সুনান নাসাঈ > কোন্ ইসলাম ভাল
সুনান নাসাঈ ৫০০০
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن أبي الخير، عن عبد الله بن عمرو، أن رجلا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم: أي الإسلام خير؟ قال: «تطعم الطعام وتقرأ السلام على من عرفت، ومن لم تعرف»
আব্দুল্লাহ ইব্ন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করলোঃ কোন্ ইসলাম (অর্থাৎ ইসলামের কোন কর্ম) ভাল? তিনি বললেনঃ খাদ্য দান করা, পরিচিত অপরিচিত সকলকে সালাম করা।
আব্দুল্লাহ ইব্ন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করলোঃ কোন্ ইসলাম (অর্থাৎ ইসলামের কোন কর্ম) ভাল? তিনি বললেনঃ খাদ্য দান করা, পরিচিত অপরিচিত সকলকে সালাম করা।
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن أبي الخير، عن عبد الله بن عمرو، أن رجلا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم: أي الإسلام خير؟ قال: «تطعم الطعام وتقرأ السلام على من عرفت، ومن لم تعرف»
সুনান নাসাঈ > ইসলামের বুনিয়াদ কয়টি
সুনান নাসাঈ ৫০০১
أخبرنا محمد بن عبد الله بن عمار، قال: حدثنا المعافى يعني ابن عمران، عن حنظلة بن أبي سفيان، عن عكرمة بن خالد، عن ابن عمر: أن رجلا قال له: ألا تغزو؟ قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: " بني الإسلام على خمس: شهادة أن لا إله إلا الله، وإقام الصلاة، وإيتاء الزكاة، والحج، وصيام رمضان "
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি তাঁকে বললোঃ আপনি কি যুদ্ধ করেন না? তিনি বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে বলতে শুনেছিঃ ইসলাম পাঁচটি বস্তুর উপর প্রতিষ্ঠিত, এই কথার সাক্ষ্য দান করা যে, আল্লাহ্ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, সালাত আদায় করা, যাকাত দেওয়া, রমযানের রোযা রাখা এবং হজ্জ করা।
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি তাঁকে বললোঃ আপনি কি যুদ্ধ করেন না? তিনি বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে বলতে শুনেছিঃ ইসলাম পাঁচটি বস্তুর উপর প্রতিষ্ঠিত, এই কথার সাক্ষ্য দান করা যে, আল্লাহ্ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, সালাত আদায় করা, যাকাত দেওয়া, রমযানের রোযা রাখা এবং হজ্জ করা।
أخبرنا محمد بن عبد الله بن عمار، قال: حدثنا المعافى يعني ابن عمران، عن حنظلة بن أبي سفيان، عن عكرمة بن خالد، عن ابن عمر: أن رجلا قال له: ألا تغزو؟ قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: " بني الإسلام على خمس: شهادة أن لا إله إلا الله، وإقام الصلاة، وإيتاء الزكاة، والحج، وصيام رمضان "
সুনান নাসাঈ > ইসলামের উপর বায়আত গ্রহণ করা
সুনান নাসাঈ ৫০০২
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا سفيان، عن الزهري، عن أبي إدريس الخولاني، عن عبادة بن الصامت قال: كنا عند النبي صلى الله عليه وسلم في مجلس فقال: «تبايعوني على أن لا تشركوا بالله شيئا، ولا تسرقوا، ولا تزنوا - قرأ عليهم الآية - فمن وفى منكم فأجره على الله، ومن أصاب من ذلك شيئا فستره الله عز وجل، فهو إلى الله إن شاء عذبه وإن شاء غفر له»
উবাদা ইব্ন সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা এক মজলিসে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর নিকট ছিলাম। তিনি বললেনঃ তোমরা আমার নিকট একথার উপর বায়আত কর যে, তোমরা আল্লাহ্ তা’আলার সাথে কাউকে শরীক করবে না, চুরি করবে না, ব্যভিচার করবে না। তিনি তাদের সামনে এতদসংক্রান্ত পূর্ণ আয়াতটি [১] তিলাওয়াত করলেনঃ তারপর বললেন, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি এটা রক্ষা করবে, আল্লাহ্র নিকট তার প্রতিদান রয়েছে। আর যদি কেউ এর কোনও একটি অপরাধ করে ফেলে, আর আল্লাহ তা’আলা পৃথিবীতে তা ঢেকে রাখেন, তবে আখিরাতে তা আল্লাহ্র ইচ্ছা উপর নির্ভরশীল। তিনি ইচ্ছা করলে ক্ষমা করবেন, আর ইচ্ছা করলে শাস্তি দেবেন।
উবাদা ইব্ন সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা এক মজলিসে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর নিকট ছিলাম। তিনি বললেনঃ তোমরা আমার নিকট একথার উপর বায়আত কর যে, তোমরা আল্লাহ্ তা’আলার সাথে কাউকে শরীক করবে না, চুরি করবে না, ব্যভিচার করবে না। তিনি তাদের সামনে এতদসংক্রান্ত পূর্ণ আয়াতটি [১] তিলাওয়াত করলেনঃ তারপর বললেন, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি এটা রক্ষা করবে, আল্লাহ্র নিকট তার প্রতিদান রয়েছে। আর যদি কেউ এর কোনও একটি অপরাধ করে ফেলে, আর আল্লাহ তা’আলা পৃথিবীতে তা ঢেকে রাখেন, তবে আখিরাতে তা আল্লাহ্র ইচ্ছা উপর নির্ভরশীল। তিনি ইচ্ছা করলে ক্ষমা করবেন, আর ইচ্ছা করলে শাস্তি দেবেন।
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا سفيان، عن الزهري، عن أبي إدريس الخولاني، عن عبادة بن الصامت قال: كنا عند النبي صلى الله عليه وسلم في مجلس فقال: «تبايعوني على أن لا تشركوا بالله شيئا، ولا تسرقوا، ولا تزنوا - قرأ عليهم الآية - فمن وفى منكم فأجره على الله، ومن أصاب من ذلك شيئا فستره الله عز وجل، فهو إلى الله إن شاء عذبه وإن شاء غفر له»
সুনান নাসাঈ > কখন লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা হবে
সুনান নাসাঈ ৫০০৩
أخبرنا محمد بن حاتم بن نعيم، قال: أنبأنا حبان، قال: أنبأنا عبد الله، عن حميد الطويل، عن أنس بن مالك: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «أمرت أن أقاتل الناس حتى يشهدوا أن لا إله إلا الله، وأن محمدا رسول الله، فإذا شهدوا أن لا إله إلا الله، وأن محمدا رسول الله، واستقبلوا قبلتنا، وأكلوا ذبيحتنا، وصلوا صلاتنا، فقد حرمت علينا دماؤهم وأموالهم إلا بحقها، لهم ما للمسلمين، وعليهم ما عليهم»
আনাস ইব্ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমাকে লোকের বিরুদ্ধে জিহাদ করার আদেশ করা হয়েছে, যতক্ষণ না তারা এ কথার সাক্ষ্য প্রদান করে যে, আল্লাহ্ ব্যতীত কোন ইলাহ্ নেই, আর মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্র রাসূল। যদি তারা এই সাক্ষ্য দেয় এবং আমাদের কিবলার দিকে মুখ করে, আমাদের যবাহকৃত পশু খায়, আমাদের ন্যায় সালাত আদায় করে, তখন তাদের জান মাল আমাদের উপর হারাম হয়ে যাবে, তবে এর হক ব্যতীত। অন্যান্য মুসলমানের যে প্রাপ্য রয়েছে তাদের জন্যও তা রয়েছে। আর এদের উপর যে দায়-দায়িত্ব বর্তায় তাদের উপরও তা বর্তাবে।
আনাস ইব্ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমাকে লোকের বিরুদ্ধে জিহাদ করার আদেশ করা হয়েছে, যতক্ষণ না তারা এ কথার সাক্ষ্য প্রদান করে যে, আল্লাহ্ ব্যতীত কোন ইলাহ্ নেই, আর মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্র রাসূল। যদি তারা এই সাক্ষ্য দেয় এবং আমাদের কিবলার দিকে মুখ করে, আমাদের যবাহকৃত পশু খায়, আমাদের ন্যায় সালাত আদায় করে, তখন তাদের জান মাল আমাদের উপর হারাম হয়ে যাবে, তবে এর হক ব্যতীত। অন্যান্য মুসলমানের যে প্রাপ্য রয়েছে তাদের জন্যও তা রয়েছে। আর এদের উপর যে দায়-দায়িত্ব বর্তায় তাদের উপরও তা বর্তাবে।
أخبرنا محمد بن حاتم بن نعيم، قال: أنبأنا حبان، قال: أنبأنا عبد الله، عن حميد الطويل، عن أنس بن مالك: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «أمرت أن أقاتل الناس حتى يشهدوا أن لا إله إلا الله، وأن محمدا رسول الله، فإذا شهدوا أن لا إله إلا الله، وأن محمدا رسول الله، واستقبلوا قبلتنا، وأكلوا ذبيحتنا، وصلوا صلاتنا، فقد حرمت علينا دماؤهم وأموالهم إلا بحقها، لهم ما للمسلمين، وعليهم ما عليهم»