জামে' আত-তিরমিজি > কুলক্ষণ প্রসঙ্গে

জামে' আত-তিরমিজি ১৬১৫

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابن أبي عدي، عن هشام الدستوائي، عن قتادة، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ لا عدوى ولا طيرة وأحب الفأل ‏"‏ ‏.‏ قالوا يا رسول الله وما الفأل قال ‏"‏ الكلمة الطيبة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সংক্রমণ এবং কুলক্ষণ বলতে কিছু নেই। তবে আমি ফাল পছন্দ করি। সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! ফাল কি জিনিস? তিনি বললেনঃ পবিত্র ও উত্তম কথা। সহীহ্‌, ইবনু মা-জাহ (৩৫৩৭), নাসা-ঈ

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সংক্রমণ এবং কুলক্ষণ বলতে কিছু নেই। তবে আমি ফাল পছন্দ করি। সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! ফাল কি জিনিস? তিনি বললেনঃ পবিত্র ও উত্তম কথা। সহীহ্‌, ইবনু মা-জাহ (৩৫৩৭), নাসা-ঈ

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابن أبي عدي، عن هشام الدستوائي، عن قتادة، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ لا عدوى ولا طيرة وأحب الفأل ‏"‏ ‏.‏ قالوا يا رسول الله وما الفأل قال ‏"‏ الكلمة الطيبة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ১৬১৬

حدثنا محمد بن رافع، حدثنا أبو عامر العقدي، عن حماد بن سلمة، عن حميد، عن أنس بن مالك، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يعجبه إذا خرج لحاجة أن يسمع يا راشد يا نجيح ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন দরকারে বের হওয়ার সময় (কারো মুখে) ‘হে সঠিক পথের পথিক’, ‘হে সফলকাম’ বাক্য শুনতে পছন্দ করতেন। সহীহ্‌, রাওযুন নাযীর (৮৬)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন দরকারে বের হওয়ার সময় (কারো মুখে) ‘হে সঠিক পথের পথিক’, ‘হে সফলকাম’ বাক্য শুনতে পছন্দ করতেন। সহীহ্‌, রাওযুন নাযীর (৮৬)

حدثنا محمد بن رافع، حدثنا أبو عامر العقدي، عن حماد بن سلمة، عن حميد، عن أنس بن مالك، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يعجبه إذا خرج لحاجة أن يسمع يا راشد يا نجيح ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ১৬১৪

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، عن سلمة بن كهيل، عن عيسى بن عاصم، عن زر، عن عبد الله بن مسعود، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ الطيرة من الشرك ‏"‏ ‏.‏ وما منا إلا ولكن الله يذهبه بالتوكل ‏.‏ قال أبو عيسى وفي الباب عن أبي هريرة وحابس التميمي وعائشة وابن عمر وسعد ‏.‏ وهذا حديث حسن صحيح لا نعرفه إلا من حديث سلمة بن كهيل وروى شعبة أيضا عن سلمة هذا الحديث ‏.‏ قال سمعت محمد بن إسماعيل يقول كان سليمان بن حرب يقول في هذا الحديث ‏"‏ وما منا إلا ولكن الله يذهبه بالتوكل ‏"‏ ‏.‏ قال سليمان هذا عندي قول عبد الله بن مسعود وما منا‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কুলক্ষণে বিশ্বাস করা শিরকের মধ্যে অন্তর্ভূক্ত। এমন কেউই আমাদের মধ্যে নেই যার মনে এর ধারণা আসে না। তবে আল্লাহ্‌ তা‘আলা তাঁর উপর (মু’মিন লোকের) ভরসার কারণে তা দূর করে দেন। সহীহ্‌, ইবনু মা-জাহ (৩৫৩৮)

আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কুলক্ষণে বিশ্বাস করা শিরকের মধ্যে অন্তর্ভূক্ত। এমন কেউই আমাদের মধ্যে নেই যার মনে এর ধারণা আসে না। তবে আল্লাহ্‌ তা‘আলা তাঁর উপর (মু’মিন লোকের) ভরসার কারণে তা দূর করে দেন। সহীহ্‌, ইবনু মা-জাহ (৩৫৩৮)

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، عن سلمة بن كهيل، عن عيسى بن عاصم، عن زر، عن عبد الله بن مسعود، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ الطيرة من الشرك ‏"‏ ‏.‏ وما منا إلا ولكن الله يذهبه بالتوكل ‏.‏ قال أبو عيسى وفي الباب عن أبي هريرة وحابس التميمي وعائشة وابن عمر وسعد ‏.‏ وهذا حديث حسن صحيح لا نعرفه إلا من حديث سلمة بن كهيل وروى شعبة أيضا عن سلمة هذا الحديث ‏.‏ قال سمعت محمد بن إسماعيل يقول كان سليمان بن حرب يقول في هذا الحديث ‏"‏ وما منا إلا ولكن الله يذهبه بالتوكل ‏"‏ ‏.‏ قال سليمان هذا عندي قول عبد الله بن مسعود وما منا‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি > যুদ্ধের ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের) ওয়াসিয়াত (উপদেশ)

জামে' আত-তিরমিজি ১৬১৮

حدثنا الحسن بن علي الخلال، حدثنا عفان، حدثنا حماد بن سلمة، حدثنا ثابت، عن أنس بن مالك، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم لا يغير إلا عند صلاة الفجر فإن سمع أذانا أمسك وإلا أغار فاستمع ذات يوم فسمع رجلا يقول الله أكبر الله أكبر ‏.‏ فقال ‏"‏ على الفطرة ‏"‏ ‏.‏ فقال أشهد أن لا إله إلا الله ‏.‏ فقال ‏"‏ خرجت من النار ‏"‏ ‏.‏ قال الحسن وحدثنا أبو الوليد، حدثنا حماد بن سلمة، بهذا الإسناد مثله ‏.‏ قال أبو عيسى وهذا حديث حسن صحيح ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ফজরের সময়ই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (কোন জনপদে) নৈশ হামলা করতেন। তিনি আযান শুনলে হামলা হতে বিরত থাকতেন, অন্যথায় হামলা করতেন। একদিন তিনি কানকে সজাগ রাখলেন। তিনি বললেনঃ ফিতরাতের (ইসলামের) উপর আছে। ঐ লোকটি আবার বলল, “আশহাদু আল-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্‌ ব্যতীত আর কোন মা’বূদ নেই)। তিনি বললেনঃ তুমি জাহান্নাম হতে বেরিয়ে গেলে। সহীহ্, সহীহ্‌ আবূ দাঊদ (২৩৬৮), মুসলিম

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ফজরের সময়ই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (কোন জনপদে) নৈশ হামলা করতেন। তিনি আযান শুনলে হামলা হতে বিরত থাকতেন, অন্যথায় হামলা করতেন। একদিন তিনি কানকে সজাগ রাখলেন। তিনি বললেনঃ ফিতরাতের (ইসলামের) উপর আছে। ঐ লোকটি আবার বলল, “আশহাদু আল-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্‌ ব্যতীত আর কোন মা’বূদ নেই)। তিনি বললেনঃ তুমি জাহান্নাম হতে বেরিয়ে গেলে। সহীহ্, সহীহ্‌ আবূ দাঊদ (২৩৬৮), মুসলিম

حدثنا الحسن بن علي الخلال، حدثنا عفان، حدثنا حماد بن سلمة، حدثنا ثابت، عن أنس بن مالك، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم لا يغير إلا عند صلاة الفجر فإن سمع أذانا أمسك وإلا أغار فاستمع ذات يوم فسمع رجلا يقول الله أكبر الله أكبر ‏.‏ فقال ‏"‏ على الفطرة ‏"‏ ‏.‏ فقال أشهد أن لا إله إلا الله ‏.‏ فقال ‏"‏ خرجت من النار ‏"‏ ‏.‏ قال الحسن وحدثنا أبو الوليد، حدثنا حماد بن سلمة، بهذا الإسناد مثله ‏.‏ قال أبو عيسى وهذا حديث حسن صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ১৬১৭

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن سفيان، عن علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة، عن أبيه، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا بعث أميرا على جيش أوصاه في خاصة نفسه بتقوى الله ومن معه من المسلمين خيرا وقال ‏ "‏ اغزوا بسم الله وفي سبيل الله قاتلوا من كفر بالله ولا تغلوا ولا تغدروا ولا تمثلوا ولا تقتلوا وليدا فإذا لقيت عدوك من المشركين فادعهم إلى إحدى ثلاث خصال أو خلال أيتها أجابوك فاقبل منهم وكف عنهم ادعهم إلى الإسلام والتحول من دارهم إلى دار المهاجرين وأخبرهم إن فعلوا ذلك فإن لهم ما للمهاجرين وعليهم ما على المهاجرين وإن أبوا أن يتحولوا فأخبرهم أنهم يكونوا كأعراب المسلمين يجري عليهم ما يجري على الأعراب ليس لهم في الغنيمة والفىء شيء إلا أن يجاهدوا فإن أبوا فاستعن بالله عليهم وقاتلهم وإذا حاصرت حصنا فأرادوك أن تجعل لهم ذمة الله وذمة نبيه فلا تجعل لهم ذمة الله ولا ذمة نبيه واجعل لهم ذمتك وذمم أصحابك لأنكم إن تخفروا ذمتكم وذمم أصحابكم خير من أن تخفروا ذمة الله وذمة رسوله وإذا حاصرت أهل حصن فأرادوك أن تنزلهم على حكم الله فلا تنزلوهم ولكن أنزلهم على حكمك فإنك لا تدري أتصيب حكم الله فيهم أم لا ‏"‏ ‏.‏ أو نحو هذا ‏.‏ قال أبو عيسى وفي الباب عن النعمان بن مقرن ‏.‏ وحديث بريدة حديث حسن صحيح ‏.‏ حدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو أحمد، عن سفيان، عن علقمة بن مرثد، نحوه بمعناه وزاد فيه ‏ "‏ فإن أبوا فخذ منهم الجزية فإن أبوا فاستعن بالله عليهم ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هكذا رواه وكيع وغير واحد عن سفيان، ‏.‏ وروى غير، محمد بن بشار عن عبد الرحمن بن مهدي، وذكر، فيه أمر الجزية ‏.‏

সুলাইমান ইবনু বুরাইদা (রাঃ) হতে তার বাবার সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

তিনি (বুরাইদা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন বাহিনীর অধিনায়ক মনোনীত করে কাউকে পাঠানোর সময় বিশেষভাবে তার নিজের ব্যাপারে আল্লাহ্‌ তা’আলাকে ভয় করার এবং অধীনস্থ মুসলিম যোদ্ধাদের কল্যাণ কামনা করার পরামর্শ দিতেন। তিনি বলতেনঃ আল্লাহ্‌ তা’আলার নামে যুদ্ধ শুরু কর, আল্লাহ্‌ তা’আলার রাস্তায় জিহাদ কর, আল্লাহ্‌ তা’আলার সাথে অবাধ্যাচরণকারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কর, গনিমতের সম্পদ আত্মসাৎ কর না, বিশ্বাসঘাতকতা করা হতে বিরত থাক, (শত্রুসৈন্যের) মৃতব্যক্তির নাক-কান ইত্যাদি কেটে মৃতদেহ বিকৃত কর না এবং শিশুদের হত্যা কর না। তুমি মুশরিক শত্রুদের সাথে মুখোমুখি হওয়াকালে তাদেরকে তিনটি বিকল্প প্রস্তাবের যে কোন একটি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানাবে। তারা এ তিনটি প্রস্তাবের যে কোন একটি মেনে নিলে তা গ্রহণ কর এবং তাদেরকে হমলা করা হতে বিরত থাক। তুমি তাদেরকে ইসলাম ধর্ম ক্ববূল করার জন্য আহ্বান জানাবে এবং হিজরত করে মুহাজিরদের এলাকায় চলে আসতে বলবে। তাদেরকে জানিয়ে দিবে যে, তারা এ প্রস্তাব গ্রহণ করলে তারা মুহাজিরদের সমপরিমাণ অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা লাভ করবে এবং যেসব দায়িত্ব ও কর্তব্য মুহাজিরদের উপর অর্পিত হবে অনুরূপ তাদের উপরও অর্পিত হবে। তারা ‍নিজস্ব অবস্থান পরিবর্তন করতে সম্মত না হলে তুমি তাদেরকে জানিয়ে দিবে যে, তারা বেদুঈনদের অনুরূপ বলে বিবেচিত হবে। যা বেদুঈনদের বেলায় কার্যকর হবে তাদের বেলায়ও তাই প্রযোজ্য হবে। তারা জিহাদে যোগ না দিলে গনিমত ও ফাই হতে কিছুই পাবে না। তারা ইসলাম ধর্ম ক্ববূল করতে রাজি না হলে তুমি তাদের বিরুদ্ধে আল্লাহ্‌ তা’আলার সাহায্য প্রার্থনা কর এবং তাদের বিপক্ষে যুদ্ধ কর। তুমি কোন দুর্গ ঘেরাও করার পর তারা তোমার নিকট আল্লাহ্‌ ও তাঁর নাবীর যিম্মাদারি (নিরাপত্তা) চাইলে তুমি তাদেরকে আল্লাহ্‌ তা’আলার যিম্মাদারিও অনুমোদন করবে না আর তাঁর নাবীর যিম্মাদারিও নয়, বরং তাদের জন্য তোমার এবং তোমার সাথীদের যিম্মাদারি মঞ্জুর করবে। কেননা আল্লাহ্‌ ও তাঁর রসূলের যিম্মাদারির খেলাপ করার চেয়ে তোমার ও তোমার সাথীদের যিম্মাদারির খেলাপ করাই তোমাদের জন্য উত্তম। তুমি কোন দুর্গবাসীদের অবরোধ করার পর তারা তোমার নিকট আল্লাহ্‌ তা’আলার ফায়সালা মোতাবিক ‍দুর্গ হতে বের হয়ে আত্নসমর্পণ করতে চাইলে তুমি তা অনুমোদন করবে না, বরং তুমি তাদেরকে তোমার নিজের ফায়সালা মতো দুর্গ হতে বের করে আত্নসমর্পণ করাবে। কারণ তুমি তাদের ব্যাপারে আল্লাহ্‌ তা’আলার সঠিক ফায়সালায় পৌঁছাতে পেরেছ কি-না তা তোমার জানা নেই। অথবা তিনি একই রকম কোন কথা বলেছেন। সহীহ্‌, ইবনু মা-জাহ (২৮৫৮), মুসলিম আবূ ঈসা বলেন, নু’মান ইবনু মুকাররিন (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ বুরাইদা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটি হাসান সহীহ্। উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ আলকামা ইবনু মারসাদ (রহঃ) হতেও বর্ণিত হয়েছে। এই বর্ণনায় আরো আছেঃ তারা (ইসলাম ধর্ম ক্ববূল করতে) অস্বীকার করলে তাদের কাছ থেকে খাজনা আদায় কর। তারা তাও ফিরিয়ে দিলে তাদের বিরুদ্ধে (যুদ্ধ করার জন্য) আল্লাহ্‌র সাহায্য প্রর্থনা কর। সহীহ্‌, দেখুন পূর্বের হাদীস আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি ওয়াকী ও একাধিক বর্ণনাকারী সুফিয়ানের নিকট হতে বর্ণনা করেছেন। আবদুর রাহমান ইবনু মাহ্‌দীর সূত্রে মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার ব্যতীত অন্য বর্ণনাকারীগণ এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং তাতেও জিয্‌রার (খাজনা) উল্লেখ আছে।

সুলাইমান ইবনু বুরাইদা (রাঃ) হতে তার বাবার সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

তিনি (বুরাইদা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন বাহিনীর অধিনায়ক মনোনীত করে কাউকে পাঠানোর সময় বিশেষভাবে তার নিজের ব্যাপারে আল্লাহ্‌ তা’আলাকে ভয় করার এবং অধীনস্থ মুসলিম যোদ্ধাদের কল্যাণ কামনা করার পরামর্শ দিতেন। তিনি বলতেনঃ আল্লাহ্‌ তা’আলার নামে যুদ্ধ শুরু কর, আল্লাহ্‌ তা’আলার রাস্তায় জিহাদ কর, আল্লাহ্‌ তা’আলার সাথে অবাধ্যাচরণকারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কর, গনিমতের সম্পদ আত্মসাৎ কর না, বিশ্বাসঘাতকতা করা হতে বিরত থাক, (শত্রুসৈন্যের) মৃতব্যক্তির নাক-কান ইত্যাদি কেটে মৃতদেহ বিকৃত কর না এবং শিশুদের হত্যা কর না। তুমি মুশরিক শত্রুদের সাথে মুখোমুখি হওয়াকালে তাদেরকে তিনটি বিকল্প প্রস্তাবের যে কোন একটি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানাবে। তারা এ তিনটি প্রস্তাবের যে কোন একটি মেনে নিলে তা গ্রহণ কর এবং তাদেরকে হমলা করা হতে বিরত থাক। তুমি তাদেরকে ইসলাম ধর্ম ক্ববূল করার জন্য আহ্বান জানাবে এবং হিজরত করে মুহাজিরদের এলাকায় চলে আসতে বলবে। তাদেরকে জানিয়ে দিবে যে, তারা এ প্রস্তাব গ্রহণ করলে তারা মুহাজিরদের সমপরিমাণ অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা লাভ করবে এবং যেসব দায়িত্ব ও কর্তব্য মুহাজিরদের উপর অর্পিত হবে অনুরূপ তাদের উপরও অর্পিত হবে। তারা ‍নিজস্ব অবস্থান পরিবর্তন করতে সম্মত না হলে তুমি তাদেরকে জানিয়ে দিবে যে, তারা বেদুঈনদের অনুরূপ বলে বিবেচিত হবে। যা বেদুঈনদের বেলায় কার্যকর হবে তাদের বেলায়ও তাই প্রযোজ্য হবে। তারা জিহাদে যোগ না দিলে গনিমত ও ফাই হতে কিছুই পাবে না। তারা ইসলাম ধর্ম ক্ববূল করতে রাজি না হলে তুমি তাদের বিরুদ্ধে আল্লাহ্‌ তা’আলার সাহায্য প্রার্থনা কর এবং তাদের বিপক্ষে যুদ্ধ কর। তুমি কোন দুর্গ ঘেরাও করার পর তারা তোমার নিকট আল্লাহ্‌ ও তাঁর নাবীর যিম্মাদারি (নিরাপত্তা) চাইলে তুমি তাদেরকে আল্লাহ্‌ তা’আলার যিম্মাদারিও অনুমোদন করবে না আর তাঁর নাবীর যিম্মাদারিও নয়, বরং তাদের জন্য তোমার এবং তোমার সাথীদের যিম্মাদারি মঞ্জুর করবে। কেননা আল্লাহ্‌ ও তাঁর রসূলের যিম্মাদারির খেলাপ করার চেয়ে তোমার ও তোমার সাথীদের যিম্মাদারির খেলাপ করাই তোমাদের জন্য উত্তম। তুমি কোন দুর্গবাসীদের অবরোধ করার পর তারা তোমার নিকট আল্লাহ্‌ তা’আলার ফায়সালা মোতাবিক ‍দুর্গ হতে বের হয়ে আত্নসমর্পণ করতে চাইলে তুমি তা অনুমোদন করবে না, বরং তুমি তাদেরকে তোমার নিজের ফায়সালা মতো দুর্গ হতে বের করে আত্নসমর্পণ করাবে। কারণ তুমি তাদের ব্যাপারে আল্লাহ্‌ তা’আলার সঠিক ফায়সালায় পৌঁছাতে পেরেছ কি-না তা তোমার জানা নেই। অথবা তিনি একই রকম কোন কথা বলেছেন। সহীহ্‌, ইবনু মা-জাহ (২৮৫৮), মুসলিম আবূ ঈসা বলেন, নু’মান ইবনু মুকাররিন (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ বুরাইদা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটি হাসান সহীহ্। উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ আলকামা ইবনু মারসাদ (রহঃ) হতেও বর্ণিত হয়েছে। এই বর্ণনায় আরো আছেঃ তারা (ইসলাম ধর্ম ক্ববূল করতে) অস্বীকার করলে তাদের কাছ থেকে খাজনা আদায় কর। তারা তাও ফিরিয়ে দিলে তাদের বিরুদ্ধে (যুদ্ধ করার জন্য) আল্লাহ্‌র সাহায্য প্রর্থনা কর। সহীহ্‌, দেখুন পূর্বের হাদীস আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি ওয়াকী ও একাধিক বর্ণনাকারী সুফিয়ানের নিকট হতে বর্ণনা করেছেন। আবদুর রাহমান ইবনু মাহ্‌দীর সূত্রে মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার ব্যতীত অন্য বর্ণনাকারীগণ এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং তাতেও জিয্‌রার (খাজনা) উল্লেখ আছে।

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن سفيان، عن علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة، عن أبيه، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا بعث أميرا على جيش أوصاه في خاصة نفسه بتقوى الله ومن معه من المسلمين خيرا وقال ‏ "‏ اغزوا بسم الله وفي سبيل الله قاتلوا من كفر بالله ولا تغلوا ولا تغدروا ولا تمثلوا ولا تقتلوا وليدا فإذا لقيت عدوك من المشركين فادعهم إلى إحدى ثلاث خصال أو خلال أيتها أجابوك فاقبل منهم وكف عنهم ادعهم إلى الإسلام والتحول من دارهم إلى دار المهاجرين وأخبرهم إن فعلوا ذلك فإن لهم ما للمهاجرين وعليهم ما على المهاجرين وإن أبوا أن يتحولوا فأخبرهم أنهم يكونوا كأعراب المسلمين يجري عليهم ما يجري على الأعراب ليس لهم في الغنيمة والفىء شيء إلا أن يجاهدوا فإن أبوا فاستعن بالله عليهم وقاتلهم وإذا حاصرت حصنا فأرادوك أن تجعل لهم ذمة الله وذمة نبيه فلا تجعل لهم ذمة الله ولا ذمة نبيه واجعل لهم ذمتك وذمم أصحابك لأنكم إن تخفروا ذمتكم وذمم أصحابكم خير من أن تخفروا ذمة الله وذمة رسوله وإذا حاصرت أهل حصن فأرادوك أن تنزلهم على حكم الله فلا تنزلوهم ولكن أنزلهم على حكمك فإنك لا تدري أتصيب حكم الله فيهم أم لا ‏"‏ ‏.‏ أو نحو هذا ‏.‏ قال أبو عيسى وفي الباب عن النعمان بن مقرن ‏.‏ وحديث بريدة حديث حسن صحيح ‏.‏ حدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو أحمد، عن سفيان، عن علقمة بن مرثد، نحوه بمعناه وزاد فيه ‏ "‏ فإن أبوا فخذ منهم الجزية فإن أبوا فاستعن بالله عليهم ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هكذا رواه وكيع وغير واحد عن سفيان، ‏.‏ وروى غير، محمد بن بشار عن عبد الرحمن بن مهدي، وذكر، فيه أمر الجزية ‏.‏


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00