সুনান নাসাঈ > সাহায্য প্রার্থনা করা
সুনান নাসাঈ ৫৪০৯
أخبرنا الحسين بن منصور بن جعفر، قال: حدثنا مبشر بن عبد الله بن رزين، قال: حدثنا سفيان بن حسين، عن أبي بشر جعفر بن إياس، عن عباد بن شرحبيل، قال: قدمت مع عمومتي المدينة فدخلت حائطا من حيطانها، ففركت من سنبله، فجاء صاحب الحائط فأخذ كسائي وضربني، فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم أستعدي عليه، فأرسل إلى الرجل، فجاءوا به فقال: «ما حملك على هذا؟» فقال: يا رسول الله، إنه دخل حائطي، فأخذ من سنبله ففركه، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما علمته إذ كان جاهلا، ولا أطعمته إذ كان جائعا، اردد عليه كساءه»، وأمر لي رسول الله صلى الله عليه وسلم بوسق أو نصف وسق
আব্বাদ ইব্ন শারাহীল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আমার চাচাদের সাথে মদীনায় আগমন করলাম এবং তথাকার বাগানের মধ্যে এক বাগানে প্রবেশ করলাম, আর একটি ফলের গুচ্ছ নিয়ে তা মুচড়ে ফেললাম। তখন ঐ বাগানের মালিক এসে আমার কম্বল কেড়ে নিল এবং আমাকে মারধর করলো। আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাঁর নিকট ফরিয়াদ করলাম। তিনি ঐ ব্যক্তিকে ডেকে পাঠালে তারা তাকে নিয়ে আসলো। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ তুমি কেন এরূপ করলে? সে বললোঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্! সে আমার বাগানে প্রবেশ করে ফলের গুচ্ছ নিয়ে তা মুচড়ে ফেলেছে। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদিও সে অজ্ঞ ছিল, তুমি তাকে বললে না কেন? আর যখন সে ক্ষুধার্ত ছিল, তখন তুমি তা খাওয়ালে না কেন? যাও, তুমি তার কম্বল ফিরিয়ে দাও। পরে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে এক ওসক অথবা আধা ওসক দেওয়ার আদেশ দেন।
আব্বাদ ইব্ন শারাহীল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আমার চাচাদের সাথে মদীনায় আগমন করলাম এবং তথাকার বাগানের মধ্যে এক বাগানে প্রবেশ করলাম, আর একটি ফলের গুচ্ছ নিয়ে তা মুচড়ে ফেললাম। তখন ঐ বাগানের মালিক এসে আমার কম্বল কেড়ে নিল এবং আমাকে মারধর করলো। আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাঁর নিকট ফরিয়াদ করলাম। তিনি ঐ ব্যক্তিকে ডেকে পাঠালে তারা তাকে নিয়ে আসলো। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ তুমি কেন এরূপ করলে? সে বললোঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্! সে আমার বাগানে প্রবেশ করে ফলের গুচ্ছ নিয়ে তা মুচড়ে ফেলেছে। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদিও সে অজ্ঞ ছিল, তুমি তাকে বললে না কেন? আর যখন সে ক্ষুধার্ত ছিল, তখন তুমি তা খাওয়ালে না কেন? যাও, তুমি তার কম্বল ফিরিয়ে দাও। পরে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে এক ওসক অথবা আধা ওসক দেওয়ার আদেশ দেন।
أخبرنا الحسين بن منصور بن جعفر، قال: حدثنا مبشر بن عبد الله بن رزين، قال: حدثنا سفيان بن حسين، عن أبي بشر جعفر بن إياس، عن عباد بن شرحبيل، قال: قدمت مع عمومتي المدينة فدخلت حائطا من حيطانها، ففركت من سنبله، فجاء صاحب الحائط فأخذ كسائي وضربني، فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم أستعدي عليه، فأرسل إلى الرجل، فجاءوا به فقال: «ما حملك على هذا؟» فقال: يا رسول الله، إنه دخل حائطي، فأخذ من سنبله ففركه، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما علمته إذ كان جاهلا، ولا أطعمته إذ كان جائعا، اردد عليه كساءه»، وأمر لي رسول الله صلى الله عليه وسلم بوسق أو نصف وسق
সুনান নাসাঈ > মহিলাদেরকে বিচারালয়ে না আনা
সুনান নাসাঈ ৫৪১০
أخبرنا محمد بن سلمة، قال: أنبأنا عبد الرحمن بن القاسم، عن مالك، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن أبي هريرة، وزيد بن خالد الجهني، أنهما أخبراه، أن رجلين اختصما إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: أحدهما: اقض بيننا بكتاب الله، وقال الآخر وهو أفقههما: أجل يا رسول الله، وأذن لي في أن أتكلم، قال: إن ابني كان عسيفا على هذا، فزنى بامرأته، فأخبروني أن على ابني الرجم، فافتديت بمائة شاة وبجارية لي، ثم إني سألت أهل العلم، فأخبروني أنما على ابني جلد مائة، وتغريب عام، وإنما الرجم على امرأته، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «والذي نفسي بيده، لأقضين بينكما بكتاب الله، أما غنمك وجاريتك فرد إليك، وجلد ابنه مائة، وغربه عاما»، وأمر أنيسا أن يأتي امرأة الآخر، فإن اعترفت، فارجمها، فاعترفت، فرجمها
আবূ হুরায়রা এবং যায়দ ইব্ন খালিদ জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
দুই ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট তাদের এক ঝগড়া নিয়ে উপস্থিত হলো। তাদের একজন বললোঃ আমাদের মধ্যে আল্লাহ্র কিতাবের দ্বারা মীমাংসা করুন। অন্যজন, যে ছিল তাদের মধ্যে অধিক জ্ঞানী সে বললোঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্! আমাকে নিজের বক্তব্য পেশ করার অনুমতি দিন। সে বললোঃ আমার ছেলে এই লোকের চাকর ছিল এবং সে তার স্ত্রীর সাথে ব্যভিচার করেছে। লোকেরা আমাকে বললোঃ তোমার ছেলেকে পাথর মেরে হত্যা করা হবে। আমি এক শত ছাগল এবং আমার এক দাসীর বিনিময়ে আমার ছেলেকে ছাড়িয়েছি। এরপর আমি আলিমদের নিকট এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে, তারা বললোঃ আমার ছেলের শাস্তি একশত বেত্রাঘাত এবং এক বৎসর নির্বাসন, আর তার স্ত্রীকে প্রস্তরাঘাতে হত্যা করা হবে। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যাঁর হাতে আমার জীবন, সেই সত্তার শপথ করে বলছিঃ আমি অবশ্যই আল্লাহ্র কিতাব অনুযায়ী তোমাদের মধ্যে মীমাংসা করবো, তোমার ছাগসমূহ এবং দাসী তোমাকে ফেরত দেওয়া হবে, আর তার ছেলেকে একশত বত্রাঘাত করা হবে এবং এক বৎসরের জন্য নির্বাসন দেওয়া হবে। এরপর তিনি উনায়স (রাঃ) -কে বললেনঃ সে যেন অন্য ব্যক্তির স্ত্রীর নিকট যায়, যদি সে ব্যভিচার করেছে বলে স্বীকার করে, তবে তাকে প্রস্তরাঘাতে হত্যা করা হবে। পরে ঐ নারী স্বীকার করলে তাকে প্রস্তরাঘাতে হত্যা করা হয়।
আবূ হুরায়রা এবং যায়দ ইব্ন খালিদ জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
দুই ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট তাদের এক ঝগড়া নিয়ে উপস্থিত হলো। তাদের একজন বললোঃ আমাদের মধ্যে আল্লাহ্র কিতাবের দ্বারা মীমাংসা করুন। অন্যজন, যে ছিল তাদের মধ্যে অধিক জ্ঞানী সে বললোঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্! আমাকে নিজের বক্তব্য পেশ করার অনুমতি দিন। সে বললোঃ আমার ছেলে এই লোকের চাকর ছিল এবং সে তার স্ত্রীর সাথে ব্যভিচার করেছে। লোকেরা আমাকে বললোঃ তোমার ছেলেকে পাথর মেরে হত্যা করা হবে। আমি এক শত ছাগল এবং আমার এক দাসীর বিনিময়ে আমার ছেলেকে ছাড়িয়েছি। এরপর আমি আলিমদের নিকট এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে, তারা বললোঃ আমার ছেলের শাস্তি একশত বেত্রাঘাত এবং এক বৎসর নির্বাসন, আর তার স্ত্রীকে প্রস্তরাঘাতে হত্যা করা হবে। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যাঁর হাতে আমার জীবন, সেই সত্তার শপথ করে বলছিঃ আমি অবশ্যই আল্লাহ্র কিতাব অনুযায়ী তোমাদের মধ্যে মীমাংসা করবো, তোমার ছাগসমূহ এবং দাসী তোমাকে ফেরত দেওয়া হবে, আর তার ছেলেকে একশত বত্রাঘাত করা হবে এবং এক বৎসরের জন্য নির্বাসন দেওয়া হবে। এরপর তিনি উনায়স (রাঃ) -কে বললেনঃ সে যেন অন্য ব্যক্তির স্ত্রীর নিকট যায়, যদি সে ব্যভিচার করেছে বলে স্বীকার করে, তবে তাকে প্রস্তরাঘাতে হত্যা করা হবে। পরে ঐ নারী স্বীকার করলে তাকে প্রস্তরাঘাতে হত্যা করা হয়।
أخبرنا محمد بن سلمة، قال: أنبأنا عبد الرحمن بن القاسم، عن مالك، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن أبي هريرة، وزيد بن خالد الجهني، أنهما أخبراه، أن رجلين اختصما إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: أحدهما: اقض بيننا بكتاب الله، وقال الآخر وهو أفقههما: أجل يا رسول الله، وأذن لي في أن أتكلم، قال: إن ابني كان عسيفا على هذا، فزنى بامرأته، فأخبروني أن على ابني الرجم، فافتديت بمائة شاة وبجارية لي، ثم إني سألت أهل العلم، فأخبروني أنما على ابني جلد مائة، وتغريب عام، وإنما الرجم على امرأته، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «والذي نفسي بيده، لأقضين بينكما بكتاب الله، أما غنمك وجاريتك فرد إليك، وجلد ابنه مائة، وغربه عاما»، وأمر أنيسا أن يأتي امرأة الآخر، فإن اعترفت، فارجمها، فاعترفت، فرجمها
সুনান নাসাঈ ৫৪১১
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله، عن أبي هريرة، وزيد بن خالد، وشبل، قالوا: كنا عند النبي صلى الله عليه وسلم فقام إليه رجل فقال: أنشدك بالله، إلا ما قضيت بيننا بكتاب الله، فقام خصمه وكان أفقه منه فقال: صدق، اقض بيننا بكتاب الله، قال: «قل» قال: إن ابني كان عسيفا على هذا، فزنى بامرأته، فافتديت منه بمائة شاة وخادم، وكأنه أخبر أن على ابنه الرجم فافتدى منه، ثم سألت رجالا من أهل العلم، فأخبروني أن على ابني جلد مائة وتغريب عام، فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «والذي نفسي بيده، لأقضين بينكما بكتاب الله عز وجل، أما المائة شاة والخادم فرد عليك، وعلى ابنك جلد مائة وتغريب عام، اغد يا أنيس على امرأة هذا، فإن اعترفت فارجمها» فغدا عليها، فاعترفت فرجمها
আবূ হুরায়রা, যায়দ ইব্ন খালিদ এবং শিব্ল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। এমন সময় এক ব্যক্তি এসে বললোঃ আমাদের মধ্যে আল্লাহ্র শপথ দিয়ে বলছি, আপনি আমাদের মধ্যে আল্লাহ্র কিতাব অনুযায়ী মীমাংসা করুন। পরে তার বিপক্ষ যে অধিক বুদ্ধিমান ছিল, সে বললোঃ ঠিকই আপনি আমাদের মধ্যে আল্লাহ্র কিতাবানুযায়ী মীমাংসা করুন। তখন তিনি বললেনঃ বল! সে বললোঃ আমার পুত্র এই ব্যক্তির চাকর ছিল, এবং সে তার স্ত্রীর সাথে ব্যভিচার করেছে। আমি আমার একশত ছাগল এবং খাদেম দ্বারা তাকে ছাড়িয়ে নিয়েছি, অথচ তাকে কেউ খবর দিয়েছে যে, তার পুত্রকে প্রস্তরাঘাতে হত্যা করা হবে। তাই সে এর বিনিময়ে তাকে ছাড়িয়ে নিয়েছে। এরপর আমি কয়েকজন আলিমের নিকট জিজ্ঞাসা করলে তারা বললোঃ আমার পুত্রের উপর একশত বেত্রাঘাত ও এক বছরের নির্বাসন বর্তাবে। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ্র শপথ! যাঁর হাতে আমার প্রাণ! আমি তোমাদের মধ্যে আল্লাহ্র কিতাবানুযায়ী মীমাংসা করবো। আর একশত ছাগল ও খাদিম তোমাকে ফেরত দেওয়া হবে এবং তোমার ছেলের উপর একশত বেত্রাঘাত ও এক বছরের নির্বাসন বর্তাবে। এরপর তিনি বলেনঃ হে উনায়স! তুমি ভোরে ঐ ব্যক্তির স্ত্রীর নিকট যাবে, যদি সে স্বীকার করে, তবে তাকে প্রস্তরাঘাতে হত্যা করবে। উনায়স ভোরে তার নিকট গমন করলে, সে তা স্বীকার করলো, ফলে তাকে প্রস্তরাঘাতে হত্যা করা হয়।
আবূ হুরায়রা, যায়দ ইব্ন খালিদ এবং শিব্ল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। এমন সময় এক ব্যক্তি এসে বললোঃ আমাদের মধ্যে আল্লাহ্র শপথ দিয়ে বলছি, আপনি আমাদের মধ্যে আল্লাহ্র কিতাব অনুযায়ী মীমাংসা করুন। পরে তার বিপক্ষ যে অধিক বুদ্ধিমান ছিল, সে বললোঃ ঠিকই আপনি আমাদের মধ্যে আল্লাহ্র কিতাবানুযায়ী মীমাংসা করুন। তখন তিনি বললেনঃ বল! সে বললোঃ আমার পুত্র এই ব্যক্তির চাকর ছিল, এবং সে তার স্ত্রীর সাথে ব্যভিচার করেছে। আমি আমার একশত ছাগল এবং খাদেম দ্বারা তাকে ছাড়িয়ে নিয়েছি, অথচ তাকে কেউ খবর দিয়েছে যে, তার পুত্রকে প্রস্তরাঘাতে হত্যা করা হবে। তাই সে এর বিনিময়ে তাকে ছাড়িয়ে নিয়েছে। এরপর আমি কয়েকজন আলিমের নিকট জিজ্ঞাসা করলে তারা বললোঃ আমার পুত্রের উপর একশত বেত্রাঘাত ও এক বছরের নির্বাসন বর্তাবে। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ্র শপথ! যাঁর হাতে আমার প্রাণ! আমি তোমাদের মধ্যে আল্লাহ্র কিতাবানুযায়ী মীমাংসা করবো। আর একশত ছাগল ও খাদিম তোমাকে ফেরত দেওয়া হবে এবং তোমার ছেলের উপর একশত বেত্রাঘাত ও এক বছরের নির্বাসন বর্তাবে। এরপর তিনি বলেনঃ হে উনায়স! তুমি ভোরে ঐ ব্যক্তির স্ত্রীর নিকট যাবে, যদি সে স্বীকার করে, তবে তাকে প্রস্তরাঘাতে হত্যা করবে। উনায়স ভোরে তার নিকট গমন করলে, সে তা স্বীকার করলো, ফলে তাকে প্রস্তরাঘাতে হত্যা করা হয়।
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله، عن أبي هريرة، وزيد بن خالد، وشبل، قالوا: كنا عند النبي صلى الله عليه وسلم فقام إليه رجل فقال: أنشدك بالله، إلا ما قضيت بيننا بكتاب الله، فقام خصمه وكان أفقه منه فقال: صدق، اقض بيننا بكتاب الله، قال: «قل» قال: إن ابني كان عسيفا على هذا، فزنى بامرأته، فافتديت منه بمائة شاة وخادم، وكأنه أخبر أن على ابنه الرجم فافتدى منه، ثم سألت رجالا من أهل العلم، فأخبروني أن على ابني جلد مائة وتغريب عام، فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «والذي نفسي بيده، لأقضين بينكما بكتاب الله عز وجل، أما المائة شاة والخادم فرد عليك، وعلى ابنك جلد مائة وتغريب عام، اغد يا أنيس على امرأة هذا، فإن اعترفت فارجمها» فغدا عليها، فاعترفت فرجمها
সুনান নাসাঈ > ব্যভিচারীকে ডেকে পাঠানো
সুনান নাসাঈ ৫৪১২
أخبرنا الحسن بن أحمد الكرماني، قال: حدثنا أبو الربيع، قال: حدثنا حماد، قال: حدثنا يحيى، عن أبي أمامة بن سهل بن حنيف، أن النبي صلى الله عليه وسلم أتي بامرأة قد زنت فقال: «ممن؟» قالت: من المقعد الذي في حائط سعد، فأرسل إليه، فأتي به محمولا، فوضع بين يديه، فاعترف «فدعا رسول الله صلى الله عليه وسلم بإثكال فضربه، ورحمه لزمانته، وخفف عنه»
আবূ উমামা ইব্ন সাহ্ল ইব্ন হুনায়ফ (রাঃ) থেকে থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এক নারীকে আনা হল, যে ব্যভিচার করেছিল। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞাসা করেনঃ কার সাথে? মহিলাটি বললোঃ ঐ পঙ্গু লোকটির শপথ! যে সা’দ (রাঃ) -এর বাগানে অবস্থান করে। তার নিকট লোক পাঠিয়ে তাকে বহন করা আনা হলো। তাকে তাঁর সামনে রাখা হল। এরপর সে তা স্বীকার করলো। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খেযুরের একখানা ডাল আনিয়ে তা দ্বারা তাকে কয়েক ঘা লাগান, আর তিনি তাকে তার পঙ্গুত্তের জন্য সহজ শাস্তি দেন।
আবূ উমামা ইব্ন সাহ্ল ইব্ন হুনায়ফ (রাঃ) থেকে থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এক নারীকে আনা হল, যে ব্যভিচার করেছিল। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞাসা করেনঃ কার সাথে? মহিলাটি বললোঃ ঐ পঙ্গু লোকটির শপথ! যে সা’দ (রাঃ) -এর বাগানে অবস্থান করে। তার নিকট লোক পাঠিয়ে তাকে বহন করা আনা হলো। তাকে তাঁর সামনে রাখা হল। এরপর সে তা স্বীকার করলো। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খেযুরের একখানা ডাল আনিয়ে তা দ্বারা তাকে কয়েক ঘা লাগান, আর তিনি তাকে তার পঙ্গুত্তের জন্য সহজ শাস্তি দেন।
أخبرنا الحسن بن أحمد الكرماني، قال: حدثنا أبو الربيع، قال: حدثنا حماد، قال: حدثنا يحيى، عن أبي أمامة بن سهل بن حنيف، أن النبي صلى الله عليه وسلم أتي بامرأة قد زنت فقال: «ممن؟» قالت: من المقعد الذي في حائط سعد، فأرسل إليه، فأتي به محمولا، فوضع بين يديه، فاعترف «فدعا رسول الله صلى الله عليه وسلم بإثكال فضربه، ورحمه لزمانته، وخفف عنه»
সুনান নাসাঈ > বিচারকের মীমাংসার জন্য প্রজার নিকট গমন
সুনান নাসাঈ ৫৪১৩
أخبرنا محمد بن منصور، قال: حدثنا سفيان، قال: حدثنا أبو حازم، قال: سمعت سهل بن سعد الساعدي يقول: وقع بين حيين من الأنصار كلام حتى تراموا بالحجارة، فذهب النبي صلى الله عليه وسلم ليصلح بينهم، فحضرت الصلاة، فأذن بلال، وانتظر رسول الله صلى الله عليه وسلم فاحتبس، فأقام الصلاة، وتقدم أبو بكر رضي الله عنه، فجاء النبي صلى الله عليه وسلم وأبو بكر يصلي بالناس، فلما رآه الناس صفحوا، وكان أبو بكر لا يلتفت في الصلاة، فلما سمع تصفيحهم التفت، فإذا هو برسول الله صلى الله عليه وسلم أراد أن يتأخر، فأشار إليه أن اثبت، فرفع أبو بكر رضي الله عنه - يعني يديه - ثم نكص القهقرى، وتقدم رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى، فلما قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم الصلاة، قال: «ما منعك أن تثبت؟» قال: ما كان الله ليرى ابن أبي قحافة بين يدي نبيه، ثم أقبل على الناس فقال: " ما لكم إذا نابكم شيء في صلاتكم صفحتم إن ذلك للنساء، من نابه شيء في صلاته فليقل: سبحان الله "
সহল ইব্ন সা’দ সাঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আনসারদের দুই গোত্রের মধ্যে বচসা হলে তারা একে অন্যের প্রতি প্রস্তর নিক্ষেপ করলো। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের উভয়ের মধ্যে মীমাংসা করানোর জন্য তথায় গমন করেন। এমন সময় নামাযের সময় হলে বিলাল (রাঃ) আযান দিলেন এবং রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর অপেক্ষায় রইলেন। কিন্তু তিনি তথায় ব্যস্ত থাকায় একমত বলা হলে নামাযের ইমামতির জন্য আবূ বকর (রাঃ) সামনে গেলেন, এমন সময় রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আগমন করলেন, আর তখনও আবূ বকর (রাঃ) নামাযে ইমামতি করছিলেন। লোক তাঁকে দেখে হাতে শব্দ করলো। আবূ বকর (রাঃ) নামাযে কোন দিকে লক্ষ্য করতেন না। কিন্তু তিনি সকলের হাতের শব্দ শুনে লক্ষ্য করে দেখলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আগমন করেছেন। তখন তিনি পেছনে সরে আসার ইচ্ছা করলে রাসূলুল্লাহ্ তাঁকে স্থির থাকতে ইঙ্গিত করলেন। আবূ বকর (রাঃ) তাঁর হস্তদ্বয় উত্তোলন করে আল্লাহ্র শোকর আদায় করলেন এবং তিনি উল্টো পায়ে পেছলে সরে আসলেন। আর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সামনে এগিয়ে গিয়ে নামায পড়ছিলেন, তিনি নামায শেষে আবূ বকর (রাঃ) -কে বললেনঃ আপনি স্বীয় স্থানে অবস্থান করলেন না কেন? আবূ বকর (রাঃ) বললেনঃ এটা কিরূপে সম্ভব যে, আল্লাহ্ তা’আলা আবূ কুহাফার পুত্রকে স্বীয় নবীর সামনে দেখবেন। এরপর তিনি জনসাধারণের দিকে মুখ করে বললেনঃ তোমাদের অবস্থা কী? তোমরা যখন নামাযে কোন ঘটনা ঘটে, তখন তোমরা নারীদের ন্যায় কেন হাতে তালি দাও? এতো নারীদের জন্য। যখন নামাযে কারো কোন ঘটনা ঘটে, তখন ষে যেন বলে – ‘সুবহানআল্লাহ’।
সহল ইব্ন সা’দ সাঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আনসারদের দুই গোত্রের মধ্যে বচসা হলে তারা একে অন্যের প্রতি প্রস্তর নিক্ষেপ করলো। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের উভয়ের মধ্যে মীমাংসা করানোর জন্য তথায় গমন করেন। এমন সময় নামাযের সময় হলে বিলাল (রাঃ) আযান দিলেন এবং রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর অপেক্ষায় রইলেন। কিন্তু তিনি তথায় ব্যস্ত থাকায় একমত বলা হলে নামাযের ইমামতির জন্য আবূ বকর (রাঃ) সামনে গেলেন, এমন সময় রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আগমন করলেন, আর তখনও আবূ বকর (রাঃ) নামাযে ইমামতি করছিলেন। লোক তাঁকে দেখে হাতে শব্দ করলো। আবূ বকর (রাঃ) নামাযে কোন দিকে লক্ষ্য করতেন না। কিন্তু তিনি সকলের হাতের শব্দ শুনে লক্ষ্য করে দেখলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আগমন করেছেন। তখন তিনি পেছনে সরে আসার ইচ্ছা করলে রাসূলুল্লাহ্ তাঁকে স্থির থাকতে ইঙ্গিত করলেন। আবূ বকর (রাঃ) তাঁর হস্তদ্বয় উত্তোলন করে আল্লাহ্র শোকর আদায় করলেন এবং তিনি উল্টো পায়ে পেছলে সরে আসলেন। আর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সামনে এগিয়ে গিয়ে নামায পড়ছিলেন, তিনি নামায শেষে আবূ বকর (রাঃ) -কে বললেনঃ আপনি স্বীয় স্থানে অবস্থান করলেন না কেন? আবূ বকর (রাঃ) বললেনঃ এটা কিরূপে সম্ভব যে, আল্লাহ্ তা’আলা আবূ কুহাফার পুত্রকে স্বীয় নবীর সামনে দেখবেন। এরপর তিনি জনসাধারণের দিকে মুখ করে বললেনঃ তোমাদের অবস্থা কী? তোমরা যখন নামাযে কোন ঘটনা ঘটে, তখন তোমরা নারীদের ন্যায় কেন হাতে তালি দাও? এতো নারীদের জন্য। যখন নামাযে কারো কোন ঘটনা ঘটে, তখন ষে যেন বলে – ‘সুবহানআল্লাহ’।
أخبرنا محمد بن منصور، قال: حدثنا سفيان، قال: حدثنا أبو حازم، قال: سمعت سهل بن سعد الساعدي يقول: وقع بين حيين من الأنصار كلام حتى تراموا بالحجارة، فذهب النبي صلى الله عليه وسلم ليصلح بينهم، فحضرت الصلاة، فأذن بلال، وانتظر رسول الله صلى الله عليه وسلم فاحتبس، فأقام الصلاة، وتقدم أبو بكر رضي الله عنه، فجاء النبي صلى الله عليه وسلم وأبو بكر يصلي بالناس، فلما رآه الناس صفحوا، وكان أبو بكر لا يلتفت في الصلاة، فلما سمع تصفيحهم التفت، فإذا هو برسول الله صلى الله عليه وسلم أراد أن يتأخر، فأشار إليه أن اثبت، فرفع أبو بكر رضي الله عنه - يعني يديه - ثم نكص القهقرى، وتقدم رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى، فلما قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم الصلاة، قال: «ما منعك أن تثبت؟» قال: ما كان الله ليرى ابن أبي قحافة بين يدي نبيه، ثم أقبل على الناس فقال: " ما لكم إذا نابكم شيء في صلاتكم صفحتم إن ذلك للنساء، من نابه شيء في صلاته فليقل: سبحان الله "