সুনান নাসাঈ > নেতৃত্ব প্রার্থনা না করা
সুনান নাসাঈ ৫৩৮৪
أخبرنا مجاهد بن موسى، قال: حدثنا إسمعيل، عن يونس، عن الحسن، عن عبد الرحمن بن سمرة، ح وأنبأنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثنا ابن عون، عن الحسن، عن عبد الرحمن بن سمرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا تسأل الإمارة، فإنك إن أعطيتها عن مسألة وكلت إليها، وإن أعطيتها عن غير مسألة أعنت عليها»
আব্দুর রহমান ইব্ন সামুরা (রাঃ) থেকে থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তোমরা পদের আকাঙ্ক্ষা করবে না। কেননা, যদি তুমি তা চেয়ে নাও, তবে তুমিই এর জন্য দায়ী থাকবে; আর যদি তা তোমাকে আকাঙ্ক্ষা ব্যতীত দেওয়া হয়, তবে আল্লাহর পক্ষ হতে তোমাকে সাহায্য করা হবে।
আব্দুর রহমান ইব্ন সামুরা (রাঃ) থেকে থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তোমরা পদের আকাঙ্ক্ষা করবে না। কেননা, যদি তুমি তা চেয়ে নাও, তবে তুমিই এর জন্য দায়ী থাকবে; আর যদি তা তোমাকে আকাঙ্ক্ষা ব্যতীত দেওয়া হয়, তবে আল্লাহর পক্ষ হতে তোমাকে সাহায্য করা হবে।
أخبرنا مجاهد بن موسى، قال: حدثنا إسمعيل، عن يونس، عن الحسن، عن عبد الرحمن بن سمرة، ح وأنبأنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثنا ابن عون، عن الحسن، عن عبد الرحمن بن سمرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا تسأل الإمارة، فإنك إن أعطيتها عن مسألة وكلت إليها، وإن أعطيتها عن غير مسألة أعنت عليها»
সুনান নাসাঈ ৫৩৮৫
حدثنا محمد بن آدم بن سليمان، عن ابن المبارك، عن ابن أبي ذئب، عن المقبري، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «إنكم ستحرصون على الإمارة، وإنها ستكون ندامة وحسرة يوم القيامة، فنعمت المرضعة، وبئست الفاطمة»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেনঃ তোমরা শাসক হওয়ার জন্য আকাঙ্ক্ষা করে থাকো। অথচ কিয়ামতের দিন তা লজ্জা এবং আফসোসের কারন হবে। এটা উত্তম স্তন্যদায়িনী কিন্তু সেই সঙ্গে নির্মম দুধ বন্ধকারিণী।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেনঃ তোমরা শাসক হওয়ার জন্য আকাঙ্ক্ষা করে থাকো। অথচ কিয়ামতের দিন তা লজ্জা এবং আফসোসের কারন হবে। এটা উত্তম স্তন্যদায়িনী কিন্তু সেই সঙ্গে নির্মম দুধ বন্ধকারিণী।
حدثنا محمد بن آدم بن سليمان، عن ابن المبارك، عن ابن أبي ذئب، عن المقبري، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «إنكم ستحرصون على الإمارة، وإنها ستكون ندامة وحسرة يوم القيامة، فنعمت المرضعة، وبئست الفاطمة»
সুনান নাসাঈ > কবিদের শাসনকার্যে নিযুক্ত করা
সুনান নাসাঈ ৫৩৮৬
أخبرنا الحسن بن محمد، قال: حدثنا حجاج، عن ابن جريج، قال: أخبرني ابن أبي مليكة، عن عبد الله بن الزبير أخبره، أنه قدم ركب من بني تميم على النبي صلى الله عليه وسلم قال أبو بكر: أمر القعقاع بن معبد، وقال عمر رضي الله عنه: بل أمر الأقرع بن حابس، فتماريا حتى ارتفعت أصواتهما، فنزلت في ذلك " {يا أيها الذين آمنوا لا تقدموا بين يدي الله ورسوله} [الحجرات: 1] حتى انقضت الآية، ولو أنهم صبروا حتى تخرج إليهم لكان خيرا لهم
আব্দুল্লাহ ইব্ন যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তামীম গোত্রের একদল আরোহী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট আসলে আবূ বকর (রাঃ) বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ! কা’কা’ ইব্ন মা’বাদকে শাসক নিযুক্ত করুন; উমর (রাঃ) বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ! আকরা ইব্ন হাবিসকে ১ হাকিম নিযুক্ত করুন। পরে তাঁরা বাদানুবাদে লিপ্ত হলে তাঁদের শব্দ উঁচু হয়ে গেল। তখন এই আয়াত নাযিল হলোঃ হে ঈমানদারগন! আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূলের বলার পূর্বে তোমরা নিজেদের মত প্রকাশ করো না বা তাঁর আদেশের মধ্যে কথার বাধা দিও না............ যদি তারা আপনার বের হওয়া পর্যন্ত সবর করতো, তবে তাদের জন্য উত্তম হত। (হুজুরাতঃ ১-৫)
আব্দুল্লাহ ইব্ন যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তামীম গোত্রের একদল আরোহী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট আসলে আবূ বকর (রাঃ) বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ! কা’কা’ ইব্ন মা’বাদকে শাসক নিযুক্ত করুন; উমর (রাঃ) বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ! আকরা ইব্ন হাবিসকে ১ হাকিম নিযুক্ত করুন। পরে তাঁরা বাদানুবাদে লিপ্ত হলে তাঁদের শব্দ উঁচু হয়ে গেল। তখন এই আয়াত নাযিল হলোঃ হে ঈমানদারগন! আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূলের বলার পূর্বে তোমরা নিজেদের মত প্রকাশ করো না বা তাঁর আদেশের মধ্যে কথার বাধা দিও না............ যদি তারা আপনার বের হওয়া পর্যন্ত সবর করতো, তবে তাদের জন্য উত্তম হত। (হুজুরাতঃ ১-৫)
أخبرنا الحسن بن محمد، قال: حدثنا حجاج، عن ابن جريج، قال: أخبرني ابن أبي مليكة، عن عبد الله بن الزبير أخبره، أنه قدم ركب من بني تميم على النبي صلى الله عليه وسلم قال أبو بكر: أمر القعقاع بن معبد، وقال عمر رضي الله عنه: بل أمر الأقرع بن حابس، فتماريا حتى ارتفعت أصواتهما، فنزلت في ذلك " {يا أيها الذين آمنوا لا تقدموا بين يدي الله ورسوله} [الحجرات: 1] حتى انقضت الآية، ولو أنهم صبروا حتى تخرج إليهم لكان خيرا لهم
সুনান নাসাঈ > কোন ব্যক্তিকে বিচারক নিয়োগ করলে এবং সে ফয়সালা করলে
সুনান নাসাঈ ৫৩৮৭
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا يزيد وهو ابن المقدام بن شريح، عن شريح بن هانئ، عن أبيه هانئ، أنه لما وفد إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم سمعه وهم يكنون هانئا أبا الحكم، فدعاه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال له: «إن الله هو الحكم وإليه الحكم، فلم تكنى أبا الحكم؟» فقال: إن قومي إذا اختلفوا في شيء أتوني فحكمت بينهم، فرضي كلا الفريقين، قال: «ما أحسن من هذا، فما لك من الولد؟» قال: لي شريح، وعبد الله، ومسلم، قال: «فمن أكبرهم؟» قال: شريح، قال: «فأنت أبو شريح» فدعا له ولولده
শুরায়হ্ ইবন হানী (রহঃ) তাঁর পিতা থেকে থেকে বর্নিতঃ
একদা তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট উপস্থিত হলেন। তখন তিনি শুনতে পেলেন, লোক তাঁকে হানী আবুল হাকাম বলে ডাকছে। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা বিচারক, তিনিই আদেশ দাতা। কিন্তু লোক তোমাকে আবুল হাকাম বলে কেন? তিনি বললেনঃ আমার গোত্রের লোক যখন কোন ব্যপারে কলহ করে, তখন তারা আমার নিকট বিচার প্রার্থী হয়; আর আমি যে রায় দেই, তারা তা মেনে নেয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এরচেয়ে ভালো কাজ আর হতে পারে? আচ্ছা তোমার কয়টি সন্তান? তিনি বললেনঃ আমার ছেলে-শুরায়হ, আব্দুল্লাহ এবং মুসলিম। তিনি বললেনঃ এদের মধ্যে বড় কে? হানী বললেনঃ শুরায়হ! তিনি বললেনঃ তবে তুমি আবূ শুরায়হ! পরে তিনি তাঁর ছেলেদের জন্য দু’আ করলেন।
শুরায়হ্ ইবন হানী (রহঃ) তাঁর পিতা থেকে থেকে বর্নিতঃ
একদা তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট উপস্থিত হলেন। তখন তিনি শুনতে পেলেন, লোক তাঁকে হানী আবুল হাকাম বলে ডাকছে। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা বিচারক, তিনিই আদেশ দাতা। কিন্তু লোক তোমাকে আবুল হাকাম বলে কেন? তিনি বললেনঃ আমার গোত্রের লোক যখন কোন ব্যপারে কলহ করে, তখন তারা আমার নিকট বিচার প্রার্থী হয়; আর আমি যে রায় দেই, তারা তা মেনে নেয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এরচেয়ে ভালো কাজ আর হতে পারে? আচ্ছা তোমার কয়টি সন্তান? তিনি বললেনঃ আমার ছেলে-শুরায়হ, আব্দুল্লাহ এবং মুসলিম। তিনি বললেনঃ এদের মধ্যে বড় কে? হানী বললেনঃ শুরায়হ! তিনি বললেনঃ তবে তুমি আবূ শুরায়হ! পরে তিনি তাঁর ছেলেদের জন্য দু’আ করলেন।
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا يزيد وهو ابن المقدام بن شريح، عن شريح بن هانئ، عن أبيه هانئ، أنه لما وفد إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم سمعه وهم يكنون هانئا أبا الحكم، فدعاه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال له: «إن الله هو الحكم وإليه الحكم، فلم تكنى أبا الحكم؟» فقال: إن قومي إذا اختلفوا في شيء أتوني فحكمت بينهم، فرضي كلا الفريقين، قال: «ما أحسن من هذا، فما لك من الولد؟» قال: لي شريح، وعبد الله، ومسلم، قال: «فمن أكبرهم؟» قال: شريح، قال: «فأنت أبو شريح» فدعا له ولولده
সুনান নাসাঈ > নারীদের শাসক নিযুক্ত করা নিষেধ
সুনান নাসাঈ ৫৩৮৮
أخبرنا محمد بن المثنى، قال: حدثنا خالد بن الحارث، قال: حدثنا حميد، عن الحسن، عن أبي بكرة قال: عصمني الله بشيء سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم لما هلك كسرى قال: «من استخلفوا؟» قالوا: بنته، قال: «لن يفلح قوم ولوا أمرهم امرأة»
আবূ বাকরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ্ তা’আলা আমাকে এমন এক কথার দ্বারা রক্ষা করেছেন, যা আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শ্রবণ করেছি। ইরানের বাদশাহ কিসরার মৃত্যু হলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞাসা করলেনঃ এখন তারা কাকে শাসক নিযুক্ত করেছে? তারা বললোঃ তার কন্যাকে। তিনি বললেনঃ যে জাতি নিজেদের শাসক একজন নারীকে সাব্যস্ত করে নেয়। তারা কখনো কল্যাণপ্রাপ্ত হয় না।
আবূ বাকরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ্ তা’আলা আমাকে এমন এক কথার দ্বারা রক্ষা করেছেন, যা আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শ্রবণ করেছি। ইরানের বাদশাহ কিসরার মৃত্যু হলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞাসা করলেনঃ এখন তারা কাকে শাসক নিযুক্ত করেছে? তারা বললোঃ তার কন্যাকে। তিনি বললেনঃ যে জাতি নিজেদের শাসক একজন নারীকে সাব্যস্ত করে নেয়। তারা কখনো কল্যাণপ্রাপ্ত হয় না।
أخبرنا محمد بن المثنى، قال: حدثنا خالد بن الحارث، قال: حدثنا حميد، عن الحسن، عن أبي بكرة قال: عصمني الله بشيء سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم لما هلك كسرى قال: «من استخلفوا؟» قالوا: بنته، قال: «لن يفلح قوم ولوا أمرهم امرأة»