাযির হল। তখন আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন (অনুবাদ) : “হে ঈমানদারগণ! তোমরা যখন আল্লাহ তা’আলার পথে (জিহাদের জন্যে) বের হবে, তখন অবশ্যই পরীক্ষা করে নিবে এবং কেউ তোমাদের সালাম দিলে (পার্থিব জীবনের সম্পদের আকাঙ্খায়) তাকে বলবে না যে, তুমি মুমিন নও” – (সূরা আন –নিসা ৯৪)। হাসান সহীহ : তা’লীক আলাল ইহসান (৭/১২২), বুখারী (২৫৯১) সংক্ষেপে, মুসলিম।

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد العزيز بن أبي رزمة، عن إسرائيل، عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال مر رجل من بني سليم على نفر من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم ومعه غنم له فسلم عليهم قالوا ما سلم عليكم إلا ليتعوذ منكم فقاموا فقتلوه وأخذوا غنمه فأتوا بها رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فأنزل الله تعالى ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا إذا ضربتم في سبيل الله فتبينوا ولا تقولوا لمن ألقى إليكم السلام لست مؤمنا ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن ‏.‏ وفي الباب عن أسامة بن زيد ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৩০

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد العزيز بن أبي رزمة، عن إسرائيل، عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال مر رجل من بني سليم على نفر من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم ومعه غنم له فسلم عليهم قالوا ما سلم عليكم إلا ليتعوذ منكم فقاموا فقتلوه وأخذوا غنمه فأتوا بها رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فأنزل الله تعالى ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا إذا ضربتم في سبيل الله فتبينوا ولا تقولوا لمن ألقى إليكم السلام لست مؤمنا ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن ‏.‏ وفي الباب عن أسامة بن زيد ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সুলাইম বংশের এক লোক তার এক পাল ছাগল নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর এক দল সাহাবীর সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। সে তাদেরকে সালাম দিল। তারা (পরস্পর) বলল, এ লোক তোমাদের হাত হতে বাঁচার জন্যই তোমাদেরকে সালাম দিয়েছে। এই বলে তারা উঠে গিয়ে লোকটিতে হত্যা করল এবং তার ছাগলগুলো নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে হাযির হল। তখন আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন (অনুবাদ) : “হে ঈমানদারগণ! তোমরা যখন আল্লাহ তা’আলার পথে (জিহাদের জন্যে) বের হবে, তখন অবশ্যই পরীক্ষা করে নিবে এবং কেউ তোমাদের সালাম দিলে (পার্থিব জীবনের সম্পদের আকাঙ্খায়) তাকে বলবে না যে, তুমি মুমিন নও” – (সূরা আন –নিসা ৯৪)। হাসান সহীহ : তা’লীক আলাল ইহসান (৭/১২২), বুখারী (২৫৯১) সংক্ষেপে, মুসলিম।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সুলাইম বংশের এক লোক তার এক পাল ছাগল নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর এক দল সাহাবীর সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। সে তাদেরকে সালাম দিল। তারা (পরস্পর) বলল, এ লোক তোমাদের হাত হতে বাঁচার জন্যই তোমাদেরকে সালাম দিয়েছে। এই বলে তারা উঠে গিয়ে লোকটিতে হত্যা করল এবং তার ছাগলগুলো নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে হাযির হল। তখন আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন (অনুবাদ) : “হে ঈমানদারগণ! তোমরা যখন আল্লাহ তা’আলার পথে (জিহাদের জন্যে) বের হবে, তখন অবশ্যই পরীক্ষা করে নিবে এবং কেউ তোমাদের সালাম দিলে (পার্থিব জীবনের সম্পদের আকাঙ্খায়) তাকে বলবে না যে, তুমি মুমিন নও” – (সূরা আন –নিসা ৯৪)। হাসান সহীহ : তা’লীক আলাল ইহসান (৭/১২২), বুখারী (২৫৯১) সংক্ষেপে, মুসলিম।

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد العزيز بن أبي رزمة، عن إسرائيل، عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال مر رجل من بني سليم على نفر من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم ومعه غنم له فسلم عليهم قالوا ما سلم عليكم إلا ليتعوذ منكم فقاموا فقتلوه وأخذوا غنمه فأتوا بها رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فأنزل الله تعالى ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا إذا ضربتم في سبيل الله فتبينوا ولا تقولوا لمن ألقى إليكم السلام لست مؤمنا ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن ‏.‏ وفي الباب عن أسامة بن زيد ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৩০

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد العزيز بن أبي رزمة، عن إسرائيل، عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال مر رجل من بني سليم على نفر من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم ومعه غنم له فسلم عليهم قالوا ما سلم عليكم إلا ليتعوذ منكم فقاموا فقتلوه وأخذوا غنمه فأتوا بها رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فأنزل الله تعالى ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا إذا ضربتم في سبيل الله فتبينوا ولا تقولوا لمن ألقى إليكم السلام لست مؤمنا ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن ‏.‏ وفي الباب عن أسامة بن زيد ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সুলাইম বংশের এক লোক তার এক পাল ছাগল নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর এক দল সাহাবীর সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। সে তাদেরকে সালাম দিল। তারা (পরস্পর) বলল, এ লোক তোমাদের হাত হতে বাঁচার জন্যই তোমাদেরকে সালাম দিয়েছে। এই বলে তারা উঠে গিয়ে লোকটিতে হত্যা করল এবং তার ছাগলগুলো নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে হাযির হল। তখন আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন (অনুবাদ) : “হে ঈমানদারগণ! তোমরা যখন আল্লাহ তা’আলার পথে (জিহাদের জন্যে) বের হবে, তখন অবশ্যই পরীক্ষা করে নিবে এবং কেউ তোমাদের সালাম দিলে (পার্থিব জীবনের সম্পদের আকাঙ্খায়) তাকে বলবে না যে, তুমি মুমিন নও” – (সূরা আন –নিসা ৯৪)। হাসান সহীহ : তা’লীক আলাল ইহসান (৭/১২২), বুখারী (২৫৯১) সংক্ষেপে, মুসলিম।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সুলাইম বংশের এক লোক তার এক পাল ছাগল নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর এক দল সাহাবীর সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। সে তাদেরকে সালাম দিল। তারা (পরস্পর) বলল, এ লোক তোমাদের হাত হতে বাঁচার জন্যই তোমাদেরকে সালাম দিয়েছে। এই বলে তারা উঠে গিয়ে লোকটিতে হত্যা করল এবং তার ছাগলগুলো নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে হাযির হল। তখন আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন (অনুবাদ) : “হে ঈমানদারগণ! তোমরা যখন আল্লাহ তা’আলার পথে (জিহাদের জন্যে) বের হবে, তখন অবশ্যই পরীক্ষা করে নিবে এবং কেউ তোমাদের সালাম দিলে (পার্থিব জীবনের সম্পদের আকাঙ্খায়) তাকে বলবে না যে, তুমি মুমিন নও” – (সূরা আন –নিসা ৯৪)। হাসান সহীহ : তা’লীক আলাল ইহসান (৭/১২২), বুখারী (২৫৯১) সংক্ষেপে, মুসলিম।

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد العزيز بن أبي رزمة، عن إسرائيل، عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال مر رجل من بني سليم على نفر من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم ومعه غنم له فسلم عليهم قالوا ما سلم عليكم إلا ليتعوذ منكم فقاموا فقتلوه وأخذوا غنمه فأتوا بها رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فأنزل الله تعالى ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا إذا ضربتم في سبيل الله فتبينوا ولا تقولوا لمن ألقى إليكم السلام لست مؤمنا ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن ‏.‏ وفي الباب عن أسامة بن زيد ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৩১

حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا وكيع، حدثنا سفيان، عن أبي إسحاق، عن البراء بن عازب، قال لما نزلت ‏:‏ ‏(‏لا يستوي القاعدون من المؤمنين ‏)‏ جاء عمرو ابن أم مكتوم إلى النبي صلى الله عليه وسلم - قال وكان ضرير البصر فقال يا رسول الله ما تأمرني إني ضرير البصر فأنزل الله تعالى هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ غير أولي الضرر ‏)‏ الآية ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ائتوني بالكتف والدواة أو اللوح والدواة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ ويقال عمرو ابن أم مكتوم ويقال عبد الله ابن أم مكتوم وهو عبد الله بن زائدة وأم مكتوم أمه ‏.‏

আল–বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, “মু’মিনদের মধ্যে যারা ঘরে বসে থাকে তারা সমান নয়” – (সূরা আন –নিসা ৯৫) আয়াত অবতীর্ণ হলে ‘আম্‌র ইবনু উম্মি মাকতূম (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট আসলেন। তিনি ছিলেন দৃষ্টিশক্তিহীন (অন্ধ)। তিনি বললেন, হে আল্লাহ রাসূল! আমি তো দৃষ্টিশক্তিহীন। আমাকে আপনি কি নির্দেশ দেন? তখন আল্লাহ তা’আলা নিম্নোক্ত আয়াত অবতীর্ণ করেন (অনুবাদ) : “তবে যারা অক্ষম তাদের কথা স্বতন্ত্র” – (সূরা আন –নিসা ৯৫)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ (আয়াতটি লিপিবদ্ধ করতে) তোমরা আমার জন্য কাঁধের হাড় ও দোয়াত অথবা (বললেন) তখতি ও দোয়াত নিয়ে এসো। সহীহ : বুখারী (৪৫৯৩-৪৫৯৪), মুসলিম, ১৬৭০ নং পূর্বে উল্লেখ হয়েছে।

আল–বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, “মু’মিনদের মধ্যে যারা ঘরে বসে থাকে তারা সমান নয়” – (সূরা আন –নিসা ৯৫) আয়াত অবতীর্ণ হলে ‘আম্‌র ইবনু উম্মি মাকতূম (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট আসলেন। তিনি ছিলেন দৃষ্টিশক্তিহীন (অন্ধ)। তিনি বললেন, হে আল্লাহ রাসূল! আমি তো দৃষ্টিশক্তিহীন। আমাকে আপনি কি নির্দেশ দেন? তখন আল্লাহ তা’আলা নিম্নোক্ত আয়াত অবতীর্ণ করেন (অনুবাদ) : “তবে যারা অক্ষম তাদের কথা স্বতন্ত্র” – (সূরা আন –নিসা ৯৫)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ (আয়াতটি লিপিবদ্ধ করতে) তোমরা আমার জন্য কাঁধের হাড় ও দোয়াত অথবা (বললেন) তখতি ও দোয়াত নিয়ে এসো। সহীহ : বুখারী (৪৫৯৩-৪৫৯৪), মুসলিম, ১৬৭০ নং পূর্বে উল্লেখ হয়েছে।

حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا وكيع، حدثنا سفيان، عن أبي إسحاق، عن البراء بن عازب، قال لما نزلت ‏:‏ ‏(‏لا يستوي القاعدون من المؤمنين ‏)‏ جاء عمرو ابن أم مكتوم إلى النبي صلى الله عليه وسلم - قال وكان ضرير البصر فقال يا رسول الله ما تأمرني إني ضرير البصر فأنزل الله تعالى هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ غير أولي الضرر ‏)‏ الآية ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ائتوني بالكتف والدواة أو اللوح والدواة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ ويقال عمرو ابن أم مكتوم ويقال عبد الله ابن أم مكتوم وهو عبد الله بن زائدة وأم مكتوم أمه ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৩২

حدثنا الحسن بن محمد الزعفراني، حدثنا الحجاج بن محمد، عن ابن جريج، أخبرني عبد الكريم، سمع مقسما، مولى عبد الله بن الحارث يحدث عن ابن عباس، أنه قال ‏:‏ ‏(‏ لا يستوي القاعدون من المؤمنين غير أولي الضرر ‏)‏ عن بدر والخارجون إلى بدر لما نزلت غزوة بدر قال عبد الله بن جحش وابن أم مكتوم إنا أعميان يا رسول الله فهل لنا رخصة فنزلت ‏:‏ ‏(‏ لا يستوي القاعدون من المؤمنين غير أولي الضرر ‏)‏ و ‏:‏ ‏(‏فضل الله المجاهدين على القاعدين درجة ‏)‏ فهؤلاء القاعدون غير أولي الضرر ‏:‏ ‏(‏ وفضل الله المجاهدين على القاعدين أجرا عظيما * درجات منه ‏)‏ على القاعدين من المؤمنين غير أولي الضرر ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب من هذا الوجه من حديث ابن عباس ومقسم يقال هو مولى عبد الله بن الحارث ويقال هو مولى عبد الله بن عباس وكنيته أبو القاسم ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

“মু’মিনদের মধ্যে যারা অক্ষম নয় অথচ ঘরে বসে থাকে” – (সূরা আন –নিসা ৯৫) আয়াত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা অক্ষম হয়েও ঘরে বসে ছিল তারা এবং যারা বদরের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছে তারা (মর্যাদায়) এক সমান নয়। এখানে তাদের কথাই বলা হয়েছে। বদর যুদ্ধের নির্দেশ সম্বলিত আয়াত অবতীর্ণ হলে ‘আবদুল্লাহ ইবনু জাহশ ও ইবনু উম্মি মাকতূম (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা তো উভয়েই অন্ধ! এক্ষেত্রে আমাদের দুজনের জন্য কি কোনরূপ সুযোগ আছে? তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “মু’মিনদের মধ্যে যারা অক্ষম নয় অথচ ঘরে বসে থাকে তারা সমান নয় এবং যারা জিহাদ করে তাদেরকে আল্লাহ তা’আলা মহাপুরষ্কারের ক্ষেত্রে যারা ঘরে বসে থাকে তাদের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন” – (সূরা আন –নিসা ৯৫)। যারা অক্ষম না হওয়া স্বত্বেও ঘরে বসে থাকে, এখানে তাদের কথা বলা হয়েছে। সহীহ : বুখারী (৪৫৯৫)।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

“মু’মিনদের মধ্যে যারা অক্ষম নয় অথচ ঘরে বসে থাকে” – (সূরা আন –নিসা ৯৫) আয়াত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা অক্ষম হয়েও ঘরে বসে ছিল তারা এবং যারা বদরের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছে তারা (মর্যাদায়) এক সমান নয়। এখানে তাদের কথাই বলা হয়েছে। বদর যুদ্ধের নির্দেশ সম্বলিত আয়াত অবতীর্ণ হলে ‘আবদুল্লাহ ইবনু জাহশ ও ইবনু উম্মি মাকতূম (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা তো উভয়েই অন্ধ! এক্ষেত্রে আমাদের দুজনের জন্য কি কোনরূপ সুযোগ আছে? তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “মু’মিনদের মধ্যে যারা অক্ষম নয় অথচ ঘরে বসে থাকে তারা সমান নয় এবং যারা জিহাদ করে তাদেরকে আল্লাহ তা’আলা মহাপুরষ্কারের ক্ষেত্রে যারা ঘরে বসে থাকে তাদের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন” – (সূরা আন –নিসা ৯৫)। যারা অক্ষম না হওয়া স্বত্বেও ঘরে বসে থাকে, এখানে তাদের কথা বলা হয়েছে। সহীহ : বুখারী (৪৫৯৫)।

حدثنا الحسن بن محمد الزعفراني، حدثنا الحجاج بن محمد، عن ابن جريج، أخبرني عبد الكريم، سمع مقسما، مولى عبد الله بن الحارث يحدث عن ابن عباس، أنه قال ‏:‏ ‏(‏ لا يستوي القاعدون من المؤمنين غير أولي الضرر ‏)‏ عن بدر والخارجون إلى بدر لما نزلت غزوة بدر قال عبد الله بن جحش وابن أم مكتوم إنا أعميان يا رسول الله فهل لنا رخصة فنزلت ‏:‏ ‏(‏ لا يستوي القاعدون من المؤمنين غير أولي الضرر ‏)‏ و ‏:‏ ‏(‏فضل الله المجاهدين على القاعدين درجة ‏)‏ فهؤلاء القاعدون غير أولي الضرر ‏:‏ ‏(‏ وفضل الله المجاهدين على القاعدين أجرا عظيما * درجات منه ‏)‏ على القاعدين من المؤمنين غير أولي الضرر ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب من هذا الوجه من حديث ابن عباس ومقسم يقال هو مولى عبد الله بن الحارث ويقال هو مولى عبد الله بن عباس وكنيته أبو القاسم ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৩৪

حدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، قال سمعت عبد الرحمن بن عبد الله بن أبي عمار، يحدث عن عبد الله بن باباه، عن يعلى بن أمية، قال قلت لعمر بن الخطاب إنما قال الله ‏:‏ ‏(‏ أن تقصروا من الصلاة إن خفتم أن يفتنكم الذين كفروا ‏)‏ وقد أمن الناس ‏.‏ فقال عمر عجبت مما عجبت منه فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ صدقة تصدق الله بها عليكم فاقبلوا صدقته ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.

ইয়া’লা ইবনু উমাইয়্যাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘উমার (রাঃ) কে বললাম, আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ “তোমরা যখন শত্রুর আশংকা করবে তখন নামায কসর করবে” – (সূরা আন –নিসা ১০১)। এখন তো মানুষ নিরাপদ ও ভীতিমুক্ত হয়ে গেছে (এখন নামা কসর করার কি প্রয়োজন)। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তুমি যে বিষয়ে বিস্ময়বোধ করছ, আমিও একই বিষয়ে বিস্ময়বোধ করেছি এবং বিষয়টি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উত্থাপন করেছি। তিনি বলেছেনঃ এটা তো তোমাদের জন্য আল্লাহ তা’আলার পক্ষ হতে সাদাক্বাহ্। অতএব তোমরা তাঁর সাদাক্বাহ্ (অনুগ্রহ) গ্রহণ কর। সহীহ : ইবনু মাজাহ (১০৬৫), মুসলিম।

ইয়া’লা ইবনু উমাইয়্যাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘উমার (রাঃ) কে বললাম, আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ “তোমরা যখন শত্রুর আশংকা করবে তখন নামায কসর করবে” – (সূরা আন –নিসা ১০১)। এখন তো মানুষ নিরাপদ ও ভীতিমুক্ত হয়ে গেছে (এখন নামা কসর করার কি প্রয়োজন)। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তুমি যে বিষয়ে বিস্ময়বোধ করছ, আমিও একই বিষয়ে বিস্ময়বোধ করেছি এবং বিষয়টি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উত্থাপন করেছি। তিনি বলেছেনঃ এটা তো তোমাদের জন্য আল্লাহ তা’আলার পক্ষ হতে সাদাক্বাহ্। অতএব তোমরা তাঁর সাদাক্বাহ্ (অনুগ্রহ) গ্রহণ কর। সহীহ : ইবনু মাজাহ (১০৬৫), মুসলিম।

حدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، قال سمعت عبد الرحمن بن عبد الله بن أبي عمار، يحدث عن عبد الله بن باباه، عن يعلى بن أمية، قال قلت لعمر بن الخطاب إنما قال الله ‏:‏ ‏(‏ أن تقصروا من الصلاة إن خفتم أن يفتنكم الذين كفروا ‏)‏ وقد أمن الناس ‏.‏ فقال عمر عجبت مما عجبت منه فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ صدقة تصدق الله بها عليكم فاقبلوا صدقته ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৩৫

حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا عبد الصمد بن عبد الوارث، حدثنا سعيد بن عبيد الهنائي، حدثنا عبد الله بن شقيق، حدثنا أبو هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نزل بين ضجنان وعسفان فقال المشركون إن لهؤلاء صلاة هي أحب إليهم من آبائهم وأبنائهم وهي العصر فأجمعوا أمركم فميلوا عليهم ميلة واحدة وإن جبريل أتى النبي صلى الله عليه وسلم فأمره أن يقسم أصحابه شطرين فيصلي بهم وتقوم طائفة أخرى وراءهم وليأخذوا حذرهم وأسلحتهم ثم يأتي الآخرون ويصلون معه ركعة واحدة ثم يأخذ هؤلاء حذرهم وأسلحتهم فتكون لهم ركعة ركعة ولرسول الله صلى الله عليه وسلم ركعتان ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب من هذا الوجه من حديث عبد الله بن شقيق عن أبي هريرة ‏.‏ وفي الباب عن عبد الله بن مسعود وزيد بن ثابت وابن عباس وجابر وأبي عياش الزرقي وابن عمر وحذيفة وأبي بكرة وسهل بن أبي حثمة وأبو عياش الزرقي اسمه زيد بن صامت ‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা্‌ (রাঃ) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুজনান ও ‘উসফান নামক জায়গার মাঝে যাত্রাবিরতি করলেন। মুশরিকরা বলল, তাদের নিকট একটি নামায আছে যা তাদের বাপ-দাদা ও সন্তান-সন্ততির চাইতেও বেশি প্রিয়। সেটি হচ্ছে, ‘আসরের নামায। কাজেই তোমরা নিজেদের যাবতীয় সাজ সরঞ্জাম প্রস্তুত করে সংকল্পব্ধ হয়ে থাক এবং তাদের উপর (নামাযরত অবস্থায়) ঝটিকা আক্রমণ চালাও। এদিকে জিবরীল (আঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে নির্দেশ দিলেন, আপনার সংগীদের দু’ভাগে বিভক্ত করুন। এক অংশকে নিয়ে আপনি নামায আদায় করুন। অন্য দল নামাযরতদের পেছনে তাদের ঢাল ও অস্ত্র নিয়ে সতর্কাবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকবে। এরপর দ্বিতীয় দল (যারা নামায আদায় করেনি) আসবে। তারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে এক রাকআত নামায আদায় করবে। তারপর তারা তাদের অস্ত্রশস্ত্রসহ সতর্কাবস্থায় থাকবে। ফলে তাদের (উভয় দলের) এক এক রাক’আত হবে। আর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর হবে দুই রাক’আত। সনদ সহীহ।

আবদুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা্‌ (রাঃ) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুজনান ও ‘উসফান নামক জায়গার মাঝে যাত্রাবিরতি করলেন। মুশরিকরা বলল, তাদের নিকট একটি নামায আছে যা তাদের বাপ-দাদা ও সন্তান-সন্ততির চাইতেও বেশি প্রিয়। সেটি হচ্ছে, ‘আসরের নামায। কাজেই তোমরা নিজেদের যাবতীয় সাজ সরঞ্জাম প্রস্তুত করে সংকল্পব্ধ হয়ে থাক এবং তাদের উপর (নামাযরত অবস্থায়) ঝটিকা আক্রমণ চালাও। এদিকে জিবরীল (আঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে নির্দেশ দিলেন, আপনার সংগীদের দু’ভাগে বিভক্ত করুন। এক অংশকে নিয়ে আপনি নামায আদায় করুন। অন্য দল নামাযরতদের পেছনে তাদের ঢাল ও অস্ত্র নিয়ে সতর্কাবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকবে। এরপর দ্বিতীয় দল (যারা নামায আদায় করেনি) আসবে। তারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে এক রাকআত নামায আদায় করবে। তারপর তারা তাদের অস্ত্রশস্ত্রসহ সতর্কাবস্থায় থাকবে। ফলে তাদের (উভয় দলের) এক এক রাক’আত হবে। আর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর হবে দুই রাক’আত। সনদ সহীহ।

حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا عبد الصمد بن عبد الوارث، حدثنا سعيد بن عبيد الهنائي، حدثنا عبد الله بن شقيق، حدثنا أبو هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نزل بين ضجنان وعسفان فقال المشركون إن لهؤلاء صلاة هي أحب إليهم من آبائهم وأبنائهم وهي العصر فأجمعوا أمركم فميلوا عليهم ميلة واحدة وإن جبريل أتى النبي صلى الله عليه وسلم فأمره أن يقسم أصحابه شطرين فيصلي بهم وتقوم طائفة أخرى وراءهم وليأخذوا حذرهم وأسلحتهم ثم يأتي الآخرون ويصلون معه ركعة واحدة ثم يأخذ هؤلاء حذرهم وأسلحتهم فتكون لهم ركعة ركعة ولرسول الله صلى الله عليه وسلم ركعتان ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب من هذا الوجه من حديث عبد الله بن شقيق عن أبي هريرة ‏.‏ وفي الباب عن عبد الله بن مسعود وزيد بن ثابت وابن عباس وجابر وأبي عياش الزرقي وابن عمر وحذيفة وأبي بكرة وسهل بن أبي حثمة وأبو عياش الزرقي اسمه زيد بن صامت ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৩৩

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا يعقوب بن إبراهيم بن سعد، عن أبيه، عن صالح بن كيسان، عن ابن شهاب، حدثني سهل بن سعد، قال رأيت مروان بن الحكم جالسا في المسجد فأقبلت حتى جلست إلى جنبه فأخبرنا أن زيد بن ثابت أخبره أن النبي صلى الله عليه وسلم أملى عليه لا يستوي القاعدون من المؤمنين والمجاهدون في سبيل الله قال فجاءه ابن أم مكتوم وهو يمليها على فقال يا رسول الله والله لو أستطيع الجهاد لجاهدت وكان رجلا أعمى ‏.‏ فأنزل الله على رسوله صلى الله عليه وسلم وفخذه على فخذي فثقلت حتى همت ترض فخذي ثم سري عنه فأنزل الله عليه ‏:‏ ‏(‏ غير أولي الضرر ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ هكذا روى غير واحد عن الزهري عن سهل بن سعد نحو هذا ‏.‏ وروى معمر عن الزهري هذا الحديث عن قبيصة بن ذؤيب عن زيد بن ثابت ‏.‏ وفي هذا الحديث رواية رجل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم عن رجل من التابعين رواه سهل بن سعد الأنصاري عن مروان بن الحكم ومروان لم يسمع من النبي صلى الله عليه وسلم وهو من التابعين ‏.‏

সাহল ইবনু ‘সাদ আস্‌ –সা’ঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মারওয়ান ইবনুল হাকামকে মাসজিদে বসা দেখে আমি তাঁর নিকট এগিয়ে গিয়ে তার পাশে বসলাম। তিনি আমাদের বললেন, যাইদ ইবনু সাবিত (রাঃ) আমাকে জানিয়েছেন যে, নাবী, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার দ্বারা লেখাচ্ছিলেন : “লা ইয়াসতাবিল কা’ইদূনা মিনাল মু’মিনীনা ওয়াল মুজাহিদূনা ফী সাবীলিল্লাহ”। তখন তাঁর নিকট ইবনু উম্মি মাকতূম (রাঃ) এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর শপথ! আমি যদি জিহাদ করতে পারতাম, তাহলে অবশ্যই জিহাদ করতাম। তিনি ছিলেন অন্ধ। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা তাঁর রাসূলের উপর ওয়াহী অবতীর্ণ করলেন, তখন তাঁর উরু আমার উরুর উপর ছিল। তা এত ভারী লাগছিল যে, এতে আমার উরু ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়। কিছুক্ষণ পর তাঁর এ অবস্থা দূরীভূত হয়। আল্লাহ তা’আলা তাঁর উপর অবতীর্ণ করেন : “গাইরু উলিয যারারি”। সহীহ : বুখারী (৪৫৯২)।

সাহল ইবনু ‘সাদ আস্‌ –সা’ঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মারওয়ান ইবনুল হাকামকে মাসজিদে বসা দেখে আমি তাঁর নিকট এগিয়ে গিয়ে তার পাশে বসলাম। তিনি আমাদের বললেন, যাইদ ইবনু সাবিত (রাঃ) আমাকে জানিয়েছেন যে, নাবী, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার দ্বারা লেখাচ্ছিলেন : “লা ইয়াসতাবিল কা’ইদূনা মিনাল মু’মিনীনা ওয়াল মুজাহিদূনা ফী সাবীলিল্লাহ”। তখন তাঁর নিকট ইবনু উম্মি মাকতূম (রাঃ) এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর শপথ! আমি যদি জিহাদ করতে পারতাম, তাহলে অবশ্যই জিহাদ করতাম। তিনি ছিলেন অন্ধ। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা তাঁর রাসূলের উপর ওয়াহী অবতীর্ণ করলেন, তখন তাঁর উরু আমার উরুর উপর ছিল। তা এত ভারী লাগছিল যে, এতে আমার উরু ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়। কিছুক্ষণ পর তাঁর এ অবস্থা দূরীভূত হয়। আল্লাহ তা’আলা তাঁর উপর অবতীর্ণ করেন : “গাইরু উলিয যারারি”। সহীহ : বুখারী (৪৫৯২)।

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا يعقوب بن إبراهيم بن سعد، عن أبيه، عن صالح بن كيسان، عن ابن شهاب، حدثني سهل بن سعد، قال رأيت مروان بن الحكم جالسا في المسجد فأقبلت حتى جلست إلى جنبه فأخبرنا أن زيد بن ثابت أخبره أن النبي صلى الله عليه وسلم أملى عليه لا يستوي القاعدون من المؤمنين والمجاهدون في سبيل الله قال فجاءه ابن أم مكتوم وهو يمليها على فقال يا رسول الله والله لو أستطيع الجهاد لجاهدت وكان رجلا أعمى ‏.‏ فأنزل الله على رسوله صلى الله عليه وسلم وفخذه على فخذي فثقلت حتى همت ترض فخذي ثم سري عنه فأنزل الله عليه ‏:‏ ‏(‏ غير أولي الضرر ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ هكذا روى غير واحد عن الزهري عن سهل بن سعد نحو هذا ‏.‏ وروى معمر عن الزهري هذا الحديث عن قبيصة بن ذؤيب عن زيد بن ثابت ‏.‏ وفي هذا الحديث رواية رجل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم عن رجل من التابعين رواه سهل بن سعد الأنصاري عن مروان بن الحكم ومروان لم يسمع من النبي صلى الله عليه وسلم وهو من التابعين ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৩৭

حدثنا خلاد بن أسلم البغدادي، حدثنا النضر بن شميل، عن إسرائيل، عن ثوير بن أبي فاختة، عن أبيه، عن علي بن أبي طالب، قال ما في القرآن آية أحب إلى من هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ إن الله لا يغفر أن يشرك به ويغفر ما دون ذلك لمن يشاء ‏)‏ قال هذا حديث حسن غريب ‏.‏ وأبو فاختة اسمه سعيد بن علاقة وثوير يكنى أبا جهم وهو رجل كوفي من التابعين وقد سمع من ابن عمر وابن الزبير ‏.‏ وابن مهدي كان يغمزه قليلا ‏.‏

আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমার কাছে কুরআনের এ আয়াত হতে পছন্দনীয় আয়াত আর কোনটি নেইঃ “নিশ্চয় আল্লাহ্ তাঁর সাথে অংশীদার করাকে মাফ করেন না; তা ছাড়া সব কিছু যাকে ইচ্ছা মাফ করেন”।

আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমার কাছে কুরআনের এ আয়াত হতে পছন্দনীয় আয়াত আর কোনটি নেইঃ “নিশ্চয় আল্লাহ্ তাঁর সাথে অংশীদার করাকে মাফ করেন না; তা ছাড়া সব কিছু যাকে ইচ্ছা মাফ করেন”।

حدثنا خلاد بن أسلم البغدادي، حدثنا النضر بن شميل، عن إسرائيل، عن ثوير بن أبي فاختة، عن أبيه، عن علي بن أبي طالب، قال ما في القرآن آية أحب إلى من هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ إن الله لا يغفر أن يشرك به ويغفر ما دون ذلك لمن يشاء ‏)‏ قال هذا حديث حسن غريب ‏.‏ وأبو فاختة اسمه سعيد بن علاقة وثوير يكنى أبا جهم وهو رجل كوفي من التابعين وقد سمع من ابن عمر وابن الزبير ‏.‏ وابن مهدي كان يغمزه قليلا ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৩৮

حدثنا محمد بن يحيى بن أبي عمر، وعبد الله بن أبي زياد المعنى، واحد، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن ابن محيصن، عن محمد بن قيس بن مخرمة، عن أبي هريرة، قال لما نزلت ‏:‏ ‏(‏من يعمل سوءا يجز به ‏)‏ شق ذلك على المسلمين فشكوا ذلك إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ قاربوا وسددوا وفي كل ما يصيب المؤمن كفارة حتى الشوكة يشاكها أو النكبة ينكبها ‏"‏ ‏.‏ ابن محيصن هو عمر بن عبد الرحمن بن محيصن ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, “কেউ মন্দ কাজ করলে তার প্রতিফল সে পাবে”- (সূরা আন –নিসা ১২৩) আয়াত অবতীর্ণ হলে মুসলিমদের নিকট বিষয়টি খুবই গুরুতর মনে হয়। তাই তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এ ব্যাপারে অভিযোগ করেন। তিনি বললেনঃ তোমরা সত্যের নিকটবর্তী থাক এবং সরল সোজা পথ তালাশ কর। মু’মিনের প্রতিটি বিপদ-মুসীবত ও কষ্ট-ক্লেশ, এমনকি তার দেহে কোন কাঁটা বিদ্ধ হলে বা তার উপর কোন আকস্মিক বিপদ এলে তার দ্বারাও তার গুনাহ্‌র কাফ্‌ফারা (ক্ষতিপূরণ) হয়ে যায়। সহীহ : তাখরীজুত তাহবীয়া (৩৯০), যঈফাহ (২৯২৪) নং হাদীসের অধীনে, মুসলিম।

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, “কেউ মন্দ কাজ করলে তার প্রতিফল সে পাবে”- (সূরা আন –নিসা ১২৩) আয়াত অবতীর্ণ হলে মুসলিমদের নিকট বিষয়টি খুবই গুরুতর মনে হয়। তাই তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এ ব্যাপারে অভিযোগ করেন। তিনি বললেনঃ তোমরা সত্যের নিকটবর্তী থাক এবং সরল সোজা পথ তালাশ কর। মু’মিনের প্রতিটি বিপদ-মুসীবত ও কষ্ট-ক্লেশ, এমনকি তার দেহে কোন কাঁটা বিদ্ধ হলে বা তার উপর কোন আকস্মিক বিপদ এলে তার দ্বারাও তার গুনাহ্‌র কাফ্‌ফারা (ক্ষতিপূরণ) হয়ে যায়। সহীহ : তাখরীজুত তাহবীয়া (৩৯০), যঈফাহ (২৯২৪) নং হাদীসের অধীনে, মুসলিম।

حدثنا محمد بن يحيى بن أبي عمر، وعبد الله بن أبي زياد المعنى، واحد، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن ابن محيصن، عن محمد بن قيس بن مخرمة، عن أبي هريرة، قال لما نزلت ‏:‏ ‏(‏من يعمل سوءا يجز به ‏)‏ شق ذلك على المسلمين فشكوا ذلك إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ قاربوا وسددوا وفي كل ما يصيب المؤمن كفارة حتى الشوكة يشاكها أو النكبة ينكبها ‏"‏ ‏.‏ ابن محيصن هو عمر بن عبد الرحمن بن محيصن ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৩৯

حدثنا يحيى بن موسى، وعبد بن حميد، قالا حدثنا روح بن عبادة، عن موسى بن عبيدة، أخبرني مولى ابن سباع، قال سمعت عبد الله بن عمر، يحدث عن أبي بكر الصديق، قال كنت عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فأنزلت عليه هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ من يعمل سوءا يجز به ولا يجد له من دون الله وليا ولا نصيرا ‏)‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا أبا بكر ألا أقرئك آية أنزلت على ‏"‏ ‏.‏ قلت بلى يا رسول الله ‏.‏ قال فأقرأنيها فلا أعلم إلا أني قد كنت وجدت انقصاما في ظهري فتمطأت لها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما شأنك يا أبا بكر ‏"‏ ‏.‏ قلت يا رسول الله بأبي أنت وأمي وأينا لم يعمل سوءا وإنا لمجزيون بما عملنا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أما أنت يا أبا بكر والمؤمنون فتجزون بذلك في الدنيا حتى تلقوا الله وليس لكم ذنوب وأما الآخرون فيجمع ذلك لهم حتى يجزوا به يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب وفي إسناده مقال ‏.‏ موسى بن عبيدة يضعف في الحديث ضعفه يحيى بن سعيد وأحمد بن حنبل ومولى ابن سباع مجهول ‏.‏ وقد روي هذا الحديث من غير هذا الوجه عن أبي بكر وليس له إسناد صحيح أيضا ‏.‏ وفي الباب عن عائشة ‏.‏

আবূ বাক্‌র সিদ্দীক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে হাজির থাকাবস্থায় তাঁর উপর এ আয়াত অবতীর্ণ হয়ঃ “যে কেউ খারাপ কাজ করবে সে তার প্রতিফল পাবেই এবং সে নিজের জন্য আল্লাহ্ তা’আলা ছাড়া কোন অভিভাবক ও সাহায্যকারী পাবে না” (সূরাঃ আন-নিসা- ১২৩)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ হে আবূ বাক্‌র! আমি কি আপনাকে ঐ আয়াত পাঠ করে শুনাব না যা আমার উপর অবতীর্ণ হয়েছে? আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! অবশ্যই। তিনি আমাকে আয়াতটি পাঠ করে শুনান। আমি আর কিছুই জানি না, তবে তখন আমার মনে হল যে, আমার শিরদাঁড়া ভেঙ্গে গেছে। তাই আমি পিঠমোড় দিলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেনঃ হে আবূ বাক্‌র! আপনার কি হল? আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনার প্রতি আমার পিতামাতা উৎসর্গীত হোক। আমাদের মধ্যে এমন কে আছে যে খারাপ কাজ করে না? আমাদের প্রতিটি কাজের জন্যই কি প্রতিফল ভোগ করতে হবে? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে আবূ বাক্‌র! আপনি এবং মু’মিনগণ এ দুনিয়াতেই তার প্রতিফল পেয়ে যাবেন। অবশেষে আপনারা আল্লাহ্ তা’আলা এর সাথে পাপমুক্ত অবস্থায় মিলিত হবেন। পক্ষান্তরে অপরাপর লোকদের খারাপ কাজগুলো তাদের জন্য সঞ্চিত করে রাখা হবে। অবশেষে হাশরের দিন তাদেরকে তার প্রতিফল দেয়া হবে।

আবূ বাক্‌র সিদ্দীক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে হাজির থাকাবস্থায় তাঁর উপর এ আয়াত অবতীর্ণ হয়ঃ “যে কেউ খারাপ কাজ করবে সে তার প্রতিফল পাবেই এবং সে নিজের জন্য আল্লাহ্ তা’আলা ছাড়া কোন অভিভাবক ও সাহায্যকারী পাবে না” (সূরাঃ আন-নিসা- ১২৩)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ হে আবূ বাক্‌র! আমি কি আপনাকে ঐ আয়াত পাঠ করে শুনাব না যা আমার উপর অবতীর্ণ হয়েছে? আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! অবশ্যই। তিনি আমাকে আয়াতটি পাঠ করে শুনান। আমি আর কিছুই জানি না, তবে তখন আমার মনে হল যে, আমার শিরদাঁড়া ভেঙ্গে গেছে। তাই আমি পিঠমোড় দিলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেনঃ হে আবূ বাক্‌র! আপনার কি হল? আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনার প্রতি আমার পিতামাতা উৎসর্গীত হোক। আমাদের মধ্যে এমন কে আছে যে খারাপ কাজ করে না? আমাদের প্রতিটি কাজের জন্যই কি প্রতিফল ভোগ করতে হবে? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে আবূ বাক্‌র! আপনি এবং মু’মিনগণ এ দুনিয়াতেই তার প্রতিফল পেয়ে যাবেন। অবশেষে আপনারা আল্লাহ্ তা’আলা এর সাথে পাপমুক্ত অবস্থায় মিলিত হবেন। পক্ষান্তরে অপরাপর লোকদের খারাপ কাজগুলো তাদের জন্য সঞ্চিত করে রাখা হবে। অবশেষে হাশরের দিন তাদেরকে তার প্রতিফল দেয়া হবে।

حدثنا يحيى بن موسى، وعبد بن حميد، قالا حدثنا روح بن عبادة، عن موسى بن عبيدة، أخبرني مولى ابن سباع، قال سمعت عبد الله بن عمر، يحدث عن أبي بكر الصديق، قال كنت عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فأنزلت عليه هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ من يعمل سوءا يجز به ولا يجد له من دون الله وليا ولا نصيرا ‏)‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا أبا بكر ألا أقرئك آية أنزلت على ‏"‏ ‏.‏ قلت بلى يا رسول الله ‏.‏ قال فأقرأنيها فلا أعلم إلا أني قد كنت وجدت انقصاما في ظهري فتمطأت لها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما شأنك يا أبا بكر ‏"‏ ‏.‏ قلت يا رسول الله بأبي أنت وأمي وأينا لم يعمل سوءا وإنا لمجزيون بما عملنا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أما أنت يا أبا بكر والمؤمنون فتجزون بذلك في الدنيا حتى تلقوا الله وليس لكم ذنوب وأما الآخرون فيجمع ذلك لهم حتى يجزوا به يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب وفي إسناده مقال ‏.‏ موسى بن عبيدة يضعف في الحديث ضعفه يحيى بن سعيد وأحمد بن حنبل ومولى ابن سباع مجهول ‏.‏ وقد روي هذا الحديث من غير هذا الوجه عن أبي بكر وليس له إسناد صحيح أيضا ‏.‏ وفي الباب عن عائشة ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৪০

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا أبو داود الطيالسي، حدثنا سليمان بن معاذ، عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال خشيت سودة أن يطلقها، النبي صلى الله عليه وسلم فقالت لا تطلقني وأمسكني واجعل يومي لعائشة ففعل فنزلت ‏:‏ ‏(‏ فلا جناح عليهما أن يصلحا بينهما صلحا والصلح خير ‏)‏ ‏.‏ فما اصطلحا عليه من شيء فهو جائز كأنه من قول ابن عباس ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب ‏.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সাওদা (রাঃ) এর আশংকা হল যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে তালাক দিবেন। তাই তিনি বললেন, আপনি আমাকে তালাক না দিয়ে আপনার বিবাহবন্ধনে স্থির রাখুন। আমার জন্য নির্দ্ধারিত দিনটি আপনি ‘আয়িশাহ্‌র নিকটই থাকুন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাই করলেন। এ প্রসঙ্গেই অবতীর্ণ হয় : ‘তবে তারা (স্বামী-স্ত্রী) আপোষ-নিষ্পত্তি করতে চাইলে তাদের কোন গুনাহ নেই এবং আপোষ-নিষ্পত্তিই শ্রেয়” – (সূরা আন –নিসা ১২৮)। যে বিষয়ের উপর তারা আপোষ করবে তা জায়িয। শেষের বক্তব্যটুকু ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর। সহীহ : ইরওয়াহ (২০২০)।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সাওদা (রাঃ) এর আশংকা হল যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে তালাক দিবেন। তাই তিনি বললেন, আপনি আমাকে তালাক না দিয়ে আপনার বিবাহবন্ধনে স্থির রাখুন। আমার জন্য নির্দ্ধারিত দিনটি আপনি ‘আয়িশাহ্‌র নিকটই থাকুন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাই করলেন। এ প্রসঙ্গেই অবতীর্ণ হয় : ‘তবে তারা (স্বামী-স্ত্রী) আপোষ-নিষ্পত্তি করতে চাইলে তাদের কোন গুনাহ নেই এবং আপোষ-নিষ্পত্তিই শ্রেয়” – (সূরা আন –নিসা ১২৮)। যে বিষয়ের উপর তারা আপোষ করবে তা জায়িয। শেষের বক্তব্যটুকু ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর। সহীহ : ইরওয়াহ (২০২০)।

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا أبو داود الطيالسي، حدثنا سليمان بن معاذ، عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال خشيت سودة أن يطلقها، النبي صلى الله عليه وسلم فقالت لا تطلقني وأمسكني واجعل يومي لعائشة ففعل فنزلت ‏:‏ ‏(‏ فلا جناح عليهما أن يصلحا بينهما صلحا والصلح خير ‏)‏ ‏.‏ فما اصطلحا عليه من شيء فهو جائز كأنه من قول ابن عباس ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৩৬

حدثنا الحسن بن أحمد بن أبي شعيب أبو مسلم الحراني، حدثنا محمد بن سلمة الحراني، حدثنا محمد بن إسحاق، عن عاصم بن عمر بن قتادة، عن أبيه، عن جده، قتادة بن النعمان قال كان أهل بيت منا يقال لهم بنو أبيرق بشر وبشير ومبشر وكان بشير رجلا منافقا يقول الشعر يهجو به أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم ينحله بعض العرب ثم يقول قال فلان كذا وكذا قال فلان كذا وكذا فإذا سمع أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم ذلك الشعر قالوا والله ما يقول هذا الشعر إلا هذا الخبيث أو كما قال الرجل وقالوا ابن الأبيرق قالها قال وكان أهل بيت حاجة وفاقة في الجاهلية والإسلام وكان الناس إنما طعامهم بالمدينة التمر والشعير وكان الرجل إذا كان له يسار فقدمت ضافطة من الشام من الدرمك ابتاع الرجل منها فخص بها نفسه وأما العيال فإنما طعامهم التمر والشعير فقدمت ضافطة من الشام فابتاع عمي رفاعة بن زيد حملا من الدرمك فجعله في مشربة له وفي المشربة سلاح ودرع وسيف فعدي عليه من تحت البيت فنقبت المشربة وأخذ الطعام والسلاح فلما أصبح أتاني عمي رفاعة فقال يا ابن أخي إنه قد عدي علينا في ليلتنا هذه فنقبت مشربتنا فذهب بطعامنا وسلاحنا ‏.‏ قال فتحسسنا في الدار وسألنا فقيل لنا قد رأينا بني أبيرق استوقدوا في هذه الليلة ولا نرى فيما نرى إلا على بعض طعامكم ‏.‏ قال وكان بنو أبيرق قالوا ونحن نسأل في الدار والله ما نرى صاحبكم إلا لبيد بن سهل رجل منا له صلاح وإسلام فلما سمع لبيد اخترط سيفه وقال أنا أسرق فوالله ليخالطنكم هذا السيف أو لتبينن هذه السرقة ‏.‏ قالوا إليك عنها أيها الرجل فما أنت بصاحبها ‏.‏ فسألنا في الدار حتى لم نشك أنهم أصحابها فقال لي عمي يا ابن أخي لو أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له ‏.‏ قال قتادة فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت إن أهل بيت منا أهل جفاء عمدوا إلى عمي رفاعة بن زيد فنقبوا مشربة له وأخذوا سلاحه وطعامه فليردوا علينا سلاحنا فأما الطعام فلا حاجة لنا فيه ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ سآمر في ذلك ‏"‏ ‏.‏ فلما سمع بنو أبيرق أتوا رجلا منهم يقال له أسير بن عروة فكلموه في ذلك فاجتمع في ذلك ناس من أهل الدار فقالوا يا رسول الله إن قتادة بن النعمان وعمه عمدا إلى أهل بيت منا أهل إسلام وصلاح يرمونهم بالسرقة من غير بينة ولا ثبت ‏.‏ قال قتادة فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فكلمته فقال ‏"‏ عمدت إلى أهل بيت ذكر منهم إسلام وصلاح ترميهم بالسرقة على غير ثبت ولا بينة ‏"‏ ‏.‏ قال فرجعت ولوددت أني خرجت من بعض مالي ولم أكلم رسول الله صلى الله عليه وسلم في ذلك فأتاني عمي رفاعة فقال يا ابن أخي ما صنعت فأخبرته بما قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال الله المستعان فلم يلبث أن نزل القرآن ‏:‏ ‏(‏ إنا أنزلنا إليك الكتاب بالحق لتحكم بين الناس بما أراك الله ولا تكن للخائنين خصيما ‏)‏ بني أبيرق ‏:‏ ‏(‏ واستغفر الله ‏)‏ أى مما قلت لقتادة ‏:‏ ‏(‏ إن الله كان غفورا رحيما * ولا تجادل عن الذين يختانون أنفسهم إن الله لا يحب من كان خوانا أثيما * يستخفون من الناس ولا يستخفون من الله ‏)‏ إلى قوله ‏:‏ ‏(‏ غفورا رحيما ‏)‏ أى لو استغفروا الله لغفر لهم ‏:‏ ‏(‏ ومن يكسب إثما فإنما يكسبه على نفسه ‏)‏ إلى قوله ‏:‏ ‏(‏ إثما مبينا ‏)‏ قولهم للبيد ‏:‏ ولولا فضل الله عليك ورحمته ‏)‏ إلى قوله ‏:‏ ‏(‏ فسوف نؤتيه أجرا عظيما ‏)‏ فلما نزل القرآن أتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بالسلاح فرده إلى رفاعة فقال قتادة لما أتيت عمي بالسلاح وكان شيخا قد عسي أو عشي في الجاهلية وكنت أرى إسلامه مدخولا فلما أتيته بالسلاح قال يا ابن أخي هو في سبيل الله فعرفت أن إسلامه كان صحيحا فلما نزل القرآن لحق بشير بالمشركين فنزل على سلافة بنت سعد ابن سمية فأنزل الله ‏:‏ ‏(‏ ومن يشاقق الرسول من بعد ما تبين له الهدى ويتبع غير سبيل المؤمنين نوله ما تولى ونصله جهنم وساءت مصيرا * إن الله لا يغفر أن يشرك به ويغفر ما دون ذلك لمن يشاء ومن يشرك بالله فقد ضل ضلالا بعيدا ‏)‏ فلما نزل على سلافة رماها حسان بن ثابت بأبيات من شعره فأخذت رحله فوضعته على رأسها ثم خرجت به فرمت به في الأبطح ثم قالت أهديت لي شعر حسان ما كنت تأتيني بخير ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعلم أحدا أسنده غير محمد بن سلمة الحراني ‏.‏ وروى يونس بن بكير وغير واحد هذا الحديث عن محمد بن إسحاق عن عاصم بن عمر بن قتادة مرسل لم يذكروا فيه عن أبيه عن جده وقتادة بن النعمان هو أخو أبي سعيد الخدري لأمه وأبو سعيد الخدري اسمه سعد بن مالك بن سنان ‏.

ক্বাতাদাহ্‌ ইবনুন নু’মান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে বানূ উবাইরিক্ব নামে একটি পরিবার ছিল। ঐ পরিবারে বিশ্‌র, বুশাইর ও মুবাশশির নামে তিনজন লোক ছিল। বুশাইর ছিল মুনাফিক্ব। সে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গী সাথীদের কুৎসা বর্ণনামূলক কবিতা রচনা করত, তারপর অপরাপর আরবদের প্রতি সেগুলো আরোপ করে বলত, অমুকে এরূপ এরূপ কথা বলেছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবীগণ যখন তা শুনতেন তখন বলতেন, আল্লাহর শপথ! ঐ অপদার্থ (খবীস) লোকটি ব্যতীত আর কেউ এ কবিতা রচনা করেনি বা একই রকম কোন মন্তব্য করতেন। যাই হোক তারা বলতেন, এটা ইবনুল উবাইরক্বেই (বুশাইর) কবিতা। বর্ণনাকারী বলেন, জাহিলী ও ইসলামী উভয় যুগে এ পরিবারটি ছিল অভাবগ্রস্ত ও দুর্ভিক্ষ পীড়িত। মাদীনায় লোকদের প্রধান খাদ্য ছিল খেজুর ও আটা। কেউ সম্পদশালী হলে সিরিয়া হতে কোন খাদ্যদ্রব্যের ব্যবসায়ী সাদা আটা বা ময়দা নিয়ে এলে সে ঐ (ব্যবসায়ী) কাফিলা হতে ময়দা কিনে নিয়ে সঞ্চয় করে রাখত নিজের ব্যবহারের জন্য। অবশিষ্ট পরিবার-পরিজনের জন্য থাকতো খেজুর ও গম। একবারের ঘটনা, সিরিয়া হতে একটি খাদ্য ব্যবসায়ী কাফিলা এলো। আমার চাচা রিফা’আহ্‌ ইবনু যাইদ (তাদের হতে) এক বস্তা ময়দা কিনলেন এবং ভাঁড়ার ঘরে রেখে দিলেন। একই জায়গায় অস্ত্রশস্ত্র, বর্ম ও তলোয়ারও ছিল। এদিকে ঘরের নিচ দিয়ে তার মাল আসবাব চুরি হয়ে গেল। গোপনে সিঁদ কেটে উক্ত ঘরে রক্ষিত ময়দা ও অস্ত্রশস্ত্র লাপাত্তা হয়ে গেল। ভোরবেলা আমার চাচা রিফাআহ আমার নিকট আসলেন এবং বললেন, হে ভাতিজা! আমার উপর তো এরাতে যুলুম হয়ে গেল। আমার ভাঁড়ারের ঘরে সিঁদ কেটে খাবার (ময়দা) ও অস্ত্রশস্ত্র চুরি করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মহল্লায় অনুসন্ধান চালিয়ে দেখলাম ও জিজ্ঞাসাবাদ করলাম। আমাদের বলা হল, আমরা আজ রাতে বানূ উবাইরিক্বদের ঘরে আলো জ্বালাতে দেখেছি। আমাদের ধারণা মতে তারা তোমাদের খাদ্যাদির তালাশেই আলো জ্বালিয়েছিল। রিফা’আহ্‌ বললেন, আমরা যখন এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করছিলাম তখন উবাইরিক্বের লোকেরা বলল, আল্লাহর শপথ! আমরা মনে করি তোমাদের এই চোর লাবীদ ইবনু সাহল ব্যতীত আর কেউ নয়। আমরা আগেই মহল্লাবাসীর এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। লাবীদ ছিলেন আমাদেরই মধ্যকার একজন সৎ ও ভালো মুসলিম। লাবীদ এ কথা শুনামাত্র খাপ হতে তলোয়ার বের করে বললেন, আমি চুরি করি? আল্লাহর কসম! হয় আমার এ তলোয়ারের সাথে তোমার সাক্ষাত হবে অথবা তোমরা এ চুরির সাক্ষ্য-প্রমাণ হাযির করবে। তখন লোকেরা বলল, যাও তুমি আমাদের সামনে থেকে সরে দাঁড়াও। তুমি এ কাজ করোনি। এরপরও আমরা এ ব্যাপারে মহল্লায় জিজ্ঞাসাবাদ করে নিশ্চিত হলাম যে, বানূ উবাইরিক্বই এ কান্ড ঘটিয়েছে। অবশেষে আমার চাচা আমাকে বললেন, হে ভাতিজা! তুমি ঘটনার বৃত্তান্ত রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট জানালে ভালো হত। ক্বাতাদাহ (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে তাঁকে বললাম, আমাদের মহল্লায় একটি যালিম পরিবার আছে এবং তারা আমার চাচা রিফা’আহ ইবনু যাইদের ভান্ডার কক্ষে সিঁদ কেটে তাঁর অস্ত্রশস্ত্র ও খাদ্যাদি চুরি করে নিয়ে গেছে। আমাদের অস্ত্রশস্ত্র ফিরিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করুন, খাদ্যদ্রব্যাদির প্রয়োজন নেই। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি শীঘ্রই এ ব্যাপারে একটিা ফাইসালা করে দিচ্ছি। বনূ উবাইরিক্ব এ কথা শুনার পর তাদের নিজেদের এক লোকের নিকট এলো, যার নাম ছিল উসাইর ইবনু উরওয়াহ। তারা তার সাথে এ বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করল। এ বাড়ির কিছু লোক একত্র হয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! ক্বাতাদাহ ইবনুন নুমান ও তার চাচা আমাদের এক সৎ ও মুসলিম পরিবারের পেছনে লেগেছে এবং কোন প্রমাণ ব্যতীতই তারা তাদের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ করছে। ক্বতাদাহ (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে (বিষয়টি নিয়ে) তাঁর সাথে কথা বললাম। তিনি বললেনঃ তুমি এমন এক পরিবারের বিরুদ্ধে বিনা প্রমাণে চুরির অপবাদ দিচ্ছ, যাদের সততা ও ইসলাম সম্পর্কে সুনাম আছে। ক্বাতাদাহ (রাঃ) বলেন, আমি ফিরে আসলাম। আমি মনে মনে বললাম, আমার এ সামান্য মাল হাতছাড়া হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও আমি যদি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে এ বিষয়ে আলাপ না করতাম! এরপর আমার চাচা রিফা’আহ আমার নিকট এসে বললেন, হে ভাতিজা! (আমার ব্যাপারে) কি করেছ? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে যা কিছু বলেছেন, আমি তাকে তা জানালাম। তিনি বললেন, আল্লাহ তাআলাই প্রকৃত সাহায্যকারী। এরপর কিছু সময় না যেতেই কুরআনের আয়াত অবতীর্ণ হয় (ব্যাখ্যাসহ অনুবাদ) : “নিশ্চয়ই আমি এ কিতাব সত্য সহকারে তোমার প্রতি অবতীর্ণ করেছি, যেন আল্লাহ তা’আলা তোমাকে যা জ্ঞাত করেছেন তদনুসারে লোকদের মধ্যে মীমাংসা করতে পার। তুমি খিয়ানাতকারীদের পক্ষে (যেমন বনূ উবাইরিক্বের সমর্থনে) বিতর্ককারী হয়ো না। আর তুমি আল্লাহ তা’আলার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা কর (ক্বাতাদাহকে যা বলেছ তার জন্য)। নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা বড়ই ক্ষমাশীল ও দয়াবান। যারা নিজেদেরকে প্রতারিত করে তুমি তাদের সাহায্য করো না। আল্লাহ তা’আলা খিয়ানাতকারী পাপিষ্ঠদেরকে পছন্দ করেন না। এরা মানুষের হতে লুকাতে পারে, কিন্তু আল্লাহ তা’আলা হতে গোপন হতে পারে না, কেননা তিনি তাদের সঙ্গেই থাকেন, যখন তারা রাতের বেলা গোপনে গোপনে তাঁর মর্জি বিরুদ্ধ পরামর্শ করে। এদের সমস্ত কাজই আল্লাহ তা’আলা জ্ঞাত। আহা! তোমরাই এসব অপরাধীর পক্ষ সমর্থনে পার্থিব জীবনে বিতর্ক করছ, কিন্তু ক্বিয়ামাতের দিন আল্লাহ তা’আলার সামনে এদের পক্ষে কে ঝগড়া করবে অথবা কে তাদের উকিল হবে? কেউ কোন পাপকর্ম করলে বা নিজের উপর যুলুম করলে তারপর আল্লাহ তা’আলার নিকট ক্ষমা প্রার্থণা করলে সে আল্লাহ তা’আলাকে ক্ষমাকারী ও অনুগ্রহশীল পাবে (অর্থাৎ তারা আল্লাহ তা’আলার নিকট ক্ষমা প্রার্থণা করলে আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে ক্ষমা করে দিবেন)। কেউ গুনাহের কাজ করলে সে তা নিজের ক্ষতির জন্যই করে। আল্লাহ তা’আলা সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। কেউ কোন সমস্যা বা পাপকর্ম করে তারপর তা কোন নির্দোষ ব্যক্তির প্রতি আরোপ করলে (যেমন লাবীদ প্রসঙ্গে তাদের বক্তব্য) সে তো সাংঘাতিক মিথ্যা অপবাদ ও প্রকাশ্য পাপের বোঝা বহন করে। তোমার প্রতি আল্লাহ তা’আলার অনুগ্রহ ও দয়া না থাকলে তাদের একটি দল তোমাকে পথভ্রষ্ট করতে চাইত। কিন্তু তারা নিজেদের ব্যতীত অন্য কাউকে পথভ্রষ্ট করতে পারে না এবং তোমার কোন ক্ষতিও করতে পারে না। আল্লাহ তা’আলা তোমার প্রতি কিতাব ও হিকমাত অবতীর্ণ করেছেন এবং তোমাকে এমন জ্ঞান জানিয়ে দিয়েছেন যা তুমি জানতে না। তোমার প্রতি আল্লাহ তা’আলার বিরাট অনুগ্রহ আছে। তাদের বেশির ভাগ গোপন সলা-পরামর্শে কোন কল্যাণ নেই। অবশ্য কেউ কাউকে দান-খাইরাতের কিংবা কোন ভালো কাজের জন্য অথবা লোকদের মাঝে শান্তি স্থাপনের উপদেশ দিলে তাতে কল্যাণ আছে। আল্লাহ তা’আলার সন্তুষ্টি লাভের জন্য যে কেউ এরূপ করলে তাকে অবশ্যই আমি মহাপুরষ্কার দিব”। (সূরা আন – নিসাঃ ১০৫-১১৪) কুরআনের আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট অপহৃত অস্ত্র ফেরত আনা হল। তিনি তা রিফা’আহ (রাঃ) কে ফিরিয়ে দিলেন। ক্বাতাদাহ্‌ (রাঃ) বলেন, আমার চাচা ছিলেন বৃদ্ধ। জাহিলিয়াতের যুগে তার রাতকানা রোগ হয়েছিল, অথবা বলেছেন, জাহিলিয়াতের আমলেই বৃদ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন (আবূ ‘ঈসার সন্দেহ)। আমার ধারণা ছিল যে, তিনি ইসলামে দাখিল ছিলেন। আমি তার নিকট অস্ত্র ফেরত নিয়ে আসলে তিনি বললেন, হে ভাতিজা! এটা আমি আল্লাহ তা’আলার রাস্তায় দান করে দিলাম। এবার আমার প্রত্যয় জন্মালো যে, নিঃসন্দেহে তিনি একজন খাঁটি মুসলিম। কুরআনের উক্ত আয়াতসমূহ অবতীর্ণ হওয়ার পর বুশাইর মুশরিকদের সাথে গিয়ে মিলিত হয় এবং সাদ ইবনু সুমাইয়্যার কন্যা সুলাফার নিকট অবস্থান গ্রহণ করে। তখন আল্লাহ তা’আলা অবতীর্ণ করেন : “কারো নিকট সৎপথ প্রকাশিত হওয়ার পর সে যদি রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতীত অন্য পথের অনুসরণ করে, তবে যেদিকে সে ফিরে যায় আমরা সেদিকেই তাকে ফিরিয়ে দিব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব। আর তা কত মন্দ আবাস। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা তাঁর সাথে শারীক করাকে ক্ষমা করেন না, তা ব্যতীত সবকিছু যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন এবং কেউ আল্লাহ তা’আলার সাথে শারীক করলে সে ভীষণভাবে পথভ্রষ্ট হয়”- (সূরা আন –নিসা ১১৫-১১৬)। বুশাইর যখন সুলাফার নিকট আশ্রয় নিল, তখন হাসসান ইবনু সাবিত (রাঃ) কিছু কবিতার চরণ দ্বারা সুলাফার নিন্দাবাদ করেন। এতে সুলাফা বুশাইরের মালপত্র নিজ মাথায় তুলে নিয়ে তা আবতাহ নামক স্থানে গিয়ে ফেলে দিল। সে আরো বলল, তুমি আমার জন্য হাসসানের (নিন্দাসূচক) কবিতা উপহার নিয়ে এলে, আমার জন্য উত্তম কিছু নিয়ে আসতে পারলে না।

ক্বাতাদাহ্‌ ইবনুন নু’মান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে বানূ উবাইরিক্ব নামে একটি পরিবার ছিল। ঐ পরিবারে বিশ্‌র, বুশাইর ও মুবাশশির নামে তিনজন লোক ছিল। বুশাইর ছিল মুনাফিক্ব। সে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গী সাথীদের কুৎসা বর্ণনামূলক কবিতা রচনা করত, তারপর অপরাপর আরবদের প্রতি সেগুলো আরোপ করে বলত, অমুকে এরূপ এরূপ কথা বলেছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবীগণ যখন তা শুনতেন তখন বলতেন, আল্লাহর শপথ! ঐ অপদার্থ (খবীস) লোকটি ব্যতীত আর কেউ এ কবিতা রচনা করেনি বা একই রকম কোন মন্তব্য করতেন। যাই হোক তারা বলতেন, এটা ইবনুল উবাইরক্বেই (বুশাইর) কবিতা। বর্ণনাকারী বলেন, জাহিলী ও ইসলামী উভয় যুগে এ পরিবারটি ছিল অভাবগ্রস্ত ও দুর্ভিক্ষ পীড়িত। মাদীনায় লোকদের প্রধান খাদ্য ছিল খেজুর ও আটা। কেউ সম্পদশালী হলে সিরিয়া হতে কোন খাদ্যদ্রব্যের ব্যবসায়ী সাদা আটা বা ময়দা নিয়ে এলে সে ঐ (ব্যবসায়ী) কাফিলা হতে ময়দা কিনে নিয়ে সঞ্চয় করে রাখত নিজের ব্যবহারের জন্য। অবশিষ্ট পরিবার-পরিজনের জন্য থাকতো খেজুর ও গম। একবারের ঘটনা, সিরিয়া হতে একটি খাদ্য ব্যবসায়ী কাফিলা এলো। আমার চাচা রিফা’আহ্‌ ইবনু যাইদ (তাদের হতে) এক বস্তা ময়দা কিনলেন এবং ভাঁড়ার ঘরে রেখে দিলেন। একই জায়গায় অস্ত্রশস্ত্র, বর্ম ও তলোয়ারও ছিল। এদিকে ঘরের নিচ দিয়ে তার মাল আসবাব চুরি হয়ে গেল। গোপনে সিঁদ কেটে উক্ত ঘরে রক্ষিত ময়দা ও অস্ত্রশস্ত্র লাপাত্তা হয়ে গেল। ভোরবেলা আমার চাচা রিফাআহ আমার নিকট আসলেন এবং বললেন, হে ভাতিজা! আমার উপর তো এরাতে যুলুম হয়ে গেল। আমার ভাঁড়ারের ঘরে সিঁদ কেটে খাবার (ময়দা) ও অস্ত্রশস্ত্র চুরি করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মহল্লায় অনুসন্ধান চালিয়ে দেখলাম ও জিজ্ঞাসাবাদ করলাম। আমাদের বলা হল, আমরা আজ রাতে বানূ উবাইরিক্বদের ঘরে আলো জ্বালাতে দেখেছি। আমাদের ধারণা মতে তারা তোমাদের খাদ্যাদির তালাশেই আলো জ্বালিয়েছিল। রিফা’আহ্‌ বললেন, আমরা যখন এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করছিলাম তখন উবাইরিক্বের লোকেরা বলল, আল্লাহর শপথ! আমরা মনে করি তোমাদের এই চোর লাবীদ ইবনু সাহল ব্যতীত আর কেউ নয়। আমরা আগেই মহল্লাবাসীর এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। লাবীদ ছিলেন আমাদেরই মধ্যকার একজন সৎ ও ভালো মুসলিম। লাবীদ এ কথা শুনামাত্র খাপ হতে তলোয়ার বের করে বললেন, আমি চুরি করি? আল্লাহর কসম! হয় আমার এ তলোয়ারের সাথে তোমার সাক্ষাত হবে অথবা তোমরা এ চুরির সাক্ষ্য-প্রমাণ হাযির করবে। তখন লোকেরা বলল, যাও তুমি আমাদের সামনে থেকে সরে দাঁড়াও। তুমি এ কাজ করোনি। এরপরও আমরা এ ব্যাপারে মহল্লায় জিজ্ঞাসাবাদ করে নিশ্চিত হলাম যে, বানূ উবাইরিক্বই এ কান্ড ঘটিয়েছে। অবশেষে আমার চাচা আমাকে বললেন, হে ভাতিজা! তুমি ঘটনার বৃত্তান্ত রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট জানালে ভালো হত। ক্বাতাদাহ (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে তাঁকে বললাম, আমাদের মহল্লায় একটি যালিম পরিবার আছে এবং তারা আমার চাচা রিফা’আহ ইবনু যাইদের ভান্ডার কক্ষে সিঁদ কেটে তাঁর অস্ত্রশস্ত্র ও খাদ্যাদি চুরি করে নিয়ে গেছে। আমাদের অস্ত্রশস্ত্র ফিরিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করুন, খাদ্যদ্রব্যাদির প্রয়োজন নেই। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি শীঘ্রই এ ব্যাপারে একটিা ফাইসালা করে দিচ্ছি। বনূ উবাইরিক্ব এ কথা শুনার পর তাদের নিজেদের এক লোকের নিকট এলো, যার নাম ছিল উসাইর ইবনু উরওয়াহ। তারা তার সাথে এ বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করল। এ বাড়ির কিছু লোক একত্র হয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! ক্বাতাদাহ ইবনুন নুমান ও তার চাচা আমাদের এক সৎ ও মুসলিম পরিবারের পেছনে লেগেছে এবং কোন প্রমাণ ব্যতীতই তারা তাদের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ করছে। ক্বতাদাহ (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে (বিষয়টি নিয়ে) তাঁর সাথে কথা বললাম। তিনি বললেনঃ তুমি এমন এক পরিবারের বিরুদ্ধে বিনা প্রমাণে চুরির অপবাদ দিচ্ছ, যাদের সততা ও ইসলাম সম্পর্কে সুনাম আছে। ক্বাতাদাহ (রাঃ) বলেন, আমি ফিরে আসলাম। আমি মনে মনে বললাম, আমার এ সামান্য মাল হাতছাড়া হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও আমি যদি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে এ বিষয়ে আলাপ না করতাম! এরপর আমার চাচা রিফা’আহ আমার নিকট এসে বললেন, হে ভাতিজা! (আমার ব্যাপারে) কি করেছ? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে যা কিছু বলেছেন, আমি তাকে তা জানালাম। তিনি বললেন, আল্লাহ তাআলাই প্রকৃত সাহায্যকারী। এরপর কিছু সময় না যেতেই কুরআনের আয়াত অবতীর্ণ হয় (ব্যাখ্যাসহ অনুবাদ) : “নিশ্চয়ই আমি এ কিতাব সত্য সহকারে তোমার প্রতি অবতীর্ণ করেছি, যেন আল্লাহ তা’আলা তোমাকে যা জ্ঞাত করেছেন তদনুসারে লোকদের মধ্যে মীমাংসা করতে পার। তুমি খিয়ানাতকারীদের পক্ষে (যেমন বনূ উবাইরিক্বের সমর্থনে) বিতর্ককারী হয়ো না। আর তুমি আল্লাহ তা’আলার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা কর (ক্বাতাদাহকে যা বলেছ তার জন্য)। নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা বড়ই ক্ষমাশীল ও দয়াবান। যারা নিজেদেরকে প্রতারিত করে তুমি তাদের সাহায্য করো না। আল্লাহ তা’আলা খিয়ানাতকারী পাপিষ্ঠদেরকে পছন্দ করেন না। এরা মানুষের হতে লুকাতে পারে, কিন্তু আল্লাহ তা’আলা হতে গোপন হতে পারে না, কেননা তিনি তাদের সঙ্গেই থাকেন, যখন তারা রাতের বেলা গোপনে গোপনে তাঁর মর্জি বিরুদ্ধ পরামর্শ করে। এদের সমস্ত কাজই আল্লাহ তা’আলা জ্ঞাত। আহা! তোমরাই এসব অপরাধীর পক্ষ সমর্থনে পার্থিব জীবনে বিতর্ক করছ, কিন্তু ক্বিয়ামাতের দিন আল্লাহ তা’আলার সামনে এদের পক্ষে কে ঝগড়া করবে অথবা কে তাদের উকিল হবে? কেউ কোন পাপকর্ম করলে বা নিজের উপর যুলুম করলে তারপর আল্লাহ তা’আলার নিকট ক্ষমা প্রার্থণা করলে সে আল্লাহ তা’আলাকে ক্ষমাকারী ও অনুগ্রহশীল পাবে (অর্থাৎ তারা আল্লাহ তা’আলার নিকট ক্ষমা প্রার্থণা করলে আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে ক্ষমা করে দিবেন)। কেউ গুনাহের কাজ করলে সে তা নিজের ক্ষতির জন্যই করে। আল্লাহ তা’আলা সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। কেউ কোন সমস্যা বা পাপকর্ম করে তারপর তা কোন নির্দোষ ব্যক্তির প্রতি আরোপ করলে (যেমন লাবীদ প্রসঙ্গে তাদের বক্তব্য) সে তো সাংঘাতিক মিথ্যা অপবাদ ও প্রকাশ্য পাপের বোঝা বহন করে। তোমার প্রতি আল্লাহ তা’আলার অনুগ্রহ ও দয়া না থাকলে তাদের একটি দল তোমাকে পথভ্রষ্ট করতে চাইত। কিন্তু তারা নিজেদের ব্যতীত অন্য কাউকে পথভ্রষ্ট করতে পারে না এবং তোমার কোন ক্ষতিও করতে পারে না। আল্লাহ তা’আলা তোমার প্রতি কিতাব ও হিকমাত অবতীর্ণ করেছেন এবং তোমাকে এমন জ্ঞান জানিয়ে দিয়েছেন যা তুমি জানতে না। তোমার প্রতি আল্লাহ তা’আলার বিরাট অনুগ্রহ আছে। তাদের বেশির ভাগ গোপন সলা-পরামর্শে কোন কল্যাণ নেই। অবশ্য কেউ কাউকে দান-খাইরাতের কিংবা কোন ভালো কাজের জন্য অথবা লোকদের মাঝে শান্তি স্থাপনের উপদেশ দিলে তাতে কল্যাণ আছে। আল্লাহ তা’আলার সন্তুষ্টি লাভের জন্য যে কেউ এরূপ করলে তাকে অবশ্যই আমি মহাপুরষ্কার দিব”। (সূরা আন – নিসাঃ ১০৫-১১৪) কুরআনের আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট অপহৃত অস্ত্র ফেরত আনা হল। তিনি তা রিফা’আহ (রাঃ) কে ফিরিয়ে দিলেন। ক্বাতাদাহ্‌ (রাঃ) বলেন, আমার চাচা ছিলেন বৃদ্ধ। জাহিলিয়াতের যুগে তার রাতকানা রোগ হয়েছিল, অথবা বলেছেন, জাহিলিয়াতের আমলেই বৃদ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন (আবূ ‘ঈসার সন্দেহ)। আমার ধারণা ছিল যে, তিনি ইসলামে দাখিল ছিলেন। আমি তার নিকট অস্ত্র ফেরত নিয়ে আসলে তিনি বললেন, হে ভাতিজা! এটা আমি আল্লাহ তা’আলার রাস্তায় দান করে দিলাম। এবার আমার প্রত্যয় জন্মালো যে, নিঃসন্দেহে তিনি একজন খাঁটি মুসলিম। কুরআনের উক্ত আয়াতসমূহ অবতীর্ণ হওয়ার পর বুশাইর মুশরিকদের সাথে গিয়ে মিলিত হয় এবং সাদ ইবনু সুমাইয়্যার কন্যা সুলাফার নিকট অবস্থান গ্রহণ করে। তখন আল্লাহ তা’আলা অবতীর্ণ করেন : “কারো নিকট সৎপথ প্রকাশিত হওয়ার পর সে যদি রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতীত অন্য পথের অনুসরণ করে, তবে যেদিকে সে ফিরে যায় আমরা সেদিকেই তাকে ফিরিয়ে দিব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব। আর তা কত মন্দ আবাস। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা তাঁর সাথে শারীক করাকে ক্ষমা করেন না, তা ব্যতীত সবকিছু যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন এবং কেউ আল্লাহ তা’আলার সাথে শারীক করলে সে ভীষণভাবে পথভ্রষ্ট হয়”- (সূরা আন –নিসা ১১৫-১১৬)। বুশাইর যখন সুলাফার নিকট আশ্রয় নিল, তখন হাসসান ইবনু সাবিত (রাঃ) কিছু কবিতার চরণ দ্বারা সুলাফার নিন্দাবাদ করেন। এতে সুলাফা বুশাইরের মালপত্র নিজ মাথায় তুলে নিয়ে তা আবতাহ নামক স্থানে গিয়ে ফেলে দিল। সে আরো বলল, তুমি আমার জন্য হাসসানের (নিন্দাসূচক) কবিতা উপহার নিয়ে এলে, আমার জন্য উত্তম কিছু নিয়ে আসতে পারলে না।

حدثنا الحسن بن أحمد بن أبي شعيب أبو مسلم الحراني، حدثنا محمد بن سلمة الحراني، حدثنا محمد بن إسحاق، عن عاصم بن عمر بن قتادة، عن أبيه، عن جده، قتادة بن النعمان قال كان أهل بيت منا يقال لهم بنو أبيرق بشر وبشير ومبشر وكان بشير رجلا منافقا يقول الشعر يهجو به أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم ينحله بعض العرب ثم يقول قال فلان كذا وكذا قال فلان كذا وكذا فإذا سمع أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم ذلك الشعر قالوا والله ما يقول هذا الشعر إلا هذا الخبيث أو كما قال الرجل وقالوا ابن الأبيرق قالها قال وكان أهل بيت حاجة وفاقة في الجاهلية والإسلام وكان الناس إنما طعامهم بالمدينة التمر والشعير وكان الرجل إذا كان له يسار فقدمت ضافطة من الشام من الدرمك ابتاع الرجل منها فخص بها نفسه وأما العيال فإنما طعامهم التمر والشعير فقدمت ضافطة من الشام فابتاع عمي رفاعة بن زيد حملا من الدرمك فجعله في مشربة له وفي المشربة سلاح ودرع وسيف فعدي عليه من تحت البيت فنقبت المشربة وأخذ الطعام والسلاح فلما أصبح أتاني عمي رفاعة فقال يا ابن أخي إنه قد عدي علينا في ليلتنا هذه فنقبت مشربتنا فذهب بطعامنا وسلاحنا ‏.‏ قال فتحسسنا في الدار وسألنا فقيل لنا قد رأينا بني أبيرق استوقدوا في هذه الليلة ولا نرى فيما نرى إلا على بعض طعامكم ‏.‏ قال وكان بنو أبيرق قالوا ونحن نسأل في الدار والله ما نرى صاحبكم إلا لبيد بن سهل رجل منا له صلاح وإسلام فلما سمع لبيد اخترط سيفه وقال أنا أسرق فوالله ليخالطنكم هذا السيف أو لتبينن هذه السرقة ‏.‏ قالوا إليك عنها أيها الرجل فما أنت بصاحبها ‏.‏ فسألنا في الدار حتى لم نشك أنهم أصحابها فقال لي عمي يا ابن أخي لو أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له ‏.‏ قال قتادة فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت إن أهل بيت منا أهل جفاء عمدوا إلى عمي رفاعة بن زيد فنقبوا مشربة له وأخذوا سلاحه وطعامه فليردوا علينا سلاحنا فأما الطعام فلا حاجة لنا فيه ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ سآمر في ذلك ‏"‏ ‏.‏ فلما سمع بنو أبيرق أتوا رجلا منهم يقال له أسير بن عروة فكلموه في ذلك فاجتمع في ذلك ناس من أهل الدار فقالوا يا رسول الله إن قتادة بن النعمان وعمه عمدا إلى أهل بيت منا أهل إسلام وصلاح يرمونهم بالسرقة من غير بينة ولا ثبت ‏.‏ قال قتادة فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فكلمته فقال ‏"‏ عمدت إلى أهل بيت ذكر منهم إسلام وصلاح ترميهم بالسرقة على غير ثبت ولا بينة ‏"‏ ‏.‏ قال فرجعت ولوددت أني خرجت من بعض مالي ولم أكلم رسول الله صلى الله عليه وسلم في ذلك فأتاني عمي رفاعة فقال يا ابن أخي ما صنعت فأخبرته بما قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال الله المستعان فلم يلبث أن نزل القرآن ‏:‏ ‏(‏ إنا أنزلنا إليك الكتاب بالحق لتحكم بين الناس بما أراك الله ولا تكن للخائنين خصيما ‏)‏ بني أبيرق ‏:‏ ‏(‏ واستغفر الله ‏)‏ أى مما قلت لقتادة ‏:‏ ‏(‏ إن الله كان غفورا رحيما * ولا تجادل عن الذين يختانون أنفسهم إن الله لا يحب من كان خوانا أثيما * يستخفون من الناس ولا يستخفون من الله ‏)‏ إلى قوله ‏:‏ ‏(‏ غفورا رحيما ‏)‏ أى لو استغفروا الله لغفر لهم ‏:‏ ‏(‏ ومن يكسب إثما فإنما يكسبه على نفسه ‏)‏ إلى قوله ‏:‏ ‏(‏ إثما مبينا ‏)‏ قولهم للبيد ‏:‏ ولولا فضل الله عليك ورحمته ‏)‏ إلى قوله ‏:‏ ‏(‏ فسوف نؤتيه أجرا عظيما ‏)‏ فلما نزل القرآن أتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بالسلاح فرده إلى رفاعة فقال قتادة لما أتيت عمي بالسلاح وكان شيخا قد عسي أو عشي في الجاهلية وكنت أرى إسلامه مدخولا فلما أتيته بالسلاح قال يا ابن أخي هو في سبيل الله فعرفت أن إسلامه كان صحيحا فلما نزل القرآن لحق بشير بالمشركين فنزل على سلافة بنت سعد ابن سمية فأنزل الله ‏:‏ ‏(‏ ومن يشاقق الرسول من بعد ما تبين له الهدى ويتبع غير سبيل المؤمنين نوله ما تولى ونصله جهنم وساءت مصيرا * إن الله لا يغفر أن يشرك به ويغفر ما دون ذلك لمن يشاء ومن يشرك بالله فقد ضل ضلالا بعيدا ‏)‏ فلما نزل على سلافة رماها حسان بن ثابت بأبيات من شعره فأخذت رحله فوضعته على رأسها ثم خرجت به فرمت به في الأبطح ثم قالت أهديت لي شعر حسان ما كنت تأتيني بخير ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعلم أحدا أسنده غير محمد بن سلمة الحراني ‏.‏ وروى يونس بن بكير وغير واحد هذا الحديث عن محمد بن إسحاق عن عاصم بن عمر بن قتادة مرسل لم يذكروا فيه عن أبيه عن جده وقتادة بن النعمان هو أخو أبي سعيد الخدري لأمه وأبو سعيد الخدري اسمه سعد بن مالك بن سنان ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৪১

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا أبو نعيم، حدثنا مالك بن مغول، عن أبي السفر، عن البراء، قال آخر آية أنزلت أو آخر شيء نزل ‏:‏ ‏(‏ يستفتونك قل الله يفتيكم في الكلالة ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن وأبو السفر اسمه سعيد بن أحمد الثوري ويقال ابن يحمد ‏.

আল –বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (উত্তরাধিকার প্রসঙ্গে) সবশেষে যে আয়াত অবতীর্ণ হয় তা হল : “লোকেরা তোমার নিকট বিধান জানতে চায়। বল, পিতা-মাতাহীন নিঃসন্তান ব্যক্তি প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা তোমাদেরকে বিধান দিচ্ছেন…..” (সূরা আন –নিসা ১৭৬)। সহীহ : সহীহ আবূ দাঊদ (২৫৭০), বুখারী (৪৬০৫), মুসলিম।

আল –বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (উত্তরাধিকার প্রসঙ্গে) সবশেষে যে আয়াত অবতীর্ণ হয় তা হল : “লোকেরা তোমার নিকট বিধান জানতে চায়। বল, পিতা-মাতাহীন নিঃসন্তান ব্যক্তি প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা তোমাদেরকে বিধান দিচ্ছেন…..” (সূরা আন –নিসা ১৭৬)। সহীহ : সহীহ আবূ দাঊদ (২৫৭০), বুখারী (৪৬০৫), মুসলিম।

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا أبو نعيم، حدثنا مالك بن مغول، عن أبي السفر، عن البراء، قال آخر آية أنزلت أو آخر شيء نزل ‏:‏ ‏(‏ يستفتونك قل الله يفتيكم في الكلالة ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن وأبو السفر اسمه سعيد بن أحمد الثوري ويقال ابن يحمد ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৪২

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا أحمد بن يونس، عن أبي بكر بن عياش، عن أبي إسحاق، عن البراء، قال جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله ‏:‏ ‏(‏ يستفتونك قل الله يفتيكم في الكلالة ‏)‏ فقال له النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ تجزيك آية الصيف ‏"‏ ‏.‏

আল বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! “লোকেরা আপনার নিকট বিধান জানতে চায়। বলুন, পিতা-মাতাহীন নিঃসন্তান ব্যক্তি প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা তোমাদের বিধান দিচ্ছেন……” – (সূরা আন্‌ –নিসা ১৭৬)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তোমার জন্য এ ব্যাপারে গ্রীষ্মকালীন ঐ আয়াতটিই (সূরা আন্‌ –নিসা ১৭৬) যথেষ্ট। সহীহ : সহীহ আবূ দাঊদ (২৫৭১), মুসলিম ‘উমার (রাঃ) হতে।

আল বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! “লোকেরা আপনার নিকট বিধান জানতে চায়। বলুন, পিতা-মাতাহীন নিঃসন্তান ব্যক্তি প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা তোমাদের বিধান দিচ্ছেন……” – (সূরা আন্‌ –নিসা ১৭৬)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তোমার জন্য এ ব্যাপারে গ্রীষ্মকালীন ঐ আয়াতটিই (সূরা আন্‌ –নিসা ১৭৬) যথেষ্ট। সহীহ : সহীহ আবূ দাঊদ (২৫৭১), মুসলিম ‘উমার (রাঃ) হতে।

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا أحمد بن يونس، عن أبي بكر بن عياش، عن أبي إسحاق، عن البراء، قال جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله ‏:‏ ‏(‏ يستفتونك قل الله يفتيكم في الكلالة ‏)‏ فقال له النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ تجزيك آية الصيف ‏"‏ ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আল –মায়িদাহ্

জামে' আত-তিরমিজি ৩০৪৩

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن مسعر، وغيره، عن قيس بن مسلم، عن طارق بن شهاب، قال قال رجل من اليهود لعمر بن الخطاب يا أمير المؤمنين لو علينا أنزلت هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ اليوم أكملت لكم دينكم وأتممت عليكم نعمتي ورضيت لكم الإسلام دينا ‏)‏ لاتخذنا ذلك اليوم عيدا ‏.‏ فقال له عمر بن الخطاب إني أعلم أى يوم أنزلت هذه الآية أنزلت يوم عرفة في يوم جمعة ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏

তারিক্ব ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ইয়াহূদী ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) কে বলল, হে আমীরুল মু’মিনীন! “আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন পূর্ণাঙ্গ করলাম, তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দ্বীন মনোনীত করলাম” – (সূরা আল –মায়িদাহ্‌ : ৩) আয়াতটি যদি আমাদের উপর অবতীর্ণ হত তাহলে আমরা উক্ত দিনকে ঈদের (উৎসবের) দিন হিসেবে নির্দ্ধারণ করতাম। ‘উমার (রাঃ) বললেন, নিশ্চয়ই আমি জানি কোন দিন এ আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে। এটি (বিদায় হাজ্জে) ‘আরাফার দিন শুক্রবারে অবতীর্ণ হয়েছিল। সহীহ : বুখারী (৪৬০৬), মুসলিম।

তারিক্ব ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ইয়াহূদী ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) কে বলল, হে আমীরুল মু’মিনীন! “আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন পূর্ণাঙ্গ করলাম, তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দ্বীন মনোনীত করলাম” – (সূরা আল –মায়িদাহ্‌ : ৩) আয়াতটি যদি আমাদের উপর অবতীর্ণ হত তাহলে আমরা উক্ত দিনকে ঈদের (উৎসবের) দিন হিসেবে নির্দ্ধারণ করতাম। ‘উমার (রাঃ) বললেন, নিশ্চয়ই আমি জানি কোন দিন এ আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে। এটি (বিদায় হাজ্জে) ‘আরাফার দিন শুক্রবারে অবতীর্ণ হয়েছিল। সহীহ : বুখারী (৪৬০৬), মুসলিম।

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن مسعر، وغيره، عن قيس بن مسلم، عن طارق بن شهاب، قال قال رجل من اليهود لعمر بن الخطاب يا أمير المؤمنين لو علينا أنزلت هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ اليوم أكملت لكم دينكم وأتممت عليكم نعمتي ورضيت لكم الإسلام دينا ‏)‏ لاتخذنا ذلك اليوم عيدا ‏.‏ فقال له عمر بن الخطاب إني أعلم أى يوم أنزلت هذه الآية أنزلت يوم عرفة في يوم جمعة ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৪৪

حدثنا عبد بن حميد، أخبرنا يزيد بن هارون، أخبرنا حماد بن سلمة، عن عمار بن أبي عمار، قال قرأ ابن عباس ‏:‏ ‏(‏ اليوم أكملت لكم دينكم وأتممت عليكم نعمتي ورضيت لكم الإسلام دينا ‏)‏ وعنده يهودي فقال لو أنزلت هذه علينا لاتخذنا يومها عيدا ‏.‏ قال ابن عباس فإنها نزلت في يوم عيد في يوم جمعة ويوم عرفة ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب من حديث ابن عباس وهو صحيح ‏.‏

আম্মার ইবনু আবী ‘আম্মার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) নিম্নোক্ত আয়াতটি পাঠ করলেন (অনুবাদ) : “আজ আমি তোমাদের দ্বীনকে তোমাদের জন্য পূর্ণাঙ্গ করলাম, তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দ্বীন মনোনীত করলাম” – (সূরা আল –মায়িদাহ ৩)। তাঁর নিকট এক ইয়াহূদী উপস্থিত ছিল। সে বলল, আমাদের উপর এরূপ একটি আয়াত অবতীর্ণ হলে সেই দিনকে আমরা অবশ্যই ‘ঈদের দিন হিসেবে পালন করতাম। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, এটি তো (আমাদের) ‘ঈদের দিনেই অবতীর্ণ হয়েছে : জুমুআর দিন ও ‘আরাফার দিন। সনদ সহীহ।

আম্মার ইবনু আবী ‘আম্মার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) নিম্নোক্ত আয়াতটি পাঠ করলেন (অনুবাদ) : “আজ আমি তোমাদের দ্বীনকে তোমাদের জন্য পূর্ণাঙ্গ করলাম, তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দ্বীন মনোনীত করলাম” – (সূরা আল –মায়িদাহ ৩)। তাঁর নিকট এক ইয়াহূদী উপস্থিত ছিল। সে বলল, আমাদের উপর এরূপ একটি আয়াত অবতীর্ণ হলে সেই দিনকে আমরা অবশ্যই ‘ঈদের দিন হিসেবে পালন করতাম। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, এটি তো (আমাদের) ‘ঈদের দিনেই অবতীর্ণ হয়েছে : জুমুআর দিন ও ‘আরাফার দিন। সনদ সহীহ।

حدثنا عبد بن حميد، أخبرنا يزيد بن هارون، أخبرنا حماد بن سلمة، عن عمار بن أبي عمار، قال قرأ ابن عباس ‏:‏ ‏(‏ اليوم أكملت لكم دينكم وأتممت عليكم نعمتي ورضيت لكم الإسلام دينا ‏)‏ وعنده يهودي فقال لو أنزلت هذه علينا لاتخذنا يومها عيدا ‏.‏ قال ابن عباس فإنها نزلت في يوم عيد في يوم جمعة ويوم عرفة ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب من حديث ابن عباس وهو صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৪৭

حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، أخبرنا يزيد بن هارون، أخبرنا شريك، عن علي بن بذيمة، عن أبي عبيدة، عن عبد الله بن مسعود، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لما وقعت بنو إسرائيل في المعاصي نهتهم علماؤهم فلم ينتهوا فجالسوهم في مجالسهم وواكلوهم وشاربوهم فضرب الله قلوب بعضهم ببعض ولعنهم على لسان داود وعيسى ابن مريم ذلك بما عصوا وكانوا يعتدون ‏"‏ ‏.‏ قال فجلس رسول الله صلى الله عليه وسلم وكان متكئا فقال ‏"‏ لا والذي نفسي بيده حتى تأطروهم على الحق أطرا ‏"‏ ‏.‏ قال عبد الله بن عبد الرحمن قال يزيد وكان سفيان الثوري لا يقول فيه عن عبد الله ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب وقد روي هذا الحديث عن محمد بن مسلم بن أبي الوضاح عن علي بن بذيمة عن أبي عبيدة عن عبد الله عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه وبعضهم يقول عن أبي عبيدة عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسل ‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বানূ ইসরাঈল গর্হিত কাজে জড়িত হলে তাদের বিজ্ঞ আলিমগণ তাদেরকে বাধা দেন। কিন্তু তারা (পাপাচার থেকে) ক্ষান্ত হয়নি। এতদসত্ত্বেও তাদের আলিমগণ তাদের সাথে তাদের সভা সমিতিতে উঠাবসা ঠিক রাখে এবং তাদের সাথে এক সঙ্গে ভোজসভায় যোগদান করে। ফলে আল্লাহ্ তা’আলা তাদের কারো হৃদয়সমূহ অন্য কারো (পাপীদের) হৃদয়ের সাথে একাকার করে দিলেন এবং দাঊদ (আঃ) ও ঈসা ইবনু মারইয়াম (আঃ)-এর যবানীতে তাদেরকে অভিসম্পাত করলেন। কেননা, তারা বিরুদ্ধাচারী হয়ে গিয়েছিল এবং সীমালংঘন করেছিল। রাবী বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হেলান দিয়ে বসা ছিলেন। তিনি এবার সোজা হয়ে বসলেন এবং বললেনঃ কসম সেই সত্তার যাঁর হাতে আমার জান! ততক্ষণ পর্যন্ত তোমরা মুক্তি পাবে না যতক্ষণ না তোমরা পথভ্রষ্ট লোকদের (শক্তভাবে) বাধা দিচ্ছ। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৪০০৬)

আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বানূ ইসরাঈল গর্হিত কাজে জড়িত হলে তাদের বিজ্ঞ আলিমগণ তাদেরকে বাধা দেন। কিন্তু তারা (পাপাচার থেকে) ক্ষান্ত হয়নি। এতদসত্ত্বেও তাদের আলিমগণ তাদের সাথে তাদের সভা সমিতিতে উঠাবসা ঠিক রাখে এবং তাদের সাথে এক সঙ্গে ভোজসভায় যোগদান করে। ফলে আল্লাহ্ তা’আলা তাদের কারো হৃদয়সমূহ অন্য কারো (পাপীদের) হৃদয়ের সাথে একাকার করে দিলেন এবং দাঊদ (আঃ) ও ঈসা ইবনু মারইয়াম (আঃ)-এর যবানীতে তাদেরকে অভিসম্পাত করলেন। কেননা, তারা বিরুদ্ধাচারী হয়ে গিয়েছিল এবং সীমালংঘন করেছিল। রাবী বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হেলান দিয়ে বসা ছিলেন। তিনি এবার সোজা হয়ে বসলেন এবং বললেনঃ কসম সেই সত্তার যাঁর হাতে আমার জান! ততক্ষণ পর্যন্ত তোমরা মুক্তি পাবে না যতক্ষণ না তোমরা পথভ্রষ্ট লোকদের (শক্তভাবে) বাধা দিচ্ছ। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৪০০৬)

حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، أخبرنا يزيد بن هارون، أخبرنا شريك، عن علي بن بذيمة، عن أبي عبيدة، عن عبد الله بن مسعود، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لما وقعت بنو إسرائيل في المعاصي نهتهم علماؤهم فلم ينتهوا فجالسوهم في مجالسهم وواكلوهم وشاربوهم فضرب الله قلوب بعضهم ببعض ولعنهم على لسان داود وعيسى ابن مريم ذلك بما عصوا وكانوا يعتدون ‏"‏ ‏.‏ قال فجلس رسول الله صلى الله عليه وسلم وكان متكئا فقال ‏"‏ لا والذي نفسي بيده حتى تأطروهم على الحق أطرا ‏"‏ ‏.‏ قال عبد الله بن عبد الرحمن قال يزيد وكان سفيان الثوري لا يقول فيه عن عبد الله ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب وقد روي هذا الحديث عن محمد بن مسلم بن أبي الوضاح عن علي بن بذيمة عن أبي عبيدة عن عبد الله عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه وبعضهم يقول عن أبي عبيدة عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسل ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৪৮

حدثنا بندار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، عن علي بن بذيمة، عن أبي عبيدة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن بني إسرائيل لما وقع فيهم النقص كان الرجل فيهم يرى أخاه على الذنب فينهاه عنه فإذا كان الغد لم يمنعه ما رأى منه أن يكون أكيله وشريبه وخليطه فضرب الله قلوب بعضهم ببعض ونزل فيهم القرآن فقال ‏:‏ ‏(‏ لعن الذين كفروا من بني إسرائيل على لسان داود وعيسى ابن مريم ذلك بما عصوا وكانوا يعتدون ‏)‏ ‏"‏ ‏.‏ فقرأ حتى بلغ ‏:‏ ‏(‏ولو كانوا يؤمنون بالله والنبي وما أنزل إليه ما اتخذوهم أولياء ولكن كثيرا منهم فاسقون ‏)‏ قال وكان نبي الله صلى الله عليه وسلم متكئا فجلس فقال ‏"‏ لا حتى تأخذوا على يدى الظالم فتأطروه على الحق أطرا ‏"‏ ‏.‏

আবূ উবাইদা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বানী ইসরাঈলের মধ্যে যখন দোষ পদ-স্খলন ছড়িয়ে পড়তে লাগলো তখন তাদের একজন অন্যজনকে পাপে নিমজ্জিত দেখলে তাকে তা থেকে নিষেধ করত। কিন্তু সে তাকে যা করতে দেখেছে তা পরদিন তাকে তার সাথে পানাহার ও এক সাথে মাজলিসে উঠাবাসা হতে নিবৃত্ত রাখল না। অবশেষে আল্লাহ্ তা’আলা তাদের হৃদয়সমূহকে পরস্পর একাকার করে দিলেন। তাদের প্রসঙ্গেই কুরআন অবতীর্ণ হয়। তিনি পাঠ করেনঃ “বানী ইসরাঈলের মধ্যে যেসব লোক কুফরী করেছিল তাদের প্রতি দাঊদ ও মারইয়ামের পুত্র ঈসার যবানে অভিশাপ করা হয়েছে। কেননা, তারা ছিল অবাধ্য ও সীমালংঘনকারী”। তিনি তিলাওয়াত করতে করতে “তারা আল্লাহ্ তা’আলাতে, নবীতে ও তার উপর যা অবতীর্ণ হয়েছে তাতে ঈমান আনলে ওদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করত না, কিন্তু তাদের অনেকেই ফাসিক” (সূরাঃ আল-মায়িদাহ- ৭৯-৮১) পর্যন্ত পৌঁছলেন। রাবী বলেন, আল্লাহ্ তা’আলার নবী হেলান দেয়া অবস্থায় ছিলেন। তিনি সোজা হয়ে বসে বলেনঃ না, তোমরা যালিমের হাত ধরে তাকে সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত না করা পর্যন্ত রক্ষা পাবে না। যঈফ, দেখুন পূর্বের হাদীস।

আবূ উবাইদা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বানী ইসরাঈলের মধ্যে যখন দোষ পদ-স্খলন ছড়িয়ে পড়তে লাগলো তখন তাদের একজন অন্যজনকে পাপে নিমজ্জিত দেখলে তাকে তা থেকে নিষেধ করত। কিন্তু সে তাকে যা করতে দেখেছে তা পরদিন তাকে তার সাথে পানাহার ও এক সাথে মাজলিসে উঠাবাসা হতে নিবৃত্ত রাখল না। অবশেষে আল্লাহ্ তা’আলা তাদের হৃদয়সমূহকে পরস্পর একাকার করে দিলেন। তাদের প্রসঙ্গেই কুরআন অবতীর্ণ হয়। তিনি পাঠ করেনঃ “বানী ইসরাঈলের মধ্যে যেসব লোক কুফরী করেছিল তাদের প্রতি দাঊদ ও মারইয়ামের পুত্র ঈসার যবানে অভিশাপ করা হয়েছে। কেননা, তারা ছিল অবাধ্য ও সীমালংঘনকারী”। তিনি তিলাওয়াত করতে করতে “তারা আল্লাহ্ তা’আলাতে, নবীতে ও তার উপর যা অবতীর্ণ হয়েছে তাতে ঈমান আনলে ওদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করত না, কিন্তু তাদের অনেকেই ফাসিক” (সূরাঃ আল-মায়িদাহ- ৭৯-৮১) পর্যন্ত পৌঁছলেন। রাবী বলেন, আল্লাহ্ তা’আলার নবী হেলান দেয়া অবস্থায় ছিলেন। তিনি সোজা হয়ে বসে বলেনঃ না, তোমরা যালিমের হাত ধরে তাকে সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত না করা পর্যন্ত রক্ষা পাবে না। যঈফ, দেখুন পূর্বের হাদীস।

حدثنا بندار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، عن علي بن بذيمة، عن أبي عبيدة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن بني إسرائيل لما وقع فيهم النقص كان الرجل فيهم يرى أخاه على الذنب فينهاه عنه فإذا كان الغد لم يمنعه ما رأى منه أن يكون أكيله وشريبه وخليطه فضرب الله قلوب بعضهم ببعض ونزل فيهم القرآن فقال ‏:‏ ‏(‏ لعن الذين كفروا من بني إسرائيل على لسان داود وعيسى ابن مريم ذلك بما عصوا وكانوا يعتدون ‏)‏ ‏"‏ ‏.‏ فقرأ حتى بلغ ‏:‏ ‏(‏ولو كانوا يؤمنون بالله والنبي وما أنزل إليه ما اتخذوهم أولياء ولكن كثيرا منهم فاسقون ‏)‏ قال وكان نبي الله صلى الله عليه وسلم متكئا فجلس فقال ‏"‏ لا حتى تأخذوا على يدى الظالم فتأطروه على الحق أطرا ‏"‏ ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৪৬

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا الحارث بن عبيد، عن سعيد الجريري، عن عبد الله بن شقيق، عن عائشة، قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يحرس حتى نزلت هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ والله يعصمك من الناس ‏)‏ فأخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم رأسه من القبة فقال لهم ‏"‏ يا أيها الناس انصرفوا فقد عصمني الله ‏"‏ ‏.‏

আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে (নিরাপত্তামূলক) পাহারা দেয়া হত। তারপর আয়াত অবতীর্ণ হল (অনুবাদ) : “আল্লাহ তা’আলা তোমাকে মানুষ হতে তাঁর রক্ষা করবেন” – (সূরা আল –মায়িদাহ ৬৭)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের ঘর হতে মাথা বের করে পাহারাদারগণকে বললেন, হে লোকজন! তোমরা (আমার পাহারা হতে) চলে যাও। কারণ আল্লাহ তা’আলাই আমার হিফাজাতের দায়িত্ব নিয়েছেন।

আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে (নিরাপত্তামূলক) পাহারা দেয়া হত। তারপর আয়াত অবতীর্ণ হল (অনুবাদ) : “আল্লাহ তা’আলা তোমাকে মানুষ হতে তাঁর রক্ষা করবেন” – (সূরা আল –মায়িদাহ ৬৭)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের ঘর হতে মাথা বের করে পাহারাদারগণকে বললেন, হে লোকজন! তোমরা (আমার পাহারা হতে) চলে যাও। কারণ আল্লাহ তা’আলাই আমার হিফাজাতের দায়িত্ব নিয়েছেন।

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا الحارث بن عبيد، عن سعيد الجريري، عن عبد الله بن شقيق، عن عائشة، قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يحرس حتى نزلت هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ والله يعصمك من الناس ‏)‏ فأخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم رأسه من القبة فقال لهم ‏"‏ يا أيها الناس انصرفوا فقد عصمني الله ‏"‏ ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৪৫

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا محمد بن إسحاق، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يمين الرحمن ملأى سحاء لا يغيضها الليل والنهار قال أرأيتم ما أنفق منذ خلق السموات والأرض فإنه لم يغض ما في يمينه وعرشه على الماء وبيده الأخرى الميزان يرفع ويخفض ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وهذا الحديث في تفسير هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ وقالت اليهود يد الله مغلولة غلت أيديهم ولعنوا بما قالوا بل يداه مبسوطتان ينفق كيف يشاء ‏)‏ وهذا حديث قد روته الأئمة نؤمن به كما جاء من غير أن يفسر أو يتوهم هكذا قال غير واحد من الأئمة منهم الثوري ومالك بن أنس وابن عيينة وابن المبارك إنه تروى هذه الأشياء ويؤمن بها ولا يقال كيف ‏.

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দয়াময় আল্লাহ তা’আলা ডান হাত পূর্ণ। সর্বদা তা অনুগ্রহ ঢালছে। রাত দিনের অবিরাম দান তাতে কখনো কমতি ঘটাতে পারে না। তিনি আরো বলেন, তোমরা লক্ষ্য করেছ কি যেদিন থেকে তিনি আসমান-যামীন সৃষ্টি করেছেন সেদিন হতে কত না দান করে আসছেন, অথচ তাঁর ডান হাতে যা আছে তাতে কিছুই কমতি হয়নি। (সৃষ্টির পূর্বে) তাঁর আরশ ছিল পানির উপর। তাঁর অপর হাতে রয়েছে মীযান (দাড়ি-পাল্লা)। তিনি তা নীচু করেন ও উত্তোলন করেন (সৃষ্টির রিযিক নির্ধারণ করেন)। সহীহ : ইবনু মাজাহ (১৯৭)।

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দয়াময় আল্লাহ তা’আলা ডান হাত পূর্ণ। সর্বদা তা অনুগ্রহ ঢালছে। রাত দিনের অবিরাম দান তাতে কখনো কমতি ঘটাতে পারে না। তিনি আরো বলেন, তোমরা লক্ষ্য করেছ কি যেদিন থেকে তিনি আসমান-যামীন সৃষ্টি করেছেন সেদিন হতে কত না দান করে আসছেন, অথচ তাঁর ডান হাতে যা আছে তাতে কিছুই কমতি হয়নি। (সৃষ্টির পূর্বে) তাঁর আরশ ছিল পানির উপর। তাঁর অপর হাতে রয়েছে মীযান (দাড়ি-পাল্লা)। তিনি তা নীচু করেন ও উত্তোলন করেন (সৃষ্টির রিযিক নির্ধারণ করেন)। সহীহ : ইবনু মাজাহ (১৯৭)।

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا محمد بن إسحاق، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يمين الرحمن ملأى سحاء لا يغيضها الليل والنهار قال أرأيتم ما أنفق منذ خلق السموات والأرض فإنه لم يغض ما في يمينه وعرشه على الماء وبيده الأخرى الميزان يرفع ويخفض ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وهذا الحديث في تفسير هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ وقالت اليهود يد الله مغلولة غلت أيديهم ولعنوا بما قالوا بل يداه مبسوطتان ينفق كيف يشاء ‏)‏ وهذا حديث قد روته الأئمة نؤمن به كما جاء من غير أن يفسر أو يتوهم هكذا قال غير واحد من الأئمة منهم الثوري ومالك بن أنس وابن عيينة وابن المبارك إنه تروى هذه الأشياء ويؤمن بها ولا يقال كيف ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৫০

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبيد الله بن موسى، عن إسرائيل، عن أبي إسحاق، عن البراء، قال مات رجال من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم قبل أن تحرم الخمر فلما حرمت الخمر قال رجال كيف بأصحابنا وقد ماتوا يشربون الخمر فنزلت ‏:‏ ‏(‏ ليس على الذين آمنوا وعملوا الصالحات جناح فيما طعموا إذا ما اتقوا وآمنوا وعملوا الصالحات ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏

আল–বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, শরাব হারাম হওয়ার পূর্বেই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবীদের বেশ কয়েকজন মারা যান। শরাব হারাম হওয়ার পর লোকেরা বলাবলি করতে লাগল, আমাদের ঐ সকল সাথীদের কি হবে, যারা শরাব পানে অভ্যস্ত থাকা অবস্থায় মারা গেছেন! তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “যারা ঈমান এনেছে ও নেক কাজ করেছে, তারা পূর্বে যা ভক্ষণ করেছে সেজন্য তাদের কোনরূপ গুনাহ নেই, যদি তারা সাবধান হয় এবং ঈমান আনে ও উত্তম কাজ করে, সাবধান হয় ও ঈমান আনে, আবার সাবধান হয় ও সৎকর্ম করে এবং আল্লাহ তা’আলা সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন” – (সূরা আল –মায়িদাহ ৯৩)। পরবর্তী হাদীসের সহায়তায় সহীহ।

আল–বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, শরাব হারাম হওয়ার পূর্বেই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবীদের বেশ কয়েকজন মারা যান। শরাব হারাম হওয়ার পর লোকেরা বলাবলি করতে লাগল, আমাদের ঐ সকল সাথীদের কি হবে, যারা শরাব পানে অভ্যস্ত থাকা অবস্থায় মারা গেছেন! তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “যারা ঈমান এনেছে ও নেক কাজ করেছে, তারা পূর্বে যা ভক্ষণ করেছে সেজন্য তাদের কোনরূপ গুনাহ নেই, যদি তারা সাবধান হয় এবং ঈমান আনে ও উত্তম কাজ করে, সাবধান হয় ও ঈমান আনে, আবার সাবধান হয় ও সৎকর্ম করে এবং আল্লাহ তা’আলা সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন” – (সূরা আল –মায়িদাহ ৯৩)। পরবর্তী হাদীসের সহায়তায় সহীহ।

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبيد الله بن موسى، عن إسرائيل، عن أبي إسحاق، عن البراء، قال مات رجال من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم قبل أن تحرم الخمر فلما حرمت الخمر قال رجال كيف بأصحابنا وقد ماتوا يشربون الخمر فنزلت ‏:‏ ‏(‏ ليس على الذين آمنوا وعملوا الصالحات جناح فيما طعموا إذا ما اتقوا وآمنوا وعملوا الصالحات ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৫১

وقد رواه شعبة عن أبي إسحاق، عن البراء، أيضا حدثنا بذلك، محمد بن بشار بندار حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، بهذا قال قال البراء بن عازب مات ناس من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وهم يشربون الخمر فلما نزل تحريمها قال ناس من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فكيف بأصحابنا الذين ماتوا وهم يشربونها فنزلت ‏:‏ ‏(‏ ليس على الذين آمنوا وعملوا الصالحات ‏)‏ الآية ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏

আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল –বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বেশ কিছু সাহাবী শরাব নিষিদ্ধ হওয়ার পূর্বে মদ্যপানে অভ্যস্ত অবস্থায় মারা যান। শরাব হারাম হওয়া সম্পর্কিত আয়াত অবতীর্ণ হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথীদের কেউ কেউ বলেন, আমাদের ঐসব সাথীদের কি হবে, যারা শরাব পানে অভ্যস্ত থাকাকালে মারা গেছেন! তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “যারা ঈমান এনেছে ও নেক কাজ করেছে তারা পূর্বে যা ভক্ষণ করেছে, সেজন্য তাদের কোন গুনাহ নেই…..” – (সূরা আল –মায়িদাহ ৯৩)।

আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল –বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বেশ কিছু সাহাবী শরাব নিষিদ্ধ হওয়ার পূর্বে মদ্যপানে অভ্যস্ত অবস্থায় মারা যান। শরাব হারাম হওয়া সম্পর্কিত আয়াত অবতীর্ণ হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথীদের কেউ কেউ বলেন, আমাদের ঐসব সাথীদের কি হবে, যারা শরাব পানে অভ্যস্ত থাকাকালে মারা গেছেন! তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “যারা ঈমান এনেছে ও নেক কাজ করেছে তারা পূর্বে যা ভক্ষণ করেছে, সেজন্য তাদের কোন গুনাহ নেই…..” – (সূরা আল –মায়িদাহ ৯৩)।

وقد رواه شعبة عن أبي إسحاق، عن البراء، أيضا حدثنا بذلك، محمد بن بشار بندار حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، بهذا قال قال البراء بن عازب مات ناس من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وهم يشربون الخمر فلما نزل تحريمها قال ناس من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فكيف بأصحابنا الذين ماتوا وهم يشربونها فنزلت ‏:‏ ‏(‏ ليس على الذين آمنوا وعملوا الصالحات ‏)‏ الآية ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৪৯

حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، أخبرنا محمد بن يوسف، أخبرنا إسرائيل، حدثنا أبو إسحاق، عن عمر بن شرحبيل أبي ميسرة، عن عمر بن الخطاب، أنه قال اللهم بين لنا في الخمر بيان شفاء فنزلت التي في البقرة ‏:‏ ‏(‏ يسألونك عن الخمر والميسر ‏)‏ الآية فدعي عمر فقرئت عليه فقال اللهم بين لنا في الخمر بيان شفاء فنزلت التي في النساءأيها الذين آمنوا لا تقربوا الصلاة وأنتم سكارى ‏)‏ فدعي عمر فقرئت عليه فقال اللهم بين لنا في الخمر بيان شفاء فنزلت التي في المائدة ‏:‏ ‏(‏ إنما يريد الشيطان أن يوقع بينكم العداوة والبغضاء في الخمر والميسر ‏)‏ إلى قولهل أنتم منتهون ‏)‏ فدعي عمر فقرئت عليه فقال انتهينا انتهينا ‏.‏ قال أبو عيسى وقد روي عن إسرائيل هذا الحديث مرسل ‏.‏

উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হে আল্লাহ! শরাবের ব্যাপারে আমাদের জন্য পরিপূর্ণ ও সুষ্পষ্ট বর্ণনা দিন। এ প্রসঙ্গেই সূরা আল –বাক্বারার নিম্নোক্ত আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “লোকে তোমাকে মদ ও জুয়া প্রসঙ্গে প্রশ্ন করে। বল, উভয়ের মধ্যে আছে মহাপাপ এবং মানুষের জন্য উপকারও। কিন্তু এগুলোর পাপ এগুলোর উপকার অপেক্ষা বেশী” (সূরা আল –বাক্বারাহ ২১৯)। ‘উমার (রাঃ) কে ডেকে এনে তাকে উক্ত আয়াত তিলাওয়াত করে শুনানো হল। তিনি বললেন, হে আল্লাহ! শরাবের ব্যাপারে আমাদের আরও সুস্পষ্ট ও পূর্ণাঙ্গ বিবরণ দিন। তখন সূরা আন –নিসার নিম্নোক্ত আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “হে ঈমানদারগণ! তোমরা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় নামাযের নিকটেও যেও না, যতক্ষণ না তোমরা যা বল তা বুঝতে পার” – (সূরা আন –নিসা ৪৩)। ‘উমার (রাঃ) কে ডেকে এনে তাকে উক্ত আয়াত পাঠ করে শুনানো হল। ‘উমার (রাঃ) আবারো বললেন, হে আল্লাহ! শরাবের ব্যাপারে আমাদের সুস্পষ্ট ও পূর্ণ বিবরণ দিন। তারপর সূরা আল –মাইদার এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “শাইতান তো শরাব ও জুয়ার মাধ্যমে তোমাদের মধ্যে শত্রুতা ও বিদ্বেষ ঘটাতে চায় এবং তোমাদেরকে আল্লাহ তা’আলার স্মরণে ও নামাযে বাধা দিতে চায়। তবে কি তোমরা নিবৃত্ত হবে না?” (সূরা আল –মায়িদাহ ৯১) উমার (রাঃ) কে ডেকে এনে তাকে এ আয়াত পাঠ করে শুনানো হল। তিনি বললেন, আমরা নিবৃত হলাম, আমরা নিবৃত হলাম। সহীহ : সহীহাহ (২৩৪৮) ।

উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হে আল্লাহ! শরাবের ব্যাপারে আমাদের জন্য পরিপূর্ণ ও সুষ্পষ্ট বর্ণনা দিন। এ প্রসঙ্গেই সূরা আল –বাক্বারার নিম্নোক্ত আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “লোকে তোমাকে মদ ও জুয়া প্রসঙ্গে প্রশ্ন করে। বল, উভয়ের মধ্যে আছে মহাপাপ এবং মানুষের জন্য উপকারও। কিন্তু এগুলোর পাপ এগুলোর উপকার অপেক্ষা বেশী” (সূরা আল –বাক্বারাহ ২১৯)। ‘উমার (রাঃ) কে ডেকে এনে তাকে উক্ত আয়াত তিলাওয়াত করে শুনানো হল। তিনি বললেন, হে আল্লাহ! শরাবের ব্যাপারে আমাদের আরও সুস্পষ্ট ও পূর্ণাঙ্গ বিবরণ দিন। তখন সূরা আন –নিসার নিম্নোক্ত আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “হে ঈমানদারগণ! তোমরা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় নামাযের নিকটেও যেও না, যতক্ষণ না তোমরা যা বল তা বুঝতে পার” – (সূরা আন –নিসা ৪৩)। ‘উমার (রাঃ) কে ডেকে এনে তাকে উক্ত আয়াত পাঠ করে শুনানো হল। ‘উমার (রাঃ) আবারো বললেন, হে আল্লাহ! শরাবের ব্যাপারে আমাদের সুস্পষ্ট ও পূর্ণ বিবরণ দিন। তারপর সূরা আল –মাইদার এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “শাইতান তো শরাব ও জুয়ার মাধ্যমে তোমাদের মধ্যে শত্রুতা ও বিদ্বেষ ঘটাতে চায় এবং তোমাদেরকে আল্লাহ তা’আলার স্মরণে ও নামাযে বাধা দিতে চায়। তবে কি তোমরা নিবৃত্ত হবে না?” (সূরা আল –মায়িদাহ ৯১) উমার (রাঃ) কে ডেকে এনে তাকে এ আয়াত পাঠ করে শুনানো হল। তিনি বললেন, আমরা নিবৃত হলাম, আমরা নিবৃত হলাম। সহীহ : সহীহাহ (২৩৪৮) ।

حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، أخبرنا محمد بن يوسف، أخبرنا إسرائيل، حدثنا أبو إسحاق، عن عمر بن شرحبيل أبي ميسرة، عن عمر بن الخطاب، أنه قال اللهم بين لنا في الخمر بيان شفاء فنزلت التي في البقرة ‏:‏ ‏(‏ يسألونك عن الخمر والميسر ‏)‏ الآية فدعي عمر فقرئت عليه فقال اللهم بين لنا في الخمر بيان شفاء فنزلت التي في النساءأيها الذين آمنوا لا تقربوا الصلاة وأنتم سكارى ‏)‏ فدعي عمر فقرئت عليه فقال اللهم بين لنا في الخمر بيان شفاء فنزلت التي في المائدة ‏:‏ ‏(‏ إنما يريد الشيطان أن يوقع بينكم العداوة والبغضاء في الخمر والميسر ‏)‏ إلى قولهل أنتم منتهون ‏)‏ فدعي عمر فقرئت عليه فقال انتهينا انتهينا ‏.‏ قال أبو عيسى وقد روي عن إسرائيل هذا الحديث مرسل ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৫২

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد العزيز بن أبي رزمة، عن إسرائيل، عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قالوا يا رسول الله أرأيت الذين ماتوا وهم يشربون الخمر لما نزل تحريم الخمر فنزلت ‏:‏ ‏(‏ ليس على الذين آمنوا وعملوا الصالحات جناح فيما طعموا إذا ما اتقوا وآمنوا وعملوا الصالحات ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মদ্যপান হারাম হওয়ার পর লোকেরা বলল, হে আল্লাহর রাসূল “মদ্যপান হারাম হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত যারা শরাবপানে অভ্যস্ত থাকাকালে মারা গেছে তাদের সম্পর্কে আপনার অভিমত কি? তখন নিম্নোক্ত আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “যারা ঈমান এনেছে ও নেক কাজ করেছে তারা পূর্বে যা ভক্ষণ করেছে সেজন্য তাদের কোনরূপ গুনাহ নেই, যদি তারা সাবধান হয় এবং ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে” – (সূরা আল –মায়িদাহ ৯৩)। পূর্বের হাদীসের সহায়তায় সহীহ।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মদ্যপান হারাম হওয়ার পর লোকেরা বলল, হে আল্লাহর রাসূল “মদ্যপান হারাম হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত যারা শরাবপানে অভ্যস্ত থাকাকালে মারা গেছে তাদের সম্পর্কে আপনার অভিমত কি? তখন নিম্নোক্ত আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “যারা ঈমান এনেছে ও নেক কাজ করেছে তারা পূর্বে যা ভক্ষণ করেছে সেজন্য তাদের কোনরূপ গুনাহ নেই, যদি তারা সাবধান হয় এবং ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে” – (সূরা আল –মায়িদাহ ৯৩)। পূর্বের হাদীসের সহায়তায় সহীহ।

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد العزيز بن أبي رزمة، عن إسرائيل، عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قالوا يا رسول الله أرأيت الذين ماتوا وهم يشربون الخمر لما نزل تحريم الخمر فنزلت ‏:‏ ‏(‏ ليس على الذين آمنوا وعملوا الصالحات جناح فيما طعموا إذا ما اتقوا وآمنوا وعملوا الصالحات ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৫৪

حدثنا عمرو بن علي أبو حفص الفلاس، حدثنا أبو عاصم، حدثنا عثمان بن سعد، حدثنا عكرمة، عن ابن عباس، أن رجلا، أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إني إذا أصبت اللحم انتشرت للنساء وأخذتني شهوتي فحرمت على اللحم ‏.‏ فأنزل الله ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا لا تحرموا طيبات ما أحل الله لكم ولا تعتدوا إن الله لا يحب المعتدين وكلوا مما رزقكم الله حلالا طيبا ‏)‏ قال هذا حديث حسن غريب ‏.‏ ورواه بعضهم عن عثمان بن سعد مرسلا ليس فيه عن ابن عباس ورواه خالد الحذاء عن عكرمة مرسلا ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহ রাসূল! আমি গোশ্‌ত খেলে স্ত্রীসহবাসের জন্য অস্থির হয়ে পড়ি এবং যৌনাবেগ আমাকে ব্যাকুল করে তোলে। তাই আমি নিজের জন্য গোশত খাওয়া হারাম করে নিয়েছি। এ প্রসঙ্গেই আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন (অনুবাদ) : “হে ঈমানদারগণ! আল্লাহ তা’আলা তোমাদের জন্য উৎকৃষ্ট ও পবিত্র যেসব বস্তু হালাল করেছেন, তোমরা সেগুলোকে হারাম করে নিও না এবং সীমালঙ্ঘন করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা সীমালঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না। আল্লাহ তা’আলা তোমাদেরকে যা কিছু হালাল ও উৎকৃষ্ট রিযিক দান করেছেন তোমরা তা হতে খাও এবং আল্লাহ তা’আলাকে ভয় কর, যার প্রতি তোমরা ঈমান এনেছ” – (সূরা আল –মায়িদাহ্‌ ৮৭, ৮৮)।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহ রাসূল! আমি গোশ্‌ত খেলে স্ত্রীসহবাসের জন্য অস্থির হয়ে পড়ি এবং যৌনাবেগ আমাকে ব্যাকুল করে তোলে। তাই আমি নিজের জন্য গোশত খাওয়া হারাম করে নিয়েছি। এ প্রসঙ্গেই আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন (অনুবাদ) : “হে ঈমানদারগণ! আল্লাহ তা’আলা তোমাদের জন্য উৎকৃষ্ট ও পবিত্র যেসব বস্তু হালাল করেছেন, তোমরা সেগুলোকে হারাম করে নিও না এবং সীমালঙ্ঘন করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা সীমালঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না। আল্লাহ তা’আলা তোমাদেরকে যা কিছু হালাল ও উৎকৃষ্ট রিযিক দান করেছেন তোমরা তা হতে খাও এবং আল্লাহ তা’আলাকে ভয় কর, যার প্রতি তোমরা ঈমান এনেছ” – (সূরা আল –মায়িদাহ্‌ ৮৭, ৮৮)।

حدثنا عمرو بن علي أبو حفص الفلاس، حدثنا أبو عاصم، حدثنا عثمان بن سعد، حدثنا عكرمة، عن ابن عباس، أن رجلا، أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إني إذا أصبت اللحم انتشرت للنساء وأخذتني شهوتي فحرمت على اللحم ‏.‏ فأنزل الله ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا لا تحرموا طيبات ما أحل الله لكم ولا تعتدوا إن الله لا يحب المعتدين وكلوا مما رزقكم الله حلالا طيبا ‏)‏ قال هذا حديث حسن غريب ‏.‏ ورواه بعضهم عن عثمان بن سعد مرسلا ليس فيه عن ابن عباس ورواه خالد الحذاء عن عكرمة مرسلا ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৫৫

حدثنا أبو سعيد الأشج، حدثنا منصور بن وردان، عن علي بن عبد الأعلى، عن أبيه، عن أبي البختري، عن علي، قال لما نزلت ‏:‏ ‏(‏ ولله على الناس حج البيت من استطاع إليه سبيلا ‏)‏ قالوا يا رسول الله في كل عام فسكت قالوا يا رسول الله في كل عام قال ‏"‏ لا ولو قلت نعم لوجبت ‏"‏ ‏.‏ فأنزل الله ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا لا تسألوا عن أشياء إن تبد لكم تسؤكم ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب من حديث علي ‏.‏ وفي الباب عن أبي هريرة وابن عباس ‏.‏

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, “লোকদের মধ্যে যার সেখানে যাওয়ার ক্ষমতা আছে, আল্লাহ্ তা’আলার উদ্দেশ্যে ঐ ঘরের হাজ্জ করা তার অবশ্য কর্তব্য” (সূরাঃ আলে-ইমরান- ৯৭), এই আয়াত অবতীর্ণ হলে সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! প্রতি বছর (কি হাজ্জ করতে হবে)? তিনি নিরব থাকলেন। তারা আবার বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! প্রতি বছর কি? তিনি বললেন, না। তবে আমি যদি হ্যাঁ বলতাম, তাহলে তাই ওয়াজিব হত। তখন পরাক্রমশালী আল্লাহ্ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “হে ঈমানদারগণ! তোমরা এমন কোন বিষয়ে প্রশ্ন করো না, যা তোমাদের জন্য প্রকাশ করা হলে তোমাদের মন্দ লাগবে” (সূরাঃ আল-মায়িদাহ- ১০১)। যঈফ, পূর্বেও (৮১১) নং হাদীসে বর্ণিত হয়েছে।

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, “লোকদের মধ্যে যার সেখানে যাওয়ার ক্ষমতা আছে, আল্লাহ্ তা’আলার উদ্দেশ্যে ঐ ঘরের হাজ্জ করা তার অবশ্য কর্তব্য” (সূরাঃ আলে-ইমরান- ৯৭), এই আয়াত অবতীর্ণ হলে সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! প্রতি বছর (কি হাজ্জ করতে হবে)? তিনি নিরব থাকলেন। তারা আবার বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! প্রতি বছর কি? তিনি বললেন, না। তবে আমি যদি হ্যাঁ বলতাম, তাহলে তাই ওয়াজিব হত। তখন পরাক্রমশালী আল্লাহ্ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “হে ঈমানদারগণ! তোমরা এমন কোন বিষয়ে প্রশ্ন করো না, যা তোমাদের জন্য প্রকাশ করা হলে তোমাদের মন্দ লাগবে” (সূরাঃ আল-মায়িদাহ- ১০১)। যঈফ, পূর্বেও (৮১১) নং হাদীসে বর্ণিত হয়েছে।

حدثنا أبو سعيد الأشج، حدثنا منصور بن وردان، عن علي بن عبد الأعلى، عن أبيه، عن أبي البختري، عن علي، قال لما نزلت ‏:‏ ‏(‏ ولله على الناس حج البيت من استطاع إليه سبيلا ‏)‏ قالوا يا رسول الله في كل عام فسكت قالوا يا رسول الله في كل عام قال ‏"‏ لا ولو قلت نعم لوجبت ‏"‏ ‏.‏ فأنزل الله ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا لا تسألوا عن أشياء إن تبد لكم تسؤكم ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب من حديث علي ‏.‏ وفي الباب عن أبي هريرة وابن عباس ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৫৬

حدثنا محمد بن معمر أبو عبد الله البصري، حدثنا روح بن عبادة، حدثنا شعبة، أخبرني موسى بن أنس، قال سمعت أنس بن مالك، يقول قال رجل يا رسول الله من أبي قال ‏"‏ أبوك فلان ‏"‏ ‏.‏ فنزلت ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا لا تسألوا عن أشياء إن تبد لكم تسؤكم ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার বাবা কে? তিনি বললেনঃ তোমার বাবা অমুক। তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “হে ঈমানদারগণ! তোমরা এমন কোন বিষয়ে প্রশ্ন করো না, যা তোমাদের নিকট প্রকাশিত হলে তা তোমাদের কষ্ট দিবে” – (সূরা আল –মায়িদাহ ১০১)। সহীহ : বুখারী (২৬২১), মুসলিম।

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার বাবা কে? তিনি বললেনঃ তোমার বাবা অমুক। তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) : “হে ঈমানদারগণ! তোমরা এমন কোন বিষয়ে প্রশ্ন করো না, যা তোমাদের নিকট প্রকাশিত হলে তা তোমাদের কষ্ট দিবে” – (সূরা আল –মায়িদাহ ১০১)। সহীহ : বুখারী (২৬২১), মুসলিম।

حدثنا محمد بن معمر أبو عبد الله البصري، حدثنا روح بن عبادة، حدثنا شعبة، أخبرني موسى بن أنس، قال سمعت أنس بن مالك، يقول قال رجل يا رسول الله من أبي قال ‏"‏ أبوك فلان ‏"‏ ‏.‏ فنزلت ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا لا تسألوا عن أشياء إن تبد لكم تسؤكم ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৫৭

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا يزيد بن هارون، حدثنا إسماعيل بن أبي خالد، عن قيس بن أبي حازم، عن أبي بكر الصديق، أنه قال يا أيها الناس إنكم تقرءون هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا عليكم أنفسكم لا يضركم من ضل إذا اهتديتم ‏)‏ وإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ إن الناس إذا رأوا ظالما فلم يأخذوا على يديه أوشك أن يعمهم الله بعقاب منه ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وقد رواه غير واحد عن إسماعيل بن أبي خالد نحو هذا الحديث مرفوعا وروى بعضهم عن إسماعيل عن قيس عن أبي بكر قوله ولم يرفعوه ‏.

আবু বাক্‌র সিদ্দীক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হে লোকসকল! তোমরা এ আয়াত পাঠ করে থাক (অনুবাদ) : “হে ইমানদারগণ! তোমাদের দায়িত্ব তোমাদেরই উপর। তোমরা যদি সৎপথে পরিচালিত হও তবে যে পথভ্রষ্ট হয়েছে সে তোমাদের কোন ক্ষতি করতে পারবে না’’ (সূরা আল-মায়িদাহ্‌ ১০৫)। অথচ আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি : মানুষ কোন যালিমকে যুলুম ও অত্যাচার করতে দেখেও তার হাত ধরে তাকে নিবৃত্ত না করলে অচিরেই আলাহ তা’আলা তাদেরকে ব্যপকভাবে শাস্তি দিবেন।

আবু বাক্‌র সিদ্দীক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হে লোকসকল! তোমরা এ আয়াত পাঠ করে থাক (অনুবাদ) : “হে ইমানদারগণ! তোমাদের দায়িত্ব তোমাদেরই উপর। তোমরা যদি সৎপথে পরিচালিত হও তবে যে পথভ্রষ্ট হয়েছে সে তোমাদের কোন ক্ষতি করতে পারবে না’’ (সূরা আল-মায়িদাহ্‌ ১০৫)। অথচ আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি : মানুষ কোন যালিমকে যুলুম ও অত্যাচার করতে দেখেও তার হাত ধরে তাকে নিবৃত্ত না করলে অচিরেই আলাহ তা’আলা তাদেরকে ব্যপকভাবে শাস্তি দিবেন।

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا يزيد بن هارون، حدثنا إسماعيل بن أبي خالد، عن قيس بن أبي حازم، عن أبي بكر الصديق، أنه قال يا أيها الناس إنكم تقرءون هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا عليكم أنفسكم لا يضركم من ضل إذا اهتديتم ‏)‏ وإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ إن الناس إذا رأوا ظالما فلم يأخذوا على يديه أوشك أن يعمهم الله بعقاب منه ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وقد رواه غير واحد عن إسماعيل بن أبي خالد نحو هذا الحديث مرفوعا وروى بعضهم عن إسماعيل عن قيس عن أبي بكر قوله ولم يرفعوه ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৫৩

حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا خالد بن مخلد، عن علي بن مسهر، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، قال لما نزلت ‏:‏ ‏(‏ ليس على الذين آمنوا وعملوا الصالحات جناح فيما طعموا إذا ما اتقوا وآمنوا وعملوا الصالحات ‏)‏ قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أنت منهم ‏"‏ ‏.‏ قال هذا حديث حسن صحيح ‏.‏

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, “যারা ঈমান এনেছে ও নেক কাজ করেছে তারা পূর্বে যা ভক্ষণ করেছে সেজন্য তাদের কোন গুনাহ নেই…” (সূরা আল –মায়িদাহ ৯৩) , এই আয়াত অবতীর্ণ হলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেন, তুমিও তাদের অন্তর্ভূক্ত। সহীহ : মুসলিম (১/১৪৭)।

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, “যারা ঈমান এনেছে ও নেক কাজ করেছে তারা পূর্বে যা ভক্ষণ করেছে সেজন্য তাদের কোন গুনাহ নেই…” (সূরা আল –মায়িদাহ ৯৩) , এই আয়াত অবতীর্ণ হলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেন, তুমিও তাদের অন্তর্ভূক্ত। সহীহ : মুসলিম (১/১৪৭)।

حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا خالد بن مخلد، عن علي بن مسهر، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، قال لما نزلت ‏:‏ ‏(‏ ليس على الذين آمنوا وعملوا الصالحات جناح فيما طعموا إذا ما اتقوا وآمنوا وعملوا الصالحات ‏)‏ قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أنت منهم ‏"‏ ‏.‏ قال هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৫৮

حدثنا سعيد بن يعقوب الطالقاني، حدثنا عبد الله بن المبارك، أخبرنا عتبة بن أبي حكيم، حدثنا عمرو بن جارية اللخمي، عن أبي أمية الشعباني، قال أتيت أبا ثعلبة الخشني فقلت له كيف تصنع في هذه الآية قال أية آية قلت قوله ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا عليكم أنفسكم لا يضركم من ضل إذا اهتديتم ‏)‏ قال أما والله لقد سألت عنها خبيرا سألت عنها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ بل ائتمروا بالمعروف وتناهوا عن المنكر حتى إذا رأيت شحا مطاعا وهوى متبعا ودنيا مؤثرة وإعجاب كل ذي رأى برأيه فعليك بخاصة نفسك ودع العوام فإن من ورائكم أياما الصبر فيهن مثل القبض على الجمر للعامل فيهن مثل أجر خمسين رجلا يعملون مثل عملكم ‏"‏ ‏.‏ قال عبد الله بن المبارك وزادني غير عتبة قيل يا رسول الله أجر خمسين رجلا منا أو منهم قال ‏"‏ لا بل أجر خمسين منكم ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏

আবূ উমাইয়্যা আশ-শাবানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আবূ সালাবা আল-খুশানী (রাঃ)-এর নিকট এসে তাকে বললাম, এ আয়াত প্রসঙ্গে আপনি কি করণীয় বলে ঠিক করেছেন? তিনি বললেনঃ কোন্ আয়াত? আমি বললাম, আল্লাহ্ তা’আলার বাণীঃ “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের দায়িত্ব তোমাদেরই উপর। তোমরা যদি সৎপথে পরিচালিত হও তবে যে বিপথগামী হয়েছে সে তোমাদের কোন লোকসান করতে পারবে না” (সূরাঃ আল-মায়িদাহ- ১০৫)। আবূ সালাবা (রাঃ) বললেনঃ আল্লাহ্‌র কসম! তুমি এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ জেনেছে এমন একজনকে প্রশ্ন করেছ। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ বিষয়ে প্রশ্ন করেছি। তিনি বলেছেনঃ বরং তোমরা সৎ কাজের আদেশ দিতে থাক এবং খারাপ কাজ হতে বিরত করতে থাক। অবশেষে যখন দেখবে কৃপণতার বশ্যতী করা হচ্ছে, নাফসের অনুসরণ করা হচ্ছে, দুনিয়াকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে এবং প্রত্যেকে নিজের মতকে সর্বোত্তম মনে করছে, তখন তুমি শুধুমাত্র নিজেকে রক্ষায় নিয়োজিত থেকো এবং সাধারণের ভাবনা ছেড়ে দিও। কারণ তোমাদের পর এমন যুগ আসবে, যখন (দ্বীনের উপর) সবর করে থাকা জ্বলন্ত অঙ্গার হাতের মুঠোয় ধারণ করে রাখার মত (যন্ত্রণাদায়ক) হবে। ঐ সময় দ্বীনের উপর আমলকারীর প্রতিদান হবে তোমাদের মত পঞ্চাশজন আমলকারীর প্রতিদানের সমান। আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারাক (রহঃ) বলেনঃ উতবা ছাড়া অপরাপর রাবীর রিওয়ায়াত আরো আছে, প্রশ্ন করা হল, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমাদের মধ্যকার পঞ্চাশজন না তাদের মধ্যকার পঞ্চাশজন আমলকারীর সমান? তিনি বললেনঃ না, বরং তোমাদের মধ্যকার পঞ্চাশজনের সমান তার সাওয়াব হবে। যঈফ, নাকদুল কাত্তানী (২৭/২৭), মিশকাত (৫১৪৪) কিন্তু হাদীসের কিছু অংশ সহীহ, দেখুন হাদীস নং (২৩৬১)। সহীহা (৫৯৪),

আবূ উমাইয়্যা আশ-শাবানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আবূ সালাবা আল-খুশানী (রাঃ)-এর নিকট এসে তাকে বললাম, এ আয়াত প্রসঙ্গে আপনি কি করণীয় বলে ঠিক করেছেন? তিনি বললেনঃ কোন্ আয়াত? আমি বললাম, আল্লাহ্ তা’আলার বাণীঃ “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের দায়িত্ব তোমাদেরই উপর। তোমরা যদি সৎপথে পরিচালিত হও তবে যে বিপথগামী হয়েছে সে তোমাদের কোন লোকসান করতে পারবে না” (সূরাঃ আল-মায়িদাহ- ১০৫)। আবূ সালাবা (রাঃ) বললেনঃ আল্লাহ্‌র কসম! তুমি এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ জেনেছে এমন একজনকে প্রশ্ন করেছ। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ বিষয়ে প্রশ্ন করেছি। তিনি বলেছেনঃ বরং তোমরা সৎ কাজের আদেশ দিতে থাক এবং খারাপ কাজ হতে বিরত করতে থাক। অবশেষে যখন দেখবে কৃপণতার বশ্যতী করা হচ্ছে, নাফসের অনুসরণ করা হচ্ছে, দুনিয়াকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে এবং প্রত্যেকে নিজের মতকে সর্বোত্তম মনে করছে, তখন তুমি শুধুমাত্র নিজেকে রক্ষায় নিয়োজিত থেকো এবং সাধারণের ভাবনা ছেড়ে দিও। কারণ তোমাদের পর এমন যুগ আসবে, যখন (দ্বীনের উপর) সবর করে থাকা জ্বলন্ত অঙ্গার হাতের মুঠোয় ধারণ করে রাখার মত (যন্ত্রণাদায়ক) হবে। ঐ সময় দ্বীনের উপর আমলকারীর প্রতিদান হবে তোমাদের মত পঞ্চাশজন আমলকারীর প্রতিদানের সমান। আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারাক (রহঃ) বলেনঃ উতবা ছাড়া অপরাপর রাবীর রিওয়ায়াত আরো আছে, প্রশ্ন করা হল, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমাদের মধ্যকার পঞ্চাশজন না তাদের মধ্যকার পঞ্চাশজন আমলকারীর সমান? তিনি বললেনঃ না, বরং তোমাদের মধ্যকার পঞ্চাশজনের সমান তার সাওয়াব হবে। যঈফ, নাকদুল কাত্তানী (২৭/২৭), মিশকাত (৫১৪৪) কিন্তু হাদীসের কিছু অংশ সহীহ, দেখুন হাদীস নং (২৩৬১)। সহীহা (৫৯৪),

حدثنا سعيد بن يعقوب الطالقاني، حدثنا عبد الله بن المبارك، أخبرنا عتبة بن أبي حكيم، حدثنا عمرو بن جارية اللخمي، عن أبي أمية الشعباني، قال أتيت أبا ثعلبة الخشني فقلت له كيف تصنع في هذه الآية قال أية آية قلت قوله ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا عليكم أنفسكم لا يضركم من ضل إذا اهتديتم ‏)‏ قال أما والله لقد سألت عنها خبيرا سألت عنها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ بل ائتمروا بالمعروف وتناهوا عن المنكر حتى إذا رأيت شحا مطاعا وهوى متبعا ودنيا مؤثرة وإعجاب كل ذي رأى برأيه فعليك بخاصة نفسك ودع العوام فإن من ورائكم أياما الصبر فيهن مثل القبض على الجمر للعامل فيهن مثل أجر خمسين رجلا يعملون مثل عملكم ‏"‏ ‏.‏ قال عبد الله بن المبارك وزادني غير عتبة قيل يا رسول الله أجر خمسين رجلا منا أو منهم قال ‏"‏ لا بل أجر خمسين منكم ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৬০

حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا يحيى بن آدم، عن ابن أبي زائدة، عن محمد بن أبي القاسم، عن عبد الملك بن سعيد، عن أبيه، عن ابن عباس، قال خرج رجل من بني سهم مع تميم الداري وعدي بن بداء فمات السهمي بأرض ليس فيها مسلم فلما قدما بتركته فقدوا جاما من فضة مخوصا بالذهب فأحلفهما رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم وجد الجام بمكة فقيل اشتريناه من عدي وتميم فقام رجلان من أولياء السهمي فحلفا بالله لشهادتنا أحق من شهادتهما وأن الجام لصاحبهم ‏.‏ قال وفيهم نزلت ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا شهادة بينكم ‏)‏ هذا حديث حسن غريب وهو حديث ابن أبي زائدة ‏.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বানু সাহ্‌মের এক লোক তামীমুদ দারী (রাঃ) ও ‘আদী ইবনু বাদ্দার সাথে (সফরে) বের হয়। বানু সাহমের লোকটি এমন এক এলাকায় মারা গেল, যেখানে কোন মুসলিম ছিল না। ঐ দুই ব্যক্তি তার পরিত্যক্ত সম্পদ নিয়ে তার পরিজনের নিকট ফিরে এলে তারা তার মধ্যে স্বর্নখচিত রুপার পানপাত্রটি খুঁজে পেল না। রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের উভয়কে শপথ করালেন। তার ওয়ারিশরা পরে মক্কায় ঐ পানপাত্রটি দেখতে পায়। তাদের বলা হয়, আমরা এটি তামীম ও আদীর নিকট হতে কিনেছি। সাহমীর ওয়ারিশদের মধ্য হতে দুইজন লোক দাবি নিয়ে উঠে এবং আল্লাহর শপথ করে বলে, আমাদের সাক্ষ্য উক্ত দুইজনের সাক্ষ্যর চাইতে অনেক বেশি সত্য ও গ্রহণযোগ্য। নিঃসন্দেহে এ পানপাত্রটি তাদের সাথীরই। এদের সম্পর্কেই এ আয়াত অবতীর্ণ (অনুবাদ) : “ হে মমিনগণ! তোমাদের কারও যখন মৃত্যু উপস্থিত হয় তখন ওয়াসিয়াত করার সময় তোমাদের মধ্য হতে দু’জন ন্যায়পরায়ন লোককে সাক্ষী রাখবে...’’ (সূরা আল-মায়েদাহ্‌ ১০৬)। সহীহ : বুখারী (২৭৮০)।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বানু সাহ্‌মের এক লোক তামীমুদ দারী (রাঃ) ও ‘আদী ইবনু বাদ্দার সাথে (সফরে) বের হয়। বানু সাহমের লোকটি এমন এক এলাকায় মারা গেল, যেখানে কোন মুসলিম ছিল না। ঐ দুই ব্যক্তি তার পরিত্যক্ত সম্পদ নিয়ে তার পরিজনের নিকট ফিরে এলে তারা তার মধ্যে স্বর্নখচিত রুপার পানপাত্রটি খুঁজে পেল না। রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের উভয়কে শপথ করালেন। তার ওয়ারিশরা পরে মক্কায় ঐ পানপাত্রটি দেখতে পায়। তাদের বলা হয়, আমরা এটি তামীম ও আদীর নিকট হতে কিনেছি। সাহমীর ওয়ারিশদের মধ্য হতে দুইজন লোক দাবি নিয়ে উঠে এবং আল্লাহর শপথ করে বলে, আমাদের সাক্ষ্য উক্ত দুইজনের সাক্ষ্যর চাইতে অনেক বেশি সত্য ও গ্রহণযোগ্য। নিঃসন্দেহে এ পানপাত্রটি তাদের সাথীরই। এদের সম্পর্কেই এ আয়াত অবতীর্ণ (অনুবাদ) : “ হে মমিনগণ! তোমাদের কারও যখন মৃত্যু উপস্থিত হয় তখন ওয়াসিয়াত করার সময় তোমাদের মধ্য হতে দু’জন ন্যায়পরায়ন লোককে সাক্ষী রাখবে...’’ (সূরা আল-মায়েদাহ্‌ ১০৬)। সহীহ : বুখারী (২৭৮০)।

حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا يحيى بن آدم، عن ابن أبي زائدة، عن محمد بن أبي القاسم، عن عبد الملك بن سعيد، عن أبيه، عن ابن عباس، قال خرج رجل من بني سهم مع تميم الداري وعدي بن بداء فمات السهمي بأرض ليس فيها مسلم فلما قدما بتركته فقدوا جاما من فضة مخوصا بالذهب فأحلفهما رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم وجد الجام بمكة فقيل اشتريناه من عدي وتميم فقام رجلان من أولياء السهمي فحلفا بالله لشهادتنا أحق من شهادتهما وأن الجام لصاحبهم ‏.‏ قال وفيهم نزلت ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا شهادة بينكم ‏)‏ هذا حديث حسن غريب وهو حديث ابن أبي زائدة ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৬১

حدثنا الحسن بن قزعة، حدثنا سفيان بن حبيب، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن خلاس بن عمرو، عن عمار بن ياسر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أنزلت المائدة من السماء خبزا ولحما وأمروا أن لا يخونوا ولا يدخروا لغد فخانوا وادخروا ورفعوا لغد فمسخوا قردة وخنازير ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب ‏.‏ قد رواه أبو عاصم وغير واحد عن سعيد بن أبي عروبة عن قتادة عن خلاس عن عمار بن ياسر موقوفا ولا نعرفه مرفوعا إلا من حديث الحسن بن قزعة ‏.

আম্মার ইবনু ইয়াসির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আকাশ হতে (ঈসা (আঃ)-এর উম্মাতের জন্য) খাঞ্চাভর্তি রুটি ও মাংস পাঠানো হয়। তাদের প্রতি হুকুম ছিল তারা যেন খিয়ানাত না করে এবং আগামী কালের জন্য তা সঞ্চয় করে না রাখে। কিন্তু তারা এতে খিয়ানাত করল ও তা থেকে জমা করল এবং আগামীকালের জন্য তুলে রাখল। ফলে তাদেরকে বানর ও শুকরে পরিনত করা হল। সনদ দুর্বল।

আম্মার ইবনু ইয়াসির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আকাশ হতে (ঈসা (আঃ)-এর উম্মাতের জন্য) খাঞ্চাভর্তি রুটি ও মাংস পাঠানো হয়। তাদের প্রতি হুকুম ছিল তারা যেন খিয়ানাত না করে এবং আগামী কালের জন্য তা সঞ্চয় করে না রাখে। কিন্তু তারা এতে খিয়ানাত করল ও তা থেকে জমা করল এবং আগামীকালের জন্য তুলে রাখল। ফলে তাদেরকে বানর ও শুকরে পরিনত করা হল। সনদ দুর্বল।

حدثنا الحسن بن قزعة، حدثنا سفيان بن حبيب، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن خلاس بن عمرو، عن عمار بن ياسر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أنزلت المائدة من السماء خبزا ولحما وأمروا أن لا يخونوا ولا يدخروا لغد فخانوا وادخروا ورفعوا لغد فمسخوا قردة وخنازير ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب ‏.‏ قد رواه أبو عاصم وغير واحد عن سعيد بن أبي عروبة عن قتادة عن خلاس عن عمار بن ياسر موقوفا ولا نعرفه مرفوعا إلا من حديث الحسن بن قزعة ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৬২

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو بن دينار، عن طاوس، عن أبي هريرة، قال تلقى عيسى حجته ولقاه الله في قوله ‏:‏ ‏(‏ وإذ قال الله يا عيسى ابن مريم أأنت قلت للناس اتخذوني وأمي إلهين من دون الله ‏)‏ قال أبو هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم فلقاه الله ‏:‏ ‏(‏ سبحانك ما يكون لي أن أقول ما ليس لي بحق ‏)‏ الآية كلها ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.

আবু হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘ঈসা (আঃ) কে তাঁর যুক্তি –প্রমান শিখিয়ে দেয়া হয়। আল্লাহ তা’আলাই তাঁকে তা শিখিয়ে দেন। যেমন নিম্নোক্ত আয়াতে আল্লাহ তা’আলা বলেন (অনুবাদ) : “আল্লাহ তা’আলা যখন বললেনঃ হে ‘‘ঈসা ইবনু মারিয়াম! তুমি কি লোকদের বলেছিলে, তোমরা আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত আমাকে এবং আমার মাকে ইলাহরুপে গ্রহন কর’’ –(সূরা আল-মায়িদাহ ১১৬)? আবূ হুরায়রা্‌ (রাঃ) নবী (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন : তখন আল্লাহ তা’আলাই ‘‘ঈসা (আঃ) কে উত্তর শিক্ষা দিলেন : “ তিনি বললেন , তুমি মহিহান্বিত! যা বলার অধিকার আমার নেই তা বলা আমার পক্ষে শোভনীয় নয় ----তবে তুমি তো পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়”—(সূরা আল-মায়েদাহ্‌ ১১৬-১১৮)।

আবু হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘ঈসা (আঃ) কে তাঁর যুক্তি –প্রমান শিখিয়ে দেয়া হয়। আল্লাহ তা’আলাই তাঁকে তা শিখিয়ে দেন। যেমন নিম্নোক্ত আয়াতে আল্লাহ তা’আলা বলেন (অনুবাদ) : “আল্লাহ তা’আলা যখন বললেনঃ হে ‘‘ঈসা ইবনু মারিয়াম! তুমি কি লোকদের বলেছিলে, তোমরা আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত আমাকে এবং আমার মাকে ইলাহরুপে গ্রহন কর’’ –(সূরা আল-মায়িদাহ ১১৬)? আবূ হুরায়রা্‌ (রাঃ) নবী (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন : তখন আল্লাহ তা’আলাই ‘‘ঈসা (আঃ) কে উত্তর শিক্ষা দিলেন : “ তিনি বললেন , তুমি মহিহান্বিত! যা বলার অধিকার আমার নেই তা বলা আমার পক্ষে শোভনীয় নয় ----তবে তুমি তো পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়”—(সূরা আল-মায়েদাহ্‌ ১১৬-১১৮)।

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو بن دينار، عن طاوس، عن أبي هريرة، قال تلقى عيسى حجته ولقاه الله في قوله ‏:‏ ‏(‏ وإذ قال الله يا عيسى ابن مريم أأنت قلت للناس اتخذوني وأمي إلهين من دون الله ‏)‏ قال أبو هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم فلقاه الله ‏:‏ ‏(‏ سبحانك ما يكون لي أن أقول ما ليس لي بحق ‏)‏ الآية كلها ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৫৯

حدثنا الحسن بن أحمد بن أبي شعيب الحراني، حدثنا محمد بن سلمة الحراني، حدثنا محمد بن إسحاق، عن أبي النضر، عن باذان، مولى أم هانئ عن ابن عباس، عن تميم الداري، في هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا شهادة بينكم إذا حضر أحدكم الموت ‏)‏ قال برئ منها الناس غيري وغير عدي بن بداء وكانا نصرانيين يختلفان إلى الشام قبل الإسلام فأتيا الشام لتجارتهما وقدم عليهما مولى لبني سهم يقال له بديل بن أبي مريم بتجارة ومعه جام من فضة يريد به الملك وهو عظم تجارته فمرض فأوصى إليهما وأمرهما أن يبلغا ما ترك أهله قال تميم فلما مات أخذنا ذلك الجام فبعناه بألف درهم ثم اقتسمناه أنا وعدي بن بداء فلما قدمنا إلى أهله دفعنا إليهم ما كان معنا وفقدوا الجام فسألونا عنه فقلنا ما ترك غير هذا وما دفع إلينا غيره قال تميم فلما أسلمت بعد قدوم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة تأثمت من ذلك فأتيت أهله فأخبرتهم الخبر وأديت إليهم خمسمائة درهم وأخبرتهم أن عند صاحبي مثلها فأتوا به رسول الله صلى الله عليه وسلم فسألهم البينة فلم يجدوا فأمرهم أن يستحلفوه بما يعظم به على أهل دينه فحلف فأنزل الله ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا شهادة بينكم إذا حضر أحدكم الموت ‏)‏ إلى قوله ‏:‏ ‏(‏ أو يخافوا أن ترد أيمان بعد أيمانهم ‏)‏ ‏.‏ فقام عمرو بن العاص ورجل آخر فحلفا فنزعت الخمسمائة درهم من عدي بن بداء ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب وليس إسناده بصحيح ‏.‏ وأبو النضر الذي روى عنه محمد بن إسحاق هذا الحديث هو عندي محمد بن السائب الكلبي يكنى أبا النضر وقد تركه أهل الحديث وهو صاحب التفسير سمعت محمد بن إسماعيل يقول محمد بن السائب الكلبي يكنى أبا النضر ‏.‏ قال أبو عيسى ولا نعرف لسالم أبي النضر المدني رواية عن أبي صالح مولى أم هانئ وقد روي عن ابن عباس شيء من هذا على الاختصار من غير هذا الوجه ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তামীম আদ-দারী (রাঃ) নিম্নোক্ত আয়াত প্রসঙ্গে বলেছেন, আমি ও আদী ইবনু বাদ্দা ব্যতীত অপর কারো সাথে তা সম্পর্কিত নয়ঃ “হে ঈমানদারগণ! যখন তোমাদের মধ্যে কারো মৃত্যু হাযির হয় তখন ওসিয়াত করার সময় তোমাদের মধ্য হতে ন্যায়নিষ্ঠ দু’জনকে সাক্ষী রাখবে” (সূরাঃ আল-মাইদা- ১০৬)। তারা দু’জনই ছিলেন নাসারা। ইসলাম ক্ববূলের পূর্বে বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে তাদের সিরিয়ায় আসা যাওয়া ছিল। কোন এক সময় তারা ব্যবসার উদ্দেশ্যে সিরিয়া যান। বানূ সাহ্‌মের গোলাম বুদাইল ইবনু আবূ মারইয়ামও ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যে তাদের নিকট আসলো। তার নিকট একটি রূপার পানপাত্র ছিল। তিনি এটি বাদশার নিকট বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে এনেছিলেন। তার ব্যবসায় পণ্যের মধ্যে এটিই ছিল সর্বোৎকৃষ্ট। হঠাৎ তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তিনি তাদের (তামীমুদ দারী ও আদী ইবনু বাদ্দা) উভয়কে ওসিয়াত করেন যে, (তার মারা যাবার পর) তার রেখে যাওয়া মালামালা যেন তারা তার পরিজনকে পৌঁছে দেয়। তামীম (রাঃ) বলেনঃ তিনি মারা গেলে আমরা পানপাত্রটি নিয়ে গিয়ে এক হাজার দিরহামে বিক্রয় করি এবং বিক্রয়লব্ধ টাকা আমি ও আদী ইবনু বাদ্দা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেই। আমরা তার পরিবার-পরিজনের নিকট পৌছে, আমাদের নিকট যা কিছু সঞ্চিত ছিল তা তাদের ফিরিয়ে দিলাম। কিন্তু তারা পানপাত্রটি না পেয়ে আমাদেরকে সেটি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করে। আমরা বললাম, সে তো আমাদের নিকট ইহা ব্যতীত আর কিছু রেখে যায়নি। তামীম (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মাদীনায় পদাপর্ণের পর যখন আমি ইসলাম ক্ববূল করি, তখন আমি আমার এ অপকর্মের জন্য নিজেকে দোষী মনে করলাম (এবং এ হতে মুক্ত হতে চাইলাম)। তাই আমি তার পরিজনের নিকট এসে তাদের আসল ঘটনা খুলে বললাম এবং তাদের পাঁচ শত দিরহাম দিয়ে দিলাম। আমি তাদের এও বললাম, আমার সংগীর (আদী ইবনু বাদ্দা) নিকটও সমপরিমাণ (দিরহাম) রয়েছে। তারা তখন বিষয়টি নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এলো। তিনি তাদের নিকট প্রমাণ চাইলে তারা তা পেশ করতে অক্ষম হয়। তিনি তাদের নির্দেশ দিলেন যে, তারা আদী ইবনু বাদ্দাকে এমনভাবে কসম করতে বলবে যেভাবে কসম করলে তার ধর্মের দৃষ্টিতে তা গুরুত্বপূর্ণ হয়। তারপর আদী শপথ করল (নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের জন্য)। তখন আল্লাহ্ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ ‘হে মু’মিনগণ! তোমাদের কারও যখন মৃত্যু হাযির হয় তখন ওসিয়াত করার সময় তোমাদের মধ্য হতে দু’জন ন্যায়পরায়ণ লোককে সাক্ষী রাখবে… আল্লাহ্ তা’আলা সত্যত্যাগী সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না” (সূরাঃ আল-মায়িদাহ- ১০৬-১০৮)। তারপর আমর ইবনুল আস (রাঃ) ও অপর এক ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে উঠলেন এবং শপথ করলেন। অবশেষে আদী ইবনু বাদ্দার নিকট হতে পাঁচশত দিরহাম আদায় করা হয়। সনদ অত্যন্ত দুর্বল,

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তামীম আদ-দারী (রাঃ) নিম্নোক্ত আয়াত প্রসঙ্গে বলেছেন, আমি ও আদী ইবনু বাদ্দা ব্যতীত অপর কারো সাথে তা সম্পর্কিত নয়ঃ “হে ঈমানদারগণ! যখন তোমাদের মধ্যে কারো মৃত্যু হাযির হয় তখন ওসিয়াত করার সময় তোমাদের মধ্য হতে ন্যায়নিষ্ঠ দু’জনকে সাক্ষী রাখবে” (সূরাঃ আল-মাইদা- ১০৬)। তারা দু’জনই ছিলেন নাসারা। ইসলাম ক্ববূলের পূর্বে বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে তাদের সিরিয়ায় আসা যাওয়া ছিল। কোন এক সময় তারা ব্যবসার উদ্দেশ্যে সিরিয়া যান। বানূ সাহ্‌মের গোলাম বুদাইল ইবনু আবূ মারইয়ামও ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যে তাদের নিকট আসলো। তার নিকট একটি রূপার পানপাত্র ছিল। তিনি এটি বাদশার নিকট বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে এনেছিলেন। তার ব্যবসায় পণ্যের মধ্যে এটিই ছিল সর্বোৎকৃষ্ট। হঠাৎ তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তিনি তাদের (তামীমুদ দারী ও আদী ইবনু বাদ্দা) উভয়কে ওসিয়াত করেন যে, (তার মারা যাবার পর) তার রেখে যাওয়া মালামালা যেন তারা তার পরিজনকে পৌঁছে দেয়। তামীম (রাঃ) বলেনঃ তিনি মারা গেলে আমরা পানপাত্রটি নিয়ে গিয়ে এক হাজার দিরহামে বিক্রয় করি এবং বিক্রয়লব্ধ টাকা আমি ও আদী ইবনু বাদ্দা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেই। আমরা তার পরিবার-পরিজনের নিকট পৌছে, আমাদের নিকট যা কিছু সঞ্চিত ছিল তা তাদের ফিরিয়ে দিলাম। কিন্তু তারা পানপাত্রটি না পেয়ে আমাদেরকে সেটি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করে। আমরা বললাম, সে তো আমাদের নিকট ইহা ব্যতীত আর কিছু রেখে যায়নি। তামীম (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মাদীনায় পদাপর্ণের পর যখন আমি ইসলাম ক্ববূল করি, তখন আমি আমার এ অপকর্মের জন্য নিজেকে দোষী মনে করলাম (এবং এ হতে মুক্ত হতে চাইলাম)। তাই আমি তার পরিজনের নিকট এসে তাদের আসল ঘটনা খুলে বললাম এবং তাদের পাঁচ শত দিরহাম দিয়ে দিলাম। আমি তাদের এও বললাম, আমার সংগীর (আদী ইবনু বাদ্দা) নিকটও সমপরিমাণ (দিরহাম) রয়েছে। তারা তখন বিষয়টি নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এলো। তিনি তাদের নিকট প্রমাণ চাইলে তারা তা পেশ করতে অক্ষম হয়। তিনি তাদের নির্দেশ দিলেন যে, তারা আদী ইবনু বাদ্দাকে এমনভাবে কসম করতে বলবে যেভাবে কসম করলে তার ধর্মের দৃষ্টিতে তা গুরুত্বপূর্ণ হয়। তারপর আদী শপথ করল (নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের জন্য)। তখন আল্লাহ্ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ ‘হে মু’মিনগণ! তোমাদের কারও যখন মৃত্যু হাযির হয় তখন ওসিয়াত করার সময় তোমাদের মধ্য হতে দু’জন ন্যায়পরায়ণ লোককে সাক্ষী রাখবে… আল্লাহ্ তা’আলা সত্যত্যাগী সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না” (সূরাঃ আল-মায়িদাহ- ১০৬-১০৮)। তারপর আমর ইবনুল আস (রাঃ) ও অপর এক ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে উঠলেন এবং শপথ করলেন। অবশেষে আদী ইবনু বাদ্দার নিকট হতে পাঁচশত দিরহাম আদায় করা হয়। সনদ অত্যন্ত দুর্বল,

حدثنا الحسن بن أحمد بن أبي شعيب الحراني، حدثنا محمد بن سلمة الحراني، حدثنا محمد بن إسحاق، عن أبي النضر، عن باذان، مولى أم هانئ عن ابن عباس، عن تميم الداري، في هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا شهادة بينكم إذا حضر أحدكم الموت ‏)‏ قال برئ منها الناس غيري وغير عدي بن بداء وكانا نصرانيين يختلفان إلى الشام قبل الإسلام فأتيا الشام لتجارتهما وقدم عليهما مولى لبني سهم يقال له بديل بن أبي مريم بتجارة ومعه جام من فضة يريد به الملك وهو عظم تجارته فمرض فأوصى إليهما وأمرهما أن يبلغا ما ترك أهله قال تميم فلما مات أخذنا ذلك الجام فبعناه بألف درهم ثم اقتسمناه أنا وعدي بن بداء فلما قدمنا إلى أهله دفعنا إليهم ما كان معنا وفقدوا الجام فسألونا عنه فقلنا ما ترك غير هذا وما دفع إلينا غيره قال تميم فلما أسلمت بعد قدوم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة تأثمت من ذلك فأتيت أهله فأخبرتهم الخبر وأديت إليهم خمسمائة درهم وأخبرتهم أن عند صاحبي مثلها فأتوا به رسول الله صلى الله عليه وسلم فسألهم البينة فلم يجدوا فأمرهم أن يستحلفوه بما يعظم به على أهل دينه فحلف فأنزل الله ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الذين آمنوا شهادة بينكم إذا حضر أحدكم الموت ‏)‏ إلى قوله ‏:‏ ‏(‏ أو يخافوا أن ترد أيمان بعد أيمانهم ‏)‏ ‏.‏ فقام عمرو بن العاص ورجل آخر فحلفا فنزعت الخمسمائة درهم من عدي بن بداء ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب وليس إسناده بصحيح ‏.‏ وأبو النضر الذي روى عنه محمد بن إسحاق هذا الحديث هو عندي محمد بن السائب الكلبي يكنى أبا النضر وقد تركه أهل الحديث وهو صاحب التفسير سمعت محمد بن إسماعيل يقول محمد بن السائب الكلبي يكنى أبا النضر ‏.‏ قال أبو عيسى ولا نعرف لسالم أبي النضر المدني رواية عن أبي صالح مولى أم هانئ وقد روي عن ابن عباس شيء من هذا على الاختصار من غير هذا الوجه ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৬৩

حدثنا قتيبة، حدثنا عبد الله بن وهب، عن حيى، عن أبي عبد الرحمن الحبلي، عن عبد الله بن عمرو، قال آخر سورة أنزلت سورة المائدة ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏ وروي عن ابن عباس أنه قال آخر سورة أنزلت ‏:‏ ‏(‏إذا جاء نصر الله والفتح ‏)‏ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সর্বশেষ অবতীর্ণ সূরা হল সূরা আল –মায়িদাহ্‌। সনদ হাসান (সহিহ আত-তিরমিযি অনুযায়ী) / সনদ দুর্বল (জয়ীফ আত-তিরমিযি অনুযায়ী)। , হাকিম এটিকে সহীহ বলেছেন এবং এর একটি শাহিদ বর্ণনা করেছেন। ইমাম যাহাবী তাকে সমর্থন করেছেন।

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সর্বশেষ অবতীর্ণ সূরা হল সূরা আল –মায়িদাহ্‌। সনদ হাসান (সহিহ আত-তিরমিযি অনুযায়ী) / সনদ দুর্বল (জয়ীফ আত-তিরমিযি অনুযায়ী)। , হাকিম এটিকে সহীহ বলেছেন এবং এর একটি শাহিদ বর্ণনা করেছেন। ইমাম যাহাবী তাকে সমর্থন করেছেন।

حدثنا قتيبة، حدثنا عبد الله بن وهب، عن حيى، عن أبي عبد الرحمن الحبلي، عن عبد الله بن عمرو، قال آخر سورة أنزلت سورة المائدة ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏ وروي عن ابن عباس أنه قال آخر سورة أنزلت ‏:‏ ‏(‏إذا جاء نصر الله والفتح ‏)‏ ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আল-আন’আম

জামে' আত-তিরমিজি ৩০৬৬

حدثنا الحسن بن عرفة، حدثنا إسماعيل بن عياش، عن أبي بكر بن أبي مريم الغساني، عن راشد بن سعد، عن سعد بن أبي وقاص، عن النبي صلى الله عليه وسلم في هذه الآية‏:‏ ‏(‏قل هو القادر على أن يبعث عليكم عذابا من فوقكم أو من تحت أرجلكم ‏)‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أما إنها كائنة ولم يأت تأويلها بعد ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏

সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস সূত্রে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

“বল, তিনি তোমাদের উপর তোমাদের উপর হতে অথবা তোমাদের পদতল হতে শাস্তি প্রেরণে সক্ষম” (সূরাঃ আল-আনআম- ৬৫), এ আয়াত অবতীর্ণ হলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ প্রসঙ্গে বলেনঃ এরূপ সংঘটিত হবেই কিন্তু তার ব্যাখ্যা এখনো বাস্তাব লাভ করেনি। সনদ দুর্বল।

সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস সূত্রে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

“বল, তিনি তোমাদের উপর তোমাদের উপর হতে অথবা তোমাদের পদতল হতে শাস্তি প্রেরণে সক্ষম” (সূরাঃ আল-আনআম- ৬৫), এ আয়াত অবতীর্ণ হলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ প্রসঙ্গে বলেনঃ এরূপ সংঘটিত হবেই কিন্তু তার ব্যাখ্যা এখনো বাস্তাব লাভ করেনি। সনদ দুর্বল।

حدثنا الحسن بن عرفة، حدثنا إسماعيل بن عياش، عن أبي بكر بن أبي مريم الغساني، عن راشد بن سعد، عن سعد بن أبي وقاص، عن النبي صلى الله عليه وسلم في هذه الآية‏:‏ ‏(‏قل هو القادر على أن يبعث عليكم عذابا من فوقكم أو من تحت أرجلكم ‏)‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أما إنها كائنة ولم يأت تأويلها بعد ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৬৫

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، سمع جابر بن عبد الله، يقول لما نزلت هذه الآية ‏:‏ ‏(‏قل هو القادر على أن يبعث عليكم عذابا من فوقكم أو من تحت أرجلكم ‏)‏ قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أعوذ بوجهك ‏"‏ ‏.‏ فلما نزلت ‏(‏ أو يلبسكم شيعا ويذيق بعضكم بأس بعض ‏)‏ قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هاتان أهون - أو - هاتان أيسر ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏

আম্‌র ইবনু দীনার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) কে বলতে শুনেছেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল (অনুবাদ) : ‘‘বল তিনি তোমাদের ঊর্ধ্বদেশ অথবা পাদদেশ হতে তোমাদের উপর শাস্তি প্রেরন করতে সক্ষম”, তখন নবী (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “(হে আলাহ!) আমি আপনার (মর্যাদাবান) মুখমণ্ডলের (সত্ত্বার) নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি”। পরে আবার অবতীর্ণ হল (অনুবাদ) : ‘‘অথবা তোমাদেরকে বিভিন্ন দলে বিভক্ত করতে এবং এক দলকে অপর দলের সংঘর্ষের স্বাদ আস্বাদন করাতে সক্ষম’’ —(সূরা আল-আন’আম ৬৫)। তখন নবী (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ দু’টিই অপেক্ষাকৃত সহজতর। সহীহ : সহীহ আবূ দাউদ (২০৫৮ ,২০৫৯)।

আম্‌র ইবনু দীনার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) কে বলতে শুনেছেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল (অনুবাদ) : ‘‘বল তিনি তোমাদের ঊর্ধ্বদেশ অথবা পাদদেশ হতে তোমাদের উপর শাস্তি প্রেরন করতে সক্ষম”, তখন নবী (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “(হে আলাহ!) আমি আপনার (মর্যাদাবান) মুখমণ্ডলের (সত্ত্বার) নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি”। পরে আবার অবতীর্ণ হল (অনুবাদ) : ‘‘অথবা তোমাদেরকে বিভিন্ন দলে বিভক্ত করতে এবং এক দলকে অপর দলের সংঘর্ষের স্বাদ আস্বাদন করাতে সক্ষম’’ —(সূরা আল-আন’আম ৬৫)। তখন নবী (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ দু’টিই অপেক্ষাকৃত সহজতর। সহীহ : সহীহ আবূ দাউদ (২০৫৮ ,২০৫৯)।

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، سمع جابر بن عبد الله، يقول لما نزلت هذه الآية ‏:‏ ‏(‏قل هو القادر على أن يبعث عليكم عذابا من فوقكم أو من تحت أرجلكم ‏)‏ قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أعوذ بوجهك ‏"‏ ‏.‏ فلما نزلت ‏(‏ أو يلبسكم شيعا ويذيق بعضكم بأس بعض ‏)‏ قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هاتان أهون - أو - هاتان أيسر ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৬৭

حدثنا علي بن خشرم، أخبرنا عيسى بن يونس، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، قال ‏:‏ لما نزلت‏:‏ ‏(‏ الذين آمنوا ولم يلبسوا إيمانهم بظلم ‏)‏ شق ذلك على المسلمين فقالوا يا رسول الله وأينا لا يظلم نفسه ‏.‏ قال ‏"‏ ليس ذلك إنما هو الشرك ألم تسمعوا ما قال لقمان لابنه ‏:‏ ‏(‏ يا بني لا تشرك بالله إن الشرك لظلم عظيم ‏)‏ ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন অবতীর্ণ হল : “যারা ঈমান এনেছে এবং নিজেদের ঈমানকে যুলুম দ্বারা কলুষিত করেনি---’’ (সূরা আল-আন’আম ৮২) , তখন মুসলিমদের নিকট তা খুবই কঠিন মনে হল। তাই তারা রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলেন, হে আল্লাহর রাসুল! আমাদের মধ্যে কে আছে যে নিজের উপর যুলুম করেনি? রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ বিষয়টি আসলে তা নয়। এখানে যুলুম অর্থ হল শিরক। তোমরা কি শুনোনি যা লোক্বমান তাঁর ছেলেকে বলেছিলেন : “হে পুত্র ! আল্লাহ তা’আলার সাথে কাউকে শরীক করবে না। নিশ্চয় শিরক অতি বড় যুলু “ –(সূরা লোকমান ১৩)। সহীহ : বুখারী (৪৬২৯) , মুসলিম।

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন অবতীর্ণ হল : “যারা ঈমান এনেছে এবং নিজেদের ঈমানকে যুলুম দ্বারা কলুষিত করেনি---’’ (সূরা আল-আন’আম ৮২) , তখন মুসলিমদের নিকট তা খুবই কঠিন মনে হল। তাই তারা রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলেন, হে আল্লাহর রাসুল! আমাদের মধ্যে কে আছে যে নিজের উপর যুলুম করেনি? রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ বিষয়টি আসলে তা নয়। এখানে যুলুম অর্থ হল শিরক। তোমরা কি শুনোনি যা লোক্বমান তাঁর ছেলেকে বলেছিলেন : “হে পুত্র ! আল্লাহ তা’আলার সাথে কাউকে শরীক করবে না। নিশ্চয় শিরক অতি বড় যুলু “ –(সূরা লোকমান ১৩)। সহীহ : বুখারী (৪৬২৯) , মুসলিম।

حدثنا علي بن خشرم، أخبرنا عيسى بن يونس، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، قال ‏:‏ لما نزلت‏:‏ ‏(‏ الذين آمنوا ولم يلبسوا إيمانهم بظلم ‏)‏ شق ذلك على المسلمين فقالوا يا رسول الله وأينا لا يظلم نفسه ‏.‏ قال ‏"‏ ليس ذلك إنما هو الشرك ألم تسمعوا ما قال لقمان لابنه ‏:‏ ‏(‏ يا بني لا تشرك بالله إن الشرك لظلم عظيم ‏)‏ ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৬৯

حدثنا محمد بن موسى البصري الحرشي، حدثنا زياد بن عبد الله البكائي، حدثنا عطاء بن السائب، عن سعيد بن جبير، عن عبد الله بن عباس، قال أتى أناس النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا يا رسول الله أنأكل ما نقتل ولا نأكل ما يقتل الله فأنزل الله ‏(‏ فكلوا مما ذكر اسم الله عليه إن كنتم بآياته مؤمنين ‏)‏ إلى قوله ‏:‏ ‏(‏وإن أطعتموهم إنكم لمشركون ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏ وقد روي هذا الحديث من غير هذا الوجه عن ابن عباس أيضا ورواه بعضهم عن عطاء بن السائب عن سعيد بن جبير عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسلا ‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু ‘‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট কয়েকজন লোক এসে বলল : হে আল্লাহর রাসুল! আমরা যা হত্যা করি তা খাবো আর আল্লাহ তা’আলা যা হত্যা করেন তা খাবো না? তখন আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করনে (অনুবাদ) : ‘তোমরা তাঁর নিদর্শনসমূহে বিশ্বাসী হলে যার উপর আল্লাহ তা’আলার নাম নেয়া হয়েছে তা হতে খাও.... তোমরা যদি তাদের কথামত চল তবে অবশ্যই তোমরা মুশরিক হয়ে যাবে” (সূরা আল-আন’আম ১১৮-১২১)। সহীহ : সহীহ আবূ দাউদ (২০৫৮, ২০৫৯)।

আবদুল্লাহ ইবনু ‘‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট কয়েকজন লোক এসে বলল : হে আল্লাহর রাসুল! আমরা যা হত্যা করি তা খাবো আর আল্লাহ তা’আলা যা হত্যা করেন তা খাবো না? তখন আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করনে (অনুবাদ) : ‘তোমরা তাঁর নিদর্শনসমূহে বিশ্বাসী হলে যার উপর আল্লাহ তা’আলার নাম নেয়া হয়েছে তা হতে খাও.... তোমরা যদি তাদের কথামত চল তবে অবশ্যই তোমরা মুশরিক হয়ে যাবে” (সূরা আল-আন’আম ১১৮-১২১)। সহীহ : সহীহ আবূ দাউদ (২০৫৮, ২০৫৯)।

حدثنا محمد بن موسى البصري الحرشي، حدثنا زياد بن عبد الله البكائي، حدثنا عطاء بن السائب، عن سعيد بن جبير، عن عبد الله بن عباس، قال أتى أناس النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا يا رسول الله أنأكل ما نقتل ولا نأكل ما يقتل الله فأنزل الله ‏(‏ فكلوا مما ذكر اسم الله عليه إن كنتم بآياته مؤمنين ‏)‏ إلى قوله ‏:‏ ‏(‏وإن أطعتموهم إنكم لمشركون ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏ وقد روي هذا الحديث من غير هذا الوجه عن ابن عباس أيضا ورواه بعضهم عن عطاء بن السائب عن سعيد بن جبير عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسلا ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৭০

حدثنا الفضل بن الصباح البغدادي، حدثنا محمد بن فضيل، عن داود الأودي، عن الشعبي، عن علقمة، عن عبد الله، قال من سره أن ينظر إلى الصحيفة التي عليها خاتم محمد صلى الله عليه وسلم فليقرأ هذه الآيات ‏:‏ ‏(‏ قل تعالوا أتل ما حرم ربكم عليكم ‏)‏ الآية إلى قوله ‏:‏ ‏(‏ لعلكم تتقون ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ যে সহীফার (ক্ষুদ্র পুস্তিকা) উপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মোহরাংকিত রয়েছে তার দেখা যাকে আনন্দ দেয় সে যেন এ আয়াতগুলো পাঠ করেঃ “বল! এসো, পড়ে শুনাই তোমাদের জন্য রব যা হারাম করেছেন তা। এভাবে আল্লাহ্ তা’আলা তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সতর্ক হও” (সূরাঃ আল-আনআম- ১৫১-১৫৩)। সনদ দুর্বল।

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ যে সহীফার (ক্ষুদ্র পুস্তিকা) উপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মোহরাংকিত রয়েছে তার দেখা যাকে আনন্দ দেয় সে যেন এ আয়াতগুলো পাঠ করেঃ “বল! এসো, পড়ে শুনাই তোমাদের জন্য রব যা হারাম করেছেন তা। এভাবে আল্লাহ্ তা’আলা তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সতর্ক হও” (সূরাঃ আল-আনআম- ১৫১-১৫৩)। সনদ দুর্বল।

حدثنا الفضل بن الصباح البغدادي، حدثنا محمد بن فضيل، عن داود الأودي، عن الشعبي، عن علقمة، عن عبد الله، قال من سره أن ينظر إلى الصحيفة التي عليها خاتم محمد صلى الله عليه وسلم فليقرأ هذه الآيات ‏:‏ ‏(‏ قل تعالوا أتل ما حرم ربكم عليكم ‏)‏ الآية إلى قوله ‏:‏ ‏(‏ لعلكم تتقون ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৬৮

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا إسحاق بن يوسف الأزرق، حدثنا داود بن أبي هند، عن الشعبي، عن مسروق، قال كنت متكئا عند عائشة فقالت يا أبا عائشة ثلاث من تكلم بواحدة منهن فقد أعظم على الله الفرية من زعم أن محمدا رأى ربه فقد أعظم الفرية على الله والله يقول ‏:‏ ‏(‏ لا تدركه الأبصار وهو يدرك الأبصار وهو اللطيف الخبير ‏)‏ ، ‏(‏ ما كان لبشر أن يكلمه الله إلا وحيا أو من وراء حجاب ‏)‏ وكنت متكئا فجلست فقلت يا أم المؤمنين أنظريني ولا تعجليني أليس يقول الله ‏:‏ ‏(‏ ولقد رآه نزلة أخرى ‏)‏، ‏(‏ ولقد رآه بالأفق المبين ‏)‏ قالت أنا والله أول من سأل عن هذا رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ إنما ذاك جبريل ما رأيته في الصورة التي خلق فيها غير هاتين المرتين رأيته منهبطا من السماء سادا عظم خلقه ما بين السماء والأرض ‏"‏ ‏.‏ ومن زعم أن محمدا كتم شيئا مما أنزل الله عليه فقد أعظم الفرية على الله يقول الله ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الرسول بلغ ما أنزل إليك من ربك ‏)‏ ومن زعم أنه يعلم ما في غد فقد أعظم الفرية على الله والله يقول ‏:‏ ‏(‏قل لا يعلم من في السموات والأرض الغيب إلا الله ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ومسروق بن الأجدع يكنى أبا عائشة وهو مسروق بن عبد الرحمن وهكذا كان اسمه في الديوان ‏.‏

মাসরুক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ) এর নিকটে হেলান দিয়ে বসা ছিলাম। তিনি বললেন, হে আবূ ‘আয়িশাহ্‌! তিনটি বিষয় এমন যে, কোন ব্যক্তি এগুলার কোনটি বললে সে আল্লাহ তা’আলার উপর ভীষণ (মিথ্যা) অপবাদ চাপালো। যে ব্যক্তি এ ধারনা পোষণ করে যে, মুহাম্মাদ (সাল্লালাহু আআলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর প্রভুকে দেখেছেন, সে আল্লাহ তা’আলার উপর ভীষণ অপবাদ আরোপ করল। কেননা আল্লাহ তা’লা বলেনঃ “ দৃষ্টিসমূহ তাঁকে প্রত্যক্ষ করতে পারে না, কিন্তু তিনি দৃষ্টিসমূহকে অনুধাবন করেন। তিনি অতিশয় সূক্ষদর্শী, সম্যক ওয়াকিফহাল “— (সূরা আল-আন’আম ১০৩); “কোন মানুষের এমন মর্যাদা নেই যে, আল্লাহ তা’আলা তার সাথে কথা বলবেন ওয়াহীর মাধ্যম ব্যতীত অথবা পর্দার অন্তরাল ব্যতীত “— (সূরা আশ-শুরা ৫১)। আমি হেলান দেয়া অবস্থায় ছিলাম। আমি উঠে সোজা হয়ে বসে বললাম, হে উম্মুল মু’মিনীন! থামুন, আমাকে বলার সুযোগ দিন। তাড়াহুড়া করবেন না। আল্লাহ তা’আলা কি বলেননি? “ নিশ্চয়ই সে তাকে আরেকবার দেখেছিল“ – (সূরা আন্‌-নাজ্‌ম ১৩)। ‘সে তো তাকে উজ্জ্বল দিগন্তে দেখেছে”- (সূরা আত্‌-তাকবীর ২৩)। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেনঃ আলাহ্‌র শপথ! রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে আমিই সর্বপ্রথম এ বিষয়ে প্রশ্ন করেছি। তিনি বলেছেনঃ সে তো জিবরীল। আমি তাকে তার আসল আকৃতিতে এ দু’বারি দেখেছি। আমি তাকে আসমান হতে অবতরন করতে দেখেছি। তার দেহাবয়ব এতো প্রকাণ্ড যে, তা আসমান ও যামীনের মাঝখানের সবটুকু স্হান ঢেকে ফেলেছিল। (দুই) যে ব্যক্তি এ ধারনা করে যে, আল্লাহ তা’আলা রাসুলুল্লাহ (সাল্লালহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর যা অবতীর্ণ করেছেন, তিনি তার কিছুটা গোপন করেছেন, সেও আল্লাহ তা’আলার উপর ভীষণ অপবাদ আরোপ করল। কেননা আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ “ হে রাসুল! তোমার প্রতিপালকের পক্ষ হতে তোমার উপর যা অবতীর্ণ করা হয়েছে, তা (লোকদের নিকট) পৌঁছে দাও...“ (সূরা আল-মায়িদাহ্‌ ৬৭)। (তিন) যে ব্যক্তি ধারনা করে যে, আগামী কাল কি ঘটবে তিনি (মুহাম্মাদ) তা জানেন, সেও আল্লাহ তা’আলার উপর ভীষণ মিথ্যারোপ করল। কেননা আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ “ ব , আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত আসমান-যামীনে কেউই অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞান রাখে না’’ —(আন-নাম্‌ল ৬৫)। সহীহ : বুখারী , মুসলিম।

মাসরুক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ) এর নিকটে হেলান দিয়ে বসা ছিলাম। তিনি বললেন, হে আবূ ‘আয়িশাহ্‌! তিনটি বিষয় এমন যে, কোন ব্যক্তি এগুলার কোনটি বললে সে আল্লাহ তা’আলার উপর ভীষণ (মিথ্যা) অপবাদ চাপালো। যে ব্যক্তি এ ধারনা পোষণ করে যে, মুহাম্মাদ (সাল্লালাহু আআলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর প্রভুকে দেখেছেন, সে আল্লাহ তা’আলার উপর ভীষণ অপবাদ আরোপ করল। কেননা আল্লাহ তা’লা বলেনঃ “ দৃষ্টিসমূহ তাঁকে প্রত্যক্ষ করতে পারে না, কিন্তু তিনি দৃষ্টিসমূহকে অনুধাবন করেন। তিনি অতিশয় সূক্ষদর্শী, সম্যক ওয়াকিফহাল “— (সূরা আল-আন’আম ১০৩); “কোন মানুষের এমন মর্যাদা নেই যে, আল্লাহ তা’আলা তার সাথে কথা বলবেন ওয়াহীর মাধ্যম ব্যতীত অথবা পর্দার অন্তরাল ব্যতীত “— (সূরা আশ-শুরা ৫১)। আমি হেলান দেয়া অবস্থায় ছিলাম। আমি উঠে সোজা হয়ে বসে বললাম, হে উম্মুল মু’মিনীন! থামুন, আমাকে বলার সুযোগ দিন। তাড়াহুড়া করবেন না। আল্লাহ তা’আলা কি বলেননি? “ নিশ্চয়ই সে তাকে আরেকবার দেখেছিল“ – (সূরা আন্‌-নাজ্‌ম ১৩)। ‘সে তো তাকে উজ্জ্বল দিগন্তে দেখেছে”- (সূরা আত্‌-তাকবীর ২৩)। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেনঃ আলাহ্‌র শপথ! রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে আমিই সর্বপ্রথম এ বিষয়ে প্রশ্ন করেছি। তিনি বলেছেনঃ সে তো জিবরীল। আমি তাকে তার আসল আকৃতিতে এ দু’বারি দেখেছি। আমি তাকে আসমান হতে অবতরন করতে দেখেছি। তার দেহাবয়ব এতো প্রকাণ্ড যে, তা আসমান ও যামীনের মাঝখানের সবটুকু স্হান ঢেকে ফেলেছিল। (দুই) যে ব্যক্তি এ ধারনা করে যে, আল্লাহ তা’আলা রাসুলুল্লাহ (সাল্লালহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর যা অবতীর্ণ করেছেন, তিনি তার কিছুটা গোপন করেছেন, সেও আল্লাহ তা’আলার উপর ভীষণ অপবাদ আরোপ করল। কেননা আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ “ হে রাসুল! তোমার প্রতিপালকের পক্ষ হতে তোমার উপর যা অবতীর্ণ করা হয়েছে, তা (লোকদের নিকট) পৌঁছে দাও...“ (সূরা আল-মায়িদাহ্‌ ৬৭)। (তিন) যে ব্যক্তি ধারনা করে যে, আগামী কাল কি ঘটবে তিনি (মুহাম্মাদ) তা জানেন, সেও আল্লাহ তা’আলার উপর ভীষণ মিথ্যারোপ করল। কেননা আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ “ ব , আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত আসমান-যামীনে কেউই অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞান রাখে না’’ —(আন-নাম্‌ল ৬৫)। সহীহ : বুখারী , মুসলিম।

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا إسحاق بن يوسف الأزرق، حدثنا داود بن أبي هند، عن الشعبي، عن مسروق، قال كنت متكئا عند عائشة فقالت يا أبا عائشة ثلاث من تكلم بواحدة منهن فقد أعظم على الله الفرية من زعم أن محمدا رأى ربه فقد أعظم الفرية على الله والله يقول ‏:‏ ‏(‏ لا تدركه الأبصار وهو يدرك الأبصار وهو اللطيف الخبير ‏)‏ ، ‏(‏ ما كان لبشر أن يكلمه الله إلا وحيا أو من وراء حجاب ‏)‏ وكنت متكئا فجلست فقلت يا أم المؤمنين أنظريني ولا تعجليني أليس يقول الله ‏:‏ ‏(‏ ولقد رآه نزلة أخرى ‏)‏، ‏(‏ ولقد رآه بالأفق المبين ‏)‏ قالت أنا والله أول من سأل عن هذا رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ إنما ذاك جبريل ما رأيته في الصورة التي خلق فيها غير هاتين المرتين رأيته منهبطا من السماء سادا عظم خلقه ما بين السماء والأرض ‏"‏ ‏.‏ ومن زعم أن محمدا كتم شيئا مما أنزل الله عليه فقد أعظم الفرية على الله يقول الله ‏:‏ ‏(‏ يا أيها الرسول بلغ ما أنزل إليك من ربك ‏)‏ ومن زعم أنه يعلم ما في غد فقد أعظم الفرية على الله والله يقول ‏:‏ ‏(‏قل لا يعلم من في السموات والأرض الغيب إلا الله ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ومسروق بن الأجدع يكنى أبا عائشة وهو مسروق بن عبد الرحمن وهكذا كان اسمه في الديوان ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৭২

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا يعلى بن عبيد، عن فضيل بن غزوان، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ثلاث إذا خرجن ‏:‏ ‏(‏لم ينفع نفسا إيمانها لم تكن آمنت من قبل ‏)‏ الآية الدجال والدابة وطلوع الشمس من المغرب أو من مغربها ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وأبو حازم هو الأشجعي الكوفي واسمه سلمان مولى عزة الأشجعية ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তিনটি নিদর্শন যখন প্রকাশিত হবে “তখন কারো ঈমান আনয়নে কোন উপকারে আসবে না - যারা ইতিপূর্বে ঈমান আনেনি বা যারা নিজেদের ঈমান মতো নেক ‘আমাল করেনি” (সূরা আন’আম ১৫৮)। সেই তিনটি নিদর্শন হল দাজ্জাল, দাব্বাতুল আরয ও পশ্চিম দিগন্ত হতে সূর্যোদয়। সহীহ : মুসলিম (১/৯৫-৯৬)।

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তিনটি নিদর্শন যখন প্রকাশিত হবে “তখন কারো ঈমান আনয়নে কোন উপকারে আসবে না - যারা ইতিপূর্বে ঈমান আনেনি বা যারা নিজেদের ঈমান মতো নেক ‘আমাল করেনি” (সূরা আন’আম ১৫৮)। সেই তিনটি নিদর্শন হল দাজ্জাল, দাব্বাতুল আরয ও পশ্চিম দিগন্ত হতে সূর্যোদয়। সহীহ : মুসলিম (১/৯৫-৯৬)।

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا يعلى بن عبيد، عن فضيل بن غزوان، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ثلاث إذا خرجن ‏:‏ ‏(‏لم ينفع نفسا إيمانها لم تكن آمنت من قبل ‏)‏ الآية الدجال والدابة وطلوع الشمس من المغرب أو من مغربها ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وأبو حازم هو الأشجعي الكوفي واسمه سلمان مولى عزة الأشجعية ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৭১

حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا أبي، عن ابن أبي ليلى، عن عطية، عن أبي سعيد، عن النبي صلى الله عليه وسلم في قول الله عز وجل ‏:‏ ‏(‏أو يأتي بعض آيات ربك ‏)‏ قال طلوع الشمس من مغربها ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ورواه بعضهم ولم يرفعه ‏.

আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ তা’আলার বানী “ অথবা তোমার প্রতিপালকের কোন নিদর্শন আসবে’’ (সূরা আন’আম ১৫৮) প্রসঙ্গে বলেন, তা হচ্ছে পশ্চিম দিগন্ত হতে সূর্যোদয়। সহীহ : মুসলিম (১/৯৫), আবূ হুরায়রা্‌ হতে আরো পূর্ণাঙ্গ রুপে।

আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ তা’আলার বানী “ অথবা তোমার প্রতিপালকের কোন নিদর্শন আসবে’’ (সূরা আন’আম ১৫৮) প্রসঙ্গে বলেন, তা হচ্ছে পশ্চিম দিগন্ত হতে সূর্যোদয়। সহীহ : মুসলিম (১/৯৫), আবূ হুরায়রা্‌ হতে আরো পূর্ণাঙ্গ রুপে।

حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا أبي، عن ابن أبي ليلى، عن عطية، عن أبي سعيد، عن النبي صلى الله عليه وسلم في قول الله عز وجل ‏:‏ ‏(‏أو يأتي بعض آيات ربك ‏)‏ قال طلوع الشمس من مغربها ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ورواه بعضهم ولم يرفعه ‏.


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৭৩

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ قال الله عز وجل وقوله الحق إذا هم عبدي بحسنة فاكتبوها له حسنة فإن عملها فاكتبوها له بعشر أمثالها وإذا هم بسيئة فلا تكتبوها فإن عملها فاكتبوها بمثلها فإن تركها وربما قال لم يعمل بها فاكتبوها له حسنة ثم قرأ ‏:‏ ‏(‏ من جاء بالحسنة فله عشر أمثالها ‏)‏ ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বারাকাতময় আল্লাহ তা’আলা বলেন, আর তাঁর বাণী সম্পূর্ণ সত্য : আমার কোনো বান্দা যখন কোন ভালো কাজের ইচ্ছা পোষণ করে তখনি (বলেন) হে ফেরেশতাগণ! তোমরা তার জন্য একটি নেকি লিখো এবং সে যখন কাজটি করে তখন তার দশ গুন নেকি তার জন্য লিখো। পক্ষান্তরে সে কোন মন্দ কাজের ইচ্ছা পোষণ করলে তবে তোমরা তার কোন গুনাহ লিখো না, যদি সে তা করে তবে একটি মাত্র গুনাহই লিখো এবং যদি সে তা বর্জন করে বা কার্যকর না করে তার জন্য একটি নেকি লিখো। তারপর তিনি এ আয়াত পাঠ করেন (অনুবাদ) : “কেউ কোন সৎকাজ করলে সে তার দশ গুন পাবে এবং কেউ কোন অসৎ কাজ করলে তাকে শুধু এর প্রতিফল দেয়া হবে’’ —(সূরা আন’আম ১৬০)। সহীহ : রাওযুন নাযীর (২/ ৭৪২)। বুখারী , মুসলিম।

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বারাকাতময় আল্লাহ তা’আলা বলেন, আর তাঁর বাণী সম্পূর্ণ সত্য : আমার কোনো বান্দা যখন কোন ভালো কাজের ইচ্ছা পোষণ করে তখনি (বলেন) হে ফেরেশতাগণ! তোমরা তার জন্য একটি নেকি লিখো এবং সে যখন কাজটি করে তখন তার দশ গুন নেকি তার জন্য লিখো। পক্ষান্তরে সে কোন মন্দ কাজের ইচ্ছা পোষণ করলে তবে তোমরা তার কোন গুনাহ লিখো না, যদি সে তা করে তবে একটি মাত্র গুনাহই লিখো এবং যদি সে তা বর্জন করে বা কার্যকর না করে তার জন্য একটি নেকি লিখো। তারপর তিনি এ আয়াত পাঠ করেন (অনুবাদ) : “কেউ কোন সৎকাজ করলে সে তার দশ গুন পাবে এবং কেউ কোন অসৎ কাজ করলে তাকে শুধু এর প্রতিফল দেয়া হবে’’ —(সূরা আন’আম ১৬০)। সহীহ : রাওযুন নাযীর (২/ ৭৪২)। বুখারী , মুসলিম।

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ قال الله عز وجل وقوله الحق إذا هم عبدي بحسنة فاكتبوها له حسنة فإن عملها فاكتبوها له بعشر أمثالها وإذا هم بسيئة فلا تكتبوها فإن عملها فاكتبوها بمثلها فإن تركها وربما قال لم يعمل بها فاكتبوها له حسنة ثم قرأ ‏:‏ ‏(‏ من جاء بالحسنة فله عشر أمثالها ‏)‏ ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৬৪

حدثنا أبو كريب، حدثنا معاوية بن هشام، عن سفيان، عن أبي إسحاق، عن ناجية بن كعب، عن علي، أن أبا جهل، قال للنبي صلى الله عليه وسلم إنا لا نكذبك ولكن نكذب بما جئت به فأنزل الله ‏:‏ ‏(‏ إنهم لا يكذبونك ولكن الظالمين بآيات الله يجحدون ‏)‏ ‏.‏

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আবূ জাহল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলল, আমরা তো তোমাকে মিথ্যাবাদী বলি না, বরং তুমি যে জিনিস নিয়ে এসেছ তাকেই আমরা মিথ্যা মনে করি। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ্ তা’আলা অবতীর্ণ করেনঃ “কিন্তু তারা তো তোমাকে মিথ্যাবাদী বলে না, বরং যালিমরা আল্লাহ্ তা’আলার আয়াতসমূহকে অস্বীকার করে....” (সূরাঃ আল-আনআম- ৩৩)। সনদ দুর্বল।

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আবূ জাহল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলল, আমরা তো তোমাকে মিথ্যাবাদী বলি না, বরং তুমি যে জিনিস নিয়ে এসেছ তাকেই আমরা মিথ্যা মনে করি। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ্ তা’আলা অবতীর্ণ করেনঃ “কিন্তু তারা তো তোমাকে মিথ্যাবাদী বলে না, বরং যালিমরা আল্লাহ্ তা’আলার আয়াতসমূহকে অস্বীকার করে....” (সূরাঃ আল-আনআম- ৩৩)। সনদ দুর্বল।

حدثنا أبو كريب، حدثنا معاوية بن هشام، عن سفيان، عن أبي إسحاق، عن ناجية بن كعب، عن علي، أن أبا جهل، قال للنبي صلى الله عليه وسلم إنا لا نكذبك ولكن نكذب بما جئت به فأنزل الله ‏:‏ ‏(‏ إنهم لا يكذبونك ولكن الظالمين بآيات الله يجحدون ‏)‏ ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি > সূরা আল-আ’রাফ

জামে' আত-তিরমিজি ৩০৭৫

حدثنا الأنصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك بن أنس، عن زيد بن أبي أنيسة، عن عبد الحميد بن عبد الرحمن بن زيد بن الخطاب، عن مسلم بن يسار الجهني، أن عمر بن الخطاب، سئل عن هذه الآية ‏(‏ وإذ أخذ ربك من بني آدم من ظهورهم ذريتهم وأشهدهم على أنفسهم ألست بربكم قالوا بلى شهدنا أن تقولوا يوم القيامة إنا كنا عن هذا غافلين ‏)‏ قال عمر بن الخطاب سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عنها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن الله خلق آدم ثم مسح ظهره بيمينه فاستخرج منه ذرية فقال خلقت هؤلاء للجنة وبعمل أهل الجنة يعملون ثم مسح ظهره فاستخرج منه ذرية فقال خلقت هؤلاء للنار وبعمل أهل النار يعملون ‏"‏ ‏.‏ فقال رجل يا رسول الله ففيم العمل قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن الله إذا خلق العبد للجنة استعمله بعمل أهل الجنة حتى يموت على عمل من أعمال أهل الجنة فيدخله الله الجنة وإذا خلق العبد للنار استعمله بعمل أهل النار حتى يموت على عمل من أعمال أهل النار فيدخله الله النار ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن ‏.‏ ومسلم بن يسار لم يسمع من عمر وقد ذكر بعضهم في هذا الإسناد بين مسلم بن يسار وبين عمر رجلا مجهولا ‏.‏

মুসলিম ইবনু ইয়াসার আল-জুহানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে এ আয়াত প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হয়েছিলঃ “যখন তোমার রব আদম সন্তানের পৃষ্ঠদেশ হতে তাদের বংশধরদের বের করলেন এবং তাদের নিজেদের সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করে প্রশ্ন করেনঃ ‘আমি কি তোমাদের রব নই!’ তারা বললঃ হ্যাঁ নিশ্চয়ই, আমরা সাক্ষী রইলাম। তা এজন্য যে, তোমরা কিয়ামাতের দিন যেন না বল, আমরা তো এ ব্যাপারে বেখবর ছিলাম” (সূরাঃ আল- আ’রাফ- ১৭২)। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটও আমি এ আয়াত প্রসঙ্গে প্রশ্ন করতে শুনেছি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা আদম আলাইহিস সালামকে সৃষ্টি করলেন, তারপর আপন ডান হাত তাঁর পিঠে বুলালেন এবং তা থেকে তাঁর একদল (ভাবী) সন্তান বের করলেন। তিনি বললেন, এদের আমি জান্নাতের জন্য এবং জান্নাতীদের কাজ করতে সৃষ্টি করেছি। সুতরাং এরা জান্নাতীদের আমলই করবে। তিনি পুনরায় আদমের পিঠে হাত বুলালেন এবং সেখান থেকে তাঁর (অপর) একদল সন্তান বের করলেন। তিনি বললেন, এদের আমি জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেছি। জাহান্নামীদের মত কাজই তারা করবে। একজন বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! তাহলে তদবির আর কিসের জন্য? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা যখন কোন বান্দাকে জান্নাতের জন্য সৃষ্টি করেন, তখন তার দ্বারা জান্নাতীদের কাজই করিয়ে নেন। সে জান্নাতীদের যোগ্য কাজ করে ইন্তেকাল করে এবং আল্লাহ্ তা’আলা তাকে জান্নাতে পেশ করেন। অপরদিকে যখন আল্লাহ্ তা’আলা কোন বান্দাকে জাহান্নামের উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করেন, তার দ্বারা জাহান্নামীদের কাজ করিয়ে নেন। সে জাহান্নামীদের কাজ করেই মৃত্যুবরণ করে। শেষে আল্লাহ্ তা’আলা তাকে জাহান্নামে পেশ করেন। দুর্বল, আয্ যিলাল (১৯৬), যঈফা (৩০৭১)

মুসলিম ইবনু ইয়াসার আল-জুহানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে এ আয়াত প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হয়েছিলঃ “যখন তোমার রব আদম সন্তানের পৃষ্ঠদেশ হতে তাদের বংশধরদের বের করলেন এবং তাদের নিজেদের সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করে প্রশ্ন করেনঃ ‘আমি কি তোমাদের রব নই!’ তারা বললঃ হ্যাঁ নিশ্চয়ই, আমরা সাক্ষী রইলাম। তা এজন্য যে, তোমরা কিয়ামাতের দিন যেন না বল, আমরা তো এ ব্যাপারে বেখবর ছিলাম” (সূরাঃ আল- আ’রাফ- ১৭২)। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটও আমি এ আয়াত প্রসঙ্গে প্রশ্ন করতে শুনেছি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা আদম আলাইহিস সালামকে সৃষ্টি করলেন, তারপর আপন ডান হাত তাঁর পিঠে বুলালেন এবং তা থেকে তাঁর একদল (ভাবী) সন্তান বের করলেন। তিনি বললেন, এদের আমি জান্নাতের জন্য এবং জান্নাতীদের কাজ করতে সৃষ্টি করেছি। সুতরাং এরা জান্নাতীদের আমলই করবে। তিনি পুনরায় আদমের পিঠে হাত বুলালেন এবং সেখান থেকে তাঁর (অপর) একদল সন্তান বের করলেন। তিনি বললেন, এদের আমি জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেছি। জাহান্নামীদের মত কাজই তারা করবে। একজন বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! তাহলে তদবির আর কিসের জন্য? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা যখন কোন বান্দাকে জান্নাতের জন্য সৃষ্টি করেন, তখন তার দ্বারা জান্নাতীদের কাজই করিয়ে নেন। সে জান্নাতীদের যোগ্য কাজ করে ইন্তেকাল করে এবং আল্লাহ্ তা’আলা তাকে জান্নাতে পেশ করেন। অপরদিকে যখন আল্লাহ্ তা’আলা কোন বান্দাকে জাহান্নামের উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করেন, তার দ্বারা জাহান্নামীদের কাজ করিয়ে নেন। সে জাহান্নামীদের কাজ করেই মৃত্যুবরণ করে। শেষে আল্লাহ্ তা’আলা তাকে জাহান্নামে পেশ করেন। দুর্বল, আয্ যিলাল (১৯৬), যঈফা (৩০৭১)

حدثنا الأنصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك بن أنس، عن زيد بن أبي أنيسة، عن عبد الحميد بن عبد الرحمن بن زيد بن الخطاب، عن مسلم بن يسار الجهني، أن عمر بن الخطاب، سئل عن هذه الآية ‏(‏ وإذ أخذ ربك من بني آدم من ظهورهم ذريتهم وأشهدهم على أنفسهم ألست بربكم قالوا بلى شهدنا أن تقولوا يوم القيامة إنا كنا عن هذا غافلين ‏)‏ قال عمر بن الخطاب سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عنها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن الله خلق آدم ثم مسح ظهره بيمينه فاستخرج منه ذرية فقال خلقت هؤلاء للجنة وبعمل أهل الجنة يعملون ثم مسح ظهره فاستخرج منه ذرية فقال خلقت هؤلاء للنار وبعمل أهل النار يعملون ‏"‏ ‏.‏ فقال رجل يا رسول الله ففيم العمل قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن الله إذا خلق العبد للجنة استعمله بعمل أهل الجنة حتى يموت على عمل من أعمال أهل الجنة فيدخله الله الجنة وإذا خلق العبد للنار استعمله بعمل أهل النار حتى يموت على عمل من أعمال أهل النار فيدخله الله النار ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن ‏.‏ ومسلم بن يسار لم يسمع من عمر وقد ذكر بعضهم في هذا الإسناد بين مسلم بن يسار وبين عمر رجلا مجهولا ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৭৬

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا أبو نعيم، حدثنا هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لما خلق الله آدم مسح ظهره فسقط من ظهره كل نسمة هو خالقها من ذريته إلى يوم القيامة وجعل بين عينى كل إنسان منهم وبيصا من نور ثم عرضهم على آدم فقال أى رب من هؤلاء قال هؤلاء ذريتك فرأى رجلا منهم فأعجبه وبيص ما بين عينيه فقال أى رب من هذا فقال هذا رجل من آخر الأمم من ذريتك يقال له داود ‏.‏ فقال رب كم جعلت عمره قال ستين سنة قال أى رب زده من عمري أربعين سنة ‏.‏ فلما انقضى عمر آدم جاءه ملك الموت فقال أولم يبق من عمري أربعون سنة قال أولم تعطها ابنك داود قال فجحد آدم فجحدت ذريته ونسي آدم فنسيت ذريته وخطئ آدم فخطئت ذريته ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وقد روي من غير وجه عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন আল্লাহ তা’আলা আদম (আঃ) কে সৃষ্টি করলেন তখন তিনি তার পিঠ মাসেহ করলেন। এতে তাঁর পিঠ থেকে তাঁর সমস্ত সন্তান বের হলো, যাদের তিনি ক্বিয়ামাত পর্যন্ত সৃষ্টি করবেন। তিনি তাদের প্রত্যেকের দুই চোখের মাঝখানে নূরের ঔজ্জল্য সৃষ্টি করলেন, অতঃপর তাদেরকে আদম (আঃ) এর সামনে পেশ করলেন। আদম (আঃ) বললেনঃ হে প্রভু! এরা কারা? আল্লাহ বললেন, এরা তোমার সন্তান। আদমের দৃষ্টি তার সন্তানদের একজনের উপর পড়লো যাঁর দুই চোখের মাঝখানের ঔজ্জল্যে তিনি বিস্মিত হলেন। তিনি বললেন, হে আমার প্রভু! ইনি কে? আল্লাহ তা’আলা বললেনঃ শেষ যামানার উম্মাতের অন্তর্গত তোমার সন্তানদের একজন। তার নাম দাউদ (‘আঃ)। আদম (‘আঃ) বললেনঃ হে আমার রব! আপনি তাঁর বয়স কত নির্ধারণ করেছেন? আল্লাহ বললেনঃ ৬০ বছর। আদম (‘আঃ) বললেনঃ পরোয়ারদিগার! আমার বয়স থেকে ৪০ বছর (কেটে) তাকে দিন। আদম (‘আঃ) এর বয়স শেষ হয়ে গেলে তাঁর নিকট মালাকুত মউত _ আযরাইল) এসে হাযির হন। আদম (‘আঃ) বললেনঃ আমার বয়সের কি আরো ৪০ বছর অবশিষ্ট নেই? তিনি বললেনঃ আপনি কি আপনার সন্তান দাউদকে দান করেননি? রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আদম (‘আঃ) অস্বীকার করলেন, তাই তার সন্তানরাও অস্বীকার করে থাকে। আদম (‘আঃ) ভুলে গিয়েছিলেন, তাই তাঁর সন্তানদেরও ত্রুটি বিচ্যুতি হয়ে থাকে। সহীহ : আয যিলাল (২০৬), তাখরীজুত্‌ তাহাবীয়াহ (২২০ ,২২১)।

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন আল্লাহ তা’আলা আদম (আঃ) কে সৃষ্টি করলেন তখন তিনি তার পিঠ মাসেহ করলেন। এতে তাঁর পিঠ থেকে তাঁর সমস্ত সন্তান বের হলো, যাদের তিনি ক্বিয়ামাত পর্যন্ত সৃষ্টি করবেন। তিনি তাদের প্রত্যেকের দুই চোখের মাঝখানে নূরের ঔজ্জল্য সৃষ্টি করলেন, অতঃপর তাদেরকে আদম (আঃ) এর সামনে পেশ করলেন। আদম (আঃ) বললেনঃ হে প্রভু! এরা কারা? আল্লাহ বললেন, এরা তোমার সন্তান। আদমের দৃষ্টি তার সন্তানদের একজনের উপর পড়লো যাঁর দুই চোখের মাঝখানের ঔজ্জল্যে তিনি বিস্মিত হলেন। তিনি বললেন, হে আমার প্রভু! ইনি কে? আল্লাহ তা’আলা বললেনঃ শেষ যামানার উম্মাতের অন্তর্গত তোমার সন্তানদের একজন। তার নাম দাউদ (‘আঃ)। আদম (‘আঃ) বললেনঃ হে আমার রব! আপনি তাঁর বয়স কত নির্ধারণ করেছেন? আল্লাহ বললেনঃ ৬০ বছর। আদম (‘আঃ) বললেনঃ পরোয়ারদিগার! আমার বয়স থেকে ৪০ বছর (কেটে) তাকে দিন। আদম (‘আঃ) এর বয়স শেষ হয়ে গেলে তাঁর নিকট মালাকুত মউত _ আযরাইল) এসে হাযির হন। আদম (‘আঃ) বললেনঃ আমার বয়সের কি আরো ৪০ বছর অবশিষ্ট নেই? তিনি বললেনঃ আপনি কি আপনার সন্তান দাউদকে দান করেননি? রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আদম (‘আঃ) অস্বীকার করলেন, তাই তার সন্তানরাও অস্বীকার করে থাকে। আদম (‘আঃ) ভুলে গিয়েছিলেন, তাই তাঁর সন্তানদেরও ত্রুটি বিচ্যুতি হয়ে থাকে। সহীহ : আয যিলাল (২০৬), তাখরীজুত্‌ তাহাবীয়াহ (২২০ ,২২১)।

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا أبو نعيم، حدثنا هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لما خلق الله آدم مسح ظهره فسقط من ظهره كل نسمة هو خالقها من ذريته إلى يوم القيامة وجعل بين عينى كل إنسان منهم وبيصا من نور ثم عرضهم على آدم فقال أى رب من هؤلاء قال هؤلاء ذريتك فرأى رجلا منهم فأعجبه وبيص ما بين عينيه فقال أى رب من هذا فقال هذا رجل من آخر الأمم من ذريتك يقال له داود ‏.‏ فقال رب كم جعلت عمره قال ستين سنة قال أى رب زده من عمري أربعين سنة ‏.‏ فلما انقضى عمر آدم جاءه ملك الموت فقال أولم يبق من عمري أربعون سنة قال أولم تعطها ابنك داود قال فجحد آدم فجحدت ذريته ونسي آدم فنسيت ذريته وخطئ آدم فخطئت ذريته ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وقد روي من غير وجه عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৭৪

حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، أخبرنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم قرأ هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ فلما تجلى ربه للجبل جعله دكا ‏)‏ قال حماد هكذا وأمسك سليمان بطرف إبهامه على أنملة إصبعه اليمنى قال فساخ الجبل ‏(‏ وخر موسى صعقا ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح لا نعرفه إلا من حديث حماد بن سلمة ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ আয়াত পাঠ করলেন (অনুবাদ) : “যখন তার প্রতিপালক পাহাড়ের উপর জ্যোতি প্রকাশ করলেন তখন তা একে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিল’’ —(সূরা আল-আ’রাফ ১৪৩)। হাম্মাদ (রহঃ) তাজাল্লীর ব্যাখ্যা করে বুঝিয়ে দেন এবং সুলাইমান বৃদ্ধাঙ্গুলির কিনারা দিয়ে ডান হাতের আঙ্গুলগুলোর মাথা স্পর্শ করেন। রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, এই জ্যোতিতে পাহাড় ধ্বসে গেল এবং মূসা (আঃ) চেতনা হারিয়ে ফেললেন। সহীহ : যিলা-লুল জান্নাত (৪৮০)।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ আয়াত পাঠ করলেন (অনুবাদ) : “যখন তার প্রতিপালক পাহাড়ের উপর জ্যোতি প্রকাশ করলেন তখন তা একে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিল’’ —(সূরা আল-আ’রাফ ১৪৩)। হাম্মাদ (রহঃ) তাজাল্লীর ব্যাখ্যা করে বুঝিয়ে দেন এবং সুলাইমান বৃদ্ধাঙ্গুলির কিনারা দিয়ে ডান হাতের আঙ্গুলগুলোর মাথা স্পর্শ করেন। রাসুলুল্লাহ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, এই জ্যোতিতে পাহাড় ধ্বসে গেল এবং মূসা (আঃ) চেতনা হারিয়ে ফেললেন। সহীহ : যিলা-লুল জান্নাত (৪৮০)।

حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، أخبرنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم قرأ هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ فلما تجلى ربه للجبل جعله دكا ‏)‏ قال حماد هكذا وأمسك سليمان بطرف إبهامه على أنملة إصبعه اليمنى قال فساخ الجبل ‏(‏ وخر موسى صعقا ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح لا نعرفه إلا من حديث حماد بن سلمة ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৭৭

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الصمد بن عبد الوارث، حدثنا عمر بن إبراهيم، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة بن جندب، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لما حملت حواء طاف بها إبليس وكان لا يعيش لها ولد فقال سميه عبد الحارث ‏.‏ فسمته عبد الحارث فعاش وكان ذلك من وحى الشيطان وأمره ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه مرفوعا إلا من حديث عمر بن إبراهيم عن قتادة ‏.‏ ورواه بعضهم عن عبد الصمد ولم يرفعه عمر بن إبراهيم شيخ بصري ‏.‏

সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হাওয়া আলাইহিস সালাম গর্ভবতী হলে তাঁর নিকট শাইতান এলো। তাঁর সন্তান জীবিত থাকত না। শাইতান বলল, এর নাম আবদুল হারিস রাখুন। তিনি তার নাম আবদুল হারিস রাখলেন। এ সন্তান জীবিত রইল। আর এটা ছিল শাইতানের কুমন্ত্রণা। যঈফ, যঈফা (৩৪২)

সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হাওয়া আলাইহিস সালাম গর্ভবতী হলে তাঁর নিকট শাইতান এলো। তাঁর সন্তান জীবিত থাকত না। শাইতান বলল, এর নাম আবদুল হারিস রাখুন। তিনি তার নাম আবদুল হারিস রাখলেন। এ সন্তান জীবিত রইল। আর এটা ছিল শাইতানের কুমন্ত্রণা। যঈফ, যঈফা (৩৪২)

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الصمد بن عبد الوارث، حدثنا عمر بن إبراهيم، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة بن جندب، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لما حملت حواء طاف بها إبليس وكان لا يعيش لها ولد فقال سميه عبد الحارث ‏.‏ فسمته عبد الحارث فعاش وكان ذلك من وحى الشيطان وأمره ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه مرفوعا إلا من حديث عمر بن إبراهيم عن قتادة ‏.‏ ورواه بعضهم عن عبد الصمد ولم يرفعه عمر بن إبراهيم شيخ بصري ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ৩০৭৮

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا أبو نعيم، حدثنا هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لما خلق آدم ‏"‏ ‏.‏ الحديث ‏.

‘আবদ ইবনু হুমাইদ থেকে বর্নিতঃ

‘আবদ ইবনু হুমাইদ আবূ নু’আইম হতে, তিনি হিশাম ইবনু সা’দ হতে, তিনি যাইদ ইবনু আসলাম হতে, তিনি আবূ সালিহ হতে, তিনি আবূ হুরায়রা্‌ হতে বর্ণণা করেন যে, আবূ হুরায়রা্‌ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন আদম (‘আঃ) কে সৃষ্টি করা হল...পূর্বে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ।

‘আবদ ইবনু হুমাইদ থেকে বর্নিতঃ

‘আবদ ইবনু হুমাইদ আবূ নু’আইম হতে, তিনি হিশাম ইবনু সা’দ হতে, তিনি যাইদ ইবনু আসলাম হতে, তিনি আবূ সালিহ হতে, তিনি আবূ হুরায়রা্‌ হতে বর্ণণা করেন যে, আবূ হুরায়রা্‌ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন আদম (‘আঃ) কে সৃষ্টি করা হল...পূর্বে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ।

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا أبو نعيم، حدثنا هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لما خلق آدم ‏"‏ ‏.‏ الحديث ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00