সুনান নাসাঈ > দীবাজ নামক রেশমী কাপড় পরা নিষেধ

সুনান নাসাঈ ৫৩০১

أخبرنا محمد بن عبد الله بن يزيد، قال: حدثنا سفيان، قال: حدثنا ابن أبي نجيح، عن مجاهد، عن ابن أبي ليلى، ويزيد بن أبي زياد، عن ابن أبي ليلى، وأبو فروة، عن عبد الله بن عكيم، قال: استسقى حذيفة فأتاه دهقان بماء في إناء من فضة، فحذفه، ثم اعتذر إليهم مما صنع به، وقال: إني نهيته، سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «لا تشربوا في إناء الذهب والفضة، ولا تلبسوا الديباج، ولا الحرير، فإنها لهم في الدنيا، ولنا في الآخرة»

আবদুল্লাহ্‌ইব্‌ন উকায়ম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হুযায়ফা (রাঃ) পানি চাইলে এক গ্রাম্য নেতা রৌপ্য নির্মিত পাত্রে পানি আনে। হুযায়ফা (রাঃ) সেটি ছুঁড়ে মারলেন। তারপর এ আচরনের জন্য তাদের কাছে কৈফিয়ত দিলেন এবং বললেনঃ আমার জন্য এর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের কেউ যেন সোনা-রূপার পাত্রে পান না করে এবং দীবাজ ও রেশমী কাপড় পরিধান না করে। কেননা এটা পৃথিবীতে তাদের জন্য, আর আমাদের জন্য আখিরাতে।

আবদুল্লাহ্‌ইব্‌ন উকায়ম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হুযায়ফা (রাঃ) পানি চাইলে এক গ্রাম্য নেতা রৌপ্য নির্মিত পাত্রে পানি আনে। হুযায়ফা (রাঃ) সেটি ছুঁড়ে মারলেন। তারপর এ আচরনের জন্য তাদের কাছে কৈফিয়ত দিলেন এবং বললেনঃ আমার জন্য এর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের কেউ যেন সোনা-রূপার পাত্রে পান না করে এবং দীবাজ ও রেশমী কাপড় পরিধান না করে। কেননা এটা পৃথিবীতে তাদের জন্য, আর আমাদের জন্য আখিরাতে।

أخبرنا محمد بن عبد الله بن يزيد، قال: حدثنا سفيان، قال: حدثنا ابن أبي نجيح، عن مجاهد، عن ابن أبي ليلى، ويزيد بن أبي زياد، عن ابن أبي ليلى، وأبو فروة، عن عبد الله بن عكيم، قال: استسقى حذيفة فأتاه دهقان بماء في إناء من فضة، فحذفه، ثم اعتذر إليهم مما صنع به، وقال: إني نهيته، سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «لا تشربوا في إناء الذهب والفضة، ولا تلبسوا الديباج، ولا الحرير، فإنها لهم في الدنيا، ولنا في الآخرة»


সুনান নাসাঈ > সোনার কারুকার্য খচিত দীবাজ বা রেশমী বস্ত্র পরিধান

সুনান নাসাঈ ৫৩০২

أخبرنا الحسن بن قزعة، عن خالد وهو ابن الحارث قال: حدثنا محمد بن عمرو، عن واقد بن عمرو بن سعد بن معاذ، قال: دخلت على أنس بن مالك حين قدم المدينة، فسلمت عليه فقال: ممن أنت؟ قلت: أنا واقد بن عمرو بن سعد بن معاذ قال: إن سعدا كان أعظم الناس وأطوله، ثم بكى فأكثر البكاء، ثم قال: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث إلى أكيدر صاحب دومة بعثا، فأرسل إليه بجبة ديباج منسوجة فيها الذهب، فلبسه رسول الله صلى الله عليه وسلم، ثم قام على المنبر، وقعد فلم يتكلم، ونزل، فجعل الناس يلمسونها بأيديهم، فقال: «أتعجبون من هذه لمناديل سعد في الجنة أحسن مما ترون»

ওয়াকিদ ইব্‌ন আমর ইব্‌ন সা’দ ইব্‌ন মুআয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) মদিনায় আগমন করলে আমি তাঁর নিকট উপস্থিত হলাম এবং তাঁকে সালাম করলাম। তিনি বললেনঃ তুমি কে? আমি বললামঃ আমি ওয়াকিদ ইব্‌ন আমর ইব্‌ন সা’দ ইব্‌ন মুআয। তিনি বললেনঃ সা’দ ইব্‌ন মুআয (রাঃ) তো বড় এবং লম্বাকৃতির লোক ছিলেন। এই বলে তিনি কাঁদলেন এবং বললেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুমার বাদশাহ্‌উকায়দারের নিকট এক বাহিনী প্রেরণ করেন। তিনি রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট রেশম এবং সোনার কারুকার্য খচিত একটি জুব্বা পাঠান। রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা পরিধান করে মিম্বরের উপর উঠে বসলেন। তারপর কোন কথা না বলে তিনি মেম্বর হতে অবতরণ করলেন। লোক তাঁর ঐ জুব্বা হাতে ধরে দেখতে লাগলো। তিনি বললেনঃ তোমরা এটা দেখে আশ্চর্য বোধ করছো! বেহেশতে সা’দ ইব্‌ন মুআযের রুমালও তোমরা এই যা দেখছো, এর চেয়ে উৎকৃষ্ট।

ওয়াকিদ ইব্‌ন আমর ইব্‌ন সা’দ ইব্‌ন মুআয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) মদিনায় আগমন করলে আমি তাঁর নিকট উপস্থিত হলাম এবং তাঁকে সালাম করলাম। তিনি বললেনঃ তুমি কে? আমি বললামঃ আমি ওয়াকিদ ইব্‌ন আমর ইব্‌ন সা’দ ইব্‌ন মুআয। তিনি বললেনঃ সা’দ ইব্‌ন মুআয (রাঃ) তো বড় এবং লম্বাকৃতির লোক ছিলেন। এই বলে তিনি কাঁদলেন এবং বললেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুমার বাদশাহ্‌উকায়দারের নিকট এক বাহিনী প্রেরণ করেন। তিনি রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট রেশম এবং সোনার কারুকার্য খচিত একটি জুব্বা পাঠান। রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা পরিধান করে মিম্বরের উপর উঠে বসলেন। তারপর কোন কথা না বলে তিনি মেম্বর হতে অবতরণ করলেন। লোক তাঁর ঐ জুব্বা হাতে ধরে দেখতে লাগলো। তিনি বললেনঃ তোমরা এটা দেখে আশ্চর্য বোধ করছো! বেহেশতে সা’দ ইব্‌ন মুআযের রুমালও তোমরা এই যা দেখছো, এর চেয়ে উৎকৃষ্ট।

أخبرنا الحسن بن قزعة، عن خالد وهو ابن الحارث قال: حدثنا محمد بن عمرو، عن واقد بن عمرو بن سعد بن معاذ، قال: دخلت على أنس بن مالك حين قدم المدينة، فسلمت عليه فقال: ممن أنت؟ قلت: أنا واقد بن عمرو بن سعد بن معاذ قال: إن سعدا كان أعظم الناس وأطوله، ثم بكى فأكثر البكاء، ثم قال: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث إلى أكيدر صاحب دومة بعثا، فأرسل إليه بجبة ديباج منسوجة فيها الذهب، فلبسه رسول الله صلى الله عليه وسلم، ثم قام على المنبر، وقعد فلم يتكلم، ونزل، فجعل الناس يلمسونها بأيديهم، فقال: «أتعجبون من هذه لمناديل سعد في الجنة أحسن مما ترون»


সুনান নাসাঈ ৫৩০২

أخبرنا الحسن بن قزعة، عن خالد وهو ابن الحارث قال: حدثنا محمد بن عمرو، عن واقد بن عمرو بن سعد بن معاذ، قال: دخلت على أنس بن مالك حين قدم المدينة، فسلمت عليه فقال: ممن أنت؟ قلت: أنا واقد بن عمرو بن سعد بن معاذ قال: إن سعدا كان أعظم الناس وأطوله، ثم بكى فأكثر البكاء، ثم قال: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث إلى أكيدر صاحب دومة بعثا، فأرسل إليه بجبة ديباج منسوجة فيها الذهب، فلبسه رسول الله صلى الله عليه وسلم، ثم قام على المنبر، وقعد فلم يتكلم، ونزل، فجعل الناس يلمسونها بأيديهم، فقال: «أتعجبون من هذه لمناديل سعد في الجنة أحسن مما ترون»

ওয়াকিদ ইব্‌ন আমর ইব্‌ন সা’দ ইব্‌ন মুআয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) মদিনায় আগমন করলে আমি তাঁর নিকট উপস্থিত হলাম এবং তাঁকে সালাম করলাম। তিনি বললেনঃ তুমি কে? আমি বললামঃ আমি ওয়াকিদ ইব্‌ন আমর ইব্‌ন সা’দ ইব্‌ন মুআয। তিনি বললেনঃ সা’দ ইব্‌ন মুআয (রাঃ) তো বড় এবং লম্বাকৃতির লোক ছিলেন। এই বলে তিনি কাঁদলেন এবং বললেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুমার বাদশাহ্‌উকায়দারের নিকট এক বাহিনী প্রেরণ করেন। তিনি রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট রেশম এবং সোনার কারুকার্য খচিত একটি জুব্বা পাঠান। রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা পরিধান করে মিম্বরের উপর উঠে বসলেন। তারপর কোন কথা না বলে তিনি মেম্বর হতে অবতরণ করলেন। লোক তাঁর ঐ জুব্বা হাতে ধরে দেখতে লাগলো। তিনি বললেনঃ তোমরা এটা দেখে আশ্চর্য বোধ করছো! বেহেশতে সা’দ ইব্‌ন মুআযের রুমালও তোমরা এই যা দেখছো, এর চেয়ে উৎকৃষ্ট।

ওয়াকিদ ইব্‌ন আমর ইব্‌ন সা’দ ইব্‌ন মুআয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) মদিনায় আগমন করলে আমি তাঁর নিকট উপস্থিত হলাম এবং তাঁকে সালাম করলাম। তিনি বললেনঃ তুমি কে? আমি বললামঃ আমি ওয়াকিদ ইব্‌ন আমর ইব্‌ন সা’দ ইব্‌ন মুআয। তিনি বললেনঃ সা’দ ইব্‌ন মুআয (রাঃ) তো বড় এবং লম্বাকৃতির লোক ছিলেন। এই বলে তিনি কাঁদলেন এবং বললেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুমার বাদশাহ্‌উকায়দারের নিকট এক বাহিনী প্রেরণ করেন। তিনি রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট রেশম এবং সোনার কারুকার্য খচিত একটি জুব্বা পাঠান। রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা পরিধান করে মিম্বরের উপর উঠে বসলেন। তারপর কোন কথা না বলে তিনি মেম্বর হতে অবতরণ করলেন। লোক তাঁর ঐ জুব্বা হাতে ধরে দেখতে লাগলো। তিনি বললেনঃ তোমরা এটা দেখে আশ্চর্য বোধ করছো! বেহেশতে সা’দ ইব্‌ন মুআযের রুমালও তোমরা এই যা দেখছো, এর চেয়ে উৎকৃষ্ট।

أخبرنا الحسن بن قزعة، عن خالد وهو ابن الحارث قال: حدثنا محمد بن عمرو، عن واقد بن عمرو بن سعد بن معاذ، قال: دخلت على أنس بن مالك حين قدم المدينة، فسلمت عليه فقال: ممن أنت؟ قلت: أنا واقد بن عمرو بن سعد بن معاذ قال: إن سعدا كان أعظم الناس وأطوله، ثم بكى فأكثر البكاء، ثم قال: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث إلى أكيدر صاحب دومة بعثا، فأرسل إليه بجبة ديباج منسوجة فيها الذهب، فلبسه رسول الله صلى الله عليه وسلم، ثم قام على المنبر، وقعد فلم يتكلم، ونزل، فجعل الناس يلمسونها بأيديهم، فقال: «أتعجبون من هذه لمناديل سعد في الجنة أحسن مما ترون»


সুনান নাসাঈ ৫৩০২

أخبرنا الحسن بن قزعة، عن خالد وهو ابن الحارث قال: حدثنا محمد بن عمرو، عن واقد بن عمرو بن سعد بن معاذ، قال: دخلت على أنس بن مالك حين قدم المدينة، فسلمت عليه فقال: ممن أنت؟ قلت: أنا واقد بن عمرو بن سعد بن معاذ قال: إن سعدا كان أعظم الناس وأطوله، ثم بكى فأكثر البكاء، ثم قال: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث إلى أكيدر صاحب دومة بعثا، فأرسل إليه بجبة ديباج منسوجة فيها الذهب، فلبسه رسول الله صلى الله عليه وسلم، ثم قام على المنبر، وقعد فلم يتكلم، ونزل، فجعل الناس يلمسونها بأيديهم، فقال: «أتعجبون من هذه لمناديل سعد في الجنة أحسن مما ترون»

ওয়াকিদ ইব্‌ন আমর ইব্‌ন সা’দ ইব্‌ন মুআয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) মদিনায় আগমন করলে আমি তাঁর নিকট উপস্থিত হলাম এবং তাঁকে সালাম করলাম। তিনি বললেনঃ তুমি কে? আমি বললামঃ আমি ওয়াকিদ ইব্‌ন আমর ইব্‌ন সা’দ ইব্‌ন মুআয। তিনি বললেনঃ সা’দ ইব্‌ন মুআয (রাঃ) তো বড় এবং লম্বাকৃতির লোক ছিলেন। এই বলে তিনি কাঁদলেন এবং বললেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুমার বাদশাহ্‌উকায়দারের নিকট এক বাহিনী প্রেরণ করেন। তিনি রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট রেশম এবং সোনার কারুকার্য খচিত একটি জুব্বা পাঠান। রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা পরিধান করে মিম্বরের উপর উঠে বসলেন। তারপর কোন কথা না বলে তিনি মেম্বর হতে অবতরণ করলেন। লোক তাঁর ঐ জুব্বা হাতে ধরে দেখতে লাগলো। তিনি বললেনঃ তোমরা এটা দেখে আশ্চর্য বোধ করছো! বেহেশতে সা’দ ইব্‌ন মুআযের রুমালও তোমরা এই যা দেখছো, এর চেয়ে উৎকৃষ্ট।

ওয়াকিদ ইব্‌ন আমর ইব্‌ন সা’দ ইব্‌ন মুআয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) মদিনায় আগমন করলে আমি তাঁর নিকট উপস্থিত হলাম এবং তাঁকে সালাম করলাম। তিনি বললেনঃ তুমি কে? আমি বললামঃ আমি ওয়াকিদ ইব্‌ন আমর ইব্‌ন সা’দ ইব্‌ন মুআয। তিনি বললেনঃ সা’দ ইব্‌ন মুআয (রাঃ) তো বড় এবং লম্বাকৃতির লোক ছিলেন। এই বলে তিনি কাঁদলেন এবং বললেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুমার বাদশাহ্‌উকায়দারের নিকট এক বাহিনী প্রেরণ করেন। তিনি রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট রেশম এবং সোনার কারুকার্য খচিত একটি জুব্বা পাঠান। রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা পরিধান করে মিম্বরের উপর উঠে বসলেন। তারপর কোন কথা না বলে তিনি মেম্বর হতে অবতরণ করলেন। লোক তাঁর ঐ জুব্বা হাতে ধরে দেখতে লাগলো। তিনি বললেনঃ তোমরা এটা দেখে আশ্চর্য বোধ করছো! বেহেশতে সা’দ ইব্‌ন মুআযের রুমালও তোমরা এই যা দেখছো, এর চেয়ে উৎকৃষ্ট।

أخبرنا الحسن بن قزعة، عن خالد وهو ابن الحارث قال: حدثنا محمد بن عمرو، عن واقد بن عمرو بن سعد بن معاذ، قال: دخلت على أنس بن مالك حين قدم المدينة، فسلمت عليه فقال: ممن أنت؟ قلت: أنا واقد بن عمرو بن سعد بن معاذ قال: إن سعدا كان أعظم الناس وأطوله، ثم بكى فأكثر البكاء، ثم قال: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث إلى أكيدر صاحب دومة بعثا، فأرسل إليه بجبة ديباج منسوجة فيها الذهب، فلبسه رسول الله صلى الله عليه وسلم، ثم قام على المنبر، وقعد فلم يتكلم، ونزل، فجعل الناس يلمسونها بأيديهم، فقال: «أتعجبون من هذه لمناديل سعد في الجنة أحسن مما ترون»


সুনান নাসাঈ > উক্ত হাদীস রহিত হওয়ার বর্ণনা

সুনান নাসাঈ ৫৩০৩

حدثنا يوسف بن سعيد، قال: حدثنا حجاج، عن ابن جريج، قال: أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابرا يقول: لبس النبي صلى الله عليه وسلم قباء من ديباج أهدي له، ثم أوشك أن نزعه، فأرسل به إلى عمر فقيل له: قد أوشك ما نزعته يا رسول الله، قال: «نهاني عنه جبريل عليه السلام»، فجاء عمر يبكي فقال: يا رسول الله، كرهت أمرا وأعطيتنيه؟ قال: «إني لم أعطكه لتلبسه، إنما أعطيتكه لتبيعه» فباعه عمر بألفي درهم

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, দীবাজ নামক রেশমী কাপড়ের একটি কাবা রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে হাদিয়া স্বরূপ দান করা হলে তিনি তা পরিধান করেন। কিছুক্ষণ পর তিনি তা খুলে ফেলে তা উমর (রাঃ) -এর নিকট পাঠিয়ে দেন। তখন অন্যান্য লোক জিজ্ঞাসা করলঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ্‌! আপনি হঠাৎ তা খুলে ফেললেন কেন? তিনি বললেনঃ আমাকে জিব্‌রাঈল (আঃ) তা পরতে নিষেধ করেছেন। একথা শুনে উমর (রাঃ) কাঁদতে কাঁদতে রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ্‌! আপনি যা অপছন্দ করেন তা আমাকে পরতে দিলেন? রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি তো তোমাকে তা পরতে দেইনি; আমি তো তোমাকে দিয়েছি বিক্রি করার জন্য। এরপর উমর (রাঃ) দুই হাজার দিরহামে তা বিক্রি করে দেন।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, দীবাজ নামক রেশমী কাপড়ের একটি কাবা রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে হাদিয়া স্বরূপ দান করা হলে তিনি তা পরিধান করেন। কিছুক্ষণ পর তিনি তা খুলে ফেলে তা উমর (রাঃ) -এর নিকট পাঠিয়ে দেন। তখন অন্যান্য লোক জিজ্ঞাসা করলঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ্‌! আপনি হঠাৎ তা খুলে ফেললেন কেন? তিনি বললেনঃ আমাকে জিব্‌রাঈল (আঃ) তা পরতে নিষেধ করেছেন। একথা শুনে উমর (রাঃ) কাঁদতে কাঁদতে রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ্‌! আপনি যা অপছন্দ করেন তা আমাকে পরতে দিলেন? রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি তো তোমাকে তা পরতে দেইনি; আমি তো তোমাকে দিয়েছি বিক্রি করার জন্য। এরপর উমর (রাঃ) দুই হাজার দিরহামে তা বিক্রি করে দেন।

حدثنا يوسف بن سعيد، قال: حدثنا حجاج، عن ابن جريج، قال: أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابرا يقول: لبس النبي صلى الله عليه وسلم قباء من ديباج أهدي له، ثم أوشك أن نزعه، فأرسل به إلى عمر فقيل له: قد أوشك ما نزعته يا رسول الله، قال: «نهاني عنه جبريل عليه السلام»، فجاء عمر يبكي فقال: يا رسول الله، كرهت أمرا وأعطيتنيه؟ قال: «إني لم أعطكه لتلبسه، إنما أعطيتكه لتبيعه» فباعه عمر بألفي درهم


সুনান নাসাঈ > পৃথিবীতে রেশমী কাপড় পরার ব্যাপারে কঠোরতা; যে দুনিয়াতে তা পরবে, সে আখিরাতে তা পরতে পারবে না

সুনান নাসাঈ ৫৩০৪

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا حماد، عن ثابت، قال: سمعت عبد الله بن الزبير، وهو على المنبر يخطب ويقول: قال محمد صلى الله عليه وسلم: «من لبس الحرير في الدنيا، فلن يلبسه في الآخرة»

আব্দুল্লাহ্‌ইব্‌ন যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি মিম্বরের উপর খুতবা দিতে গিয়ে বললেনঃ মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি পৃথিবীতে রেশমী কাপড় পরিধান করবে, আখিরাতে সে কখনো তা পরতে পারবে না।

আব্দুল্লাহ্‌ইব্‌ন যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি মিম্বরের উপর খুতবা দিতে গিয়ে বললেনঃ মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি পৃথিবীতে রেশমী কাপড় পরিধান করবে, আখিরাতে সে কখনো তা পরতে পারবে না।

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا حماد، عن ثابت، قال: سمعت عبد الله بن الزبير، وهو على المنبر يخطب ويقول: قال محمد صلى الله عليه وسلم: «من لبس الحرير في الدنيا، فلن يلبسه في الآخرة»


সুনান নাসাঈ ৫৩০৫

أخبرنا محمود بن غيلان، قال: أنبأنا النضر بن شميل، قال: أنبأنا شعبة، قال: حدثنا خليفة، قال: سمعت عبد الله بن الزبير قال: لا تلبسوا نساءكم الحرير، فإني سمعت عمر بن الخطاب يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من لبسه في الدنيا لم يلبسه في الآخرة»

আব্দুল্লাহ্‌ইব্‌ন যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তোমরা নিজেদের নারীদেরকে রেশমী কাপড় পরতে দেবে না। আমি উমর ইব্‌ন খাত্তাব (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে তা পৃথিবীতে পরিধান করবে, সে আখিরাতে তা পরতে পারবেনা।

আব্দুল্লাহ্‌ইব্‌ন যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তোমরা নিজেদের নারীদেরকে রেশমী কাপড় পরতে দেবে না। আমি উমর ইব্‌ন খাত্তাব (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে তা পৃথিবীতে পরিধান করবে, সে আখিরাতে তা পরতে পারবেনা।

أخبرنا محمود بن غيلان، قال: أنبأنا النضر بن شميل، قال: أنبأنا شعبة، قال: حدثنا خليفة، قال: سمعت عبد الله بن الزبير قال: لا تلبسوا نساءكم الحرير، فإني سمعت عمر بن الخطاب يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من لبسه في الدنيا لم يلبسه في الآخرة»


সুনান নাসাঈ ৫৩০৬

أخبرنا عمرو بن منصور، قال: حدثنا عبد الله بن رجاء، قال: أنبأنا حرب، عن يحيى بن أبي كثير، قال: حدثني عمران بن حطان، أنه سأل عبد الله بن عباس، عن لبس الحرير، فقال: سل عائشة، فسألت عائشة قالت: سل عبد الله بن عمر، فسألت ابن عمر فقال: حدثني أبو حفص، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «من لبس الحرير في الدنيا، فلا خلاق له في الآخرة»

ইমরান ইব্‌ন হিত্তান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবদুল্লাহ্‌ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ)-কে রেশমী কাপড় পরিধান সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেনঃ তুমি এ ব্যাপারে আয়েশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা কর। আমি আয়েশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেনঃ আবদুল্লাহ্‌ইব্‌ন উমর (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা কর। আমি ইব্‌ন উমর (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলে–তিনি বললেনঃ আমার নিকট আবূ হাফ্‌সা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি পৃথিবীতে রেশমী কাপড় পরবে, আখিরাতে তার জন্য এর কোন অংশ থাকবে না।

ইমরান ইব্‌ন হিত্তান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবদুল্লাহ্‌ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ)-কে রেশমী কাপড় পরিধান সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেনঃ তুমি এ ব্যাপারে আয়েশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা কর। আমি আয়েশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেনঃ আবদুল্লাহ্‌ইব্‌ন উমর (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা কর। আমি ইব্‌ন উমর (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলে–তিনি বললেনঃ আমার নিকট আবূ হাফ্‌সা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি পৃথিবীতে রেশমী কাপড় পরবে, আখিরাতে তার জন্য এর কোন অংশ থাকবে না।

أخبرنا عمرو بن منصور، قال: حدثنا عبد الله بن رجاء، قال: أنبأنا حرب، عن يحيى بن أبي كثير، قال: حدثني عمران بن حطان، أنه سأل عبد الله بن عباس، عن لبس الحرير، فقال: سل عائشة، فسألت عائشة قالت: سل عبد الله بن عمر، فسألت ابن عمر فقال: حدثني أبو حفص، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «من لبس الحرير في الدنيا، فلا خلاق له في الآخرة»


সুনান নাসাঈ ৫৩০৭

أخبرنا سليمان بن سلم، قال: أنبأنا النضر، قال: حدثنا شعبة، عن قتادة، عن بكر بن عبد الله، وبشر بن المحتفز، عن ابن عمر، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «إنما يلبس الحرير من، لا خلاق له»

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রেশমী কাপড় ঐ ব্যক্তিই পরিধান করবে, যার আখিরাতে কোন অংশ নেই।

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রেশমী কাপড় ঐ ব্যক্তিই পরিধান করবে, যার আখিরাতে কোন অংশ নেই।

أخبرنا سليمان بن سلم، قال: أنبأنا النضر، قال: حدثنا شعبة، عن قتادة، عن بكر بن عبد الله، وبشر بن المحتفز، عن ابن عمر، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «إنما يلبس الحرير من، لا خلاق له»


সুনান নাসাঈ ৫৩০৮

أخبرني إبراهيم بن يعقوب، قال: حدثنا أبو النعمان، سنة سبع ومائتين قال: حدثنا الصعق بن حزن، عن قتادة، عن علي البارقي، قال: أتتني امرأة تستفتيني فقلت لها: هذا ابن عمر فاتبعته تسأله، واتبعتها أسمع ما يقول: قالت: أفتني في الحرير؟ قال: «نهى عنه رسول الله صلى الله عليه وسلم»

আলী আল-বাকেরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক মহিলা আমার নিকট মাসাআলা জিজ্ঞাসা করার জন্য আসলে আমি তাকে বললামঃ ঐ যে আবদুল্লাহ্‌ইব্‌ন উমর (রাঃ)। তাঁর নিকট জিজ্ঞাসা করুন। ঐ মহিলা তাঁর নিকট জিজ্ঞাসা করার জন্য গেল, আর আমি তার পিছে পিছে গেলাম, তিনি কি বলেন শোনার জন্য। সেই নারী বললোঃ রেশমী কাপড় সম্বন্ধে আমাকে কিছু বলুন। তিনি বললেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন।

আলী আল-বাকেরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক মহিলা আমার নিকট মাসাআলা জিজ্ঞাসা করার জন্য আসলে আমি তাকে বললামঃ ঐ যে আবদুল্লাহ্‌ইব্‌ন উমর (রাঃ)। তাঁর নিকট জিজ্ঞাসা করুন। ঐ মহিলা তাঁর নিকট জিজ্ঞাসা করার জন্য গেল, আর আমি তার পিছে পিছে গেলাম, তিনি কি বলেন শোনার জন্য। সেই নারী বললোঃ রেশমী কাপড় সম্বন্ধে আমাকে কিছু বলুন। তিনি বললেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন।

أخبرني إبراهيم بن يعقوب، قال: حدثنا أبو النعمان، سنة سبع ومائتين قال: حدثنا الصعق بن حزن، عن قتادة، عن علي البارقي، قال: أتتني امرأة تستفتيني فقلت لها: هذا ابن عمر فاتبعته تسأله، واتبعتها أسمع ما يقول: قالت: أفتني في الحرير؟ قال: «نهى عنه رسول الله صلى الله عليه وسلم»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00