জামে' আত-তিরমিজি > রোযাদারকে ইফতার করানোর ফাযীলাত

জামে' আত-তিরমিজি ৮০৭

حدثنا هناد، حدثنا عبد الرحيم بن سليمان، عن عبد الملك بن أبي سليمان، عن عطاء، عن زيد بن خالد الجهني، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من فطر صائما كان له مثل أجره غير أنه لا ينقص من أجر الصائم شيئا ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏

যাইদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন রোযা পালনকারীকে যে লোক ইফতার করায় সে লোকের জন্যও রোযা পালনকারীর সমপরিমাণ সওয়াব রয়েছে। কিন্তু এর ফলে রোযা পালনকারীর সওয়াব থেকে বিন্দুমাত্র কমানো হবে না। -সহীহ্‌, ইবনু মা-জাহ (১৭৪৬)

যাইদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন রোযা পালনকারীকে যে লোক ইফতার করায় সে লোকের জন্যও রোযা পালনকারীর সমপরিমাণ সওয়াব রয়েছে। কিন্তু এর ফলে রোযা পালনকারীর সওয়াব থেকে বিন্দুমাত্র কমানো হবে না। -সহীহ্‌, ইবনু মা-জাহ (১৭৪৬)

حدثنا هناد، حدثنا عبد الرحيم بن سليمان، عن عبد الملك بن أبي سليمان، عن عطاء، عن زيد بن خالد الجهني، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من فطر صائما كان له مثل أجره غير أنه لا ينقص من أجر الصائم شيئا ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


জামে' আত-তিরমিজি > রমযান মাসে (রাত্রের ইবাদাত) দণ্ডায়মান হওয়ার জন্য উৎসাহিত করা এবং এর ফাযীলাত

জামে' আত-তিরমিজি ৮০৮

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يرغب في قيام رمضان من غير أن يأمرهم بعزيمة ويقول ‏ "‏ من قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه ‏"‏ ‏.‏ فتوفي رسول الله صلى الله عليه وسلم والأمر على ذلك ثم كان الأمر كذلك في خلافة أبي بكر وصدرا من خلافة عمر بن الخطاب على ذلك ‏.‏ وفي الباب عن عائشة ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث صحيح ‏.‏ وقد روي هذا الحديث أيضا عن الزهري عن عروة عن عائشة ‏عن النبي قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রমযানের (রাত্র জেগে) ইবাদাত-বন্দিগীতে মাশ্‌গুল থাকতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উৎসাহিত করতেন, তবে সেটাকে বাধ্যতামূলক হিসেবে নির্দেশ দেননি। তিনি বলতেনঃ ঈমানের সাথে এবং সাওয়াবের আশা করে যে লোক রমযান মাসে (রাতে ইবাদাতে) দন্ডায়মান হবে সে লোকের পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ ক্ষমা করা হবে। এ নিয়মই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মৃত্যু পর্যন্ত চালু ছিল। এ বিষয়টি আবূ বকর (রাঃ)-এর খিলাফত এবং উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-আর খিলাফতের প্রথম দিকেও এমনই ছিল। -সহীহ্‌, সহীহ আবূ দাঊদ (১২৪১), নাসা-ঈ, ইমাম বুখারীর মতে মৃত্যু পর্যন্ত...এই বাক্যাংশটি যুহরী হাদীসে সংযোগ করেছেন।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রমযানের (রাত্র জেগে) ইবাদাত-বন্দিগীতে মাশ্‌গুল থাকতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উৎসাহিত করতেন, তবে সেটাকে বাধ্যতামূলক হিসেবে নির্দেশ দেননি। তিনি বলতেনঃ ঈমানের সাথে এবং সাওয়াবের আশা করে যে লোক রমযান মাসে (রাতে ইবাদাতে) দন্ডায়মান হবে সে লোকের পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ ক্ষমা করা হবে। এ নিয়মই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মৃত্যু পর্যন্ত চালু ছিল। এ বিষয়টি আবূ বকর (রাঃ)-এর খিলাফত এবং উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-আর খিলাফতের প্রথম দিকেও এমনই ছিল। -সহীহ্‌, সহীহ আবূ দাঊদ (১২৪১), নাসা-ঈ, ইমাম বুখারীর মতে মৃত্যু পর্যন্ত...এই বাক্যাংশটি যুহরী হাদীসে সংযোগ করেছেন।

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يرغب في قيام رمضان من غير أن يأمرهم بعزيمة ويقول ‏ "‏ من قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه ‏"‏ ‏.‏ فتوفي رسول الله صلى الله عليه وسلم والأمر على ذلك ثم كان الأمر كذلك في خلافة أبي بكر وصدرا من خلافة عمر بن الخطاب على ذلك ‏.‏ وفي الباب عن عائشة ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث صحيح ‏.‏ وقد روي هذا الحديث أيضا عن الزهري عن عروة عن عائشة ‏عن النبي قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح.‏


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00