জামে' আত-তিরমিজি > কোন লোক নিজ স্ত্রীর বাঁদীর উপর পতিত হলে (সংগম করলে)
জামে' আত-তিরমিজি ১৪৫১
حدثنا علي بن حجر، حدثنا هشيم، عن سعيد بن أبي عروبة، وأيوب بن مسكين، عن قتادة، عن حبيب بن سالم، قال رفع إلى النعمان بن بشير رجل وقع على جارية امرأته فقال لأقضين فيها بقضاء رسول الله صلى الله عليه وسلم لئن كانت أحلتها له لأجلدنه مائة وإن لم تكن أحلتها له رجمته .
হাবীব ইবনু সালিম (রাহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর বাঁদীর সাথে যেনা করলে তাকে নুমান ইবনু বাশীর (রাঃ)-এর নিকটে আনা হয়। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আমি অবশ্যই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ফায়সালার মতই ফায়সালা করব। যদি তার স্ত্রী এই বাঁদীকে তার জন্য হালাল করে দিয়ে থাকে তবে আমি এই ব্যক্তিকে এক শত বেত্রাঘাত করব। যদি সে তাকে স্বামীর জন্য হালাল করে না দিয়ে থাকে তবে আমি তাকে রজম (পাথর মেরে হত্যা) করব। যঈফ, ইবনু মাজাহ (২৫৫১)
হাবীব ইবনু সালিম (রাহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর বাঁদীর সাথে যেনা করলে তাকে নুমান ইবনু বাশীর (রাঃ)-এর নিকটে আনা হয়। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আমি অবশ্যই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ফায়সালার মতই ফায়সালা করব। যদি তার স্ত্রী এই বাঁদীকে তার জন্য হালাল করে দিয়ে থাকে তবে আমি এই ব্যক্তিকে এক শত বেত্রাঘাত করব। যদি সে তাকে স্বামীর জন্য হালাল করে না দিয়ে থাকে তবে আমি তাকে রজম (পাথর মেরে হত্যা) করব। যঈফ, ইবনু মাজাহ (২৫৫১)
حدثنا علي بن حجر، حدثنا هشيم، عن سعيد بن أبي عروبة، وأيوب بن مسكين، عن قتادة، عن حبيب بن سالم، قال رفع إلى النعمان بن بشير رجل وقع على جارية امرأته فقال لأقضين فيها بقضاء رسول الله صلى الله عليه وسلم لئن كانت أحلتها له لأجلدنه مائة وإن لم تكن أحلتها له رجمته .
জামে' আত-তিরমিজি ১৪৫২
حدثنا علي بن حجر، حدثنا هشيم، عن أبي بشر، عن حبيب بن سالم، عن النعمان بن بشير، نحوه . قال وفي الباب عن سلمة بن المحبق، . قال أبو عيسى حديث النعمان في إسناده اضطراب . قال سمعت محمدا يقول لم يسمع قتادة من حبيب بن سالم هذا الحديث إنما رواه عن خالد بن عرفطة . ويروى عن قتادة أنه قال كتب به إلى حبيب بن سالم . وأبو بشر لم يسمع من حبيب بن سالم هذا أيضا إنما رواه عن خالد بن عرفطة . قال أبو عيسى وقد اختلف أهل العلم في الرجل يقع على جارية امرأته فروي عن غير واحد من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم منهم علي وابن عمر أن عليه الرجم . وقال ابن مسعود ليس عليه حد ولكن يعزر . وذهب أحمد وإسحاق إلى ما روى النعمان بن بشير عن النبي صلى الله عليه وسلم .
আলী ইবনু হুজর-হুশাইম থেকে বর্নিতঃ
আলী ইবনু হুজর-হুশাইম হতে, তিনি আবূ বিশর হতে, তিনি হাবীব ইবনু সালিম হতে, তিনি নুমান ইবনু বাশীর (রাঃ) হতে (উপরের হাদীসের) একই রকম বর্ণনা করেছেন। -দেখুন পূর্বের হাদীস কাতাদা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ এ প্রসঙ্গে হাবীব ইবনু সালিমের নিকট লিখা হয়েছিল। আবূ বিশর এ হাদীসটি হাবীব ইবনু সালিমের নিকট হতে শুনেননি। তিনি এটা খালিদ ইবনু উরফুতার সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এ অনুচ্ছেদে সালামা ইবনুল মুহাব্বাক (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, নুমান (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের সনদে অস্থিরতা আছে। তিনি আরও বলেন, আমি মুহাম্মাদ (বুখারী)-কে বলতে শুনেছি যে, কাতাদা এ হাদীসটি হাবীব ইবনু সালিম হতে শুনেননি। তিনি খালিদ ইবনু উরফুতা (রাহঃ) হতে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। যে ব্যক্তি নিজ স্ত্রীর ক্রীতদাসীর সাথে যেনা করে তার শাস্তি প্রসঙ্গে বিশেষজ্ঞ আলিমদের মাঝে মতের অমিল আছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একাধিক বিশেষজ্ঞ সাহাবী, যেমন আলী ও ইবনু উমার (রাঃ)-এর মতে, তাকে রজম (পাথর মেরে হত্যা) করতে হবে। ইবনু মাসঊদ (রাঃ) বলেন, তার উপর হাদ্দ কার্যকর হবে না, বরং তাকে তাযীরের আওতায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। ইমাম আহ্মাদ ও ইসহাক (রাহঃ) নুমান (রাঃ)-এর হাদীসের বক্তব্য অনুযায়ী মত দিয়েছেন।
আলী ইবনু হুজর-হুশাইম থেকে বর্নিতঃ
আলী ইবনু হুজর-হুশাইম হতে, তিনি আবূ বিশর হতে, তিনি হাবীব ইবনু সালিম হতে, তিনি নুমান ইবনু বাশীর (রাঃ) হতে (উপরের হাদীসের) একই রকম বর্ণনা করেছেন। -দেখুন পূর্বের হাদীস কাতাদা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ এ প্রসঙ্গে হাবীব ইবনু সালিমের নিকট লিখা হয়েছিল। আবূ বিশর এ হাদীসটি হাবীব ইবনু সালিমের নিকট হতে শুনেননি। তিনি এটা খালিদ ইবনু উরফুতার সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এ অনুচ্ছেদে সালামা ইবনুল মুহাব্বাক (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, নুমান (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের সনদে অস্থিরতা আছে। তিনি আরও বলেন, আমি মুহাম্মাদ (বুখারী)-কে বলতে শুনেছি যে, কাতাদা এ হাদীসটি হাবীব ইবনু সালিম হতে শুনেননি। তিনি খালিদ ইবনু উরফুতা (রাহঃ) হতে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। যে ব্যক্তি নিজ স্ত্রীর ক্রীতদাসীর সাথে যেনা করে তার শাস্তি প্রসঙ্গে বিশেষজ্ঞ আলিমদের মাঝে মতের অমিল আছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একাধিক বিশেষজ্ঞ সাহাবী, যেমন আলী ও ইবনু উমার (রাঃ)-এর মতে, তাকে রজম (পাথর মেরে হত্যা) করতে হবে। ইবনু মাসঊদ (রাঃ) বলেন, তার উপর হাদ্দ কার্যকর হবে না, বরং তাকে তাযীরের আওতায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। ইমাম আহ্মাদ ও ইসহাক (রাহঃ) নুমান (রাঃ)-এর হাদীসের বক্তব্য অনুযায়ী মত দিয়েছেন।
حدثنا علي بن حجر، حدثنا هشيم، عن أبي بشر، عن حبيب بن سالم، عن النعمان بن بشير، نحوه . قال وفي الباب عن سلمة بن المحبق، . قال أبو عيسى حديث النعمان في إسناده اضطراب . قال سمعت محمدا يقول لم يسمع قتادة من حبيب بن سالم هذا الحديث إنما رواه عن خالد بن عرفطة . ويروى عن قتادة أنه قال كتب به إلى حبيب بن سالم . وأبو بشر لم يسمع من حبيب بن سالم هذا أيضا إنما رواه عن خالد بن عرفطة . قال أبو عيسى وقد اختلف أهل العلم في الرجل يقع على جارية امرأته فروي عن غير واحد من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم منهم علي وابن عمر أن عليه الرجم . وقال ابن مسعود ليس عليه حد ولكن يعزر . وذهب أحمد وإسحاق إلى ما روى النعمان بن بشير عن النبي صلى الله عليه وسلم .
জামে' আত-তিরমিজি > জোরপূর্বক যে নারীকে ধর্ষণ করা হয়েছে
জামে' আত-তিরমিজি ১৪৫৩
حدثنا علي بن حجر، حدثنا معمر بن سليمان الرقي، عن الحجاج بن أرطاة، عن عبد الجبار بن وائل بن حجر، عن أبيه، قال استكرهت امرأة على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فدرأ عنها رسول الله صلى الله عليه وسلم الحد وأقامه على الذي أصابها ولم يذكر أنه جعل لها مهرا . قال أبو عيسى هذا حديث غريب وليس إسناده بمتصل وقد روي هذا الحديث من غير هذا الوجه . قال سمعت محمدا يقول عبد الجبار بن وائل بن حجر لم يسمع من أبيه ولا أدركه يقال إنه ولد بعد موت أبيه بأشهر . والعمل على هذا عند أهل العلم من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم أن ليس على المستكرهة حد .
আবদুল জাব্বার ইবনু ওয়াইল ইবনু হুজর (রাঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি (ওয়াইল ইবনু হুজর) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে একটি স্ত্রীলোককে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্ত্রীলোকটিকে হাদ্দ (যেনার শাস্তি) হতে মুক্তি দেন, কিন্তু তার ধর্ষণকারীর উপর হাদ্দ (যেনার শাস্তি) কার্যকর করেন। তিনি তার জন্য মোহর নির্ধারণ করেছেন কি-না রাবী তা বর্ণনা করেন নি। যঈফ, মিশকাত (৩৫৭১), আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। এর সনদ পরস্পর সংযুক্ত (মুত্তাসিল) নয়। অন্য সূত্রেও এ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। আমি ইমাম বুখারীকে বলতে শুনেছি, আবদুল জাব্বার তার পিতা ওয়াইলের নিকট হতে হাদীস শুনার কোন সুযোগই পাননি এবং তাকে দেখেনওনি। কথিত আছে যে, তিনি তার পিতার মৃত্যুর কয়েক মাস পর জন্মগ্রহণ করেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বিশেষজ্ঞ সাহাবীগণ ও তৎপরবর্তী আলিমগণ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। তাদের মতে, যে নারীকে জোরপূর্বক যেনায় লিপ্ত হতে বাধ্য করা হয় অর্থাৎ যাকে ধর্ষণ করা হয় সে হাদ্দমুক্ত (যেনার শাস্তিমুক্ত)।
আবদুল জাব্বার ইবনু ওয়াইল ইবনু হুজর (রাঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি (ওয়াইল ইবনু হুজর) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে একটি স্ত্রীলোককে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্ত্রীলোকটিকে হাদ্দ (যেনার শাস্তি) হতে মুক্তি দেন, কিন্তু তার ধর্ষণকারীর উপর হাদ্দ (যেনার শাস্তি) কার্যকর করেন। তিনি তার জন্য মোহর নির্ধারণ করেছেন কি-না রাবী তা বর্ণনা করেন নি। যঈফ, মিশকাত (৩৫৭১), আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। এর সনদ পরস্পর সংযুক্ত (মুত্তাসিল) নয়। অন্য সূত্রেও এ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। আমি ইমাম বুখারীকে বলতে শুনেছি, আবদুল জাব্বার তার পিতা ওয়াইলের নিকট হতে হাদীস শুনার কোন সুযোগই পাননি এবং তাকে দেখেনওনি। কথিত আছে যে, তিনি তার পিতার মৃত্যুর কয়েক মাস পর জন্মগ্রহণ করেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বিশেষজ্ঞ সাহাবীগণ ও তৎপরবর্তী আলিমগণ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। তাদের মতে, যে নারীকে জোরপূর্বক যেনায় লিপ্ত হতে বাধ্য করা হয় অর্থাৎ যাকে ধর্ষণ করা হয় সে হাদ্দমুক্ত (যেনার শাস্তিমুক্ত)।
حدثنا علي بن حجر، حدثنا معمر بن سليمان الرقي، عن الحجاج بن أرطاة، عن عبد الجبار بن وائل بن حجر، عن أبيه، قال استكرهت امرأة على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فدرأ عنها رسول الله صلى الله عليه وسلم الحد وأقامه على الذي أصابها ولم يذكر أنه جعل لها مهرا . قال أبو عيسى هذا حديث غريب وليس إسناده بمتصل وقد روي هذا الحديث من غير هذا الوجه . قال سمعت محمدا يقول عبد الجبار بن وائل بن حجر لم يسمع من أبيه ولا أدركه يقال إنه ولد بعد موت أبيه بأشهر . والعمل على هذا عند أهل العلم من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم أن ليس على المستكرهة حد .
জামে' আত-তিরমিজি ১৪৫৪
حدثنا محمد بن يحيى النيسابوري، حدثنا محمد بن يوسف، عن إسرائيل، حدثنا سماك بن حرب، عن علقمة بن وائل الكندي، عن أبيه، أن امرأة، خرجت على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم تريد الصلاة فتلقاها رجل فتجللها فقضى حاجته منها فصاحت فانطلق ومر عليها رجل فقالت إن ذاك الرجل فعل بي كذا وكذا . ومرت بعصابة من المهاجرين فقالت إن ذاك الرجل فعل بي كذا وكذا . فانطلقوا فأخذوا الرجل الذي ظنت أنه وقع عليها وأتوها فقالت نعم هو هذا . فأتوا به رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما أمر به ليرجم قام صاحبها الذي وقع عليها فقال يا رسول الله أنا صاحبها . فقال لها " اذهبي فقد غفر الله لك " . وقال للرجل قولا حسنا وقال للرجل الذي وقع عليها " ارجموه " . وقال " لقد تاب توبة لو تابها أهل المدينة لقبل منهم " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح . وعلقمة بن وائل بن حجر سمع من أبيه وهو أكبر من عبد الجبار بن وائل وعبد الجبار بن وائل لم يسمع من أبيه .
আলকামা ইবনু ওয়াইল (রহঃ) হতে তার বাবা থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যামানায় একজন মহিলা নামায আদায়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করলো। রাস্তায় একজন লোক তার সামনে পড়ে এবং সে তাকে তার পোশাকে ঢেকে নিয়ে (জাপটে ধরে) নিজের প্রয়োজন মিটায় (ধর্ষণ করে)। মহিলাটি চিৎকার করলে লোকটি পালিয়ে গেল। তারপর আরেকজন লোক তার সম্মুখ দিয়ে যাচ্ছিল। মহিলাটি বলল ঐ লোকটি আমার সাথে এই এই করেছে। ইতিমধ্যে মুহাজির সাহাবীদের একটি দলও সে স্থান দিয়ে যাচ্ছিল। মহিলাটি বলল, ঐ লোকটি আমার সাথে এই এই করেছে। যে লোকটি তাকে ধর্ষণ করেছে বলে সে ধারণা করল, তারা (দৌঁড়ে) গিয়ে তাকে ধরে ফেলেন। তাকে নিয়ে তারা মহিলাটির সামনে ফিরে আসলে সে বলল, হ্যাঁ, এই সেই লোক। তারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট তাকে নিয়ে আসেন। তিনি যখন তাকে রজমের (পাথর মেরে হত্যা) হুকুম দিলেন, সে সময় তার আসল ধর্ষণকারী উপস্থিত হয়ে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি তার ধর্ষণকারী (ঐ লোকটি নয়)। তিনি মহিলাটিকে বললেনঃ যাও, তোমাকে আল্লাহ তা‘আলা মাফ করে দিয়েছেন। তিনি (সন্দেহজনকভাবে) ধৃত লোকটির সম্বন্ধে ভাল কথা বললেন। মহিলাটির আসল ধর্ষণকারীর সম্পর্কে তিনি হুকুম করলেনঃ একে রজম কর। তিনি আরও বললেনঃ সে এমন ধরণের তাওবা করেছে, যদি মাদীনার সকল জনগণ এমন তাওবা করে তবে তাদের সেই তাওবা ক্ববূল করা হবে। হাসান, তাকে রজম কর বাক্য ব্যতীত। সঠিক বক্তব্য হল তাকে রজম করা হয় নাই। মিশকাত (৩৫৭২) সহীহাহ (৯০০)
আলকামা ইবনু ওয়াইল (রহঃ) হতে তার বাবা থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যামানায় একজন মহিলা নামায আদায়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করলো। রাস্তায় একজন লোক তার সামনে পড়ে এবং সে তাকে তার পোশাকে ঢেকে নিয়ে (জাপটে ধরে) নিজের প্রয়োজন মিটায় (ধর্ষণ করে)। মহিলাটি চিৎকার করলে লোকটি পালিয়ে গেল। তারপর আরেকজন লোক তার সম্মুখ দিয়ে যাচ্ছিল। মহিলাটি বলল ঐ লোকটি আমার সাথে এই এই করেছে। ইতিমধ্যে মুহাজির সাহাবীদের একটি দলও সে স্থান দিয়ে যাচ্ছিল। মহিলাটি বলল, ঐ লোকটি আমার সাথে এই এই করেছে। যে লোকটি তাকে ধর্ষণ করেছে বলে সে ধারণা করল, তারা (দৌঁড়ে) গিয়ে তাকে ধরে ফেলেন। তাকে নিয়ে তারা মহিলাটির সামনে ফিরে আসলে সে বলল, হ্যাঁ, এই সেই লোক। তারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট তাকে নিয়ে আসেন। তিনি যখন তাকে রজমের (পাথর মেরে হত্যা) হুকুম দিলেন, সে সময় তার আসল ধর্ষণকারী উপস্থিত হয়ে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি তার ধর্ষণকারী (ঐ লোকটি নয়)। তিনি মহিলাটিকে বললেনঃ যাও, তোমাকে আল্লাহ তা‘আলা মাফ করে দিয়েছেন। তিনি (সন্দেহজনকভাবে) ধৃত লোকটির সম্বন্ধে ভাল কথা বললেন। মহিলাটির আসল ধর্ষণকারীর সম্পর্কে তিনি হুকুম করলেনঃ একে রজম কর। তিনি আরও বললেনঃ সে এমন ধরণের তাওবা করেছে, যদি মাদীনার সকল জনগণ এমন তাওবা করে তবে তাদের সেই তাওবা ক্ববূল করা হবে। হাসান, তাকে রজম কর বাক্য ব্যতীত। সঠিক বক্তব্য হল তাকে রজম করা হয় নাই। মিশকাত (৩৫৭২) সহীহাহ (৯০০)
حدثنا محمد بن يحيى النيسابوري، حدثنا محمد بن يوسف، عن إسرائيل، حدثنا سماك بن حرب، عن علقمة بن وائل الكندي، عن أبيه، أن امرأة، خرجت على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم تريد الصلاة فتلقاها رجل فتجللها فقضى حاجته منها فصاحت فانطلق ومر عليها رجل فقالت إن ذاك الرجل فعل بي كذا وكذا . ومرت بعصابة من المهاجرين فقالت إن ذاك الرجل فعل بي كذا وكذا . فانطلقوا فأخذوا الرجل الذي ظنت أنه وقع عليها وأتوها فقالت نعم هو هذا . فأتوا به رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما أمر به ليرجم قام صاحبها الذي وقع عليها فقال يا رسول الله أنا صاحبها . فقال لها " اذهبي فقد غفر الله لك " . وقال للرجل قولا حسنا وقال للرجل الذي وقع عليها " ارجموه " . وقال " لقد تاب توبة لو تابها أهل المدينة لقبل منهم " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب صحيح . وعلقمة بن وائل بن حجر سمع من أبيه وهو أكبر من عبد الجبار بن وائل وعبد الجبار بن وائل لم يسمع من أبيه .
জামে' আত-তিরমিজি > কোন মানুষ পশুর সাথে কু-কর্মে লিপ্ত হলে
জামে' আত-তিরমিজি ১৪৫৫
حدثنا محمد بن عمرو السواق، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن عمرو بن أبي عمرو، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من وجدتموه وقع على بهيمة فاقتلوه واقتلوا البهيمة " . فقيل لابن عباس ما شأن البهيمة قال ما سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم في ذلك شيئا ولكن أرى رسول الله كره أن يؤكل من لحمها أو ينتفع بها وقد عمل بها ذلك العمل . قال أبو عيسى هذا حديث لا نعرفه إلا من حديث عمرو بن أبي عمرو عن عكرمة عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم . وقد روى سفيان الثوري، عن عاصم، عن أبي رزين، عن ابن عباس، أنه قال من أتى بهيمة فلا حد عليه . حدثنا بذلك محمد بن بشار حدثنا عبد الرحمن بن مهدي حدثنا سفيان الثوري . وهذا أصح من الحديث الأول . والعمل على هذا عند أهل العلم وهو قول أحمد وإسحاق .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা যে মানুষকে পশুর সাথে কু-কর্মে লিপ্ত দেখ, তাকে এবং পশুটিকে হত্যা কর। হাসান সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (২৫৬৪)
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা যে মানুষকে পশুর সাথে কু-কর্মে লিপ্ত দেখ, তাকে এবং পশুটিকে হত্যা কর। হাসান সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (২৫৬৪)
حدثنا محمد بن عمرو السواق، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن عمرو بن أبي عمرو، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من وجدتموه وقع على بهيمة فاقتلوه واقتلوا البهيمة " . فقيل لابن عباس ما شأن البهيمة قال ما سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم في ذلك شيئا ولكن أرى رسول الله كره أن يؤكل من لحمها أو ينتفع بها وقد عمل بها ذلك العمل . قال أبو عيسى هذا حديث لا نعرفه إلا من حديث عمرو بن أبي عمرو عن عكرمة عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم . وقد روى سفيان الثوري، عن عاصم، عن أبي رزين، عن ابن عباس، أنه قال من أتى بهيمة فلا حد عليه . حدثنا بذلك محمد بن بشار حدثنا عبد الرحمن بن مهدي حدثنا سفيان الثوري . وهذا أصح من الحديث الأول . والعمل على هذا عند أهل العلم وهو قول أحمد وإسحاق .
জামে' আত-তিরমিজি ১৪৫৫
حدثنا محمد بن عمرو السواق، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن عمرو بن أبي عمرو، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من وجدتموه وقع على بهيمة فاقتلوه واقتلوا البهيمة " . فقيل لابن عباس ما شأن البهيمة قال ما سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم في ذلك شيئا ولكن أرى رسول الله كره أن يؤكل من لحمها أو ينتفع بها وقد عمل بها ذلك العمل . قال أبو عيسى هذا حديث لا نعرفه إلا من حديث عمرو بن أبي عمرو عن عكرمة عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم . وقد روى سفيان الثوري، عن عاصم، عن أبي رزين، عن ابن عباس، أنه قال من أتى بهيمة فلا حد عليه . حدثنا بذلك محمد بن بشار حدثنا عبد الرحمن بن مهدي حدثنا سفيان الثوري . وهذا أصح من الحديث الأول . والعمل على هذا عند أهل العلم وهو قول أحمد وإسحاق .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা যে মানুষকে পশুর সাথে কু-কর্মে লিপ্ত দেখ, তাকে এবং পশুটিকে হত্যা কর। হাসান সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (২৫৬৪)
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা যে মানুষকে পশুর সাথে কু-কর্মে লিপ্ত দেখ, তাকে এবং পশুটিকে হত্যা কর। হাসান সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (২৫৬৪)
حدثنا محمد بن عمرو السواق، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن عمرو بن أبي عمرو، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من وجدتموه وقع على بهيمة فاقتلوه واقتلوا البهيمة " . فقيل لابن عباس ما شأن البهيمة قال ما سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم في ذلك شيئا ولكن أرى رسول الله كره أن يؤكل من لحمها أو ينتفع بها وقد عمل بها ذلك العمل . قال أبو عيسى هذا حديث لا نعرفه إلا من حديث عمرو بن أبي عمرو عن عكرمة عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم . وقد روى سفيان الثوري، عن عاصم، عن أبي رزين، عن ابن عباس، أنه قال من أتى بهيمة فلا حد عليه . حدثنا بذلك محمد بن بشار حدثنا عبد الرحمن بن مهدي حدثنا سفيان الثوري . وهذا أصح من الحديث الأول . والعمل على هذا عند أهل العلم وهو قول أحمد وإسحاق .
জামে' আত-তিরমিজি ১৪৫৫
حدثنا محمد بن عمرو السواق، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن عمرو بن أبي عمرو، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من وجدتموه وقع على بهيمة فاقتلوه واقتلوا البهيمة " . فقيل لابن عباس ما شأن البهيمة قال ما سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم في ذلك شيئا ولكن أرى رسول الله كره أن يؤكل من لحمها أو ينتفع بها وقد عمل بها ذلك العمل . قال أبو عيسى هذا حديث لا نعرفه إلا من حديث عمرو بن أبي عمرو عن عكرمة عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم . وقد روى سفيان الثوري، عن عاصم، عن أبي رزين، عن ابن عباس، أنه قال من أتى بهيمة فلا حد عليه . حدثنا بذلك محمد بن بشار حدثنا عبد الرحمن بن مهدي حدثنا سفيان الثوري . وهذا أصح من الحديث الأول . والعمل على هذا عند أهل العلم وهو قول أحمد وإسحاق .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা যে মানুষকে পশুর সাথে কু-কর্মে লিপ্ত দেখ, তাকে এবং পশুটিকে হত্যা কর। হাসান সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (২৫৬৪)
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা যে মানুষকে পশুর সাথে কু-কর্মে লিপ্ত দেখ, তাকে এবং পশুটিকে হত্যা কর। হাসান সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (২৫৬৪)
حدثنا محمد بن عمرو السواق، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن عمرو بن أبي عمرو، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من وجدتموه وقع على بهيمة فاقتلوه واقتلوا البهيمة " . فقيل لابن عباس ما شأن البهيمة قال ما سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم في ذلك شيئا ولكن أرى رسول الله كره أن يؤكل من لحمها أو ينتفع بها وقد عمل بها ذلك العمل . قال أبو عيسى هذا حديث لا نعرفه إلا من حديث عمرو بن أبي عمرو عن عكرمة عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم . وقد روى سفيان الثوري، عن عاصم، عن أبي رزين، عن ابن عباس، أنه قال من أتى بهيمة فلا حد عليه . حدثنا بذلك محمد بن بشار حدثنا عبد الرحمن بن مهدي حدثنا سفيان الثوري . وهذا أصح من الحديث الأول . والعمل على هذا عند أهل العلم وهو قول أحمد وإسحاق .
জামে' আত-তিরমিজি > পায়ুকামী বা সমকামীর শাস্তি
জামে' আত-তিরমিজি ১৪৫৭
حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا يزيد بن هارون، حدثنا همام، عن القاسم بن عبد الواحد المكي، عن عبد الله بن محمد بن عقيل، أنه سمع جابرا، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن أخوف ما أخاف على أمتي عمل قوم لوط " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب إنما نعرفه من هذا الوجه عن عبد الله بن محمد بن عقيل بن أبي طالب عن جابر .
আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আকীল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জাবির (রাঃ) -কে আমি বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি যে কুকর্মটি আমার উম্মাতের মাঝে ছড়িয়ে পড়ার সর্বাধিক ভয় করি তা হল লূত সম্প্রদায়ের কুকর্ম। হাসান, ইবনু মা-জাহ (২৫৬৩)
আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আকীল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জাবির (রাঃ) -কে আমি বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি যে কুকর্মটি আমার উম্মাতের মাঝে ছড়িয়ে পড়ার সর্বাধিক ভয় করি তা হল লূত সম্প্রদায়ের কুকর্ম। হাসান, ইবনু মা-জাহ (২৫৬৩)
حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا يزيد بن هارون، حدثنا همام، عن القاسم بن عبد الواحد المكي، عن عبد الله بن محمد بن عقيل، أنه سمع جابرا، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن أخوف ما أخاف على أمتي عمل قوم لوط " . قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب إنما نعرفه من هذا الوجه عن عبد الله بن محمد بن عقيل بن أبي طالب عن جابر .
জামে' আত-তিরমিজি ১৪৫৬
حدثنا محمد بن عمرو السواق، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن عمرو بن أبي عمرو، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من وجدتموه يعمل عمل قوم لوط فاقتلوا الفاعل والمفعول به " . قال وفي الباب عن جابر وأبي هريرة . قال أبو عيسى وإنما يعرف هذا الحديث عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم من هذا الوجه وروى محمد بن إسحاق هذا الحديث عن عمرو بن أبي عمرو فقال " ملعون من عمل عمل قوم لوط " . ولم يذكر فيه القتل وذكر فيه ملعون من أتى بهيمة . وقد روي هذا الحديث عن عاصم بن عمر عن سهيل بن أبي صالح عن أبيه عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اقتلوا الفاعل والمفعول به " . قال أبو عيسى هذا حديث في إسناده مقال ولا نعرف أحدا رواه عن سهيل بن أبي صالح غير عاصم بن عمر العمري . وعاصم بن عمر يضعف في الحديث من قبل حفظه . واختلف أهل العلم في حد اللوطي فرأى بعضهم أن عليه الرجم أحصن أو لم يحصن وهذا قول مالك والشافعي وأحمد وإسحاق . وقال بعض أهل العلم من فقهاء التابعين منهم الحسن البصري وإبراهيم النخعي وعطاء بن أبي رباح وغيرهم قالوا حد اللوطي حد الزاني وهو قول الثوري وأهل الكوفة .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা যে মানুষকে লূত সম্প্রদায়ের কুকর্মে (সমকামিতায়) নিয়োজিত পাবে সেই কুকর্মকারীকে এবং যার সাথে কুকর্ম করা হয়েছে তাকে মেরে ফেলবে। সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (৩৫৬১)
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা যে মানুষকে লূত সম্প্রদায়ের কুকর্মে (সমকামিতায়) নিয়োজিত পাবে সেই কুকর্মকারীকে এবং যার সাথে কুকর্ম করা হয়েছে তাকে মেরে ফেলবে। সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (৩৫৬১)
حدثنا محمد بن عمرو السواق، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن عمرو بن أبي عمرو، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من وجدتموه يعمل عمل قوم لوط فاقتلوا الفاعل والمفعول به " . قال وفي الباب عن جابر وأبي هريرة . قال أبو عيسى وإنما يعرف هذا الحديث عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم من هذا الوجه وروى محمد بن إسحاق هذا الحديث عن عمرو بن أبي عمرو فقال " ملعون من عمل عمل قوم لوط " . ولم يذكر فيه القتل وذكر فيه ملعون من أتى بهيمة . وقد روي هذا الحديث عن عاصم بن عمر عن سهيل بن أبي صالح عن أبيه عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اقتلوا الفاعل والمفعول به " . قال أبو عيسى هذا حديث في إسناده مقال ولا نعرف أحدا رواه عن سهيل بن أبي صالح غير عاصم بن عمر العمري . وعاصم بن عمر يضعف في الحديث من قبل حفظه . واختلف أهل العلم في حد اللوطي فرأى بعضهم أن عليه الرجم أحصن أو لم يحصن وهذا قول مالك والشافعي وأحمد وإسحاق . وقال بعض أهل العلم من فقهاء التابعين منهم الحسن البصري وإبراهيم النخعي وعطاء بن أبي رباح وغيرهم قالوا حد اللوطي حد الزاني وهو قول الثوري وأهل الكوفة .