জামে' আত-তিরমিজি > উপকারী কথাই লাভজনক
জামে' আত-তিরমিজি ২৪১২
حدثنا محمد بن بشار، وغير، واحد، قالوا حدثنا محمد بن يزيد بن خنيس المكي، قال سمعت سعيد بن حسان المخزومي، قال حدثتني أم صالح، عن صفية بنت شيبة، عن أم حبيبة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " كل كلام ابن آدم عليه لا له إلا أمر بمعروف أو نهى عن منكر أو ذكر الله " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث محمد بن يزيد بن خنيس .
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী উম্মু হাবীবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মানুষের প্রতিটি কথা তার জন্য অপকারী, উপকারী নয়। তবে সৎকাজের আদেশ, অসৎকাজের নিষেধ এবং আল্লাহ্ তা’আলার যিকিরই তার জন্য লাভজনক। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৩৯৭৪)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী উম্মু হাবীবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মানুষের প্রতিটি কথা তার জন্য অপকারী, উপকারী নয়। তবে সৎকাজের আদেশ, অসৎকাজের নিষেধ এবং আল্লাহ্ তা’আলার যিকিরই তার জন্য লাভজনক। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৩৯৭৪)
حدثنا محمد بن بشار، وغير، واحد، قالوا حدثنا محمد بن يزيد بن خنيس المكي، قال سمعت سعيد بن حسان المخزومي، قال حدثتني أم صالح، عن صفية بنت شيبة، عن أم حبيبة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " كل كلام ابن آدم عليه لا له إلا أمر بمعروف أو نهى عن منكر أو ذكر الله " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث محمد بن يزيد بن خنيس .
জামে' আত-তিরমিজি > প্রত্যেক দাবিদারের দাবি পূরণ করতে হবে
জামে' আত-তিরমিজি ২৪১৩
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا جعفر بن عون، حدثنا أبو العميس، عن عون بن أبي جحيفة، عن أبيه، قال آخى رسول الله صلى الله عليه وسلم بين سلمان وبين أبي الدرداء فزار سلمان أبا الدرداء فرأى أم الدرداء متبذلة فقال ما شأنك متبذلة قالت إن أخاك أبا الدرداء ليس له حاجة في الدنيا . قال فلما جاء أبو الدرداء قرب إليه طعاما فقال كل فإني صائم . قال ما أنا بآكل حتى تأكل . قال فأكل فلما كان الليل ذهب أبو الدرداء ليقوم فقال له سلمان نم . فنام ثم ذهب يقوم فقال له نم . فنام فلما كان عند الصبح قال له سلمان قم الآن فقاما فصليا فقال إن لنفسك عليك حقا ولربك عليك حقا ولضيفك عليك حقا وإن لأهلك عليك حقا فأعط كل ذي حق حقه . فأتيا النبي صلى الله عليه وسلم فذكرا ذلك فقال له " صدق سلمان " . قال أبو عيسى هذا حديث صحيح . وأبو العميس اسمه عتبة بن عبد الله وهو أخو عبد الرحمن بن عبد الله المسعودي .
আবূ জুহাইফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালমান (ফারসী) ও আবুদ দারদা (রাঃ)-এর মধ্যে ভাইয়ের সম্পর্ক তৈরী করে দেন। কোন একদিন আবুদ দারদা (রাঃ)-এর সাথে সালমান (রাঃ) দেখা করতে আসেন। তখন তিনি তার স্ত্রী উম্মুদ দারদাকে খুবই সাধারণ জামা-কাপড় পরে থাকাবস্থায় দেখতে পেয়ে প্রশ্ন করেন, আপনি এরূপ সাধারণ পোশাকে কেন? তিনি বললেন, আপনার ভাই আবুদ দারদার তো দুনিয়ার কিছু প্রয়োজন নেই। বর্ণনাকারী বলেন, আবুদ দারদা (রাঃ) এরই মধ্যে বাড়ী ফিরে আসলেন এবং তার (মেহমানের) সামনে খাবার পরিবেশন করে বললেন, আপনি খেয়ে নিন, আমি রোযা রেখেছি। তিনি বললেন, আপনি না খাওয়া পর্যন্ত আমি খাব না। তারপর তিনি খাবার খেলেন। রাত গভীর হলে আবুদ দারদা (রাঃ) নামায আদায় করার জন্য উঠেন। সালমান (রাঃ) তাকে বললেন, এখন ঘুমান। সুতরাং তিনি ঘুমালেন। কিছুক্ষণ পর তিনি পুনরায় নামায আদায় করতে উঠলে এবারো তিনি বললেন, ঘুমিয়ে থাকুন (রাত অনেক বাকী)। কাজেই তিনি ঘুমিয়ে গেলেন। তারপর ফজরের সময় ঘনিয়ে এলে সালমান (রাঃ) তাকে বললেন, এখন উঠুন। তারপর দু’জনেই উঠে (তাহাজ্জুদ) নামায আদায় করলেন। তারপর তিনি বললেন, আপনার উপর আপনার দেহের প্রাপ্য (অধিকার) আছে এবং আপনার রবের প্রাপ্য (অধিকার) আছে, মেহমানের প্রাপ্য (অধিকার) আছে এবং আপনার পরিবারের (অধিকার) আছে। অতএব, প্রত্যেক হাকদারকে তার প্রাপ্য (অধিকার) প্রদান করুন। তারপর তারা এ ঘটনাটি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন। তিনি বললেনঃ সালমান ঠিকই বলেছে। সহীহ্ , মুখতাসার বুখারী (৯৬৫), মুসলিম।
আবূ জুহাইফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালমান (ফারসী) ও আবুদ দারদা (রাঃ)-এর মধ্যে ভাইয়ের সম্পর্ক তৈরী করে দেন। কোন একদিন আবুদ দারদা (রাঃ)-এর সাথে সালমান (রাঃ) দেখা করতে আসেন। তখন তিনি তার স্ত্রী উম্মুদ দারদাকে খুবই সাধারণ জামা-কাপড় পরে থাকাবস্থায় দেখতে পেয়ে প্রশ্ন করেন, আপনি এরূপ সাধারণ পোশাকে কেন? তিনি বললেন, আপনার ভাই আবুদ দারদার তো দুনিয়ার কিছু প্রয়োজন নেই। বর্ণনাকারী বলেন, আবুদ দারদা (রাঃ) এরই মধ্যে বাড়ী ফিরে আসলেন এবং তার (মেহমানের) সামনে খাবার পরিবেশন করে বললেন, আপনি খেয়ে নিন, আমি রোযা রেখেছি। তিনি বললেন, আপনি না খাওয়া পর্যন্ত আমি খাব না। তারপর তিনি খাবার খেলেন। রাত গভীর হলে আবুদ দারদা (রাঃ) নামায আদায় করার জন্য উঠেন। সালমান (রাঃ) তাকে বললেন, এখন ঘুমান। সুতরাং তিনি ঘুমালেন। কিছুক্ষণ পর তিনি পুনরায় নামায আদায় করতে উঠলে এবারো তিনি বললেন, ঘুমিয়ে থাকুন (রাত অনেক বাকী)। কাজেই তিনি ঘুমিয়ে গেলেন। তারপর ফজরের সময় ঘনিয়ে এলে সালমান (রাঃ) তাকে বললেন, এখন উঠুন। তারপর দু’জনেই উঠে (তাহাজ্জুদ) নামায আদায় করলেন। তারপর তিনি বললেন, আপনার উপর আপনার দেহের প্রাপ্য (অধিকার) আছে এবং আপনার রবের প্রাপ্য (অধিকার) আছে, মেহমানের প্রাপ্য (অধিকার) আছে এবং আপনার পরিবারের (অধিকার) আছে। অতএব, প্রত্যেক হাকদারকে তার প্রাপ্য (অধিকার) প্রদান করুন। তারপর তারা এ ঘটনাটি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন। তিনি বললেনঃ সালমান ঠিকই বলেছে। সহীহ্ , মুখতাসার বুখারী (৯৬৫), মুসলিম।
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا جعفر بن عون، حدثنا أبو العميس، عن عون بن أبي جحيفة، عن أبيه، قال آخى رسول الله صلى الله عليه وسلم بين سلمان وبين أبي الدرداء فزار سلمان أبا الدرداء فرأى أم الدرداء متبذلة فقال ما شأنك متبذلة قالت إن أخاك أبا الدرداء ليس له حاجة في الدنيا . قال فلما جاء أبو الدرداء قرب إليه طعاما فقال كل فإني صائم . قال ما أنا بآكل حتى تأكل . قال فأكل فلما كان الليل ذهب أبو الدرداء ليقوم فقال له سلمان نم . فنام ثم ذهب يقوم فقال له نم . فنام فلما كان عند الصبح قال له سلمان قم الآن فقاما فصليا فقال إن لنفسك عليك حقا ولربك عليك حقا ولضيفك عليك حقا وإن لأهلك عليك حقا فأعط كل ذي حق حقه . فأتيا النبي صلى الله عليه وسلم فذكرا ذلك فقال له " صدق سلمان " . قال أبو عيسى هذا حديث صحيح . وأبو العميس اسمه عتبة بن عبد الله وهو أخو عبد الرحمن بن عبد الله المسعودي .
জামে' আত-তিরমিজি > আইশা ও মুআবিয়া (রাঃ)-এর পত্রালাপ
জামে' আত-তিরমিজি ২৪১৪
حدثنا سويد بن نصر، أخبرنا عبد الله بن المبارك، عن عبد الوهاب بن الورد، عن رجل، من أهل المدينة قال كتب معاوية إلى عائشة أم المؤمنين رضى الله عنها أن اكتبي إلى كتابا توصيني فيه ولا تكثري على . فكتبت عائشة رضى الله عنها إلى معاوية سلام عليك أما بعد فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من التمس رضاء الله بسخط الناس كفاه الله مؤنة الناس ومن التمس رضاء الناس بسخط الله وكله الله إلى الناس " . والسلام عليك . حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا محمد بن يوسف، عن سفيان الثوري، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، أنها كتبت إلى معاوية فذكر الحديث بمعناه ولم يرفعه .
জনৈক মাদীনাবাসী থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কোন এক সময় উম্মুল মু'মিনীন আইশা (রাঃ)-কে মু'আবিয়া (রাঃ) লিখে পাঠান : আমাকে লিখিতভাবে কিছু উপদেশ দিন, তবে তা যেন দীর্ঘ না হয়। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, আইশা (রাঃ) মু'আবিয়া (রাঃ)-কে লিখলেন : আপনাকে সালাম। তারপর এই যে, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : যে ব্যক্তি আল্লাহ্ তা'আলার সন্তুষ্টি আকাঙ্খা করে তা মানুষের অসন্তুষ্টি হলেও, মানুষের দুঃখ-কষ্ট হতে বাঁচানোর জন্য আল্লাহ্ তা'আলাই তার জন্য যথেষ্ট হয়ে যান। আর যে ব্যক্তি মানুষের সন্তুষ্টি আশা করে আল্লাহ্ তা'আলাকে অসন্তুষ্ট করে হলেও, আল্লাহ্ তা'আলা তাকে মানুষের দায়িত্বে ছেড়ে দেন। আপনাকে আবারো সালাম। সহীহ্ , সহীহাহ্ (২৩১১), তাখরীজ তাহাভীয়া (২৭৮)।
জনৈক মাদীনাবাসী থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কোন এক সময় উম্মুল মু'মিনীন আইশা (রাঃ)-কে মু'আবিয়া (রাঃ) লিখে পাঠান : আমাকে লিখিতভাবে কিছু উপদেশ দিন, তবে তা যেন দীর্ঘ না হয়। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, আইশা (রাঃ) মু'আবিয়া (রাঃ)-কে লিখলেন : আপনাকে সালাম। তারপর এই যে, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : যে ব্যক্তি আল্লাহ্ তা'আলার সন্তুষ্টি আকাঙ্খা করে তা মানুষের অসন্তুষ্টি হলেও, মানুষের দুঃখ-কষ্ট হতে বাঁচানোর জন্য আল্লাহ্ তা'আলাই তার জন্য যথেষ্ট হয়ে যান। আর যে ব্যক্তি মানুষের সন্তুষ্টি আশা করে আল্লাহ্ তা'আলাকে অসন্তুষ্ট করে হলেও, আল্লাহ্ তা'আলা তাকে মানুষের দায়িত্বে ছেড়ে দেন। আপনাকে আবারো সালাম। সহীহ্ , সহীহাহ্ (২৩১১), তাখরীজ তাহাভীয়া (২৭৮)।
حدثنا سويد بن نصر، أخبرنا عبد الله بن المبارك، عن عبد الوهاب بن الورد، عن رجل، من أهل المدينة قال كتب معاوية إلى عائشة أم المؤمنين رضى الله عنها أن اكتبي إلى كتابا توصيني فيه ولا تكثري على . فكتبت عائشة رضى الله عنها إلى معاوية سلام عليك أما بعد فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من التمس رضاء الله بسخط الناس كفاه الله مؤنة الناس ومن التمس رضاء الناس بسخط الله وكله الله إلى الناس " . والسلام عليك . حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا محمد بن يوسف، عن سفيان الثوري، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، أنها كتبت إلى معاوية فذكر الحديث بمعناه ولم يرفعه .