সুনান নাসাঈ > টানা-হেঁচড়া করার কিসাস
সুনান নাসাঈ ৪৭৭৬
أخبرني محمد بن علي بن ميمون، قال: حدثني القعنبي، قال: حدثني محمد بن هلال، عن أبيه، عن أبي هريرة قال: كنا نقعد مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في المسجد، فإذا قام قمنا، فقام يوما وقمنا معه حتى لما بلغ وسط المسجد أدركه رجل فجبذ بردائه من ورائه، وكان رداؤه خشنا، فحمر رقبته، فقال: يا محمد، احمل لي على بعيري هذين، فإنك لا تحمل من مالك ولا من مال أبيك. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا، وأستغفر الله، لا أحمل لك حتى تقيدني مما جبذت برقبتي» فقال الأعرابي: لا والله لا أقيدك، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ذلك ثلاث مرات كل ذلك يقول: لا والله لا أقيدك، فلما سمعنا قول الأعرابي، أقبلنا إليه سراعا، فالتفت إلينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: «عزمت على من سمع كلامي أن لا يبرح مقامه حتى آذن له» فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لرجل من القوم: «يا فلان، احمل له على بعير شعيرا، وعلى بعير تمرا» ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «انصرفوا» ... [حكم الألباني] ضعيف لكن قصة الأعرابي وجبذه وأمره صلى الله عليه وسلم له بعطاء في ق
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে মসজিদে উপবিষ্ট থাকতাম। তিনি যখন দাঁড়াতেন আমরাও দাঁড়াতাম। একদিন তিনি দাঁড়ালে আমরাও তাঁর সাথে দাঁড়ালাম। যখন তিনি মসজিদের মধ্যস্থলে পৌঁছলেন, তখন এক ব্যক্তি এসে তাঁর চাদর ধরে তাঁর পিছন দিকে টানলো। তাঁর চাদরখানা ছিল মোটা, এতে তাঁর ঘাড় লাল হয়ে গেল। সেই ব্যক্তি বললোঃ হে মুহাম্মদ! আমার এই উষ্ট্রদ্বয়কে খাদ্যদ্রব্য দ্বারা বোঝাই করে দিন। কেননা, আপনি তো আপনার মাল হতে বা আপনার পিতার মাল হতে দিচ্ছেন না। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ না, আমি আল্লাহ্র নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আমি তোমাকে কখনও দেব না, যতক্ষণ না তুমি আমার ঘাড় টানা-হেঁচড়া করার বদলা নিতে না নাও। তখন ঐ গ্রাম্য লোকটি বললোঃ আল্লাহ্র শপথ! আমি কখনও তোমাকে প্রতিশোধ গ্রহণ করতে দেব না। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ তিনবার বললেন। আর ঐ গ্রাম্য লোকটিও বলতে থাকলো যে, আল্লাহ্র কসম! আমি এর বদলা নিতে দেব না। আমরা যখন লোকটির কথা শুনলাম, দৌঁড়ে তাঁর নিকট উপস্থিত হলাম। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের প্রতি লক্ষ্য করে বললেনঃ যে আমার কথা শুনেছে, তাকে আমি আল্লাহ্র কসম দিয়ে বলছি, কেউ যেন ততক্ষণ নিজ স্থান হতে না নড়ে, যতক্ষণ না আমি আদেশ দেই। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের একজনকে বলেনঃ হে অমুক! তুমি তার এক উটকে যব এবং অন্য উটকে খেজুর দ্বারা বোঝাই করে দাও। পরে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা চলে যাও।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে মসজিদে উপবিষ্ট থাকতাম। তিনি যখন দাঁড়াতেন আমরাও দাঁড়াতাম। একদিন তিনি দাঁড়ালে আমরাও তাঁর সাথে দাঁড়ালাম। যখন তিনি মসজিদের মধ্যস্থলে পৌঁছলেন, তখন এক ব্যক্তি এসে তাঁর চাদর ধরে তাঁর পিছন দিকে টানলো। তাঁর চাদরখানা ছিল মোটা, এতে তাঁর ঘাড় লাল হয়ে গেল। সেই ব্যক্তি বললোঃ হে মুহাম্মদ! আমার এই উষ্ট্রদ্বয়কে খাদ্যদ্রব্য দ্বারা বোঝাই করে দিন। কেননা, আপনি তো আপনার মাল হতে বা আপনার পিতার মাল হতে দিচ্ছেন না। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ না, আমি আল্লাহ্র নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আমি তোমাকে কখনও দেব না, যতক্ষণ না তুমি আমার ঘাড় টানা-হেঁচড়া করার বদলা নিতে না নাও। তখন ঐ গ্রাম্য লোকটি বললোঃ আল্লাহ্র শপথ! আমি কখনও তোমাকে প্রতিশোধ গ্রহণ করতে দেব না। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ তিনবার বললেন। আর ঐ গ্রাম্য লোকটিও বলতে থাকলো যে, আল্লাহ্র কসম! আমি এর বদলা নিতে দেব না। আমরা যখন লোকটির কথা শুনলাম, দৌঁড়ে তাঁর নিকট উপস্থিত হলাম। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের প্রতি লক্ষ্য করে বললেনঃ যে আমার কথা শুনেছে, তাকে আমি আল্লাহ্র কসম দিয়ে বলছি, কেউ যেন ততক্ষণ নিজ স্থান হতে না নড়ে, যতক্ষণ না আমি আদেশ দেই। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের একজনকে বলেনঃ হে অমুক! তুমি তার এক উটকে যব এবং অন্য উটকে খেজুর দ্বারা বোঝাই করে দাও। পরে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা চলে যাও।
أخبرني محمد بن علي بن ميمون، قال: حدثني القعنبي، قال: حدثني محمد بن هلال، عن أبيه، عن أبي هريرة قال: كنا نقعد مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في المسجد، فإذا قام قمنا، فقام يوما وقمنا معه حتى لما بلغ وسط المسجد أدركه رجل فجبذ بردائه من ورائه، وكان رداؤه خشنا، فحمر رقبته، فقال: يا محمد، احمل لي على بعيري هذين، فإنك لا تحمل من مالك ولا من مال أبيك. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا، وأستغفر الله، لا أحمل لك حتى تقيدني مما جبذت برقبتي» فقال الأعرابي: لا والله لا أقيدك، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ذلك ثلاث مرات كل ذلك يقول: لا والله لا أقيدك، فلما سمعنا قول الأعرابي، أقبلنا إليه سراعا، فالتفت إلينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: «عزمت على من سمع كلامي أن لا يبرح مقامه حتى آذن له» فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لرجل من القوم: «يا فلان، احمل له على بعير شعيرا، وعلى بعير تمرا» ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «انصرفوا» ... [حكم الألباني] ضعيف لكن قصة الأعرابي وجبذه وأمره صلى الله عليه وسلم له بعطاء في ق
সুনান নাসাঈ > বাদশাহদের নিকট হতে কিসাস
সুনান নাসাঈ ৪৭৭৭
أخبرنا مؤمل بن هشام، قال: حدثنا إسمعيل بن إبراهيم، قال: حدثنا أبو مسعود سعيد بن إياس الجريري، عن أبي نضرة، عن أبي فراس، أن عمر قال: «رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقص من نفسه» ... [حكم الألباني] ضعيف الإسناد
আবূ ফিরাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উমর (রাঃ) বলেছেনঃ আমি দেখেছি যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের পক্ষ হতেও প্রতিশোধ গ্রহণের সুযোগ দিতেন।
আবূ ফিরাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উমর (রাঃ) বলেছেনঃ আমি দেখেছি যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের পক্ষ হতেও প্রতিশোধ গ্রহণের সুযোগ দিতেন।
أخبرنا مؤمل بن هشام، قال: حدثنا إسمعيل بن إبراهيم، قال: حدثنا أبو مسعود سعيد بن إياس الجريري، عن أبي نضرة، عن أبي فراس، أن عمر قال: «رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقص من نفسه» ... [حكم الألباني] ضعيف الإسناد
সুনান নাসাঈ > বাদশাহর কাজে বাধা প্রদান
সুনান নাসাঈ ৪৭৭৮
أخبرنا محمد بن رافع، قال: حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة: أن النبي صلى الله عليه وسلم بعث أبا جهم بن حذيفة مصدقا، فلاحه رجل في صدقته، فضربه أبو جهم فأتوا النبي صلى الله عليه وسلم فقال: القود يا رسول الله، فقال: «لكم كذا وكذا» فلم يرضوا به. فقال: «لكم كذا وكذا» فرضوا به، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إني خاطب على الناس ومخبرهم برضاكم» قالوا: نعم، فخطب النبي صلى الله عليه وسلم فقال: «إن هؤلاء أتوني يريدون القود، فعرضت عليهم كذا وكذا فرضوا» قالوا: لا فهم المهاجرون بهم، فأمرهم رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يكفوا، فكفوا، ثم دعاهم قال: «أرضيتم؟» قالوا: نعم. قال: «فإني خاطب على الناس ومخبرهم برضاكم» قالوا: نعم، فخطب الناس ثم قال: «أرضيتم؟» قالوا: نعم
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ জাহ্ম ইব্ন হুযায়ফাকে সাদ্কা আদায় করার জন্য পাঠান। এক ব্যক্তি সাদ্কা দেয়ার ব্যাপারে তাঁর সাথে ঝগড়া করলে, আবূ জাহম তাকে প্রহার করেন। তখন সে তাঁর লোক নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমরা প্রতিশোধ চাই। তিনি বললেনঃ তোমরা তার বদলে এই-এই পাবে। তারা তাতে সন্তুষ্ট হলো না। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (পরিমাণ আরও বাড়িয়ে) বললেনঃ তোমরা এই-এই পাবে। তারা তাতে রাযী হলো। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি লোকের সামনে খুতবা দানের সময় তোমাদের রাযী হওয়ার কথা উল্লেখ করবো। তারা বললোঃ ঠিক আছে। পরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুতবা দিতে গিয়ে বললেনঃ এই সকল লোক আমার নিকট কিসাস নিতে এসেছিল। আমি তাদের সামনে এত, এত মাল পেশ করায়, তারা রাযী হয়ে গেছে। তখন তারা বললোঃ না, আমরা রাযী হইনি। তখন মুহাজির লোকেরা তাদের প্রহার করতে উদ্যত হলে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে থামতে বললেন। তারা থেমে গেলেন। এরপর তিনি তাদেরকে ডেকে বলেনঃ তোমরা কি রাযী হও নি? তখন তারা বললোঃ হ্যাঁ, আমরা রাযী হলাম। তিনি বললেনঃ আমি লোকের মধ্যে খুতবা দেয়ার সময় তাদেরকে কি তোমাদের সন্তুষ্টির কথা জানিয়ে দেব? তারা বললোঃ হ্যাঁ। এরপর তিনি ভাষণ দানকালে জিজ্ঞাসা করলেনঃ তোমরা রাযী হলে তো? তারা বললোঃ হ্যাঁ।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ জাহ্ম ইব্ন হুযায়ফাকে সাদ্কা আদায় করার জন্য পাঠান। এক ব্যক্তি সাদ্কা দেয়ার ব্যাপারে তাঁর সাথে ঝগড়া করলে, আবূ জাহম তাকে প্রহার করেন। তখন সে তাঁর লোক নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমরা প্রতিশোধ চাই। তিনি বললেনঃ তোমরা তার বদলে এই-এই পাবে। তারা তাতে সন্তুষ্ট হলো না। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (পরিমাণ আরও বাড়িয়ে) বললেনঃ তোমরা এই-এই পাবে। তারা তাতে রাযী হলো। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি লোকের সামনে খুতবা দানের সময় তোমাদের রাযী হওয়ার কথা উল্লেখ করবো। তারা বললোঃ ঠিক আছে। পরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুতবা দিতে গিয়ে বললেনঃ এই সকল লোক আমার নিকট কিসাস নিতে এসেছিল। আমি তাদের সামনে এত, এত মাল পেশ করায়, তারা রাযী হয়ে গেছে। তখন তারা বললোঃ না, আমরা রাযী হইনি। তখন মুহাজির লোকেরা তাদের প্রহার করতে উদ্যত হলে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে থামতে বললেন। তারা থেমে গেলেন। এরপর তিনি তাদেরকে ডেকে বলেনঃ তোমরা কি রাযী হও নি? তখন তারা বললোঃ হ্যাঁ, আমরা রাযী হলাম। তিনি বললেনঃ আমি লোকের মধ্যে খুতবা দেয়ার সময় তাদেরকে কি তোমাদের সন্তুষ্টির কথা জানিয়ে দেব? তারা বললোঃ হ্যাঁ। এরপর তিনি ভাষণ দানকালে জিজ্ঞাসা করলেনঃ তোমরা রাযী হলে তো? তারা বললোঃ হ্যাঁ।
أخبرنا محمد بن رافع، قال: حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة: أن النبي صلى الله عليه وسلم بعث أبا جهم بن حذيفة مصدقا، فلاحه رجل في صدقته، فضربه أبو جهم فأتوا النبي صلى الله عليه وسلم فقال: القود يا رسول الله، فقال: «لكم كذا وكذا» فلم يرضوا به. فقال: «لكم كذا وكذا» فرضوا به، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إني خاطب على الناس ومخبرهم برضاكم» قالوا: نعم، فخطب النبي صلى الله عليه وسلم فقال: «إن هؤلاء أتوني يريدون القود، فعرضت عليهم كذا وكذا فرضوا» قالوا: لا فهم المهاجرون بهم، فأمرهم رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يكفوا، فكفوا، ثم دعاهم قال: «أرضيتم؟» قالوا: نعم. قال: «فإني خاطب على الناس ومخبرهم برضاكم» قالوا: نعم، فخطب الناس ثم قال: «أرضيتم؟» قالوا: نعم
সুনান নাসাঈ > ধারালো অস্ত্র ছাড়া অন্য কিছু দ্বারা কিসাস নেয়া
সুনান নাসাঈ ৪৭৭৯
أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا خالد، عن شعبة، عن هشام بن زيد، عن أنس: أن يهوديا رأى على جارية أوضاحا فقتلها بحجر، فأتي بها النبي صلى الله عليه وسلم وبها رمق، فقال: «أقتلك فلان؟» فأشار شعبة برأسه يحكيها أن: لا فقال: «أقتلك فلان؟» فأشار شعبة برأسه يحكيها أن: لا، قال: «أقتلك فلان؟» فأشار شعبة برأسه يحكيها أن: نعم، فدعا به رسول الله صلى الله عليه وسلم فقتله بين حجرين
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ইয়াহূদী এক বালিকাকে রূপার অলংকার পরিহিত অবস্থায় দেখে প্রস্তরাঘাতে তাকে হত্যা করে। পরে লোকেরা ঐ বালিকাকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে আসে, আর তখনও তার প্রাণ অবশিষ্ট ছিল। তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করেনঃ তোমাকে কি অমুক ব্যক্তি হত্যা করেছে? সে মাথার ইঙ্গিতে জানায়, না। পরে তিনি ঐ ইয়াহূদীর নাম নিয়ে জিজ্ঞাসা করেনঃ তোমাকে কি ঐ ব্যক্তি মেরেছে? তখন সে মাথায় ইঙ্গিতে বলেঃ হ্যাঁ। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ ইয়াহূদীকে ডেকে পাঠান, এবং তার মাথাকে দুটি পাথরের মধ্যে রেখে প্রস্তর আঘাতে হত্যা করেন।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ইয়াহূদী এক বালিকাকে রূপার অলংকার পরিহিত অবস্থায় দেখে প্রস্তরাঘাতে তাকে হত্যা করে। পরে লোকেরা ঐ বালিকাকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে আসে, আর তখনও তার প্রাণ অবশিষ্ট ছিল। তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করেনঃ তোমাকে কি অমুক ব্যক্তি হত্যা করেছে? সে মাথার ইঙ্গিতে জানায়, না। পরে তিনি ঐ ইয়াহূদীর নাম নিয়ে জিজ্ঞাসা করেনঃ তোমাকে কি ঐ ব্যক্তি মেরেছে? তখন সে মাথায় ইঙ্গিতে বলেঃ হ্যাঁ। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ ইয়াহূদীকে ডেকে পাঠান, এবং তার মাথাকে দুটি পাথরের মধ্যে রেখে প্রস্তর আঘাতে হত্যা করেন।
أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا خالد، عن شعبة، عن هشام بن زيد، عن أنس: أن يهوديا رأى على جارية أوضاحا فقتلها بحجر، فأتي بها النبي صلى الله عليه وسلم وبها رمق، فقال: «أقتلك فلان؟» فأشار شعبة برأسه يحكيها أن: لا فقال: «أقتلك فلان؟» فأشار شعبة برأسه يحكيها أن: لا، قال: «أقتلك فلان؟» فأشار شعبة برأسه يحكيها أن: نعم، فدعا به رسول الله صلى الله عليه وسلم فقتله بين حجرين
সুনান নাসাঈ ৪৭৮০
أخبرنا محمد بن العلاء، قال: حدثنا أبو خالد، عن إسمعيل، عن قيس: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث سرية إلى قوم من خثعم، فاستعصموا بالسجود، فقتلوا فقضى رسول الله صلى الله عليه وسلم بنصف العقل وقال: «إني بريء من كل مسلم مع مشرك» ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ألا لا تراءى ناراهما»
কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাস‘আম গোত্রের দিকে একটি ছোট সেনাদল পাঠালেন। তারা সিজদার মাধ্যমে আত্মরক্ষা করতে চাইল, কিন্তু তবু তাদের হত্যা করা হল। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের সম্পর্কে অর্ধ দিয়াতের ফয়সালা দিলেন এবং বললেনঃ যে মুসলিম মুশরিকদের সাথে থাকে, ঐ সকল মুসলমানের সঙ্গে আমার কোন সম্পর্ক নেই। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ দেখ, মুসলমান মুশরিকদের সাথে বসবাস করতে পারে না। অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সাবধান! উভয় সম্প্রদায়ের রান্নার আগুন যেন পাশাপাশি দেখা না যায়।
কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাস‘আম গোত্রের দিকে একটি ছোট সেনাদল পাঠালেন। তারা সিজদার মাধ্যমে আত্মরক্ষা করতে চাইল, কিন্তু তবু তাদের হত্যা করা হল। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের সম্পর্কে অর্ধ দিয়াতের ফয়সালা দিলেন এবং বললেনঃ যে মুসলিম মুশরিকদের সাথে থাকে, ঐ সকল মুসলমানের সঙ্গে আমার কোন সম্পর্ক নেই। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ দেখ, মুসলমান মুশরিকদের সাথে বসবাস করতে পারে না। অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সাবধান! উভয় সম্প্রদায়ের রান্নার আগুন যেন পাশাপাশি দেখা না যায়।
أخبرنا محمد بن العلاء، قال: حدثنا أبو خالد، عن إسمعيل، عن قيس: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث سرية إلى قوم من خثعم، فاستعصموا بالسجود، فقتلوا فقضى رسول الله صلى الله عليه وسلم بنصف العقل وقال: «إني بريء من كل مسلم مع مشرك» ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ألا لا تراءى ناراهما»