জামে' আত-তিরমিজি > উম্মাতের উদ্দেশ্যে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর তিনটি দু’আ
জামে' আত-তিরমিজি ২১৭৬
حدثنا قتيبة، حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن أبي أسماء الرحبي، عن ثوبان، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الله زوى لي الأرض فرأيت مشارقها ومغاربها وإن أمتي سيبلغ ملكها ما زوي لي منها وأعطيت الكنزين الأحمر والأصفر وإني سألت ربي لأمتي أن لا يهلكها بسنة عامة وأن لا يسلط عليهم عدوا من سوى أنفسهم فيستبيح بيضتهم وإن ربي قال يا محمد إني إذا قضيت قضاء فإنه لا يرد وإني أعطيتك لأمتك أن لا أهلكهم بسنة عامة وأن لا أسلط عليهم عدوا من سوى أنفسهم فيستبيح بيضتهم ولو اجتمع عليهم من بأقطارها أو قال من بين أقطارها حتى يكون بعضهم يهلك بعضا ويسبي بعضهم بعضا " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
সাওবান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার জন্য দুনিয়াকে আল্লাহ্ তা’আলা সংকুচিত করেন। ফলে আমি এর পূর্ব-পশ্চিম সকল দিক দর্শন করি। আমার জন্য দুনিয়ার যেটুকু পরিমাণ সংকুচিত করা হয়েছে, আমার উম্মতের রাজত্ব শীঘ্রই ততদূর পর্যন্ত বিস্তৃতি লাভ করবে। আর আমাকে লাল-সাদা (সোনা-রুপা) দুটি খনিজ ভান্ডারই প্রদান করা হয়েছে। অধিকন্তু আমি আমার উম্মতের জন্য আমার প্রভুর নিকট আবেদন করেছি যে, তিনি যেন তাদেরকে মারাত্মক দুর্ভিক্ষে ফেলে ধ্বংস না করে দেন এবং তাদের ব্যতীত বিজাতি দুশমনদেরকে যেন তাদের উপর আধিপত্য বিস্তার করতে না দেন যাতে তারা তাদেরকে সমূলে ধ্বংস না করার সূযোগ পেতে পারে। আমার প্রভু বলেন, হে মুহাম্মাদ! আমি কোন ফায়সালা করলে তা কোন ক্রমেই পরিবর্তিত হওয়ার নয়। আমি তোমার উম্মাতের জন্য ক্ববুল করলাম যে, প্রচন্ড দুর্ভিক্ষের মাধ্যমে তাদের ধ্বংস করব না, তাদের নিজেদের ব্যতীত অন্য কোন দুশমনদেরকে তাদের উপর আধিপত্যশালী করব না যাতে তারা তোমার উম্মাতকে বিনাশ করতে সূযোগ না পায়, এমনকি (দুনিয়ার) সকল অঞ্চল হতে তারা একজোট হয়ে এলেও। তবে তারা পরস্পর পরস্পরকে ধ্বংস করবে এবং কতক কতককে বন্দী করবে। সহীহ্, ইবনু মা-জাহ(৩৯৫২), মুসলিম।
সাওবান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার জন্য দুনিয়াকে আল্লাহ্ তা’আলা সংকুচিত করেন। ফলে আমি এর পূর্ব-পশ্চিম সকল দিক দর্শন করি। আমার জন্য দুনিয়ার যেটুকু পরিমাণ সংকুচিত করা হয়েছে, আমার উম্মতের রাজত্ব শীঘ্রই ততদূর পর্যন্ত বিস্তৃতি লাভ করবে। আর আমাকে লাল-সাদা (সোনা-রুপা) দুটি খনিজ ভান্ডারই প্রদান করা হয়েছে। অধিকন্তু আমি আমার উম্মতের জন্য আমার প্রভুর নিকট আবেদন করেছি যে, তিনি যেন তাদেরকে মারাত্মক দুর্ভিক্ষে ফেলে ধ্বংস না করে দেন এবং তাদের ব্যতীত বিজাতি দুশমনদেরকে যেন তাদের উপর আধিপত্য বিস্তার করতে না দেন যাতে তারা তাদেরকে সমূলে ধ্বংস না করার সূযোগ পেতে পারে। আমার প্রভু বলেন, হে মুহাম্মাদ! আমি কোন ফায়সালা করলে তা কোন ক্রমেই পরিবর্তিত হওয়ার নয়। আমি তোমার উম্মাতের জন্য ক্ববুল করলাম যে, প্রচন্ড দুর্ভিক্ষের মাধ্যমে তাদের ধ্বংস করব না, তাদের নিজেদের ব্যতীত অন্য কোন দুশমনদেরকে তাদের উপর আধিপত্যশালী করব না যাতে তারা তোমার উম্মাতকে বিনাশ করতে সূযোগ না পায়, এমনকি (দুনিয়ার) সকল অঞ্চল হতে তারা একজোট হয়ে এলেও। তবে তারা পরস্পর পরস্পরকে ধ্বংস করবে এবং কতক কতককে বন্দী করবে। সহীহ্, ইবনু মা-জাহ(৩৯৫২), মুসলিম।
حدثنا قتيبة، حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن أبي أسماء الرحبي، عن ثوبان، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الله زوى لي الأرض فرأيت مشارقها ومغاربها وإن أمتي سيبلغ ملكها ما زوي لي منها وأعطيت الكنزين الأحمر والأصفر وإني سألت ربي لأمتي أن لا يهلكها بسنة عامة وأن لا يسلط عليهم عدوا من سوى أنفسهم فيستبيح بيضتهم وإن ربي قال يا محمد إني إذا قضيت قضاء فإنه لا يرد وإني أعطيتك لأمتك أن لا أهلكهم بسنة عامة وأن لا أسلط عليهم عدوا من سوى أنفسهم فيستبيح بيضتهم ولو اجتمع عليهم من بأقطارها أو قال من بين أقطارها حتى يكون بعضهم يهلك بعضا ويسبي بعضهم بعضا " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি ২১৭৫
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا وهب بن جرير، حدثنا أبي قال، سمعت النعمان بن راشد، يحدث عن الزهري، عن عبد الله بن الحارث، عن عبد الله بن خباب بن الأرت، عن أبيه، قال صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة فأطالها قالوا يا رسول الله صليت صلاة لم تكن تصليها قال " أجل إنها صلاة رغبة ورهبة إني سألت الله فيها ثلاثا فأعطاني اثنتين ومنعني واحدة سألته أن لا يهلك أمتي بسنة فأعطانيها وسألته أن لا يسلط عليهم عدوا من غيرهم فأعطانيها وسألته أن لا يذيق بعضهم بأس بعض فمنعنيها " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح . وفي الباب عن سعد وابن عمر .
আব্দুল্লাহ ইবনু খাব্বাব ইবনুল আরাত (রাঃ) হতে তার বাবার সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা খুব দীর্ঘায়িত করে নামায আদায় করেন। সাহাবিগণ প্রশ্ন করেন, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ! আপনি তো কখনো এভাবে নামায আদায় করেননি! তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, এ নামায ছিলো অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক ও ভীতিপূর্ণ। আমি এতে তিনটি বিষয়ের উদ্দেশ্যে আল্লাহ্ তা’আলার নিকট আবেদন করেছি। তিনি আমাকে দুটি দিয়েছেন এবং একটি দেননি। আমি তাঁর নিকট আবেদন করেছি, তিনি আমার উম্মাতকে যেন দুর্ভিক্ষে নিক্ষেপ করে ধ্বংস না করে দেন। আমার এ দু’আ তিনি ক্ববুল করেছেন। তারপর আমি আবেদন করেছি যে, তিনি বিজাতীয় শত্রুদেরকে যেন তাদের উপর আধিপত্য বিস্তার করতে না দেন। আমার এ দু’আও তিনি ক্ববুল করেছেন। আমি আরো আবেদন জানিয়েছি যে, তারা যেন পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহের আস্বাদ না নেয়। আমার এ দু’আ তিনি ক্ববুল করেননি। সহীহ্, সিফাতুস সালাত।
আব্দুল্লাহ ইবনু খাব্বাব ইবনুল আরাত (রাঃ) হতে তার বাবার সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা খুব দীর্ঘায়িত করে নামায আদায় করেন। সাহাবিগণ প্রশ্ন করেন, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ! আপনি তো কখনো এভাবে নামায আদায় করেননি! তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, এ নামায ছিলো অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক ও ভীতিপূর্ণ। আমি এতে তিনটি বিষয়ের উদ্দেশ্যে আল্লাহ্ তা’আলার নিকট আবেদন করেছি। তিনি আমাকে দুটি দিয়েছেন এবং একটি দেননি। আমি তাঁর নিকট আবেদন করেছি, তিনি আমার উম্মাতকে যেন দুর্ভিক্ষে নিক্ষেপ করে ধ্বংস না করে দেন। আমার এ দু’আ তিনি ক্ববুল করেছেন। তারপর আমি আবেদন করেছি যে, তিনি বিজাতীয় শত্রুদেরকে যেন তাদের উপর আধিপত্য বিস্তার করতে না দেন। আমার এ দু’আও তিনি ক্ববুল করেছেন। আমি আরো আবেদন জানিয়েছি যে, তারা যেন পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহের আস্বাদ না নেয়। আমার এ দু’আ তিনি ক্ববুল করেননি। সহীহ্, সিফাতুস সালাত।
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا وهب بن جرير، حدثنا أبي قال، سمعت النعمان بن راشد، يحدث عن الزهري، عن عبد الله بن الحارث، عن عبد الله بن خباب بن الأرت، عن أبيه، قال صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة فأطالها قالوا يا رسول الله صليت صلاة لم تكن تصليها قال " أجل إنها صلاة رغبة ورهبة إني سألت الله فيها ثلاثا فأعطاني اثنتين ومنعني واحدة سألته أن لا يهلك أمتي بسنة فأعطانيها وسألته أن لا يسلط عليهم عدوا من غيرهم فأعطانيها وسألته أن لا يذيق بعضهم بأس بعض فمنعنيها " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح . وفي الباب عن سعد وابن عمر .
জামে' আত-তিরমিজি > ফিতনায় পতিত ব্যক্তি প্রসঙ্গে
জামে' আত-তিরমিজি ২১৭৭
حدثنا عمران بن موسى القزاز البصري، حدثنا عبد الوارث بن سعيد، حدثنا محمد بن جحادة، عن رجل، عن طاوس، عن أم مالك البهزية، قالت ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم فتنة فقربها قالت قلت يا رسول الله من خير الناس فيها قال " رجل في ماشيته يؤدي حقها ويعبد ربه ورجل آخذ برأس فرسه يخيف العدو ويخيفونه " . قال أبو عيسى وفي الباب عن أم مبشر وأبي سعيد الخدري وابن عباس . وهذا حديث حسن غريب من هذا الوجه وقد رواه الليث بن أبي سليم عن طاوس عن أم مالك البهزية عن النبي صلى الله عليه وسلم .
উম্মু মালিক আল-বাহ্যিয়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কোন একদিন একটি ফিতনার উল্লেখ করে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তা খুব নিকটবর্তী। বর্ণনাকারী বলেন, আমি প্রশ্ন করলাম, হে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! এ ফিতনা চলাকালে সর্বোত্তম ব্যক্তি কে হবে? তিনি বললেন, যে লোক তার পশুপাল নিয়ে ব্যস্ত থাকবে, পশুপালের হ্ক্ব (যাকাত) প্রদান করবে এবং তাঁর প্রভুর ইবাদাত করবে। আর যে লোক তার ঘোড়ার মাথা ধরে থাকবে এবং শত্রুদের ভীতি প্রদর্শন করবে এবং তারাও তাকে ভয় দেখাবে। সহীহ্, সহীহাহ্ (৬৯৮), তা’লীকুর রাগীব (২/১৫৩)।
উম্মু মালিক আল-বাহ্যিয়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কোন একদিন একটি ফিতনার উল্লেখ করে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তা খুব নিকটবর্তী। বর্ণনাকারী বলেন, আমি প্রশ্ন করলাম, হে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! এ ফিতনা চলাকালে সর্বোত্তম ব্যক্তি কে হবে? তিনি বললেন, যে লোক তার পশুপাল নিয়ে ব্যস্ত থাকবে, পশুপালের হ্ক্ব (যাকাত) প্রদান করবে এবং তাঁর প্রভুর ইবাদাত করবে। আর যে লোক তার ঘোড়ার মাথা ধরে থাকবে এবং শত্রুদের ভীতি প্রদর্শন করবে এবং তারাও তাকে ভয় দেখাবে। সহীহ্, সহীহাহ্ (৬৯৮), তা’লীকুর রাগীব (২/১৫৩)।
حدثنا عمران بن موسى القزاز البصري، حدثنا عبد الوارث بن سعيد، حدثنا محمد بن جحادة، عن رجل، عن طاوس، عن أم مالك البهزية، قالت ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم فتنة فقربها قالت قلت يا رسول الله من خير الناس فيها قال " رجل في ماشيته يؤدي حقها ويعبد ربه ورجل آخذ برأس فرسه يخيف العدو ويخيفونه " . قال أبو عيسى وفي الباب عن أم مبشر وأبي سعيد الخدري وابن عباس . وهذا حديث حسن غريب من هذا الوجه وقد رواه الليث بن أبي سليم عن طاوس عن أم مالك البهزية عن النبي صلى الله عليه وسلم .
জামে' আত-তিরমিজি > জিহ্বা হবে তরবারির চাইতেও মারাত্মক
জামে' আত-তিরমিজি ২১৭৮
حدثنا عبد الله بن معاوية الجمحي، حدثنا حماد بن سلمة، عن ليث، عن طاوس، عن زياد بن سيمين، كوش عن عبد الله بن عمرو، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " تكون فتنة تستنظف العرب قتلاها في النار اللسان فيها أشد من السيف " . قال أبو عيسى هذا حديث غريب . سمعت محمد بن إسماعيل يقول لا يعرف لزياد بن سيمين كوش غير هذا الحديث رواه حماد بن سلمة عن ليث فرفعه ورواه حماد بن زيد عن ليث فوقفه .
আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এমন এক ফিতনার সৃষ্টি হবে, যা পুরো আরবকে গ্রাস করবে। এতে নিহত ব্যক্তিরা হবে জাহান্নামী। তখন জিহ্বা হবে তরবারির চাইতেও মারাত্মক। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৩৯৬৭),
আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এমন এক ফিতনার সৃষ্টি হবে, যা পুরো আরবকে গ্রাস করবে। এতে নিহত ব্যক্তিরা হবে জাহান্নামী। তখন জিহ্বা হবে তরবারির চাইতেও মারাত্মক। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৩৯৬৭),
حدثنا عبد الله بن معاوية الجمحي، حدثنا حماد بن سلمة، عن ليث، عن طاوس، عن زياد بن سيمين، كوش عن عبد الله بن عمرو، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " تكون فتنة تستنظف العرب قتلاها في النار اللسان فيها أشد من السيف " . قال أبو عيسى هذا حديث غريب . سمعت محمد بن إسماعيل يقول لا يعرف لزياد بن سيمين كوش غير هذا الحديث رواه حماد بن سلمة عن ليث فرفعه ورواه حماد بن زيد عن ليث فوقفه .
জামে' আত-তিরমিজি > আমানতদারি থাকবে না
জামে' আত-তিরমিজি ২১৭৯
حدثنا هناد، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن زيد بن وهب، عن حذيفة بن اليمان، حدثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم حديثين قد رأيت أحدهما وأنا أنتظر الآخر حدثنا " أن الأمانة نزلت في جذر قلوب الرجال ثم نزل القرآن فعلموا من القرآن وعلموا من السنة " . ثم حدثنا عن رفع الأمانة فقال " ينام الرجل النومة فتقبض الأمانة من قلبه فيظل أثرها مثل الوكت ثم ينام نومة فتقبض الأمانة من قلبه فيظل أثرها مثل المجل كجمر دحرجته على رجلك فنفطت فتراه منتبرا وليس فيه شيء " . ثم أخذ حصاة فدحرجها على رجله قال " فيصبح الناس يتبايعون لا يكاد أحدهم يؤدي الأمانة حتى يقال إن في بني فلان رجلا أمينا وحتى يقال للرجل ما أجلده وأظرفه وأعقله وما في قلبه مثقال حبة من خردل من إيمان " . قال ولقد أتى على زمان وما أبالي أيكم بايعت فيه لئن كان مسلما ليردنه على دينه ولئن كان يهوديا أو نصرانيا ليردنه على ساعيه فأما اليوم فما كنت لأبايع منكم إلا فلانا وفلانا . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .
হুযাইফা ইবনুল ইয়ামা-ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কোন একদিন আমাদের সামনে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুটি হাদীস বর্ণনা করেন। আমি এদুটির মধ্যে একটিকে প্রকাশিত হতে দেখেছি এবং অপরটির অপেক্ষায় আছি। তিনি বলেনঃ নিশ্চয়ই মানুষের হৃদয়মুলে আমানাত অবতীর্ণ হয়। তারপর কুরআন অবতীর্ণ হয়। সুতরাং তারা কোরআনের শিক্ষা অর্জন করে এবং সুন্নাহ (হাদীস) সমন্ধেও শিক্ষা অর্জন করে। তারপর আমানাত তুলে নেয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মানুষ ঘুমিয়ে যাবে এবং এই অবস্থায় তার হৃদয় হতে আমানাত তুলে নেয়া হবে। আর এর চিহ্নটা হবে কালো বিন্দুর মতো। তারপর সে নিদ্রামগ্ন হবে এবং আমানাত তুলে নেয়ে হবে। এতে ফোস্কার ন্যায় চিহ্ন পড়বে, যেমন জ্বলন্ত অঙ্গার তোমার পায়ে রাখা হলে ফোস্কা পড়ে। তুমি তা স্ফীত অবস্থায় দেখতে পাও কিন্তু তার ভিতরে কিছুই নেই। তারপর তিনি তাঁর পায়ে একটি শিলাখণ্ড রেখে দেখান। তিনি আরো বলেন, মানুষেরা ব্যবসা-বানিজ্য ও কেনা-বেচা করবে কিন্তু কেউই আমানাত রক্ষা করবে না। এমনকি বলা হবে অমুক গোত্রে একজন বিশ্বস্ত ও আমানাতদার লোক আছে। এরকম পরিস্থিতি দাঁড়াবে যে, কারো প্রসঙ্গে বলা হবে, সে কত বড় জ্ঞানী, সে কত হুঁশিয়ার এবং সে কত সাহসী। অথচ তার অন্তরে সরিষা পরিমাণ ইমানও থাকবেনা। হুযাইফা (রাঃ)বলেন, আমার উপর দিয়ে এমন একটি সময় অতিবাহিত হয়েছে যখন আমি তোমাদের কারো সাথে বেচা-কেনার চিন্তা করতাম না। কেননা, সে ব্যক্তি মুসলমান হতে তার দ্বীনদারিই তাকে আমার প্রাপ্য ফিরত দিতে বাধ্য করত। আর সে ইয়াহুদী বা খ্রিস্টান হলে তার শাসকই তাকে আমার প্রাপ্য আদায় করে দিত। কিন্তু এখন অমুক অমুক লোক ব্যতীত তোমাদের কারো সাথে কেনা-বেচা ও ব্যবসা-বাণিজ্য করি না। সহীহ্, বুখারী, মুসলিম।
হুযাইফা ইবনুল ইয়ামা-ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কোন একদিন আমাদের সামনে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুটি হাদীস বর্ণনা করেন। আমি এদুটির মধ্যে একটিকে প্রকাশিত হতে দেখেছি এবং অপরটির অপেক্ষায় আছি। তিনি বলেনঃ নিশ্চয়ই মানুষের হৃদয়মুলে আমানাত অবতীর্ণ হয়। তারপর কুরআন অবতীর্ণ হয়। সুতরাং তারা কোরআনের শিক্ষা অর্জন করে এবং সুন্নাহ (হাদীস) সমন্ধেও শিক্ষা অর্জন করে। তারপর আমানাত তুলে নেয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মানুষ ঘুমিয়ে যাবে এবং এই অবস্থায় তার হৃদয় হতে আমানাত তুলে নেয়া হবে। আর এর চিহ্নটা হবে কালো বিন্দুর মতো। তারপর সে নিদ্রামগ্ন হবে এবং আমানাত তুলে নেয়ে হবে। এতে ফোস্কার ন্যায় চিহ্ন পড়বে, যেমন জ্বলন্ত অঙ্গার তোমার পায়ে রাখা হলে ফোস্কা পড়ে। তুমি তা স্ফীত অবস্থায় দেখতে পাও কিন্তু তার ভিতরে কিছুই নেই। তারপর তিনি তাঁর পায়ে একটি শিলাখণ্ড রেখে দেখান। তিনি আরো বলেন, মানুষেরা ব্যবসা-বানিজ্য ও কেনা-বেচা করবে কিন্তু কেউই আমানাত রক্ষা করবে না। এমনকি বলা হবে অমুক গোত্রে একজন বিশ্বস্ত ও আমানাতদার লোক আছে। এরকম পরিস্থিতি দাঁড়াবে যে, কারো প্রসঙ্গে বলা হবে, সে কত বড় জ্ঞানী, সে কত হুঁশিয়ার এবং সে কত সাহসী। অথচ তার অন্তরে সরিষা পরিমাণ ইমানও থাকবেনা। হুযাইফা (রাঃ)বলেন, আমার উপর দিয়ে এমন একটি সময় অতিবাহিত হয়েছে যখন আমি তোমাদের কারো সাথে বেচা-কেনার চিন্তা করতাম না। কেননা, সে ব্যক্তি মুসলমান হতে তার দ্বীনদারিই তাকে আমার প্রাপ্য ফিরত দিতে বাধ্য করত। আর সে ইয়াহুদী বা খ্রিস্টান হলে তার শাসকই তাকে আমার প্রাপ্য আদায় করে দিত। কিন্তু এখন অমুক অমুক লোক ব্যতীত তোমাদের কারো সাথে কেনা-বেচা ও ব্যবসা-বাণিজ্য করি না। সহীহ্, বুখারী, মুসলিম।
حدثنا هناد، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن زيد بن وهب، عن حذيفة بن اليمان، حدثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم حديثين قد رأيت أحدهما وأنا أنتظر الآخر حدثنا " أن الأمانة نزلت في جذر قلوب الرجال ثم نزل القرآن فعلموا من القرآن وعلموا من السنة " . ثم حدثنا عن رفع الأمانة فقال " ينام الرجل النومة فتقبض الأمانة من قلبه فيظل أثرها مثل الوكت ثم ينام نومة فتقبض الأمانة من قلبه فيظل أثرها مثل المجل كجمر دحرجته على رجلك فنفطت فتراه منتبرا وليس فيه شيء " . ثم أخذ حصاة فدحرجها على رجله قال " فيصبح الناس يتبايعون لا يكاد أحدهم يؤدي الأمانة حتى يقال إن في بني فلان رجلا أمينا وحتى يقال للرجل ما أجلده وأظرفه وأعقله وما في قلبه مثقال حبة من خردل من إيمان " . قال ولقد أتى على زمان وما أبالي أيكم بايعت فيه لئن كان مسلما ليردنه على دينه ولئن كان يهوديا أو نصرانيا ليردنه على ساعيه فأما اليوم فما كنت لأبايع منكم إلا فلانا وفلانا . قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح .