জামে' আত-তিরমিজি > লিআনের বর্ণনা

জামে' আত-তিরমিজি ১২০৩

أنبأنا قتيبة، أنبأنا مالك بن أنس، عن نافع، عن ابن عمر، قال لاعن رجل امرأته وفرق النبي صلى الله عليه وسلم بينهما وألحق الولد بالأم ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ والعمل على هذا عند أهل العلم ‏.‏

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক লোক তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে লিআন করল। তাদের বিয়ে বন্ধনকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ছিন্ন করে দেন এবং সন্তানটিকে তার মায়ের সাথে সম্পৃক্ত করেন। সহীহ্‌, ইবনু মাজাহ- (২০৬৯), নাসাঈ

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক লোক তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে লিআন করল। তাদের বিয়ে বন্ধনকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ছিন্ন করে দেন এবং সন্তানটিকে তার মায়ের সাথে সম্পৃক্ত করেন। সহীহ্‌, ইবনু মাজাহ- (২০৬৯), নাসাঈ

أنبأنا قتيبة، أنبأنا مالك بن أنس، عن نافع، عن ابن عمر، قال لاعن رجل امرأته وفرق النبي صلى الله عليه وسلم بينهما وألحق الولد بالأم ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ والعمل على هذا عند أهل العلم ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি ১২০২

حدثنا هناد، حدثنا عبدة بن سليمان، عن عبد الملك بن أبي سليمان، عن سعيد بن جبير، قال سئلت عن المتلاعنين، في إمارة مصعب بن الزبير أيفرق بينهما فما دريت ما أقول فقمت مكاني إلى منزل عبد الله بن عمر استأذنت عليه فقيل لي إنه قائل ‏.‏ فسمع كلامي فقال ابن جبير ادخل ما جاء بك إلا حاجة ‏.‏ قال فدخلت فإذا هو مفترش بردعة رحل له ‏.‏ فقلت يا أبا عبد الرحمن المتلاعنان أيفرق بينهما قال سبحان الله نعم إن أول من سأل عن ذلك فلان بن فلان أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله أرأيت لو أن أحدنا رأى امرأته على فاحشة كيف يصنع إن تكلم تكلم بأمر عظيم وإن سكت سكت على أمر عظيم ‏.‏ قال فسكت النبي صلى الله عليه وسلم فلم يجبه فلما كان بعد ذلك أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال إن الذي سألتك عنه قد ابتليت به ‏.‏ فأنزل الله هذه الآيات التي في سورة النور ‏:‏ ‏(‏والذين يرمون أزواجهم ولم يكن لهم شهداء إلا أنفسهم ‏)‏ حتى ختم الآيات فدعا الرجل فتلا الآيات عليه ووعظه وذكره وأخبره أن عذاب الدنيا أهون من عذاب الآخرة ‏.‏ فقال لا والذي بعثك بالحق ما كذبت عليها ‏.‏ ثم ثنى بالمرأة فوعظها وذكرها وأخبرها أن عذاب الدنيا أهون من عذاب الآخرة فقالت لا والذي بعثك بالحق ما صدق ‏.‏ قال فبدأ بالرجل فشهد أربع شهادات بالله إنه لمن الصادقين والخامسة أن لعنة الله عليه إن كان من الكاذبين ‏.‏ ثم ثنى بالمرأة فشهدت أربع شهادات بالله إنه لمن الكاذبين والخامسة أن غضب الله عليها إن كان من الصادقين ‏.‏ ثم فرق بينهما ‏.‏ قال وفي الباب عن سهل بن سعد وابن عباس وابن مسعود وحذيفة ‏.‏ قال أبو عيسى حديث ابن عمر حديث حسن صحيح والعمل على هذا الحديث عند أهل العلم ‏.‏

সাঈদ ইবনু জুবাইর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মুসআব ইবনু যুবাইরের শাসনামলে এক জোড়া লিআনকারী (দম্পতি) প্রসঙ্গে আমাকে প্রশ্ন করা হলঃ তাদেরকে আলাদা করে দেয়া হবে কি-না। আমি এই প্রসঙ্গে কি বলব তা সঠিক অনুমান করতে পারলাম না। আমি আমার ঘর হতে বেরিয়ে সোজা আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-এর ঘরের দরজার সামনে এলাম এবং তার সাথে সাক্ষাতের জন্য প্রবেশের অনুমতি চাইলাম। আমাকে বলা হল, তিনি দুপুরের খাবার খেয়ে বিশ্রাম নিচ্ছেন। তিনি ভিতর হতে আমার কথা শুনে বললেন, ইবনু জুবাইর? ভিতরে প্রবেশ কর। নিশ্চয়ই কোন জরুরী বিষয় নিয়ে তুমি এসেছ। বর্ণনাকারী বলেন, আমি ভিতরে গেলাম। তিনি তার বাহনের হাওদার নিচের মোটা কাপড় বিছিয়ে তার উপর শুয়ে ছিলেন। আমি বললাম, হে আবদুর রাহমানের পিতা! লিআনকারী দম্পতিকে কি একে অপর হতে আলাদা করতে হবে? তিনি বললেন, সুবহানাল্লাহ! হ্যাঁ, এ প্রসঙ্গে সর্বপ্রথম অমুকের ছেলে অমুক প্রশ্ন করেন। তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে তাকে প্রশ্ন করেন, হে আল্লাহর রাসূল! যদি আমাদের মাঝে কোন লোক তার স্ত্রীকে খারাপ কাজে (যিনায়) জড়িত দেখে তখন সে কি করবে, এ প্রসঙ্গে আপনি কি মত পোষণ করেন? যদি সে মুখ খুলে তবে একটা ভয়ানক কথা বলল, আর সে চুপ থাকলে তবে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে চুপ রইল। বর্ণনাকারী (ইবনু উমার) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একথা শুনে নীরব রইলেন এবং কোন উত্তর দিলেন না। তিনি (ফিরে যাওয়ার পর) আবার রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন, আপনাকে যে বিষয়ে ইতিপূর্বে প্রশ্ন করেছিলাম তাতে আমি নিজেই জড়িয়ে পড়েছি। এমন সময় আল্লাহ তা'আলা সূরা নূরের আয়াত অবতীর্ণ করলেনঃ “নিজেদের স্ত্রীদের বিরুদ্ধে যে সকল লোক যিনার অভিযোগ তোলে অথচ নিজেরা ব্যতীত তাদের আর কোন সাক্ষী থাকে না তবে তাদের প্রত্যেকের সাক্ষ্য এই হবে যে, সে চারবার আল্লাহ তা'আলার নামে শপথ করে বলবে..... যদি সে সত্যবাদী হয়" (৬-১০)। তিনি লোকটিকে ডেকে এনে তাকে এ আয়াতগুলো পাঠ করে শুনান, তাকে উপদেশ দিয়ে ভালোভাবে বুঝান। তিনি তাকে বললেনঃ দুনিয়ার শাস্তি আখিরাতের শাস্তি হতে অনেক হালকা। তিনি বললেন, না, সেই সত্তার শপথ যিনি আপনাকে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন। তাকে আমি মিথ্যা অপবাদ দেইনি। তারপর তিনি স্ত্রীলোকটির প্রতি মনোনিবেশ করলেন এবং তাকেও উপদেশ দিয়ে উত্তমভাবে বুঝালেনঃ দুনিয়ার শাস্তি আখিরাতের শাস্তি হতে খুবই হালকা। স্ত্রীলোকটি বলল, না, সেই সত্তার শপথ যিনি আপনাকে সত্য সহকারে প্রেরণ করেছেন! সে সত্য কথা বলেনি। বর্ণনাকারী (ইবনু উমার) বলেন, তারপর প্রথমে পুরুষকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শপথ করালেন। তিনি আল্লাহ্ তা'আলার নাম সহকারে চারবার শপথ করে সাক্ষ্য দিলেন যে, তিনি (অভিযোগের ব্যাপারে) সত্যবাদী। তিনি পঞ্চম বারে বললেন যে, তিনি (আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে) মিথ্যাবাদী হলে তার উপর আল্লাহর অভিসম্পাত। তারপর তিনি স্ত্রীলোকটিকে লিআন করান। সে চারবার আল্লাহ্ তা'আলার নাম উচ্চারণ সহকারে শপথ করে সাক্ষ্য দিল যে, তার বিরুদ্ধে উঠানো অভিযোগে সে (স্বামী) মিথ্যাবাদী। সে পঞ্চম বারে বলল, সে (স্বামী) সত্যবাদী হলে তবে তার নিজের উপর আল্লাহর অভিসম্পাত। তারপর তাদের বিয়ে বন্ধন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ছিন্ন করে দিলেন। সহীহ্‌, সহীহ্‌ আবূ দাউদ- (১৯৫৫), মুসলিম

সাঈদ ইবনু জুবাইর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মুসআব ইবনু যুবাইরের শাসনামলে এক জোড়া লিআনকারী (দম্পতি) প্রসঙ্গে আমাকে প্রশ্ন করা হলঃ তাদেরকে আলাদা করে দেয়া হবে কি-না। আমি এই প্রসঙ্গে কি বলব তা সঠিক অনুমান করতে পারলাম না। আমি আমার ঘর হতে বেরিয়ে সোজা আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-এর ঘরের দরজার সামনে এলাম এবং তার সাথে সাক্ষাতের জন্য প্রবেশের অনুমতি চাইলাম। আমাকে বলা হল, তিনি দুপুরের খাবার খেয়ে বিশ্রাম নিচ্ছেন। তিনি ভিতর হতে আমার কথা শুনে বললেন, ইবনু জুবাইর? ভিতরে প্রবেশ কর। নিশ্চয়ই কোন জরুরী বিষয় নিয়ে তুমি এসেছ। বর্ণনাকারী বলেন, আমি ভিতরে গেলাম। তিনি তার বাহনের হাওদার নিচের মোটা কাপড় বিছিয়ে তার উপর শুয়ে ছিলেন। আমি বললাম, হে আবদুর রাহমানের পিতা! লিআনকারী দম্পতিকে কি একে অপর হতে আলাদা করতে হবে? তিনি বললেন, সুবহানাল্লাহ! হ্যাঁ, এ প্রসঙ্গে সর্বপ্রথম অমুকের ছেলে অমুক প্রশ্ন করেন। তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে তাকে প্রশ্ন করেন, হে আল্লাহর রাসূল! যদি আমাদের মাঝে কোন লোক তার স্ত্রীকে খারাপ কাজে (যিনায়) জড়িত দেখে তখন সে কি করবে, এ প্রসঙ্গে আপনি কি মত পোষণ করেন? যদি সে মুখ খুলে তবে একটা ভয়ানক কথা বলল, আর সে চুপ থাকলে তবে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে চুপ রইল। বর্ণনাকারী (ইবনু উমার) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একথা শুনে নীরব রইলেন এবং কোন উত্তর দিলেন না। তিনি (ফিরে যাওয়ার পর) আবার রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন, আপনাকে যে বিষয়ে ইতিপূর্বে প্রশ্ন করেছিলাম তাতে আমি নিজেই জড়িয়ে পড়েছি। এমন সময় আল্লাহ তা'আলা সূরা নূরের আয়াত অবতীর্ণ করলেনঃ “নিজেদের স্ত্রীদের বিরুদ্ধে যে সকল লোক যিনার অভিযোগ তোলে অথচ নিজেরা ব্যতীত তাদের আর কোন সাক্ষী থাকে না তবে তাদের প্রত্যেকের সাক্ষ্য এই হবে যে, সে চারবার আল্লাহ তা'আলার নামে শপথ করে বলবে..... যদি সে সত্যবাদী হয়" (৬-১০)। তিনি লোকটিকে ডেকে এনে তাকে এ আয়াতগুলো পাঠ করে শুনান, তাকে উপদেশ দিয়ে ভালোভাবে বুঝান। তিনি তাকে বললেনঃ দুনিয়ার শাস্তি আখিরাতের শাস্তি হতে অনেক হালকা। তিনি বললেন, না, সেই সত্তার শপথ যিনি আপনাকে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন। তাকে আমি মিথ্যা অপবাদ দেইনি। তারপর তিনি স্ত্রীলোকটির প্রতি মনোনিবেশ করলেন এবং তাকেও উপদেশ দিয়ে উত্তমভাবে বুঝালেনঃ দুনিয়ার শাস্তি আখিরাতের শাস্তি হতে খুবই হালকা। স্ত্রীলোকটি বলল, না, সেই সত্তার শপথ যিনি আপনাকে সত্য সহকারে প্রেরণ করেছেন! সে সত্য কথা বলেনি। বর্ণনাকারী (ইবনু উমার) বলেন, তারপর প্রথমে পুরুষকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শপথ করালেন। তিনি আল্লাহ্ তা'আলার নাম সহকারে চারবার শপথ করে সাক্ষ্য দিলেন যে, তিনি (অভিযোগের ব্যাপারে) সত্যবাদী। তিনি পঞ্চম বারে বললেন যে, তিনি (আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে) মিথ্যাবাদী হলে তার উপর আল্লাহর অভিসম্পাত। তারপর তিনি স্ত্রীলোকটিকে লিআন করান। সে চারবার আল্লাহ্ তা'আলার নাম উচ্চারণ সহকারে শপথ করে সাক্ষ্য দিল যে, তার বিরুদ্ধে উঠানো অভিযোগে সে (স্বামী) মিথ্যাবাদী। সে পঞ্চম বারে বলল, সে (স্বামী) সত্যবাদী হলে তবে তার নিজের উপর আল্লাহর অভিসম্পাত। তারপর তাদের বিয়ে বন্ধন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ছিন্ন করে দিলেন। সহীহ্‌, সহীহ্‌ আবূ দাউদ- (১৯৫৫), মুসলিম

حدثنا هناد، حدثنا عبدة بن سليمان، عن عبد الملك بن أبي سليمان، عن سعيد بن جبير، قال سئلت عن المتلاعنين، في إمارة مصعب بن الزبير أيفرق بينهما فما دريت ما أقول فقمت مكاني إلى منزل عبد الله بن عمر استأذنت عليه فقيل لي إنه قائل ‏.‏ فسمع كلامي فقال ابن جبير ادخل ما جاء بك إلا حاجة ‏.‏ قال فدخلت فإذا هو مفترش بردعة رحل له ‏.‏ فقلت يا أبا عبد الرحمن المتلاعنان أيفرق بينهما قال سبحان الله نعم إن أول من سأل عن ذلك فلان بن فلان أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله أرأيت لو أن أحدنا رأى امرأته على فاحشة كيف يصنع إن تكلم تكلم بأمر عظيم وإن سكت سكت على أمر عظيم ‏.‏ قال فسكت النبي صلى الله عليه وسلم فلم يجبه فلما كان بعد ذلك أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال إن الذي سألتك عنه قد ابتليت به ‏.‏ فأنزل الله هذه الآيات التي في سورة النور ‏:‏ ‏(‏والذين يرمون أزواجهم ولم يكن لهم شهداء إلا أنفسهم ‏)‏ حتى ختم الآيات فدعا الرجل فتلا الآيات عليه ووعظه وذكره وأخبره أن عذاب الدنيا أهون من عذاب الآخرة ‏.‏ فقال لا والذي بعثك بالحق ما كذبت عليها ‏.‏ ثم ثنى بالمرأة فوعظها وذكرها وأخبرها أن عذاب الدنيا أهون من عذاب الآخرة فقالت لا والذي بعثك بالحق ما صدق ‏.‏ قال فبدأ بالرجل فشهد أربع شهادات بالله إنه لمن الصادقين والخامسة أن لعنة الله عليه إن كان من الكاذبين ‏.‏ ثم ثنى بالمرأة فشهدت أربع شهادات بالله إنه لمن الكاذبين والخامسة أن غضب الله عليها إن كان من الصادقين ‏.‏ ثم فرق بينهما ‏.‏ قال وفي الباب عن سهل بن سعد وابن عباس وابن مسعود وحذيفة ‏.‏ قال أبو عيسى حديث ابن عمر حديث حسن صحيح والعمل على هذا الحديث عند أهل العلم ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি > স্বামী মৃত্যুর পর স্ত্রী কোথায় ইদ্দাত পালন করবে?

জামে' আত-তিরমিজি ১২০৪

حدثنا الأنصاري، أنبأنا معن، أنبأنا مالك، عن سعد بن إسحاق بن كعب بن عجرة، عن عمته، زينب بنت كعب بن عجرة أن الفريعة بنت مالك بن سنان، وهي أخت أبي سعيد الخدري أخبرتها أنها، جاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم تسأله أن ترجع إلى أهلها في بني خدرة وأن زوجها خرج في طلب أعبد له أبقوا حتى إذا كان بطرف القدوم لحقهم فقتلوه ‏.‏ قالت فسألت رسول الله صلى الله عليه وسلم أن أرجع إلى أهلي فإن زوجي لم يترك لي مسكنا يملكه ولا نفقة ‏.‏ قالت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قالت فانصرفت حتى إذا كنت في الحجرة أو في المسجد ناداني رسول الله صلى الله عليه وسلم أو أمر بي فنوديت له فقال ‏"‏ كيف قلت ‏"‏ ‏.‏ قالت فرددت عليه القصة التي ذكرت له من شأن زوجي قال ‏"‏ امكثي في بيتك حتى يبلغ الكتاب أجله ‏"‏ ‏.‏ قالت فاعتددت فيه أربعة أشهر وعشرا ‏.‏ قالت فلما كان عثمان أرسل إلى فسألني عن ذلك فأخبرته فاتبعه وقضى به ‏.‏ أنبأنا محمد بن بشار، أنبأنا يحيى بن سعيد، أنبأنا سعد بن إسحاق بن كعب بن عجرة، فذكر نحوه بمعناه ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ والعمل على هذا الحديث عند أكثر أهل العلم من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم لم يروا للمعتدة أن تنتقل من بيت زوجها حتى تنقضي عدتها ‏.‏ وهو قول سفيان الثوري والشافعي وأحمد وإسحاق ‏.‏ وقال بعض أهل العلم من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم للمرأة أن تعتد حيث شاءت وإن لم تعتد في بيت زوجها ‏.‏ قال أبو عيسى والقول الأول أصح ‏.‏

যাইনাব বিনতু কা’ব ইবনু উজরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাকে মালিক ইবনু সিনান (রাঃ)-এর মেয়ে এবং আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ)-এর বোন ফুরাইআ (রাঃ) জানিয়েছেন। তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে আসেন একটা প্রশ্ন করার উদ্দেশ্যে যে, ইদ্দাতের জন্য তার নিজের বংশ খুদরা গোত্রে যেতে পারেন কি-না। তার স্বামী তার কয়েকটি পলাতক গোলামের খোঁজে গিয়েছিলেন। তিনি যখন পত্যাবর্তন করতেছিলেন তখন তাদের সাথে সাক্ষাৎ ঘটে এবং তারা সেখানে তাকে মেরে ফেলে। ফুরাইআ (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট আমার বাবার বাড়ী যাওয়ার উদ্দেশ্যে আবেদন করলাম। কেননা, আমার জন্য আমার স্বামী তার নিজস্ব কোন ঘর রেখে যাননি, এমনকি ভরণ-পোষণের খরচপাতিও নয়। ফুরাইআ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হ্যাঁ বললেন। তিনি বলেন, তারপর আমি ফিরে চললাম। আমি শুধু (তার) হুজরা অথবা মাসজিদের নিকটে পৌঁছলাম, তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে আবার ডাকলেন বা আমাকে ডাকার নির্দেশ দিলেন। আমাকে তিনি প্রশ্ন করলেনঃ তুমি কি বলেছিলে? ফুরাইআ (রাঃ) বলেন, আমার স্বামী সম্পর্কে পূর্বে আমি যে ঘটনা বলেছিলাম তার নিকট তা আবার বললাম। তিনি বললেনঃ তুমি তোমার ঘরেই থাক ইদ্দাত পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত। ফুরাইআ (রাঃ) বলেন, আমি এখানে ইদ্দাত পালন করলাম চার মাস দশদিন। তিনি বলেন, তারপর উসমান (রাঃ) খালীফা হওয়ার পর তিনি আমার কাছে লোক পাঠিয়ে এ বিষয়টি জানতে চাইলেন। আমি এ প্রসঙ্গে তাকে জানালাম। তিনি এর অনুসরণ করেছেন এবং সে অনুযায়ী ফায়সালা দিয়েছেন। সহীহ্‌, ইবনু মাজাহ- (২০৩১)

যাইনাব বিনতু কা’ব ইবনু উজরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাকে মালিক ইবনু সিনান (রাঃ)-এর মেয়ে এবং আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ)-এর বোন ফুরাইআ (রাঃ) জানিয়েছেন। তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে আসেন একটা প্রশ্ন করার উদ্দেশ্যে যে, ইদ্দাতের জন্য তার নিজের বংশ খুদরা গোত্রে যেতে পারেন কি-না। তার স্বামী তার কয়েকটি পলাতক গোলামের খোঁজে গিয়েছিলেন। তিনি যখন পত্যাবর্তন করতেছিলেন তখন তাদের সাথে সাক্ষাৎ ঘটে এবং তারা সেখানে তাকে মেরে ফেলে। ফুরাইআ (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট আমার বাবার বাড়ী যাওয়ার উদ্দেশ্যে আবেদন করলাম। কেননা, আমার জন্য আমার স্বামী তার নিজস্ব কোন ঘর রেখে যাননি, এমনকি ভরণ-পোষণের খরচপাতিও নয়। ফুরাইআ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হ্যাঁ বললেন। তিনি বলেন, তারপর আমি ফিরে চললাম। আমি শুধু (তার) হুজরা অথবা মাসজিদের নিকটে পৌঁছলাম, তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে আবার ডাকলেন বা আমাকে ডাকার নির্দেশ দিলেন। আমাকে তিনি প্রশ্ন করলেনঃ তুমি কি বলেছিলে? ফুরাইআ (রাঃ) বলেন, আমার স্বামী সম্পর্কে পূর্বে আমি যে ঘটনা বলেছিলাম তার নিকট তা আবার বললাম। তিনি বললেনঃ তুমি তোমার ঘরেই থাক ইদ্দাত পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত। ফুরাইআ (রাঃ) বলেন, আমি এখানে ইদ্দাত পালন করলাম চার মাস দশদিন। তিনি বলেন, তারপর উসমান (রাঃ) খালীফা হওয়ার পর তিনি আমার কাছে লোক পাঠিয়ে এ বিষয়টি জানতে চাইলেন। আমি এ প্রসঙ্গে তাকে জানালাম। তিনি এর অনুসরণ করেছেন এবং সে অনুযায়ী ফায়সালা দিয়েছেন। সহীহ্‌, ইবনু মাজাহ- (২০৩১)

حدثنا الأنصاري، أنبأنا معن، أنبأنا مالك، عن سعد بن إسحاق بن كعب بن عجرة، عن عمته، زينب بنت كعب بن عجرة أن الفريعة بنت مالك بن سنان، وهي أخت أبي سعيد الخدري أخبرتها أنها، جاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم تسأله أن ترجع إلى أهلها في بني خدرة وأن زوجها خرج في طلب أعبد له أبقوا حتى إذا كان بطرف القدوم لحقهم فقتلوه ‏.‏ قالت فسألت رسول الله صلى الله عليه وسلم أن أرجع إلى أهلي فإن زوجي لم يترك لي مسكنا يملكه ولا نفقة ‏.‏ قالت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قالت فانصرفت حتى إذا كنت في الحجرة أو في المسجد ناداني رسول الله صلى الله عليه وسلم أو أمر بي فنوديت له فقال ‏"‏ كيف قلت ‏"‏ ‏.‏ قالت فرددت عليه القصة التي ذكرت له من شأن زوجي قال ‏"‏ امكثي في بيتك حتى يبلغ الكتاب أجله ‏"‏ ‏.‏ قالت فاعتددت فيه أربعة أشهر وعشرا ‏.‏ قالت فلما كان عثمان أرسل إلى فسألني عن ذلك فأخبرته فاتبعه وقضى به ‏.‏ أنبأنا محمد بن بشار، أنبأنا يحيى بن سعيد، أنبأنا سعد بن إسحاق بن كعب بن عجرة، فذكر نحوه بمعناه ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ والعمل على هذا الحديث عند أكثر أهل العلم من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم لم يروا للمعتدة أن تنتقل من بيت زوجها حتى تنقضي عدتها ‏.‏ وهو قول سفيان الثوري والشافعي وأحمد وإسحاق ‏.‏ وقال بعض أهل العلم من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم للمرأة أن تعتد حيث شاءت وإن لم تعتد في بيت زوجها ‏.‏ قال أبو عيسى والقول الأول أصح ‏.‏


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00