সুনান নাসাঈ > দাসদের মধ্যে যখম ও অঙ্গহানির জন্য কিসাস নেই
সুনান নাসাঈ ৪৭৫১
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا معاذ بن هشام، قال: حدثني أبي، عن قتادة، عن أبي نضرة، عن عمران بن حصين، «أن غلاما لأناس فقراء قطع أذن غلام لأناس أغنياء، فأتوا النبي صلى الله عليه وسلم فلم يجعل لهم شيئا»
ইমরান ইব্ন হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
কয়েকজন গরীব লোকদের একটি গোলাম ছিল, সে ধনীদের এক দাসের কান কেটে ফেলে। সে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলে তিনি তার জন্য কিছুই সাব্যস্ত করেন নি।
ইমরান ইব্ন হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
কয়েকজন গরীব লোকদের একটি গোলাম ছিল, সে ধনীদের এক দাসের কান কেটে ফেলে। সে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলে তিনি তার জন্য কিছুই সাব্যস্ত করেন নি।
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا معاذ بن هشام، قال: حدثني أبي، عن قتادة، عن أبي نضرة، عن عمران بن حصين، «أن غلاما لأناس فقراء قطع أذن غلام لأناس أغنياء، فأتوا النبي صلى الله عليه وسلم فلم يجعل لهم شيئا»
সুনান নাসাঈ > দাঁতের কিসাস
সুনান নাসাঈ ৪৭৫২
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا أبو خالد سليمان بن حيان قال: حدثنا حميد، عن أنس: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى بالقصاص في السن وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «كتاب الله القصاص»
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁতের ব্যাপারে কিসাসের আদেশ দেন। তিনি বলেনঃ কিসাস হচ্ছে আল্লাহ্র বিধান।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁতের ব্যাপারে কিসাসের আদেশ দেন। তিনি বলেনঃ কিসাস হচ্ছে আল্লাহ্র বিধান।
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا أبو خالد سليمان بن حيان قال: حدثنا حميد، عن أنس: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى بالقصاص في السن وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «كتاب الله القصاص»
সুনান নাসাঈ ৪৭৫৩
أخبرنا محمد بن المثنى، قال: حدثنا محمد بن جعفر، قال: حدثنا شعبة، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «من قتل عبده قتلناه، ومن جدع عبده جدعناه»
সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার দাসকে হত্যা করবে, আমরা তাকে হত্যা করবো; আর যে ব্যক্তি তার দাসের অঙ্গ কাটবে, আমরা তার অঙ্গ কাটবো।
সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার দাসকে হত্যা করবে, আমরা তাকে হত্যা করবো; আর যে ব্যক্তি তার দাসের অঙ্গ কাটবে, আমরা তার অঙ্গ কাটবো।
أخبرنا محمد بن المثنى، قال: حدثنا محمد بن جعفر، قال: حدثنا شعبة، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «من قتل عبده قتلناه، ومن جدع عبده جدعناه»
সুনান নাসাঈ ৪৭৫৪
أخبرنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا: حدثنا معاذ بن هشام، قال: حدثني أبي، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، أن نبي الله صلى الله عليه وسلم قال: «من خصى عبده خصيناه، ومن جدع عبده جدعناه»، «واللفظ لابن بشار»
সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার দাসকে খাসি করবে, আমরা তাকে খাসি করে দেব এবং যে ব্যক্তি তার দাসের কোন অঙ্গ কাটবে, আমরা তার অঙ্গ কাটবো।
সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার দাসকে খাসি করবে, আমরা তাকে খাসি করে দেব এবং যে ব্যক্তি তার দাসের কোন অঙ্গ কাটবে, আমরা তার অঙ্গ কাটবো।
أخبرنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا: حدثنا معاذ بن هشام، قال: حدثني أبي، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، أن نبي الله صلى الله عليه وسلم قال: «من خصى عبده خصيناه، ومن جدع عبده جدعناه»، «واللفظ لابن بشار»
সুনান নাসাঈ ৪৭৫৫
أخبرنا أحمد بن سليمان، قال: حدثنا عفان، قال: حدثنا حماد بن سلمة، قال: حدثنا ثابت، عن أنس، أن أخت الربيع أم حارثة جرحت إنسانا، فاختصموا إلى النبي صلى الله عليه وسلم، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «القصاص القصاص» فقالت أم الربيع: يا رسول الله، أيقتص من فلانة؟ لا والله لا يقتص منها أبدا، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «سبحان الله، يا أم الربيع، القصاص كتاب الله» قالت: لا والله لا يقتص منها أبدا، فما زالت حتى قبلوا الدية قال: «إن من عباد الله من لو أقسم على الله لأبره»
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রুবায়্যি‘-এর বোন উম্মে হারিছা এক ব্যক্তিকে যখম করে। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ মোকদ্দমা দায়ের করা হয়। তিনি বলেনঃ কিসাস নেয়া হবে। তখন রুবায়্যির মা বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! তার থেকে কী বদলা নেয়া হবে ? আল্লাহ্র কসম ! তার থেকে কখনও বদলা নেয়া যাবে না। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সুব্হানাল্লাহ্ ! হে রুবায়্যি‘-এর মা ! কিসাস নেয়া তো আল্লাহ্র বিধান। সে বললোঃ আল্লাহ্র শপথ ! তার নিকট হতে কখনও কিসাস নেয়া যাবে না; এরূপ বলতে থাকলো। এমনকি তারা দিয়াত কবূল করে নিল। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলার কিছু বান্দা এমনও রয়েছে যে, যদি সে আল্লাহ্র উপর ভরসা করে কোন শপথ করে বসে, তবে আল্লাহ্ তা‘আলা তার শপথ সত্যে পরিণত করে দেন।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রুবায়্যি‘-এর বোন উম্মে হারিছা এক ব্যক্তিকে যখম করে। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ মোকদ্দমা দায়ের করা হয়। তিনি বলেনঃ কিসাস নেয়া হবে। তখন রুবায়্যির মা বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! তার থেকে কী বদলা নেয়া হবে ? আল্লাহ্র কসম ! তার থেকে কখনও বদলা নেয়া যাবে না। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সুব্হানাল্লাহ্ ! হে রুবায়্যি‘-এর মা ! কিসাস নেয়া তো আল্লাহ্র বিধান। সে বললোঃ আল্লাহ্র শপথ ! তার নিকট হতে কখনও কিসাস নেয়া যাবে না; এরূপ বলতে থাকলো। এমনকি তারা দিয়াত কবূল করে নিল। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলার কিছু বান্দা এমনও রয়েছে যে, যদি সে আল্লাহ্র উপর ভরসা করে কোন শপথ করে বসে, তবে আল্লাহ্ তা‘আলা তার শপথ সত্যে পরিণত করে দেন।
أخبرنا أحمد بن سليمان، قال: حدثنا عفان، قال: حدثنا حماد بن سلمة، قال: حدثنا ثابت، عن أنس، أن أخت الربيع أم حارثة جرحت إنسانا، فاختصموا إلى النبي صلى الله عليه وسلم، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «القصاص القصاص» فقالت أم الربيع: يا رسول الله، أيقتص من فلانة؟ لا والله لا يقتص منها أبدا، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «سبحان الله، يا أم الربيع، القصاص كتاب الله» قالت: لا والله لا يقتص منها أبدا، فما زالت حتى قبلوا الدية قال: «إن من عباد الله من لو أقسم على الله لأبره»
সুনান নাসাঈ > সামনের দাঁতের কিসাস
সুনান নাসাঈ ৪৭৫৬
أخبرنا حميد بن مسعدة، وإسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا بشر، عن حميد قال: ذكر أنس أن عمته كسرت ثنية جارية، فقضى نبي الله صلى الله عليه وسلم بالقصاص، فقال أخوها أنس بن النضر: أتكسر ثنية فلانة، لا والذي بعثك بالحق لا تكسر ثنية فلانة. قال: وكانوا قبل ذلك، سألوا أهلها العفو والأرش، فلما حلف أخوها وهو عم أنس، وهو الشهيد يوم أحد، رضي القوم بالعفو، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «إن من عباد الله من لو أقسم على الله لأبره»
হুমায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আনাস (রাঃ) বলেছেনঃ তার ফুফু এক বালিকার দাঁত ভেঙেছিল; তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিসাসের আদেশ দেন। তার ভাই আনাস ইব্ন নাযর জিজ্ঞাসা করলোঃ অমুকের দাঁত কি ভাঙ্গা হবে? যিনি আপনাকে সত্য নবী করে পাঠিয়েছেন, তাঁর শপথ করে বলছিঃ কখনও তার দাঁত ভাঙ্গা যাবে না। তারা এর পূর্বেই ঐ বালিকার ওয়ারিসদেরকে বলে রেখেছিল যে, তাকে ক্ষমা করে দাও, অথবা দিয়াত নাও। যখন তার ভাই আনাস ইব্ন নাযরের চাচা, যিনি উহুদ যুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন, শপথ করলেন, তখন তার ওয়ারিসরা তাকে ক্ষমা করার জন্য রাযী হয়ে গেল। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলার কোন কোন বান্দা এমন রয়েছে, যদি সে আল্লাহ্র উপর ভরসা করে শপথ করে বসে, তখন আল্লাহ্ তা'আলা তার শপথ সত্যে পরিণত করে দেন।
হুমায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আনাস (রাঃ) বলেছেনঃ তার ফুফু এক বালিকার দাঁত ভেঙেছিল; তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিসাসের আদেশ দেন। তার ভাই আনাস ইব্ন নাযর জিজ্ঞাসা করলোঃ অমুকের দাঁত কি ভাঙ্গা হবে? যিনি আপনাকে সত্য নবী করে পাঠিয়েছেন, তাঁর শপথ করে বলছিঃ কখনও তার দাঁত ভাঙ্গা যাবে না। তারা এর পূর্বেই ঐ বালিকার ওয়ারিসদেরকে বলে রেখেছিল যে, তাকে ক্ষমা করে দাও, অথবা দিয়াত নাও। যখন তার ভাই আনাস ইব্ন নাযরের চাচা, যিনি উহুদ যুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন, শপথ করলেন, তখন তার ওয়ারিসরা তাকে ক্ষমা করার জন্য রাযী হয়ে গেল। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলার কোন কোন বান্দা এমন রয়েছে, যদি সে আল্লাহ্র উপর ভরসা করে শপথ করে বসে, তখন আল্লাহ্ তা'আলা তার শপথ সত্যে পরিণত করে দেন।
أخبرنا حميد بن مسعدة، وإسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا بشر، عن حميد قال: ذكر أنس أن عمته كسرت ثنية جارية، فقضى نبي الله صلى الله عليه وسلم بالقصاص، فقال أخوها أنس بن النضر: أتكسر ثنية فلانة، لا والذي بعثك بالحق لا تكسر ثنية فلانة. قال: وكانوا قبل ذلك، سألوا أهلها العفو والأرش، فلما حلف أخوها وهو عم أنس، وهو الشهيد يوم أحد، رضي القوم بالعفو، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «إن من عباد الله من لو أقسم على الله لأبره»
সুনান নাসাঈ ৪৭৫৭
أخبرنا محمد بن المثنى، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا حميد، عن أنس قال: كسرت الربيع ثنية جارية، فطلبوا إليهم العفو، فأبوا، فعرض عليهم الأرش، فأبوا، فأتوا النبي صلى الله عليه وسلم فأمر بالقصاص، قال أنس بن النضر: يا رسول الله، تكسر ثنية الربيع لا والذي بعثك بالحق لا تكسر. قال: يا أنس، كتاب الله القصاص فرضي القوم، وعفوا. فقال: «إن من عباد الله من لو أقسم على الله لأبره»
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রুবায়্যি‘ এক বালিকার দাঁত ভেঙ্গে ফেললেন। তারপর তিনি তার ওয়ারিসদের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করলেন। কিন্তু ঐ বালিকার ওয়ারিসরা ক্ষমা করতে সম্মত হলো না। পরে দিয়ত দেওয়ার প্রস্তাব করলেও তারা সম্মত হলো না। পরে তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলে তিনি কিসাসের আদেশ দেন। তখন আনাস ইব্ন নাযর বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! রুবায়্যি‘-এর কি দাঁত ভেঙে দেয়া হবে ? না, যিনি আপনাকে নবী হিসাবে প্রেরণ করেছেন তাঁর শপথ ! কখনও তার দাঁত ভাঙ্গা যাবে না। তিনি বললেনঃ হে আনাস ! আল্লাহ্র কিতাবের মীমাংসা তো কিসাস। পরে ঐ লোকেরা সম্মত হয়ে গেল এবং ক্ষমা করে দিল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলার কোন কোন বান্দা এমন রয়েছে, যদি সে আল্লাহ্র উপর ভরসা করে কোন শপথ করে, তবে তিনি তা সত্যে পরিণত করে দেন।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রুবায়্যি‘ এক বালিকার দাঁত ভেঙ্গে ফেললেন। তারপর তিনি তার ওয়ারিসদের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করলেন। কিন্তু ঐ বালিকার ওয়ারিসরা ক্ষমা করতে সম্মত হলো না। পরে দিয়ত দেওয়ার প্রস্তাব করলেও তারা সম্মত হলো না। পরে তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলে তিনি কিসাসের আদেশ দেন। তখন আনাস ইব্ন নাযর বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! রুবায়্যি‘-এর কি দাঁত ভেঙে দেয়া হবে ? না, যিনি আপনাকে নবী হিসাবে প্রেরণ করেছেন তাঁর শপথ ! কখনও তার দাঁত ভাঙ্গা যাবে না। তিনি বললেনঃ হে আনাস ! আল্লাহ্র কিতাবের মীমাংসা তো কিসাস। পরে ঐ লোকেরা সম্মত হয়ে গেল এবং ক্ষমা করে দিল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলার কোন কোন বান্দা এমন রয়েছে, যদি সে আল্লাহ্র উপর ভরসা করে কোন শপথ করে, তবে তিনি তা সত্যে পরিণত করে দেন।
أخبرنا محمد بن المثنى، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا حميد، عن أنس قال: كسرت الربيع ثنية جارية، فطلبوا إليهم العفو، فأبوا، فعرض عليهم الأرش، فأبوا، فأتوا النبي صلى الله عليه وسلم فأمر بالقصاص، قال أنس بن النضر: يا رسول الله، تكسر ثنية الربيع لا والذي بعثك بالحق لا تكسر. قال: يا أنس، كتاب الله القصاص فرضي القوم، وعفوا. فقال: «إن من عباد الله من لو أقسم على الله لأبره»
সুনান নাসাঈ > কামড় দেওয়ার কিসাস এবং এ সম্পর্কে ইমরান ইব্ন হুসায়ন (রাঃ)-থেকে বর্ণনাকারীদের মধ্যে পার্থক্য
সুনান নাসাঈ ৪৭৫৮
أخبرنا أحمد بن عثمان أبو الجوزاء، قال: أنبأنا قريش بن أنس، عن ابن عون، عن ابن سيرين، عن عمران بن حصين، أن رجلا عض يد رجل فانتزع يده، فسقطت ثنيته، أو قال ثناياه، فاستعدى عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما تأمرني، تأمرني أن آمره أن يدع يده في فيك تقضمها كما يقضم الفحل، إن شئت فادفع إليه يدك حتى يقضمها ثم انتزعها إن شئت»
ইব্ন সীরীন (রহঃ) ইমরান ইব্ন হুসায়ন (রাঃ) থেকে থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তির হাতে কামড় দিল। যখন সেই ব্যক্তি তার হাত টেনে নিল, তাতে তার একটি দাঁত অথবা তিনি বলেন, কয়েকটি দাঁত পড়ে গেল। সে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ফরিয়াদ জানালো। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তুমি আমাকে কী আদেশ দিতে বল ? তুমি এই বল যে, আমি তাকে আদেশ করি এবং সে তার হাত তোমার মুখে দিয়ে রাখুক; আর তুমি তা চিবাতে দাও, যেমন জন্তু চিবিয়ে থাকে ? যদি তোমার ইচ্ছা হয়, তবে তোমার হাত তাকে চিবাতে দাও। তারপর বের করে নাও।
ইব্ন সীরীন (রহঃ) ইমরান ইব্ন হুসায়ন (রাঃ) থেকে থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তির হাতে কামড় দিল। যখন সেই ব্যক্তি তার হাত টেনে নিল, তাতে তার একটি দাঁত অথবা তিনি বলেন, কয়েকটি দাঁত পড়ে গেল। সে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ফরিয়াদ জানালো। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তুমি আমাকে কী আদেশ দিতে বল ? তুমি এই বল যে, আমি তাকে আদেশ করি এবং সে তার হাত তোমার মুখে দিয়ে রাখুক; আর তুমি তা চিবাতে দাও, যেমন জন্তু চিবিয়ে থাকে ? যদি তোমার ইচ্ছা হয়, তবে তোমার হাত তাকে চিবাতে দাও। তারপর বের করে নাও।
أخبرنا أحمد بن عثمان أبو الجوزاء، قال: أنبأنا قريش بن أنس، عن ابن عون، عن ابن سيرين، عن عمران بن حصين، أن رجلا عض يد رجل فانتزع يده، فسقطت ثنيته، أو قال ثناياه، فاستعدى عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما تأمرني، تأمرني أن آمره أن يدع يده في فيك تقضمها كما يقضم الفحل، إن شئت فادفع إليه يدك حتى يقضمها ثم انتزعها إن شئت»
সুনান নাসাঈ ৪৭৫৯
أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يزيد، قال: حدثنا سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن زرارة بن أوفى، عن عمران بن حصين، أن رجلا عض آخر على ذراعه فاجتذبها، فانتزعت ثنيته، فرفع ذلك إلى النبي صلى الله عليه وسلم، فأبطلها وقال: «أردت أن تقضم لحم أخيك كما يقضم الفحل؟»
যুরারা ইব্ন আওফা (রহঃ) ইমরান ইব্ন হুসায়ন (রাঃ) থেকে থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির বাহুর উপর কামড় দিল। সে হাত টেনে নিলে ঐ ব্যক্তির দাঁত পড়ে গেল। পরে এই মোকদ্দমা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে পেশ করা হলে তিনি দিয়াত বাতিল করে দেন এবং বলেনঃ তুমি জন্তুর ন্যায় নিজের ভাইয়ের মাংস চিবাতে চাও ?
যুরারা ইব্ন আওফা (রহঃ) ইমরান ইব্ন হুসায়ন (রাঃ) থেকে থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির বাহুর উপর কামড় দিল। সে হাত টেনে নিলে ঐ ব্যক্তির দাঁত পড়ে গেল। পরে এই মোকদ্দমা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে পেশ করা হলে তিনি দিয়াত বাতিল করে দেন এবং বলেনঃ তুমি জন্তুর ন্যায় নিজের ভাইয়ের মাংস চিবাতে চাও ?
أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يزيد، قال: حدثنا سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن زرارة بن أوفى، عن عمران بن حصين، أن رجلا عض آخر على ذراعه فاجتذبها، فانتزعت ثنيته، فرفع ذلك إلى النبي صلى الله عليه وسلم، فأبطلها وقال: «أردت أن تقضم لحم أخيك كما يقضم الفحل؟»
সুনান নাসাঈ ৪৭৬০
أخبرنا محمد بن المثنى، قال: حدثنا محمد بن جعفر، قال: حدثنا شعبة، عن قتادة، عن زرارة، عن عمران بن حصين قال: قاتل يعلى رجلا فعض أحدهما صاحبه، فانتزع يده من فيه، فندرت ثنيته، فاختصما إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: «يعض أحدكم أخاه كما يعض الفحل؟ لا دية له»
যুরার (রহঃ) ইমরান ইব্ন হুসায়ন (রাঃ) থেকে থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইয়ালা এক ব্যক্তির সাথে ঝগড়া করলো এবং তাদের একজন অন্যজনের হাতে কামড় দিল। সে তার মুখ থেকে নিজের হাত টেনে নিতেই অন্যজনের দাঁত পড়ে গেল। পরে উভয়ে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বিচারপ্রার্থী হলে আসল। তিনি বললেনঃ তোমাদের একেকজন তার ভাইকে কামড় দিবে আবার দিয়াতও চাইবে ? তার জন্য কোন দিয়াত নেই।
যুরার (রহঃ) ইমরান ইব্ন হুসায়ন (রাঃ) থেকে থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইয়ালা এক ব্যক্তির সাথে ঝগড়া করলো এবং তাদের একজন অন্যজনের হাতে কামড় দিল। সে তার মুখ থেকে নিজের হাত টেনে নিতেই অন্যজনের দাঁত পড়ে গেল। পরে উভয়ে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বিচারপ্রার্থী হলে আসল। তিনি বললেনঃ তোমাদের একেকজন তার ভাইকে কামড় দিবে আবার দিয়াতও চাইবে ? তার জন্য কোন দিয়াত নেই।
أخبرنا محمد بن المثنى، قال: حدثنا محمد بن جعفر، قال: حدثنا شعبة، عن قتادة، عن زرارة، عن عمران بن حصين قال: قاتل يعلى رجلا فعض أحدهما صاحبه، فانتزع يده من فيه، فندرت ثنيته، فاختصما إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: «يعض أحدكم أخاه كما يعض الفحل؟ لا دية له»
সুনান নাসাঈ ৪৭৬১
أخبرنا سويد بن نصر، قال: أنبأنا عبد الله، عن شعبة، عن قتادة، عن زرارة، عن عمران بن حصين، أن يعلى قال: في الذي عض فندرت ثنيته، إن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «لا دية لك»
যুরারা (রহঃ) ইমরান ইব্ন হুসায়ন (রাঃ) থেকে থেকে বর্নিতঃ
ইয়ালা বলেন, এক ব্যক্তি অন্যজনের হাতে কামড় দিলে তার দাঁত পড়ে যায়। রাসূলুল্লাহ, (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমার জন্য কোন দিয়াত নেই।
যুরারা (রহঃ) ইমরান ইব্ন হুসায়ন (রাঃ) থেকে থেকে বর্নিতঃ
ইয়ালা বলেন, এক ব্যক্তি অন্যজনের হাতে কামড় দিলে তার দাঁত পড়ে যায়। রাসূলুল্লাহ, (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমার জন্য কোন দিয়াত নেই।
أخبرنا سويد بن نصر، قال: أنبأنا عبد الله، عن شعبة، عن قتادة، عن زرارة، عن عمران بن حصين، أن يعلى قال: في الذي عض فندرت ثنيته، إن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «لا دية لك»
সুনান নাসাঈ ৪৭৬২
أخبرنا محمد بن عبد الله بن المبارك، قال: حدثنا أبو هشام، قال: حدثنا أبان، قال: حدثنا قتادة، قال: حدثنا زرارة بن أوفى، عن عمران بن حصين، أن رجلا عض ذراع رجل، فانتزع ثنيته، فانطلق إلى النبي صلى الله عليه وسلم فذكر ذلك له، فقال: «أردت أن تقضم ذراع أخيك كما يقضم الفحل؟» فأبطلها
যুরারা ইব্ন আওফা (রহঃ) ইমরান ইব্ন হুসায়ন (রাঃ) থেকে থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তির বাহু কামড়ে ধরে, ফলে তার দাঁত পড়ে যায়। সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গিয়ে তা বর্ণনা করলে তিনি বললেনঃ তুমি তোমার ভাইয়ের বাহু জানোয়ারের মত কামড়াতে চেয়েছিলে। তিনি তার দিয়াত বাতিল করে দিলেন।
যুরারা ইব্ন আওফা (রহঃ) ইমরান ইব্ন হুসায়ন (রাঃ) থেকে থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তির বাহু কামড়ে ধরে, ফলে তার দাঁত পড়ে যায়। সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গিয়ে তা বর্ণনা করলে তিনি বললেনঃ তুমি তোমার ভাইয়ের বাহু জানোয়ারের মত কামড়াতে চেয়েছিলে। তিনি তার দিয়াত বাতিল করে দিলেন।
أخبرنا محمد بن عبد الله بن المبارك، قال: حدثنا أبو هشام، قال: حدثنا أبان، قال: حدثنا قتادة، قال: حدثنا زرارة بن أوفى، عن عمران بن حصين، أن رجلا عض ذراع رجل، فانتزع ثنيته، فانطلق إلى النبي صلى الله عليه وسلم فذكر ذلك له، فقال: «أردت أن تقضم ذراع أخيك كما يقضم الفحل؟» فأبطلها