জামে' আত-তিরমিজি > যে ব্যক্তি নিজ স্ত্রীকে বায়িন তালাক দিয়েছে

জামে' আত-তিরমিজি ১১৭৭

حدثنا هناد، حدثنا قبيصة، عن جرير بن حازم، عن الزبير بن سعيد، عن عبد الله بن يزيد بن ركانة، عن أبيه، عن جده، قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله إني طلقت امرأتي البتة ‏.‏ فقال ‏"‏ ما أردت بها ‏"‏ ‏.‏ قلت واحدة ‏.‏ قال ‏"‏ والله ‏"‏ ‏.‏ قلت والله ‏.‏ قال ‏"‏ فهو ما أردت ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث لا نعرفه إلا من هذا الوجه وسألت محمدا عن هذا الحديث فقال فيه اضطراب ‏.‏ ويروى عن عكرمة عن ابن عباس أن ركانة طلق امرأته ثلاثا ‏.‏ - وقد اختلف أهل العلم من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم في طلاق البتة فروي عن عمر بن الخطاب أنه جعل البتة واحدة وروي عن علي أنه جعلها ثلاثا ‏.‏ وقال بعض أهل العلم فيه نية الرجل إن نوى واحدة فواحدة وإن نوى ثلاثا فثلاث وإن نوى ثنتين لم تكن إلا واحدة ‏.‏ وهو قول الثوري وأهل الكوفة ‏.‏ وقال مالك بن أنس في البتة إن كان قد دخل بها فهي ثلاث تطليقات ‏.‏ وقال الشافعي إن نوى واحدة فواحدة يملك الرجعة وإن نوى ثنتين فثنتان وإن نوى ثلاثا فثلاث ‏.‏

‘আব্দুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ ইবনু রুকানা(রাঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সুত্রে থেকে বর্নিতঃ

তিনি (রুকানা) বলেনঃ আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে এসে বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! আমি আমার স্ত্রীকে কাটাছিঁড়া (বাত্তা শব্দে) তালাক দিয়েছি। তিনি প্রশ্ন করেনঃ এটা দ্বারা তোমার কি উদ্দেশ্য ছিল? আমি বললাম, এক তালাক। তিনি বললেনঃ আল্লাহ তা’আলার শপথ! আমি বললাম, আল্লাহ তা’আলার শপথ (সত্য বলছি)। তিনি বললেনঃ তোমার যা উদ্দেশ্য ছিল তাই হয়েছে। যঈফ, ইবনু মাজাহ(২০৫১), আবূ ‘ঈসা বলেনঃ আমরা এ হাদীসটি শুধুমাত্র উল্লেখিত সুত্রেই জেনেছি। আমি এই হাদীস সম্পর্কে মুহাম্মাদ (বুখারী)-কে জিজ্ঞেস করেছি। তিনি বললেন এর সনদে অস্থিরতা আছে। ইবনু ‘আব্বাস হতে বর্ণিত আছে যে, রুকানা তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়েছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবী ও অপারাপর আলিমদের মধ্যে ‘সোজাসুজি ও নিশ্চিত (বাত্তা) তালাক’ নিয়ে মতপার্থক্য আছে। উমার (রাঃ) বাত্তা তালাককে এক তালাক গন্য করেছেন কিন্তু আলী (রাঃ) এটাকে তিন তালাক গন্য করেছেন। একদল বিশেষজ্ঞ আলিম বলেছেন, এটা তালাক প্রদানকারীর নিয়াতের উপর নির্ভর করবে। সে এক তালাক এর নিয়াত করলে এক তালাক বলবৎ হবে, তিন তালাক এর নিয়াত করলে তিন তালাক বলবৎ হবে এবং দুই তালাকের নিয়াত করলে এক তালাক বলবৎ হবে। সুফিয়ান সাওরী ও কূফাবাসী আলিমদের এই মত। ইমাম মালিক বলেছেন, সে স্ত্রীর সাথে (বিয়ের পর) সহবাস করে থাকলে বাত্তা তালাক এর মাধ্যমে তিন তালাকই বলবৎ হবে। ইমাম শাফিঈ বলেছেন, সে এক তালাক এর নিয়াত করলে এক তালাক, দুই তালাক এর নিয়াত করেলে দুই তালাক এবং তিন তালাক এর নিয়াত করলে তিন তালাকই বলবৎ হবে।

‘আব্দুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ ইবনু রুকানা(রাঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সুত্রে থেকে বর্নিতঃ

তিনি (রুকানা) বলেনঃ আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে এসে বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! আমি আমার স্ত্রীকে কাটাছিঁড়া (বাত্তা শব্দে) তালাক দিয়েছি। তিনি প্রশ্ন করেনঃ এটা দ্বারা তোমার কি উদ্দেশ্য ছিল? আমি বললাম, এক তালাক। তিনি বললেনঃ আল্লাহ তা’আলার শপথ! আমি বললাম, আল্লাহ তা’আলার শপথ (সত্য বলছি)। তিনি বললেনঃ তোমার যা উদ্দেশ্য ছিল তাই হয়েছে। যঈফ, ইবনু মাজাহ(২০৫১), আবূ ‘ঈসা বলেনঃ আমরা এ হাদীসটি শুধুমাত্র উল্লেখিত সুত্রেই জেনেছি। আমি এই হাদীস সম্পর্কে মুহাম্মাদ (বুখারী)-কে জিজ্ঞেস করেছি। তিনি বললেন এর সনদে অস্থিরতা আছে। ইবনু ‘আব্বাস হতে বর্ণিত আছে যে, রুকানা তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়েছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবী ও অপারাপর আলিমদের মধ্যে ‘সোজাসুজি ও নিশ্চিত (বাত্তা) তালাক’ নিয়ে মতপার্থক্য আছে। উমার (রাঃ) বাত্তা তালাককে এক তালাক গন্য করেছেন কিন্তু আলী (রাঃ) এটাকে তিন তালাক গন্য করেছেন। একদল বিশেষজ্ঞ আলিম বলেছেন, এটা তালাক প্রদানকারীর নিয়াতের উপর নির্ভর করবে। সে এক তালাক এর নিয়াত করলে এক তালাক বলবৎ হবে, তিন তালাক এর নিয়াত করলে তিন তালাক বলবৎ হবে এবং দুই তালাকের নিয়াত করলে এক তালাক বলবৎ হবে। সুফিয়ান সাওরী ও কূফাবাসী আলিমদের এই মত। ইমাম মালিক বলেছেন, সে স্ত্রীর সাথে (বিয়ের পর) সহবাস করে থাকলে বাত্তা তালাক এর মাধ্যমে তিন তালাকই বলবৎ হবে। ইমাম শাফিঈ বলেছেন, সে এক তালাক এর নিয়াত করলে এক তালাক, দুই তালাক এর নিয়াত করেলে দুই তালাক এবং তিন তালাক এর নিয়াত করলে তিন তালাকই বলবৎ হবে।

حدثنا هناد، حدثنا قبيصة، عن جرير بن حازم، عن الزبير بن سعيد، عن عبد الله بن يزيد بن ركانة، عن أبيه، عن جده، قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله إني طلقت امرأتي البتة ‏.‏ فقال ‏"‏ ما أردت بها ‏"‏ ‏.‏ قلت واحدة ‏.‏ قال ‏"‏ والله ‏"‏ ‏.‏ قلت والله ‏.‏ قال ‏"‏ فهو ما أردت ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث لا نعرفه إلا من هذا الوجه وسألت محمدا عن هذا الحديث فقال فيه اضطراب ‏.‏ ويروى عن عكرمة عن ابن عباس أن ركانة طلق امرأته ثلاثا ‏.‏ - وقد اختلف أهل العلم من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم في طلاق البتة فروي عن عمر بن الخطاب أنه جعل البتة واحدة وروي عن علي أنه جعلها ثلاثا ‏.‏ وقال بعض أهل العلم فيه نية الرجل إن نوى واحدة فواحدة وإن نوى ثلاثا فثلاث وإن نوى ثنتين لم تكن إلا واحدة ‏.‏ وهو قول الثوري وأهل الكوفة ‏.‏ وقال مالك بن أنس في البتة إن كان قد دخل بها فهي ثلاث تطليقات ‏.‏ وقال الشافعي إن نوى واحدة فواحدة يملك الرجعة وإن نوى ثنتين فثنتان وإن نوى ثلاثا فثلاث ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি > তোমার ব্যাপার তোমার হাতে

জামে' আত-তিরমিজি ১১৭৮

حدثنا علي بن نصر بن علي، حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد بن زيد، قال قلت لأيوب هل علمت أن أحدا قال في أمرك بيدك أنها ثلاث إلا الحسن فقال لا إلا الحسن ‏.‏ ثم قال اللهم غفرا إلا ما حدثني قتادة عن كثير مولى ابن سمرة عن أبي سلمة عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ثلاث ‏"‏ ‏.‏ قال أيوب فلقيت كثيرا - مولى ابن سمرة فسألته فلم يعرفه فرجعت إلى قتادة فأخبرته فقال نسي ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه إلا من حديث سليمان بن حرب عن حماد بن زيد ‏.‏ وسألت محمدا عن هذا الحديث، فقال حدثنا سليمان بن حرب، عن حماد بن زيد، بهذا وإنما هو عن أبي هريرة، موقوف ‏.‏ ولم يعرف حديث أبي هريرة مرفوعا ‏.‏ وكان علي بن نصر حافظا صاحب حديث ‏.‏ وقد اختلف أهل العلم في أمرك بيدك فقال بعض أهل العلم من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم منهم عمر بن الخطاب وعبد الله بن مسعود هي واحدة ‏.‏ وهو قول غير واحد من أهل العلم من التابعين ومن بعدهم ‏.‏ وقال عثمان بن عفان وزيد بن ثابت القضاء ما قضت ‏.‏ وقال ابن عمر إذا جعل أمرها بيدها وطلقت نفسها ثلاثا وأنكر الزوج وقال لم أجعل أمرها بيدها إلا في واحدة استحلف الزوج وكان القول قوله مع يمينه ‏.‏ وذهب سفيان وأهل الكوفة إلى قول عمر وعبد الله ‏.‏ وأما مالك بن أنس فقال القضاء ما قضت ‏.‏ وهو قول أحمد ‏.‏ وأما إسحاق فذهب إلى قول ابن عمر ‏.‏

হাম্মাদ ইবনু যাইদ (রাহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আমি আইউবকে প্রশ্ন করলাম, হাসান (বাসরী) ব্যতীত আরও কোন ব্যক্তি “আমরুকে বিয়াদিকে” (তোমার ব্যাপার তোমার হাতে) কথাটিকে তিন তালাক বিবেচিত করেছেন বলে আপনার জানা আছে কি? তিনি বলেন, হাসান ব্যতীত আর কেউ এমনটি বলেছেন বলে আমার জানা নেই। তারপর তিনি বললেন, আল্লাহ তা’আলা মাফ করুন! কাতাদা আমাকে সামুরা গোত্রের মুক্ত ক্রীতদাস কাসীরের সুত্রে বলেছেন, তিনি আবূ সালামা হতে, তিনি আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে, তিনি বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেনঃ “(এরুপ বলায়) তিন (তালাক) বিবেচিত হবে”। আইউব বলেন, আমি কাসীরের সাথে দেখা করে তাকে এই হাদীস প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে তিনি তা চিহ্নিত করতে পারেননি। আমি কাতাদার নিকট এসে ব্যাপারটা তাকে জানালে তিনি বলেন, সে (কাসীর) ভুলে গেছে। যঈফ, যঈফ আবূ দাউদ (৩৭৯) বিবৃতিটি হাসানের এটাই সহীহ। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। আমরা এ হাদীসটি শুধু সুলাইমান ইবনু হারব হতে হাম্মাদ ইবনু যাইদের সুত্রেই জেনেছি। আমি ইমাম বুখারীকে এ হাদীস প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, সুলাইমান ইবনু হারব হাম্মাদ ইবনু যাইদের সুত্রে এ হাসীসটি বর্ণনা করেছেন। এটা আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে মাওকূফ হাদীস হিসেবেও বর্ণিত হয়েছে এবং আবূ হুরাইরা্র এ হাদীস মারফূ হিসেবে জানা যায়নি। আলী ইবনু নাসর হাদীসের হাফিয ছিলেন। (স্বামী যদি স্ত্রীকে বলে) “তোমার ব্যাপার তোমার হাতে” তবে এর ফায়সালা কি হবে এ বিষয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বিশেষজ্ঞ সাহাবী ও অপরাপর আলিমদের মধ্যে মতের অমিল আছে। সাহবীদের মাঝে উমার ও আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ)-এর মতে এতে এক তালাক বলবৎ হবে। একাধিক তাবীঈ ও তাদের পরবর্তীদেরও এই মত। অপর দিকে উসমান ইবনু আফফান ও যাইদ ইবনু সাবিত (রাঃ)- এর মতে স্ত্রী যা নির্ধারণ করবে তাই বলবৎ হবে (এক,দুই অথবা তিন তালাক যেটা গ্রহন করবে তাই হবে)। আবূল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলেন, স্বামী স্ত্রীর হাতে তার ব্যাপারটি ছেড়ে দেয়ার পর সে (স্ত্রী) নিজেকে তিন তালাক দিল। স্বামী এটা ফিরিয়ে দিয়ে বলল, আমি তাকে শুধু এক তালাকেরই অধিকার দিয়েছি। এ ক্ষেত্রে স্বামীকে শপথ করতে হবে। সে শপথ করলে তার বিবৃ্তিই মেনে নেয়া হবে। সুফিয়ান সাওরী ও কূফাবাসী আলিমগন উমার ও আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ)-এর মত গ্রহন করেছেন। ইমাম মালিক বলেছেন, স্ত্রী যা নির্ধারণ করবে তাই হবে। ইমাম ইসহাক (রাহঃ) ইবনু উমার (রাঃ)-এর মত গ্রহন করেছেন।

হাম্মাদ ইবনু যাইদ (রাহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আমি আইউবকে প্রশ্ন করলাম, হাসান (বাসরী) ব্যতীত আরও কোন ব্যক্তি “আমরুকে বিয়াদিকে” (তোমার ব্যাপার তোমার হাতে) কথাটিকে তিন তালাক বিবেচিত করেছেন বলে আপনার জানা আছে কি? তিনি বলেন, হাসান ব্যতীত আর কেউ এমনটি বলেছেন বলে আমার জানা নেই। তারপর তিনি বললেন, আল্লাহ তা’আলা মাফ করুন! কাতাদা আমাকে সামুরা গোত্রের মুক্ত ক্রীতদাস কাসীরের সুত্রে বলেছেন, তিনি আবূ সালামা হতে, তিনি আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে, তিনি বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেনঃ “(এরুপ বলায়) তিন (তালাক) বিবেচিত হবে”। আইউব বলেন, আমি কাসীরের সাথে দেখা করে তাকে এই হাদীস প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে তিনি তা চিহ্নিত করতে পারেননি। আমি কাতাদার নিকট এসে ব্যাপারটা তাকে জানালে তিনি বলেন, সে (কাসীর) ভুলে গেছে। যঈফ, যঈফ আবূ দাউদ (৩৭৯) বিবৃতিটি হাসানের এটাই সহীহ। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। আমরা এ হাদীসটি শুধু সুলাইমান ইবনু হারব হতে হাম্মাদ ইবনু যাইদের সুত্রেই জেনেছি। আমি ইমাম বুখারীকে এ হাদীস প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, সুলাইমান ইবনু হারব হাম্মাদ ইবনু যাইদের সুত্রে এ হাসীসটি বর্ণনা করেছেন। এটা আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে মাওকূফ হাদীস হিসেবেও বর্ণিত হয়েছে এবং আবূ হুরাইরা্র এ হাদীস মারফূ হিসেবে জানা যায়নি। আলী ইবনু নাসর হাদীসের হাফিয ছিলেন। (স্বামী যদি স্ত্রীকে বলে) “তোমার ব্যাপার তোমার হাতে” তবে এর ফায়সালা কি হবে এ বিষয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বিশেষজ্ঞ সাহাবী ও অপরাপর আলিমদের মধ্যে মতের অমিল আছে। সাহবীদের মাঝে উমার ও আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ)-এর মতে এতে এক তালাক বলবৎ হবে। একাধিক তাবীঈ ও তাদের পরবর্তীদেরও এই মত। অপর দিকে উসমান ইবনু আফফান ও যাইদ ইবনু সাবিত (রাঃ)- এর মতে স্ত্রী যা নির্ধারণ করবে তাই বলবৎ হবে (এক,দুই অথবা তিন তালাক যেটা গ্রহন করবে তাই হবে)। আবূল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলেন, স্বামী স্ত্রীর হাতে তার ব্যাপারটি ছেড়ে দেয়ার পর সে (স্ত্রী) নিজেকে তিন তালাক দিল। স্বামী এটা ফিরিয়ে দিয়ে বলল, আমি তাকে শুধু এক তালাকেরই অধিকার দিয়েছি। এ ক্ষেত্রে স্বামীকে শপথ করতে হবে। সে শপথ করলে তার বিবৃ্তিই মেনে নেয়া হবে। সুফিয়ান সাওরী ও কূফাবাসী আলিমগন উমার ও আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ)-এর মত গ্রহন করেছেন। ইমাম মালিক বলেছেন, স্ত্রী যা নির্ধারণ করবে তাই হবে। ইমাম ইসহাক (রাহঃ) ইবনু উমার (রাঃ)-এর মত গ্রহন করেছেন।

حدثنا علي بن نصر بن علي، حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد بن زيد، قال قلت لأيوب هل علمت أن أحدا قال في أمرك بيدك أنها ثلاث إلا الحسن فقال لا إلا الحسن ‏.‏ ثم قال اللهم غفرا إلا ما حدثني قتادة عن كثير مولى ابن سمرة عن أبي سلمة عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ثلاث ‏"‏ ‏.‏ قال أيوب فلقيت كثيرا - مولى ابن سمرة فسألته فلم يعرفه فرجعت إلى قتادة فأخبرته فقال نسي ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه إلا من حديث سليمان بن حرب عن حماد بن زيد ‏.‏ وسألت محمدا عن هذا الحديث، فقال حدثنا سليمان بن حرب، عن حماد بن زيد، بهذا وإنما هو عن أبي هريرة، موقوف ‏.‏ ولم يعرف حديث أبي هريرة مرفوعا ‏.‏ وكان علي بن نصر حافظا صاحب حديث ‏.‏ وقد اختلف أهل العلم في أمرك بيدك فقال بعض أهل العلم من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم منهم عمر بن الخطاب وعبد الله بن مسعود هي واحدة ‏.‏ وهو قول غير واحد من أهل العلم من التابعين ومن بعدهم ‏.‏ وقال عثمان بن عفان وزيد بن ثابت القضاء ما قضت ‏.‏ وقال ابن عمر إذا جعل أمرها بيدها وطلقت نفسها ثلاثا وأنكر الزوج وقال لم أجعل أمرها بيدها إلا في واحدة استحلف الزوج وكان القول قوله مع يمينه ‏.‏ وذهب سفيان وأهل الكوفة إلى قول عمر وعبد الله ‏.‏ وأما مالك بن أنس فقال القضاء ما قضت ‏.‏ وهو قول أحمد ‏.‏ وأما إسحاق فذهب إلى قول ابن عمر ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি > স্বাধীনতা প্রদান প্রসঙ্গে

জামে' আত-তিরমিজি ১১৭৯

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، عن إسماعيل بن أبي خالد، عن الشعبي، عن مسروق، عن عائشة، قالت خيرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم فاخترناه أفكان طلاقا؟ حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، عن الأعمش، عن أبي الضحى، عن مسروق، عن عائشة، بمثله ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ واختلف أهل العلم في الخيار فروي عن عمر وعبد الله بن مسعود أنهما قالا إن اختارت نفسها فواحدة بائنة ‏.‏ وروي عنهما أنهما قالا أيضا واحدة يملك الرجعة وإن اختارت زوجها فلا شىء ‏.‏ وروي عن علي أنه قال إن اختارت نفسها فواحدة بائنة وإن اختارت زوجها فواحدة يملك الرجعة ‏.‏ وقال زيد بن ثابت إن اختارت زوجها فواحدة وإن اختارت نفسها فثلاث ‏.‏ وذهب أكثر أهل العلم والفقه من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ومن بعدهم في هذا الباب إلى قول عمر وعبد الله وهو قول الثوري وأهل الكوفة وأما أحمد بن حنبل فذهب إلى قول علي رضى الله عنه ‏.‏

আইশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাদেরকে (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (তার স্ত্রী হিসাবে থাকা বা না থাকার) স্বাধীনতা দিয়েছিলেন। আমরা তাকে গ্রহণ করলাম। এতে কি তালাক হল? সহীহ্‌, ইবনু মাজাহ- (২০৫২)

আইশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাদেরকে (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (তার স্ত্রী হিসাবে থাকা বা না থাকার) স্বাধীনতা দিয়েছিলেন। আমরা তাকে গ্রহণ করলাম। এতে কি তালাক হল? সহীহ্‌, ইবনু মাজাহ- (২০৫২)

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، عن إسماعيل بن أبي خالد، عن الشعبي، عن مسروق، عن عائشة، قالت خيرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم فاخترناه أفكان طلاقا؟ حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، عن الأعمش، عن أبي الضحى، عن مسروق، عن عائشة، بمثله ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ واختلف أهل العلم في الخيار فروي عن عمر وعبد الله بن مسعود أنهما قالا إن اختارت نفسها فواحدة بائنة ‏.‏ وروي عنهما أنهما قالا أيضا واحدة يملك الرجعة وإن اختارت زوجها فلا شىء ‏.‏ وروي عن علي أنه قال إن اختارت نفسها فواحدة بائنة وإن اختارت زوجها فواحدة يملك الرجعة ‏.‏ وقال زيد بن ثابت إن اختارت زوجها فواحدة وإن اختارت نفسها فثلاث ‏.‏ وذهب أكثر أهل العلم والفقه من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ومن بعدهم في هذا الباب إلى قول عمر وعبد الله وهو قول الثوري وأهل الكوفة وأما أحمد بن حنبل فذهب إلى قول علي رضى الله عنه ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি > তিন তালাকপ্রাপ্তা নারী ইদ্দাত চলাকালে বাসস্থান ও ভরণ-পোষণ পাবে না

জামে' আত-তিরমিজি ১১৮০

حدثنا هناد، حدثنا جرير، عن مغيرة، عن الشعبي، قال قالت فاطمة بنت قيس طلقني زوجي ثلاثا على عهد النبي صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا سكنى لك ولا نفقة ‏"‏ ‏.‏ قال مغيرة فذكرته لإبراهيم فقال قال عمر لا ندع كتاب الله وسنة نبينا صلى الله عليه وسلم لقول امرأة لا ندري أحفظت أم نسيت ‏.‏ وكان عمر يجعل لها السكنى والنفقة ‏.‏ حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا هشيم، أنبأنا حصين، وإسماعيل، ومجالد، قال هشيم وحدثنا داود، أيضا عن الشعبي، قال دخلت على فاطمة بنت قيس فسألتها عن قضاء، رسول الله صلى الله عليه وسلم فيها فقالت طلقها زوجها البتة فخاصمته في السكنى والنفقة فلم يجعل لها النبي صلى الله عليه وسلم سكنى ولا نفقة ‏.‏ وفي حديث داود قالت وأمرني أن أعتد في بيت ابن أم مكتوم ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وهو قول بعض أهل العلم منهم الحسن البصري وعطاء بن أبي رباح والشعبي وبه يقول أحمد وإسحاق ‏.‏ وقالوا ليس للمطلقة سكنى ولا نفقة إذا لم يملك زوجها الرجعة ‏.‏ وقال بعض أهل العلم من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم منهم عمر وعبد الله إن المطلقة ثلاثا لها السكنى والنفقة ‏.‏ وهو قول سفيان الثوري وأهل الكوفة ‏.‏ وقال بعض أهل العلم لها السكنى ولا نفقة لها ‏.‏ وهو قول مالك بن أنس والليث بن سعد والشافعي ‏.‏ وقال الشافعي إنما جعلنا لها السكنى بكتاب الله قال الله تعالى‏:‏ ‏(‏لا تخرجوهن من بيوتهن ولا يخرجن إلا أن يأتين بفاحشة مبينة ‏)‏ قالوا هو البذاء أن تبذو على أهلها ‏.‏ واعتل بأن فاطمة بنت قيس لم يجعل لها النبي صلى الله عليه وسلم السكنى لما كانت تبذو على أهلها ‏.‏ قال الشافعي ولا نفقة لها لحديث رسول الله صلى الله عليه وسلم في قصة حديث فاطمة بنت قيس ‏.‏

শাৰী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কাইসের মেয়ে ফাতিমা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জীবদ্দশায় আমার স্বামী আমাকে তিন তালাক দেয়। (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (আমাকে) বলেনঃ তুমি বাসস্থান এবং ভরণ-পোষণ কোনটাই পাবে না। মুগীরা (রহঃ) বলেন, আমি ইবরাহীম নাখঈর নিকট একথা উল্লেখ করলে তিনি বলেন, উমার (রাঃ) বলেছেন, আমরা আল্লাহ তা'আলার কিতাব ও আমাদের রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাতকে একজন মহিলার কথায় ছেড়ে দিতে পারি না। সে স্মরণ রেখেছে না ভুলে গেছে তা আমাদের সঠিক জানা নেই। তিন তালাকপ্রাপ্তার জন্য উমার (রাঃ) বাসস্থান ও খরচ-পাতির ব্যবস্থা করেছেন। শাবী (রহঃ) হতে আরও বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি কাইসের মেয়ে ফাতিমা (রাঃ)-এর নিকট এলাম এবং তার সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে ফায়সালা দিয়েছেন তাকে সে সম্বন্ধে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন যে, তাকে তার স্বামী শেষ তালাক দিলে তিনি বাসস্থান ও খরচ-পাতির জন্য তার স্বামীর সাথে ঝগড়া করেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার জন্য বাসস্থান ও খরচ-পাতির ব্যবস্থা করার সিদ্ধান্ত দেননি। দাঊদের বর্ণিত হাদীসে আছে, তিনি (ফাতিমা) বলেন, উম্মু মাকতূমের ছেলের ঘরে আমাকে ইদ্দাত পালনের জন্য রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দেন। সহীহ্‌, ইবনু মাজাহ- (২০৩৫, ২০৩৬)

শাৰী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কাইসের মেয়ে ফাতিমা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জীবদ্দশায় আমার স্বামী আমাকে তিন তালাক দেয়। (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (আমাকে) বলেনঃ তুমি বাসস্থান এবং ভরণ-পোষণ কোনটাই পাবে না। মুগীরা (রহঃ) বলেন, আমি ইবরাহীম নাখঈর নিকট একথা উল্লেখ করলে তিনি বলেন, উমার (রাঃ) বলেছেন, আমরা আল্লাহ তা'আলার কিতাব ও আমাদের রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাতকে একজন মহিলার কথায় ছেড়ে দিতে পারি না। সে স্মরণ রেখেছে না ভুলে গেছে তা আমাদের সঠিক জানা নেই। তিন তালাকপ্রাপ্তার জন্য উমার (রাঃ) বাসস্থান ও খরচ-পাতির ব্যবস্থা করেছেন। শাবী (রহঃ) হতে আরও বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি কাইসের মেয়ে ফাতিমা (রাঃ)-এর নিকট এলাম এবং তার সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে ফায়সালা দিয়েছেন তাকে সে সম্বন্ধে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন যে, তাকে তার স্বামী শেষ তালাক দিলে তিনি বাসস্থান ও খরচ-পাতির জন্য তার স্বামীর সাথে ঝগড়া করেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার জন্য বাসস্থান ও খরচ-পাতির ব্যবস্থা করার সিদ্ধান্ত দেননি। দাঊদের বর্ণিত হাদীসে আছে, তিনি (ফাতিমা) বলেন, উম্মু মাকতূমের ছেলের ঘরে আমাকে ইদ্দাত পালনের জন্য রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দেন। সহীহ্‌, ইবনু মাজাহ- (২০৩৫, ২০৩৬)

حدثنا هناد، حدثنا جرير، عن مغيرة، عن الشعبي، قال قالت فاطمة بنت قيس طلقني زوجي ثلاثا على عهد النبي صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا سكنى لك ولا نفقة ‏"‏ ‏.‏ قال مغيرة فذكرته لإبراهيم فقال قال عمر لا ندع كتاب الله وسنة نبينا صلى الله عليه وسلم لقول امرأة لا ندري أحفظت أم نسيت ‏.‏ وكان عمر يجعل لها السكنى والنفقة ‏.‏ حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا هشيم، أنبأنا حصين، وإسماعيل، ومجالد، قال هشيم وحدثنا داود، أيضا عن الشعبي، قال دخلت على فاطمة بنت قيس فسألتها عن قضاء، رسول الله صلى الله عليه وسلم فيها فقالت طلقها زوجها البتة فخاصمته في السكنى والنفقة فلم يجعل لها النبي صلى الله عليه وسلم سكنى ولا نفقة ‏.‏ وفي حديث داود قالت وأمرني أن أعتد في بيت ابن أم مكتوم ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وهو قول بعض أهل العلم منهم الحسن البصري وعطاء بن أبي رباح والشعبي وبه يقول أحمد وإسحاق ‏.‏ وقالوا ليس للمطلقة سكنى ولا نفقة إذا لم يملك زوجها الرجعة ‏.‏ وقال بعض أهل العلم من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم منهم عمر وعبد الله إن المطلقة ثلاثا لها السكنى والنفقة ‏.‏ وهو قول سفيان الثوري وأهل الكوفة ‏.‏ وقال بعض أهل العلم لها السكنى ولا نفقة لها ‏.‏ وهو قول مالك بن أنس والليث بن سعد والشافعي ‏.‏ وقال الشافعي إنما جعلنا لها السكنى بكتاب الله قال الله تعالى‏:‏ ‏(‏لا تخرجوهن من بيوتهن ولا يخرجن إلا أن يأتين بفاحشة مبينة ‏)‏ قالوا هو البذاء أن تبذو على أهلها ‏.‏ واعتل بأن فاطمة بنت قيس لم يجعل لها النبي صلى الله عليه وسلم السكنى لما كانت تبذو على أهلها ‏.‏ قال الشافعي ولا نفقة لها لحديث رسول الله صلى الله عليه وسلم في قصة حديث فاطمة بنت قيس ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00