জামে' আত-তিরমিজি > যুদ্ধবন্দিনীর স্বামী থাকলে তার সাথে সহবাস করা বৈধ কি-না?
জামে' আত-তিরমিজি ১১৩২
حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا هشيم، حدثنا عثمان البتي، عن أبي الخليل، عن أبي سعيد الخدري، قال أصبنا سبايا يوم أوطاس ولهن أزواج في قومهن فذكروا ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فنزلت : (والمحصنات من النساء إلا ما ملكت أيمانكم ) . قال أبو عيسى هذا حديث حسن . وهكذا رواه الثوري عن عثمان البتي عن أبي الخليل عن أبي سعيد . وأبو الخليل اسمه صالح بن أبي مريم . وروى همام، هذا الحديث عن قتادة، عن صالح أبي الخليل، عن أبي علقمة الهاشمي، عن أبي سعيد، عن النبي صلى الله عليه وسلم . حدثنا بذلك عبد بن حميد، حدثنا حبان بن هلال، حدثنا همام، .
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা কিছুসংখ্যক মহিলাকে আওতাস যুদ্ধের দিন বন্দী করলাম। তাদের মধ্যে অনেকেরই স্বামী ছিল তাদের নিজ সম্প্রদায়ে। লোকেরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বিষয়টি জানালেন। তখন এ আয়াতটি নাযিল হলঃ কারো বিয়ে বন্ধনে যেসব স্ত্রীলোক আবদ্ধ আছে তারাও তোমাদের জন্য হারাম; অবশ্য যারা (যুদ্ধে) তোমাদের হস্তগত হবে তারা এর অন্তর্ভুক্ত নয় (সূরাঃ নিসা- ২৪)। সহীহ্, সহীহ্ আবূ দাউদ (১৮৭১)
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা কিছুসংখ্যক মহিলাকে আওতাস যুদ্ধের দিন বন্দী করলাম। তাদের মধ্যে অনেকেরই স্বামী ছিল তাদের নিজ সম্প্রদায়ে। লোকেরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বিষয়টি জানালেন। তখন এ আয়াতটি নাযিল হলঃ কারো বিয়ে বন্ধনে যেসব স্ত্রীলোক আবদ্ধ আছে তারাও তোমাদের জন্য হারাম; অবশ্য যারা (যুদ্ধে) তোমাদের হস্তগত হবে তারা এর অন্তর্ভুক্ত নয় (সূরাঃ নিসা- ২৪)। সহীহ্, সহীহ্ আবূ দাউদ (১৮৭১)
حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا هشيم، حدثنا عثمان البتي، عن أبي الخليل، عن أبي سعيد الخدري، قال أصبنا سبايا يوم أوطاس ولهن أزواج في قومهن فذكروا ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فنزلت : (والمحصنات من النساء إلا ما ملكت أيمانكم ) . قال أبو عيسى هذا حديث حسن . وهكذا رواه الثوري عن عثمان البتي عن أبي الخليل عن أبي سعيد . وأبو الخليل اسمه صالح بن أبي مريم . وروى همام، هذا الحديث عن قتادة، عن صالح أبي الخليل، عن أبي علقمة الهاشمي، عن أبي سعيد، عن النبي صلى الله عليه وسلم . حدثنا بذلك عبد بن حميد، حدثنا حبان بن هلال، حدثنا همام، .
জামে' আত-তিরমিজি > ব্যভিচারিনীর উপার্জন হারাম
জামে' আত-তিরমিজি ১১৩৩
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن ابن شهاب، عن أبي بكر بن عبد الرحمن، عن أبي مسعود الأنصاري، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ثمن الكلب ومهر البغي وحلوان الكاهن . قال وفي الباب عن رافع بن خديج وأبي جحيفة وأبي هريرة وابن عباس . قال أبو عيسى حديث أبي مسعود حديث حسن صحيح .
আবূ মাসউদ আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কুকুরের বিক্রয় মূল্য, ব্যভিচারিনীর উপার্জন এবং গণক ঠাকুরের উপটৌকন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিষিদ্ধ করেছেন। সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (২৫৯০), বুখারী, মুসলিম
আবূ মাসউদ আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কুকুরের বিক্রয় মূল্য, ব্যভিচারিনীর উপার্জন এবং গণক ঠাকুরের উপটৌকন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিষিদ্ধ করেছেন। সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (২৫৯০), বুখারী, মুসলিম
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن ابن شهاب، عن أبي بكر بن عبد الرحمن، عن أبي مسعود الأنصاري، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ثمن الكلب ومهر البغي وحلوان الكاهن . قال وفي الباب عن رافع بن خديج وأبي جحيفة وأبي هريرة وابن عباس . قال أبو عيسى حديث أبي مسعود حديث حسن صحيح .
জামে' আত-তিরমিজি > কোন লোক তার ভাইয়ের বিয়ের প্রস্তাবের উপর প্রস্তাব যেন না দেয়
জামে' আত-তিরমিজি ১১৩৫
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا أبو داود، قال أنبأنا شعبة، قال أخبرني أبو بكر بن أبي الجهم، قال دخلت أنا وأبو سلمة بن عبد الرحمن على فاطمة بنت قيس فحدثتنا أن زوجها طلقها ثلاثا ولم يجعل لها سكنى ولا نفقة . قالت ووضع لي عشرة أقفزة عند ابن عم له خمسة شعيرا وخمسة برا . قالت فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له . قالت فقال " صدق " . قالت فأمرني أن أعتد في بيت أم شريك ثم قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن بيت أم شريك بيت يغشاه المهاجرون ولكن اعتدي في بيت ابن أم مكتوم فعسى أن تلقي ثيابك فلا يراك فإذا انقضت عدتك فجاء أحد يخطبك فآذنيني " . فلما انقضت عدتي خطبني أبو جهم ومعاوية . قالت فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له فقال " أما معاوية فرجل لا مال له وأما أبو جهم فرجل شديد على النساء " . قالت فخطبني أسامة بن زيد فتزوجني فبارك الله لي في أسامة . هذا حديث صحيح . وقد رواه سفيان الثوري عن أبي بكر بن أبي الجهم، نحو هذا الحديث وزاد فيه فقال لي النبي صلى الله عليه وسلم " انكحي أسامة " . حدثنا محمود بن غيلان حدثنا وكيع عن سفيان عن أبي بكر بن أبي الجهم بهذا .
আবূ বকর ইবনু আবু জাহম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ফাতিমা বিনতু কাইসের নিকট আমি ও আবূ সালামা ইবনু আবদুর রাহমান গেলাম। তিনি আমাদের বললেন, তাকে তার স্বামী তিন তালাক দিয়ে দিয়েছে কিন্তু সে তার জন্য থাকার ও ভরণপোষণের কোন ব্যবস্থা করেনি তবে আমার জন্য তার চাচাতো ভাইয়ের নিকট পাঁচ কাফীয যব ও পাঁচ কাফীয আটা মোট দশ কাফীযের ব্যবস্থা করেছে। ফাতিমা (রাঃ) বলেন, আমি বিষয়টি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে তাকে অবহিত করলাম। তিনি আরো বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “সে ঠিকই করেছে"। তিনি আমাকে নির্দেশ দিলেন উন্মু শারীকের বাড়ীতে ইদ্দাত পালনের জন্য। আবার তিনি আমাকে বললেনঃ “মুহাজিরদের চলাচল খুব বেশি হয়ে থাকে উম্মু শারীকের বাড়ীতে। অতএব, তুমি ইদ্দাত পালন কর উন্মু মাকতূমের ছেলের বাড়ীতে। তুমি প্রয়োজনে কাপড় পরিবর্তন করলে সে তোমাকে দেখতে পাবে না। কোন লোক যদি তোমাকে তোমার ইদ্দাত পূর্ণ হওয়ার পর বিয়ের প্রস্তাব দেয় তবে তুমি আমার নিকট এসো।" আমার ইদ্দাত শেষ হবার পর আবূ জাহম ও মুআবিয়া উভয়ে আমার নিকট বিয়ের প্রস্তাব পাঠান। ফাতিমা (রাঃ) বলেন, আমি বিষয়টি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে তাকে জানালাম। তিনি বললেন মুআবিয়া দরিদ্র লোক, তার তেমন কোন ধন-সম্পদ নেই। আর স্ত্রীদের প্রতি আবূ জাহম খুবই কঠোর। ফাতিমা (রাঃ) বলেন, তারপর আমার নিকট উসামা ইবনু যাইদ (রাঃ) প্রস্তাব করেন এবং আমাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার সাথে বিয়ে দেন। আল্লাহ তা’আলা আমাকে অশেষ কল্যাণ ও বারকাত দান করেছেন উসামার মাধ্যমে। সহীহ্, ইরওয়া (৬/২০৯), সহীহ্ আবূ দাউদ (১৯৭৬), মুসলিম
আবূ বকর ইবনু আবু জাহম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ফাতিমা বিনতু কাইসের নিকট আমি ও আবূ সালামা ইবনু আবদুর রাহমান গেলাম। তিনি আমাদের বললেন, তাকে তার স্বামী তিন তালাক দিয়ে দিয়েছে কিন্তু সে তার জন্য থাকার ও ভরণপোষণের কোন ব্যবস্থা করেনি তবে আমার জন্য তার চাচাতো ভাইয়ের নিকট পাঁচ কাফীয যব ও পাঁচ কাফীয আটা মোট দশ কাফীযের ব্যবস্থা করেছে। ফাতিমা (রাঃ) বলেন, আমি বিষয়টি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে তাকে অবহিত করলাম। তিনি আরো বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “সে ঠিকই করেছে"। তিনি আমাকে নির্দেশ দিলেন উন্মু শারীকের বাড়ীতে ইদ্দাত পালনের জন্য। আবার তিনি আমাকে বললেনঃ “মুহাজিরদের চলাচল খুব বেশি হয়ে থাকে উম্মু শারীকের বাড়ীতে। অতএব, তুমি ইদ্দাত পালন কর উন্মু মাকতূমের ছেলের বাড়ীতে। তুমি প্রয়োজনে কাপড় পরিবর্তন করলে সে তোমাকে দেখতে পাবে না। কোন লোক যদি তোমাকে তোমার ইদ্দাত পূর্ণ হওয়ার পর বিয়ের প্রস্তাব দেয় তবে তুমি আমার নিকট এসো।" আমার ইদ্দাত শেষ হবার পর আবূ জাহম ও মুআবিয়া উভয়ে আমার নিকট বিয়ের প্রস্তাব পাঠান। ফাতিমা (রাঃ) বলেন, আমি বিষয়টি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে তাকে জানালাম। তিনি বললেন মুআবিয়া দরিদ্র লোক, তার তেমন কোন ধন-সম্পদ নেই। আর স্ত্রীদের প্রতি আবূ জাহম খুবই কঠোর। ফাতিমা (রাঃ) বলেন, তারপর আমার নিকট উসামা ইবনু যাইদ (রাঃ) প্রস্তাব করেন এবং আমাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার সাথে বিয়ে দেন। আল্লাহ তা’আলা আমাকে অশেষ কল্যাণ ও বারকাত দান করেছেন উসামার মাধ্যমে। সহীহ্, ইরওয়া (৬/২০৯), সহীহ্ আবূ দাউদ (১৯৭৬), মুসলিম
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا أبو داود، قال أنبأنا شعبة، قال أخبرني أبو بكر بن أبي الجهم، قال دخلت أنا وأبو سلمة بن عبد الرحمن على فاطمة بنت قيس فحدثتنا أن زوجها طلقها ثلاثا ولم يجعل لها سكنى ولا نفقة . قالت ووضع لي عشرة أقفزة عند ابن عم له خمسة شعيرا وخمسة برا . قالت فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له . قالت فقال " صدق " . قالت فأمرني أن أعتد في بيت أم شريك ثم قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن بيت أم شريك بيت يغشاه المهاجرون ولكن اعتدي في بيت ابن أم مكتوم فعسى أن تلقي ثيابك فلا يراك فإذا انقضت عدتك فجاء أحد يخطبك فآذنيني " . فلما انقضت عدتي خطبني أبو جهم ومعاوية . قالت فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له فقال " أما معاوية فرجل لا مال له وأما أبو جهم فرجل شديد على النساء " . قالت فخطبني أسامة بن زيد فتزوجني فبارك الله لي في أسامة . هذا حديث صحيح . وقد رواه سفيان الثوري عن أبي بكر بن أبي الجهم، نحو هذا الحديث وزاد فيه فقال لي النبي صلى الله عليه وسلم " انكحي أسامة " . حدثنا محمود بن غيلان حدثنا وكيع عن سفيان عن أبي بكر بن أبي الجهم بهذا .
জামে' আত-তিরমিজি ১১৩৪
حدثنا أحمد بن منيع، وقتيبة، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، قال قتيبة يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم وقال أحمد - قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا يبيع الرجل على بيع أخيه ولا يخطب على خطبة أخيه " . قال وفي الباب عن سمرة وابن عمر . قال أبو عيسى حديث أبي هريرة حديث حسن صحيح . قال مالك بن أنس إنما معنى كراهية أن يخطب الرجل على خطبة أخيه إذا خطب الرجل المرأة فرضيت به فليس لأحد أن يخطب على خطبته . وقال الشافعي معنى هذا الحديث " لا يخطب الرجل على خطبة أخيه " . هذا عندنا إذا خطب الرجل المرأة فرضيت به وركنت إليه فليس لأحد أن يخطب على خطبته فأما قبل أن يعلم رضاها أو ركونها إليه فلا بأس أن يخطبها والحجة في ذلك حديث فاطمة بنت قيس حيث جاءت النبي صلى الله عليه وسلم فذكرت له أن أبا جهم بن حذيفة ومعاوية بن أبي سفيان خطباها فقال " أما أبو جهم فرجل لا يرفع عصاه عن النساء وأما معاوية فصعلوك لا مال له ولكن انكحي أسامة " . فمعنى هذا الحديث عندنا والله أعلم أن فاطمة لم تخبره برضاها بواحد منهما ولو أخبرته لم يشر عليها بغير الذي ذكرت .
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন লোক যেন তার অন্য ভাইয়ের ক্রয়-বিক্রয় প্রস্তাবের উপর নিজের ক্রয়-বিক্রয়ের প্রস্তাব না করে এবং তার বিয়ের প্রস্তাবের উপর যেন নিজের বিয়ের প্রস্তাব না দেয়। সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (২১৭২), বুখারী, মুসলিম
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন লোক যেন তার অন্য ভাইয়ের ক্রয়-বিক্রয় প্রস্তাবের উপর নিজের ক্রয়-বিক্রয়ের প্রস্তাব না করে এবং তার বিয়ের প্রস্তাবের উপর যেন নিজের বিয়ের প্রস্তাব না দেয়। সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (২১৭২), বুখারী, মুসলিম
حدثنا أحمد بن منيع، وقتيبة، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، قال قتيبة يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم وقال أحمد - قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا يبيع الرجل على بيع أخيه ولا يخطب على خطبة أخيه " . قال وفي الباب عن سمرة وابن عمر . قال أبو عيسى حديث أبي هريرة حديث حسن صحيح . قال مالك بن أنس إنما معنى كراهية أن يخطب الرجل على خطبة أخيه إذا خطب الرجل المرأة فرضيت به فليس لأحد أن يخطب على خطبته . وقال الشافعي معنى هذا الحديث " لا يخطب الرجل على خطبة أخيه " . هذا عندنا إذا خطب الرجل المرأة فرضيت به وركنت إليه فليس لأحد أن يخطب على خطبته فأما قبل أن يعلم رضاها أو ركونها إليه فلا بأس أن يخطبها والحجة في ذلك حديث فاطمة بنت قيس حيث جاءت النبي صلى الله عليه وسلم فذكرت له أن أبا جهم بن حذيفة ومعاوية بن أبي سفيان خطباها فقال " أما أبو جهم فرجل لا يرفع عصاه عن النساء وأما معاوية فصعلوك لا مال له ولكن انكحي أسامة " . فمعنى هذا الحديث عندنا والله أعلم أن فاطمة لم تخبره برضاها بواحد منهما ولو أخبرته لم يشر عليها بغير الذي ذكرت .
জামে' আত-তিরমিজি > আযল প্রসঙ্গে
জামে' আত-তিরমিজি ১১৩৬
حدثنا محمد بن عبد الملك بن أبي الشوارب، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا معمر، عن يحيى بن أبي كثير، عن محمد بن عبد الرحمن بن ثوبان، عن جابر، قال قلنا يا رسول الله إنا كنا نعزل فزعمت اليهود أنها الموءودة الصغرى . فقال " كذبت اليهود إن الله إذا أراد أن يخلقه لم يمنعه " . قال وفي الباب عن عمر والبراء وأبي هريرة وأبي سعيد .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আযল করতাম। কিন্তু এটাকে ‘জীবন্ত কবর দেয়ার’ নামান্তর মনে করে ইয়াহুদীরা। তিনি বললেনঃ ইয়াহুদীরা মিথ্যা বলেছে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা কোন কিছু সৃষ্টির সিদ্ধান্ত নিলে কেউই তা বাধা দিয়ে রাখতে পারে না। সহীহ্, আল-আ-দাব (৫২), সহীহ্ আবু দাউদ (১৮৮৪)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আযল করতাম। কিন্তু এটাকে ‘জীবন্ত কবর দেয়ার’ নামান্তর মনে করে ইয়াহুদীরা। তিনি বললেনঃ ইয়াহুদীরা মিথ্যা বলেছে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা কোন কিছু সৃষ্টির সিদ্ধান্ত নিলে কেউই তা বাধা দিয়ে রাখতে পারে না। সহীহ্, আল-আ-দাব (৫২), সহীহ্ আবু দাউদ (১৮৮৪)
حدثنا محمد بن عبد الملك بن أبي الشوارب، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا معمر، عن يحيى بن أبي كثير، عن محمد بن عبد الرحمن بن ثوبان، عن جابر، قال قلنا يا رسول الله إنا كنا نعزل فزعمت اليهود أنها الموءودة الصغرى . فقال " كذبت اليهود إن الله إذا أراد أن يخلقه لم يمنعه " . قال وفي الباب عن عمر والبراء وأبي هريرة وأبي سعيد .
জামে' আত-তিরমিজি ১১৩৭
حدثنا قتيبة، وابن أبي عمر، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو بن دينار، عن عطاء، عن جابر بن عبد الله، قال كنا نعزل والقرآن ينزل . قال أبو عيسى حديث جابر حديث حسن صحيح وقد روي عنه من غير وجه . وقد رخص قوم من أهل العلم من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم في العزل . وقال مالك بن أنس تستأمر الحرة في العزل ولا تستأمر الأمة .
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা কুরআন অবতীর্ণ হতে থাকাকালে (আল্লাহর রাসূলের জীবদ্দশায়) আযল করতাম। - সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৯২৭), বুখারী, মুসলিম
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা কুরআন অবতীর্ণ হতে থাকাকালে (আল্লাহর রাসূলের জীবদ্দশায়) আযল করতাম। - সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৯২৭), বুখারী, মুসলিম
حدثنا قتيبة، وابن أبي عمر، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو بن دينار، عن عطاء، عن جابر بن عبد الله، قال كنا نعزل والقرآن ينزل . قال أبو عيسى حديث جابر حديث حسن صحيح وقد روي عنه من غير وجه . وقد رخص قوم من أهل العلم من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم في العزل . وقال مالك بن أنس تستأمر الحرة في العزل ولا تستأمر الأمة .