সুনান নাসাঈ > বাদশাহদের নিকট হতে কিসাস

সুনান নাসাঈ ৪৭৭৭

أخبرنا مؤمل بن هشام، قال: حدثنا إسمعيل بن إبراهيم، قال: حدثنا أبو مسعود سعيد بن إياس الجريري، عن أبي نضرة، عن أبي فراس، أن عمر قال: «رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقص من نفسه» ... [حكم الألباني] ضعيف الإسناد

আবূ ফিরাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উমর (রাঃ) বলেছেনঃ আমি দেখেছি যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের পক্ষ হতেও প্রতিশোধ গ্রহণের সুযোগ দিতেন।

আবূ ফিরাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উমর (রাঃ) বলেছেনঃ আমি দেখেছি যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের পক্ষ হতেও প্রতিশোধ গ্রহণের সুযোগ দিতেন।

أخبرنا مؤمل بن هشام، قال: حدثنا إسمعيل بن إبراهيم، قال: حدثنا أبو مسعود سعيد بن إياس الجريري، عن أبي نضرة، عن أبي فراس، أن عمر قال: «رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقص من نفسه» ... [حكم الألباني] ضعيف الإسناد


সুনান নাসাঈ > বাদশাহর কাজে বাধা প্রদান

সুনান নাসাঈ ৪৭৭৮

أخبرنا محمد بن رافع، قال: حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة: أن النبي صلى الله عليه وسلم بعث أبا جهم بن حذيفة مصدقا، فلاحه رجل في صدقته، فضربه أبو جهم فأتوا النبي صلى الله عليه وسلم فقال: القود يا رسول الله، فقال: «لكم كذا وكذا» فلم يرضوا به. فقال: «لكم كذا وكذا» فرضوا به، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إني خاطب على الناس ومخبرهم برضاكم» قالوا: نعم، فخطب النبي صلى الله عليه وسلم فقال: «إن هؤلاء أتوني يريدون القود، فعرضت عليهم كذا وكذا فرضوا» قالوا: لا فهم المهاجرون بهم، فأمرهم رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يكفوا، فكفوا، ثم دعاهم قال: «أرضيتم؟» قالوا: نعم. قال: «فإني خاطب على الناس ومخبرهم برضاكم» قالوا: نعم، فخطب الناس ثم قال: «أرضيتم؟» قالوا: نعم

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ জাহ্ম ইব্‌ন হুযায়ফাকে সাদ্কা আদায় করার জন্য পাঠান। এক ব্যক্তি সাদ্কা দেয়ার ব্যাপারে তাঁর সাথে ঝগড়া করলে, আবূ জাহম তাকে প্রহার করেন। তখন সে তাঁর লোক নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমরা প্রতিশোধ চাই। তিনি বললেনঃ তোমরা তার বদলে এই-এই পাবে। তারা তাতে সন্তুষ্ট হলো না। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (পরিমাণ আরও বাড়িয়ে) বললেনঃ তোমরা এই-এই পাবে। তারা তাতে রাযী হলো। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি লোকের সামনে খুতবা দানের সময় তোমাদের রাযী হওয়ার কথা উল্লেখ করবো। তারা বললোঃ ঠিক আছে। পরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুতবা দিতে গিয়ে বললেনঃ এই সকল লোক আমার নিকট কিসাস নিতে এসেছিল। আমি তাদের সামনে এত, এত মাল পেশ করায়, তারা রাযী হয়ে গেছে। তখন তারা বললোঃ না, আমরা রাযী হইনি। তখন মুহাজির লোকেরা তাদের প্রহার করতে উদ্যত হলে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে থামতে বললেন। তারা থেমে গেলেন। এরপর তিনি তাদেরকে ডেকে বলেনঃ তোমরা কি রাযী হও নি? তখন তারা বললোঃ হ্যাঁ, আমরা রাযী হলাম। তিনি বললেনঃ আমি লোকের মধ্যে খুতবা দেয়ার সময় তাদেরকে কি তোমাদের সন্তুষ্টির কথা জানিয়ে দেব? তারা বললোঃ হ্যাঁ। এরপর তিনি ভাষণ দানকালে জিজ্ঞাসা করলেনঃ তোমরা রাযী হলে তো? তারা বললোঃ হ্যাঁ।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ জাহ্ম ইব্‌ন হুযায়ফাকে সাদ্কা আদায় করার জন্য পাঠান। এক ব্যক্তি সাদ্কা দেয়ার ব্যাপারে তাঁর সাথে ঝগড়া করলে, আবূ জাহম তাকে প্রহার করেন। তখন সে তাঁর লোক নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমরা প্রতিশোধ চাই। তিনি বললেনঃ তোমরা তার বদলে এই-এই পাবে। তারা তাতে সন্তুষ্ট হলো না। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (পরিমাণ আরও বাড়িয়ে) বললেনঃ তোমরা এই-এই পাবে। তারা তাতে রাযী হলো। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি লোকের সামনে খুতবা দানের সময় তোমাদের রাযী হওয়ার কথা উল্লেখ করবো। তারা বললোঃ ঠিক আছে। পরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুতবা দিতে গিয়ে বললেনঃ এই সকল লোক আমার নিকট কিসাস নিতে এসেছিল। আমি তাদের সামনে এত, এত মাল পেশ করায়, তারা রাযী হয়ে গেছে। তখন তারা বললোঃ না, আমরা রাযী হইনি। তখন মুহাজির লোকেরা তাদের প্রহার করতে উদ্যত হলে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে থামতে বললেন। তারা থেমে গেলেন। এরপর তিনি তাদেরকে ডেকে বলেনঃ তোমরা কি রাযী হও নি? তখন তারা বললোঃ হ্যাঁ, আমরা রাযী হলাম। তিনি বললেনঃ আমি লোকের মধ্যে খুতবা দেয়ার সময় তাদেরকে কি তোমাদের সন্তুষ্টির কথা জানিয়ে দেব? তারা বললোঃ হ্যাঁ। এরপর তিনি ভাষণ দানকালে জিজ্ঞাসা করলেনঃ তোমরা রাযী হলে তো? তারা বললোঃ হ্যাঁ।

أخبرنا محمد بن رافع، قال: حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة: أن النبي صلى الله عليه وسلم بعث أبا جهم بن حذيفة مصدقا، فلاحه رجل في صدقته، فضربه أبو جهم فأتوا النبي صلى الله عليه وسلم فقال: القود يا رسول الله، فقال: «لكم كذا وكذا» فلم يرضوا به. فقال: «لكم كذا وكذا» فرضوا به، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إني خاطب على الناس ومخبرهم برضاكم» قالوا: نعم، فخطب النبي صلى الله عليه وسلم فقال: «إن هؤلاء أتوني يريدون القود، فعرضت عليهم كذا وكذا فرضوا» قالوا: لا فهم المهاجرون بهم، فأمرهم رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يكفوا، فكفوا، ثم دعاهم قال: «أرضيتم؟» قالوا: نعم. قال: «فإني خاطب على الناس ومخبرهم برضاكم» قالوا: نعم، فخطب الناس ثم قال: «أرضيتم؟» قالوا: نعم


সুনান নাসাঈ > ধারালো অস্ত্র ছাড়া অন্য কিছু দ্বারা কিসাস নেয়া

সুনান নাসাঈ ৪৭৭৯

أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا خالد، عن شعبة، عن هشام بن زيد، عن أنس: أن يهوديا رأى على جارية أوضاحا فقتلها بحجر، فأتي بها النبي صلى الله عليه وسلم وبها رمق، فقال: «أقتلك فلان؟» فأشار شعبة برأسه يحكيها أن: لا فقال: «أقتلك فلان؟» فأشار شعبة برأسه يحكيها أن: لا، قال: «أقتلك فلان؟» فأشار شعبة برأسه يحكيها أن: نعم، فدعا به رسول الله صلى الله عليه وسلم فقتله بين حجرين

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ইয়াহূদী এক বালিকাকে রূপার অলংকার পরিহিত অবস্থায় দেখে প্রস্তরাঘাতে তাকে হত্যা করে। পরে লোকেরা ঐ বালিকাকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে আসে, আর তখনও তার প্রাণ অবশিষ্ট ছিল। তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করেনঃ তোমাকে কি অমুক ব্যক্তি হত্যা করেছে? সে মাথার ইঙ্গিতে জানায়, না। পরে তিনি ঐ ইয়াহূদীর নাম নিয়ে জিজ্ঞাসা করেনঃ তোমাকে কি ঐ ব্যক্তি মেরেছে? তখন সে মাথায় ইঙ্গিতে বলেঃ হ্যাঁ। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ ইয়াহূদীকে ডেকে পাঠান, এবং তার মাথাকে দুটি পাথরের মধ্যে রেখে প্রস্তর আঘাতে হত্যা করেন।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ইয়াহূদী এক বালিকাকে রূপার অলংকার পরিহিত অবস্থায় দেখে প্রস্তরাঘাতে তাকে হত্যা করে। পরে লোকেরা ঐ বালিকাকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে আসে, আর তখনও তার প্রাণ অবশিষ্ট ছিল। তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করেনঃ তোমাকে কি অমুক ব্যক্তি হত্যা করেছে? সে মাথার ইঙ্গিতে জানায়, না। পরে তিনি ঐ ইয়াহূদীর নাম নিয়ে জিজ্ঞাসা করেনঃ তোমাকে কি ঐ ব্যক্তি মেরেছে? তখন সে মাথায় ইঙ্গিতে বলেঃ হ্যাঁ। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ ইয়াহূদীকে ডেকে পাঠান, এবং তার মাথাকে দুটি পাথরের মধ্যে রেখে প্রস্তর আঘাতে হত্যা করেন।

أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا خالد، عن شعبة، عن هشام بن زيد، عن أنس: أن يهوديا رأى على جارية أوضاحا فقتلها بحجر، فأتي بها النبي صلى الله عليه وسلم وبها رمق، فقال: «أقتلك فلان؟» فأشار شعبة برأسه يحكيها أن: لا فقال: «أقتلك فلان؟» فأشار شعبة برأسه يحكيها أن: لا، قال: «أقتلك فلان؟» فأشار شعبة برأسه يحكيها أن: نعم، فدعا به رسول الله صلى الله عليه وسلم فقتله بين حجرين


সুনান নাসাঈ ৪৭৮০

أخبرنا محمد بن العلاء، قال: حدثنا أبو خالد، عن إسمعيل، عن قيس: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث سرية إلى قوم من خثعم، فاستعصموا بالسجود، فقتلوا فقضى رسول الله صلى الله عليه وسلم بنصف العقل وقال: «إني بريء من كل مسلم مع مشرك» ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ألا لا تراءى ناراهما»

কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাস‘আম গোত্রের দিকে একটি ছোট সেনাদল পাঠালেন। তারা সিজদার মাধ্যমে আত্মরক্ষা করতে চাইল, কিন্তু তবু তাদের হত্যা করা হল। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের সম্পর্কে অর্ধ দিয়াতের ফয়সালা দিলেন এবং বললেনঃ যে মুসলিম মুশরিকদের সাথে থাকে, ঐ সকল মুসলমানের সঙ্গে আমার কোন সম্পর্ক নেই। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ দেখ, মুসলমান মুশরিকদের সাথে বসবাস করতে পারে না। অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সাবধান! উভয় সম্প্রদায়ের রান্নার আগুন যেন পাশাপাশি দেখা না যায়।

কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাস‘আম গোত্রের দিকে একটি ছোট সেনাদল পাঠালেন। তারা সিজদার মাধ্যমে আত্মরক্ষা করতে চাইল, কিন্তু তবু তাদের হত্যা করা হল। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের সম্পর্কে অর্ধ দিয়াতের ফয়সালা দিলেন এবং বললেনঃ যে মুসলিম মুশরিকদের সাথে থাকে, ঐ সকল মুসলমানের সঙ্গে আমার কোন সম্পর্ক নেই। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ দেখ, মুসলমান মুশরিকদের সাথে বসবাস করতে পারে না। অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সাবধান! উভয় সম্প্রদায়ের রান্নার আগুন যেন পাশাপাশি দেখা না যায়।

أخبرنا محمد بن العلاء، قال: حدثنا أبو خالد، عن إسمعيل، عن قيس: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث سرية إلى قوم من خثعم، فاستعصموا بالسجود، فقتلوا فقضى رسول الله صلى الله عليه وسلم بنصف العقل وقال: «إني بريء من كل مسلم مع مشرك» ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ألا لا تراءى ناراهما»


সুনান নাসাঈ > তার ভাইয়ের পক্ষ হতে কিছুটা ক্ষমা প্রদর্শন করা হলে যথাযথ বিধির অনুসরণ করা ও সততার সাথে তার দেয় আদায় বিধেয় (২:১৭৮)-এর ব্যাখ্যা

সুনান নাসাঈ ৪৭৮১

قال: الحارث بن مسكين قراءة عليه وأنا أسمع، عن سفيان، عن عمرو، عن مجاهد، عن ابن عباس قال: «كان في بني إسرائيل القصاص ولم تكن فيهم الدية، فأنزل الله عز وجل»: {كتب عليكم القصاص في القتلى الحر بالحر والعبد بالعبد والأنثى بالأنثى} [البقرة: 178] إلى قوله {فمن عفي له من أخيه شيء فاتباع بالمعروف وأداء إليه بإحسان} [البقرة: 178] " فالعفو: أن يقبل الدية في العمد، واتباع بمعروف يقول: يتبع هذا بالمعروف، وأداء إليه بإحسان، ويؤدي هذا بإحسان ذلك "، {تخفيف من ربكم ورحمة} [البقرة: 178] «مما كتب على من كان قبلكم، إنما هو القصاص ليس الدية»

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ বনী ইসরাঈলের মধ্যে কিসাসের বিধান ছিল, কিন্তু দিয়াতের বিধান ছিল না, তখন আল্লাহ্ তা‘আলা এই আয়াত নাযিল করেনঃ (আরবি) অর্থঃ “নিহতদের ব্যাপারে তোমাদের উপর কিসাস ফরয করা হলো আযাদের বদলে আযাদ এবং দাসের পরিবর্তে দাস, নারীর পরিবর্তে নারী। আর যাকে তার ভাইয়ের পক্ষ হতে কিছুটা ক্ষমা করা হয়, সে যেন উত্তমরূপে তার দেয় আদায় করে।” ক্ষমা করার অর্থ এই যে, নিহত ব্যক্তির ওয়ারিসগণ ইচ্ছাকৃত হত্যার দিয়াত গ্রহণ করবে, আর ক্ষমাকারীগণ আইনমত চলবে। আর হত্যাকারী উত্তমরূপে দিয়াত আদায় করবে। “এটা তোমাদের রবের পক্ষ হতে ভার লাঘব এবং রহমত।” কেননা, তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর কেবল কিসাসই ছিল; দিয়াতের বিধান ছিল না।

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ বনী ইসরাঈলের মধ্যে কিসাসের বিধান ছিল, কিন্তু দিয়াতের বিধান ছিল না, তখন আল্লাহ্ তা‘আলা এই আয়াত নাযিল করেনঃ (আরবি) অর্থঃ “নিহতদের ব্যাপারে তোমাদের উপর কিসাস ফরয করা হলো আযাদের বদলে আযাদ এবং দাসের পরিবর্তে দাস, নারীর পরিবর্তে নারী। আর যাকে তার ভাইয়ের পক্ষ হতে কিছুটা ক্ষমা করা হয়, সে যেন উত্তমরূপে তার দেয় আদায় করে।” ক্ষমা করার অর্থ এই যে, নিহত ব্যক্তির ওয়ারিসগণ ইচ্ছাকৃত হত্যার দিয়াত গ্রহণ করবে, আর ক্ষমাকারীগণ আইনমত চলবে। আর হত্যাকারী উত্তমরূপে দিয়াত আদায় করবে। “এটা তোমাদের রবের পক্ষ হতে ভার লাঘব এবং রহমত।” কেননা, তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর কেবল কিসাসই ছিল; দিয়াতের বিধান ছিল না।

قال: الحارث بن مسكين قراءة عليه وأنا أسمع، عن سفيان، عن عمرو، عن مجاهد، عن ابن عباس قال: «كان في بني إسرائيل القصاص ولم تكن فيهم الدية، فأنزل الله عز وجل»: {كتب عليكم القصاص في القتلى الحر بالحر والعبد بالعبد والأنثى بالأنثى} [البقرة: 178] إلى قوله {فمن عفي له من أخيه شيء فاتباع بالمعروف وأداء إليه بإحسان} [البقرة: 178] " فالعفو: أن يقبل الدية في العمد، واتباع بمعروف يقول: يتبع هذا بالمعروف، وأداء إليه بإحسان، ويؤدي هذا بإحسان ذلك "، {تخفيف من ربكم ورحمة} [البقرة: 178] «مما كتب على من كان قبلكم، إنما هو القصاص ليس الدية»


সুনান নাসাঈ ৪৭৮২

أخبرنا محمد بن إسمعيل بن إبراهيم، قال: حدثنا علي بن حفص، قال: حدثنا ورقاء، عن عمرو، عن مجاهد قال: {كتب عليكم القصاص في القتلى الحر بالحر} [البقرة: 178] " قال: «كان بنو إسرائيل عليهم القصاص وليس عليهم الدية، فأنزل الله عز وجل عليهم الدية، فجعلها على هذه الأمة تخفيفا على ما كان على بني إسرائيل»

মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ “তোমাদের নিহত ব্যক্তিদের পরিবর্তে কিসাস ফরয করা হলো, আযাদের পরিবর্তে আযাদ এবং দাসের পরিবর্তে দাস এবং নারীর পরিবর্তে নারী” (২:১৭৮) বনী ইসরাঈলের মধ্যে কিসাসের বিধান ছিল, দিয়াত বিধেয় ছিল না, আল্লাহ্ তা‘আলা তোমাদের উপর দিয়াতের বিধান দিয়েছেন। একে আল্লাহ্ তা‘আলা এ উম্মতের উপর সহজতর করে দিয়েছেন।

মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ “তোমাদের নিহত ব্যক্তিদের পরিবর্তে কিসাস ফরয করা হলো, আযাদের পরিবর্তে আযাদ এবং দাসের পরিবর্তে দাস এবং নারীর পরিবর্তে নারী” (২:১৭৮) বনী ইসরাঈলের মধ্যে কিসাসের বিধান ছিল, দিয়াত বিধেয় ছিল না, আল্লাহ্ তা‘আলা তোমাদের উপর দিয়াতের বিধান দিয়েছেন। একে আল্লাহ্ তা‘আলা এ উম্মতের উপর সহজতর করে দিয়েছেন।

أخبرنا محمد بن إسمعيل بن إبراهيم، قال: حدثنا علي بن حفص، قال: حدثنا ورقاء، عن عمرو، عن مجاهد قال: {كتب عليكم القصاص في القتلى الحر بالحر} [البقرة: 178] " قال: «كان بنو إسرائيل عليهم القصاص وليس عليهم الدية، فأنزل الله عز وجل عليهم الدية، فجعلها على هذه الأمة تخفيفا على ما كان على بني إسرائيل»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00